Blog

  • Qutub Minar Mosque: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    Qutub Minar Mosque: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু (Hindu) মন্দিরের (temple) জায়গায়ই গড়ে তোলা হয়েছিল মসজিদ (mosque)!

    কুতুবমিনার (Qutub minar) চত্বরে হিন্দু মন্দিরের প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি প্রাক্তন এএসআই (ASI) কর্তার। প্রাক্তন এএসআই ডিরেক্টর ডঃ অমরেন্দ্র নাথ এএসআইয়ের রিপোর্টের তথ্যগুলি সত্য বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্যগুলি সম্পূর্ণ সত্য।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির-জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্ক এখনও চলছে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির (Kashi Viswanath temple) ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে। তাঁরই নির্দেশে মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়েছিল। পরে রানি অহল্যবাই বর্তমান মন্দিরটি তৈরি করেন। ১৮০০ খিষ্টাব্দে নেপালের রানা মন্দির চত্বরে থাকা নন্দীমূর্তিটি মন্দির কর্তৃপক্ষকে উপহার দেন। মুসলমান সম্প্রদায়ের অনেকেই অবশ্য এই দাবি সমর্থন করেন না।

    আরও পড়ুন : অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    দেশজুড়ে যখন কার্যত চায়ের ঠেকে চলছে জ্ঞানবাপী চর্চা, ঠিক তখনই বিতর্ক দানা বেঁধেছে কুতুব মিনারকে নিয়ে। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, কুতুবউদ্দিন আইবক তৈরি করেছিলেন পেল্লাই মিনার। তাঁর নাম অনুসারে মিনারের নাম হয় কুতুব মিনার।

    এএসআইয়ের প্রাক্তন আঞ্চলিক পরিচালক ধরমবীর শর্মার দাবি, কুতুবউদ্দিন আইবক নন, কুতুব মিনার তৈরি করেছিলেন হিন্দু রাজা বিক্রমাদিত্য। সূর্যের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্যই তৈরি হয়েছিল মিনার। সেজন্য মিনারটি হেলে রয়েছে ২৫ ইঞ্চি।

    প্রাক্তন এএসআই ডিরেক্টর অমরেন্দ্র নাথ বলেন, ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান স্যার আলেকজান্ডার কানিংহামের তত্ত্বাবধানে ১৮৭১-৭২ সালে জেডি বেগলার এবং এসিএল কার্লেইল এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি মন্দিরের জায়গায় একটি মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল। কারণ মসজিদের ভিত্তি অনেক পুরনো। তারও আগে এখানে একটি মন্দির ছিল।

    আরও পড়ুন : খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    খননকার্যের সময় পাওয়া কাঠামোর বিন্যাসের বিশদ বিবরণ দিয়ে নাথ বলেন, তিনটি প্রধান স্তর দৃশ্যমান, যার মধ্যে মসজিদটি সবচেয়ে ওপরের স্তরে রয়েছে। তিনি বলেন, এটি (মসজিদ) ধ্বংসস্তূপের ওপর নির্মিত হয়েছিল। নাথের দাবি, স্মৃতিস্তম্ভের প্রাচীন লোহার স্তম্ভটি ‘গরুড় স্তম্ভ’ নামে পরিচিত ছিল। স্তম্ভটি পঞ্চম শতাব্দীর বলে মনে হয়। এই স্তম্ভে অনেক শিলালিপি আছে। সেখানে নিশ্চয়ই গরুড়ের মূর্তিও ছিল। তিনি বলেন, কালো পাথরের তৈরি বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর মতো হিন্দু দেবতাদের মূর্তিও মেহরাউলিতে পাওয়া গেছে। সেগুলি রাখা হয়েছে জাতীয় যাদুঘরে।

     

  • Vice President Election: মোদিকে পাশে বসিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জগদীপ ধনখড়ের

    Vice President Election: মোদিকে পাশে বসিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জগদীপ ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Modi)পাশে বসিয়ে উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) পদে মনোনয়নপত্র (Nomination) জমা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh), কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি (Nitin Gadkari), বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) এবং অন্যান্য বিজেপি নেতারা।  

    আরও পড়ুন: উৎসবের মেজাজে চলছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, দেখুন ভোট দিলেন কারা

    [tw]


    [/tw]

    জগদীপ ধনখড়ের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরেই ট্যুইট করেন মোদি। তিনি লেখেন, “বিভিন্ন দলের মন্ত্রী, সাংসদ, নেতারা শ্রী জগদীপ ধনখড়কে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সঙ্গ দিয়েছেন। আমি নিশ্চিত যে তিনি একজন চমৎকার এবং অনুপ্রেরণাদায়ী উপরাষ্ট্রপতি হবেন।” 

    আরও পড়ুন: জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন বিজেডি-এআইএডিএমকের, ইস্তফা দিলেন রাজ্যপাল

    [tw]


    [/tw] 

    গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা এনডিএ-র উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের নাম ঘোষণা করে সবাইকে চমকে দেন। বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে জগদীপ ধনখড়ের নাম গত তিনবছরে বারবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। ধনখড়ের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের তিক্ততা বার বার প্রকাশ্যে এসেছে। অবশেষে সেই জটিলতার অবসান। রবিবার রাতে বাংলার রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। সাময়িকভাবে বাংলার রাজ্যপালের পদ সামলাবেন মণিপুরের রাজ্যপাল এল গণেশন। ২০১৯ সালে ৩০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ধনখড়। আগামী ৬ অগাস্ট হবে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমানে দেশের উপরাষ্ট্রপতির পদ সামলাচ্ছেন ভেঙ্কাইয়া নাইডু।   

  • Kashmir killing: এখনও হয়নি বিয়ের অ্যালবাম! ছবিটাই সঙ্গী ছিল নিহত ব্যাঙ্ককর্মীর স্ত্রীর

    Kashmir killing: এখনও হয়নি বিয়ের অ্যালবাম! ছবিটাই সঙ্গী ছিল নিহত ব্যাঙ্ককর্মীর স্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও আসেনি বিয়ের অ্যালবাম। সবে তৈরি হয়েছে। তারই মধ্যে সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে মৃত্যু হল স্বামী। এখন শুধু স্বামীর ছবিটাই সঙ্গী কাশ্মীরে নিহত ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বিজয় কুমারের সদ্যবিধবা স্ত্রীর।

    সবে তিন মাস হল বিয়ে হয়েছিল। তার মধ্যেই সব শেষ। গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ে করেন ২৯ বছরের বিজয়। রাজস্থানের হনুমানগড়ের বাসিন্দা বিজয় কুমার মাত্র এক সপ্তাহ আগেই Elaqahi Dehati Bank-এর ম্যানেজার হিসাবে কুলগাম শাখায় যোগ দিয়েছিলেন। তিনি এর আগে কেন্দ্রীয় সরকার, জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন এবং স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সহ-মালিকানাধীন ব্যাঙ্কের কোকারনাগ শাখায় কর্মরত ছিলেন। উপত্যকায় প্রতিদিন অশান্তি বাড়ছে। আতঙ্কের পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অন্যত্র চাকরির চেষ্টাও করছিলেন। আগামী মাসের ১০-১৫ তারিখ নাগাদ রাজস্থানের বাড়িতে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু ভাগ্যের লিখন তখনও জানা ছিল না।

    আরও পড়ুন: ফের জঙ্গি-নিশানায় হিন্দু পণ্ডিত, কাশ্মীরে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে হত্যা

    বিজয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত তাঁর পরিবার। বাবা ওম প্রকাশ বেনিওয়াল স্কুলশিক্ষক। তিনি জানান, রাজস্থান বা তার আশেপাশে অন্য জেলায় ব্যাঙ্কে চাকরির খোঁজ করছিল বিজয়। তিনি বলেন, “বিজয় চলে আসতে চাইছিল। আমরাও ফিরে আসতে বলছিলাম। সম্প্রতি এখানকার একটি স্কুলে চাকরি নিশ্চিত হয়েছিল। জুলাইয়ের ১০-১৫ তারিখ ফেরার কথা বলেছিল। তা-আর হল না।” শুক্রবার বিজয়ের দেহ আসে তাঁর গ্রামের বাড়িতে। বিজয়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলট। 

    সাম্প্রতিককালে, বারবার জঙ্গিদের হাতে নিহত হতে হয়েছে কাশ্মীরে বসবাসকারী হিন্দুদের (Hindus Targeted in Kashmir)। তাই বাইরে থেকে সেখানে গিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়। সরকার ওখানকার পরিবেশ ঠিক করুক দাবি বিজয়ের বাবা বেনিওয়ালের। তিনি বলেন, “সকালে খেতে বসেছিলাম। তখনই খবরটা আসে। টিভি খবরে প্রথম ঘটনার কথা শুনি। বিশ্বাস করতে পারিনি। থানায় গিয়ে এ বিষয়ে নিশ্চিত হই। এই তো বিয়ে হল ছেলেটার। এখনও অ্যালবামই আসেনি।” গলা ধরে আসে সদ্য সন্তানহারা বাবার।

  • Horoscope Today, 03 June 2022: চাকরিজীবীদের জন্য আজ দিনটা কেমন? দেখুন আজকের রাশিফল

    Horoscope Today, 03 June 2022: চাকরিজীবীদের জন্য আজ দিনটা কেমন? দেখুন আজকের রাশিফল

    মেষ: আজ অযথা কোনও কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন। অর্থভাগ্য ভাল না থাকার আশঙ্কা। প্রেমের ব্যাপারে বড় অশান্তি আসতে পারে, সতর্ক থাকুন। চাকরিজীবীদের আজকের দিনটি স্বাভাবিক কাটার সম্ভাবনা। যাঁরা পার্টনারশিপে ব্যবসা করছেন, তাঁদের আজ কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। স্বাস্থ্য ভাল থাকতে পারে।

    বৃষ: আজ নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদন্নোতির সম্ভাবনা। বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে বাড়িতে আলোচনা হতে পারে। পুরনো ঋণশোধ নিয়ে অশান্তির আশঙ্কা। বাবার শরীর নিয়ে চিন্তা বৃদ্ধির সম্ভাবনা। আর্থিক পরিস্থিতি ঠিকঠাক থাকতে পারে। গলার কোনও সমস্যা হতে পারে। ঠান্ডা জিনিস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

    মিথুন: আজ ভাই-বোনদের সঙ্গে বিবাদ বা বিচ্ছেদও হতে পারে। প্রেমে নতুন মোড় আসতে পারে। বিবাহিতদের আজকের দিনটি খুব ভাল কাটতে পারে। কোনও ভাল খবর পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোনও নতুন ব্যবসার জন্য বাড়িতে আলোচনা। আয়ের নতুন উৎস পেতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে আজকের দিনটি মোটামুটি কাটতে পারে। দাঁতের কোনও সমস্যা হতে পারে।

    কর্কট: চাকরিজীবীদের আজকের দিনটি খুব ভাল কাটতে পারে। কর্মক্ষেত্রে আপনার অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে। ব্যবসায়ীরা আশানুরূপ ফলাফল পেতে পারেন। পরোপকার করতে গিয়ে সংসারের শান্তি ভঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা। সজ্জন ব্যক্তির সান্নিধ্যে সুখ পেতে পারেন। সন্তানের কাজের ফলে আনন্দ ও গর্ব বোধ হতে পারে। 

    সিংহ: আজ ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। চাকরিজীবীদের অফিসে আজ মাথা ঠান্ডা রাখতে হতে পারে। বিশেষ কোনও কাজ করায় সমাজে মর্যাদা লাভের সম্ভাবনা। লটারিতে হঠাৎ প্রাপ্তিযোগ। আর্থিক অবস্থা স্বাভাবিকের চেয়ে ভাল হতে পারে। ঘরের পরিবেশ শান্ত থাকার সম্ভাবনা। জলপথে ভ্রমণ না করাই ভাল।

    কন্যা: আজ চাকরিজীবীদের দিনটি স্বাভাবিক কাটতে পারে। নতুন ব্যবসায় বিনিয়োগে উন্নতির যোগ। অর্থের দিক দিয়ে আজকের দিনটি ভাল কাটতে পারে। বন্ধু এবং পরিবারের সঙ্গে খুব মজাদার সময় কাটাতে পারেন। জীবনসঙ্গীর সঙ্গে আপনার সম্পর্ক দৃঢ় হতে পারে। প্রতিবেশীর সঙ্গে শত্রুতার সম্ভাবনা। স্বাস্থ্য ভাল থাকতে পারে। 

    তুলা: আজ চাকরিজীবীদের বেতন সংক্রান্ত সমস্যা হতে পারে। আজ সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় অশান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। ব্যবসায়ীদের আজ বড় বিনিয়োগ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রেমে আপনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হতে পারে। বাড়িতে কারও বিয়ের প্রস্তাব আসতে পারে। বাড়িতে পরিবেশ ভাল থাকার সম্ভাবনা।

    বৃশ্চিক: চাকরিজীবীদের জন্য আজকের দিনটি খুব শুভ হতে চলেছে। পদোন্নতি হতে পারে। আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। ছোটো ব্যবসায়ীরা সরকারী প্রকল্প থেকে ভাল লাভ পেতে পারেন। পারিবারিক সুখ-শান্তি বজায় থাকার সম্ভাবনা। আজ আপনার কোনও উদ্দেশ্য সিদ্ধি হতে পারে। টাকা নিয়ে বিবাদের আশঙ্কা। 

    ধনু: অন্য দিনের তুলনায় আজ কাজের চাপ একটু বেশি হতে পারে। খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি লাভজনক হতে চলেছে। বাড়িতে নতুন কোনও অতিথি নিয়ে আনন্দে থাকতে পারেন। মাত্রাছাড়া জেদ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না, স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে। চিকিৎসায় খরচের সম্ভাবনা।

    মকর: চাকরিজীবীদের ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কর্মস্থল পরিবর্তনে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না। ব্যবসায়ীদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক দিক দিয়ে আজকের দিনটি খুব শুভ হতে পারে। পারিবারিক জীবনে সুখ-শান্তি থাকার সম্ভাবনা। সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদের আশঙ্কা। ভ্রমণের পরিকল্পনা এখন বন্ধ রাখুন। জলপথে বিপদের আশঙ্কা।

    কুম্ভ: আজ ব্যবসায় কোনও বিষয় নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। চাকরিজীবীদের দিনটা মোটামুটি যেতে পারে। কাজে দূরে যেতে হতে পারে। আইনি কোনও কাজ সাবধানে করুন। কোনও নিকটাত্মীয় শত্রুতা করতে পারেন। আর্থিক পরিস্থিতি ঠিকঠাক থাকবে। স্বাস্থ্যের যত্ন নিন। জীবনসঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক ভাল থাকার সম্ভাবনা। 

    মীন: চাকরিজীবীদের জন্য আজকের দিনটি খুব শুভ হতে পারে। আপনার কর্মজীবন নতুন দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। বন্ধুর কাছ থেকে কোনও বড় আঘাত পেতে পারেন। ব্যবসায়ীদের খুব ভেবেচিন্তে সব কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, অন্যথায় বড় ক্ষতি হতে পারে। শিল্পীদের জন্য খুব ভাল সময় আসতে পারে। বাড়ির পরিবেশ ভাল থাকার সম্ভাবনা। পেটের যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

  • Imran khan: “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    Imran khan: “তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান!” কেন এমন কথা বললেন ইমরান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (pakistan) অবিলম্বে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। বিস্ফোরক ইমরান খান (Imran khan)।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা তেহরিক-ই ইনসাফ (Pakistan Tehreek-e-Insaf) পার্টির প্রধান বলেন, পাকিস্তান এখন দেউলিয়া হওয়ার পথে। পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা হারালে তিন টুকরো হয়ে যাবে পাকিস্তান। যদি চলতি সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া না হয়, তাহলে এদেশ আত্মঘাতী হতে যাচ্ছে। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে তিনি যে এখনই ফিরে আসছেন না, এদিন তাও জানান ‘কাপ্তান’। তিনি বলেন, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ফিরে আসার মানে হবে ষড়যন্ত্র স্বীকার করে নেওয়া।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের কাজ বিশবাঁও জলে, কেন জানেন?

    ইমরানেরকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসে শাহবাজ শরিফের (Shehbaz Sharif) সরকার। ইমরানের দাবি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে দিন কয়েক আগে ইসলামাবাদে বিশাল জমায়েত করেন ইমরান। ওই জমায়েত ঠেকাতে চেষ্টার কসুর করেনি শাহবাজের সরকার। তার পরেও রোখা যায়নি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে। ইসলামাবাদের বুকে জনসভা করেন তিনি।

    ওই দিনই ইমরান জানিয়েছিলেন, তিনি এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি বলেন, আমি নিরঙ্কুশ ক্ষমতা ভোগ করিনি। ক্ষমতার প্রকৃত কেন্দ্রগুলি পড়ে রয়েছে অন্যত্র। সবাই জানে যে কোথায় আছে। ইমরান আরও বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের সরকার দুর্বল ছিল। তাই জোটসঙ্গী খুঁজতে হয়েছিল। তবে এরকম পরিস্থিতি আবার দেখা দিলে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনে নির্বাচন বেছে নেবেন বলেও জানান পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : অশান্ত পাকিস্তান! ৬ দিনের মধ্যে নির্বাচন ঘোষণা করতে শাহবাজ সরকারকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

    তাঁর সরকার ব্ল্যাকমেলের শিকার বলেও অভিযোগ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। ইমরান বলেন, আমাদের হাত বাঁধা ছিল। সব জায়গা থেকে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছিল। ক্ষমতা আমাদের সঙ্গে ছিল না। এর পরেই তিনি বলেন, আমরা দেখব তারা আমাদের আইনি ও সাংবিধানিক উপায়ে নির্বাচনের দিকে যেতে দেয় কিনা, অন্যথায় এই দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

    এদিকে, দেশের বিরুদ্ধে নগ্ন হুমকি দেওয়ায় বৃহস্পতিবার পূর্বসূরি ইমরান খানকে পাবলিক অফিসের জন্য অযোগ্য বলে অভিযুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। পাকিস্তানের বিভাজনের বিষয়ে কথা না বলতে তাঁকে সতর্কও করেন।

     

  • India Russia Trade: পণ্য বিনিময় পদ্ধতিতে এবার রাশিয়া থেকে সার আমদানি ভারতের

    India Russia Trade: পণ্য বিনিময় পদ্ধতিতে এবার রাশিয়া থেকে সার আমদানি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বালানির পর এবার রাশিয়া (Russia) থেকে সার আমদানি করবে ভারত (India)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Ukraine war) আবহে সারের (fertilizer) দাম বেড়েছে বিশ্বজুড়েই। তার আগেই রাশিয়া থেকে সার আমদানির ব্যাপারে আলোচনা চূড়ান্ত করে ফেলেছে নয়াদিল্লি (new delhi)। কেবল চলতি অর্থবর্ষই নয়, আগামী বেশ কয়েকটি অর্থবর্ষেও যাতে রাশিয়া থেকে সার আমদানি করা যায়, সেই ব্যবস্থাও পাকা করে ফেলেছে মোদি (Modi) সরকার।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের

    জ্বালানির মতো সারও আমদানি করতে হয় ভারতকে। কারণ ভারতের সিংহভাগ মানুষ কৃষিজীবী। তাই সারের জোগান অব্যাহত রাখা জরুরি। এদিকে কৃষ্ণসাগরের ওপর যুদ্ধের মেঘ কালো ছায়া ফেলেছে ভারতীয় অর্থনীতিতেও। দেশের ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের অর্থনীতির ১৫ শতাংশ কৃষি নির্ভর। এই আবহে ভূ-রাজনৈতিক জটিলতা কাটিয়ে রাশিয়া থেকে সার আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করা নিঃসন্দেহে ভারতের একটি বড় সাফল্য।

    জানা গিয়েছে, সার রফতানি করে ভারতের থেকে ডলারের বদলে অন্য কোনও মাধ্যমে মূল্য নেবে রাশিয়া। এ ব্যাপারে রুপি-রুবেল পদ্ধতি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে দুই দেশ। পাশাপাশি, বার্টার সিস্টেম (barter system) বা পণ্য বিনিময় পদ্ধতির মাধ্য়মেও ভারতকে সার দিতে রাজি পুতিনের দেশ। সেক্ষেত্রে, ভারতের থেকে চা, গাড়ির যন্ত্রাংশের মতো জিনিসপত্রের বদলে সার দেবে রাশিয়া। ভারত থেকে কৃষিপণ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জামও আমদানি করবে পুতিনের দেশ।

    অস্ট্রিয়ান পররাষ্ট্র নীতি থিঙ্কট্যাঙ্ক এআইইএসের (AIES) পরিচালক ভেলিনা চাকারোভার মতে, ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সার আমদানিকারী দেশ। তারা রাশিয়া থেকে ১ মিলিয়ন টন ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট এবং পটাশ আমদানি করবে। প্রতি বছর প্রায় ৮ লক্ষ টন নাইট্রোজেন, ফরফরাস এবং পটাশিয়ামও আমদানি করবে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে ছয় মাসের চুক্তি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থাগুলির

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে বিশ্বজুড়েই লেগেছে মূল্যবৃদ্ধির আঁচ। প্রত্যাশিতভাবেই দাম বেড়েছে সারেরও। এহেন আবহে ২১ মে মোদি সরকার ঘোষণা করেছিল, কৃষকদের মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে বাঁচাতে সরকার সারে ১.১০ লক্ষ কোটিরও বেশি টাকা ভর্তুকি দেবে। অতিরিক্ত বরাদ্দের জেরে বর্তমান অর্থবর্ষে সরকারে মোট সার ভর্তুকির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ২.১৫ লক্ষ কোটিতে।

    বিষয়টি ট্যুইট করে জানিয়েছিলেন নির্মলা সীতারামণ। তিনি লিখেছিলেন, বিশ্বব্যাপী সারের দাম বাড়লেও, আমরা আমাদের কৃষকদের এই ধরনের মূল্যবৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা করেছি। বাজেটে ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকার সার ভর্তুকি ছাড়াও, আমাদের কৃষকদের আরও উপকার করার জন্য অতিরিক্ত ১.১০ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে।

    সার নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের আলোচনা হয়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে। তার পরের মাসেই জর্ডনের বিনিয়োগ মন্ত্রী খেরি ইয়াসের আবদেল-মনিম আমরের নেতৃত্বে জর্ডনের এক প্রতিনিধি দল আসেন ভারতে। এ দেশে ফসফেটিক ও পটাশ সার এবং কাঁচামাল সরবরাহের জন্য কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সার মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যর সঙ্গে আলোচনাও করেছেন তাঁরা। সরকারি একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২.৭ মিলিয়ন টন এমওপি বার্ষিক সরবরাহের জন্য জর্ডনের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদী সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাপী মোট সারের প্রায় ১৩ শতাংশ উৎপন্ন হয় রাশিয়ায়। ভারতের একটি প্রধান সার সরবরাহকারী দেশও এটি। 

     

  • Rajnath Singh: এধরনের যুদ্ধজাহাজ আত্মনির্ভরতার প্রতীক, স্টেলথ ফ্রিগেটের উদ্বোধনে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: এধরনের যুদ্ধজাহাজ আত্মনির্ভরতার প্রতীক, স্টেলথ ফ্রিগেটের উদ্বোধনে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভ্যন্তরীণ হোক বা আন্তর্জাতিক— ভারত মহাসাগর অঞ্চলে যে কোনও সমস্যার মোকাবিলা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে দেশের নৌসেনাকে। শুক্রবার কলকাতায় যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধনে এসে এমনটাই জানালেন রাজনাথ সিং। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বললেন, গোটা মহাসাগরীয় অঞ্চলে সকলের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। 

    গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স নির্মিত ভারতীয় নৌসেনার অত্যাধুনিক স্টেলথ ফ্রিগেট ‘আইএনএস দুনাগিরি’-র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ। তিনি বলেন, বিশ্বের পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। সেই অনুযায়ী, ভারতের পরিকাঠামো উন্নত করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমাগত প্রবর্তিত হচ্ছে। ভারত মহাসাগরীয় ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চান, দেশের জলসীমান্তকে সুরক্ষিত ও সংরক্ষিত রাখতে নৌসেনা, উপকূলরক্ষী বাহিনী সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও পরিকাঠামো উন্নত থেকে উন্নততর করা হোক।

    আরও পড়ুন: শুক্রবার কলকাতার গার্ডেনরিচে অত্যাধুনিক স্টেলথ ফ্রিগেটের উদ্বোধন, থাকবেন রাজনাথ, নৌসেনা প্রধান

    রাজনাথ বলেন, এধরনের অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ ভারতের আত্মনির্ভরতার প্রতীক। এই জাহাজ ভারতের সক্ষমতা প্রমাণ করে। নৌসেনার শক্তি প্রদর্শন করে। তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার সংকল্প নিয়েছেন, তা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর ফলে, দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এক বিরাট পরিবর্তন আসবে।  

    এদিন যে জাহাজের উদ্বোধন হল, তা প্রোজেক্ট ১৭-আলফা (Project 17-Alpha)-র অন্তর্গত। প্রথম স্টেলথ ফ্রিগেটের নাম ‘আইএনএস নিলগিরি’। পি ১৭-এ (P-17A) ফ্রিগেট ঘরানার এটি হতে চলেছে চতুর্থ জাহাজ। এই প্রকল্পের আওকায় মোট সাতটি জাহাজ তৈরি হচ্ছে। জাহাজগুলি নির্মাণ করছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডক লিমিটেডে (MDL) ও কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স (GRSE)। এর আগে, ২০২০ সালে প্রথম জাহাজ গার্ডেনরিচে তৈরি হওয়া এই প্রকল্পের দ্বিতীয় জাহাজ ‘আইএনএস হিমগিরি’ (INS Himgiri) স্টেলথ ফ্রিগেটের উদ্বোধন হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: মার্কিন এফ-১৮ না ফরাসি রাফাল! শীঘ্রই সিদ্ধান্ত ভারতীয় নৌবাহিনীর

    রাজনাথের পাশাপাশি এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার। তিনি বলেন, ভারতীয় জলসীমা সুরক্ষিত করার পাশাপাশি ভারতীয় নৌসেনার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হল দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি সুনিশ্চিত করা। তিনি মনে করিয়ে দেন, এই যুদ্ধজাহাজ তৈরি করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৩ হাজার স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। 

  • Coal Scam: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের তলব মলয় ঘটককে! ইডির সমন বাঘমুণ্ডির তৃণমূল বিধায়ককেও

    Coal Scam: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের তলব মলয় ঘটককে! ইডির সমন বাঘমুণ্ডির তৃণমূল বিধায়ককেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal scam case) ফের রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। এই নিয়ে চতুর্থবার তাঁকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডির তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক সুশান্ত মাহাতোকেও (Sushanta Mahato)। তাঁদেরকে শুক্রবার সকাল ১১টায় দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

    ইডি সূত্রে খবর, কয়লা পাচার কাণ্ডে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সামনে রেখেই তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক এবং মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একাধিক সাক্ষীর বয়ানে মলয় ঘটকের নাম উঠে এসেছে। মলয় ঘটককে আগেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তিনবার। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তথ্য মিলছে না। তিনি কিছু গোপন করছেন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তাই আবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: চেকপোস্টে আটকে কয়লা, “ভাইপো ভ্যাটে”র অপেক্ষায়? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর, কয়লা পাচার কাণ্ডের আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি যাচাই করতে গিয়ে সুশান্ত মাহাতোরও নাম মিলেছে। এমনকী অনুপ মাজি তথা লালার দফতরে হানা দিয়ে যে নথি মেলে সেখানে পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডির বিধায়কের নাম রয়েছে। এই কারণে তাঁকেও তলব করা হয়। প্রয়োজনে সুশান্ত মাহাতো এবং মলয় ঘটককে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হতে পারে। সুশান্ত মাহাতো পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডির বিধায়ক। আর লালার বাড়ি এবং কর্মস্থল ওই এলাকায়। সেখানে একাধিক খনি রয়েছে। সুতরাং একটা যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তাই জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চান তাঁরা। 

    গতবছর ১৬ সেপ্টম্বর পুরুলিয়ায় এক সাংগঠনিক সভায় গিয়েও সুশান্তর কয়লা কাণ্ডে জড়িত থাকা নিয়ে সরব হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এমনকী গত ১১ জুন  পুরুলিয়ার বলরামপুরে জনসভা করতে গিয়েও বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, কয়লা পাচারকাণ্ডে সুশান্তর যোগ আছে। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ সত্যি কিনা, তা ইডির জেরার পরেই বোঝা যাবে। তবে, যা রটে,তার কিছুটা তো বটে, অভিমত রাজনৈতিক মহলে।

  • Bihar Gold Mine: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    Bihar Gold Mine: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের জামুই (Jamui) জেলার করমটিয়া গ্রাম। অনুর্বর জমি, ধু ধু প্রান্তর। চাষ-আবাদ হয় না বলে বিশেষ লোকজনও থাকে না এই এলাকায়। কিন্তু এই অনুর্বর জমিই হয়ে যেতে পারে কুবেরের ধন। বদলে দিতে পারে গোটা দেশের অর্থনীতি। সম্ভবত, এই মাটির নীচেই লুকিয়ে আছে দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনি (Gold mine)। জামুই জেলার কর্মটিয়া (Karmatia) গ্রামে যে দেশের সবচেয়ে বড় সোনার খনি (India’s largest gold reserve) আছে, সেই জল্পনা বহুদিনের। কিন্তু এবার সরকারও সেই জল্পনাকে আমল দিয়ে জামুইয়ে সোনার খনি খোঁড়ার প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি দিয়েছে।    

    প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, জামুইয়ে এই সোনার খনিতে (Jamui gold mines) প্রায় ২৩ কোটি টন সোনার আকরিক আছে। এছাড়া রয়েছে ৩৭.৬ টন উৎকৃষ্ট খনিজ। এই বিপুল পরিমাণ আকরিক সোনা থেকে প্রচুর ধাতব সোনা তৈরি করা যেতে পারে। এছাড়াও এর সঙ্গে বহু ধরনের পণ্যদ্রব্য তৈরি হবে।

    ভারতে ইউনিকর্ন স্টার্টআপের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    এই বিপুল পরিমাণ সোনার হদিশ যদি সত্যিই পাওয়া যায়, আর সেটা যদি বাজারে আসে, তাহলে সোনার দাম রাতারাতি অনেকটা কমে আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জেলা সদর থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই কর্মটিয়া গ্রাম৷ এর আগে ১৯৮২ সালেও এই কর্মটিয়া গ্রাম শিরোনামে এসেছিল৷ সেই সময়ও এই অঞ্চলে সোনার খনির খবর সামনে এসেছিল৷ যদিও তখন প্রশাসন তাতে গুরুত্ব দেয়নি।         
     
    ২০১১ সালেও আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) তরফে ওই এলাকায় খননের কাজ শুরু হয়৷ কিন্তু খরচ অত্যাধিক হওয়ায় বিষয়টি তখন স্থগিত হয়ে যায়৷ এর প্রায় দশ বছর পরে ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় খনন মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Prahlad Joshi) নতুন করে ওই এলাকায় খননের তোড়জোড় করেন। সংসদে তিনিই জানান, বিহারেই দেশের সবচেয়ে বড় সোনার খনিটি আছে। লিখিত প্রশ্নের জবাবে খনি মন্ত্রী জানান, বিহারে ২২২.৮৮৫ মিলিয়ন টন ধাতব সোনা আছে। যা কিনা গোটা দেশের ৪৪ শতাংশ সোনার সমান। তবে, কেন্দ্রের তরফে শেষপর্যন্ত আর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এবার উদ্যোগী হয়েছে বিহার সরকার।  

    আরও পড়ুন: এ কি কাণ্ড আমাজনের! প্লাস্টিকের বালতি, মগ বিক্রি হচ্ছে ২৬ হাজার টাকায়!

    বিহারের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হরজ্যোত কৌর বামরাহ জানিয়েছেন, “বিহার সরকার এই খনির প্রাথমিক অন্বেষণের প্রক্রিয়ায় ছাড়পত্র দিয়েছে। আমরা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে একটি মউ স্বাক্ষর করব। প্রাথমিকভাবে আমরা তৃতীয় স্তরের অন্বেষণ করব। যেটা একেবারেই প্রাথমিক অন্বেষণ। সেই প্রক্রিয়া শেষ হবে মাসখানেকের মধ্যেই। তারপর দ্বিতীয় স্তরের অন্বেষণ শুরু হবে।” কৌর আরও জানিয়েছেন, জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI) এবং আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) দেওয়া তথ্য মেনেই কর্মটিয়া, ঝাঝা এবং সোনো এলাকায় অন্বেষণ চালানো হবে। 

    জানা গিয়েছে করমাটিয়া, ঝাঝা এবং সোনো এলাকায় খনির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। মাওবাদী অধ্যুষিত এই এলাকায় যে সোনার খনি থাকতে পারে এই ধারণা কারোরই ছিল না। ৪০ বছর লেগেছে এই এলাকায় সোনার খনির সন্ধান পেতে। তাও মূলত ‘পিঁপড়ে’-এর সৌজন্য। অনেকে বলে থাকেন, এই এলাকায় আগে একটা বড় বট গাছ ছিল। পিঁপড়ের দল রোদের দাবদাহ থেকে বাঁচতে ওই গাছে নীচে বাসা তৈরি করতে খুঁড়তে শুরু করে। তখনই স্থানীয়রা মাটির সঙ্গে হলুদ রঙের ছোট ছোট কিছু বস্তু দেখতে পান। তখন থেকেই এই সোনার খনির বিষয়টি নজরে আসে।  

    এই মুহূর্তে দেশের মধ্যে কর্নাটকেই (Karnataka) সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সোনা পাওয়া যায়। এর আগে ১৯৯৯ সালে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রতে (Sonbhadra) সোনার খনির সন্ধান পাওয়া যায়। সেখান থেকে ৩,৫০০ টন সোনা পাওয়া যায়। যদিও অনেকেই বলেন ৩,৫০০ টন সোনা পাওয়ার কথা নিতান্তই গুজব। আদতে ১৬০ কিলোগ্রাম সোনা পাওয়া গিয়েছিল।

     

     

     

     

  • Sri Lanka crisis: শ্রীলঙ্কায় জরুরি ব্যবস্থা জারি রনিল বিক্রমাসিংঘের, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই গোতাবায়া

    Sri Lanka crisis: শ্রীলঙ্কায় জরুরি ব্যবস্থা জারি রনিল বিক্রমাসিংঘের, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই গোতাবায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থনৈতিক সংকটের মোকাবিলা করতে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রোহ ঠেকাতে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) নতুন করে জরুরি অবস্থা জারি করলেন অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংঘে (Acting President Ranil Wickremesinghe)। তিনি বলেছেন, দেশবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জরুরি পরিষেবার সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এই পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় ছিল।

    এদিন তিনি রাজনৈতিক দলগুলিকে নিজ নিজ বিভেদ সরিয়ে রেখে সর্বদলীয় সরকার গঠন করার করার আহ্বান জানান। দ্বীপরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচত করতে শনিবার থেকেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে সেদেশের পার্লামেন্ট। সিঙ্গাপুরে আশ্রয় নেওয়া গোতাবায়া রাজাপক্ষে (Gotabaya Rajapaksa) প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইস্তফা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শ্রীলঙ্কার কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট হন রনিল। আসন্ন নির্বাচনে তিনিই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী ২০ তারিখ ভোটাভুটি হওয়ার কথা। 

    আরও পড়ুন: আশ্রয় দেবে না ভারত, কোথায় যাবেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া?

    শ্রীলঙ্কার এই চরম সংকটে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সহ কয়েকটি মিত্র রাষ্ট্র। এদিনই দ্বীপরাষ্ট্রে পৌঁছেছে জ্বালানি। দেশে চরম আর্থিক দুরবস্থার জেরে খাদ্য থেকে শুরু করে সার ও ওষুধ আমদানি করার ক্ষমতা নেই প্রশাসনের। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের থেকে সাহায্য নিয়ে কথাবার্তা চলছে শ্রীলঙ্কার।

    এদিকে, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই সদ্যপ্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া। তাঁর থাকার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হবে না বলে একপ্রকার জানিয়ে দিয়েছে সিঙ্গাপুর প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার মালদ্বীপ থেকে বিশেষ বিমানে করে সিঙ্গাপুরে পৌঁছন গোতাবায়া। তাঁর সফরকে ব্যক্তিগত বলে উল্লেখ করে সিঙ্গাপুর সরকার। সেদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, গোতাবায়া সেখানে আশ্রয় চাননি বা তাঁকে আশ্রয় দেওয়াও হয়নি। 

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন?

    শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে (Sri Lanka Crisis) সর্বদলীয় বৈঠকে (All-Party Meeting) ডাক দিয়েছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার হতে চলেছে সেই বৈঠক। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। 

     

LinkedIn
Share