Blog

  • Astronaut: ‘গগনযান’-এর মহাকাশচারী দার্জিলিংয়ে, ৫৬ দিনের পর্বতারোহণ কোর্স শেষ করলেন ২৮ দিনে

    Astronaut: ‘গগনযান’-এর মহাকাশচারী দার্জিলিংয়ে, ৫৬ দিনের পর্বতারোহণ কোর্স শেষ করলেন ২৮ দিনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রুপ ক্যাপ্টেন অঙ্গদ প্রতাপ দার্জিলিং-এর (Darjeeling) হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে একটি বিশেষ পর্বতারোহণ কোর্স সম্পন্ন করলেন। তিনি গগনযান মিশনের জন্য নির্বাচিত চার মহাকাশচারীর (Astronaut) মধ্যে একজন। মাত্র ২৮ দিনের মধ্যে ৫৬  দিনের কোর্সটি সম্পূর্ণ করেছেন তিনি।

    প্রতাপ একজন ম্যারাথন দৌড়বিদও!(Astronaut)

    ৪২ বছর বয়সি অঙ্গদ প্রতাপ (Astronaut) বলেন, এই কোর্সটি আমার জন্য অন্য ধরনের অভিজ্ঞতা ছিল। পর্বতারোহণ সব চেয়ে কঠিন এবং দুঃসাহসিক কাজ। সেটা এই কোর্স করতে এসে আমি উপলব্ধি করলাম। এনডিএ-র এই প্রাক্তন ছাত্রকে ১৮ ডিসেম্বর, ২০০৪-এ আইএএফ-এর ফাইটার স্ট্রিমে কমিশন দেওয়া হয়েছিল। তিনি একজন উড়ন্ত প্রশিক্ষক। প্রায় ২৫০০ ঘণ্টা ওড়ার অভিজ্ঞতা সহ পাইলটও। একই সঙ্গে তিনি Su-30 MKI, MiG-21, MiG-29, Jaguar, Hawk, Dornier এবং An-32 সহ বিভিন্ন ধরনের বিমান উড়িয়েছেন। প্রতাপ ভারতের প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ ফ্লাইট মিশনের অংশ হওয়া ছাড়াও, ২০২৩ সালে আয়রনম্যান ট্রায়াথলনও সম্পন্ন করেছেন। প্রতাপ একজন ম্যারাথন দৌড়বিদ, একজন প্রত্যয়িত স্কাই ডাইভার এবং একজন স্কুবা ডাইভারও।

    মহাকাশচারী কী বললেন?

    প্রতাপ (Astronaut) বলেন, “এই কোর্সটি এইচএমআই-এর অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন জয় কিষাণের উদ্যোগে করা হয়েছিল। বিশেষ করে আমার জন্য প্রাথমিক এবং উন্নত-উভয় কোর্সের পাঠ্যক্রম মিলিয়ে একটি একক কোর্স করা হয়েছিল। পর্বতারোহণ আমার স্বপ্ন ছিল।” অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করার সময় প্রতাপ একজন পরীক্ষামূলক পাইলট হওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। ISRO-এর গগনযান মিশনের জন্য রাশিয়ায় তাঁর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। মহাকাশযানে প্রশিক্ষণের সময় তিনি তাদের শূন্য মাধ্যাকর্ষণে তাঁর স্পেস স্যুট পরার একটি ভিডিও দেখান। প্রতাপ মহাকাশচারীরা অনুসরণ করেন, এমন একটি  প্রোটোকলের কথাও বলেন। তিনি বলেন, “আমাদের চারটি আক্কেল দাঁত তুলে দেওয়া হয়। কারণ, দাঁতব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, এটি স্নায়ুতে আঘাত করে। এমনকী এটি একজনকে অজ্ঞান করে দিতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India’s Sports Industry: উন্নতির জোয়ার! ২০৩০ সালের মধ্যে ১৩ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হবে ভারতের ক্রীড়া শিল্প

    India’s Sports Industry: উন্নতির জোয়ার! ২০৩০ সালের মধ্যে ১৩ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হবে ভারতের ক্রীড়া শিল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট থেকে ফুটবল, হকি থেকে কাবাডি, তীরন্দাজি, ব্যাডমিন্টন, টেনিস, দাবা ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারত (India’s Sports Industry) এখন উল্লেখযোগ্য নাম। মোদি সরকারের হাত ধরে ক্রিকেট-ফুটবলের বাইরেও ছোট বড় অন্য নানা খেলার উন্নতি ঘটেছে। ভারতের ক্রীড়া শিল্প ২০২৩ সালে ৫২ বিলিয়ন (৫ হাজার ২০০ কোটি) ডলার থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৩০ বিলিয়ন (১৩ হাজার কোটি) ডলারে উন্নীত হতে চলেছে। সম্প্রতি গুগলের একটি গবেষণায় এই ভারতীয়দের মধ্যে ক্রমে ক্রিকেট-ফুটবল ছাড়াও নানা খেলার দিকে আগ্রহ বাড়ছে। যা বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ দিচ্ছে।

    ভারতে খেলাধুলার ইতিহাস

    খেলাধুলা (India’s Sports Industry) সব সময়ই মানবজাতির বিকাশ ঘটায়। জাতীয় গর্ব ও ঐক্যের অনুভূতি তৈরি করে। পাশাপাশি, একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্য শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব দানের ক্ষমতার বিকাশ ঘটায়। ভারতের খেলাধুলার প্রচলন শুরু হয় সিন্ধু সভ্যতার যুগে অর্থাৎ আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগে। সেই যুগের পাওয়া বিভিন্ন সিলমোহর থেকে প্রাচীন কালে খেলাধুলার চর্চার প্রমাণ পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে প্রাচীন সেই সমস্ত মুদ্রার মধ্যে দাবা, পাশা খেলা, পশু শিকার এবং বক্সিং যা বৈদিক যুগে দেহবাদ নামে পরিচিত ছিল। এই সমস্ত খেলার নিদর্শন পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, প্রাচীন ভারতীয় মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারতেও পাশা খেলার উল্লেখ রয়েছে। এই প্রাচীন কাব্যগ্রন্থ গুলিতে আরও বিভিন্ন ধরনের শারীরিক কসরত দৌড়, তীরন্দাজ, ঘোড়দৌড়, সামরিক কৌশল, ভারোত্তোলন, শিকার, সাঁতার এবং বল খেলার উল্লেখ পাওয়া যায়। যা থেকে উপলব্ধি করা যায় যে সেই সময়ে এই খেলাগুলি যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিল। মধ্যযুগীয় কালে নালন্দা তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পেহেলওয়ানী অর্থাৎ কুস্তি প্রচলন হয়। এমনকী, মনে করা হয় সাপ লুডো, তাস খেলা, কুস্তি, পোলো, তীরন্দাজি সব খেলাগুলির উৎপত্তি হয় ভারতে। পরবর্তীকালে তা বিদেশে প্রেরণ করা হয় সেখান থেকেই তাদের আধুনিকীকরণ ঘটে।

    গুগলের গবেষণা

    গুগল ইন্ডিয়ার তরফে রোমা দত্ত চৌবে বলেন, “এটি ভারতের খেলাধুলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আমরা মাল্টি-স্পোর্ট ফ্যানডমের বৃদ্ধি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং ভারতের ক্রীড়া অনুরাগীদের বৃহত্তম অংশের প্রতিনিধিত্বকারী জেনারেশন জেডের (জেন জি) গভীর সম্পৃক্ততা প্রত্যক্ষ করছি৷ এই প্রবণতাগুলি ব্যবসার জন্য উদ্ভাবন, উৎসাহী অনুরাগীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং বাস্তুতন্ত্র জুড়ে বৃদ্ধির জন্য অনন্য সুযোগ উপস্থাপন করে।” 

    বৈচিত্র্যময় ক্রীড়া সংস্কৃতি

    ভারতে খেলার জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে রোমা জানান, ৭০ শতাংশ ভারতীয় ক্রিকেট খেলা পছন্দ করেন। তাঁদের মধ্যে আবার অনেকে অন্য খেলার প্রতিও আকৃষ্ট। ভারতে (India’s Sports Industry) অধিকাংশ মানুষ খেলার প্রতি আকৃষ্ট। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার এখন ছোট ছোট খেলাগুলোকেও প্রচারের আলোয় আনার চেষ্টা করছে। অধিকাংশ ভারতীয় এখন ২০ শতাংশ বেশি সময় ব্যয় করে নন-লাইভ (রেকর্ডেড) সম্প্রচার যেমন হাইলাইটস এবং শর্ট-ফর্ম ভিডিওতেও খেলা দেখেন। এর ফলে জিডিপি বাড়ছে। 

    অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি

    গবেষণা বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতে ১ কোটির বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বাড়বে রাজস্বের হারও। ২০৩০ সালের মধ্যে ২১০০ কোটি ডলার পরোক্ষ কর রাজস্ব উৎপন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্রীড়া সামগ্রী এবং পোশাকের বাজার দ্বিগুণ ৫৮০০ কোটি ডলার হবে, যা ফিটনেস-সচেতন জনসংখ্যার দ্বারা চালিত হবে এবং পছন্দের দলগুলির পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। 

    আরও পড়ুন: ভারত-জাপান বিশেষ প্রতিরক্ষা-চুক্তি, নৌসেনার রণতরীগুলিতে বসবে ‘স্টেলথ’ মাস্তুল

    আইপিএলের প্রভাব

    ভারতীয় ক্রিকেটে মিলিয়ন ডলার ক্রিকেট লিগ নামে পরিচিত আইপিএল। এই লিগের এতটাই জৌলুশ এবং বিশ্বব্যাপি দাপট যে বহুদেশই ওই সময় ক্রিকেটারদের ছেড়ে দেন আইপিএলে খেলতে, শুধু তাই নয়। ক্রিকেটারদের তাঁরা জাতীয় দলেও রাখেন না। ২০২৩ সালে আইপিএল থেকে আয়ের অঙ্ক ছিল ৫১২০ কোটি টাকা। এর আগে বছর পর অর্থাৎ ২০২২ সালের আইপিএলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এই লিগ থেকে আয় করেছিল ২৩৬৭ কোটি টাকা, অর্থাৎ এক বছরে ২০২৩ সালে আয়ের শতাংশ ১১৬ গুন বৃদ্ধি পায়। আইপিএল ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্রে সম্প্রচার অধিকার এবং স্পনসরশিপ আয়ও নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) একাই বছরে ১২০ কোটি ডলার উপার্জন করছে।  আইপিএল-এর সাফল্য দেখে ধীরে ধীরে ভারতে চালু হয়েছে ফুটবল লিগ আইএসএল, খেলো কাবাডির মতো টুর্নামেন্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 197: “তুমি আমাদের পিতা, আমাদের সদ্বুদ্ধি দাও—তোমাকে নমস্কার, আমাদিগকে বিনাশ করিও না”

    Ramakrishna 197: “তুমি আমাদের পিতা, আমাদের সদ্বুদ্ধি দাও—তোমাকে নমস্কার, আমাদিগকে বিনাশ করিও না”

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২রা মে

    নন্দনবাগান ব্রাহ্মসমাজে রাখাল, মাস্টার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    শ্রীমন্দিরদর্শন ও উদ্দীপন—শ্রীরাধার প্রেমোন্মাদ

    ব্রাহ্মোপাসনা ও শ্রীরামকৃষ্ণ 

    এইবার উপাসনা আরম্ভ হবে। উপাসনার বৃহৎ প্রকোষ্ঠ ব্রাহ্মভক্তে পরিপূর্ণ হইল। কয়েকটি ব্রাহ্মিকা ঘরের উত্তরদিকে চেয়ারে আসিয়া বসিলেন—হাতে সঙ্গীতপুস্তক।

    পিয়ানো ও হারমোনিয়াম সংযোগে ব্রহ্মসঙ্গীত গীত হইতে জাগিল। সঙ্গীত শুনিয়া ঠাকুরের (Ramakrishna) আনন্দের সীমা রহিল না। ক্রমে উদ্বোধন—প্রার্থনা—উপাসনা। বেদীতে উপবিষ্ট আচার্যগণ বেদ হইতে মন্ত্রপাঠ করিতে লাগিলেন:

    ‘ওঁ পিতা নোঽসি পিতা নোবোধি। নমস্তেস্তু মা মা হিংসীঃ।

    ‘তুমি আমাদের পিতা, আমাদের সদ্বুদ্ধি দাও—তোমাকে নমস্কার। আমাদিগকে বিনাশ করিও না।’

    ব্রাহ্মভক্তেরা সমস্বরে আচার্যের সহিত বলিতেছেন:

    ওঁ সত্যং জ্ঞানমনন্তং ব্রহ্ম। আনন্দরূপমমৃতংযদ্বিভাতি।
    শান্তং শিবমদ্বৈতম্‌ শুদ্ধমপাপবিদ্ধম্‌।

    এইবার আচার্যগণ স্তব করিতেছেন:

    ওঁ নমস্তে সতে তে জগৎকারণায়
    নমস্তে চিতে সর্বলোকাশ্রয়ায়। ইত্যাদি।

    স্তোত্রপাঠের পর আচার্যেরা প্রার্থনা করিতেছেন:

    অসতো মা সদ্‌গময়। তমসো মা জ্যোতির্গময়।
    মৃত্যোর্মাঽমৃতং গময়। …আবিরাবীর্ম এধি।
    …রুদ্র যত্তে দক্ষিণং মুখং তেন মাং পাহি নিত্যম্‌।

    স্ত্রোত্রাদি পাঠ শুনিয়া ঠাকুর (Ramakrishna) ভাবাবিষ্ট হইতেছেন। এইবার আচার্য প্রবন্ধ পাঠ করিতেছেন।

    অক্রোধ পরমানন্দ শ্রীরামকৃষ্ণ—অহেতুক কৃপাসিন্ধু 

    উপাসনা হইয়া গেল। ভক্তদের লুচি, মিষ্টান্ন আদি খাওয়াইবার উদ্যোগ হইতেছে। ব্রাহ্মভক্তেরা অধিকাংশই নিচের প্রাঙ্গণে ও বারান্দায় বায়ুসেবন করিতেছেন।

    রাত নয়টা হইল। ঠাকুরের দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ফিরিয়া যাইতে হইবে। গৃহস্বামীরা আহূত সংসারীভক্তদের লইয়া খাতির করিতে করিতে এত ব্যতিব্যস্ত হইয়াছেন যে, ঠাকুরের আর কোন সংবাদ (Kathamrita) লইতে পারিতেছেন না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (রাখাল প্রভৃতির প্রতি)—কিরে কেউ ডাকে না যে রে!

    রাখাল (সক্রোধে)—মহাশয়, চলে আসুন—দক্ষিণেশ্বরে যাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্য)—আরে রোস্‌—গাড়িভাড়া তিন টাকা দুআনা কে দেবে!—রোখ করলেই হয় না। পয়সা নাই আবার ফাঁকা রোখ! আর এত রাত্রে খাই (Kathamrita) কোথা!

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে নারী ও শিশুদের নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা, কেন্দ্র-রাজ্যকে সমাধানের বার্তা আরএসএস-এর

    Manipur: মণিপুরে নারী ও শিশুদের নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা, কেন্দ্র-রাজ্যকে সমাধানের বার্তা আরএসএস-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) নারী ও শিশুদের নৃশংস হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কাছে অবিলম্বে সমাধান চেয়েছে এই হিন্দুত্ববাদী সামাজিক সংগঠন। ইতিমধ্যে খুনের পাশাপাশি দেখা গিয়েছে বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ! গোটা রাজ্যজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য গত বছরের ৩ মে থেকেই এই রাজ্যে হিংসার ধারা অব্যাহত। এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া এবং ২২০ জনের বেশি মানুষ গোষ্ঠী সংঘর্ষের বলি হয়েছেন। সাধারণ জনজীবন অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন।

    নিরপরাধ মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত (Manipur)

    মণিপুর (Manipur) প্রান্তের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) হিংসা কবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত। বিবৃতি দিয়ে তারা জানিয়েছে, “নিরপরাধ মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত। সংঘাতের জেরে রাজ্য গভীর সঙ্কটে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। নারীহত্যা, শিশুহত্যা এবং অপহরণ অত্যন্ত কাপুরুষোচিত ঘটনা, যা মানব সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। সভ্যতার নিরিখে মানব স্বার্থের পরিপন্থী। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের উচিত সদর্থকভাবে এগিয়ে আসা। প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাই সামাজিকভাবে আইনশৃঙ্খলাও বলবৎ করতে হবে।”

    জিরি ও বরাক নদীর মিলনস্থলে উদ্ধার দেহ!

    চলতি বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই মণিপুরে (Manipur) ফের দুষ্কৃতীরা নাশকতার পন্থা অবলম্বন শুরু করেছিল। গত ১১ নভেম্বর থেকে জিবিরাম জেলায় বেশ কিছু নারী এবং শিশু নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছিল। এরপর ১৫ এবং ১৬ নভেম্বর তাঁদের মধ্যে মোট ছ’জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। যার মধ্যে ৩ জন নারী এবং ৩ জন শিশু। এই মৃতদেহগুলি মণিপুর-অসম সীমান্তের কাছে জিরি এবং বরাক নদীর মিলনস্থলের কাছে খুঁজে পাওয়া যায়। তবে সবগুলি দেহ এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য অসমের শিলচর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে সিআরপিএফ-এর সংঘর্ষ

    জানা গিয়েছে, গত ১১ নভেম্বর কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে সিআরপিএফ-এর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এই লড়াইতে মোট ১০ জন সন্দেহজনক জঙ্গি নিহত হয়। আবার অন্য আরেকটি ঘটনায় জিবিরাম জেলায় বোরোবেকরা মহকুমায় অবস্থিত জাকুরাধোর একটি ত্রাণশিবির থেকে জঙ্গিরা ১০ জন সাধারণ নাগরিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানের ফলে মাইবাম কেশো (৭৫) এবং লাইশরাম বেরল (৬১) নামে দুই প্রবীণ নাগরিকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে এই হিংসার ঘটনায় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মেইতি গোষ্ঠী দাবি করেছে, “উদ্ধার হওয়া তিন নারী এবং তিন শিশুকে প্রথমে অপহরণ করে রাখা হয়েছিল। এরপর তাঁদের নির্মম ভাবে খুন করা হয়েছে। যদিও তাঁদের পরিচয় এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি। মানুষের মনে হিংসাকে আরও বড়িয়ে দিচ্ছে এইসব ঘটনা। যার জেরে মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভেরও সঞ্চার হয়েছে।”

    মন্ত্রী, বিধায়কের বাড়িতে হামলা 

    সম্প্রতি এই রাজ্যের (Manipur) রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধি, মন্ত্রী, বিধায়ক, সরকারি আমলা-সহ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে পর্যন্ত হামলা হয়। বিশেষ করে ইম্ফল পূর্ব ও পশ্চিমে বহু ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ক্রমবর্ধমান অশান্তির ঘটনা ক্রমে মারাত্মক রূপ নিচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে আরএসএস দুই গোষ্ঠীর রক্তপাতের বিষয়ে আলোচনা, পরস্পর সহাবস্থান এবং সরকারের ভূমিকাকে বিশেষ ভাবে ইঙ্গিত করে সমাধানের দাবি জানিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হিংসার আগুনে ফের অগ্নিগর্ভ মণিপুর, ৩টি মূল মামলার তদন্তে এনআইএ

    সরব আরএসএস

    উল্লেখ্য, গত এক বছরের বেশি সময় ধরে আরএসএস (RSS) হিংসার বিরুদ্ধে সরব। মণিপুর (Manipur) সরকারের প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিয়েও বার বার প্রশ্ন তুলেছে তারা। সরকারি ক্ষমতার অক্ষমতাকে ইঙ্গিত করে সতর্কবার্তা দিয়েছে এদিন। গত ১৯ মাসের বেশি সময় ধরে মণিপুর উত্তপ্ত। গত লোকসভা নির্বাচনের পর একটি সভায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্খের সঙ্ঘ চালক মোহন ভাগবত বলেছিলেন, “মণিপুরের সমস্যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কেন্দ্র সরকারের উচিত অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। শান্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার পক্ষকে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Leh Pangong Lake: খরচ ৬ হাজার কোটি টাকা, লেহ্-প্যাংগং লেককে জুড়তে নতুন টানেল গড়বে ভারত

    Leh Pangong Lake: খরচ ৬ হাজার কোটি টাকা, লেহ্-প্যাংগং লেককে জুড়তে নতুন টানেল গড়বে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেলা পাসের মধ্যে দিয়ে জোড়া টিউব টানেল করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কেলা পাস ভারতের সর্বোচ্চ মোটরযানযোগ্য একটি পাস, যেটা লেহ্ এবং প্যাংগং লেকের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ হিসেবে কাজ করে। এখানে টানেল তৈরির বিষয়ে লাদাখের প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে এই সব মরশুমে ব্যবহারযোগ্য টানেল (Tunnel)। এই সুড়ঙ্গ তৈরি হয়ে গেলে লেহ্ (Leh) থেকে যাঁরা প্যাংগং লেক পর্যন্ত যেতে চান, তাঁরা খুব সহজেই যেতে পারবেন। এর মাধ্যমে সুবিধা হবে পর্যটকদের। সুবিধা হবে সামরিক বাহিনীরও।

    প্রকল্পের খরচ কত? (Leh)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এই টানেল নির্মাণের বিষয়ে একটি বৈঠক করেছিল। এই প্রকল্পের জন্য খরচ হতে পারে প্রায় ৬০০০ কোটি টাকা। এটা অত্যন্ত কঠিন একটা প্রকল্প। এর প্রকল্প ব্যয়ও প্রচুর। এনিয়ে শীঘ্রই উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। এর মাধ্যমে লেহ্ (Leh) থেকে প্যাংগং যাওয়ার দূরত্ব অনেকটাই কমবে। তবে এই প্রকল্প একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সূত্রের খবর, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন নাকি ন্যাশানাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন কারা এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করবে সেটা এখনও পরিস্কার নয়। কেলা পাস লেহ্ ও প্যাংগংয়ের মধ্যে সংযোগকারী গিরিপথ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৮,৬০০ ফুট উচ্চতায় এর অবস্থান। এর আগে লাদাখ প্রশাসন ২০২২ সালে খারদুংলা, ফোটু লা, নামিকা লা ও কেলা এই চারটি জায়গায় টানেল করার প্রস্তাব দিয়েছিল। প্রস্তাবিত কেলা পাস টানেলটি এই অঞ্চলে চলাচলের গতি অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে। বিশেষ করে শীতের সময় যখন রাস্তাগুলি প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়।  

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    সরকারি আধিকারিক কী বললেন?

    সরকারি এক আধিকারিক বলেন, এটি একটি চ্যালেঞ্জিং এবং উচ্চ খরচের প্রকল্প। তবে, এই প্রকল্পটি কার্যকরী হলে লেহ্ (Leh) থেকে প্যাংগং পর্যন্ত যাতায়াতের সময়কে যথেষ্ট পরিমাণে কমিয়ে দেবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Lokayukta: কমিশন মামলায় কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত

    Karnataka Lokayukta: কমিশন মামলায় কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত (Karnataka Lokayukta)। রবিবার, ১৮ নভেম্বর রাজ্যের ঠিকাদারদের অ্যাসোসিয়েশনের প্রয়াত সভাপতি ডি. কেম্পান্না এবং সহ-সভাপতি আর অম্বিকাপথীর দায়ের করা ৪০ শতাংশ কমিশন (BJP) মামলায় আগের বাসবরাজ বোম্মাই সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিল লোকায়ুক্ত। গত বছরই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ডি. কেম্পান্না এবং আর অম্বিকাপথী।

    কী বলছে বিজেপি? (Karnataka Lokayukta)

    সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি নেতা আর অশোক বলেন, “অভিযোগকারীরা কখনওই ৪০ শতাংশ কমিশনের কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি। অথচ  ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এই অস্ত্রই প্রয়োগ করা হয়েছিল।” তিনি বলেন, “লোকায়ুক্ত কখনওই ঠিকাদারদের দেওয়া ৪০ শতাংশ কমিশনের কোনও প্রমাণ পায়নি। কেম্পান্না এবং অম্বিকাপথী কংগ্রেস পার্টির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং মামলা দায়ের করেছিলেন। কিন্তু লোকায়ুক্ত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে। কারণ অভিযোগ প্রমাণ করার জন্য কোনও প্রমাণ দেওয়া হয়নি।” অশোক আরও বলেন (Karnataka Lokayukta), “বর্তমান কংগ্রেস সরকার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা দাবি এবং ভোটারদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কর্নাটকে ক্ষমতায় এসেছে।” তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী, “শাসক কংগ্রেস ভবিষ্যতে পরাজিত হবে এবং তাদের নেতারা বাড়িতে থাকতে বাধ্য হবেন।”

    লোকায়ুক্তের বক্তব্য

    লোকায়ুক্তও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও মুখ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বলেন, “ক্লিন চিট দেওয়া মানে কোনও অন্যায় হয়নি, এমন নয়।” তিনি বলেন, “বিজেপি দাবি করেছে যে তারা ক্লিন চিট পেয়েছে, তবে এর অর্থ এই নয় যে কোনও ভুল হয়নি। আদালতে একটি মামলা খারিজ হওয়ার দুটি উপায় রয়েছে। একটি উপায় হল পেশ হওয়া প্রমাণ অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম নয়। আমি নিজে নির্দেশটি পড়িনি, তবে আমি এটি খতিয়ে দেখব।”

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    প্রসঙ্গত, গত বছরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এই বলে যে, যদি তাদের কাছে ওই মামলায় বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ থাকে, তবে তারা আদালতে যেতে পারে। শাহের এই মন্তব্যের আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, বিজেপি হল ভারতের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দল। দুর্নীতির ওই টাকা অন্যান্য দলের বিধায়কদের কিনে নিতে ব্যবহার করা (BJP) হয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন শাহ (Karnataka Lokayukta)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • India Russia: শঙ্কিত চিন-পাকিস্তান! ভারত-রাশিয়া পন্টসার এয়ার ডিফেন্স চুক্তি স্বাক্ষরিত, কী উপকারিতা?

    India Russia: শঙ্কিত চিন-পাকিস্তান! ভারত-রাশিয়া পন্টসার এয়ার ডিফেন্স চুক্তি স্বাক্ষরিত, কী উপকারিতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকাশ প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ নিল ভারত। ভারত ডাইনামিক্স লিমিটেড (BDL) এবং রাশিয়ার রোসোবোরন এক্সপোর্ট সংস্থা সম্প্রতি একটি মেমোরান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (MoU) বা মউ স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির অধীনে রাশিয়ার থেকে ভারত পন্টসার মোবাইল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সংগ্রহ করবে, যা ভারতীয় বিমানবাহিনী এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। 

    পন্টসার সিস্টেম কী?

    পন্টসার সিস্টেম হল একটি অত্যাধুনিক এবং বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ক্ষেপণাস্ত্র এবং বন্দুকের সংমিশ্রণ দ্বারা আকাশ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে। পন্টসার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি ট্রাকের উপর রেডার, ১২টি ‘ভূমি থেকে আকাশ’ ক্ষেপণাস্ত্র (সারফেস টু এয়ার মিসাইল), ড্রোন এবং ’দুটি বিমান বিধ্বংসী কামান থাকে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলির সাধারণ ভাবে ১৮ কিলোমিটার পাল্লার। কিন্তু নতুন ‘১-এস’ সংস্করণে ‘বুস্টার’ ব্যবহার করে সেগুলির পাল্লা বাড়ানো হয়েছে। ভারত সেগুলি কিনতে চলেছে। নয়া চুক্তিটি গোয়াতে অনুষ্ঠিত পঞ্চম ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশন (IRIGC) অধিবেশনের সময় স্বাক্ষরিত হয়। ভারত ডায়নামিক্স এবং রাশিয়ার রোসোবোরন এক্সপোর্ট সংস্থার মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মউ’ অনুযায়ী রুশ প্রযুক্তিগত সহায়তায় এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারতে নির্মাণ করা হবে।

    শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার এই চুক্তি প্রতিবেশী পাকিস্তান, চিন ও বাংলাদেশকে শঙ্কিত করার পক্ষে যথেষ্ট। পন্টসার সিস্টেম ভারতের হাতে এলে বায়ুসেনা আরও শক্তিশালী হবে। এই সিস্টেম অ্যাংগ্রি ড্রোন অ্যাটাক এবং প্রেসিশন-গাইডেড মিউনিশন থেকে মিলিটারি ইনস্টলেশনগুলো রক্ষা করতে সক্ষম। সিস্টেমটি বিশেষভাবে সামরিক ঘাঁটি বা কেন্দ্র, বিমানবন্দর, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সাইটগুলিকে রক্ষা করে। চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া ভারতকে এই সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ সরবরাহ করবে, যা আরও শক্তিশালী এবং আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ। এই চুক্তি ভারতকে আরও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা এবং সেনা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, নাচে-গানে মোদিকে স্বাগত জানালেন ব্রাজিলের প্রবাসীরা

    PM Modi: বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ, নাচে-গানে মোদিকে স্বাগত জানালেন ব্রাজিলের প্রবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের (Sanskrit Chants) মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের প্রবাসী ভারতীয় সমাজ স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। এমন অভ্যর্থনায় প্রধানমন্ত্রী নিজেও খুশি। প্রসঙ্গত, জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার ব্রাজিলের পা রাখেন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে নামতেই প্রবাসী ভারতীয়রা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। একই সঙ্গে তাঁর সম্মানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও করা হয়। বিমানবন্দরে এদিন প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে হাজির থাকতে দেখা যায় শিশুদেরও। কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর ছবি এঁকে নিয়ে এসেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে নিজের অটোগ্রাফও দেন।

    এমন অভ্যর্থনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ, লিখলেন মোদি  (PM Modi)

    এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) নিজে তাঁর এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘প্রবাসী ভারতীয়দের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হল ব্রাজিলে। এমন অভ্যর্থনার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’’

    প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘‘প্রবাসী ভারতীয়দের এমন অভ্যর্থনা মহাদেশের বাইরেও এক ভালোবাসার বন্ধন তৈরি করেছে।’’ প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাইজেরিয়া সফর সেরে ব্রাজিলের পৌঁছান।

    ২ দিন চলবে জি২০ সম্মেলন 

    প্রসঙ্গত, জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে ট্রোইকার সদস্য হিসেবে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৯তম জি২০ শীর্ষ সম্মেলন। ভারত ছাড়াও বাকি দুই ট্রোইকার সদস্য হল ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রসঙ্গত জি২০ সম্মেলনে হাজির থাকবেন আমেরিকার বিদায়ী রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন এবং চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং। সোমবার ও মঙ্গলবার দুদিন ব্যাপী শীর্ষ সম্মেলন চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Eastern Railway: গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র ৬০টি পদে কর্মী নিয়োগ করছে পূর্ব রেল, যোগ্যতা কী?

    Eastern Railway: গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র ৬০টি পদে কর্মী নিয়োগ করছে পূর্ব রেল, যোগ্যতা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদে কর্মী নিয়োগ করছে পূর্ব রেল (Eastern Railway)। এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীরা RRC/ER-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট rrcer.org-এর মাধ্যমে এবং rrcrecruit.co.in.এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।

    এই নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে ৬০টি পদে (Eastern Railway)। ১৫ নভেম্বর শুরু হয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়ার আবেদন, চলবে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, সমগ্র নিয়োগ ক্রীড়া কোটার অধীনেই করা হবে। 

    শূন্য পদের বিবরণ

     গ্রুপ ‘সি’, লেভেল-৪/লেভেল-৫: ৫টি পদ
     গ্রুপ ‘সি’ লেভেল-২/লেভেল-৩: ১৬টি পদ
     গ্রুপ ‘ডি’ লেভেল- ১(সপ্তম সিপিসি): ৩৯টি পদ

    শিক্ষাগত যোগ্যতা (Eastern Railway)

    লেভেল-৪/লেভেল-৫: সরকার স্বীকৃত যেকোনও বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

    লেভেল-২/লেভেল-৩: দ্বাদশ শ্রেণি (১০+২) বা এর সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে সরকার স্বীকৃত বোর্ড/কাউন্সিল/প্রতিষ্ঠান থেকে। অথবা স্বীকৃত বোর্ড থেকে ম্যাট্রিকুলেশন বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে, একইসঙ্গে শিক্ষানবিশ সার্টিফিকেট (Railway Recruitment) থাকতে হবে।

    লেভেল- ১: দশম শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে অথবা আইটিআই পাশ বা তার সমমানের পরীক্ষার শংসাপত্র থাকতে হবে।

    বয়সসীমা (Eastern Railway)

    আবেদন করতে চান এমন প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। বয়স গণনা করা হবে তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২৫ সালের ভিত্তিতে।

    বাছাই প্রক্রিয়া

    ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে প্রার্থীর Sports Achievement-এর ওপর। ফিটনেস পরীক্ষা হবে ৪০ নম্বরের জন্য ও শিক্ষাগত যোগ্যতায় থাকবে ১০ নম্বর।

    আবেদন ফি

    সমস্ত প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ৫০০ টাকা। SC, ST, মহিলা ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য, ফি ২৫০ টাকা। ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং বা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ফি অনলাইনে জমা করা যাবে।

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহারের মাধ্যমে আগামী ৪ বছরে ভারতে ৩.৩ কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah Bridge: চার দশক পর হচ্ছে হাওড়া ব্রিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, কতদিন চলবে?

    Howrah Bridge: চার দশক পর হচ্ছে হাওড়া ব্রিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, কতদিন চলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হাওড়া ব্রিজের (Howrah Bridge) স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু করা হল। শেষবার আশির দশকে হয়েছিল। চার দশকের পর এবার সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা হল। ইতিমধ্যেই সেই কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। শনিবার ব্রিজে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার জন্য ট্রাফিক ব্লক নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (Health Examination) সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই কাজ আরও তিন-চারমাস চলবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে, আর ট্রাফিক ব্লক নেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

    কেন স্বাস্থ্য পরীক্ষা? (Howrah Bridge)

    জানা গিয়েছে, ১৯৮৩-৮৮ সালের মধ্যে রেলওয়ে কনসালটেন্সি বা রাইটস (RITES) সর্বশেষ এই ধরনের সমীক্ষা (Howrah Bridge) পরিচালনা করেছিল, এবারও কাজটি এই সংস্থায় দায়িত্ব নিয়ে করছে। ব্রিজটির মূল ডিজাইনার ব্রিটিশ ফার্ম রেন্ডেল পামার এবং ট্রাইটন (আরপিটি) তাদের সঙ্গে যোগ দেবে বলে জানা গিয়েছে। শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের (পূর্ববর্তী কলকাতা বন্দর বা KOPT) একজন কর্মকর্তা বলেন, ব্রিজের অবস্থা খতিয়ে দেখার পর তা বিশ্লেষণ করা হবে। ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যে এই বিষয়ে একটি বিস্তৃত রিপোর্ট পাব বলে আমরা আশা করি।”  আর ট্রাফিক ব্লক প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা ব্যাখ্যা করেছেন, ব্রিজে গাড়ি চলাচল করলে সেতুর অবস্থার একটি পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যেত না। ব্রিজের বেশ কিছু বিষয় পরীক্ষা করা হয়েছে। মূলত, শনিবার রাত ১১.৩০ থেকে ভোর ৪.৩০ টার মধ্যে ব্রিজটিকে যানবাহন মুক্ত করা হয়েছিল। মূলত ব্রিজটি মহানগরে পরিষেবা দেওয়ার জায়গা রয়েছে কি না তা গণনা করার দরকার। ব্রিজের শত শত জয়েন্ট ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে। সেগুলি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম ক্যান্টিলিভার ব্রিজ

    হাওড়া সেতু (Howrah Bridge) বা রবীন্দ্র সেতুটি ১৯৪৩ সালে চালু হয়েছিল। ৪০ বছর ধরে একটানা সেবা করার পর ১৯৮৩ সালে শেষ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছিল। শেষ সমীক্ষায়, RITES RPT- সঙ্গে  সহযোগিতা করেছিল।  সেতুটির ক্যারেজওয়ে ৭১-ফুট চওড়া, দুপাশে দুটি ১৮.৫ ফুট চওড়া ফুটপাথ রয়েছে। গত মে মাসে বিটুমিনাস রাস্তার ওপরিভাগ স্ক্র্যাপ করে কলকাতার সবচেয়ে স্বীকৃত ল্যান্ডমার্কের লোড কমানোর জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। হুগলি জুড়ে ক্যান্টিলিভার ব্রিজটি বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম কাঠামো। এটি প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ যানবাহন এবং দেড় লক্ষের এরও বেশি পথচারী চলাচল করেন। ব্রিজটি তৈরি হওয়ার পর প্রথম যানবাহন ছিল একটি ট্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share