Blog

  • Thanjavur Temple News: তামিলনাড়ুতে ধর্মীয় শোভাযাত্রায় তড়িদাহত হয়ে ১১ জনের মৃত্যু

    Thanjavur Temple News: তামিলনাড়ুতে ধর্মীয় শোভাযাত্রায় তড়িদাহত হয়ে ১১ জনের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথে করে দেবীর মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রায় বেরিয়ে তড়িদাহত হয়ে মারা গেলেন ১১ জন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে দুই শিশুও। আহত হয়েছেন বেশ কয়েক জন। বুধবার ভোরে তামিলনাড়ুর থাঞ্জাভুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

    প্রতি বছরই এই সময়ে এই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বিপদ এড়ানোর জন্য ওই রথযাত্রা চলাকালীন সাধারণত বিদ্যুৎ সরবরাহকারী তারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা থাকে৷ কিন্তু এবার রথের উচ্চতা বেশি না হওয়ায় সেটি তার পর্যন্ত পৌঁছবে না ভেবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়নি৷ কিন্তু রথ সাজানোর সময় সেটির উচ্চতা বেড়ে যায়৷ যার পরিণতিতে সেটি বিদ্যুৎবাহী তারের সংস্পর্শে এসে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে৷ দুর্ঘটনার সময়ের একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎবাহী তারের সংস্পর্শে এসে গোটা রথটিই পুড়ে গিয়েছে৷

    পুলিশ সূত্রে খবর, ভোররাতে কালিমেড়ু গ্রামের আপ্পার মন্দিরের কাছে গলির মুখে বাঁক নেওয়ার সময় একটি হাইটেনশন বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে ঘষা লাগে শোভাযাত্রা নিয়ে বেরনো রথটির। মুহূর্তে পুরো রথটি তড়িদাহত হয়ে পড়ে।

    [tw]


    [/tw]

    রথের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কিছু ভক্ত। শিশু-সহ মোট ১১ জনের মৃত্যু হয় ওই ঘটনায়। আহতের সংখ্যা ১৫। পুলিশ জানিয়েছে, আহতদের থাঞ্জাভুর মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিজনকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর৷ আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে৷ নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিন নিহতদের পরিবার পিছু পাঁচ লাখ টাকা করে দেওয়ার কথা জানান। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন তিনি।

     

  • Hindu Rituals: বাড়িতে তুলসী মঞ্চ সঠিক নিয়মে রেখেছেন তো? নয়তো হতে পারে অমঙ্গল!

    Hindu Rituals: বাড়িতে তুলসী মঞ্চ সঠিক নিয়মে রেখেছেন তো? নয়তো হতে পারে অমঙ্গল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু শাস্ত্র মতে তুলসি পাতা ও তুলসি গাছ খুবই পবিত্র। দেব-দেবীর পুজোয় তুলসি পাতা ব্যবহার করা হয়। তুলসি গাছের যেমন অলৌকিক গুণ আছে তেমনই ভেষজ বিদ্যায় তুলসী গাছ ও পাতার গুরুত্ব অপরিসীম।

    হিন্দুধর্মে তুলসী গাছকে দেবী হিসেবে পুজো করা হয়। তুলসীকে লক্ষীর অবতার বলে মনে করা হয়। পুরাণে বলা আছে, যে বাড়িতে তুলসী গাছ রয়েছে এবং নিয়মিত তার পুজো করা হয়, সেই বাড়িতে কখনও হঠাৎ শোকের ছায়া নামে না। সেই সংসার সব সময় সুখ শান্তি থাকে। 

    বাড়িতে তুলসী মঞ্চ রাখার বা তুলসী গাছে জল ঢালার সঠিক কিছু নিয়ম বা মন্ত্র আছে। যদি সেই সঠিক নিয়মে মেনে চলা যায়, তা হলে বাড়িতে কোনও বিপদ সহজে আসতে পারবে না। অন্যথায় হতে পারে অমঙ্গল।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে শঙ্খ আছে! সঠিক ব্যবহারের নিয়ম জানেন তো?

    বাড়িতে তুলসী গাছ ও তুলসী মঞ্চ রাখার সঠিক নিয়ম যা মানতেই হবে—

    • বাড়িতে বেশ কিছুটা উঁচু স্থানে তুলসী গাছ রাকা দরকার। চলার পথের থেকে কিছুটা উঁচুতে। কোনও মঞ্চের উপর থাকলে তা আরও ভাল।
    • তুলসী গাছ বাড়িতে রাখলে তবে তার প্রতিদিন পুজো করতে হবে, তাতে জল ঢালতে হবে। প্রতি সন্ধ্যেবেলায় তুলসী মঞ্চে প্রদীপ জ্বালতে হবে।
    • তুলসী মঞ্চ সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। অন্য কোনও গাছ তুলসী মঞ্চে রাখা চলবে না। 
    • তুলসী গাছ সব সময় বিজোড় সংখ্যায় রাখতে হবে। যেমন-তিনটি, পাঁচটি। এই গাছের পাশে কোনও কাঁটা জাতীয় গাছ রাখা যাবে না।
    • সন্ধ্যের পর তুলসী গাছ স্পর্শ করা যাবে না। এমনকি, সন্ধ্যা বাতি দেওয়ার পর আর তুলসী গাছ স্পর্শই করা যাবে না।
    • এছাড়া বিশেষ কিছু তিথিতে তুলসী পাতা তোলা যাবে না। একাদশী, সূর্যগ্রহণ এই দিনগুলিতে কোনও ভাবেই তুলসী পাতা ছেঁড়া চলবে না।
    • তুলসী গাছ সব সময় উত্তর-পূর্ব দিকে রাখতে হবে। একইসঙ্গে তুলসি গাছের নীচে একটি শালগ্রাম শিলা পাথর রাখুন।
    • শালগ্রাম শিলাকে ভগবান বিষ্ণুর স্বরূপ বলে মনে করা হয়। তাই যে বাড়িতে তুলসির সঙ্গে শালগ্রাম শিলা থাকে সেই বাড়িতে কখনও টাকার অভাব হয় না।
    • তুলসী গাছ শুকিয়ে গেলে বা মরে গেলে যেখানে সেখানে না ফেলে কোনও জলাশয়ে ফেলতে হবে।
    • বাস্তুতে কখনোই মরা তুলসী গাছ রাখা চলবে তা। তা খুবই অমঙ্গলজনক বা অশুভ।
    • ভাইরাস বা যে কোনও সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রতিদিন ২টি করে তুলসী পাতা খান। 
    • এই কয়েকটি নিয়ম মেনে যদি বাড়িতে তুলসী গাছ রাখতে পারেন, তবে সহজেই সংসারে ফিরে আসবে সুখ ও সমৃদ্ধি।

    আরও পড়ুন: ঘরের সামনে ঝুলছে লেবু লঙ্কা! আছে আশ্চর্য এক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

  • Terror funding case: জঙ্গি দমনে কঠোর এনআইএ, উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি 

    Terror funding case: জঙ্গি দমনে কঠোর এনআইএ, উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি দমনে উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। উত্তর কাশ্মীরে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাস ঠেকাতেই এদিন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং এনআইএ শ্রীনগরের বেশ কিছু অঞ্চলে যৌথ অভিযান চালায়।  সন্ত্রাসে অর্থ যোগানো মামলার জেরেই এই তল্লাশি চলছে বলে আধিকারিক সূত্রে খবর।

    এদিন এনআইএ  শ্রীনগরের ৩টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। বুধবারও তল্লাশি অভিযান চলেছিল বারামুলা ও হান্দওয়াড়ায়। তল্লাশি অভিযানে প্রচুর তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে বলে সূত্রের খবর। বেশ কিছু মোবাইল ফোন, ল্যাপটপও আটক করা হয়েছে। তল্লাশি অভিযানে এনআইএ-এর সঙ্গে ছিল সিআরপিএফ (CRPF) এবং রাজ্য পুলিশ। পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের (Pakistan Occupied Kashmir) সঙ্গে ব্যবসায়ী যোগ রয়েছে, এমন অনেক জায়গায়  তল্লাশি চালানো হয়।

    আরও পড়ুন: জেএমবি জঙ্গি-যোগের খোঁজে ৩ রাজ্যে হানা এনআইএ-র

    অভিযোগ, সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র তো ঢুকছেই, উপত্যকার জঙ্গিদের কাছে আর্থিক সাহায্যও পৌঁছে যাচ্ছে সঠিক সময়। সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দিচ্ছে কারা বা কোন সংগঠন, খোঁজ করতেই এদিন সকালে জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। গোয়েন্দাদের অনুমান, উপত্যকায় অশান্তি জিইয়ে রাখতে টাকা পাঠাচ্ছে পাক জঙ্গিরা। বিশেষত, লস্কর-ই-তৈইবা। ২০০৮ সাল থেকেই এই অভিযোগের তদন্তে নেমেছে এনআইএ।  জম্মু-কাশ্মীরের পাশাপাশি দিল্লি,হরিয়ানা-সহ বিভিন্ন রাজ্যেও  তল্লাশি চালিয়েছে এনআইএ। 

    সূত্রের খবর, উপত্যকা জুড়ে জঙ্গি নিকেশ অভিযানে আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে চলছে কেন্দ্র সরকার। জানুয়ারি থেকে জুন। ২০২২-এর প্রথম ছ’মাসেই জম্মু ও কাশ্মীরে শতাধিক জঙ্গিকে খতম করেছে ভারতীয় সেনা। তার মধ্যে অন্তত ৩০ জন পাকিস্তানি জঙ্গি। ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, এখনও কাশ্মীর উপত্যকায় অন্তত ১৫৮ জন জঙ্গি লুকিয়ে আছে। তাদের সন্ধানে চলছে চিরুনি তল্লাশি। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে আত্মগোপন করে থাকা জঙ্গিদের মধ্যে অধিকাংশই লস্কর-ই-তৈবার। তাদের মতে ৮৩ জন লস্কর জঙ্গি উপত্যকায় লুকিয়ে। আসন্ন অমরনাথ যাত্রায় বিঘ্ন ঘটানোই জঙ্গিদের লক্ষ্য বলেও গোয়েন্দা সূত্রে জানা যাচ্ছে।

  • Rahul Gandhi: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে জেরা রাহুলকে

    Rahul Gandhi: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে জেরা রাহুলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে জেরা করা হল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে। ইডি সূত্রে খবর, ডেটেক্স প্রাইভেট লিমিটেড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁকে। ইডি সূত্রে খবর, তাঁকে ফের তলব করা হতে পারে। সোমবার রাহুল গান্ধীর ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিল্লি। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সত্যাগ্রহ মিছিলের আয়োজন করেছিল কংগ্রেস (Congress)। পুলিশ তাদের পথ আগলায় বলে অভিযোগ। কংগ্রেস ও পুলিশ কর্মীদের বচসার জেরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি রাজধানীতে। প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) এদিন ইডি (ED) দফতরে হাজির হন রাহুল। পায়ে হেঁটেই তিনি পৌঁছান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে। 

    রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ইডি দফতরে হাজির হন রাহুল। ডটেক্স প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সেল কোম্পানির বিষয়ে রাহুল কিছু জানেন কিনা, তা জানতে চান তদন্তকারীরা। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া উত্তরের প্রেক্ষিতেই পরে জেরা করা হবে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে। এদিন সকাল থেকেই দিল্লির রাজপথে রাহুলের সমর্থনে স্লোগান দিতে শুরু করেন কংগ্রেস কর্মীরা। ঘটনার জেরে কংগ্রেস সদর দফতরের সামনে মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ কর্মী। অশান্তির আঁচ যাতে না লাগে, তাই জোরদার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল ইডি দফতরেও। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল ইডি অফিস। 

    কংগ্রেসের এই সত্যাগ্রহ মিছিলের অনুমতি না থাকায় পুলিশ একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে। কংগ্রেস সদর দফতরের বাইরে থেকেই প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে। দিল্লি পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেস কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয় বলেও অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, কংগ্রেস কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবেই আন্দোলন করছিলেন। তাঁরা রাহুল গান্ধীর সমর্থনে জড়ো হয়েছিলেন। অধীরের প্রশ্ন, আমরা কী কোনও বেআইনি কাজ করেছি? এদিকে, রাহুলের ইডি দফতরে হাজিরাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের প্রতিবাদ প্রদর্শনকে কংগ্রেসের ‘ভুয়ো সত্যাগ্রহ’ বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন : কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    এদিন সকাল থেকেই কংগ্রেস কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে গোলমিঠি জংশন, তুঘলক রোড জংশন, মৌলানা আজাদ রোড জংশন, ক্ল্যারিজেস জংশন, কিউ পয়েন্ট জংশন, সুনহেরি মসজিদ জংশন, মান সিং রোড জংশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি বেলা পর্যন্ত এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। গোল ডাকখানা জংশন, প্যাটেল চক, উইন্ডসর প্লেস, তিন মূর্তি চক, পৃথ্বীরাজ রোড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাস চলাচল।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ও দলের হাইকমান্ড সোনিয়া গান্ধীকে নোটিস পাঠিয়েছে ইডি। ২ জুন রাহুলকে এবং ৮ জুন সোনিয়াকে ইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বিদেশে থাকায় ওই দিন হাজিরা দিতে পারেননি রাহুল। সেই কারণেই ১৩ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় রাহুলকে। কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অভিষেক মনু সিংভি লেন, এজেন্সি লাগিয়ে কেন্দ্রের প্রতিহিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস।  

     

  • KS Eshwarappa: দুর্নীতি ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ,ইস্তফা দিলেন কর্নাটকের মন্ত্রী

    KS Eshwarappa: দুর্নীতি ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ,ইস্তফা দিলেন কর্নাটকের মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি এবং আত্মহত্যার ঘটনায় নাম জড়িয়ে যাওয়ায় শেষমেশ পদত্যাগ করলেন কর্নাটকের (Karnataka) মন্ত্রী তথা বিজেপি (BJP) বিধায়ক কে এস ঈশ্বরাপ্পা (KS Eshwarappa)। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্বাইয়ের (Basavaraj Bommai) সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেন তিনি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে আসার আগে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র শিবমোগ্গায় (Shivamogga) সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন,”আবার ফিরে আসব।”

    সন্তোষ পাটিল (Santosh Patil) নামে এক ঠিকাদারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে বিপাকে পড়েছিলেন ঈশ্বরাপ্পা। তিনি আর মন্ত্রী থাকবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরাপ্পা নিজের বাড়ি থেকে বেরনোর পরেই সমর্থকরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে, এই দাবি তুলে প্রতিবাদও করেন অনেকে। তাঁদের উদ্দেশে ঈশ্বরাপ্পার বার্তা,”আমি দলের ক্ষতি করতে চাই না। তাই,মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আজই পদত্যাগপত্র জমা দেব। আমি নিশ্চিত, সমস্ত অভিযোগ থেকেই মুক্ত হব আমি। এ রাজ্যের বহু দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে নেতা-বিধায়কেরা আমায় সমর্থন করছেন।”

    ঈশ্বরাপ্পার বিরুদ্ধে ৪০ শতাংশ কমিশন (40 per cent commission) চাওয়ার অভিযোগ তুলে কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক প্রিয়ঙ্ক খড়্গে বলেছেন, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের দুর্নীতি-কাণ্ডে আরও অনেকেই জড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি তুলেছেন প্রিয়ঙ্ক। 

    কর্নাটকের উদুপির একটি লজে বুধবার আত্মহত্যা করেন ৩৭ বছরের সন্তোষ। মৃত্যুর আগে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর বন্ধু ও পরিজনকে জানান, তাঁর মৃত্যুর জন্য মন্ত্রী ঈশ্বরাপ্পাই দায়ী। মৃত ঠিকাদারের অভিযোগ, তিনি পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের কাজ করেছিলেন। বিল হয়েছিল চার কোটি টাকা। তার ৪০ শতাংশ কমিশন চেয়েছিলেন ঈশ্বরাপ্পা। তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে সাহায্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পার কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন সন্তোষ। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে সন্তোষের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে প্রথম অভিযুক্তের নাম ঈশ্বরাপ্পা। যদিও প্রাক্তন মন্ত্রীর বক্তব্য, “ওই সুইসাইড নোট মিথ্যে। তার কোনও ভিত্তি নেই। হোয়াটসঅ্যাপকে সুইসাইড নোট হিসাবে ধরা হয় নাকি? অন্য কেউ তো টাইপ করে দিতে পারে।”

     

  • Modi Biden Virtual Meet: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ হবে না, আমেরিকাকে সটান জবাব ভারতের 

    Modi Biden Virtual Meet: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ হবে না, আমেরিকাকে সটান জবাব ভারতের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে(Russia Ukraine war) ফের একবার ভারসাম্যের নীতি নিল ভারত (India)। আমেরিকাকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ হোক চাইলেও, রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ করবে না নয়াদিল্লি। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় (India-US 2+2 dialogue) একথা সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে। এই যুদ্ধ নিয়ে গোটা বিশ্ব ভাগ হয়ে গিয়েছে দু ভাগে। এক দিকে রয়েছে রাশিয়ার মিত্র দেশগুলি। অন্য দিকে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে ন্যাটোভুক্ত (NATO) দেশগুলির পাশাপাশি আমেরিকাও (USA)। যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে (Russian President Vladimir Putin) দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)। 

    ভারত যেন রাশিয়ার কাছ থেকে তেল না কেনে, সে ব্যাপারেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন কর্তাব্যক্তিরা। তবে ভারত যে তাতে বিশেষ কান দেয়নি, তার প্রমাণ মেলে এই কিছু দিন আগেই রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত যে কোনও একপক্ষ নেবে না, তা প্রথম থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। প্রত্যাশিতভাবেই আমেরিকার হুমকিও ধর্তব্যের মধ্যেই আনেনি নয়াদিল্লি।

    ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় জয়শঙ্করের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Defence Minister Rajnath Singh)। আর ব্লিঙ্কেন ছাড়া আমেরিকার পক্ষে হাজির ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। জয়শঙ্কর মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে(Antony Blinken) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভারত যুদ্ধ চায় না। তবে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধের কথাও আপাতত ভাবা হচ্ছে না। 

    জয়শঙ্কর বলেন, আপনারা যদি রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি কেনার বিষয়টি দেখেন, তবে আমি বলব আপনারা ইউরোপের দিকে তাকান। আমরা জ্বালানি কিনি প্রয়োজনের জন্য। তবে আমরা এক মাসে যে পরিমাণ জ্বালানি কিনি, সেই পরিমাণ জ্বালানি ইউরোপ কেনে এক বেলায়। ভারত যে যুদ্ধের বিপক্ষে,তা ফের একবার স্পষ্ট করে দেন বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর বলেন, আমরা যুদ্ধের বিরুদ্ধে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও কূটনৈতিকভাবে সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী আমরা। আমরা হিংসারও বিরুদ্ধে। হিংসা রুখতে যে কোনও পদক্ষেপ করতেও রাজি আমরা।

    ভারত যে রাশিয়া থেকে খুবই কম পরিমাণ জ্বালানি কেনে, গত সপ্তাহে তা জানিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসের (White House) প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি। তিনি জানিয়েছিলেন, রাশিয়া যে পরিমাণ জ্বালানি রফতানি করে, তার এক থেকে দু’শতাংশ কেনে ভারত। তবে মস্কোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাইডেন সরকার।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে তাঁদের দেশের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন ব্লিঙ্কেন। তিনি বলেন, আমরা ইউক্রেনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমিকতার পক্ষে। সে দেশের মূল্যবোধকেও গুরুত্ব দিই আমরা। দশকের পর দশক ধরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের গভীর সম্পর্ক (India Russia friendship) গড়ে উঠেছে। সেই সময় আমেরিকা ভারতের বন্ধু দেশ ছিল না। তবে এখন আমরা ভারতের বন্ধু হতে উৎসাহী।

    চিন ও পাকিস্তানকে চাপে রাখতে আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্বেও আগ্রহী ভারত। তবে সেজন্য এখনই রাশিয়ার হাত ছাড়তে রাজি নয় সাউথ ব্লক। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক (India-US bilateral relation) বৈঠকে ঠারে-ঠারে সেই কথাটাই আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন জয়শঙ্কর।

     

  • IPL 2022: আইপিএলে ফিরছে সমাপ্তি অনুষ্ঠান, দরপত্র চাইল বিসিসিআই

    IPL 2022: আইপিএলে ফিরছে সমাপ্তি অনুষ্ঠান, দরপত্র চাইল বিসিসিআই

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (Tata IPL 2022) প্রেমীদের জন্য খুশির খবর, ফিরছে এই মেগা টুর্নামেন্টের সমাপ্তি অনুষ্ঠান (IPL closing ceremony)। কোভিড সংক্রমণের (Covid-19) কারণে গত দু’বছর আইপিএল-এর উদ্বোধনী ও সমাপ্তি অনুষ্ঠান হয়নি। তবে এবার সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকায় বিসিসিআই (BCCI) এই টুর্নামেন্টের সমাপ্তি অনুষ্ঠান আয়োজনে আগ্রহী। অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে বিসিসিআই।

    আইপিএল ২০২২ (IPL 2022)-এর গ্রুপ পর্বের ম্যাচ হচ্ছে মহারাষ্ট্রে, সেখানে মুম্বই এবং পুনে হোস্ট শহর। কোভিড বিধিনিষেধের (Covid restrictions) কারণে সীমিত সংখ্যক দর্শককে স্টেডিয়ামে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্লে অফ হওয়ার কথা রয়েছে কলকাতায়। আর ফাইনাল হবে আহমেদাবাদে। বর্তমানে প্রতিটি রাজ্যেই করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেকারণে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি অনুষ্ঠান আয়োজনে উদ্যোগী হয়েছে বিসিসিআই।

    সূত্রের খবর, অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ করার জন্য স্বনামধন্য ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাগুলির কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করেছে বিসিসিআই। ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। আহমেদাবাদের (Ahmedabad) নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে (Narendra Modi stadium) আইপিএলের ফাইনাল (IPL final) হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সেখানেই হবে সমাপ্তি অনুষ্ঠান।

     

  • Post Covid syndrom:করোনা সেরে গেলও ক্লান্তি, দূর করতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

    Post Covid syndrom:করোনা সেরে গেলও ক্লান্তি, দূর করতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্লান্তি শব্দটি সকলের কাছেই আলাদা। অর্থাৎ, অনেকেই মনে করেন ক্লান্তি মানে পেশী দুর্বল হয়ে যাওয়া। আবার অনেকের ক্ষেত্রেই ক্লান্তি অর্থাৎ মানসিক চাপ, কিংবা কোনও একধরনের অস্বস্তি। অনেক সময় বহুদিন নড়াচড়া না করলেও শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়।  যে কোনও ভাইরাল ইনফেকশনের পর ক্লান্ত লাগা খুবই সাধারণ সমস্যা। আর করোনা পরবর্তী সময়ে (Post covid syndrom)প্রায় সকলেই ক্লান্তি অনুভব করেছেন। ভাইরাসের বিরুদ্ধে যখন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity) লড়াই করতে থাকে, তখন থেকেই শরীরে ক্লান্তি দেখা দেয়। শরীরে ভাইরাসের প্রভাব কমে গেলে বেশি দুর্বল লাগে। প্যান্ডামিকের (pandemic)শুরু থেকেই মানুষ ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছেন এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কম করে ৮৫% মানুষ ক্লান্তির সমস্যায় ভুগছেন। এটি কিন্তু দীর্ঘ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরে দীর্ঘদিন ক্লান্তিভাব থাকলে তা চিন্তা বাড়িয়ে তোলে। মনে হতেই পারে, হাজার বিশ্রাম নিয়েও শরীর ভাল হচ্ছে না তাহলে করণীয়। মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম। সেরে উঠবেন সহজেই। 

    বেশি করে জলপান করুন
    করোনায় শরীর শুকিয়ে যায়। তাই বেশি করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল পান করুন। সঙ্গে ফলের রস, দইয়ের ঘোল জাতীয় পানীয়ও গ্রহণ করতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে যাতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। 

    প্রোটিন জাতীয় খাবার খান
    ক্লান্তি দূর করতে প্রোটিন (protin) জাতীয় খাবার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আপনার খাদ্য তালিকায় উদ্ভিজ ও প্রাণীজ, দু’ ধরনের প্রোটিনই রাখুন। প্রাতঃরাশের সময় ডিম খান। মাছ, কিংবা মাংস খান একবেলা। লাঞ্চ ও ডিনারে ১ বাটি করে ডাল খেতে পারেন। সঙ্গে সয়াবিন, পনির, দুধ থাকুক খাদ্যতালিকায়। 

    নিয়মিত ফল খান
    ভিটামিন সি-যুক্ত ফল লেবু, আপেল, কলা, বাদাম  প্রতিদিন খান। মরসুমি ফল খুবই উপকারী। ফল শরীরের রোগ প্রতিরোধ-ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

    বিশ্রাম নিন
    করোনা নেগেটিভ মানেই আপনি পুরোপুরি সুস্থ এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। বরং, সেরে উঠতে অনেকেরই মাসখানেক লেগে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব বিশ্রাম নিন। পারলে বাড়ি থেকে কাজ করুন। নিজের যত্ন নিন। এই সময় খুব বেশি শরীরচর্চা না করাই ভালো।  হালকা যোগাসন (yoga), ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে পারেন।  ঘুমের দিকে অবশ্যই নজর দেওয়া দরকার। একেবারে ক্লান্ত লাগলে ঘুম নিয়ে কার্পণ্য করবেন না। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে সমস্যা বাড়তে পারে। তবে আবার দীর্ঘদিন নিজেকে অসুস্থ ভেবে ভয় পাবেন না। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করুন। নিজের গতিশীলতা বাড়ান। অল্প অল্প করে বাইরে যান। সকলের সঙ্গে মিশুন। দ্রুত সরে উঠবেন। 

    মন ভালো রাখুন
    অনেকেই করোনা থেকে সেরে উঠে অবসাদে ভুগছেন। আসলে অনেকের মনে করোনা নিয়ে একটা নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে।  তাই এসময়ে মন ভালো রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। গান শোনা, বই পড়া, সিনেমা দেখা যা ভাল লাগে করুন।

  • Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হনুমান জয়ন্তীর দিন উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনায় কংগ্রেস জমানার তোষণের নীতিকেই মূল কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করল বিজেপি। দলের জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র জানিয়েছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে গত ৭০ বছরের তোষণের নীতি। 

    জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘর্ষের ঘটনায় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি সহ ১৩টি বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার নিন্দা করে একটি যৌথ বিবৃতি পেশ করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায়, কংগ্রেস সহ বিরোধীদের একহাত নেয় বিজেপি। দলের মুখপাত্র সম্বিত পাত্র স্পষ্ট জানান, বিরোধীদের এই ‘পক্ষপাত রাজনীতি’ দেশের ক্ষতি করে চলেছে। তাঁর মতে, এই ঘটনার তদন্ত হচ্ছে এবং তাতে কী বের হচ্ছে, তার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। 

    একইসঙ্গে, যৌথ বিবৃতি পেশ করার জন্য কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন সম্বিত। বলেন, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতানেত্রীর এহেন পক্ষপাতমূলক রাজনীতি দেশের জন্য উপযুক্ত নয়। এতে দেশের আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে। সম্বিতের প্রশ্ন, আজ সোনিয়া গান্ধি মতাদর্শের কথা বলছেন। প্রশ্ন হল, কোন মতাদর্শ আজকের এই ঘটনার জন্য দায়ী? বিজেপি মুখপাত্র বলেন, এর জন্য দায়ী একটাই মতাদর্শ যা, গত ৭০ বছর ধরে চলে আসছে। তা হল, তোষণের মতাদর্শ। তোষণের এই নীতি ও রাজনীতি ভীষণই দুর্ভাগ্যজনক।

    আবার দিল্লি বিজেপির সভাপতি আদেশ গুপ্তর মতে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী এবং রোহিঙ্গারাই জাহাঙ্গীরপুরির হিংসার জন্য দায়ী। এই নেতার অভিযোগ, আম আদমি পার্টি এদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, জল, রেশন দেওয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সুরক্ষাও প্রদান করছে। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি খণ্ডন করেছে আম আদমি পার্টি।

    এদিকে, জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘাত কড়া হাতে দমনের নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা আশ্বাস দেন, কোনও রকম প্রভাব খাটানোর প্রশ্নই নেই। একেবারে নিরপেক্ষ তদন্ত হচ্ছে। ১৪টি টিম ঘটনার তদন্ত করছে। তিনি জানিয়েছেন, জাহাঙ্গিরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যাঁরা অশান্তি পাকিয়েছে তাঁদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। কোনও রকম রেয়াত করা হবে না।

     

  • Hyderabad Honour Killing: ভিনধর্মের যুবতীকে বিয়ে, প্রাণ গেল দলিত যুবকের, ধৃত স্ত্রীর ভাই সহ ২

    Hyderabad Honour Killing: ভিনধর্মের যুবতীকে বিয়ে, প্রাণ গেল দলিত যুবকের, ধৃত স্ত্রীর ভাই সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে খুন হতে হল এক হিন্দু যুবককে! ‘অনার কিলিং’য়ের শিকার হলেন তেলেঙ্গানার সারুরনগর এলাকার যুবক বিল্লাপুরাম নাগরাজু। ওই ঘটনায় তরুণীর কয়েকজন আত্মীয়কে আটক করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    এলাকার একটি গাড়ির দোকানে সেলসম্যানের কাজ করতেন নাগরাজু। ভিন ধর্মের এক কিশোরীর ভালবাসার সুতোয় বাঁধা পড়েছিলেন সেই স্কুল জীবনে। চলতি বছর জানুয়ারিতে দুই পরিবারের অমতেই বিয়ে করেন বান্ধবী আসরিন সুলতানাকে। ভিন ধর্মে বিয়ে করায় পরিবারের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে যান তাঁরা। সম্প্রতি ফিরে এসে কাজে যোগ দিয়েছিলেন নাগরাজু। বুধবার রাত ন’টা নাগাদ বাইকে করে এসে প্রথমে মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করার পর ধারাল অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করে এক ব্যক্তি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। জানা যায়, পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে নাগরাজুকে খুন করে সুলতানার ভাই।

    এমনটা যে ঘটতে পারে, তা বোধহয় আঁচ করতে পেরেছিলেন সুলতানা। তাই বিয়ের পরে নিজের নাম বদলে করে নেন পল্লবী। এলাকার একটি মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেন দু’জনে। পরে এলাকা ছেড়ে পালান। ফিরে আসেন সম্প্রতি। তাতেও শেষ রক্ষা না হওয়ায় আফশোস করছেন সুলতানা ওরফে পল্লবী। পরিবারের সম্মান রক্ষার্থেই এই খুন বলে দাবি নাগরাজুর এক আত্মীয়ের। তিনি বলেন, স্কুল জীবন থেকে ওদের পরিচয়। ভিন ধর্মে বিয়ে করেছিল ওরা। তাই নাগরাজুকে মেরে ফেলেছে মেয়েটির পরিবার।

    ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছে তেলেঙ্গানার বিজেপি নেতৃত্ব। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক রানা সিংয়ের প্রশ্ন, কেবল পরিবারই এই ঘটনায় যুক্ত ছিল? নাকি এই ঘটনায় কোনও ধর্মীয় গোষ্ঠীর উস্কানি ছিল? ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, যদি কোনও মুসলিম খুন হতেন, তাহলে তৃণমূল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রপুঞ্জে পৌঁছে যেত। এখন একজন হিন্দু খুন হয়েছেন বলে সবাই চুপ।

    অনার কিলিংয়ের নামে আর কত প্রাণ হবে বলিদান? উঠছে প্রশ্ন। বছরখানেক আগে লাভ জেহাদ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের করা একটি মন্তব্য এ প্রসঙ্গে প্রণিধানযোগ্য, নিজের সঙ্গী পছন্দ করার অধিকার রয়েছে কোনও পুরুষ বা মহিলার। আর সেটা মেনে নিতে হবে সমাজকে।

        

LinkedIn
Share