Blog

  • SSC Scam Case: শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নবম-দশমেও, হাইকোর্টে দায়ের মামলা

    SSC Scam Case: শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নবম-দশমেও, হাইকোর্টে দায়ের মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসির (Ssc) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে নেমে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে কেউটের সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Patha Chatterjee) এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee) গ্রেফতারও করেছে ইডি (ED)। এমনই আবহে ফের প্রকাশ্যে এল আরও একটি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, অনিয়ম হয়েছে এসএসসির নবম দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও। এ ক্ষেত্রেও মেধা তালিকার বাইরের অনেকের চাকরি হয়েছে। অভিযোগ শোনার পর বৃহস্পতিবার ফের নতুন করে মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুক্রবার রয়েছে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন : শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

    হাইকোর্ট সূত্রে খবর, ১৪ জুলাই নবম দশম শ্রেণির পরীক্ষার মেধা তালিকা প্রকাশ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকা নিয়ে আপত্তি তুলেছেন কয়েকজন চাকরি প্রার্থী। অভিযোগ, এই মেধা তালিকা প্রকাশের সময় সংরক্ষণের নিয়ম মানা হয়নি। মেধা তালিকায় নাম নেই অথচ চাকরি পেয়েছেন, এমনও হয়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের এও দাবি, মেধাতালিকায় ‘হাইজাম্প’ করেও চাকরি পেয়েছেন অনেকেই। এই ঘটনার জেরে এসএসসিকাণ্ডে বিড়ম্বনা আরও বাড়তে পারে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের। ওই দুর্নীতিতে ইতিমধ্যেই ইডি গ্রেফতার করেছে তাঁদের। সেই মামলার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের নয়া মামলা। এবং সেই এসএসসিকাণ্ডে।

    আরও পড়ুন : এসএসসি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠাল আদালত

    এদিকে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দফায় দফায় প্রায় চোদ্দ ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা নদিয়ার পলাশিপাড়ার বিধায়ক তৃণমূলের মানিক ভট্টাচার্যকে। টেট দু্র্নীতিকাণ্ডে তাঁকে জেরা করছে ইডি। বুধবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইডি। সেই মতো এদিন সকাল ১০টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন তিনি। ছাড়া পান রাত ১২টা নাগাদ। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তাঁকে ফের জেরা করা হবে বলেও ইডি সূত্রের খবর।

     

  • S-400 at China Border: এলএসি-তে উড়ছে চিনা যুদ্ধবিমান! জবাবে দ্বিতীয় এস-৪০০ স্কোয়াড্রন মোতায়েন ভারতের

    S-400 at China Border: এলএসি-তে উড়ছে চিনা যুদ্ধবিমান! জবাবে দ্বিতীয় এস-৪০০ স্কোয়াড্রন মোতায়েন ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (LAC) কাছে চিন সীমান্ত বরাবর এস-৪০০ (S-400) ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের দ্বিতীয় স্কোয়াড্রন বসাতে চলেছে ভারত (India)। এই বিশাল ক্ষমতাসম্পন্ন মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম লাদাখ (Ladakh) সেক্টরে ভারতীয় সেনাকে (Indian Army) আলাদা মনোবল জোগাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

    ভারত-চিন সীমান্তে (India China Border) মাঝেমধ্যেই নো-ফ্লাই জোনে যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন উড়িয়ে ভারতকে চাপে রাখার চেষ্টা করে চলেছে চিন, এই মিশাইল বসানো হলে তার যোগ্য জবাব দেওয়া যাবে বলে ধারণা প্রতিরক্ষামন্ত্রকের। চিনের বাড়বাড়ন্তও অনেকটা রোখা যাবে বলে অনুমান। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের (Russia-Ukraine War) পর থেকে রুশ অস্ত্র কেনার ব্যাপারে আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু চিনকে আটকাতে এই মিসাইল সিস্টেমটি কেনার ব্যাপারে ভারতকে আলাদা করে ছাড়পত্র দেয় আমেরিকা। মার্কিন ক্যাটসা আইন (CAATSA) অনুসারে, যদি কোনও দেশ রাশিয়া থেকে নিরাপত্তা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র কেনে, তাহলে সেই দেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে চিনের আগ্রাসন ঠেকাতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে ভারতকে (India)। সেই কথা মাথায় রেখেই আমেরিকার সংসদে আইন সংশোধন করে ভারতকে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: চিন সীমান্তে রাস্তা নির্মাণে গত পাঁচ বছরে ব্যয় প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা

    শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ও লম্বা পাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুদ্ধ চালাতে  ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ (S-400 Triumf) -এর বিকল্প নেই। চিনের সঙ্গে সীমান্তে প্রতিনিয়ত সমস্যা লেগে রয়েছে এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) এই ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পাচ্ছে। এর ফলে কিছুটা হলেও সুবিধা পাবে ভারত। লাদাখ (Ladakh) ও অরুণাচলকে (Arunachal Pradesh) নিশানায় রেখে আগেভাগেই চিন অধিকৃত তিব্বতে দুটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন মোতায়েন করেছে বেজিং। এ বার ভারতের পালা। রাশিয়া থেকে পাঁচটি স্কোয়াড্রন ভারতে আসছে। খরচ পড়ছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকেও বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করতে সক্ষম এস- ৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা। 

  • Joe Biden: দশ দিন না পেরোতেই ফের করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    Joe Biden: দশ দিন না পেরোতেই ফের করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও করোনা (Corona) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। এক সপ্তাহও পেরোয়নি, ফের কোভিডের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে তাঁর। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হলেন তিনি। হোয়াইট হাউজ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার সকালেই তাঁর কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তিনি এখন হোয়াইট হাউজেই নিভৃকবাসে আছেন।

    আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত মার্কিন রাষ্ট্রপতি, ভিডিও বার্তায় জানালেন নিজেই

    তাঁর চিকিৎসক ডা. কেভিন ও’কনোর (Kevin O’Connor) জানিয়েছন, এর আগে মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত টানা চারদিন বাইডেনের কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। কিন্তু শনিবার আবার তাঁর ‘অ্যান্টিজেন টেস্ট’ করা হলে তাঁর রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ আসে। এরপর তাঁর চিকিৎসকরা তাঁকে আবারও নিভৃতবাসে থাকার পরামর্শ দেন। আপাতত পাঁচ দিন তিনি হোয়াইট হাউসেই নিভৃতবাসে থাকবেন।

    প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন ৭৯ বছর বয়সী জো বাইডেন। তখন তাঁর করোনার মৃদু উপসর্গ ছিল বলে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানোনো হয়েছিল। তবে তাঁকে চিকিৎসকদের বিশেষ নজরে রাখা হয়েছিল। গত মঙ্গলবার তাঁর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে চিকিৎসকরা জানান যে, তাঁকে আর আইসেলেশনে থাকার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এরপর আবার বাইরে বেরোতেই ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়লেন।

    আরও পড়ুন: দেড় বছর পর ওয়াশিংটনে, আবারও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

    চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, এক সপ্তাহের মধ্যেই ফের করোনা আক্রান্ত হওয়া আসলে ‘রিবাউন্ড পজিটিভিটি’ (Rebound Positivity)। অর্থাৎ বাইডেনের করোনা পরিস্থিতিতে প্যাক্সলোভিড (PAXLOVID) নামক ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়েছিল, তাতে সমস্ত ভাইরাস মরে যায়। কিন্তু ওষুধের কোর্স শেষ হতেই রিপোর্ট ফের পজেটিভ চলে আসে। যদিও বর্তমানে তাঁর করোনার লক্ষণ দেখা যায়নি ও সুস্থই আছেন তিনি। ফলে তেমন কোনও বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যেই কোভিডের দু’টি টিকা এবং দু’বার বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। তবে এই ভাবে করোনা থেকে মুক্তি পাওয়ার অল্প কিছু দিনের মধ্যেই আবার এই রোগে আক্রান্ত হওয়া একেবারেই বিরল ঘটনা বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।    

  • Supreme Court on PMLA: সুপ্রিম জয় ইডি-র! পিএমএলএ আইনে সংস্থার অধিকাংশ ক্ষমতা বহাল রাখল শীর্ষ আদালত

    Supreme Court on PMLA: সুপ্রিম জয় ইডি-র! পিএমএলএ আইনে সংস্থার অধিকাংশ ক্ষমতা বহাল রাখল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক তছরুপ মামলায় গ্রেফতার, তল্লাশি বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও জামিন সহ যাবতীয় আইনি সংস্থানকে যথাযথ উল্লেখ করে বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme court)। পিএমএলএ ( PMLA: আইনের আওতায় কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছিল একাধিক মামলা। বুধবার বিচারপতি এএম খানউইলকরের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে খারিজ হয়ে যায় তার সিংহভাগই। এই রায়ে বুধবার দেশের শীর্ষ আদালতে বড় জয় পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, সংক্ষেপে ইডি (ED)। 

    মামলাকারীদের দাবি ছিল, এনফোর্সমেন্ট কেস ইনফরমেশন রিপোর্ট বা সংক্ষেপে ইসিআইআর হল অনেকটা এফাআইআর-এর মতো। ফলে, আটক হওয়া ব্যক্তিকে তার কপি দেওয়া উচিত। এদিন সেই যুক্তি খারিজ করে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, প্রতি ক্ষেত্র বা ব্যক্তিকে ইসিআইআর দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। কারণ, এটি অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট। আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডি আধিকারিকরা কাউকে গ্রেফতার করলে সেই সময় গ্রেফতারির ভিত্তি দেখালেই তা যথেষ্ট। আবেদনকারীদের যুক্তি ছিল, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে গ্রেফতারির কারণনা জানিয়ে অথবা প্রমাণ ছাড়া গ্রেফতার করা অসাংবিধানিক। এটাও খারিজ হয়ে যায় ওই বেঞ্চে। 

    আরও পড়ুন : ইডি দফতরে হাজির মানিক ভট্টাচার্য, পার্থ-অর্পিতার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা?

    মামলাকারীদের দাবি ছিল, এই আইনে জামিনের শর্তগুলি কঠোর, বেআইনি এবং যুক্তি মানে না। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, এই আইনের জামিনের যে কঠোর শর্তগুলো রয়েছে তা যথাযথ। শর্তগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথেষ্ট আইন অনুসরণ করা হয়েছে। শীর্ষ আদালত এদিন তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, আর্থিক তছরুপ শুধুমাত্র যে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে প্রভাবিত করে তাই নয়। এধরনের কার্যকলাপ উল্টে সন্ত্রাসবাদ, এনডিপিএস আইন (দি নারকোটিক ড্রাগস অ্যান্ড সাইকোট্রপিক সাবস্টেন্সেস অ্যাক্ট) ইত্যাদির মতো অন্যান্য জঘন্য অপরাধকেও প্রচার করে। এটা সন্ত্রাসবাদের চেয়ে কম বিপজ্জনক নয়।

    মামলাকারীদের আরেকটি দাবিও এদিন খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অভিযোগ ছিল, ২০০২ সালে প্রথম কার্যকর হয় পিএমএলএ আইন। অথচ, তার আগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোও এই আইনে জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যা অসাংবিধানিক। জবাবে কেন্দ্রের কৌঁসুলি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে এটিকে ন্যায়সঙ্গত বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন,  অর্থ পাচার একটি ক্রমাগত ঘটে চলা অপরাধ। এটি কোনও একক বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়, বরং একটি চেইন। হতে পারে অপরাধের সূত্রপাত ২০০২ সালের আগে হতে পারে। কিন্তু, তা ২০০২-এর পরেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন : ‘অযৌক্তিক’ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া বন্ধে উদ্যোগী হল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রায় আড়াইশোর মতো আবেদনপত্র জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। এই আবেদনকারীদের মধ্যে ছিলেন অনিল দেশমুখ, কার্তি চিদম্বরম এবং মেহবুবা মুফতিও। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে আর কাউকে গ্রেফতার করতে বাধা রইল না ইডির সামনে।  প্রসঙ্গত, পিএমএলএ আইনটি তৈরি হয়েছিল ২০০২ সালে। যদিও কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১ জুলাই।

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আর্থিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ। নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন ২০১৪ সালে। তার আগে ন’ বছরে ১১২টি তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গত আট বছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১০টিতে। গত ৮ বছরে, ২৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অ্যাটাচ করা হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার সম্পত্তি।

  • Partition Painful: দেশভাগ যন্ত্রণার! এক হোক ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ, চান হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী

    Partition Painful: দেশভাগ যন্ত্রণার! এক হোক ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ, চান হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশভাগ খুব বেদনাদায়ক। পূর্ব এবং পশ্চিম জার্মানির ( East Germany and West Germany) মতোই যদি আবার বাংলাদেশ (Bangladesh) এবং পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে ভারত (India) এক হয়ে যায়, তাহলে স্বপ্নপূরণ হবে।  এমনই মন্তব্য করলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী (Haryana Chief Minister) মনোহরলাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। ঐক্যবদ্ধ ভারত এক স্বপ্ন বলে জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: আগামী ৭৮ বছরে জনসংখ্যা হ্রাস পাবে ৪১ কোটি ! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    সোমবার গুরুগাঁওয়ে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে ভারতের একতার কথা বলতে গিয়ে খট্টর টেনে আনেন দেশভাগের প্রসঙ্গ। তাঁর কথায়, ‘‘যখন পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি এক হতে পারে, তখন পাকিস্তান ও বাংলাদেশও ভারতের সঙ্গে জুড়ে এক হতে পারে। খুব বেশি দিন আগে তো নয়। এই তো ১৯৯১ সালে বার্লিন প্রাচীর ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তেমনি ভারতও আবার অখণ্ড হতে পারে।’’ তাঁর সংযোজন, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় ‘দেশভাগ খুব যন্ত্রণার।’ এর মাধ্যমেই ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করা হয়। এর পর দেশে সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে খট্টর বলেন, ‘‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের ‘সংখ্যালঘু’ তকমা দেওয়ার কারণ ছিল। যাতে তাঁরা ভয়ে এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে না থাকেন, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।’’

    আরও পড়ুন: ‘ভারতে গরীব শুধু স্বপ্ন দেখে না, পূরণও হয়

    বিজেপি নেতার দাবি, মোদি (Modi) সরকারের আমলে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘ভারত সব সময় চায়, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকুক।’’ কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বরাবর সঙ্ঘের নামে মিথ্যা ভয় দেখিয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু মানুষ এখন সত্যিটা বুঝতে পারছে। কংগ্রেসের আদর্শ ধরা পড়ে গিয়েছে। চিরকাল সংখ্যালঘুদের নিয়ে ভোটের রাজনীতি করেছে কংগ্রেস দাবি মনোহর লাল খট্টরের। সেখানে বিজেপির লক্ষ্য় ”সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস।” 

  • Rashtrapatni Remark Row: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বিতর্কে ইতি টানতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন অধীর 

    Rashtrapatni Remark Row: ‘রাষ্ট্রপত্নী’ বিতর্কে ইতি টানতে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন অধীর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি (Rastrapati) নির্বাচিত হয়েছেন ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের জনজাতি সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁকে রাষ্ট্রপত্নী বলে সম্বোধন করে বসেন কংগ্রেস (Congress) সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। অধীরের এই মন্তব্যে দেশজুড়ে শুরু হয় হইচই। বিজেপির (BJP) পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্দরেও অধীরের বিরুদ্ধে বইতে থাকে উষ্মার চোরা স্রোত। এর পরেই স্বয়ং রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন কংগ্রেস সাংসদ।

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে লেখা চিঠিতে অধীর লিখেছেন, আপনার অবস্থান বর্ণনা করার জন্য একটি ভুল শব্দ ব্যবহার করার জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করতেই এই চিঠি লিখছি। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করছি যে, শব্দটি ভুল করেই বেরিয়েছে। আমি ক্ষমাপ্রার্থী এবং আপনাকে আমার ক্ষমাপ্রার্থনা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি।

    বিজেপি-বিরোধী সতেরটি দলের সম্মিলিত প্রার্থী যশোবন্ত সিনহাকে বিপুল ভোটে পরাস্ত করে দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন দ্রৌপদী। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয় ২৫ জুলাই। দ্রৌপদী দেশের প্রথম জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলা যিনি রাইসিনা হিলসের বাসিন্দা হয়েছেন। তিনি দেশের কনিষ্ঠতম রাষ্ট্রপতিও। তাঁকেই অপমান করায় অধীরের পাশাপাশি কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধীকেও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায় বিজেপি।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতার ৭৫ বছরে তেরঙ্গা শাড়ি পরে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ দ্রৌপদী মুর্মুর

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে জেরা করছে ইডি। এনিয়ে এদিন সংসদে সরব হন বহরমপুরের সাংসদ কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী। এই সময়ই অধীর দ্রৌপদী সম্পর্কে ‘রাষ্ট্রপত্নী’ শব্দটি প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ। অধীরের এই মন্তব্য নিয়ে লোকসভার পাশাপাশি গন্ডগোল শুরু হয় রাজ্যসভায়ও। পাল্টা চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে কংগ্রেসও। একসময় উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদের উভয় কক্ষ। ঘটনার জেরে দফায় দফায় মুলতুবি হয়ে যায় দুই কক্ষের অধিবেশন।

    ঘটনার জেরে অধীরকে তলব করে জাতীয় মহিলা কমিশন। ঘটনার পরে পরেই অধীর অবশ্য বিষয়টিকে স্লিপ অফ টাং বলে ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তার পরেও অধীরকে লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানাতে থাকেন পদ্ম নেতৃত্ব। বিজেপির দাবি, মুখ ফস্কে নয়, ভেবেচিন্তেই অধীর এ কথা বলেছেন। আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, শব্দটি মুখ ফস্কে বেরোয়নি। আপনারা যদি ভিডিও ক্লিপটি দেখেন, দেখবেন অধীররঞ্জন চৌধুরী স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রপতি মুর্মুকে উল্লেখ করে দুবার রাষ্ট্রপতি শব্দটি বলেছেন, তারপর তিনি তাঁকে রাষ্ট্রপত্নী বলেছেন।

    আরও পড়ুন : ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী দেশ! দ্রৌপদী মুর্মুর শপথগ্রহণ নিয়ে প্রতিক্রিয়া মোদির

  • Partha Arpita: জোকা ইএসআই-তে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার্থ-অর্পিতার, কী খেতে দেওয়া হচ্ছে মন্ত্রীমশাইকে?

    Partha Arpita: জোকা ইএসআই-তে ফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার্থ-অর্পিতার, কী খেতে দেওয়া হচ্ছে মন্ত্রীমশাইকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশমতো ইডি (ED) হেফাজতে থাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) আজ মেডিক্যাল চেক-আপ (Partha Arpita Medical checkup) করানো হচ্ছে। এর জন্য পার্থ-অর্পিতাকে জোকা ইএসআই হাসপাতালে (Joka ESI Hospital) নিয়ে গেছেন ইডি আধিকারিকরা। সেখানে বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্য প্যারামিটার পরীক্ষা করা হবে। 

    আদালতের নির্দেশে এর আগে, সোমবার ভুবনেশ্বর এইমস-এ (Bhubaneswar AIIMS) স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয় বর্তমান শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিবের। সেখানে মেডিক্যাল রিপোর্টে বলা হয়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওজন এখন ১১১ কিলো। ক্রনিক সমস্যায় ভুগছেন পার্থ। মন্ত্রীমশাইয়ের রয়েছে ডায়াবেটিস, প্রেসার, থাইরয়েডের সমস্যা। তবে, অসুস্থতা তেমন গুরুতর নয়। ফলে হাসপাতালে ভর্তি করার কোনও প্রয়োজন নেই। বাড়ি থেকেই নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।

    আরও পড়ুন: বিধানসভায় ফিরল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি, ছাড়তে চলেছেন মন্ত্রিত্ব? জল্পনা

    এরপরই সোমবার রাতে এসএসসি কাণ্ডে প্রাক্তন শিফামন্ত্রী পার্থ ও অর্পিতাকে ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই সঙ্গে ইডি-কে নির্দেশ দেওয়া হয়, প্রতি ৪৮-ঘণ্টা অন্তর পার্থ ও অর্পিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে। আদালতের নির্দেশে অনুযায়ী, আজ বুধবার, পার্থ-অর্পিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। 

    ইডি সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নেবুলাইজার দেওয়া হয়। এর জন্য ইডি’র তদন্তকারী অফিসার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীকে ফোন করে নেবুলাইজার এবং স্লিপ কার্ট ম্যাট্রেস চেয়ে পাঠান। এই বিশেষ ম্যাট্রেসেই ঘুমোন পার্থ।  সেগুলি রাতেই পৌঁছে যায় সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex)। ইডি সূত্রে খবর, ভুবনেশ্বরের এইমস নেবুলাইজার ও স্লিপ কার্ট মন্ত্রীর জন্য সুপারিশ করেছিল। সেই মতো মন্ত্রীর বাড়ি থেকে আনানো হয় নেবুলাইজার ও স্লিপ কার্ট।

    আরও পড়ুন: শুধু এসএসসি নয়, পার্থ-অর্পিতা জড়িত প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতেও! আদালতে দাবি ইডি-র

    এদিকে, ভুবনেশ্বর এইমস থেকে পার্থকে ‘ডায়াবেটিক চার্ট’ (Diabetic Diet chart) তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী, ইডি হেফাজতে খেতে দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে। ইডি সূত্রের খবর, সোমবার পার্থকে লাঞ্চে দেওয়া হয় রুটি, ডাল, সবজি, টকদই। সন্ধেয় লিকার চা। রাতে দেওয়া হয় রুটি, তরকারি।

  • Supreme Court: ‘অযৌক্তিক’ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া বন্ধে উদ্যোগী হল সুপ্রিম কোর্ট 

    Supreme Court: ‘অযৌক্তিক’ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া বন্ধে উদ্যোগী হল সুপ্রিম কোর্ট 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভোটের (Election) সময় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া বন্ধে উদ্যোগী হল দেশের শীর্ষ আদালত। এ ব্যাপারে কী করা যায় তা কেন্দ্রকে খতিয়ে দেখতেও বলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। 

    প্রতিবার ভোটের সময় অযৌক্তিক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি (Irrational Freebies) দেয় বিভিন্ন রাজ্য সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলি। সে পঞ্চায়েত হোক কিংবা পুরসভা, বিধানসভা অথবা লোকসভা সব ক্ষেত্রেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া একটা রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে এ দেশে। ভোটারদের প্রভাবিত করতেই এটা করা হয় বলে অভিযোগ। এই অযৌক্তিক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া বন্ধ হওয়া উচিত বলেই দাবি উঠেছিল দীর্ঘদিন। এটা বন্ধেই এবার কেন্দ্রকে পথ খুঁজতে বলল দেশের শীর্ষ আদালত। প্রাধান বিচারপতি এনভি রামানা বিষয়টিকে সিরিয়াস আখ্যা দিয়েছেন। এ ব্যাপারে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল কেএম নটরাজের কাছে যথাযথ উত্তর না পেয়ে প্রধান বিচারপতি কেন্দ্রকে অযৌক্তিক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বন্ধ করা হবে কিনা, সে ব্যাপারে তাদের অবস্থান জানাতে বললেন।

    আরও পড়ুন : কমিশনের তরফে দু পক্ষকেই স্ব স্ব দাবির সমর্থনে ৮ আগস্টের মধ্যে নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ…

    এদিন শুনানি চলাকালীন কোনও কারণে কোর্টরুমে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিবাল। প্রধান বিচারপতি তাঁকে বলেন, সিবাল একজন বর্ষীয়ান সাংসদ। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? সিবাল জানান, অযৌক্তিক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি একটা গুরুতর বিষয়। তবে একে নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন। সিবাল বলেন, কেন্দ্র এ ব্যাপারে কোনও নির্দেশিকা জারি করতে পারে না। তিনি বলেন, অর্থ কমিশনই এই ইস্যুটি খুঁটিয়ে দেখার ব্যাপারে উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান। এর পরেই সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ বলে, আমরা কেন্দ্রকে নির্দেশ দিচ্ছি এ ব্যাপারে তাদের মতামত জানাতে। আগস্টের ৩ তারিখে মামলাটি ফের উঠবে আদালতে।

    আরও পড়ুন : নিম্ন আদালতের অবস্থান জেনেই রায় ঘোষণা, জ্ঞানবাপী মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এপ্রিলের গোড়ায় ভারতীয় নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টকে ভোটের আগে কিংবা পরে অযৌক্তিক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিষয়টি জানিয়েছিল। এফিডেভিট দিয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, ভোটের আগে কিংবা পরে অযৌক্তিক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এগুলি রাজ্যের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। প্রভাব ফেলে ভোটারদের ওপরও। এগুলি তাঁদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে।

     

  • Commonwealth Games: জমজমাট রবিবার! কমনওয়েলথ ক্রিকেটের আসরে আজ ভারতের সামনে পাকিস্তান

    Commonwealth Games: জমজমাট রবিবার! কমনওয়েলথ ক্রিকেটের আসরে আজ ভারতের সামনে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসের (Commonwealth Games 2022) তৃতীয় দিনে জমজমাট বার্মিংহ্যাম। প্রতিযোগিতা শুরুর পর প্রথম রবিবারেই ঠাসা ক্রীড়াসূচি ভারতের। ক্রিকেট-হকি-বক্সিং-স্কোয়াশ ছাড়াও রয়েছে ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতা। কমনওয়েলথ গেমসের তৃতীয় দিনের মূল আকর্ষণ ভারত-পাকিস্তানের দ্বৈরথ। ভারতের মেয়েরা মাঠে নামবেন চির-প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। 

    টুর্নামেন্ট যাই হোক, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বাড়তি আকর্ষণ থাকে। কমনওয়েলথ গেমসে এবারই যোগ হয়েছে মেয়েদের ক্রিকেট। ২০ ওভারের ফরম্যাট। এজবাস্টন স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হতে চলেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান (INDWvPAKW)। দু দলই হার দিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করেছে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-অস্ট্রেলিয়া।সেই ম্যাচে অজিদের কাছে হার মানে ভারত। পাকিস্তান গ্রুপ এ-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছে বার্বাডোজের কাছে। ভারতকে সেমিফাইনালে যেতে হলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জিততেই হবে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বার্মিংহ্যামে উত্তেজনা তুঙ্গে। এই ম্যাচের জন্য সব টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে বলে খবর। সুতরাং, হাউসফুল এজবাস্টন দেখার সম্ভাবনা। 

    রবিবারই মনপ্রীত সিংয়ের নেতৃত্বে ভারতীয় পুরুষ হকি দলও তাঁদের কমনওয়েলথ অভিযান শুরু করবে ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ। প্রতিপক্ষ অপেক্ষাকৃত দুর্বল ঘানা। কমনওয়েলথ গেমসের নানা ইভেন্টে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের তৃতীয় দিনের সূচি দেখে নিন —

    ক্রিকেট 

    ভারত বনাম পাকিস্তান (বিকেল ৩.৩০)

    সাঁতার

    পুরুষদের ২০০ মিটার বাটালফ্লাই- হিট থ্রি: সজন প্রকাশ (বিকেল ৩.০৭), পুরুষদের ৫০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক- হিট ৬: বিকেল ৩.৩১

    জিমন্যাস্টিক

    পুরুষদের অলরাউন্ড ফাইনাল- যোগেশ্বর সিংহ (দুপুর ১.৩০)

    ব্য়াডমিন্টন – মিক্সড টিম কোয়ার্টার ফাইনাল (রাত ১০)

    বক্সিং

    ৪৮-৫০ কেজি (লাইট ফ্লাইওয়েট) রাউন্ড অফ সিক্সটিন: নিখাত জারিন (বিকেল ৪.৪৫)

    ৬০-৬৩.৫ কেজি (লাইট ওয়েল্টারওয়েট) রাউন্ড অফ সিক্সটিন: শিভা থাপা (বিকেল ৫.১৫)

    ৭১-৭৫ কেজি (মিডলওয়েট) রাউন্ড অফ সিক্সটিন: সুমিত (সোমবার রাত ১২.১৫)

    ৯২ কেজি (সুপার হেভিওয়েট): সগর (সোমবার রাত ১)

    হকি (পুরুষ)

    ভারত বনাম ঘানা (রাত ৮.৩০)

    ভারোত্তোলন ৬৭ কেজি ফাইনাল

    জেরেমি লালরিনুনগা (দুপুর ২)

    মহিলাদের ৪৯ কেজি বিভাগে ফাইনাল

    পপি হাজারিকা (সন্ধে ৬.৩০)

    পুরুষদের ৭৩ কেজি বিভাগে ফাইনাল

    অচিন্ত্য শিউলি (রাত ১১)

    স্কোয়াশ

    মহিলাদের সিঙ্গলস: জোৎস্না চিনাপ্পা (সন্ধে ৬)

    পুরুষদের সিঙ্গল: সৌরভ ঘোষাল (সন্ধে ৬.৪৫)

    টেবিল টেনিস

    মহিলাদের দলগত সেমিফাইনাল: রাত ১১.৩০

    পুরুষদের কোয়ার্টার ফাইনাল: দুপুর ২টো

  • Emergency: কঙ্গনার ‘এমার্জেন্সি ’ তে অটল বিহারী বাজপেয়ীর চরিত্রে শ্রেয়স তালপড়ে, দেখুন ফার্স্ট লুক

    Emergency: কঙ্গনার ‘এমার্জেন্সি ’ তে অটল বিহারী বাজপেয়ীর চরিত্রে শ্রেয়স তালপড়ে, দেখুন ফার্স্ট লুক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে কঙ্গনা রানাউতের (Kangana Ranaut) ‘এমার্জেন্সি’ ছবির প্রথম টিজার। মুখ্য ভূমিকায় ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে রয়েছেন কঙ্গনা রানাউত। তাঁর লুকস আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। তবে অনেক দিন ধরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে অটল বিহারী বাজপেয়ীর চরিত্রে কে থাকবেন। অবশেষে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তাঁর নাম সামনে আনা হল। এমার্জেন্সি ছবিতে অটল বিহারীর চরিত্রে থাকবেন শ্রেয়স তালপড়ে (Shreyas Talpade)। কঙ্গনার ইন্দিরা গান্ধী সাজে প্রথম লুকস সামনে আসাতেই চর্চায় ছিলেন তিনি। এবারে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের লুকস প্রকাশ্যে এসেছে।

    আরও পড়ুন: এবার বড় পর্দায় তৈরি হবে অটল বিহারী বাজপেয়ীর বায়োপিক

    ‘এমার্জেন্সি’ থেকে নিজের ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এনেছেন শ্রেয়স। অটল বিহারী বাজপেয়ীর ভূমিকায় দেশবাসীকে চমকে দিয়েছেন শ্রেয়স। এই ঝলক দেখে অটল বিহারী বাজপেয়ীর তরুণ বয়সের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, “আমি আজকে ভীষণ খুশি ও সম্মানিত, এমন একজনের চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে চলেছি যিনি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও ভারতের জনসাধরণের নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ী। আশা করি সকলের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারব।“  তিনি আরও লিখেছেন, “আমাকে অটলজী হিসেবে ভাবার জন্য ধন্যবাদ কঙ্গনা। আপনি নিঃসন্দেহে আমাদের দেশের সবচেয়ে প্রতিভাবান এবং বহুমুখী অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন। একইসঙ্গে সমান ভালো অভিনেতা-পরিচালক আপনি।“

    [insta]https://www.instagram.com/p/CggJqDLj5hl/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    এমার্জেন্সি ছবিতে পরিচালনা করার পাশাপাশি অভিনয়ও করছেন কঙ্গনা। এই ছবি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি। এর আগের ছবি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। একের পর এক ফ্লপ ছবি দিয়েও তিনি থেমে থাকেননি। এই ছবিটি নিয়ে অনেকদিন ধরেই প্রস্তুতি চালাচ্ছিলেন কঙ্গনা। বিপুল খরচও করছেন। তাঁর শেষ ছবি ‘ধকড়’ ও ফ্লপ ছিল। ফলে এই ছবি নিয়ে বড় আশা বলিউড কুইনের। এত ফ্লপ ছবি দেওয়ার পরেও এই ছবি কেমন হবে তা একমাত্র বড় পর্দায় আসলেই বোঝা যাবে। তাই বলিউড ‘কুইন’- এর অনুরাগীরা এই ছবির প্রতীক্ষায় বসে আছে।

    আরও পড়ুন: অ্যাকশনে ভরপুর ‘ধাকড়’ ছবির ট্রেলার, রণংদেহী মেজাজে কঙ্গনা, সঙ্গী শাশ্বত 

LinkedIn
Share