Blog

  • Mohan Bhagwat: স্বাধীনতা-৭৫ এর সংকল্প হোক আত্মনির্ভর ভারত

    Mohan Bhagwat: স্বাধীনতা-৭৫ এর সংকল্প হোক আত্মনির্ভর ভারত

     মোহনরাও ভাগবত

    আগামী কাল, ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্ণ হবে। স্বাধীনতার এই অমৃত মহোৎসব উদযাপনের জন্য ইতিমধ্যেই নানা কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং সারা বছরব্যাপী সেসব চলবে। আমরা এখন একটি উৎসবের ভাবে আছি। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, আমাদের সামনে কোনও চ্যালেঞ্জ বা সমস্যা নেই। অনেক সমস্যার সমাধান ইতিমধ্যে হলেও আরও কিছু নতুন সমস্যাও দেখা দিয়েছে। তবে সমস্যা যাই থাক, স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবের আনন্দ আমরা যাপন করব এবং এটাই স্বাভাবিক।

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট, বহু শতাব্দী পর, আমরা আমাদের ইচ্ছানুযায়ী স্বশাসন প্রতিষ্ঠা করতে এবং স্বশাসনের ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়েছিলাম। আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে, আমাদের জাতীয় পতাকার নীচে, বিশাল ভারতের অবস্থান। এই স্বাধীনতা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ভারতের মানুষ সম্পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না-হয়ে দাসত্ব ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে নিরলস সংগ্রাম করেছিল। ভৌগোলিক দিক থেকে, বিদেশি শক্তির বিরুদ্ধে ভারতীয় জনগণের এই সংগ্রাম ছিল সর্বব্যাপ্ত এবং সর্বাঙ্গীণ। সমাজের সকল শ্রেণি তাদের সামর্থ্য, ক্ষমতা ও শক্তি অনুযায়ী স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদান রেখেছিল। যেসব কারণ আমাদের স্বাধীনতার পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছিল সেগুলি সম্পর্কে দেশের মানুষ ক্রমশ সচেতন হয়ে উঠেছিল।  

    একদিকে যখন স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র ও নিরস্ত্র সংগ্রাম জোরদার হতে থাকে, অন্যদিকে তখন সমাজকে কুসংস্কারমুক্ত করার এবং সম্মিলিত স্বার্থে কাজ করার জন্য জাগ্রত করার প্রচেষ্টাও গ্রহণ করা হয়েছিল। এই নিরলস প্রচেষ্টার জন্যই ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট, আমরা আমাদের ইচ্ছানুযায়ী, আমাদের পছন্দ অনুযায়ী, আমাদের নিজস্ব লোকদের দ্বারা আমাদের দেশ পরিচালনার অধিকার অর্জন করেছি। ভারতের মাটি থেকে আমরা ব্রিটিশ শাসকদের বিদায় জানিয়ে আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনা এবং প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করি। সুতরাং, খুব সঙ্গতভাবেই আমাদের মাতৃভূমির স্বাধীনতার ৭৫ বছর আমরা  উত্সাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপন করছি।  

    দীর্ঘসময়ের স্বাধীনতা সংগ্রামে অসংখ্য মানুষ, যাঁরা প্রকৃত বীর, তাঁরা নিজের  জীবনসহ সবকিছু বিসর্জন দিয়েছিলেন। তাঁদের দৃঢ় চরিত্র, দেশপ্রেম এবং মাতৃভূমির প্রতি ভক্তি সম্পর্কে সমগ্র সমাজকে অনুপ্রাণিত করার জন্য তাঁদের বীরত্ব ও ত্যাগের কাহিনি প্রচার করতে হবে। আপাতদৃষ্টিতে অনেক ছোট-বড় ঘটনা অথবা ছোট-বড় কাজ ছিল যা আমাদের জাতির উপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছিল। মাতৃভূমির জন্য যে লক্ষ্যে তাঁরা স্থির ছিলেন এবং যে দায়িত্ব তাঁরা জীবন দিয়ে পালন করেছিলেন—তা শ্রদ্ধার সঙ্গে  স্মরণে রাখা উচিত। দেশে কেন স্বরাজ্য দরকার? বিদেশি শক্তি দেশের নাগরিকদের জন্য এবং তথাকথিত উন্নয়নের কাজ করলেও, কেন তাদের দ্বারা একটি দেশ শাসিত হওয়া উচিত নয়? আত্মনিয়ন্ত্রণের ও আত্মপ্রকাশের অধিকার যেকোনও সমাজের জন্য মৌলিক। এইভাবে, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা সহজাত অনুপ্রেরণা দেয়। একটি দেশ তখনই যথার্থভাবে পরিচালিত হতে পারে যখন সেটি স্বাধীন হয় এবং নিজের জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে পারে। স্বামী বিবেকানন্দ একবার বলেছিলেন, ‘প্রত্যেক জাতির সৃষ্টি হয় অর্থবহ কিছু অবদান রাখতে।’ অবদান রাখতে হলে জাতিকে একইসঙ্গে স্বাধীন ও সক্ষম হতে হবে। এগুলো মৌলিক, তাই অপরিহার্যও। স্বামীজির মতো, কয়েকজন মহান ব্যক্তি ভারতবাসীকে জাগাবার কাজ করেছিলেন। স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য সশস্ত্র ও নিরস্ত্র বিপ্লবকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। তাঁদের নিজস্ব ভাষায় বর্ণনা করেছেন, শুধু স্বাধীনতা অর্জনই অপরিহার্য নয়, বরং কীভাবে তার প্রয়োগ ও সংরক্ষণ হচ্ছে তাও বিবেচ্য। 

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’ এবং মহাত্মা গান্ধী তাঁর ‘হিন্দ-স্বরাজ’ উদ্ধৃতির মাধ্যমে স্বাধীন ভারত সম্পর্কে ধারণাগুলি বিশদভাবে তুলে ধরেছেন। স্বাধীনতা সংগ্রামী বীর সাভারকর তাঁর বিখ্যাত ‘স্বতন্ত্র-দেবী আরতি’তে স্বাধীন দেশে সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ এবং শ্রেষ্ঠত্বের কথা বলেছেন। আমরা বি আর আম্বেদকরের অবদান অস্বীকার করতে পারি না। দুটি বিখ্যাত বক্তৃতায় তিনি স্বাধীনতার অর্থ, উদ্দেশ্য, যুক্তি এবং একটি মহান জাতি গঠনের জন্য প্রতিটি ভারতীয়ের কর্তব্য পরিষ্কার করেছেন। অমৃত মহোৎসব উদযাপনের এই শুভক্ষণে আমাদের আত্মসমীক্ষা করা উচিত যে, স্বাধীনতার উদ্দেশ্য যদি স্বনির্ভরতা অর্জন করা হয়, তবে আজ ৭৫ বছর পর, ভারত কি সম্পূর্ণ আত্মনির্ভর হতে পেরেছে! ভারতকে যদি বিশ্বমঞ্চে যথার্থ অবদান রাখতে হয়, তবে প্রথমে কি তাকে সবদিক দিয়ে স্বনির্ভর হতে হবে? ভারত  কি সমস্ত ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জন করতে হবে।

  • Asteroid: কাল পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে গোল্ডেন গেট ব্রিজের মতো বড় গ্রহাণু

    Asteroid: কাল পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে গোল্ডেন গেট ব্রিজের মতো বড় গ্রহাণু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আগামীকাল আরও একটি মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকতে চলেছে পৃথিবী। সানফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট ব্রিজের আকারের একটি গ্রহাণু পৃথিবীর কক্ষপথে আসতে চলছোন ঘেঁষে চলে যাওয়ার কথা। ঘণ্টায় ২৫ হাজার কিমি গতিতে গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে বলে জানিয়েছে নাসা।

    গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘৪১৮১৩৫(২০০৮এজি৩৩)’। সাধারণত পৃথিবীর পাশ দিয়ে এত বড় আকারের কোনও গ্রহাণু গেলে বিপদের আশঙ্কা থাকে। তবে এই গ্রহাণুর ফলে পৃথিবীর কোনও বিপদের আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নাসা সূত্রে খবর, পৃথিবী থেকে ৩,২৪০,০০০ কিমি দূর দিয়ে চলে যাবে গ্রহাণুটি। এর ব্যাস ৪৫০ মিটার।  তবে এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে গেলেও, সেটিকে খালি চোখে দেখা যাবে না বলেই নাসা সূত্রে খবর। তবে ছোট টেলিস্কোপের সাহায্যে দেখা যেতে পারে।

    নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহাকাশে এখনও পর্যন্ত ১,০৩১,৪৮৮টি গ্রহাণু তৈরি হয়েছে। প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সৌরজগৎ তৈরি হওয়ার শুরুর দিকে এই পাথুরে, বাতাসহীন গ্রহাণুগুলি তৈরি হয়। এই গ্রহাণুগুলি পৃথিবীর কক্ষপথে এলে কিছুটা প্রভাব পড়ে। তবে এবার কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানিয়েছে নাসা। শেষপর্যন্ত এর গতিপথের দিকে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে নাসার বিজ্ঞানীরা।

  • IPL Media Rights: আইপিএলের স্বত্ব কেনার লড়াই থেকে সরে দাঁড়াল অ্যামাজন!

    IPL Media Rights: আইপিএলের স্বত্ব কেনার লড়াই থেকে সরে দাঁড়াল অ্যামাজন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর আইপিএলের (IPL) স্বত্বের চ্যুক্তি শেষ হয়েছে স্টারের (Star)। আইপিলের সম্প্রচার স্বত্ব (IPL Media Rights) নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। কোন চ্যানেলে দেখানো হবে আইপিএল তাই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। স্বত্ব কেনার লড়াইয়ে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার কথা ছিল অ্যামাজনের কর্ণধার জেফ বেজোস (Jeff Bezos) এবং মুকেশ আম্বানির। কিন্তু বৃহত্তম সংস্থা অ্যামাজন স্বত্ব কেনার প্রতযোগিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। দরপত্রও তুলেছিল অ্যামাজন (Amazon)। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদল। আইপিএলের মিডিয়া রাইটসের নিলামে অংশ নিচ্ছে না অ্যামাজন। সবচেয়ে বেশই দর হাঁকার আশা ছিল এই সংস্থার থেকেই। কিন্তু হঠাতই লড়াই থেকে সরে দাঁড়ায় তারা। শুক্রবার মুম্বাইয়ে বিডারদের আসরে দেখা যায়নি ই-কমার্স সংস্থাটিকে।

    আরও পড়ুন: ২ জুন ভারতে আসছে দক্ষিণ আফ্রিকা, টি-২০ সিরিজ শুরু ৯-ই

    আইপিএলের বাইরেও রিলায়েন্স এবং অ্যামাজনের মধ্যে প্রায়শই বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়। তাই অনেকেই মনে করেছিলেন আইপিএলের স্বত্ব কেনার দৌড়ে কড়া টক্কর দিতে দেখা যাবে এই দুই সংস্থাকে। কিন্তু সে গুড়ে বালি। লড়াইয়ের ময়দান থেকেই বিদায় নিল অ্যামাজন।

    আরও পড়ুন: হৃদ-মাঝারে হার্দিকরা, প্রথমবারেই আইপিএল খেতাব গুজরাতের

    অ্যামাজনের মতো গুগলও দরপত্র তোলার পরে আইপিএল স্বত্বের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। টেলিভিশন ও ডিজিটাল মিডিয়া রাইটসের সব বিভাগে এবছর আলাদা আলাদা নিলাম হবে। কোনও একটি সংস্থাও কিনতে পারে সার্বিক স্বত্ব। আপাতত লড়াইয়ের ময়দানে টিকে আছে স্টার, রিলায়েন্সের সংস্থা ভায়াকম, সোনি এবং জি।  

    ২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত আইপিএলের মিডিয়া স্বত্ব ছিল স্টারের হাতে। এর জন্যে স্টারকে বিসিসিআইকে দিতে হয়েছে ১৬,৩৪৭ কোটি টাকা। এবার  ২০২৩ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত পাঁচ বছরের টেলিভিশন স্বস্ত কিনতে হলে এর দ্বিগুণ টাকা দিতে হবে যেকোনও সংস্থাকে। কারণ এই কয়েক বছরে আইপিএলের দল সংখ্যা ও ব্র্যান্ড ভ্যালু অনেক গুণ বেড়ে গিয়েছে। তাই মিডিয়া রাইটসের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২,৮৯০ কোটি টাকা।

    ১২ জুন ১১টা থেকে শুরু হবে নিলাম। কতক্ষণ চলবে এই নিলাম তা এখনও জানা যায় নি। একের বেশি দিন ধরেও চলতে পারে লড়াই।

  • Loudspeakers Remove: যোগীর নির্দেশে চার দিনে ২২ হাজার লাউডস্পিকার সরানো হল উত্তরপ্রদেশে

    Loudspeakers Remove: যোগীর নির্দেশে চার দিনে ২২ হাজার লাউডস্পিকার সরানো হল উত্তরপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) কড়া নির্দেশে সে রাজ্যের একাধিক ধর্মীয় স্থান থেকে সরানো হল লাউডস্পিকার। চারদিনে প্রায় ২২ হাজার লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে। এর মধ্যে মসজিগের সংখ্যাই বেশি। তবে মথুরায় শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি থেকেও লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে। গোরখনাথ মন্দির থেকেও লাউড স্পিকারের সংখ্যা কমানো হয়েছে, বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

     ধর্মীয় স্থানগুলোতে যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা নিজেরাই এই পদক্ষেপ করেছেন। এছাড়াও ১২৫টি জায়গা থেকে লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে, একথা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (আইনশৃঙ্খলা) প্রশান্ত কুমার। রাজ্যে যাতে সুষ্ঠুভাবে নমাজ পাঠ করা যায়, সে জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এডিজি। তিনি জানিয়েছেন,লাউডস্পিকার নিয়ে ৩৭ হাজার ৩৪৪ জন ধর্মীয় নেতার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মাথায় রেখে রাজ্যের আরও ৩৯ হাজার মাইকের আওয়াজ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে লাউডস্পিকারের সংখ্যা কমিয়ে আনার নির্দশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের মথুরায় শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি থেকে লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে। গোরখনাথ মন্দির থেকেও লাউড স্পিকারের সংখ্যা কমানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ক’দিন আগেই রামনবমীতে অশান্তির ঘটনার আবহে যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গা তো দূর অস্ত, ‘তু তু ম্যায়’ও হয়নি। অনুমতি ছাড়া সে রাজ্যে কোনও ধর্মীয় শোভাযাত্রা করা যাবে না, এমন নির্দেশিকাই জারি করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঘিরে যাতে উত্তরপ্রদেশে কোনওরকম অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশ-প্রশাসনকে কার্যত ঢেলে সাজিয়েছেন যোগী। উত্তরপ্রদেশ সরকারের নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, কোনও একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ধর্মীয় কর্মসূচি পালন করা যেতে পারে। তবে এর জন্য রাস্তা আটকানো যেন না হয়। লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে তা যেন অন্য কারও বিরক্তির কারণ না হয়। এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে, ধর্মীয় স্থানে লাউড স্পিকার ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইন প্রণয়ন করে দিক কেন্দ্র সরকার , এমনই প্রস্তাব দিয়েছে মহারাষ্ট্রের উদ্ধব ঠাকরে সরকার। এই ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে প্রতিনিধি পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছে মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে। যদিও উত্তরপ্রদেশ সরকারের অতিসক্রিয়তারই প্রশংসা করেছেন রাজ ঠাকরে। উদ্ধব ঠাকরের সরকারের সমালোচনা করে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ”হৃদয় থেকে সর্বান্তকরণে যোগী সরকারকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সমস্ত ধর্মীয় স্থান বিশেষত মসজিদ ( Masjid) থেকে লাউডস্পিকার (loudspeakers) সরিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপে আমি কৃতজ্ঞ। দুর্ভাগ্যবশত মহারাষ্ট্রে কোনও ‘যোগী’ নেই। আমাদের এখানে শুধুই ভোগী। এদের একটু শুভ বুদ্ধির জন্য প্রার্থনা আর আশা করা ছাড়া কিছুই করার নেই।”

  • Will Smith Oscars Ban: চড়ের শাস্তি, ১০ বছরের জন্য অস্কার মঞ্চে নিষিদ্ধ উইল স্মিথ

    Will Smith Oscars Ban: চড়ের শাস্তি, ১০ বছরের জন্য অস্কার মঞ্চে নিষিদ্ধ উইল স্মিথ

    Will Smith: কৌতুকাভিনেতা ক্রিস রককে (Chris Rock) অস্কারের মঞ্চে (Oscars 2022) সপাটে চড় মেরেছিলেন অভিনেতা উইল স্মিথ। তারই খেসারত হিসেবে ১০ বছরের জন্য অস্কার থেকে নিষিদ্ধ করা হল স্মিথকে।
    সম্প্রতি অস্কার পুরস্কারের আয়োজন করে ‘অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্স’ (Academy awards)।  সেই মঞ্চে স্ত্রী জাডা পিঙ্কেটকে (Jada Pinkett Smith ) নিয়ে রকের চটুল রসিকতা মেনে নিতে পারেননি স্মিথ। স্ত্রীকে নিয়ে রসিকতার ‘শাস্তি’ হিসেবেই অস্কারের মঞ্চে ক্রিসকে চড় মেরেছিলেন স্মিথ। পরে অবশ্য নিজের আচরণের জন্য ক্রিস এবং অস্কার কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চান তিনি। তবে ক্ষমাপ্রার্থনা করেও রেহাই পেলেন না এ বছরের অস্কারজয়ী অভিনেতা।
    প্রসঙ্গত, অ্যাকাডেমি বোর্ড অব গভর্নরের সদস্য অভিনেতা হুপি গোল্ডবার্গ আগেই জানিয়েছিলেন, চড়-কাণ্ডের ফল  ভুগতে হবে স্মিথকে। স্মিথের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করতে শুক্রবার বৈঠকে বসেন তাঁরা। সেখানেই স্মিথের শাস্তি নির্ধারিত হয়। স্মিথের এই আচরণের জন্য  তাঁর পুরস্কার কেড়ে নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল। তবে অস্কারের মঞ্চ থেকে নিষিদ্ধ করা হলেও স্মিথের পুরস্কার কেড়ে নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও অস্কারের মনোনয়নে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই উইল স্মিথের উপর। “বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ৮ এপ্রিল, ২০২২ থেকে ১০ বছরের জন্য, উইল স্মিথকে অ্যাকাডেমির কোনও অনুষ্ঠান বা আয়োজনে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না,” লিখেছেন সভাপতি ডেভিড রুবিন এবং সিইও ডন হাডসন। ঐতিহ্য মেনে এবছরের অস্কারজয়ী সেরা অভিনেতাকেই পরের বছরের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার দেওয়ার জন্য ডাকা হয়। কিন্তু আগামী বছর সেই মঞ্চে থাকতে পারবেন না স্মিথ।
    উল্লেখ্য, ওই ঘটনার পর অ্যাকাডেমির বাইরে দু’টি বড় প্রযোজনা সংস্থা স্মিথের সঙ্গে তাদের কাজ সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেয়। তবে যাঁর জন্য বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন স্মিথ, সেই ক্রিস এখনও এই বিষয় নিয়ে কিছু বলেননি।

     

  • 2024 LS Polls: লক্ষ্য চব্বিশের নির্বাচন, বুথ-স্তরে নীল-নকশা তৈরির পথে বিজেপি, গঠিত বিশেষ কমিটি

    2024 LS Polls: লক্ষ্য চব্বিশের নির্বাচন, বুথ-স্তরে নীল-নকশা তৈরির পথে বিজেপি, গঠিত বিশেষ কমিটি

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: হাতে বাকি এখনও ২ বছর। কিন্তু, এখন থেকেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনকে (2024 Loksabha elections) পাখির চোখ করে ফেলেছে বিজেপি। আর এই মর্মে রণকৌশলের নীল-নকশাও তৈরি করছে গেরুয়া শিবির। 

    সূত্রের খবর, সেই নকশার অন্তর্গত একটি ধাপ হল বুথ-স্তরে শক্তি ও দুর্বলতার চিহ্নিতকরণ। এক্ষেত্রে দলের শীর্ষস্থানীয় ৪ নেতাকে নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রের বর্তমান শাসক দল। সেই কমিটি দেশের ৭৪ হাজার বুথকে চিহ্নিত করেছে। দলীয় সূত্রের খবর, সেই সব বুথগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে মূলত এক) বিরোধীরা জোর টক্কর দিচ্ছে এবং দুই) দলের শক্তি সেভাবে নজরে পড়ে না। 

    বিজেপি চাইছে, যে বুথগুলিতে বিরোধীরা টক্কর দিচ্ছে, সেখানে দখল আরও মজবুত করতে। অন্যদিকে, যে সব বুথে দল দুর্বল সেখানে শক্তিবৃদ্ধি করতে। এমন অনেক বুথ চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে বিজেপি একবারও জিততে পারেনি। দলীয় সূত্রের খবর, এই বুথগুলি মূলত দেশের দক্ষিণ ও পূর্ব-প্রান্তে অবস্থিত।

    বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি বৈজয়ন্ত পাণ্ডার নেতৃত্বে গঠিত ওই টিম ইতিমধ্য়েই একটি নির্দিষ্ট রণকৌশল স্থির করে ফেলেছে। এর অন্তর্গত দেশের ২,৩০০ বিধানসভা আসনের অন্তর্গত সবকটি বুথকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যেখানে বিজেপির কোনও সাংসদ বা বিধায়ক রয়েছেন। পাশাপাশি, আরও ১০০ লোকসভা কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে বিজেপি জেতেনি। 

    কমিটির এক সদস্য বলেন, আমরা ইতিমধ্য়েই ৭৩ হাজার ৬০০-র বেশি বুথ চিহ্নিত করেছি, যেখানে এই পরিকল্পনা কার্যকর করা হবে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল, যে সব বুথে আমরা জিতেছি, সেখানে নিজেদের শক্তি আরও দৃঢ় ও মজবুত করা। পাশাপাশি, যেখানে আমরা জিততে পারিনি, সেগুলি জেতা। 

    গঠিত এই কমিটিতে রয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক সিটি রবি এবং তফশিলি জাতি সেল-এর প্রধান লাল সিং আর্য। আগামী তিনমাস, তাঁরা দেশের প্রান্তে প্রান্ত ঘুরে চিহ্নিত হওয়া বুথগুলিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী রণকৌশল ঠিক করবেন। দলীয় সূত্রের খবর, একবার নীল-নকশা স্থির হলে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা তা সরকারিভাবে ঘোষণা করবেন। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই সম্ভবত এই মর্মে ঘোষণা হতে পারে।

    কমিটির এক সদস্য জানান, আগামী তিনমাসে সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা দলের প্রায় ২৩০০ সাংসদ-বিধায়ক থেকে শুরু করে রাজ্য ও জেলা সভাপতিকে নিয়ে বসা হবে। লক্ষ্য, নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে দল জিতেছে, তা যেন কোনওমতে হাতছাড়া না হয়। এর জন্য, প্রায়ই প্রশিক্ষণ শিবির ও বুথস্তরের বৈঠক হবে।

    নির্বাচনের বহু আগে থেকে বিস্তারিত সুপরিকল্পনা করা বিজেপির একটা পরিচিত দিক। এটা গেরুয়া শিবির বরাবরই করে থাকে। এর আগে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ও তিন বছর আগে — অর্থাৎ ২০১৬ সাল থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল বিজেপি। সেবার ৬টি রাজ্যে মোট ১১৫টি নতুন কেন্দ্রকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ২০১৯ নির্বাচনের ফলাফল সকলেরই জানা। এবার বিজেপির মিশন ২০২৪।

     

     

     

  • Jobless: হতাশ হয়ে চাকরি খোঁজাই ছেড়ে দিচ্ছেন অর্ধেক ভারতীয়

    Jobless: হতাশ হয়ে চাকরি খোঁজাই ছেড়ে দিচ্ছেন অর্ধেক ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পছন্দের বা নিজের জীবনযাপন পদ্ধতির জন্য উপযুক্ত চাকরি না পাওয়ায় ক্রমেই হতাশ হয়ে পড়ছেন ভারতীয়েরা। গত কয়েক বছরের মধ্যে লাখ লাখ ভারতীয় এই কারণে কাজের জগত থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছেন। বিশেষ করে মেয়েদের মধ্যে এই প্রবণতা আশঙ্কাজনক ভাবে বেড়েছে। মুম্বাইয়ের বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি প্রাইভেট লিমিটেডের (সিএমআইই) গবেষণায় এ চিত্র উঠে এসেছে। বহু মানুষ আর কাজ খুঁজছেন না।

    অথচ বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত সম্প্রসারণশীল অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ভারত। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধির চাকা চালু রাখতে ভারত তরুণ কর্মীদের ওপরই বাজি ধরেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান সেই সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ভুল বার্তা দিচ্ছে। 

    মুম্বাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির গবেষণায় উঠে এসেছে, ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে সামগ্রিকভাবে কাজে অংশগ্রহণের হার ৪৬ শতাংশ থেকে কমে ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে। এই সময়ের মধ্যে কাজের জগত থেকে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ কর্মী হারিয়ে গেছে! কর্মক্ষম জনশক্তির মাত্র ৯ শতাংশ এখন কাজে নিযুক্ত বা আরও ভালো চাকরির সন্ধানে আছেন। 

    সিএমআইইর হিসাবে, ভারতের আইন অনুযায়ী যাদের কর্মক্ষম ধরা হয় সেই জনসংখ্যা এখন ৯০ কোটি। এই সংখ্যাটি কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া মিলিয়ে মোট জনসংখ্যার সমান। এর অর্ধেক মানুষ আর চাকরি খুঁজছেন না। 

    বেঙ্গালুরুতে সোসাইট জেনারেল জিএসসি প্রাইভেট লিমিটেডের অর্থনীতিবিদ কুনাল কুন্ডু বলেন, “নিরুৎসাহিত কর্মীদের সংখ্যা বেশ বড়।” কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভারতের  প্রতিকূলতা স্পষ্ট এবং ভালোভাবে নথিভুক্ত। জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সের মধ্যে। অদক্ষ শ্রমিকের বাইরে প্রতিযোগিতা মারাত্মক। সরকারে স্থিতিশীল পদগুলোতে নিয়োগের জন্য নিয়মিত লাখ লাখ আবেদন পড়ে। শীর্ষ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলগুলোতে প্রবেশের পথ কার্যত অত্যন্ত অনিশ্চিত। 

    ম্যাককিনসে গ্লোবাল ইনস্টিটিউট ২০২০ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই প্রতিবেদন অনুসারে, যুবসমাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য ভারতকে ২০৩০ সালের মধ্যে অ-কৃষি খাতে কমপক্ষে ৯ কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। 

    চাকরি ছেড়ে দিয়ে বেকার হয়ে যাওয়ার তরুণদের মধ্যে একজন শিবানী ঠাকুর (২৫)। সম্প্রতি হোটেলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন কারণ, সেখানে কর্মঘণ্টার কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই। শিবানী বলেন, ‘আমি এখন প্রতিটি পয়সার জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল।’ 

    যদিও অর্থনীতি উদারীকরণের দিক থেকে দারুণ অগ্রগতি করেছে ভারত। অ্যাপল, আমাজন-এর মতো জায়ান্টদের আকর্ষণ করতে পেরেছে। এখন এই পরিস্থিতিতে ভারতের নির্ভরতা অনুপাত (পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ও সদস্য সংখ্যার অনুপাত) শীঘ্রই বাড়তে হবে। 

    অবশ্য কর্মশক্তির এই অংশগ্রহণ প্রত্যাহারের একাধিক ব্যাখ্যা থাকতে পারে। বেকার ভারতীয়রা মূলত শিক্ষার্থী বা গৃহিণী। তাদের অনেকেই ভাড়া থেকে আয়, পরিবারের বয়স্ক সদস্যদের পেনশন বা সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। মেয়েদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতার পেছনের কারণগুলো নিরাপত্তা বা পরিবারে তাদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনের বাধ্যবাধকতা সম্পর্কিত। 

  • India Wheat Supplier: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাহত জোগান, ভারত থেকে গম কিনবে মিশর

    India Wheat Supplier: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যাহত জোগান, ভারত থেকে গম কিনবে মিশর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, কারও পৌষমাস তো কারও সর্বনাশ! মূল দুই গম সরবরাহকারী (Wheat Supplier) দেশ এখন নিজেদের মধ্য়ে যুদ্ধে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে, ভারত (India) থেকে গম (Wheat) কিনতে উদ্য়োগী হল মিশর (Egypt)। এর জন্য তড়িঘড়ি ভারতকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করল ফারাওয়ের (Pharaoh) দেশ।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) ফলে গমের যোগানে টান পড়ার ফলে বড় সমস্য়ায় পড়েছে মিশর। আর সেই ঘাটতি মেটাতে এবার ভারত থেকে গম আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিল উত্তর আফ্রিকার (North Africa) এই রাষ্ট্রটি। ইতিমধ্য়েই, গম সরবরাহকারী অনুমোদিত দেশের তালিকায় ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করেছে মিশর। 

    গোটা বিশ্বের মধ্য়ে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ গম আমদানি করে থাকে মিশর। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগে পর্যন্ত ফি-বছর রাশিয়া থেকে সস্তায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের গম আমদানি করত মিশর। একইভাবে, ইউক্রেন থেকে ৬১ লক্ষ মার্কিন ডলার মূল্যের গম আমদানি করত আফ্রিকার এই রাষ্ট্রটি। এই দুই দেশই ছিল, মিশরের সবচেয়ে বড় গম সরবরাহকারী দেশ। মিশরের মোট গম আমদানির ৮০ শতাংশই আসত রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে।

    অন্যদিকে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদনকারী দেশ হলেও, ভারত থেকে গম কিনত না মিশর। কিন্তু গত দুমাসে, পরিস্থিতি অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধে বেঁধে গিয়েছে। আর এর ফলে, বড় সমস্যায় পড়েছে মিশর। কারণ, এই দুই দেশ থেকে তাদের গমের সরবরাহ পুরোটাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। 

    এই পরিস্থিতিতে, ভারতের সাহায্য চায় মিশর। ভারতও জানিয়ে দিয়েছে, যতটা সম্ভব গম সরবরাহ করে মিশরকে সাহায্য করা হবে। সম্প্রতি মিশেরর এক প্রতিনিধিদল মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও পঞ্জাবে গিয়ে গমের গুণমান, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও রফতানির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে। এরপরই, ভারতকে সরবরাহকারী রাষ্ট্রের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে মিশর। জানা গিয়েছে, চলতি বছর মিশরকে ১০ লক্ষ টন গম সরবরাহ করবে ভারত। 

    রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের ফলে, ভারতের সামনে রফতানি বৃদ্ধি করার বিরাট সুযোগ তৈরি হল। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। কারণ, বর্তমানে ভারতের গমের ভাণ্ডার উপচে পড়েছে। রফতানি হলে, তা ব্যবহার হবে। জমে থাকা বিপুল গম বেরিয়ে যাবে। পাশাপাশি, ভারতের রফতানির (Indias export) পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। বিদেশি মুদ্রা (Forex) আসবে। একইসঙ্গে, কৃষকদেরও সুবিধা হবে। কারণ, দেশ-বিদেশে চাহিদা বাড়লে তাঁদের উৎপাদিত শস্য ভাল দাম পাবে। 

    গমের রফতানি (Wheat export) নিয়ে মিশরের পাশাপাশি তুরস্ক, চিন, বসনিয়া, সুদান, নাইজেরিয়া ও ইরানের সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছে ভারত। 

  • AFC Asian Cup: হংকংকে ৪-০ গোলে হারিয়ে এশিয়ান কাপের মূলপর্বে ভারত

    AFC Asian Cup: হংকংকে ৪-০ গোলে হারিয়ে এশিয়ান কাপের মূলপর্বে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এএফসি এশিয়ান কাপের (AFC Asian Cup) মূলপর্বে পৌঁছে গেল ভারত। বৃষ্টিস্নাত যুবভারতী স্টেডিয়ামে (Yuba Bharati Krirangan) হংকংকে ৪-০ গোলে হারিয়ে দাপটের সঙ্গে ম্যাচ জিতলেন সুনীল ছেত্রীরা।

    একদিকে প্রকৃতির তাণ্ডব, অন্যদিকে ভারতীয় ফুটবল দলের (Indian Football Team) ঝড়। এই জোড়া ধাক্কায় শুরু থেকেই বেসামাল হয়ে পড়ে হংকং (Hong Kong)। পরপর দুই ম্যাচ জেতায় ম্যাচের আগে তাদের শক্তিশালী মনে হয়েছিল। কিন্তু এদিন সুনীল ছেত্রী (Sunil Chhetri), আনোয়ার আলি (Anwar Ali), মনবীর সিং (Manvir Singh)-দের সামনে দাঁড়াতেই পারল না হংকং। একাধিক সুযোগ নষ্ট না হলে এবং বারপোস্ট বাধা হয়ে না দাঁড়ালে ব্যবধান বাড়তেই পারত। গ্রুপের শীর্ষস্থানে থেকেই  এশিয়ান কাপে (2023 AFC Asian Cup) খেলতে যাবে ভারত।

    এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে প্যালেস্তাইন ৪-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় ফিলিপিন্সকে। ফলে এশিয়ান কাপে ভারতের যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হংকংয়ে হারিয়ে গ্রুপে সবার উপরে থাকায় মূল পর্বের ড্র হওয়ার সময় কিছুটা সুবিধা পাবেন সুনীল ছেত্রীরা।

    আরও পড়ুন: ঘর নেই বাংলার ফুটবল ক্যাপ্টেনের

    এদিন ম্যচ শুরুর দু’মিনিটের মাথায় ছোট কর্নার নিয়েছিলেন রোশন নাওরেম। বল উড়ে আসে বক্সে। ভারতের কেউ হেড করতে পারেননি। জটলার মধ্যে থেকে হংকংয়ের ডিফেন্ডাররাও বল বিপদমুক্ত করতে পারেননি। বল এসে পড়ে আনোয়ারের পায়ে। ফাঁকায় একটু জায়গা পেয়ে আচমকাই শট নেন আনোয়ার। বল জড়ায় জালে। 

    গোল করার পরেও ভারত আক্রমণ জারি রেখেছিল। এক বার সামাদের বাঁ পায়ের জোরাল শট বারে লেগে ফিরে আসে। হংকংও আক্রমণে ওঠে। চলতে থাকে আক্রমণ-প্রতিআক্রমণ। তবে প্রথমার্ধের একদম শেষে গোল করেন সুনীল ছেত্রী। মাঝ মাঠ থেকে ভাসানো বল ডান পায়ে রিসিভ করেন। বাঁ পায়ের ছোট টোকায় গোলকিপারকে টপকে বল জালে জড়ান। এটি ভারত অধিনায়কের দেশের জার্সিতে করা ৮৪তম গোল। প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ভারত।

    বৃষ্টির জন্য মাঠ একটু পিচ্ছিল থাকায় বল পাসিংয়ে কিছুটা সুবিধা হয়ে যায় ভারতের। ইগর স্তিমাচের ছেলেরা সেই সুযোগেই বাজিমাত করে দেয়। দক্ষতাতেও হংকংয়ের ফুটবলারদের টেক্কা দেন সুনীলরা। আগের ম্যাচের মতো এ দিনও সুনীল উঠে যাওয়ার পরে গোল পায় ভারত। ডান দিক থেকে ব্রেন্ডন ফার্নান্দেস পাস দিয়েছিলেন বক্সে। চলতি বলে শট নিয়ে জালে জড়ান এটিকে মোহনবাগানের তরুণ ফুটবলার মনবীর সিং। সংযোজিত সময়ে প্রতি আক্রমণ থেকে গোল করেন তরুণ ফুটবলার ঈশান পন্ডিতা।

    তবে দিনের সেরা বগোলটা বোধহয় করে গেলেন ঈশান পণ্ডিতা। খেলার তখন শেষ কয়েক সেকেন্ড চলছে। ডান দিক থেকে পাস বাড়িয়েছিলেন মনবীর। হংকংয়ের দুই ডিফেন্ডারকে বুদ্ধিতে বোকা বানিয়ে ব্যাক ফ্লিকে বল জালে জড়ালেন পণ্ডিতা। এদিন প্রায় ৬০ হাজার দর্শক মাঠে এসেছিল। ভারত জেতায় খুশি মনেই ঘরে ফেরেন তাঁরা।

     

  • Modi in Japan: বাঃ! কোথা থেকে শিখলে?  জাপানি শিশুর হিন্দিতে মুগ্ধ মোদি

    Modi in Japan: বাঃ! কোথা থেকে শিখলে? জাপানি শিশুর হিন্দিতে মুগ্ধ মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেকক্ষণ ধরে হোটেলের লবিতে অপেক্ষা করছিলেন একদল খুদে। কারোর হাতে আঁকা ভারতের পতাকা, পাশে দেশনেতার ছবি। কারোর হাতে ভারতের (India) মানচিত্র। অবশেষে নামলেন তিনি। ‘মোদি মোদি’ ধ্বনিতে ভরে উঠল চত্বর। সাদরে সকলকে গ্রহণ করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। সকলের আগে এগিয়ে গেলেন তাঁর প্রিয় শিশুদের কাছেই। জাপানি বালকের হিন্দি শুনে মুগ্ধ হলেন মোদিও।

    কোয়াড শীর্ষ সম্মেলনে (QUAD Summit) যোগ দিতে সোমবার দু’দিনের সফরে জাপান (Japan) গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ টোকিওর (Tokyo) হোটেলে পৌঁছতেই ভিড়ের মধ্য থেকে এগিয়ে এসে হঠাতই তাঁর সঙ্গে হিন্দিতে কথা বলতে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রিতসুকি কোবাশি (Ritsuki Kobayashi)। নিজের আঁকা ছবি ও ভারত-বন্দনা নিয়ে মোদির সামনে হাজির হন রিতসুকি। জাপানের এই শিশুটিকে হিন্দিতে কথা বলতে দেখে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি সকলেই হতবাক হয়ে পড়েন। বিস্মিত হয়ে যান প্রধানমন্ত্রীও। পরমুহূর্তেই তাকে জিজ্ঞাসা করেন, “বাঃ!  এত ভালো হিন্দি তুমি কোথা থেকে শিখলে? কিভাবে এত সুন্দর হিন্দিতে কথা বলছ তুমি?” ওই ছাত্রের কথা এবং আঁকা দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে আরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দেন মোদি। 

    [tw]


    [/tw]

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অটোগ্রাফ পেয়ে খুশি জাপানি কিশোর রিতসুকিও। তার কথায়, “আমি খুব ভাল হিন্দি বলতে পারি না। তবুও উনি আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। আমার লেখাও পড়েছেন। তাই আমি ভীষণ খুশি।” শুধু রিতসুকি নয়, সেই সময় সেখানে উপস্থিত অন্য জাপানি শিশুদের সঙ্গেও কথা বলেন মোদি। 

    [tw]


    [/tw]

    শিশু-সঙ্গ বরাবরই পছন্দ মোদির। সম্প্রতি জার্মান সফরেও ছোটদের সঙ্গে মন খুলে গল্প করতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। সেখানে একটি ছোট মেয়ের হাতে আঁকা নিজের ছবি দেখে মন ভরে গিয়েছিল মোদির। তার গাল টিপে আদরও করেছিলেন। আরেক খুদের গান শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। ছোট শিল্পীর দেশাত্মবোধক গানে তুড়ি দিয়ে তাল দিতেও দেখা গিয়েছিল মোদিকে। হাততালি দিয়ে তাকে সাধুবাদ জানিয়েছিলন। ছবিও তুলেছিলেন তার সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: ঢোল বাজালেন প্রধানমন্ত্রী, তাল দিলেন গানে, জার্মানিতে হালকা মেজাজে মোদি

LinkedIn
Share