Blog

  • PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    PM Modi: মোদি-যোগীর হাতে উদ্বোধন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, বিমান চলাচলে নয়া দিগন্তের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়নে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল দেশ। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের হাতে উদ্বোধন হল ‘নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ (Noida International Airport) বা জেওয়ার বিমানবন্দরের। এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ নয়, বরং গোটা ভারতের বিমান চলাচল ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে এক আমূল পরিবর্তন আনতে চলেছে।

    এশিয়ার বৃহত্তম বিমানবন্দর (PM Modi)

    জেওয়ারে নির্মিত এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) সম্পন্ন হওয়ার পর এটি ভারতের তো বটেই, এমনকি এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বিমানবন্দর হতে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ এই বিমানবন্দরটি উত্তর ভারতের ‘লজিস্টিক গেটওয়ে’ হিসেবে কাজ করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “জেওয়ার বিমানবন্দর কেবল যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি উত্তর ভারতের উন্নয়নের নতুন ইঞ্জিন হয়ে উঠবে।”

    উত্তরপ্রদেশের রূপান্তর ও যোগী মডেল

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ যে ‘উত্তম প্রদেশ’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে, এই প্রকল্প তারই এক বড় প্রমাণ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “এই বিমানবন্দরটি (Noida International Airport) আগামী দিনে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের শিল্পায়নে জোয়ার আনবে।” তিনি একে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) ‘গতি শক্তি’ প্রকল্পের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

    ভারতের বিমান চলাচলের ভবিষ্যৎ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, জেওয়ার বিমানবন্দর (Noida International Airport) দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চাপ অনেকটাই কমিয়ে দেবে। এটি দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের মানুষের জন্য দ্বিতীয় একটি বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এছাড়া আর যে সব সুবিধা মিলবে, সেগুলি হল, কানেক্টিভিটি: জেওয়ার বিমানবন্দর সরাসরি যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে এবং দিল্লি-বারাণসী হাই স্পিড রেলের (বুলেট ট্রেন) সঙ্গে যুক্ত হবে।

    অর্থনৈতিক প্রভাব: বিমানবন্দরের (Noida International Airport) আশপাশে ফিল্ম সিটি, মেডিকেল ডিভাইস পার্ক এবং ডেটা সেন্টার তৈরির কাজ চলছে, যা এই অঞ্চলকে একটি বিশ্বমানের অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করবে।

    নেট জিরো এমিসন: এই বিমানবন্দরটি পরিবেশবান্ধব উপায়ে তৈরি করা হয়েছে এবং এটি ভারতের প্রথম ‘নেট জিরো’ কার্বন নির্গমনকারী বিমানবন্দর হওয়ার পথে।

    বিরোধীদের তোপ ও উন্নয়নের জবাব

    উত্তরপ্রদেশে বিগতদিনের কংরেস-সপা-বসপা সরকারের সমালোচনা করে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, জেওয়ার প্রকল্পের পরিকল্পনা বহু দশক আগে হলেও ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগীর ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলেই এই স্বপ্ন সত্যি হল।

  • RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    RSS: ধর্মশালায় ধর্ম সম্মেলনে যোগ আরএসএস কর্তা এবং তিব্বতি ধর্মীয় নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS)-এর শতবর্ষ পূর্তি এবং দলাই লামার ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে ধর্মশালায় আয়োজিত ‘ধর্ম সম্মেলন’-এ অংশ নিলেন আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। রবিবারের এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিব্বতি আধ্যাত্মিক গুরু সপ্তম লিং রিনপোচে।

    সম্মেলনের মূল বক্তব্য (Dattatreya Hosabale)

    ধর্মশালা সফরের প্রথম দিনেই দত্তাত্রেয় হোসাবলে দলাই লামার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর তিনি তিব্বতি পার্লামেন্ট পরিদর্শন করেন এবং সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। কোতওয়ালি বাজারের কমিউনিটি হলে ‘দেবভূমি মৈত্রী সংঘ’ আয়োজিত ধর্ম সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “গৌতম বুদ্ধ শিখিয়েছিলেন এষ ধর্মঃ সনাতনঃ (Eshah Dharmah Sanatanah)। এর অর্থ হল, সনাতন ধর্মের শেকড় প্রকৃতির গভীরে প্রোথিত এবং মানবসেবাই প্রকৃত ধর্ম। করুণা, তপস্যা এবং আত্মত্যাগই হল ধর্মের পথ।”

    হোসবলে জানান, ইতিহাসজুড়ে মহান ব্যক্তিরা ধর্ম রক্ষা ও প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি গুরু তেগ বাহাদুরের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং জানিয়ে দেন, বর্তমানে দলাই লামাই বিশ্বজুড়ে শান্তির সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

    সপ্তম লিং রিনপোচের প্রশংসা

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি লিং রিনপোচে দেশ ও বিশ্বজুড়ে একতা, সম্প্রীতি এবং সদিচ্ছা প্রচারের জন্য আরএসএস-এর (RSS) কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষা, অহিংসা এবং বিশ্ব শান্তির জন্য প্রত্যেকের কাজ করা প্রয়োজন। ভারত বিশ্বকে সঠিক পথ দেখিয়ে এই লক্ষ্যে নেতৃত্ব দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।”

    অংশগ্রহণকারী

    এই সম্মেলনে কিন্নর, লাহুল, স্পিতি এবং কাংড়া জেলা-সহ বিভিন্ন অঞ্চলের শত শত বৌদ্ধ সাধু সন্ত এবং  অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রান্তের সংঘচালক বীর সিং রাংরা, ক্ষেত্র কার্যবাহ রোশন যাদব, ক্ষেত্র প্রচারক যতীন এবং কিসমত কুমার প্রমুখ।

  • Donald Trump: ইরান যুদ্ধ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে উত্তাল বিশ্ব, আমেরিকা-ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ

    Donald Trump: ইরান যুদ্ধ ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে উত্তাল বিশ্ব, আমেরিকা-ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) কট্টরপন্থী নীতি এবং ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন লাখ লাখ মানুষ। শনিবার আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ‘নো কিংস’ (No Kings) ব্যানারে বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসন গণতান্ত্রিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে স্বৈরাচারী মনোভাব প্রদর্শন করছে। আমেরিকার ৫০টি রাজ্যেই ৩,১০০টিরও বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    বিক্ষোভের মূল কারণ (Donald Trump)

    সূত্রের খবর, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান (Iran War) এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে এই জনরোষ তৈরি হয়েছে। ব্রুস স্প্রিংস্টিন “স্ট্রিটস অফ মিনিয়াপোলিস” গানকে বিক্ষোভের ভাষা হিসেবে ব্যবহার করেন। নিউ ইয়র্ক থেকে শুরু করে আইডাহোর ছোট শহর ড্রিস— সর্বত্রই মানুষ প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভে অংশ নেন। ওয়াশিংটন, বোস্টন, আটলান্টা, শিকাগো এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো প্রধান শহরগুলিতেও মিছিল হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা পোস্টারে ‘গণতন্ত্র রক্ষা করো’ এবং ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করো’র মতো স্লোগান লেখা দেখা যায়।

    ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া

    বিক্ষোভের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো-তে সময় কাটাচ্ছিলেন। বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এআই (AI) দ্বারা তৈরি কিছু ভিডিও পোস্ট করেন, যেখানে তাঁকে রাজমুকুট পরিহিত অবস্থায় দেখা গিয়েছে। ট্রাম্প অবশ্য বলেন, আমি কোনও ‘রাজা’ নই, তবুও এই ভিডিওগুলো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী ডেমোক্র্যাট নেত্রী ন্যান্সি পেলোসি এবং অন্যরা এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন এগুলিকে “বামপন্থী অর্থায়নকারী নেটওয়ার্কের” ফসল বলে সমালোচনা করেছেন। এর প্রতি প্রকৃত জনসমর্থন খুবই কম। তিনি আরও বলেন, “ট্রাম্প (Donald Trump) ডিরেঞ্জমেন্ট থেরাপি সেশনগুলি নিয়েই শুধু মাথা ঘামায়। এই কাজের জন্য প্রচুর পরিমাণে অর্থ খরচ করা হয়।

    আন্তর্জাতিক প্রভাব

    কেবল আমেরিকাই নয়, ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও এই প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছে। ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডেও ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের (Iran War) সঙ্গে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ফের ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প (Donald Trump)  প্রশাসনের বিরুদ্ধে এটিই সবচেয়ে বড় জনবিক্ষোভ বলে মনে করা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা যুদ্ধের অবসান চান। চান সংবিধানে বর্ণিত জনগণের অধিকারের সুরক্ষা।

  • Daily Horoscope 29 March 2026: কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 29 March 2026: কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব আসতে পারে।
    ২) পুরনো সমস্যার সমাধান মিলবে।
    ৩) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

    বৃষ
    ১) আর্থিক দিক কিছুটা উন্নতি হতে পারে।
    ২) পরিবারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি কাটবে।
    ৩) নতুন পরিকল্পনায় সাফল্যের ইঙ্গিত।

    মিথুন
    ১) কাজে মনোযোগ বাড়বে।
    ২) কাছের মানুষের কাছ থেকে ভালো খবর পেতে পারেন।
    ৩) ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।

    কর্কট
    ১) নতুন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।
    ২) মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ৩) পরিবারের সমর্থন পাবেন।

    সিংহ
    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পেতে পারেন।
    ২) আর্থিক দিক স্থিতিশীল থাকবে।
    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হবে।

    কন্যা
    ১) গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
    ২) নিজের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পাবেন।
    ৩) সময়কে কাজে লাগান।

    তুলা
    ১) সামাজিক সম্মান বৃদ্ধি পাবে।
    ২) নতুন যোগাযোগ লাভজনক হতে পারে।
    ৩) মন ভালো থাকবে।

    বৃশ্চিক
    ১) কাজে সাফল্যের সম্ভাবনা।
    ২) পরিবারে সুখের পরিবেশ বজায় থাকবে।
    ৩) স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালো থাকবে।

    ধনু
    ১) নতুন সুযোগ আসতে পারে।
    ২) আর্থিক লাভের সম্ভাবনা।
    ৩) আত্মবিশ্বাস বজায় রাখুন।

    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ।
    ২) দায়িত্ব বাড়তে পারে।
    ৩) ধৈর্য ধরে এগোলে সাফল্য আসবে।

    কুম্ভ
    ১) সৃজনশীল কাজে সাফল্য পাবেন।
    ২) নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে পারে।
    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সময় কাটবে।

    মীন
    ১) মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
    ৩) পরিবারে সুখবর আসতে পারে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Jimmy wales: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উইকিপিডিয়া, জানুন আসল কারণ

    Jimmy wales: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উইকিপিডিয়া, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উইকিপিডিয়া। দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ভারতবিরোধী ও হিন্দুবিরোধী সম্পাদকরা পক্ষপাতদুষ্ট তথ্য ছড়িয়ে দিতে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করেন। এই বিতর্কের মূল কারণ সম্পাদকদের পক্ষপাতিত্ব (Jimmy wales)। ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ধুরন্ধর  (Dhurandhar)এবং তার আরও সফল ২০২৬ সালের সিক্যুয়েল ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জের উইকিপিডিয়া পাতায় সম্পাদনা-যুদ্ধ চলাকালীন, উইকিপিডিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস স্বয়ং হস্তক্ষেপ করেন।

    “কৌটিল্য ৩” (Jimmy wales)

    তিনি “কৌটিল্য ৩” নামে এক সম্পাদকের সেই প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেন, যেখানে সিনেমাটিকে প্রবন্ধের শুরুতেই “প্রোপাগান্ডামূলক চলচ্চিত্র” (propaganda film) হিসেবে উল্লেখ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। ওয়েলস বলেন, “এই সিনেমাটি সত্যিই প্রচারমূলক কি না তা বিচার করার বিষয় নয়, বরং উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষ  দৃষ্টিভঙ্গি নীতিকে রক্ষা করার বিষয়। তিনি লেখেন, “…এটি বলা যে ছবিটির অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই, এটি আপনার বিশ্লেষণ। উইকিপিডিয়ান হিসেবে আমাদের বিশ্লেষণ এনপিওভিয়ের ওপর প্রাধান্য পেতে পারে না। কোনও অবমাননাকর লেবেল ব্যবহার করতে (Dhurandhar) হলে উৎস ও সম্পাদকদের মধ্যে প্রায় সর্বসম্মত ঐকমত্য প্রয়োজন…”

    উইকিপিডিয়ার সীমাবদ্ধতা

    তিনি আরও বলেন, “উইকিপিডিয়া কোনও বিতর্কে পক্ষ নিতে পারে না, বিশেষত সেখানে, যেখানে নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলির মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। গুরুতরভাবে বিতর্কিত বিষয়কে সত্য হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়… নিরপেক্ষ ভাষা ব্যবহার করতে হবে (Jimmy wales)।” ওয়েলসের হস্তক্ষেপের পর আর্টিকেলটি সাময়িকভাবে লক করা হয় এবং “প্রচারমূলক চলচ্চিত্র” ট্যাগ সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে সমালোচনামূলক অংশে এই মতামত এখনও রয়ে গিয়েছে। ২০২৫ সালে ধুরন্ধর  মুক্তির পর থেকেই ভারতীয় ইসলামপন্থী-বামপন্থী গোষ্ঠী এবং পাকিস্তানি মহল সিনেমাটিকে “প্রচারমূলক” হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে। সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউবার এবং কিছু সাংবাদিকও এতে অংশ নেন। এই প্রচেষ্টার অন্যতম মুখ ছিলেন উইকিপিডিয়ার সম্পাদক “কৌটিল্য ৩”, যিনি আমেরিকা-ভিত্তিক এবং ২০২৪ সালে মণিপুরে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে মামলায় জড়ান। অন্য সম্পাদকরা তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট উৎস ব্যবহার, একপেশে বর্ণনা এবং তথ্য বিকৃতির অভিযোগ তোলেন।

    তথাকথিত “নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি

    সংবাদ মাধ্যমের তদন্তে উঠে এসেছে, উইকিপিডিয়ার তথাকথিত “নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি” আসলে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নয়। কারণ, “বিশ্বস্ত উৎস” তালিকাই পক্ষপাতদুষ্ট, ডানপন্থী বা অ-বামপন্থী উৎসগুলিকে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়, বামঘেঁষা মিডিয়াকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, আল জাজিরা, বিবিসি — গ্রহণযোগ্য, দূরদর্শন — নয়, ওপিইন্ডিয়া, স্বরাজ্য – নিষিদ্ধ, দ্য ওয়ার, স্ক্রল – গ্রহণযোগ্য। উইকিপিডিয়ায় “জয় শ্রী রাম” মন্ত্রটিকেও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রটিকে সাম্প্রদায়িক হিংসার স্লোগান হিসেবে দেখানো হয়েছে (Dhurandhar)। এ বিষয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা হলে, কৌটিল্য ৩ সেই অংশটি সরিয়ে দেন। ২০০২ সালের গোধরা হত্যাকাণ্ডে ৫৯ জন হিন্দুকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়। আদালত বেশ কয়েকজনকে দোষী সাব্যস্ত করলেও, উইকিপিডিয়ায় এখনও লেখা রয়েছে “কারণ বিতর্কিত”। এটি বাস্তবের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সমালোচনা করা হয়েছে।

    নিরপেক্ষতার প্রশ্ন

    ওপিইন্ডিয়ার গবেষণা অনুযায়ী, মাত্র ৪৩৫ জন প্রশাসক বিশ্বজুড়ে নিয়ন্ত্রণ করেন। তাঁরা সম্পাদক ব্যান, উৎস ব্ল্যাকলিস্ট এবং নিবন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, এটি প্রকৃতপক্ষে “ওপেন প্ল্যাটফর্ম” নয় (Jimmy wales)। উইকিপিডিয়া নিজেকে নিরপেক্ষ জ্ঞানভান্ডার হিসেবে দাবি করলেও, বাস্তবে সেখানে সম্পাদকদের ব্যক্তিগত মতাদর্শের প্রভাব স্পষ্ট। জিমি ওয়েলস নিজেই বলেছেন, “চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত আমার হাতে।” তাই প্রশ্ন উঠছে, উইকিপিডিয়া কি সত্যিই নিরপেক্ষ মাধ্যম, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট প্রকাশক, (Jimmy wales)?

     

  • Bangladesh India Relation: শেষমেশ ঢোক গিলল বাংলাদেশ, তুলে নিল আইপিএল সম্প্রচারের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা

    Bangladesh India Relation: শেষমেশ ঢোক গিলল বাংলাদেশ, তুলে নিল আইপিএল সম্প্রচারের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শুরুতেই আসন্ন মরশুমের জন্য আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। শনিবার সেই সার্বিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার (IPL 2026)। শনিবার (Bangladesh India Relation) সাংবাদিক সম্মেলনে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহিরউদ্দিন স্বপন।

    বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত (Bangladesh India Relation)

    এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এর আগে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক ও ক্রিকেট সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছিল। ২০২৬ সালের আইপিএল শুরু হওয়ার প্রাক্কালে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে আবারও সম্প্রচারকারী সংস্থা এবং দর্শকরা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় টি২০ লিগ উপভোগ করতে পারবেন। বাংলাদেশ আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধ করেছিল পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে লিগ থেকে বাদ দেওয়ার পর। মুস্তাফিজুরকে কলকাতা নাইট রাইডার্স ৯.২০ কোটি টাকায় কিনেছিল। কিন্তু বিসিসিআইয়ের নির্দেশে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাঁকে ছেড়ে দেয়। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

    টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে মুস্তাফিজুরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর পরেই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যের সংবেদনশীল পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয় (Bangladesh India Relation)। এই ঘটনার পর বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপ থেকেও সরে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেট মহলে ব্যাপক সমালোচিত হয়।  অনেকেই মনে করেন এটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেয়ে বেশিই ক্ষতি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের (IPL 2026)।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

    তবে সম্প্রতি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। উভয় দেশের নেতাদের মধ্যে সৌজন্য বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। এই নরম অবস্থান ক্রীড়াক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হয়েছে, এবং আইপিএল সম্প্রচার ফের চালুর সিদ্ধান্তকে সেই পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও স্বীকার করেছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি ক্ষতিকর ছিল। এখন তারা ক্রিকেট ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী। বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সিদ্ধান্ত যৌক্তিক। বাংলাদেশে আইপিএলের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং সম্প্রচারকারীরা অতীতে উচ্চ দর্শকসংখ্যা পেয়েছে। সম্প্রচার বন্ধ থাকায় দর্শকদের পাশাপাশি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ও বিজ্ঞাপনদাতাদেরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে (Bangladesh India Relation)।

    কী বলছেন মন্ত্রী

    জহিরউদ্দিন স্বপন বলেন, “আমাদের কাছে আইপিএল সম্প্রচারের জন্য কেউ আবেদন করেনি। আমরা খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি মেশাতে চাই না। আমরা এটিকে বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করব এবং যদি কোনও চ্যানেল আবেদন করে, আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখব (IPL 2026)।” তিনি এও বলেন, “আমরা কাউকে সম্প্রচার থেকে বিরত রাখব না। যদি স্টার স্পোর্টস সম্প্রচার করতে চায়, তারা করতে পারবে। আমাদের দেশের কোনও চ্যানেল করতে চাইলে আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখব, তবে কাউকে বাধ্য করা হবে না।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশি মন্ত্রীর এহেন বক্তব্য সরকারের বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে অন্তত নীতিগতভাবে খেলাধুলোকে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা থেকে আলাদা রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে (Bangladesh India Relation)।

     

  • US Iran Conflicts: রণাঙ্গন মধ্যপ্রাচ্য! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ, কী ভাবছে আমেরিকা? কতটা প্রভাব বিশ্বে?

    US Iran Conflicts: রণাঙ্গন মধ্যপ্রাচ্য! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ, কী ভাবছে আমেরিকা? কতটা প্রভাব বিশ্বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের (US Iran Conflicts) একমাস পার। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে (Iran‑Israel War) গোটা মধ্যপ্রাচ্য রণাঙ্গন হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের জেরে বিশ্বের ‘তৈলধমনী’ হরমুজ প্রণালী বন্ধ, আকাশসীমা বন্ধের প্রভাব গড়িয়েছে বহু দূর। পরিবেশই বদলে গিয়েছে। আতঙ্কিত যুদ্ধ কবলিত দেশের মানুষজন। যেসব দেশের যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব নেই, তাঁরা আশঙ্কায়। গত ২৮ মার্চ আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথ হামলায় তেহরানে প্রথম ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই-সহ শীর্ষ একাধিক নেতৃত্ব নিহত হন। এই হামলার আসল উদ্দেশ্য ছিল, ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো। ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে একটি পশ্চিমপন্থী সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এই হামলার পরিকল্পনা চলছিল গত কয়েক মাস ধরেই। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই আমেরিকা ও ইজরায়েল বুঝতে পারে যে, তারা এমন এক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছে, যারা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ধারণার চেয়েও অনেক বেশি সহনশীল ও বিধ্বংসী।

    যুদ্ধের শুরু ও বিস্তার

    ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে ওয়াশিংটন ও তেল আভিভ যৌথভাবে তেহরান, মিনাবসহ একাধিক শহরে বিমান হামলা শুরু করে। হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই এবং সামরিক ও গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তবে এত বড় আঘাতের পরও তেহরান নতিস্বীকার করেনি। প্রতিশোধে ইরান ইজরায়েল ছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলো—কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও জর্ডান—এর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। আবুধাবিতে ভূপাতিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে দুজন নিহত হন, আর কুয়েতের শুওয়াইক বন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটে। টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র, বাঙ্কার-বাস্টার এবং আরও নানা ধরণের মারণাস্ত্রের অবিরাম আঘাতে জর্জরিত হওয়া সত্ত্বেও, ইরান স্বল্পমূল্যের অসংখ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে উপসাগরীয় দেশগুলোকে নাজেহাল করে চলেছে এবং হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।

    হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি

    সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২টিরও বেশি দেশে প্রায় ৪,৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ইরানেই মারা গিয়েছেন প্রায় ১,৯০০ জন। লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ইরানের দুটি বড় ইস্পাত কারখানা ধ্বংস হয়েছে এবং পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ-কে ঘিরে ইজরায়েলের সঙ্গে লেবাননে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ১,১০০-র বেশি মানুষ নিহত এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া। আমেরিকা-ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থার মতে, ইরানে এ পর্যন্ত ৩,৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ১,৪০০ জনই সাধারণ নাগরিক।

    মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যয়

    মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ১০,০০০-র বেশি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে এবং ইরানের ১৫০টিরও বেশি নৌযান ডুবিয়েছে। প্রাক্তন পেন্টাগন কর্মকর্তা ইলেইন ম্যাককাস্কার-এর মতে, যুদ্ধের প্রথম তিন সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির খরচ ১.৪ থেকে ২.৯ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে যে, আইআরজিসি এবং অন্যান্য সামরিক ইউনিটগুলো কোনও একক বা কেন্দ্রীয় কমান্ড ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। কূটনৈতিক আঙিনায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের গালিবাফই মূলত নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

    অর্থনৈতিক চাপ ও তেলের বাজার

    ইরান তার কৌশলগত অবস্থান ব্যবহার করে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। স্ট্রেইট অফ হরমুজ—যেখানে দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবাহিত হয়—সেখানে জাহাজ চলাচলে বাধা দিয়ে তারা সরবরাহ ব্যাহত করেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছে। বিশ্ব-বাজারে তেলের দাম ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্প শেষমেশ আলোচনার পথে ঝুঁকতে বাধ্য হন। ৬ এপ্রিল পর্যন্ত (মোট ১০ দিন) ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা করেন তিনি। এক মাসের মধ্যে এই সংঘাত শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হয়েছে। সামরিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক—সব দিক থেকেই পরিস্থিতি ক্রমশ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।

    যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, শান্তি আলোচনা “ভালোই এগোচ্ছে।” তবে ইরান মার্কিন প্রস্তাবকে “একপাক্ষিক ও অন্যায্য” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে স্ট্রেইট অব হরমুজে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ। এদিকে, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় কোনওরকম শিথিলতা আসবে না। যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইরান এখনও অদম্য মনোবলে বলীয়ান। তেহরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে, এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে একমাত্র তাদের শর্তেই। এই ঘোষণার সঙ্গে সাদুর্য রেখে তারা যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে গোপন বা ‘ব্যাক-চ্যানেল’ আলোচনাও শুরু করেছে। তবে এই আপাত শান্তির আড়ালেই লুকিয়ে আছে ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের এক ভয়াবহ আশঙ্কা। যার প্রস্তুতি হিসেবে হাজার হাজার মেরিন সেনা ও প্যারাট্রুপার ইতিমধ্যেই মধ্য এশিয়ার দিকে এগিয়ে আসছে।

    ভারতের কৌশলগত অবস্থানের দিকে তাকিয়ে বিশ্ব

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসতেই বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে ফের একবার উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে ভারতের নাম। সূত্রের খবর, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ রুখতে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবর অনুযায়ী, মোদি ও ট্রাম্পের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি তথা ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইলন মাস্কও। ২০২৬-এর এই উত্তাল সময়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বশান্তি ফেরাতে মোদি-ট্রাম্প-মাস্ক ত্রয়ীর এই ‘কানেকশন’ এক নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ইরান-ইজরায়েল সংঘাত যাতে কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে বিষয়ে মোদির পরামর্শ চেয়েছেন ট্রাম্প। ভারতের কৌশলগত অবস্থান ও ইরানের সঙ্গে দিল্লির সুসম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে যুদ্ধের আগুন নেভাতে মরিয়া আমেরিকা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংকটে ভারতের মধ্যস্থতা এখন বিশ্বের কাছে সবথেকে বড় ভরসা। প্রধানমন্ত্রী মোদি আগেই ‘টিম ইন্ডিয়া’র আদলে বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রয়াসের কথা বলেছিলেন, এবার ট্রাম্পের সঙ্গে এই কথা সেই পথকেই আরও প্রশস্ত করল।

  • PM Modi: চিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্র, কারা পাবে এই সুযোগ?

    PM Modi: চিন থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্র, কারা পাবে এই সুযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) থেকে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহের অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। অবশ্য এই অনুমতি সবাইকে নয়, ভারত (PM Modi) হেভি ইলেকট্রিক্যালস এবং স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার মতো কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে। সরকারি সূত্রের খবর, এটি করা হয়েছে আগের বিধিনিষেধ শিথিল করার পর।

    শিথিল করা হল বিধিনিষেধ (PM Modi)

    গত মাসে একটি সংবাদ সংস্থা জানিয়েছিল, ২০২০ সালের প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর চিনা সরঞ্জাম কেনার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, ভারত তা শিথিল করতে যাচ্ছে। এর ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ ও কয়লা কোম্পানিগুলি সীমিত পরিসরে আমদানি শুরু করতে পারবে, কারণ যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও প্রকল্প বিলম্ব ক্রমেই বাড়ছিল। এরপরেই ভারত চিনের ওপর বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিধিনিষেধও শিথিল করেছে। নয়া নিয়ম শিথিলের আওতায়, ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সরঞ্জাম নির্মাতা ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস চিন থেকে ২১ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করতে পারবে বলে সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। একই ধরনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়াকেও। অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকেও কয়লা-গ্যাসিফিকেশন (coal-gasification) সরঞ্জাম সংগ্রহের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর।

    ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষ

    ২০২০ সালে হিমালয় সীমান্তে গলওয়ানে ভারত ও চিনের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর নয়াদিল্লি চিনা পণ্য ও বিনিয়োগের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির কারণে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের পুনর্বিন্যাস শুরু হওয়ায়, সরবরাহ শৃঙ্খল স্থিতিশীল রাখা এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ভারত এখন চিনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের কথা বিবেচনা করছে (PM Modi)। গত বছরের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাত বছর পর প্রথমবার চিন সফর করেছিলেন। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা করেছিলেন তিনি। এর পর দুই দেশ সরাসরি ফ্লাইট চালু করে এবং নয়াদিল্লি চিনা ব্যবসায়িক পেশাজীবীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করে।

    চলতি মাসে জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত চুক্তিতে অংশ নেওয়া চিনা দরদাতাদের (bidders) আর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা অনুমোদনের জন্য সরকারি কমিটির কাছে রেজিস্ট্রি করতে হবে না। এর আগে এই মাসের শুরুতে নয়াদিল্লি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে চিনা বিনিয়োগের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। মূলধন সঙ্কট কমাতেই এটি করা হয় (China)। অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দেয় এই বিধিনিষেধ শিথিল করা (PM Modi)।

     

  • West Bengal Assembly Election: “একটাই রাস্তা বাকি…”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করে কোন দিশা দেখালেন অমিত শাহ?

    West Bengal Assembly Election: “একটাই রাস্তা বাকি…”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করে কোন দিশা দেখালেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বিরুদ্ধে (West Bengal Assembly Election) ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির হেভিওয়েট নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসন নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে এই চার্জশিটের মাধ্যমে। মোট ৩৫ পাতার ওই চার্জশিটে তুলে ধরা হয়েছে মমতা জমানায় ওঠা একাধিক অভিযোগের কথা। তৃণমূলকে নিশানা করে শাহ বলেন, ‘‘আদিবাসী, মহিলা রাষ্ট্রপতিকে কীভাবে আপনারা অপমান করতে পারেন? দেশের প্রধানমন্ত্রীকে কীভাবে অপমান করতে পারেন?’’

    হা-শিল্প দশা প্রসঙ্গে শাহের বক্তব্য (West Bengal Assembly Election) 

    বিজেপি-শাসিত রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে নানা সময় অভিযোগ করেছে তৃণমূল। নিউটাউনের হোটেল থেকে সেই অভিযোগেরও জবাব দিয়েছেন শাহ। বলেন, ‘‘বাংলাদেশ থেকে যাঁরা ঢোকেন, তাঁরাও বাংলা বলেন। এ রাজ্যের কাউকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু আমাদের দৃঢ় সঙ্কল্প, অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে দেশ থেকে বের করবই।’’ রাজ্যের হা-শিল্প দশা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘কাটমানি, সিন্ডিকেট, দুর্নীতির কারণে এ রাজ্যে শিল্প অন্ধকারে। তাই এখানে চাকরি নেই। কম রোজগার, অল্প বেতনের চাকরির কারণও সেই অনুপ্রবেশ।’’ বঙ্গে মহিলাদের সুরক্ষা নেই বলেই অভিযোগ বিরোধীদের (West Bengal Assembly Election)। বঙ্গ-ললনাদের রাত আটটার পরে বাড়ি থেকে না বেরনোর পরামর্শও দিয়েছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সেই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হবে। কে অপরাধ করছে, সেটা দেখা হয় না। আমাদের শাসন আছে, এমন সব রাজ্যেই এটা আমরা করে দেখিয়েছি। মহিলারা যাতে নিজেদের কথা নিজেরাই বলতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করবে বিজেপি সরকার (Amit Shah)।’’

    বদলি প্রসঙ্গে কী বললেন শাহ

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হওয়ার পরেই রদবদল করা হয়েছে প্রশাসনের আধিকারিকদের। এনিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তৃণমূল নেত্রী। সে প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ‘‘সারা দেশেই ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন অফিসারদের বদলি করে। এটা নতুন কিছু নয়। এখানে (পশ্চিমবঙ্গে) সব আধিকারিক সরকারের হয়ে কাজ করেন। তাই এখানে বেশি পরিবর্তন হচ্ছে। অফিসারদের পরিবর্তন হয়েছে বলেই এ বার রামনবমীতে এই রাজ্যে হিংসা কম হয়েছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘১৫ বছরে (তৃণমূল জমানায়) কাটমানির সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকার। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। তাই আমাদের ভোট দেবেন। তৃণমূল সরকারকে সমূলে উৎখাত করুন।’’ শাহ এও বলেন, ‘‘আজকের বাংলা কবিগুরুর বাংলা আর নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে বাঙালি অস্মিতাকে পাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

    প্রসঙ্গ যখন অনুপ্রবেশকারী

    অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ‘‘এত অনুপ্রবেশকারী ঢুকছে, মমতাজির সরকার কি ঘুমোচ্ছে? প্রশ্ন তুলবেন, বিএসএফ কী করছে? বিএসএফ তখনই কিছু করতে পারবে, যখন আপনি সীমান্তে বেড়া লাগাতে দেবেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার ১৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন‍্য প্রয়োজনীয় জমি কেন্দ্রকে দেবে এ রাজ্যের বিজেপি সরকার।’’ তিনি বলেন, “মমতা যা খুশি অভিযোগ আনতে পারেন, তবে অনুপ্রবেশকারীদের আমরা দেশ থেকে বের করবই।” তৃণমূল সুপ্রিমো ‘ভিক্টিম কার্ডে’র রাজনীতি করেন (West Bengal Assembly Election) বলে অভিযোগ শাহের। তাঁর দাবি, ভোট এলেই মমতা পা ভেঙে ফেলেন, অসুস্থ হয়ে পড়েন। কোনও না কোনও অসুস্থতা দেখিয়ে জনগণের সহানুভূতি চান। এ বার আর তা হবে না।” এ রাজ্যে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী শাহ। তিনি বলেন, ‘‘অনেক বছর পরে বাংলা বিহার ওড়িশায় (অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ) একই দলের সরকার হতে চলেছে।’’

    ভয় থেকে মুক্তির ভোট

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ভয় থেকে মুক্তির ভোট বলে অভিহিত করেন শাহ। বলেন, ‘‘এই ভোট প্রাণনাশের ভয় থেকে মুক্তির ভোট, স্বাধীনতা চলে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তির ভোট, জনবিন‍্যাস পরিবর্তনের ভয় থেকে মুক্তির ভোট, সম্পত্তি ছিনিয়ে নেওয়ার ভয় থেকে মুক্তির ভোট, রোজগার চলে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তির ভোট। একগুচ্ছ ভরসার পক্ষে দাঁড়ানোর ভোট (Amit Shah)।’’ চার্জশিট প্রকাশ করতে গিয়ে রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকার কথাও আলাদা করে উল্লেখ করেন শাহ। বলেন, ‘‘বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গোটা পশ্চিমবঙ্গ সফর করে বাংলার বেহাল দশার কথা জনতার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।’’ তাঁর দাবি, এবার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি।

    একটাই রাস্তা বাকি, বললেন শাহ

    বঙ্গের নির্বাচনের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘অসমে অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়েছে। এখন একটাই রাস্তা বাকি অনুপ্রবেশের (West Bengal Assembly Election)। তাই পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন গোটা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িত।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তৃণমূলের যে অরাজকতা এবং অপশাসন, তার কী সমাধান, তা-ও বলব। আগে চার্জশিট প্রকাশ করা হল। এর পরে আমরা জানাব যে, আমরা (Amit Shah) এর অবসানের জন‍্য কী করব।’’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার গভীর রাতে ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসেছেন শাহ। উঠেছেন নিউ টাউনের একটি হোটেলে। আজ, শনিবারই ফিরে যাওয়ার কথা তাঁর (West Bengal Assembly Election)।

     

  • IPl 2026: অপেক্ষার অবসান! বাইশ গজে ফিরছেন কিং কোহলি, আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি আরসিবি বনাম এসআরএইচ

    IPl 2026: অপেক্ষার অবসান! বাইশ গজে ফিরছেন কিং কোহলি, আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি আরসিবি বনাম এসআরএইচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল ২০২৬-এর ১৯তম মরশুম (IPl 2026)। প্রথম ম্যাচেই নামছে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bengaluru) এবং ঈশান কিশনের হায়দরাবাদ (SunRisers Hyderabad)। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়া কোহলিকে আবার সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে দেখা যাবে। গত আইপিএলে আরসিবির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন বিরাট। ৬৫৭। যা আঠারো বছরের খরা কাটিয়ে আরসিবিকে তাদের প্রথম আইপিএল ট্রফি জিতিয়ে দেয়। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার এবারও কোহলির সেই রুদ্ররূপ প্রত্যাশা করছেন। তবে, গত জানুয়ারি মাসের পর আর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট খেলতে দেখা যায়নি বিরাটকে। কিন্তু তাতে কী? তিনি তো কিং কোহলি।

    কিছুক্ষণ পরই শুরু আইপিএল

    মঞ্চ তৈরি। আর কিছুক্ষণ পরই শুরু আইপিএল (IPl 2026)। এই মরশুমের শুরুটা কিছুটা ব্যতিক্রমী। গত বছরের ট্র্যাজেডির কথা মাথায় রেখে কোনও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রাখা হয়নি। গতবার আরসিবি-র বিজয় উদযাপনের সময় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় ১১ জন সমর্থকের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁদের স্মৃতিতে আরসিবি ভবিষ্যতে স্টেডিয়ামে ১১টি আসন খালি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেঙ্গালুরুতে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা সবসময় থাকে। ম্যাচ চলাকালীন প্রায়শই বৃষ্টি হয়। কিন্তু বেশিক্ষণ না। তবে শনিবারের আবহাওয়া ক্রিকেটের জন্য আদর্শ। আকাশ পরিষ্কার থাকবে। ম্যাচের সময় তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৮ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। বাতাসে আর্দ্রতা ৬০ শতাংশ। এদিন ম্যাচ বৃষ্টিতে বিঘ্নিত যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলা যায়। দীর্ঘদিন পর আবার ক্রিকেট ফিরছে বেঙ্গালুরুর স্টেডিয়ামে। একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকবে সবাই।

    হাই-স্কোরিং ম্যাচের ইঙ্গিত

    আরসিবি বনাম এসআরএইচ ম্যাচ মানেই বড় রান—সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দুই দলের লড়াইয়ে রানের বন্যা দেখা গেছে। এবারের ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম। বিশেষ করে দুই দলের বোলিং আক্রমণ কিছুটা দুর্বল হওয়ায় ব্যাটারদের দাপট দেখার আশা করা হচ্ছে। দেখতে গেলে, শক্তি বিচারে দু’টো টিমের ব্যাটিং প্রায় সমানে-সমানে। আরসিবিতে ফিল সল্ট, রজত পাতিদার, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, উইল জ্যাকস, বিরাট কোহলিরা রয়েছে। হায়দরাবাদে আবার রয়েছেন অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান, ট্রাভিস হেড, হেনরিক ক্লাসেনরা। আরসিবি ব্যাটিং লাইন-আপে প্রচুর বিকল্প থাকলেও বোলিংয়ে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। অন্যদিকে এসআরএইচ-ও তাদের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স-কে প্রথমদিকে পাচ্ছে না, যা তাদের বোলিং শক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে। এই মরশুমের প্রথম ভাগে এসআরএইচ-কে নেতৃত্ব দেবেন ঈশান কিষাণ। তাঁর এই নতুন দায়িত্ব নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ক্রিকেটমহলে। যদিও তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে সফল নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে আইপিএল-এর চাপ সম্পূর্ণ ভিন্ন।

LinkedIn
Share