Blog

  • Hockey Stadium: ওড়িশায় তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সব থেকে বড় হকি স্টেডিয়াম

    Hockey Stadium: ওড়িশায় তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সব থেকে বড় হকি স্টেডিয়াম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত হবে পুরুষদের হকি বিশ্বকাপ (Men Hockey World Cup)। তার আগেই ওড়িশার রৌরকেল্লায় তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের হকি স্টেডিয়াম (Hockey Stadium)। ২০২৩ সালের পুরুষদের হকি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হচ্ছে এই হকি স্টেডিয়ামটি। প্রায় ২০ হাজার মানুষ এই স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখতে পারবেন। এছাড়াও স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক মানের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে।  

    স্টেডিয়ামটি বিজু পট্টনায়েক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনলজির ক্যাম্পাসে ৩৫ একর জায়গায় নির্মিত হচ্ছে।  স্বাধীনতা সংগ্রামী বিরসা মুন্ডার নামে নামকরণ করা হয়েছে স্টেডিয়ামটির। মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক বলেন, ‘‘আমরা আবারও বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পাচ্ছি। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।” ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বর ও সুন্দরগড়কে বিশ্বকাপ হকি ২০২৩ আসরের আয়োজক করা হয়েছে। নতুন স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপের আগে তৈরি হয়ে যাবে। সুন্দরগড় জেলা হকি প্রতিভা অন্বেষণের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসাবে বিবেচিত হয়। দিলীপ তিরকে এবং সুনিতা লাকড়ার মতো খেলোয়াড় এখান থেকে উঠে এসেই হকিতে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন।  

    ওড়িশার ভুবনেশ্বর এবং রৌরকেল্লায় আগামী বছর ১৩-২৯ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে পুরুষ হকি বিশ্বকাপ। করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০১৮-র পর থেকে আর হকি বিশ্বকাপ হয়নি। ইতিমধ্যেই ১৫ হাজার আসন সংখ্যার কলিঙ্গ স্টেডিয়াম রয়েছে সেই রাজ্যে। কলিঙ্গ স্টেডিয়ামকে আরও উন্নত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।  

    ওড়িশা ক্রিড়া দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “করোনা পরিস্থিতি, সাইক্লোন, বৃষ্টির মতো দূর্যোগের পরেও আমরা এই স্টেডিয়াম তৈরির কাজ অব্যাহত রেখেছি। প্রায় ২৫০ ইঞ্জিনিয়ার, ডিজাইনার, শ্রমিক এই স্টেডিয়াম তৈরির জন্যে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি অক্টোবরের মধ্যে স্টেডিয়াম তৈরি হয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক মানের সবরকম সুবিধা পাওয়া যাবে এই স্টেডিয়ামে।”

    আরেক আধিকারিকের মতে, বিশ্ব হকিতে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে ওড়িশায় নির্মিত এই স্টেডিয়াম।

     

  • Amit Shah: অসমে দাঁড়িয়ে আফস্পা নিয়ে বড় মন্তব্য অমিত শাহের, কটাক্ষ মমতা-প্রশাসনকে

    Amit Shah: অসমে দাঁড়িয়ে আফস্পা নিয়ে বড় মন্তব্য অমিত শাহের, কটাক্ষ মমতা-প্রশাসনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা অসম (Assam) থেকে শীঘ্রই আফস্পা (AFSPA) প্রত্যাহার করা হবে। মঙ্গলবার অসমের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গত ছ’ বছরে জঙ্গি সংগঠনগুলির রমরমা কমেছে। হয়েছে বেশ কয়েকটি শান্তি চুক্তিও। তার জেরেই প্রত্যাহার করা হবে আফস্পা।

    অসমে হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Himanta Biswa Sarma)  নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA) সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গুয়াহাটিতে আয়োজন করা হয়েছিল এক জনসভার। এই সভায় বক্তব্য রাখেন শাহ। এই সভায়ই তিনি জানান আফস্পা (Armed Forces Special Powers Act) প্রত্যাহারের কথা। শাহ বলেন, কেন্দ্র ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার ঐকান্তিক চেষ্টায় সিংহভাগ জঙ্গি সংগঠন শান্তি চুক্তিতে প্রবেশ করেছে। এবং সেদিন দূরে নয়, যেদিন গোটা রাজ্য বিদ্রোহ ও সহিংসতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের ২৩টি জেলা থেকে আফস্পা প্রত্যাহার করা হয়েছে। একটি জেলা থেকে ওই আইন প্রত্যাহার করা হয়েছে আংশিক। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, অচিরেই সমগ্র রাজ্য থেকে আফস্পা প্রত্যাহার করা হবে সম্পূর্ণরূপে। আত্মসমর্পণকারী জঙ্গিদের যে পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে, এদিন তা মনে করিয়ে দেন শাহ। তিনি বলেন, যারা আত্মসমর্পণ করেছে এবং মূলধারায় ফিরে এসেছে, তাদের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে পুনর্বাসন দিয়েছে।

    অসম সরকারেরও প্রশংসা শোনা যায় শাহের মুখে। তিনি বলেন, কেন্দ্রের পিছনে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে অসম। এই রাজ্য শক্ত হাতে অবৈধ অভিবাসনের সমস্যার মোকাবিলা করছে। অসম কেন্দ্রের পাশে দাঁড়ালেও, বাংলা যে দাঁড়ায়নি, তাও জানিয়ে দেন শাহ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু এ ব্যাপারে কেন্দ্রকে সাহায্য করছে না পশ্চিমবঙ্গ। সোমবার অসমের মানকাচারে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শন করেন শাহ। জানিয়েছিলেন, গত ছ’ বছরে অনুপ্রবেশ অনেক কমে গিয়েছে। আমরা আশা করি, এটা শীঘ্রই চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এদিনের জনসভায় অসম (assam) পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। তিন বলেন, অসম পুলিশের একটি গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। তারা সফলভাবে বিদ্রোহ, সীমান্ত সমস্যা, অস্ত্র, মাদক, গবাদি পশুর চোরাচালান, গন্ডার শিকার বন্ধ করতে পেরেছে।

     

  • Mohali blast: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    Mohali blast: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোহালিতে পঞ্জাব পুলিশের (Punjab police) গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্তভার বর্তাতে পারে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র(NIA) ওপর। অন্তত এমনই খবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। যদিও গ্রেনেড হানার ঘটনাটিকে ছোট ঘটনা বলে মনে করছে পঞ্জাব সরকার।

    মোহালির (Mohali) সেক্টর ৭৭-এ রয়েছে পঞ্জাব পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতর। সোমবার রাত আটটা নাগাদ দফতরের বিল্ডিংয়ে আছড়ে পড়ে গ্রেনেড। প্রাণহানির কোনও ঘটনা না ঘটলেও, গ্রেনেড হামলার জেরে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় সদর দফতরের কাচের জানালা। এই হামলার আগে পঞ্জাব পুলিশের কাছে হুমকি চিঠি এসেছিল বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

    যদিও ঘটনাটি ছোট ঘটনা বলে জানায় পঞ্জাবের আম আদমি পার্টির (APP) সরকারের প্রধান ভগবন্ত মান। রাজ্য সরকার যতই ঘটনাটি ছোট করে দেখাক না কেন, তবে রকেট হামলার এই ঘটনাটি মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। মোহালির এই বিস্ফোরণের সঙ্গে জঙ্গি যোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না অমিত শাহের মন্ত্রক। তদন্তের ভার দেওয়া হতে পারে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতে। গোয়েন্দা দফতরের সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনাকে জঙ্গি কার্যকলাপের অংশ হিসেবেই তারা দেখছে বলে সূত্রের খবর।

    কংগ্রেস সরকারকে পরাস্ত করে পঞ্জাবের কুর্সিতে আসে আম আদমি পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী হন ভগবন্ত মান। আপ ক্ষমতার আসার পর থেকে প্রায়ই অশান্তির খবর আসছে পঞ্চনদের রাজ্য থেকে। অথচ বিধানসভা নির্বাচনের আগে আম আদমি পার্টির প্রধান তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দাবি করেছিলেন, পঞ্জাবের ক্ষমতায় আপ এলে বদলে যাবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে আপ। তবে ভোল বদলায়নি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির।

    পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতরের সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে আপ সুপ্রিমো কেজরিওয়াল বলেন, পরিকল্পিতভাবে পঞ্জাবের শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। মোহালি বিস্ফোরণ একেবারে কাপুরুষোচিত কাজ। আমরা কিছুতেই পঞ্জাবের শান্তি বিঘ্নিত হতে দেব না।

     

  • Amit Shah on E-Census: নতুন ডিজিটাল জনগণনা ‘ই-সেনসাস’ আনছে কেন্দ্র, কেমন হবে সেই পদ্ধতি?

    Amit Shah on E-Census: নতুন ডিজিটাল জনগণনা ‘ই-সেনসাস’ আনছে কেন্দ্র, কেমন হবে সেই পদ্ধতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন থেকে আর বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাগজে কলমে করা হবে না জনগণনা (census)। বরং তার পরিবর্তে আসছে নতুন ডিজিটাল পদ্ধতি।  যার পোশাকি নাম ই-সেনসাস (E-Census) বা ই-জনগণনা। ১০০ শতাংশ নির্ভুল হবে এই পদ্ধতি। সোমবার অসম (Assam) সফরে গিয়ে এমনটাই ঘোষণা করলেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    অসমের আমিনগাঁওয়ে একটি জনগণনা দফতরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home Minister) বলেন, দেশের পরবর্তী জনগণনা হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল। এই পদ্ধতিতে ১০০ শতাংশ নির্ভুল গণনা করা যাবে। গণনা পদ্ধিতকে নিখুঁত করার জন্য অত্যাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের আর্থিক সহ অন্যান্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা পালন করে জনগণনা । একমাত্র জনগণনার মাধ্যমেই জানা যায় দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান কেমন।

    ই-সেনসাস পদ্ধতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, “২০২৪ সালের মধ্যে দেশের সব মানুষের জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত সব তথ্য একসঙ্গে এক জায়গায় আনা হবে। এতেই ডিজিটালি জনগণনা আপডেট হয়ে যাবে। শিশুর জন্মের পরই তা সেনসাস রেজিস্টারে নথিভূক্ত করতে হবে। ১৮ বছর বয়সে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে তাও সেই পোর্টালে আপডেট হয়ে যাবে। এর জন্য শীঘ্রই একটি সফটওয়্যার লঞ্চ করা হবে। সেখানে আমি ও আমার পরিবার প্রথমে জনগণনার ফর্ম ফিলাপ করব।”

    করোনার (Covid-19) কারণে মাঝে জনগণনার কাজ আটকে গিয়েছিল । এবার বহুদিন ধরে বাকি থাকা জনগণনার কাজ সেরে ফেলতে চায় কেন্দ্র। সেক্ষেত্রে, অনলাইনে জনগণনা শুরু হলে, সেই সমস্যা আর থাকবে না বলে মনে করছেন অমিত শাহ।    

     

  • Hizbul Terrorists: কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম হিজবুলের সবচেয়ে পুরনো সদস্যসহ মোট তিন জঙ্গি

    Hizbul Terrorists: কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম হিজবুলের সবচেয়ে পুরনো সদস্যসহ মোট তিন জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ (Anantnag) জেলার পহেলগাঁওয়ে (Pahalgam) ভারতীয় সেনাবাহিনীর গুলিতে খতম তিন হিজবুল মুজাহিদিন (hizbul mujahideen) জঙ্গি (Terrorist)। অমরনাথ যাত্রীদের উপর আক্রমণ করার ছক কষেই ওই জঙ্গিরা সেখানে ঘাঁটি গেড়েছিল বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)।   

    শুক্রবার যে তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে এক জন এই জঙ্গিগোষ্ঠীর সবচেয়ে পুরনো সদস্য বলে পুলিশের তরফে জানা গেছে। মৃত ওই জঙ্গির নাম আশরাফ মোলভি (Ashraf Molvi)। কাশ্মীর পুলিশের আইজি ট্যুইট করে জানিয়েছেন, “আশরাফ মোলভি সহ অন্য দুই জঙ্গি সেনা অভিযানে নিহত হয়েছে। অমরনাথ যাত্রার রাস্তায় এই জঙ্গিদের নিকেশ করতে পারা পুলিশের জন্য বড় সাফল্য।”    

    সেনা সূত্রের খবর, পহেলগাঁওয়ের কাছাকাছি জঙ্গলে জঙ্গিদের উপস্থিতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পরই  নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকায় অভিযান শুরু করে। জঙ্গিরা গুলি চালালে পাল্টা গুলি চালায় সেনা। এর পরেই সেনাবাহিনীর গুলিতে মারা যায় ওই তিন জঙ্গি।   
     
    ২০১৩ সাল থেকে এই জঙ্গির বিরুদ্ধে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তকমা ছিল। আশরাফ মোলভি ছাড়াও নিহত হয়েছে মহম্মদ রফিক দ্রাঙ্গে এবং জামির তান্ত্রে ওরফে আকিব। এরা প্রত্যেকেই হিজবুল সদস্য হিসেবে পরিচিত। গোটা ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে অমরনাথের যাত্রীদের মধ্যে।

    পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আইইডি (IED) বিস্ফোরক প্ল্যান্ট করা, সাধারণ নাগরিকদের উপর হামলাসহ একাধিক নাশকতার চক্রান্তের অভিযোগ রয়েছে হিজবুল মুজাহিদিনের কুখ্যাত  জঙ্গি মোলভির বিরুদ্ধে। পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে ১৯৯৯ সালে  বেআইনি অস্ত্র পাচার দিয়ে প্রথম অপরাধ জগতে প্রবেশ করে মোলভি। এই জঙ্গির নির্দেশেই ২০২১ সালে পঞ্চায়েত প্রধান গুলাম রসুল এবং তাঁর স্ত্রী জওহরা বেগমকে অনন্তনাগের লালচকে হত্যা করা হয়। অনন্তনাগ এলাকায় এবারও কোনও বড় বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল হিজবুলের। এনকাউন্টারে তিন জঙ্গিকে নিকেশ করা ছাড়াও আরও এক হিজবুল জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের মুখপাত্র জানান, ”মহম্মদ ইশৎাক শেরগোজরি নামে এক হিজমুল মুজাহিদিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নয়গাঁ এলাকার বাসিন্দা ওই জঙ্গিকেও অনন্তনাগ থেকেই পাকড়াও করেছে পুলিশ।”   

     

  • Covid 19 Booster Dose: বিদেশ ভ্রমণে গেলে সময়ের আগেই মিলবে বুস্টার ডোজ, সুপারিশ কেন্দ্রীয় কমিটির

    Covid 19 Booster Dose: বিদেশ ভ্রমণে গেলে সময়ের আগেই মিলবে বুস্টার ডোজ, সুপারিশ কেন্দ্রীয় কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যদি আপনি বিদেশ ভ্রমণ করেন, তাহলে আপনি কোভিডের দ্বিতীয় ডোজের পরবর্তী নির্দিষ্ট সময়সীমা ৯ মাসের আগেই বুস্টার ডোজ নিতে পারেন। এই সপ্তাহের শুরুতে টিকা সংক্রান্ত জাতীয় প্রযুক্তিগত উপদেষ্টা গ্রুপের (NTAGI) বৈঠকে এমনই সুপারিশ করেছে কোভিড ১৯ (COVID-19) ওয়ার্কিং গ্রুপ । কিন্তু বাকিদের বুস্টার ডোজের ব্যবধান কমানোর বিষয়ে কোন সুপারিশ করা হয়নি।  

    বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রাথমিক এবং তৃতীয় টিকার মধ্যে ব্যবধান দীর্ঘ হলে মানুষের মধ্যে অর্জিত প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। IMA-এর সহ সভাপতি ডাঃ রাজীব জয়দেবনের বক্তব্য, “একটি ডোজ নেওয়ার অল্প দিনের মধ্যেই দ্বিতীয় বা তৃতীয় ডোজটি নিলে তাতে কোন লাভ হয় হয় না। ওই সময় আপনি এমনিতেই সুরক্ষিত।”

    দেশে বছরের শুরুতে, ১০ জানুয়ারি থেকে প্রথম সারির কর্মী, স্বাস্থ্য কর্মী এবং ৬০ বছরের বেশি বয়স্ক যারা কমোর্বিডিটিসে  আক্রান্তদের বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে, ১৬ মার্চ থেকে ষাটোর্ধ্বদের বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয় । পরে ১০ এপ্রিল ১৮ বছরের উর্দ্ধে সকলকে বুস্টার ডোজ দেওয়ার অনুমতি দেয় কেন্দ্র সরকার।          

    এখন, যাদের বয়স ১৮ বছরের বেশি এবং দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের ৯ মাস পূর্ণ হয়েছে তারা বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। সরকারি  তথ্য অনুসারে, ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের ভারত সরকার বুস্টার ডোজ নেওয়ার অনুমতি দিলেও খুব কম সংখ্যক মানুষই টিকার তৃতীয় ডোজটি নিয়েছেন।  

     

  • Nupur Sharma: ক্ষমা চান নূপুর!  তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

    Nupur Sharma: ক্ষমা চান নূপুর! তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সাসপেন্ডেড বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মাকে (Nupur Sharma) গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাইতে বলল শীর্ষ আদালত  (Supreme Court)। দেশে এই মুহূর্তে যে অশান্তি চলছে, তার জন্য একা নূপুরকেই দায়ী করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আদালতের তরফে বলা হয়েছে, দেশে যা ঘটছে, তার জন্য একক ভাবে নুপূর শর্মা দায়ী। একটি টেলিভিশন চ্যানেলে নুপূর শর্মা একটি বিতর্কে অংশগ্রহণ করার সময় এমন একটি মন্তব্য করেন, যার জন্য ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লাগার অভিযোগ ওঠে। ভারতীয় জনতা পার্টির এই নেত্রীকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আদালত শুক্রবার এই বিষয়ক একটি মামলায মত প্রকাশ করেছে যে, এটি শুধুমাত্র আলটপকা মন্তব্য, এমনটাই নয়, একটি মন্তব্যের জন্য গোটা দেশে আগুন লেগেছে, তিনি এই সব ঘটনার জন্য দায়ী।

    বিচারপতি সূর্যকান্ত শুক্রবার বলেন, ‘‘আমরা ওই বিতর্কসভাটি দেখেছি। যে ভাবে তিনি কথাগুলো বলেছেন, তা-ও দেখেছি। আপনি নিজে এক জন আইনজীবী হয়ে যা করেছেন, তা লজ্জার। আপনার উচিত সারা দেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া।’’

    আরও পড়ুন: বিজেপি কেন একনাথ শিন্ডের হাতে মহারাষ্ট্রের রাশ ছাড়ল?

    আদালতের মন্তব্য, উনি যে ভাবে গোটা দেশে আবেগকে উস্কে দিয়েছেন, তাতে উনিই একক ভাবে যা ঘটছে তার জন্য দায়ী। ক্ষমা চাওয়া ও মন্তব্য ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে আদালত জানিয়েছে, এখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে, আর মন্তব্য ফিরিয়ে নিয়ে লাভ নেই। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কিন্তু ওঁকে এখনও পর্যন্ত ছুঁয়েও দেখেনি দিল্লি পুলিশ। আদালতের আরও মন্তব্য শর্মা এই অনৈতিক মন্তব্য করেছেন, কারণ ক্ষমতার দম্ভ তাঁর মাথায় প্রবেশ করেছে।

    সুপ্রিম কোর্ট দিল্লি পুলিশকেও ভর্ৎসনা করেছে। নূপুরের আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়ার সমস্ত এফআইআর দিল্লিতে স্থানান্তর করার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন নূপুর। তাঁর আইনজীবী বলেন, নূপুরকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তা শুনে বিচারপতি বলেন, ‘‘তিনি হুমকির মুখে পড়ছেন, না কি তিনিই নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছেন! তিনি দেশে অশান্তির বাতাবরণ তৈরি করেছেন। আজ গোটা দেশে যা চলছে, তার পিছনে দায়ী এই মহিলা।’’

  • Udaipur killing:  বিচার নয়, ফাঁসি চাই! উদয়পুর-হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের হয়ে দাঁড়াতে রাজি নয় আইনজীবীরা

    Udaipur killing: বিচার নয়, ফাঁসি চাই! উদয়পুর-হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের হয়ে দাঁড়াতে রাজি নয় আইনজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে (Udaipur Murder) অভিযুক্তদের হয়ে দাঁড়াতে রাজি নয় কোনও আইনজীবী। দ্রুত তাদের ফাঁসির দাবি তোলেন আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হলে তাদের ১৩ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতে (14 days of judicial custody) রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে নিয়ে আসার সময় তাদের মুখ কাপড়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু গাড়িটি আদালত চত্বরে প্রবেশ করার পরই সেখানে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায় বহু আইনজীবীকে। তাঁরা অভিযুক্তদের ফাঁসি চেয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন। উদয়পুর বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট গিরিজা শঙ্কর মেহতা (Girija Shankar Mehta) জানান, “এটা কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। এটা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ। অভিযুক্তরা সমাজে সন্ত্রাস ও আতঙ্ক ছড়াতে চেয়েছে। এমনকি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকেও হুমকি দিয়েছে। যা মানা যায় না।” এদিনই অভিযুক্তদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আজমের জেলে স্থানান্তরিত করা হয়।

    রাজস্থানে (Rajashtan) উদয়পুরে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকাণ্ডের  ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। কেবল দেশ নয়, আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ছড়িয়ে পড়েছে ঘটনার রেশ। এবার এই ঘটনায় মুখ খুলছে রাষ্ট্রসংঘ। সব ধর্মের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে বিভিন্ন সম্প্রদায় যেন সম্প্রীতি ও শান্তির সঙ্গে বসবাস করতে পারে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। তাঁর হয়ে তাঁর মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক একথা জানিয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ”আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। সারা পৃথিবী জুড়ে সব ধর্মের প্রতি পূর্ণ সম্মান বজায় রাখতে হবে। তাহলেই বিভিন্ন সম্প্রদায় সম্প্রীতি ও শান্তির সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।”

    আরও পড়ুন: উদয়পুর কাণ্ডের জেরে বদলি ৩২ আইপিএস, ড্যামেজ কন্ট্রোল?

    প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ উদয়পুরের ধানমণ্ডি এলাকার এক দরজির দোকানে ঢোকে অভিযুক্ত দুই যুবক মহম্মদ রিয়াজ আখতার ও মহম্মদ গাউস। তারা শুরুতে নিহত দরজির কাছে জামার মাপ দেয়। এরপরই ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই ব্যক্তির মাথায় ও গলায় আঘাত করে। গোটা ঘটনার ভিডিও রেকর্ডও করে হত্যাকারীরা। এরপর তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। এনিয়ে অশান্তি না ছড়ালেও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলি হত্যার প্রতিবাদে মিছিল করছে। উদয়পুরে মিছিল বার করে ‘সর্ব হিন্দু সমাজ’। সেখান পাথরবৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। যদিও পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেয়। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনও থমথমে।

    এদিকে কানহাইয়া লালের মৃত্যুর পরে তাঁর পরিবারকে সাহায্য করার জন্য একটি তহবিল গঠন করেছিলেন বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র। বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, ওই তহবিলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১২ হাজারের বেশি মানুষ অর্থ সাহায্য করেছেন। এখনও অবধি মোট অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৩৫ লক্ষ। সময় মতো ওই টাকা কানহাইয়া লালের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

  • R Madhavan: পাঁজি দেখে মঙ্গলে রকেট পাঠায় ইসরো, মন্তব্যে ট্রোলড মাধবন

    R Madhavan: পাঁজি দেখে মঙ্গলে রকেট পাঠায় ইসরো, মন্তব্যে ট্রোলড মাধবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথের দিনই মুক্তি পেতে চলেছে ‘রকেট্রি: দ্য নাম্বি এফেক্ট’ (Rocketry : The Nambi Effect) সিনেমা। তার আগেই শিরোনামে ছবির পরিচালক তথা সিনেমার অন্যতম অভিনেতা আর মাধবন (R Madhavan)।  তাঁকে নিয়ে হইচই পড়ে গেছে অনুরাগীদের মধ্যে। ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণের (Nambi Narayana) জীবনকাহিনী নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ‘রকেট্রি: দ্য নাম্বি এফেক্ট’। আর এই সিনেমার মধ্যে দিয়েই পরিচালক হিসাবে ডেবিউ করছেন মাধবন। ছবি মুক্তির আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।  মুভির প্রোমোশনে গিয়ে সাক্ষাৎকারে এমন এক মন্তব্য করেন, যা নিয়ে তাঁকে ট্রোল করা শুরু হয়।  কিন্তু কী এমন বললেন যার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার শিরোনামে এই অভিনেতা?

    আরও পড়ুন: চরিত্রের প্রয়োজনে ভেঙেছিলেন নিজের চোয়াল! খোলসা করলেন আর মাধবন

    সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি ইসরো ও মঙ্গল অভিযান নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “হিন্দু পঞ্জিকা (Panchang) দেখেই মঙ্গলগ্রহে রকেট পাঠিয়েছিল ইসরো।” তাঁর এই মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। ধেয়ে আসতে থাকে একের পর এক কটূক্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড হন মাধবন।

    মাধবনের ভিডিও শেয়ার করে একজন ট্যুইটারে লেখেন, “বিজ্ঞান সকলের বোঝার বিষয় নয়। তা না জানাও কোনও অপরাধ নয়। কিন্তু কীভাবে এই কাজগুলি হয়, সে বিষয়ে জানা না থাকলে মুখ বন্ধ রাখাই উচিত।”

    [tw]


    [/tw]

    একজন বলেছেন “কয়েক মিনিট ধরে এমন ভয়ঙ্কর আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মাধবন যা বলে গেলেন ইসরোর মঙ্গল অভিযান নিয়ে, তা অত্যন্ত বোকামি বললেও ভুল হবে।”

    [tw]


    [/tw]

    কেউ বললেন,  ‘মাধবনকে ততক্ষণই ভাল লাগে, যতক্ষণ তিনি মুখ না খোলেন।”

    [tw]


    [/tw]

  • Virat Kohli: লেজেন্ড লেজেন্ডই থাকেন, কোহলির বিরাট প্রশংসা মহিলা ক্রিকেট অধিনায়কের

    Virat Kohli: লেজেন্ড লেজেন্ডই থাকেন, কোহলির বিরাট প্রশংসা মহিলা ক্রিকেট অধিনায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরাট কোহলির পাশে দাঁড়াল দক্ষিণ আফ্রিকার মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক। ইদানিং বড় ম্যাচে রান পাচ্ছেন না ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। তবে তাতে হতাশ হওয়ার কোনও কারণ নেই বলেই মনে করেন কোহলির এই মহিলা ভক্ত। কোহলি যে কোনও দিন তাঁর পুরানো ছন্দে ফিরতে পারেন বলেও মনে করেন ডেন ভ্যান নেইকার্ক।

    ভারতীয় ক্রিকেটের এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক বিরাট কোহলি। তাঁর ব্যাটের জাদুতে মুগ্ধ তামাম বিশ্বের ভক্তকুল। এক সময় তিনি ভারতীয় ক্রিকেটের অধিনায়ক ছিলেন। বাদ পড়েন খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে। ২০১৯ সাল থেকে কোনও ম্যাচে বড় কোনও রান পাননি কোহলি। স্বাভাবিকভাবেই হতাশ হয়ে পড়েন বিরাটের ভক্তরা। আইপিএলেও আহামরি কোনও রান করতে পারেননি বিরাট। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে ক্রীড়ামহলে। আইপিএলে বিরাটের শেষ ম্যাচেও মাত্র ৩৩ বলে ৩০ রান করেছেন তিনি। বিরাট এবং দলের ক্যাপটেন ফাফ ডু প্ল্যাসিস। তিনি করেছেন ৩৮ রান। মহীপাল রমরোর এবং দীনেশ কার্তিকের জুটিই কার্যত ব্যাটে ঝড় তোলেন। তাঁদের এই জুটির ব্যাটের জোরেই দলের রান বেড়ে দাঁড়ায় ১৭৩।  

    এমতাবস্থায় বিরাটের পাশে দাঁড়িয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নেইকার্ক। টুইটে তিনি লেখেন, বিরাট কোহলি কীভাবে এই রান করল, তার কারণ খুঁজতে যেও না। বিষয়টাকে সহজ করেই দেখ। একজন লেজেন্ড চিরকালই লেজেন্ড থাকেন। সেটাই মেনে নাও। কোনও একটা খেলা, কোনও একটা মরশুমে কারও পারফরম্যান্স দেখে কাউকে বিচার করা ঠিক নয়। বিশেষত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে যাঁর লাগাতার ভালো রান।

    [tw]


    [/tw]

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় কোনও রান না পাওয়ায় সমলোচনা পিছু ছাড়েনি বিরাটের। ঘরে-বাইরে সর্বত্রই সমালোচনার শিকার হন তিনি। তাঁর পূর্বসূরী ক্রিকেটারদের অনেকেই বিরাটের অবসর নেওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন। তারপরেও অবশ্য হাল ছাড়েননি তিনি। এদিন পেলেন তারই প্রতিদান। দক্ষিণ আফ্রিকার মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়কের প্রশস্তি-সূচক টুইট।

     

LinkedIn
Share