Blog

  • The Kashmir Files: “প্রশংসা না করে ওঁর উপায় ছিল না”, অক্ষয় কুমার প্রসঙ্গে কেন একথা বললেন বিবেক অগ্নিহোত্রী?

    The Kashmir Files: “প্রশংসা না করে ওঁর উপায় ছিল না”, অক্ষয় কুমার প্রসঙ্গে কেন একথা বললেন বিবেক অগ্নিহোত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্চ মাসে মুক্তি পেয়েছে বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ (The Kashmir Files)। কাশ্মীরের গণহত্যা এবং কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandits) ভিটে-মাটি হারানোর গল্প নিয়ে তৈরি এই ছবি সাড়া ফেলেছিল গোটা দেশে। ছবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন বলিউড (Bollywood) থেকে শুরু করে গোটা দেশ। প্রায় একই সময়ে মুক্তি পায় অক্ষয় কুমারের (Akshay Kumar) ‘বচ্চন পাণ্ডে’ (Bachchan Pandey)। কিন্তু বক্স অফিসে মুখ থুবরে পড়ে ‘খিলাড়ি’ কুমারের ছবি। কাশ্মীর ফাইলসের ঝড়ে উড়ে যায় অক্ষয়ের স্টারডম। এত কিছুর পরেও বিবেক অগ্নিহোত্রীর সিনেমার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন অক্ষয়। 

    এই ঘটনার পর কেটে গেছে প্রায় দুমাস। হঠাতই অক্ষয়ের প্রশংসা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী (Vivek Agnihotri)। তিনি বলেন, ‘১০০ জন মানুষকে জিজ্ঞাসা করেছেন, আমার ছবি কেন চলছে, ওঁর ছবি কেন চলছে না বা আমার ছবি কেমন লেগেছে? সেই সময়ে প্রশংসা না করে ওঁর উপায় ছিল না। তাই নিরুপায় হয়ে অক্ষয় আমার ছবিকে ভালো বলেছেন। ভোপালের যে অনুষ্ঠানে তিনি প্রশংসা করেছেন, সেখানে আমিও উপস্থিত ছিলাম।’

    সম্প্রতি বিবেকের পোস্ট করা একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে অক্ষয় একদিকে যেমন বিবেকের ছবির প্রশংসা করছিলেন অন্যদিকে আবার হেসে বলেন সেই ছবি তাঁর ছবিকে ডুবিয়ে দিল। সেই ভাইরাল ভিডিওর জেরে ওড়িশার এক মাল্টিপ্লেক্সে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বচ্চন পাণ্ডের স্ক্রিনিং। জোর করে বিক্ষোভ করে বন্ধ হয়েছিল অক্ষয়ের ছবি। কিন্তু তাঁর দুমাস পরে কেন অক্ষয়ের প্রতি তোপ দাগলেন পরিচালক? তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। 

    [tw]


    [/tw]

    ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপত্যকা থেকে যেভাবে নির্মম অত্যাচার করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই গল্প নিয়েই তৈরি সিনেমাটি। চিত্রনাট্য লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন বিবেক অগ্নিহোত্রী। ছবিতে অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, অনুপম খের, দর্শন কুমার, পল্লবী জোশিরা। সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার আগে থেকেই এই সিনেমা নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। অনেকেই সিনেমাটিকে ‘সাম্প্রদায়িক’ আখ্যা দিয়েছেন। আবার অনেকেই সিনেমাটিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে। আজ মুক্তি পাওয়ার দুমাস পরেও এই সিনেমা নিয়ে বিতর্ক অব্যহত। 

     

  • Sri Lanka: পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন শ্রীলঙ্কার সাংসদরা? “মিথ্যে”, জবাব ভারতীয় হাই কমিশনের

    Sri Lanka: পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন শ্রীলঙ্কার সাংসদরা? “মিথ্যে”, জবাব ভারতীয় হাই কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আক্ষরিক অর্থেই জ্বলছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। ব্যাপক হিংসায় ইতিমধ্যেই নিহত হয়েছেন পাঁচজন বিক্ষোভকারী। এদিকে, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মঙ্গলবার রাজধানী কলম্বো (Colombo) ছেড়ে ত্রিনকোমালিতে (Trincomalee) একটি নৌঘাঁটিতে আশ্রয় নেন সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে (Mahinda Rajapaksa)। অর্থনৈতিক সঙ্কটের (Economic Crisis) জেরে ক্রমেই পরিস্থিতি ঘোরালো হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায়। সরকারি দলের সমর্থক ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে হিংসার ঘটনায় উত্তপ্ত হচ্ছে পরিস্থিতি।

    দিন দুই আগে মাহিন্দার পৈতৃক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাকে দেখা মাত্র গুলি (Shoot at Sight) করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্দেশে বলা হয়েছে, যে বা যারা কাউকে মারধর করবে কিংবা অন্যের সম্পত্তি নষ্ট করবে, তাদের দেখা মাত্রই গুলি করতে হবে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় ৩৬ ঘণ্টার জন্য গোটা দেশে কার্ফু জারি করেছিল সরার। তা উপেক্ষা করেও এদিন যত্রতত্র বিক্ষোভ দেখাতে দেখা গিয়েছে সরকার বিরোধীদের।

    মাহিন্দা, তাঁর স্ত্রী শিরন্তি এবং তাঁদের কনিষ্ঠ পুত্র রোহিত ও তাঁর পরিবার মঙ্গলবার ভোরে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে সুরক্ষিত নৌঘাঁটিতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মাহিন্দার দ্বিতীয় পুত্র ইয়োসিথা, যিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সচিবও ছিলেন, সপরিবারে দেশ ছেড়েছেন তিনিও। দেশের পরিস্থিতি ক্রমেই হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেবর্দেনা অবিলম্বে সংসদ তলব করার জন্য রাষ্ট্রপতি তথা মাহিন্দার ছোট ভাই গোতাবায়া রাজাপক্ষকে (Gotabaya Rajapaksa) অনুরোধ করেছেন। এদিকে, ক্ষমতাসীন দলের অনেক সংসদ সদস্য দেশ ছেড়ে চলে গিয়ে পড়শি দেশে আশ্রয় নিয়েছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এর পরেই খেপে যান বিক্ষোভকারীরা। মঙ্গলবার তাঁরা বন্দরনায়েকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশ পথে অবরোধ করেন।

    আরও পড়ুন : প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    তবে শ্রীলঙ্কার শাসক দলের কয়েকজন সাংসদ সদস্য সপরিবারে দেশ ছেড়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বলে যে খবর ছড়িয়েছে, তা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে কলম্বোয় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন (India in Sri Lanka)। কমিশনের তরফে এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে,  শ্রীলঙ্কার আইনপ্রণেতা ও তাঁদের পরিবার আশ্রয়ের জন্য ভারতে পালিয়ে যাওয়ার যে খবর ছড়িয়েছে, তা মিথ্যা। ভারত সরকারের মতামত না নিয়েই এধরনের খবর পরিবেশন করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

     

     

  • Al-Qaeda: পয়গম্বরকে অবমাননার ‘বদলা’! ভারতে নাশকতার হুমকি-চিঠি আল-কায়দার

    Al-Qaeda: পয়গম্বরকে অবমাননার ‘বদলা’! ভারতে নাশকতার হুমকি-চিঠি আল-কায়দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়গম্বরকে (Prophet) নিয়ে নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বিতর্কিত মন্তব্যের জের। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে নাশকতার হুমকি দিল জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দা (Al-Qaeda)। মহম্মদকে অবমাননার ‘বদলা’ নিতে একাধিক শহরে আত্মঘাতী হামলার (Suicide Attack) হুমকি দিল তারা।

    ৬ জুন একটি হুমকি চিঠিতে আল-কায়দা জানিয়েছে, “নবী মহম্মদের সম্মানের জন্য এই লড়াই। দিল্লি, মুম্বাই, উত্তরপ্রদেশ এবং গুজরাতের বিভিন্ন শহরে আত্মঘাতী হামলা চালানো হবে।” ইতিমধ্যেই শহরগুলিকে সতর্ক করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। কেন্দ্রের তরফে শহরগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। 

    জঙ্গি সংগঠনের চিঠিতে লেখা হয়েছে, “হিন্দুত্ববাদীরা আল্লার শরিয়ত বিরোধী। ভারতীয় চ্যানেলে মহম্মদ ও তাঁর স্ত্রীকে অত্যন্ত খারাপ ভাষায় অপমান করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে সমস্ত মুসলিমের হৃদয় রক্তাক্ত হয়েছে। তাঁদের মন প্রতিহিংসায় পরিপূর্ণ। এর বদলা অবশ্যই নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার কাশ্মীরে নাশকতায় জড়িত হিজবুল জঙ্গি 

    চিঠিতে আরও লেখা হয়, “বিশ্বের সমস্ত উদ্ধত হিন্দুবাদী সন্ত্রাসী যারা ভারতকে কব্জা করে রেখেছে তাঁদের বিরুদ্ধে লড়ব। নবীর সম্মানের জন্য সকলকে এই লড়াইয়ে যোগ দিতে বলব। নবীর সম্মানে মৃত্যুবরণ করতে বলব। যাঁরা আমাদের প্রিয় নবীকে অসম্মান করেছে তাঁদের হত্যা করব। নিজেদের এবং শিশুদের শরীরে বিস্ফোরক বেঁধে পাঠাব। যারা আমাদের নবীকে অবমাননা করেছে তাদের নিস্তার নেই।” 

    সম্প্রতি হজরত মহম্মদ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মা। বিষয়টি নিজের হ্যান্ডেলে ট্যুইট করেন আরেক বিজেপি নেতা নবীন জিন্দাল। বিতর্ক দানা বাঁধতেই নূপুরকে সাসপেন্ড এবং নবীনকে বহিষ্কার করে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন: যৌথবাহিনীর অভিযানে কাশ্মীরে খতম স্থানীয় হিজবুল কমান্ডার

    পয়গম্বরকে নিয়ে বিজেপি নেতা-নেত্রীর মন্তব্য নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি সরকার। এই মন্তব্যের প্রতিবাদে ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে আরবের দেশগুলি। বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য নূপুর শর্মা এবং নবীনকুমার জিন্দালকে বিজেপি ‘শাস্তি’ দিলেও বিতর্ক থামেনি। প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে ভারতকে বয়কটের হুমকি দিয়েছে কুয়েত।    
      

  • Akshay Kumar: সিগারেট কি তামাকজাত নয়, ফুলের পাপড়ি দিয়ে তৈরি! বিতর্ক অব্যাহত অক্ষয়কে নিয়ে

    Akshay Kumar: সিগারেট কি তামাকজাত নয়, ফুলের পাপড়ি দিয়ে তৈরি! বিতর্ক অব্যাহত অক্ষয়কে নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজ্ঞাপনে Akshay Kumar! দেখেই চমকে উঠেছিল অভিনেতার ভক্তরা। আর এরপরই শুরু হয় বিতর্ক। নিন্দার ঝড় ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যার জেরে বৃহস্পতিবার অক্ষয় কুমার ওই বিজ্ঞাপন থেকে সরে এসেছেন। একটি বিবৃতি দিয়ে তিনি জানান, কোনওদিনও তিনি তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন করেননি। আর ভবিষ্যতেও করতে চান না। কিন্তু, এতেও শেষরক্ষা হল না। নেট নাগরিক খিলাড়ির বেশ কিছু পুরনো বিজ্ঞাপনের ছবি খুঁজে বের করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, অক্ষয়কে সিগারেট এবং বিদেশি মদের প্রোমোশন করতে দেখা যাচ্ছে।

    [tw]


    [/tw]

    এক নেটিজেন ওই ছবিগুলি আপলোড করে লেখেন, “আপনি কোনওদিনও তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন করেননি? মিথ্যা কথা বলছেন! সিগারেট কি গোলাপের পাপড়ি দিয়ে তৈরি হয়? আপনি শুধু সিগারেট নয়, মদের বিজ্ঞাপনও করেছেন অতীতে” একটি কোল্ডড্রিঙ্ক প্রস্তুতকারী সংস্থার বিজ্ঞাপনে অক্ষয়ের ছবি আপলোড করে তিনি আরও বলেন, চিনি ভর্তি কোলাও শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। আপনি তো তারও বিজ্ঞাপন করেছেন! আপনি এই দেশের রোল মডেল। আমার মতে, সেটা এই দেশের দুর্ভাগ্য।”

    [tw]


    [/tw]

    অপর টুইটার ইউজার অক্ষয়ের পুরনো সিগারেটের বিজ্ঞাপন শেয়ার করে লেখেন, “আপনি পানমশলার বিজ্ঞাপন না হয় করেই ফেলেছেন। কিন্তু, সেই ভুল শুধরে যে বিবৃতি দিচ্ছেন তাতে অন্তত সত্যি কথা বলুন।”
    আরও একজন লেখেন, “আপনি তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন করেননি বলবেন না। দয়া করে সত্যিটা বলুন। এক নামী সিগারেট কোম্পানির পোস্টার বয় ছিলেন আপনি!”

    [tw]


    [/tw]

    কিছু নেটাগরিক তো অক্ষয়কে বয়কটের ডাক পর্যন্ত দিয়েছেন। কিন্তু, প্রিয় অভিনেতার ওপর ভক্তরা কেন এতটা চটলেন? আসলে গত সপ্তাহে অজয় দেবগন এবং শাহরুখ খানের সঙ্গে একটি এলাচের বিজ্ঞাপনে অক্ষয় কুমারকেও দেখা গিয়েছিল। আর ওই বিজ্ঞাপন দেখেই তাজ্জব হয়ে গিয়েছিল তাঁর ভক্তরা। কারণ, এই একই ধরণের বিজ্ঞাপন করার জন্য ২০১৮ সালে অক্ষয় এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে অন্য তারকাদের সমালোচনা করেছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “আমাকে অনেক পানমশলা কোম্পানি বিজ্ঞাপনের জন্য অফার দেয়। এর জন্য বিরাট অঙ্কও অফার করা হয়। কিন্তু, টাকাটাই সব নয়। যাঁরা টাকার জন্য ওই কাজ করছেন, তাঁরা ভুল কাজ করছেন।” তাঁর সংযোজন, “আমি চাই, ভারত সুস্থ থাকুক। দেশবাসীর জন্য কোনও ভুল উদাহরণ তৈরি করতে চাই না আমি। কারণ, মানুষ আমাদের অনুসরণ করে। ভুল কাজ করাটা আমাদের মানায় না।”

  • IMF on India economy: কোভিডের মতোই ইউক্রেন সমস্যা সামাল দিতে সুবিধাজনক জায়গায় ভারত, জানাল IMF

    IMF on India economy: কোভিডের মতোই ইউক্রেন সমস্যা সামাল দিতে সুবিধাজনক জায়গায় ভারত, জানাল IMF

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine war) প্রভাবে বিশ্ব যখন অর্থনৈতিক পতনের (Global economic fallout) মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, সেই সময় এই সমস্যার মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছে ভারত। এমনটাই জানাল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার (IMF)। 

    ২০২২ সালে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির (Economic growth) হার ৮.২ শতাংশের অনুমান করেছে আইএমএফ। তাদের মতে, বিশ্বের সার্বিক এবং বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলির তুলনায় ভাল জায়গায় থাকবে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অবস্থান।

    আইএমএফ-এর এক শীর্ষ কর্তা স্বীকার করেন, কোভিড-১৯ অতিমারীর সময়ও ভারত তার অর্থনীতিকে বিশ্বের তুলনায় অনেকটা ভালভাবে সামাল দিতে সক্ষম হয়েছে। ওই কর্তার কথায়, ভারত ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি জানান, ভারত ভ্যাকসিন রফতানি করে মহামারী চলাকালীন বিশ্বের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করার উদাহরণ তৈরি করেছে। এর ফলে, বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি হিসেবে ভারতের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

    সংগঠনের দাবি, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে থাকবে ভারত। সেখানে, চিনের আনুমানিক বৃদ্ধির হার ৪.৪ শতাংশ। অর্থাৎ, ভারতের বৃদ্ধির হার চিনের দ্বিগুণেরও বেশি বলে অনুমান করেছে আইএমএফ। পাশাপাশি, বিশ্বের সার্বিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৩.৬ শতাংশ  বলে অনুমান করেছে আইএমএফ। 

    আইএমএফ-এর মতে, ভারতের উচ্চ বৃদ্ধির হার শুধু ভারতের জন্যই নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই সুখবর। সংগঠন জানিয়েছে, ভারত এমন কয়েকটি অর্থনীতির মধ্যে একটি, যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামান্য নিম্নগতি সত্ত্বেও, এই বছর প্রবৃদ্ধি ৮.২ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি ভারতের পাশাপাশি সমগ্র বিশ্বের জন্য ইতিবাচক, যেখানে প্রবৃদ্ধির মন্থরতা একটি বড় ফ্যাক্টর।

    ক্রয় ক্ষমতা সমতার (PPP) নিরিখে মোট বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় ৭% প্রতিনিধিত্ব করে ভারত। বিশ্বের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ভারতের অর্থনীতি। এর ফলে, বিশ্ব অর্থনীতির (World economy) সার্বিক মান বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ।

     

     

  • Covid 19: বাড়ছে সংক্রমণ, চতুর্থ ওয়েভের শঙ্কা, মাস্ক বাধ্যতামূলক দিল্লিতে, ৫ রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের

    Covid 19: বাড়ছে সংক্রমণ, চতুর্থ ওয়েভের শঙ্কা, মাস্ক বাধ্যতামূলক দিল্লিতে, ৫ রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ঘণ্টায় দেশে আবার বাড়ল কোভিডের দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা। ভারতে নতুন করে একদিনে করোনা আক্রান্ত হলেন দু’হাজার ৬৭ জন। মঙ্গলবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,২৪৭ জন। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৬৬ শতাংশ বাড়ল করোনা রোগীর সংখ্যা। দিল্লিতে এক দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে নতুন করে ৬৩২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

    সংক্রমণের জেরেই আবার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে মাস্ক। বুধবার দিল্লিতে জানিয়ে দেওয়া হল এই কথা। বলা হল, আবার মাস্ক পরতেই হবে। শুধু প্রাপ্তবয়স্কদেরই নয়, শিশু, কিশোর-কিশোরীদেরও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হল দিল্লিতে। এভাবেই আপাতত চতুর্থ ঢেউ আটকানোর কথা ভাবছে সরকার। তার সঙ্গে জোর দেওয়া হচ্ছে টিকাকরণেও।

    তবে এর মধ্যে একটি প্রশ্ন উঠেছে। স্কুল কি আবার বন্ধ হবে?

    এখনই তার কোনও আশঙ্কা নেই। এমনই বলা হয়েছে। স্কুল খোলাই থাকবে। ক্লাসও হবে নিয়ম করে। আগামী সময়ে পরিস্থিতি বিচার করে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। তবে রাস্তায় বেরোতে গেলে তো বটেই স্কুল পড়ুয়াদের স্কুলেও পরে থাকতে হবে মাস্ক। নতুবা জরিমানা দিতে হবে। মাস্ক না পরা অবস্থায় কাউকে দেখা গেলেই ৫০০টাকা জরিমানা ধার্য করা হবে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

    ভারতে করোনার চতুর্থ ঢেউ নিয়ে আশঙ্কার মাঝেই, দেশের পাঁচ রাজ্যকে চিঠি দিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানান, এই রাজ্যগুলি থেকেই ভারতের মোট কেসলোড এবং উচ্চ হারে সংক্রমণের খবর আসছে। এই পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে রয়েছে হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, মিজোরাম, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সমস্ত রাজ্যকে সংক্রমণের বিস্তারের উপর নজরদারি চালিয়ে যাওয়ার এবং কোভিড -১৯ সংক্রমণ রোধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাজকর্মের উপর বিধি নিষেধ তুলে দেওয়ার আগে ঝুঁকির মূল্যায়ন করার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। 

    রাজ্যগুলিকে কোভিডের টিকাকরণের উপর জোড় দিতে বলা হয়েছে।  ভিড় জায়গায় মাস্ক পরার উপর গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে ভূষণ আরও বলেন, যে রাজ্যগুলিকে অবশ্যই কঠোর নজরদারি বজায় রাখতেই হবে এবং সংক্রমণের যে কোনও বিস্তারকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অগ্রিম পদক্ষেপ নিতে হবে। উদ্বেগজনক ক্ষেত্রগুলিতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং তাৎক্ষনিক ফলোআপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তিনি । উদ্বেগ বেড়েছে কেরলকে নিয়েও। কেরলেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচশো ছুঁইছুঁই। সে রাজ্যে এক দিনে ৪৮৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

  • VVSS Chief On Gyanvapi: জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে নিষিদ্ধ করা হোক মুসলমানদের প্রবেশ, আদালতে ভিভিএসএস প্রধান

    VVSS Chief On Gyanvapi: জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে নিষিদ্ধ করা হোক মুসলমানদের প্রবেশ, আদালতে ভিভিএসএস প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (gyanvapi mosque) চত্বরে মুসলমানদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে সিভিল জজের (সিনিয়র ডিভিশন) আদালতে আবেদন করলেন বিশ্ব বৈদিক সনাতন সংঘের (Vishwa Vedic Sanatan Sangh) প্রধান জিতেন্দ্র সিং বিষেণ। মসজিদ চত্বর হিন্দুদেরকে (Hindu) হস্তান্তর করার পাশাপাশি নিয়মিত পুজো করার অনুমতিও চাওয়া হয়েছে। আবেদনের বাদি করা হয়েছে তাঁর স্ত্রী কিরণ সিংকে।

     

    বিষেণের দাবি, আদালত বিশ্ব বৈদিক সনাতন সংঘের (VVSS) আবেদন গ্রহণ করেছে। শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ২৫ মে। পাশাপাশি, জ্ঞানবাপীর ৫ প্রধান মামলাকারী মহিলার দাবিকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন বিষেণ। জ্ঞানবাপি প্রাঙ্গনে শৃঙ্গার গৌরী, ভগবান গণেশ, ভগবান হনুমান এবং নন্দীর প্রতিদিনের পুজো এবং আচার অনুষ্ঠানের অনুমতি মামলা করেন ৫ মহিলা।

    এদিকে, জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধারে পাওয়া শিবলিঙ্গের (shivling) নিত্যপুজোর অনুমতি চেয়ে এদিনই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রধান মহন্ত কুলপতি তিওয়ারি।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Mughal emperor Aurangzeb) আমলে কাশী বিশ্বনাথের মন্দির (Kashi Viswanath Temple) ভেঙে গড়ে তোলা হয় মসজিদ। পরে রানি অহল্যাবাই বিশ্বেশ্বরের বর্তমান মন্দিরটি গড়ে তোলেন। ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে মন্দির কর্তৃপক্ষকে নন্দীর মূর্তি উপহার দেন নেপালের রাণা। সেই মূর্তি এখনও রয়েছে।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রধান মহন্তের দাবি,  শৃঙ্গার গৌরীর মন্দিরে অনাদিকাল থেকেই একটি শিবলিঙ্গ ছিল। প্রাচীরের উত্তর দিকে জ্ঞানবাপী কূপ রয়েছে। এরই পশ্চিমে রয়েছে নন্দী। বহু আগে থেকেই। তাঁর দাবি, মন্দিরের উত্তর দিকের দেওয়ালের পিছনে তিনটি দোকান ছিল। সেখানে একজন চা বিক্রেতা ও একজন মুসলিম মহিলা থাকতেন। তিনি চুড়ি বিক্রি করতেন। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আক্রমণের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সেই সময় মন্দিরের মোহন্ত পান্না শিবলিঙ্গ নিয়ে কুয়োয় ঝাঁপ দেন। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, শিবলিঙ্গ নয়, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে ফোয়ারা।

    আরও পড়ুন : বাহমানি দুর্গের ভিতরে সোমলিঙ্গেশ্বরের মন্দির! সংস্কারের দাবিতে সরব হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ও জ্ঞানবাপী মসজিদের এই বিবাদ গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কড়া প্রহরার ব্যবস্থা করা হয় মসজিদের ওজুখানার জলাধারে। তবে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা যাতে মসজিদে নমাজ পড়তে পারে জেলা প্রশাসনকে সেই ব্যবস্থাও করার নির্দেশ দেয় আদালত।

    আরও পড়ুন :ম্যাঙ্গালুরুর মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ! পুজোর উদ্যোগ ভিএইচপি-র

    বিশ্ব বৈদিক সনাতন সংঘের প্রধান বিষেন মসজিদ চত্বরে মুসলমানদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেছেন আদালতে। হিন্দুদের মসজিদ হস্তান্তরের দাবিও জানান তিনি। নিয়মিত পুজো করার অনুমতিও চেয়েছেন বিষেন।

     

  • Bollywood on KK Death: কেকে-এর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড তারকারা

    Bollywood on KK Death: কেকে-এর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড তারকারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী কেকে (KK) ওরফে কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Krishnakumar Kunnath)। কেকে-র অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সর্বত্র। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বলিউড থেকে টলিউড তারকারা। কেকে কলকাতার নজরুল মঞ্চে কনসার্ট করতে এসেছিলেন এবং তাঁর শো শেষ হওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে তৎক্ষণাৎ কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। তাঁর এই অকাল মৃত্যু কেউই মেনে নিতে পারছেন না। ইতিমধ্যেই অনেক বলিউড তারকা যেমন- অক্ষয় কুমার, বিশাল দাদলানি, রাহুল বৈদ্য সহ আরও অনেকে তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শিল্পীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন।

    অক্ষয় কুমার শোকজ্ঞাপন করে লিখেছেন, “কেকে-এর অকালমৃত্যুর খবর শুনে খুবই দুঃখিত। ওম শান্তি!”

    [tw]


    [/tw]

    গায়ক তথা সুরকার বিশাল দাদলানি কেকে-এর কথা স্মরণ করে ট্যুইট করে লেখেন, “চোখের জল থামাতে পারছি না। কী অসাধারণ মানুষ ছিলেন তিনি। কি কন্ঠস্বর! কি হৃদয়! কেকে চিরকালের জন্য থাকবেন”।

    [tw]


    [/tw]

    গায়ক রাহুল বৈদ্য বলেন, “আমি কেকে-এর প্রয়াণের খবর পেলাম। ভালো মানুষদের মধ্যে একজন তিনি।খুব তাড়াতাড়িই চলে গেলেন।”

    [tw]


    [/tw]

    অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জিও লেখেন, “কেকে আর নেই, বিশ্বাস করতে পারছি না।”

    [tw]


    [/tw]

    গায়ক আরমান মালিক এই বছরকে ভারতীয় সঙ্গীতের জন্য অন্ধকার বছর বলেছেন। তিনি লেখেন, “লতা দিদি, বাপ্পি দাদা, সিধু পাজির পর এবার কেকে। এই হারানোর ব্যথাকে ব্যক্তিগতভাবে অনুভব করতে পারছি।”

    [tw]


    [/tw]

    অভিনেতা ফারহান আখতার কেকে-র মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি মর্মাহত। তিনি ট্যুইটে লিখেছেন, “কেকে মারা গেছেন শুনে একেবারে স্তব্ধ হয়ে গেলাম, ভাই আপনি খুব তাড়াতাড়ি চলে গেছেন.. পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। এটি হৃদয়বিদারক।”

    [tw]


    [/tw]

    করণ জোহর লিখেছেন, “এমন অবিশ্বাস্য প্রতিভার হঠাৎ মৃত্যু খুবই হৃদয় বিদারক।  বিনোদন জগতের একজন সত্যিকারের শিল্পীকে আজ আমরা  হারিয়েছে। ওম শান্তি।”

    [tw]


    [/tw]

    শোকজ্ঞাপন করেছেন সলমন খান, প্রিয়ঙ্কা চোপড়াও। সলমন লেখেন, সঙ্গীতের জন্য তুমি সকলের মনে থেকে যাবে। 

    [tw]


    [/tw]

    প্রিয়ঙ্কা লেখেন, 

    [tw]


    [/tw]

     

    এ আর রহমান লেখেন, 

    [tw]


    [/tw]

    হৃতিক রোশন লেখেন, 

    [tw]


    [/tw]

  • Asia Cup Hockey 2022: এশিয়া কাপ হকিতে জাপানকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জয় ভারতের

    Asia Cup Hockey 2022: এশিয়া কাপ হকিতে জাপানকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার জাকার্তায় জাপানকে ১-০ গোলে হারিয়ে এশিয়া কাপ হকিতে (Asia Cup Hockey 2022) ব্রোঞ্জ পদক জিতে নিল ভারতীয় হকি দল (Indian Hockey team)। মঙ্গলবার সুপার ফোরে দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে ৪-৪ ড্রয়ের পরে জাপানকে পরাজিত করে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।

    সাত মিনিটের শুরুতেই রাজকুমার পালের হাত ধরেই ম্যাচের প্রথম গোল আসে। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই ভারতীয় খেলোয়াড়দের আক্রমণাত্মকভাবে খেলতে দেখা যায়। উত্তম সিং, রাজকুমার পালের জন্য সুযোগ করে দিতে জাপানের গোলরক্ষক তাকাশি ইয়োশিকাওয়াকে সুন্দরভাবে ঠেলে দিয়েছিলেন।তারপর তিন মিনিট পরে, ভারতীয়রা দুটি পরপর পেনাল্টি কর্নার পায় কিন্তু গোলে পরিণত করতে ব্যর্থ হয়।

    প্রথম কোয়ার্টারের শেষের সাত মিনিটে জাপান সমতায় আসার অনেক চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ভারতীয় দল লিডে থাকতে পেরেছিল। একটি গোলে পিছিয়ে থেকেও জাপান আক্রমণ চালিয়ে যায় এবং ২০তম মিনিটে পরপর দুটি পেনাল্টি কর্নার পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে জাপান এবং ভারত উভয়েরই আরও কয়েকটি সুযোগ ছিল কিন্তু উভয় দলই ব্যর্থ হয়।

    জাপান পরে আক্রমণ করতে এসেছিল এবং দ্রুত পরপর আরও দুটি পেনাল্টি কর্নার পেয়েছিল জাপান, কিন্তু ভারতীয়দের প্রতিরোধে গোলের মুখ খুলতে ব্যর্থ হয় জাপান। এরপরে ভারতের কাছেও গোলের সংখ্যা বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ ছিল। কিন্তু রাজকুমার, এসভি সুনীলের ক্লোজ কোয়ার্টার থেকে শট করলে তা ব্যর্থ যায়।

    শেষ দুটো কোয়ার্টারে জাপান ভারতের সমতায় আসার প্রাণপণ চেষ্টা করলেও বীরেন্দ্র লাকরার দল প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল। ৪৮তম মিনিটে জাপান পরপর তিনটি পেনাল্টি কর্নার পায় কিন্তু ভারতীয় ব্যাকলাইন লঙ্ঘন করতে পারেনি তারা। ৫১তম মিনিটে জাপান আরেকটি পেনাল্টি কর্নার অর্জন করে, কিন্তু ভারতীয়রা আবারও সেই সুযোগ ব্যর্থ করে দেয়। বাকি ম্যাচে জাপান কঠোরভাবে চাপ দিলেও ভারতীয়রা তাদের এক গোলের লিড সফলভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হয়। পরের ম্যাচে মুখোমুখি হবে মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।

  • Gyanvapi Mosque: ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

    Gyanvapi Mosque: ষোড়শ শতকের জ্ঞানবাপী মসজিদ ঘিরে চলা ৩১ বছরের বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) কি আদতে মন্দির? প্রায় তিন দশক ধরে চলা এই বিতর্ক এখন খবরের শিরোনামে। সম্প্রতি, শেষ হয়েছে  আদালতের নির্দেশে শুরু হওয়া বারাণসীর (Varanasi) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath temple) লাগোয়া এই মসজিদের ভিডিওগ্রাফি জরিপের (videography survey) কাজ। গোটা বিষয়টি এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। 

    ১৯৯১ সালে স্থানীয় কয়েকজন পুরোহিত দাবি করেন, মসজিদ তৈরি করবেন বলে মন্দিরের কিছু অংশ ভেঙে দিয়েছিলেন ঔরঙ্গজেব। পরে মালওয়া রাজ্যের মহারানি অহল্যাবাই হোলকার মন্দির পুননির্মাণ করেন। ওই পুরোহিতরা জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো করার অনুমতিও চেয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, সেখানে হিন্দু দেবতার মূর্তি রয়েছে। এর পরে বিভিন্ন সময় আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দুদের কয়েকটি গোষ্ঠী। সুপ্রিম কোর্টে রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিবাদের মীমাংসা হওয়ার পর ফের হইচই হয় বিষয়টি নিয়ে। ফের হয় মামলা। তার জেরেই আদালতের নির্দেশে শুরু হয়েছিল তিনদিন ব্যাপী মসজিদে জরিপের কাজ। ইতিহাসবিদদের একাংশ ঔরঙ্গজেবের মন্দির ধ্বংসের তত্ত্ব আওড়ালেও, অন্য একটি অংশের মতে মন্দির এবং মসজিদ পাশাপাশি গড়ে উঠেছিল পাশাপাশিই। তাঁদের দাবি, মুঘল সম্রাট আকবর তাঁর দীন-ই-ইলাহি নীতি সম্পর্কে জন সচেতনতা ছড়াতে একই চত্বরে গড়ে তুলেছিলেন মন্দির এবং মসজিদ।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    তবে লেখক অড্রি ত্রুশকে তাঁর “ঔরঙ্গজেব: দ্য ম্যান অ্যান্ড দ্য মিথ” নামক গ্রন্থে লিখেছেন,  “আমার ধারণা যে জ্ঞানবাপী মসজিদটি প্রকৃতপক্ষে ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে নির্মিত হয়েছিল। মসজিদটি পুরানো বিশ্বনাথ মন্দিরের কাঠামোকে অন্তর্ভুক্ত করে। ঔরঙ্গজেবের নির্দেশে ধ্বংস করা হয়েছিল মন্দিরটি। মসজিদটি ঔরঙ্গজেবের আমলের, তবে আমরা জানিনা কে এটি তৈরি করেছেন। এই সব বিতর্কের (mosque-temple controversy) অবসানেই আদালতের নির্দেশে মসজিদে হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ। অবশ্য এই ভিডিওগ্রাফির কাজ নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। প্রথমে মসজিদ চত্বরে জরিপ করা যাবে না বলে দাবি করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মুসলমান সম্প্রদায়ের কয়েকজন। সুপ্রিম কোর্ট তা খারিজ করে দিলে নির্বিঘ্নেই শেষ হয় ভিডিওগ্রাফির কাজ।

     

LinkedIn
Share