Blog

  • Man hides gold in his wig: পটচুলের মধ্যে আনছিলেন সোনা , আটক দিল্লি বিমানবন্দরে

    Man hides gold in his wig: পটচুলের মধ্যে আনছিলেন সোনা , আটক দিল্লি বিমানবন্দরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উইগের তর ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনাকে ধাতব পেস্ট আকারে নিয়ে আসছিলেন আবুধাবি থেকে আসা এক ব্যক্তি।  হঠাতই দিল্লি বিমানবন্দরের ৩ নং টার্মিনালে তাঁকে ঘিরে ধরেন কাস্টমসের অফিসারেরা।

    [tw]


    [/tw]
    কাস্টমস অফিসারদের তরফে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া হয়। যাতে দেখা যায়, কীভাবে ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে ওই ব্যাক্তির কাছ থেকে   আনুমানিক ৬৩০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করছেন কাস্টমস অফিসারেরা। ভিডিওয় দেখা যায়, সুন্দরভাবে চুল কামিয়ে ওই ব্যক্তির মাথায় সোনার পেস্ট ভর্তি প্যাকেটটি সেঁটে দেওয়া হয়েছে। ভিডিওটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

  • TMC Syndicate War: সবার উপরে সিন্ডিকেট সত্য, তাহার উপরে নাই!

    TMC Syndicate War: সবার উপরে সিন্ডিকেট সত্য, তাহার উপরে নাই!

    তৃণমূল জমানায় পশ্চিমবঙ্গে সিন্ডিকেট রাজের বাড়বাড়ন্ত নতুন কথা নয়। দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শাসক দলের বদান্যতায় রাজ্যে সিন্ডিকেট রাজ কার্যত ফুলে-ফেঁপে উঠেছে। শহর হোক বা গ্রামাঞ্চল– সর্বত্রই সিন্ডিকেট বিরাজমান। কিন্তু, সাম্প্রতিককালে, সিন্ডিকেটের এই নির্লজ্জ ও খুল্লমখুল্লা আস্ফালন যেভাবে দিকে দিকে প্রতিফলিত হয়েছে বা হচ্ছে, তা সম্ভবত কোনওদিন এরাজ্যে হয়নি।

    গত ডিসেম্বরে বিপুল সংখ্যা নিয়ে কলকাতা পুরভোটে জয়ী হয় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। অথচ, তার পাঁচ মাসের মধ্যেই, পুরসভার ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে শুরু হয়ে গিয়েছে সিন্ডিকেট-দৌরাত্ম্য। বেহালা হোক বা লেক গার্ডেন্স কিংবা বাঁশদ্রোণী– দিকে দিকে সিন্ডিকেটের এই গ্যাং-ওয়ার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার কঙ্কালসার অবস্থা। 

    বিগত কয়েকদিনের মধ্যেই কলকাতার একাধিক এলাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা সামনে এসেছে। গত বৃস্পতিবার বেহালাতে চড়ক মেলার দখলদারি ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ঘটনায় জখম হয় বেশ কয়েকজন।
    অন্যদিকে, সোমবারই লেক গার্ডেন্সেও এমনই বখরার ভাগ নিয়ে গন্ডগোল বাধে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। ঘটনাচক্রে, গন্ডগোলটি ঘটে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের বাড়ির সামনেই। এটাই শেষ নয়। সম্প্রতি, বাঁশদ্রোণীতেও দেখা গিয়েছে একই ছবি। সিন্ডিকেটের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ভরদুপুরে কলকাতার রাস্তায় প্রকাশ্যে চলে গুলি। সেই গুলির আঘাতে জখম হন দুই ব্যক্তি। যার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। 

    সিন্ডিকেটের এই দৌরাত্ম্য কতটা বেড়েছে, তার প্রমাণ বঙ্গবাসী হাতে গরমে পেয়েছে চলতি সপ্তাহে, যেখন সিন্ডিকেট-দুষ্কৃতীদের দুই গোষ্ঠীর গুলির লড়াইয়ে অতিষ্ট হয়ে বাধ্য হয়ে পুলিশকে ফোন করতে হচ্ছে শাসক দলেরই সাংসদকে! তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় থাকেন লেক গার্ডেন্সে। তাঁর বাড়ির পাশেরই সিন্ডিকেটের বিবাদে ধুন্ধুমারকাণ্ড বেঁধে যায় গোটা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর সিন্ডিকেট কার হাতে থাকবে এই নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয় পরস্পর গোষ্ঠীকে। ধারালো অস্ত্রের কোপে আহত হন ৭ জন। গন্ডগোলের আওয়াজ শুনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি ফোন করেন লেক থানায়।

    শাসক শিবির যতই বিষয়টিকে “ছোট বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা” হিসেবে উল্লেখ করুক না কেন, সিন্ডিকেট নিয়ে দলের সাংসদের মন্তব্যেই স্পষ্ট, সমস্যা কোন পর্যায়ে গিয়েছে। প্রবীণ এই নেতাকে বলতে শোনা যায়, “এখানে ৬০ বছর আছি। নকশাল আমল দেখেছি। কোনওদিন এরকম ঘটনা দেখিনি। রেল কলোনির আন্দোলন করেছি। লেকগার্ডেন্স এরকম কোনও ঘটনা কখনও ঘটেনি।” ঘটনায় যথেষ্টই ক্ষুব্ধ এবং বিরক্ত সাংসদ সৌগত রায়৷ সংবাদমাধ্যমের সামনে সিন্ডিকেট নিয়ে গন্ডগোলের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন তিনি৷  

    শাসক শিবির যাই দাবি করুক না কেন, সিন্ডিকেট রোগ তৃণমূলের আজকের নয়। এটা দীর্ঘদিন ধরেই শাসক দলের শীর্ষস্তরের বদান্যতায় ভেতরে-ভেতরে শক্তিবৃদ্ধি করেছে। একটা সময়ে সিন্ডিকেটের বাড়বাড়ন্ত এবং গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে বার বার খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল রাজারহাট এবং নিউটাউনের নাম। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল। রাজারহাট – নিউটাউন এলাকায় সিন্ডিকেট ব্যবসা নিয়ে শাসকদলের দুই দু গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ লেগেই থাকত। সেখানে বিল্ডারদের নির্মাণ সামগ্রী সরবরাহের জন্য এই ‘সিন্ডিকেটগুলির’ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে টিএমসি সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং দলের বিধায়ক সব্যসাচী দত্তের মধ্যে শত্রুতা বাংলায় সুপরিচিত ছিল।

    এখন, রাজারহাট-নিউটাউনের সিন্ডিকেট দৌরাত্ম্য থাকলেও, কিছুটা নিষ্প্রভ। কিন্তু, শহরের অন্য প্রান্তে তা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। ফলে, সিন্ডিকেটের এই রোগ — তা সে ভাইরাসই হোক বা ব্যাক্টেরিয়া কিংবা ছত্রাক– শাসক দলের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে রয়েছে। বদল হচ্ছে তো শুধু আক্রান্ত এলাকার নাম। 

     

  • Asteroid : পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বুর্জ খালিফার চেয়ে দ্বিগুণ বড় গ্রহাণু! আছড়ে পড়বে কি?

    Asteroid : পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বুর্জ খালিফার চেয়ে দ্বিগুণ বড় গ্রহাণু! আছড়ে পড়বে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বুর্জ খালিফার (Burj Khalifa) চেয়েও দ্বিগুণ বড় একটি গ্রহাণু! হ্যাঁ আপনি ঠিকই পড়ছেন। প্রায় ১.৮ কিমি চওড়া এই মহাজাগতিক বস্তুটি ‘গ্রহাণু ৭৩৩৫’ (Asteroid 7335) বা ‘১৯৮৯ জেএ’ (1989 JA) নামে পরিচিত। গ্রহাণুকে “সম্ভাব্য বিপজ্জনক বস্তু” হিসাবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা (NASA)। 

    ইতিমধ্যেই একটি ভার্চুয়াল টেলিস্কোপের মাধ্যমে এই গ্রহাণুটির একটি ছবি প্রকাশ করা হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে গ্রহাণুটি মহাকাশে কি পরিস্থিতিতে রয়েছে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, এই গ্রহাণুটি ঘণ্টায় প্রায় ৭৬ হাজার কিলোমিটার গতিবেগে চলছে। রাশিয়ার সায়েন্স অ্যাকাডেমির কেলডিশ ইনস্টিটিউট (The Keldysh Institute of Applied Mathematics of Russia’s Academy of Sciences) গ্রহাণুটির গতিবেগ সম্পর্কে জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ডাইনোসর যুগের অবসান ঘটানো গ্রহাণু পৃথিবীর বুকে কোথায় আছড়ে পড়েছিল? জানালেন বিজ্ঞানীরা

    এই গ্রহাণুটি ১৯৮৯ সালে এলিয়ানর হেলিন (Eleanor Helin) নামে এক জ্যোতির্বিজ্ঞানী ক্যালিফোর্নিয়ায় আবিষ্কার করেন। আগামী ২৭ মে তেই পৃথিবীর পাশ দিয়ে উড়ে যাবে ‘১৯৮৯ জেএ’। বিজ্ঞানীদের মতে, ২০২২ সালে পৃথিবীর কাছাকাছি চলে আসা বৃহত্তম গ্রহাণু হতে চলেছে ‘গ্রহাণু ৭৩৩৫’। এরপর ২০৫৫ সালের ২৩ জুনের আগে পৃথিবীর কাছাকাছি আসবে না এই গ্রহাণুটি।

    [tw]


    [/tw]

    নাসা জানিয়েছে, এই গ্রহাণুটি “অ্যাপোলো” শ্রেণিভুক্ত । অ্যাপোলো শ্রেণির গ্রহাণুগুলি সাধারণত পৃথিবীর পাশ দিয়ে কোনও ক্ষতি না করেই উড়ে যায়। এটি শ্রেণির গ্রহাণুগুলি মূলত মহাজাগতিক দেহ যা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং পর্যায়ক্রমে পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রম করে। 

    আরও পড়ুন: চাঁদের উল্টোপিঠ কেন আলাদা? এতদিনে রহস্যের উদঘাটন বিজ্ঞানীদের

    অ্যাপোলো গ্রহাণুগুলি (Apollo Asteroids) পৃথিবীর পাশ দিয়ে উড়ে যায় এবং পৃথিবীর থেকেও এদের বড় কক্ষপথ থাকে। এই গ্রহাণুটির বিশাল আকারের জন্য পৃথিবীর ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের। একটি ট্যুইটে ভার্চুয়াল টেলিস্কোপ (Virtual Telescope) বলেছে, “অনেক রহস্য রয়েছে মহাবিশ্ব সেগুলিকে প্রকাশ করতে প্রস্তুত, যেমনটি আগে কখনও হয়নি। আগামী ২৭ মে একটি সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা হতে চলেছে।”

     

  • Apple: হ্যাক হতে পারে অ্যাপল ওয়াচ, টিভি এবং ম্যাক! সতর্কবার্তা জারি কেন্দ্রীয় সংস্থার

    Apple: হ্যাক হতে পারে অ্যাপল ওয়াচ, টিভি এবং ম্যাক! সতর্কবার্তা জারি কেন্দ্রীয় সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাপল ওয়াচ (Apple Watch), অ্যাপল টিভি (Apple TV) এবং ম্যাক (iMac) ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ। সম্প্রতি এই তিন প্রোডাক্টে বড় খামতি খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। যার ফলে আপনার ডিভাইসটিতে ম্যালওয়্যার ঢোকার পথ প্রশস্ত হতে পারে। 

    গোটা বিশ্বেই অ্যাপলের প্রোডাক্ট আভিজাত্য প্রদর্শনের মানদণ্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘড়ি, টিভি এবং ম্যাক তিনটিই অ্যাপেলের অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রোডাক্ট। ভারতে এই তিনটির মধ্যে সবচেয়ে বিক্রিত প্রোডাক্টটি হল ঘড়ি। স্বাস্থ্য সচেতন যারা, তাঁরা অনেকেই অ্যাপলের ঘড়ি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন। ম্যাক কম্পিউটার এবং টিভিরও দিন দিন চাহিদা বাড়ছে। 

    আরও পড়ুনঃ আর নয় আইপড জানাল অ্যাপেল, স্মৃতিমেদুর নেটপাড়া

    ভারতীয় কম্পিউটার এজেন্সি রেসপন্স টিম (CERT-In) এবং ভারতীয় সাইবার সিকিওরিটি এজেন্সি (ICSA) এই প্রোডাক্টগুলির সমস্যার কথা উল্লেখ করে একটি সতর্কবার্তা জারি করেছে। সতর্কবার্তা অনুযায়ী, প্রোডাক্টগুলির এই খুঁতের সুযোগ নিয়ে দুর্বৃত্তরা খুব সহজেই আপনার ডিভাইসটিকে হ্যাক করতে পারবে। ডিভাইসটিকে একবার হ্যাক করতে পারলে তারা সেটা নিজেদের ইচ্ছেমতো ব্যবহার করতে পারবে। এভাবে গোটা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ ডিভাইসে বিনা বাধায় ঢুকে যেতে পারবে হ্যাকাররা। 

    আরও পড়ুনঃ আইফোন ১৪ ফোনে থাকছে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি? পড়ুন বিস্তারিত
     
    এই সমস্যার সমাধান করার জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা করেছে অ্যাপেল কর্তৃপক্ষ। ডিভাইসটিকে আপগ্রেড করলে এই সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু তাতে বিশেষ কোনও লাভ হবে বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। কারণ ইতিমধ্যেই বহু ডিভাইস হ্যাক করা হয়ে গিয়েছে বলে আশঙ্কা তাঁদের। 

    অ্যাপল তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এবিষয়ে লিখেছে, “অ্যাপল তার ডিভাইসের সমস্যার বিষয়ে অবগত। আমরা জানি ইতিমধ্যেই এই সমস্যার সুযোগ নেওয়া হয়েছে।”

    সাইবার স্ক্রুটিনি বিশ্বে একটি বিশেষ নিয়ম রয়েছে। কোনও বিশেষজ্ঞ যদি কোনও কোম্পানির প্রোডাক্টে খুঁত পান, তাহলে সেটা গোটা বিশ্বকে জানানোর আগে প্রস্তুতকারক সংস্থাকে জানাতে হবে। যাতে তারা সেই সমস্যার সমাধানে পর্যাপ্ত সময় পান।

    হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচতে এই তিন প্রোডাক্টের ব্যবহারকারীদের নতুন সফটওয়্যারে ডিভাইসটিকে আপগ্রেড করার পরামর্শ দিয়েছে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ। 

    হ্যাকাররা (Hackers) একবার ডিভাইসটিতে প্রবেশের সুযোগ পেলে, তাদের কাছে আপনার সব তথ্য চলে যাবে। আর্থিক জালিয়াতি থেকে অন্য কোনও অপরাধ যে কোনওভাবে ব্যবহৃত হতে পারে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য। জাল ভোটার কার্ড, আধার কার্ড (Aadhaar card), প্যান কার্ডও তৈরি করা হতে পারে আপনার তথ্য ব্যবহার করে। এমনকি ডার্ক ওয়েবেও (Dark web) ছড়িয়ে পড়তে পারে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য।  

     

     

     

  • Modi Biden Meeting: “ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আস্থার সম্পর্ক”, বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে মন্তব্য মোদির

    Modi Biden Meeting: “ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আস্থার সম্পর্ক”, বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে মন্তব্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টোকিওতে চলছে কোয়াড বৈঠক (Quad summit)। তারই ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের দুই রাষ্ট্রপ্রধান। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) বলেন, “ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক (India US relation) সম্পূর্ণ বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে আছে। প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য বিষয়েও বিভিন্ন সময় দুই দেশ একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে।” 

    ইউক্রেনের (Ukraine) ওপর রাশিয়ার আগ্রাসনের এদিন কড়া নিন্দা করেছেন বাইডেন (Joe Biden)। এবিষয়ে ভারতের (India) অবস্থানের প্রশংসা করেছেন তিনি। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের (Ukraine Russia war) ফলে যেভাবে গোটা বিশ্বে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে সে বিষয়ে আলোচনা করেন দুই রাষ্ট্রনেতা।

    আরও পড়ুনঃ বিশ্ব-বাজারের পণ্য তৈরির ভিত্তিভূমি হোক ভারত, আহ্বান মোদির

    ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে যখন আমেরিকা হুঁশিয়ারি জারি করেছিল, যে দেশ রাশিয়াকে সমর্থন করবে তারাই আমেরিকার শত্রু হিসেবে বিবেচিত হবে। এমতাবস্থায় ভারতের রাশিয়া থেকে তেল কেনার নিন্দা করেছিল গোটা বিশ্ব। অনেকেরই মনে হয়েছিল এবার আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি হবে। এই ঘটনার কোনওরকম প্রভাব যে ভারত-মার্কিন সম্পর্কে পড়বে না এদিন তা পরিস্কার করেছেন বাইডেন। তিনি বলেন, কোনও দেশের রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে কিনা সেটা আমেরিকার দেখার বিষয় না।

    আরও পড়ুনঃ ৪০ ঘণ্টার সফরে ২৩টি বৈঠক, ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে জাপানে মোদি

    কোভিড (covid-19) পরিস্থিতি সামলানোর বিষয়েও মোদিকে দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন বাইডেন। চিন (China) যে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে অসফল হয়েছে সেকথাও এদিন বলেন মার্কিন প্রধান। 

    [tw]


    [/tw]

    জো বাইডেন আরও বলেন, “এমন অনেক কিছু আছে যা আমাদের দুই দেশ একসঙ্গে করতে পারে এবং করবেও। মার্কিন-ভারত অংশীদারিত্ব তৈরির লক্ষ্যে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি এও বলেন যে, “আমি খুশি যে আমরা ভারতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেমন ভ্যাকসিন উৎপাদনে সহায়তা, ক্লিন এনার্জি উদ্যোগের জন্য বিনিয়োগ করতে পেরেছি। আমি আনন্দিত যে আমরা ভারত-মার্কিন ভ্যাকসিন অ্যাকশন প্রোগ্রাম পুনর্নবীকরণ করছি।” 

    কোয়াড বৈঠকের পরে আধঘণ্টা বৈঠক করেন মোদি-বাইডেন। এর আগে শেষ এপ্রিলে একসঙ্গে হয়েছিলেন এই দুই নেতা। 

       

  • KK Autopsy Report: প্রকাশ্যে কেকে-র অটোপসি রিপোর্ট, কী আছে রিপোর্টে?

    KK Autopsy Report: প্রকাশ্যে কেকে-র অটোপসি রিপোর্ট, কী আছে রিপোর্টে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হৃদরোগে আক্রান্ত (Cardiac Arrest) হয়েই মৃত্যু গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Kishnakumar Kunnath) ওরফে কেকে-র (KK)। এমনটাই জানাল ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট (Autopsy Report)। মৃত্যুতে কোনও অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি ময়নাতদন্তে। পুলিশ জানিয়েছে, ৭২ ঘণ্টা পরে ময়নাতদন্তের পূর্ণ রিপোর্ট এলে সবটা জানা যাবে। 

    ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মৃত্যুতে কোনও সন্দেহজনক কিছু বা অস্বাভাবিকতা নজরে পড়েনি। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টই (cardiac arrest) মৃত্যু হয়েছে গায়কের। মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনই (myocardial infarction) মৃত্যুর মূল কারণ। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কেকের হৃদযন্ত্রের সমস্যা ছিল।   

    আরও পড়ুন: নজরুল মঞ্চে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থাই কি প্রাণ নিল শিল্পীর?

    মঙ্গলবার একটি কলেজের অনুষ্ঠানে নজরুল মঞ্চে গান গাইতে যান গায়ক। সেখানেই শরীর খারাপ হওয়া শুরু হয়। অনুষ্ঠান শেষে হোটেলে ফিরে গেলে, ঘরে ঢুকতেই পড়ে যান কেকে। তারপর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

    হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়, কেকে-কে যখন নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন তাঁর ঠোঁটে ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। শুরু হয় জল্পনা। এরপরই থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর সঙ্গীরা।পুলিশ হোটেলে গিয়ে তদন্তও চালায়। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হয়।

    লবিতে রাখা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গলায় তোয়ালে জড়িয়ে হেঁটে চলেছেন কেকে। তাঁর হাঁটাচলায় তখনও কোনও জড়তা নেই। কোনও কষ্ট নেই। অন্তত দেখে সেরকমটা মনে হচ্ছে না। পাশে রয়েছেন ম্যানেজার। জানা গিয়েছে, হোটেলে ঢোকার মুখেও ভক্তদের আবদার মেনে সেলফি তুলেছেন। নিজেও বুঝতে পারেননি শরীর ততক্ষণে বিদ্রোহ করা শুরু করেছে। 

    আরও পড়ুন: বেহাল ব্যবস্থাপনাই প্রাণ কাড়ল কে কে-র! দাবি বিশেষজ্ঞ থেকে ভক্তদের

    গায়কের হঠাৎ চলে যাওয়ায় মৃত্যুতে অস্বাভাবিকতা রয়েছে বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন ভক্তরাও। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে সেই বিতর্ক খানিকটা প্রশমিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

     

  • KK Demise: বেহাল ব্যবস্থাপনাই প্রাণ কাড়ল কে কে-র! দাবি বিশেষজ্ঞ থেকে ভক্তদের

    KK Demise: বেহাল ব্যবস্থাপনাই প্রাণ কাড়ল কে কে-র! দাবি বিশেষজ্ঞ থেকে ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Krishnakumar Kunnath) ওরফে কে কে (K K)। কলকাতার নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠান করতে এসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গায়কের মৃত্যুতে অনুষ্ঠান উদ্যোক্তাদের অব্যবস্থাপনার ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠে আসছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আসন সংখ্যার থেকে অনেক বেশি মানুষ ঢুকে পড়ে অডিটোরিয়ামে। অভিযোগ, ২৪০০ জনের আসন থাকলেও, আদতে মঙ্গলবার উপস্থিত ছিলেন সাত থেকে ৮ হাজার দর্শক! উদ্যোক্তারা ভিড় সামলাতে অসফল হয়েছেন। বদ্ধ অডিটোরিয়ামে এসি কাজ করছিল না বলেও দাবি করেছেন অনেকে। ভক্তরা তাঁদের প্রিয় গায়কের মৃত্যুর জন্যে অনুষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাকেই দায়ী করেছেন।

    জানা গিয়েছে, মঞ্চেই নাকি কেকে বারবার জানাচ্ছিলেন তাঁর শরীর খারাপ লাগছে। স্পটলাইট অফ করতেও বলছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে হোটেলে ফিরে যান তিনি, সেখানে আরও অসুস্থ হওয়ার পর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। 

    আরও পড়ুন: কলকাতায় লাইভ শো চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু শিল্পী কে কে-র

    বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কুনাল সরকার গায়কের মৃত্যুর জন্যে অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করেন। নিজের টুইটে তিনি লেখেন, “বিষয়টি দুঃখের এবং লজ্জার। বেসামাল ভিড়, এসি বেহাল, গরম, মুখের ওপর জোরালো আলো, ২ ঘণ্টার ওপর সময় নষ্ট করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল। আমাদের ক্ষমা কর।”  

    [tw]


    [/tw]

    গতকালের নজরুল মঞ্চের অনুষ্ঠানে যারা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা অনেকেই দাবি করেছেন, অনুষ্ঠান চলাকালীনই গায়ক যে অস্বস্তিতে রয়েছেন তা সকলে বুঝতে পারছিলেন। বার বার রুমাল দিয়ে ঘাম মুছছিলেন, মঞ্চের আলো নেভাতে বলছিলেন বার বার। বদ্ধ অডিটোরিয়ামে কেন এসি চলছে না তাও বার বার জিজ্ঞেস করছিলেন। নিজের অস্বস্থির কথাও বলেছেন। 

    ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা কে কের এক ভক্তের মতে, অনুষ্ঠান কর্তৃপক্ষের গাফিলতি এই মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ। ভিড় সামলাতেও ব্যর্থ হয়েছে তারা। এমনকি বদ্ধ অডিটোরিয়ামে এসি কাজ করছে না সেদিকেও নজর দেওয়া হয়নি। বার বার এসি চালাতে এবং স্পটলাইট বন্ধ করতে অনুরোধ করেন গায়ক। কিন্তু লাভ হয়নি।

    অব্যবস্থার অভিযোগে সরব হয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরিও। ট্যুইটারে উদ্যোক্তাদের গাফিলতিকেই দায়ী করেন তিনি। 

    [tw]


    [/tw]

     

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদে (Gyanvapi Mosque) মিলল ‘শিবলিঙ্গ’ (Shivling)। অন্তত এমনই দাবি হিন্দু আবেদনকারী সোহন লাল আর্যের। তাঁর দাবি, এই মামলায় চূড়ান্ত প্রমাণ মিলেছে।

    বারাণসীর (Varanasi) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath temple) সংলগ্ন জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বহুদিন ধরে চলছে বিতর্ক। বিতর্কের অবসানে গড়া হয় কমিটি। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষমেশ বারাণসী কোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়াকে (ASI) দায়িত্ব দেয়। দিন আগে মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফি করতে যান আদালত কর্তৃক নিয়োজিত কয়েকজন। মসজিদ কমিটি তাদের বাধা দেয় বলে অভিযোগ। পরে সুপ্রিম কোর্টে মসজিদ সার্ভের কাজ বন্ধ করার দাবি জানান প্রবীণ আইনজীবি হুজেফা আহমদি। কিন্তু অঞ্জুমান ইনতেজামিয়া মসজিদ কমিটির তরফে করা সেই আবেদন খারিজ করে শীর্ষ আদালত।

    হিন্দু সংগঠনের দাবি, এক সময় ওই এলাকায় ছিল শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির (Shringar Gauri Temple)। সেখানে পুজোর আবেদনও জানিয়েছিলেন পাঁচ মহিলা। বছর খানেক আগে প্রার্থনার জন্য এলাকাটিতে প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, ওই চত্বরে আরও দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে। এপ্রিল মাসে এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয় বারাণসী আদালত। দিন কয়েক ধরে চলছিল ভিডিও সার্ভের  (Videography survey) কাজ।

    মসজিদ কমিটির বাধার জেরে প্রথমে বন্ধ হয়ে গেলেও ফের শুরু হয় ভিডিওগ্রাফি সার্ভের কাজ। এদিন সেখানে শিবলিঙ্গের সন্ধান মিলেছে বলে দাবি হিন্দুদের আবেদনকারীর।

    আরও পড়ুন : উজ্জ্বয়িনী মসজিদ আদতে ছিল ভোজ আমলের হিন্দু মন্দির? প্রমাণ দেখাল প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

    আর্য বলেন, যে এলাকায় ভিডিও সমীক্ষার কাজ হচ্ছিল, সেখানকার একটি কুয়োয় শিবলিঙ্গ মিলেছে। শিবলিঙ্গটি নন্দীর প্রতীক্ষায় রয়েছে। যে মুহূর্তে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে, তখনই উপস্থিত জনতা হর হর মহাদেব ধ্বনি দিতে থাকে। ঘটনার পরে ম্যাজিস্ট্রেটকে এলাকাটি সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, বিশ্বনাথ মন্দিরের গায়েই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, বিশ্বেশ্বরের এই মন্দির বিদেশি হানাদারদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকবার। ১৬৬৯ সালে মূল মন্দির দখল করে জ্ঞানবাপী মসজিদ (gyanvapi mosque) তৈরি করেন মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব। এখনও মসজিদের গায়ে হিন্দু দেবদেবীর প্রতিকৃতি দেখা যায় বলে দাবি হিন্দু সংগঠনের। অষ্টাদশ শতকে হিন্দুদের আবেগকে মান্যতা দিয়ে মসজিদের কাছেই আজকের বিশ্বনাথ মন্দিরটি তৈরি করেন মারাঠা রাজ্য মালওয়ার রানি অহল্যাবাই হোলকর।

    আরও পড়ুন : তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ?

     

  • East West Metro: মেট্রোর কাজে ক্ষতিগ্রস্ত বৌবাজারের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন দাবি বিজেপির

    East West Metro: মেট্রোর কাজে ক্ষতিগ্রস্ত বৌবাজারের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর (East West Metro) কাজে বার বার কাঁপছে বৌবাজার (Bowbazar) এলাকা। আতঙ্কে বাসিন্দারা। অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ এবং পূনর্বাসন দেওয়া হোক বৌবাজার অঞ্চলের বাসিন্দাদের। বিজেপির (BJP) পুরসভা কমিটির পক্ষ থেকে মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজারের কাছে ৮ দফা ডেপুটেশন দেওয়া হয়।

    ডেপুটেশনে বলা হয়, ২০১৯ সালে মেট্রোরেলের কাজের জন্য ২৯ বাড়ি সম্পূর্ণ আব আংশিক ভাবে ধ্বসে যায়। ৭৮০ জন বাসিন্দাকে অন্য জায়গায় সরে যেতে হয়, সাময়িক মাথা গোঁজার জায়গা খুঁজে নিতে হয়েছে। প্রায় ১২০০ জন স্যাকরা কর্মচ্যুত হয়েছেন। এরা সবাই কাজ করতেন ছোট ছোট কারখানায়। 

    বিজেপির তরফে যে দাবি পেশ করা হয়, তার মধ্যে যেমন পুনর্বাসনের দাবি করা হয়েছে, ঠিক তেমনই কর্মবহারাদের ক্ষতিপূরণের দাবিও তোলা হয়েছে। প্রতিনিধি দলে ছিলেন পুরসভায় বিরোধী দলনেতা মীনাদেবী পুরোহিত, সজল ঘোষ, কল্যাণ চৌবে প্রমুখ। 

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, বিজেপির ৮ দফা দাবি-

    #  ২০১৯ সালের ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে হবে।
    # ২০২২ সালের মে মাসের ক্ষতিগ্রস্থদেরও একই রকম পুনর্বাসন দিতে হবে।
    # যেখানে পুনর্বাসন দেওয়ার দরকার নেই সেখানে বাড়ি দোকান সারিয়ে দেওয়া হোক।
    # যাদের জীবন জীবিকা চলে গেছে তাঁদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
    # বয়স্ক, শিশু, মহিলা পরপর দুটি দুর্ঘটনায় যারা আতঙ্কিত, তাঁদের প্রয়োজনে পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ ছাড়াও কাউন্সিলিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে।
    # মেট্রো কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত নির্মাণ এলাকায় তদারকি করতে হবে।
    # কাজের অগ্রগতির নিয়মিত বুলেটিন এলাকাবাসিকে জানাতে হবে।
    # পুনর্বাসনের জন্য মেট্রো কর্তৃপক্ষ এলাকার বাসিন্দা আর ব্যবসায়ীদের একটা যৌথ কমিটি গড়ে দিতে হবে।

     

  • PM Kisan: ‘পিএম কিষান-এর টাকা ছেড়েছে কেন্দ্র, ব্যাঙ্কে ঢুকল কিনা দেখে নিন এভাবে

    PM Kisan: ‘পিএম কিষান-এর টাকা ছেড়েছে কেন্দ্র, ব্যাঙ্কে ঢুকল কিনা দেখে নিন এভাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির (Pradhan Mantri Kisan Samman Nidhi) ১১তম কিস্তির ২০০০ টাকা প্রদান করল কেন্দ্র। ‘ডিরেক্ট ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার’-এর (Direct Bank Transfer) মাধ্যমে দেশের ১০ কোটির বেশি কৃষকের কাছে সবমিলিয়ে ২১ হাজার কোটি টাকা পৌঁছে যাবে।

    আপনি কি এই প্রকল্পের আওতায় পড়েন? তাহলে আজই আপনার অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যেতে পারে টাকা। যে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে তাঁদের অ্যাকাউন্টে একটি মেসেজ আসবে। তাহলেই বুঝতে পারবেন টাকা ঢুকল কি না। কিন্তু কোনও যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে কোনও কারণে যদি মেসেজ না ঢোকে তাহলেও নিরাশ হওয়ার কোনও কারণ নেই।

    প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির দশম কিস্তির টাকা ১ জানুয়ারি পেয়ে গিয়েছেন কৃষকরা৷ এই প্রকল্পে বছরে তিনটি কিস্তিতে ২০০০ টাকা করে কৃষকদের আর্থিক সাহায্য করে থাকে কেন্দ্র সরকার ৷ হিসেব অনুযায়ী, বছরে ৬০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য করা হয় কৃষকদের ৷ 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার পিএম কিষান প্রকল্পের কিস্তির টাকা বিতরণ করবেন মোদি, জানুুন বিস্তারিত

    কী করে জানবেন আপনার অ্যাকাউন্টে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির টাকা ঢুকল কিনা?  

    ১) প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট pmkisan.gov.in-তে যেতে হবে।

    ২) ডানদিকের ‘Farmers Corner’-এ ‘Beneficiary Status’ ট্যাবে ক্লিক করুন। ‘Aadhaar number’, ‘Account number’ বা ‘Mobile number’ বেছে নিন। যে কোনও একটি বিকল্প বেছে নিয়ে সেইমতো আধার কার্ডের নম্বর বা অ্যাকাউন্ট নম্বর বা মোবাইল নম্বর দিন।
     
    ৩) তারপর ‘Get Data’-য় ক্লিক করুন।

    ৪) ব্যাস। তাহলেই আপনি জানতে পারবেন যে আপনার অ্যাকাউন্টে একাদশ কিস্তির ২,০০০ টাকা জমা পড়েছে কিনা। 

    এছাড়া পিএম কিষানের হেল্প লাইন নম্বরেও কল করা যেতে পারে। নম্বরদুটি হল 155261 / 011-24300606। 

    এবিষয়ে জেনে নিন আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। 

    কী করে জানবেন যে এই প্রকল্পে আপনি টাকা পাবেন কিনা?

    সুবিধাভোগীদের নামের তালিকা পঞ্চায়েতে গেলেই দেখা যাবে। সেখানেই দেখে নিতে পারবেন আপনার বা আপনার পরিবারের কোনও সদস্যের নাম সেই তালিকায় আছে কিনা। এছাড়া PIV-Kisan পোর্টালে Farmers Corner- এ গিয়েও দেখা যাবে।  

    একই জমিতে যদি আলাদা- আলাদা কৃষক পরিবারের নাম যুক্ত থাকে তাহলে কী আলাদা টাকা পাওয়া যাবে?

    হ্যাঁ। যদি তারা এই প্রকল্পের অন্যান্য যোগ্যতায় উত্তীর্ণ হতে পারেন, তাহলেই সেই জমির এক একজন মালিক বছরে ৬ হাজার টাকা করে পেতে পারেন।  

    এই প্রকল্পে কী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক? 

    হ্যাঁ। যেহেতু প্রকল্পের টাকা সরাসরি সুবিধাভোগীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে, তাই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক। 

     

     

     

LinkedIn
Share