Blog

  • RG Kar: মমতার উৎসব-মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতায় সুকান্ত-শমীকরা, ধিক্কার জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররাও

    RG Kar: মমতার উৎসব-মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতায় সুকান্ত-শমীকরা, ধিক্কার জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার ‘উৎসব মন্তব্য’-এর তীব্র বিরোধিতা (RG Kar) করছেন রাজ্য বিজেপির নেতারা। গতকালই মমতার এমন মন্তব্যের জেরে ফুঁসছে রাজ্যের নাগরিক সমাজের বড় অংশ। এবার এনিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া শোনা গেল গেরুয়া শিবিরের নেতাদের (West Bengal BJP) গলায়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এনিয়ে বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে কী মনে করেন? গোটা রাজ্যের মানুষ কি ওঁর দলের চাকর বাকর নাকি! উনি ঠিক করে দেবেন মানুষ কখন আন্দোলন শেষ করবে?’’

    উনি ওনার ভাইপো ভাতিজাকে নিয়ে উৎসব পালন করবেন

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সুকান্তর বক্তব্য, ‘‘গোটা বাংলা ভারাক্রান্ত (RG Kar)। জীবনে কখনও যে মা মিছিলে হাঁটেননি, তিনিও পথে। নির্যাতিতাকে সকলে কন্যা, মা, সহোদরা মনে করে আন্দোলনে নেমেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত সমব্যথী হয়ে রাজ্যের মানুষকে সমবেদনা জানানোর। তা না করে আন্দোলনকে ভয় পেয়ে তিনি মানুষকে পুজোর আনন্দে মাততে বলছেন! এটা নিন্দনীয়।’’ সুকান্ত মজুমদারের আরও সংযোজন, ‘‘বাংলার মানুষ এই উৎসব মন খারাপ নিয়েই পালন করবে। দেবী দুর্গা আসেন, উমাকে নিজের ঘরের মেয়ের মত বরণ করি আমরা। এবার বাঙালি মন খারাপ করেই পালন করবেন পুজো। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর আনন্দ উচ্ছ্বাস হয়েছে। উনি ওনার ভাইপো ভাতিজাকে নিয়ে পালন করবেন কোনও অসুবিধা নেই।’’

    মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা শমীক ভট্টাচার্যের

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে তীব্র আক্রমণ করেছেন বিজেপির (West Bengal BJP) রাজ্যসভা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘‘এই কথায় স্বৈরাচারীর স্বর রয়েছে। উৎসব তো হয় মনের আনন্দে। মনে আনন্দ থাকলে (RG Kar) তবেই তো উৎসব। উনি তো মানুষের আনন্দটাই কেড়ে নিয়েছেন। তাই মানুষই মানুষের পথ ঠিক করবে।’’ শমীক ভট্টাচার্যের আরও দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর নিজের দলের নিচু তলার কর্মী-সমর্থকেরাও বিচারের দাবিতে পথে নেমেছেন।

    মমতার মন্তব্যকে ধিক্কার জানালেন জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar)

    মুখ্যমন্ত্রীর এমন কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররাও। তাঁদের একজনের কথায়, ‘‘আমরা সেদিনই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করব, সেদিনই দেবী দুর্গাকে আহ্বান করতে পারব যেদিন আমাদের অভয়া বিচার পাবে। তাঁর আগে আমাদের কোনও উচ্ছ্বাস নেই।’’ আরেক আন্দোলনকারীদের কথায়, ‘‘খুবই দুঃখজনক। আমরা এই বক্তব্যকে ধিক্কার জানাই। যেখানে সারা বিশ্ব জাস্টিসের দাবিতে কথা বলছে, আর উনি খেলা-মেলা-উৎসব দিয়ে মানুষকে ভোলাতে চাইছেন। আর কিছু বলার ভাষা নেই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: দাবি মানলে তবেই কাজে ফেরার কথা বিবেচনা! আজ ফের স্বাস্থ্যভবন অভিযান জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar: দাবি মানলে তবেই কাজে ফেরার কথা বিবেচনা! আজ ফের স্বাস্থ্যভবন অভিযান জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) ইসুতে ক্রমশই ঝাঁঝ বাড়ছে আন্দোলনের। এরই মধ্যে গতকাল সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উৎসবে ফেরার মন্তব্য আন্দোলনকারীদের ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি দিয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে। ঠিক এই আবহে আজ মঙ্গলবার করুণাময়ী থেকে স্বাস্থ্যভবন পর্যন্ত অভিযানের (Swasthya Bhawan Rally) ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রসঙ্গত ৯ অগাস্ট আরজি করের মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের পর থেকেই তীব্র আন্দোলন তৈরি করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। বিচারের দাবিতে তাঁরা পথে নেমেছেন। এর আগে লালবাজারের অভিযানও করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালের সামনে ১ মাস ধরেই চলছে লাগাতার অবস্থান।

    মমতা সরকার দাবি মানলে তবেই কাজে ফেরার কথা বিবেচনা (RG Kar) 

    প্রসঙ্গত, সোমবার জেনারেল বডির বৈঠকের পরে রাত ১১টা নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করে জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar) জানিয়ে দেন, তাঁরা যে পাঁচ দফা নিয়ে আন্দোলন করছেন, সেই দাবি পূরণ করতে হবে রাজ্য সরকারকে। যদি আজ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার (সুপ্রিম কোর্ট সেই ডেডলাইন দিয়েছে) মধ্যে রাজ্য সরকার তাঁদের (জুনিয়র ডাক্তারদের) দাবি মেনে নেয়, তবেই কর্মবিরতি (Swasthya Bhawan Rally) তোলার বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা হবে। প্রসঙ্গত আগেই জুনিয়র ডাক্তাররা পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি এ বার রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা (ডিএইচএস) এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা (ডিএমই)-র ইস্তফাও চাইলেন তাঁরা।

    জুনিয়র ডাক্তাররা প্রথম থেকে যে পাঁচ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন

    পাঁচ দফা দাবিগুলি হল— 

    ১) আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত সমস্ত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে এবং অপরাধের উদ্দেশ্য সামনে এনে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। 

    ২) তথ্যপ্রমাণ লোপাটের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যাঁরা জড়িত তাঁদের চিহ্নিত করতে হবে। 

    ৩) সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে ‘ব্যর্থ প্রমাণিত’ কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েলকে ইস্তফা দিতে হবে। 

    ৪) রাজ্যের (RG Kar) সব মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। 

    ৫) রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভয়মুক্ত ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুনিশ্চিত করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘আমার বাড়িতে আর কোনওদিন…’’, মমতার উৎসব-মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নির্যাতিতার মা

    RG Kar Incident: ‘‘আমার বাড়িতে আর কোনওদিন…’’, মমতার উৎসব-মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর ঠিক এক মাস পরে পুজো। মা, আসবেন আগমনীর সুরে। শহরের বাতাসে কিন্তু এখনও বিদায়ের বিষাদ সুর। আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের নৃশংস ঘটনারও এক মাস হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিচার পায়নি ‘অভয়া’। বিচারের দাবিতে এখনও পথে নেমে আন্দোলন অব্যাহত। কেউ পুজো বয়কটের ডাক দিয়েছেন, আবার কারও কথায় পুজো পুজোর জায়গায়, তবে আন্দোলন চলবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য সোমবার সকলকে আসন্ন উৎসবে সামিল হওয়ার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর এই মন্তব্যেই ভেঙে পড়েছেন নির্যাতিতার মা। তাঁর কথায়, ‘‘আমার দুর্গার বিসর্জন হয়ে গিয়েছে। আমার ঘরের প্রদীপ নিভে গিয়েছে।’’

    কী বললেন নির্যাতিতার মা

    আরজি করের (RG Kar Incident) নির্যাতিতার মা বলেন, ‘‘দেশের মানুষ আমার মেয়েকে নিজেদের মেয়ে বলে মেনেছে। এখন যদি তাঁরা উৎসবে ফিরতে চান তাহলে ফিরতে পারেন। আমার কিছুই বলার নেই। কিন্তু আমার বাড়িতে আর কোনওদিন দুর্গাপুজো হবে না। আগে হত, মেয়ে পুজোয় থাকত। আমার বাড়িতে আর কখনও পুজোর আলো জ্বলবে না।  প্রদীপের আলো চিরকালের মতো নিভে গিয়েছে।’’ এই প্রসঙ্গে তাঁর স্পষ্ট কথা, যতদিন বিচার পাবেন না, ততদিন তিনি পথে থাকবেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আবার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ‘‘পুলিশ প্রশাসন আন্দোলনকে থামাতে উঠে-পড়ে লেগেছে। এক মাসে ২৩ জন রোগীর মৃত্যুর কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণত আরও অনেক রোগী অনেক সময়ই মারা যায়। এর সঙ্গে আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক থাকার কথা নয়।’’

    মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য

    নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, পুজোকে কেন্দ্র করে অনেক গরিবলোকের রুজি-রোজগার হয়। মনে রাখতে হবে অনেক বিদেশি অতিথিরা আসেন। সারা দেশ থেকে অনেক মানুষ আসেন। উৎসব কিন্তু সবার। তিনি বলেন, ‘‘এক মাস তো হয়ে গেল। আজ নয় তারিখ। এক মাস একদিন। ৩১ দিনের মাস গিয়েছে। আমি অনুরোধ করব, পুজোতে ফিরে আসুন, উৎসবে ফিরে আসুন।’’ 

    আরও পড়ুন: হাসপাতালে ‘থ্রেট কালচার’ ছড়ানোর অভিযোগে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    ‘আন্দোলনই এখন জনসাধারণের মহোৎসব’  

    মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য কেউ ভালভাবে নেননি। ক্ষোভে ফেটে পড়েছে আম জনতা থেকে আন্দোলনকারীরা। রাত দখলের ডাক দিয়েছিলেন রিমঝিম সিং। মমতার সোমবারের বক্তব্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘জনসাধারণ এখন মহোৎসবেই রয়েছেন। কারণ, আন্দোলনকেই তাঁরা মহোৎসব বলে মনে করছেন। তাঁরাই তো ঠিক করবেন কোনটা উৎসব।’’ একই সঙ্গে রিমঝিমের দাবি, ‘‘এই আন্দোলন তো এই একটি ঘটনার জন্য নয়। ভবিষ্যতেও যাতে এমন না ঘটে, সেই দাবিতেই মানুষ পথে নেমেছেন। আন্দোলন থেকে যে সব দাবি উঠেছে, তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য প্রসাশন কোনও পদক্ষেপ করেনি। তাই মানুষই ঠিক করবেন, কোন উৎসবকে বেছে নেবেন তাঁরা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    RG Kar Incident: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপের মুখে কার্যত বাধ্য হয়ে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনের বিরুদ্ধে নোটিশ পাঠালেন আরজি কর কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, এঁরা হাসপাতালের ভিতরে-বাইরে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। এঁদের আচরণ হাসপাতালের গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা করার পক্ষে অনুকূল নয়। এরকম ৫১ জন ডাক্তারের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করল আরজি কর হাসপাতাল (RG Kar Incident) কর্তৃপক্ষ। তাঁদের ১১ সেপ্টেম্বর এনকোয়ারি তথা অনুসন্ধান কমিটির কাছে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, কমিটির অনুমতি ছাড়া হাসপাতালের ক্যাম্পাসে তাঁরা ঢুকতেও পারবেন না। বুধবার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে ওই চিকিৎসকদের নিয়ে পরবর্তী কথা ভাববে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    ওই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সোমবার হাসপাতালে (RG Kar Incident) স্পেশাল কাউন্সিলের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে একাংশ চিকিৎসক ও ছাত্রের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কলেজ কাউন্সিলিংয়ের বিশেষ বৈঠকে সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ সৌরভ পাল, আশিস পাণ্ডে, রোহন কুণ্ডু-সহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, এই ৫১ জন সন্দীপ ঘোষের হয়ে আরজি করে থ্রেট কালচার তৈরি করেছিলেন। দাবির প্রেক্ষিতে ৫১ জনকে বুধবার তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হ‌ওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসে ভয়ের পরিবেশ তৈরি, পরীক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের ফেল করানো, আর্থিক অনিয়ম, বিভাগীয় প্রধানদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য পাক-চিনের মোকাবিলা, ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটির অস্ত্র আসছে সেনার হাতে

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নোটিস

    হাসপাতাল (RG Kar Incident) কর্তৃপক্ষ যে নোটিস দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে ৫১ জনের মধ্যে ২০ জন হলেন হাউজ স্টাফ। দুজন সিনিয়র রেসিডেন্ট, একজন রিসার্চ সায়েন্টিস্ট, এগারো জন ইন্টার্ন। ওই নোটিসেই বলা হয়েছে, এই ৫১ জন ডাক্তার হাসপাতালের মধ্যে কোনও কার্যকলাপে আপাতত থাকতে পারবেন না। একমাত্র এনকোয়ারি কমিটি ডাকলে তবেই তাঁরা হাসপাতালে ঢুকতে পারবেন। ক্যাম্পাসে ঢোকার ক্ষেত্রেও তাঁদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘টাকার কথা বলিনি’ মন্তব্য মমতার, ‘মিথ্যাবাদী মুখ্যমন্ত্রী,’ প্রমাণ দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘টাকার কথা বলিনি’ মন্তব্য মমতার, ‘মিথ্যাবাদী মুখ্যমন্ত্রী,’ প্রমাণ দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচার না চেয়ে উৎসবে ফিরতে বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর এই কথায় ফুঁসছে রাজ্য। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন পুজোর অনুদান দেন বলে মুখ্যমন্ত্রী এমন ঔদ্ধত্যের কথা বলতে পারেন না। অন্যদিকে টাকার কথা বলিনি, মমতার এমন মন্তব্যে তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মিথ্যাবাদী বলে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন দুটি ভিডিও। একটিতে মমতা দাবি করছেন ১০ লাখ টাকা নির্যাতিতার পরিবারকে দিতে চেয়েছিলাম। অন্যটিতে মমতার দাবি, কোনও টাকার কথা বলেননি তিনি। এই দুটো ভিডিও পোস্ট করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘বাঙালির দুর্ভাগ্য, আপনার মতো একজন মিথ্যাবাদী, মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসীন রয়েছেন। আর কতো মিথ্যে কথা বলবেন আপনি, এবার থামুন।’’

    নিজের আগের বক্তব্যই অস্বীকার করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) পোস্ট করা ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) দেখে বোঝাই যাচ্ছে পুরোপুরি নিজের আগের অবস্থান থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজের আগের বক্তব্যই অস্বীকার করছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    আপনি কি জনগণকে হাতের (RG kar Issue) পুতুল পেয়েছেন?

    সোমবার এক্স হ্যান্ডলে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘‘মাননীয়া, আপনি কি জনগণকে হাতের পুতুল পেয়েছেন? আপনি উঠতে বললে উঠবে, বসতে বললে বসবে, উৎসবে মেতে উঠতে বললে মেতে উঠবে, আন্দোলন বন্ধ করতে বললে বন্ধ করে দেবে। এখনও তো দেবী পক্ষের সূচনা হয়নি, অসুরের বিনাশ বাকি রয়েছে। একটু ধৈর্য ধরুন, মাতৃশক্তি জাগ্রত (RG kar Issue) হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গকে স্বচ্ছ করেই ছাড়বেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kandahar Hijack Web Series: আরও বিপাকে নেটফ্লিক্স, এবার কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ

    Kandahar Hijack Web Series: আরও বিপাকে নেটফ্লিক্স, এবার কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিপাকে নেটফ্লিক্স (Netflix)। এবার তাদের বিরুদ্ধে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠল। অভিযোগ তুলেছে সংবাদ সংস্থা এএনআই (Kandahar Hijack Web Series)। সংবাদ সংস্থার তরফে আদালতে দায়ের হয়েছে মামলা। মামলার প্রেক্ষিতে নেটফ্লিক্স ও প্রযোজকদের বিরুদ্ধে সোমবার সমন জারি করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

    এএনআইয়ের অভিযোগ (Kandahar Hijack Web Series)

    এএনআইয়ের অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই নেটফ্লিক্স ওয়েব সিরিজ ‘আইসি-৮১৪: দ্য কান্দাহার হাইজ্যাক’ তৈরি করতে গিয়ে ফুটেজ ব্যবহার করেছে। চারটি পর্ব সরিয়ে নেওয়ার জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে এএনআই। সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সিরিজে ছিনতাই করার দৃশ্যটি বিনা অনুমতিতে দেখানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী, পাকিস্তানের জেনারেল পারভেজ মুশারফ এবং জঙ্গি মাসুদ আজহারকে অনুমতি ছাড়াই দেখানো হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে নেটফ্লিক্স ও ছবি নির্মাতাদের উত্তর চেয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।

    কী বললেন এএনআইয়ের কৌসুঁলি

    এএনআইয়ের কৌসুঁলি সিদ্ধান্ত কুমার বলেন, “তারা (নেটফ্লিক্স) তাদের সিরিজে কপিরাইট থাকা ফুটেজ ব্যবহার করেছে। লাইসেন্স ছাড়াই তারা এটা করেছে। তারা এএনআইয়ের ট্রেডমার্কও ব্যবহার করেছে।” তিনি বলেন, “যেহেতু সিরিজটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে, তাই কলঙ্কিত হয়েছে আমাদের ট্রেডমার্ক ও ব্র্যান্ডনেম।” কুমার বলেন, “এএনআই চায় নেটফ্লিক্স সেই চারটি পর্ব সরিয়ে ফেলুক, যেখানে এর (এএনআইয়ের) বিষয়বস্তু ব্যবহার করা হয়েছে (Kandahar Hijack Web Series)।”

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারতে যোগ দিন’’, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের বার্তা রাজনাথের

    ১৯৯৯ সালে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান অপহরণকে কেন্দ্র করে তৈরি সিরিজটি দিন কয়েক আগে মুক্তি পেয়েছে ওটিটিতে। এই সিরিজে যে পাঁচ অপহরণকারীর নাম করা হয়েছে, তাদের দুজনের নাম দেওয়া হয়েছে হিন্দুদের নামে। মূল বিতর্কের শুরু এখান থেকেই। এবার নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে তথ্য ও ফুটেজ চুরির অভিযোগ আনল এএনআই। বিজয় বর্মা, নাসিরউদ্দিন শাহ, পঙ্কজ কাপুর অভিনীত এই ওয়েব সিরিজের পরিচালক অনুভব সিংহ।

    কন্দহরকাণ্ডের অপহরণকারীরা সবাই মুসলমান। ২০০০ সালের ৬ জানুয়ারি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, বিমানটির পাঁচজন অপহরণকারীই মুসলমান। তার ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিল (Netflix)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাঁচ অপহরণকারী একে অপরকে চিফ, ডক্টর, বার্গার, ভোলা ও শঙ্কর সম্বোধন করেছিল (Kandahar Hijack Web Series)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ! ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ! ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত (Weather Update) ইতিমধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সোমবারেই পুরীর উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। তাই যাঁরা বেড়াতে যাবেন ভেবেছেন, তাঁদের জন্য প্রবল বৃষ্টিপাতের সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এদিকে শহর কলকাতায় সোমবারে সকাল থেকে বৃষ্টি নেমেছে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বলে জানা গিয়েছে। কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ (Weather Update) ক্রমশ বাড়ছে। রাজস্থান থেকে ছত্তিশগড় পর্যন্ত একটি ঘূর্ণাবর্ত বিস্তৃত হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে বাঁকুড়া, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে সমুদ্র উপকূলে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    পুরী উপকূলে এই নিম্নচাপ

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত (Weather Update) ধীরে ধীরে উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রথমে গতিবেগ ৮ কিমি বেগে ঘণ্টায় থাকলেও শেষ ছয় ঘণ্টায় শক্তি অনেকটাই বাড়িয়েছে। আবার আইএমডি তরফ থেকে জানা গিয়েছে, পুরী উপকূলে এই নিম্নচাপ রয়েছে ৫০ কিমি দূরে। ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ৯০ কিমি দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পূর্ব, গোপালপুর থেকে ১৪০ কিমি পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বে, চাঁদবালি থেকে ১৭০ কিমি দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বে, অন্ধ্রপ্রদেশের কলিঙ্গপতনম থেকে ২৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও উত্তর পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের দিঘা উপকূল থেকে ২৯০ কিমি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত নিম্নচাপ। ওড়িশা এবং ছত্তিশগড়ে বৃষ্টির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ অভয়ার গবেষণাপত্র ‘জোর করে’ দেওয়া হয় অন্যজনকে! এটাই কি বিবাদের কারণ?

    ৫৫ থেকে ৬৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া

    ইতিমধ্যে,পুরীর জন্য লাল সর্তকতা (Weather Update) জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। ২৪ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ৫৫ থেকে ৬৫ কিমি বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। তবে কোথাও কোথাও ৭৫ কিমি বেগেও বইতে পারে হাওয়া। জগৎসিংহপুর, খুরদা, কটক এবং ঢেঙ্কানলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে না বলে জানিয়েছে। ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে গড়ে। ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবহাওয়া প্রতিকূল থাকবে। ফলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে নামতে বারণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে পর্যটকদের সমুদ্রের জলে না নামার কথা বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asian Champions Trophy Hockey 2024: এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দাপটে শুরু! চিনের পর জাপান, হকিতে অপ্রতিরোধ্য ভারত

    Asian Champions Trophy Hockey 2024: এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দাপটে শুরু! চিনের পর জাপান, হকিতে অপ্রতিরোধ্য ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের পর জাপানও তেমন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারল না ভারতীয় হকি দলের বিরুদ্ধে। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Asian Champions Trophy Hockey 2024) দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজ জয় পেল ভারতীয় হকি দল। সোমবার জাপানকে ৫-১ গোলে হারালেন হরমনপ্রীতরা (India beat Japan)। প্যারিস অলিম্পিকে পদক জয়ী হরমনপ্রীতরা এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন হতেও বদ্ধ পরিকর।

    আগ্রাসী শুরু ভারতের

    এদিন প্রথম মিনিট থেকেই আগ্রাসী মেজাজে শুরু করে ভারতীয় দল। জাপানের খেলোয়াড়েরা ঠিক মতো পজিশন নেওয়ার আগেই উইং দিয়ে আক্রমণ তৈরি করেন সুখজিৎ সিং। প্রথম মিনিটেই তাঁর গোল এগিয়ে দেয় ভারতকে। দ্বিতীয় গোলের জন্যও বেশি ক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ভারতীয় দলকে। দ্বিতীয় মিনিটেই জাপানের একাধিক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোল করেন অভিষেক। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। রক্ষণে খেলোয়াড়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন জাপানিরা। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরুতে পেনাল্টি কর্নার থেকে ৩-০ করে ভারত। ১৭ মিনিটের মাথায় পাওয়া পেনাল্টি কর্নারে ড্র্যাগ ফ্লিক নেননি হরমনপ্রীত। অধিনায়ক যান পেনাল্টি কর্নার নিতে। সঞ্জয় ড্র্যাগ ফ্লিক মারেন। গোল করতে ভুল করেননি তিনি। ৪১ মিনিটে জাপানের মাসুমোতো একমাত্র গোল করেন তাঁর দলের হয়ে। চতুর্থ কোয়ার্টারে উত্তম সিং (৫৪’) ও সুখজিতের (৬০’) গোলে ভারত ম্য়াচ পকেটে পুরে ফেলে।

    টেবল শীর্ষে

    গত রবিবার এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (Asian Champions Trophy Hockey 2024) চিনকে ৩-০ চূর্ণ করেই শুভারম্ভ করেছিল টিম ইন্ডিয়া। কয়েক ঘণ্টা ঘুরতে না ঘুরতেই ভারত এবার ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিল জাপানকে। সোমবার  হুলুনবুইরে জাপানকে দাঁড়াতে দিল না ভারত। হরমনপ্রীতদের আগুনে হকিতে আঁধার নামল সূর্যোদয়ের দেশে। আর ২ ম্য়াচে ২ জয়ের সুবাদে ভারত এখন লিগ টেবলে শীর্ষে চলে এল। ১৯৬০ সালে রোম অলিম্পিকে আজকের দিনেই রুপো জিতেছিল ভারত। দাপটে হকি খেলে সেদিনটাকে ফের স্মরণ করালেন হরমনপ্রীতরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • FRCV: লক্ষ্য পাক-চিনের মোকাবিলা, ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটির অস্ত্র আসছে সেনার হাতে

    FRCV: লক্ষ্য পাক-চিনের মোকাবিলা, ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটির অস্ত্র আসছে সেনার হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনার (Indian Army) জন্য প্রায় ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটি টাকার অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি (ডিএসি) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, সেনার তিন শাখার (স্থল, নৌ এবং বায়ু) পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন উপকূলরক্ষী বাহিনী (কোস্ট গার্ড)-র জন্য সমরাস্ত্র এবং সরঞ্জাম কেনা হবে এই অর্থে। ভারতের এই ভবিষ্যৎ সমর পরিকল্পনা (FRCV) ভয় ধরাচ্ছে চিন ও পাকিস্তানের। 

    ভবিষ্যতের যুদ্ধযান

    ভারতীয় সেনার (Indian Army) হাতে আসতে চলেছে অত্যন্ত আধুনিক উন্নতমানের প্রায় ১৮০০ ভবিষ্যতের যুদ্ধযান (FRCV)। খরচ প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, আধুনিক বিশ্বে যুদ্ধকৌশল বদলে যাওয়ায় মাঝারি ওজনের অত্যাধুনিক ট্যাঙ্কের চাহিদা অনেকটাই বেড়েছে। ভারতীয় সেনা চাইছিল এমন ব্যাটল ট্যাঙ্ক, যা কিনা ফিল্ডের নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সহজে সামলাতে পারবে। সেনার ভাষায় একে বলে ফিউচার রেডি কমব্যাট ভেহিকল্‌স বা এফআরসিভি (FRCV)। সহজভাবে বলতে গেলে এখন যেসব ব্যাটল ট্যাঙ্ক দেখা যায় তারই অনেক উন্নত সংস্করণ।  

    দিনে-রাতে সমান দক্ষ

    ‘ভবিষ্যতের যুদ্ধযানে’র ভেতরে ঢুকলে এক ঝলকে মনে হবে কোনও হাই কনফিগারেশন গেমিং সিস্টেম। বিশাল বিশাল টাচ স্ক্রিন, ট্যাঙ্কের চারদিকে যা ‘৩৬০ ডিগ্রি ভিশন’ নজরদারির সুবিধা এনে দিয়েছে। ভিডিও গেমের মতো কন্ট্রোলার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ট্যাঙ্কটি (FRCV)। তিন জন সেনাই এই সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণের পক্ষে যথেষ্ট। দিনে-রাতে সমান দক্ষতার সঙ্গে এই ট্যাঙ্ক কাজ করতে পারবে। পাহাড় ও মরুভূমি অঞ্চলেও এ ট্যাঙ্ক নিয়ে যাওয়া যাবে। চিন সীমান্তে লাদাখে তাপমাত্রা যখন হিমাঙ্কের ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড নীচে, কিংবা পাক সীমান্তে থর মরুভূমির তাপমাত্রা যখন ৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড! দুই ক্ষেত্রেই এই নতুন ট্যাঙ্কের দক্ষতার কোনও হেরফের হবে না।

    আরও পড়ুন: দেশে বাড়ছে উদ্বেগ! এমপক্স নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

    পাক-চিনের মোকাবিলা

    পাক-চিনের মোকাবিলায় সবমিলিয়ে ১০ ধরনের যুদ্ধ সরঞ্জাম কেনার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা। সেনার (Indian Army) তিন বাহিনী এবং আধাসেনার উপকূল রক্ষী বাহিনী এর সুবিধা পাবে। বায়ুসেনার জন্য থাকছে এয়ার ডিফেন্স ফায়ার কন্ট্রোলার রেডার (Air Defence Fire Control Radars)। এই রাডার সহজেই শত্রুর বিমানকে চিহ্নিত করে তাকে ধ্বংস করার জন্য পাল্টা গোলা ছোড়ার রাস্তা দেখাবে। অন্যদিকে, কোস্ট গার্ড পাচ্ছে ডর্নিয়ার ২২৮ (Dornier 228) নজরদারি বিমান। খারাপ আবহাওয়াতেও উপকূলে টহলদারির জন্য অত্যাধুনিক জলযান আসছে নৌসেনার হাতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rigveda solar eclipse: হিন্দু ধর্মশাস্ত্র ঋগ্বেদেই রয়েছে ৬০০০ বছরের পুরনো মহাজাগতিক বিস্ময়

    Rigveda solar eclipse: হিন্দু ধর্মশাস্ত্র ঋগ্বেদেই রয়েছে ৬০০০ বছরের পুরনো মহাজাগতিক বিস্ময়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঋগ্বেদে (Rigveda solar eclipse) লুকিয়ে রয়েছে ৬০০০ বছরের পুরনো মহাজাগতিক বিস্ময়। এমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ভারতের প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলির (Hindu scripture) মধ্যে ঋগ্বেদ অন্যতম প্রধান গ্রন্থ। ধর্মশাস্ত্র, দর্শনশাস্ত্র হিসেবেও এই গ্রন্থের বিশেষ মান্যতা রয়েছে। কিন্তু নিছক আধ্যাত্মিক কথাই এর সারবস্তু নয়, এর মধ্যে রয়েছে মহাজাগতিক ঘটনাবলীর বিশেষ রেকর্ডও। সম্প্রতি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও একই দাবি তুলেছেন। জানা গিয়েছে, বিশ্বের সব থেকে পুরনো সূর্য গ্রহণের তথ্য সূত্র রয়েছে এই হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে। এই গ্রন্থ সুপ্রাচীন হলেও তার মধ্যে মহাজাগতিক নানা ঘটনার কার্য-কারণ সম্পর্কের বিবরণ গ্রন্থিত করায়, ভারতীয়রা কতটা প্রাজ্ঞ ছিলেন, তা আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে।

    সংকলিত হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে

    ঋগ্বেদ (Rigveda solar eclipse) সংকলিত হয়েছিল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে। তবে এই শাস্ত্র মূলত ধর্মীয় আধ্যাত্মিক বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে লেখা। একই ভাবে নানা রকম ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং কিছু কিছু সূক্তের ব্যাখ্যাও রয়েছে। সময় এবং যুগের পরিসরে নানা বিষয় এখানে সঙ্কলিত হয়েছে। তবে কোনও একজন বিশেষ ব্যক্তি এই বেদ লেখেননি। সম্প্রতি মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের জ্যোতির্বিজ্ঞানী মায়াঙ্ক ভাহিয়া এবং জাপানের ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরির মিৎসুরু সোমার, সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে চাঞ্চল্য তথ্য এই গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে এই দাবি করেছেন। তাঁদের গবেষণায় উঠে এসেছে, আনুমানিক ৬০০০ বছরের আগের সূর্য গ্রহণের কথা এই ঋগ্বেদে রয়েছে।

    রাহু কেতুর কাহিনি (Rigveda solar eclipse)

    দুই বিজ্ঞানী ঋগ্বেদ (Rigveda solar eclipse) নিয়ে অনেক দিন ধরে গবেষণা করছিলেন। তাঁরা বেশ কিছু অধ্যায় নিবিড়ভাবে পাঠ করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, সূর্যকে বিদ্ধ করেছে অন্ধকার এবং এক ‘জাদুবিদ্যা’ অদৃশ্য হয়ে পড়েছে। একই ভাবে হিন্দু পৌরাণিক (Hindu scripture) কাহিনিগুলিতে সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণকে রাহু এবং কেতুর গ্রাস হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। অনেকের মতে, ঋগ্বেদ সংকলিত হয়েছে, রাহু এবং কেতুর কাহিনি নির্মাণের অনেক আগেই। এই গ্রন্থের মধ্যে সূর্যকে অন্ধকারে আবিষ্ট করার কথা বলা হয়েছে। আর এই ঘটনাকেই বর্তমান বিজ্ঞানীরা সূর্যগ্রহণ বলেছেন। ফলে হিন্দু সমাজের পণ্ডিতেরা যে ভাবে সূর্যের গ্রহণকে নজরে এনেছিলেন তা সত্যই ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরার ভাবনাকে উৎকর্ষের জায়গায় নিয়ে গিয়েছে।

    কীভাবে গ্রহণ চিহ্নিত করা গেল?

    এখন প্রশ্ন হল, বিজ্ঞানীরা কীভাবে এই ৬০০০ বছরের পুরনো সময়কে ঋগ্বেদে (Rigveda solar eclipse) চিহ্নিত করলেন? উত্তরে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রন্থের মধ্যে অনুচ্ছেদগুলিতে কালপুরুষে ঘটতে থাকা মহাবিষুব রেখার কথারও উল্লেখ রয়েছে। এই গ্রহণ সম্পর্কে আরও বলা হয়েছে, এই গ্রহণ শুরু হয়েছিল শরৎকালীন বিষুবের তিন দিন আগে। এ থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যগ্রহণটির একটি কালপরিক্রমাকে চিহ্নিত করতে পেরেছিলেন। সূর্য গ্রহণ সব জায়গা থেকে সমান ভাবে দেখা যায় না। কোথাও পূর্ণ গ্রহণ আবার কোথাও আংশিক গ্রহণ দেখা যায়। ঋগ্বেদের সময়ের রচয়িতাদের অবস্থান ধরে কবে পূর্ণ গ্রহণ আর কবে আংশিক গ্রহণ ছিল, তাও চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন বিজ্ঞানীরা।

    আরও পড়ুনঃ পরের শুনানি ১৭ই, আরজি করকাণ্ডে সিবিআইকে দ্বিতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশের সুপ্রিম-নির্দেশ

    সূর্যগ্রহণের প্রাচীনতম রেকর্ড

    বিজ্ঞানীরা মূলত দুটি তারিখ নির্ণয় করেছেন। প্রথমটি ৪২০২ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ২২ অক্টোবর, দ্বিতীয়টি ৩৮১১ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ১৯ অক্টোবর। এখনও পর্যন্ত সূর্যগ্রহণের (Rigveda solar eclipse)  প্রাচীনতম রেকর্ড হিসেবে ধরা হয় সিরিয়ার একটি মাটির টালি এবং আয়ারল্যান্ডের একটি শিলা খোদাইকে। সিরিয়ান টালিটিতে যে গ্রহণের ছবি ছিল তা ১৩৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ বা ১২২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দের সময়কার। আইরিশ শিলা খোদাইটিতে যে সূর্যগ্রহণের কথা বলা আছে, তা ৩৩৪০ খ্রীস্টপূর্বাব্দের সময়ের বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য ঋগ্বেদে বর্ণিত সূর্যগ্রহণের (Rigveda solar eclipse) তারিখ এই দুই শিলাখণ্ড থেকেও পুরনো। ফলে একটা বিষয় খুব স্পষ্ট যে, ভারতের জ্ঞান পরম্পরা অনেক উন্নত এবং আধুনিক ছিল। আজকের দিনের বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে অনুসন্ধান করেছেন সেই সময়ের মাপকে। পৃথিবীর আদিম জ্ঞানকাণ্ডের যাত্রা যে ভারতীয় উপমহাদেশের সিন্ধু বা হিন্দু সভ্যতার মূলসূত্র থেকেই গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল, সেই কথারও ইঙ্গিত বহন করে এই ঋগ্বেদ (Hindu scripture)-এর তথ্য। তাই ভারতীয় সভ্যতা সংস্কৃতিকে আরও নিবিড় ভাবে অনুসন্ধান করা একান্ত প্রয়োজন।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share