Blog

  • I-PAC: অবৈধ কয়লা খনন  ও আর্থিক দুর্নীতি মামলার সূত্র ধরে কীভাবে ইডির নজরে আই-প্যাক?

    I-PAC: অবৈধ কয়লা খনন ও আর্থিক দুর্নীতি মামলার সূত্র ধরে কীভাবে ইডির নজরে আই-প্যাক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা ও দিল্লিতে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) যে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে, তা নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে। এই অভিযানের কেন্দ্রে নাম উঠে এসেছে রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (I-PAC) এবং সংস্থার অন্যতম কর্ণধার প্রতীক জৈনের নাম।

    ইডির বক্তব্য

    ইডি তাদের একটি প্রেস রিলিজে পরিষ্কার জানিয়েছে, এই তল্লাশি কোনও রাজনৈতিক কারণে নয়, বরং অবৈধ কয়লা খনন ও অর্থপাচার (Coal Mining Corruption Cases) সংক্রান্ত একটি দীর্ঘমেয়াদি তদন্তের অংশ হিসেবেই চালানো হয়েছে। মামলাটি আর্থিক দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন (PMLA) অনুযায়ী তদন্ত চলছিল। সকাল থেকেই শুরু হওয়া এই অভিযানে কলকাতা ও দিল্লির একাধিক স্থানে একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। আই প্যাক (I-PAC) এর অফিস, প্রতীক জৈনের বাসভবন – সব মিলিয়ে প্রায় ন’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে ইডির এই অভিযান।

    অবৈধ কয়লা খননের সূত্রপাত (Coal Mining Corruption Cases)

    এই মামলার সূত্রপাত হয় কয়েক বছর আগে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলা এবং তার সংলগ্ন এলাকায়। অভিযোগ, ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড (Coal Mining Corruption Cases)-এর খনন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে কয়লা উত্তোলন ও চোরাচালান চলছিল। এই চক্রে রেলওয়ে, সিআইএসএফ-সহ বিভিন্ন দফতরের কিছু অসাধু কর্মীর যোগসাজশ ছিল। অবৈধভাবে উত্তোলিত কয়লা পরে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কারখানায় বিক্রি করার চক্র চলত। হিসেব অনুযায়ী, প্রায় ২,৭৪২ কোটি টাকার কয়লা এভাবে পাচার হয়েছে বলে অনুমান।

    এই সিন্ডিকেটের মূল মাথা হিসেবে একাধিকবার উঠে আসে অনুপ মজির নাম। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ২০০০ সাল থেকে একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ২০২০ সালে সিবিআই এই মামলায় হস্তক্ষেপ করে এবং তদন্ত আরও জোরদার হয়।

    অর্থপাচারের পথে আই প্যাক (I-PAC)-এর নাম

    তদন্ত যত এগোয়, ততই সামনে আসে অর্থপাচারের জটিল নেটওয়ার্ক। ইডির দাবি, অবৈধ কয়লা বিক্রির টাকা বিভিন্ন হাওলা অপারেটরের মাধ্যমে ঘুরে বেড়িয়েছে এবং সেই লেনদেনের একটি বড় অংশ আই প্যাক (I-PAC)-এর কাছেও আসে। এই অবৈধ আর্থিক লেনদেনের কারণেই ইডির নজরে আসে। ইডির দাবি, এই অর্থ কীভাবে, কোন পরিষেবার বিনিময়ে এবং কোন চুক্তির আওতায়  প্রতীক জৈনের কাছে এসেছে – তা যাচাই করতেই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

    ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী, রাজনৈতিক বিতর্ক

    তল্লাশি চলাকালীন পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং নিজেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এবং তিনি প্রকাশ্যে এই অভিযানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেন। সেই সঙ্গে অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় সংস্থা রাজ্যের শাসক দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য ও নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত নথি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করছে। প্রতীক জৈন রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি ও নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত কাজ দেখতেন, ফলে ইডির তল্লাশি আসলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসারই প্রতিফলন।”

    ইডির পাল্টা অবস্থান

    ইডি অবশ্য এই অভিযোগ মানতে নারাজ।  স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তদন্ত সম্পূর্ণ আইনসম্মত ও প্রমাণনির্ভর। কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হচ্ছে না। তল্লাশির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল তথ্য সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যা তদন্তে বাধা সৃষ্টি করেছে। এই বিষয়টি নিয়ে তারা আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে।

    রাজনীতি ও তদন্ত – দুটোর মাঝখানে  আই প্যাক

    অবৈধ কয়লা খনন ও অর্থপাচার মামলার (Coal Mining Corruption Cases) তদন্ত থেকে শুরু হয়ে এই ঘটনা এখন স্পষ্টভাবেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছে। একদিকে কেন্দ্রীয় সংস্থার আর্থিক তদন্ত, অন্যদিকে রাজ্য সরকারের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া-সব মিলিয়ে  আই প্যাক-এর নাম জড়িয়ে পড়ায় এই মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। আগামী দিনে তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং এই অর্থনৈতিক লেনদেনের প্রকৃত ছবি কতটা স্পষ্ট হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

  • JP Nadda: নতুন কমিটি ঘোষণার পর রাজ্যে দলীয় নেতাদের উজ্জীবিত করতে কলকাতায় সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: নতুন কমিটি ঘোষণার পর রাজ্যে দলীয় নেতাদের উজ্জীবিত করতে কলকাতায় সর্ব ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেছেন। হাতে গোনা কয়েকমাস পরেই নির্বাচন। তাই দলকে সম্পূর্ণ ভাবে লড়াইয়ের ময়দানে নামাতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অত্যন্ত তৎপর। বিজেপির সর্বভারতীয় রাষ্ট্রীয় সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা (JP Nadda) বৃহস্পতিবার ৮ জানুয়ারি, কলকাতায় রাজ্য বিজেপির দলীয় নেতাদের উজ্জীবিত করতে শহরে এসেছেন। দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে একটি বৈঠকও করেছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলকে পরাজিত করতে দলের প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করতে তিনি দুদিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন।

    স্বাগত জানান শুভেন্দু-শমীক (JP Nadda)

    বিজেপি বিধায়ক তথা পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal BJP) বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সাভপতি শমীক ভট্টাচার্য বিমানবন্দরে নাড্ডা স্বাগত জানান। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গতিশীল নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ পশ্চিমবঙ্গ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য নাড্ডাজীর দূরদর্শিতা আমাদের প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করবে।” উল্লেখ্য গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতা সফরে এসেছিলেন। তিনি বিজেপির নেতাদের ২০০ টি আসন জয়ের লক্ষ্য মাত্রা ঠিক করে দিয়েছেন।

    তাঁর সফরের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে

    • দলের (West Bengal BJP) পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের কোর কমিটির বৈঠক।
    • বিভিন্ন জেলা-স্তরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়।
    • বিজেপির ডক্টরস সেলের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ।
    • নির্বাচনের আগে দলের মাঠ-স্তরের কর্মীদের কাছ থেকে মতামত (ফিডব্যাক) গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা।

    দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ৯ই জানুয়ারি নাড্ডা (JP Nadda) তাঁর কেন্দ্রীয় মন্ত্রক-সম্পর্কিত সরকারি দফতরের বেশ কিছু বৈঠকগুলিতে যোগ দেবেন। এই দিন তিনি যে যে জায়গা পরিদর্শন করবেন তার মধ্যে হল–

    • কলকাতার চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (CNCI) পরিদর্শন করবেন।
    • নদিয়া জেলার কল্যাণী এইমস-এ (AIIMS Kalyani) ডিপার্টমেন্ট অফ রেডিয়েশন অনকোলজি, ডিপার্টমেন্ট অফ ট্রমা অ্যান্ড এমার্জেন্সি মেডিসিন, এবং নিউম্যাটিক টিউব সিস্টেমের উদ্বোধন করবেন।
  • I PAC ED RAID: ‘ক্ষমতার বলে নথি ছিনিয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী’, আই প্যাক দফতরে মমতার অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে ইডি

    I PAC ED RAID: ‘ক্ষমতার বলে নথি ছিনিয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী’, আই প্যাক দফতরে মমতার অভিযান নিয়ে হাইকোর্টে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আই প্যাকের অফিসে সরকারি ফাইল কেন? ইডির (I PAC ED RAID) হাত থেকে কী আড়াল করতে আই প্যাকের অফিসে ছুটে গেলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান? কীসের ভয়? সবুজ ফাইলে কী ছিল? বাংলা তথা সারা দেশের রাজনীতিতে বৃহস্পতিবার এমনই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে দিল্লি থেকে কলকাতা। আই প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের ৭ নম্বর লাউড্রন স্ট্রিটের বাড়ি ও গোদরেজ ওয়াটার সাইডের অফিসে এদিন তল্লাশ চালায় ইডি। আর তল্লাশির মাঝেই সেখানে ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অফিস থেকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন। বাংলার বেনজির এই ঘটনা আজ গোটা দেশের নজর কেড়ে নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, তাঁদের দলের স্ট্র্যাটেজি, ফাইল, হার্ড ডিস্ক, প্রার্থী তালিকা হাতানোর চক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু ইডির দাবি এই তল্লাশির সঙ্গে নির্বাচনের কোনও যোগ নেই। কেন তল্লাশি, কোন মামলায় তল্লাশি, সবটাই পরিস্কার করা হল ইডির তরফে।

    আদালতে ইডি

    ইডির অভিযোগ, সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করে তল্লাশির মধ্যেই নথি ছিনতাই করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। আই প্যাক দফতরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযান নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। মামলা দায়ের করতে চেয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা। অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী এদিন বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে আদালতের হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন৷ ইডির অভিযোগ, তল্লাশি ও তদন্ত চলাকালীন বাধা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি একজন সাংবিধানিক পদের অধিকারী হয়ে আইন লঙ্ঘন করেছেন৷ পাশাপাশি রাজ্যের পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল৷ ইডি কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে৷ এ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷ পুলিশের উচিত ইডির তদন্তে সহযোগিতা করা৷ কিন্তু পুলিশ এখানে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় ছিল৷

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের জবাব

    বৃহস্পতিবার সকালে কয়লা পাচার মামলায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে এবং সংস্থার সল্টলেক দফতরে ইডি’র তল্লাশি চালায়৷ এই দু’টি জায়গায় তল্লাশির সময় পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বেশ কিছু ফাইল, হার্ডডিস্ক ও ল্যাপটপ হাতে বেরিয়ে আসেন তিনি। মমতার অভিযোগ, ইডি তৃণমূলের আইটি সেলের হেড অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে৷ দলের প্রার্থিতালিকা ও রণকৌশল হাতিয়ে নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের জবাব দেয় ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থা তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার আগে পর্যন্ত তল্লাশি প্রক্রিয়া অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল। তল্লাশির মাঝেই বিশাল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে ঢুকে পড়েন মমতা। প্রতীকের বাড়ি থেকে বেশ কিছু মূল নথি, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ক্ষমতার বলে নিয়ে নেন বলে ইডির দাবি। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে যায়। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর সহকারি, রাজ্য পুলিশ জোর করে নথি, কাগজপত্র, ডিভাইস হাতিয়ে নিয়ে চলে যান বলে ইডির দাবি। ইডির বক্তব্য, কয়লা দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। এটা আর্থিক দুর্নীতি মামলায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ভোটের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়ে তল্লাশি করা হয়নি।

    অসাংবিধানিকভাবে ফাইল কেড়ে নেন মমতা

    বিবৃতি প্রকাশ করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জানিয়েছে, তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই এ দিন তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কোনও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বা ভোটের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। প্রসঙ্গত, কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের ছয়টি জায়গায় এবং দিল্লির চারটি জায়গায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অভিযান চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের একাধিক দল। বাংলার মধ্যে দুটি হল প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিস। সেখানেই বেনজিরভাবে ঢুকে পড়েন মমতা। সেখানে সাংবিধানিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে অসাংবিধানিকভাবে ফাইল কেড়ে নিয়ে এসেছেন। সূত্রের খবর, পদক্ষেপের রাস্তা খোলা রাখছে ইডি। সক্রিয়ভাবে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী কিংবা তাঁর সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে ইডি।

    তল্লাশি অভিযান তথ্যপ্রমাণভিত্তিক

    ইডি সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘‘ইডির সদর দফতরের ইউনিট আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে বেআইনি কয়লা পাচার মামলায় ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। অনুপ মাজি কয়লা পাচারের সিন্ডিকেট চালাতেন এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে চুরি করে বেআইনি ভাবে কয়লা বাইরে পাঠাতেন। শান্তিপূর্ণ ভাবেই তল্লাশি অভিযান চলছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রশাসনের আধিকারিক এবং পুলিশ কর্তাদের নিয়ে সেখানে চলে আসেন এবং জোর করে নথি, ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ নিয়ে চলে যান।’’ ইডি আরও জানিয়েছে, তাদের তল্লাশি অভিযান তথ্যপ্রমাণভিত্তিক এবং কোনও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে এর মাধ্যমে নিশানা করা হয়নি। কোনও পার্টি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়নি। এই তল্লাশির সঙ্গে কোনও নির্বাচনের সম্পর্ক নেই। সাধারণ আর্থিক তছরুপ মামলার বিরুদ্ধে এই অভিযান ছিল। আইন মেনে তল্লাশি‌ চলছে।

    অস্বস্তিতে মুখ্যমন্ত্রী!

    মমতা বিকেল ৪টে ২২ মিনিট নাগাদ সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতর থেকে বেরিয়ে যান। তার কিছু ক্ষণ আগেই প্রতীক দফতরে ঢুকেছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে মমতা বেরিয়ে যান। মমতার গাড়িতে একাধিক ফাইল, নথি তোলা হয়। প্রায় চার ঘণ্টার বেশি সময় আইপ্যাক দফতরে ছিলেন মমতা। বিকেল ৩টের পর প্রতীকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল ইডি। আই প্যাক দফতরে ইডি হানার প্রতিবাদে শহর জুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কিন্তু বিরোধীদের প্রশ্ন, দলের গোপন নথি বেসরকারি কনসালট্যান্টের কাছে কীভাবে থাকে? ফাইলে কী রয়েছে? তার কোনও প্রামাণ্য নথি এখনও সামনে না এলেও, রাজনীতিতে ধারণাই সব। সেই ধারণা থেকেই বলা যায়, ফাইলে এমন কোনও তথ্য আছে, যা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে খুব একটা স্বস্তির নয়।

     

     

  • Election Commission: ভিন্‌রাজ্যে থাকা ভোটারদের আসতে হবে না শুনানিতে, নতুন পরিকল্পনা কমিশনের

    Election Commission: ভিন্‌রাজ্যে থাকা ভোটারদের আসতে হবে না শুনানিতে, নতুন পরিকল্পনা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের এসআইআর-এর (SIR) কাজে শুনানি পর্বে এখন নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। অনেক ভোটারকে শুনানির জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্ধারিত নথি নিয়ে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ থাকলেও, বাইরের রাজ্য বা বিদেশে থাকা ভোটার এবং পরিযায়ী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশে পরিবর্তন আনা হয়েছে। শুনানিতে পরিযায়ী শ্রমিক-সহ রাজ্যের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের আসতে হবে না। এমনটাই জানালো নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

    হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে নথি পাঠালেও তা গৃহীত হবে (Election Commission)

    কমিশনের তরফে জানা গিয়েছে, রাজ্যের বাইরে থাকা শুনানিতে (SIR) নোটিশ দেওয়া ব্যক্তিদের আর আসতে হবে না। তাঁদের জন্য পোর্টাল বা হোয়াট্‌সঅ্যাপ নম্বর চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এসআইআর পর্বের দ্বিতীয় ধাপে কমিশন সূত্রে এমনটাই পরিকল্পনার কথা জানা গিয়েছে। পোর্টালে লগইন করে নথি আপলোড করলেই হবে। বিএলও-র হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে নথি পাঠালেও তা গৃহীত হবে। পরের ধাপে প্রাপ্ত নথি খতিয়ে দেখা হবে। তারপর চূড়ান্ত তালিকায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম তোলা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এফআইআর-ও করা হতে পারে

    একইভাবে রাজ্যের বাইরে থাকা ব্যক্তিরা অনলাইনে নাম তুলতে চাইলে ওই ব্যবহার করা হবে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোথায় কাজ করেন, কী কাজ করেন সেই তালিকাও দিতে হবে। তবে কাদের কাদের শুনানি হবে তা নিয়েও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুথ লেভেল অফিসাররা এই সব ভোটারকে শুনানি কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করতে যেতে পারবেন না। এমনকি ভুল বার্তা দিলে পরে এফআইআর-ও করা হতে পারে।

    তবে এসআইআরের (SIR) শুনানি পর্বে বিদেশে থাকা ব্যক্তিদের জন্য নির্বাচন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। শুনানি পর্বের ক্ষেত্রে অনাবাসী কোনও ভারতীয়কে নোটিস পাঠানো হলে তিনি সেই দেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসে গিয়ে নিজের পাসপোর্ট ভিসা সংক্রান্ত তথ্য জমা দিলেই সমস্যার সমাধান হবে।

  • US Visa Bond: বাংলাদেশিদের ভিসা বন্ড! আমেরিকায় যেতে গেলে দিতে হতে পারে ১৫০০০ ডলার

    US Visa Bond: বাংলাদেশিদের ভিসা বন্ড! আমেরিকায় যেতে গেলে দিতে হতে পারে ১৫০০০ ডলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার ভিসা (US Visa Bond) পেতে এখন থেকে আরও বেশি অর্থ খরচ করতে হবে বাংলাদেশের নাগরিকদের। এবার থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ দিতে হবে। ভারতীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৩ লক্ষ টাকারও বেশি। সেখানে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় সাড়ে ১৮ লক্ষ। মার্কিন ভিসা বন্ড দেওয়ার শর্তযুক্ত দেশের তালিকা প্রায় তিন গুণ বাড়িয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। সর্বশেষ বাংলাদেশ-সহ আরও ২৫টি দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করেছে মার্কিন বিদেশ দফতর। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকেই এই নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে।

    কোন কোন দেশ ভিসা-বন্ডের আওতায়

    আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকার বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ড (US Visa Bond) জমা দেওয়ার নিয়ম আগেই চালু করেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। মঙ্গলবার বাংলাদেশ, ভেনেজুয়েলা-সহ আরও কয়েকটি দেশকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মার্কিন বিদেশ দফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। তালিকাভুক্ত দেশগুলোর বেশিরভাগই আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার। বাংলাদেশের পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজিরিয়া, নেপাল ও উগান্ডা-সহ একাধিক দেশ। মার্কিন বিদেশ দফতর জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা যদি বি-১/বি-২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের সময় তাদের ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে কনস্যুলার অফিসার বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করবেন। আবেদনকারীদের মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন্ড প্রদানে সম্মতি জানাতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশনা ছাড়া আগাম কোনও অর্থ জমা না দিতে সতর্ক করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

    ভিসা বন্ড কী

    ভিসা বন্ড (US Visa Bond) হলো একটি আর্থিক নিশ্চয়তা, যা সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে কিছু দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়-যাতে তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে অনুমোদিত থাকার সময়সীমা মেনে চলেন। প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো বিদেশি পড়ুয়া, পর্যটক ও কর্মীকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে। অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে সেটিকে ভিসা ওভারস্টে হিসেবে গণ্য করা হয়।

    কেন নেওয়া হয় ভিসা বন্ড

    ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্য, ভিসার (Visa Bond For Bangladesh) মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও অনেকেই আমেরিকায় থেকে যাচ্ছেন। সেই প্রবণতায় রাশ টানতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি হোয়াইট হাউসের। দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসেই অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ইতিমধ্যেই তাঁর প্রশাসন আমেরিকায় থাকা বহু অবৈধবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে। তা ছাড়া এইচ-১বি ভিসা, গ্রিন কার্ডের জন্যও আরও কড়া নিয়ম কার্যকর হয়েছে। এমনকি ভিসা আবেদনকারীর সমাজমাধ্যমের পোস্টের উপরেও নজর রাখছেন মার্কিন অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা।

    কীভাবে ফেরত পাওয়া যাবে ভিসা বন্ড

    এই ভিসা বন্ড (US Visa Bond) নীতি একটি পাইলট কর্মসূচির আওতায় গত আগস্টে প্রথম চালু করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, যে সব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার হার বেশি, মূলত সে সব দেশকেই এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ভিসা বন্ড স্থায়ীভাবে কেটে রাখা হবে না। এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। নিচের পরিস্থিতিতে বন্ডের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে অনুমোদিত সময়ের মধ্যে বা তার আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে, ভিসা পাওয়ার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করলে বা মার্কিন বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে। তবে কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের বেশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন অথবা সেখানে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন (যেমন রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলাম), তাহলে বন্ডের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।

    বাংলাদেশিদের জন্য মাত্র তিনটি বিমানবন্দর

    ভিসা বন্ড (US Visa Bond) প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশি যাত্রীরা কেবল নিম্নোক্ত বিমানবন্দরগুলো দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। সেগুলো হল- বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। এই নির্ধারিত পথ ছাড়া অন্য কোনও পথে প্রবেশ বা বের হলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, যা বন্ড ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে। এই নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Suvendu Adhikari: “ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেওয়া”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেওয়া”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের আই প্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি অভিযানকে আটকাতে পৌঁছে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই অভিযানের সময় একই ভাবে বাড়িতে যান সিপি মনোজ ভর্মা। এরপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন সবুজ ফাইল হাতে মমতা। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। কিন্তু পাল্টা মমতার বিরুদ্ধ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আগেও হস্তক্ষেপ করেছেন মমতা (Suvendu Adhikari)!

    দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলায় আই প্যাকের কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি করতে যান। এমন সময়ে আচমকা তদন্তকে আটকাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) উপস্থিত হন। এরপর সোজা ঢুকে সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে বেড়িয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অমিত শাহকে তোপ দেগে বলেন, “দলের রণনীতি, পরিকল্পনা, প্রার্থী তালিকা, হার্ডডিস্ক সব কিছুকে হাতিয়ে নিচ্ছে বিজেপি।” এরপর পাল্টা মমতাকে আক্রমণ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ইডির উচিত আইন মেনে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এবার পদক্ষেপ নেওয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে এর আগেও হস্তক্ষেপ করেছে। ২০২১ সালে তিনি নিজাম প্যালেসে ধরনা দিয়েছিলেন। ফিরাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্রদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে। তারও আগে সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। সিপিকে নিয়ে ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছিলেন।”

    সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ!

    আর্থিক দুর্নীতি মামলা বিষয়ে মমতার সরাসরি হস্তক্ষেপর বিষয়ে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের কাজ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ ও তদন্তে বাধা দেন। একজন মুখ্যমন্ত্রী কেবল রাজনৈতিক নেতানেত্রী নন, তিনি একজন প্রশাসনিক প্রধান। ইডির উচিত নিজের আইনকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলা। মুখ্যমন্ত্রী এবং সিপির এই যাওয়াটা সম্পূর্ণ ভাবে অসাংবিধানিক, অনৈতিক এবং তদন্তে বাঁধা প্রধান করা।” তবে এদিনের তদন্তে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ছিল বলে জানা গিয়েছে।

  • ED: আইপ্যাক কর্তার বাড়িতে ইডির হানা, সেখান থেকে ‘সবুজ ফাইল’ নিয়ে বেরোলেন মমতা! কী রয়েছে তাতে?

    ED: আইপ্যাক কর্তার বাড়িতে ইডির হানা, সেখান থেকে ‘সবুজ ফাইল’ নিয়ে বেরোলেন মমতা! কী রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘লাল ডায়েরি’র পর এবার ‘সবুজ ফাইল’! ঘটনাচক্রে দু’টি ঘটনায়ই ঘটেছে তৃণমূল জমানায় (Mamata Banerjee)। দুই চিটফান্ড সংস্থা রোজভ্যালি এবং সারদার শীর্ষ কর্তাদের কাছ থেকে ইডি (ED) বাজেয়াপ্ত করেছিল লাল রংয়ের দুটি ডায়েরি। সেগুলিতে ঠিক কী ছিল, তা জানা না গেলেও, এটা জানা গিয়েছে ডায়েরি দু’টিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন, রাজনৈতিক সংযোগ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম লেখা ছিল।

    চর্চায় সবুজ ফাইল (ED)

    সময়ের শ্যাওলা লাগায় লাল ডায়েরির রং যখন ফিকে হয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই চর্চায় চলে এল সবুজ ফাইল। এবং সেই ফাইল সরিয়ে নিয়ে গেলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেরা যাক, মূল খবরে। বৃহস্পতিবার সকালে আইপ্যাকের অফিসে হানা দেয় ইডি। দিল্লির আর্থিক প্রতারণা মামলায় ওই সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের অফিস এবং লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। ইডির অভিযান শুরু হতেই দ্রুত প্রতীকের বাড়িতে পৌঁছে যান পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। হনহনিয়ে ঢুকে যান বাড়ির ভেতরে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি যখন ওই বাড়ি থেকে বের হন, তখন তাঁর হাতে ধরা একটি সবুজ ফাইল। সেই ফাইলে কী রয়েছে, তা জানাজানি হওয়ার আগেই সেটি চলে যায় তৃণমূল সুপ্রিমোর জিম্মায়। পরে, সেক্টর ফাইভেও পৌঁছে যান মমতা। সেখানে আইপ্যাকের দফতরে ইডি হানার মাঝেই তিনি ফাইল বের করেন বলে খবর।

    কেন সবুজ ফাইল নিয়ে চলে গেলেন মমতা

    কেন তিনি বেছে বেছে সবুজ ফাইলটিই সরিয়ে নিয়ে তড়িঘড়ি এলাকা (ED) ছেড়ে চলে গেলেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। মমতা বলেন, “প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি আধিকারিকরা। আইটি ইনচার্জের বাড়িতে সব হার্ডডিস্ক সংগ্রহ করতে এসেছিল। সব প্রার্থীর তালিকা, পার্টির প্ল্যান, স্ট্র্যাটেজি সংগ্রহ করতে এসেছিল।” তাঁর প্রশ্ন, “এটাই কি অমিত শাহের কাজ যে আমার দলের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করতে এসেছে? কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন (Mamata Banerjee), “দেশকেই রক্ষা করতে পারে না! আমার আইনি অফিসে ইডি হানা।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এক দিকে এসআইআর করে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে, প্রায় দেড় কোটি মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। আর একদিকে এভাবে তল্লাশির মাধ্যমে দলের প্ল্যান হাতিয়ে নিচ্ছে।” ফাইল ‘সরানো’র সাফাই গাইতে গিয়ে মমতা বলেন, “দেখুন, আমি সব এই ফাইলে করে নিয়ে এসেছি। কারণ প্রতীক আমার পার্টির ইনচার্জ। সব হার্ড ডিস্ক আমি গুছিয়ে নিয়ে এসেছি।” কেন্দ্রীয় একটি তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযানের সময় কেন মুখ্যমন্ত্রী সেখানে গেলেন, কেনই বা তড়িঘড়ি করে সবুজ ফাইল বেছে নিয়ে চলে গেলেন, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। নজিরবিহীন এই ঘটনায় তাজ্জব তামাম রাজ্যবাসী (ED)।

    রাজীবের বাড়ির সামনে ধরনা

    যদিও তৃণমূলের আমলে এমনতর ঘটনা আগেও ঘটেছে (Mamata Banerjee)। একটি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যখন রাজীব কুমারের বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন, তখন তার প্রতিবাদে রাজীবের বাড়ির সামনে ধরনায় বসে পড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একজন প্রশাসনিক প্রধান কীভাবে একাজ করতে পারেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল সেই সময়। এদিন, মমতা যখন সবুজ ফাইলটি নিয়ে বেরিয়ে আসছেন, তার পিছু পিছু আরও বেশ কিছু ফাইলের গোছা নিয়ে বেরিয়ে আসেন পুলিশ কর্মীরা। সেগুলি রাখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে।

    আইপ্যাকের দফতরে মমতা পৌঁছনো

    এদিন সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতরে মমতা পৌঁছনোর ঢের আগেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-মন্ত্রীরা। এঁদের মধ্যে ছিলেন, বিধাননগর পুরসভার মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এবং রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসুও। ভিআইপি লিফট না ধরে মুখ্যমন্ত্রী বেসমেন্টে গিয়ে লিফট ধরে সোজা চলে যান সেক্টর ফাইভের একটি বহুতলের ১১ তলায়। এই বেসমেন্টের সামনেই রাখা ছিল মমতার গাড়ি। সেই গাড়িতেই তোলা হল সমস্ত ফাইল। সল্টলেকে যখন মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছন, তখন দেখা যায়, গোটা এলাকাটি ঘিরে রেখেছেন বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের পদস্থ কর্তারা। এই পুরো পর্বটি চলার সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে চলে আসেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারও (ED)।

    আইপ্যাকের দফতরে তল্লাশি চালানোর সময় বহুতলটির প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ সিল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মুখ্যমন্ত্রী যখন সেখানে পৌঁছন, তখন দেখা যায় দু’টি দরজাই বন্ধ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কথা না বাড়িয়ে বেসমেন্ট দিয়ে লিফটে চড়ে মুখ্যমন্ত্রী সটান চলে যান ১১ তলায়, আইপ্যাকের দফতরে। ইডির দল আইপ্যাকের দফতরে যখন থেকে তল্লাশি শুরু করে তখন থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘিরে রেখেছিল। তার পরেই সেখানে বাহিনী বাড়াতে শুরু করে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারটেও। মমতা যাওয়ার পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও আরও বাড়ে (Mamata Banerjee)। পাল্লা দিয়ে বাহিনী বাড়ায় বিধাননগর পুলিশ (ED)।

  • Shikhar Dhawan: হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণ! বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারে মর্মাহত ধাওয়ান

    Shikhar Dhawan: হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণ! বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অত্যাচারে মর্মাহত ধাওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহম্মদ ইউনুসের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু নিধনের ঘটনা যেন থামছেই না। কয়েকদিন আগেই ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে প্রকাশ্যে এসেছিল হিন্দু বিধবাকে গণধর্ষণের ঘটনা। কেবল তাই নয়, গাছের সঙ্গে বেঁধে মাথার চুল কেটে নেওয়া হয় ৪০ বছরের ওই মহিলার। এই নারকীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন শিখর ধাওয়ান (Shikhar Dhawan)। পৈশাচিক এই ঘটনাকে ‘হৃদয়বিদারক’ আখ্যা দিয়েছেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার।

    নৃশংস হামলার খবর পড়ে যন্ত্রণাবিদ্ধ

    ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার শিখর লেখেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দু বিধবার উপর নৃশংস হামলার খবর পড়ে যন্ত্রণাবিদ্ধ হয়েছি। কোথাও, কারওর সঙ্গে এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমার প্রার্থনা, নির্যাতিতা যেন ন্যায়বিচার ও সমর্থন পান।’ পুলিশের কাছে অভিযোগে ওই মহিলা জানিয়েছেন, আড়াই বছর আগে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পুরসভার ৭নং ওয়ার্ড নদীপাড়ার বাসিন্দা শাহিন ও তাঁর ভাইয়ের কাছে ২০ লক্ষ টাকায় তিন শতক জমি-সহ একটি দোতলা বাড়ি কিনেছিলেন। এরপর থেকেই মূল অভিযুক্ত শাহিনের কুনজরে পড়েন তিনি। তাঁকে অতীতে একাধিকবার অশালীন প্রস্তাবও দিয়েছিল যুবক। তাতে রাজি না হওয়ায় নানাভাবে হয়রানি করা হয় ওই মহিলাকে। গত শনিবার সন্ধায় আচমকাই বাড়িতে ঢোকে শাহিন এবং তাঁর সঙ্গী হাসান। দু’জনে মিলে তাঁকে ধর্ষণ করে। পাশাপাশি সেদিন ওই মহিলার কাছ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩৭ হাজার টাকা) দাবিও করে দুই অভিযুক্ত। তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা আত্মীয়দেরও পর্যন্ত নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ। এরপর ওই বিধবা চিৎকার শুরু করলে মহিলাকে গাছে বেঁধে চুল কেটে দেয়। এই ঘটনা ভিডিও করে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। নৈরাজ্যের বাংলাদেশে গত তিন সপ্তাহে এখনও পর্যন্ত সাত জন হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে দোকানদার, রোষের শিকার হয়েছেন প্রত্যেকেই।

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে সমস্যা

    বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের প্রভাব দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কের উপরেও পড়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছাঁটাই করে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তারপর থেকে এই বিষয়ে সুর চড়া করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এমনকী ঘুরপথে ‘প্রতিহিংসা’ চরিতার্থ করার চেষ্টা শুরু করে তারা। মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার ‘বদলা’ হিসেবে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না আসার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিতর্ক আরও গভীর হয়েছে। আইসিসি-কে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। তবে, বিসিবি-র অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। বলা হয়েছে, ভারতে কোনও সমস্যা নেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেললে সেখানেই খেলতে হবে। তবে এই আবহে বিসিবি জানিয়েছে, দেশের সম্মান বা ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে তারা খেলতে যাবে না। বুধবার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, বাংলাদেশ চাইছে তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হোক।

    বিপিএল-ছাড়লেন ভারতীয় সঞ্চালিকা ঋধিমা

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অন্যতম উপস্থাপক হিসাবে কাজ করছিলেন ঋধিমা পাঠক। আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর তাঁকে আর অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করতে দেখা যাচ্ছে না। মনে করা হয়েছিল, মুস্তাফিজুর বিতর্কের জেরে ভারতীয় সঞ্চালিকাকে বাদ দিয়েছেন বাংলাদেশের সম্প্রচারকারী চ্যানেল কর্তৃপক্ষ। ঋধিমা জানিয়েছেন, তিনি নিজেই বিপিএল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। বিপিএল থেকে ঋধিমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। তৈরি হচ্ছিল নতুন বিতর্ক। তবে ঋধিমা নিজেই ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছেন। জানিয়েছেন, স্বেচ্ছায় বিপিএল থেকে সরে এসেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে সরিয়ে দেয়নি। বিবৃতি দিয়ে ঋধিমা বলেছেন, ‘‘আমাকে বিপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এমন একটা জল্পনা ছড়িয়েছে। এটা ঠিক নয়। আমি নিজেই সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমার কাছে আমার দেশ সব সময় সকলের আগে। যে কোনও ব্যক্তিগত দায়িত্বের চেয়ে ক্রিকেট খেলা অনেক বেশি মূল্যবান বলে মনে করি। বছরের পর বছর সততা, শ্রদ্ধা, আবেগের সঙ্গে ক্রিকেটের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। এটার কোনও পরিবর্তন হবে না। আমি সততা, স্বচ্ছতা এবং খেলার পাশেই থাকব।’’

  • US Russia Cold War: আটলান্টিকে রুশ পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার আটক মার্কিন সেনার, ফের কি ঠান্ডাযুদ্ধের পর্বে ফিরছে আমেরিকা-রাশিয়া?

    US Russia Cold War: আটলান্টিকে রুশ পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার আটক মার্কিন সেনার, ফের কি ঠান্ডাযুদ্ধের পর্বে ফিরছে আমেরিকা-রাশিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কি ঠান্ডাযুদ্ধের পর্বে ফিরছে আমেরিকা-রাশিয়া? আপাতত এমনই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে। রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে জ্বালানি ও ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত চলছে, তার জেরে এবার সমুদ্রে এক নয়া এবং বিস্ফোরক মাত্রা যোগ হল (US Russia Cold War)।

    রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া

    রুশ (Putin) পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ মারিনেরা আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলাচল করার সময় মার্কিন কোস্ট গার্ড তাতে উঠে অভিযান চালায় (Oil Tanker Seizure)। বুধবার মস্কো (রাশিয়ার রাজধানী) এই ঘটনার নিন্দে করেছে কড়া ভাষায়। ঘটনাটিকে তারা অবৈধভাবে আটক বলে বর্ণনা করেছে। রুশ সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন এবং দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনাকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়া সরকারের বক্তব্য, উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে এই অভিযান চালানো হয়। টানা দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ধাওয়া করার পর আটক করা হয় জাহাজটিকে।

    বেলা ১

    জাহাজটির আগের নাম ছিল বেলা ১। আমেরিকার দাবি, জাহাজটি ভেনেজুয়েলা থেকে তেল পরিবহণের একটি নেটওয়ার্কের অংশ। এই ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত ‘শত্রুভাবাপন্ন’ সরকারগুলির তৈলক্ষেত্র থেকে আয় বন্ধ করার কৌশলের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে অনুমান (US Russia Cold War)। এক্ষেত্রে মস্কোর প্রতিক্রিয়া ছিল দ্রুত ও কঠোর। রাশিয়ার পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মারিনেরা জাহাজে অভিযান চালানো হয়েছে খোলা সমুদ্রে, কোনও দেশের আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে, যা ১৯৮২ সালে স্বাক্ষরিত রাষ্ট্রসংঘের সমুদ্র আইন (UNCLOS)-এর সরাসরি লঙ্ঘন। বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ মস্কোর সময় বিকেল প্রায় ৩টায়, মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজটিতে ওঠে (Tensions Rise)। এরপর জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।”

    রাশিয়ার বক্তব্য

    মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর জাহাজটিকে রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রীয় পতাকার অধীনে চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, যা রাশিয়ার জাতীয় আইন ও আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ড মেনেই দেওয়া হয়েছিল (Putin)।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নৌচলাচলের স্বাধীনতা, নিষেধাজ্ঞা রাজনীতি এবং সমুদ্রপথে শক্তি প্রদর্শন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাশিয়া সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অন্য কোনও দেশের অধিক্ষেত্রে আইনগতভাবে নিবন্ধিত কোনও জাহাজের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করার অধিকার কোনও রাষ্ট্রের নেই। মার্কিন অভিযানের কড়া সমালোচনা করেছে রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রক। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেমারিনেরা  জাহাজকে ঘিরে তৈরি পরিস্থিতি “অস্বাভাবিক”। রুশ বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন মেনেই রুশ পতাকা নিয়ে আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলাচল করছিল জাহাজটি (Tensions Rise)।

    জাহাজটি আটক করার চেষ্টা হয়েছে আগেও

    রুশ কূটনৈতিক মহলের অভিযোগ, “আমরা জানি না কী কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর সেনাবাহিনী একটি অসামরিক জাহাজকে ঘিরে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিচ্ছে।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে মার্কিন কোস্ট গার্ড ওই জাহাজটির পিছু নিয়েছিল। এটি পশ্চিমি দেশগুলির ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষা’র দাবির সম্পূর্ণ পরিপন্থী (Putin)। রুশ বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, “যে পশ্চিমি দেশগুলি উচ্চ সমুদ্রে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার কথা জোর দিয়ে বলে, তাদেরই আগে এই নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত।” মারিনেরা জাহাজের গল্প শুধু পতাকা বদলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিষয়টি তার চেয়েও অনেক জটিল (Tensions Rise)। এই তেল ট্যাঙ্কারটি ভেনেজুয়েলা ও ইরান থেকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা অপরিশোধিত তেল পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্যারিবিয়ান সাগরে প্রথমবার জাহাজটিকে আটকানোর চেষ্টা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    জাহাজ ধরতে কৌশলী পদক্ষেপ

    পিছু ধাওয়া করার সময় জাহাজের ক্রু একাধিক কৌশলী পদক্ষেপ নেন। তাঁরা জাহাজটির গায়ে রুশ পতাকা আঁকেন, জাহাজের নাম বদলে ফেলেন এবং রুশ রেজিস্ট্রিতে নিজেদের নিবন্ধিত দেখানোর জন্য নথিপত্রও বদলায় (Putin)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌ চলাচলের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের উদ্ধৃতি দিয়ে মার্কিন কর্তারা জানান, পুরো অভিযানটি কোনও ধরনের প্রতিরোধ ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। অভিযানের সময় জাহাজের ক্রুরা কোনও শক্তি প্রয়োগের চেষ্টা করেননি এবং আশপাশে কোনও রুশ নৌযানও দেখা যায়নি। তবে মারিনেরা  জাহাজটির পেছনে পর্দার আড়ালে এক নীরব সামরিক অভিযান শুরু করেছিল মস্কো। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, রুশ নৌবাহিনী অন্তত একটি পারমাণবিক সাবমেরিন ও একাধিক যুদ্ধজাহাজ দিয়ে ওই তেলবাহী ট্যাঙ্কারটিকে নিরাপত্তা দিচ্ছিল। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনকে এই অভিযান বন্ধ করার আহ্বানও জানানো হয় (Tensions Rise)।

    আর্জেন্টিনার সাংবাদিকের দাবি

    আর্জেন্টিনার সাংবাদিক নাচো মন্তেস দে ওকার দাবি, রুশ সাবমেরিনটি মারিনেরা জাহাজকে আইসল্যান্ডের দক্ষিণ দিক দিয়ে নর্থ সি-তে পৌঁছে দেয়। এক্স হ্যান্ডেলে মন্তেস দে ওকা লেখেন, “সংবেদনশীল কোনও পণ্য ছাড়াই চলাচল করছিল জাহাজটি। তবুও এটি মার্কিন অবরোধের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিরোধের এক প্রতীকে পরিণত হয়েছে।” মারিনেরা অভিযানের ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়। এটি মূলত নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত দেশগুলির অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য নিষ্ক্রিয় করতে ট্রাম্প প্রশাসনের শুরু করা বৈশ্বিক সামুদ্রিক অভিযানের অংশ। ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা সূত্রের খবর, গত ডিসেম্বরের পর থেকে মার্কিন সাদার্ন কমান্ড এই ধরনের তৃতীয় অভিযান চালাল।

    চাপ আরও বাড়িয়েছে হোয়াইট হাউস

    মারিনেরা আটক হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় সাগরে আর একটি জাহাজ আটকের কথা ঘোষণা করে। ওই জাহাজটিও তথাকথিত “ঘোস্ট ফ্লিট”-এর সঙ্গে যুক্ত, যেগুলি ভেনেজুয়েলার তেল পরিবহণ করে এবং পতাকা পরিবর্তন ও ভুয়া নথিভুক্তির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর চেষ্টা করে (Putin)। এই সব অভিযান এমন একটা সময়ে ঘটছে, যখন ভেনেজুয়েলার ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে হোয়াইট হাউস। নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। বর্তমানে তিনি নিউ ইয়র্কে আটক রয়েছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে নার্কো-সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়েছে (Tensions Rise)।কারাকাস সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলির ওপর নিষেধাজ্ঞাকে ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক অবরোধ বা ‘ইকোনমিক স্ট্র্যাঙ্গুলেশন’ কৌশল হিসেবে তুলে ধরছে। তবে রাশিয়া-সহ একাধিক দেশ এই পদক্ষেপকে আধুনিক জলদস্যুদের কাজকর্মের সঙ্গে তুলনা করছে।

    আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের সীমা

    ‘মারিনেরা’ জাহাজকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই ঘটনা শুধু আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের সীমা পরীক্ষা করছে না, বরং স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে বিশ্বশক্তিগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ এখন সমুদ্রপথেও বিস্তৃত হচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক কৌশলগত ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এদিকে, মার্কিন অভিযানের মধ্যেই আটলান্টিক মহাসাগরে একটি রুশ পারমাণবিক সাবমেরিনের উপস্থিতি ন্যাটো জোটের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যদিও ন্যাটো সরাসরি কোনও পদক্ষেপ করেনি। যদিও মস্কোর স্পষ্ট বার্তা, নিজেদের জ্বালানি ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের পথও তারা খোলা রাখছে (Tensions Rise)। ওয়াশিংটনের দৃষ্টিতে, ‘মারিনেরা’ জাহাজ আটক করা ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মিত্রদের বিরুদ্ধে ‘ম্যাক্সিমাম প্রেসার’ নীতিরই অংশ। এর পাশাপাশি, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলিকে সাহায্য করা অবৈধ তৈল বাণিজ্য নেটওয়ার্ক ভাঙাও এই অভিযানের লক্ষ্য (Putin)।

    শৃঙ্খলার প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ

    এদিকে, রাশিয়ার মতে, এই ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন ও সামুদ্রিক শৃঙ্খলার প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ। এর প্রভাব আটলান্টিক অঞ্চল থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত একাধিক ভূ-রাজনৈতিক ফ্রন্টে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলের। প্রসঙ্গত, রাশিয়ার ওই জাহাজটিকে ২০২৪ সালেই ওয়াশিংটনের কালো তালিকাভুক্ত হয়। মার্কিন আধিকারিকরা জানান, গত ডিসেম্বরে জাহাজটি মার্কিন কোস্ট গার্ডের তল্লাশিতে বাধা দেয়। এরপর আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে এটি নিজের নাম পরিবর্তন করে, রাশিয়ার নিবন্ধনে যায় এবং জাহাজের গায়ে রুশ পতাকা আঁকে। ক্যারিবিয়ান অঞ্চল ছাড়ার পর দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন সেনা বাহিনী জাহাজটিকে অনুসরণ করে। জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত করার কিছু আগে জাহাজটি স্কটল্যান্ড ও আইসল্যান্ডের মাঝামাঝি জায়গায় ছিল (Tensions Rise)।

    পূর্বপরিকল্পিত অপারেশনাল সহায়তা

    অন্যদিকে, ব্রিটেনের তরফে জানানো হয়েছে, জাহাজটি আটক অভিযানে তারা আমেরিকাকে পূর্বপরিকল্পিত অপারেশনাল সহায়তা, ঘাঁটি ব্যবহারের সুবিধা-সহ বিভিন্ন সাহায্য দিয়েছে। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণকের বিবৃতিতে বলা হয়, একদিকে ব্রিটিশ নৌযান অভিযানে সাহায্য করার পাশাপাশি রয়্যাল এয়ার ফোর্স আকাশপথে নজরদারি চালিয়েছে। মন্ত্রকের দাবি, পুরো অভিযান আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। জানা গিয়েছে, অভিযানের সময় রাশিয়া একটি সাবমেরিন ও একাধিক নৌযান জাহাজটির কাছে মোতায়েন করে। এতে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ে। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, জাহাজটি রুশ পতাকা নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে চলাচল করছিল এবং মার্কিন জলসীমা থেকে অনেক দূরে থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো বাহিনীর অতিরিক্ত নজরদারির মুখে পড়ে।

    রাশিয়ার সাফ কথা

    মস্কোর দাবি, এই জাহাজ আটক অভিযান রাষ্ট্রসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশন লঙ্ঘন করেছে। রাশিয়া সাফ জানিয়ে দিয়েছে, “উন্মুক্ত সমুদ্রে নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা প্রযোজ্য।” রাশিয়ার পরিবহণ মন্ত্রক জানিয়েছে, মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজটিতে ওঠার পরেই ‘মারিনেরা’ নামের ওই জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় (Putin)। মার্কিন আধিকারিকরা জানিয়েছেন, উত্তর আটলান্টিকে এই অভিযানের পর ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ভেনেজুয়েলা-যোগাযোগ থাকা আরও একটি তেলবাহী জাহাজ ‘সোফিয়া’কে আটক করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে তেল নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে কার্যকর রাখার বার্তা দিয়েছে ওয়াশিংটন (Tensions Rise)।

  • Domicile Certificate: এসআইআর-এ ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই! জানাল কমিশন, কেন গ্রাহ্য নয়, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর

    Domicile Certificate: এসআইআর-এ ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই! জানাল কমিশন, কেন গ্রাহ্য নয়, ব্যাখ্যা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট ভাবে এসআইআর-এর কাজে এই সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে, কখন‌ওই এমনটা বলা হয়নি। ওই সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা অন্য জায়গায়। সাধারণত সেনাবাহিনীতে নিয়োগ এবং অন্য রাজ্যের বাসিন্দা, যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই শংসাপত্রের প্রয়োজন হয়।

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কী, কোথায় লাগে

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) এমন একটি প্রমাণপত্র, যা নিশ্চিত করে যে একজন একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে (রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং সেই অঞ্চলের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে কী নিয়ম রয়েছে রাজ্যের কাছে তা জানতে চেয়েছিল কমিশন। রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, ১৯৯৯ সালের ২ নভেম্বর তারিখে জারি করা নির্দেশে বলা রয়েছে, প্রতিরক্ষা এবং আধা সামরিক বাহিনীর চাকরির জন্য ওই শংসাপত্র দেওয়া হয়, যা প্রদান করার ক্ষমতা একমাত্র জেলাশাসকদের রয়েছে। ঘটনাচক্রে কোনও ব্যাক্তির বাবা–মা সাধারণত ১৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে থাকলে, তখন তিনি এই সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারেন। এর পর আবেদনকারী বা তাঁর বাবা–মায়ের নামে পশ্চিমবঙ্গে বাড়ি বা জমি রয়েছে কি না, তা দেখা হয়। এ ছাড়া বা-বাবা ভিন্‌রাজ্যের হলে আবেদনকারীর জন্ম পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে কিনা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি রাজ্যের কোনও প্রাথমিক স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন কিনা সে বিষয় খতিয়ে দেখা হয়। এর প্রামাণ্য নথি হিসাবে জন্ম সার্টিফিকেট বা স্কুলের পড়ার নথি জমা দিতে হবে। এর পর দেখা হয় আবেদনকারীর কোথায় বসবাস করেন। কোনও সরকারি কোয়ার্টার, না ভাড়াবাড়িতে, নাকি তাঁর নিজের বাড়ি রয়েছে। সেখানে তিনি কত দিন থাকছেন, এই সকল বিষয় খতিয়ে দেখার পর ‘পুলিশ ভেরিফেকশন’ হয়। সব ঠিকমতো হলে তবেই এই শংসাপত্র প্রদান করা হয়।

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট কেন গ্রাহ্য নয়, জানালেন শুভেন্দু

    ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দ্বারা ইস্যু করা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ভোটার পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ না করার নির্দেশ অনানুষ্ঠানিকভাবে সমস্ত জেলা নির্বাচন আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। তার পাল্টা চিঠি দিয়েছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এবার এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যুতেই সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রীর আইনের বই পড়া উচিত। ১০ বছর না হলে সেই সার্টিফিকেট গ্রাহ্য নয়।” তাঁর পাল্টা অভিযোগ, “আইপ্যাকের তৈরি করা ফর্মুলাতে অবৈধ ভোটার, মৃত ভোটার বাংলাদেশের অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের তালিকায় রাখার চেষ্টা চলছে।” তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, “দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুর্নীতিগ্রস্ত জেলাশাসক সুমিত গুপ্তকে কলকাতা পৌরসভার কমিশনার বানিয়ে বরো ভিত্তিক বার্থ সার্টিফিকেট দিতে চান, তাহলে তো অবৈধ হবেই। নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার অত্যন্ত আপডেটেড।”

LinkedIn
Share