Blog

  • Supreme Court on Hijab row: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court on Hijab row: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের কোনও তুলনা চলতে পারে না, অভিমত দেশের শীর্ষ আদালতের। রুদ্রাক্ষ বা ক্রস থাকে পোশাকের ভিতরে যা বাইরে দেখা যায় না। কিন্তু হিজাব পরা হয় পোশাকের উপরে। যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধিকে লঙ্ঘন করতে পারে, বলে জানায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ।

    বুধবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হিজাব পরা নিয়ে মামলার শুনানি চলাকালীন, আইনজীবী ধর্মীয় প্রতীক হিসাবে রুদ্রাক্ষ বা ক্রস চিহ্ন পরে আসার উদাহরণ দিলে শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, “এই ধর্মীয় প্রতীক বা চিহ্নগুলি পোশাকের ভিতরে পরা হয়। কেউ পোশাক তুলে দেখান না যে তিনি রুদ্রাক্ষ বা ক্রস পরেছেন কি না। হিজাব পরার অধিকার নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি অমান্য হচ্ছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক।”

    কর্ণাটকের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু হওয়া হিজাব বিতর্কে গত কয়েকমাস ধরেই উত্তপ্ত দেশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাবের অধিকারের বিতর্ক গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছিল তৎকালীন বিচারপতি এনভি রমণার বেঞ্চে। পরবর্তীকালে এই মামলার শুনানি হয়  বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চে। বুধবার শুনানি চলাকালীন আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী দেবদত্ত কামতের এক প্রশ্নের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের তরফে প্রশ্ন করা হয়, “পোশাকের অধিকারের মধ্য়ে কি পোশাক খোলার অধিকারও পড়ছে?”

    আরও পড়ুন: শুরু হচ্ছে অ্যামাজন গ্রেট ইন্ডিয়ান ফেস্টিভাল সেল! জানুন কিসে মিলবে ছাড়

    মামলাকারীদের স্বপক্ষে আইনজীবী কামাত জানান যে পোশাক পরার অধিকার সংবিধানের বাক স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত। তিনি জানান, সংবিধানের ১৯(১) ধারায় নাগরিকদের সাধারণ অধিকারগুলিকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে এবং তা সংরক্ষণ করার কথাও বলা হয়েছে। পোশাক পরার অধিকারও মৌলিক অধিকারেরই অঙ্গ। তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত বলেন, “আপনি অযৌক্তিক পরিণতিতে নিয়ে যাবেন না। পোশাক পরার অধিকার মানে কি পোশাক খোলারও অধিকার রয়েছে?” জবাবে আইনজীবী বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনও পড়ুয়ার পোশাক খোলা হচ্ছে না।” আইনজীবীর এই যুক্তিতে কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়েই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত বলেন, “ধরে নেওয়া হল যে পোশাকের অধিকার নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের অংশ। তাহলে আপনি এটাও তো বলতে পারেন যে আমি পোশাক পরতে চাই না?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Swasthya Sathi: কার্ড দেখালেই বেসরকারি হাসপাতালে ‘বেড ফাঁকা নেই’, স্বাস্থ্য সাথী কি কেবল ‘বিজ্ঞাপন’?

    Swasthya Sathi: কার্ড দেখালেই বেসরকারি হাসপাতালে ‘বেড ফাঁকা নেই’, স্বাস্থ্য সাথী কি কেবল ‘বিজ্ঞাপন’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর পঞ্চান্নের ঈপ্সিতা দত্ত। বুকের চিন চিনে ব্যথা মাঝে মধ্যেই অনুভব করেন। চিকিৎসক নানান পরীক্ষা করে জানালেন তিনি হৃদরোগে ভুগছেন। দ্রুত অস্ত্রোপচার জরুরি। খরচ আনুমানিক চার লাখ টাকা। নিম্ন-মধ্যবিত্ত দত্ত পরিবারের কাছে নগদ টাকা না থাকলেও স্বাস্থ্য সাথী কার্ড (Swasthya Sathi) রয়েছে। কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলেন ঈপ্সিতা। কিন্তু অভিযোগ, ওই বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিলেন, তাঁদের হাসপাতালে বেড ফাঁকা নেই। তাই ঈপ্সিতা দেবীকে ভর্তি করানো যাবে না। তবে, অগ্রিম নগদ দিয়ে বেড বুক করিয়ে গেলে অবশ্য কিছু দিনের মধ্যে ব্যবস্থা করানো যাবে। 

    বছর তিরিশের তপন কর্মকার গলব্লাডার স্টোনের সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি রুবি হাসপাতালে যোগাযোগ করেন। অভিযোগ, স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের অধীনে চিকিৎসা করাবেন জানার পরেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন, অপেক্ষা করতে হবে। চিকিৎসকের কাছে রোগীর লম্বা লাইন। তাছাড়া শল্য চিকিৎসক বিশেষ নেই। তাই কবে অপারেশনের ডেট পাওয়া যাবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। 

    বাড়িতেই স্ট্রোক হয় বছর পয়ষট্টির অনিতা বসুর। মেয়ে নিয়ে যায় ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেসে। সেখানে নানান পরীক্ষা করে চিকিৎসক জানান, ভর্তি করানো জরুরি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিন্তু স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে পরিষেবা দিতে নারাজ। পরিবারের অভিযোগ, প্রথমে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হলেও কয়েক ঘণ্টা পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, আপাতত তাদের রোগী পরিষেবা দেওয়ার ক্ষমতা নেই। রোগীর চাপ অনেক। তাই অন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হোক। সরকারি হাসপাতালেও ভর্তির সুযোগ না পেয়ে অনিতা বসুর এখন বাড়িতেই চিকিৎসা চলছে। ফলে, শারীরিক অবস্থার বিশেষ উন্নতিও হচ্ছে না। 

    আরও পড়ুন: পুরুষের তুলনায় বাঙালি মহিলারা নিরাপদ যৌন সংসর্গে বেশি আগ্রহী, বলছে কেন্দ্রীয় রিপোর্ট

    অনিতা বসু, ঈপ্সিতা দত্ত কিংবা তপন কর্মকার কোনও ব্যতিক্রম নন। রাজ্যের অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে পরিষেবা পেতে গিয়ে এমনি নাজেহাল হচ্ছেন অধিকাংশ মানুষ। ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, রাজ্যের সব মানুষ নিখরচায় চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। শুধু সরকারি হাসপাতালে নয়, সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালে মানুষ এই পরিষেবা পাবেন। চিকিৎসা খরচ বাবদ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে পাওয়া যাবে। 

    যদিও মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তবের ছবিটার পার্থক্য অনেকটাই বলে মনে করছেন অনেকেই। আশঙ্কার মেঘ অবশ্য দেখা দিয়েছিল, রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যসচিবের কথায়। মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য সাথী নিয়ে ঘোষণা করার কয়েক দিনের মধ্যেই এক বৈঠকে তৎকালীন মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, নির্বাচনের আগে অন্তত কোনও বেসরকারি হাসপাতাল যাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা রোগীকে চিকিৎসা দিতে অস্বীকার না করে, সেটা সুনিশ্চিত করতে হবে। প্রশ্ন উঠেছিল, তাহলে কি স্বাস্থ্য সাথী শুধুই ‘বিজ্ঞাপন’? ভোট জয়ের অস্ত্র? সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের অধিকার কি সুনিশ্চিত হবে না? 

    হাসপাতালে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির ছবি যেন আশঙ্কাগুলোকেই সত্যি করছে। বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে প্রত্যেক অপারেশন ও চিকিৎসার যে প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে, তা কার্যত অবাস্তব। তাছাড়া স্বাস্থ্য সাথীর টাকা পাওয়ার পদ্ধতি ও বেশ দীর্ঘ প্রসারি। এক বেসরকারি হাসপাতালের কর্তা বলেন, “শুধুমাত্র দানের জন্য বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে তোলা হয় না। বেসরকারি হাসপাতালে বিনিয়োগ হয় লাভের জন্য। তিক্ত হলেও এটাই বাস্তব। কোনও শিল্পপতি, ব্যবসায়ী শুধুমাত্র সমাজের ভালোর জন্য বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে তোলেন না। লাভ করার জন্য গড়ে তোলেন। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে যে ভাবে বেসরকারি হাসপাতালকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, সেটা বাস্তব সম্মত না।” দক্ষিণ কলকাতার আরেক বেসরকারি হাসপাতালের কর্তা বলেন, “এই প্রকল্প শুরু করার আগে আমাদের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। আমাদের উপরে কার্যত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। একটা বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা করলে হয়তো সাধারণ মানুষ আরও ভালো পরিষেবা পেত। এভাবে সবাইকে অলাভজনক ভাবে দীর্ঘদিন পরিষেবা দিলে হাসপাতালে তালা পড়বে।”

    আরও পড়ুন: রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল নির্বাচন ‘নির্মল’ হবে কিনা সংশয়ে চিকিৎসকরা

    তবে, প্রশাসনের চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করতে না পেরে রোগী হয়রানিকে অবশ্য সমর্থন করছেন না চিকিৎসকরা। মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের কর্তা ও চিকিৎসক জানান, বেসরকারি হাসপাতালে একটি অস্ত্রোপচার করতে যে অর্থ চিকিৎসকের জন্য বরাদ্দ, তার থেকে কয়েক গুণ কমে স্বাস্থ্য সাথীতে চিকিৎসকদের পরিষেবা দিতে হয়। তাঁর কথায়, “এটা বাস্তব যে বেসরকারি হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসকদের একাংশের মধ্যে স্বাস্থ্য সাথী আওতায় থাকা রোগীকে পরিষেবা দিতে অনীহা দেখা যায়। তার কারণ, একটি অস্ত্রোপচার করতে একজন চিকিৎসক যে সময় বরাদ্দ করেন, স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে তিনি সেই অনুপাতে পারিশ্রমিক পান না। মনে রাখতে হবে, চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া একটা পেশা। শুধুই সমাজসেবা নয়।” 

    স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প নিয়ে স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশের মত, বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা না করলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে না। কম খরচে পরিষেবা দেওয়া নিয়ে আরও বেশি আলোচনা জরুরি। শুধুই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া নয়। বরং বেসরকারি হাসপাতালগুলো কী চাইছে, সেটাও শোনা জরুরি। কিন্তু খোলামেলা আলোচনা হয় না। বরং অধিকাংশ সময়েই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়। তাই প্রশাসনের সামনে নীরব থাকলেও পরে পরিষেবা দিতে চায় না বেসরকারি হাসপাতালগুলো। যার জেরে ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ মানুষ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suella Braverman: ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র সচিবের পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রেভারম্যান, জানেন তিনি কে?

    Suella Braverman: ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র সচিবের পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রেভারম্যান, জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত (Indian Origin) ঋষি সুনক। তবে ব্রিটিশ প্রশাসনের একেবারে কোর এরিয়ায় চলে এসেছেন আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুয়েলা ব্রেভারম্যান (Suella Braverman)। বছর ৪২ এর অ্যাটর্নি জেনারেল সুয়েলা হয়েছেন ব্রিটেনের পরবর্তী স্বরাষ্ট্র সচিব (Home secretary)। লিজ টাসের ক্যাবিনেটে জায়গা পেয়েছেন তিনি। আগে এই পদে ছিলেন প্রীতি প্যাটেল।

    ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন লিজ টাস। তার পরেই গঠন করছেন নয়া মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত আইনজীবী সুয়েলা ব্রেভারম্যানকে তিনি ওই পদে নিয়োগ করেছেন। জনসনের আমলে ওই পদে ছিলেন আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রীতি প্যাটেল। বছর ৪২ এর সুয়েলা কনজার্ভেটিভ পার্টির সাংসদ। দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের ফেয়ারহ্যাম কেন্দ্রের প্রতিনিধি তিনি। বরিসের প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় তিনি কাজ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে।

    আরও পড়ুন : অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী মানতে পারল না ব্রিটেন! জানেন কেন হারতে হল ঋষিকে?

    ১৯৮০ সালের ৩ এপ্রিল জন্ম সুয়েলার। তাঁর মা হিন্দু তামিল পরিবারের মেয়ে, নাম উমা। বাবা খ্রিষ্টি ফার্নান্দেজ। কেনিয়া থেকে এসেছিলেন। ২০১৫ সালের মে মাসে কনজার্ভেটিভ পার্টির টিকিটে ফেয়ারহ্যাম থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। পরে হন অ্যাটর্নি জেনারেল। পার্টগেট সহ একাধিক কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়ে পড়ায় বিদায় নিতে হয় বরিসকে। স্বাভাভিকভাবেই প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের। এই প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে শেষতক ছিলেন দুজন। একজন লিজ টেস, অন্যজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। ব্যালটে ভোটাভুটি হলে সুয়েলা সমর্থন করেন লিজকে। ওই ভোটে জিতে প্রধানমন্ত্রী হন লিজ। তাঁকে সমর্থনের পুরস্কার লিজ দেন সুয়েলাকে। তাঁকে নিয়োগ করা হয় স্বরাষ্ট্র সচিব পদে। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন সুয়েলা। ২০১৮ সালে বিয়ে করেন রাইল ব্রেভারম্যানকে। সুয়েলা ব্রেভারম্যান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তিনি নিয়মিত লন্ডন বুদ্ধিস্ট সেন্টারে যান। শপথও নেন বুদ্ধের প্রবচন উচ্চারণ করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anis Khan: সাক্ষী সরাতেই হামলা! আক্রান্ত হাওড়ার প্রয়াত ছাত্রনেতা আনিস খানের ভাই সলমন

    Anis Khan: সাক্ষী সরাতেই হামলা! আক্রান্ত হাওড়ার প্রয়াত ছাত্রনেতা আনিস খানের ভাই সলমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত ছাত্রনেতা আনিস খানের (Anis Khan) খুড়তুতো ভাই সলমন খানকে (salman khan) তাঁর  নিজের বাড়িতেই ধারাল অস্ত্র (sharp weapon) দিয়ে একাধিক কোপ (attack) মারল অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা। শুক্রবার গভীর রাতে হাওড়ার আমতায় বাড়িতেই আক্রান্ত হন সলমন।  আনিস কাণ্ডে অন্যতম সাক্ষী সলমন। সাক্ষী সরাতেই তাঁর ভাইয়ের উপর হামলা বলে জানিয়েছেন সলমনের দাদা সাবির খান। তাঁর দাবি, সলমনকে প্রাণে মারার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এর পিছনে রয়েছে। মাথায় গভীর ক্ষত নিয়ে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে (uluberia hospital) চিকিৎসাধীন সলমন। পুলিশি (west bengal police) নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও করেছে সলমনের পরিবার। 

    আরও পড়ুন: “চোরেদের রানি কে?”, নবান্ন অভিযানের আগে আলিপুরদুয়ারের সভায় প্রশ্ন শুভেন্দুর

    শুক্রবার রাত সওয়া ১টা নাগাদ ধারাল অস্ত্র নিয়ে সলমনের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে স্ত্রীর সামনেই সলমনের ওপর টাঙি দিয়ে আক্রমণ চালায় দুষ্কৃতীরা। মাথার পিছনের দিকে একাধিক অস্ত্রের কোপ মারায় রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সলমন। স্ত্রীর চিৎকারে সবাই ছুটে আসে। পরে সলমনকে আক্রান্ত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    আরও পড়ুন:ধরা পড়ল বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরী, জানেন কীভাবে?

    সলমনের পরিবারের অভিযোগ, আনিস মৃত্যুকাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী হওয়ায় সলমনকে আগেও হুমকির দেওয়া হয়েছিল। পুলিশের কাছে এপ্রসঙ্গে লিখিত অভিযোগও জানানো হয়। আনিস-কাণ্ডে সবসময়ই সক্রিয় থাকতেন সলমন। এই ঘটনার পর ফের সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছে আনিসের পরিবার। এমনকী সলমনের উপর হামলার অভিযোগ পাওয়ার প্রায় ঘণ্টা দেড়েক পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে বলে দাবি আনিসের পরিবারের। পুলিশ কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁদের। গোটা পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলেও জানান আনিস ও সলমনের দাদা সাবির।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • ED Raids: শনিবাসরীয় সকালে কলকাতার তিন জায়গায় হানা ইডি-র, কী উঠে এল?

    ED Raids: শনিবাসরীয় সকালে কলকাতার তিন জায়গায় হানা ইডি-র, কী উঠে এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবাসরীয় সকালে শহর কলকাতার (Kolkata) বিভিন্ন জায়গায় ফের হানা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate)। এদিন সকালে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের হয় ইডি-র ৩টি দল। শহরজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় তল্লাশি-অভিযান (ED raid in Kolkata)। ঠিক কী কারণে এই তল্লাশি, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    সূত্রের খবর, কলকাতার তিন জায়গা— পার্ক স্ট্রিট, মোমিনপুর ও গার্ডেনরিচে আজ হানা দিয়েছেন ইডি অফিসাররা। প্রতিটি দলে ২ জন মহিলা সহ রয়েছেন ৪ জন আধিকারিক। সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। একটি দল যায় পার্ক স্ট্রিট লাগোয়া ম্যাকলয়েড স্ট্রিটের ৩৬/১ এবং ৩৪/এ বহুতল আবাসনে। সেখানে এক আইনজীবীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চলে। দ্বিতীয় দলটি যায় গার্ডেনরিচে। সেখানে এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে চলে জোর তল্লাশি। তৃতীয় দলটি মোমিনপুরে ১৪ নম্বর বিন্দুবাসিনী স্ট্রিটে এক কাপড় ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে হানা দেয়। 

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মিথ্যে বয়ান দিতে দেবযানীকে চাপ সিআইডি-র! সিবিআইকে বিস্ফোরক চিঠি মায়ের

    সম্প্রতি রাজ্যে একাধিক মামলায় তদন্ত করছে সিবিআই ও ইডি। গত জুলাই মাসে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাতেই প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিল ইডি। পরে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের আবাসনে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল নগদ টাকা উদ্ধার করে। এছাড়া বিদেশি মুদ্রা, সোনার গয়নাগাটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। এর পরই গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপর থেকে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাতে দেখা গিয়েছে ইডি-কে। 

    এই কাণ্ডেই গত সোমবার ইডি আধিকারিকরা সোদপুরের রাজেন্দ্র পল্লিতে হানা দেন। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে মিডলম্যান হিসাবে যুক্ত সুব্রত মালাকারের বাড়ি ‘স্নেহদিয়া’য় পৌঁছন আধিকারিকরা। শুরু হয় তল্লাশি। প্রায় সাত ঘণ্টা পর ওইদিন বেলা তিনটে নাগাদ গ্রেফতার করা হয় সুব্রতকে। 

    আরও পড়ুন: দুয়ারে ইডি-সিবিআই! জেলে যেতে পারেন? নেতাদের জন্য রইল শরীর ঠিক রাখার টোটকা

    পাশাপাশি, কয়লাকাণ্ডেও এর আগে শহরজুড়ে তল্লাশি অভিযানে নেমেছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। পার্ক সার্কাস, মিডলটন স্ট্রিটে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিলেন আধিকারিকরা। মিডলটন স্ট্রিটের শেঠিয়া হাউস, একটি ট্রাভেল কোম্পানির অভিসে হানা দিয়েছিল ইডি। কলকাতার গোলপার্ক ও চেতলার দু’জায়গাতেও চলেছিল তল্লাশি। 

  • Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোরকে (Prashant Kishor) কোনও অফার দেওয়া হয়নি। সাফ জানিয়ে দিলেন জনতা দল ইউনাইটেড (jdu) প্রধান লালন সিং। জেডিইউয়ের ওই নেতা জানান, বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠক হলেও, তাঁকে দলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।

    এক সময় নীতীশের দল জেডিইউয়ের নেতা ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। পরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিরুপ মন্তব্য করায় ২০২০ সালে জেডিইউ থেকে বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে। তার পর থেকে আর নীতীশ-প্রশান্ত মুখোমুখি হননি। সম্প্রতি ফের একবার নীতীশ-প্রশান্ত বৈঠকে বসেন। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় প্রশান্তের পুরানো দল জনতা দল ইউনাইটেডেই ফিরছেন ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট। প্রশান্তকে যে সময় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়, সেই সময় বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার চালাচ্ছিলেন নীতীশ কুমার। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের সমালোচনা সহ্য করতে পারেননি জেডিইউ সুপ্রিমো। তার জেরেই বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    মাসদুয়েক আগে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও কংগ্রেসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েন নীতীশ। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী। তার পর এই প্রথম নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রশান্ত। জনতা দল ইউনাইটেড প্রধান লালন সিং শনিবার জানান, কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি বলেন, ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি মার্কেটিং করে চলেছেন। জনতা দল ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে তাঁকে কোনও অফার করা হয়নি। তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেই মতো দেখা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ভোট জয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রশান্তের একটি সংস্থা রয়েছে। নাম আইপ্যাক। প্রশান্তের এই সংস্থা বিভিন্ন দলের হয়ে কাজ করে। একুশের ভোটে প্রশান্তের সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে কাজ করেছিল তৃণমূলের হয়ে। অনেকেরই ধারণা, তার জেরেই ফের বাংলার ক্ষমতায় ফেরে তৃণমূল সরকার।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam Police: ফের জাল নোটের কারবার! আসামে জাল নোট ও জাল নোট তৈরি করার মেশিন সহ গ্রেফতার ৪ জন

    Assam Police: ফের জাল নোটের কারবার! আসামে জাল নোট ও জাল নোট তৈরি করার মেশিন সহ গ্রেফতার ৪ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল নোটের (Fake Currencies) বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল আসাম পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার, নগাঁও ও হোজাই জেলা থেকে জাল নোট কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে আসাম রাজ্যের পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের থেকে দুটি জাল ভারতীয় মুদ্রার নোট তৈরির মেশিন ও জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে।

    আসাম পুলিশ জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগাঁও জেলার কচুয়া থানা পুলিশের একটি দল কচুয়া এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযান চালিয়ে পুলিশ এলাকাতে একটি জাল নোট তৈরির মেশিন, ৫০০ টাকার ১০৩ নম্বরের জাল নোট, ৬ নম্বরের ৫০০ টাকার জাল নোট, A4 সাইজের কাগজের একটি বান্ডিল, একটি মোটরসাইকেল এবং তিনটি মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট বাজেয়াপ্ত করেছে। এই কাগজ এবং ওই মেশিন দিয়েই জাল টাকা ছাপানো হত বলেও অনুমান করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “চোরেদের রানি কে?”, নবান্ন অভিযানের আগে আলিপুরদুয়ারের সভায় প্রশ্ন শুভেন্দুর

    দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে আসাম পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম জালাল উদ্দিন, আর. ভ্যআনলালরুয়াতি, জোরামছানি। জানা গিয়েছে, জালালের বয়স ৩৫ বছর ও কচুয়ার বাসিন্দা ও বাকি দুজনের একজনের বয়স ৪২ ও আরেকজনের ৪০। এরা উভয়েই মিজোরামের আইজলের রামলুমের বাসিন্দা। অন্যদিকে পুলিশ হোজাই জেলার জোবোকা মিকিরাতি এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাল নোটসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে। এই ধৃতের নাম আব্দুল জলিল।

    এক পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর বলেন, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। আমরা তথ্য পেয়েছিলাম যে এক ব্যক্তি জাল নোটের কারবার করবে এবং তারপর আমরা কয়েকজন পুলিশ কর্মীকে সাধারণ পোশাকে সেই ব্যক্তিক কাছে পাঠাই। এরপরেই আমরা সেই ব্যক্তিকে জাল নোট, জাল নোট তৈরি করার মেশিন সহ আটক করেছি।“ পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই জাল নোট কারবারে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তদন্ত করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • T20 World Cup 2022: টি-২০ বিশ্বকাপের আগে ২টি ওয়ার্ম আপ খেলবে ভারত, কবে কার বিরুদ্ধে ম্যাচ?

    T20 World Cup 2022: টি-২০ বিশ্বকাপের আগে ২টি ওয়ার্ম আপ খেলবে ভারত, কবে কার বিরুদ্ধে ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপের (Asia Cup 2022)ফাইনালে উঠতে পারেনি ভারত। যাত্রা শেষ সুপার ফোরেই। এবার লক্ষ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2022)। বাইশ গজের বিশ্বযুদ্ধে নিজেদের প্রমাণ করতে মরিয়া টিম ইন্ডিয়া (Team India)। ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা  (Rohit Sharma) জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁরা। অক্টোবরেই শুরু বিশ্বকাপ। ২৩ অক্টোবর পাকিস্তানের (Pakistan) বিরুদ্ধে খেলেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারতীয় দল। এর আগে বৃহস্পতিবার ওয়ার্ম-আপ ম্যাচের সূচি প্রকাশ করল আইসিসি (ICC)। বিশ্বকাপে খেলতে নামার আগে কাদের বিরুদ্ধে ভারত প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তা জানিয়ে দিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল।

    আইসিসি জানিয়েছে, ১৭ অক্টোবর আয়োজক দেশ অস্ট্রেলিয়া ও ১৯ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারত। দু’টি ম্যাচই হবে ব্রিসবেনে। আইসিসি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘সুপার ১২-তে খেলা দেশগুলি ১৭ ও ১৯ অক্টোবর তাদের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। ব্রিসবেন ও অ্যালান বর্ডার স্টেডিয়ামে হবে খেলা। প্রস্তুতি ম্যাচে দর্শক মাঠে প্রবেশ করতে পারবে না। তবে ব্রিসবেনে যে চারটি খেলা হবে সেগুলি টেলিভিশনে দেখানো হবে। যদিও সেগুলি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের তকমা পাবে না।’

    আরও পড়ুন: এশিয়া কাপে বিদায় ভারতের, দাবি উঠছে আইপিএল বয়কটের

    ১৭ অক্টোবর যে চারটি প্রস্তুতি ম্যাচ হবে সেগুলি হল, ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান ও আফগানিস্তান বনাম বাংলাদেশ। ১৯ অক্টোবর হবে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ। সেগুলি হল, আফগানিস্তান বনাম পাকিস্তান, বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড একটি করে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • T20 WC India Team: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে প্রত্যাবর্তন বুমরাহ-হার্শলের, মূল দলে নেই শামি

    T20 WC India Team: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে প্রত্যাবর্তন বুমরাহ-হার্শলের, মূল দলে নেই শামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোটের কারণে এশিয়া কাপে খেলতে পারেননি ভারতের দুই মূল পেসার জাসপ্রীত বুমরাহ (Jasprit Bumrah) ও হার্শল প্যাটেল (Harshal Patel)। এই দুই বোলারের প্রভাব হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। সুপার ফোর থেকে বাদ পড়ে দল। তাই আসন্ন টি- টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আর সেই ঝুঁকি নিতে নারাজ দল। 

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষে দল (T20 World Cup Team) ঘোষণা করেছে ভারত। রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের মূল স্কোয়াডের পাশাপাশি স্ট্যান্ডবাই হিসেবে থাকছেন আরও চারজন। চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন মূল পেসার বুমরাহ, হার্শল। আছেন এশিয়া কাপ খেলা রবিচন্দ্রন অশ্বিন, দীনেশ কার্তিকের মতো সিনিয়ররা। বুমরাহ-হার্শাল ফিরলেও চোটের কারণে বিশ্বকাপে যাওয়া হচ্ছে না রবীন্দ্র জাদেজার। ডান হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হওয়ায় আপাতত মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে বাঁহাতি অলরাউন্ডারকে। এমনটাই জানিয়েছে বিসিসিআই।

    আরও পড়ুন: এশিয়া কাপ ফাইনালে পাকিস্তানের পরাজয়ে উল্লাস আফগানদের! রইল ভিডিও  

    মূল দল থেকে বাদ পড়েছেন পেসার মহম্মদ শামি (Mohd. Shami)। শামির জায়গা হয়েছে স্ট্যান্ডবাই তালিকায়। এশিয়া কাপে নিজের পারফরম্যান্সের কারণে দলে টিকে গিয়েছেন ভুবনেশ্বর।  

    বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়া আর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ভারত। আজ এই দুটি সিরিজের জন্যও দল ঘোষণা করেছে বিসিসিআই। এই দুটি সিরিজে রোহিত শর্মা আর বিরাট কোহলিকে বিশ্রাম দেওয়ার জল্পনা শোনা গিয়েছিল শুরুতে। কিন্তু মূল  টিমে নাম রয়েছে তাঁদের। এশিয়া কাপে বোলারদের ব্যর্থতার পর মহম্মদ শামিকে ফেরানোর দাবি উঠলেও তিনি জায়গা পাননি। ডানহাতি পেসারকে রাখা হয়েছে রিজার্ভ খেলোয়াড়দের দলে। 

    আরও পড়ুন: জাতীয় গেমসে অংশ নিচ্ছেন না নীরজ! সামনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ, চোটমুক্ত থাকাই লক্ষ্য

    টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারত দল

    রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদব, দীপক হুদা, রিশভ পান্ট, দিনেশ কার্তিক, হার্দিক পান্ডিয়া, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, যুজবেন্দ্র চাহাল, অক্ষর প্যাটেল, জাসপ্রীত বুমরাহ, ভূবনেশ্বর কুমার, হার্শল প্যাটেল, আর্শদীপ সিং।

    রিজার্ভ 

    মহম্মদ শামি, শ্রেয়াস আয়ার, রবি বিষ্ণোই, দীপক চাহার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Student Murder: মেধাবী ছাত্রকে অপহরণ করে খুন, বাগুইআটিকাণ্ডের ছায়া বীরভূমে?

    Student Murder: মেধাবী ছাত্রকে অপহরণ করে খুন, বাগুইআটিকাণ্ডের ছায়া বীরভূমে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের ছাত্র খুন (Student Murder)। বাগুইআটির জোড়া ছাত্র খুনের ঘটনার স্মৃতি এখনও টাটকা রাজ্যবাসীর। তার মধ্যেই ফের মেধাবী ছাত্র খুনের ঘটনা। এবার অবশ্য ঘটনাস্থল কলকাতা থেকে বেশ খানিকটা দূরে, বীরভূমে (Birbhum)। রবিবার সাত সকালে ইলামবাজার থানার চৌপাহাড়ির জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় সৈয়দ সালাউদ্দিনের দেহ। তাঁর গলার নলি কাটা ছিল। অভিযোগ, অপরহণ করে খুন করা হয়েছে ওই ছাত্রকে। সালাউদ্দিনের বাড়ি বীরভূমেরই খয়রাশোল থানার আহমদপুর গ্রামে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, সালাউদ্দিনের বাবা আবদুল মতিন পাথরের ব্যবসায়ী। সেই সূত্রে তিনি থাকতেন মল্লারপুর এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে। আসানসোলের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র ছিলেন বছর উনিশের সালাউদ্দিন।

    মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিকে যাবেন বলে বাড়িতে জানিয়েছিলেন সালাউদ্দিন। শনিবার সকালে চলেও যান পিকনিকে। তার পর আর তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। এদিন গভীর রাতে তাঁর বাবাকে ফোন করে দুষ্কৃতীরা বলে, সালাউদ্দিনকে অপহরণ করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, অপহরণকারীরা ৩০ লক্ষ টাকা মুক্তি পণ দাবি করে। পুলিশকে খবর দিলে সালাউদ্দিনকে মেরে ফেলা হবে বলেও ফোনে হুমকি দেয় অপহরণকারীরা। রাতেই সালাউদ্দিনের  পরিবারের লোকজন খবর দেন থানায়। রবিবার সকালে গলার নলি কাটা দেহ উদ্ধার হয় সালাউদ্দিনের। খবর পেয়ে এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    আরও পড়ুন : ধরা পড়ল বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরী, জানেন কীভাবে?

    ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই শেখ সলমন নামে এক তরুণকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সে সালাউদ্দিনের বন্ধু। কিছুদিন আগে সলমন সালাউদ্দিনের কাছে দু লক্ষ টাকা ধার চেয়েছিল। এই খুনের ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। পুলিশের একটি সূত্রের খবর, ধৃত সলমন সালাউদ্দিনকে খুনের কথা স্বীকার করেছে। তাঁকে বিরিয়ানি খাইয়ে পরে খাওয়ানো হয় মদ। অচৈতন্য হয়ে পড়লে করা হয় খুন। বাজারে সলমনের অনেক টাকা ধার ছিল। তাই বড়লোক বন্ধুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ছক কষেছিল সে।  

    ২২ অগাস্ট খুন হয় বাগুইআটির আট নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অতনু দে ও অভিষেক নস্কর। এলাকারই হিন্দু বিদ্যাপীঠের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল তারা। সেই ঘটনার পর এবার ফের ছাত্র খুন। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার হাল অন্যান্য রাজ্যের চেয়ে ভাল বলে বরাবরই দাবি করেন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সপ্তাহ তিনেকের মধ্যে তিন ছাত্রের খুনের ঘটনাই প্রমাণ করে দেয় তাঁর দাবি কতটা অসার!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share