Blog

  • Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    Sexual Harassment: কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যালে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন, গ্রেফতার অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করার রাতেই আরও একটি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে রাজ্য। অভিযোগ, কল্যাণীর এক মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন এক অধ্যাপক। ৯ অগস্ট রাতে কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। নির্যাতিতা মেডিক্যাল কলেজের ওই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। যার ভিত্তিতে পুলিশ ওই অধ্যাপককে গ্রেফতার করেছে।

    কী অভিযোগ

    ঘটনাটি ঘটেছিল কল্যাণীর জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ওই কলেজের মাইক্রোবায়োলজির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি কলেজের বিভাগীয় এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই সময় আরজিকর কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল রাজ্যসহ গোটা দেশ। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় বর্ষের নির্যাতিতা ছাত্রী আরজিকর নিয়ে প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। প্রতিবাদ আন্দোলনের মঞ্চেই তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। সহকর্মীদের তিনি এবিষয়ে জানান। পরে সহকর্মীদের কাছ থেকে সাহস পেয়ে তিনি স্থানীয় থানায় অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। গত ১৩ অগস্ট অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। তার ভিত্তিতে অধ্যাপককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ‘‘ওকেও উৎসব মণ্ডল করে দেব’’, ধৃত বাংলাদেশি হিন্দুকে মারার চেষ্টা মুসলিমদের

    জামিনের আর্জি খারিজ

    এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তার জামিন খারিজ করে দেন। পরে কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানান অভিযুক্ত অধ্যাপক। অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে বলেন, এমন কিছুই ঘটেনি সেদিন রাতে। ছাত্রীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল খানিকটা। এরপর বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ বলেন, যেহেতু চার্জশিট ফাইল হয়ে গেছে, এবার ছাত্রীর সাক্ষ্য গ্রহণ হবে, তাই এই অবস্থায় জামিন দেওয়া যাবে না। জানা গিয়েছে এই বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তৎকালীন অধ্যক্ষ তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করেন। একদিনের মধ্যেই তার রিপোর্টও জমা পড়ে। সেই রিপোর্টও পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kashmir Mange Azadi Slogan: ডাক্তারদের মিছিলে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান, রিপোর্ট গেল শাহের মন্ত্রকে

    Kashmir Mange Azadi Slogan: ডাক্তারদের মিছিলে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান, রিপোর্ট গেল শাহের মন্ত্রকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাক্তারদের মিছিলে উঠল ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান (Kashmir Mange Azadi Slogan)। আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে ওই মিছিল হচ্ছিল। ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Amit Shah)। মন্ত্রকের নির্দেশে দিল্লিতে প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠাল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবারই রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে শাহের মন্ত্রকে।

    রিপোর্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে (Kashmir Mange Azadi Slogan)

    সূত্রের খবর, মিছিলের উদ্যোক্তাদের পরিচয়, স্লোগান দেওয়া ব্যক্তিরা কোন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, উদ্দেশ্য প্রণোদিত না বিক্ষিপ্তভাবে ওই স্লোগান দেওয়া হয়েছে – এ সব বিষয়েই জানতে চাওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। সেই রিপোর্টই পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে। এ বিষয়ে আরও বিশদে তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই পাটুলি থানায় দেশদ্রোহিতার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ।

    ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত

    মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর শেষ দফার নির্বাচন ছিল জম্মু-কাশ্মীরে (Kashmir Mange Azadi Slogan)। এহেন আবহে খোদ কলকাতার বুকে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি স্লোগানের বিষয়টিকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখতে রাজি নন গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, ঘটনায় যাদবপুরের কয়েকজন প্রাক্তনী গোয়েন্দাদের নজরে রয়েছে। অতীতেও তাঁদের বিরুদ্ধে নানা সময় দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই স্লোগানের নেপথ্যে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১৫-২০ জনকে চিহ্নিত করে ছবি-সহ বিস্তারিত তথ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠিয়ে দিয়েছেন গোয়েন্দারা।

    আরও পড়ুন: ‘‘ওকেও উৎসব মণ্ডল করে দেব’’, ধৃত বাংলাদেশি হিন্দুকে মারার চেষ্টা মুসলিমদের

    গত ১০ বছর পরে তিন দফায় বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে কাশ্মীরে। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১৮ সেপ্টেম্বর। শেষ দফার নির্বাচন হয়েছে মঙ্গলবার। ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ হয় ৩৭০ ধারা। অবলুপ্তি হয় ৩৫এ ধারাও। তার পর এই নির্বাচনে হাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন কাশ্মীরিরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেটাই গাত্রদাহের কারণ ‘দেশদ্রোহী’দের। সেই কারণেই তারা এহেন স্লোগান দিয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ আজাদি চায় না। তারা ভারতবর্ষকে নিয়ে খুশি আছে।” তিনি বলেন, “অতি বামেরা মূল আন্দোলনকে হাইজ্যাক করার চেষ্টা করছে। সেটা করা হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গুলিহেলনেই। কারণ তারা জানে, এই স্লোগানগুলো উঠলে সাধারণ মানুষ (Amit Shah) আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসবে (Kashmir Mange Azadi Slogan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vice Admiral Arti Sarin: নারী শক্তির বিকাশ, সশস্ত্র বাহিনীর মেডিক্যাল সার্ভিসের প্রথম মহিলা ডিজি পেল দেশ

    Vice Admiral Arti Sarin: নারী শক্তির বিকাশ, সশস্ত্র বাহিনীর মেডিক্যাল সার্ভিসের প্রথম মহিলা ডিজি পেল দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের নারী শক্তির বিকাশ। সশস্ত্র বাহিনীর শীর্ষপদগুলির মধ্যে একটিতে আবারও বসলেন এক মহিলা। সশস্ত্র বাহিনী মেডিক্যাল সার্ভিসের ডিজি হলেন ভাইস অ্যাডমিরাল আরতি সারিন (Vice Admiral Arti Sarin)। ভাইস অ্যাডমিরাল সারিন, বর্তমানে ভারতের নৌসেনা, বায়ুসেনা এবং স্থলসেনা তিন বিভাগেরই মেডিক্যাল সার্ভিসের ডিজি হিসেবে কাজ করছেন। এই প্রথম কোনও মহিলা এই বিরল সম্মান লাভ করলেন।

    নারী শক্তির প্রতীক

    আরতি নৌবাহিনীর প্রথম তিন-চারজন ভাইস অ্যাডমিরালদের (Vice Admiral Arti Sarin) একজন। ডিজি, এএফএমএস, সশস্ত্র বাহিনীর সবচেয়ে সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার হিসাবে কাজ করছেন। তিনি জেনারেল অনিল চৌহান, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের কাছে সেনাবাহিনীর চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে কথা বলবেন। সারিন দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সেনাবাহিনীতে কাজ করছেন। ১৯৮৫ সালে একজন সেনা অফিসার হিসেবে নিজের কাজ শুরু করেন আরতি। এরপর তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় এয়ার মর্শাল হিসেবে কাজ করেন। 

    আরতি একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর থেকে তিনি বিশেষ সেনা সম্মান লাভ করেন। দেশে নারী শক্তির প্রতীক হলেন আরতি (Vice Admiral Arti Sarin)। সশস্ত্র বাহিনীতে একজন মহিলা থ্রি-স্টার অফিসার এখনও খুব বিরল। সেখানে আরতির এই সম্মান বা নয়া দায়িত্ব, পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এক নিদর্শন।

    আরও পড়ুন: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Partha Chaterjee: আরও বিপাকে পার্থ! প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার করল সিবিআই, ধৃত অয়নও

    Partha Chaterjee: আরও বিপাকে পার্থ! প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার করল সিবিআই, ধৃত অয়নও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chaterjee) গ্রেফতার করল সিবিআই (CBI)। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে বছর দুয়েক আগে গ্রেফতার করে ইডি। মঙ্গলবার বিশেষ সিবিআই আদালতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে পেশ করার পর তাঁকে ওই মামলায় গ্রেফতারের আবেদন জানায় কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রোমোটার অয়ন শীলকে আদালতে তোলার পর গ্রেফতার করল সিবিআই। আপাতত জেলেই থাকবেন দু’জন।

    আদালতে কী জানালো সিবিআই? (Partha Chaterjee)

    নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ২০২২ সালের ২২ জুলাই দক্ষিণ কলকাতার নাকতলায় পার্থর (Partha Chaterjee) বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি। দীর্ঘ তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। এসএসসিতে নিয়োগের মামলায় সিবিআইও পরবর্তী সময়ে গ্রেফতার করে পার্থ-অর্পিতাকে। এ বার তাঁকে প্রাথমিকে নিয়োগের মামলায় গ্রেফতার করা হল। অন্য দিকে, ২০২৩ সালের মার্চ মাসে তৎকালীন তৃণমূল যুবনেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়নকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। এদিন সিবিআই জানায়, পার্থর ক্ষেত্রে জেল থেকে চিঠি এসেছে, তাতে বলা হচ্ছে তিনি অসুস্থ। তখন পার্থর আইনজীবী শ্যামল ঘোষ বলেন, “আমার মক্কেল অসুস্থ। দয়া করে পরশু শুনানি করা হোক।” সিবিআই যুক্তি দেয়, আমরা তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট করতে চাই। আদালত তা মঞ্জুর করে। এবার তাঁকেও প্রাথমিকে নিয়োগ মামলাতে গ্রেফতার করল সিবিআই।

    আরও পড়ুন: ‘শিরদাঁড়া’য় আপত্তি, কোথাও পুজোর থিমের ঠাঁই হল আস্তাকুঁড়ে, কোথাও ঢাকল ত্রিপলে!

    পার্থ ঘনিষ্ঠের ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছিল

    উল্লেখ্য, পার্থর (Partha Chaterjee)  ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত অর্পিতার টালিগঞ্জ এবং বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে হানা দেয় ইডি। টালিগঞ্জের ‘ডায়মন্ড সিটি’ আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে নগদ ২১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে ইডি। ওই বছরেরই ২৭ জুলাই বেলঘরিয়ার ‘ক্লাব টাউন হাইট্স’ আবাসনে অর্পিতার নামে থাকা দু’টি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে মোট ২৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা নগদে উদ্ধার করে ইডি। সঙ্গে প্রচুর টাকার গয়না। ইডির দাবি, অর্পিতার দু’টি ফ্ল্যাট থেকে নগদে মোট ৪৯ কোটি ৮০ লাখ নগদ টাকা এবং ৫ কোটি ৮ লাখ টাকার গয়না উদ্ধার হয়েছিল। সঙ্গে সাতটি অন্য দেশের মুদ্রাও। ইডির দাবি, সোনাদানা, ফ্ল্যাট-বাড়ি মিলিয়ে কম করে ৬০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘‘ওকেও উৎসব মণ্ডল করে দেব’’, ধৃত বাংলাদেশি হিন্দুকে মারার চেষ্টা মুসলিমদের

    Bangladesh: ‘‘ওকেও উৎসব মণ্ডল করে দেব’’, ধৃত বাংলাদেশি হিন্দুকে মারার চেষ্টা মুসলিমদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিযোগ, তিনি প্রফেট মহম্মদ সম্পর্কে অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন। সেই অভিযোগে বছর বাইশের এক যুবককে গ্রেফতারও করে পুলিশ (Bangladesh)। তার পরেই হিন্দু ওই যুবককে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায় বাংলাদেশের চট্টগ্রামের পটিয়া থানা এলাকার একটি মাদ্রাসার ছাত্ররা (Muslim Mob)।

    সেনার গাড়িতেও আক্রমণ (Bangladesh)

    উন্মত্ত ওই ছাত্ররা থানায় হামলা চালানোর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর গাড়িও আক্রমণ করে। সাদা পোশাকে থাকা এক সেনাকর্মীকে অভিযুক্ত হিন্দু যুবক ভেবে সেনার গাড়িতে হামলা চালায় উন্মত্ত জনতা। ঘটনায় জখম হয়েছেন এক সেনাকর্তা। অভিযুক্ত হিন্দু যুবকের নাম পার্থ বিশ্বাস। সোমবার গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তারই আগের দিন পার্থর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে জনৈক কামরুল ইসলাম। তার অভিযোগ, পার্থ আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন নবী সম্পর্কে। পার্থ গ্রেফতার হয়েছেন শুনেই থানায় ভিড় করেন স্থানীয়দের সঙ্গে এলাকারই একটি মাদ্রাসার পড়ুয়ারাও। তারা ওই যুবককে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। তারা হুমকি দেয়, পার্থর হালও উৎসব মণ্ডলের মতো করে দেবে।

    থানায় তাণ্ডব জনতার

    জনতার দাবি মেনে (Bangladesh) পার্থকে পুলিশ তাদের হাতে তুলে দেয়নি। এর পরেই থানার ওয়েটিং হল ভাঙচুর করে উন্মত্ত জনতা। হামলা চালানো হয় সেনার গাড়িতেও। কোনওক্রমে সেখান থেকে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন সেনাকর্মীরা।

    পাটিয়া সার্কেল এসপি আরিফুল ইসলাম বলেন, “একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে থানায় ভিড় করে জনতা। তার আগেই আমরা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছি। তদন্ত চলছে। আইনি পথের কথা না ভেবে স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ কর্মী ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।”

    আরও পড়ুন: ডাক্তারদের মিছিলে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান, মমতাকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাসখানেক আগেও এক পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া হিন্দু যুবক উৎসব মণ্ডলকে পিটিয়ে মারে জনতা। প্রসঙ্গত, হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশে অন্ততপক্ষে দুশোর বেশি হিন্দু মন্দির, দোকান এবং ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে (Muslim Mob)। প্রতিটি ক্ষেত্রেই হামলাকারীরা সংখ্যগুরু মুসলমান সম্প্রদায়ের (Bangladesh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 152: “যে শালারা হরিনামে মত্ত হয়ে নৃত্য-গীত করতে পারবে না, তাদের কোন কালে হবে না”

    Ramakrishna 152: “যে শালারা হরিনামে মত্ত হয়ে নৃত্য-গীত করতে পারবে না, তাদের কোন কালে হবে না”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১১ই মার্চ
    দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মোৎসব

    প্রভাতে ভক্তসঙ্গে 

    কালীবাড়িতে আজ শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) জন্মমহোৎসব—ফাল্গুন শুক্লা দ্বিতীয়া, রবিবার, ১১ই মার্চ, ১৮৮৩ খ্রীষ্টাব্দ। আজ ঠাকুরের অন্তরঙ্গ ভক্তগণ সাক্ষাৎ তাঁহাকে লইয়া জন্মোৎসব করিবেন।

    প্রভাত হইতে ভক্তেরা একে একে আসিয়া জুটিতেছেন। সম্মুখে মা ভবতারিণীর মন্দির। মঙ্গলারতির পরই প্রভাতী রাগে নহবতখানায় মধুর তানে রোশনচৌকি বাজিতেছে। একে বসন্তকাল, বৃক্ষলতা সকলই নূতন বেশ পরিধান করিয়াছে; তাহাতে ভক্তহৃদয় ঠাকুরের জন্মদিন স্মরণ করিয়া নৃত্য করিতেছে। চতুর্দিকে আনন্দের সমীরণ বহিতেছে। মাস্টার গিয়া দেখিতেছেন; ভবনাথ, রাখাল, ভবনাথের বন্ধু কালীকৃষ্ণ বসিয়া সহাস্যে আলাপ করিতেছেন। মাস্টার পৌঁছিয়া ঠাকুরকে ভূমিষ্ঠ হইয়া প্রণাম করিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—তুমি এসেছ। (ভক্তদিগকে) লজ্জা, ঘৃণা, ভয়—তিন থাকতে নয়। আজ কত আনন্দ হবে। কিন্তু যে শালারা হরিনামে মত্ত হয়ে নৃত্য-গীত করতে পারবে না, তাদের কোন কালে হবে না। ঈশ্বরের (Kathamrita) কথায় লজ্জা কি, ভয় কি? নে, এখন তোরা গা।

    ভবনাথ ও কালীকৃষ্ণ (Ramakrishna) গান গাহিতেছেন:

    ধন্য ধন্য ধন্য আজি দিন আনন্দকারী,
    সব মিলে তব সত্যধর্ম ভারতে প্রচারি।
    হৃদয়ে হৃদয়ে তোমারি ধাম, দিশি দিশি তব পুণ্য নাম;
    ভক্তজনসমাজ আজি স্তুতি করে তোমারি।
    নাহি চাহি প্রভু ধন জন মান, নাহি প্রভু অন্য কাম;
    প্রার্থনা করে তোমারে আকুল নরনারী।
    তব পদে প্রভু লইনু শরণ, কি ভয় বিপদে কি ভয় মরণ,
    অমৃতের খনি পাইনু যখন জয় জয় তোমারি।

    ঠাকুর বদ্ধাঞ্জলি হইয়া বসিয়া একমনে গান শুনিতেছেন। গান শুনিতে শুনিতে মন একেবারে ভাবরাজ্যে চলিয়া গিয়াছে। ঠাকুরের মন শুষ্ক দিয়াশলাই—একবার ঘষিলেই উদ্দীপন। প্রাকৃত লোকের মন ভিজে দিয়াশলাইয়ের ন্যায়, যত ঘষো জ্বলে না—কেন না মন বিষয়াসক্ত। ঠাকুর অনেকক্ষণ ধ্যানে নিমগ্ন। কিয়ৎক্ষণ পরে কালীকৃষ্ণ ভবনাথের কানে কানে কি বলিতেছেন।

    আগে হরিনাম না শ্রমজীবীদের শিক্ষা? 

    কালীকৃষ্ণ ঠাকুরকে প্রণাম করিয়া গাত্রোত্থান করিলেন। ঠাকুর বিস্ময়াবিষ্ট হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, “কোথায় যাবে?”

    ভবনাথ—আজ্ঞা (Kathamrita), একটু প্রয়োজন আছে, তাই যাবে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কি দরকার?

    ভবনাথ—আজ্ঞা, শ্রমজীবীদের শিক্ষালয়ে (Baranagore Workingmen’s Institute) যাবে। কালীকৃষ্ণের প্রস্থান

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ওর কপালে নাই। আজ হরিনামে কত আনন্দ হবে দেখত (Kathamrita)? ওর কপালে নাই!

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Govinda: কলকাতায় আসার আগেই গুলিবিদ্ধ, অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে বার্তা গোবিন্দার

    Govinda: কলকাতায় আসার আগেই গুলিবিদ্ধ, অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে বার্তা গোবিন্দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় আসার ঠিক আগে মঙ্গলবার সকালে নিজের লাইসেন্সড রিভলভার থেকেই গুলিবিদ্ধ হন অভিনেতা-রাজনীতিবিদ গোবিন্দা (Govinda Bullet Injury)। তড়িঘ়ড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। অনেকটা রক্তক্ষরণ হওয়ায় আইসিইউতে ভর্তি করাতে হয়। অস্ত্রোপচার করে শরীর থেকে গুলি বার করা হয়েছে তাঁর। এখন স্থিতিশীল রয়েছেন পর্দার ‘হিরো নম্বর ওয়ান’।

    কী বললেন অডিয়ো-বার্তায়

    গোবিন্দার (Govinda Bullet Injury) গুলি লাগার খবর শুনে ঘুম উড়েছিল তাঁর ভক্তদের। একটু সুস্থ হতেই অভিনেতা নিজের গলায় একটি অডিও বার্তা সকলকে পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, ‘‘নমস্কার, প্রণাম। আমি গোবিন্দা। আপনাদের সকলের আশীর্বাদ আর মা-বাবার আশীর্বাদে আর গুরুজির কৃপাতে আমার গায়ে যে গুলি লেগেছিল তা বের করে নেওয়া হয়েছে। আমি এখানের (হাসপাতাল) ডাক্তাদেরকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আপনাদের সকলের প্রার্থনা কাজে এসেছে।’’ মঙ্গলবার কলকাতায় আসার কথা ছিল অভিনেতার। সকালে বিমানবন্দরে রওনা দেওয়ার আগে আনুমানিক ভোর ৪.৪৫ মিনিটে অঘটন ঘটে। যদিও কোন কাজে কলকাতায় আসছিলেন গোবিন্দা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    আরও পড়ুন: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    কী ঘটেছিল

    প্রাথমিকভাবে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ভুলবশত নিজের রিভলবার থেকে গুলি চালিয়ে ফেলেন গোবিন্দা (Govinda Bullet Injury)। গুলিটি তাঁর পায়ে লাগে। গোবিন্দা তাঁর মুম্বইয়ের বাড়িতে অস্ত্র পরিষ্কার করছিলেন বলে জানা গিয়েছে।  এখন ৪৮ ঘণ্টা হাসপাতালেই থাকতে হবে তাঁকে। গোটা পরিবার রয়েছে তাঁর সঙ্গে। মামাশ্বশুরের এমন অঘটন খবর পেয়ে ছুটে যান ভাগ্নে কৃষ্ণার স্ত্রী কাশ্মীরা শাহ। মুম্বই পুলিশের তরফে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে ডাক্তারদের অনুমতি নিয়েই গোবিন্দার বয়ানও রেকর্ড করবে পুলিশ বলে খবর। কথা বলা হবে, প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গেও। প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার আভাস পাওয়া গেলেও পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA Raid: মাওবাদী যোগে রাজ্যে এনআইএ তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত ল্যাপটপ, মোবাইল, হার্ডডিস্ক

    NIA Raid: মাওবাদী যোগে রাজ্যে এনআইএ তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত ল্যাপটপ, মোবাইল, হার্ডডিস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সকালে মাওবাদী-যোগের (Maoist) তদন্তে আসানসোলের ডিসেরগড়, পানিহাটির পল্লিশ্রী এলাকা সহ রাজ্যের ১০টি জায়গায় হানা দিয়েছিল এনআইএ (NIA Raid) । ২০২২ সালে প্রশান্ত বসু নামে এক জনকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। সেই সূত্র ধরেই মঙ্গলবারের এই তল্লাশি অভিযান বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ধরে তল্লাশি চালানো হয়। জিজ্ঞাসবাদও করা হয় বলে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে তল্লাশিতে কী কী মিলল তা নিয়ে চর্চা চলছে।

    বাজেয়াপ্ত ল্যাপটপ, মোবাইল (NIA Raid)

    প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশির পর সোদপুরের পানিহাটি ও আসানসোলের দু’টি বাড়ি থেকে বেরোলেন এনআইএ-র (NIA Raid)  আধিকারিকরা। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির পর দু’টি বাড়ি থেকেই ফোন, ল্যাপটপ এবং হার্ডডিস্ক বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। বেশকিছু নথি সহ মোট পাঁচটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ উঠেছে দুই সমাজকর্মী সুদীপ্তা পাল এবং শিপ্রা চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। বছর পাঁচেক আগে শিপ্রা আসানসোল থেকে চলে যান। তাঁর আসল বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির পল্লিশ্রী এলাকায়। এদিন সকাল ৬টা থেকে প্রায় ১০টা পর্যন্ত দু’টি ঠিকানায় তল্লাশি চলে। আসানসোলের বাড়িতে এনআইএ তল্লাশির পর সুদীপ্তা বলেন, “তল্লাশির নামে ঘর তছনছ করেছেন তদন্তকারীরা। হার্ডডিস্কটা নিয়ে যাওয়ার ফলে আমার খুব ক্ষতি হয়ে গেল। কারণ আমার একটাই কম্পিউটার ছিল। আমি সেখানেই লেখালিখি করতাম।” অন্যদিকে, পানিহাটিতে শিপ্রার বাড়ি থেকেও ফোন এবং ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যায় এনআইএ।

    আরও পড়ুন: ‘শিরদাঁড়া’য় আপত্তি, কোথাও পুজোর থিমের ঠাঁই হল আস্তাকুঁড়ে, কোথাও ঢাকল ত্রিপলে!

    রাঁচিতে তলব

    পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, তদন্তকারী আধিকারিকদের (NIA Raid) কথা শুনে মনে হয়েছে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তদন্ত করা হচ্ছে। ১৫ অক্টোবর রাঁচিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তবে, আমরা তদন্তকারী অধিকারিকদের জানিয়েছি, কলকাতায় অফিসে ডেকে পাঠালে যাবেন, রাঁচি যাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

    কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত

    বেহালার ফিলিপস আবাসন বা পরমা আবাসনে ৮০ নম্বর বাড়ি প্রসেনজিৎ চক্রবর্তীর। পেশায় ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা করেন প্রসেনজিৎ। ঘটনাস্থলে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। সকাল ছয়টা নাগাদ এনআইএ (NIA Raid) আধিকারিকরা প্রসেনজিৎ চক্রবর্তীর বাড়িতে আসেন। প্রায় সাত ঘণ্টা তল্লাশি শেষে বেরিয়ে যান এনআইএ আধিকারিকরা। যাওয়ার সময়ে কিছু কাগজপত্রও নিয়ে যান তাঁরা। প্রসঙ্গত, মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এমন বেশ কিছু ব্যক্তিকে চিহ্নিতকরণ করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। ইতিমধ্যে রাঁচিতে এনআইএ-র পক্ষ থেকে একটি মামলা রুজু করা হয়। সেই মামলার তদন্তে যোগসূত্র পাওয়া যায় পশ্চিমবঙ্গে। অসমে মাওনেতা সব্যসাচী গোস্বামী গ্রেফতার হওয়ার পরে নির্মলা নামে এক মাও নেত্রী কলকাতায় এসে বৈঠক করে আবার অন্যত্র চলে যান বলে সূত্র মারফত খবর পান এনআইএ গোয়েন্দারা। পানিহাটি, বীরভূম, যাদবপুর- সহ শহর কলকাতা জুড়ে সকাল থেকেই তল্লাশি অভিযানে নামে এনআইএ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 151: “অবতারকে দেখাও যা ঈশ্বরকে দেখাও তা, ঈশ্বরই যুগে যুগে মানুষরূপে অবতীর্ণ হন”

    Ramakrishna 151: “অবতারকে দেখাও যা ঈশ্বরকে দেখাও তা, ঈশ্বরই যুগে যুগে মানুষরূপে অবতীর্ণ হন”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৯ই মার্চ

    অবস্থা ও অহিংসা 

    অধর (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—মহাশয়, আমার একটি জিজ্ঞাস্য (Kathamrit) আছে; বলিদান করা কি ভাল? এতে তো জীবহিংসা করা হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—বিশেষ বিশেষ অবস্থায় শাস্ত্রে আছে, বলি দেওয়া যেতে পারে। ‘বিধিবাদীয়’ বলিতে দোষ নাই। যেমন অষ্টমীতে একটি পাঁঠা। কিন্তু সকল অবস্থাতে হয় না। আমার এখন এমন অবস্থা, দাঁড়িয়ে বলি দেখতে পারি না। মার প্রসাদী মাংস, এ-অবস্থায় খেতে পারি না। তাই আঙুলে করে একটু ছুঁয়ে মাথায় ফোঁটা কাটি; পাছে মা রাগ করেন।

    আবার এমন অবস্থা হয় যে, দেখি সর্বভূতে ঈশ্বর, পিঁপড়েতেও তিনি। এ-অবস্থায় হঠাৎ কোন প্রাণী মরলে এই সান্ত্বনা হয় যে, তার দেহমাত্র বিনাশ হল। আত্মার জন্ম মৃত্যু নাই।

    অধরকে উপদেশ—বেশি বিচার করো না

    বেশি বিচার করা ভাল নয়, মার পাদপদ্মে ভক্তি থাকলেই হল। বেশি বিচার করতে গেলে সব গুলিয়ে যায়। এ-দেশে পুকুরের জল উপর উপর খাও, বেশ পরিষ্কার জল পাবে। বেশি নিচে হাত দিয়ে নাড়লে জল ঘুলিয়ে যায়। তাই তাঁর কাছে ভক্তি প্রার্থনা কর। ধ্রুবর ভক্তি সকাম। রাজ্যলাভের জন্য তপস্যা করেছিলেন। প্রহ্লাদের কিন্তু নিষ্কাম অহেতুকী ভক্তি (Kathamrit)।

    ভক্ত—ঈশ্বরকে কিরূপে লাভ হয়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ওই ভক্তির দ্বারা। তবে তাঁর কাছে জোর করতে হয়। দেখা দিবিনি, গলায় ছুরি দেব—এর নাম ভক্তির তমঃ।

    ভক্ত—ঈশ্বরকে কি দেখা যায়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—হাঁ, অবশ্য দেখা যায় (Kathamrit)। নিরাকার, সাকার—দুই দেখা যায়। সাকার চিন্ময়রূপ দর্শন হয়। আবার সাকার মানুষ তাতেও তিনি প্রতক্ষ্য। অবতারকে দেখাও যা ঈশ্বরকে দেখাও তা। ঈশ্বরই যুগে যুগে মানুষরূপে অবতীর্ণ হন!

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “সংসার কর্মক্ষেত্র, কর্ম করতে করতে তবে জ্ঞান হয়, মনের ময়লা কেটে যায়”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 150: “মাস্টার মাটিতে আঁক কাটিয়া জোয়ার, ভাটা.. বুঝাইতে চেষ্টা করিতেছেন”

    Ramakrishna 150: “মাস্টার মাটিতে আঁক কাটিয়া জোয়ার, ভাটা.. বুঝাইতে চেষ্টা করিতেছেন”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ও বলরাম-মন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ৯ই মার্চ

    শ্রীরামকৃষ্ণের ভক্তসঙ্গে গঙ্গায় বানদর্শন 

    ঠাকুর (Ramakrishna) এইভাবে বসিয়া আছেন, এমন সময় একজন আসিয়া সংবাদ দিল যে, বান আসিতেছে। ঠাকুর, রাখাল, মাস্টার প্রভৃতি সকলে বান দেখিবার জন্য পঞ্চবটী অভিমুখে দৌড়াইতে লাগিলেন। পঞ্চবটীমূলে আসিয়া সকলে বান দেখিতেছেন (Kathamrita) । বেলা প্রায় ১০ টা হইবে। একখানা নৌকার অবস্থা দেখিয়া ঠাকুর বলিতেছেন, দেখ, দেখ, ওই নৌকাখানার অবস্থা বা কি হয়।

    এইবার ঠাকুর পঞ্চবটীর রাস্তার উপরে মাস্টার, রাখাল প্রভৃতির সহিত বসিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি—আচ্ছা, বান কি রকম করে হয়?

    মাস্টার মাটিতে আঁক কাটিয়া পৃথিবী, চন্দ্র, সূর্য, মাধ্যাকর্ষণ, জোয়ার, ভাটা; পূর্ণিমা, অমাবস্যা, গ্রহণ ইত্যাদি বুঝাইতে চেষ্টা করিতেছেন (Kathamrita) ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বাল্যকালে ও পাঠশালায়—The Yogi is beyond all finite relations of number, quantity, cause, effect

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—ওই যা! বুঝতে পারছি না; মাথা ঘুরে আসছে! টনটন করছে! আচ্ছা, এত দূরের কথা কেমন করে জানলে?

    দেখ, আমি ছেলেবেলায় চিত্র আঁকতে বেশ পারতুম, কিন্তু শুভঙ্করী আঁক ধাঁধা লাগত! গণনা অঙ্ক পারলাম না।

    এইবার ঠাকুর নিজের ঘরে ফিরিয়া আসিয়াছেন। দেওয়ালে টাঙানো যশোদার ছবি দেখিয়া বলিতেছেন, ছবি ভাল হয় নাই, ঠিক যেন মেলেনীমাসী করেছে।

    শ্রীঅধর সেনের প্রথম দর্শন ও বলির কথা 

    মধ্যাহ্ন-সেবার পর ঠাকুর একটু বিশ্রাম করিয়াছেন। অধর ও অন্যান্য ভক্তরা ক্রমে ক্রমে আসিয়া জুটিলেন। অধর সেন এই প্রথম ঠাকুরকে দর্শন (Kathamrita) করিতেছেন। অধরের বাড়ি কলিকাতা বেনেটোলায়। তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, বয়স ২৯।৩০।

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “সংসার কর্মক্ষেত্র, কর্ম করতে করতে তবে জ্ঞান হয়, মনের ময়লা কেটে যায়”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share