Blog

  • Kedarnath: ৮-৯ ঘণ্টার যাত্রা মাত্র ৩৬ মিনিটে! কেদারনাথে রোপওয়ে প্রকল্পের অনুমোদন মোদি সরকারের

    Kedarnath: ৮-৯ ঘণ্টার যাত্রা মাত্র ৩৬ মিনিটে! কেদারনাথে রোপওয়ে প্রকল্পের অনুমোদন মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের (Modi Government) বড় সিদ্ধান্তে এবার কেদারনাথে (Kedarnath) যাওয়া আরও সহজ হল। মন্দির দর্শনের জন্য পাহাড়ি রাস্তায় আর ট্রেক করতে হবে না ভক্তদের। রোপওয়েতে চড়েই পৌঁছানো যাবে যাবেন কেদারনাথে। জাতীয় রোপওয়ে উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে এবার উত্তরাখণ্ডের সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত রোপওয়ের অনুমোদন দেওয়া হল। জানা গিয়েছে, ১২.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে পথের অনুমোদন দিয়েছে মোদি সরকার। এই রোপওয়ে তৈরি করতে ৪ হাজার ৮১ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই রোপওয়ে তৈরি হয়ে গেলে ৮-৯ ঘণ্টার যাত্রাপথ মাত্র ৩৬ মিনিটেই পার করা সম্ভব হবে। আধ ঘণ্টাতেই পৌঁছানো যাবে কেদারনাথ (Kedarnath)।

    প্রতিদিন ১৮ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন (Kedarnath)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথের রোপওয়েটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে তৈরি ও চালানো হবে। অনুমান করা হচ্ছে রোপওয়েতে প্রতিদিন ১৮ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। বিশেষ করে প্রবীণ ভক্তদের জন্য এই রোপওয়ে খুব সুবিধাজনক হবে। প্রসঙ্গত, উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১১,৯৬৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত কেদারনাথ মন্দির। আপাতত সোনপ্রয়াগ থেকে ২১ কিমি পথ পেরিয়ে কেদারনাথে পৌঁছাতে হয় ভক্তদের। সোনপ্রয়াগ থেকে গৌরীকুণ্ড পর্যন্ত রয়েছে ৫ কিমি রাস্তা। অন্যদিকে, গৌরীকুণ্ড থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত ১৬ কিমি ট্রেক করতে হয়। রোপওয়ে তৈরি হয়ে গেলে এই পথ পাড়ি দেওয়া অত্যন্ত সহজ হয়ে যাবে।

    উত্তরাখণ্ডের গোবিন্দঘাট থেকে হেমকুণ্ড সাহিব পর্যন্ত রোপওয়ে

    শুধু কেদারনাথই নয়, একইসঙ্গে উত্তরাখণ্ডের গোবিন্দঘাট থেকে হেমকুণ্ড সাহিব পর্যন্ত ১২.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে প্রকল্পের উন্নয়নেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে মোদি সরকারের পক্ষ থেকে। এই প্রকল্প চালু করতে মোট খরচ হবে ২,৭৩০ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। এটি হেমকুণ্ড সাহিবে আগত ভক্তদের এবং ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার্সে আগত পর্যটকদের পৌঁছতে সুবিধা করে দেবে।

  • India Vs New Zealand: ছিটকে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের দৌড়ে ভারত-নিউজিল্যান্ড

    India Vs New Zealand: ছিটকে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের দৌড়ে ভারত-নিউজিল্যান্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025) ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি নিউজিল্যান্ড (India Vs New Zealand)। বুধবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫০ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠলেন মিচেল স্যান্টনাররা। মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টানা তৃতীয় বার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে উঠেছে ভারত। এবার লড়াই ট্রফি জয়ের।

    লাল বলে হারের বদলা সাদা বলে

    গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025) ফাইনালে হারের বদলা গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে হারিয়ে নিয়েছেন রোহিতরা। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে গত এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালের বদলাও নেওয়া হয়ে গিয়েছে। এ বার ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের কাছে ০-৩ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজে হারের বদলা নেওয়ার সুযোগ রোহিতদের সামনে। তা ছাড়া প্রথম টেস্ট বিশ্বকাপ ফাইনালেও নিউজিল্যান্ডের কাছে হারতে হয়েছিল ভারতকে। তাই আগামী রবিবার ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারলে একসঙ্গে জোড়া হারের বদলা নিতে পারবে ভারতীয় দল।

    নিউজিল্যান্ডের নজির

    বুধবার, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও (ICC Champions Trophy 2025) ‘চোকার্স’ তকমা ঘুচল না দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩৬২ রান করে নিউ জিল্যান্ড। সেমিফাইনালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ইতিহাসে দলগত সর্বোচ্চ রানের নজির গড়ল কিউইরা। জবাবে টেম্বা বাভুমাদের ইনিংস শেষ হয় ৩১২ রানে। নিউজিল্যান্ডের জয়ের কারিগর কেন উইলিয়ামসন এবং রাচিন রবীন্দ্র। দু’জনেই শতরান করেন লাহোরের ২২ গজে। তাঁদের দাপটের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। কাজে এল না ডেভিড মিলারের শতরান।

    আগ্রাসী ভারত-লড়াকু নিউজিল্যান্ড

    ২৫ বছর পর ফের ভারত-নিউজিল্যান্ড (India Vs New Zealand) কোনও ওডিআই টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি। ২০০০ সালের ফল ভারতের পক্ষে ছিল না। সেই বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নাম ছিল আইসিসি নক-আউট প্রতিযোগিতা। সেই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছিল ভারত এবং নিউজিল্যান্ড। কিন্তু ফাইনাল ম্যাচে হেরেছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের টিম ইন্ডিয়া। তবে ২৫ বছরে বিশ্ব ক্রিকেটের মানচিত্রটা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। ভারত এখন অনেক বেশি আগ্রাসী। চলতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ লিগ পর্বে নিউজিল্যান্ডকে (India Vs New Zealand) হারিয়েছিল ভারত। ২০২৩ ওডিআই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও রোহিত শর্মাদের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে। তবে, নিউ জিল্যান্ড লড়াকু দল। তাই ৯ মার্চ দুবাইয়ে ভারত-নিউজিল্যান্ড মধ্যে ফাইনাল হবে আকর্ষণীয়।

  • S Jaishankar: কানাডার পথে ব্রিটেন! লন্ডনে জয়শঙ্করের কনভয়ে হামলার চেষ্টা খালিস্তানপন্থীদের

    S Jaishankar: কানাডার পথে ব্রিটেন! লন্ডনে জয়শঙ্করের কনভয়ে হামলার চেষ্টা খালিস্তানপন্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেন সফরে থাকা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) কনভয়ে হামরা চেষ্টা করল খালিস্তানপন্থীরা (Khalistani Extremists)। এর ফলে ভারতের বিদেশমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিঘ্নও ঘটে। বুধবারে বৈঠক শেষে বিদেশমন্ত্রী যখন চ্যাথাম হাউস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন তখনই এক ব্যক্তি তাঁর গাড়ির দিকে ছুটে যায় এবং ব্রিটেনের পুলিশের সামনেই ভারতের জাতীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলে। এই ঘটনার ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে খালিস্তানপন্থী ওই ব্যক্তি মন্ত্রীর (S Jaishankar) কনভয়ের দিকে ছুটছে এবং ভারতের তিরঙ্গা পতাকা ছিঁড়ে ফেলছে। এর পাশাপাশি তাকে খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান দিতেও শোনা যায়। কিছুক্ষণ পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে এবং অন্যান্য উগ্রপন্থীদের সরিয়ে নেয়।

    বৈঠকস্থলের বাইরে বিক্ষোভ খালিস্তানপন্থীদের

    আরেকটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) যেখানে বৈঠক করছিলেন, তার ঠিক বাইরেই খালিস্তানপন্থীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। সেখানে খালিস্তানের পতাকা ওড়ানো হয়। দেওয়া হয় খালিস্তানের দাবিতে স্লোগানও। অতীতে দেখা গিয়েছে, কানাডায় এধরনের ভারত-বিরোধী প্রচার করছে খালিস্তানপন্থীরা। সেখানে ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালানো হয়েছে। সেই রোগ ছড়িয়ে পড়ছে ব্রিটেনেও। বিশেষ করে, ব্রিটেনের বর্তমান কিথ স্টার্মার প্রশাসন বরাবরই ভারত-বিরোধীদের প্রতি আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন। গত কয়েক বছর ধরে ব্রিটেনে খালিস্তানপন্থী ও ইসলাম-মৌলবাদীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যে কারণে, অনেকেই মনে করতে শুরু করেছেন, ব্রিটেনের অবস্থাও ধীরে ধীরে কানাডার মতো হচ্ছে।

    কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিদেশমন্ত্রী

    ৪ মার্চ থেকে ব্রিটেন সফর করছেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁর এই সফর চলবে আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত। বুধবার দেশের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) চেভেনিং হাউসে ব্রিটেনের পররাষ্ট্রসচিব ডেভিড ল্যামির সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করনে। জানা গিয়েছে, ওই আলোচনায় বাণিজ্য, শিক্ষা, প্রযুক্তি, কৌশলগত সমন্বয় সহ নানা দিক উঠে এসেছে। চ্যাথাম হাউসের এই আলোচনার শেষে এক সাংবাদিক এস জয়শঙ্করকে (S Jaishankar) জিজ্ঞাসা করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কি কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলবেন? এই প্রশ্নের জবাবে জয়শঙ্কর কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করেন এবং জানান, এক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। তিনি আরও জানান যে, ভারত ইতিমধ্যেই কাশ্মীরের পরিস্থিতি মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে ৩৭০ ধারা বাতিল এবং কাশ্মীরের অর্থনৈতিক উন্নয়ন। এদিন তিনি পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি জানান, কাশ্মীরের অমীমাংসিত অংশটি বর্তমানে ভারতের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এটি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে পাকিস্তান।

  • Daily Horoscope 06 March 2025: কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 06 March 2025: কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাধার আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) বুকের সমস্যা বৃদ্ধি।

    ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে কোনও ক্ষতি হতে পারে, একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ভালো কাজে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক অবসাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি, তবে খরচও বাড়বে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

     

    কর্কট

    ১) কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি থেকে সাবধান।

    ২) নতুন কাজের প্রতি ঝোঁক বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) দিনটি ভালো-খারাপ মিশিয়ে কাটবে।

    ২) বাড়ির কাছে ভ্রমণের ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।

    ২) বিবাহ নিয়ে অশান্তি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে ভালো কাজ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

    ২) সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) মধুর ভাষণের দ্বারা শ্রোতাদের মন জয় করতে পারবেন।

    ২) দাম্পত্য কলহের অবসান।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

     

     

    ১) সকালের দিকে কাজের জন্যে শুভ যোগাযোগ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) অন্যের জিনিসের উপর লোভ সামলাতে না পারলে বিপদে পড়তে পারেন।

    ২) সংসারে মনঃকষ্ট।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে গুরুজনদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

    ২) কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) চাকরির জায়গায় বিরোধী ব্যক্তির সঙ্গে মিত্রতা হয়ে যেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীদের চিকিৎসার জন্য সময় ব্যয়।

    ৩) সমাজে আপনার প্রশংসা বৃদ্ধি পাবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Dehydration: হঠাৎ বাড়ছে তাপমাত্রা! ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও বাড়ছে! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    Dehydration: হঠাৎ বাড়ছে তাপমাত্রা! ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও বাড়ছে! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা?

    মাধ্যম ডেস্ক: বসন্তের মাঝেই চড়ছে তাপমাত্রার (Temperature) পারদ। আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, চলতি সপ্তাহে গরম আরও বাড়বে। এবার মার্চেই বাঙালি উষ্ণতা টের পেতে পারে। রোদের ঝাঁঝ বাড়ছে। তার সঙ্গে বাড়ছে অস্বস্তি। তাপমাত্রার পারদ বেড়ে যাওয়ার বাড়ছে রোগের ঝুঁকিও। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা ডিহাইড্রেশন (Dehydration) নিয়ে। এর জেরে মারাত্মক শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

    কেন আশঙ্কায় চিকিৎসকেরা (Dehydration)?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বসন্তকালে একাধিক রোগের প্রকোপ বাড়ে। শীত ফুরিয়ে আসে। আবার গরমের মরশুম শুরু হয়। এর ফলে, বাতাসে নানান ভাইরাস সক্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু চলতি বছরে হঠাৎ করেই তাপমাত্রা অনেকখানি বদলে গেল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য থেকে শীত দ্রুত বিদায় নিয়েছে। আর তারপরেই চড়ছে তাপমাত্রার পারদ। আর গত কয়েকদিনে সেই পারদ অনেকখানি চড়েছে! এর ফলে নানান রোগের সংক্রমণের ঝুঁকিও অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে। বিশেষত ডিহাইড্রেশনের (Dehydration) ঝুঁকি বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশের আশঙ্কা, হঠাৎ গরমে আবহাওয়ায় শুষ্ক ভাব অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে শরীরেও জলের চাহিদা বাড়ছে। সেই চাহিদা পূরণ না হলেই ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষ করে শিশুদের জন্য এই ঝুঁকি বেশি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুরা অনেক বেশি দৌড়াদৌড়ি করে, এর ফলে তাদের ঘাম বেশি হয়। তারা বেশি‌ ক্লান্ত হয়ে পড়ে। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল না থাকলে তাই এই পরিবেশে (Temperature)  শিশুদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জল খাওয়ার পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পাশপাশি প্রাপ্ত বয়স্কদের ও জলের পরিমাণ নিয়ে সজাগ থাকা জরুরি। প্রাপ্ত বয়স্কদের দিনে চার থেকে পাঁচ লিটার জল খাওয়া দরকার। পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের দুই থেকে তিন লিটার জল নিয়মিত খাওয়া জরুরি।

    জলের পাশপাশি নিয়মিত রসালো ফল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সময়ে তরমুজ, পেঁপে জাতীয় ফল নিয়মিত খেলে খুবই উপকার হবে। এই ধরনের ফল রসালো। এই ফল খেলে সহজেই শরীরে জলের ঘাটতি পূরণ হয়।

    এই আবহাওয়ায় এসি ঘরে না থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এসি ঘরে দীর্ঘক্ষণ থাকলে শুষ্কতা বাড়ে। তাই এই আবহাওয়ায় এসি ঘরে থাকলে একাধিক রোগে আক্রান্ত (Dehydration) হওয়ার ঝুঁকিও বাড়বে।

    ঘাটতি মেটাতে লেবুর রস খাওয়ার পরামর্শ

    শরীরে জলের ঘাটতি মেটাতে লেবুর রস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যেকোনও ধরনের লেবুতে‌ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এর ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। পাশপাশি ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিও কমে।

    এই আবহাওয়ায় শরীর সুস্থ রাখতে হালকা সহজ পাচ্য খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের (Temperature) একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন এই শুষ্ক আবহাওয়ায় হজমের গোলমালে অনেকেই ভোগেন। এতে শরীরে আরও নানান সমস্যা তৈরি হয়। তাই কম তেল ও মশলা দিয়ে তৈরি হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে সহজেই হজম হবে। অ্যাসিডিটির (Dehydration) সমস্যা তৈরি হলে শরীরে আরও জলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়া জরুরি।

  • Ramakrishna 288: “তুমি না গীতা, বেদান্ত পড়? তুমি না শিখাও ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা?”

    Ramakrishna 288: “তুমি না গীতা, বেদান্ত পড়? তুমি না শিখাও ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা?”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে ও কলিকাতায় চৈতন্যলীলা-দর্শন

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ২১শে সেপ্টেম্বর

    শ্রীরামকৃষ্ণের জ্ঞানোন্মাদ ও জাতি বিচার

    পূর্বকথা ১৮৫৭—কালীমন্দির প্রতিষ্ঠার পর জ্ঞানীপাগলদর্শন—হলধারী 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—শ্রীমতীর প্রেমোন্মাদ। আবার ভক্তি-উন্মাদ আছে। যেমন হনুমানের। সীতা আগুনে প্রবেশ করেছে দেখে রামকে মারতে যায়। আবার আছে জ্ঞানোন্মআদ। একজন জ্ঞানী পাগলের মতো দেখে ছিলাম। কালীবাড়ির সবে প্রতিষ্ঠার পর। লোকে বললে, রামমোহন রায়ের ব্রাহ্মসভার একজন। একপায়ে ছেঁড়া জুতা, হাতে কঞ্চি আর একটি ভাঁড়, আঁবচারা। গঙ্গায় ডুব দিলে। তারপর কালীঘরে গেল। হলধারী তখন কালীঘরে বসে আছে। তারপর মত্ত হয়ে স্তব করতে লাগল —

    ক্ষ্রৌং ক্ষ্রৌং খট্টাঙ্গধারিণীম্ ‌ইত্যাদি

    “কুকুরের কাছে গিয়ে কান ধরে তার উচ্ছিষ্ট খেলে—কুকুর কিছু বলে নাই। আমারও তখন এই অবস্থা আরম্ভ হয়েছে। আমি হৃদের গলা ধরে বললাম, ওরে হৃদে, আমারও কি ওই দশা হবে?

    “আমার উন্মাদ অবস্থা! নারায়ণ (Kathamrita) শাস্ত্রী এসে দেখলে, একটা বাঁশ ঘাড়ে করে বেরাচ্ছি। তখন সে লোকদের কাছে বললে ওহ্‌, উন্মস্ত্‌ হ্যায়। সে অবস্থায় জাত বিচার কিছু থাকতো না। একজন নীচ জাতি, তার মাগ শাক রেঁধে পাঠাতো, আমি খেতুম।

    “কালীবাড়িতে (Ramakrishna) কাঙালীরা খেয়ে গেল, তাদের পাতা মাথায় আর মুখে ঠেকালুম। হলধারী তখন আমায় বললে, তুই করছিস কি? কাঙালীদের এঁটো খেলি, তোর ছেলেপিলের বিয়ে হবে কেমন করে? আমার তখন রাগ হল। হলধারী আমার দাদা হয়। তাহলে কি হয়? তাকে বললাম, তবে রে শ্যালা, তুমি না গীতা, বেদান্ত পড়? তুমি না শিখাও ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা? আমার আবার ছেলেপুলে হবে তুমি ঠাউরেছ! তোর গীতাপাঠের মুখে আগুন (Kathamrita)!

    (মাস্টারের প্রতি) — “দেখ, শুধু পড়াশুনাতে কিছু হয় না। বাজনার বোল লোকে মুখস্থ বেশ বলতে পারে, হাতে আনা বড় শক্ত!”

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার নিজের জ্ঞানোন্মাদ অবস্থা বর্ণনা করিতেছেন।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • F-35 vs Su-57: রেডারকে ফাঁকি দিতে ওস্তাদ এফ-৩৫, গতি-অস্ত্রসম্ভারে তুখোড় সু-৫৭, ভারতের মন জিতবে কে?

    F-35 vs Su-57: রেডারকে ফাঁকি দিতে ওস্তাদ এফ-৩৫, গতি-অস্ত্রসম্ভারে তুখোড় সু-৫৭, ভারতের মন জিতবে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলে দেখা যাবে, এখন একটাই প্রশ্ন চারদিকে ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছে। তা হল- মার্কিন এফ-৩৫ নাকি রুশ সু-৫৭, (F-35 vs Su-57) কোন যুদ্ধবিমান কিনবে ভারত? কিন্তু কেন উঠছে এই প্রশ্ন, তা বুঝতে হলে ফিরে যেতে হবে গতমাসের মাঝামাঝি সময়ে। বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত এরো ইন্ডিয়া শো-তে দুই যুদ্ধবিমানই উপস্থিত ছিল। এক কথায় এই দুই বিমানই ছিল এবারের সংস্করণের ‘শো-স্টপার’। পঞ্চম প্রজন্মের এই দুই স্টেলথ যুদ্ধবিমানই তাদের কলা-কৌশল যথাসম্ভবভাবে তুলে ধরেছে। অবশ্যই ভারতকে আকৃষ্ট করার জন্য। এর সঙ্গেই ওয়াশিংটন ও মস্কোর থেকে বিবৃতির পর এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

    এদিকে হোয়াইট হাউস, ওদিকে ক্রেমলিন!

    একদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে পাশে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তাঁরা ভারতকে এই বিমান দেওয়ার প্রস্তাব রেখেছেন। ভারত এই বিমানই নেবে, সেই ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আশাবাদী। হোয়াইট হাউস যখন এগিয়েছে, তাহলে ক্রেমলিন পিছিয়ে থাকে কী করে! পুতিনের তরফে আরও এক কদম বাড়িয়ে ঘোষণা করা হয়, ভারত সু-৫৭ নিলে তারা প্রযুক্তি হস্তান্তরেও রাজি। এর পর থেকেই সমাজ মাধ্যমের পাতায় জমে উঠেছে মার্কিন এফ-৩৫ বনাম রুশ সু-৫৭ যুদ্ধবিমানের ‘লড়াই’। এখন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে দেশপ্রেমী নেটাগরিক— সকলেই যে যার মতো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ শুরু করে দিয়েছে।

    রুশ সু-৫৭ বনাম মার্কিন এফ-৩৫ (F-35 vs Su-57)

    এখন প্রশ্ন হল, ভারত যেখানে দেশে নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে, তাহলে সারা কেন হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে বিদেশ থেকে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান কিনবে? এর উত্তর অবশ্য অনেকেরই জানা। তা হল, ভারতের নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান যার নাম অ্যাডভান্সড মাল্টি-রোল এয়ারক্র্যাফট বা অ্যামকা— তার এখনও দিনের আলোই দেখেনি। ফলে, বায়ুসেনায় (Indian Air Force) অন্তর্ভুক্ত হতে এখনও অন্তত এক দশক দেরি। অন্যদিকে, চিন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের ট্রায়াল শুরু করে দিয়েছে। ফলে, ভারতীয় বায়ুসেনাকে এখনই একটা বিকল্প উপায় বেছে নিতে হবে। তা হল, বিদেশ থেকে অল্প সংখ্যক যুদ্ধবিমান কিনে পরিস্থিতি আপাতত সামাল দেওয়া। আর সেখানেই বিকল্প হিসেবে নাম উঠে এসেছে এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর— এফ-৩৫ ও সু-৫৭ (F-35 vs Su-57)।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই দুই অত্যাধুনিক স্টেলথ যুদ্ধবিমানের মধ্যে প্রযুক্তিগত তফাত কোথায়—

    প্রযুক্তিগত তুল্যমূল্য বিশ্লেষণ

    উৎপাদন ও উন্নয়ন— সু-৫৭ যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে রাশিয়ার সুখোই সংস্থা, যাদের ব্যবহৃত সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে ভারতীয় বায়ুসেনা। এখ ভারতেই নির্মিত হয় সু-৩০এমকেআই। সু-৫৭ বিমানে আকাশ থেকে আকাশ এবং আকাশ থেকে ভূমিতে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে। অন্যদিকে, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে মার্কিন সংস্থা লকহিড-মার্টিন। এটি মাল্টি-রোল স্টেলথ ফাইটার জেট।

    স্টেলথ সক্ষমতা— সু-৫৭ যুদ্ধবিমানের স্টেলথ-সক্ষমতা মার্কিন পঞ্চম প্রজন্মের এফ-৩৫ বা এফ-২২ যুদ্ধবিমানের তুলনায় কম উন্নত। অন্যদিকে, এফ-৩৫ বিমানের ‘স্টেলদিনেস’ উচ্চমানের। শত্রুর রেডারে প্রায় ধরা পড়ে না এই যুদ্ধবিমান।

    ইঞ্জিন ও গতি— সু-৫৭ যুদ্ধবিমানকে শক্তি জোগায় স্যাটার্ন এএল-৪১এফ১ ইঞ্জিন। এর সর্বোচ্চ গতি ২২৭৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা, যা আনুমানিক শব্দের গতির ২.২৫ গুণ। অন্যদিকে, এফ-৩৫ জেটে রয়েছে প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি এফ১৩৫ ইঞ্জিন। এর সর্বোচ্চ গতি ১৪৩২ কিমি প্রতি ঘণ্টা, যা শব্দের গতির প্রায় ১.১৫ গুণ। ফলে, গতিতে মার্কিন জেটকে টেক্কা দেবে রুশ যুদ্ধবিমান (F-35 vs Su-57)।

    অস্ত্রবহনের ক্ষমতা— সু-৫৭ যুদ্ধবিমানে রয়েছে ১২টি ‘হার্ডপয়েন্ট’, যাতে বিভিন্ন ধরনের মিসাইল মোতায়েন করা যেতে পারে। এই তালিকায় রয়েছে হাইপারসনিক (শব্দের চেয়ে ন্যূনতম ৫ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন) ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ থেকে আকাশ এবং আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য মিসাইল। অন্যদিকে, এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে কেবলমাত্র ৬টি অস্ত্রবহণ করতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে আকাশ থেকে আকাশ এবং আকাশ থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র।

    লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিতকরণ— সু-৫৭ যুদ্ধবিমানে রয়েছে এন০৩৬ বেলকা এইসা রেডার সিস্টেম, যা একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করতে সক্ষম। অন্যদিকে, এফ-৩৫ জেটে রয়েছে এএন/এপিজি-৮১ এইসা রেডার এবং ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল টার্গেটিং সিস্টেম, যা আরও নিখুঁতভাবে শত্রুর সঠিক জায়গা চিহ্নিত করতে সক্ষম।

    লড়াইয়ের সক্ষমতা— সুপারসনিক (শব্দের চেয়ে বেশি দ্রুত) গতিতে সুপারক্রুজ করতে সক্ষম সু-৫৭। অর্থাৎ এটি আফটারবার্নার ব্যবহার না করেই সুপারসনিক গতিতে উড়তে পারে। এর সরাসরি অর্থ হল, এটি অতিরিক্ত জ্বালানি না পুড়িয়েও দীর্ঘ দূরত্বে অভিযান সম্পন্ন করতে পারে। এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের সুপারক্রুজ ক্ষমতা নেই, অর্থাৎ সুপারসনিক গতিতে উড়তে একে অতিরিক্ত জ্বালানি পোড়াতে হয় (F-35 vs Su-57)।

    মাল্টিরোল ক্ষমতা— সু-৫৭ আকাশ থেকে আকাশে এবং ভূমিতে আক্রমণ চালানোর জন্য তৈরি, তবে এটি মূলত ‘ডগফাইট’-এর (মাঝ-আকাশে দুই বিমানের লড়াই) ক্ষেত্রে আরও ভালো। অন্যদিকে, এফ-৩৫ হল একটি সত্যিকারের বহুমুখী যুদ্ধবিমান। এটি একইধারে আকাশে যুদ্ধ, নজরদারি, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং স্থল আক্রমণে সক্ষম।

    ম্যানুভারাবিলিটি বা দ্রুত দিশা পরিবর্তন— সু-৫৭ যুদ্ধবিমানে থ্রাস্ট-ভেক্টরিং প্রযুক্তি রয়েছে, যা এটিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক করে তোলে। বিশেষ করে, ডগফাইটের সময় এটি ভীষণ কাজে লাগে। তুলনায়, এতটা উন্নত নয় এফ-৩৫। এটি বহুমুখী উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।

    ব্যবহার এবং মূল্য— সু-৫৭ শুধুমাত্র রাশিয়ায় ব্যবহৃত হয়, তাও সীমিত সংখ্যায়। এর এক-একটির দাম ৩.৫ থেকে ৫ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত। সেখানে, বিশ্বের অনেক দেশ ব্যবহার করে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, এবং এর এক-একটির দাম ৮ থেকে ১১ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত। অর্থাৎ, রুশ যুদ্ধবিমানের দ্বিগুণ (F-35 vs Su-57)।

    রয়েছে আরও অনেক হিসেব-নিকেশ

    এতো গেল প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ। যা পরখ করে দেখা হবে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু, এর বাইরেও রয়েছে অনেক হিসেব-নিকেশ। যার মধ্যে কূটনৈতিক ও কৌশলগত লাভ-ক্ষতির বিষয় জড়িয়ে। তার পর বিচার্য হবে প্রয়োজনীয়তা, দাম, সরঞ্জাম ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলি। এত ধাপ পেরিয়ে তবে চূড়ান্ত হবে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) ঘরে কোন বিমানটি আসবে।

  • ICC Champions Trophy: ভারতের জয়ে ক্ষতির মুখে পিসিবি! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও পাকিস্তানের বাইরে

    ICC Champions Trophy: ভারতের জয়ে ক্ষতির মুখে পিসিবি! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও পাকিস্তানের বাইরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) আয়োজক দেশ হয়েও ফাইনাল আয়োজন করতে পারল না পাকিস্তান। পাক দল আগেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিরে বাইরে চলে গেছিল। এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও দেশের বাইরে চলে গেল। তাও ভারতের সৌজন্যে। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হাইব্রিড মডেলে খেলা হচ্ছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত আপত্তির জেরে পাকিস্তানে খেলতে অস্বীকার করে বিসিসিআই। ঠিক হয়, ভারত তাদের গ্রুপ ও নকআউট, এমনকী ফাইনালে উঠলে সেই ম্যাচও দুবাইয়ে খেলবে। সেই মতো এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল হবে দুবাইয়ে।

    গদ্দাফি নয় দুবাইতেই ফাইনাল

    ভারত আগেই জানিয়ে দিয়েছিল এই টুর্নামেন্টের প্রতিটা ম্যাচই তারা খেলবে দুবাইতে। ভারত সেমিফাইনাল বা ফাইনালে না উঠলে ম্যাচগুলি হতো পাকিস্তানেই। কিন্তু সেটা হয়নি। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারত ফাইনাল খেলবে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই। লাহোরে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউ জিল্যান্ডের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী দল ফাইনাল খেলতে উড়ে যাবে দুবাই। ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। গতকাল অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে এক অর্থে পাকিস্তানেরও ছুটি করেন রোহিতরা। আর এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বইতে শুরু করে মিমের প্লাবন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা

    ভারত হারলে ফাইনাল (ICC Champions Trophy) আয়োজিত হতো লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে। সে ক্ষেত্রে টিকিট বিক্রি এবং বিজ্ঞাপন থেকে আরও বেশি উপার্জন করতে পারত পিসিবি। তা হলো না শেষ পর্যন্ত। সেমিফাইনাল আয়োজন করেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো। একজন তাঁর এক্স-হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘গদ্দাফি স্টেডিয়াম চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বিদায় নিল’। সুমিত কাড়েল নামে অন্য একজনের সরস টিপ্পনি—‘ভারতের হাতে দুবাই থেকে ছুটি হল আয়োজক দল পাকিস্তানের। তিনটি ম্যাচ পাকিস্তানের সেরা তিনটি স্টেডিয়ামে বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গেল। একটি সেমিফাইনাল পাকিস্তানের বাইরে খেলা হল। এখন ফাইনালও আয়োজিত হবে দুবাইয়ে। এর চেয়ে চরম অসম্মান ও আর্থিক লোকসান আর কিছুই হতে পারে না। আয়োজক হয়েও পাকিস্তান আয়োজক নয়।’

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তানের বাইরে

    আরেকজন নেটিজেন মজার ছলে লেখেন—‘তাহলে এটা চূড়ান্ত—২৩ ফেব্রুয়ারি: পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির বাইরে। ৪ মার্চ: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তানের বাইরে।’ রাহুলের ছক্কা মারার ভিডিও পোস্ট করে লেখা হয়, ‘এই শট বলে দিচ্ছে কীভাবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পাকিস্তান থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।’ বাবর-রিজওয়ানদের সমালোচনার পর এবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকেও কটূক্তি। একজন সমর্থক লেখেন, ‘৩০ বছর পর একটা আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু তার ফাইনালও দেশের বাইরে হবে। মহসিন নকভির অযোগ্যতার প্রমাণ।’

    সমস্যায় পাকিস্তান ক্রিকেট

    ২৯ বছর পরে আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু শুরুতেই বিদায় নিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে পাক বোর্ডের সামনে তিন বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে। এক) স্পনসরের সমস্যা। দুই) ভবিষ্যতে আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ার সমস্যা। তিন) পাকিস্তান ক্রিকেটের খোলনলচে বদলে ফেলার দাবি।

    আগ্রহ হারাচ্ছে স্পনসররা

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) হাত ধরে আর্থিক ভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই প্রতিযোগিতার জন্য নিজেদের তিনটি মাঠ সংস্কারে ১৮০ কোটি টাকা খরচ করেছে তারা। প্রতিটি দলের নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হয়েছে। বিদেশি সমর্থকদের থাকা-খাওয়ার দিকে নজর রাখা হয়েছে। কিন্তু আসল বিষয় হল ক্রিকেটে দর্শকদের আগ্রহ তৈরি করা। যে ভাবে পাকিস্তানে একের পর এক আইসিসি প্রতিযোগিতায় ব্যর্থ হচ্ছে, তাতে এই আগ্রহ ক্রমশ কমছে। বড় প্রতিযোগিতাগুলিতে টানা ব্যর্থতায় হতাশ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত বাণিজ্যিক সংস্থাগুলিও। পিসিবি কর্তারা স্পনসর হারানোর আশঙ্কা করছেন।

    আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনে ভাবতে হবে

    ১৯৯৬ সালের পর থেকে পাকিস্তানে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা হয়নি। তার একটি কারণ সেখানকার নিরাপত্তা। এ বার প্রতিযোগিতা হচ্ছে। কিন্তু আইসিসি চায়, যে দেশে প্রতিযোগিতা হবে সেই দেশে গ্যালারি ভর্তি থাকুক। দর্শকদের উৎসাহ থাকুক। আয়োজক দেশ যদি ভাল খেলতে না পারে, তা হলে উৎসাহ কমবে। পাকিস্তানের দর্শকেরা যে ভাবে ক্রিকেটে আগ্রহ হারাচ্ছেন, তাতে ভবিষ্যতে এই দেশকে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়ার আগে অনেক ভাবতে হবে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থাকে।

    পিসিবিকে গোল দিল বিসিসিআই

    চ্য়াম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy) শুরুর দিন সাতেকের মধ্যেই পাকিস্তান দল প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছে। আট দল নিয়ে হওয়া প্রতিযোগিতার প্রথম চার দলের মধ্যেও ঠাই হয়নি আয়োজক দেশের। যা অত্যন্ত লজ্জার বিষয় নিঃসন্দেহে। এই আবহেই এবার আরও বড় সমস্যায় পড়তে চলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট। সেমিফাইনালে ভারতের জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে শুধুমাত্র বিদায় নেয়নি অস্ট্রেলিয়া, ছিটকে গিয়েছে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামও। বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্জের মধ্যে ম্যাচই পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শেষ ম্যাচ। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানকে ট্রোল করে ভারতীয় ফ্যানরা।‌ মাঠ এবং মাঠের বাইরে পাকিস্তানকে একরাশ লজ্জা উপহার দিল ভারত। মাঠে রিজওয়ান-বাবরদের হেলায় হারাল রোহিত-বিরাটরা আর মাঠের বাইরেও পিসিবিকে গোল দিল বিসিসিআই।

  • Sambhal: উদ্ধার ৪১টি মন্দির, ১৯টি প্রাচীন কূপ! হিংসা অতীত, মাত্র ১০০ দিনেই সম্ভল ফিরছে পুরানো গরিমায়

    Sambhal: উদ্ধার ৪১টি মন্দির, ১৯টি প্রাচীন কূপ! হিংসা অতীত, মাত্র ১০০ দিনেই সম্ভল ফিরছে পুরানো গরিমায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় ছিল সমৃদ্ধ জনপদ। হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় ছিল মন্দির, ঐতিহাসিক কূপ। কয়েক শতাব্দীর পুরানো এই সব মন্দিরে নিত্য হত পুজোপাঠ। ১৯৭৮ সালে কারা যেন হিংসার আগুন লাগাল। প্রাণভয়ে এলাকা ছেড়ে পালালেন হিন্দুরা (Uttar Pradesh)। পেছনে পড়ে রইল মন্দির, ইতিহাস, জমি-জিরেত সব (Sambhal)। পরবর্তীকালে অবৈধ নির্মাণের কারণে লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যেতে থাকে আস্ত ‘ইতিহাস’। সম্প্রতি অবৈধ দখলদারদের হঠাতে গিয়ে উদ্ধার করা হয় মন্দির-কূপ-ইতিহাস সব। মাত্র ১০০ দিনের মধ্যেই ফের হারানো গরিমা ফিরে পেয়েছে উত্তরপ্রদেশের সম্ভল। জেলা প্রশাসন এবং ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের যৌথ প্রচেষ্টায় উদ্ধার হয়েছে ৪১টি মন্দির ও ১৯টি প্রাচীন কূপ।

    সম্ভলের ভোল বদল (Sambhal)

    সম্ভলের এই ভোল বদল ঘটে গত ২৪ নভেম্বর। ওই দিন ষোড়শ শতকের মুঘল আমলের সম্ভলের শাহি জামে মসজিদের আদালত-পর্যবেক্ষিত ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের সমীক্ষাকে কেন্দ্র করে ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঐতিহাসিক সত্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে শুরু হয় সমীক্ষার কাজ। তার জেরে শুরু হয় ভয়াবহ সংঘর্ষ। মৃত্যু হয় পাঁচজনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় যায় পুলিশ। জখম হন বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্তা। পুরো জনপদটি বিশৃঙ্খলায় পর্যবসিত হয়। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। শয়ে শয়ে মানুষ বাড়িঘর এবং ব্যবসা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন।

    কী বলছেন পুলিশ কর্তা (Uttar Pradesh)

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (Sambhal) এক প্রবীণ পুলিশ কর্তা বলেন, “৩০০ থেকে ৫০০টি বাড়ি তালাবন্ধ, শহর থেকে নিখোঁজ হয়েছেন অন্তত ২,০০০ মানুষ। সবাই সংঘর্ষে জড়িত ছিল না। তবে পুলিশ যখন বাড়ি বাড়ি তল্লাশি শুরু করে, তখন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৭৮ সালের হিংসার পর থেকে এই পরিবারের অনেকেই দখল করা জমিতে বসবাস করছিল। শেষমেশ আইন তাদের নাগাল পেয়েছে।” এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই শহরের হারানো গরিমা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা শুরু হয়। তার সুফলও মেলে। দখলদারদের হঠিয়ে যেসব জিনিস পুনরাবিষ্কার করা হয়, তার মধ্যে রয়েছে অমরপতি খেড়া। এই খেড়াটি সংরক্ষিত করেছিল ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ।

    ৭৫ বছর ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে ছিল

    গত ৭৫ বছর ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে ছিল এটি। এই জায়গাটিকে দধীচি আশ্রম বলে মনে করা হয়। ২১টি সমাধিও রয়েছে এখানে। এর মধ্যে একটি সমাধি পৃথ্বীরাজ চৌহানের গুরু অমরপতির। অন্য যে সব ঐতিহ্যবাহী স্থান (Uttar Pradesh) পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, সেগুলি হল সারাইতারিনের দরবার এলাকায় রাজা টঙ্কের আদালত, টোটা মাইনা সমাধি এবং একটি প্রাচীন শিব মন্দির। চান্দৌসির ১৫০ বছরের পুরোনো একটি প্রাচীন কুয়ো, যা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সময়কার ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের সঙ্গে সংযুক্ত। ভদ্রকাশ্রম, স্বর্গদ্বীপ, চক্রপাণি এবং একটি প্রাচীন তীর্থস্থল দাহ স্থান মন্দির। খাগগু সারাইয়ের কার্তিকেশ্বর মন্দির, সারাইতারিনের রাধাকৃষ্ণ মন্দির এবং সম্ভলের স্থাপত্য ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে আবিষ্কৃত হয়েছে একটি বিশাল প্রাচীন কুয়ো।

    যোগী আদিত্যনাথের বক্তব্য

    হারানো ইতিহাস (Sambhal) পুনরুদ্ধারের পর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিধানসভায় বলেছিলেন, “সম্ভলের ৬৮টি তীর্থস্থান এবং ১৯টি কুয়োর চিহ্ন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমাদের সরকারের দায়িত্ব ছিল সেগুলি খুঁজে বের করা। এখন যখন আমরা সেগুলি আবিষ্কার করেছি, আমরা নিশ্চিত করব যে সেগুলি সংরক্ষিত করা হবে। আমরা শুধুমাত্র আমাদের ন্যায্য অধিকারটুকুই চাই।” জানা গিয়েছে, যোগী প্রশাসন এগুলিকে বন্ধন স্কিমের সঙ্গে যুক্ত করেছে। সরকারের পরিকল্পনা, সম্ভলকে উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদ বিভাগের ধর্মীয় পর্যটন করিডরের একটি প্রধান কেন্দ্র করে তোলা। সম্ভল ত্রিনেত্র কল্কি দেব তীর্থ সমিতি নামে একটি সংস্থা যা হারিয়ে যাওয়া ঐতিহাসিক স্থানগুলির পুনরুজ্জীবনের কাজ করছে এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

    প্রত্নরত্ন উদ্ধার

    আমরপতি খেদা খনন করার (Sambhal) সময় প্রত্নতাত্ত্বিকরা মাটির নীচে প্রাচীন মুদ্রা, মাটির হাঁড়ি এবং বিরাগী প্রদীপের সন্ধান পেয়েছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারটি হল এমন একটি মুদ্রা, যাতে ভগবান রাম, মা সীতা এবং ভগবান লক্ষ্মণের ছবি খোদাই করা রয়েছে। এই আবিষ্কারগুলি এই জায়গার গভীর ঐতিহাসিক এবং ধর্মীয় (Uttar Pradesh) তাৎপর্য প্রমাণ করে। সম্ভলের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাজেন্দ্র সিংহ বলেন, “সম্ভল তার পুরনো গৌরবে ফিরে এসেছে। আমাদের লক্ষ্য হল এর পরিচয় সংরক্ষণ করা এবং এটিকে একটি ধর্মীয় ও পর্যটন নগরীতে রূপান্তরিত করা।” এসপি কৃষ্ণ কুমার বিষ্ণোইয়ের দাবি, “হিংসার পর এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত। দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার হয়েছে।” এক্সিকিউটিভ অফিসার মণিভূষণ তিওয়ারি বলেন, “আমরা চাই দর্শকরা হেঁটে হেঁটে ঘুরে দেখুন এই জায়গাগুলো। অনুভব করুন সেগুলির ঐতিহাসিক গুরুত্ব। ধর্মীয় ইতিহাসে সম্ভলের গুরুত্ব অনুধাবন করুন তাঁরা। বিশেষত (Uttar Pradesh) ভগবান কল্কির সঙ্গে এই এলাকার সম্পর্ক (Sambhal)।”

  • India Bangladesh Border: পাকিস্তানের হাত ধরে তুরস্কের ড্রোন বাংলাদেশে! ভারত সীমান্তে মোতায়েন কেন?

    India Bangladesh Border: পাকিস্তানের হাত ধরে তুরস্কের ড্রোন বাংলাদেশে! ভারত সীমান্তে মোতায়েন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) মাধ্যমে তুরস্ক (Turkey) থেকে বিপজ্জনক ড্রোন কিনছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। ভারতীয় সীমান্তে সেগুলি মোতায়েন করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তুরস্কের ‘টিবি-২ বায়রাক্টার’ ড্রোন আমদানি করেছে এবং নজরদারি অভিযানের জন্য ভারত সীমান্তের (India Bangladesh Border) কাছে সেগুলো মোতায়েন করছে। ভারত এই এলাকাগুলিতে তাদের কার্যকলাপের উপর সতর্ক নজর রাখার জন্য রেডার স্থাপন সহ সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে সেনা সূত্রে খবর।

    পাক সহায়তাতেই ড্রোন আমদানি!

    মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশ ক্রমশ পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। পাক যোগসূত্রে তুরস্কের সঙ্গেও সম্পর্ক গাঢ় হচ্ছে বাংলাদেশের। শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার পাকিস্তানের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েছে। ইতিমধ্যে তুরস্ক থেকে বায়রাক্টার টিবি ২ ড্রোন কিনেছে বাংলাদেশ। ভারতের সীমান্তে তা মোতায়েনও করা হয়েছে। পাকিস্তানও তুরস্ক থেকে ওই ড্রোন কিনেছে। মনে করা হচ্ছে পাকিস্তানের পথ দিয়েই তুরস্ক-বাংলাদেশ এই যোগসূত্র গড়ে উঠছে। রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর ইস্যুতে তুরস্ক পাকিস্তানের পক্ষই নিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ভারত বিরোধী শক্তির দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ।

    সতর্ক ভারতীয় সেনা

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের মোতায়েন করা তুরস্কের এই ড্রোন একটানা ২৭ ঘণ্টা পর্যন্ত উড়তে পারে। ৮ হাজার ২৩০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে পারে। এমনও দাবি করা হচ্ছে যে এই ড্রোন ফাইটার জেটকেও পাল্লা দিতে পারে। বায়রাক্টার টিবি-২ হল মাঝারি উচ্চতায় হাই অল্টিটিউড লং এন্ডুরেন্স ড্রোন এবং এটি তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের অন্যতম বৃহৎ সাফল্য। মানবহীন বিমানটিতে আকাশ-থেকে-ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা সম্ভব। সাম্প্রতিক সময়ে, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ প্রশাসন পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমশ বাড়াচ্ছে এবং এমনকি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির চিকেন নেক করিডরের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে ভারত সীমান্তের কাছাকাছি এলাকা পরিদর্শন করতে তাদের কর্মকর্তাদের স্বাগত জানিয়েছে। এই আবহে ভারতের সীমান্ত তুরস্কের ড্রোন মোতায়েনকে কেন্দ্র করে সতর্ক দিল্লি।

LinkedIn
Share