Blog

  • Darul Uloom Admission: দারুল উলুমে ভর্তি হতে গেলে লাগবে পুলিশের ছাড়পত্র

    Darul Uloom Admission: দারুল উলুমে ভর্তি হতে গেলে লাগবে পুলিশের ছাড়পত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:এই প্রথম দেশের কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে গেলে পুলিশি ছাড়পত্রের প্রয়োজন পড়বে। দেওবন্দের দারুল উলুম সেমিনারিতে ভর্তির জন্য এবার থকে স্থানীয় পুলিশের থেকে ক্যারেক্টর সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে হবে। এখানে ভর্তির প্রক্রিয়াও আগের থেকে কঠোর করা হয়েছে বলে জানালেন এখানকার ভাইস চ্যান্সেলর আব্দুল খালেক মাদ্রাসি। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেককেই নানাভাবে বিতর্কিত কাজের জন্য দায়ী করা হয় বলেই প্রতিষ্ঠানের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের তরফে মৌলানা হুসেন আহমেদ হরিদোয়ারি জানান, যে ইনটালিজেন্সের পক্ষে কোনওরকম অভিযোগ জানানো হলে সেই ছাত্রকে ভর্তি নেওয়া হবে না। 

  • Maharastra Political Crisis: ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    Maharastra Political Crisis: ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই জটিল হচ্ছে মহারাষ্ট্রের (Maharastra) রাজনৈতিক পরিস্থিতি। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য বিদ্রোহী মন্ত্রী একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) পাশাপাশি বিজেপিকেও (BJP) দুষেছেন। তাঁর অভিযোগ, শিবসেনাকে (Shiv Sena) শেষ করতে চাইছে বিজেপি। এদিকে, এদিনই ডেপুটি স্পিকার বিদ্রোহী ১৬ বিধায়ককে নোটিশ পাঠাতে পারেন বলে একটি সূত্রে খবর। অন্যদিকে, পরিস্থিতির মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে শুক্রবার রাতে দুই পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শিবসেনার জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকও হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন : ‘বর্ষা ছাড়লেও ছাড়ছি না…’ বললেন বিদ্রোহ দমনে প্রত্যয়ী উদ্ধব

    নরম হিন্দুত্ব নিয়ে বিবাদের জেরে বিদ্রোহ শুরু শিবসেনায়। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় তাঁরই সতীর্থ একনাথ শিন্ডের। তার পরেই অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাটের সুরাট ও পরে আসামের গুয়াহাটিতে চলে যান শিন্ডে। ঠাকরে শিবির এখনও সরকারের গরিষ্ঠতা না হারানোর দাবি করলেও, ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে বিক্ষুব্ধ শিবির। শিন্ডের দাবি, তাঁর সঙ্গে ৫০ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। ঠাকরে শিবিরের ওপর চাপ বাড়াতে দলের প্রতীক ও নাম চেয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিদ্রোহী বিধায়করা।   

    এদিকে বিক্ষুদ্ধদের বিদ্রোহ দমন করতে শুক্রবার সন্ধ্যায় সরকার বাঁচানোর উপায় খুঁজতে বৈঠকে বসেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে এবং এনসিপির দুই নেতা শারদ পাওয়ার ও অজিত পাওয়ার।

    এদিনই ঠিক হয়েছে, পরবর্তী রণকৌশল ঠিক করতে বৃহস্পতিবার দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেছেন উদ্ধব। সেখানে দলের পদস্থ নেতারা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন মহারাষ্ট্রের প্রতিটি জেলার সভাপতি। সূত্রের খবর, শুক্রবারের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, আগামী দিনে বিক্ষুব্ধ শিবসেনা বিধায়কদের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়ে ঠাকরে শিবিরে যোগদানের জন্যা চাপ দেওয়া হবে। শিন্ডে ঘনিষ্ঠ কুরলার বিধায়ক মঙ্গেশ কুড়ালকরের দফতরে এদিন ভাঙচুরও চালান ঠাকরে সমর্থকরা।

    আরও পড়ুন: সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    এদিকে, এদিনই ডেপুটি স্পিকার নরহরি জিরওয়াল বিদ্রোহী ১৬ জন শিবসেনা বিধায়ককে নোটিশ পাঠাতে চলেছেন। ২৬ জুন বিকেল পাঁচটার মধ্যে তাঁদের বিধানসভায় সশরীরে হাজির হয়ে তাঁদের অবস্থান জানাতে বলা হবে।

    বিদ্রোহী বিধায়কদের ডিসকোয়ালিফিকেশন করা নিয়ে কার্যত দুভাগ আইনজ্ঞরা। তবে সিংহভাগের মতে, দলীয় বৈঠকে গরহাজির থাকার অজুহাতে তাঁদের ‘ডিসকোয়ালিফাই’ করা যাবে না। যদিও একনাথ সহ ১৬ জন বিধায়ককে ডিসকোয়ালিফিকেশনের নোটিশ জারি করা হতে পারে বলে একটি সূত্রের খবর।

    এদিকে, বৃহস্পতিবারই গুয়াহাটির হোটেল থেকে একনাথ জানিয়েছিলেন, তাঁর সঙ্গে একটি বড় জাতীয় দলের যোগাযোগ রয়েছে। এদিন একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে তিনি বলেন, আমি আসলে বলতে চেয়েছি, আমার সঙ্গে বালাসাহেব ঠাকরে এবং আনন্দ দিঘের শক্তি রয়েছে। বিদ্রোহীরা দ্রুত রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করবেন বলেও জানান তিনি।

    অন্যদিকে, রাজ্যে অশান্তি এড়াতে সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ। এদিকে, বিদ্রোহীরা যে ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছেন, তা বোধহয় বুঝতে পেরেছেন উদ্ধব। তিনি বলেন, যাঁরা শিবসেনা ছাড়তে চান, ছাড়তে পারেন। আমি আবার নতুন শিবসেনা গড়ব।

    রাজনীতির দ্যূতক্রীড়ায় উদ্ধবের গলায় এ কোন সুর!

     

  • China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    China: ভারতীয় পডুয়াদের দু’বছর পর চিনে ফেরাতে উদ্যোগী হল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কোভিড বিধিনিষেধের কারণে চিনে পাঠরত ভারতীয় ছাত্ররা দেশে দু’বছর ধরে আটকা পড়ে আছেন। তাঁদের একাংশকে চিনে ফেরার জন্য অনুমতি দিতে চলেছে সে দেশের সরকার। ভিসা এবং বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার জন্য ভারতীয় পড়ুয়ারা চিনে ফিরতে পারছিলেন না।

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, ‘‘চিনে যে সব ভারতীয় ছাত্ররা পড়াশুনার জন্য এসেছিলেন। তাঁরা ফিরতে পারছিলেন না। তাঁদের সমস্যাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় চিন। তাই অন্যান্য দেশের পডুয়াদের সঙ্গে তাঁরাও যাতে ফিরতে পারেন সে বিষয়টিকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দিয়ে দেখা হচ্ছে।’’তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় ছাত্রদের প্রত্যাবর্তনের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। যাঁরা ফিরে আসবেন ভারতকে তার তালিকা দিতে হবে।’’

    তথ্য অনুযায়ী ২৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয় পডুয়া চিনে পড়তে গিয়েছিলেন। এঁদের অধিকাংশ ডাক্তারি পড়ুয়া। ২০১৯ সালে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে  পড়ায় তাঁদের একাংশ দেশে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ায় চিন একাধিক বিধিনিষেধ জারি করে। ফলে তাঁরা আর চিনে ফিরতে পারেননি। তার পর থেকে তাঁরা চিনে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার ফলে শুধু মাত্র অনলাইন ক্লাস করতে হচ্ছিল। অন্যদিকে কিছুদিন আগেই চিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইউজিসি। অনলাইন পাঠক্রমের ডিগ্রি ভারতে মান্যতা পাবে না এমন‌ই ঘোষনা করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশন। এক‌ই সময় চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকে উঠে আসে এই প্রসঙ্গ। এমনকি চিনা পর্যটকদের ভিসাও বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তারপরই শেষমেষ ভারতের চাপে পড়ে ভারতীয় পড়ুয়াদের বিষয়ে সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করল চিন। ফলে পড়াশোনা মাঝপথে ফেলে চিন থেকে যাঁরা ফিরে এসেছিলেন এবার সেই সব ছাত্রদেরই আবার দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে উদ্যোগী হয়েছে চিন।

  • Internet Explorer Retirement: আলবিদা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার! নস্টালজিক নেটদুনিয়া

    Internet Explorer Retirement: আলবিদা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার! নস্টালজিক নেটদুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ বছর পর ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের পথ চলায় ইতি। আজ থেকে আর দেখা যাবে না ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)। মাইক্রোসফ্টের (Microsoft) পুরনো ব্রাউজার, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ১৯৯৫ সালে প্রথম দেখা যায় ‘উইনডোজ ৯৫’-এ (Windows 95)। এতবছর পর ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারকে আলবিদা জানাতে হবে জেনে নস্টালজিক হয়ে পড়েছে নেটদুনিয়া। একসময় এর ওপর নির্ভর করেই চলত পুরো নেটিজেনরা।

    আরও পড়ুন: এই ভুলটা করলেই হ্যাক হয়ে যাবে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ! জেনে নিন এর থেকে বাঁচার উপায়…

    ‘উইন্ডোজ ৯৫’ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে আনা হয়েছিল এই ওয়েব ব্রাউজারটি (Web browser) যা ‘ওজি সার্চ ব্রাউজার’ ( OG search browser) নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সাল থেকে এর পথচলা শুরু  হলেও ২০০৩ সাল থেকে এই ব্রাউজারটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। তারপর মাইক্রোসফ্টের প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থাগুলি অন্যান্য ব্রাউজার তৈরি করায় ‘ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার’-এর জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করে।

    ২০১৩ সালেই এর শেষ ও ফাইনাল ভার্সান ‘ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ১১’ (Internet Explorer 11) লঞ্চ করেছিল মাইক্রোসফ্ট। তারপর ২০১৬ সাল থেকে কোম্পানী কোনও নতুন ভার্সান আনেনি। ২০২১ সালের অগাস্ট থেকেই মাইক্রোসফ্ট থেকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা চলছিল। অবশেষে মাইক্রোসফ্ট সংস্থা ঘোষণা করল, ১৫ জুন থেকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার পুরোপুরি বন্ধ হতে চলেছে।

    তবে কোম্পানি থেকে জানানো হয়েছে যে, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার-এর পরিবর্তে ‘উইনডোজ ১০’-এ ‘মাইক্রোসফ্ট এজ’ (Microsoft Edge) ব্যবহার করতে পারবে নেটদুনিয়া।  কোম্পানির তরফে  আরও জানানো হয়েছে যে,  মাইক্রোসফ্ট এজ ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের থেকে বেশি দ্রুত, বেশি নিরাপদ ও আরও আধুনিক ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম। তাছাড়াও মাইক্রোসফট এজ-এ ‘ইনবিল্ট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার মোড’ (Internet Explorer mode) রয়েছে। যাতে আপনারা মাইক্রোসফ্ট এজ থেকে সরাসরি সেই ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশনগুলি অ্যাক্সেস করতে পারবেন। আবার কোম্পানি সমস্ত ব্যবহারকারীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন এতবছর ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সঙ্গে থাকার জন্য।

    আরও পড়ুন: শীঘ্রই সোশ্যাল মিডিয়া-কেন্দ্রিক নিয়ম জারি করতে চলেছে কেন্দ্র?

    কিন্তু এই খবর পাওয়ার পর থেকেই পুরো নেটদুনিয়া আবেগঘন হয়ে পড়েছে। কারণ এটি শুধুমাত্র একটি সার্চ ইঞ্জিন-ই ছিল না, এটি ৯০ দশকের নেট ব্যবহারকারীদের কাছে ইমোশন ছিল। ইতিমধ্যেই ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার নিয়ে ট্যুইটারে পোষ্ট করতে শুরু করেছে নেটিজেনরা।

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

  • Horoscope Today, 13 May 2022: ব্যবসায় চাপবৃদ্ধি মেষের, চাকরির যোগাযোগ সিংহের, দেখুন আজকের রাশিফল

    Horoscope Today, 13 May 2022: ব্যবসায় চাপবৃদ্ধি মেষের, চাকরির যোগাযোগ সিংহের, দেখুন আজকের রাশিফল

    মেষ রাশি:আজ পড়াশোনার ক্ষেত্রে আজকের দিনটি খুব ভাল। ব্যবসায় একটু চাপ বাড়তে পারে। কোনও রোগের জন্য কাজের ক্ষতি হতে পারে। আজ সম্পত্তি নিয়ে সংসারে অশান্তি বাড়তে পারে। আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সমতা ঠিক থাকবে না। বাবার শরীর নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে। ঋণ কিছুটা পরিশোধ হতে পারে। 

    বৃষ রাশি:আজ কর্মস্থানে শত্রুর জন্য অশান্তি। সন্তানের বিয়ের ব্যাপারে খরচ বাড়তে পারে। মা, বাবার সঙ্গে কোনও ছোট কারণে তর্ক। ব্যবসায় বাড়তি যোগাযোগ হবে। দুপুরের পরে কিছু পাওনা আসতে পারে। সম্পত্তির ব্যাপারে চাপ বাড়তে পারে। মানসিক অস্থিরতা, অর্থাভাব দেখা দিতে পারে। অর্থ ভাগ্য খুব ভাল নয়।

    মিথুন রাশি: আজ কোনও নামী জায়গায় কাজের ব্যাপারে আলোচনার সম্ভাবনা। অতিরিক্ত খরচের জন্য সঞ্চয় কম হবে। তৃতীয় ব্যক্তির জন্য স্বামী-স্ত্রী বিবাদ। দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, তাই সাবধান থাকুন। সন্তানের শরীর নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।  বাইরের অশান্তি বাড়িতে আসতে পারে। শত্রুর থেকে মুক্তি লাভের জন্য আইনি আলোচনা।

    কর্কট রাশি: আজ কর্মস্থানে জটিলতা কেটে যেতে পারে। বাড়িতে কোনও ব্যবসার বাড়তি সুযোগ আসতে পারে। শরীরে জ্বর থেকে কষ্ট বাড়তে পারে। অফিসে কাজের চাপ বাড়ার সম্ভাবনা। অতিরিক্ত ভাবপ্রবণতার জন্য কাজের ক্ষতি হতে পারে। ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই ভাল। বিদেশে থাকা কোনও বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়তে পারে।

    সিংহ রাশি: আজ কিছু অর্থ নষ্ট হতে পারে। দুরূহ কাজ করার জন্য সুনাম বাড়বে। সম্পত্তি নিয়ে ভাই বা বোনের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। ব্যবসা নিয়ে গুরু জনের সঙ্গে বিবাদের সম্ভাবনা। সঞ্চয় নিয়ে বাড়িতে আলোচনার সম্ভাবনা। সপ্তাহের মধ্য ভাগে কোনও আঘাতের জন্য রক্তপাতের আশঙ্কা। দেরিতে হলেও উচ্চশিক্ষার সুযোগ মিলতে পারে। নতুন চাকরির জন্য যোগাযোগ হতে পারে।

    কন্যা রাশি: আজ স্ত্রীকে নিয়ে বিবাদের আশঙ্কা। বাড়তি খরচের জন্য মাথাগরম হবে। সপ্তাহের শেষের দিকে একটু সাবধানে থাকুন, বিপদ আসতে পারে। কোনও আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে। তবে বিবাহিত জীবনে সুখের খবর আসতে পারে। আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন আজ।

    তুলা রাশি: আজ ব্যবসা ভাল যাওয়ার যোগ রয়েছে। আইনি কোনও কাজ নিয়ে আলোচনা। ভাই বা বোনের সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ। সম্মান নিয়ে টানাটানি পড়তে পারে। প্রেমের সম্পর্কে উন্নতি হতে পারে। বাড়িতে কোনও অতিথি আসতে পারে। দিনের শেষের দিকে ক্ষতির আশঙ্কা আছে। ভাই বা বোন সকলে মিলে ভ্রমণ হতে পারে।

    বৃশ্চিক রাশি: আজ দিনের প্রথম দিকে বাড়িতে অনেক লোক আসতে পারে। শরীর খারাপের জন্য খরচ বাড়তে পারে। স্ত্রীর কোনও ব্যবহারের জন্য বাড়িতে বিবাদ আসতে পারে। বাবা-মায়ের জন্য ভাল ব্যবস্থা করতে পারবেন। হারানো সম্পত্তি ফিরে পেতে পারেন। কোনও গাড়ি কেনা নিয়ে বাড়িতে আলোচনা।

    ধনু রাশি: আজ দিনের প্রথম ভাগে কোনও আর্থিক চাপ বাড়তে পারে। কর্মস্থানে কাজের জন্য সম্মান বাড়বে। নিজের বুদ্ধির জোরে বিপদ থেকে উদ্ধার পাবেন। দিনের মধ্য ভাগে শত্রুর জন্য ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে। বাড়িতে অতিথির জন্য খরচ বাড়তে পারে। অফিসে কোনও মহিলার সঙ্গে বিবাদের আশঙ্কা।

    মকর রাশি: আজ বাড়িতে সন্তানের পড়াশোনা নিয়ে চিন্তা। চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে। বুদ্ধির ভুলের জন্য কোনও চাপ আসতে পারে। ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে বিবাদ। বাড়িতে অনেক বন্ধু আসতে পারে। শরীর নিয়ে সমস্যা বাড়তে পারে। বুদ্ধির জোরে শত্রু জয় করার সম্ভাবনা।

    কুম্ভ রাশি: আজ নতুন কোনও কাজের যোগাযোগ আসতে পারে। দীর্ঘ দিনের মনের আশা পূরণ হতে পারে। ব্যবসায় চাপের কিছু ঘটতে পারে। বাড়িতে খরচ নিয়ে অশান্তি বাধতে পারে। সম্পত্তির ব্যপারে ভাইয়ের সঙ্গে বিবাদ। সন্তানের ভাল কাজের জন্য বাড়িতে আনন্দ। বাবার সঙ্গে কোনও আলোচনায় বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে পারেন। আজ একটু সাবধানে চলাফেরা করুন। 

    মীন রাশি: আজ ভ্রমণের জন্য খরচ বাড়বে। কারও উপকার করে খরচ বাড়বে। ব্যবসায় কিছু উন্নতি হতে পারে। সংসারের একটু শান্তি দেখতে পেতে পারেন। অফিসে জটিলতা বাড়তে পারে। লোহা বা কয়লার ব্যবসা, কারিগরি কাজ নিয়ে জীবনে এগোলে ফল ভাল হতে পারে। সন্দেহ বাতিকের জন্য বিবাহ জীবন খুব একটা সুখের হয় না। 

  • Alwar Temple Demolition: রাজস্থানে ভাঙা পড়ল ৩০০ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির, ‘তালিবান’ রাজ চালাচ্ছে কংগ্রেস দাবি বিজেপির

    Alwar Temple Demolition: রাজস্থানে ভাঙা পড়ল ৩০০ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির, ‘তালিবান’ রাজ চালাচ্ছে কংগ্রেস দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের আলোয়ারে (Alwar)একটি ৩০০ বছরের প্রাচীন শিব মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। অভিযোগ, বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয় মন্দিরের ছাদ ও পিলার। এমনকী মন্দিরের ভেতরে থাকা শিবলিঙ্গটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ।

    এই ঘটনায় রাজস্থানের কংগ্রেস সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি। রাজস্থানে কংগ্রেস একপ্রকার তালিবান রাজ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা রাজ্যবর্ধন সিং রাঠৌর। ঘটনার পিছনে থাকা সত্য জানতে শনিবার আলোয়ারের রাজগড়ে পৌঁছেছে বিজেপির পাঁচ সদস্যের একটি তথ্য অনুসন্ধাকারী দল। তাদের দাবি মন্দিরের পাশে একটি গোশালাও ছিল। সেটাও ভেঙে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রীকে সকলের সামনে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে বিজেপি। মন্দির পুনরায় গড়ে দিতে বলা হয়েছে এবং ক্ষতিপূরণও চাওয়া হয়েছে।

    ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়, যেটিকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে রাজস্থান বিজেপি। তাদের দাবি, কংগ্রেস যে কতখানি ধর্মনিরপেক্ষ তা এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে। কারাউলি বা জাহাঙ্গিরপুরীর হিংসার ঘটনায় যে দল দুঃখ প্রকাশ করে, তাদের সরকার থাকাকালীনই রাজস্থানে হিন্দুদের মন্দির ধ্বংস হচ্ছে। আগুনে ঘি ঢালে এক স্থানীয় বিধায়কের বিবৃতি। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায় যে, কংগ্রেস শাসিত পুরসভা চাইলে এই কাজ আটকাতে পারত। রাজস্থান বিজেপির দাবি, জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনার বদলা নিতেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে গেহলট সরকার।
     একই সঙ্গে রাজগড়ে রাস্তা সম্প্রসারণের কাজের জন্য বেশ কিছু ঘরও ভাঙা পড়েছে। গৃহহীন বহু মানুষ। বিজেপির অভিযোগ,আগাম নোটিশ না দিয়েই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযোগের জবাব দিয়ে রাজস্থানের মন্ত্রী প্রতাপ সিং খাচরিয়াবাস জানিয়েছেন, বিজেপির দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যে। তাঁর দাবি, ‘রাজগড় আরবান বডিস বোর্ড’-এর চেয়ারম্যান নিজে বিজেপির সদস্য। যে কর্মসূচির দরুন মন্দির এবং ঘর ভাঙা পড়েছে, তাতে সম্মতি দিয়েছিলেন চেয়ারম্যান। বরং কংগ্রেসের বিধায়কই এতে আপত্তি জানিয়েছিলেন। মন্ত্রী জানান, যদি আইনি কোনও অসুবিধা না থাকে তবে এই মন্দির পুনরায় গড়ে তোলা হবে।

     

  • Suvendu Adhikari in Deucha: নন্দীগ্রামের থেকেও বড় আন্দোলন হবে, দেউচায় হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari in Deucha: নন্দীগ্রামের থেকেও বড় আন্দোলন হবে, দেউচায় হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বাড়ছে দেউচা-পাঁচামি (Deucha Pachami) জমি রক্ষা প্রতিরোধ আন্দোলন। বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের (BGBS 2022) শুরুর দিনেই রাজ্য বিজেপির (BJP) জোড়া কর্মসূচির দিকে নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। সম্মেলনের সূচনার দিনে একদিকে হুগলির সিঙ্গুর (Singur) এবং অন্যদিকে বীরভূমের ডেউচায় (Deucha) একযোগে কর্মসূচি পালন করে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের মতে, শিল্পপতিদের কাছে রাজ্যে শিল্পের পরিবেশের প্রকৃত ছবি তুলে ধরতেই বিজেপির এই চেষ্টা। 

    কলকাতায় যখন সম্মেলনে উদ্বোধন করছে রাজ্য প্রশাসন, ঠিক সেই সময়ে বীরভূমের দেউচায় দাঁড়িয়ে বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সিন্ডিকেট ইস্যুতে রাজ্য প্রশাসনকে তুলোধনা করার পাশাপাশি রাজ্যে শিল্প বিমুখতা নিয়েও সরব ছিলেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, ‘এই রাজ্যে শুধুমাত্র চপ শিল্পই হবেই।’ এখানেই শেষ করেননি শুভেন্দু, তিনি আরও বলেন, ‘তবে চপ ব্যবসায়ীরাও তিন দিনের বেশি দোকান খুলতে পারবে না। কারণ তাঁদের তৃণমূলের সম্মেলনে যেতে হবে।’

    দেউচা-পাঁচামি (Deucha-Pachami) কয়লা খনি (coal mine)  প্রকল্প নিয়ে ক্রমশই জটিলতা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় আদিবাসীরা কোনও মূল্যেই কয়লা খনির জন্য জমি দিতে নারাজ। পাল্টা তাঁরা বনভূমি রক্ষার কথা বলছেন। এই এলাকার আদিবাসী মানুষ অরাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি করে আন্দোলনে নেমেছে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও। শুভেন্দুবাবুর অভিযোগ, দেউচায় আদিবাসীদের বেআইনিভাবে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে নষ্ট করার জন্য এটা পুলিশ এবং তৃণমূলের চাল। কোনও বিচ্ছিন্নতাবাদীর শক্তি নেই এখানে। স্থানীয় মানুষ আন্দোলন করছেন। তাঁরা কোথাও মঞ্চ বেঁধে করছে। সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ব্যানারে তাঁরা আন্দোলন করছেন ৷

    তবে, যেখানে কয়লাখনি প্রকল্প হওয়ার কথা সেখানে যাননি শুভেন্দুবাবু। বদলে কাছেই জামবনি এলাকায় গিয়ে আদিবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসে তাঁদের সব অভিযোগ তিনি শোনেন ৷ তিনি জানান, অরাজনৈতিক আন্দোলন মঞ্চে রাজনীতির রং লাগুক তা চাননা তিনি। আন্দোলনকারীরা তাঁদের মতো অরাজনৈতিক মঞ্চে আন্দোলন করছেন। বিজেপি তাদের মতো নিজেদের মঞ্চে আন্দোলন করছে। 

    শুভেন্দুবাবু মনে করিয়ে দিলেন, পাঁচামি এলাকার ভূমি রক্ষা আন্দোলনকারীদের জন্য তাঁর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। আন্দোলনকারীদের পাশে বিজেপি আছে, পরেও থাকবে ৷ আন্দোলনকারীরা যদি ডাকেন তাহলে তিনি নিশ্চিয় যাবেন। দেউচা প্রকল্প যে কোনওভাবেই হওয়ার নয়, তা বুঝিয়ে দেন বিরোধী দলনেতা। বললেন, “কোনও উচ্ছেদ করা চলবে না। ক্লোজড চ্য়াপ্টার, ক্লোজড চ্য়াপ্টার, ক্লোজড চ্য়াপ্টার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মাথা থেকে দেউচা ঝেড়ে ফেলে দিক।”

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই এলাকায় কমপক্ষে ২০টি গ্রামে ৪৩১৪টি বাড়িতে ২১ হাজারেরও বেশি মানুষের বাস। এই অঞ্চলে অধিকাংশ গ্রাম আদিবাসী প্রভাবিত। তাই জমি অধিগ্রহণের জন্য রাজ্য প্রশাসন প্যাকেজ ঘোষণা করলেও আদিবাসীদের একটা বড় অংশ জমি দিতে নারাজ। ইতিমধ্য়ে প্রতিবাদে নেমেছেন সেখানকার আদিবাসীরা। তাঁদের দাবি, “খোলামুখ কয়লা খনি প্রকল্প চাই না।” হাতে তীর-ধনুক নিয়ে জেলা শাসককে এলাকায় ঢুকতে বাঁধা দেন আদিবাসীরা।  সরকারি পাট্টা ও চেক বিতরণ করে জমি অধিগ্রহণের জন্য গিয়েছিলেন বীরভূম জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ প্রশাসনের আধিকারিকরা। তবে সে কাজ সারা যায়নি। কারণ তাঁরা আদিবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন। ফলে ফিরে আসতে হয় তাঁদের।  

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাশনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দুবাবু জানিয়ে রাখলেন, দেউচায় নীল বিদ্রোহের মতো স্ফুলিঙ্গ ইতিমধ্যেই তিনি দেখেছেন। তিনি জানান, দেউচায় নন্দীগ্রামের থেকেও বড় আন্দোলন হবে। তিনি প্রতিমাসে সেখানে দুবার করে যাবেন। পাশাপাশি ৮ মে-র পরে সেখানে উচ্ছেদ বিরোধী পদযাত্রা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আগামী ১২ মে ডেউচা-পাঁচামি এলাকায় ৫ কিলোমিটার মিছিল করবেন তিনি। মিছিলে থাকবে ২০ হাজার লোক। 

    রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলন। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামের ক্ষেত্রেও আন্দোলনের শুরুটা ছিল অরাজনৈতিক মঞ্চ থেকেই। পরে গিয়ে সেখানে তৃণমূল কংগ্রেস-সহ বিভন্ন রাজনৈতিক দল দাঁড়িয়েছিল। সিঙ্গুরের ক্ষেত্রে ছিল কৃষি জমি রক্ষা কমিটি আর নন্দীগ্রামে ছিল ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। দেউচাতেও, দেখা যাচ্ছে সেই একই ধারা। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের ফলে রাজ্যে বাম জমানার ভিত নড়িয়ে দিয়েছিল। পতন হয়েছিল বাম সরকারের। দেউচার আন্দোলনের ধারা কোন দিকে গড়ায়, তা অবশ্য সময়ই বলবে।

     

     

  • S Jaishankar: মার্কিন মুলুকে ছেলেকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর, সেখানে কী হল জানেন?

    S Jaishankar: মার্কিন মুলুকে ছেলেকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর, সেখানে কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ঘুরে বেড়াচ্ছে। অর্থাৎ ভাইরাল হয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। এক জায়গায় বক্তৃতা দেওয়ার সময়, নিজের জীবনের এক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। আর এখন নেট মাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিও ক্লিপ।

    আরও পড়ুন: তাসখন্দে তালিবান বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছেন জয়শঙ্কর?

    কাজের সূত্রে আমেরিকায় থাকেন এস জয়শংকরের (S Jaishankar) ছেলে। কোভিডকালে ছেলের সঙ্গে দেখা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (US) গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই বাবা-ছেলে মিলে যান এক রেস্তোরাঁয় নৈশভোজে। তারপর সেখানে কী হল সেই অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।  

    আরও পড়ুন: মূল্যবোধই ভারতের সম্পদ! অভিমত সামান্থার 

    অনুষ্ঠানের মঞ্চে বক্তৃতা দেওয়ার সময় মন্ত্রী বলেন, “২০২১ সালে অতিমারির সময় আমার ছেলের সঙ্গে দেখা করতে আমেরিকায় গিয়েছিলাম। দুজনে একটি মার্কিন রেস্তোরাঁয় ডিনারে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের কোভিড টিকাকরণের সার্টিফিকেট (Covid Vaccination Certificate) দেখাতে বলা হয়। আমার ছেলে নিজের মানি ব্যাগ থেকে একটি ভাঁজ করা কাগজ বের করে দেখায়। আর আমি নিজের মোবাইলে কোউইন (Cowin) পোর্টাল খুলে ডিজিটাল ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট দেখাই। আর এখানেই অন্য দেশের সঙ্গে ভারতের তফাৎ লক্ষ্য করা যায়। আমি ভারতের কোউইন পোর্টালের জন্য ওই মুহূর্তে গর্ব অনুভব করেছিলাম।” জয়শংকরের ৫৭ সেকেন্ডের ছোট্ট এই ভিডিয়ো ক্লিপটি মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনরা সকলেই কোউইন পোর্টাল নিয়ে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন কমেন্ট বক্সে।

     

    যারা দেশের বাইরে যাত্রা করছেন বা আগামীতে যাত্রা করার কথা ভাবছেন একটি বিষয় জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। যারা দেশের বাইরে যেতে চান, তাঁদের পাসপোর্টের সঙ্গে কো-উইন অ্যাপের ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক। 

  • Cattle Smuggling: গরুপাচারের টাকায় তৈরি ছবিতে অভিনয় করেছেন? দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডি-র

    Cattle Smuggling: গরুপাচারের টাকায় তৈরি ছবিতে অভিনয় করেছেন? দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার (Cattle Smuggling) মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) জেরার মুখোমুখী হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেব (TMC MP and Actor Dev)। দিল্লিতে ইডির (ED) দফতরে গত মঙ্গলবার হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে প্রায় ৫ ঘণ্টা জেরা করা হয়।

    এই প্রথমবার ইডি-র জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তিনি। অভিযোগ, দেবের কয়েকটি ছবির প্রযোজনায় ব্যবহার করা হয়েছিল গরুপাচারের টাকা। ইডি সূত্রের দাবি, গরুপাচার মামলার মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার টাকা বেশ কয়েকটি হাত ঘুরে আসে প্রযোজনা সংস্থায়। ওই প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে তৈরি হওয়া ছবিতে অভিনয় করেছিলেন দেব। 

    ওই টাকার উৎস সম্পর্কে দেব ওয়াকিবহাল ছিলেন কি না, তিনি ওই টাকার সুবিধাপ্রাপ্ত কি না, ওই প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে তাঁর কেমন সম্পর্ক— এসব তথ্য তদন্তকারীরা দেবের থেকে জানতে চাইতে পারেন বলে ধারনা।

    এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি একই মামলায় সিবিআইয়ের (CBI) দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়েছিল। গরুপাচার কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া এনামুল হককে জেরা করতে গিয়ে একাধিক বার দেবের নাম সামনে এসেছিল। সেকারণেই সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারীকরা দেবকে তলাব করেছিল। 

    আরও পড়ুন: সায়গলকে ঘিরে থাকতেন ১৪ ‘ভূত’, জানেন কি তাঁরা কারা?

    সূত্রের খবর, সিবিআইকে দেব জানিয়েছিলেন, গরুপাচার কাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। অভিনেতা-সাংসদ সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমি বেশি কিছু বলতে পারব না। একজন ব্যক্তিকে চিনি কি না সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্ত এনামুল হককে চিনি না। মনে হয় আমাকে আর ডাকবে না। ’

    এবার এই মামলায় সিবিআইকে যে বয়ান দিয়েছেন দেব সেটার সঙ্গে তাঁদের কাছে দেওয়া বয়ান মিলিয়ে দেখতে চান ইডির অফিসাররা বলে জানা গিয়েছে। গরুপাচার কাণ্ডের তদন্তে একাধিকবার তলব করা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। কিন্তু তিনি মাত্র একবারই হাজিরা দিয়েছেন। প্রতিবারই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

    এছাড়া, এই কাণ্ডে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। সায়গলের নামি-বেনামি সম্পত্তির হিসাব কষে কয়েকশো কোটি টাকার হদিশ পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ে দাবি এনামুল হকের হয়ে কাজ করত সায়গল।

    সম্প্রতি, কয়লাপাচার কাণ্ডে অভিষেক-পত্নী রুজিরাকে তলব করেছিল ইডি। দীর্ঘক্ষণ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর আগে, একই কাণ্ডে বাড়ি গিয়ে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই।

  • MGNREGA: চুরির টাকা উদ্ধার হলে তবেই বরাদ্দ ১০০ দিনের কাজে, কেন্দ্রের ফরমানে ফাঁপরে রাজ্য

    MGNREGA: চুরির টাকা উদ্ধার হলে তবেই বরাদ্দ ১০০ দিনের কাজে, কেন্দ্রের ফরমানে ফাঁপরে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনিয়ম ধরা পড়েছে। জবকার্ডধারীদের টাকা আত্মসাতও হয়েছে। সেই টাকা উদ্ধার করে সরকারি তহবিলে জমা করার নিদান দিয়েছিলেন দিল্লি থেকে আসা জাতীয় স্তরের মনিটরেরাও। কিন্তু গত তিন বছরে তা করে উঠতে পারেনি রাজ্য। ফলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক নবান্নকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ১০০ দিনের কাজের টাকায় চুরির টাকা উদ্ধার না হলে এক পয়সাও দেওয়া হবে না। 

    রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে চিঠি লিখে সে কথা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। যে ব্যক্তিরা ১০০ দিনের টাকা চুরি করেছেন, তাঁদের থেকে সে সব উদ্ধার করে ব্যবস্থা না নিলে আপাতত কোনও বরাদ্দ দেওয়া হবে না বলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রের খবর।

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের নাম বদলে বাংলা আবাস যোজনা করেছিল রাজ্য। ফলে টাকা বরাদ্দও বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। সম্প্রতি গ্রামে গ্রামে সেই ‘বাংলা’ নাম মুছে এখন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা লেখা আবার শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, ১০০ দিনের চুরির টাকা উদ্ধারেও রাজ্য নাকি পদক্ষেপ করবে। এক কর্তার কথায়, উপায় নেই কিছু লোকের থেকে টাকা উদ্ধার করে এফআইআর না করলে এক টাকাও দেবে না কেন্দ্র।

    রাজ্যে ১০০ দিনের কাজে কী কী গরমিল ধরা পড়েছে?

    গত চার বছরে তিনবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল এসে সরেজমিনে ১০০ দিনের কাজ কেমন চলছে তা ঘুরে দেখেছে। প্রতিবারই যা যা অনিয়িম, দুর্নীতি ধরা পড়েছে তা রাজ্যকে জানিয়ে রিপোর্ট পাঠিয়েছে দিল্লি। ব্যবস্থাগ্রহণের রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। তারপরেও কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি দিল্লি। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক চেয়েছিল, যাঁরা গরমিল করেছেন, দুর্নীতি করেছেন তাঁদের থেকে টাকা উদ্ধার করা হোক। 

    আরও পড়ুন: বাংলা আবাস যোজনা নাম মুছলে তবেই মিলবে টাকা, রাজ্যকে জানিয়ে দিল কেন্দ্র

    তিন বছর ধরে রাজ্য বার বার চাইলেও সেই কাজ করেনি নবান্ন। টাকা বন্ধ হওয়ার পরে অন্য তহবিলের টাকা ১০০ দিনের কাজে জমা করে দিয়ে টাকা উদ্ধারের দাবি করেছে তারা। কেন্দ্র এতেও ক্ষুব্ধ। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের সাফ কথা, আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের থেকে টাকা উদ্ধার করে ১০০ দিনের কাজের তহবিলে জমা করতে হবে। তবেই নতুন করে বরাদ্দ মিলবে।

    মন্ত্রকের কর্তারা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যে কাজ ১০০ দিনের প্রকল্পে করা যায় না সেই কাজ হয়েছে। গ্রামে প্রভাবশালীদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের রাস্তাও ১০০ দিনের টাকায় কংক্রিট করা হয়েছে। এই টাকাতে নেতাদের বাড়ির বাগানে বাহারি গাছ লাগানো হয়েছে, তাও ধরা পড়েছে। কাজ না করেই টাকা তোলা হয়েছে, এক জায়গায় কাজ হয়েছে কিন্তু প্রকল্পটির বরাদ্দ টাকা রয়েছে অন্যত্র। একই কাজ ভেঙে ভেঙে অনেক কাজ দেখানো হয়েছে। ভুয়ো মাস্টার রোল তৈরি, যে পরিমাণ কাজ হয়েছে তার চেয়ে বেশি টাকার সরঞ্জামের খরচ ও মজুরি দেখানো হয়েছে। কেন্দ্র চুরির জন্য পুলিশে অভিযোগ জানাতে বললেও রাজ্য গা করছে না। ফলে টাকা না দিয়ে উপায় নেই।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের ‘হিসাব’ রাখা আইনজীবীর বাড়িতে আয়কর হানা কেন? কী পাওয়া গেল জানেন?

    রাজ্য পঞ্চায়েত দফতরের এক কর্তা জানান, ১০০ দিনের কাজে চুরির টাকা উদ্ধার করতে হলে গ্রামে গ্রামে তৃণমূলের নেতাদের গায়ে হাত দিতে হবে। হাত পড়বে নীচের স্তরের অফিসার-কর্মীদের গায়েও। এটা হলে তীব্র প্রতিক্রিয়া হবে। ফলে ৩ বছর ধরে কিছুই করা হয়নি। এখন টাকা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দিল্লিকে দেখানোর জন্য অন্তত কিছু নেতা-অফিসারের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার করতেই হবে। বছরে ৬০০০ কোটি টাকা পেতে হলে অন্তত ৬০০ জনের নামে দুর্নীতির মামলা করা ছাড়া উপায় নেই। তবে নবান্ন কিছুই জানাচ্ছে না।  

LinkedIn
Share