Blog

  • PSLV: ৮৬০ কোটি টাকায় ইসরোর পাঁচটি পিএসএলভি নির্মাণের বরাত পেল হ্যাল-এল অ্যান্ড টি

    PSLV: ৮৬০ কোটি টাকায় ইসরোর পাঁচটি পিএসএলভি নির্মাণের বরাত পেল হ্যাল-এল অ্যান্ড টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে যাতায়াত, গবেষণা, কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর পথকে আরও সুগম করতে ও ভারতের মহাকাশ সংস্থাকে আরও বেশি উন্নত করতে চার বছরের মধ্যে পাঁচটি পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল (PSLV) রকেট তৈরি করার বরাত দেওয়া হল হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) এবং লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (L&T) সংস্থাকে। এই বরাত নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড (NSIL)-এর তরফে দেওয়া হয়েছে।

    জানা গিয়েছে, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড ও এল অ্যান্ড টি একটি মহাকাশ কনসোর্টিয়াম গঠন করেছে। আর এই পাঁচটি পিএসএলভি রকেট তৈরি করার জন্য নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড এই কনসোর্টিয়ামকে ৮৬০ কোটি টাকার বরাত দিয়েছে।

    একটি সরকারি বিবৃতি অনুসারে জানা গিয়েছে, সোমবার বেঙ্গালুরু ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (BIEC) সপ্তম বেঙ্গালুরু স্পেস এক্সপো ২০২২-এর (Bengaluru Space Expo 2022) উদ্বোধনী অধিবেশন চলাকালীন হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড এবং নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেডের মধ্যে এই চুক্তি স্বাাক্ষর করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সফলভাবে সিঙ্গাপুরের তিনটি উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপন করল পিএসএলভি-সি৫৩

    বছরের পর বছর ধরে, ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) পিএসএলভি, ৫২ টিরও বেশি উৎক্ষেপণ সফলভাবে সঞ্চালিত করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও ইসরোর অত্যাধুনিক শক্তিশালী পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল বা পিএসএলভি (PSLV) রকেটে চাপিয়েই একাধিক কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। ইসরো ১৯৯০ সাল থেকে PSLV-এর মাধ্যমে উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে আসছে। শুধুমাত্র ভারতের নয়, অন্যান্য ৩৩টি দেশের ৩১৯টি কৃত্রিম উপগ্রহও উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে, একটি পিএসএলভি ১০৪টি উপগ্রহ নিয়ে কক্ষপথে প্রবেশ করছিল যা একটি বিশ্বরেকর্ড।

    ভারতীয় স্পেস প্রোগ্রামের চাহিদা মেটানোর জন্য, উচ্চ-প্রযুক্তি সম্পন্ন রকেট উৎপাদন এবং উৎপাদনের সংখ্যা বাড়াতে ইসরো একটি পৃথক বিভাগ নিউস্পেস ইন্ডিয়া লিমিটেড (NSIL) গঠন করেছিল। এরই অংশ হিসেবে এনএসআইএল ২০১৯ সালে ১৬ অগাস্ট পাঁচটি পিএসএলভি রকেট তৈরি করার ক্ষেত্রে দরপত্র চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। হ্যাল ও এলএন্ডটি-এর কনসোর্টিয়াম এই চুক্তি পায়।

  • Bihar politics: পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

    Bihar politics: পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়নি। আজই অষ্টমবারের জন্য ফের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। আজই সফর শুরু মহাজোটের। পাটনায় পালাবদলের পরও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ। তবে তাঁর হাতে কতটা ক্ষমতা থাকবে তা সময়ই বলবে। পাটিগণিতের হিসেবে বিহারের রাজ্যপাট নির্ধারণের ছড়ি কিন্তু রইল আরজেডির হাতে।  তাই নীতীশের ডেপুটি হয়ে কাজ করলেও চাবি ঘোরাবেন লালু পুত্র তেজস্বীই (Tejashwi Yadav), এমনই অভিমত রাজনৈতিক মহলের। 

    আরও পড়ুন: এক বছরে ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বেড়েছে প্রধানমন্ত্রীর! জানেন তাঁর মোট অর্থের পরিমাণ

    সূত্রের খবর, মূলত লালু প্রসাদ যাদবের পার্টি আরজেডি-র (RJD) হাতে আসছে বিজেপির হাতে থাকা দফতরগুলি। শুধু তেজস্বী নন, মহাগটবন্ধনের সরকারে (Mahagathbandhan government) অভিষেক হতে চলেছে আরও এক লালু পুত্রের। মন্ত্রী পদে দেখা যেতে পারে তেজ প্রতাপ যাদবকেও (Tej Pratap Yadav)। আজই শপথ নিতে পারেন তেজও। এছাড়া শপথের তালিকায় আছেন জেডিইউ-এর বীজেন্দ্র যাদব (Vijendra Yadav), বিজয় চৌধুরী (Vijay Choudhary)। ২০১৭ সালে মহাগটবন্ধন ভাঙার আগেও তেজস্বীই ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রী। 

    আরও পড়ুন: বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কী প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    জেডিইউ (JDU)  প্রধানের দাবি অনুসারে RJD, কংগ্রেস ছাড়াও তাঁকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে তিন বাম দল, এবং জিতন রাম মাঝির দলও। বিহার বিধানসভায় RJD-র বিধায়ক সংখ্যা ৭৯, JDU-র ৪৫, কংগ্রেসের ১৯, তিন বাম দল মিলিয়ে বিধায়ক সংখ্যা ১৬ জন। এরসঙ্গে যোগ হয়েছেন জিতন রাম মাঝির (HAM) চারজন এবং এক নির্দল বিধায়কের সমর্থন। সব মিলিয়ে সাত দলের বিধায়কদের সমর্থন রয়েছে নীতীশের হাতে। বিহার বিধানসভায় মোট আসন ২৪৩। সরকার গড়তে দরকার ১২২ জন বিধায়কের সমর্থন। রাজ্য়পালের সঙ্গে দেখা করে তার থেকে অনেক বেশি বিধায়কের সমর্থনের কথা জানিয়ে এসেছেন নীতীশ কুমার, তেজস্বী যাদবরা। সরকার গড়ার দাবি জানিয়েছেন বিহারের চাচা-ভাতিজা জুটি। রাবড়ি পুত্র তেজস্বীর কথায়, তাদের হাতে ১৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। সরকার গঠন শুধু সময়ে অপেক্ষা। 

  • CBI on TET Scam: সিবিআই হেফাজতে আসতে পারেন পার্থ! ১৩১টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান 

    CBI on TET Scam: সিবিআই হেফাজতে আসতে পারেন পার্থ! ১৩১টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) ইতিমধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (TET Scam) মামলায় গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। তাঁরই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও। গতকাল একই মামলায় সিবিআই আটক করেছে ব্যবসায়ী প্রদীপ সিং- কে। 

    আরও পড়ুন: পার্থ-কাণ্ডে এবার উঠে এল এক ব্যাঙ্ক দম্পতির নাম! কালো টাকা সাদা করতে এরাই কি সাহায্য করত ?

    ব্যবসায়ীকে তাঁর নিজের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করার পর তাকে জেরা করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি হাতে পেয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আজ প্রদীপকে আলিপুর সিবিআই আদালতে তোলা হলে তাঁকে সাত দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। আদালতে সিবিআই-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রদীপ সিং এর নাম শান্তি প্রসাদের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে।    
     
    শান্তি প্রসাদ সিনহা গোয়েন্দাদের জানিয়েছেন, যারা শিক্ষকের নিয়োগের চাকরির পরীক্ষায় অকৃতকার্য হত বা অনেক পেছনের দিকে নাম থাকত, তাদের নামের তালিকা বানিয়ে দিতেন প্রদীপ। প্রদীপ সরাসরি তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে যোগাযোগ করতেন। গোয়েন্দাদের ধারণা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভালো পরিচয় রয়েছে এই প্রদীপ সিং- এর। 

    আরও পড়ুন: এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গোপন জবানবন্দি দিচ্ছেন পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা?

    সিবিআই এর পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে, “এটি একটি বড় ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ছোট দালাল থেকে বড় মাথা সবাই যুক্ত। কেউ নিস্তার পাবে না।” তাহলে কী এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও হেফাজতে (Custody) নেবে সিবিআই? ইডির থেকে হাত বদলি হয়ে পার্থ যাবেন সিবিআই- এর ডেরায়? এখন এই নিয়েই রাজ্যজুড়ে জল্পনা তুঙ্গে। 

    অপরদিকে ইডি (ED) যত পার্থ মামলার গভীরে ঢুকছে ততই নতুন নতুন দুর্নীতির খবর সামনে আসছে। আর  সন্ধান মিলছে পার্থ-অর্পিতার বিপুল সম্পত্তির। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া নগদ টাকা, সোনা-গয়না এবং দুটি সংস্থার নামে সম্পত্তি ও  ১৩১টি অ্যাকাউন্টে লেনদেনের ভিত্তিতে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু সম্পত্তি এখানেই শেষ একথা মানতে নারাজ গোয়েন্দারা।  তদন্তকারীদের দাবি, দুর্নীতির শিকড় আরও অনেক গভীরে। সেখানে পৌঁছলে, এই সম্পত্তি ও টাকার অঙ্ক ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। গোয়েন্দাদের আরও দাবি, শুধু পার্থ-অর্পিতাই নন, চাকরি দুর্নীতির টাকার ভাগ পেয়েছেন রাজ্যের আরও বেশ কিছু প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • India Bangladesh: জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারত-বাংলাদেশ

    India Bangladesh: জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারত-বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তা (Teesta), গঙ্গা (Ganga) সহ অন্যান্য নদীর জলবণ্টন (Water Sharing) চুক্তি নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বসল ভারত (India) ও বাংলাদেশ (Bangladesh)। ভারতের কেন্দ্রীয় জল শক্তি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত (Gajengra Singh Shekhawat) এ কথা জানান। বৃহস্পতিবার ওই বৈঠক হয়েছে।

    ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে প্রচুর নদী। সেই কারণে গঠিত হয়েছে জয়েন্ট রিভার্স কমিশন। এই কমিশন আয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয়ে গেল এদিন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জলসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। বৈঠকে তাঁর নেতৃত্বে যোগ দেন ১৭ জন প্রতিনিধি। তাঁরাই বৈঠক করেন শেখাওয়াতের সঙ্গে। জানা গিয়েছে, জয়েন্ট নদী কমিশনের এটি ৩৮তম বৈঠক। বৈঠক শেষে ট্যুইট করেন শেখাওয়াত। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, বিভিন্ন নদীর জল বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল গঙ্গা এবং তিস্তাও। জলশক্তি মন্ত্রী বলেন, জল বণ্টন সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে দু দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। গঙ্গা এবং তিস্তা ছাড়াও আরও ছটি নদী নিয়েও আলোচনা হয়েছে এদিন।

    আরও পড়ুন : প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বোঝাপড়া শক্তপোক্ত করতে ফের বৈঠকে ভারত বাংলাদেশ

    প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে জয়েন্ট রিভার্স কমিটির প্রথম বৈঠক হয়। তার পর সব মিলিয়ে হয়েছে ৩৮ তম বৈঠক। সেপ্টেম্বরের পাঁচ তারিখে ভারত সফরে আসবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিন দিনের ভারত সফরে আসছেন তিনি। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক সুস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা হওয়ার কথা তাঁর। হাসিনার সফরের আগে আগেই জল সম্পদ নিয়ে দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠক যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ। মঙ্গলবারই হয়েছে জয়েন্ট রিভার্স কমিশনের দুই দেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠক। দুই দেশের আলোচনায় উঠে এসেছে তিস্তা জল বণ্টন ইস্যুও। এই তিস্তার জল বণ্টন নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও  আলোচনা হয়েছিল হাসিনার। তার পরেও তিস্তার জল বণ্টন নিয়ে জট কাটেনি দু দেশের।

    প্রসঙ্গত, যখন তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা হচ্ছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিংহ। ২০১১ সালে বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ। সেই সময়ই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল। তবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে স্বাক্ষরিত হয়নি ওই চুক্তি। অবশ্য তিস্তা চুক্তি না হলেও, ১৯৯৬ সালে হয় গঙ্গা জল বণ্টন চুক্তি। ২০১৬ সালে ওই চুক্তি রিনিউয়াল হওয়ার কথা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • CBI Raids Rice Mill: কেষ্ট যোগ! ভোলে ব্যোমের পর শিবশম্ভু রাইস মিলে হানা সিবিআইয়ের, কী মিলল?

    CBI Raids Rice Mill: কেষ্ট যোগ! ভোলে ব্যোমের পর শিবশম্ভু রাইস মিলে হানা সিবিআইয়ের, কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এর আগেই অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ‘ভোলে ব্যোম’ রাইস মিলে (Rice Mill) হানা (Raid) দিয়েছিল সিবিআই (CBI)। হাতে এসেছিল বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি। সেখান থেকেই মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল এবং প্রয়াত স্ত্রী ছবি মণ্ডলের নামে থাকা একাধিক সম্পত্তির নথি, দামী ৫ গাড়ি এবং একাধিক ডাম্পারের খোঁজ পেয়েছিল সিবিআই। এবার সোমবার সকালে অনুব্রতর ঘনিষ্ঠের রাইসমিল ‘শিব শম্ভুতে’ (Shiv Shambhu) পৌঁছে যান সিবিআই আধিকারিকরা। বোলপুরের শিব শম্ভু রাইসমিল প্রথম থেকেই সিবিআইয়ের স্ক্যানারে ছিল। আজ সেখানে দ্বিতীয়বারের জন্য হানা দিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, সিবিআই-এর দলের সঙ্গে রয়েছেন এফসিআই (FCI)-এর দুই আধিকারিক।  রাইস মিলে ঘুরপথে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের টাকা খাটানো হত কি না, সেটাই খতিয়ে দেখতে চায় সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: বোলপুরে ফের সিবিআই হানা, এবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পুরকর্মীর বাড়িতে তদন্তকারীরা

    জানা গিয়েছে, সিবিআই- এর হাতে তথ্য রয়েছে, এই সব রাইস মিল সরাসরি অনুব্রত মণ্ডলের নামে না থাকলেও অংশিদারিত্ব রয়েছে তাঁর। তার ভিত্তিতেই এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে সিবিআই সূত্রের খবর। শিব শম্ভু রাইস মিলে গিয়ে এ দিন নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে কথা বলছেন সিবিআই আধিকারিকরা।  

    বোলপুরের এই রাইস মিলটির দরজায় লেখা রয়েছে, ‘কেয়ার অব জে বি পাল অ্যান্ড ডি ডি পাল রাইস মিল’। কিন্তু বীরভূম রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের নথিতে এই মিলের মালিক হিসেবে নাম রয়েছে কমল কান্তি ঘোষের। নথি অনুযায়ী ২০১২ সালে লিজ নেওয়া হয়েছিল এই মিল। এই কমল কান্তি ঘোষ হলেন অনুব্রত মণ্ডলের ভগ্নিপতি অর্থাৎ অনুব্রতর বোন শিবানি ঘোষের স্বামী। এদিকে কিছুদিন আগেই কমল কান্তি নিজে জানিয়েছিলেন, তাঁর কোনও রাইস মিল নেই। তাহলে এই মিলের আসল মালিক কে? তা নিয়ে এখন উঠছে প্রশ্ন।

    আরও পড়ুন: ‘‘অনুব্রত ওয়েব সিরিজের সবে প্রথম ও দ্বিতীয় এপিসোড বেরিয়েছে…’’, খোঁচা সুকান্তর

    এই প্রসঙ্গে কমল কান্তির ছেলে রাজা ঘোষ বলেন, “আমার বাবার নামে ওই রাইস মিল, আমি এই প্রথম শুনলাম। আমার সঙ্গে বাবার দুবছর কোনও সম্পর্ক নেই। আমি কিছু জানিনা। বাবাকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করুন।”     

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বিগত বেশ কিছুদিন ধরে বন্ধ রয়েছে এই রাইস মিল। অনেকেই মনে করছেন ইতিমধ্যেই মিলের মালিকানা বদল হয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, কয়েক দিন আগেই ভোলে ব্যোম রাইস মিলে তল্লাশি চালায় সিবিআই। সেই রাইস মিলের গ্যারাজে দেখা যায় একাধিক বহুমূল্য গাড়ি। গাড়িগুলির মালিক কে তা খতিয়ে দেখছে সিবিআই। এ ছাড়া ওই মিলের নামে কোটি টাকার গাড়ির ডিল হয়েছিল বলেও জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।   

    সূত্রের খবর, বীরভূমের আরও ১০টি রাইস মিলের দিকে নজর রয়েছে সিবিআইয়ের। সেই মিল গুলিতেও প্রয়োজনে তল্লাশি চালানো হতে পারে।  

  • Gyanwant Singh: কয়লাপাচার মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়?

    Gyanwant Singh: কয়লাপাচার মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন জ্ঞানবন্ত! কীসের ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচার কাণ্ডে সোমবার দিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) সদর দফতরে হাজিরা এড়ালেন রাজ্য পুলিশের এডিজি এসটিএফ জ্ঞানবন্ত সিং (ADG STF Gyanwant Singh) ৷  এ দিন সকাল ১১ টায় দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু হাজিরা দেননি তিনি। 

    এডিজি এসটিএফ জ্ঞানবন্ত সিং-কে এর আগেও দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল। ইডির দফতরে হাজিরাও দিয়েছিলেন তিনি। ইডি সূত্রের খবর, বাংলায় যখন রমরমিয়ে কয়লাপাচার চক্র কাজ চালাচ্ছিল, সেই সময় রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদে ছিলেন এই জ্ঞানবন্ত। তাঁর নজর এড়িয়ে কীভাবে কোটি কোটি টাকার কয়লাপাচার হল, তা জানতে চাইছে ইডি ৷ সূত্রের খবর, কয়লাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকে জেরা করেই জ্ঞানবন্তের নাম জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তারপরই তাঁকে তলব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কয়লা কাণ্ডেও সক্রিয় ইডি, তলব ৮ আইপিএস অফিসারকে

    শুধু জ্ঞানবন্ত নয়, রাজ্যের মোট আটজন আইপিএস অফিসারকে তলব করেছে ইডি। যাঁদের তলব করা হয়েছে, সেই তালিকায় জ্ঞানবন্ত ছাড়াও রয়েছেন আইপিএস শ্যাম সিং, রাজীব মিশ্র, তথাগত বসু, সুকেশ জৈন, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, এস সেলভামুরুগন ও কোটেশ্বর রাও। তাঁরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন ওই সময় কোনও না কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এদের মধ্যে কেউ সেই সময় ছিলেন ডিআইজি, কেউ আইজি, কেউ পুলিশ সুপার। তাঁরা কি কয়লা পাচারের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল ছিলেন? পুলিশ আধিকারিকদের সামনে দিয়ে কী ভাবে পাচার হত? তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

    জ্ঞানবন্ত পশ্চিমাঞ্চলের আইজিও ছিলেন। পশ্চিমাঞ্চলের বিরাট এলাকা জুড়ে এই কয়লা চুরি রমরমিয়ে চলে বলে জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসারেরা। কীভাবে তাঁর নজর এড়িয়ে কয়লাপাচার হল? দায়িত্ববান পুলিশ আধিকারিক হয়েও কেন আইনি পদক্ষেপ নেননি তিনি? কয়লাপাচার হচ্ছে, এই খবর তিনি কি জানতেন না? এমন একাধিক প্রশ্ন রয়েছে ইডির কাছে, বলে খবর। এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর স্ত্রী রুজিরাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি।

  • Jammu and Kashmir: সীমান্তে অস্ত্র ফেলল পাকিস্তানের ড্রোন! কিসের ইঙ্গিত উপত্যকায়

    Jammu and Kashmir: সীমান্তে অস্ত্র ফেলল পাকিস্তানের ড্রোন! কিসের ইঙ্গিত উপত্যকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরকে অশান্ত করতে কোমর বেঁধে নেমেছে পাকিস্তান। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে জম্মুর তোফ গ্রামে অস্ত্র ফেলল পাকিস্তানের ড্রোন। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, তোফ থেকে মিলেছে একটি গোলাবারুদ ও অস্ত্র বোঝাই প্যাকেট। উপত্যকায় জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়ানোর ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করেছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টালিজেন্স বা আইএসআই (Inter-Services Intelligence)। 

    জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি তল্লাশি অভিযান চালায় ন্যাশনাল ইনভেসটিগেশন এজেন্সি (NIA)। কাঠুয়া, সাম্বা, দোদাতে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করেছে তারা। গত মাসে ফইজল মুনির নামে একজনকে আটক করে এনআইএ। পাকিস্তানি ড্রোন থেকে অস্ত্র সংগ্রহের ঘটনায় জড়িত মুনিরকে জেরা করে বেশ কয়েকটি গোপন ঘাঁটির কথা জানতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। পুলিশ ও সেনার যৌথ অভিযানে উদ্ধার হয় সীমান্তের ওপার থেকে আসা প্রচুর অস্ত্র। উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্রের খোঁজ চলছে।

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! সেনার উপর গ্রেনেড হামলা

    নয়াদিল্লির রিপোর্ট বলছে কাশ্মীরে অশান্তি বাড়াতে সক্রিয় হয়েছে পাকিস্তানের সেনা বাহিনীও। নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে জঙ্গিদের ভারতে ঢোকাতে চেষ্টা চালাচ্ছে তাঁরা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, কাশ্মীরে জঙ্গি তৎপরতা বাড়াতে বেশ কয়েক দফা পরিকল্পনা করেছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সূত্রের খবর, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে তিনটি এলাকায় ISI-এর মদতে চলছে জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, মূলত লস্কর-ই-তৈবা (Lashkar-e-Taiba), জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammad )-এর পাশাপাশি ISI-এর মদতে চলা আল বদর (Al-Badar) জঙ্গিগোষ্ঠীর নজরদারিতে চলছে জঙ্গি প্রশিক্ষণ। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানসেরা (Manshera), মুজফ্ফরাবাদ (Muzzafarabad) এবং কোটলিতে (Kotli) জঙ্গি প্রশিক্ষণ চলছে। নিয়ন্ত্রণ রেখা বারবার একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাডও সক্রিয় হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন গোয়েন্দারা। ড্রোনে পাকিস্তান থেকে এই জঙ্গিদের হাতে অস্ত্র পাঠাচ্ছে আইএসআই। গত কয়েক দিনে পরপর জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে কাশ্মীর। সাধারণ মানুষ, কাশ্মীরি পণ্ডিত থেকে শুরু করে পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষী, সেনা সকলকেই নিশানা করছে জঙ্গিরা।

  • Belur Math: জন্মাষ্টমীর ভোরে খুঁটি পুজো ও কাঠামো পুজো বেলুড় মঠে, দুর্গা পুজোর শুভারম্ভ

    Belur Math: জন্মাষ্টমীর ভোরে খুঁটি পুজো ও কাঠামো পুজো বেলুড় মঠে, দুর্গা পুজোর শুভারম্ভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মাষ্টমীর ভোরে বেলুড় মঠের দুর্গা পুজোর শুভ সূচনা হল। নিয়ম মাফিক প্রতি জন্মাষ্টমীর সকালে দেবী দুর্গার কাঠামো পুজো এবং মন্ডপের খুঁটি পূজার শুভারম্ভ হয় এই দিনটিতে। গত দুবছর করোনার কারণে মহা পুজোর সমারোহে খামতি থাকলেও এ বছর সব সুদে মূলে উসুল করে নিচ্ছে বেলুড় মঠ (Belur Math)।  

    ভোরে মূল মন্দিরে মঙ্গলারতির পর মন্দিরের ভিতরে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের মূর্তির পাশেই শুরু হয় কাঠামো পুজো। ফুল ধুপ বৈদিক মন্ত্রাচরণ সন্ন্যাসীদের সমবেত প্রার্থনা দিয়ে দেবীর কাঠামোকে পূজা করা হয়। বস্তুতপক্ষে দেবীর এটি স্থায়ী কাঠামো। প্রতিবার দশমীতে গঙ্গায় বিসর্জিত হওয়ার পর সেটি গঙ্গা থেকে তুলে এনে রাখা হয় এবং সেটিতেই দুর্গার মূর্তি তৈরি করা হয়। এক কথায় আজ থেকেই বেলুড় মঠে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল।

    আরও পড়ুন: নিম্নচাপ ঘনীভূত হয়ে রূপ নিচ্ছে সাইক্লোনের, আপনার জেলাতেও কি আছড়ে পড়বে ঝড়?

    বেলুড় মঠের স্বামী ভক্তিপ্রিয়ানন্দজি মহারাজ বলেন, ‘‘সাধারণত জন্মাষ্ঠমী তিথিতে এই কাঠামো পুজোর প্রচলন আছে৷ বেলুড় মঠের কাঠামো পুজো হয় জন্মাষ্ঠমীর এই তিথিতেই৷ এবার শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসব যেটা, সেটা গতকাল পালন করেছি৷ আজ কাঠামো পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে ৭.১৫ থেকে৷ প্যান্ডেলের খুঁটি পোঁতা এবং পুজোও হবে মাঠে৷ বিগত দু’বছর করোনার জন্য বন্ধ ছিল৷ এবার বাইরে আগের মতো পুজো হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ সেখানেও কাঠামো পুজোর মতোই খুঁটি পুজো হবে৷ আমাদের সব কাজ যাতে সুষ্ঠুভাবে সুসম্পন্ন হয়, সেজন্য মায়ের কাছে প্রার্থনা৷’’ তিনি বলেন, ‘‘এবার সবকিছু আগের মতো হবে৷ ২০১৯ সালে এবং তার আগেও যেভাবে দুর্গা পুজো হয়েছে, এবারও সেভাবেই হবে৷ নবপত্রিকার স্নান থেকে আরম্ভ করে কুমারী পুজো, সন্ধি পুজো, নবমীর হোম বাকি সবকিছু আগের মতোই হবে বলে মনস্থ করা হয়েছে৷’’

    আরও পড়ুন: ফের মুম্বইয়ে জঙ্গি-নাশকতার ছক! মিলল অস্ত্রবোঝাই নৌকা, কী বলছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী

    করোনা নামক অতিমারির জন্য গত বছর ধরে সেভাবে দুর্গা পুজোর আয়োজন করা হয়নি বেলুড় মঠে (Belur Math)৷ এখন করোনার আগের রূপ অনেকটাই স্থিমিত৷ সরকারের তরফে বিধিনিষেধও তুলে নেওয়া হয়েছে৷ ফলে এবছর শারদোৎসবের সবই আগের মতো হবে বেলুড় মঠে৷ সেইমতোই জন্মাষ্ঠমীর দিন প্রথামাফিক কাঠামো পুজোর পাশাপাশি খুঁটি পুজোও করা হল এখানে৷

  • SSC Scam: ১৪ দিনের জেল হেফাজত পার্থ-অর্পিতার! কেউ ছাড় পাবে না,  প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর নিশানায় কারা?

    SSC Scam: ১৪ দিনের জেল হেফাজত পার্থ-অর্পিতার! কেউ ছাড় পাবে না, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর নিশানায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Teacher Recruitment) আরও ১৪ দিনের জেল হেফাজত পার্থ-অর্পিতার। এদিন নির্দেশ মতোই আদালত কক্ষে পেশ করা হয় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee)। সূত্রের খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী এদিন আদালতে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতির কথা উল্লেখ করে জামিনের আবেদন করেন। সূত্রের খবর, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী নিজেও হাত জোড় করে জামিনের আবেদন জানান। কিন্তু তা খারিজ করে দেন বিচারপতি। তবে এদিন অর্পিতা মুখোপাধ্যায় বা তাঁর আইনজীবী জামিনের কোনও আবেদন জানাননি।

    ৫ অগাস্ট SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ এবং অর্পিতাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের রায় দেয় ব্যাঙ্কশাল আদালত। ১৪ দিন পর এদিন আদালতে পেশ করা হয় পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। আদালতে পার্থের আইনজীবী জানান, পার্থের হিমোগ্লোবিন কম। তাঁর শরীরে ক্রিয়েটিনিনের পরিমাণ বেড়েছে। একা চলাফেলার ক্ষেত্রেও তাঁর অসুবিধা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পার্থের আইনজীবী। এর প্রেক্ষিতে ইডির আইনজীবী জানান, এই বয়সে এগুলি স্বাভাবিক। তাঁর পাল্টা দাবি, পার্থ তদন্তে সহযোগিতা করেননি। পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে বিপুল অর্থের উৎস সম্পর্কেও মুখ খোলেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। ইডি প্রথমে ৫০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কথা জানালেও পরে আরও ১০টি অ্যাকাউন্টের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে বৃহস্পতিবার দাবি করেছে ইডি। পার্থের স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায়ের নামে একটি ট্রাস্টের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই ট্রাস্টের নামে একটি ‘ইন্টারন্যাশনাল স্কুল’ আছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন ইডি-র আইনজীবী। এই ট্রাস্টের মাধ্যমে টাকা তছরুপ করা হত বলেও দাবি করেছে ইডি।

     
    এদিন আদালতের প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে পার্থের মন্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর কথায়, “কেউ ছাড়া পাবে না।” যা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রবল জল্পনা। কিছুটা বিরতি নিয়ে তাঁর সংযোজন, “সময়ে সব কিছু প্রমাণ হবে।” তবে এই ‘কেউ’ বলতে তিনি কাদের দিকে ইঙ্গিত করলেন, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি পার্থ। শুধুমাত্র সময়ে প্রমাণ হবে বলেই জোরালো ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। ফলে আদালতে দাঁড়িয়ে নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন মন্ত্রীর এমন মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
  • Uttar Pradesh: স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক! উত্তরপ্রদেশে ধৃত আইএস জঙ্গি

    Uttar Pradesh: স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক! উত্তরপ্রদেশে ধৃত আইএস জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) প্রাক্কালে নাশকতার ছক বানচাল করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (Uttar Pradesh Anti-Terrorist Squad)। এক সন্দেহভাজন আইএস (IS) জঙ্গিকে আজমগঢ় থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, স্বাধীনতা দিবসের আগে একাধিক জায়গায় হামলার ছক কষেছিল সন্দেহভাজন আইএস জঙ্গি। ধৃত জঙ্গির নাম সাবাউদ্দিন আজমি (Sabauddin Azmi)। 

    রাজ্যপুলিশের এডিজি প্রশান্ত কুমার জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের আজমগড় থেকে আইএস জঙ্গি সন্দেহে রাজ্যপুলিশের বিশেষ অপরাধ দমন শাখা ওই জঙ্গিকে গ্রেফতার করে। ধৃতের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত থাকা এবং অস্ত্র আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে বেশ কিছু নথিও উদ্ধার করা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল তার। ধৃতের একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখার কাজ চলছে, বলেও জানিয়েছে পুলিশ। সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে নতুন  ছেলেদের কাজে লাগানো হত। হাতে কলমে চলত হ্যান্ড গ্রেনেড, বোমা এবং আইইডি তৈরির প্রশিক্ষণ। 

    আরও পড়ুন: আচমকাই উধাও দেশের ২৪ টি স্মৃতিসৌধ! এমনটাই বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি

    অন্যদিকে, নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় জম্মু ও কাশ্মীরে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ছকও বানচাল করা গিয়েছে। পুলওয়ামায় উদ্ধার হয়েছে ৩০ কেজি বিস্ফোরক। কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা (Pulwama) জেলার সার্কুলার রোড সংলগ্ন এলাকায় টহল দিচ্ছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা। তখনই তাহাব ক্রসিং এলাকায় একটি আইইডি নজরে আসে তাঁদের। বিস্ফোরকটির ওজন ছিল ২৫ থেকে ৩০ কিলোর মধ্যে। 

    কাশ্মীর পুলিশের আইজিপি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতা দিবসের আগে জঙ্গিরা নাশকতা ঘটাতে পারে বলে আগেই সতর্ক করেছিলেন গোয়েন্দারা। ফলে পুলিশ ও সেনার যৌথবাহিনী সতর্ক রয়েছে। ইতিমধ্যে আইইডিটিকে নিষ্ক্রিয় করতে বম্ব স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে। উল্লেখ্য, স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে উপত্যকায় এহেন বিপুল পরিমাণের বিস্ফোরক উদ্ধার ও জঙ্গিদের তৎপরতায় রীতিমতো উদ্বেগ ছড়িয়েছে নিরাপত্তা মহলে।

LinkedIn
Share