Blog

  • One Nation One Election: ‘এক দেশ এক ভোটে’র পক্ষে জনমত গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    One Nation One Election: ‘এক দেশ এক ভোটে’র পক্ষে জনমত গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) এর পক্ষে জনমত তৈরির আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, দেশে অনবরত নির্বাচনের কারণে গোটা বছরই প্রচার চলতে থাকে এবং সরকার ও প্রশাসন নীতিপঙ্গুতায় ভোগে। যা সরাসরি প্রভাব ফেলে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতের ওপর। তাই দিল্লির এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী সব এনসিসি ক্যাডারের কাছে আবেদন করেন দেশজুড়ে এই নিয়ে আলোচনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

     

    প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    দিল্লিতে এনসিসি-র এক সভায় প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “এক দেশ এক ভোটের (One Nation One Election) প্রস্তাব নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের যুবারা আরও বেশি করে এগিয়ে আসুন এই নিয়ে আলোচনায় শামিল হতে।” তাঁর বক্তব্য, “এক দেশ এক ভোট নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক চলছে। লোকসভা এবং রাজ্যের বিধানসভাগুলির ভোট একসঙ্গে হলে প্রশাসন অনেক বেশি লক্ষ্যমুখী হয়ে কাজ করতে পারবে এবং ব্যাঘাত কম হবে। স্বাধীনতার পরে দীর্ঘদিন ধরেই লোকসভা এবং বিধানসভাগুলির ভোট একসঙ্গে হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই কাঠামোর পরিবর্তন হয়েছে। তার জন্য দেশকে ভুগতে হচ্ছে।”

     

    ‘এক দেশ এক নির্বাচন’ সরকারের যুক্তি

    ইতিমধ্যেই এক দেশ এক নির্বাচনের (One Nation One Election) প্রস্তাবে সায় দিয়েছে মোদির মন্ত্রিসভা। সরকারের যুক্তি, ঘন ঘন নির্বাচনের জেরে দেশের উন্নয়নমূলক কাজে বাধা পড়ে। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, গোটা দেশ এই প্রক্রিয়াকে সমর্থনও জানাচ্ছে। সব রাজনৈতিক দলগুলিকে এই বিষয়টি সমর্থন করার আহ্বানও জানান তিনি। সরকার পক্ষের দাবি, এই ব্যবস্থা চালু হলে ভোট প্রক্রিয়ার জন্য যে বিপুল অঙ্কের খরচ হয়, তা অনেকটাই কমে যাবে। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ ধারণাকে একটি “ঐতিহাসিক” সংস্কার বলে অভিহিত করেছে। দলের মতে, এই বিল এলে সাশ্রয়ী শাসন ব্যবস্থার আরও উন্নতি হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি ধারাবাহিকভাবে একযোগে নির্বাচনের পক্ষে কথা বলেছেন। এই বিলকে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।

     

    তিনটি বিলের মাধ্যমে বাস্তবায়ন

    ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’-এর (One Nation One Election) বাস্তবতা খতিয়ে দেখতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছিল কেন্দ্র। গত মার্চ মাসে সেই কমিটি রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছে। যেখানে ‘এক দেশ, এক নির্বাচনে’-এর পক্ষে সায় দেওয়া হয়েছে। “এক দেশ, এক নির্বাচন” পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সরকার দুটি সাংবিধানিক সংশোধনী সহ তিনটি বিল প্রস্তাব করেছে। সেগুলি হল:

    প্রথম সাংবিধানিক সংশোধনী বিল: লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলির জন্য যৌথ নির্বাচনের অনুমতি রয়েছে এই বিলে। লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলির জন্য ‘নিযুক্ত তারিখ’ এবং একই সঙ্গে মেয়াদ সমাপ্তির বিধান প্রবর্তনের জন্য ধারা ৮২এ সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে এখানে।

    দ্বিতীয় সংবিধান সংশোধনী বিল: অন্তত অর্ধেক রাজ্যের অ্যাসেম্বলির অনুমোদন প্রয়োজন৷ স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলির সঙ্গে সহযোগিতা নিশ্চিত করে ভোটার তালিকার বিধানগুলি সংশোধন করতে হবে।

    তৃতীয় বিল: কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির পাশাপাশি বিধানসভার সঙ্গে — পুদুচেরি, দিল্লি এবং জম্মু ও কাশ্মীর — লোকসভা এবং রাজ্য বিধানসভাগুলির সঙ্গে এই নির্বাচন করাতে হবে৷ গভর্নমেন্ট অফ ন্যাশনাল ক্যাপিটাল টেরিটরি অফ দিল্লি অ্যাক্ট (১৯৯১), দ্য গভর্নমেন্ট অফ ইউনিয়ন টেরিটরি অ্যাক্ট (১৯৬৩), এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন (২০১৯) সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে বিলে৷

    সম্প্রতি প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির বক্তৃতায় উঠে এসেছে এই প্রসঙ্গ। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মনে করিয়ে দিয়েছেন, সব ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে দেশ। ‘এক দেশ, এক ভোট’ নীতির প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “এই নীতি দেশের আর্থিক বোঝা কমাতে পারে। নীতিপঙ্গুতা রুখতে পারে।”

     

  • Birbhum: আইসির কলার ধরে টান তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীর, পাল্টা ঘুসি পুলিশ কর্তার, ধুন্ধুমার সিউড়িতে

    Birbhum: আইসির কলার ধরে টান তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীর, পাল্টা ঘুসি পুলিশ কর্তার, ধুন্ধুমার সিউড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিউড়িতে তাণ্ডব তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীর। আইসির কলারে ধরে টান। এর পাল্টা আবার দুষ্কৃতীকে ঘুসি মারলেন আইসি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা বীরভূমের (Birbhum) সিউড়িতে। সিউড়ির মিনিস্টিল এলাকার ঘটনা। জানা গিয়েছে, সিউড়ির মিনিস্টিল এলাকায় বাবু আনসারির সঙ্গে ইকবাল আনসারির দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিবাদ চলছিল। বাবু আনসারি এলাকায় যুব তৃণমূল নেতা বলে পরিচিত। ইকবালের দাবি, সেও তৃণমূলকর্মী। অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে সশস্ত্র অবস্থায় গ্রামে ঢুকে স্থানীয়দের হুমকি দিতে থাকে বাবু ও তার এক শাগরেদ। এর পর একজোট হয়ে গ্রামবাসীরা তাদের ধরে ফেলেন। তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

    গ্রামে জমি নিয়ে বিবাদ চলছে দীর্ঘদিন ধরেই (Birbhum)

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রামে জমি নিয়ে বিবাদ চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। জমি দখল করতে প্রায়ই গ্রামে ঢুকে তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। মঙ্গলবারও সিউড়ির মিনিস্টিল এলাকায় জমি দখল করতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঢোকে দুই দুষ্কৃতী। তাদের হাতে ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। তবে এদিন গ্রামে জমি মাফিয়ারা যেতেই, তাদের ঘিরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। শুরু হয় গণপিটুনিও। এই ঘটনায় ২ সশস্ত্র দুষ্কৃতীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তৃণমূল নেতাদের মদতেই বাবু আনসারির এত বাড়বাড়ন্ত। এর আগেও গ্রামে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছিল সে। তখন পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি।

    আইসির সঙ্গে দুষ্কৃতীর ব্যাপক ধস্তাধস্তি (Birbhum)

    ঘটনার খবর পেয়ে সিউড়ি থানার আইসি সঞ্চয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী যায় গ্রামে। দুই দুষ্কৃতীকে আটক করে পুলিশ। তারপরেই দেখা যায় এক দুষ্কৃতী আইসির কলার ধরে টান দেয়। তাকে পালটা ঘুসি মারেন আইসি। এরপরে ফের শুরু হয় আইসির সঙ্গে দুষ্কৃতীর ব্যাপক ধস্তাধস্তি।

    টানা হেঁচড়ার দৃশ্য দেখে সকলেই চমকে যায় (Birbhum)

    পুলিশ কর্তাকে দুষ্কৃতীর হাতে হেনস্থা হতে দেখে তাজ্জব বনে যান এলাকাবাসী। তৃণমূলের শাসনে মজার এই দৃশ্য দেখতে ভিড় জমে যায়। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় বীরভূমের সিউড়িতে। জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজেদের ক্ষোভ উগরে দেন গ্রামবাসীরা। সিউড়ির ওই ঘটনাস্থল থেকে বন্দুক ও কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ের চিলকাপল্লী গ্রামে স্বাধীনতার পরে প্রথম পৌঁছল বিদ্যুতের আলো

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ের চিলকাপল্লী গ্রামে স্বাধীনতার পরে প্রথম পৌঁছল বিদ্যুতের আলো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) রাজ্যের চিলকাপল্লী গ্রাম। স্বাধীনতার পর এই গ্রামে প্রথম পৌঁছল বিদ্যুৎ। জেলা সদর শহর বিজাপুর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রামে খুশিতে মেতেছেন বাসিন্দারা। প্রসঙ্গত, চিলকাপল্লী হল ষষ্ঠ গ্রাম বিজাপুর জেলার, যেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছল। ছত্তিশগড় রাজ্যের কর্মসূচি ‘নিয়াজ নেলানার’ প্রকল্প অনুযায়ী এই বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। বিজাপুরের জেলাশাসক সম্বিত মিশ্র এ নিয়ে নিজের খুশি প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আরও অনেক গ্রামে পৌঁছে যাবে বিদ্যুতের আলো।

    কী বললেন জেলাশাসক?

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্বিত মিশ্র বলেন, ‘‘এটা সত্যিই খুব আনন্দের যে চিলকাপল্লী (Chilkapalli) গ্রামে গত ২৩ জানুয়ারি বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছেছে। এটা হল বিজাপুরের (Chhattisgarh) ষষ্ঠ গ্রাম। যেখানে আমরা বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা আশাবাদী আগামী কয়েক মাসের ভিতরে আরও অনেক গ্রামে আমরা বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দিতে সক্ষম হব।’’ প্রসঙ্গত, নিয়ত নিলানা প্রকল্প চালু করেছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাঁই। এই প্রকল্পে লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে যে উপজাতি অধ্যুষিত প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে বিদ্যুৎ পরিষেবা সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় যা কিছু সুবিধা সেই সবকিছুকে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রত্যন্ত গ্রামগুলিকে একটি আদর্শ গ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাও লক্ষ্য এই কর্মসূচির। এই প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎ পরিষেবার সঙ্গে সঙ্গে পানীয় জল, রাস্তা, ব্রিজ, স্কুল- এই সব কিছুই গড়ে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, চিলকাপল্লীর (Chhattisgarh) বাসিন্দারা বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছানোয় খুশিতে মেতে ওঠেন। তাঁদের মতে, এটি উন্নয়নের একটি বড় ধাপ।

    কী বলছেন গ্রামের বাসিন্দারা?

    গ্রামের একজন উপজাতি মহিলা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আগে আমাদের গ্রামে কোনও বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। কিন্তু বর্তমানে নতুন সংযোগ এসেছে। এর ফলে আমরা রান্না করতে পারব এবং আমাদের ছেলেরা রাত্রিবেলায় পড়াশোনা করতে পারবে।’’ অন্য আর একজন বাসিন্দা বলেন, ‘‘বর্তমানে আমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। আমরা এখন টিভি দেখতে পাচ্ছি। রান্না করতে পারছি এবং রাত্রিবেলায়ও আমরা বাইরে বেরোতে পারছি।’’ এ নিয়ে ছত্তিশগড় রাজ্যের বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মচারী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘প্রত্যন্ত গ্রাম চিলকাপল্লীতে (Chhattisgarh) বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে যাওয়া যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল কিন্তু আমরা তিন চার মাসের প্রচেষ্টায় তা করতে সমর্থ হয়েছি।’’ প্রসঙ্গত, এই গ্রাম নকশাল অধ্যুষিত এলাকা বলে পরিচিত। বর্তমানে এখানে উন্নয়ন যেমন পৌঁছে যাচ্ছে, তেমনই সিআরপিএফ জওয়ানরাও নজরদারি চালাচ্ছেন।

  • ICC Cricket Award: আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার বুমরা, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নজির মন্ধানার

    ICC Cricket Award: আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার বুমরা, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নজির মন্ধানার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০২৪ সালের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার হিসাবে বেছে নিয়েছে জসপ্রীত বুমরাকে। ১৩টি টেস্টে ৭১টি উইকেট নিয়ে এই স্বীকৃতি পেয়েছেন ভারতের অন্যতম সেরা বোলার। ষষ্ঠ ভারতীয় হিসাবে SF কৃতিত্ব অর্জন করেছেন বুমরা। একমাত্র অস্ট্রেলিয়ারই ছয় ক্রিকেটার আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হয়েছেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারে আঙিনায় ভারতের জয়গান গেয়েছেন স্মৃতি মান্ধানাও। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০২৪ সালের সেরা মহিলা এক দিনের ক্রিকেটার হিসাবে বেছে নিয়েছে মন্ধানাকে।

    বাজিমাত বুমরার

    আইসিসি কর্তৃপক্ষ এই নিয়ে ছ’জন ভারতীয়কে বছরের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার হিসাবে বেছে নিলেন। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে ২০০৪ সালে প্রথম বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের সম্মান পেয়েছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। তাঁর পর ২০০৯ সালে গৌতম গম্ভীর, ২০১০ সালে বীরেন্দ্র সেওয়াগ, ২০১৬ সালে রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং ২০১৮ সালে বিরাট কোহলি এই সম্মান পেয়েছিলেন। বুমরার সাফল্যে ভারত ছুঁয়ে ফেলল অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড। অস্ট্রেলিয়ারও ছয় ক্রিকেটার আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হয়েছেন। একমাত্র স্টিভ স্মিথ দু’বার এই সম্মান পেয়েছেন। তিনি ২০১৫ এবং ২০১৭ সালে বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে বুমরা দ্বিতীয় ব্যক্তি, যিনি এই সম্মান পেলেন। ২০২৪ সালে টেস্ট ক্রিকেটে উইকেট নেওয়া ক্ষেত্রে বিশ্বের কোনও বোলার বুমরার ধারে কাছেও নেই। তাঁর ১৩টি ম্যাচে ৭১ উইকেটের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ইংল্যান্ডের গাস অ্যাক্টিনসন। তিনি ১১টি টেস্টে ৫২টি উইকেট নিয়েছিলেন।

    মান্ধানার মুকুট

    ভারতের মহিলা ক্রিকেটে ইতিহাস স্মৃতি মন্ধানার। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার আইসিসির বর্ষসেরা এক দিনের ক্রিকেটারের সম্মান পেলেন মন্ধানা। এমন কৃতিত্ব ভারতের আরও কোনও মহিলা ক্রিকেটারের নেই। ভারতীয় মহিলা দলের সহ-অধিনায়ক ২০২৪ সালে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে করেছেন ৭৯৪ রান। তাঁর গড় ৫৭.৪৬। মন্ধানার ব্যাট থেকে এসেছে চারটি শতরান। মহিলাদের এক দিনের ক্রিকেটে তিনিই গত ক্যালেন্ডার বছরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে এক ক্যালেন্ডার বছরে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে চারটি শতরান করার কৃতিত্বও গড়েছেন মন্ধানা। মহিলাদের আসন্ন এক দিনের বিশ্বকাপে ভারতের অন্যতম ভরসা বাঁহাতি ওপেনিং ব্যাটার।

  • Mauni Amavasya: কখন লাগছে মৌনী অমাবস্যার তিথি? কীভাবে পালন করবেন ব্রত, জানুন খুঁটিনাটি

    Mauni Amavasya: কখন লাগছে মৌনী অমাবস্যার তিথি? কীভাবে পালন করবেন ব্রত, জানুন খুঁটিনাটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঘ মাসের অমাবস্যা তিথিকে বলা হয় মৌনী অমাবস্যা (Mauni Amavasya)। চলতি বছরের মৌনী অমাবস্যা অত্যন্ত শুভ। মৌনী অমাবস্যায় মহাকুম্ভে অমৃত স্নানে রেকর্ড ভক্ত সমাগম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার ২৮ জানুয়ারি ০৭ টা ৩৫ মিনিট থেকে মৌনী অমাবস্যার তিথি পড়ছে। এই তিথি শেষ হবে আগামীকাল বুধবার ২৯ জানুয়ারি সন্ধে ৬ টা ০৫ মিনিটে। এর ফলে মৌনী অমাবস্যার ব্রত ২৯ জানুয়ারিই পালিত হবে। মৌনী অমাবস্যার ব্রাহ্ম মুহূর্ত থাকবে ২৯ জানুয়ারি ভোর ৫টা ২৫ মিনিট থেকে ভোর ৬টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত।

    মহাকুম্ভে রেকর্ড ভিড় হতে চলেছে ভক্তদের

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে ১৪৪ বছর পর প্রয়াগরাজে চলছে মহাকুম্ভ। মহাকুম্ভমেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অমৃতস্নান মৌনী অমাবস্যাকেই ধরা হচ্ছে। মনে করা হয়, এই দিন গঙ্গার জল অমৃতে পরিণত হয়। সেই কারণে হিন্দুধর্ম অনুসারে মৌনী অমাবস্যায় পূ্ণ্যস্নান (Mauni Amavasya) বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কোটি কোটি পূণ্যার্থী আগামিকাল বুধবার মহাকুম্ভে পূণ্যস্নান করবেন।

    মৌনী অমাবস্যা (Mauni Amavasya) নাম কেন

    পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, ঋষি মনু এই তিথিতেই জন্মেছিলেন। তাই এই দিনের নাম মৌনী অমাবস্যা। আবার অনেকেই বলেন, এই তিথিতে মৌনব্রত পালন করলে অশুভ শক্তির বিনাশ হয়। তাই এই তিথির নাম হয়েছে মৌনী অমাবস্যা। আবার জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, মনের দেবতা হলেন চন্দ্রদেব। অন্য অমাবস্যার তুলনায় এই অমাবস্যার রাত অনেক বেশি ঘন কালো হয়। চন্দ্রদেব আকাশে থাকেন না। তাই মানুষের মন বিচলিত ও অশান্ত হয়ে ওঠে। মনকে শান্ত করার জন্য মৌনব্রত পালন করা হয়ে থাকে বলে জানাচ্ছেন অনেকে। তাই এই অমাবস্যার নাম মৌনী (Mauni Amavasya 2025)।

    মৌনী অমাবস্যার মাহাত্ম্য (Mauni Amavasya)

    শাস্ত্রমতে মৌনী অমাবস্যা তিথির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা। সমস্ত অমাবস্যার মধ্যে মৌনী অমাবস্যারই বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে, এমনটাই বলা হয়ে থাকে। এই তিথিতেই নিজের পূর্বপুরুষদের স্মরণে তর্পণ ও অনুষ্ঠান করার রীতিও চালু রয়েছে।

    কীভাবে পালন করবেন মৌনী অমবস্যা?

    শাস্ত্র অনুযায়ী, মৌনী অমাবস্যার সন্ধ্যায় অশ্বত্থগাছের নীচে প্রদীপ জ্বালানো উচিত। একইসঙ্গে এইদিন শনিদেবের মন্ত্র জপ করতে বলছেন অনেকে। এতে শনিদেব সন্তুষ্ট হন ও জীবনে নেতিবাচক প্রভাব কেটে যায়। এই তিথিতে দরিদ্র মানুষদের কালো বস্ত্র দিলে তুষ্ট হন শনিদেব। শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা এই দিনটি গঙ্গা বা কোনও নদীর জলে স্নান করে শুরু করতে বলছেন। এদিন দুধ, কালো তিল, তিলের তেল, তিলের নাড়ু দান করা উচিত। এছাড়াও সূর্যদেবকে দুধ ও তিলের বীজের অর্ঘ্য অর্পণ করলে মনের সব ইচ্ছে পূরণ হয় বলেই জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা। মৌনী অমাবস্যায় নারায়ণের পুজো করতে পারেন।

    মৌনী অমাবস্যায় মৌনতা পালন

    এদিন উপবাস রেখে স্নান করার রীতিও প্রচলিত রয়েছে। ভক্তদের বিশ্বাস, মৌনী অমাবস্যায় মৌনতা বজায় রাখলে মানসিক শান্তি লাভ করা সম্ভব হয়। সূর্যদেব ও প্রয়াত পূর্বপুরুষদের নামে পুজো করার জন্যই এই দিনটি মাহাত্ম্যপূর্ণ।

    মৌনী অমাবস্যার মাহাত্ম্য

    মৌনী অমাবস্যায় গঙ্গাস্নানের বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে এদিন গঙ্গার জল অমৃতে পরিণত হয়। এদিন মনুর জন্ম হয় বলে পুরাণে উল্লেখ আছে। মনুর নাম থেকেই এই তিথি মৌনী অমাবস্যা নামে পরিচিত বলে অনেকের ধারণা। এদিন উপবাস রেখে সারাদিন মৌনতা পালন করলে বাকসিদ্ধি অর্জন করা যায় বলে মনে করা হয়।

    সকাল থেকে করণীয় কাজ

    মৌনী অমাবস্যার দিন ব্রাহ্ম মুহূর্তে বিছানা থেকে উঠে পড়ুন। এরপর গঙ্গাস্নান করতে পারলে সবথেকে ভালো হয়, তবে সেটা সম্ভব না হলে নিজের স্নানের জলে একটু গঙ্গাজল মিশিয়ে নিন। স্নানের পর সূর্যদেবতাকে প্রণাম করুন ও ১০৮ বার তুলসী গাছকে প্রদক্ষিণ করুন। এরপর দরিদ্রদের নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী খাদ্য বস্ত্র দান করুন। মৌনী অমাবস্যায় মৌনতা বজায় রাখতে পারলে খুব শুভ ফল পাওয়া যায় বলে জানাচ্ছেন সবাই। গোটা দিন পুরোপুরি মৌন থাকা যদি সম্ভব না হয়, তা হলে এদিন কাউকে খারাপ কথা বলবেন না বা কারও ওপর চেঁচামেচি করবেন। এদিন যতটা সম্ভব কম ও আস্তে কথা বলতে বলছেন শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা।

    কী রকম পোশাক পরবেন?

    শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ পেতে মৌনী অমাবস্যায় হলুদ রঙের পোশাক পরিধান করুন এবং নিজের পূর্বপুরুষের নামে ধ্যান জপ করুন। ব্রতপালনের দিন সকাল বেলায় একটু হলুদ গুলে নিয়ে তা বাড়ির মূল দরজায় ছিটিয়ে দিন। তার আগে বাড়ির দরজার চৌকাঠ ভালো করে পরিষ্কার করুন। এর ফলে ইতিবাচক শক্তি ঘরে প্রবেশ করবে।

    জ্যোতিষ শাস্ত্রেও খুব গুরুত্বপূর্ণ মৌনী অমাবস্যা

    জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, ২৯ জানুয়ারি তিন গ্রহ মিলে ত্রিবেণী যোগ তৈরি করছে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই তিথিতেই মকর রাশিতে সূর্য, চন্দ্র ও বুধ একসঙ্গে উপস্থিত থাকবে। যার প্রভাবে ত্রিবেণী যোগ তৈরি হবে। একইসঙ্গে বৃহস্পতির সঙ্গে এই তিন গ্রহের নবমপঞ্চম যোগও তৈরি হবে।

  • Mahakumbh 2025: বুধে স্নান মৌনী অমাবস্যার, কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানেন?

    Mahakumbh 2025: বুধে স্নান মৌনী অমাবস্যার, কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই মৌনী অমাবস্যা। ২৯ জানুয়ারির এই পুণ্য দিনে প্রয়াগরাজে গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে অমৃতস্নান (Mauni Amavasya) করবেন (Mahakumbh 2025) ১০ কোটিরও বেশি ভক্ত। যেহেতু এদিন কয়েক কোটি ভক্তের সমাগম হবে, তাই ব্যবস্থা নিয়েছে উত্তরপ্রদেশের যোগী প্রশাসন। ভিড় ও যানবাহন ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষ একটি অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনা চালু করেছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভক্তদের জন্য নির্দিষ্ট পথ ও স্নানের ঘাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিজয় কিরণ আনন্দ বলেন, “সবচেয়ে বড় স্নান উৎসবের জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রীরা যে সেক্টর বা অঞ্চলে স্নান করেছেন, সেখান থেকেই ফিরে যাবেন, এবং কঠোর নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল চলাচল নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

    সুরক্ষা ব্যবস্থা

    ভিড় কমাতে তীর্থযাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট ঘাটে স্নান করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কানপুরের তীর্থযাত্রীরা স্নান করবেন সংঘম নোজ ঘাটে। লখনউ ও অযোধ্যার তীর্থযাত্রীরা স্নান করবেন দশাশ্বমেধ ঘাটে। ভিড়ের পরিমাণ বাড়লে পুণ্যার্থীদের পাঠানো হবে নাগবাসুকি, রাসূলাবাদ এবং ফাফামাউ ঘাটে। বারাণসী, জৌনপুর, আজমগড় এবং গোরখপুরের তীর্থযাত্রীরা অমৃতস্নান করবেন ঐরাবত ও ত্রিবেণী ঘাটে। মির্জাপুর এবং মধ্যপ্রদেশের তীর্থযাত্রীরা ডুব দেবেন আরাইল ত্রিবেণী পুষ্পের কাছাকাছি ঘাটে। এখানে সংঘমের দিকে যাওয়ার জন্য গতিবিধি সীমাবদ্ধ থাকবে। স্নান শেষে ভক্তরা (Mauni Amavasya) যাতে তাদের নির্ধারিত অঞ্চলে ফিরে যেতে পারেন, তাই সংঘম নোজের কাছাকাছি আন্তঃঅঞ্চল ভ্রমণ বন্ধ রাখা হবে (Mahakumbh 2025)।

    আখড়ার সাধু-সন্ন্যাসীদের জন্য ব্যবস্থা

    কেবল পুণ্যার্থী নন, মহাকুম্ভের বিভিন্ন আখড়ার সাধু-সন্ন্যাসীদের জন্যও নির্ধারিত হয়েছে স্নানের ঘাট। ১৩টি আখড়ার অমৃতস্নানের পথও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিডিউল অনুযায়ী ত্রিবেণী পন্টুন ব্রিজ অতিক্রম করবে আখড়াগুলি। আখড়াগুলির সাধুসন্তরা যাতে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে চলাচল করতে পারেন, তাই ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। মিডিয়া ও প্রশাসনের জন্য আলাদা করিডরের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

    পুণ্যার্থীদের জন্য স্নানের ঘাটের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি আরও কিছু সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জল পুলিশ, এনডিআরএফ, এবং এসডিআরএফের উদ্ধার অভিযানের নৌকা ছাড়া অন্য কোনও নৌকার চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যাত্রীদের সুরক্ষায় বসানো হয়েছে স্টিলের ব্যারিকেড। নিরাপত্তা জাল সহ মজবুত ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে অস্থায়ী আবাসন এবং হোল্ডিং এরিয়া স্থাপন করা হয়েছে। প্রয়োজনে কাউশাম্বী, প্রতাপগড় বা ভদোহিতে ভ্রমণ আপাতত বন্ধ করা হতে পারে (Mauni Amavasya)।

    উন্নত পরিকাঠামো

    তীর্থযাত্রীদের জন্য উন্নত পরিকাঠামোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। ১২ কিমি দীর্ঘ স্নানের ঘাট উন্নত আলো, পরিচ্ছন্ন টয়লেট এবং পোশাক পরিবর্তনের ঘর তৈরি করা হয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার পাশাপাশি জরুরি অবস্থার জন্য খড় ও চটের বস্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। মেলা কর্তৃপক্ষ মৌনী অমাবস্যায় অমৃতস্নানের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্নানের ক্রম নির্ধারণ করা হয়েছে। মহানির্বাণী এবং অতল আখড়াগুলি প্রথমে স্নান প্রক্রিয়া শুরু করবে। প্রতিটি আখড়া নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে স্নান করবে। এই ক্রমটি শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভক্তদের সুষ্ঠুভাবে স্নান করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে। এই সময়সূচির জন্য সমস্ত আখড়ার সদস্যরা পবিত্র আচার-অনুষ্ঠানের জন্য যথেষ্ট সময় এবং জায়গা পাবেন। বৃহত্তর ভক্ত সমাবেশের নিরাপত্তা এবং সুবিধাও বজায় রাখা হবে। এই ব্যবস্থাগুলির মাধ্যমে প্রয়াগরাজ একটি সুসজ্জিত এবং সুসংগঠিত মহাকুম্ভ স্নান উৎসব আয়োজন করতে প্রস্তুত (Mahakumbh 2025)।

    পূর্ণকুম্ভের যোগ

    প্রতি ১২ বছর অন্তর উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে হয় পূর্ণকুম্ভ। ১২টি পূর্ণ কুম্ভ শেষে হয় একটি মহাকুম্ভ। অর্থাৎ মহাকুম্ভের এই যোগ আবার আসবে ১৪৪ বছর পরে। সেই কারণেই এবার কুম্ভস্নান করবেন অন্তত ৪০ কোটি মানুষ। দেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও ভক্তরা আসছেন ত্রিবেণী সঙ্গমে পবিত্র ডুব দিতে। এবার প্রয়াগরাজে কুম্ভমেলা শুরু হয়েছে ১৩ জানুয়ারি। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যে অমৃতস্নানের যোগ মোট ৬টি। এর মধ্যে হয়ে গিয়েছে তিনটি স্নান। বুধবার হবে মৌনী অমাবস্যার স্নান। ৩ ফেব্রুয়ারি হবে বসন্ত পঞ্চমীর স্নান। আর এবারের মতো শেষ স্নান হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি, মহা শিবরাত্রির দিন। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসনের আশা, এবার সব মিলিয়ে কুম্ভস্নান করবেন অন্তত ৪০ কোটি পুণ্যার্থী। ইতিমধ্যেই প্রায় ১২ কোটি পুণ্যার্থী সেরে নিয়েছেন পুণ্যস্নান। বিজেপির বহু নেতা-মন্ত্রীও ডুব দিয়েছেন প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে (Mauni Amavasya)। হিন্দু ভোট কুড়োতে দেরিতে হলেও দিন দুই আগে কুম্ভস্নান করেছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। ৫ ফেব্রুয়ারি কুম্ভে ডুব দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর ১০ ফেব্রুয়ারি অমৃতস্নান (Mahakumbh 2025) করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়।

     

  • India China Relation: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলছে, চালু হচ্ছে কৈলাশ মানস সরোবর যাত্রা!

    India China Relation: ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ গলছে, চালু হচ্ছে কৈলাশ মানস সরোবর যাত্রা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই গলছে ভারত-চিন সম্পর্কের (India China Relation) বরফ। সীমান্ত সংঘাত-পর্ব এখন অতীত। উন্নতি হয়েছে ভারত-চিনের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়ায়। তাই পাঁচ বছর পর ফের কৈলাশ-মানস সরোবর যাত্রা (Kailash Mansarovar Yatra) নতুন করে শুরু করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। হিন্দুদের কাছে কৈলাশ-মানস সরোবর যাত্রা অতি পবিত্র একটি তীর্থযাত্রা। এই তীর্থযাত্রা নিয়ে আগে থেকে যে চুক্তি রয়েছে দুই দেশের মধ্যে, সেই অনুযায়ীই সব কিছু হবে বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। কেবল এই তীর্থযাত্রা নয়, ভারত ও চিনের মধ্যে ফের সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করা নিয়েও একপ্রস্ত আলোচনা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।

     

    বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠক (India China Relation)

     

    সম্প্রতি ভারত ও চিনের মধ্যে বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন হয়েছিল। দুদিনের ওই বৈঠকে যোগ দিতে বেজিং গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। ওই বৈঠকেই দুই দেশ একাধিক বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে বলে খবর। গত অক্টোবরে কাজানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে বৈঠক হয়। তারই রেশ ধরে আলোচনা হয় বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠকে। সেই বৈঠকেই কৈলাশ-মানস সরোবর যাত্রা নতুন করে শুরু করতে সম্মত হয়েছে পড়শি দুই দেশ।

     

    কৈলাশ-মানস সরোবর যাত্রা

     

    কৈলাশ-মানস সরোবর হিন্দু এবং বৌদ্ধ উভয় সম্প্রদায়ের কাছেই অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি তীর্থস্থান (India China Relation)। হিন্দুদের বিশ্বাস, কৈলাশ পর্বত ভগবান শিবের বাসস্থান। আর মানস সরোবর সৃষ্টি করেছিলেন স্বয়ং ব্রহ্মা। বৌদ্ধদের কাছেও মানস সরোবর অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি তীর্থস্থান। ২০২০ সালে অতিমারির কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কৈলাশ-মানস সরোবর যাত্রা। সেই যাত্রাই ফের চালু করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

    তীর্থযাত্রা শুরু হওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিমান পরিষেবা ফের চালুর বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে ভারত ও চিন। করোনা অতিমারি পর্বে এবং পরবর্তী কালে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে গত পাঁচ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল (Kailash Mansarovar Yatra)। নতুন করে তা চালু করতে ফের উদ্যোগী হয়েছে দুই দেশই (India China Relation)।

  • India-US Relation: ফেব্রুয়ারিতেই আমেরিকায় মোদি! বেআইনি অভিবাসী ইস্যুতে ভারতে ভরসা ট্রাম্পের

    India-US Relation: ফেব্রুয়ারিতেই আমেরিকায় মোদি! বেআইনি অভিবাসী ইস্যুতে ভারতে ভরসা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও মজবুত হতে চলেছে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক (India-US Relation)। আগামী মাসেই আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার এই কথা ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার নানা বিষয় নিয়ে ফোনে কথা হয় মোদি-ট্রাম্পের। তারপরেই প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন সফরের বিষয়টি ঘোষণা করেন ট্রাম্প। সেইসঙ্গে ভারতের উপরে আস্থা রেখে ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ‘বেআইনি অভিবাসীদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যেটা ঠিক, ভারত সেটাই করবে।’ জানা গিয়েছে, বিশ্ব শান্তির পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও কথা বলেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বিশেষত ভারত-আমেরিকার মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক এবং চিনের দাপট রুখতে কোয়াড জোটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান।

     

    ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সফরে মোদি

    সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প (Trump Talks With Modi) শুধু বলেছেন যে ‘ফেব্রুয়ারির কোনও একটা সময় আমেরিকায় আসবেন মোদি।’ তবে ঠিক কবে আমেরিকায় যাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, কতদিন থাকবেন, সফরসূচিতে কী কী থাকবে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিছু জানাননি। দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ট্রাম্প ৷ শপথ নেওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মোদি ৷ তবে সোমবার দু’জনের মধ্যে প্রথমবার ফোনে কথা হয় ৷ তারপরই মোদির আমেরিকা সফরের কথা বলেন ট্রাম্প। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এই বিষয়টি নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

     

    ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপ

    দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট (India-US Relation) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথমবার সঙ্গে ফোনে কথা বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তাঁদের এই ফোনালাপ অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস৷ দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক এবং ভারত-মার্কিন সহযোগিতার পথ আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে৷ আমেরিকার অভিবাসীদের মধ্যে একটা বড় অংশ ভারতীয় জনতা। সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, “অভিবাসন নিয়ে কথা হয়েছে মোদির সঙ্গে। অভিবাসীদের ফেরানোর ক্ষেত্রে ভারত সঠিক পদক্ষেপই করবে।”

     

    বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত

    ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের (Trump Talks With Modi) পর এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লেখেন, ‘‘আমার প্রিয় বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত। তাঁর ঐতিহাসিক দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য অভিনন্দন। পারস্পরিক উন্নয়ন এবং বিশ্বস্ত অংশীদারিত্বের জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের জনগণের কল্যাণে এবং বিশ্বের শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্য আমরা একযোগে কাজ করব।’’ ট্রাম্প ও মোদির ফোনালাপ সম্পর্কে হোয়াইট হাউসের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফোনালাপ ফলপ্রসূ হয়েছে । দুই রাষ্ট্রনেতা পারস্পরিক সহযোগিতা গভীর ও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেছেন ৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমেরিকায় তৈরি নিরাপত্তা সরঞ্জাম ক্রয় বৃদ্ধির জন্য দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্ব দিয়েছেন ’’

     

    বেআইনি অভিবাসন

    নতুন করে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরেই আমেরিকা থেকে বেআইনি অভিবাসীদের বের করে দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির (India-US Relation) তরফে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে যে উপযুক্ত নথি দেওয়া হলে বেআইনি অভিবাসীদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে। গত সপ্তাহে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “আমরা বেআইনি অভিবাসনের বিরোধী। কারণ সেই বিষয়টা বিভিন্ন ধরনের সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।” তিনি আরও বলেছেন, “শুধুমাত্র আমেরিকায় থাকা ভারতীয়দের ক্ষেত্রে নয়, বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে যদি ভারতীয়রা নির্ধারিত সময়ের থেকে বেশি থাকেন বা উপযুক্ত নথি ছাড়া সংশ্লিষ্ট দেশে থাকেন, তাহলে আমরা তাঁদের ফিরিয়ে নেব। আমাদের সঙ্গে উপযুক্ত নথি ভাগ করে নিতে হবে, যাতে আমরা তাঁদের নাগরিকত্ব যাচাই করে নিতে পারি এবং নিশ্চিত হতে পারি যে তাঁরা সত্যিই ভারতীয়। যদি সেটাই বিষয় হয়, তাহলে আমরা পুরো বিষয়টা এগিয়ে নিয়ে যাব এবং তাঁদের ভারতে ফেরানোর কাজটা প্রশস্ত করব।”

     

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠকের গুরুত্ব

    কূটনৈতিক মহলের মতে, বেআইনি অভিবাসীদের ফেরানোর মতো ‘ছোট’ ব্যাপারে ট্রাম্পের মন জিতে নিয়ে ‘বড়’ কাজের পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি (India-US Relation)। যে তালিকায় এইচ-১বি ভিসা, বাণিজ্যের মতো বিষয় থাকতে পারে। মোদি এবং ট্রাম্প উভয়ই ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কোয়াড অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁদের প্রতিশ্রুতির উপর জোর দিয়েছেন ৷ চলতি বছরের শেষের দিকে প্রথমবার ভারতে হবে কোয়াড বৈঠক৷ অনেক দেশের মতোই অভিবাসন এবং শুল্কের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কিছুটা হলেও উদ্বেগে রয়েছে ভারত৷ ইতিমধ্যেই ট্রাম্প ব্রিকস গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোর উপরে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন ৷ ৯ সদস্যভুক্ত ব্রিকসে ভারতও অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং আসন্ন মোদি-ট্রাম্প বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে ৷

  • Amit Shah: মহাকুম্ভে ‘শাহি’ ডুব! পরিবার নিয়ে সঙ্গমে পবিত্র স্নান সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Amit Shah: মহাকুম্ভে ‘শাহি’ ডুব! পরিবার নিয়ে সঙ্গমে পবিত্র স্নান সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভে পবিত্র ডুব দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর সঙ্গে সোমবার ডুব দিতে দেখা যায় বিভিন্ন সাধু-সন্তদেরও। পবিত্র ডুব দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ করেন সাধুরা। নিজের এক্স হ্যান্ডলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাকুম্ভকে সনাতন ধর্মের প্রতীক বলে মন্তব্য করেন এবং এর মাধ্যমেই যে ভারতবর্ষের সনাতন সংস্কৃতি, দর্শন এবং সম্প্রীতির পরিবেশ প্রতিফলিত হচ্ছে, তাও তিনি জানান।

     

    হাজির শাহের (Amit Shah) গোটা পরিবার

    পবিত্র ডুব দেওয়ার পরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী (Yogi Adityanath) বিশেষ পুজো শুরু করেন এবং ত্রিবেণী সঙ্গমে তাঁরা আরতিও করেন। প্রসঙ্গত, অমিত শাহের সঙ্গে এদিন তাঁর পরিবারও হাজির ছিল। ছিলেন অমিত শাহের স্ত্রী সোনাল শাহ, তাঁর পুত্র জয় শাহ (ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান)। জয় শাহের স্ত্রী এবং তাঁর সদ্যোজাত সন্তানও হাজির ছিল।

     

    কুম্ভের কলসি শাহের (Amit Shah) হাতে তুলে দেন যোগী

    অমিত শাহকে একটি কুম্ভের কলসি উপহারস্বরূপ তাঁর হাতে তুলে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এটি মহাকুম্ভের ঐতিহ্য এবং শ্রদ্ধার প্রতীক বলে মানা হয়। এছাড়া বিভিন্ন সাধু-সন্তরা অমিত শাহকে সম্মান জানান চন্দনের তিলক এঁকে দিয়ে। অমিত শাহ এবং যোগী আদিত্যনাথ যখন পবিত্র ডুব দেন, তখন তাঁদের সঙ্গে হাজির ছিলেন জুনা আখড়ার পিঠাধীশ্বর স্বামী অবদেশানন্দা। এছাড়া আখড়া পরিষদের সভাপতি মহন্ত রবীন্দ্র পুরী এবং যোগগুরু বাবা রামদেব।

     

    সূর্য দেবতার উদ্দেশ্যে অর্ঘ্যদান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah)

    প্রসঙ্গত, পবিত্র ডুব দেওয়ার পরে সূর্য দেবতার উদ্দেশ্যে অর্ঘ্যদানও করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁরা নাতি-নাতনিরাও সাধুদের কাছ থেকে আশীর্বাদ পান। এমন একটি ছবি নিজের সমাজ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। হর হর মহাদেব ধ্বনিতে তাঁরা গঙ্গা এবং সূর্য দেবতার উদ্দেশ্যে প্রণাম জানান।

  • Mahakumbh 2025: “সনাতন ধর্ম হল ভারতের জাতীয় ধর্ম,” ঘোষণা যোগী আদিত্যনাথের

    Mahakumbh 2025: “সনাতন ধর্ম হল ভারতের জাতীয় ধর্ম,” ঘোষণা যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সনাতন ধর্ম শক্তিশালী হলে, দেশ শক্তিশালী হবে।” দিন দুয়েক আগে কথাগুলি বলেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। এবার সনাতন ধর্মকে তিনি ভারতের জাতীয় ধর্ম বলে ঘোষণা করে দিলেন।

    কী বললেন যোগী আদিত্যনাথ? (Mahakumbh 2025)

    রবিবার মহাকুম্ভ ২০২৫ উপলক্ষে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “সনাতন ধর্ম হল ভারতের জাতীয় ধর্ম। এটি মানবতার ধর্ম। পুজোর প্রক্রিয়া আলাদা হতে পারে। কিন্তু ধর্ম একটাই এবং সেই ধর্ম হল সনাতন ধর্ম। কুম্ভ সেই সনাতন ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করে।” তিনি বলেন, “১৪ জানুয়ারি, মকর সংক্রান্তির দিন গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে অমৃতস্নান করেছেন প্রায় ৬ কোটি ভক্ত।” তিনি বলেন, “এই ঐক্যের বার্তা মহাকুম্ভ দিয়েছে। এখানে কোনও বৈষম্য ছিল না। যারা সনাতন ধর্মের সমালোচনা করতেন, আমরা বলি, আসুন এটি দেখুন। ধৃতরাষ্ট্র হবেন না, নিজের চোখে এটি দেখুন।”

    মহাকুম্ভের বার্তা

    দিন দুয়েক আগে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “মহাকুম্ভের বার্তা হল একতা ও অখণ্ডতার বার্তা, এবং এটি বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত৷ মহাকুম্ভের অংশীদার সমস্ত সাধু, ভক্ত বা এমনকি পর্যটকরাও যদি ঐক্যের বার্তা এগিয়ে নিয়ে যান, তাহলে সনাতন ধর্মকে শক্তিশালী করা হবে এবং, যদি সনাতন ধর্ম শক্তিশালী হয়, তাহলে আমাদের দেশ শক্তিশালী হবে।”

    গত ১৩ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে শুরু হয় মহাকুম্ভ উপলক্ষে মেলা। মেলা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যে অমৃতস্নানের দিন ৫টি। দুটি স্নান হয়ে গেলেও বাকি রয়েছে তিনটি। এগুলি হল, মৌনী অমাবস্যার স্নান, বসন্ত পঞ্চমীর স্নান এবং মহা শিবরাত্রির স্নান। ইতিমধ্যে প্রয়াগরাজের (Mahakumbh 2025) এই ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান সেরেছেন ১২ কোটিরও বেশি মানুষ। যোগী প্রশাসনের আশা, এবার সব মিলিয়ে কুম্ভস্নান করবেন ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ। এর মধ্যে কেবল দেশের লোকজনই নন, বিদেশ থেকেও দলে দলে আসছেন পর্যটক। কেউ পুণ্য লাভের (Yogi Adityanath) আশায়, কেউবা স্রেফ পর্যটক হিসেবে। মহা মিলনের এই মেলায় যেদিকেই চোখ যায়, শুধুই কালো মাথার সারি। আট থেকে আশি কে নেই ত্রিবেণী সঙ্গমের এই মেলায় (Mahakumbh 2025)!

LinkedIn
Share