Blog

  • RSS: উদ্বোধনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল আরএসএস-র সদর দফতর, ছাড়পত্র দিল ডিউএসি

    RSS: উদ্বোধনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল আরএসএস-র সদর দফতর, ছাড়পত্র দিল ডিউএসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি আরবান আর্টস কমিশন (Delhi Urban Arts Commission), রাজধানীর ঝান্ডেওয়ালান এলাকায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের নতুন কার্যালয় তৈরির ক্ষেত্রে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট প্রদান করেছে। এরফলে আরএসএস-এর (RSS) নয়া অফিস বিল্ডিং উদ্বোধনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    ২৯ অগাস্ট মেলে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট

    প্রসঙ্গত, দিল্লি আরবান আর্টস কমিশন (Delhi Urban Arts Commission) গত ১ অগাস্ট এনিয়ে একটি বৈঠক করে। সেই বৈঠকেই আরএসএস-এর (RSS) ভবনকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট প্রদানের বিষয়টি আলোচিত হয়। তবে তখন প্রয়োজনীয় নথির অভাবে এটি আটকে যায়। এর পরে ফের দিল্লি আরবান আর্টস কমিশন (Delhi Urban Arts Commission) বৈঠকে বসে গত ২৯ অগাস্ট। সেই বৈঠকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট প্রদানের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তারা। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত সদর দফতর কেশব কুঞ্জকে সংস্কার ক্ষেত্রে প্রথম ইঁটটি গেঁথে প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করেছিলেন।

    মোট ৪৬ হাজার ৯৯৯ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থান করছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সদর দফতরটি 

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সদর দফতরটি ১২ তলার হতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। মোট ৪৬ হাজার ৯৯৯ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থান করছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সদর দফতরটি। ২০১৮ সালে নতুনভাবে ভবন তৈরীর ক্ষেত্রে পরিবেশগত সার্টিফিকেট মিলেছিল বলে জানা গিয়েছে সঙ্ঘের সূত্রে। আরএসএস-এর সদর দফতরে থাকছে একাধিক অফিস, মিটিং রুম, সেমিনার হল এবং একটি বড় লাইব্রেরী। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের নয়া সদর দফতরের বিষয়টিতে প্রথম অনুমোদন মেলে ২০১৫ সালের জুলাই মাসে। এই প্রকল্পটি তত্ত্বাবধান করছে কেশব স্মারক সমিতি। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, যেভাবে আরএসএস-এর কাজ বাড়ছে দেশজুড়ে, তাতে সংগঠনের সদর দফতরের সংস্কারের প্রয়োজন ছিল। তবে কবে নাগাদ সদর দফতরের উদ্বোধন হবে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সকাল থেকেই আকাশের মুখভার! দফায় দফায় বৃষ্টি, ৯ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    Weather Update: সকাল থেকেই আকাশের মুখভার! দফায় দফায় বৃষ্টি, ৯ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরৎ না বর্ষা! শহরের আকাশ দেখে বোঝা দায় আর কয়েকদিন পরই মহালয়া। সকাল থেকে মুখ ভার আকাশের। লাগাতার বৃষ্টি (Weather Update) হয়েই চলেছে। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস সত্যি করেই হাজির নিম্নচাপ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। আর তার জেরেই নিম্নচাপ। সেই কারণেই এই বৃষ্টি। বুধবার দক্ষিণবঙ্গের নয় জেলায় ভারী বৃষ্টির (Rain Prediction) হলুদ সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। তবে, মহালয়া পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হবে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গে।

    কোথায় কত বৃষ্টিপাত

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে খবর, বুধবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই। ভারী বৃষ্টি হতে পারে হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। এছাড়াও বৃষ্টিতে ভাসতে পারে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া। এছাড়া কলকাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় আজ বজ্রপাত সহ মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।  অপরদিকে, বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টি হবে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমানে। সুন্দরবন উপকূলে ভারী বৃষ্টি সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় নীচু এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    শহরের আবহাওয়া

    বুধবার, কলকাতায় আকাশ মূলত মেঘলাই থাকবে সারা দিন। বজ্রপাত সহ বৃষ্টি (Rain Prediction) হতে পারে শহর জুড়ে। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে, যা কি না স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ১.৫ ডিগ্রি কম। বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রির আশেপাশে, যা কি না স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি ওপরে। এরপর আগামী কয়েকদিনে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ফের বাড়তে বাড়তে ৩৩ ডিগ্রির ঘরে গিয়ে পৌঁছবে। 

    উত্তরেও বৃষ্টির পূর্বাভাস 

    বুধবার উত্তরবঙ্গেরও সব জেলায় হলুদ সতর্কতা (Weather Update) জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে আজ ভারী বৃষ্টি (Rain Prediction) হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কালিম্পং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে অতিভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা থাকবে। এছাড়া কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টি হবে। শুক্রবার থেকে অবশ্য দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলায় ভারী বৃষ্টি হবে না বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে শুক্রবার ভারী বৃষ্টি জারি থাকবে উত্তরবঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর মামলায় আইনজীবী বদল, অভয়ার মা-বাবার হয়ে লড়বেন বৃন্দা গ্রোভার

    RG Kar Incident: আরজি কর মামলায় আইনজীবী বদল, অভয়ার মা-বাবার হয়ে লড়বেন বৃন্দা গ্রোভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের মামলায় (RG Kar Incident) সুপ্রিম কোর্টে আবার আইনজীবী বদল। চিকিৎসক পক্ষের পর এবার আইনজীবী বদল করলেন তিলোত্তমার মা-বাবা। সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের হয়ে স‌ওয়াল করবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার (Brinda Grover)। জানা গিয়েছে, তিনি এই মামলা লড়ার জন্য তিলোত্তমার মা-বাবার কাজ থেকে এক টাকাও পারিশ্রমিক নেবেন না।

    কেন আইনজীবী বদল 

    তিলোত্তমার পরিবার সূত্রে খবর, তাঁরা চাইছেন ওজনদার কোনও আইনজীবী তাঁদের মেয়ের সুবিচারের জন্য লড়ুক। চিকিৎসকদের পক্ষে যেমন ইন্দিরা জয়সিং জোরাল প্রশ্ন করছেন, তা দেখেই তিলোত্তমার পরিবারের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতদিন তিলোত্তমার বাবা-মা’র হয়ে লড়ছিলেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনিও বিনা পারিশ্রমিকেই নির্যাতিতার পরিবারের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছিলেন। কিন্তু মামলা লড়তে ঘন ঘন দিল্লি যেতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছিল আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের। তাই সব মিলিয়ে বিকল্প ভাবে নির্যাতিতার পরিবার। আগামী সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Incident) পরবর্তী শুনানি। এর আগের দিন শুনানির সময়ই প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত নিয়ে নির্যাতিতার বাবা যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তা প্রকৃত। তিনি যে চিঠি দিয়েছেন, সেটা আদালত সামনে আনবে না। কারণ সেটা গোপনীয়। সিবিআইয়ের জন্য সেগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, বলেও জানায় শীর্ষ আদালত।

    আরও পড়ুন: সকাল থেকেই বুথে ভিড়, কড়া নিরাপত্তায় জম্মু-কাশ্মীরে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ 

    বৃন্দা গ্রোভার কে? 

    আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার (Brinda Grover) একাধিক মানবাধিকার ও মহিলা-শিশুদের বিরুদ্ধে হওয়া নির্যাতনের মামলায় লড়েছেন। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যও তিনি। ১৯৮৭ সালের হাসিমপুরা পুলিশ হত্যা মামলা থেকে শুরু করে ২০০৪ সালের ইসরাত জাহান মামলা, ২০০৮ সালে কন্ধমালে খ্রিস্টান বিরোধী দাঙ্গা মামলাতে লড়েছেন তিনি। শিশুদের যৌন হেনস্থা থেকে সুরক্ষা, নির্যাতন প্রতিরোধ বিলের সংশোধনীর খসড়া তৈরিতেও তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে। আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনা নিয়ে আগে থেকেই ওয়াকিবহাল বৃন্দা। রাত দখল কর্মসুচির উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তাঁর।  আগামী মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানিতেই নিহত চিকিৎসকের পরিবারের হয়ে সওয়াল করতে দেখা যাবে বৃন্দা গ্রোভারকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Deendayal Upadhayay: ‘মাতা শব্দ সরালে, শুধু ভারত মাটির টুকরো’! আজ দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মদিন

    Deendayal Upadhayay: ‘মাতা শব্দ সরালে, শুধু ভারত মাটির টুকরো’! আজ দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের (Deendayal Upadhayay) জন্মদিন। একাধারে তিনি ছিলেন সুলেখক, দার্শনিক অন্যদিকে রাজনীতিবিদ। একাত্ম মানববাদের প্রণেতা পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্ম ১৯১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। একাত্ম মানববাদের মাধ্যমে তিনি একটি বিকল্প রাজনীতির সন্ধান দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাঁর রচিত একাত্ম মানববাদের মাধ্যমেই তিনি ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের মধ্যে মেলবন্ধন স্থাপন করতে পেরেছিলেন। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় বলতেন, ‘‘ভারতবর্ষে জাতীয়তাবোধের ভিত্তি হল ভারত মাতা, যদি মাতা শব্দটা সরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে শুধু ভারত, মাটির টুকরো হয়েই পড়ে থাকবে।’’ 

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের (Deendayal Upadhayay) মতে, ‘‘প্রতিটি মানুষের সম্পূর্ণ গঠন হয় চারটি উপাদানের ভিত্তিতে এগুলি হল শরীর, মন, বুদ্ধি এবং আত্মা। এই চারটি উপাদানের সঙ্গে ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ এই চারটি বিষয় সম্পর্কিত। ধর্ম হল ভিত্তি এবং মোক্ষ হল সর্বোচ্চ প্রাপ্তি।’’ প্রসঙ্গত, অন্যান্য মতাদর্শ যেখানে শুধুমাত্র মন এবং শরীরের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের কথা বলে সেখানে একাত্মমানববাদে ধর্ম এবং মোক্ষেরও ধারণা দিয়েছেন তিনি।

    মৌলিক অধিকার নিয়ে কী বলতেন তিনি?

    দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhayay) একাত্ম মানববাদের মাধ্যমে সমাজব্যবস্থায় সকলের সমান অধিকার এবং সমান সুযোগ-সুবিধার কথা বলেছেন। সামাজিক বিচার, শিক্ষা এসব কিছুকেই তিনি মৌলিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, ‘‘একটি সমাজের ও একটি দেশের অগ্রগতি তখনই সম্ভব যখন প্রত্যেকটি নাগরিক সুস্থ থাকেন।’’ প্রসঙ্গত ভারতীয় সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের ১৪ থেকে ৩৫ নম্বর ধারা পর্যন্ত মৌলিক অধিকারের কথা বলা রয়েছে। এর মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে জীবনের অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার- এই সমস্ত কিছুই। দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মতে, ‘‘জীবনের অধিকার ততক্ষণ পর্যন্ত অসম্পূর্ণ থেকে যায়, যতক্ষণ পর্যন্ত না সুস্থ জীবন যাপনের সুযোগ পাওয়া যায়।’’

    সংক্ষিপ্ত জীবনী (Deendayal Upadhayay)

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhayay) শৈশবকালেই পিতৃমাতৃহীন হন। তাঁর পৈতৃক ভিটে উত্তরপ্রদেশের মথুরাতে হলেও স্কুলজীবনের বড় অংশ অতিবাহিত হয়েছিল রাজস্থানে। জাতীয়তাবাদী এই দেশনেতা অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন নিজের ছাত্রজীবনে। রাজস্থানের সিকার জেলা থেকে তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেন এবং প্রথমস্থান অধিকার করেন। তৎকালীন সিকারের মহারাজা কল্যাণ সিংয়ের কাছ থেকে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন। সনাতন ধর্ম কলেজে স্নাতক স্তরে পড়াকালীন তাঁর বন্ধু বলবন্ত মহাশব্দের হাত ধরে ১৯৩৭ সালে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪২ সালে দেশ ও সমাজের কাজকে নিজের জীবনব্রত করার লক্ষ্যে সঙ্ঘের প্রচারক হন। ১৯৫১ সালে ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার পরে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি হন।

    নীতি নিষ্ঠ রাজনীতি

    ধর্ম সম্পর্কে তিনি বলতেন, ‘‘পাশ্চাত্যের রিলিজিয়ন এবং ভারতের ধর্ম এক নয়।’’ অর্থাৎ ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে ধর্ম হল ধর্ম, তার আলাদা কোনও নাম নেই, যেমন- ছাত্র ধর্ম, ক্ষত্রিয় ধর্ম, পিতৃ ধর্ম, মাতৃ ধর্ম এসব কিছুই ধর্মের মধ্যে পড়ে। তিনি আরও বলতেন, ‘‘ধর্ম হচ্ছে ব্যাপক এবং বিস্তৃত। সমাজকে সংগঠিত করতে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’ নীতিনিষ্ঠ এবং মূল্যবোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস রাখতেন পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়। তিনি মনে করতেন, সুযোগ সন্ধানী এবং সুবিধার রাজনীতি, দিনের পর দিন চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের রাজনীতির ওপরেই বিশ্বাসটা উঠে যায়। ১৯৬৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত হন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Durga Puja 2024: দশমীর দিন সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন হিন্দু বধূরা, কবে শুরু হয়েছিল এই রীতি?

    Durga Puja 2024: দশমীর দিন সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন হিন্দু বধূরা, কবে শুরু হয়েছিল এই রীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বছর অপেক্ষার পর মহালয়া শুরু হলেই চারদিকে পুজো পুজো (Durga Puja 2024) গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। আনন্দে মেতে ওঠে মন। আর দশমী আসা মানেই মন বিষাদে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। দশমী মানেই বিজয়া। এবার মাকে বিদায় দেওয়ার পালা। সিঁদুরে রাঙা মায়ের মুখখানি যে বড়ই প্রিয় আম বাঙালির। মিষ্টিমুখ করিয়ে ঘরের মেয়ে উমাকে এবার কৈলাসে পাঠানোর শুরু হয় তোড়জোড়। আর এই সূত্র ধরেই সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন বাড়ির বধূরা। বিজয়া দশমীর একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল সিঁদুর খেলা। হিন্দু বিবাহ রীতিতে সিঁদুরদান একট লৌকিক আচার। স্বামীর মঙ্গল কামনায় সিঁদূর পরেন বিবাহিত মহিলারা। দুর্গা বিবাহিত হওয়ায় তাঁকে সিঁদুর লাগিয়ে, মিষ্টি মুখ করিয়ে বিদায় জানানো হয়।

    সিঁদুর খেলার প্রচল কবে? (Durga Puja 2024)

    সিঁদুর খেলার (Sindur Khela) প্রচলন ঠিক কবে থেকে, তার সঠিক কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। ইতিহাসবিদ ও শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিতদের কেউ কেউ বলেন, দুশো বছর আগে সিঁদুর খেলার প্রচলন হয়েছিল। তখন বর্ধিষ্ণু জমিদার পরিবারগুলিতে দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জনের আগে বাড়ির মহিলারা একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে স্বামী ও পরিবার পরিজনদের মঙ্গল কামনা করতেন। আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী, সিঁদুর খেলার ঐতিহ্য চারশো বছরের পুরনো। অন্য কোনও কারণ নয়, শুধুমাত্র খেলার ছলেই এই প্রথার চল হয়। মায়ের বিসর্জনের দিন সকলের মনই ভারাক্রান্ত থাকে। তাই ওইদিন একটু আনন্দ-উল্লাসের জন্যই সিঁদুর (Durga Puja 2024) খেলার প্রবর্তন হয়। সেই ঐতিহ্যই সমান ভাবে চলছে আজও।

    পুরাণ মতে সিঁদুর খেলা

    পুরাণ মতে, ৯ দিন ৯ রাত্রি মহিষাসুরের সঙ্গে যুদ্ধ হয় দশভূজা দুর্গার। দশমীর দিনে মহিষাসুর বধ করেন দুর্গা। অধর্মের ওপর ধর্ম ও অসত্যের ওপর সত্যের জয়ের দিন এটি। সেই জয়কে চিহ্নিত করতেই দশমীর আগে বিজয়া শব্দটি ব্যবহৃত হয়। দশমীর দিনে এই জয়লাভ বলে দিনটিকে বিজয়া দশমী বলা হয়। পুরাণ মতে সিঁদুর ব্রহ্মের প্রতীক। বিবাহিত রমণীরা সেই ব্রহ্মস্বরূপ সিঁদুর সিঁথিতে ধারণ করে থাকেন স্বামী ও পরিবারের মঙ্গলকামনায়। শ্রীমদ্ভগবত অনুসারে, গোপিনীরা কাত্যায়নী ব্রত পালন করতেন। যমুনা নদীর তীরে মাতার মাটির মূর্তি স্থাপন করে, ধূপ-ধুনো জ্বালিয়ে এই ব্রত পালিত হত। এরপর গোপীনিরা নাকি সিঁদুর খেলায় মেতে উঠতেন। একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে তাঁরা আসলে শ্রীকৃষ্ণের মঙ্গল কামনা করতেন বলেই কথিত রয়েছে।

    সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন সকলে

    বারোয়ারি মণ্ডপ (Durga Puja 2024) হোক অথবা বাড়ির পুজো, শাড়ি পরে মাতৃ জাতিকে সিঁদুর খেলতে দেখা যায়। শুধুমাত্র বিবাহিত বা প্রচলিত ভাষায় সধবা মহিলারা নন, এখন অবিবাহিত মহিলারা, প্রচলিত ভাষায় যাদের কুমারী মেয়ে বলা হয়, তাঁদেরকেও দেখা যায় সিঁদুর খেলায় মেতে উঠতে। কথিত আছে যে এই সিঁদুর লাগালে বিবাহিতরা সৌভাগ্যবতী হওয়ার বর পান। বাঙালি মহিলাদের মধ্যে সিঁদুর খেলার সাথে ধুনুচি নাচও দেখা যায়। মনে করা হয় মা দুর্গা ধুনুচি নাচে খুশি হন। প্রাচীনকালে লাল সিঁদুরকে ভারতীয় নারীরা বেছে নিয়েছিলেন তাঁদের অন্যতম প্রসাধনী হিসেবে। গালে সিঁদুর মেখে, হাতে প্রসাদের রেকাবি নিয়ে সেলফি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করাটাও এখন রীতি হয়ে গিয়েছে। পুজো মানে তো প্রেমের মরসুম। মণ্ডপের পুষ্পাঞ্জলিতে শাড়ি-পাঞ্জাবিতে প্রেমিক-প্রেমিকাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ে। দশমীর দিন তাই প্রেমিকের হাতে সিঁদুরের ছোঁয়া না পেলে প্রেমটাও ঠিক জমে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Kalighat Chalo: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে আজ ‘কালীঘাট চলো’ অভিযান বিজেপির

    BJP Kalighat Chalo: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে আজ ‘কালীঘাট চলো’ অভিযান বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপিকে কর্মসূচি করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court)। আজ বুধবার বিজেপির ‘কালীঘাট চলো’ অভিযান রয়েছে। সভায় পুলিশের অনুমতি না মেলায় গেরুয়া শিবির দ্বারস্থ হয়েছিল উচ্চ আদালতের। হাইকোর্ট বিজেপিকে হাজরা মোড়ে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। বিচারপতি ভরদ্বাজ নির্দেশ দিয়েছেন, বুধবার দুপুর থেকে ওই কর্মসূচি করতে পারবে রাজ্য বিজেপি। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো, দুপুর ২টো থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কর্মসূচি করতে পারবে রাজ্য বিজেপি। তবে ২০০-৩০০ জনের বেশি জমায়েত করা যাবে না বলে জানিয়েছে উচ্চ আদালত (Calcutta High court)। আদালতের আরও নির্দেশ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করতে হবে পুলিশকে।

    আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার আন্দোলনে বিজেপি (BJP)

    গত ৯ অগাস্ট মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্য বিজেপি (BJP) লাগাতার স্বাস্থ্য ভবন অভিযান, লালবাজার অভিযান, জেলা শাসকের দফতর অভিযান, ব্লক অফিস ঘেরাও, থানা ঘেরাও-সহ একাধিক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানে পুলিশের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে ঠিক পরের দিনই ২৮ অগাস্ট রাজ্য়জুড়ে বনধের ডাক দেয় বিজেপি। সারা রাজ্যে বনধের ব্যাপক প্রভাবও পড়ে। আরজি কর কাণ্ডের দেড় মাস পরেও এতটুকু আন্দোলনের ঝাঁঝ কমেনি গেরুয়া শিবিরের। ঠিক এই আবহে ফের একবার আজ বুধবার কালীঘাট চলো অভিযান হতে চলেছে।

    ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত একাধিক কর্মসূচি 

    প্রসঙ্গত, গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকেই ফের একবার লাগাতার কর্মসূচি শুরু করেছে বিজেপি। ১৮ সেপ্টেম্বর পথসভা শুরু হয়েছে বিজেপির। চলবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিটি ওয়ার্ডে পথসভা করবেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। পঞ্চায়েত এলাকায় দু’ থেকে তিনটি করে পথসভা করবে বিজেপি (BJP)। এক কোটি সই সংগ্রহ করে তা বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে সাংসদ ও বিধায়করা তুলে দেবেন রাজ্যপালের হাতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: সকাল থেকেই বুথে ভিড়, কড়া নিরাপত্তায় জম্মু-কাশ্মীরে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ

    Jammu Kashmir: সকাল থেকেই বুথে ভিড়, কড়া নিরাপত্তায় জম্মু-কাশ্মীরে চলছে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই বুথের সামনে মানুষের লম্বা লাইন। সন্ত্রাস ভুলে গণতন্ত্রের উৎসবে মেতেছেন উপত্যকাবাসী। আজ বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর জম্মু-কাশ্মীরে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন (Jammu Kashmir Assembly Election 2024) শুরু হয়েছে। নিয়ম মেনে সকাল ৭টা থেকে ২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Vote) চলছে। এই ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে আঁটসাঁট নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলবে।

    নিরাপত্তা বলয়ে উপত্যকা

    জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) মিলিয়ে ৬টি জেলার মোট ২৬টি আসনে এদিন ভোটগ্রহণ চলছে। দীর্ঘ ১০ বছর পর জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা উপত্যকা। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে আধা সেনাও। বিভিন্ন কেন্দ্রে চলছে টহলদারি। শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব জায়গার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রইসি, রাজৌরি এবং পুঞ্চে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কারণ, গত কয়েক মাস ধরে এই অঞ্চলে জঙ্গি কার্যকলাপের নানা ঘটনা ঘটেছে। বুধবার যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে দিকে সজাগ নজর রেখেছে প্রশাসন। প্রসঙ্গত, গত বুধবার প্রথম দফার ভোট সম্পন্ন হয়েছে। তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে আগামী ১ অক্টোবর। ভোটের ফলাফল ৮ অক্টোবর। ভোটকে কেন্দ্র করে উপত্যকায় অশান্তির চেষ্টা করেছিল সীমান্ত পেরিয়ে আসা জঙ্গিরা। কিন্তু ভারতীয় সেনার তৎপরতায় তা ব্যর্থ হয়েছে।

    কোথায় কোথায় ভোটগ্রহণ

    বুধবার মধ্য-কাশ্মীরের তিন জেলা বদগাম, গান্ডেরবাল এবং শ্রীনগরে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। অন্যদিকে, জম্মুর তিন জেলা রইসি, রাজৌরি ও পুঞ্চে ভোট হচ্ছে। এগুলির মধ্যে শ্রীনগরে আটটি, বদগাম জেলায় পাঁচটি, রাজৌরিতে পাঁচটি, পুঞ্চে তিনটি, গান্ডেরবালে দু’টি এবং রইসিতে তিনটি বিধানসভা আসন রয়েছে। মোট ২৩৯ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে এই দ্বিতীয় দফা ভোটে। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়ে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফায় ২৫ লক্ষ ৭৮ হাজার মানুষ ভোট দেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 25 September 2024: কোনও ভুল কাজ করার জন্য অনুতপ্ত হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 25 September 2024: কোনও ভুল কাজ করার জন্য অনুতপ্ত হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পড়াশোনার খুব ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য অনুতপ্ত হবেন।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে। 

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভাল।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) কাজের জায়গায় আঘাত লাগা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভবান হবেন।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) সুবক্তা হিসাবে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ রয়েছে।

    ৩) সমাজে আপনার প্রশংসা বৃদ্ধি পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: খাবারে মেশানো হচ্ছে মানব বর্জ্য, নয়া ফরমান যোগী রাজ্যে

    Yogi Adityanath: খাবারে মেশানো হচ্ছে মানব বর্জ্য, নয়া ফরমান যোগী রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাবারে মেশানো হচ্ছিল থুতু। প্রস্রাবও মেশানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। না জেনে পয়সা দিয়ে সেগুলোই কিনে খাচ্ছিলেন খদ্দেররা (UP Eateries)। খাবারে এসব মেশানের অভিযোগ কানে যায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath)। তার পরেই নয়া ফরমান জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। তাতে বলা হয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি খাবারের দোকানের নাম, অপারেটরের ঠিকানা, দোকানের মালিকের নাম এবং ম্যানেজারের নাম প্রদর্শন করতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। শুধু তাই নয়, হোটেল-রেস্তরাঁর শেফ এবং ওয়েটারদের মাস্ক এবং গ্লাভস পরতে হবে। নজরদারি চালানোর জন্য হোটেল-রেস্তরাঁয় বসাতে হবে সিসিটিভিও।

    রুটিতে থুতু! (Yogi Adityanath)

    ঘটনার সূত্রপাত একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে ঘিরে। ১২ সেপ্টেম্বর ভিডিওটি ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, সাহারানপুরের একটি খাবারের দোকানে রুটি বানাচ্ছিল এক কিশোর। আটা মাখানোর সময় সে তাতে থুতু ফেলছিল। ভিডিওর সূত্রে গ্রেফতার করা হয় ওই কিশোরকে। সে কেন এমন করছিল, তাও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। 

    ফলের রসে প্রস্রাব!

    কেবল ওই কিশোরই নয়, খাবারে মানব বর্জ্য ব্যবহারের অভিযোগে গত সপ্তাহে গাজিয়াবাদে গ্রেফতার করা হয়েছে এক ফলের রস বিক্রেতাকে। অভিযোগ, সে ফলের রসের সঙ্গে প্রস্রাব মিশিয়েছিল। জুন মাসেও দুই ফলের রস বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছিল নয়ডার পুলিশ। অভিযোগ, ফলের রসে থুতু মিশিয়ে বিক্রি করছিল তারা।

    আরও পড়ুন: এবার যে কোনও ব্যাঙ্ক থেকে তোলা যাবে পেনশন, নিয়ম বদল ইপিএফও-র

    ধারাবাহিক এই ঘটনাপ্রবাহের পরেই নড়েচড়ে বসে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সরকার। লখনউয়ে হয় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। সেই বৈঠকে খাবারে মানব বর্জ্যের উপস্থিতিকে ঘৃণ্য বলে অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আদিত্যনাথ। বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের ধাবা, রেস্তরাঁ এবং খাবারের দোকানগুলিতে নিয়মিত তদন্ত করতে হবে। প্রতিটি কর্মীর পুলিশ ভেরিফিকেশনও করতে হবে। খাদ্যের গুণমান এবং পবিত্রতা যাতে বজায় থাকে, সেজন্য যাবতীয় পদক্ষেপ করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই জাতীয় ঘটনা ঘৃণ্য। মানব শরীরে এর কুপ্রভাবও পড়ছে। তাই এসব কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরে পরেই উত্তরপ্রদেশ সরকারের (UP Eateries) তরফে জারি হয়েছে নয়া ফরমান (Yogi Adityanath)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দুই সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদ

    RG Kar: আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দুই সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিকেলে সিজিও কমপ্লেক্সে গেলেন আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজে নির্যাতিতার দুই সহপাঠী। তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হয়। সিবিআই সূত্রের খবর, তাঁদের সঙ্গে তদন্তকারীরা আগেও কথা বলেছেন। দুই পিজিটিকে সঙ্গে নিয়ে আসেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়। তিনি বেরিয়ে বলেন, “আমাকে কিছু নথি জমা দিতে বলা হয়েছিল। সে সব নথিতে আমি সই করলাম। দুই পিজিটিকে কেন আসতে বলা হয়েছিল, সেই নিয়ে কিছু বলতে পারব না। কারণ, তদন্ত চলছে।” একইসঙ্গে এদিন হাসপাতালের প্রাক্তন সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠকেও সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।

    ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা ছিলেন দুই পিজিটি! (RG Kar)

    নির্যাতিতার (RG Kar) ওপর নৃশংসতার তদন্তে নেমে সিবিআই-এর হাতে উঠে আসছে একের পর এক নাম। আর তার সঙ্গে ঘটনার মোড় ঘুরছে নিত্যনতুন। এবার নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করে খুনকাণ্ডে তলব করা হয়েছিল আরজি করের ২ পিজিটি-কে। ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন এই দুই পিজিটি। মঙ্গলবার তাঁদের সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও  করা হয়। এদিন হাসপাতাল সুপারের গাড়িতে ওই দুই মহিলা পিজিটি সিজিও-তে যান। কেন তাঁরা ঘটনার পর থেকে কার্যত দু’মাস বেপাত্তা ছিলেন, সেই তথ্যই জানতে চান তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই সিবিআই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে পিজিটি জুনিয়র চিকিৎসকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

    আরও পড়ুন: কেষ্টর বাড়ি ফেরার দিনেই মমতার বীরভূম সফর! ‘‘বড় মিলন উৎসব’’, কটাক্ষ দিলীপের

    নির্যাতিতার সঙ্গে ঝগড়া

    এবার এই দুই মহিলা পিজিটি-কে সিবিআই (CBI) দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ঘটনার পর থেকেই এই দুই মহিলা পিজিটির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সূত্রের খবর, সিবিআই আগে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমন কিছু জানতে পেরেছিলেন, যার সঙ্গে এই দুই মহিলা পিজিটি-র নিশ্চিত যোগ রয়েছে। আরজি কর সূত্রে জানা যাচ্ছে, একজন মহিলা পিজিটির সঙ্গে নির্যাতিতার (RG Kar) ঝগড়া হয়েছিল। আর ঝগড়া এমন পর্যায়ে পৌঁছয়, যে ডাক পাওয়া মহিলা পিজিটি বলেছিলেন, তিনি চেস্ট মেডিসিন ছেড়ে দেবেন। তিনি মূলত দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা। ঘটনার পর তিনি বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। আরও এক মহিলা পিজিটিও বেপাত্তা ছিলেন। এতদিন ধরে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছিল না। আন্দোলন থিতু হওয়ার পর তাঁরা হাসপাতালে ফিরে আসেন।

    ফের সিজিওতে চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলায় প্রতিদিনই সিজিও দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। মঙ্গলবার দুপুরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে পৌঁছন চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। তিনি নির্যাতিতার দেহের ময়নাতদন্ত করেছিলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ছিলেন সিজিওতে। যদিও কী কারণে তাঁকে তলব করা হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। সিবিআই দফতর থেকে বার হওয়ার পর কোনও মন্তব্য করতে চাননি চিকিৎসক। এর আগেও দু’বার তাঁকে তলব করা হয়েছিল সিবিআই দফতরে। রবিবার সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতর থেকে বের হয়ে তিনি দাবি করেছিলেন, মৃতার দেহের দ্রুত ময়নাতদন্ত করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল। মৃতার কাকা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তির তরফে এই চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share