Blog

  • National Herald Scam: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ১২ জায়গায় হানা ইডি-র

    National Herald Scam: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ১২ জায়গায় হানা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) সংবাদপত্রের অফিসে হানা ইডির (ED)। এদিন দিল্লির (Delhi) আরও ১১টি জায়গায় হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। ন্যাশনাল হেরাল্ড দুর্নীতি (National Herald Scam) মামলায় ইতিমধ্যেই ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কংগ্রেসের (Congress) অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)  ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi)। এবার ওই মামলায় ইডি হানা দিল দিল্লিরই ১২টা জায়গায়।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় নাম জড়ায় কংগ্রেসের। ওই মামলায় জেরা করার জন্য সাংসদ কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীকে তলব করে ইডি। রাহুল বিদেশে থাকায় নির্ধারিত সময়ে হাজিরা দিতে পারেননি। দেশে ফিরেই অবশ্য ইডি দফতরে হাজিরা দেন রাহুল। ছ দিন ধরে পঞ্চাশ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় রাহুলকে। রেকর্ড করা হয় তাঁর বয়ান। ওই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয় সোনিয়াকেও। তবে করোনা সংক্রমিত হওয়ায় নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দিতে পারেননি কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টও। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে হাজিরা দেন ইডি দফতরে। মোট তিন দফায় ন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জেরা করা হয় সোনিয়াকে। সূত্রের খবর, জিজ্ঞাসাবাদের সময় সোনিয়ার কাছে মূলত তিনটি বিষয় জানতে চাওয়া হয়। প্রথমত, ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডের মাধ্যমে ন্যাশনাল হেরাল্ড অধিগ্রহণের সময় সোনিয়া ও কংগ্রেস নেতারা কাদের সঙ্গে পরামর্শ করেছিলেন? দ্বিতীয়ত, ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডের শেয়ারহোল্ডার ছিলেন সোনিয়া। ন্যাশনাল হেরাল্ডের পাওনাদারদের বকেয়া মেটাতে হবে, এটা কী তিনি জানতেন না? তৃতীয়ত, অধিগ্রহণের পর কীভাবে ন্যাশনাল হেরাল্ডের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বিলি করা হয়েছিল?

    আরও পড়ুন : ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ম্যারাথন জেরা রাহুলকে, আজ ফের তলব

    ইডির এক আধিকারিক জানান, প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টে এদিন তল্লাশি চালানো হয়। অতিরিক্ত তথ্য জোগাড় করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, এদিন তল্লাশির সময় নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া ন্যাশনাল হেরাল্ড অফিসে কেউই উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেস সাংসদ উত্তর রেড্ডি বলেন, এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই নয়।

    আরও পড়ুন : পার্থ-অর্পিতার পর এবার কাকে জেরা করতে চলেছে ইডি, জানেন?

  • Coochbehar Accident: পিক-আপ ভ্যানে শর্ট-সার্কিট, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কোচবিহারে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর

    Coochbehar Accident: পিক-আপ ভ্যানে শর্ট-সার্কিট, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কোচবিহারে মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিক-আপ ভ্যানে বাজছিল ডিজে। পাশেই ছিল জেনারেটর। কখন যে তাতে শর্ট সার্কিট হয়ে গেছে, তা টেরই পাননি কেউ। তাতেই ঘটল বিপত্তি। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল ১০ পুণ্যার্থীর। 

    রবিবার গভীর রাতে চ্যাংরাবান্ধায় (Changrabandha) ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন কোচবিহারের শীতলকুচি থেকে প্রায় ১৫-২০ জন পুণ্যার্থী একটি পিক-আপ ভ্যানে চেপে জল্পেশের দিকে যাচ্ছিলেন। চ্যাংরাবান্ধার ধরলা সেতু পার হওয়ার পর  ময়নাগুড়ি-মাথাভাঙা সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। জেনারেটর থেকে সেই গাড়িতে শর্ট সার্কিট হয় বলে জানান কয়েকজন পুণ্যার্থী। আহত এক পুণ্যার্থী জানিয়েছেন, তাঁরা গাড়িতে জেনারেটরের সাহায্যে ডিজে বাজিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় জেনারেটর থেকে গাড়িটিতে শর্টসার্কিট হয়ে যায়। গাড়ির মধ্যে থাকা কয়েকজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লুটিয়ে পড়েন। চালক অসুস্থদের চ্যাংরাবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ১০ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। 

    আরও পড়ুন: গাড়ি ভর্তি টাকা! হাওড়ায় আটক ঝাড়খণ্ডের তিন বিধায়কের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজত

    জানা গিয়েছে, গাড়িতে চালক সহ ৩৬ জন ছিলেন। এর মধ্যে ঘটনার পরই ৭ জন অন্য গাড়িতে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। ১৪ জনকে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রেফার করা হয়। খবর পেয়ে রাতে চ্যাংরাবান্ধা হাসপাতালে যান মাথাভাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অমিত ভার্মা, মেখলিগঞ্জ পুলিশের এসডিপিও অরিজিত পাল চৌধুরী, ওসি রাহুল তালুকদার। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে।

    মৃতদের বাড়ি শীতলকুচিতে। ঘটনার জেরে এলাকায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাড়ির ছেলেকে আর ফিরে পাবেন না ভাবতেই পারছেন না মৃতদের পরিবারের সদস্যরা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে কোন গাফিলতিতে অকালে ঝরে গেল এতগুলো প্রাণ। প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও।

    প্রশ্ন উঠছে গাড়িতে এমনিতেই ডিজে বাজানো নিষিদ্ধ। তার ওপরে জেনারেটর সেট গাড়িতে রাখা হয়েছে যেটা অত্যন্ত বিপদজনক। এছাড়াও গাড়িতে ডিজের অপারেটর থাকলেও জেনারেটর সেটের কোনও অপারেটর ছিলেন না। যাঁরা গাড়িতে ছিলেন তাঁরাও জেনারেটর পরিচালনায় দক্ষ নন। ফলে জলে ভিজে  কি বিপদ হতে পারে তা নিয়ে কোনও ধারণাই ছিল না গাড়িতে সওয়ার যাত্রীদের। এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। সোমবার মেখলিগঞ্জে যান পুলিশের ডিআইজি সি সুধাকর। সঙ্গে ছিলেন কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপার সুমিত কুমার, মাথাভাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অমিত ভার্মা, এসডিপিও অরিজিৎ পাল চৌধুরী।

    আরও পড়ুন: চালু হয়ে গেল সিউড়ি-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস, জনতার মুখে জগন্নাথ-স্তুতি

  • Homage paid to Axel: জঙ্গির গুলিতে নিহত ‘শহিদ’ অ্যাক্সেলকে শেষ বিদায় ভারতীয় সেনার

    Homage paid to Axel: জঙ্গির গুলিতে নিহত ‘শহিদ’ অ্যাক্সেলকে শেষ বিদায় ভারতীয় সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গির গুলিতে নিহত শারমেয় অ্যাক্সেলকে (Axel) শহিদ তকমা দিয়ে শ্রেষ শ্রদ্ধা জানাল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। শনিবার জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) এক জঙ্গি দমন অভিযানে গিয়ে মৃত্যু হয় অ্যাক্সেলের। ভারতীয় সেনা সূত্রের খবর, সেনাবাহিনীর এই কুকুরটির মাথায় মোট তিনটি গুলি লাগে এবং তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হয় তার। ঘটনাটি ঘটেছে বারামুল্লার ওয়ানিগামে (Wanigam)। 

    পুলিশ জানায়, মোট পাঁচ ঘন্টা ধরে চলা এনকাউন্টারে আখতার হুসেন ভাট নামে এক জঙ্গি নিহত হয়েছে এবং সংঘর্ষে দুই সেনা ও একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বারামুল্লার সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ মহম্মদ রইস ভাট বলেছেন, জঙ্গিরা ওয়ানিগাম গ্রাম ঘিরে ফেললে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি রাইফেল, তিনটি ম্যাগাজিন এবং একটি থলি উদ্ধার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নৌসেনার হাতে এল দেশে তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত, অন্তর্ভুক্তি কবে?

    শনিবার কাশ্মীরের বারামুলা জেলায় জঙ্গি দমন অভিযানে অংশ নেয় বেলজিয়ান মালিনোয়া প্রজাতির কুকুর অ্যাক্সেল। বারামুলার ওয়ানিগম বালা গ্রামে দুই জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে খবর পায় সেনা। এরপরই তল্লাশি অভিযানে নামে করে ২৬ রাষ্ট্রীয় রাইফেল। এই অভিযানেই ছিল ২৬ আর্মি ডগ ইউনিটের দুই সেনা কুকুর বয়সি অ্যাক্সেল ও বাজাজ। দুজনেরই বয়স দু বছর। 

    যে বাড়িতে জঙ্গিরা লুকিয়ে আছে বলে খবর পায় সেনা, সেটিতে প্রথমে তল্লাশি চালায় বাজাজ। সে খালি হাতে ফিরে এলে, এরপর ময়দানে নামে অ্যাক্সেল। প্রশিক্ষকের নির্দেশে পর পর দুটি ঘরে তল্লাশি চালায় সে। দ্বিতীয় ঘরটিতে ঘাপটি মেরে বসে ছিল এক জঙ্গি। সে অ্যাক্সেলকে লক্ষ্য করে পর পর তিনটি গুলি চালায়। সেনাদের দাবি, ওই অবস্থাতেও ছুটে গিয়ে জঙ্গির শরীরে দাঁত বসিয়ে দেয় অ্যাক্সেল। ফলে জঙ্গিকে পাকড়াও করা সেনা পক্ষে আরও সহজ হয়ে যায়। কিন্তু মৃত্যু হয় অ্যাক্সেলের।

    আরও পড়ুন: ১৯১টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করল ভারতীয় সেনার শর্ট সার্ভিস কমিশন

    অ্যাক্সেলের মৃত্যুতে ট্যুইট করে শোকপ্রকাশ করে চিনার কর্পস ব্যাটেলিয়ন। লেখা হয়, তোমাকে ধন্যবাদ অ্যাক্সেল। রবিবার সেনা আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ২৬ আর্মি ডগ ইউনিটের এলাকায় সমাধিস্থ করা হয় অ্যাক্সেলকে। 

     

    তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, আক্রমণাত্মক আচরণ এবং ক্লান্তিহীনতার জন্যে এই বিশেষ জাতের কুকুরকে বিভিন্ন জঙ্গি দমন অভিযানে ব্যবহার করে তদন্ত সংস্থা এবং ভারতীয় সেনা। এই কুকুরকে প্রথম নকশাল দমন অভিযানে কাজে লাগায় সিএরপিএফ। 

    এছাড়াও ভারতীয় সেনা বিভিন জঙ্গি অভিযানে ল্যাবরেডর, জার্মান শেফার্ড নিয়ে যায়। তুষারাচ্ছন্ন এলাকায় ব্যবহার করা হয় গ্রেট সুইস মাউন্টেন ডগ। এছাড়াও রয়েছে ককার স্যানিয়েলস। 

     

     

       

  • Amit Shah Suvendu Meet: “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    Amit Shah Suvendu Meet: “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দিল্লিতে অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে বৈঠক করলেন শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী। এসএসসি দুর্নীতির (SSC scam) তদন্তের বিষয়ে জানানোর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে (Union Home Minister) বাংলার প্রায় ১০০ জন তৃণমূল (TMC) নেতার নাম জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (West Bengal Opposition Leader)। এছাড়া ওই বৈঠকে কথা হয়েছে বাংলায় নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) প্রয়োগ নিয়েও। এদিন বেলা বারোটায় সংসদ ভবনে অমিত শাহের অফিসে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু৷ প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে দু’ জনের মধ্যে একান্তে কথা হয়৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা ট্যুইট করে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা৷ তিনি নিজেই জানিয়েছেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ড এবং সিএএ নিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে৷

    আরও পড়ুন: মাথায় লাগলে শান্তি পেতাম, পার্থকে জুতো ছুড়ে বললেন মহিলা

    বৈঠক শেষ করে বেরিয়ে এসে শুভেন্দু বলেন, ‘তৃণমূল নেতা-নেত্রী-সহ ১০০ জনের নাম জমা দিয়েছি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। ৪ বিধায়কের লেটারপ্যাড-সহ বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ জমা দিয়েছি’। বৈঠকের পর অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। তিনি আরও বলেন, ‘ আমি ১০০’র বেশি বিধায়ক এবং তৃণমূলের কালেক্টরের নাম কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিয়েছি। যারা বাংলায় এই ঘুষের চক্র চালিয়েছে, এবং টাকা তুলেছে।’ পরে ট্যুইটারে শুভেন্দু লেখেন, ‘সংসদ ভবনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ৪৫ মিনিট ধরে কথা বলতে পেরে আমি সম্মানিত৷ পশ্চিমবঙ্গ সরকারী কীভাবে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে, তা তাঁকে জানিয়েছি৷ যত দ্রুত সম্ভব সিএএ চালু করার জন্যও তাঁকে অনুরোধ করেছি৷’

     

    সূত্রের খবর, বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) গ্রেফাতারি ও এসএসসি দুর্নীতি শাসকদলকে চাপে ফেলতে বিজেপির আগামীদিনের কর্মসূচী নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিজেপি (BJP) চাইছে রাজ্যের এসএসসি দুর্নীতি ইস্যুকে জাতীয় স্তরে নিয়ে যেতে। সূত্রের খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির ঘটনাকে অস্ত্র করে কীভাবে রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলা যায়, তা নির্ধারণ করার জন্য বিরোধী দলনেতাকে পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর সংসদে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh), সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan) সহ বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু৷ এরপর প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankhar) সঙ্গে দেখা করতে যান শুভেন্দু৷

    আরও পড়ুন: “আমার অনুপস্থিতিতে ঘরে…”, এবার মুখ খুললেন অর্পিতা, করলেন বিস্ফোরক অভিযোগ

    আগামী ৭ অগাস্ট নীতি আয়োগের (Niti Aayog) বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, দিল্লি (Delhi) সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা বৈঠকের সম্ভাবনা আছে। বিরোধীদের অভিযোগ, বাংলায় (West Bengal) ইডি সক্রিয় হয়ে ওঠায়, গোপন বোঝাপড়ার জন্য দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “যখন উনি সংকটে পড়েন, ত্রাহি মধুসূদনম বলে দিল্লি চলে যান। নিজের লোকেরা বিগড়ে যাচ্ছে এইসব দেখতে ভালো লাগে না তাই একটু শান্তির জন্য দিল্লি যাচ্ছেন।

  • Sanjay Raut: সঞ্জয় রাউতকে চার দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল আদালত, খেতে পারবেন বাড়ির খাবার, ওষুধ 

    Sanjay Raut: সঞ্জয় রাউতকে চার দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল আদালত, খেতে পারবেন বাড়ির খাবার, ওষুধ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবিসেনা (Shiv Sena) মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতকে (Sanjay Raut) চার দিনের ইডি হেফাজতে (ED Custody) পাঠাল আদালত। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা আট দিনের হেফাজত চাইলেও, সেই দাবিতে রাজী হয়নি বিশেষ আদালত। ইডি হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে শিবসেনা সাংসদকে বাড়ির খাবার এবং ওষুধ খাওয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত। ৪ অগাস্ট অবধি এই সময়ে সঞ্জয় রাউতকে সমস্ত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদানের জন্যে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

    জমি দুর্নীতি (Land Scam) মামলায় গ্রেফতার শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত। টানা ছ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সঞ্জয় রাউতকে গ্রেফতার করে ইডি (ED)। ‘পাত্রা চওল’ নামের একটি বস্তির পুনর্নির্মাণের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর বাড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকার পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: জমি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত

    ইডি সূত্রে খবর, সঞ্জয় রাউতের মুম্বইয়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। জানা গিয়েছে, ৩১ জুলাই সকাল ৭টা নাগাদ সিআইএসএফ জওয়ানদের নিয়ে পূর্ব মুম্বইয়ের বান্ডাপে সঞ্জয়ের বাড়িতে পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হওয়ার পরেই তাঁকে আটক করে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে সন্ধ্যাবেলায় ইডির কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশেষে টানা ছ ঘণ্টার জেরার পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।

    কী এই পাত্রা চওল মামলা? 

    উত্তর মুম্বইয়ের গোরেগাঁও – এ অবস্থিত এই পাত্রা চওল (বস্তি)। গুরু আশিস কন্সট্রাকশন এই চওল পূননির্মাণের দায়িত্ব পায়। ৬৭২টি পরিবারকে নতুন বাড়ি দেওয়ার জন্যে ২০০৭ সালে মহারাষ্ট্র এরিয়া ডেভলপমেন্ট অথরিটির সঙ্গে চুক্তি সাক্ষর হয়। এবং বাকি জায়গা ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে বিক্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কাগজেই শেষ সেই চুক্তি। গত ১৪ বছর ধরে নতুন বাড়ি পাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন ভাড়াটেরা। ইডির দাবি, গুরু আশিস কন্সট্রাকশন এবং সঞ্জয় রাউত ঘনিষ্ঠ প্রবীণ রাউতের এই যৌথ উদ্যোগে একটি ফ্ল্যাটও তৈরি হয়নি আজ অবধি। বরং জায়গাটি ৯০১.৭৯ কোটি টাকার বিনিময়ে ৯ জন পাইভেট ডেভলপারকে বেঁচে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, গুরু আশিস কন্সট্রাকশনও সেখানে একটি নতুন প্রজেক্ট শুরু করেছে। ফ্ল্যাট ক্রেতাদের থেকে ১৩৮ কোটি টাকা অগ্রিমও নেওয়া হয়েছে। সমস্যা তখন শুরু হয় যখন ভাড়াটেরা গুরু আশিস কন্সট্রাকশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল এই সংস্থা তাঁদের বাড়ি ভাড়া দিচ্ছে না। যেখানে যতদিন ভাড়াটেরা নতুন ঘর পাচ্ছেন না ততদিন তাঁদের বাড়ির ভাড়া দেওয়ার কথা ছিল ওই সংস্থার। কিন্তু তা দেওয়া হয়নি। ২০১৪-২০১৫ সাল অবধিই বাড়ি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। তারপর তা বন্ধ করে দেয় সংস্থা।

    আরও পড়ুন: উদ্ধব ঘনিষ্ঠ শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতের বাড়িতে ইডি-র হানা, কেন জানেন?  

    এরপরেই  গুরু আশিস কন্সট্রাকশনকে উচ্ছেদের নোটিস দেয় মহারাষ্ট্র এরিয়া ডেভলপমেন্ট অথরিটি। কিন্তু যেই ৯ প্রাইভেট ডেভলপার জমি কিনেছিলেন তাঁরা বম্বে হাইকোর্টে নিয়ে যান মামলাটি। ২০২১ সালে মন্ত্রিসভা ফের চওলের পূননির্মাণের অনুমতি দেয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয় সেই কাজ। 

    ইডির দাবি, এই পুরো বিষয়টিতে মোট ১,০৩৯.৭৯ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তার মধ্যে ১০০ কোটি টাকা পেয়েছেন প্রবীণ রাউত। এই টাকাটি তাঁর পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। এর মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় রাউতের পরিবার। ইডির আরও দাবি, একটি অপরাধমূলক কাজের বিষয়ে ২০১০ সালে ৮৩ লক্ষ টাকা সরাসরি নিয়েছিলেন।

  • DGCA Chief Arun Kumar: দেশের অসামরিক বিমান পরিষেবা ‘সম্পূর্ণ নিরাপদ’, দাবি ডিজিসিএ প্রধানের

    DGCA Chief Arun Kumar: দেশের অসামরিক বিমান পরিষেবা ‘সম্পূর্ণ নিরাপদ’, দাবি ডিজিসিএ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক মাস ধরেই একের পর এক বিমান দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে। একাধিকবার বিমানের প্রযুক্তিগত সমস্যা সামনে এসেছে। কখনও বিমানের কেবিনে পোড়া গন্ধ, আবার কখনও ইঞ্জিনে আগুন ইত্যাদি। ফলে কতবার যে বিমানের জরুরি অবতরণ করাতে বাধ্য হয়েছে পাইলটরা তার ঠিক নেই। তবে এবারে এবিষয়ে মুখ খুললেন ডিরেক্টরেট জেনারেল সিভিল অ্যাভিয়েশনের প্রধান অরুণ কুমার (Directorate General of Civil Aviation chief Arun Kumar)। রবিবার, তিনি তিনি এবিষয়ে বলতে গিয়ে দাবি করেন যে, দেশটির অসামরিক বিমান পরিষেবা ‘সম্পূর্ণ নিরাপদ’ এবং আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান পরিষেবা সংস্থার (ICAO) দ্বারা নির্ধারিত সমস্ত প্রোটোকল মেনে চলা হয়।

    তিনি দাবি করেছেন, গত ১৬ দিনে যে যে বিমান দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে তাতে তেমন কোনও গুরুতর বিপদ হয়নি। আর যে সমস্ত বিমানে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা গিয়েছিল সেগুলো এদেশের নয় বিদেশি বিমান সংস্থা বিমান ছিল। ফলে তিনি ভারতের জনগণকে বলেছেন আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানান, এমন দুর্ঘটনা সমস্ত বিমান সংস্থার সঙ্গেই ঘটে থাকে। গত ১৬ দিনে যে ১৫ টি বিমানের প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা গিয়েছে তাও ইতিমধ্যে ঠিক করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, পাকিস্তানের মাটিতে জরুরি অবতরণ ইন্ডিগোর বিমানের

    তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রায় এক ডজনেরও বেশি ঘটনা যেখানে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা গিয়েছে, তাদের নজরে পড়েছে। বিশেষ করে স্পাইসজেটের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা গিয়েছে, তাই তিনি এই বিমান সংস্থার ওপরে বিশেষ নজর রাখবেন বলে জানিয়ছেন তিনি।

    অন্যদিকে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক (civil aviation ministry) জানিয়েছে, এই বছরের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এই তিন মাসের মধ্যে প্রযুক্তির ত্রুটির কারণে মোট ১৫০ টি ঘটনা ঘটেছে। আবার, গত বৃহস্পতিবার, অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (Civil Aviation Minister Jyotiraditya Scindia) লোকসভায় বলেছিলেন যে গত এক বছরে অর্থাৎ ২০২১-এর ১ জুলাই থেকে ২০২২-এর ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ৪৭৮ টি প্রযুক্তিগত ত্রুটির খবর পাওয়া গেছে। ফলে ডিজিসিএ-এর তরফে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আর এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হল নজরদারি করা, স্পট চেক করা ইত্যাদি।

    আরও পড়ুন: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

  • Amit Shah on CAA: সিএএ কবে থেকে লাগু হবে জানেন? কী বললেন অমিত শাহ?

    Amit Shah on CAA: সিএএ কবে থেকে লাগু হবে জানেন? কী বললেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিএএ (CAA) কবে লাগু হবে? প্রশ্ন গোটা দেশেই। এবার তার উত্তর দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার তিনি জানান, দেশে কোভিড-১৯ (Covid-19) টিকাকরণ (Vaccination) শেষ হলেই লাগু হবে নাগরিকত্ব আইন। পাকিস্তান (Pakistan), বাংলাদেশ (Bangladesh) ও আফগানিস্তানের (Afghanistan) নিপীড়িত অ-মুসলিম সংখ্যালঘু বাসিন্দা যাঁরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের স্বীকৃতি দিতেই ওই আইন লাগু হবে।

    এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পার্লামেন্ট হাউসে তিনি শাহের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেই তাঁকে এই আশ্বাস দেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। বঙ্গ বিজেপির নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দিল্লি গিয়েছেন শুভেন্দু। মঙ্গলবার দেখা করেন শাহের সঙ্গে। তখনই সিএএ নিয়ে এই আশ্বাস পান।

    আরও পড়ুন :২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

    করোনার কারণে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরণ। নিখরচায় দেশবাসীকে টিকা দিয়েছে মোদি সরকার। প্রথম দুটি ডোজ দেওয়া হয়ে গিয়েছিল আগেই। বাকি ছিল বুস্টার ডোজ। করোনার ভ্রুকুটি দেখা দিতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বুস্টার ডোজ প্রদানও। এটিও মিলছে মুফতে। এই বুস্টার ডোজ প্রদান শেষ হলেই সিএএ লাগু হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর শুভেন্দু জানান, করোনার টিকাকরণ চলছে। এই কাজ শেষ হলেই শুরু হবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সিএএ লাগুর কাজ। তিনি জানান, টিকাকরণ শুরু হয়েছে এপ্রিলে। শেষ হতে মাস নয়েক লাগবে। সিএএ লাগু করতে সরকার যে পিছপা হবে না, তা নিউ জলপাইগুড়ির একটি অনুষ্ঠানে চলতি বছরের মে মাসেই জানিয়ে দিয়েছিলেন শাহ। সেদিনও তিনি জানিয়েছিলেন, করোনা টিকাকরণ শেষ হলেই সিএএ লাগুর দিকে পদক্ষেপ করা হবে। প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপির হারের পর এটাই ছিল শাহের প্রথম বাংলা সফর।

    সিএএর মূল লক্ষ্যই হল পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানে নিপীড়িত সংখ্যালঘু হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্শি এবং খ্রিস্টান যাঁরা এদেশে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এদেশে এসেছেন, তাঁদের নাগরিত্ব দেওয়া। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে পাশ হয়েছে সিএএ। যার জেরে দেশজুড়ে হয়েছে বিক্ষোভও। তার পরেও সরকার যে সিএএ লাগু করতে চায়, এদিন শাহের কথায় ফের মিলল তার প্রমাণ।

    আরও পড়ুন : “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

     

  • Sanjay Raut: জমি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত

    Sanjay Raut: জমি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দুর্নীতি (Land Scam) মামলায় গ্রেফতার শিবসেনা (Shiv Sena) নেতা সঞ্জয় রাউত। টানা ছ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সঞ্জয় রাউতকে (Sanjay Raut) গ্রেফতার করল ইডি (ED)। একটি বস্তির পুনর্নির্মাণের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর বাড়ি থেকে লক্ষাধিক টাকার পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার হয়েছে। সোমবারই তাঁকে আদালতে তোলা হবে। এদিকে, দলীয় সাংসদের গ্রেফতারিতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিবসেনা।  

    ইডি সূত্রে খবর, সঞ্জয় রাউতের মুম্বইয়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। জানা গিয়েছে, ৩১ জুলাই সকাল ৭টা নাগাদ সিআইএসএফ জওয়ানদের নিয়ে পূর্ব মুম্বইয়ের বান্ডাপে সঞ্জয়ের বাড়িতে পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হওয়ার পরেই তাঁকে আটক করে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে সন্ধ্যাবেলায় ইডির কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশেষে টানা ছ ঘণ্টার জেরার পর তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি।

    আরও পড়ুন: উদ্ধব ঘনিষ্ঠ শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতের বাড়িতে ইডি-র হানা, কেন জানেন?    

    এদিকে, সঞ্জয় রাউতের গ্রেফতারির ঘটনায় মুখ খুলেছেন একনাথ শিন্ডে। মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রীর (Eknath Shinde) বক্তব্য, “সঞ্জয় রাউত যদি নির্দোষ হন, এটাই চাই। তবে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ থেকে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তিনি তো বলেছেন কোনও ভুল করেননি।”

    জমি সংক্রান্ত আর্থিক তছরুপের ঘটনায় তাঁকে একাধিকবার তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। তবে প্রথমবার হাজিরা দিলেও পরের দুবার তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। আর্থিক বেনিয়ম এবং দুর্নীতির মামলাতেই ১ জুলাই সঞ্জয় রাউত-কে ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছল ইডি। কিন্তু পরে সাংসদ অধিবেশন চলছে, এই অজুহাতে এড়িয়ে যান ইডির তলব। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগীতারও অভিযোগ তুলেছে ইডি।  

    এই ঘটনায় সরকারি এজেন্সিগুলিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছে শিবসেনা। সঞ্জয় রাউত বলেন, “মিথ্যা অভিযোগ, মিথ্যা তথ্য প্রমাণ। আমার মৃত্যু হলেও ওদের কাছে আত্মসমর্পণ করব না। কোনও দুর্নীতির সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। আমি বালাসাহেব ঠাকরের নামে শপথ নিয়ে একথা বলছি। বালাসাহেব আমাদের লড়াই করতে শিখিয়েছেন। আমি শিবসেনার হয়ে লড়াই চালিয়ে যাব।”

    আরও পড়ুন: ইডির দফতরে হাজিরা সঞ্জয় রাউতের, চলল ১০ ঘণ্টার জেরা

    বিজেপিও পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছে রাউতের বিরুদ্ধে। বিজেপির তরফে বলে হয়েছে, “যদি তিনি সত্যিই নির্দোষ হন, তাহলে ইডিকে ভয় পাচ্ছেন কেন? সাংবাদিক বৈঠক করার সময় আছে। কিন্তু ইডির তলবে সাড়া দেওয়ার সময় নেই!” 

    এপ্রিলে সঞ্জয় রাউতের স্ত্রী বর্ষা রাউতের এবং দুই সহযোগীর নামে থাকা ১১ কোটি ১৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। 

    সঞ্জয় রাউতের গ্রেফতারির প্রতিবাদে আজ মুম্বাইয়ে বিক্ষোভ দেখাবে শিবসেনা। শিবসেনার রাজ্যসভা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী বলেছেন, “বিষয়টিকে সংসদেও তোলা হবে। যারা বিজেপির পর্দা ফাঁস করার চেষ্টা করছে, তাদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে বিজেপি। আমরা মাথা নত করব না।” 

  • Commonwealth Games: রাজ্যের মন্ত্রী কি জানতেন গ্রামের ছেলে বিশ্ব মঞ্চে লড়াই করছে! প্রশ্ন সোনা জয়ী অচিন্ত্যর দাদার

    Commonwealth Games: রাজ্যের মন্ত্রী কি জানতেন গ্রামের ছেলে বিশ্ব মঞ্চে লড়াই করছে! প্রশ্ন সোনা জয়ী অচিন্ত্যর দাদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবকে হারিয়ে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতেছে ভাই অচিন্ত্য। এরকম আনন্দের দিনেও উচ্ছ্বাসে ভাসতে পারছেন না দাদা অলোক শিউলি। ভাইয়ের লক্ষ্য যে অলিম্পিক। প্যারিস অলিম্পিকে যেতে হবে তাঁকে। কিন্তু তার জন্য দরকার টাকা। “এখানকার কেউ তো সাহায্য করে না।” ক্ষোভ অলোকের গলায়। মুখ্যমন্ত্রী ট্যুইট করে অভিনন্দন জানিয়েছেন তো! তাহলে হয়তো এবার সাহায্য আসতে পারে। তবুও নিশ্চিত নয় দাদা অলোক। ভাইয়ের সাফল্যের দিনে তাঁর গলায় ক্ষোভের সুর। বললেন, ‍‘‍‘অভাবকে হারিয়ে আমি না পারলেও ভাই সেই যুদ্ধে জিতেছে। হরিয়ানা-সহ অন্য রাজ্যে এ রকম সাফল্য আনলে সরকার পুরস্কার দেয়। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ,  কী করবেন জানি না! যুব বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জিতেছিল ভাই। এই সাফল্যের পরে কেউ খোঁজই নেননি। গত বছর জাতীয় প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছিল ও। দ্বিতীয় হওয়া ছেলেটিকে তাঁর রাজ্য কিন্তু পুরস্কৃত করেছে। আমাদের স্থানীয় সাংসদ বা বিধায়করা তো চেনেনই না অচিন্ত্য শিউলিকে! আমাদের রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী বোধহয় জানেনই না ভাই কমনওয়েলথের আসরে নেমেছে।”

    আরও পড়ুন: আশা করি এবার একটা সিনেমা দেখার সময় পাবে! অচিন্ত্যর প্রশংসায় মোদি

    বাবা রিকশা চালাতেন। অচিন্ত্যর তখন ৮ বছর বয়স। বাবা মারা গেলেন। অলোক একটু বড়। স্বামীর মৃত্যুর পর সেলাই, জরির কাজ করা শুরু করেন অচিন্ত্যর মা পূর্ণিমা শিউলি। দুই ভাইও সময় পেলেই মাকে সাহায্য করত। তাঁদের সাপ্তাহিক আয় ছিল মাত্র ৫০০ টাকা। সেই টাকাতেই চলত সংসার। বাবার মৃত্যুর ধাক্কা, সংসার সামলে পড়াশোনা, কাজ ও ভারোত্তোলক হওয়ার স্বপ্নে ক্ষান্ত দেন অলোক। তবে ভাই অচিন্ত্যর ভারোত্তোলক হওয়ার স্বপ্নে ধুলো জমতে দেননি। চলতি কমনওয়েলথ গেমসে ৭৩ কেজি বিভাগে সোনা জয়ের পর সে কথা জানাতে ভোলেননি ভাই অচিন্ত্য। প্রতিক্রিয়ায় অচিন্ত্য বললেন, “এই পদক উৎসর্গ করছি দাদাকে।” যাঁর পরিশ্রম, উৎসাহ ছাড়া এতটা পথ হয়তো আসাই হত না। যাঁর জন্য পাতিয়ালায় জাতীয় শিবিরে নিশ্চিন্তে অনুশীলনে মগ্ন থাকতে পারতেন। বললেন, “দাদা ভারোত্তোলক হতে চেয়েছিল। বাবার মৃত্যুর পর তা হয়ে ওঠেনি। আমাকে সাপোর্ট করতে দিনরাত পরিশ্রম করে গিয়েছে। এখনও পরিবারের দায়িত্ব একমাত্র দাদার কাঁধে। এই সোনার পদক দাদা এবং আমার কোচদের উৎসর্গ করছি।” 

    এখন অচিন্ত্য ভারতীয় সেনাবাহিনীতে হাবিলদারের কাজ করেন। ন্যাশনাল ওয়েট লিফটিং প্রতিযোগিতায় অচিন্ত্য চতুর্থ হওয়ার পরেই সেনাবাহিনীর নজরে পড়ে যান তিনি। পরে অল ইন্ডিয়া ট্রায়ালে অংশ নিয়ে সে সেখানে সুযোগ পান। পরে ২০১৪ সালে হরিয়ানায় ন্যাশানাল গেমসে তৃতীয় হয়ে সেনাবাহিনীর স্পোর্টস ইন্সটিটিউটে (Military Sports Institute) যোগ দেন। এরপরে পাতিয়ালায় ভারতীয় শিবিরে ডাক পান অচিন্ত্য। ইতিমধ্যেই অচিন্ত্য ২০১৫ সালে ভারতে যুব কমনওয়েলথ গেমসে রূপো, ২০১৭ সালে ইউথ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ানশিপে রূপো, ২০১৯ সালে জুনিয়র বিভাগে সোনার পদক, ২০২১ সালে ওয়ার্ল্ড জুনিয়র প্রতিযোগিতায় রূপো এবং জুনিয়র ও সিনিয়র বিভাগে জোড়া সোনার পদক জয় করেছেন। এবার লক্ষ্য ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিক্সে পদক জেতা। 

  • Commonwealth Games: বাবাই প্রেরণা! চানু দিদি উৎসাহ দেন, জানালেন কমনওয়েলথে সোনা জয়ী রোনাল্ডোর ভক্ত লালরিনুঙ্গা

    Commonwealth Games: বাবাই প্রেরণা! চানু দিদি উৎসাহ দেন, জানালেন কমনওয়েলথে সোনা জয়ী রোনাল্ডোর ভক্ত লালরিনুঙ্গা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় স্তরে জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়ন ছিলেন আইজলের বক্সার লালমাইথুয়াভা রালতে। কোনওদিন সিনিয়র পর্যায়ে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেননি। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে চাপায় বক্সিংয়ে কেরিয়ার গড়ার স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে পিডব্লিউডিতে কাজ শুরু করেন। পরিবারে স্ত্রী ও পাঁচ ছেলে। নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন ছেলেদের মাধ্যমে পূরণ করতে চেয়েছিলেন। চার ছেলে বক্সার হলেও ব্যতিক্রম জেরেমি লালরিনুঙ্গা (Jeremy Lalrinnunga)। তবে, বক্সিংয়ের পাঞ্চে নাই বা হল, ৩০০ কেজি ওজন তুলে সে-ই বাবার স্বপ্ন পূরণ করল। কমনওয়েলথ গেমসে  বাজিমাত করলেন ১৯ বছরের জেরেমি। জয় উৎসর্গ করলেন বাবাকে। বললেন, “বাবাই ছিল প্রেরণা। ছোটবেলা থেকে বাবা নিজের লড়াইয়ের গল্প বলত। জয়ের স্বপ্ন দেখাত। বাবার চেষ্টাতেই আজ এই সাফল্য।”  

    কমনওয়েলথে পোডিয়াম ফিনিশের পর জেরেমির মনে পড়ে যাচ্ছে নানান কথা। দু’বছর বাড়ি যাননি। পরিবারের সঙ্গে ক্রিসমাস পালন করা হয়নি, সেটাও নয় নয় করে পাঁচবছর হয়ে গেল। তবে অ্যথলিট দলেই নিজের পরিবার খুঁজে পেয়েছেন জেরেমি। জানালেন দিদি চানুর কথা। বললেন, “এদিন ম্যাচ শুরু হওয়া থেকেই দর্শকাসনের প্রথম সারিতে ছিলেন চানু দিদি। হাতে তেরঙা নিয়ে উৎসাহ দিচ্ছিলেন। তাঁর আশাপূরণ করতে পেরে আমি খুশি।” ভারোত্তলন ছাড়া ভাল লাগে ফুটবল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ভক্ত জেরেমি পাহাড় প্রমাণ কাঠিন্যকে সঙ্গে নিয়ে এবার অলিম্পিকের স্বপ্নে ডুব দিতে চান।

    চানু দিদির পরিবারেও এখন খুশির আমেজ। এ বারের কমনওয়েলথ থেকে মীরাবাঈ ভারতকে প্রথম সোনার পদক এনে দেওয়ার পর, দেশের সকলের মতোই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ভীষণ খুশি। আর সেই খুশি ফুটে উঠেছে চানুর শেয়ার করা ভিডিওতে। সেই ভিডিওতে দেখা যায় চানুর মা ও তাঁর আত্মীয়রা হাতে হাত রেখে নাচ করছেন গোল করে। সঙ্গে রয়েছে ভারতের পতাকাও। সেই ভিডিওর ক্যাপশনে মীরাবাঈ লেখেন, “আমার বাড়িতে আমার মা এবং আত্মীয়েরা আমার জয় উদযাপন করছে।”

    কমনওয়েলথে চানুর সোনা জয়ের পরই তাঁর পরিবারের সদস্যরা মেতে উঠেছেন উৎসবে। তেরঙ্গা উড়িয়ে রীতিমতো মীরাবাঈ চানুর বিজয়োৎসবে সামিল হয়েছেন তাঁর প্রিয়জনেরা। নেটদুনিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে চানুর শেয়ার করা ভিডিও। 

LinkedIn
Share