Blog

  • Patna: জলের নীচে কুষান-ইতিহাস! পুকুর থেকে উঠল ২০০০ বছরের দেওয়াল

    Patna: জলের নীচে কুষান-ইতিহাস! পুকুর থেকে উঠল ২০০০ বছরের দেওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুকুর সংস্কার করতে গিয়ে ইতিহাসের সন্ধান মিলল পাটনায়। একটি পুকুরের সংস্কার করার সময় ইটের দেওয়ালের অবশিষ্টাংশ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পাটনা (ASI Patna) শাখা। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের দাবি দেওয়ালটি ২০০০ বছরের পুরোনো। সময়ের হিসেব করলে দেওয়ালটি কুষান যুগের (Kushan Age) নিদর্শন হওয়া উচিত বলে মনে করছেন তাঁরা। 

    পাটনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ৬ কিলোমিটার পূর্বে, এর আগে যেখানে মৌর্য সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে কুমরাহারে খনন কাজ চালানোর সময় দেওয়ালের অবশিষ্টাংশটি আবিষ্কার করেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এএসআই পাটনা সার্কেলের গৌতমী ভট্টাচার্য জানান, “দেওয়ালের ইটগুলি ২০০০ বছরের পুরোনো। সেই হিসেবে এই স্থাপত্য কুষান যুগের হওয়া উচিৎ।  

    আরও পড়ুন: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    কেন্দ্রের ‘মিশন অমৃত সরোবর’ উদ্যোগের অংশ হিসাবে এএসআই সুরক্ষিত পুকুরটিকে সংস্কারের উদ্যোগ নেউ পাটনা প্রশাসন। তখনই খুনন কার্য চালানোর সময় দেওয়ালটি উদ্ধার হয়। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, পুকুরের গভীরে ইটের দেওয়াল একটি বিরল আবিষ্কার। এএসআই বিশেষজ্ঞদের একটি দল দেওয়ালের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করার কাজে লেগে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    প্রত্নতাত্ত্বিকদের প্রাথমিক গবেষণায় উঠে এসেছে, এই ইটগুলি কুষান যুগের নিদর্শন। কুষানরা উত্তর ভারত, বর্তমান আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার কিছু অংশে আনুমানিক ৩০ সাল থেকে ৩৭৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেছিল। তবে এখনই নিশ্চিত হতে পারছেন না প্রত্নতত্ত্ববিদরা।  

    দিল্লিতে এএসআই সদর দফতরে এই আবিষ্কার সম্পর্কে জানানো হয়েছে বলে জানান গৌতমী ভট্টাচার্য। গৌতমী এএসআই-পাটনা কেন্দ্রের ‘মিশন অমৃত সরোবর’ উদ্যোগের অন্তর্গত বিহারের ১১ টি সুরক্ষিত জলাশয় সংস্কারের কাজের অংশ ছিলেন। গৌতমী ভট্টাচার্য (Goutami Bhattacharya) জানান, “আমরা দিল্লিতে আমাদের সিনিয়রদের পুরো বিষয়টা জানিয়েছি। আরও পরীক্ষা করা হবে। পরীক্ষা শেষ হলে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে।” 

     

  • Sukanta Majumdar: “১৫ দিনে জ্বালানি কর না কমালে নবান্ন ঘেরাও”, হুঁশিয়ারি বিজেপির

    Sukanta Majumdar: “১৫ দিনে জ্বালানি কর না কমালে নবান্ন ঘেরাও”, হুঁশিয়ারি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেট্রল, ডিজেলের দাম (Petrol Diesel Prices) কমানো নিয়ে এবার রাজ্য সরকারের ওপর পালটা চাপ দিল বিজেপি (BJP)। ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য জ্বালানির দামে করছাড় ঘোষণা না করলে নবান্ন  (Nabanna) অভিযানের হুঁশিয়ারি দিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। 

    গত ২১ মে দেশজুড়ে পেট্রল ও ডিজেলের করে ছাড় ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Govt)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman) জানান, পেট্রলে লিটারে প্রায় ১০ টাকা ও ডিজেলে লিটারে প্রায় ৭ টাকা কর কমাতে চলেছে কেন্দ্র। পর দিন থেকে লাগু হয় নতুন দাম। 

    কিন্তু তার পরও করছাড় ঘোষণা করেনি রাজ্য। উলটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেন, দেশের অবিজেপি সরকারগুলির মধ্যে পেট্রল ও ডিজেলে সব থেকে বেশি করছাড়া দেয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    রাজ্যের শাসক দলের এই দাবি বৃহস্পতিবার নস্যাৎ করে দেয় বিজেপি। বিজেপির দাবি, ইতিমধ্যে পেট্রল-ডিজেলে কর কমিয়ে মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু রাজ্য সরকার তার ভূমিকা পালন করছে না। তিনি জানিয়ে দেন, রাজ্য কর না কমালে নবান্ন ঘেরাও করবে বিজেপি।

    জিএসটি বাবদ রাজ্যগুলির প্রাপ্য মেটাল কেন্দ্র, বাংলা কত পেল জানেন?

    সুকান্তর মতে, জিএসটি (GST) সমেত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে রাজ্যের সব বকেয়া পাওনা মঙ্গলবারই মিটিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পশ্চিমবঙ্গ পেয়েছে ৬ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা। এবার পেট্রল-ডিজেলের উপর থেকে কর কমাক তৃণমূল সরকার।

    এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘আমরা রাজ্যকে ১৫ দিন সময় দিচ্ছি। এই ১৫ দিনের মধ্যে পেট্রল-ডিজেলের ওপর কর কমাতে হবে। পেট্রলে ৫ টাকা ও ডিজেলে ১০ টাকা দাম না কমালে আমরা আমাদের নবান্ন অভিযান কর্মসূচির দিনক্ষণ ঘোষণা করব।’

    জ্বানানি ইস্যুর পাশাপাশি, রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়েও এদিন মুখ খোলেন সুকান্ত। তাঁর দাবি, আদালতের নির্দেশ মেনে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দিতে হবে। 

    স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়েও অভিযোগ করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বর্তমানে ব্যর্থসাথীতে পরিণত হয়েছে। রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত আসতে বাধ্য হবে।

    “ফের বাংলার মানুষকে বোকা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী!” কী প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত?

  • India Covid-19 deaths: করোনায় মৃত্যু নিয়ে রাহুলের বিপরীতে গিয়ে হু-র দাবি খারিজ কংগ্রেসের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    India Covid-19 deaths: করোনায় মৃত্যু নিয়ে রাহুলের বিপরীতে গিয়ে হু-র দাবি খারিজ কংগ্রেসের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর(Rahul Gandhi) দাবি খারিজ করে দিলেন দলেরই এক নেতা! সম্প্রতি করোনা নিয়ে একটি তথ্য প্রকাশ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তাতে দাবি করা হয়, করোনায় (coronavirous) ভারতে (India) মৃত্যু হয়েছে ৪৭ লক্ষ মানুষের। যদিও কেন্দ্রের দাবি, ৪৭ লক্ষ নয়, দেশে কোভিডে মৃত্যু (India Covid-19 deaths) হয়েছে ৪.৮ লক্ষ মানুষের।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট যে ঠিক নয়, তেমন দাবি করেছেন কংগ্রেস শাসিত ছত্তিশগড়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী টিএস সিং দেও। কেবল তিনিই নন, এই একই দাবি করেছেন সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ হেল্থ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কনফারেন্স (central council of health and family welfare conference)। এই কনফারেন্সে রয়েছেন ২০টি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা, যার মধ্যে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা রয়েছেন।

    করোনায় বিশ্বজুড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে কোভিডে ভারতে মোট ৪৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যদিও সরকারি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে মাত্র ৪.৮ লক্ষ মানুষের। এর পরেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) রিপোর্টকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রকে তোপ দাগেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এক ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি অনুযায়ী, ৪.৮ লক্ষ নয়, বরং কোভিড অতিমারীতে ৪৭ লক্ষ ভারতীয় মারা গিয়েছেন। বিজ্ঞান মিথ্যা বলে না। মোদি বলেন। প্রিয়জন হারিয়েছে এমন পরিবারকে সম্মান করুন। বাধ্যতামূলক ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে তাঁদের সাহায্য করুন। এর আগেও নানা সময় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ভারতে করোনা নিয়ে নানা রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল। সেগুলিতে দাবি করা হয়েছিল, ভারতে করোনার বলি হয়েছে সরকারি হিসেবের কয়েকগুন বেশি মানুষ। যদিও প্রতিবারই সেই দাবি খণ্ডন করা হয়েছে ভারতের তরফে।

    এবার রাহুলের দাবিও খারিজ করে দিল বিভিন্ন রাজ্যের ২০ জন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে গঠিত সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ হেল্থ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কনফারেন্স। এই কনফারেন্সে যে ২০টি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস শাসিত ছত্তিশগড়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের টিএস সিং দেও। কনফারেন্সে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অতিরঞ্জিত। তারা এটাকে সিরিয়াসলি নিচ্ছে না। 

  • Flight Tickets: সস্তা হবে বিমানভাড়া! টিকিট-মূল্যের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দিল কেন্দ্র

    Flight Tickets: সস্তা হবে বিমানভাড়া! টিকিট-মূল্যের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দিল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তর্দেশীয় বিমানের টিকিটের দামে ঊর্ধ্বসীমা তুলে নিল কেন্দ্র। করোনার সময় যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে অন্তর্দেশীয় বিমানের টিকিটের দামে ঊর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে সম্প্রতি তা তুলে নেওয়া হল। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের এই নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ অগাস্টের পর থেকে ইন্ডিগো, স্পাইসজেট, এয়ার ইন্ডিয়া, ভিস্তারা ও আকাশা এয়ারের মতো উড়ান সংস্থাগুলি নিজেদের ইচ্ছামতো টিকিটের দাম ধার্য করতে পারবে এবং প্রয়োজনে ছাড়ও দিতে পারবে। এর উপরে কেন্দ্রের কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

    বুধবারই ডিজিসিএ-র তরফে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করে বলা হয়, “বর্তমান পরিস্থিতিতে বিমান চলাচল ও যাত্রীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিমানের ভাড়ার উপরে যে ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। আগামী ৩১ অগাস্ট থেকে উড়ান সংস্থাগুলি নিজেরাই ভাড়া ধার্য করতে পারবে।” এর ফলে এবার থেকে দেশের মধ্যে যে সমস্ত বিমানগুলি চলাচল করে, তাদের সংশ্লিষ্ট সংস্থা যাত্রী সংখ্যা, টিকিটের চাহিদা ও জ্বালানির দাম অনুযায়ী বিমানের টিকিটের দাম ঠিক করতে পারবে।

    আরও পড়ুন: দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, দাবি সরকারি সূত্রের

    বিমানের ভাড়া সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের উপর দুই ধরনের প্রভব পড়তে পারে। কী কী প্রভাব? একটি সদর্থক একটি অ-সদর্থক। কেন্দ্র এয়ারফেয়ার তুলে নিলে ভাড়া বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে, যাত্রীদের জন্য সুখবর হল ভাড়া কমতেও পারে। যেহেতু ভাড়ার বিষয়টি আর কেন্দ্র দেখছে না, সেটি বিমান কোম্পানিগুলোর হাতে থাকছে সেই কারণে, বিমান সংস্থাগুলো যদি মনে করে তবে বিমানের ভাড়া চাইলে কমাতেও পারে সংস্থাগুলো। প্রতিযোগিতার বাজারে টিকিটে ছাড় দিয়ে যাত্রীদের আকৃষ্টও করতে পারে উড়ান সংস্থাগুলি। কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞার জন্যই সমস্ত উড়ান সংস্থাকে একদিকে যেমন টিকিটের দামের ঊর্ধ্ব ও নিম্নসীমা মেনে চলতে হত, তেমনই আবার যাত্রীদের বিশেষ কোনও ছাড় বা অফারও দিতে পারত না তারা।  কেন্দ্রীয় উড়ানমন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তে খুশি বেসরকারি উড়ান সংস্থাগুলি।

  • RSS Meet: আরএসএসের জয়পুর বৈঠকে আলোচনা হবে জ্ঞানবাপী নিয়ে?

    RSS Meet: আরএসএসের জয়পুর বৈঠকে আলোচনা হবে জ্ঞানবাপী নিয়ে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসে জয়পুরে (Jaipur) বৈঠকে বসতে চলেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) নেতারা। সেখানেই আলোচনা হবে জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) বিতর্ক নিয়ে। বিজেপির (BJP) সাসপেনডেড মুখপাত্র নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের প্রেক্ষিতে দেশজুড়ে যে হিংসাত্মক আন্দোলন হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হবে। আরএসএসের একটি সূত্রেই এ খবর মিলেছে। 

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙে গড়ে উঠেছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশেই ওই মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল বলে দাবি হিন্দুত্ববাদীদের। হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠনের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদের দিকেই রয়েছে নন্দীর মুখ। নন্দীর মুখ সর্বদা শিবের দিকেই থাকে। এ থেকে হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, কাশী বিশ্বনাথের মন্দিরে নেপালের মহারানার উপহার দেওয়া যে নন্দী মূর্তিটি রয়েছে, তার মুখ রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদের দিকে। হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠনের দাবি, মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা হয়েছে। তাদের আরও দাবি, এখানেই এক সময় শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির ছিল। আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে যে ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছিল, হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, তার ফুটেজেও দেখা গিয়েছে মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ। আরএসএসের জয়পুর বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে।

    আরও পড়ুন : হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে ভাগবতের মন্তব্য সংগঠনের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, জানাল আরএসএস

    আরএসএস কর্তারা প্রথম থেকেই বলেছিলেন, জ্ঞানবাপী বিতর্ক হিন্দু-মুসলিম দুই সম্প্রদায়ের মানুষেরই এক টেবিলে বসে মিটিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। হজরত মহম্মদকে নিয়ে নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরেও দেশজুড়ে অশান্তি হয়েছে। হয়েছে হিংসাত্মক আন্দোলনও। তার জেরে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে মৃত্যু হয়েছে দু জনের। যদিও নূপুরের ওই বিতর্কিত মন্তব্যের পরে পরেই দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁকে। নূপুরের ওই মন্তব্য যে তাঁরই, সরকারের নয়, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে সাউথ ব্লক। জয়পুর বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে।

    আরএসএসের শতবর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান এবং দেশজুড়ে কীভাবে সংগঠনের শাখা বিস্তার করা যায়, তা নিয়েও ওই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। মুসলিম সহ সংখ্যালঘু বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নত করার চেষ্টাও সংঘ করবে বলেও জানা গিয়েছে।

     

  • JIS group: দুধের ব্যবসায় ১৫০ কোটি বিনিয়োগ রাজ্যের সংস্থার, কাজ ৫৫০ জনের 

    JIS group: দুধের ব্যবসায় ১৫০ কোটি বিনিয়োগ রাজ্যের সংস্থার, কাজ ৫৫০ জনের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের (Milk and Milk Product) খুচরো ব্যবসায় পা রাখল রাজ্যের জেআইএস গোষ্ঠী (JIS Group)। সংস্থার দাবি, এর জন্য প্রথম পর্যায়ে ১৫০ কোটি টাকা লগ্নি করছে তারা। তাদের ওই প্রকল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মিলিয়ে প্রায় ৫৫০ জনের কর্মসংস্থান হবে। সরাসরি চাকরি পাবেন ১৫০ জন। গত ১৫ এপ্রিল তাদের ব্র্যান্ডের দুধ বাজারে এসেছে। জেআইএস গোষ্ঠী শিক্ষা পরিষেবা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হিসেবে পরিচিত হলেও, ১৯৫৩ সাল থেকেই দুধের ব্যবসায় রয়েছে তারা। তবে এত দিন তারা খুচরো ব্যবসা সংস্থাগুলিকে দুধ সরবরাহ করত। এ বার নিজেরাই দুধের খুচরো ব্যবসা শুরু করল। শীঘ্রই পনির,দই-সহ বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য বাজারে আসবে বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।
    সংস্থার ডিরেক্টর আনমোল সিংহ নেরুলার দাবি, ‘‘আমাদের গোষ্ঠীর আওতায় শিক্ষা পরিষেবা, টেলি যোগাযোগ, স্বাস্থ্য পরিষেবা, পণ্য পরিবহণ, পরিকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ইত্যাদি ব্যবসা রয়েছে। কিন্তু আমার পূর্ব পুরুষেরা পঞ্জাবের লুধিয়ানায় দুধের ব্যবসা দিয়েই ব্যবসার জগতে পা রেখেছিলেন। পরে তা হরিয়ানা এবং পশ্চিমবঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে।’’ তিনি আরও জানান, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের ব্যবসার জন্য হাওড়ায় একটি কারখানা তৈরি করেছেন তাঁরা। সেখান থেকেই বোতলবন্দি করে বাজারে দুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।
    জেআইএস কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন, তাঁদের ডানকুনির প্রকল্পে দিনে ৫০০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। তা এত দিন বিভিন্ন সংস্থাকে সরবরাহ করা হত। এ বার নিজেদের ব্র্যান্ডের নামে তা সরাসরি বাজারে বিক্রি করছেন তাঁরা। সংস্থার বিপণন বিভাগের দুই কর্তা চিরন্ময় চট্টোপাধ্যায় এবং সুমিত দেব বলেন, ‘‘আপাতত কলকাতার মধ্যেই ব্যবসা সীমাবদ্ধ রাখা হবে। শহরের ৩৬০০টি দোকানে আমাদের পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরে রাজ্যের অন্য জেলাগুলিতে ব্যবসা ছড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।’’

  • iPhone 14: আইফোন ১৪ ফোনে থাকছে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি? পড়ুন বিস্তারিত

    iPhone 14: আইফোন ১৪ ফোনে থাকছে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি? পড়ুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েকটা মাসের, তারপরই iPhone 14 সিরিজের উপর থেকে পর্দা সরিয়ে দেবে Apple। ফলে, স্পষ্টতই প্রত্যেক টেকপ্রেমী অধীর আগ্রহে বসে আছেন ১৪তম প্রজন্মের আইফোন দেখার জন্য। তবে, লঞ্চের সময় যত ঘনীভূত হচ্ছে,ততই এই নতুন মডেলের আইফোন সিরিজ সম্পর্কে নিত্যনতুন তথ্য সামনে আসছে। যেমন,সম্প্রতি প্রকাশিত একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, iPhone 14 সিরিজের ফোনে অ্যাডভান্সড স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি (Advanced Satellite connectivity) অপশন থাকতে পারে, যা জরুরি পরিস্থিতিতে শর্ট টেক্সট (short text) বা সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠানোর মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে সাহায্য করবে। 

    সম্প্রতি অ্যাপল, তাদের ওয়্যারেবল ডিভাইসের জন্য অনুরূপ স্যাটেলাইট ফিচারের উপর কাজ করছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছিল। এক্ষেত্রে, সংস্থাটি যদি সত্যি আইফোন ও ওয়াচে স্যাটেলাইট সিস্টেম যোগ করে থাকে, তাহলে তা ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এই ফিচার আপৎকালীন পরিস্থিতিতে জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী ইউনিটের সঙ্গে উপগ্রহ-যোগাযোগের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠানোর অনুমতি দেবে। এর জন্য, এই সিস্টেমে ৪জি বা ৫জি সেলুলার কভারেজ উপলব্ধ নেই এমন এলাকা থেকে মেসেজ পাঠানোর জন্য “এমার্জেন্সি মেসেজ ভায়া কন্টাক্টস” (Emergency Message via Contacts) অপশন অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

    যাইহোক, গত বছর আইফোন ১৩ সিরিজ আত্মপ্রকাশ করার সময়েও এতে LEO বা লোয়ার আর্থ অরবিট (Lower Earth orbit) স্যাটেলাইটের কমিউনিকেশন প্রযুক্তি (satellite communication technology) ব্যবহারের গুজব উঠেছিল। কিন্তু, পরবর্তী সময়ে দেখা যায় অ্যাপল তাদের ২০২১ সালের আইফোনগুলিতে এই ফিচার অন্তর্ভুক্ত করেনি। ফলে আইফোন ১৪ লাইনআপের ক্ষেত্রে সেলুলার কানেক্টিভিটি ফিচার দেখতে পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে।

     

  • Sukanya Mondal: টেট পাশ না করেই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি? এবার কাঠগড়ায় কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা

    Sukanya Mondal: টেট পাশ না করেই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি? এবার কাঠগড়ায় কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরেশ (Paresh Adhikary)-কন্যার অঙ্কিতার (Ankita Adhikary) পর এবার অনুব্রত (Anubrata Mondal)-কন্যার বিরুদ্ধেও উঠল টেট পরীক্ষায় (Primary TET) পাশ না করে স্কুলে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ। আর এই অভিযোগ বিস্ফোরক ঘিরে জোর আলোড়ন। ২৪-ঘণ্টার মধ্যে স্কুলের রেজিস্টার আদালতে পেশ করার নির্দেশ হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt)। 

    আয় বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগ তো ছিলই, এবার কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের (Sukanya Mondal) বিরুদ্ধে উঠল টেট অনুত্তীর্ণ হয়েও চাকরি নেওয়ার অভিযোগ। বোলপুরের কালিকাপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পেয়েছেন সুকন্যা। এদিন কলকাতা হাইকোর্টে মামলাকারী সৌমেন নন্দী অভিযোগ করেন, অনৈতিক ভাবে, টেট পাশ না করেই স্কুলের চাকরি পেয়েছেন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) বেঞ্চে ওঠা মামলায় বুধবার অভিযোগ করা হয়েছে, সুকন্যা নাকি স্কুলেও যেতেন না। অথচ, অনুব্রতর বাড়িতে পৌঁছে যেত হাজিরার রেজিস্ট্রার। 

    আরও পড়ুন: স্কুলে চাকরি করেই কয়েক’শ কোটির সম্পত্তি সুকন্যার! কী করে? উত্তরের খোঁজে সিবিআই

    মামলাকারীর আরও অভিযোগ, শুধু সুকন্যাই নয়, চাকরি পেয়েছেন অনুব্রতর আরও ৫ আত্মীয়। আদালতে মামলাকারীর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম দাবি করেন, সুকন্যার মতো স্কুলে চাকরি পেয়েছেন অনুব্রতর আপ্ত সহায়ক অর্ক দত্তও। চাকরি পেয়েছেন অনুব্রতর ভাই, ভাইপো, ছাড়াও ২ ঘনিষ্ঠ। শুনানির শেষে আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ৩ টার মধ্যে সুকন্যা সহ ৬ জনকে টেট সার্টিফিকেট নিয়ে হাজিরার নির্দেশ দেয় আদালত। একইসঙ্গে, কালকের মধ্যে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে রেজিস্টার নিয়ে হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারপতি। হাজিরা না দিলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের এই নির্দেশ যাতে কার্যকর করা হয়, তা নিশ্চিত করতে বীরভূমের পুলিশ সুপারকে আদালতের রায় জানানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    এমনিতেই স্কুল শিক্ষিকা হয়ে কী করে কয়েক’শ কোটি টাকার সম্পত্তি করলেন সুকন্যা, তার উৎস খুঁজতে তৎপর হয়েছে সিবিআই। তদন্তকারীদের অনুমান, গরুপাচারের টাকা দিয়েই এই বিপুল সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। যে উত্তর খুঁজতে এদিন সকালে, বোলপুরের নিচুপট্টিতে অনুব্রতর বাড়িতে সুকন্যাকে জেরা করতে পৌঁছ গিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু, সুকন্যার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, মা বেঁচে নেই, বাবা হেফাজতে। তিনি বাড়িতে একা রয়েছেন। মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। তাই এমতাবস্থায় তিনি কথা বলতে চান না। 

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের ৪২ ঘাটে যুক্ত ৬২ আইসি-ওসি এবার সিবিআইয়ের আতসকাচে

  • China Ban on India: ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

    China Ban on India: ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) অতিমারির জেরে বন্ধ করা হয়েছিল কোভিড (Covid-19) ভিসা। দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে জারি ছিল এই নিষেধাজ্ঞা। ২ বছর পর তা তুলে নেওয়া হল। চিনা (China) সরকার সে দেশে কর্মরত ভারতীয় (Indian) ও তাঁদের পরিবারকে ফের ভিসা (Visa) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার জেরে চিনে কর্মরত ভারতীয়রা যোগ দিতে পারছিলেন না কর্মক্ষেত্রে। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় এবার পারবেন।

    সোমবার ভারতে চিনা দূতাবাসের (Chinese Embassy) তরফে জারি করা এক বিবৃতিতেই এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির আগে চিনে পড়াশোনা করতেন প্রচুর ভারতীয় ছাত্রছাত্রী। চাকরি সূত্রেও বাস করতেন অনেকে। করোনা অতিমারির জেরে এঁরা ফিরে এসেছিলেন ভারতে। ফের চিনে পুরানো জায়গায় ফিরতে চাইছেন তাঁরা। এনিয়ে তাঁরা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সঙ্গেও যোগাযোগ করেন। চিনে গিয়ে ফের পড়াশোনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন তাঁরা। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি এবং আগ্রহী ছাত্রছাত্রীদের কথা ভেবেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় ড্রাগনের দেশ।

    আরও পড়ুন : পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভার বাড়াচ্ছে চিন, ভারত, পাকিস্তানের হাতে কত?

    সম্প্রতি চিনা দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, স্থায়ীভাবে চিনে বসবাসের অনুমতিপ্রাপ্ত বিদেশিদের পরিবার এবার থেকে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। কর্মসূত্রে চিনে গিয়ে সেখানকার মহিলাদের বিয়ে করেছিলেন অনেক ভারতীয়। করোনা পরিস্থিতির জেরে ভারতীয়দের ফিরতে হয়েছিল দেশে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় এবার এই ভারতীয়রাও ফিরতে পারবেন চিনে। চিনের প্রচুর নাগরিকও কর্মসূত্রে ভারতে এসেছিলেন। অতিমারি পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছিলেন তাঁরাও। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় এবার তাঁরাও ফিরতে পারবেন স্বদেশে। চিনা দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, পর্যটন ভিসা (Tourist visa) এখনই দেওয়া হচ্ছে না।

    আরও পড়ুন : এখন শ্রীলঙ্কাকে সাহায্য করতে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে চাইছে চিন!

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে দীর্ঘ আলোচনার পর চিনা সরকার ফাইনাল ইয়ারের বেশ কিছু ভারতীয় ছাত্রছাত্রীকে চিনে ফেরার অনুমতি দিয়েছিল। সেই সময়ই ভারতীয় দূতাবাসকে চিনে ফিরতে ইচ্ছুক পড়ুয়াদের তথ্য সংগ্রহের কথা বলেছিল। সেই তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষেই উঠল নিষেধাজ্ঞা।

    প্রসঙ্গত, একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় ছাত্রছাত্রী চিনে পড়াশোনা করেন। এঁদের সিংহভাগই সে দেশের বিভিন্ন কলেজে পড়াশোনা করেন চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে। অতিমারি পরিস্থিতিতে দেশে ফেরেন তাঁরা। পঠনপাঠন চলছিল অনলাইনে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবার তাঁরাই চিনে গিয়ে ক্লাস করতে পারবেন অফলাইনে।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘বাঙালির সত্ত্বা আজ লুণ্ঠিত’, মমতাকে সাহিত্য পুরস্কার দেওয়ায় ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বাঙালির সত্ত্বা আজ লুণ্ঠিত’, মমতাকে সাহিত্য পুরস্কার দেওয়ায় ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বাঙালির সত্ত্বা আজ লুণ্ঠিত’। ঠিক এই ভাষাতেই  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্য পুরস্কার পাওয়ার ঘটনাকে উল্লেখ করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। বললেন, “চাটুকারিতা কোন স্তরে পৌঁছালে এই ছড়া কবিতার স্রষ্টাকে পুরস্কৃত করা হয়।”

    নিরলস কাব্য সাধনার জন্য চলতি বছর বাংলা আকাদেমি পুরস্কার (bangla academy prize) দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তা নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হচ্ছে রাজ্য জুড়ে। পুরস্কারদাতাদের ‘চাটুকারিতা’য় বিস্মিত রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের একাংশ। অনেকে অপমানিত হয়ে যেমন রাজ্যের তরফে পাওয়া পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন। তেমনই অনেকে আবার বাংলা আকাদেমির গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরে দাড়িয়েছেন। 

    তৃণমূলনেত্রীকে বাংলা আকাদেমি পুরস্কৃত করার ঘটনাকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একের পর এক ট্যুইট করে পরোক্ষে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রীকে খুশি করতে গিয়ে রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন বাংলা সাহিত্যকে কার্যত অপমান করেছেন বাংলা আকাদেমি কর্তৃপক্ষ। চলতি বছরই প্রথম পুরস্কার দিতে শুরু করে বাংলা আকাদেমি। প্রথম বছরেই পুরস্কার দেওয়া হয় তৃণমূল নেত্রীকে।

    মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই পুরস্কার ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। মঞ্চে বসা মুখ্যমন্ত্রীকে বাংলা আকাদেমির পক্ষে পুরস্কার দেন তথ্য-সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। পুরস্কার গ্রহণ করেছেন পুরস্কারের ঘোষক ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ৯৪৬টি কবিতার (Mamata poem) সংকলন ‘কবিতা বিতান’ (Kabita Bitan) কাব্যগ্রন্থের জন্য পুরস্কৃত হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেই রাজ্যজুড়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

    একটি ট্যুইটে শুভেন্দু লেখেন, শিল্পকলা সংস্কৃতিতে মুনশিয়ানাই তো আমাদের পরিচয় বিশ্বের কাছে। সেই অহংবোধ কিনা রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিনে ধূলিসাৎ হল। বাঙালির সত্ত্বা আজ লুণ্ঠিত। ধিক্কার জানাই তাদের, যারা এই প্রক্রিয়ায় জড়িত। চাটুকারিতা কোন স্তরে পৌঁছলে এই ছড়া/কবিতার স্রষ্টাকে পুরস্কৃত করা হয়।

    [tw]


    [/tw]

    মমতাকে সাহিত্য সাধনার পুরস্কার দেওয়ায় ক্ষুণ্ণ হয়েছে বাংলা সাহিত্যের মর্যাদা। অন্তত রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিমত তাই। অন্য একটি ট্যুইটে তিনি লেখেন, সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আজ আমাদের মধ্যে উপস্থিত থাকলে হয়তো লিখতেন, বাংলার সাহিত্য সমাজ, তুমি চেতনা হারাইয়াছ? পশ্চিমবঙ্গ বাংলা অ্যাকাডেমির পুরস্কার বাংলার বিশিষ্ট সাহিত্যিকদের সঙ্গে পরামর্শ করে মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে তাঁর কবিতা বিতান কাব্যগ্রন্থের জন্য।

    এই ‘চাটুকারিতা’র আয়ু যে দীর্ঘস্থায়ী নয়, তাও মনে করেন শুভেন্দু। কোনও মানুষের কীর্তির মূল্যায়ন করে ইতিহাস। তাই অন্য একটি ট্যুইটে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লেখেন, ইতিহাস যখন একটি সভ্যতার বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন করে কয়েক শতাব্দী পরে, তখন তাতে উল্লেখ থাকে না কোন ব্যবসায়ী, কেরানি কত বড় অবদান রেখেছিলেন। আতস কাচের তলায় দেখা হয় কবি, সাহিত্যিক, ভাস্কর, চিত্রকর, শিল্পীদের কাজ। বাঙালি তো এই জায়গায় শ্রেষ্ঠ।

    [tw]<bloc


    kquote class=”twitter-tweet”>

    শিল্প কলা সংস্কৃতিতে মুনশিয়ানাই তো আমাদের পরিচয় বিশ্বের কাছে। সেই অহংবোধ কিনা রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনে ধূলিসাৎ হলো। বাঙালির সত্ত্বা আজ লুণ্ঠিত !
    ধিক্কার জানাই তাদের, যারা এই প্রক্রিয়ায় জড়িত।
    চাটুকারিতা কোন স্তরে পৌঁছালে এই ছড়া/কবিতার স্রষ্টাকে পুরস্কৃত করা হয়: pic.twitter.com/HYsM2ctZ9r

    — Suvendu Adhikari • শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) May 10, 2022

    [/tw]

     

     

     

LinkedIn
Share