Blog

  • Bangladesh Attacks on Hindu: প্রতিবাদ কাশ্মীরি সংখ্যালঘুদের, বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে বিক্ষোভ

    Bangladesh Attacks on Hindu: প্রতিবাদ কাশ্মীরি সংখ্যালঘুদের, বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর একের পর এক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। একদিকে আওয়ামি লিগের নেতা কর্মীরা যেমন আক্রান্ত হয়েছেন, ঠিক তেমনি নাগরিকদের দুর্বল অংশ সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হয়ে চলেছে। শাসকদলের নেতারা ফতোয়া জারি করেছে, অত্যাচারের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারবে না। কেউ ভারতের পক্ষে কথা বলতে পারবে না। বাজারে বাজারে ভারতীয় পণ্য বর্জনের নির্দেশ দিচ্ছে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। পদ্মা পাড়ে হিন্দুদের উপর হওয়া অত্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়েছে কাশ্মীরি সংখ্যালঘুুরা। আসমুদ্র-হিমাচল হয়েছে প্রতিবাদে মুখর। 

    শ্রীনগরে প্রতিবাদ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে চলমান অত্যাচারের নিন্দা জানিয়ে শ্রীনগরে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আয়োজন করে কাশ্মীরি সংখ্যালঘুরা। বিক্ষোভকারীরা আন্তর্জাতিক ও সরকারি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। সামাজিক কর্মী অনিতা চাঁদপুরী এই বিষয়ে ভারত সরকার, মানবাধিকার কমিশন এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের নীরবতার সমালোচনা করেছেন, উদ্বেগের সমাধান না হলে বৃহত্তর দেশব্যাপী মিছিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের অবস্থার সঙ্গে একদা কাশ্মীরে বসবাসকারী হিন্দু-ব্রাহ্মণদের অবস্থর তুলনা করেছেন অনেকে। গত ৩৫ বছর ধরে কাশ্মীরে হিন্দুরা এরকম অত্যাচার দেখেছেন বলেও মত অনেকের।

    ভারতের নানা প্রান্তে অসন্তোষ

    শুধু কাশ্মীর নয়, বাংলাদেশে হিন্দু বিরোধী সহিংসতা নিয়ে ভারতের নানা প্রান্তে অসন্তোষ চোখে পড়েছে। নয়ডা, গাজিয়াবাদে বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলি থানে জেলায় বাংলাদেশের পরিস্থিতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে৷ নভি মুম্বাইয়ে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিচ্ছে সাকাল হিন্দু সমাজ৷ হিন্দুদের উপর হামলার প্রতিবাদে কলকাতা-সহ সারা বাংলায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার প্রতিবাদে হিন্দু সংগঠনগুলি শিমলায় সমাবেশ করেছে। ভারতীয় সনাতন সোসাইটি জামশেদপুরে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে লখনউ, মোরাদাবাদেও।

    জার্মানিতেও প্রতিবাদ

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু, মায় হিন্দুদের ওপর চলমান অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আওয়াজ ভারতের সীা ছাড়িয়ে বিদেশেও আছড়ে পড়ছে। জার্মানির হিন্দু সংগঠনও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে এই বিষয়টি তুলে ধরার কথা বলেছে তারা। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বহু হিন্দু মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বাড়ি ও দোকানে লুটপাট, এমনকি আগুন ধরিয়ে দেওয়ার খবর প্রতিদিন সামনে আসছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। এই অঞ্চলগুলি হল চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, দিনাজপুর ঠাকুরগাঁও, চাপাই নবাবগঞ্জের মতো প্রত্যন্ত ও মফস্বল অঞ্চলে। বাদ নেই ঢাকা ও ঢাকার শহরতলি এলাকাগুলিও। এই ধারাবাহিক অত্যাচারের জন্য মূলত অভিযোগ উঠেছে খালেদার নেতৃত্বাধীন বিএনপি (বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টি) এবং জামাত-ই-ইসলামির বিরুদ্ধে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি জামাত-ই-ইসলামির মৌলবাদী শক্তির হিংসা ও লালসার শিকার হয়েছেন এই আক্রান্তরা। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে প্রায় ৩০টি জেলাতে হিংসার ঘটনা বেশি ঘটছে। 

    আরও পড়ুনঃ চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 214: “কুবীর বলত সাকার আমার মা, নিরাকার আমার বাপ, কাকো নিন্দো, কাকো বন্দো, দোনো পাল্লা ভারী!”

    Ramakrishna 214: “কুবীর বলত সাকার আমার মা, নিরাকার আমার বাপ, কাকো নিন্দো, কাকো বন্দো, দোনো পাল্লা ভারী!”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৪ঠা জুন

    মণিলাল প্রভৃতি সঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ ও নিরাকারবাদ

    মণিলাল (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—আহ্নিক করবার সময় তাঁকে কোন্‌খানে ধ্যান করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হৃদয় তো বেশ ডঙ্কামারা জায়গা, সেইখানে ধ্যান করো।

    বিশ্বাসেই সব—হলধারীর নিরাকারে বিশ্বাস—শম্ভুর বিশ্বাস 

    মণিলাল ব্রহ্মজ্ঞানী, নিরাকারবাদী। ঠাকুর তাঁহাকে লক্ষ্য করিয়া বলিতেছেন (Kathamrita), “কুবীর বলত, সাকার আমার মা, নিরাকার আমার বাপ। কাকো নিন্দো, কাকো বন্দো, দোনো পাল্লা ভারী!

    “হলধারী দিনে সাকারে, আর রাতে নিরাকারে থাকত। তা যে ভাবই আশ্রয় কর, ঠিক বিশ্বাস হলেই হল। সাকারেতেই বিশ্বাস কর, আর নিরাকারেই বিশ্বাস কর, কিন্তু ঠিক ঠিক হওয়া চাই।”

    পূর্বকথা—প্রথম উন্মাদ—ঈশ্বর কর্তা না কাকতালীয় 

    “শম্ভু মল্লিক বাগবাজার থেকে হেঁটে নিজের বাগানে আসত। কেউ বলেছিল, ‘অত রাস্তা, কেন গাড়ি করে আস না, বিপদ হতে পারে।’ তখন শম্ভু মুখ লাল করে বলে উঠেছিল, ‘কি, তাঁর নাম করে বেরিয়েছি আবার বিপদ!’ বিশ্বাসেতেই সব হয়! আমি বলতুম (Kathamrita), অমুককে যদি দেখি, তবে বলি সত্য। অমুক খাজাঞ্চী যদি আমার সঙ্গে কথা কয়! তা যেটা মনে করতুম, সেইটেই মিলে যেত!”

    মাস্টার ইংরেজী ন্যায়শাস্ত্র পড়িয়াছিলেন। সকাল বেলার স্বপন মিলিয়া যায় (coincidence of dreams with actual events) এটি কুসংস্কার হইতে উৎপন্ন, এ-কথা পড়িয়াছিলেন (Chapter on Fallacies) তাই তিনি জিজ্ঞাসা করিতেছেন —

    মাস্টার—আচ্ছা, কোন কোন ঘটনা মেলে নাই, এমন কি হয়েছে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—না, সে-সময় সব মিলত। সে-সময় তাঁর নাম করে যা বিশ্বাস করতুম, তাই মিলে যেত! (মণিলালকে) তবে কি জানো, সরল উদার না হলে এ বিশ্বাস হয় না।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের (Kanthi Cooperative Bank) ভোট এবার করাতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। ভোটের কারচুপি রুখতে এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court)। প্রতিটি বুথে বুথে বাসানো হবে সিসিটিভি। রাজ্য সরকার ও সমবায় ইলেকশন কমিশনকে কড়া নিরাপত্তা এবং সবরকম সুবিধার মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল যে ভোট লুট করে সেই বিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে একাধিকবার অভিযোগ করা হয়েছিল। গত দু’বারের উপনির্বাচনে তৃণমূল সরকার প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ব্যাপক ভাবে ভোট লুট করেছে বলে সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। 

    পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসার চিত্র ভয়াবহ (Supreme Court)!

    সাধারণত লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানো হয়। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে একটি সমবায় ব্যাঙ্কের ভোট হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বারা, ফলে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এই নির্দেশ সত্যই রাজ্য সরকারের আইন শৃঙ্খলা এবং শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। অতীতেও পঞ্চায়েত, লোকসভা, বিধানসভা ভোটে মনোনয়ন, ভোট গ্রহণ এবং নির্বাচন উত্তর রাজনৈতিক হিংসার চিত্র কতটা ভয়বহ রূপ নিয়েছিল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব ক্ষেত্রেই বিরোধীদের অভিযোগের আঙুল ছিল তৃণমূলের দিকে। 

    কেন সুপ্রিমকোর্টে (Supreme Court) নির্দেশ?

    আগামী ১৫ ডিসেম্বর কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের (Kanthi Cooperative Bank) ১০৮টি আসনে প্রতিনিধি নির্বাচন। প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ৪৩০ জন প্রার্থী। কিন্তু সর্বভারতীয় স্তরের একটি পরীক্ষা আছে বলে ভোট গ্রহণ এবং গণনার জন্য স্কুলে জায়গা দিতে কর্তৃপক্ষ রাজি হননি। শেষমুহূর্তে কয়েকটি ভোট গ্রহণের কেন্দ্র বদল হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা করেছিলেন এগরার প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর বেরা। সোমবার ওই মামলার শুনানি ছিল। শঙ্কর বলেন, “আমাদের আইনজীবীদের কাছে খবর পেলাম ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।” তবে আইন শৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা থাকায় মোটপাঁচটি ভোট কেন্দ্রে বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত দেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘বাংলায় ৯০ হাজার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে’’, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তথ্য দিয়ে মমতাকে আক্রমণ অমিত মালব্যর

    শুভেন্দু বনাম তৃণমূল

    উল্লেখ্য দীর্ঘ দিন ধরে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের (Kanthi Cooperative Bank) চেয়ারম্যান ছিলেন শুভেন্দু। তিনি বর্তমানে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। প্রায় তিন বছর ধরে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্ক পরিচালন কমিটি নেই। স্পেশ্যাল অফিসার নিয়োগ করেই ব্যাঙ্ক চলছিল। ওই ব্যাঙ্কের পরিচালন কমিটি গঠনের জন্য ভোটের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মতো ১৫ ডিসেম্বর ভোট করানোর দিন স্থির করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আচমকা রাজ্যে বৃষ্টি, শীতের দুপুরে বদলে গেল বঙ্গের আকাশ, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: আচমকা রাজ্যে বৃষ্টি, শীতের দুপুরে বদলে গেল বঙ্গের আকাশ, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেও নেই জাঁকিয়ে ঠান্ডা। এবার শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। হালকা শীতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে বঙ্গবাসীকে। এবার সেই হালকা শীতও (Winter) দিন কয়েকের জন্য উধাও হবে দক্ষিণবঙ্গ থেকে। পশ্চিম ঝঞ্ঝার জেরে বাড়বে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। একইসঙ্গে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ। ফলে, রাজ্যজু়ড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে বলে হাওয়া (Weather Update) অফিস জানিয়েছে। সকালে রোদের দেখা মিললেও দুপুরের পর হঠাৎ বদলাতে শুরু করে আবহাওয়া। রাজ্যের একাধিক জেলায় দুপুর হতেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বাদ গেল না কলকাতাও। বিকেলের পর শহরের চেহারা বদলে গেল অনেকটাই। শুরু হয়েছে বৃষ্টি। রোদ একেবারে উধাও। আর এই আবহাওয়ার জেরেই কমল ঠান্ডা।

    তাপমাত্রা কত নামবে?(Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা আগামী ৪৮ ঘণ্টায় কমবে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস নামতে পারে। কুয়াশার আধিক্য থাকবে উত্তরবঙ্গে। ঘন কুয়াশার দাপটে সড়ক চলাচল ও বিমান চলাচলে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা। দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে (Weather Update)। সোমবার ও মঙ্গলবার ঘন কুয়াশার দাপট উত্তরবঙ্গ জুড়ে। কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রি থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?

    আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে খবর, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপর একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া এই নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রূপে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যেতে পারে। এর অভিমুখ থাকবে তামিলনাড়ু উপকূল। এই নিম্নচাপের জেরে বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে। সোমবার বিকেলে কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া হালকা বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে। দার্জিলিঙে আগামী কয়েক দিন তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। বৃষ্টি হতে পারে মঙ্গলবার পর্যন্ত। এ ছাড়া, কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরে সোমবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে সিকিমে তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। তার প্রভাব পড়তে পারে সিকিম সংলগ্ন দার্জিলিঙের উঁচু পার্বত্য এলাকা সান্দাকফু এবং টুমলিং-এর মত এলাকায়। এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘‘বাংলায় ৯০ হাজার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে’’, তথ্য পেশ করে মমতাকে আক্রমণ অমিত মালব্যর

    BJP: ‘‘বাংলায় ৯০ হাজার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে’’, তথ্য পেশ করে মমতাকে আক্রমণ অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে রমরমিয়ে চলছে জাল নোটের কারবার। আর তৃণমূল সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না। বরং, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আস্তানায় বানিয়ে ফেলেছেন। বিশেষ করে জাল নোটের রমরমা রুখতে তৃণমূল সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না। এমন অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র অমিত মালব্য (Amit Malviya)। শুধু অভিযোগ নয়, তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে উদ্ধৃত করে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গ দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। যা বানিয়ে ফেলেছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় তৃণমূল বেশ কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    ঠিক কী অভিযোগ করলেন বিজেপির মুখপাত্র? (BJP)

    বিজেপির (BJP) মুখপাত্র অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, ‘‘বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৯০,০০০টিরও বেশি জাল ভারতীয় মুদ্রার নোট (এফআইসিএন) উদ্ধার করা হয়েছে। গত পাঁচ বছরে এই জাল নোট ইস্যু ক্রমবর্ধমান সমস্যা এই রাজ্যকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। হুমকির একটি স্পষ্ট সূচক হল রাজ্যের এই জাল মুদ্রা। এনআইএ এই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ সাফল্য অর্জন করা সত্ত্বেও, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে এই সমস্যাটি মোকাবিলার যথেষ্ট প্রচেষ্টা করা হচ্ছে না। যা গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে রাজ্যে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘ভারত শত্রুরাষ্ট্র’! লিফলেট বিলি ঢাকায়, আওয়ামি লিগ নেতার বাড়ির ২ সদস্যাকে পুড়িয়ে হত্যা

    Bangladesh: ‘ভারত শত্রুরাষ্ট্র’! লিফলেট বিলি ঢাকায়, আওয়ামি লিগ নেতার বাড়ির ২ সদস্যাকে পুড়িয়ে হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে ‘শত্রুরাষ্ট্র’ বলে প্রচার চলছে খোদ ঢাকাতেই। এরপরও বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকাররের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের টনক নড়ছে না। ধর্মকে হাতিয়ার করে ভারত বিরোধিতা এবং হিন্দু নির্যাতনের কুকর্ম অবিরাম ঘটে চলেছে। অপর দিকে হাসিনাকে চক্রান্ত করে দেশ থেকে বিতারিত করার পর, মৌলবী বাজারে আরও এক আওয়ামি লিগ (Awami League) নেতার মা-কাকিমাকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক।

    জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহেরির প্রচার ভারত শত্রুরাষ্ট্র (Bangladesh)

    বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে পশ্চিবঙ্গের একাধিক হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে ভারতকে ওই দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি তোলা হয়েছে। যেখানে ভারতের থেকে পণ্যের উপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয় বাংলাদেশকে। ফলে এই দিকে বিচার না করে ভারতকে ‘শত্রুরাষ্ট্র’ ঘোষণার কথা বলে রীতিমতো লিফলেট বিলি করা হচ্ছে ঢাকার অলিগলিতে। তবে এই কাজে নেমেছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহেরির। দুই পাতার একটি প্রচার পুস্তিকা তৈরি করা হয়েছে। তাতেই মুসলমান সমাজকে একত্র হতে আহ্বান করা হয়েছে। উল্লেখ্য আজ সোমবার ঢাকায় যাচ্ছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি। তার মধ্যে এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    মা-কাকিমাকে পুড়িয়ে হত্যা করে কট্টর মৌলবাদীরা

    মহম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh) প্রধান হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দু নিধন এবং আওয়ামি লিগের (Awami League) কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। মৌলবী বাজার সদর উপজেলার ১১ নম্বর মোস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা জেলা যুব লিগের সহ-সভাপতি শেখ রুমেল আহমদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় চরমপন্থীরা। তখন বাড়িতে ছিল রুমেলের মা এবং কাকিমা। তাঁরা ঘরের বাইরে বের হওয়ার সুযোগ পাননি। বাড়িটি আগুনে সম্পূর্ণ দগ্ধ হয়ে যায়। একই ভাবে এই জেলার আরেক ছাত্র লিগের নেতা হালালের বাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয় কট্টরপন্থী মুসলমানরা। তবে সেখানে কেউ হতাহতের খবর মেলেনি। ক্রম বর্ধমান হিংসার আগুনে যে গোটা দেশ এখন চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে সে কথা অনেকেই মনে করছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর বিরুদ্ধে আরও মামলা চট্টগ্রামে, গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন বাংলাদেশের সাহিত্যিকের

    Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর বিরুদ্ধে আরও মামলা চট্টগ্রামে, গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন বাংলাদেশের সাহিত্যিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভু যাতে আদালতে জামিন না পান, তারজন্য মৌলবাদীরা তাঁর আইনজীবীদের হুমকি দিয়েছিলেন। হামলা চালানোরও অভিযোগ রয়েছে। আপাতত জেলেই রয়েছেন চিন্ময় প্রভু। এই পরিস্থিতিতে তাঁর ওপর চাপ বাড়াতে চিন্ময়কৃষ্ণ দাস-সহ ১৬৪ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম (Bangladesh) আদালতে আরও মামলার আবেদন জমা পড়ল। আদালত চত্বরে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের অনুগামীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ। অভিযোগ আদালত চত্বরে থাকা গাড়ি ভাঙচুরেরও।

    ঠিক কী অভিযোগে মামলা? (Bangladesh)

    চট্টগ্রাম (Bangladesh) আদালতে যিনি চিন্ময় এবং বাকিদের বিরুদ্ধে আরও মামলার আবেদন জানিয়েছেন, তাঁর অভিযোগ, গত ২৬ নভেম্বর তিনি চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গনে ছিলেন। সেখানে তাঁকে মারধর করেন চিন্ময়ের অনুগামীরা। সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ মঞ্চের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এনামুল হক নামের ওই ব্যবসায়ীর। তিনি জানিয়েছেন, মারধরের ফলে তিনি আহত হন। এতদিন অসুস্থতার জেরে অভিযোগ করতে পারেননি। এলাকায় ভাঙচুরের অভিযোগও করেছেন এনামুল। চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মামলা করা হয়েছে। মামলার আবেদন গৃহীতও হয়েছে সেখানে। এমনিতে ২ জানুয়ারির আগে মুক্তির কোনও সম্ভবনা নেই চিন্ময়ের। তার আগে আরও নতুন নতুন মামলা যোগ করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগামী ২ জানুয়ারি চিন্ময়ের জামিনের পরবর্তী শুনানি রয়েছে। কিন্তু যেভাবে নতুন নতুন মামলা যুক্ত হচ্ছে, তাতে ওই দিন তিনি জামিন নাও পেতে পারেন। নয়া মামলায় মারধর, সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। তাই আগামী দিনে চিন্ময়ের জামিন পেতে সমস্যা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সকলেই। আগামী দিনে আরও মামলা দায়ের করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা।

    আরও পড়ুন: ‘কলকাতা দখল! একটা রাফালই যথেষ্ট’, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব শুভেন্দুর

    গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন বাংলাদেশের সাহিত্যিকের

    রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের (Chinmoy Prabhu) গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) বিশিষ্ট সাহিত্যিক ফরহাদ মজহার। একইসঙ্গে তিনি মনে করেন যে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সে দেশের সংখ্যালঘু, সনাতনপন্থীদের অভাব-অভিযোগ ও দাবি-দাওয়া আন্তরিকভাবে শুনতে পারেননি। বাংলাদেশে হাসিনা বিরোধী অভ্যুত্থানের পর সনাতনপন্থীদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি। একটি সাক্ষাৎকারে সাহিত্যিক ফরহাদ মজহার প্রশ্ন করেন, ‘‘চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় গ্রেফতার করার যুক্তি কি? চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আমার কোনওভাবেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রদ্রোহী বলে মনে হয়নি। আমার যা জানা, তাতে এমন কোনও প্রমাণ নেই। তাঁকে এই মামলায় গ্রেফতার করার আইনি ভিত্তিটা কি?’’ কার্যত ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুরই শোনা যায় বাংলাদেশি সাহিত্যিক ফরহাদ মজহারের কণ্ঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Spinach: শীতে কেন খাবেন পালং শাক? কী কী পুষ্টিগুণ রয়েছে সবুজ, সতেজ এই সবজিটিতে?

    Spinach: শীতে কেন খাবেন পালং শাক? কী কী পুষ্টিগুণ রয়েছে সবুজ, সতেজ এই সবজিটিতে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীতের বাজার মানেই হরেক রঙের সবজি। আর তার সঙ্গে হাজির থাকে সবুজ, সতেজ পালং শাক (Spinach)। শীতের মরশুমে বাঙালির পাতে পালং শাক থাকবেই। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধু স্বাদে নয়, গুণেও পালং শাক অতুলনীয়। বিশেষত শীতের সময়ে পালং শাক খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়। একাধিক রোগ মোকাবিলায় পালং শাক খুবই সাহায্য করে। তাই মরশুমের সবজি হিসেবে শীতে পালং শাক খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উপকারী (Spinach)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রার রকমফেরে অনেক সময়েই রক্তচাপ ওঠানামা করে। তাই যাঁদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না, অথবা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় আক্রান্ত, তাঁরা শীতে পালং শাক খেলে বাড়তি উপকার পাবেন। কারণ, পালং শাকে থাকে ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। শীতের শুরুতে কিংবা শীতের বিদায়পর্বে আবহাওয়ার অনেকটাই পরিবর্তন হয়। আর তার জেরেই নানান ভাইরাসের দাপট বাড়ে। ফলে, অনেকেই নানান সংক্রমণের শিকার হন। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি পর্যাপ্ত থাকলে ভোগান্তি কমবে‌। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন এ। এই উপাদান দেহের রক্তের শ্বেত কণিকাকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে বাড়তি সাহায্য করে।

    ত্বকের আর্দ্রতা বাড়াতে বিশেষ সাহায্য

    শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষত প্রবীণদের মধ্যে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা যায়। আদ্রর্তার অভাবেই এই সমস্যা হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাক এক্ষেত্রে বাড়তি উপকারী।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে (Spinach) ভিটামিন এ থাকে। ত্বকের আর্দ্রতা বাড়াতে এই উপাদান‌‌ বিশেষ সাহায্য করে। এছাড়াও, পালং শাকে থাকে ফলিক অ্যাসিড।‌ ফলে এই সবজি খেলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। শীতে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে। তাই হৃদরোগ রুখতে পালং শাক‌ বিশেষ সাহায্য করে।

    তবে, শুধু শীতের সমস্যা কমায় না। পালং শাক শরীরে একাধিক উপকার করে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে থাকে‌ বিটা ক্যারোটিন। এর ফলে চোখ ভালো থাকে। চোখে ছানির ঝুঁকি কমায় এই উপাদান। এছাড়াও পালং শাকে থাকে ক্লোরোফিল। এর ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

    পালং শাক খাওয়ার সময় কোন দিক নজরে থাকবে? (Spinach)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাকের উপকারিতা অনেক। স্বাস্থ্যগুণও প্রচুর। কিন্তু কয়েকটা দিক নজরে রাখা জরুরি। তবেই শরীর ভালো থাকবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাক অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। গ্যাস, পেটব্যথাও হতে পারে। তাই পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। আবার পালং শাক নিয়মিত খেলে কিডনির সমস্যা হতে পারে। কারণ পালং শাক বেশি খেলে শরীরে অক্সালিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত পালং শাক (Vegetable) খেলে এই অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন কিডনির সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হয়‌।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Syria War: রাশিয়ায় আসাদ, সিরিয়ার আইএস ঘাঁটিতে হামলা আমেরিকার, শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ভারত

    Syria War: রাশিয়ায় আসাদ, সিরিয়ার আইএস ঘাঁটিতে হামলা আমেরিকার, শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিরিয়ার (Syria War) দীর্ঘ ১৩ বছরের গৃহযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছে। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ সিরিয়া ছেড়েছেন। রাজধানী দামাস্কাস এখন বিদ্রোহীদের দখলে। ২০০০ সাল থেকে সিরিয়ার কুর্সিতে ছিলেন আসাদ। তাঁর পরিবার ছয় দশক ধরে সিরিয়ার ক্ষমতায় ছিল। ২০১১ সালে সেখানে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা বার বার রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের সাক্ষী থেকেছে। অবশেষে তাতে ইতি পড়ল। পরিবার নিয়ে রাশিয়ায় পৌঁছেছেন সিরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ। তাঁকে আশ্রয় দিয়েছে মস্কো। মানবিক কারণে আসাদকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে, জানিয়েছে রাশিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম স্পুটনিক ইন্টারন্যাশনাল। এই আবহে সিরিয়ায় যাতে ফের আইসিস সক্রিয় না হতে পারে তাই সতর্ক রয়েছে আমেরিকা। সিরিয়ার এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয়রা নিরাপদেই রয়েছেন, বলে সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

    সিরিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয়রা নিরাপদে

    সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাসে সচল রয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন দূতাবাসের কর্মীরা। তাঁদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও করছে দামাস্কাসের ভারতীয় দূতাবাস। সোমবার বিদেশ মন্ত্রক থেকে এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। সিরিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতির উপরেও নজর রাখছে বিদেশ মন্ত্রক। পশ্চিম এশিয়ার ওই দেশের একতা, সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতার পক্ষেও সওয়াল করেছে দিল্লি। সরকারি হিসাবে সিরিয়ায় প্রায় ৯০ জন ভারতীয় রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন রাষ্ট্রপুঞ্জের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। 

    আইসিস ঘাঁটিতে হামলা

    রবিবার রাতে সিরিয়ায় আইসিস ঘাঁটি (US Hits ISIS Camp) লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সিরিয়ায় অবস্থিত অন্তত ৭৫টি আইসিস ঘাঁটিতে গোলাবর্ষণ করেছে তারা। হোয়াইট হাউস থেকে বাইডেন বলেন, ‘‘আইসিস ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সিরিয়ার মসনদের যে কোনও শূন্যতাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে। আমেরিকা সে সম্পর্কে অবহিত। আমেরিকা কখনওই তা হতে দেবে না।’’ আসাদের পতন প্রসঙ্গেও রবিবার হোয়াইট হাউস থেকে মন্তব্য করেছেন বাইডেন। তাঁর কথায়, ‘‘এত দিনে ন্যায়বিচার হয়েছে। সিরিয়ার পীড়িত জনগণের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’’

    রাশিয়ায় আসাদ

    সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাস এখন বিদ্রোহীদের দখলে। রবিবার সকালে সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন আসাদ। তাঁকে বিমানে উঠতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু তিনি কোথায় গিয়েছেন, তা স্পষ্ট হচ্ছিল না।  তবে সোমবার সকালে সে সব জল্পনার অবসান হয়েছে। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ‘বন্ধু’র কাছে আশ্রয় পেয়েছেন আসাদ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মানবিক কারণে তাঁকে নিজের দেশে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সপরিবার মস্কোয় পৌঁছেও গিয়েছেন আসাদ। রাশিয়ার একটি সরকারি সূত্র সংবাদমাধ্যমকে বলেছে, ‘‘সিরিয়া সঙ্কটের একটি সুষ্ঠু রাজনৈতিক সমাধানের কথা দীর্ঘ দিন ধরেই বলে আসছে রাশিয়া। আমরা চাই, রাষ্ট্রপুঞ্জের তৎপরতায় এ বিষয়ে আবার কথাবার্তা শুরু হোক।’’ সিরিয়ায় সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গেও রাশিয়া যোগাযোগ রেখেছে, দাবি সে দেশের সংবাদমাধ্যমের। বিদ্রোহী নেতারা সিরিয়ায় অবস্থিত রুশ সেনাঘাঁটি এবং দূতাবাস সুরক্ষিত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন। মস্কো এ-ও জানিয়েছে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সিরিয়ার জনগণের স্বার্থ সুরক্ষিত এবং রাশিয়া-সিরিয়া সম্পর্কের উন্নতিতে আগ্রহী পুতিন। এ বিষয়ে রাজনৈতিক সংলাপ চালিয়ে যেতে চান তিনি।

    মুক্ত সিরিয়া!

    সিরিয়ার দুই বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘হায়াত তাহরির আল-শাম’ (এইচটিএস) এবং তাদের সহযোগী ‘জইশ আল-ইজ্জা’র যৌথবাহিনী রবিবার সকালে দামাস্কাসে ঢুকে পড়ে। গত কয়েক দিন ধরেই সিরিয়ার একের পর এক শহর দখল করতে শুরু করে বিদ্রোহীরা। রবিবার এক প্রকার বিনা বাধায় রাজধানী ‘দখল’ করে নেয় বিদ্রোহীরা। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি সরকার। রবিবার দামাস্কাসের দখল নেওয়ার পরেই আসাদের ‘স্বৈরাচারী শাসন’ থেকে সিরিয়া মুক্ত হয়েছে বলে জানায় বিদ্রোহীরা। আসাদ দামাস্কাস ছাড়তেই উল্লাস শুরু করেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং তাদের সমর্থকরা। রবিবার রাতে জানা যায়, দামাস্কাসে পৌঁছে গিয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এইচটিএসের নেতা আবু মহম্মদ আল-জুলানিও। দামাস্কাসের উমায়েদ মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে বিজয় ভাষণ দেন তিনি। আসাদের পতনকে সমগ্র সিরিয়াবাসীর জয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    সিরিয়ার বিদ্রোহী নেতা জুলানির পরিচয়

    আক্রমণাত্মক নেতৃত্ব দিয়ে আসাদের শাসনের অবসান ঘটিয়েছেন আবু মহম্মদ আল-জুলানি (Mohammed AL-Julani)। যিনি বর্তমানে সিরিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী সশস্ত্র বিদ্রোহী শক্তি হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) এর প্রধান। এই ইসলামিক গোষ্ঠীর সঙ্গে একসময় আল-কায়েদার সম্পর্ক ছিল। গোপন আস্তানা থেকে জুলানি বলেছেন, সিরিয়ায় বিপ্লবের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল প্রেসিডেন্ট আসাদের সরকারকে উৎখাত করা। এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করা যেখানে জনগণের দ্বারা নির্বাচিত কাউন্সিলের নেতৃত্ব থাকবে। ২০১৮ সালে এই জুলানির মাথার দাম এক কোটি ডলার ধার্য করেছিল আমেরিকা। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৭৪ কোটি টাকা। পরে আমেরিকার সংবাদমাধ্যমে তিনিই দাবি করেছিলেন, নিরীহদের খুনকে তিনি কখনওই সমর্থন করেন না।

    আরও পড়ুন: ‘‘লাশ চাইনি আমি! নতুন সূর্যের উদয় হবে’’, লন্ডনে হাসিনার বক্তব্যে সংখ্যালঘু হত্যা প্রসঙ্গ

    ১৯৮২ সালে সৌদি আরবে জন্ম জুলানির। জন্মের পরে প্রথম সাত বছর কেটেছিলে রিয়াধে। জুলানির বাবা ছিলেন পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার। ১৯৮৯ সালে সিরিয়ায় ফিরে আসে জুলানির পরিবার। ২০০৩ সালে আল-কায়দায় যোগ দিয়েছিলেন জুলানি। ২০১১ সালে আল-কায়েদার অধীনের নতুন ‘জাভাত আল-নুসরা’ গঠন করেন জুলানি। পরে তার নামই হয় এইচটিএস। ২০১৩ সালে আল-কায়দা ও আইসিস-এর সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে জুলানি জানান, নিরীহ মানুষের হত্যা তিনি পছন্দ করেন না। এরপর ২০২২ সালে সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে নিজের সরকারও গঠন করেন জুলানি। এবার দামাস্কাস দখল করল তাঁর এইচটিএস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ইসকনকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা! বাংলাদেশে চরম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে জেহাদিরা, ইউনূস চুপ

    Bangladesh: ইসকনকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা! বাংলাদেশে চরম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে জেহাদিরা, ইউনূস চুপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ইসকন (ISKCON) ক্যান্সারের মতো উপড়ে ফেলতে হবে”, ভয়ঙ্কর গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) ব্যাপক উস্কানি দিচ্ছে জামাতপন্থী কট্টর মোল্লা-মৌলবীরা। ইসকনের মতো আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনায় মানবসেবায়রত একটি ধর্মীয় সংগঠন সম্পর্কে অপপ্রচারের নেমেছে কট্টর ইসলামি জেহাদিরা। একটাই রাগ, মুসলমান শাসিত বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতন হলে ইসকন কেন পাশে দাঁড়ায়? ইসকনের কৃষ্ণমূর্তি পুজো এবং হিন্দু রীতিতে পুজো করা জেহাদিদের কাছে সেরকি। শারিয়া শাসন ইসালাম ব্যাতিত অন্য কোনও ধর্ম-বর্ণের মানুষকে কাফের মনে করে। তাই তো দাবি উঠেছে সারা বাংলাদেশে ইসকনের সকল মঠ-মন্দির, উপাসনাকেন্দ্রকে ভেঙে দিতে হবে। যদিও ইসকন সম্পর্কে কট্টর মুসলমানদের এই ভাবনার তীব্র সমালোচনা করেছে বিশ্বের বহুদেশ।

    বিদ্বেষ এবং হিংসাত্মক ভিডিও মৌলবাদীদের (Bangladesh)

    গত নভেম্বর মাসের শেষে হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে মিথ্যা মামলা দিয়ে বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকার গ্রেফতার করেছে। তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আইনজীবীদের উপর ব্যাপক হামলা করা হয়। শুনানির দিন আদালত চত্বরে প্রবেশ করতে পারেনি কোনও হিন্দু আইনজীবী। এই বিষয়ে সরব হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অথচ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ভারতীয় সেনার অবদানকে অস্বীকার করে ভারতের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি দিচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা। শুধু এখানেই শেষ নয়, ওইদেশে মুসলমানদের একাধিক ধর্মীয় সভা বা ওয়াজ মেহফিলে চূড়ান্ত হিন্দু (ISKCON) বিদ্বেষী মনোভাব নিয়ে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। কখনও বলছে, ‘হিন্দু দোকান থেকে মিষ্টি কেনা পাপ’, ‘ইসকন সামাজিক ক্যান্সার’, আবার বলা হচ্ছে ‘তলোয়ার দিয়ে কোপাতে হবে’। ইসকনকে ক্যান্সারের সঙ্গে তুলনা করে বলা হচ্ছে, ‘‘শরীরের কোথাও ক্যান্সার হলে যেমন অঙ্গ কেটে বাদ দিতে হয়, ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের শেকড় থেকে ইসকনকে উপড়ে ফেলতে হবে। আর যদি এই কাজে কেউ বাধা দেয় তাহলে তাদেরসঙ্গেও একই আচরণ কড়া হবে। ইসকনের সব আস্তানা ভেঙে ফেলতে হবে। অবিলম্বে ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’’ এই রকম নানা বিদ্বেষ এবং হিংসাত্মক কথা কীভাবে বাংলাদেশের আমজনতার সামনে তুলে ধরা হচ্ছে, এই সম্পর্কিত একটি ভিডিও পোস্ট করেন কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। হিন্দুধর্মাবলম্বীরা কতটা অসুরক্ষিত তা আরও একবার প্রমাণিত হল বাংলাদেশে।

    ভেঙে দিতে হবে মুছে দিতে হবে ইসকনকে!

    এই প্রকাশিত ভিডিও-র বক্তব্য শুনলে যে কোনও মানুষের ঘুম ছুটে যাবে। উগ্র মুসলমানরা কীভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) জনমানসের মনে মিথ্যাকথা বলে উস্কানি দেয় তার কথাই এই ভিডিওগুলিতে শোনা যাচ্ছে। এম সাব্বির বিন লোকমান নামক এক বক্তা প্রকাশ্য মাইকে বলছেন, “আমি আসতে আসতে রাস্তায় অনেক পোস্টার এবং মন্দির দেখেছি। ইসকনকে (ISKCON) সারা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে। সারা বাংলাদেশে এদের যেখানে আস্তানা রয়েছে ভেঙে দিতে হবে। যারা এদের দোসর হবে, যারা এদের রক্ষক হবে, তাদেরকেও চিরতরে মুছে দিতে হবে। এরা সমাজে ক্যান্সারের মতো। ক্যান্সারের কোনও উত্তর নেই, যেখানে ক্যান্সার হয়, সেই অঙ্গ কেটে বাদ দিতে হয়, নইলে সারা দেহে ছড়িয়ে যায়। ইসকন কেও শেষ করতে হবে।”

    ইসকনকে কোপাতে হবে!

    আবার বাংলাদেশের (Bangladesh) আরেক মৌলবাদী নেতা রফিকুল ইসলাম মাদানি বলেন, “এখন হাসিনার সময় নেই, রাজনীতি করার সময় নেই, আমাদের ঠান্ডা মাথায় কথা বলা সম্ভব নয়, তলোয়ারের ভাষায় কথা হবে। আগামী ২ এক দিনের মধ্যে ইসকনকে বন্ধ করতে হবে। হাসিনার প্রেতাত্মারা ইসকনের উপর ভর দিয়ে শাসনে ফিরতে চায়। মাহফিলে থাকার সময় নেই। ইসকনের (ISKCON) পান্ডারা আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে যে ভাবে কুপিয়ে মেরেছে, ওদেরকেও কোপাতে হবে। জেহাদের এটাই আসল সময়। প্রত্যেক মুসলমানকে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে হবে। বিধর্মীদের যেখানে পাবে কুপিয়ে মারতে হবে।” এই মন্তব্য অত্যন্ত বিদ্বেষ মূলক।

    আরও পড়ুনঃ চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানিয়ে ইউনূসকে চিঠি দিল বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মঠ-মিশন

    হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক

    কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, “আমি বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে এই ভিডিওগুলি পেয়েছি। বাংলাদেশে মৌলবাদী জেহাদিরা এই ভাবে উস্কানি দিচ্ছে। ইতিমধ্যে ব্রিটেনের ৩ জন সাংসদ ব্যাপক ভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশের রামকৃষ্ণ মিশন শাখা চিঠি লিখে চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর মুক্তি চেয়েছেন। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের করজোরে নিবেদন যে, হিন্দুদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক। ওই দেশের সংখ্যালঘুরাও দেশভক্ত। মৌলবাদীরা ঘুরে ঘুরে উত্তেজক ভাষণ এবং হিংসা ছড়াচ্ছে। অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ এটা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share