Blog

  • Durga Puja 2024: ষষ্ঠী থেকে দশমী, কোন কোন নিয়ম মেনে হয় মায়ের আরাধনা? জেনে নিন বিশদে

    Durga Puja 2024: ষষ্ঠী থেকে দশমী, কোন কোন নিয়ম মেনে হয় মায়ের আরাধনা? জেনে নিন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু বাঙালির (Hindu Bengali worship) সবথেকে বড় উৎসব হল দুর্গাপুজো (Durga Puja 2022)। সম্প্রতি কয়েক বছর আগে বাঙালির এই মহোৎসব পেয়েছে ইউনেস্কোর হেরিটেজ তকমাও। এই উৎসব শুধুই আর ধর্মীয় উৎসবে সীমাবদ্ধ নেই। এই উৎসব আজ হয়ে উঠেছে সর্বধর্ম সমন্বয়ের উৎসব। যদিও মহালয়া থেকেই পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। দেবীপক্ষের সূচনা থেকেই শুরু হয় পুজো। পুজোর এই কয়েক দিন, মানুষ তাঁর জীবনের সমস্ত দুঃখ-কষ্ট ভুলে উৎসবে মেতে ওঠেন। মহাষষ্ঠী থেকে মহাদশমী, দুর্গাপুজোর এই পাঁচ দিনে বহু নিয়ম মেনে মা দুর্গার আরাধনা করা হয়। জেনে নিন দুর্গা পুজোয় কবে কোন কোন নিয়ম পালন করা হয়।

    মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন

    মহাষষ্ঠীর দিনই শুরু হয়ে যায় দেবীর আরাধনা। দেবীপক্ষের শুক্লা ষষ্ঠী তিথিতে মা দুর্গার বোধন করা হয়। এই রীতির সঙ্গে জড়িত আছে এক পৌরাণিক কাহিনি। বোধনের অর্থ জাগ্রত করা। জাগ্রত করা হয় দেবীকে। মা দুর্গার মৃন্ময়ী মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়। কথিত আছে, শরৎকালে দুর্গাপুজোর সূচনা করেছিলেন শ্রীরামচন্দ্র। লঙ্কার রাজা রাবণকে পরাজিত করার জন্য দেবীর আশীর্বাদ কামনায়, তিনিই এই সময় দুর্গার অকাল বোধন করেন। বোধনের মাধ্যমেই দুর্গাকে আবাহন করা হয়। আর তাতে রামচন্দ্রকে সাহায্য করেছিলেন স্বয়ং ব্রহ্মা।

    মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা বা কলা বউ স্নান

    সপ্তমীতে কলা বউ স্নানের রীতি প্রচলিত আছে। একেই বলা হয় নবপত্রিকা। নবপত্রিকার অর্থ হল নটি পাতা। কিন্তু এই ক্ষেত্রে নটি গাছ দিয়ে নবপত্রিকা গঠন করা হয়। এই নটি গাছ মা দুর্গার নয় শক্তির প্রতীক। গাছগুলি হল-কলাগাছ, কচু, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক, মান ও ধান। সপ্তমীর সকালে নবপত্রিকাকে স্নানের জন্য নদী বা পুকুরে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর লাল পাড় সাদা শাড়িতে মুড়িয়ে ঘোমটা দিয়ে বধূর আকারে সেটিকে গণেশের পাশে স্থাপন করা হয়। অনেকেই বলে থাকেন, নবপত্রিকার পুজো প্রকৃতপক্ষে শস্যদেবীর পুজো। ফসলের উর্বরতার সঙ্গে একটা প্রত্যক্ষ যোগ থাকে এই পুজোতে।

    মহাষ্টমীর অঞ্জলি

    মহাসপ্তমী, মহাঅষ্টমী, মহানবমী-এই তিনদিনই পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া যায়। কিন্তু অষ্টমীর অঞ্জলিকে একটু বেশিই গুরুত্ব দেন বাঙালিরা। হাত ভরে ফুল নিয়ে পুরোহিতের বলা মন্ত্র উচ্চারণের পর, হাতে ধরে থাকা ফুল-পাতা দেবীর চরণে অর্পণ করা হয়। অঞ্জলি দেওয়ার মাধ্যমে মায়ের প্রতি নিজেদের বিশ্বাস, শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন ভক্তরা। সকলেই মায়ের আশীর্বাদ চান। অশুভ শক্তির বিনাশ চেয়ে শুভ শক্তির প্রকাশ চান।

    কুমারী পুজো 

    অষ্টমী বা নবমী তিথিতে বহু জায়গায় কুমারী পুজোর রীতি পালিত হয়। শাস্ত্রমতে, এক থেকে ষোল বছর বয়স পর্যন্ত, যেসব মেয়েরা ঋতুচক্রে পা দেয়নি তাদের দেবী রূপে পুজা করা হয়।

    সন্ধি পুজো

    মহাঅষ্টমীর সমাপ্তি ও মহানবমীর সূচনার সন্ধিক্ষণে করা হয় সন্ধিপুজো। মনে করা হয়, মহাঅষ্টমী ও মহানবমীর সন্ধিক্ষণে দেবী চামুণ্ডা চণ্ড ও মুণ্ড নামে দুই অসুরকে বধ করেছিলেন। তাই এই সময় দেবীকে চামুণ্ডা রূপে পুজো করা হয়। সন্ধিপুজোর সমস্ত মন্ত্রই চামুণ্ডা দেবীর মন্ত্র। সন্ধিপুজোয় দেবীকে ১০৮ পদ্ম এবং ১০৮ দীপ জ্বালিয়ে পুজো করা হয়।

    বিজয়া দশমীতে সিঁদূর খেলা

    বিজয়া দশমীতেই সকলকে কাঁদিয়ে মা দুর্গা শ্বশুরবাড়ি পাড়ি দেন। বিজয়ার দিনে সিঁদুর খেলা দুর্গাপুজোর এক বিশেষ অনুষ্ঠান। পতিগৃহে রওনা দেওয়ার আগে উমাকে বরণ করার রীতি প্রচলিত রয়েছে। তাই, দশমীর দিন ঘরের মেয়েকে সিঁদূরে রাঙিয়ে, মিষ্টি মুখ করিয়ে, পান, ধান, দূর্বা দিয়ে বরণ করা হয়। দেবীর বরণের পরই গৃহবধূরা (Hindu Bengali worship) মেতে ওঠেন সিঁদূর খেলায়।

    দেবীর বিসর্জন

    প্রতিমা পুজার অন্তিম পর্যায় বিসর্জন। জলের মাধ্যমেই মাটির প্রতিমা প্রকৃতিতে লীন হয়। নৌকায় করে মাঝ নদীতে নিয়ে গিয়ে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। আর শুরু হয় মায়ের অপেক্ষা। পরের বছর মায়ের আগমনের এক বছরের অপেক্ষা। শুরু হয় দিন গোনা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UNHRC: সিএএ-র পক্ষে জোরালো সওয়াল মুসলিম মহিলার, কী বললেন জানেন?

    UNHRC: সিএএ-র পক্ষে জোরালো সওয়াল মুসলিম মহিলার, কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটব্যাঙ্কে ধস নামার ভয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, সংক্ষেপে সিএএ-র (CAA) বিরোধিতা করেছিল এ দেশের বেশ কিছু রাজনৈতিক দল। এদের মধ্যে সব চেয়ে বেশি সুর চড়িয়েছিল কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেস। কার্যত তাদের মুখেই ঝামা ঘষে দিলেন রাজস্থানের জয়পুরের এক মুসলিম মহিলা ফাইজা রিফাত। জেনেভায় রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের (UNHRC) ৫৭তম অধিবেশনে বক্তৃতা দেন তিনি। সেখানেই জোরালো সওয়াল করেন সিএএ-র পক্ষে।

    সিএএ (UNHRC)

    প্রসঙ্গত, সিএএ-র মাধ্যমে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বা পাকিস্তান থেকে ভারতে আসা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-সহ ছটি অমুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়। রিফাত বলেন, “যারা ঐতিহাসিকভাবে তাদের নিজ দেশে নিপীড়নের সম্মুখীন হয়েছে, তাদের আশ্রয় ও আইনি মর্যাদা প্রদান করে সিএএ।” বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যে নৃশংস অত্যাচার হচ্ছে, সে প্রসঙ্গ তুলে ধরে রিফাত বলেন, “সিএএ-র বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুরা চলমান নিপীড়ন ও নির্বাচনী হিংসার মুখোমুখি হচ্ছে। এই ব্যক্তিদের নিরাপদ পরিবেশে অভিবাসনের জন্য সিএএ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প প্রদান করে এবং তাঁদের মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে দেয়।”

    আরও পড়ুন: “পুজো কমিটিগুলোকে কম করে ১০ লাখ টাকা দিন”, রাজ্যকে কটাক্ষ আদালতের

    কী বলছেন রিফাত

    তিনি বলেন, “সিএএ নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা প্রকৃত উদ্বাস্তু ও অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে পার্থক্য করতে সাহায্য করে। যার ফলে অবৈধ অভিবাসন রোধ করার সময় বৈধ আশ্রয়ের দাবিদারদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।” রিফাতের যুক্তি (UNHRC), এই পার্থক্যের প্রয়োজন রয়েছে। কারণ এতে মাদক পাচারে যারা যুক্ত কিংবা অন্য কোনও অবৈধ কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। বিশেষত, সীমান্ত এলাকায়। রিফাত বলেন, “সিএএ (CAA) দুর্বল সংখ্যালঘুদের জন্য একটা সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা। এই আইন তাদের শোষণ থেকে রক্ষা করে। ভারতীয় সীমানায় তাদের সুরক্ষাও নিশ্চিত করে (UNHRC)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hiran Chaterjee: ‘‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হবে কী করে? কোটি কোটি খরচ হচ্ছে…’’, দেবকে কটাক্ষ হিরণের

    Hiran Chaterjee: ‘‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হবে কী করে? কোটি কোটি খরচ হচ্ছে…’’, দেবকে কটাক্ষ হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টি আর জলাধারের ছাড়া জলের কারণে বন্যায় ডুবেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের  ঘাটাল। এলাকার তৃণমূল সাংসদ দেব প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে যান। বন্যার পর থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান প্রসঙ্গে কথা উঠছে। তৃতীয় বার ঘাটালের নির্বাচিত সাংসদ দেব। এখনও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের বিষয়ে তেমন কোনও অগ্রগতি হয়নি। বন্যার পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। বিভিন্ন মহলে আবার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান প্রসঙ্গে চর্চা হচ্ছে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, দুই বছরের মধ্যে এই মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন হবে। দেব রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই দায়িত্ব নিয়েছেন। এবার সেই ইস্যুতে খোঁচা দিলেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ (Hiran Chaterjee)।

    আরও পড়ুন: তিরুপতির লাড্ডুর ঘি কীভাবে তৈরি হত? জানতে উচ্চপর্যায়ের সিট গঠন চন্দ্রবাবুর

    ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কোটি কোটি খরচ আরজি কর মামলায়! (Hiran Chaterjee)

    প্রায় চার দশক ধরে হচ্ছে, হবেই চলছে শুধু। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়ন হয়নি এখনও। রাজ্যের তরফে যদিও সেই নিয়ে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি (Hiran Chaterjee) বলেন, ‘‘ঘাটালের মানুষ ওঁর (দেব) ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন। এখন যাঁরা জলের তলায় আছেন, তাঁরাই বিচার করুন। আমার যতটা সাধ্য আমি করব। আসলে ওঁর সরকার তো আরজি কর কাণ্ড কী ভাবে চাপা দেওয়া যায়, তার জন্য কপিল সিব্বল ও ২১ জন আইনজীবীকে নিয়ে একটা অসহায় মেয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ওখানে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। এখানে আর কী করে খরচ করবেন? আমার মনে হয়, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের টাকা দিয়েই হয়ত আরজি করের মামলা চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। জনসমক্ষে তো আর বলতে পারবেন না! তাই সাংসদ অসহায়, নিরুপায়। কী বলবেন বুঝতে পারছেন না। নানা রকম কথা বলতে হচ্ছে। ঘাটাল, পাঁশকুড়ার মানুষের জন্য কষ্ট হয়, দুঃখ হয়। ওঁকে ভোট দিয়ে জিতিয়েছিলেন। কিন্তু এখন জলের তলায়। ঘাটালবাসীর জন্য হৃদয় থেকে কষ্ট হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “পুজো কমিটিগুলোকে কম করে ১০ লাখ টাকা দিন”, রাজ্যকে কটাক্ষ আদালতের

    Calcutta High Court: “পুজো কমিটিগুলোকে কম করে ১০ লাখ টাকা দিন”, রাজ্যকে কটাক্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৮৫ হাজার টাকায় কী হয়? রাজ্যের পুজো কমিটিগুলোকে কম করে ১০ লাখ টাকা দিন (West Bengal Govt)।” সোমবার এমনই তীর্যক মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। এদিন প্রধান বিচারপতি ও বিচারপতি বিভাস পট্টানায়কের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। সেই সময় এমন মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।

    টাকা দেওয়ার ‘সংস্কৃতি’ (Calcutta High Court)

    রাজ্যের পুজো বিভিন্ন পুজো কমিটিকে অনুদান বাবদ কয়েক হাজার করে টাকা দেওয়ার ‘সংস্কৃতি’ চালু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের সময় এরই প্রতিদান দেয় ক্লাবের ছেলেরা। তৃণমূল কর্মীদের পাশাপাশি তারাও ‘ঋণ’ শোধ করতে ‘ভোট করাতে’ আসরে নেমে পড়ে। যে টাকায় উন্নয়নমূলক নানা কাজ সরকার করতে পারত, সেই টাকা কেন খয়রাতিতে ব্যয় হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নানা সময়। গত বছর পুজো কমিটিগুলিকে রাজ্য সরকার দিয়েছিল ৭০ হাজার করে টাকা। এবার সেটাই বাড়িয়ে করা হয়েছে ৮৫ হাজার টাকা।

    জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    অনুদানের এই টাকার উৎস কী, তা জানতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন সৌরভ দত্ত নামে এক ব্যক্তি। সেই মামলায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে, এই টাকার উৎস কী? ক্লাবগুলি এই টাকা গাইডলাইন মেনে খরচ করছে কিনা। প্রধান বিচারপতি (Calcutta High Court) বলেন, “গত দুবছর ধরে আমি পুজো প্যান্ডেলে গিয়েছি। যা দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে ৮৫ হাজার টাকায় কিছু হয় না। ওই টাকা সম্ভবত ক্লাবের সদস্যদের জন্য কাজে লাগতে পারে।” তিনি বলেন, “অনুদানের টাকা কমপক্ষে ১০ গুণ বাড়ানো হলে সেটা পুজোর কাজে লাগতে পারে।”

    আরও পড়ুন: বন্যায় ভেঙেছে বাড়ি, বেতন থেকে দুর্গতকে ৫ লক্ষ টাকা তুলে দিলেন শুভেন্দু

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “দুর্গাপুজো রাজ্যের ঐতিহ্য। সেই কারণে পুজো কমিটিগুলিকে উৎসাহিত করার জন্য হয়তো এই টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু সেটা পর্যাপ্ত নয়।” অন্য একটি মামলায় তিনি বলেন, “দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য সরকার এক হাজার টাকা দেয়। তাদের আরও বেশি প্রয়োজন। সেটা সরকার বিবেচনা করে (West Bengal Govt) দেখলে ভালো হয় (Calcutta High Court)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Upper Primary: চাকরিপ্রার্থীরা বিক্ষোভ দেখাতেই আপার প্রাইমারি প্যানেল প্রকাশের দিন ঘোষণা

    Upper Primary: চাকরিপ্রার্থীরা বিক্ষোভ দেখাতেই আপার প্রাইমারি প্যানেল প্রকাশের দিন ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্ত সল্টলেক করুণাময়ী চত্বর। সোমবার আপার প্রাইমারির (Upper Primary) চাকরিপ্রার্থীরা বিক্ষোভ দেখান করুণাময়ীতে। এসএসসি ভবন ঘেরাওয়ের ডাক দেন তাঁরা। যখন করুণাময়ীতে (SSC Bhawan) আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন চলছে তখনই এল বিজ্ঞপ্তি। ২৫ সেপ্টেম্বর প্যানেল প্রকাশ করার কথা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)। সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, আগামী বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে মেধাতালিকা। ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হবে অস্থায়ী শিক্ষকের জন্য। বাকি পদে নিয়োগের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। যদিও চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, শুধু মেধাতালিকা প্রকাশ করলে হবে না, ১০ বছর ধরে অপেক্ষা করছে তারা। নিয়োগ প্রক্রিয়াও শীঘ্র শুরু করতে হবে। 

    কবে প্যানেল প্রকাশ

    ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আপার প্রাইমারির (Upper Primary) নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর ডেডলাইন ছিল কলকাতা হাইকোর্টের। গত ২৮ অগাস্ট ৪ সপ্তাহের ডেডলাইন স্থির করেছিল আদালত। সেইমতোই সোমবার ২৩ তারিখ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হল ২৫ তারিখ অর্থাৎ আগামী বুধবার প্যানেল প্রকাশ করা হবে। ২০১৬ সালে প্রথম এসএলএসটি হয়েছিল। এখনও নিয়োগ পাননি যোগ্যরা। দ্রুত নিয়োগের দাবিতে আজই রাস্তায় নামেন চাকরিপ্রার্থীরা। আর এদিনই প্যানেল প্রকাশের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হল। হাইকোর্টের (Calcutta High Court)  নির্দেশ থাকার পরও কেন এখনও প্যানেল প্রকাশ করা হচ্ছে না, সে দাবিকে সামনে রেখেই এদিন পথে নামেন চাকরিপ্রার্থীরা। 

    আরও পড়ুন: “আমরা এক সঙ্গে পারি…”, মোদিকে আশ্বাস শ্রীলঙ্কার নয়া প্রেসিডেন্টের

    ধুন্ধুমার করুণাময়ী

    বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে এদিন করুণাময়ী মেট্রো স্টেশন থেকে কাতারে কাতারে চাকরিপ্রার্থী রাস্তায় নেমে আসেন। গার্ডরেল পার করে চাকরিপ্রার্থীরা এসএসসি ভবনের (Upper Primary) দিকে ছুটে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে বচসাও বাধে তাদের। তবে চাকরি প্রার্থীদের একটা বড় অংশ আচার্য সদনের কাছাকাছি চলে যান। যে ব্যারিকেড ছিল, তা কার্যত ঠেলে সরিয়ে দিয়ে বেরিয়ে যান চাকরিপ্রার্থীরা। পুলিশ সামাল দিতে কিছুটা হিমশিমই খায়। কারণ, বিভিন্ন দিক থেকে এসএসসি ভবনের (SSC Bhawan) দিকে ছুটে যান চাকরিপ্রার্থীরা। অবশেষে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। তারপরই আপার প্রাইমারি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির কথা জানানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Saranda Forest: এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও সেরা শাল অরণ্য সারান্ডা, মধ্যমণি কিরিবুরু আর মেঘাতাবুরু

    Saranda Forest: এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও সেরা শাল অরণ্য সারান্ডা, মধ্যমণি কিরিবুরু আর মেঘাতাবুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারান্ডা। এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও সেরা শাল অরণ্য (Saranda Forest)। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এই সারান্ডা ফরেস্ট, যার মধ্যমণি হল কিরিবুরু আর মেঘাতাবুরু। এখান থেকে সামান্য দূরত্বে অবস্থিত শতাধিক বছরের প্রাচীন ‘মুর্গা মহাদেব’ মন্দির। স্থানীয় মানুষজন এই মন্দিরকে অত্যন্ত পবিত্র ও জাগ্রত বলে বিশ্বাস করেন। ভক্তদের বিশ্বাস, এখানে মানত করে পুজো দিলে সকল মনোস্কামনা পূরণ হয়।

    উৎসবের আবহে সেজে ওঠে এই মন্দির (Saranda Forest)

    ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলা ও ওড়িশার প্রায় সীমান্ত অঞ্চল নোয়ামুন্ডি। এই শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় তিন ৪-৫ কিমি দূরে টিসকো টাউনশিপের কাছে মুর্গা পাহাড়ে অবস্থিত মন্দিরটির শিল্পশৈলী অনেকটাই ওড়িশার মন্দিরগুলির শিল্পশৈলীর মতো। মন্দিরের প্রবেশের যে তোড়ণদ্বার রয়েছে, তার শীর্ষদেশে রয়েছে নীলকন্ঠ মহাদেবের নীল রঙের মুখাবয়ব। মূল মন্দিরটির প্রবেশদ্বারের দুই পাশে দুটি সিংহ মূর্তি। মন্দির চত্বরে রয়েছে একটি ষাঁড়ের মূর্তি, যাকে অনেকে নন্দী বলেন। অনেকটাই লাল এবং গেরুয়া রঙের মন্দিরটির অভ্যন্তরে পূজিত হচ্ছেন স্বয়ং ভগবান মহাদেব। প্রতিদিন এখানে অসংখ্য ভক্ত সমাগম হয় মহাদেবের কাছে পুজো দিয়ে মনোস্কামনা পূর্ণ করার অভিপ্রায় নিয়ে। শিবরাত্রি এবং দুর্গাপুজোর সময় এখানে প্রবল আড়ম্বরে এবং পবিত্রতার সঙ্গে পুজোপাঠের আয়োজন করা হয়। হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় তখন। রীতিমতো উৎসবের আবহে সেজে ওঠে এই মন্দির।

    প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় 

    মন্দিরের কাছেই রয়েছে একটি সুন্দর ছোট্ট ঝর্ণা। অনেকেই এই ঝর্ণাধারায় স্নান করে তারপর পুজো দেন এই মন্দিরে। সবুজের গালিচায় মোড়া পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত এই মন্দিরের আশেপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। এই মন্দিরের কাছাকাছি থাকার জায়গা তেমন নেই । সাধারণত পর্যটকরা এই মন্দির ঘুরে নেন খুব কাছের সারান্ডা অরণের কিরিবুরু মেঘাতাবুরু থেকেই। এবার আসা যাক কিরিবুরু মেঘাতাবুরু (Kiriburu and Meghahatuburu) থেকে। প্রকৃতপক্ষে কিরিবুরু আর মেঘাতাবুরু দুটি আলাদা আলাদা পাহাড় চূড়া। একটি পাহাড় থেকে অন্যটিতে পায়ে হেঁটেই ঘুরে আসা যায়। সারান্ডার গভীর অরণ্যের অভ্যন্তরে অবস্থিত এই কিরিবুরুকে (Saranda Forest) বলা হয় ৭০০ পাহাড়ের দেশ। এখান থেকে নাকি আশেপাশের অঞ্চলের ৭০০টি পাহাড়ের চূড়া দেখা যায়। তাই এই নাম। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ ফুটের মতো উচ্চতায় অবস্থিত এই বনাঞ্চল এক সময় ছিল সিংভূমের রাজাদের শিকার করার স্থান। বর্তমানে এই অঞ্চল প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকদের কাছে এক অত্যন্ত প্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    প্রাণভরে উপভোগ করা যায় অরণ্যের শিহরণ (Saranda Forest)

    শাল, মহুয়া, পলাশ, শিমুলের এই অরণ্যে দেখা মেলে বুনো শুকর, বন্য কুকুর, যাদের স্থানীয় ভাষায় বলে ঢোল, হাতি এবং জানা-অজানা হরেক রঙের, হরেক কিসিমের পাখির। এখানে এলে এক যাত্রায় দেখে নেওয়া পুন্ডিল ফলস, সান-সেট পয়েন্ট প্রভৃতি। আর প্রাণভরে উপভোগ করা যায় অরণ্যের শিহরণ। সঙ্গে এই মুর্গা মহাদেব মন্দির দর্শনের পুণ্য তো রইলই। তবে মনে রাখা দরকার, এখানে ঘোরাঘুরির জন্য সর্বদা সঙ্গে গাড়ি রাখা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে সুবিধার এবং অপেক্ষাকৃত কম খরচ হয় প্যাকেজ ট্যুরে ঘুরে নিলে। সেক্ষেত্রে জঙ্গলে সাফারি, এবং অন্যান্য ঝক্কির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

    কীভাবে যাবেন?

    কিরিবুরু থেকে মুর্গা মহাদেব (Saranda Forest) যাওয়ার পথ হবে এই রকম। কিরিবুরু-বড়া জামদা-নোয়ামুন্ডি। আর কিরিবুরু যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে বড়া জামদা। কলকাতা থেকে আসছে হাওড়া-বরবিল জন শতাব্দী এক্সপ্রেস। বড়া জামদা থেকে গাড়ি বা ট্রেকারে সামান্য পথ কিরিবুরু। থাকার জন্য এখানে কিরিবুরুতে আছে সেইল (SAIL )-এর গেস্ট হাউজ। বুকিং-এর জন্য প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০৯৮৩৬৪৬৮১৭৮ নম্বরে। আর গাড়ি বা প্যাকেজের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০৮৯৮১৬১২১০০ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagdeep Dhankhar: ‘‘রাম রাজ্যের পথে এগোচ্ছে দেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোদি’’, বললেন ধনখড়

    Jagdeep Dhankhar: ‘‘রাম রাজ্যের পথে এগোচ্ছে দেশ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোদি’’, বললেন ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (Bharat) ক্রমশই রাম রাজ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে, নেতৃত্বে রয়েছেন মোদি, গতকাল ২২ সেপ্টেম্বর রবিবার এ কথা বলেন দেশের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তিনি আরও জানিয়েছেন, ভারতবর্ষের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে জাতীয় নেতৃত্বে তত্ত্বাবধানে গত ১০ বছরে। নিজের বক্তব্যে জগদীপ ধনখড় আরও বলেন, ‘‘অনেক নেতার নাম রয়েছে কিন্তু নর যুক্ত ইন্দ্র, নরেন্দ্র সমস্ত কিছুকেই সম্ভব করেছেন এদেশে।’’ মোদি সরকারের এমন ভূয়সী প্রশংসা করতে শোনা যায় উপরাষ্ট্রপতিকে নয়াদিল্লিতে।

    জাতীয় নেতৃত্বের উল্লেখযোগ্য ভূমিকার কারণেই দেশ এগিয়ে চলেছে (Jagdeep Dhankhar) 

    তিনি (Jagdeep Dhankhar) আরও বলেন, ‘‘বিগত ১০ বছরে দেশজুড়ে অসংখ্য পাকা বাড়ির দেশের দরিদ্র মানুষদের মধ্যে বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে, গ্য়াস কানেকশন পেয়েছেন দরিদ্র মানুষরা, ঘরে ঘরে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে বিদ্যুৎ। ১০ বছরে এমনই অগ্রগতির সাক্ষী রয়েছে দেশের মানুষ। তাঁরা বলছেন যে এবার সঠিক মানুষকেই পুরস্কৃত করা হয়েছে।’’ নিজের বক্তব্যে জগদীপ ধনখড় জানিয়েছেন, একমাত্র জাতীয় নেতৃত্বের উল্লেখযোগ্য ভূমিকার কারণেই দেশ এগিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, ‘‘এটা পরিষ্কার যে, দেশ রাম রাজ্যের পথে এগিয়ে চলেছে। সরকার যা কিছু ভাবে করে সেটাই সম্ভব হয়। দেশের মানুষের পক্ষে কল্যাণকর এত কাজ কীভাবে সম্ভব হচ্ছে? এটা সম্ভব হচ্ছে এই দেশের সেই ব্যক্তিটার জন্যই যিনি দেশকে (Bharat) নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’’

    শিক্ষাকে কেন্দ্র করেই বড় বড় পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে

    প্রসঙ্গত বিগত বছরগুলিতে মোদি সরকারের অন্যতম প্রয়াস দেখা গিয়েছে যে সমাজের সমস্ত স্তর থেকে প্রতিভাবানরা যাতে সম্মান পায়। দেশের সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ, ভারতরত্ন প্রদানের ক্ষেত্রে বিগত ১০ বছরে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেশে দেখা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। শিক্ষা নিয়েও এদিন উল্লেখযোগ্য বিবৃতি দেন জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) এবং তিনি বলেন, ‘‘শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা খুব বেশি। শিক্ষাকে কেন্দ্র করেই বড় বড় পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। আমি সকলকে অনুরোধ করব যে আপনারা নিজেদের সন্তানদের শিক্ষাদান করুন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: সুস্থ জীবনে ফেরার আশায় দান্তেওয়াড়ায় আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের

    Chhattisgarh: সুস্থ জীবনে ফেরার আশায় দান্তেওয়াড়ায় আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) দান্তেওয়াড়া জেলায় রবিবার ৪ জন মাওবাদী, পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ (Maoists Surrender) করেছে। এদের নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ১৯৭ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করল। সুস্থ জীবনে ফেরার বাসনায় এরা সরকারি সাহায্য নিয়ে নিজেদের গ্রামে ফিরেছে। দান্তেওয়াড়া (Dantewada) পুলিশের প্রচার অভিযান, সরকারের সমর্থন এবং কেন্দ্রের মোদি সরকারের নানা নীতির জেরেই এই সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।

    কিসের ভিত্তিতে আত্মসমর্পণ (Maoists Surrender)

    পুলিশ সুপার গৌরব রাই বলেছেন, রবিবার হুঙ্গা তমো ওরফে তমো সূর্য (৩৭) ও তার স্ত্রী আয়তি তাতি (৩৫) আত্মসমর্পণ করে। এদের প্রত্যেকের মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ টাকা। এরা ২০১৮ সালে ছত্তিশগড়-তেলঙ্গানা (Chhattisgarh) আন্তঃরাজ্য পামদে (বিজাপুর) জঙ্গলে নিরাপত্তা কর্মীদের উপর হামলায় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্য দুই মহিলা মাওবাদী দেব ওরফে ভিজে এবং মাদভির মাথার দাম যথাক্রমে ৩ লক্ষ এবং ১ লক্ষ টাকা। আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের (Maoists Surrender) প্রত্যেককে পুনর্বাসনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। পুলিশের ‘লন ভারাটু’ প্রচার অভিযানের প্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮০০ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে, বলে জানা যায়। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও মাওবাদীদের হিংসার পথ ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ জানান। 

    মাওবাদী দমনে নয়া নীতি

    প্রসঙ্গত, গত মাসেই মাওবাদী দমন বিষয়ে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাইয়ের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য সমন্বয় বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানেই আভাস দেওয়া হয়, মাওবাদীদের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য এর মধ্যেই নানা পরিকল্পনা ছকতে শুরু করেছে কেন্দ্র। বৈঠকে অমিত জানিয়ে দেন, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশ থেকে নির্মূল হবে মাওবাদীরা। এর জন্য আগামী দু’মাসের মধ্যেই মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ (Maoists Surrender) নীতিতে পরিবর্তন আনতে চলেছে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) সরকার। সূত্রের খবর, মাওবাদী-অধ্যুষিত এলাকায় পুনর্বাসন এবং তিন বছরের দক্ষতা-উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শিবিরেরও (স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্স) ব্যবস্থা করতে পারে সরকার। নতুন আত্মসমর্পণ নীতিতে (Dantewada) মাওবাদী সংগঠনের রাজ্য কমিটি, আঞ্চলিক কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পলিটব্যুরোর সদস্যদের মতো উচ্চপদস্থ ক্যাডারদের এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা এবং নিম্ন পদের ক্যাডারদের (Maoists Surrender) এককালীন তিন লক্ষ টাকা অনুদানও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 142: “শ্রীরাধার ভাবে গান গাইতে গাইতে ঠাকুর সমাধিস্থ…চক্ষের দুই কোণ দিয়া আনন্দাশ্রু”

    Ramakrishna 142: “শ্রীরাধার ভাবে গান গাইতে গাইতে ঠাকুর সমাধিস্থ…চক্ষের দুই কোণ দিয়া আনন্দাশ্রু”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে শ্রীযুক্ত রাখাল, প্রাণকৃষ্ণ, কেদার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১লা জানুয়ারি

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের শ্রীরাধার ভাব

    ঠাকুর দক্ষিণ-পূর্ব বারান্দায় আসিয়া বসিয়াছেন। প্রাণকৃষ্ণাদি ভক্তগণও সঙ্গে সঙ্গে আসিয়াছেন। হাজরা মহাশয় বারান্দায় বসিয়া আছেন। ঠাকুর হাসিতে হাসিতে প্রাণকৃষ্ণকে বলিতেছেন—হাজরা একটি কম নয়। যদি এখানে বড় দরগা হয়, তবে হাজরা ছোট দরগা। (সকলের হাস্য)

    বারান্দার দরজায় নবকুমার আসিয়া দাঁড়াইয়াছেন। ভক্তদের দেখিয়াই চলিয়া গেলেন। ঠাকুর বলিতেছেন, অহংকারের মূর্তি।

    বেলা সাড়ে নয়টা হইয়াছে। প্রাণকৃষ্ণ প্রণাম করিয়া বিদায় গ্রহণ করিলেন—কলিকাতার বাটীতে ফিরিয়া যাইবেন।

    একজন বৈরাগী গোপীযন্ত্রে ঠাকুরের ঘরে গান করিতেছেন:

       নিত্যানন্দের জাহাজ এসেছে।
       তোরা পারে যাবি তো ধর এসে ॥
    ছয় মানোয়ারি গোরা, তারা দেয় সদা পারা,
       বুক পিঠে তার ঢাল খাঁড়া ঘেরা।
    তারা সদর দুয়ার আলগা করে রত্নমাণিক বিলাচ্ছে।

    গান—এই বেলা নে ঘর ছেয়ে।
       এবারে বর্ষা ভারি, হও হুঁশিয়ারি, লাগো আদা জল খেয়ে।
            যখন আসবে শ্রবণা, দেখতে দেবে না।
            বাঁশ বাখারি পচে যাবে, ঘর ছাওয়া হবে না।
    যেমন আসবে ঝটকা, উড়বে মটকা, মটকা জাবে ফাঁক হয়ে।
            (তুমিও যাবে হাঁ হয়ে)।

    গান—কার ভাবে নদে এসে, কাঙাল বেশে, হরি হয়ে বলছি হরি।
      কার ভাবে ধরেছ ভাব, এমন স্বভাব, তাও তো কিছু বুঝতে নারি।

    ঠাকুর গান শুনিতেছেন, এমন সময় শ্রীযুক্ত কেদার চাটুজ্যে আসিয়া প্রণাম করিলেন। তিনি আফিসের বেশ পরিয়া আসিয়াছেন, চাপকান, ঘড়ি, ঘড়ির চেন। কিন্তু ঈশ্বরের কথা হইলেই তিনি চক্ষের জলে ভাসিয়া যান। অতি প্রেমিক লোক। অন্তরে গোপীর ভাব।

    কেদারকে দেখিয়া ঠাকুরের একেবারে শ্রীবৃন্দাবনলীলা উদ্দীপন হইয়া গেল। প্রেমে মাতোয়ারা হইয়া দণ্ডায়মান হইলেন ও কেদারকে সম্বোধন করিয়া গান গাহিতেছেন:

        সখি, সে বন কতদূর।
    (যথা আমার শ্যামসুন্দর) (আর চলিতে যে নারি)

    শ্রীরাধার ভাবে গান গাইতে গাইতে ঠাকুর সমাধিস্থ। চিত্রার্পিতের ন্যায় দণ্ডায়মান। কেবল চক্ষের দুই কোণ দিয়া আনন্দাশ্রু পড়িতেছে।

    কেদার ভূমিষ্ঠ। ঠাকুরের চরণ স্পর্শ করিয়া স্তব করিতেছেন:

    হৃদয়কমলমধ্যে নির্বিশেষং নিরীহম্‌।
    হরিহরবিধিবেদ্যং যোগিভির্ধ্যানগম্যম্‌ ॥
    জননমরণভীতিভ্রংশি সচ্চিৎ স্বরূপম্‌।
    সকল ভুবনবীজং ব্রহ্মচৈতন্যমীড়ে ॥

    কিয়ৎক্ষণ পরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ প্রকৃতিস্থ হইতেছেন। কেদার নিজ বাটী হালিসহর হইতে কলিকাতায় কর্মস্থলে যাইবেন। পথে দক্ষিণেশ্বর কালী-মন্দিরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন করিয়া যাইতেছেন। একটু বিশ্রাম করিয়া কেদার বিদায় গ্রহণ করিলেন।

    এইরূপে ভক্তসঙ্গে কথা কহিতে কহিতে বেলা প্রায় দু-প্রহর হইল। শ্রীযুক্ত রামলাল ঠাকুরের জন্য থালা করিয়া মা-কালীর প্রসাদ আনিয়া দিলেন। ঘরের মধ্যে ঠাকুর দক্ষিণাস্য হইয়া আসনে বসিলেন ও প্রসাদ পাইলেন। আহার বালকের ন্যায়—একটু একটু সব মুখে দিলেন।

    আহারান্তে ঠাকুর ছোট খাটটিতে একটু বিশ্রাম করিতেছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে মারোয়াড়ী ভক্তেরা আসিয়া উপস্থিত হইলেন।

    আরও পড়ুনঃ “গঙ্গার যত নিকটে যাবে ততই শীতল বোধ হবে, স্নান করলে আরও শান্তি”

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে’! চিকিৎসককে হুমকি প্রাক্তন কাউন্সিলরের

    RG Kar: ‘দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে’! চিকিৎসককে হুমকি প্রাক্তন কাউন্সিলরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে!’’ আরজি করের ফরেন্সিক মেডিসিনের অধ্যাপক অপূর্ব বিশ্বাসকে ঠিক এই ভাষায় হুমকি দিয়েছিলেন স্থানীয় এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। এমনই অভিযোগ ওই চিকিৎসকের। আরও জানান, নিজেকে নির্যাতিতার ‘কাকা’ পরিচয় দিয়ে ফোন করেন ওই কাউন্সিলর।

    পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে (RG Kar)

    আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) ফের সিবিআই দফতরে তলব করা হয়েঠিল চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাস, অভীক দে এবং সৌরভ পালকে। সেইসঙ্গে ডাকা হয়েছিল চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাসকেও। নির্যাতিতার ময়না তদন্ত যে-তিন চিকিৎসক করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন হলেন তিনি। ফরেন্সিক মেডিসিনের অধ্যাপক অপূর্ববাবু নির্যাতিতার ময়না তদন্ত করা নিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন। জানালেন, তাঁর ওপর কীভাবে দ্রুত পোস্টমর্টেম করার জন্য চাপসৃষ্টি করা হয়েছিল। 

    সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস বলেন, এক প্রাক্তন কাউন্সিলর সেদিন (৯ অগাস্ট) তড়িঘড়ি ময়নাতদন্ত করতে চাপ দিয়েছিলেন। নিজেকে নির্যাতিতার (RG Kar) কাকা পরিচয় দেওয়া ওই প্রাক্তন কাউন্সিলর সেখানে ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ওইদিন দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। তবে, তিনি রক্তের সম্পর্কের কেউ নন। বাইরের কেউ। বলেছিল ওই দিনই পোস্টমর্টেম করতে হবে। তিনি হলেন চিকিৎসকের বাড়ি যেখানে সেখানকার প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর। এনিয়ে অভিযুক্ত সেই কাউন্সিলর সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘এবার আমি এফআইআর করব। পুরো সাজিয়ে বলা হচ্ছে।’’ এদিকে গোটা ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠছে। সিপিএমের প্রাক্তন কাউন্সিলর বলে তিনি কোনও উল্লেখ করেননি। তবে ওখানকার প্রাক্তন কাউন্সিলর বলতে ওই সিপিএম কাউন্সিলর রয়েছেন। তবে, তাঁর কথাই ওই চিকিৎসক বলছেন কি না তা নিশ্চিত নয়। কারণ, ওই চিকিৎসক সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি।

    আরও পড়ুন: তিরুপতির লাড্ডুর ঘি কীভাবে তৈরি হত? জানতে উচ্চপর্যায়ের সিট গঠন চন্দ্রবাবুর

    হুমকি কেন মানলেন চিকিৎসকরা, উঠছে প্রশ্ন

    এমনিতেই নির্যাতিতার ময়না তদন্ত নিয়ে বহু প্রশ্ন উঠেছে। যে-বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোটও। এবার বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। কিন্তু, সেইসঙ্গে এই প্রশ্নও উঠছে যে, কেউ এমন হুমকি দিলেও সেই দাবি কেন মেনে নিয়েছিলেন ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকরা। এদিকে রবিবার টালা থানার সাব ইনস্পেক্টর চিন্ময় বিশ্বাসকেও তলব করেছিল সিবিআই (CBI)। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকেও। প্রসঙ্গত, আরজি করের (RG Kar) মহিলা চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার থেকে তাঁর দেহ দাহ করা। গোটা প্রক্রিয়ায় একটা অস্বাভাবিক তাড়াহুড়ো করা হয়েছিল। এমনটাই দাবি করা হয়েছিল বিভিন্ন মহল থেকে। সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share