Blog

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে বাড়ছে ভারত-বিদ্বেষ, তা সত্ত্বেও বাংলাদেশে চাল পাঠাচ্ছে ভারত

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে বাড়ছে ভারত-বিদ্বেষ, তা সত্ত্বেও বাংলাদেশে চাল পাঠাচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বিরোধী (India) স্লোগানে মুখর হাসিনা-উত্তর বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। দেশের হাল ধরেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। এই সরকারই ভারত থেকে আমদানি করা চালের প্রথম চালান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। হাসিনা-উত্তর বাংলাদেশ ক্রমেই ঝুঁকছে পাকিস্তানের দিকে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল। স্বাধীন হতে সাহায্য করেছিল বাংলাদেশকে। 

    পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ! (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশ যে ক্রমেই পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে, তার অন্যতম বড় প্রমাণ বাংলাদেশ সম্প্রতি করাচি বন্দর থেকে আসা দুটি জাহাজকে স্বাগত জানিয়েছে। চলতি বছরের ১৩ নভেম্বর একটি কন্টেনারবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমবার এমন ঘটনা ঘটল। এই পরিবর্তনের মাঝেও, ভারত বাংলাদেশকে সাহায্য করে চলেছে। জানা গিয়েছে, ‘এমভি তানাইস ড্রিম’ নামের একটি জাহাজ ২৬ ডিসেম্বর চৌদ্দগ্রাম বন্দরে ভিড়তে চলেছে। জাহাজটি ২৪,৬৯০ মেট্রিক টন আতপ চাল নিয়ে যাচ্ছে। উন্মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় এই চাল আমদানি করা হয়েছে। এই চালানটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ঘাটতি পূরণের জন্য পাঠানো হচ্ছে। কেবল এই সাহায্যই নয়, বৈরিতা সত্ত্বেও আরও বেশ কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্কটকালে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত (Bangladesh Crisis)। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অর্থনৈতিক সঙ্কট অথবা রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত। তার পরেও বাংলাদেশে চলছে সংখ্যালঘু নির্যাতন।

    হিন্দুর ঘরে আগুন

    বিশেষত হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হচ্ছে ব্যাপক অত্যাচার। কখনও কোনও হিন্দুর ঘরে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুন, কখনও বা হিন্দু বাড়ির মেয়ে-বউদের তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে মুসলমানরা। ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন বহু হিন্দু তরুণী। ভাঙচুর করা হচ্ছে হিন্দুদের মন্দির। লুটতরাজ চালানো হচ্ছে হিন্দুদের দোকানদানিতে। সে দেশের মুসলমানদের অত্যাচারে পূর্ব পুরুষদের (India) ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে অন্যত্র। সেই ভিটে দখল করে নিচ্ছে অত্যাচারীরা। অভিযোগ, এই সব ঘটনার পেছনেও রয়েছে জমি হাঙরদের হাত (Bangladesh Crisis)। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে ভারত বাংলাদেশকে ১৩০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করে।

    ৫০ হাজার টন চাল 

    এই আর্থিক সহায়তা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য বরাদ্দ করা হয়। যার জেরে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা থাকে অব্যাহত। ২৩ ডিসেম্বর ইউনূস অভ্যন্তরীণ সঙ্কট মোকাবিলায় জরুরি সাহায্যের জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানান। সঙ্গে সঙ্গে ভারত ৫০ হাজার টন চাল পাঠিয়ে দেয়। যার জেরে কঠিন সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারত বাংলাদেশকে ৯.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি স্বল্পসুদী ঋণ অনুমোদন করে। ২০২২ সালের মার্চ মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত চলাকালীন ভারত অপারেশন গঙ্গার মাধ্যমে আঞ্চলিক সংহতির প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে। ৯ মার্চ, ২০২২ তারিখে ভারত সরকার যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে আটকে পড়া নজন বাংলাদেশি নাগরিককে সফলভাবে উদ্ধার করে।

    মুক্তিযুদ্ধ

    করোনা অতিমারীর সময় ভারত বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ সাহায্য করে। ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে আইএনএস সাবিত্রী চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ে গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল অক্সিজেন প্ল্যান্ট সরবরাহ করে। মহামারির সংকটময় পর্যায়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করে। ২০২১ সালের ২৭ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকীতে ভারত বাংলাদেশে পাঠায় ১.২ মিলিয়ন অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন ডোজ। ওই দিনই ভারত বাংলাদেশকে ১০৯টি জীবনদায়ী অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেয়। কেবল এখনই নয়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়, ভারত মুক্তি বাহিনীকে সিদ্ধান্তমূলক সামরিক সহায়তা প্রদান করে, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ভারতের এই হস্তক্ষেপের ফলে ৯৩ হাজারেরও বেশি পাকিস্তানি সেনা আত্মসমর্পণ করে (Bangladesh Crisis)। ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর বিধ্বংসী ঘূর্ণঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেই সময়ও ভারত ১ মিলিয়ন ডলারের ত্রাণ প্যাকেজ দেয়। এর মধ্যে ছিল খাবার, ওষুধ, তাঁবু এবং কম্বল-সহ জরুরি জিনিসপত্র।

    আরও পড়ুন: ঠিকাদারের আত্মহত্যা, কাঠগড়ায় কর্নাটকের মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, কী বলছেন মন্ত্রী?

    এহেন সাহায্যের পরেও ভারত-বিরোধী মনোভাব পোষণ করে চলেছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা। চলছে নিরন্তর হিন্দু নির্যাতন (India)। ২০২৪ সালের ২১শে ডিসেম্বর নাটোর সদর উপজেলার (Bangladesh Crisis) কাশাডাঁপুর শ্মশানঘাটের পাশে ৫৫ বছর বয়সী এক মন্দিরের পুরোহিত তরু কুমার দাসের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুরোহিতকে হত্যা করার আগে হামলাকারীরা মন্দিরের দানবাক্সগুলি লুট করে। তারই আগের দিন ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় তিনটি হিন্দু মন্দিরকে টার্গেট করে দুষ্কৃতীরা। ভাঙচুর করে চারটি মূর্তি। ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে কুষ্টিয়া জেলায় একটি হিন্দু পরিবার প্রাণের ভয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪-এ সুনামগঞ্জে জনৈক আকাশ দাসের ওপর হামলা করে দুষ্কৃতীরা। ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ইস্কনের দুটি মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা (Bangladesh Crisis)। হিন্দুদের ওপর এত অত্যাচার সত্ত্বেও পড়শির প্রতি দায়িত্ব পালনে অটল নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘ব্রিটিশরা সত্যকে ঢেকে ইতিহাসকে বিকৃত করেছিল, ’ নাগপুরে বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘ব্রিটিশরা সত্যকে ঢেকে ইতিহাসকে বিকৃত করেছিল, ’ নাগপুরে বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) প্রধান (RSS Chief) মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বৃহস্পতিবার বলেছেন যে ব্রিটিশরা সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। মানুষের মন মিথ্যা দিয়ে পূর্ণ করেছিল। তিনি আরও বলেন, ব্রিটিশরা তাদের ক্ষমতা এবং আমাদের অজ্ঞতার কারণে মিথ্যা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল।

    ব্রিটিশরা সত্যকে ঢেকে দিয়েছিল! (Mohan Bhagwat)

    নাগপুরে সোমালওয়ার এডুকেশন সোসাইটির ৭০ তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) একুশ শতকে শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছেন আরএসএস প্রধান। তিনি বলেন, “ব্রিটিশরা সত্যকে ঢেকে ইতিহাসকে বিকৃত করেছিল। আমাদের দেশের মানুষের মনকে অনেক মিথ্যা দিয়ে পূর্ণ করেছিল। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় মিথ্যা ছিল যে ভারতের বেশিরভাগ লোক বাইরে থেকে এসেছিল। ভারতকে আর্যরা আক্রমণ করেছিল, তারা দ্রাবিড়দের সঙ্গে লড়াই করেছিল ইত্যাদি। তারা প্রচার করেছিল যে নিজের দ্বারা শাসন করা ভারতীয়দের রক্তের মধ্যে নেই এবং এখানকার লোকেরা ধর্মশালায় থাকা লোকদের মতো জীবনযাপন করে।” তিনি আরও বলেন, “ব্রিটিশ শাসকদের উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয়দের তাদের ইতিহাস, পূর্বপুরুষ এবং গর্বিত ঐতিহ্য ভুলিয়ে দেওয়া। এই উদ্দেশ্য কার্যকরী করতে ব্রিটিশরা তথ্যের আড়ালে আমাদের মাথায় বেশ কিছু অসত্য বসিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ‘‘ডিএমকে পরাস্ত না হওয়া পর্যন্ত জুতো পরব না’’, সংকল্প তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান আন্নামালাইয়ের

    ধর্মের নামে পৃথিবীতে নিপীড়ন-নৃশংসতা চলছে

    এর আগে সোমবার মহানুভব আশ্রমের শতকপূর্তি সমারোহে ভাষণ দিয়ে, আরএসএস প্রধান ভাগবত (Mohan Bhagwat) বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একসঙ্গে কাজ করার এবং তাদের ধর্ম তাদের অনুসারীদের কাছে ব্যাখ্যা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কারণ ধর্ম সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি বিশ্বকে নৃশংসতার দিকে পরিচালিত করে। তিনি বলেছিলেন যে ধর্মের ভুল বোঝাবুঝির কারণে পৃথিবীতে নৃশংসতার ঘটনা ঘটে। ধর্মকে সঠিকভাবে পরিচালনা করে এমন সমাজের প্রয়োজন। ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি সঠিকভাবে শেখানো উচিত। ধর্মকে বুঝতে হবে, সঠিকভাবে না বুঝলে ধর্মের অর্ধেক জ্ঞান ‘অধর্ম’ হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেছিলেন যে ধর্মের অনুপযুক্ত এবং অসম্পূর্ণ জ্ঞানই ‘অধর্ম’-এর দিকে নিয়ে যায়। ধর্মের নামে পৃথিবীতে যত নিপীড়ন ও নৃশংসতা চলছে তা ধর্ম সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abdul Rehman Makki: পাকিস্তানে প্রয়াত ২৬/১১ হামলার অন্যতম চক্রী জঙ্গি আবদুল মাক্কি

    Abdul Rehman Makki: পাকিস্তানে প্রয়াত ২৬/১১ হামলার অন্যতম চক্রী জঙ্গি আবদুল মাক্কি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্রকারী এবং লস্কর-ই-তইবা (LeT)-এর ডেপুটি প্রধান হাফিজ আবদুল রহমান মাক্কি প্রয়াত (Abdul Rehman Makki)। শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, পাকিস্তানে (Pakistan) হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয় তাঁর। গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন মাক্কি। লাহোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

    মাক্কি গ্রেফতার (Abdul Rehman Makki)

    ২০১৯ সালের মে মাসে মাক্কিকে গ্রেফতার করে পাকিস্তান সরকার। লাহোরে গৃহবন্দি করে রাখা হয় তাঁকে। ২০২০ সালে একটি পাকিস্তানি আদালত সন্ত্রাসে অর্থায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে। দেওয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে, মাক্কিকে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বিশ্বব্যাপী জঙ্গি ঘোষণা করে। মাক্কি ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার জন্য অর্থায়নে জড়িত ছিলেন। ওই ঘটনায় ১৬৬ জন নিহত হয়েছিলেন। পাল্টা সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযানে মোট নজন জঙ্গি নিহত হয়। জীবিত অবস্থায় ধরা পড়ে আমির আজমল কাসভ নামে এক জঙ্গি।

    রেড ফোর্ট হামলায় জড়িত

    মুম্বই জঙ্গি হামলা ছাড়াও মাক্কি ভারতে রেড ফোর্ট হামলায় জড়িত ছিল। সে ছিল ওয়ান্টেড জঙ্গি। ২২ ডিসেম্বর, ২০০০-এ ছজন সন্ত্রাসী রেড ফোর্টে আক্রমণ চালিয়েছিল। ২০১৮ সালে, মাক্কির সন্ত্রাসী সংগঠন লস্কর-ই-তইবা প্রবীণ সাংবাদিক ও রাইজিং কাশ্মীর সংবাদপত্রের সম্পাদক-প্রধান সুজাত বুখারি ও তার দুই নিরাপত্তারক্ষীকে হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল (Abdul Rehman Makki)।

    আরও পড়ুন: হত্যা করা হয়েছে সাংবাদিক সেজে থাকা ইসলামিক জেহাদি জঙ্গিদের, দাবি ইজরায়েলের

    মুম্বইয়ে ২৬/১১ হামলার ষড়যন্ত্রী সাজিদ মিরের মৃত্যু হয়েছিল আগেই। বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়েছে হাফিজ আবদুল সালাম ভুট্টভিরও। লস্কর-ই-তইবার প্রথম সারির নেতা ভুট্টভি। মুম্বইয়ে ওই হামলার অন্যতম চক্রী তিনি। পাকিস্তানেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তরফে লস্কর প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদের ঘনিষ্ঠ ওই নেতার মৃত্যু সংগঠনের কাছে বড় ধাক্কা। প্রসঙ্গত, গত এক বছরে পাকিস্তানে মোট ১২ জন ভারত বিরোধী চক্রী হয় খুন হয়েছেন, নয়তো রহস্যজনকভাবে মারা গিয়েছেন। হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ায় ভট্টভির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদ।

    এর আগে মুম্বই হামলার আর এক ষড়যন্ত্রকারী সাজিদ মির পাকিস্তানের ডেরা গাজি খানের সেন্ট্রাল জেলে মারা যান। তদন্তে জানা যায়, কেউ বা কারা (Pakistan) তাঁকে বিষ দিয়েছিলেন (Abdul Rehman Makki)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 28 December 2024: বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 28 December 2024: বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথাবেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ হতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ থেকে সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) রক্তহীনতা বাড়তে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WHO Chief Tedros: ইয়েমেনের সানা এয়ারপোর্টে ইজরায়েলি হামলা, আকাশপথে বোমাবাজি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন হু প্রধান টেড্রস

    WHO Chief Tedros: ইয়েমেনের সানা এয়ারপোর্টে ইজরায়েলি হামলা, আকাশপথে বোমাবাজি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন হু প্রধান টেড্রস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রস (WHO Chief Tedros) আধানম ঘেবরেসাস। বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের (Yemen) সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইজরায়েলেরের পক্ষ থেকে আকাশপথে ব্যাপক বোমাবাজি চালোনো হয়। তাতে এখনও পর্যন্ত অন্তত দু’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। সেই বোমাবাজি থেকেই অল্পের জন্য রক্ষা পান হু প্রধান।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (WHO Chief Tedros)

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মারফত যে খবর সামনে এসেছে, তা হল ওই বিমানবন্দর থেকেই বৃহস্পতিবার বিমান ধরার কথা ছিল ঘেবরেসাসের (WHO Chief Tedros)। তাঁর সঙ্গে হু-এর আরও কয়েকজন আধিকারিক ছিলেন। সেইসঙ্গে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের একাধিক প্রতিনিধিও সেখানে একই কারণে উপস্থিত হয়েছিলেন। এমন একটা সময়ে আচমকা বিমানবন্দর লক্ষ করে বোমাবাজি শুরু হয়। এই হামলার ফলে ঘেবরেসাসদের বিমানের একজন কর্মীও জখম হন বলে জানা গিয়েছে।

    এক্স হ্যান্ডেলে কী লিখলেন হু প্রধান? (WHO Chief Tedros)

    এই ঘটনা নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন হু প্রধান। তিনি (WHO Chief Tedros) লিখেছেন,”‘রাষ্ট্রসঙ্ঘের আটক কর্মীদের মুক্ত করতে এবং সামগ্রিকভাবে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য পরিষেবা ও মানবতা সংক্রান্ত বিষয়গুলি খতিয়ে আমরা যে মিশনে বেরিয়েছিলাম, আজ তা শেষ হল। আমরা আটক ব্যক্তিদের ছাড়াতে কাজ করে যাব। আমরা তাঁদের অবিলম্বে মুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।” এরপরই বৃহস্পতিবারের বোমাবাজির ঘটনা উল্লেখ করেছেন হু প্রধান। তিনি লিখেছেন, “প্রায় দু’ঘণ্টা আগে আমরা যখন সানা বিমানবন্দর থেকে বিমানে ওঠার তোড়জোড় করছিলাম, তখন আকাশপথে বোমাবাজি করা হয়। তাতে আমাদের বিমানের একজন কর্মী আহত হন। রিপোর্ট অনুসারে, বিমানবন্দরে অন্তত দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এই হামলায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার, ডিপার্চার লাউঞ্জ, যেখান থেকে সামান্য দূরত্বেই আমরা অপেক্ষা করছিলাম এবং রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের এই ক্ষতির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এগুলো সারানো দরকার। তবেই আমরা এখান থেকে যেতে পারব। আমার রাষ্ট্রসঙ্ঘের এবং হু-এর সহকর্মীরা এবং আমি সুরক্ষিত রয়েছি। এই হামলার ফলে যাঁরা প্রাণ হারালেন, তাঁদের প্রিয়জনদের প্রতি আমি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।”

    রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছেন

    রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস কড়া ভাষায় এই হামলার নিন্দা করেছেন। তাঁর দাবি, প্রত্যককেই (WHO Chief Tedros) কঠোরভাবে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতে হবে। যা নাগরিক এবং মানবিক বিভিন্ন পরিষেবায় নিযুক্ত কর্মীদের কখনও নিশানা করার অনুমতি দেয় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India’s Telecom Sector: ৬জি পরিষেবা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর জোর দিচ্ছে ভারতের টেলিকম দুনিয়া

    India’s Telecom Sector: ৬জি পরিষেবা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর জোর দিচ্ছে ভারতের টেলিকম দুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনশীল দুনিয়ায় টেলিযোগাযোগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী মোদির অন্যতম উদ্যোগ ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ কর্মসূচি, যা দেশের প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে উৎসাহিত করেছে। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হল দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে ইন্টারনেট এবং টেলিযোগাযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া, যাতে ডিজিটাল পরিষেবার মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা যায়। প্রধানমন্ত্রীর এই ভাবনার সঙ্গে তাল মিলিয়েই এগিয়ে চলেছে ভারতের টেলিকম দুনিয়া। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ৬জি উদ্ভাবনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে টেলিকম সংস্থাগুলি।

    দ্রুত হারে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের প্রসার

    সেলুলার অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (সিওএআই) জানিয়েছে, ভারত বিশ্বে দ্রুততম হারে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক প্রসার করছে। ৫জি প্রযুক্তির সাফল্য এবং ভবিষ্যতের জন্য ৬জি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে দেশ। ভারতের টেলিযোগাযোগ শিল্প আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের স্থান করে নিচ্ছে। ভারতে টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশে স্টার্টআপ সংস্কৃতি বিকাশ পাচ্ছে, যা প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং উন্নতমানের টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানে সহায়ক। ভারতের টেলিযোগাযোগ শিল্প আন্তর্জাতিক স্তরে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত। 

    ৬জি উদ্ভাবনে গুরুত্ব

    ভারতের টেলিকম খাত এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ৬জি উদ্ভাবনে মনোযোগী হয়ে উঠেছে, যেখানে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ১.২ বিলিয়ন। এই খাতটি অসাধারণ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, এবং ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে প্রতিটি ব্যবহারকারীর গড় মাসিক ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ ২১.৩০ জিবি ছাড়িয়ে গিয়েছে। ৫জি বিসিটি সাইটের সংখ্যা ৪৬০,৫৯২টি ছাড়িয়ে গিয়েছে, যার ফলে ৫জি ব্যবহারকারীদের সংখ্যা ১২৫ মিলিয়ন অতিক্রম করেছে, যা ২০২৬ সালের মধ্যে ৩৫০ মিলিয়নে পৌঁছতে পারে।

    আরও পড়ুন: আয়করে ছাড় বাড়তে চলেছে! নতুন বছরের বাজেট নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র?

    ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস (এফডাব্লিউএ), যা ৫জি ব্যবহারের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র, তা দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং এক বছরের মধ্যে প্রায় ৩ মিলিয়ন সংযোগ পৌঁছেছে। ভারতীয় টেলিকম খাত দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে ৪ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান প্রদান করছে, এবং এখন এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ৬জি উদ্ভাবনে মনোনিবেশ করেছে। ভারতের ৫৫ শতাংশ টেলিকম, মিডিয়া এবং টেকনোলজি (টিএমটি) কোম্পানি ইতোমধ্যে এআই পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত করেছে, এবং আরও ৩৭ শতাংশ কোম্পানি এটি সম্প্রসারণের পর্যায়ে রয়েছে, বলে জানিয়েছে কেপিএমজি ইন্ডিয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis 1: অগাস্টেই শুরু হয় জঙ্গলের রাজত্ব, বাংলাদেশজুড়ে চলতে থাকে গণপিটুনিতে হত্যা NO 1 Do not publish

    Bangladesh Crisis 1: অগাস্টেই শুরু হয় জঙ্গলের রাজত্ব, বাংলাদেশজুড়ে চলতে থাকে গণপিটুনিতে হত্যা NO 1 Do not publish

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ প্রথম পর্ব।

     

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ৫ অগাস্ট বিএনপি ও জামাতের ষড়যন্ত্রে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা (Bangladesh Crisis 1)। দখল হয় গণভবন। এরপর থেকেই বাংলাদেশে নেমে আসে অরাজকতা। সে দেশে ইউনূস সরকারের আমলে কার্যত জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয় বাংলাদেশ। বেড়ে যায় গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা। হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক পরেই দুইজন ছাত্রনেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। যাঁদের মধ্যে একজন হলেন তোফাজ্জল হোসেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের কাঠালতোড়ি ইউনিয়নের পাথরঘাটার উপজেলার বরগুনার বাসিন্দা। তোফাজ্জলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের মধ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অন্য আরেকজন হলেন শামিম আহমেদ। যাঁর অপর নাম হচ্ছে শামিম মোল্লা। তাঁকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। জানা গিয়েছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলিগের নেতা ছিলেন শামিম। বিএনপি-জামাতের কাছে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হতেই এমন আক্রমণ নেমে আসে।

    কী বলছে সেদেশের সংবাদমাধ্যমগুলির রিপোর্ট?

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলিও সরব হয় গণপিটুনির ঘটনায়। একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট সামনে আসে। বাংলাদেশের (Targeting Minority) জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই ৩৬টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটে। যার মধ্যে ২৮ জনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অপর এক সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টার তাদের রিপোর্টে জানাচ্ছে যে হাসিনা সরকারের পতনের পর ৫৩টি ঘটনা ঘটেছে গণপিটুনির, যার মধ্যে ৪৪টিতেই মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে অপর এক সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, অগাস্টের ৫ তারিখ থেকে সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখ পর্যন্ত ৪৪টি গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২১টি সংঘটিত হয়েছে অগাস্ট মাসে। বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছে সেপ্টেম্বর মাসেই গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনার সংখ্যা ২০। অক্টোবর মাসে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬।

    জেলায়-জেলায় পরিসংখ্যান (Bangladesh Crisis 1)

    বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদসংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজধানী ঢাকাতে হাসিনা সরকারের পতনের ৩৮ দিনের মাথায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে গণপিটুনিতে।

    দিনাজপুর জেলায় তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে অগাস্ট মাসের ১১ তারিখ। অন্যদিকে সেপ্টেম্বর মাসের ১৫ তারিখেও ওই জেলায় তিনজন গণপিটুনিতে মারা যান।

    বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় ৩১ অগাস্ট একজনকে ও ১৮ সেপ্টেম্বর অন্য একজনের মৃত্যু হয় গণপিটুনিতে।

    রাজশাহী জেলাতে প্রাক্তন ছাত্রলিগের নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ৭ সেপ্টেম্বর।

    চট্টগ্রামে একজন স্থানীয় বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলাতে একজন বয়স্ক মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় সেপ্টেম্বর মাসে।

    বাংলাদেশের খুলনাতে ৪০ বছর বয়স্ক একজন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ৪ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের ঝালকাঠিতে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১৬ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলাতে একজন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ১২ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশের গাজীপুর ও বরিশালে দুজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। একজনকে হত্যা করার অগাস্টে, অপরজনকে সেপ্টেম্বরে।

    বাংলাদেশের নাটোরে ৩৬ বছর বয়সি একজন পুরুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ২ অগাস্ট।

    বাংলাদেশের টাঙ্গাইল ও খাগড়াছাড়িতেও গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা সামনে আসে। একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ৫ সেপ্টেম্বর অন্যদিকে অপরজনকে খাগড়াছাড়িতে হত্যা করা হয় ১৮ সেপ্টেম্বর।

    গণপিটুনির কারণ কী কী? (Bangladesh Crisis 1)

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এই ধরনের গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনার একাধিক কারণ রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলি নিচে আলোচনা করা হল-

    রাজনৈতিক কারণ

    প্রসঙ্গত, ৫ অগাস্ট বিএনপি-জামাতের ষড়যন্ত্রে হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পরেই আওয়ামি লিগের সঙ্গে কর্মী-সমর্থকদের ওপর ব্যাপক সন্ত্রাস নেমে আসে। বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদেরকে টার্গেট করতে থাকে বাংলাদেশের মৌলবাদী তথা বিএনপি-জামাতের নেতৃত্ব।

    আইন-শৃঙ্খলার অবনতি

    জামাত-বিএনপি নেতৃত্বে বাংলাদেশের মসনদ দখল হওয়া মাত্রই সে দেশে জঙ্গলের রাজত্ব শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি নজরে আসতে থাকে। সে দেশে প্রশাসন বলে আর কিছুই বাকি ছিল না, যখন হাসিনা সরকারকে পদচ্যুত করা হয়। এই অবস্থায় সুযোগ নিতে শুরু করে বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠন ও বিএনপি জামাতের মতো রাজনৈতিক দলগুলি।

    গুজব (Bangladesh Crisis 1)

    গুজব একটা বড়সড় কারণ গণপিটুনিতে হত্যার। হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সমাজমাধ্যমে ব্যাপক গুজব ছড়ানো হয় এবং এতেই বাড়তে থাকে বাংলাদেশে হিংসা এবং গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Australia: মেলবোর্নও মাতাতে পারল না ভারতীয় ব্যাটাররা, ব্যাতিক্রম যশস্বী

    India vs Australia: মেলবোর্নও মাতাতে পারল না ভারতীয় ব্যাটাররা, ব্যাতিক্রম যশস্বী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পথ ক্রমশ কঠিন করে তুলছে ভারত। অ্যাডিলেড, ব্রিসবেনের পর মেলবোর্নেও (Melbourne Test) সেভাবে পারফর্ম করতে পারল না ভারতীয় দলের টপ অর্ডার। দ্বিতীয় দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার ৪৭৪ রানের জবাবে ভারতের স্কোর ১৬৪ রানে ৫ উইকেট। এখনও ভারত (India vs Australia) পিছিয়ে ৩১০ রানে। তৃতীয় দিনে ভারতের প্রথম টার্গেট হলো ফলোঅন সেভ করা।

    অনবদ্য অস্ট্রেলিয়া

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা পাকা করতে শেষ দুটি টেস্টে জিততেই হবে ভারতীয় দলকে। কিন্তু, বক্সিং ডে টেস্টে সেই সম্ভাবনা খুবই কম। প্রথম দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ছিল ৩১১ রানে ৬ উইকেট। সেখান থেকে দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়া ৪৭৪ রানে পৌছে যায়। সৌজন্যে স্টিভ স্মিথের অনবদ্য শতরান ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের লড়াকু ৪৯ রানের ইনিংস। বোলিংয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন জসপ্রীত বুমরাহ। এছাড়া রবীন্দ্র জাদেজা ৩টি, আকাশ দীপ ২টি ও ওয়াশিংটন সুন্দর একটি উইকেট শিকার করেন।

    ব্যার্থ ভারতীয় ব্যাটাররা

    রান তাড়া করতে নেমে ধাক্কা খায় ভারত। মেলবোর্নে মিডল অর্ডার থেকে উঠে ওপেনিংয়ে ফেরেন রোহিত শর্মা। কিন্তু তিনি ফের ব্যর্থ হন। ৩ রান করে আউট হন ভারত অধিনায়ক। এরপর যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুল দলকে টানার চেষ্টা করলেও তা বেশিক্ষণ পারেননি। ২৪ রান করে আউট হন কেএল রাহুল। এরপর বিরাট কোহলি ও যশস্বী জয়সওয়ালের পার্টনারশিপ ভারতীয় দলকে ম্যাচে ফেরায়। যশস্বী অর্ধশতরান পূরণ করেন। অন্যদিকে বিরাটও ক্রমশ জমাট হয়ে রান করতে থাকেন। দুই জনে ১০০ রানের পার্টনারশিপও তৈরি করেন। যশস্বী ক্রমেই শতরানের দিকে এগিয়ে চলছিলেন, ঠিক তখনই ঘটল বিরাট ছন্দ পতন। বিরাট কোহলির সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হলেন যশস্বী। যশস্বীর আউকে বিরাট ভুল বললেও কম বলা হবে। ভারতীয় ওপেনার শট মেরে রান নিতে দৌড়ান। কিন্ত কোহলি দৌড় শুরু করে থেমে যান। কিন্ত দ্রুতবেগে তখন উইকেটের অন্য প্রান্ত চলে গিয়েছেন। কামিন্স বল নিয়ে উইকেটরক্ষককে থ্রো করলেই সহজেই যশস্বীকে আউট করে দেন ক্যারি। ফলে ১১৮ বলে ৮২ রানে আউট হলেন তরুণ ওপেনার। তাঁর ইনিংসে ছিল ১১টি চার এবং একটি ছক্কা।

    যশস্বী আউট হতে নামানো হয় নাইট ওয়াচম্যান আকাশ দীপকে। তাঁর দায়িত্ব ছিল দিনের বাকি সময় টুকু ক্রিজে টিকে থাকা। কিন্তু আকাশের আগেই আউট হলেন কোহলি। ৩৬ রান করে বোল্যান্ডের বলে আউট হলেন কোহলি। সেই বাইরের বলেই আউট হলেন কোহলি। এরপরই ভারতীয় শিবিরে শুরু হয়ে যায় উদ্বেগ। গাব্বায় ব্যাট হাতে ফলো-অন বাঁচালেও মেলবোর্নে ব্যর্থ হলেন আকাশ। ১৩ বলে ০ রান করে বোল্যান্ডের বলেই আউট হলেন আকাশ। ২য় দিনের শেষে ক্রিজে আছেন জাদেজা(৪) এবং পন্থ(৬)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Karnataka: ঠিকাদারের আত্মহত্যা, কাঠগড়ায় কর্নাটকের মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, কী বলছেন মন্ত্রী?

    Karnataka: ঠিকাদারের আত্মহত্যা, কাঠগড়ায় কর্নাটকের মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, কী বলছেন মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মহত্যা করেছেন বছর ছাব্বিশের এক ঠিকাদার। তিনি কর্নাটকের (Karnataka) মন্ত্রী প্রিয়ঙ্ক খাড়্গের (Priyank Kharge) ঘনিষ্ট সহযোগী রাজু কাপনুরের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ করেছেন। সচিন নামের ওই ঠিকাদারের দেহ উদ্ধার হয় বিডার জেলার ভল্কি তালুকের কট্টিটুঙ্গাঁও গ্রামে রেললাইনের ওপর থেকে।

    উদ্ধার সুইসাইড নোট

    মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার হয় সাত পাতার একটি সুইসাইড নোটও। ওই নোটে তিনি রাজুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। ঘটনার জেরে তোলপাড় কর্নাটকের রাজনৈতিক মহল। সুইসাইড নোটে সচিন জানিয়েছেন, রাজু যখন কালাবুরাগি পুরসভার কর্পোরেটর ছিলেন, তখন তাঁকে একটি টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৫ লাখ টাকারও বেশি প্রতারণা করেছেন। টেন্ডার কিংবা টাকা কোনওটাই তাঁকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। আরও এক কোটি টাকা না দিলে রাজুর ক্ষতি করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সুইসাইড নোট প্রকাশ্যে আসায় কর্নাটকের ঠিকাদারদের দুরাবস্থার একটি অন্ধকার অধ্যায় উন্মোচিত হল বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। সচিনের দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেহ। ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন ওই ঠিকাদারের পরিবার। সুইসাইড নোটে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে সচিনের পরিবারের তরফে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের নেতারা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন, করলেন স্মৃতিচারণও

    বিপাকে মন্ত্রী

    ঘনিষ্ট সহযোগীর (Karnataka) নাম জড়ানোয় বিপাকে পড়েছেন কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী প্রিয়ঙ্ক। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সবে মাত্র জানতে পেরেছি। এটি কংগ্রেস দল বা আমার ঘনিষ্ঠ সহযোগীর সঙ্গে সম্পর্কিত হোক না কেন, আমি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চাইছি। সত্য উদ্ঘাটনে তদন্ত করা হবে। ধামাচাপা দেওয়া হবে না।” সচিনের তোলা অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন প্রিয়ঙ্ক। মন্ত্রীর কথায় অবশ্য আশ্বস্ত হতে পারছেন না সে রাজ্যের মানবাধিকার কর্মী ও বিরোধী নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, যথেষ্ট রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি ও নিরপেক্ষ তদন্ত (Priyank Kharge) ছাড়া দুর্নীতি ও ঠিকাদারদের আত্মহত্যার এই চক্র অব্যাহত থাকতে পারে (Karnataka)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী বলেন, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার ঠিকাদারদের জীবিকার সঙ্গে খেলা করছে। আমাদের রাজ্যের সামনে থাকা বহু সমস্যার সমাধান করার বদলে, কংগ্রেস সরকার অব্যাহতভাবে অরাজকতা সৃষ্টি করছে এবং দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: ‘‘দেশের প্রতি তাঁর অবদান আজীবন মনে থাকবে’’, মনমোহন সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানাল আরএসএস

    RSS: ‘‘দেশের প্রতি তাঁর অবদান আজীবন মনে থাকবে’’, মনমোহন সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানাল আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। ৭ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Manmohan Singh)। তাঁর প্রয়াণে শোকাতুর গোটা দেশ। এই আবহে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীকে শেষ শ্রদ্ধার্ঘ জানাল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)।

    মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণে গোটা দেশ শোকাহত 

    এ দিন আরএসএসের (RSS) তরফে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে বলা হয়, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা প্রবীণ নেতা ডঃ সর্দার মনমোহন সিংয়ের (Manmohan Singh) প্রয়াণে গোটা দেশ শোকাহত। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ তাঁর পরিবার ও অগুনতি অনুরাগীদের সমবেদনা জানাচ্ছে।” আরএসএসের তরফে আরও বলা হয়, “সাধারণ ঘর থেকে উঠে এসেও তিনি দেশের সর্বোচ্চ পদে পৌঁছেছিলেন। দেশের প্রতি তাঁর অবদান আজীবন মনে রাখা হবে। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।”

    নিজের বাড়িতেই সংজ্ঞাহীন হয়ে যান তিনি

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান আরএসএসের সর সঙ্ঘচালক ডঃ মোহন ভাগবত ও দত্তাত্রেয় হোসাবলে। প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন মনমোহন সিং। নিজের বাড়িতেই সংজ্ঞাহীন হয়ে যান তিনি। এমন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি দিল্লির এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সবরকমের চেষ্টা করা হলেও, শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন চিকিৎসকরা। রাত ৯টা ৫১ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং (Manmohan Singh)।

     

    আরও পড়ুন: বিশ্বের নেতারা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন, করলেন স্মৃতিচারণও

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share