Blog

  • Battle of Haifa: কীভাবে কয়েকজন ভারতীয় বদলে দিয়েছিল হাইফার ভাগ্য, একনজরে সেই ইতিহাস

    Battle of Haifa: কীভাবে কয়েকজন ভারতীয় বদলে দিয়েছিল হাইফার ভাগ্য, একনজরে সেই ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি, ইজরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ হাইফা বন্দর (Haifa Port) কিনেছে ভারতের আদানি গোষ্ঠী (Adani Group)। কিন্তু, ভারতের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক বন্দরের সম্পর্ক আজকের নয়। তা জানতে হলে ফিরে যেতে হবে ১০০ বছর আগে— যখন অটোমান এবং জার্মানদের হাত থেকে এই বন্দর উদ্ধার করেছিল ভারতীয় ঘোড়সওয়ার সেনা। ইতিহাসের সরণী বেয়ে ফিরে দেখা যাক সেই ঘটনা—

    সময়টা ১৯১৮। আজ থেকে ১০০ বছরেরও বেশি আগে। ২৩ সেপ্টেম্বর শুধুমাত্র বল্লম সম্বল করে ভারতীয় ঘোড়সওয়ার সেনারা (Cavalry) মেশিনগানধারী জার্মান-অটোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মুক্ত করেছিল ইজরায়েলের (Israel) হাইফা শহরকে। এই ঘটনা বদলে দেয় সেনার ইতিহাস। এই ঘটনার দুমাস পরেই শেষ হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধে। পৃথিবী এমনভাবে বদলে যায়, যার কল্পনা কেউ কোনওদিন করেনি। ভারতীয়রা ইজরায়েলে আজ কেন এত সমাদৃত, তা বুঝতে গেলে পিছিয়ে যেতে হবে আজ থেকে ১০০ বছর পিছনে।

    আরও পড়ুন: বিক্রি হয়ে গেল ইজরায়েলের প্রধান বন্দর হাইফা, বর্তমান মালিক আদানি

    প্রেক্ষাপট

    ইজরায়েলের হাইফা শহর তখন জার্মান এবং তুর্কিদের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের উত্তেজনা তখন মধ্যগগনে। বিশ্বের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলিকে তখন দখলের চেষ্টায় রয়েছে অ্যালাইড ফোর্স বা মিত্র সেনা এবং সেন্ট্রাল পাওয়ারের দেশগুলি। কারণ বন্দরগুলিকে দখল করতে পারলে শহর দখল করা সহজ হয়। পক্ষান্তরে যুদ্ধ জেতা সহজ হত। হাইফা তৎকালীন সময়ে বাণিজ্য ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বন্দর ছিল।

    মিত্র বাহিনীর অন্তর্গত ফ্রান্স, গ্রেট ব্রিটেন এবং রাশিয়ার নজরে ছিল হাইফা, নাজারেথ এবং দামাস্কাস। এই হাইফা এবং নাজারেথ বর্তমান ইজরায়েলের অংশ। দামাস্কাস বর্তমান সিরিয়ার রাজধানী। জার্মান- অটোমানদের থেকে এই হাইফা বন্দর ছিনিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পড়ে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনের অধীনস্থ ফিফটিনথ ক্যাভালরি ব্রিগেডের ওপরে। 

    হায়দ্রাবাদ, মাইসোর, পাটিয়ালা, আলওয়ার এবং যোধপুর থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ইম্পেরিয়াল সার্ভিস ট্রুপের অন্তর্গত এই বল্লমধারী ঘোড়সওয়ার সেনাদের। ভারতীয় বল্লমধারী সেনাদের নিয়ে গঠিত এই ঘোড়সওয়ার সেনাবাহিনীকে হাইফা বন্দর আক্রমণের নির্দেশ দেয় ইংরেজ সরকার। কারণ তখন ইংরেজ সৈনিকরা অন্যত্র পাহারায় ব্যস্ত ছিল। 

    কিন্তু এ ছিল এক অসম্ভব এবং অসম যুদ্ধ। কারণ হাইফা শহরের একটু আগেই কারমেল পর্বতে, যুদ্ধের জন্যে সুবিধাজনক উঁচু স্থানে পাহাড়ায় ছিল জার্মান, অস্ট্রিয়ান এবং অটোমান সেনারা। তাদের হাতে ছিল উন্নত আর্টিলারিগান, মেশিনগান। আর ভারতীয় সেনাদের ভরসা শুধুই বল্লম। ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে পাহাড় চড়াও প্রায় এক অসম্ভব কাজ। যেন এক ‘সুইসাইডাল মিশন’। কিন্তু সেদিন এই অসম্ভবকেই সম্ভব করেছিল ভারতীয় সেনা।   

    যুদ্ধ

    ভারতীয় সেনারা জানতে পারেন, অটোমানরা পাহাড়ের ঢালু অংশের দিকে সবথেকে বেশি মাশিগানধারী সেনা মোতায়েন করেছে। কামান নিয়ে সেনারা পাহাড়ের চার জায়গায় ছড়িয়ে রয়েছে। মাইসোর ল্যান্সারদের ওপর মেশিনগানধারী সেনাদের পূর্ব দিক থেকে আক্রমণ করার দায়িত্ব পরে। যাতে তারা মেশনগানের আগুনের হাত থেকে যোধপুর ল্যান্সারদের (Lancer) সুরক্ষিত রাখতে পারে এবং তারা (যোধপুর ল্যান্সার) যাতে উত্তরদিক থেকে আক্রমণ করে কারমেল পাহাড় এবং হাইফা শহর সহজেই দখল করতে পারে।  

    ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে সেইমতো মাইসোর ল্যান্সাররা পাহাড়ের নীচের ভাগে আক্রমণ চালায়। আর যোধপুর ল্যান্সাররা আক্রমণ চালায় পাহাড়ের মূল অংশে জার্মান সেনাদের ওপরে। অবরোধ করা হয় রাস্তা। মেশিনগান এবং আর্টিলারির সামনে পড়ে যায় যোধপুর ল্যান্সাররা। নদীর চোরাবালিতে বাধাপ্রাপ্ত হয় তারা। কিন্তু এত বাধার পরেও হাইফা শহরে উপস্থিত হয় যোধপুর ল্যান্সাররা। তাদের পেছনেই শহরে ঢোকে মাইসোর ল্যান্সাররা। মেশিনগান, বুলেট কিছুই দমাতে পারেনি এই ভারতীয় বীরদের। ভয়ঙ্করভাবে আহত হওয়ার পরেও লড়াইয়ের ময়দান ছাড়েনি ভারতীয় সেনা। 

    ঘোড়সওয়ারদের এই দুই রেজিমেন্ট যৌথভাবে ২ জার্মান অফিসার এবং ৩৫ অটোমান অফিসারসহ ১৩৫০ জার্মান এবং অটোমানকে বন্দি বানায়। এছাড়াও ১৭টি আর্টিলারি গান, আটটি ৭৭ এমএম বন্দুক, চারটে ক্যামেল গান ও নেভাল গান এবং ১১টি মেশনগান বাজেয়াপ্ত করে। কিন্তু জয় কি বলিদান ছাড়া আসে! ভারতীয় সেনাদেরও এই জয়ের মূল্য চোকাতে হয়েছিল। যুদ্ধে ৮ জন ভারতীয় সেনার প্রাণ জ্যায়। আহত হয় ৩৪ জন।

    ঘোড়সওয়ার সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর দলপত সিং- প্রাণ হারান যুদ্ধে। তাঁর বীরত্বের পুরো ঘটনা ইজরায়েলের পাঠ্যপুস্তকে আজও পড়ানো হয়। ‘হিরো অফ হাইফা’- র খেতাব দেওয়া হয় তাঁকে। এই যুদ্ধে হতবাক হয়েছিল গোটা বিশ্ব। কীভাবে কয়েক জন বল্লমধারী, ঘোড়সওয়ার সেনা সংখ্যায় বহুগুণ বেশি মেশনগানধারী সেনাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে জল ছিনিয়ে নিয়ে এসেছিল! 

    যুদ্ধের তাৎপর্য 

    সেদিনের যুদ্ধ যে শুধু হাইফা দখলের জন্যই ছিল, তা নয়। ওই যুদ্ধের পর মনোবল ভেঙে গিয়েছিল তুর্কী এবং জার্মান সেনাদের। এছাড়াও ভারতীয় সেনাদের ওপর বিশ্বাস জন্মাতে শুরু করে ইংরেজ সরকারের। এরপর থেকে ভারতীয়দের দিয়ে সেনা বাহিনীর নেতৃত্ব দেওয়ানোও শুরু করে ব্রিটিশ সরকার। এরপরেই ১৯২২ সালে দ্য প্রিন্স অফ ওয়েলস রয়্যাল ইন্ডিয়ান মিলিটারি কলেজের প্রতিষ্ঠা হয়।

    ৬১তম ঘোড়সওয়ার রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠা 

    স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে একটি নতুন ঘোড়সওয়ার রেজিমেন্ট তৈরির কথা ভাবা হয়। মাইসোর এবং যোধপুর ল্যান্স্যারদের স্মরণে ১৯৫২ সালে জয়পুরে ৬১তম ঘোড়সওয়ার রেজিমেন্ট গঠন করা হয়। এটাই পৃথিবীর সর্বশেষ ঘোড়সওয়ার বাহিনী। পদ্মশ্রী, অর্জুন পুরষ্কার ছাড়াও একাধিক সম্মান পেয়েছে ভারতের এই ঘোড়সওয়ার বাহিনী। 

    হাইফা যুদ্ধে নিহত ভারতের বীর সেনাদের স্মৃতিতে দিল্লির তিন মূর্তি চকে একটি স্মৃতি সৌধ বানিয়েছে ভারত সরকার। ২০১৮ সালে ওই জায়গার নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘হাইফা চক’।

  • UPSC  2021 Results: নারীশক্তির জয়! ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম তিনে তিন কন্যা

    UPSC 2021 Results: নারীশক্তির জয়! ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম তিনে তিন কন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় সিভিল সার্ভিসের চূড়ান্ত ফল (UPSC Civil Services 2021 Final Result) প্রকাশিত হয়েছে সোমবার। সর্বভারতীয় স্তরের প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষায় পাশ করেছেন ৬৮৫ জন। সাফল্যের নিরিখে এবার পুরুষদের টেক্কা দিয়েছেন মেয়েরা। মেধাতালিকার শীর্ষ তিন স্থান দখল করেছেন তিন কন্যা।

    প্রথম স্থানে রয়েছেন দিল্লির শ্রুতি শর্মা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কলকাতার অঙ্কিতা আগরওয়াল। তৃতীয় স্থান পেয়েছেন চণ্ডিগড়ের গামিনী সিংলা। পুরুষদের মধ্যে প্রথম, মেধা তালিকায় চতুর্থ হয়েছেন ঐশ্বর্য বর্মা।

    উত্তরপ্রদেশের বিজনোর শহরের বাসিন্দা শ্রুতি স্কুলের গণ্ডি টপকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ সেন্ট স্টিফেন্স কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। তার পর যোগ দেন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইতিহাসের ছাত্রী শ্রুতি পড়াশোনার পাশাপাশি সিভিল সার্ভিসের (UPSC Civil Services 2021) প্রস্তুতির জন্য জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া রেসিডেন্সিয়াল কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়েছিলেন। তার পরই মিলল সাফল্য। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এবার জামিয়া মিলিয়ার এই কোচিং সেন্টার থেকে ২৩ জন পরীক্ষার্থী দেশের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে কলকাতার মেয়ে অঙ্কিতা। স্কুলজীবন কেটেছে এই শহরেই। তার পর কলেজের পাঠ নিতে দিল্লি যাত্রা। সেখানেই কর্পোরেটে চাকরি, ইউপিএসইসি পরীক্ষা দিয়ে রাজস্ব সার্ভিসে যোগ, তার পর ফের পরীক্ষা দিয়ে অবশেষে স্বপ্নপূরণ— আইএএস। 

    এ বারের পরীক্ষায় মোট ৬৮৫ জন প্রার্থীকে নিয়োগ করার কথা জানিয়েছে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (Union Public Service Commission)। মোট ৭৪৯টি শূন্যপদের ঘোষণা করেছিল ইউপিএসসি। এর মধ্যে ১৮০ জন হবেন আইএএস, ৩৭ জন হবেই আইএফএস, ২০০ জন হবেন আইপিএস, ২৪২ জন হবেন সেন্ট্রাল সার্ভিস গ্রুপ এ ও ৯০ জন হবেন গ্রুপ বি।

    আরও পড়ুন: ইউপিএসসি মেধাতালিকায় দ্বিতীয় বাংলার মেয়ে, সাফল্য কলকাতারও

    প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, মেধা তালিকার প্রথম ২৫ জনের মধ্যে ১৫ জন ছেলে, ১০ জন মেয়ে। ছবছর পর আবার শীর্ষে মেয়েরা। ২০১৫ সালে প্রথম চার জন ছিলেন মহিলা। সাফল্যের শীর্ষে থাকা মেয়েরা জানান, নারী স্বাধীনতা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এই বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করতে চান তাঁরা।

    [tw]


    [/tw]

    ইউপিএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেনই, “সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের শুভেচ্ছা। আমরা যখন দেশজুড়ে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করছি, সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই নবপ্রজন্ম আমলা হিসেবে দেশের সেবায় নিজেদের নিয়োগ করছেন। ভবিষ্যতের জন্য তাঁদের অনেক শুভেচ্ছা।”

  • WhatsApp: ভুলবশতঃ হোয়াটস্যাপ মেসেজ ডিলিট করেছেন? চিন্তা নেই, আসছে নতুন ফিচার!

    WhatsApp: ভুলবশতঃ হোয়াটস্যাপ মেসেজ ডিলিট করেছেন? চিন্তা নেই, আসছে নতুন ফিচার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটস্যাপ (Whatsapp) এক বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে। ডিলিট করা ম্যাসেজ আবার ফিরে পেতে পারেন মুহূর্তের মধ্যে। হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনছেন। কোনও ম্যাসেজ ডিলিট করার অপশন হোয়াটস্যাপ আপনাকে আগেই দিয়েছে অথবা কোনও ম্যাসেজ কোনও গ্রুপে ভুলবশত চলে গেলে সেটি সবার জন্য ডিলিট (Delete For everyone) করে দিতে পারেন। কিন্তু সমস্যায় তখনই পড়তে হয়, যখন ম্যাসেজটি ভুলবশত শুধুমাত্র ‘ডিলিট ফর মি’ (Delete for me) হয়ে যায়। তখনই চিন্তায় পড়ে যায় ব্যবহারকারীরা।

    আরও পড়ুন: মেসেজ রিঅ্যাকশন ফিচার নিয়ে হাজির হোয়াটসঅ্যাপ, ভারতীয়দের অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন

    তবে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান নিয়ে আসতে চলেছে হোয়াটস্যাপ। ডিলিটেড ম্যাসেজ আবার ফিরে পেতে ‘আনডু’ (Undo) অপশন আসতে চলেছে হোয়াটস্যাপে। নতুন বৈশিষ্ট্য আসার পর দেখা যাবে, আপনি যখন এরপর কোনও ম্যাসেজ ডিলিট করতে যাবেন, তখন ‘ডিলিট ফর মি’ (Delete for me) ক্লিক করলেই আপনার মোবাইলের স্ক্রিনে ‘আনডু’ (Undo) অপশনটি চলে আসবে। সুতরাং আপনাকে আরও একবার সুযোগ দেওয়া হয় যে আপনি ম্যাসেজটি ডিলিট করতে চান কিনা। এমন অপশন টেলিগ্রামেও দেখা যায়, যেখানে ব্যবহারকারীকে কিছু সময় দেওয়া হয় ম্যাসেজটি আবার ফিরিয়ে আনার জন্য।

    আরও পড়ুন: এই ভুলটা করলেই হ্যাক হয়ে যাবে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ! জেনে নিন এর থেকে বাঁচার উপায়…

    হোয়াটস্যাপে শুধুমাত্র এই ফিচারের ওপর কাজ করা হচ্ছে না, কোনও ফাইল শেয়ারের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে যেমন হোয়াটস্যাপ থেকে ১০০ এমবি -এর বেশি বড় ফাইল শেয়ার  করা যেত না, তেমন এখন থেকে ১০০ এমবি-এর বড় ফাইল ২ জিবি (big file sharing) পর্যন্তও পাঠাতে পারবেন। যদিও এই অপশনটি এখনও পুরোপুরিভাবে আপডেট করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে চ্যাট হিস্ট্রি ব্যাক-আপ চাইছেন? জেনে নিন সহজ পদ্ধতি

    এছাড়াও হোয়াটসঅ্যাপে আরও নতুন ফিচার যেমন- ‘এডিটিং সেন্ড চ্যাটস’ (Editing send chats), ‘সেভ ডিসঅ্যাপেয়ারিং কনভারসেশন’ (save disappearing conversation) ইত্যাদির ওপর কাজ করা হচ্ছে। এছাড়াও কিছুদিন আগে হোয়াটসঅ্যাপ নতুন ফিচার নিয়ে এসেছিল। যেখানে ভয়েস মেসেজ রেকর্ডিং  পজ (Pause) করা যাবে।  এছাড়া এবার কোনও চ্যাট থেকে বাইরে বেরিয়েও ভয়েস মেসেজ শুনতে পারবেন আপনি।

    অর্থাৎ, এতদিন কারও ভয়েস মেসেজ (whatsapp voice message) শুনতে হলে তার চ্যাট উইন্ডো খুলে শুনতে হত। ততক্ষণ অন্য মেসেজ চেক করা যেত না। কিন্তু এবার থেকে আপনি তা করতে পারবেন। ভবিষ্যতে আর কী কী নতুন ফিচার আসতে চলেছে সেটিই এখন দেখার।

  • Mohan Bhagwat: হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে ভাগবতের মন্তব্য সংগঠনের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, জানাল আরএসএস

    Mohan Bhagwat: হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে ভাগবতের মন্তব্য সংগঠনের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, জানাল আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু (Hindu) ও মুসলমানদের (Musalman) উচিত তাঁদের মধ্যে উদ্ভূত সমস্যাগুলির সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধান করা। দিন কয়েক আগে নাগপুরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (Rashtriya Swayamsevak Sangh) দীক্ষান্ত ভাষণে একথা বলেছিলেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। হিন্দু-মুসলিম (Hindu-Muslim) সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য আরএসএসের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

    ২০২১ সালের জুলাই মাসে একটি অনুষ্ঠানে ভাগবত বলেছিলেন হিন্দু ও মুসলমানদের ডিএনএ একই। নাগপুরে সম্প্রতি তিনি যা বলেছেন, তাও তাঁর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। আরএসএস (RSS) ভারতের সমস্ত ধর্ম ও তার অনুসারীদের একটি জাতি হিসেবে বিবেচনা করে। আরএসএস মনে করে তারা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

    আরও পড়ুন : নেহরুর মানসিকতা ছিল ঔপনিবেশিক? বিস্ফোরক আরএসএস শিক্ষাবিদ

    ১৯৭১ সালে ডক্টর সইফুদ্দিন জিলানিকে এক সাক্ষাৎকারে আরএসএসের দ্বিতীয় সংঘচালক এমএস গোলওয়ালকার বলেছিলেন, ভারতীয়করণ মানে সমস্ত মানুষকে হিন্দু ধর্মে রূপান্তরিত করা নয়। বরং আমরা সবাই উপলব্ধি করি যে আমরা এই মাটির সন্তান এবং আমাদের এই মাটির প্রতি আনুগত্য থাকতে হবে। আমরা সবাই একই সমাজের এবং আমাদের পূর্বপুরুষরা অভিন্ন। এটা বোঝাই প্রকৃত অর্থে ভারতীয়করণ।

    তিনি বলেছিলেন, ভারতীয়করণের অর্থ এই নয় যে একজনকে তাঁর ধর্মীয় ব্যবস্থা ছেড়ে দিতে বলা। আমরা এটা বলিনি, বলছিও না। বরং আমরা বিশ্বাস করি যে সমগ্র মানব সমাজের জন্য একটি ধর্মীয় ব্যবস্থা যথাযথ নয়। সংঘচালকের এই বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকরের বক্তব্যেও। ‘দ্য আরএসএস রোডম্যাপস টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি’ প্রবন্ধে তিনি বলেন, ভারতে মুসলিম ও খ্রিস্টান জনগোষ্ঠীর পূর্বপুরুষরাও হিন্দু জীবনধারা অনুসরণ করেছিলেন। আমাদের দেশে কয়েক হাজার বছর ধরে উপাসনার বিভিন্ন ধারা গড়ে উঠেছে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    তিনি বলেন, ভারতীয় হয়ে জন্ম নেওয়া মানে ভারতীয় সংস্কৃতির বংশধর হওয়া। তাঁর মতে, মাতৃভূমি কোন আঞ্চলিক মানচিত্র নয়, এটি একটি মহান আধ্যাত্মিক সত্তা। হিন্দু রাষ্ট্র মানেই যে মুসলিম বিরোধী, তা নয় বলেই জানান আম্বেকর। তিনি বলেন, হিন্দু রাষ্ট্র মুসলিম-বিরোধী নয়। হিন্দুত্বকে একটি সংকীর্ণ ধারণা হিসাবে উপস্থাপন করা একেবারেই ভুল।

    প্রায় একই ধরনের বক্তব্য উঠে এসেছে আরএসএস মতাদর্শ অনুসারী মনমোহন বৈদ্যের গলায়ও। ২০১৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ভারতে ঐতিহ্যগতভাবে আমরা বিশ্বাস করি যে সমস্ত ধর্ম একই গন্তব্যের দিকে নিয়ে যায়। তাই সব ধর্মই সমান। ভারতে ৯৯ শতাংশ মুসলমান এবং খ্রিস্টান ধর্মান্তরিত হয়েছেন। এঁদের উৎপত্তি ভারতে। আরএসএস সব ভারতীয়কেই হিন্দু বলে মনে করে। এঁরা এই জাতিকে তাঁদের মাতৃভূমি বলে মনে করেন এবং এর জন্য মরতেও প্রস্তুত। তাঁরা কোন বিশেষ পদ্ধতিতে উপাসনা করছেন, তা বড় কথা নয়, সংঘের চোখে তাঁরা সবাই হিন্দু।

    বস্তুত, আরএসএসের চোখে হিন্দু (Hindu) ও ভারতীয় (Indian) শব্দ দুটি সমার্থক। আসলে আরএসএসের লক্ষ্য হল ভারতকে (India) একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। সেই সুরই বারবার ধরা পড়েছে সংঘ প্রধানদের গলায়।

     

     

  • KIYG: ‘খেলো ইন্ডিয়া ইয়ুথ গেমস’-এ প্রথম সোনা জিতলেন ‘চাওয়ালা’র মেয়ে!

    KIYG: ‘খেলো ইন্ডিয়া ইয়ুথ গেমস’-এ প্রথম সোনা জিতলেন ‘চাওয়ালা’র মেয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেলো ইন্ডিয়া ইয়ুথ গেমস ২০২২ (Khelo India Youth Games 2022)- এ প্রথম সোনাটি জিতে নিলেন কাজল সারগার (Kajol Sargar)। মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) সাংলির মেয়ে কাজলের বাবা একটি ছোট চায়ের দোকান চালান। তিন বছর আগেও খেলার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক ছিল না কাজলের। তারপর দাদার সঙ্গে দেখা করতে রোজ জিমে যাওয়া শুরু করলেন। কাজলের দাদাও একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভারোত্তলক।

    প্রতিদিন জিমে যাওয়া-আসাতেও ক্রীড়ার ময়দানে আসার সম্ভবনা দেখা দেয়নি। কিন্তু একদিন হঠাতই সব বদলে গেল। ২০১৯ সালে নিজেরই এলাকার মেয়ে রূপা হাংগান্দিকে খেলো ইন্ডিয়া ইয়ুথ গেমসে সোনা জিততে দেখলেন। সেদিনই কাজল ঠিক করে নিয়েছিলেন, একদিন ওই পোডিয়ামে নিজেও দাঁড়াবেন। 

    আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ড্র করেও এশিয়া কাপ হকি ফাইনালের দোরগোড়ায় ভারত

    প্রতিযোগিতা জেতার পরে কাজল বলেন, “আমার দাদা আমার থেকে প্রায় ৫ বছরের বড়। খেলাধুলো নিয়ে কখনও দাদার সঙ্গে কথা হতো না।  রূপা হাংগান্দিকে দেখেই আমার ইচ্ছে জাগে। মনে হয় আমারও ভারোত্তলন করা উচিত।”

    ‘ময়ূর সিংহাসন’ থেকে প্রশিক্ষিত কাজল। মেয়েদের ৪০ কেজি ক্যাটেগরিতে ১২৩ কেজি ভারোত্তলন করেছেন তিনি। স্ন্যাচে ৬০ কেজি, ক্লিন এবং জার্কে ৬৩ কেজি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রেখামণি উত্তোলন করেছেন ১০৯ কেজি। স্ন্যাচ ৫২ কেজি, ক্লিন এবং জার্ক ৫৭ কেজি। তৃতীয় স্থানে থাকা অরুণাচল প্রদেশের সন্ধ্যা গাঙ্গুলি উত্তোলন করেছেন ১১ কেজি। স্ন্যাচ ৪৭ কেজি, ক্লিন এবং জার্ক ৬৩ কেজি।

    আরও পড়ুন: পেলের আরও কাছে নেইমার! দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫-১ গোলে হারাল ব্রাজিল 

    ২০২১ সালে পাতিয়ালায় ইউথ ন্যাশনালে ব্রোঞ্চ জিতেছিলেন কাজল। কিন্তু হাতে চোট পাওয়ার কারণে আগের ক্যাটেগরিতেই এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কাজল। কাজল বলেন, “আমি ৭০ কেজিতে অনুশীলনের চেষ্টা করছিলাম। হাতে চোট থাকায় আমি দু’মাস সবকিছুর বাইরে ছিলাম। ভুবনেশ্বরে জাতীয় প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করতে পারিনি।”  

    ভারতকে আন্তর্জাতিক ক্রিড়া স্তরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ভারত সরকারের অভিনব উদ্যোগ খেলো ইন্ডিয়া ইয়ুথ গেমস (KIYG 2022)। ৪ জুন এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মোট ২৫ টি বিষয় রয়েছে এই ক্রিড়া প্রতিযোগীতায়।  

    শুটিং, সাঁতার, টেনিস, টেবিল টেনিস, ঠ্যাং-টা, ভলিবল, ভারোত্তলন, কুস্তি, যোগাসন, আর্চারি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, বাসকেটবল, বক্সিং, সাইক্লিং, ফুটবল, গাটকা, হকি, জিমন্যাস্টিকস, জুডো, কাবাডি, কালারিপায়াত্তু, খোখো, লন বোলিং, মাল্লাখাম্ব। চণ্ডীগড়, দিল্লি, হরিয়ানায় আয়োজিত হয়েছে এই প্রতিযোগিতা। চলবে ১০ জুন অবধি।  

     

     

     

     

     

     

  • TMC 21 July: ২১ জুলাই ‘নো শাটডাউন’, মোবাইল বার্তায় নির্দেশ বিদ্যুৎ দফতরের

    TMC 21 July: ২১ জুলাই ‘নো শাটডাউন’, মোবাইল বার্তায় নির্দেশ বিদ্যুৎ দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এর আগে হাসপাতালে রক্ত মজুত রাখা হয়েছে, ধর্মতলায় রেলিং উপড়ে ফেলা, গাছ কাটা, আলো লাগানো, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, এলাকায় জীবাণু নাশক ছড়ানো সবই হয়েছে। এক প্রকার বাধ্য হয়েই মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার প্রায় সবই স্কুলই আগামীকাল ছুটি ঘোষণা করে দিয়েছে। 

    এর পর শেষ দফায় অন্য দফতরগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমে থেমে থাকল না বিদ্যৎ দফতরও। ২১ জুলাই রাজ্যের কোথাও শাটডাউন নেওয়া যাবে না। বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানির সমস্ত সার্কেল অফিস পর্যন্ত এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও লিখিত নির্দেশ নয়, বিদ্যুৎ ভবন থেকে কর্তারা ওয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে নীচ পর্যন্ত একথা জানিয়ে দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: একুশের সমাবেশ রাজনৈতিক না সরকারি অনুষ্ঠান? প্রশাসনিক ব্যস্ততা দেখে উঠছে প্রশ্ন

    বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার কর্মীদের একাংশের মতে, কখনও কখনও লোড বণ্টন, রুটিন মেরামত, লাইনের ধারে গাছ কাটা, বিদ্যুৎ লাইনে গোলমাল ধরা পড়লে লোডশেডিং করতে হয়। গ্রামেগঞ্জে রোজই কোথাও না কোথাও আধ-এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হয়। সাধারণত মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ঈদের সময় ‘নো শাটডাউন’ অর্ডার করা হয়। এই প্রথম শাসক দলের রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য এমন আপৎকালীন নির্দেশ জারি করা হল।

    কর্তাদের কেউ কেউ মশকরা করে বলেছেন, আসলে ২১ জুলাইকে কেন্দ্র করে যা কিছু প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার অধিকাংশই কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম করেছেন। বাকি স্বাস্থ্য বা পুলিশ দফতরের মন্ত্রী তো মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রয়েছেন। ফলে বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের কাজ দেখানো এবং নম্বর তোলার সুযোগ ছিল না। শেষ লগ্নে এসে বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা তাই ওয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে রাজ্যে কোথাও শাটডাউন নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: হাসপাতালগুলিতে মজুত রাখতে হবে রক্ত! ২১ জুলাইয়ের আগে সরকারি নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক

    যখন মমতার ভক্তকুল সকলেই প্রায় কলকাতামুখী সেখানে গ্রামে কোথায় লোডশেডিং হল তাতে কী এমন মহাভারত অশুদ্ধ হবে? এক কর্তার জবাব, এত প্রশ্ন করছেন কেন, স্বাস্থ্য দফতর সারা রাজ্যে সমস্ত হাসপাতালে রক্ত মজুত রাখার লিখিত নির্দেশ দিয়েছে, আর বিদ্যুৎ দফতর লোডশেডিংয়ে না করাতে ভুলটা কি করেছে?   

  • Sri Lanka Presidential Polls: শ্রীলঙ্কায় বিপুল ভোটে রাষ্ট্রপতি পদে জয়ী রনিল বিক্রমসিংহে

    Sri Lanka Presidential Polls: শ্রীলঙ্কায় বিপুল ভোটে রাষ্ট্রপতি পদে জয়ী রনিল বিক্রমসিংহে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) নয়া প্রেসিডেন্ট (New President) রনিল বিক্রমসিংহে (Ranil Wickremesinghe)। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে (Gotabaya Rajapaksa) দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর অ্যাক্টিং প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ চালাচ্ছিলেন রনিল বিক্রমসিংহে। বুধবার ভোটে প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হলেন তিনিই।

    বছর তিয়াত্তরের রনিল বিক্রমসিংহে ছ’বার দেশের প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) ছিলেন। ২২৫ জন সাংসদের মধ্যে ১৩৪ জনের ভোট পেয়েছেন তিনি। তার পরেই জয়ী ঘোষণা করা হয় তাঁকে। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এসএলপিপির-ই বিদ্রোহী সদস্য ডালাস আলাহাপ্পেরুমা। প্রাক্তন এই সাংবাদিকের পিছনে সমর্থন ছিল শাসক দলের বিক্ষুব্ধদেরও। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮২টি। লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন বামপন্থী নেতা আনুরা কুমার দিসানায়েকও। তিনি পেয়েছেন মাত্র ৩টি ভোট। ভোট শুরু হওয়ার আগে প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন দেশের প্রধান বিরোধী দল এসজেপি-র নেতা সাজিথ প্রেমদাসা। রনিল আপাতত ২০২৪-এর নভেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে থাকবেন। কারণ এই সময়ই রাষ্ট্রপতি হিসেবে গোতাবায়ার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে মোদিকে পাশে থাকার আবেদন শ্রীলঙ্কার বিরোধী নেতার

    আগে জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হতেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। তবে জরুরি ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হয়। ঠিক হয়, জনগণ নন, আপাতত সাংসদরাই ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন। সেই মতো কড়া নিরাপত্তায় ব্যালট পেপারে ভোট হয় এদিন। সংসদের ২২৫ জন সাংসদের মধ্যে ভোট দেন ২২৩ জন। ভোটদানে বিরত ছিলেন দুজন। যাঁরা ভোট দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে বাতিল হয় চারটি ভোট। বৈধ ভোটের সংখ্যা ২১৯টি। জানা গিয়েছে, ৪৪ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম সাংসদরা ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করলেন। ১৯৮২, ১৯৮৮, ১৯৯৪, ১৯৯৯, ২০০৫, ২০১০, ২০১৫ এবং ২০১৯ সালে জনগণ ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করেছিলেন। এবারই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করলেন সাংসদরা। 

    আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কা ছেড়ে মালদ্বীপ পালালেন রাষ্ট্রপতি, দায়িত্বে রনিল বিক্রমসিংহে, জরুরি অবস্থা জারি

    প্রসঙ্গত, চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার তলানিতে। যার জেরে বিদেশ থেকে আমদানি করা যাচ্ছে না জ্বালানি। জ্বালানির অভাবে প্রতিদিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। দ্রব্যমূল্যও আকাশ ছোঁয়া। এর পরেই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান জনতা। জনরোষের আঁচ পেয়ে রাতের অন্ধকারে স্ত্রীকে নিয়ে শ্রীলঙ্কা ছেড়ে পালান প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষে।

     

  • Maharasthra Crisis: বিজেপির সঙ্গে জোট গড়তে মোদির সঙ্গে কথা বলেছিলেন উদ্ধব ঠাকরে নিজে!  

    Maharasthra Crisis: বিজেপির সঙ্গে জোট গড়তে মোদির সঙ্গে কথা বলেছিলেন উদ্ধব ঠাকরে নিজে!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাবিকাশ আঘাড়ি (MVA) জোট সরকার তৈরি হওয়ার পর খোদ শিবসেনা (Shiv Sena) প্রধান উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। একথা জানালেন শিবসেনা সাংসদ রাহুল শেওয়ালে (Rahul Shewale)। তাঁর দাবি, এমভিএ জোট থেকে বেরিয়ে বিজেপির সঙ্গেই জোট করার পক্ষপাতী ছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

    শিবসেনা, কংগ্রেস, এনসিপিকে নিয়ে গড়া মহাবিকাশ আঘাড়ির জোট ছেড়ে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়তে চেয়েছিলেন শিবসেনার বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডে। তা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে তাঁর। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে উড়ে যান গুজরাটের সুরাট এবং পরে সেখান থেকে চলে যান বিজেপি শাসিত অসমে। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন শিন্ডে। পতন হয় উদ্ধব ঠাকরের সরকারের।

    রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীকে সমর্থন করে বিজেপিকে বার্তা উদ্ধব ঠাকরের?

    রাহুল শেওয়ালেও বর্তমানে শিন্ডে শিবিরের সৈনিক। এদিনই লোকসভায় রাহুলকে দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন স্পিকার ওম বিড়লা। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠকে বোমা ফাটান রাহুল। শিবসেনার এই বিদ্রোহী শিবিরের নেতার দাবি, আগেই বিজেপির সঙ্গে জোট হয়নি কারণ শিবসেনার বেশ কিছু সদস্য এর বিরোধিতা করেছিলেন। তাই ঠাকরেও আর সাহসী হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।

    তবে শিবসেনার সাংসদদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন বলেও দাবি রাহুলের। তাঁর দাবি, ২০২১ সালে এবিষয়ে ঠাকরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন। রাহুলের দাবি, শিবসেনা সাংসদদের নিয়ে একটি বৈঠকে ঠাকরে স্বয়ং জানিয়েছিলেন, গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছিলেন তিনি।

    রাহুল জানান, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই বিজেপির সঙ্গেই জোট গড়ার ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়েছিলেন ঠাকরে। তাঁর দাবি, এর পরেই ১২ জন বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়। ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের মনে হয়েছিল, ঠাকরে একদিকে তাঁদের সঙ্গে জোট চাইছেন, আবার অন্যদিকে বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এর পর আর সেনার তরফে ইতিবাচক কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই বিষয়টি নিয়ে বিজেপিও মুখ ফিরিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রাহুলের।

    আরও পড়ুন : শিবসেনায় ভাঙন ঠেকাতেই দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন উদ্ধব ঠাকরের, বলছে সমীক্ষা

     

  • Bhupinder Singh: প্রয়াত প্রখ্যাত গজল শিল্পী ভূপিন্দর সিং, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    Bhupinder Singh: প্রয়াত প্রখ্যাত গজল শিল্পী ভূপিন্দর সিং, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সঙ্গীত দুনিয়ায় নক্ষত্রপতন। লতা মঙ্গেশকর, বাপ্পি লাহিড়ী, কেকে-এর পর এবারে প্রয়াত গায়ক ভূপিন্দর সিং (Bhupinder Singh)। ভূপিন্দর সিংয়ের কণ্ঠ চিরকাল মনে থেকে যাবে শ্রোতাদের। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। সোমবার সন্ধ্যায় ৭টা ৪৫ মিনিটে মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিখ্যাত গজল শিল্পী। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। এছাড়াও তিনি কোলন ক্যান্সারে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন ও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরেও বিভিন্ন সমস্যা দেখা গিয়েছিল। শোকের ছায়া সঙ্গীত জগতে। তিনি চলে গেলেন কিন্তু রেখে গেলেন হিন্দি, বাংলা ভাষায় গাওয়া অজস্র গান।

    আরও পড়ুন: কেকে-এর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড তারকারা

    তাঁর বিখ্যাত গানগুলির মধ্যে ‘দিল ঢুন্ডতা হ্যায়’, ‘নাম গুম জায়েগা’, ‘এক অকেলা শহর মে’, ‘কিসি নজর কো তেরা ইন্তেজার আজ ভি হ্যায়’, ‘দো দিওয়ানে শহর মে’, ‘কারোগে ইয়াদ তো’, ‘কিসি কো মুকম্মল’, ‘থোড়ি সি জমিন’, ‘থোড়া আসমান’ ইত্যাদি। এই গানগুলো ভারতবাসীর মনে এমনভাবে ছাপ ফেলে গেছে, যা চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে।  তাঁর সঙ্গীত জগতে যাত্রা অল ইন্ডিয়া রেডিও থেকেই শুরু হয়েছিল। পরে দূরদর্শনের সঙ্গেও যুক্ত হন। তখন তাঁর কণ্ঠ মদন মোহন (Madan Mohan) শোনার পর সিনেমা জগতে গান করার প্রস্তাব দেন। তারপর মোহাম্মদ রাফী (Mohammad Rafi), মান্না দে (Manna Dey) তালাত মেহমুদের (Talat Mahmood) সঙ্গে ‘হাকিকত’ সিনেমায় কাজ করার সুযোগ পান। এই সিনেমার ‘হোকে মজবুর মুঝে’ গানটি বেশ সাড়া ফেলেছিল পুরো দেশজুড়ে। এরপর থেকেই পেশাদার সঙ্গীতশিল্পী যোগ দেন ভূপিন্দর সিং।

     তাঁর প্রয়াণে শোকাহত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শিল্পীর প্রয়াণে একটি টুইটের মাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “শ্রী ভূপিন্দর সিং জি-র প্রয়াণে গভীর ভাবে শোকাহত। বহু দশক ধরে উনি আমাদের স্মরণীয় গান উপহার দিয়েছেন। এই খারাপ সময়ে আমি মানসিকভাবে তাঁর পরিবারের এবং অনুরাগীদের পাশে আছি। ওম শান্তি।”  

    আরও পড়ুন: চোখের জলে শেষ বিদায়, মুম্বাইয়ের ভারসোভায় পঞ্চভূতে বিলীন কেকে

    [tw]


    [/tw] 

  • MS Dhoni: বিহারে ধোনির নামে এফআইআর! কী দোষ ক্যাপ্টেন কুলের?

    MS Dhoni: বিহারে ধোনির নামে এফআইআর! কী দোষ ক্যাপ্টেন কুলের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni)। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৮১৯ কোটি টাকারও বেশি। তাঁর বিরুদ্ধেই আনা হয়েছে ৩০ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ।

    সম্প্রতি বিহারের বেগুসরাইতে ধোনির (Dhoni) বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। ধোনি ছাড়াও আরও সাতজনের বিরুদ্ধে জমা পড়েছে লিখিত অভিযোগ। কৃষিকাজে ব্যবহৃত একটি সারের বিজ্ঞাপনে কাজ করে এই সমস্যায় জড়িয়েছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক (former India captain)। ঘটনার সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ না থাকলেও দুই সংস্থার ব্যবসায়িক সংঘাতের জন্য তাঁকেও যুক্ত করা হয়েছে মামলায়।

    নিউ গ্লোবাল প্রোডিউস ইন্ডিয়া লিমিটেড (NGPIL) নামে একটি সংস্থার বিরুদ্ধেই মূলত অভিযোগ উঠেছে। যাদের একটি চেক বাউন্স করেছে। আর সেই কোম্পানিরই প্রচারে দেখা গিয়েছে ধোনিকে। তাই অভিযোগপত্রে যুক্ত হয়েছে ক্যাপ্টেন কুলের নাম। ওই সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে এসকে এন্টারপ্রাইসেস (SK Enterprises)। বেগুসরাইয়ের আদালতের কাছে তাদের অভিযোগ, ৩০ লক্ষ টাকার একটি চেক বাউন্স হয়েছে।

    আরও পড়ুন: পেলের আরও কাছে নেইমার, দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫-১ গোলে হারাল ব্রাজিল

    ওই সংস্থার চেক বাউন্স হওয়ার পর তাদের আইনি নোটিস পাঠানো হয়। কিন্তু তার কোনও উত্তর দেয়নি অভিযুক্ত সংস্থা। টাকা না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়। তাই এসকে এন্টারপ্রাইসের নীরজ কুমার নিরালা এই ঘটনায় থানায় আটজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। তার মধ্যে রয়েছে ধোনির নামও।

    ওই সার সংস্থাটির প্রচারে শামিল হয়েছিলেন মাহি (Mahi)। তাই বিত্তবান ক্রিকেটার হওয়া সত্ত্বেও অভিযোগ উঠেছে তাঁর নামে। ২০২১ সালেও ধোনি আয় করেছেন ৭৪.৪৯ কোটি টাকা। বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৫০ কোটি টাকার বেশি। তাঁর গ্যারাজ সাজানো বহুমূল্য বাইক এবং গাড়িতে। তবু আইনি জালে জড়ালেন চেন্নাই সুপার কিংস (Chennai Super Kings) অধিনায়ক। সোমবার মামলাটি আদালতে পেশ করা হলে সেটি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অজয় কুমার মিশ্রর কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ জুন।

LinkedIn
Share