Blog

  • Viral News: স্কুলে নম্বর বেশি পাওয়ার ফল মৃত্যু! বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ সহপাঠীর মায়ের বিরুদ্ধে

    Viral News: স্কুলে নম্বর বেশি পাওয়ার ফল মৃত্যু! বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ সহপাঠীর মায়ের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ কাণ্ড! ১৩ বছরের এক ছেলেকে বিষ খাইয়ে খুন করল তার সহপাঠীর মা। ছেলেটি অষ্টম শ্রেণীতে পড়ত বলে জানা যায়। ঘটনাটি পুদুচেরীর কারাইকালের। তবে কেন এমন করলেন এই মহিলা, তার কারণ জানলে চোখ কপালে উঠবে আপনার।

    জানা গিয়েছে, স্কুলে নম্বরের রেষারেষির জেরেই এই পরিণতি সেই ১৩ বছরের ছেলের। জানা গিয়েছে, সেই ছেলেটির নাম বালা মণিকানন্দন ও মহিলাটির নাম এস সাগায়ারানী ভিক্টোরিয়া। গত শুক্রবার বালা তার স্কুলের বার্ষিক প্রতিযোগিতার রিহার্সেল শেষ করে বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বাড়িতে যায় এবং তারপর থেকেই হঠাৎ তার বমি হতে শুরু হয়। এরপর সে তার বাবা-মা কে জানায়, স্কুলে সফট ড্রিঙ্কস খাওয়ার পর থেকেই তার শরীর খারাপ হতে শুরু করে। বালা জানায়, সেই ড্রিঙ্কস স্কুলের ওয়াচম্যান তাকে দিয়েছিল। বাড়িতে এসে বালা তার মাকে এও জিজ্ঞেস করছিল যে তার মা ওই ড্রিঙ্কস পাঠিয়ে ছিল কিনা। এরপর তার মাও ভেবেছিল যে তাঁদের কোনও আত্মীয় হয়তো দিয়েছিল এই ড্রিঙ্কসটি। এরপর বালার যখন শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে, তখন শুক্রবার রাতেই তাকে কারাইরাল সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই চিকিত্‍সা চলাকালীন প্রাণ হারায় সে।

    আরও পড়ুন: গঙ্গা বক্ষেই হুকায় সুখটান, সঙ্গে কাবাব, ভিডিও ভাইরাল হতেই মামলা দায়ের প্রয়াগরাজে

    এরপর বালার মা বাবা সেই ড্রিঙ্কস কে দিয়েছে সেই খোঁজ করতে স্কুলে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পান যে বালার এক সহপাঠীর মা সাগায়ারানী সেই সফট ড্রিঙ্কস ওয়াচম্যানের কাছে দেয় বালাকে দেওয়ার জন্য। এরপরেই তাঁরা থানায় সেই ভিক্টোরিয়ার নামে অভিযোগ করেন ও বলেন যে, বালা তাঁর মেয়ের থেকে বেশি নম্বর পেয়েছে বলে সেই মহিলার এতটাই হিংসে হয়েছে যে, বালাকে বিষ দিয়ে খুন করেছে।

    এরপরেই রবিবার সাগায়ারানীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাগায়ারানী জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ে ও বালার মধ্যে নম্বর নিয়ে একাধিকবার দুজনের মধ্যে হাতাহাতিও হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত এখনও জারি রয়েছে।

  • Russian-Ukrainian Love Marriage: অভিবাদন প্রিয়তমা! যুদ্ধ ভুলে ভারতে হিন্দু রীতিতে বিয়ে ইউক্রেনীয়-রুশ যুগলের

    Russian-Ukrainian Love Marriage: অভিবাদন প্রিয়তমা! যুদ্ধ ভুলে ভারতে হিন্দু রীতিতে বিয়ে ইউক্রেনীয়-রুশ যুগলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দেশের যুদ্ধে শরিক হতে রাজি নন তাঁরা। তাঁদের বিশ্বাস ভালবাসায়। তাঁদের বিশ্বাস, “গণরোষের বদলে, গণচুম্বনের ভয়ে হন্তারকের হাত থেকে পড়ে যাবে ছুরি”। আর সেই বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেই বাঁচার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁরা। তাঁদের ভালবাসাকে পরিণতি দিতে আবদ্ধ হলেন বিবাহবন্ধনে। হিন্দু রীতি (Hindu ceremony) মেনে বিবাহ সারলেন হিমালয়ের কোলে।

    পাত্রের নাম সের্গেই নভিকভ (Sergei Novikov), আদতে রাশিয়ান (Russian man) হলেও বর্তমানে থাকেন ইজরায়েলে। আর পাত্রী ইউক্রেনের (Ukrainian ) ইলোনা ব্রাকোমা (Elona Bramoka)। বেশ কয়েক বছর ধরেই তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামিরক অভিযান’ শুরু করে রাশিয়া। কিন্তু দু’দেশের যুদ্ধও চিড় ধরাতে পারেনি তাঁদের সম্পর্কে। সম্প্রতি তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন, শান্তি-মৈত্রী-ভালবাসা যেখানে শেষ কথা সেই ভারতেই আবদ্ধ হবেন পরিণয়-বন্ধনে। পরিকল্পনা মতো এদেশে আসেন তাঁরা।

    সম্প্রতি তাঁদের বিয়ের আসর বসে হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) ধর্মশালায়। স্থানীয় রীতিনীতি মেনেই বিয়ে সারলেন দু’জনে। ধর্মশালার এক আশ্রমের পুরোহিতই এক করেন চার হাত। সঙ্গে হিন্দু মন্ত্র-সিঁদুর-দান। বর-কনে দু’জনেরই পরনে ছিল ভারতীয় পোশাক। বিনোদ শর্মা নামক এক ব্যক্তি এগিয়ে আসেন কন্যাদান করতে। স্থানীয় বাসিন্দারাই দুই দলে ভাগাভাগি করে পাত্রপক্ষ ও কন্যাপক্ষ হয়েছিলেন বিয়েতে।

    আরও পড়ুন: দীর্ঘ ২০ বছর সম্পর্কের পরিণতি! বিয়ে করলেন জেনিফার লোপেজ ও বেন অ্যাফ্লেক

    এখনও ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে গোলাবর্ষণ, রকেট-মিসাইল হামলা। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গোটা ইউক্রেন। যুদ্ধ শুরুর পর দেশ ছেড়ে পালিয়েছে ইউক্রেনের লাখ লাখ বাসিন্দা। জীবন বাঁচাতে তারা প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে। এখনও অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে সেখানকার বাসিন্দাদের। ইউক্রেনবাসীর আপাতত রাগের কারণ রাশিয়া। তবে সেখানকার মানুষদের উপর নয়। রাগ পুতিনের নীতির উপর। এই পরিস্থিতিতে মেলবন্ধনের বার্তা দিলেন দুই দেশের যুগল।

    একেই বলে ভালোবাসা। যা মানে না কাঁটাতারের বেড়া, মানে না যুদ্ধ, মানে না বন্দুকের নল। সব বাধা পেড়িয়ে ভালোবাসা খুঁজে নেয় নিজের আশ্রয়। সে পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক না কেন।

     

  • Light Combat Helicopters: ছাড়পত্র মিলেছে ১৫টির, সেনা চায় ৯৫টি! জানুন এই লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য

    Light Combat Helicopters: ছাড়পত্র মিলেছে ১৫টির, সেনা চায় ৯৫টি! জানুন এই লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটি ১৫টি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (Light Combat Helicopter) কেনার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছে। এর মধ্যে ১০টি বায়ুসেনার (Indian Air Force) জন্য। ৫টি সেনার (Army) হাতে থাকবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) থেকে কেনা হবে এগুলি। এজন্য খরচ হবে ৩,৮৮৭ কোটি টাকা। তবে সেনা সূত্রে খবর, পাঁচটি নয় সেনার প্রয়োজন ৯৫টি লাইট কমব্যাট কপ্টার।

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের একটি স্কোয়াড্রন তৈরি করতে চাইছে সেনা। সেখানে সাতটি ইউনিট থাকবে। এক একটি ইউনিটে ১০টি করে কপ্টার থাকবে। এগুলি ইস্টার্ন কম্যান্ডে ব্যবহার করার কথাও ভাবা হচ্ছে। মূলত পাহাড়ি এলাকায় ও উচ্চ অক্ষাংশে যাতায়াত করার জন্য় লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। প্রায় ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় এটি সমরসামগ্রী পৌঁছে দিতে পারে। শত্রুর ঘাঁটি উড়িয়ে দিতে, এয়ারক্রাফটকে নিশানা করতে, পাহাড়ে থাকা শত্রু বাঙ্কারকে উড়িয়ে দিতে, জঙ্গল এলাকায়, শহর এলাকায় সেনাদের সহায়তা করতে এই লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের জুড়ি মেলা ভার।

    আরও পড়ুন: আতঙ্কিত চিন! এবার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় এই লাইট কমব্যাট কপ্টারের প্রয়োজন অনুভব করেছিল ভারতীয় সেনা। এমন কপ্টার, যা অনেকটা উঁচুতে উড়ে লড়াই চালাতে পারবে। অনুপ্রবেশকারী পাকিস্তানের সেনারা কার্গিলের বিভিন্ন শিখর দখল করে রেখেছিল। কিন্তু, রাশিয়া থেকে আমদানি করা কপ্টারগুলো অত উঁচুতে উড়তে পারছিল না। ফলে সমস্যায় পড়তে হয় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে। সেই সময় ভারতীয় বিমান বাহিনী এমআই-১৭ কপ্টার ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছিল। শত্রুপক্ষের আক্রমণের মুখে তাতে বেশ ক্ষতিও হয়েছিল বাহিনীর। এরপরই ২০০৬ সালে হিন্দুস্তান অ্যারোনেটিকস লিমিটেড বা হ্যাল হালকা যুদ্ধকপ্টার তৈরির কথা ঘোষণা করে। এমন কপ্টার যা রুক্ষ, শুষ্ক মরুভূমিতেও ব্যবহার করা যাবে। আবার লাদাখ এবং সিয়াচেন হিমবাহের মতো উঁচু শৈলশিখরেও তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা হবে না।

  • JP Nadda: দুদিনের সফরে রাজ্যে জেপি নাড্ডা, আজ কোথায় কী কী কর্মসূচি?

    JP Nadda: দুদিনের সফরে রাজ্যে জেপি নাড্ডা, আজ কোথায় কী কী কর্মসূচি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু’দিনের সফরে বঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP National President) জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। মঙ্গলবার রাতে কলকাতায় পৌঁছোন তিনি। বুধবার তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। 

    দলীয় সূত্রের খবর, প্রথমে চুঁচুড়ায় ঋষি অরবিন্দের (Sri Aurobindo) স্মৃতিবিজড়িত বন্দেমাতরম ভবনে যাবেন নাড্ডা (Nadda)। এরপর তিনি চন্দননগরে রাসবিহারী বসু রিসার্চ ইনস্টিটিউটে যাবেন। সেখান থেকে কলকাতায় ফিরে ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে (National Library) রাজ্য কর্মসমিতির বৈঠকে (state working committee) যোগ দেবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। 

    বৃহস্পতিবার সকালে তিনি যাবেন বেলুড় মঠে (Belur Math)। দুপুরে সায়েন্স সিটিতে (Science City) রাজ্যের সমস্ত মণ্ডল সভাপতিদের নিয়ে সম্মেলনে যোগ দেবেন নাড্ডা। এরপর বিকেলে কলামন্দিরে (Kala Mandir) কলকাতার বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। আগামীকাল সন্ধ্যায় বিমানে দিল্লি ফিরবেন নাড্ডা।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দমদমে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (Netaji Subhas International airport) নাড্ডাকে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব (West Bengal BJP)। নাড্ডার বিমান কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণের অনেক আগে থেকেই বিমানবন্দর চত্বরে ভিড় জমান দলীয় কর্মী সমর্থকরা। দলীয় পতাকা ফুল ঢাক ঢোল নিয়ে তাঁরা স্বাগত জানাতে হাজির হন।

    রাত নটার কিছু পরে তাঁর বিশেষ বিমান অবতরণ করে কলকাতা বিমানবন্দরে। জেপি নাড্ডা বিমানবন্দর থেকে বাইরে বের হতেই উৎসবের চেহারা নেয় এলাকা। পুষ্পবৃষ্টি, স্লোগানে তখন গমগম করে বিমানবন্দর। সেখানেই তাঁকে অভ্যর্থনা জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ বঙ্গ বিজেপি (BJP Bengal) নেতৃত্বরা। 

    রাতেই নিউটাউনের বেসরকারি হোটেলে নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh), সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), অমিত মালব্য (Amit Malviya), লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee), অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) সহ বিজেপির (BJP) একাধিক নেতা-নেত্রী।

    আরও পড়ুন: কাশী-মথুরা নিয়ে কী ভাবছে বিজেপি? স্পষ্ট করলেন নাড্ডা

  • Prophet Row: পয়গম্বর বিতর্ক নিয়ে এবার মুখ খুলল বাংলাদেশ, কী বলল প্রতিবেশী রাষ্ট্র?

    Prophet Row: পয়গম্বর বিতর্ক নিয়ে এবার মুখ খুলল বাংলাদেশ, কী বলল প্রতিবেশী রাষ্ট্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হজরত মহম্মদের (prophet Muhammad) মর্যাদা সংক্রান্ত ব্যাপারে কোনও আপোশ করবে না বাংলাদেশ (Bangladesh)। তবে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে বিজেপির (BJP) দুই প্রাক্তন নেতার কথায়, তা সম্পূর্ণভাবে বাইরের বিষয়। সোমবার সাফ জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ।  

    দিনকয়েক আগে হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্র নূপুর শর্মা বিতর্কিত মন্তব্য করেন। ঘটনার পরে পরেই তাঁকে সাসপেন্ড করে বিজেপি। তার পরেও দেশে এবং বিদেশে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ, অশান্তি। শুক্রবার জুম্মার নমাজের পরে বাংলাদেশের কিছু এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। হামলা চালানো হয় একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের বাড়িতে। ভারতীয় জিনিসপত্র বয়কট করার পক্ষেও জোরালো দাবি ওঠে। প্রতিবাদ হয় মূলত জমায়েত উলেমা বাংলাদেশ, খিলাফত মজলিস ইসলাম ঐক্যজোটের তরফে।

    আরও পড়ুন : হজরত মহম্মদ মন্তব্য বিতর্কে পাকিস্তানকে পাল্টা তোপ ভারতের

    ঘটনার জেরে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বাংলাদেশের মন্ত্রী বলেন, বিজেপির ওই মুখপাত্রদের বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ করা হয়েছে, তাকে স্বাগত জানাচ্ছি। তিনি বলেন, পয়গম্বর হজরত মহম্মদের সম্মানের প্রশ্নে আমরা কোনও আপোশ করব না। পয়গম্বরের বিরুদ্ধে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তা নিন্দাজনক। তবে যাঁরা এটা বলেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ভারত সরকার যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে, তাকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।  

    আরও পড়ুন : বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড নূপুর শর্মা, নবীন জিন্দালকে বহিষ্কার বিজেপি-র

    হাসান মাহমুদ বলেন, এটা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়। এটা বাইরের বিষয়। এটা ভারতের বিষয়। আমি মনে করি না, এটা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার আছে। তিনি বলেন, মধ্য প্রাচ্য, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, মলদ্বীপের মতো দেশেরও এনিয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। হাসান মাহমুদ বলেন, উসকানিমূলক মন্তব্যের পরে ভারতে এফআইআর করা হয়েছে। আমার বিশ্বাস, তদন্তও চলবে। এদিকে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে নবী মহম্মদ ইস্যুতে চুপ করে থাকার অভিযোগ তুলেছে মুসলিম দেশগুলি।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইসলামিক বিভিন্ন গোষ্ঠী যাতে উৎসাহ না পায়, তাই নূপুর শর্মা ইস্যুতে সতর্ক হয়ে পা ফেলছে বাংলাদেশ সরকার।

     

  • Sonia Gandhi: হাসপাতালে করোনা সংক্রমিত সোনিয়া, অবস্থা স্থিতিশীল, জানাল কংগ্রেস

    Sonia Gandhi: হাসপাতালে করোনা সংক্রমিত সোনিয়া, অবস্থা স্থিতিশীল, জানাল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid) সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি কংগ্রেস (Congress) সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। ২ জুন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রীর করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। রাখা হয়েছিল হোম আইসোলেসনে। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রবিবার তাঁকে ভর্তি করা হয় দিল্লির (Delhi) গঙ্গারাম হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কংগ্রেস হাইকমান্ডের অবস্থা স্থিতিশীল।

    রাহুল গান্ধী বিদেশে থাকাকালীন সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন সোনিয়া। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায় তিনি করোনা সংক্রমিত। এর পরেই হোম আইসোলেশনে রাখা হয় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির সর্বময় কর্ত্রীকে। পরে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজওয়ালা জানান, করোনা সংক্রমিত কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধিকে দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে তাঁকে। যাঁরা ওঁর শারীরিক সুস্থতা কামনা করেছেন, তাঁদের আমরা ধন্যবাদ জানাই।

    আরও পড়ুন : ইডি দফতরে হাজিরার আগেই করোনা পজিটিভ সোনিয়া

    এদিকে, সোনিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দুদিন আগেই মমতার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সোনিয়া। কথা বলার সময় সোনিয়া কাশছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেন। ১৫ জুন দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে বিজেপি বিরোধী দলগুলির নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন মমতা। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সোনিয়াকেও। সেই বৈঠকের আগেই তাঁকে ভর্তি হতে হল হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন : সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    প্রসঙ্গত, ১ জুন ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় রাহুল ও সোনিয়াকে তলব করেছিল ইডি। ৮ জুন ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল সোনিয়ার। করোনা সংক্রমিত হয়ে পড়ায় তিনি আপাতত হাজিরা দিতে পারছেন না। তবে সোমবার ইডি দফতরে গিয়ে হাজিরা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। পায়ে হেঁটে গিয়ে ইডি দফতরে যান তিনি। তার আগে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কংগ্রেস কর্মীরা।

     

     

  • Nitin Gadkari: অমৃতসর-ভাটিণ্ডা-জামনগর হাইওয়ের অসাধারণ ছবি শেয়ার করলেন নিতিন গড়কড়ি

    Nitin Gadkari: অমৃতসর-ভাটিণ্ডা-জামনগর হাইওয়ের অসাধারণ ছবি শেয়ার করলেন নিতিন গড়কড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল কাজ অমৃতসর-ভাটিণ্ডা-জামনগর (Amritsar-Bathinda-Jamnagar) হাইওয়ের। অবশেষে সেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আর এবার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি (Nitin Gadkari) অমৃতসর-ভাটিণ্ডা-জামনগর হাইওয়ের বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার শেয়ার করেছেন। ছবিগুলো দেখেই মনে হচ্ছে এগুলো যেন বিদেশের রাস্তা। কিন্তু আদৌ তা নয়। ভারতেই এই রাস্তা তৈরি হয়েছে মোদি (Modi) সরকারের আমলে। সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, অমৃতসর-ভাটিণ্ডা-জামনগর করিডর (Amritsar-Bathinda-Jamnagar Corridor) সম্পন্ন হতে খরচ হয়েছে ২৬ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। নিতিন গড়কড়ির দেওয়া রাস্তার ছবিকে সাধারণ মানুষ প্রশংসা করেছেন।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: ৭৫ কিমি রাস্তা তৈরি মাত্র ১০৫ ঘণ্টায়! গিনেস বুকে নাম তুলল NHAI

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, তিনটি জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পের সূচনা করার সময়েই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি বলেছিলেন যে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লালের (Manohar Lal) নেতৃত্বে হরিয়ানা সারা দেশে এগিয়ে গিয়েছে। হরিয়ানায় প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে হাইওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের নরিমান পয়েন্ট থেকে গুরুগ্রাম পৌঁছানোর সময় মাত্র সাড়ে ১২ ঘণ্টা হতে চলেছে। আর মাত্র ২০-২৫ মিনিটের মধ্যেই গুরুগ্রাম থেকে দিল্লি-মুম্বই হাইওয়ে পৌঁছানো সম্ভব হয়ে উঠেছে।

    এছাড়াও হরিয়ানায় ডিজেলের পরিবর্তে বৈদ্যুতিক বাসের প্রস্তাব রেখেছে হরিয়ানার সরকার। অন্যদিকে জেওয়ার বিমানবন্দরের সঙ্গেও ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সংযোগ স্থাপন করা হবে। আবার দ্বারকা এক্সপ্রেস হাইওয়ের (Dwarka Express Highway) কাজও দ্রুত শেষ হতে চলেছে। এককথায় হরিয়ানার সরকারের হাত ধরেই হরিয়ানা উন্নতির মুখ দেখতে পাচ্ছেন, এমনটাই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি।

    এই সড়ক নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্যই হল দিল্লি থেকে চণ্ডীগড় পৌঁছানোর সময় যাতে কমানো যায়। এর ফলে এখন থেকে মাত্র আড়াই ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যাবে দিল্লি। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী গড়কড়িকে হাইওয়ে নির্মাণের জন্য ও হরিয়ানায় সড়ক যোগাযোগকে আরও উন্নত করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

  • Howrah Violence: সুকান্তর পর শুভেন্দু! এবার হাওড়া যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতাকে আটকাল পুলিশ!

    Howrah Violence: সুকান্তর পর শুভেন্দু! এবার হাওড়া যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতাকে আটকাল পুলিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য সভাপতির পর এবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। হাওড়া (Howrah) যাওয়ার পথে সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) আটক করে গ্রেফতার করার পর এবার শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারীর পথ আটকাল মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। 

    [tw]


    [/tw]

    গত তিনদিনের হিংসায় হাওড়ায় ভাঙা হয়েছে বিজেপির (BJP) দুটি কার্যালয়। মারধর করা হয়েছে বিজেপি কর্মীদের। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী ও ভাঙা পার্টি অফিস দেখতেই হাওড়া যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পথেই তাঁকে আটকানো হয়। তমলুকের নিমতৌড়িতে রাধামণি মোড়ে শুভেন্দু অধিকারীকে আটকায় পুলিশ। বাধা দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে বচসা হয় রাজ্যের বিরোধী দলনেতার। 

    আরও পড়ুন: হাওড়া যাওয়ার পথে গ্রেফতার সুকান্ত, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ বিজেপির

    বিরোধী দলনেতার হাওড়া যাওয়া আটকাতে গতকাল রাত থেকে অতিসক্রিয় হয়ে ওঠে রাজ্যের পুলিশ। মধ্যরাত থেকেই বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয় শুভেন্দু অধিকারীর কাঁথির বাড়ির সামনে। রাতারাতি শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি ঘিরে ফেলে রাজ্য পুলিশ। যাতে কেউ আস্তে যেতে না পারেন তার জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বাড়ির সামনে বসানো হয় ব্যারিকেড। বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনীকে। এক কথায় শুভেন্দু অধিকারীর কাঁথির বাড়ির সামনে পুলিশের ছিল ‘সাজো সাজো রব’। এদিন সকাল হতেই দেখা যায় গোটা বাড়ি কার্যত ঘিরে ফেলেছে রাজ্য পুলিশ। মোতায়েন রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। 

    [tw]


    [/tw]

    ঠিক একইভাবে শনিবারও বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে আটকাতে ব্যবস্থা নিয়েছিল বিধাননগর পুলিশ। তবে, গতকালের মতো বিনা নোটিশে, মুখের কথায় আটকানো নয়। শুভেন্দু অধিকারীকে রীতিমতো নোটিশ পাঠায় কাঁথি থানা। আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসের সই করা সেই নোটিশে বলা হয়, “বাইরে পরিস্থিতি ভালো নয়, তাই হাওড়ায় যেতে পারবেন না বিরোধী দলনেতা। নোটিশে আরও বলা হয়েছে, হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় ইতোমধ্যেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যেন ১৪৪ ধারা ভাঙার চেষ্টা না করেন।

    শুভেন্দুর হাওড়া যাওয়া আটকানো নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন অমিত মালব্য (Amit Malviya)। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, ‘সুকান্ত মজুমদারকে আটকের পর শুভেন্দুকে আটকানোর চেষ্টা। শুভেন্দু অধিকারী যাতে হাওড়ায় যেতে না পারেন, সেই ব্যবস্থা করছে। বিক্ষোভকারীদের নয়, বিজেপিকে আটকানোই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য। রাজ্য সরকারকে ট্যুইটে নিশানা বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের। এদিকে, গতকাল তাঁকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদে এদিন মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: “আপনার পাপের ফলে ভুগতে হচ্ছে জনগণকে”, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    গত তিনদিন ধরে হাওড়ায় (Howrah violence) দুস্কৃতী তাণ্ডবে বেসামাল প্রশাসন। শুক্রবার ভাঙচুর চালানো হয় হাওড়া গ্রামীণ এলাকায়। ভাঙা হয় পাঁচলায় বিজেপির কার্যালয়। আগুন ধরিয়ে দেয় উন্মত্ত জনতা। শনিবার হামলা চলে হাওড়ার রঘুদেবপুর অঞ্চলে। এখানেও টার্গেট বিজেপির আরেক কার্যালয়। যথেচ্ছ তাণ্ডব চালায় উন্মত্ত উশৃঙ্খল বাহিনী। পুলিশের চোখের সামনে পুরো ঘটনা ঘটলেও বাধা দেওয়ার কোনও চেষ্টাই করেনি হাওড়া পুলিশ। গতকালই “কর্তব্যে গাফিলতির” কারণে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে হাওড়ার দুই পুলিশকর্তাকে।

    যদিও আজ সকালেই পুলিশকর্তাদের সরিয়ে দেওয়াকে কটাক্ষ করেছেন, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলিপ ঘোষ। খড়গপুরে চা-চক্রের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, পুলিশ কর্তাদের সরিয়ে দেওয়া ‘স্রেফ আইওয়াশ’। তিনি বলেন, “যারা অশান্তি করছে, মুখ্যমন্ত্রী তাদের আটকাতে পারছেন না বরং উসকে দিচ্ছে। তিন দিন ধরে বাস বন্ধ হচ্ছে, জাতীয় সড়কে অবরোধ হচ্ছে, ট্রেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দেশের সমস্ত প্রান্তে একদিনের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও এরাজ্যে করা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, “পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে হেরো মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক স্বার্থে দাঙ্গাকারীদের ব্যবহার করছে।” 

     

     

  • NEET-PG 2022: ফাঁকাই পড়ে থাকবে আসন? নীট-পিজির বিশেষ কাউন্সেলিং-এর আবেদন খারিজ শীর্ষ আদালতের

    NEET-PG 2022: ফাঁকাই পড়ে থাকবে আসন? নীট-পিজির বিশেষ কাউন্সেলিং-এর আবেদন খারিজ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ মে শেষ হয়ে গিয়েছে নীট-পিজির (NEET-PG 2022) কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া। এখনও ফাঁকা পড়ে রয়েছে ১,৪৫৬টি আসন। শীর্ষ আদালতে আসনগুলির জন্যে বিশেষ কাউন্সেলিং-এর (Special Counselling) আবেদন জানিয়েছিলেন পরীক্ষার্থী স্নাতক ডাক্তাররা। তাঁদের সেই আবেদন খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। 

    বিচারপতি এম আর শাহের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, “ডাক্তারির পড়াশোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ভর্তির প্রক্রিয়া অনন্তকাল ধরে চলতে পারে না। এর জন্যে একটা নির্দিষ্ট সময় থাকে। সময়সূচি মেনেই তা করা হয়। নাহলে ডাক্তারির পড়াশোনা সর্বোপরি জনস্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব পড়বে।”  

    আরও পড়ুন: পেছাচ্ছে না নীট স্নাতকোত্তর পরীক্ষা, জানাল শীর্ষ আদালত

    বেঞ্চ আরও জানায়, “নয় ধাপের কাউন্সেলিং-এর পরে ৪০ হাজার আসনের মধ্যে ১,৪৫৬ আসন ফাঁকা পড়ে আছে। এর মধ্যে ১,১০০-র বেশি নন-ক্লিনিকাল আসন। প্রতিবছরই এই আসনগুলি ফাঁকা পড়ে থাকে।” আদালত কড়া ভাষায় বলে, “ডাক্তারির শিক্ষা, মেধা তালিকা তার গুণমান নিয়ে কোনও রকম আপোষ করা হবে না।”

    সম্প্রতি নীট পিজির আসন নিয়ে কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা করে শীর্ষ আদালত। এখনও কেন আসন ভর্তি হয়নি, সেই প্রশ্ন করা হয়। ডাক্তারদের ভবিষ্যত নিয়ে কি ছেলেখেলা চলছে? কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি। 

    আরও পড়ুন: ফের স্থগিত হতে পারে এবছরের নীট পরীক্ষা, প্রতিনিধি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বৈঠকের পর এমনই সম্ভবনা দেখা দিয়েছে 

    নীট-পিজির আসনে ভর্তি হচ্ছে না, এই অভিযোগে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেন সাত চিকিৎসক। ৭ মে শেষ হয়ে গিয়েছে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া, তারপরে কীভাবে ভর্তি নেওয়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক আসনই এখনও ফাঁকা পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। বিশেষ কাউন্সেলিং-এর আবেদনও জানান। কিন্তু ডাক্তারদের সেই আরজি খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত।  

    এর আগে নীট পিজির পরীক্ষা নিয়ে দফায় দফায় মামলা দায়ের হয়েছে আদালতে। তার জেরে অনেকটাই পিছিয়ে গিয়েছিল পরীক্ষা। কেন্দ্র নতুন সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। সেই আবেদনও খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। 
     

  • Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Scam) মঙ্গলবার আসানসোলের বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দিল দিল সিবিআই (CBI)। ৪১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেই চার্জশিটে। সোমবারই বিনয় মিশ্র এবং লালা ওরফে অনুপ মাজির তিন সহযোগীর নামে বিশেষ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত।

    সূত্রের খবর, অনুপ মাজি ও বিকাশ মিশ্র ছাড়াও ৮ জন ইসিএল অফিসার, ৪ জন কয়লা মাফিয়া (জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ খারকা ওরফে নারায়ণ নন্দ, নীরদ মণ্ডল এবং গুরুপদ মাঝি), ১০ জন কোম্পানি ডিরেক্টর, ১৫ জন কয়লা কারবারির নাম রয়েছে চার্জশিটে। বিনয় মিশ্র ও রত্নেশ্বর ভার্মা দুজনেই পলাতক। তাদের নামেও চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই।

    গত শনিবার বিনয় মিশ্র সহ বেশ কয়েকজনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে চেয়ে আদালতে বিশেষ রিপোর্ট জমা দিয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, কীভাবে কয়লা মাফিয়ারা অবৈধভাবে কয়লা পাচার করত এবং কীভাবে তাদের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক চালু ছিল, সেই সমস্ত তথ্য এদিন আদালতে তুলে দেওয়া হয়। কয়লা পাচার কাণ্ডে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যে সব নথিপত্র সিবিআই-এর গোয়েন্দারা হাতে পেয়েছেন এবং যে সব তথ্যপ্রমাণ তাঁরা একত্রিত করেছেন, সেই সব কিছু সংশ্লিষ্ট চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: মহামারির পর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    কয়লা পাচার কাণ্ডে সিবিআই চার্জশিট জমা দিলেও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত চার্জশিট দেয়নি সিআইডি। এই দুর্নীতি নিয়ে সিবিআইয়ের সমান্তরাল তদন্ত চালাচ্ছে সিআইডি। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গঠন করা হয় ২০ জনের এই তদন্তকারী দল। যার নেতৃত্বে রয়েছেন সিআইডির ডিআইজি। কয়লা কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৩০টির বেশি মামলার দায়ের হয়েছে। উল্লেখ্য, ইসিএলের পক্ষ থেকে কয়লা চুরি, দুর্নীতি–সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রথমে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে বিনয় মিশ্র, রত্নেশ্বর ভার্মা, নীরজ সিং এবং অমিত সিংয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

LinkedIn
Share