Blog

  • Sonu Sood: চার হাত, চার পা নিয়ে জন্মানো একরত্তি মেয়েকে  নতুন জীবন দিলেন সোনু সুদ

    Sonu Sood: চার হাত, চার পা নিয়ে জন্মানো একরত্তি মেয়েকে নতুন জীবন দিলেন সোনু সুদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ‘ফরিস্তা’ হয়ে আসলেন সোনু সুদ (Sonu Sood)। এবারে ফরিস্তা হয়ে এসেছেন বিহারের একটি ছোট্ট মেয়ের জীবনে। চার হাত, চার পা নিয়ে জন্মেছিল চৌমুখী কুমারী (Chaumukhi Kumari) নামে। বিহারের গ্রামে দরিদ্র পরিবারে জন্মেছে সেই মেয়েটি। তার শারীরিক অবস্থার  খবর পেয়েই পাশে দাঁড়ান অভিনেতা সোনু সুদ।

    আরও পড়ুন: কেকে-এর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড তারকারা

    বলিউডের এই অভিনেতাকে সবসময়ই দেখা গিয়েছে সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে। এবারে এই একরত্তি মেয়েকে এক নতুন জীবন উপহার দিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার চৌমুখীর সঙ্গে নিজের ছবি শেয়ার করেন সোনু। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি জানান, শিশুটির একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে। অস্ত্রোপচারের আগে এবং পরে চৌমুখীর ছবি পোস্ট করেন তিনি। তিনি লিখেছেন, ‘(মেরা অর চৌমুখী কুমারী কা সফর কামিয়াব রাহা) আমার এবং চৌমুখী কুমারীর যাত্রা সফল হয়েছে। বিহারের একটি ছোট গ্রামে চার পা ও চার হাত নিয়ে জন্মেছিল চৌমুখী। এখন সে সফল অস্ত্রোপচারের পর বাড়ি ফিরেছে।’

    [insta]https://www.instagram.com/p/Celke5DJpPM/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    এর পাশাপাশি দেশের অন্যতম কঠিন অস্ত্রোপচারের সাফল্যের জন্যে সুরাতের (Surat) কিরণ হাসপাতালকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তিনি চৌমুখীর ব্যাপারে জানার পরই ছুটে যান সাহায্য করতে ও তার অপারেশনের জন্য সোনু সাহায্য করেন।

    [tw]


    [/tw]

    এই পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তাঁর ফ্যানেরা আরও বেশি আবেগঘন হয়ে পড়েন। তাঁর অনুরাগীরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তাঁর অনুরাগীদের কেউ তাঁকে ‘বাস্তবের হিরো’ বলেছেন, কেউ আবার তাঁর ভালোর জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছেন। 

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, করোনা কালেও তিনি দুঃস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কখনও আবার মাইলের পর মাইল হেঁটে চলা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন। কখনও আবার অক্সিজেন সিলিন্ডারও পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। এমনকি এবারও সোনু সুদ এই বাচ্চা মেয়েটির পাশে দাঁড়িয়ে, তাকে নতুন জীবন দিয়ে হয়ে উঠলেন ‘ঈশ্বরের দূত’ ।

    আরও পড়ুন: ইতিহাসের পাতায় গুরুত্ব পাননি পৃথ্বীরাজ চৌহান, আপশোস অক্ষয় কুমারের

  • Sologamy in India: ভারতে প্রথম, মেহেন্দিতে সেজে নিজেকেই বিয়ে  তরুণীর ! কী কী হল অনুষ্ঠানে?

    Sologamy in India: ভারতে প্রথম, মেহেন্দিতে সেজে নিজেকেই বিয়ে তরুণীর ! কী কী হল অনুষ্ঠানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবাক হচ্ছেন? কিন্তু এই ঘটনা সত্যি। সাত পাকে নিজেই নিজেকে বাঁধলেন গুজরাতের (Gujrat) ভদোদরার (Vadodara) বাসিন্দা ক্ষমা বিন্দু (Kshama Bindu)। এক অভূতপূর্ব ঘটনার সাক্ষী হল ভারত। ২রা জুন তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন যে ১১জুন তিনি বিয়ে করতে চলেছেন নিজেকে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই ৮ই জুন বিয়ে সেরে ফেললেন তিনি।  হলুদপর্ব, মেহেন্দি থেকে শুরু করে সাত পাক, সিঁদুর দান সব প্রথাই পালিত হল বাড়িতে। তবে ছিল না কোনও পাত্র। ইন্সটাগ্রামে (Instagram) তাঁর ছবিও শেয়ার করেছেন ক্ষমা বিন্দু। বুধবার বিয়ে শেষে এক নজির সৃষ্টি করলেন ভারতের প্রথম সোলোগ্যামি (Sologamy)  কনে ক্ষমা বিন্দু। নিজের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: এ কেমন শখ! মানুষ থেকে কুকুর হল জাপানি যুবক

    নির্ধারিত তারিখের আগেই বিয়ে করার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনবরত আক্রমণ, সমালোচনা ও কটাক্ষের ফলেই বিয়ে এগিয়ে আনেন ক্ষমা। এইসব বিতর্কের জেরে পুরোহিতও বিয়ে করাতে মানা করে দেন। এমনকি ভদোদরা (Vadodara) বিজেপির (BJP) সহ সভাপতি সুনীতা শুক্লা (Sinita Shukla) এই বিয়ের তীব্র বিরোধিতা করেন।  যে মন্দিরে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল সেখানেও বিয়ের অনুষ্ঠান করাতে দেননি। সুনীতা শুক্লা ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি এমন বিয়ে কখনওই কোনও মন্দিরে হতে দেবেন না।কারণ তাঁর মতে এটি হিন্দুধর্মের অবমাননা।  হিন্দু যুবসমাজকে ভুলপথে চালনা করা।  এটিকে বিন্দুর ‘পাবলিসিটি স্টান্ট’ও (Publicity Stunt) বলেছেন তিনি। ফলে এইসব কারণেই শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের উপস্থিতিতেই বিয়ে সারেন গুজরাটের এই কনে।

    আরও পড়ুন: এ কি কাণ্ড আমাজনের! প্লাস্টিকের বালতি, মগ বিক্রি হচ্ছে ২৬ হাজার টাকায়!

    সদ্য বিবাহিতা কনে জানান, তাঁর এতদিনের স্বপ্ন আজ পূ্র্ণ হল। তাঁর বিয়েতে পাত্র ও পুরোহিত ছাড়া সবকিছুই ছিল। তিনি এদিন লক্ষ্মী গণেশের পুজো করে সাতপাক ঘোরেন ও নিজের সিঁথিতে সিঁদুর দেন। তিনি আরও জানান, তাঁর মায়েরও এই বিয়েতে সম্মতি ছিল। আগে ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার ছিল ১৭৯০০, কিন্তু এই সোলোগ্যামি ঘোষণার পর আরও ১০,০০০ অনুগামী বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২৭,৮০০। ক্ষমা বিন্দু জানিয়েছেন তিনি ইতিমধ্যেই প্রভাবশালী (Influencer) হয়ে উঠেছেন। ক্ষমাকে বহু মানুষ কটাক্ষ  করলেও অনেকে আবার ক্ষমার পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে সাহসও জুগিয়েছেন।

     

     

  • HS Result: প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, মেধা তালিকায় কারা? 

    HS Result: প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, মেধা তালিকায় কারা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজই প্রকাশিত হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল (HS Result)। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৪৪ দিনের মাথায় প্রকাশিত হল ফল। সকাল ১১টায় সংসদের তরফে সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য সাংবাদিক বৈঠকে প্রথম দশের তালিকা প্রকাশ করেন।  

    প্রথম (HS First) হয়েছেন কোচবিহার দিনহাটা সোনিনিদেবী জৈন স্কুলের ছাত্রী অদিশা দেবশর্মা। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৮। দ্বিতীয়স্থানে (HS Second) রয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের ছাত্র সায়নদীপ সামন্ত, তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৭। তৃতীয়স্থানে (HS Third) পাঠভবনের ছাত্র রোহিন সেন। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬।  

    চতুর্থ স্থানে আছেন ৮ জন। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। পঞ্চম স্থানে ১১ জন আছেন, তাঁদের প্রত্যেকে নম্বর ৪৯৪। এছাড়াও, ষষ্ঠ স্থানে মোট রয়েছেন ৩২ জন। সপ্তম স্থানে রয়েছেন ৩৭ জন। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯২। অষ্টম স্থানে রয়েছেন মোট ৫৫ জন, প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। নবম স্থানে রয়েছেন ৫৪ জন, তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯০। দশম স্থানে রয়েছেন ৬৯ জন, প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯।  

    এবছর মোট পরীক্ষা দিয়েছেন ৭,৪৪,৬৫৫ জন। এঁদের মধ্যে পাশ করেছেন ৬,৩৬,৮৭৫ জন। এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাশের হার ৮৮.৪৪ শতাংশ। ৭ জেলায় মোট পাশের হার ৯০%-র বেশি। 

    আরও পড়ুন: জুনের প্রথম সপ্তাহেই মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! উচ্চমাধ্যমিক, জয়েন্টের রেজাল্ট কবে? জানুন

    এদিন সাংবাদিক বৈঠকে পরের বছরের পরীক্ষার সময়সূচীও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছর ১৪ মার্চ শুরু হবে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হবে ২৭ মার্চ।

    আগামী বছর হোম সেন্টারে পরীক্ষা হবে না। পাশাপাশি পূর্ণ সিলেবাসেই পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছেন সংসদ সভাপতি। উচ্চমাধ্যমিকের ফলের রিভিউ ও স্ক্রুটিনির জন্য আবেদন করা যাবে ২০ জুন থেকে। ২০ জুন থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত এবার রিভিউর জন্য আবেদন করা যাবে অনলাইনেই। ২০ তারিখ মধ্যরাত থেকে রিভিউর আবেদন জানাতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। রিভিউ প্রক্রিয়ার জন্য পেমেন্টের ক্ষেত্রে এবার ইউপিআই, ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যাবে।    

     

  • Agnipath Scheme: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ

    Agnipath Scheme: অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত নয়! রয়েছে নানা সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিবীরেরা কর্মরত অবস্থায় দক্ষতা সংক্রান্ত যে প্রশিক্ষণ পাবেন, সেই বিষয়গুলিকে আগামী দিনে তিন বছরের স্নাতক স্তরে প্রবর্তন করা হবে। এ নিয়ে একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রক। ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) এর মাধ্যমে এই ডিগ্রি দেওয়া হবে। ইগনু এ নিয়ে নানা পরিকল্পনাও শুরু করেছে। শীঘ্রই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলেও শিক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর। অগ্নিবীররা কর্মরত অবস্থায় তাঁদের কাজের দক্ষতার উপর ভিত্তি করে এই কোর্সের ৫০ শতাংশ নম্বর পাবেন। বাকি ৫০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে  বিষয়ভিত্তিকভাবে। ভাষা, অর্থনীতি, ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গণিত, সমাজবিজ্ঞান  প্রভৃতি বিষয় থাকবে। ইউজিসি (UGCএবং জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসারে স্নাতকস্তরে এই নয়া কোর্স শুরু করা হবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিনটি বিভাগের সঙ্গেই আলোচনা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনার অর্ধেক হবে অগ্নিবীর! দাবি সেনা উপপ্রধানের

    অগ্নিপথ প্রকল্পে চার বছরের জন্য সেনায় নিয়োগের পরবর্তী সময়ে অগ্নিবীররা কী করবেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে। কিন্তু সরকারের তরফে এ বিষয়ে আশ্বাস দিয়ে বলা হয়েছে, অগ্নিবীরদের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। অবসর নেওয়া অগ্নিবীরদের সমস্ত আধাসামরিক বাহিনী ও আসাম রাইফেলসে যোগদানের প্রশ্নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অগ্নিপথ প্রকল্পে সুযোগ পাওয়া অগ্নিবীরদের পুলিশ ও সহযোগী বাহিনীতে নিয়োগে অগ্রাধিকার (priority) দেওয়া হবে বলে টুইট করেছেন উত্তর প্রদেশের (uttar pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও (Yogi Adityanath)। টুইটে যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন,অগ্নিপথ প্রকল্প যুবকদের দেশ ও সমাজের সেবার জন্য তৈরি করে দেবে। তাদের জন্য গর্বিত ভবিষ্যতের সুযোগ দেবে বলেও মন্তব্য করেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সর্বোচ্চ সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, অগ্নিবীর সেনাদের অবসর-পরবর্তী চাকরির বন্দোবস্ত করার বিষয়টি নিয়ে তারা সরকারের সহযোগী হতে আগ্রহী। তাদের প্রস্তাব, কর্পোরেট নিরাপত্তার একটি ছোট কোর্সের কথা ভাবা যেতে পারে, যার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে অগ্নিবীরদের উপযুক্ত চাকরি দেওয়া সম্ভব হবে।

  • Sri Lanka: চিনের কাছে ঋণ নিয়ে চরম বোকামির কাজ করেছে শ্রীলঙ্কা, দাবি সিআইএ প্রধানের

    Sri Lanka: চিনের কাছে ঋণ নিয়ে চরম বোকামির কাজ করেছে শ্রীলঙ্কা, দাবি সিআইএ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের কাছে ঋণ নিয়ে চরম বোকামির (Dumb Bets) কাজ করেছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। তার জেরেই ভেঙে পড়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের অর্থনীতি। দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে দেশ। সম্প্রতি এমনই মন্তব্য করেছেন সিআইএ (CIA) প্রধান বিল বার্নস (Bill Burns)। বিলের মতে, শ্রীলঙ্কার এই ভুল দেখে বিশ্বের অন্য দেশগুলির সচেতন হওয়া উচিত।

    চড়া সুদে শি জিনপিংয়ের দেশ থেকে ঋণ নেয় দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। ফি মাসে কেবল সুদ বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা মেটাতে গিয়ে আক্ষরিক অর্থেই সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছে শ্রীলঙ্কা প্রশাসন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের দিকে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে শ্রীলঙ্কার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে। সরকারের এই ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুণতে হয় দ্বীপবাসীদের। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ভাঁড়ার তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় আমদানি বন্ধ। জ্বালানির অভাবে প্রতিদিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া। জনরোষের আগাম আঁচ পেয়ে রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে নিয়ে দেশ ছেড়ে পালান গোতাবায়া। প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে প্রেসিডেন্ট ভবন, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সহ নানা সরকারি ভবনের দখল নেয় জনতা। তার পরেই বিদেশ থেকে মেইল করে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন গোতাবায়া। জরুরি ভিত্তিতে সাংসদের ভোটে নয়া প্রেসিডেন্ট হন দেশের ছ বারের প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহে।

    আরও পড়ুন : বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

    শ্রীলঙ্কার এই পরিস্থিতির কারণ যে চিন থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়া, তা জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ। বিল বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শ্রীলঙ্কার দিকে তাকানো উচিত। চিনের কাছে ঋণে জর্জরিত দ্বীপরাষ্ট্র। চিন থেকে ঋণ নিয়ে অবিবেচকের মতো কাজ করেছে শ্রীলঙ্কা। যার জেরে ভেঙে পড়েছে দেশের অর্থনীতি। দুর্দশার শিকার হয়েছেন দ্বীপরাষ্ট্রবাসী। বদলে গিয়েছে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও। তিনি বলেন, কেবল মধ্য প্রাচ্য কিংবা দক্ষিণ এশিয়া নয়, গোটা বিশ্বকেই এ ব্যাপারে চোখকান খোলা রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কা ছেড়ে মালদ্বীপ পালালেন রাষ্ট্রপতি, দায়িত্বে রনিল বিক্রমসিংহে, জরুরি অবস্থা জারি

    শ্রীলঙ্কায় পরিকাঠামো সহ নানা খাতে মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে চিন। বিপুল পরিমাণ সুদ মেটাতে গিয়েই সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছে দেশ। ভারত মহাসাগরের ছোট্ট দ্বীপ শ্রীলঙ্কা। জনসংখ্যা ২২ কোটির কাছাকাছি। অবস্থানগতভাবে ভারতের কাছাকাছি হওয়ায় মোদি সরকারের থেকে প্রচুর সাহায্য পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। তার পরেও শ্রীলঙ্কার বিরোধী দলনেতা সাজিথ প্রেমদাসা পাশে থাকার আবেদন জানিয়েছে ভারতকে। যাতে বিপর্যয়ের হাত থেকে টেনে তোলা যায় দ্বীপরাষ্ট্রকে।

     

  • MRFA: ১১৪ যুদ্ধবিমান কেনার পথে বায়ুসেনা, ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই

    MRFA: ১১৪ যুদ্ধবিমান কেনার পথে বায়ুসেনা, ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর ভারত (Atmanirbhar Bharat) প্রকল্পকে আরও জোরগদার করার পথে ভারত।  দেশের আকাশসীমাকে নিশ্ছিদ্র করা ও ভারতের শক্তিবৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ১১৪টি বিদেশি যুদ্ধবিমান কেনার পথে ভারতীয় বায়ুসেনা

    ‘বায় গ্লোবাল অ্যান্ড মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Buy Global and Make in India)-র আওতায় কেনা হবে এই মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (MRFA) যার মধ্যে ৯৬টিই তৈরি হবে দেশে। অর্থাৎ, মূল বিদেশি  নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিমানগুলি এদেশে তৈরি করবে এখানকার সংস্থা। এই মর্মে সম্প্রতি বিদেশি বিমান নির্মাতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বায়ুসেনা। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পটি কে কীভাবে পরিচালনা করতে চায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে বায়ুসেনা।

    আরও পড়ুন: সেনায় ৪ বছর দিক যুবারা, “অগ্নিপথ” প্রকল্পের ঘোষণা রাজনাথের

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, ১১৪টি বিমানের মধ্যে প্রথম দফায় ১৮টি সরাসরি বিদেশি নির্মাতার থেকে আমদানি করা হবে। বাকি ৯৬টি তৈরি হবে ভারতেই প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে। এই ৯৬টির মধ্যে আবার দ্বিতীয় দফায় ৩৬টি বিমানের জন্য ভারতীয় এবং বিদেশি মুদ্রা যৌথভাবে খরচ করা হবে। তৃতীয় তথা শেষ দফায় ৬০টি বিমানের জন্য খরচ মেটানো হবে শুধুমাত্র ভারতীয় মুদ্রায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) ভাবনা প্রসূত ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পকে মাথায় রেখে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।

    বিদেশি সংস্থাগুলি ভারতে বা ভারতের সংলগ্ন তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে যে পণ্য বিক্রি করে, তা ভারতের মাটিতে, ভারতীয় শ্রমিকদের সাহায্য নিয়ে এবং ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে বানানোর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে উৎসাহ জোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানের বরাত সেই ক্ষেত্রে বড় সুযোগ করে দেবে বলে অনুমান। খুব শীঘ্রই ভারতীয় বায়ুসেনার ডাকা টেন্ডারে অংশ নিতে চলেছে বোয়িং, লকহিড মার্টিন, সাব, মিগ, ইরকুট, দাসোর মত বিদেশি যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর! ৭৬ হাজার কোটি টাকার সমরাস্ত্র কেনায় সায় কেন্দ্রের

  • Pm Modi: বিদ্যুৎ বাবদ রাজ্যগুলির কাছে পাওনা কোটি কোটি টাকা, দ্রুত শোধের আর্জি মোদির  

    Pm Modi: বিদ্যুৎ বাবদ রাজ্যগুলির কাছে পাওনা কোটি কোটি টাকা, দ্রুত শোধের আর্জি মোদির  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ বণ্টন ক্ষেত্রে ভারতের (India) ক্ষতির পরিমাণ দুই অঙ্কের। অথচ উন্নত দেশগুলিতে (Developed Countries) এর পরিমাণ এক অঙ্কের। শনিবার উজ্জ্বল ভারত, উজ্জ্বল ভবিষ্য পাওয়ার @ ২০৪৭ (Ujjwal Bharat Ujjwal Bhavishya-Power@2047) শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ বণ্টন করতে গিয়ে আমাদের প্রচুর পরিমাণ শক্তি নষ্ট হয়। সেই কারণে দেশবাসীর চাহিদা পূরণ করতে যে পরিমাণ বিদ্যুতের প্রয়োজন, উৎপাদন করতে হচ্ছে তার চেয়েও ঢের বেশি।

    বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি রাজ্যের কাছে যে কেন্দ্রের মোটা টাকা পাওনা রয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন মোদি। বলেন, দেশের বিভিন্ন পাওয়ার সেক্টর ফার্মের কাছে অনেক রাজ্যের দেনা রয়েছে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। দেশবাসী এটা জেনে বিস্মিত হবেন যে বিভিন্ন রাজ্যের বকেয়া রয়েছে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। এই টাকা তাদের শোধ করতে হবে বিভিন্ন শক্তি উৎপাদক কোম্পানিগুলোকে। বিদ্যুৎ বণ্টন করে যেসব কোম্পানি, বিভিন্ন সরকারি এবং আঞ্চলিক দফতরের কাছে তাদের পাওনার পরিমাণ ৬০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। আটকে রয়েছে এরিয়ার বাবদ ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন রাজ্যের কাছে বকেয়ার পরিমাণ দিন দিন বেড়ে যাওয়ার কারণে  পাওয়ার ফার্মগুলো ভর্তুকি বাবদ যে টাকা পায়, সেটাও যথা সময়ে পাচ্ছে না।

    আরও পড়ুন : বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতির সঙ্গে পাল্লা দেবে ভারত, বললেন মোদি

    বিদ্যুৎ বাবদ রাজ্যগুলির যে বকেয়া রয়েছে, সেগুলি দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার অনুরোধও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি রাজ্যগুলিকে অনুরোধ করছি, যাদের টাকা বকেয়া রয়েছে, তাঁরা তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিশোধ করে দিন। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, উপভোক্তারা যদি যথা সময়ে সততার সঙ্গে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে দেন, তাহলে রাজ্যগুলি কেন বারবার টাকা বকেয়া রাখছে। এদিন ডিস্ট্রিবিউশন সেক্টর স্কিমের সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

     

  • Terror Drones: পাকিস্তানে পাঠানো হচ্ছে ফাঁকা ড্রোন, ভারতে ফিরছে আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক বয়ে!

    Terror Drones: পাকিস্তানে পাঠানো হচ্ছে ফাঁকা ড্রোন, ভারতে ফিরছে আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক বয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (pakistan) পাঠানো হচ্ছে ড্রোন। ফিরছে কখনও মাদক (drug), কখনও বা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ড্রোন (drone) আটক করেছে বিএসএফ (bsf) এবং পাঞ্জাব পুলিশ। ড্রোন থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই নিরাপত্তা বাহিনী জেনেছে, ভারত থেকে পাকিস্তানে ড্রোন পাঠিয়ে কাজ হাসিল করছে দুষ্কৃতীরা।

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সম্প্রতি পাঞ্জাব পুলিশ (punjab police) বেশ কয়েকটি ড্রোন বাজেয়াপ্ত করে। প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে তারা জেনেছে, এই ড্রোনগুলিকেই ব্যবহার করা হয় মাদক কিংবা আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের মাধ্যম হিসেবে। এও জানা গিয়েছে, অধিকাংশ ড্রোনই ওড়ানো হত অমৃতসর এবং তরণ তারণ জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে।

    অমরনাথ যাত্রায় নাশকতার ছক? অস্ত্রবোঝাই ড্রোন ধ্বংস পুলিশরে

    জানা গিয়েছে, ভারত থেকে পাঠানো ড্রোনে পিস্তল, মাদক এবং গোলাবারুদে ভর্তি করে পাকিস্তানের কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি সেগুলি ভারতে ফেরত পাঠিয়ে দিচ্ছে। ঘটনাটি নজরে পড়ায় পাঞ্জাব পুলিশকে নিয়ে বিএসএফ ওই ড্রোনগুলি বাজেয়াপ্ত করে। তখনই ফাঁস হয় অবৈধ পাচারচক্র। গত মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বৈঠকে উঠেওছিল বিষয়টি।      

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিএসএফ একটি ড্রোনকে গুলি করে নামায়। ড্রোনটি পাকিস্তান থেকে উড়ে এসে পাঞ্জাবের অমৃতসরে আসছিল। সেই ড্রোন থেকে মেলে ১০ কেজিরও বেশি হেরোইন। যার বাজারদর প্রায় ৭০ কোটি টাকা। পাঞ্জাব পুলিশের এক আধিকারিক জানান, বাজেয়াপ্ত করা ড্রোনের যাতায়াতের পথ বিশ্লেষণ এবং তদন্ত করে জানা গিয়েছে, সেটি পাঠানো হয়েছিল ভারত থেকে। সেখানেই ড্রোনটিতে ভরা হয়েছিল ১০ কেজি হেরোইন। পরে সেটিকে ফের ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রায় একই রকম একটি ঘটনা ঘটেছিল মার্চের প্রথম সপ্তাহে। ভারত-পাক সীমান্ত লাগোয়া একটি ফার্মের কাছে গুলি করে ড্রোনটি নামায় বিএসএফ এবং পাঞ্জাব পুলিশ। এই ড্রোনটিও ভারত থেকে পাকিস্তানে পাঠানো হয়েছিল। গোলাবারুদ এবং মাদক নিয়ে ভারতে ফিরছিল সেটি।

    আরও পড়ুন : প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াচ্ছে পাকিস্তান!

    পরপর এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ সতর্ক করে দেয় পাঞ্জাব পুলিশকে। পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় কিছু লোক পাকিস্তানের সঙ্গে তলায় তলায় যোগসাজশ রেখে চলছে। তারাই চালাচ্ছে এই চক্র। এর পেছনে বেশ কিছু গ্যাংস্টার এবং পাকিস্তানের মাটিতে ঘাঁটি গেড়ে থাকা সন্ত্রাসবাদী এবং অপরাধীরা রয়েছে। ঘটনায় যোগ রয়েছে দুই দেশেরই স্থানীয় কিছু দুষ্কৃতীরও। ড্রোনের এই অপব্যবহার ঠেকাতে সক্রিয় বিএসএফও। সীমান্তে অ্যান্টি ড্রোন সিস্টেম (Anti-Drone system) মোতায়েন করা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে খবর। এর পাশাপাশি সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর নিরাপত্তারক্ষী। বাড়ানো হয়েছে টহলদারি, বসানো হয়েছে নানা নজরদারি সরঞ্জামও।

    বরাবরই ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে সক্রিয় পাকিস্তান (Pakistan)। অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হওয়ার পথে দেশ। নড়বড়ে প্রশাসন। হাজারো সমস্যা থেকে দেশবাসীর নজর ঘোরাতে ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টির নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শেহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) দেশ।

     

  • Green Hydrogen: কেন্দ্রের লক্ষ্য ভবিষ্যৎ জ্বালানি, ভারত হবে সবুজ হাইড্রোজেনের হাব?

    Green Hydrogen: কেন্দ্রের লক্ষ্য ভবিষ্যৎ জ্বালানি, ভারত হবে সবুজ হাইড্রোজেনের হাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবুজ হাইড্রোজেন (Green Hydrozen) উৎপাদনে খরচ কমাতে উদ্যোগী হল ভারত (India)। সম্প্রতি এ খবর জানিয়েছেন নীতি আয়োগের সিইও (CEO)। তিনি বলেন, টিকে থাকতে গেলে এবং সাফল্য লাভ করতে হলে সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনে ভবিষ্যতে ভারতের প্রয়োজন হবে সাশ্রয়ী বিনিয়োগের বিকল্প।

    বিশ্বজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে জ্বালানির মূল্য। এমতাবস্থায় খোঁজ চলছে সস্তার বিকল্প জ্বালানির। এই কারণেই ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে সবুজ হাইড্রোজেনের। ভবিষ্যতে নানা কাজে ব্যবহৃত হলেও, বর্তমানে কেবল অ্যামোনিয়া উৎপাদন এবং তেল পরিশোধনের কাজে লাগে হাইড্রোজেন। 

    সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন প্রক্রিয়া এখনও বেশ জটিল এবং ব্যয়বহুল। জল থেকে যে হাইড্রোজেন উৎপাদন করা হয়, তা হল সবুজ হাইড্রোজেন। এক বিশেষজ্ঞ জানান, অণু ‘এইচ-টু’ হওয়ার কারণে সব হাইড্রোজেনই আসলে এক। তবে ভিন্ন উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারণে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমণের মাত্রা নির্ভর করে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    জানা গিয়েছে, ভারতে বর্তমানে প্রতি কেজি সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন করতে খরচ পড়ে পাঁচ থেকে ৬ মার্কিন ডলার। এটাকেই এক মার্কিন ডলারে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে ভারত সরকার। সবুজ হাইড্রোজেনই যেহেতু ভবিষ্যতের বিকল্প জ্বালানি, তাই এর উৎপাদন খরচ কমানো প্রয়োজন। সেই কারণেই উদ্যোগী হয়েছে সরকার।

    এদিকে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মেট্রিক টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার দরকার। ফরাসী সংস্থা টোটাল এনার্জিজ জানিয়েছে, ভারতের সঙ্গে সবুজ হাইড্রোজেন ইকোসিস্টেম বিকাশের চুক্তির অংশ হিসেবে আদানির ২৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব আমরা কিনেছি।

    আরও পড়ুন : পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে মুখিয়ে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    বিশ্বের বৃহত্তম তেল ও গ্যাস উৎপাদক সংস্থা টোটাল এনার্জি। নানা কারণে সংস্থাটি পরিবেশবিদদের সমালোচনার শিকার হয়েছে। তাই নিজেদের ইমেজ বদলাতে মরিয়া সংস্থাটি গত কয়েক বছর ধরে হাইড্রোকার্বন-কেন্দ্রিক প্রক্রিয়ার পরিবর্তে তারা পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তি উৎপাদনে জোর দিচ্ছে। তাই সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনে বিনিয়োগ।

  • New Movie Baap: বলিপাড়ায় নতুন ধামাকা! ‘বাপ’-এ এবারে একসঙ্গে বলিউডের চার তারকা

    New Movie Baap: বলিপাড়ায় নতুন ধামাকা! ‘বাপ’-এ এবারে একসঙ্গে বলিউডের চার তারকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউডের (Bollywood) এই নতুন সিনেমায় এক, দুই নয়, একেবারে চারজন বড় বড় তারকাকে দেখা যাবে একই পর্দায়। বলিউড থেকে এই খবরটি আসা মাত্র সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে এক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, এই সিনেমায় চারজন অভিনেতাই ‘অ্যাকশনের বাপ’। এক সঙ্গে জুটি বাঁধতে দেখা যাবে মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty), সানি দেওল(Sunny Deol), সঞ্জয় দত্ত (Sanjay Dutt)  এবং জ্যাকি শ্রফকে (Jackie Shroff)। তাই বলাই বাহুল্য যে এই সিনেমাটি একটি নতুন চমক নিয়ে আসতে চলেছে।

    পরিচালকের আসনে রয়েছেন বিবেক চৌহান(Vivek Chauhan)। ছবির যৌথ প্রযোজনায় জি স্টুডিও (Zee Studio) এবং আহমেদ খান (Ahmed Khan)। এই অ্যাকশন মুভির জন্য আহমেদ খান, জি স্টুডিওর সঙ্গে এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এটিই বলিউডে প্রথম যে, একই সিনেমার পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে বলিউডের চার তারকাকে।

    আরও পড়ুন: কিশোর কুমারের চারটি বিয়ে! এই বিষয়ে কী বললেন তাঁর পুত্র অমিত কুমার

    আশির দশকে এই চার অভিনেতারা বড়পর্দায় অ্যাকশনের ঝড় তুলেছিলেন। সেই ঝড়কেই ফের পর্দায় ফিরিয়ে আনতে চলেছেন পরিচালক। বলিউড সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, চলতি মাসেই শুরু হবে এই ছবির শুটিং। শোনা যাচ্ছে, এই ছবির শ্যুটিং মুম্বই-এর স্টুডিও ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় করা হবে। খবরসূত্রে জানা যায়, আশির দশকের এই অ্যাকশন স্টারদের বড় পর্দায় পুনরায় ফিরিয়ে আনতে চেয়েছেন আহমেদ খান, তবে কিছু ট্যুইস্টের সঙ্গে। তাই এবারে চারজনের জুটি বেঁধেছেন মুভির প্রযোজক টিম। গত একবছর ধরে এই ছবি নিয়ে আলোচনার পর জানা যায়, এই বছরেই শুরু হতে চলেছে শ্যুটিং।

    উল্লেখ্য, সানি দেওলের হাতে বর্তমানে ‘গদর ২’ (Gadar 2) এবং ‘চুপ’ (Chup)-এর মতো ছবিও রয়েছে। যদিও গদর তার ২০০১ সালের ব্লকবাস্টার, গদর-এর সিক্যুয়াল। ‘চুপ’ পরিচালনা করেছেন আর বাল্কি(R Balki) এবং এতে প্রধান চরিত্রে ডুলকার সালমানও (Dulquer Salmaan) রয়েছেন। অন্যদিকে সঞ্জয় দত্ত এবছর কেজিএফ ২ (KGF 2)-এ  এবং ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ (Samrat Prithviraj’-এর মতো ছবিতেও অভিনয় করেছেন। এই বছরে তার অন্যান্য মুভির মধ্যে রয়েছে ‘শামশেরা’ (Shamshera)। এদিকে আহমেদ খান ওম: দ্য ব্যাটল উইদিন(Om: The Battle Within)-এর মুক্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, এটি জুলাই মাসেই মুক্তি হতে পারে। তবে এই ‘অ্যাকশন বাপ’-দের একসঙ্গে দেখবার জন্য আগ্রহের সঙ্গে বসে রয়েছেন দর্শক সহ বলিপাড়াও।

    আরও পড়ুন:চার হাত, চার পা নিয়ে জন্মানো একরত্তি মেয়েকে নতুন জীবন দিলেন সোনু সুদ

LinkedIn
Share