Blog

  • Hijab Row: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাবের নামে স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষা দিতে ময়দানে প্রশাসন

    Hijab Row: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাবের নামে স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষা দিতে ময়দানে প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) কানপুরের বিলহৌর এলাকায় এক সরকারি কলেজে তিন ছাত্রী কলেজের পোশাক বিধি না মেনে হিজাব পরে (Hijab Row) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসায় জেলাশাসক রাকেশ সিং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত কমিটির নেতৃত্ব দেবেন সহকারী জেলাশাসক রশ্মি লাম্বা। ১৭ অগাস্টের মধ্যে তাঁকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    হিজাবের নামে স্বচ্ছাচারিতা (Hijab Row)

    সবকিছু ঠিকঠাক ভাবেই চলছিল। কলেজের সকল ছাত্র-ছাত্রী পোশাক বিধি মেনেই কলেজে আসছিলেন। হঠাৎই বেঁকে বসে তিন মুসলিম ছাত্রী। জানা যায় তাঁরা পোশাক বিধির বাইরে গিয়ে হিজাব পরে (Hijab Row) কলেজে আসার জন্য গোঁ ধরে বসেন। এতে কলেজের অন্যান্য ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যেও পোশাক বিধি ভঙ্গ করার মানসিকতা দেখা দেয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ বারণ করার পরেও অনড় ছিল ওই তিন ছাত্রী। তাঁদের বক্তব্য, এই পোশাক বিধি ধর্মীয় আচরণের অংশ। তদন্ত তিনটি বিষয়ের উপরে কেন্দ্রীভূত। এক, ছাত্রীরা কী স্বেচ্ছায় হিজাব পরেছিলেন? দ্বিতীয়, ছাত্রীরা কী কলেজের পোশাক বিধি সম্পর্কে অবহিত ছিল। তৃতীয়, পোশাক বিধি না মানার জন্য তাঁদের উপরে বহিরাগত কোনও শক্তি চাপ দেয়নি তো।

    ইউনিফর্মে আপত্তি তিন ছাত্রীর (Uttar Pradesh)

    জানা গিয়েছে, এই ঘটনা ৩ আগস্ট সামনে আসে, যখন ওই তিনজন মুসলিম ছাত্রী কলেজের ভিতরে পোশাক বিধি মান্য না করে হিজাব পরে (Hijab Row) প্রবেশ করে। জ্যোতি নামে এক শিক্ষিকা প্রথমে ঘটনাটি লক্ষ্য করেন। তিনি ওই ছাত্রীদের কলেজের পোশাক বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন। শিক্ষিকার বলার পরেও, ছাত্রীরা হিজাব পরেই কলেজে আসে। এরপর হিজাব পরে কলেজ আসায় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়। অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও এ বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা কলেজের অধ্যক্ষের কাছে জানতে চায়, পোশাক বিধি না মানলে সকলেই কি ছাড় পেয়ে যাবে? নাকি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ধর্মাবলম্বী বলে পোশাক-বিধি ভঙ্গ করার জন্য ছাড় দেওয়া হচ্ছে। বিক্ষোভের জেরে কলেজের অধ্যক্ষ পোশাক বিধির বাইরে কোন পোশাক পরে আসার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং ওই ছাত্রীদের অভিভাবকদেরকে ডেকে পাঠান। অভিভাবকরা আশ্বাস দেন, এরপর থেকে কলেজের ইউনিফর্ম পরেই ছাত্রীরা কলেজে আসবে।

    কর্ণাটকের পরিস্থিতি চায়না উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh)

    কানপুরের জেলাশাসক জানিয়েছেন, “আপাতত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা ভাবা হচ্ছে না। ছাত্রীদের ভবিষ্যতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেই দিকটি ভাবা হচ্ছে। তবে কলেজের এবং যে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুশাসন সকল ছাত্র-ছাত্রীদের মেনে চলা উচিত। তদন্তের উদ্দেশ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হওয়া। প্রসঙ্গত ২০২১ সালে কর্নাটকে একইভাবে এক ছাত্রীর হিজাব পরে আসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে দুই ধর্মীয় গোষ্ঠীর ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন চায় না কর্নাটকের পরিস্থিতি উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) সৃষ্টি হোক। সেই কারণে আগেভাগেই ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেহেতু পড়াশোনার জায়গা, সেখানে ধর্মীয় গোঁড়ামির কোনও স্থান নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের চলতে হবে।

    আরও পড়ুন: অবৈধ বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করতে ঝাড়খণ্ড প্রশাসনকে নির্দেশ আদালতের

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের একরকম পোশাক হয়। তার অর্থ, সকলকে এক সমান চোখে দেখা। পোশাক বিধির পিছনে নিহিত অর্থ সকলের বোঝা উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শ্রাবণের শেষ সোমবারে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভক্তদের ঢল

    Nadia: শ্রাবণের শেষ সোমবারে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভক্তদের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার। রাজ্যজুড়ে এই দিন শিবের মাথায় জল ঢালতে সকাল থেকে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়েছে মন্দিরে মন্দিরে। তারকেশ্বর মন্দিরে তো লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভক্তদের ভিড়ে পিছিয়ে নেয় নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস মন্দির। এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়়ে।

    কৃষ্ণচন্দ্র প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ (Nadia)

    ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় ১৭৫৪ সালে নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস গ্রামে (Shibnibas) শিবমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই শিবমন্দিরসহ তিনটি মন্দির তিনি তৈরি করেছিলেন। এর মধ্যে দুটি শিবের মন্দির রয়েছে। আর একটি রাম-সীতার মন্দির। শিবলিঙ্গের উচ্চতা ৯ ফুট। স্থানীয়ভাবে বুরো শিব বা পুরাতন শিব নামে পরিচিত। শিবনিবাস গ্রামের নামটি এলাকায় শিব মন্দিরের প্রাচুর্য থেকে এসেছে। কলকাতার বিশপের নথি অনুসারে, রেজিনাল্ড হেবার ১৮২৪ সালে ঢাকায় যাওয়ার সময় শিবনিবাসকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ে গ্রামে চারটি শিব মন্দির ছিল বলে জানা যায়। যদিও এই বিষয়ে এলাকার মানুষের কাছে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    ভক্তরা কী বললেন?

    এদিন শিবনিবাসের (Shibnibas) শিবের মাথায় জল ঢালতে দূর-দুরান্ত থেকে এদিন হাজার হাজার ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার আগে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাসে রয়েছে শিব মন্দির। রবিবার রাত বারোটা বাজতেই ভিড় সামলাতে খুলে দেওয়া হয়েছে শিব মন্দিরের গেট। পুরানো ঐতিহ্য মেনে নবদ্বীপ থেকে বাঁকে করে হাজার হাজার ভক্ত গঙ্গার জল নিয়ে শিবনিবাসে আসেন শিবের মাথায় জল ঢালতে। অগণিত ভক্তগণের লম্বা লাইন মন্দির প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে বিস্তৃত হয়েছে বহুদূর পর্যন্ত। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য পুলিশ প্রশাসন সচেষ্ট। মন্দির এলাকার নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়। বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২৭০০ পুলিশ কর্মী। পুণ্যার্থী সুমিত্রা বিশ্বাস বলেন, আমি করিমপুর থেকে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে এসেছি। ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি। এত বড় শিবলিঙ্গ আমি কোনওদিন দেখিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 102: “ব্যক্তি সদা-সর্বদা ঈশ্বরচিন্তা করে সেই জানতে পারে তাঁর স্বরূপ কি?”

    Ramakrishna 102: “ব্যক্তি সদা-সর্বদা ঈশ্বরচিন্তা করে সেই জানতে পারে তাঁর স্বরূপ কি?”

    সিঁথি ব্রাহ্মসমাজ-দর্শন ও শ্রীযুক্ত শিবনাথ প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগের সহিত কথোপকথন ও আনন্দ

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ভক্ত্যা ত্বনন্যায়া শক্য অহমেবংবিধোহর্জুন।

    জ্ঞাতুং দ্রষ্টাং চ তত্ত্বেন প্রবেষ্টুং চ পরন্তপ।।

    গীতা—১১/৫৪/

    ঈশ্বরদর্শন—সকরা না নিরাকার

    ব্রাহ্মভক্ত—মহাশয়! ঈশ্বরের স্বরূপ নিয়ে এত মত কেন? কেউ বলে সাকার—কেউ বলে নিরাকার—আবার সাকারবাদী নিকট নানারূপের কথা শুনতে (Kathamrita) পাই। এত গণ্ডগোল কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যে ভক্ত যেরূপ দেখে, সে সেইরূপ মনে করে। বাস্তবিক কোনও গণ্ডগোল নাই। তাঁকে কোনরকমে যদি একবার লাভ করতে পারা যায়, তাহলে তিনি সব বুঝিয়ে দেন। সে পাড়াতেই গেলে না—সব খবর পাবে কেমন করে?

    একটা গল্প শোনঃ

    একজন বাহ্যে গিছিল। সে দেখলে যে গাছের উপর একটি জানোয়ার রয়েছে। সে এসে আর একজনকে বললে, দেখ অমুক গাছে একটি সুন্দর লাল রঙের জানোয়ার দেখে এলাম। লোকটি উত্তর করলে, আমি যখন বাহ্যে গিছিলাম আমিও দেখেছি—তা সে লাল রঙ হতে যাবে কেন? সে জে সবুজ রঙ! আর-একজন বললে (Kathamrita), না না—আমি দেখেছি হলদে! এইরূপে আরও কেউ কেউ বললে, না জরদা, বগুনী, নীল ইত্যাদি। শেষে ঝগড়া। তখন তারা গাছতলায় গিয়ে দেখে, একজন লোক বসে আছে। তাকে জিজ্ঞাসা করাতে সে বললে, আমি এই গাছতলায় থাকি, আমি সে জানোয়ারটিকে বেশ জানি—তোমার যা যা বলছ, সব সত্য—সে কখন লাল, কখন সবুজ, কখন হলদে, কখন নীল আরও সব কত কী হয়! বহুরূপী। আবার কখন দেখি, কোন রঙই নাই। কখন সগুণ, কখন নির্গুণ।

    অর্থাৎ যে ব্যক্তি সদা-সর্বদা ঈশ্বরচিন্তা (Ramakrishna) করে সেই জানতে পারে তাঁর স্বরূপ কি? সে ব্যক্তিই জানে যে, তিনি নানারূপে দেখা দেন, নানাভাবে দেখা দেন—তিনি সগুণ, আবার তিনি নির্গুণ। যে গাছতলায় থাকে, সেই জানে যে বহুরূপীর নানা রঙ—আবার কখন কখন কোন রঙই থাকে না। অন্য লোক কেবল তর্ক ঝগড়া করে কষ্ট পায়।

    আরও পড়ুনঃ “মহাশয় ঈশ্বরকে কি দেখা যায়? যদি দেখা যায়, দেখতে পাই না কেন?”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু, ভারতীয় সংসদকে খোলা চিঠি দেশের সাহিত্যিক-বিজ্ঞানীদের

    Bangladesh: বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দু, ভারতীয় সংসদকে খোলা চিঠি দেশের সাহিত্যিক-বিজ্ঞানীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু-নিধন (Hindu Genocide) নিয়ে এবার সরব হলেন ভারতীয় বুদ্ধিজীবীরা। ভারতীয় সাহিত্যিক-বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে অধ্যাপক-বিশিষ্টজন’রা এ নিয়ে খোলা চিঠি লিখলেন দেশের সংসদের উদ্দেশে। ওই চিঠির নিচে তাঁরা স্বাক্ষরও করেছেন। হিন্দুদের অধিকার রক্ষায় একগুচ্ছ দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। চিঠিতে বাংলাদেশের হিন্দুদের দুর্দশার কথা যেমন তুলে ধরা হয়েছে, তেমনই মন্দিরে মন্দিরে হামলা, হিন্দু হত্যার কথাও সেখানে স্থান পেয়েছে।

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠার পরেই সেদেশের হিংসা সাম্প্রদায়িক হামলায় পরিবর্তিত হয়। জামাত ও বিএনপির নেতৃত্বে মৌলবাদীরা আক্রমণ চালাতে থাকে একের পর এক হিন্দু মন্দির ও বাড়িতে (Hindu Genocide)। গত শনিবারই লাখো লাখো হিন্দু নিরাপত্তার দাবিতে জড়ো হন সারা বাংলাদেশের একাধিক জায়গায়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও নিজের ট্যুইট বার্তায় মহম্মদ ইউনূসকে হিন্দুদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করার আহ্বান জানান। ঠিক এই আবহে এবার হিন্দুদের অধিকার রক্ষায় সরব হতে দেখা গেল ভারতীয় সাহিত্যিক-বিজ্ঞানীদের।

    কী লেখা হল খোলা চিঠিতে?

    বিশিষ্টজনদের ওই চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘‘বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর যেভাবে হিংসাত্মক হামলা (Hindu Genocide) বেড়ে চলছে, তাতে আমরা গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছি। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলিতে দেখা যাচ্ছে হিন্দুদেরকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে। মেহেরপুরে ইসকনের কেন্দ্রকে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে একাধিক হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গণপিটুনিতে হিন্দুদের হত্যা করে সেই ভিডিও ভাইরাল করেছে মৌলবাদীরা।’’ হিন্দুদের ওপর এমন হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বলেই জানিয়েছেন সাহিত্যিক-বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে অধ্যাপক-বিশিষ্টজনরা।

    বাংলাদেশ (Bangladesh) গঠনের আগেই পাকিস্তানি শাসকরা ২৫ লাখ হিন্দুকে হত্যা করেছিল

    ওই চিঠিতে এ প্রসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে ঐতিহাসিকভাবে কীভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠীকে বারবার আক্রমণ করা হয়েছে বাংলাদেশে। এনিয়ে লেখা হয়েছে, ‘‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশ গঠনের আগেই পাকিস্তানি শাসকরা ২৫ লাখ হিন্দুকে হত্যা করেছিল। তখন থেকে হিন্দু গণহত্যা সেদেশে একটি নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।’’ চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা ৩,৬০০টি ঘটেছে।’’ চিঠিতে আবেদন জানানো হয়েছে ভারত সরকার যেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সঙ্গে এবিষয়ে আলোচনা চালায়। আন্তর্জাতিক মঞ্চের মাধ্যমে বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকারকে চাপ দিয়ে সংখ্যালঘুদের অধিকারকে সুরক্ষিত করার কথাও বলা হয়েছে ওই চিঠিতে। এর পাশাপাশি নির্যাতনের হাত থেকে পালিয়ে আসা বাংলাদেশি হিন্দুদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

    নির্বাচিত সাংসদদের কাছে আবেদন

    ওই চিঠিতে আরও লেখা হয়েছে, ‘‘বাংলাদেশের (Bangladesh) বর্তমান ঘটনাবলীর পরিস্থিতি হিন্দুদের ওপর হামলার তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। সংখ্যালঘুরা সেখানে বিপন্ন-অত্যাচারিত-নিপীড়িত।’’ বর্তমান পরিস্থিতিতে যে বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বা দেশভাগের সময়কার ছায়া দেখা যাচ্ছে তারও উল্লেখ করা হয়েছে এবং সংখ্যালঘুদের ওপর যাতে হামলা আর কোনওভাবে না হয় তার স্থায়ী সমাধানও চাওয়া হয়েছে। ভারতীয় সাংসদদের কাছে আবেদন করে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘আমরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যে, এই ইস্যু নিয়ে তাঁরা যেন সরকারের সঙ্গে কথা বলেন এবং উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার এই সমস্যাটির সমাধান করেন।’’

    কী কী দাবি জানানো হল 

    নিজেদের দাবির কথাও চিঠির একেবারে শেষে উল্লেখ করেছেন লেখক-বিজ্ঞানীরা এবং সেখানে ভারতীয় সংসদের কাছে দাবি হিসেবে জানানো হয়েছে-

    ১. বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর ঘটে চলা হিংসাত্মক হামলা ও সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের নিন্দা জানিয়ে সর্বসম্মতভাবে প্রস্তাব পাশ করতে হবে।

    ২. রাষ্ট্রসঙ্ঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সঙ্গে ভারত সরকার যেন আলোচনা চালায় যাতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপ দিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘ হিন্দু সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নেয় এবং দাঙ্গাকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করে।

    ৩. বাংলাদেশে মৌলবাদীদের আক্রমণে যে সমস্ত হিন্দু অত্যাচারিত হয়েছেন তাঁদেরকে মানবিকভাবে সহায়তা করা এবং ভারতে তাঁদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা।

    ৪. বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মৌলিক ও মানবিক অধিকারকে বজায় রাখতে এবং যে কোনও ধরনের হিংসাকে রোধ করতে পদক্ষেপ করা। প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিকভাবে মঞ্চে বিষয়টি আলোচনা করে হিন্দুদেরকে সুরক্ষা প্রদান করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্স পদকের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন! ব্রোঞ্জজয়ী অ্যাথলিটের পোস্ট নিয়ে জল্পনা

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্স পদকের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন! ব্রোঞ্জজয়ী অ্যাথলিটের পোস্ট নিয়ে জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সের পদক অমূল্য। কোনও অর্থ দিয়ে তা বিচার করা যায় না। কিন্তু প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) তা নিয়েই চরম বিতর্ক তৈরি হল। অলিম্পিক্স সবে শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে পদকের (Olympics Medal) রং উবে যাচ্ছে। আমেরিকার স্কেটবোর্ডার নাইজা হিউস্টন (Nyjah Huston) এই নিয়ে অভিযোগ করেছেন। ব্রিটিশ ডাইভার ইয়াসমিন হারপারও (Yasmin Harper) একই অভিযোগ করেছেন।

    কী অভিযোগ

    তিনি অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) শুরুর প্রথম সপ্তাহেই স্কেট বোর্ডিংয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। তারপর দশদিন পরে উদ্ধার করা গিয়েছে, ওই পদকের রং উবে যাচ্ছে। যে উজ্জ্বলতা প্রথমে ছিল, সেটি আর নেই। বরং দিনের দিন সেটি কমে যাচ্ছে। সেই নিয়ে এই মার্কিন অ্যাথলিট একটি ভিডিও করে সেটি সোশ্যাল সাইটে দিয়ে দিয়েছেন। তাতে প্যারিসের আয়োজকদের ট্যাগ করে লিখেছেন, “আমার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা হোক।” নাইজাহর ইনস্টাগ্রামে ৫.৩ মিলিয়ন ফলোয়ার্স রয়েছে। তাঁদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘‘নতুন অবস্থায় এই অলিম্পিক্স পদকগুলি দারুণ দেখায়। কিন্তু ঘর্মাক্ত শরীরে এই পদক আমি পরেছি। কয়েকজন বন্ধুদেরও পরতে দিয়েছিলাম। এভাবে দিনসাতেক কাটতে না কাটতেই পদকের রং উঠে গেল। এটা ভীষণ রুক্ষও দেখাচ্ছে। এমনকী, সামনের দিকটাও কিছুটা কমতে শুরু করেছ। অলিম্পিক্স পদকের মান হয়তো কিছুটা হলেও বাড়ানো যেত। যে মানের হবে ভেবেছিলাম, তেমনটা হল না একেবারেই।’’

     ব্রিটিশ ডাইভার ইয়াসমিন হারপারও (Yasmin Harper) একই অভিযোগ করেছেন। ইয়াসমিন হারপারেরও পদক নিয়ে একই অভিযোগ। তিনিও ব্রোঞ্জ জিতেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘পদকের ভিতর জল বা কিছু ঢুকে গিয়েছে বলেই মনে হয়। আমার পদকের রং উঠে গিয়েছে। কেন হয়েছে, তা আমি নিশ্চিত নই।’’

    অলিম্পিক্স কমিটির বিবৃতি

    এই বিষয়টি নজরে এসেছে প্যারিসের (Paris Olympics 2024) আয়োজকদের। তারা ইমেলে ওই অ্যাথলিটদের লিখেছেন, কয়েকদিনের মধ্যেই ওই খারাপ হয়ে যাওয়া পদক প্রতিস্থাপিত করে দেওয়া হবে। এমনকী, কোনও অ্যাথলিটের এমন অভিযোগ থাকলে তাঁরাও যোগাযোগ করতে পারেন ইমেলের মাধ্যমে। তাঁদেরও পদক (Olympics Medal) নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাল্টিপল স্পোর্টসের সবচেয়ে বড় ইভেন্টের সোনা-রুপো-ব্রোঞ্জ পদকের নকশা করেছে ফ্রান্সের একটি বিখ্য়াত জুয়েলারি সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Port: ভারতের জন্য গ্রেট নিকোবর দ্বীপে আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানেন? 

    Port: ভারতের জন্য গ্রেট নিকোবর দ্বীপে আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেট নিকোবরে ৪১০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগে নির্মিত হচ্ছে ট্রান্স-শিপমেন্ট পোর্ট (Port)। ভারত সরকার গালাথিয়া উপসাগরে গ্রেট নিকোবর দ্বীপে আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর (Great Nicobar Transhipment Port) প্রকল্পকে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে চলেছে। এই বন্দর প্রকল্পটি শুরু করার সময় প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার মতো একটি বিষয় প্রথমে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পরিবেশ এবং জলবায়ু মন্ত্রক থেকে ছাড়পত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই সঙ্গে ন্যাশনাল গ্রীন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) থেকেও অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। ফলে বাস্তবায়নে আর কোনও বাধা নেই। এই বন্দর ভারতের আন্তর্জাতিক আমদানি-রফতানির জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    বন্দর সচিবের বক্তব্য (Great Nicobar Transhipment Port)

    সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় বন্দর, নৌপরিবহণ এবং জলপথ সচিব টি কে রামচন্দ্রন বলেছেন, “এই বন্দর (Great Nicobar Transhipment Port) প্রকল্পের ডিপিআরও চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং আমরা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এটির আরও বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করব। এই সমুদ্র বন্দর প্রকল্পটির জন্য অনুমানিক ব্যয় হবে প্রায় ৪১,০০০ কোটি টাকা। তবে সরকার এবং ব্যক্তিগত-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) দ্বারা প্রকল্পের অর্থ অনুমোদন করা হবে।”

    পিপিপি মডেলে তৈরি হবে

    গত বছর, বন্দর (Port), নৌপরিবহণ এবং জলপথ মন্ত্রক ঘোষণা করেছিল, ১১টি সংস্থা এই বন্দর (Great Nicobar Transhipment Port) প্রকল্পের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যার মধ্যে রয়েছে, লারসেন অ্যান্ড টুব্র লিমিটেড, অ্যাফকান ইন্সুরেন্স লিমিটেড, জেএসডবলু ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের মতো কোম্পানি। বাজার ও ব্যবসার মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে স্টোরেজ এলাকা, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম এবং অন্যান্য কাঠামো গঠন করা হবে। ৩০ থেকে ৫০ বছরের দীর্ঘমেয়াদী সময়ের জন্য পিপিপিকে ছাড় দেওয়া হবে। বন্দর পরিষেবা প্রদানের জন্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে কর সংগ্রহ এবং সামগ্রিক পরিচর্চার বিষয়ে তাদের বিশেষ অধিকার দেওয়া হবে।

    দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে

    এই সমুদ্র বন্দরের (Great Nicobar Transhipment Port) প্রকল্পটি ২টি ধাপে তৈরি করা হবে। প্রথম পর্যায়ের জন্য আনুমানিক খরচ করা হবে প্রায় ১৮০০০ কোটি টাকা। এই পর্বে ব্রেকওয়াটার নির্মাণ, ড্রেজিং, পুনরুদ্ধার, বার্থ, স্টোরেজ এলাকা, বিল্ডিং এবং ইউটিলিটি, যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, ইনস্টলেশন এবং বন্দর কলোনির উন্নয়নের কাজ করা হবে। মূল অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি সহায়তা করা হবে। দ্বিতীয় পর্বে বন্দরের জন্য পৃথক দরপত্র প্রণয়ন করা হবে। তবে প্রথম পর্যায় এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের মধ্যে সর্বাধিক সাত বছরের ব্যবধানের থাকবে। তবে যদি চাহিদা বাড়ে তবে এই সময়ের ব্যবধানটি কমিয়ে আনা হতে পারে।

    প্রকল্পের তাৎপর্য

    বর্তমানে, ভারতের ট্রান্সশিপড কার্গোর প্রায় ৭৫ শতাংশ ভারতের বাইরের বন্দরে পরিচালনা করা হয়ে থাকে। কলম্বো, সিঙ্গাপুর এবং ক্ল্যাং-এই বন্দরগুলিতে ৮৫ শতাংশেরও বেশি কাজ হয়ে থাকে৷ তবে এই ট্রান্সশিপড কার্গোর অর্ধেকের বেশি কলম্বো বন্দর দ্বারা পরিচালিত হয়। ভারতের এই বন্দর প্রকল্প অত্যন্ত কৌশলগত, কারণ এটি সিঙ্গাপুর, ক্ল্যাং এবং কলম্বোর মতো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রুটে মধ্যে অবস্থিত। বৈদেশিক আমদানি-রফতানি এবং ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তা-সুরক্ষার বিষয় জড়িয়ে রয়েছে এই বন্দরের সঙ্গে। তাই ভারতের জন্য এই বন্দর (Great Nicobar Transhipment Port) অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 

    আরও পড়ুনঃ অবৈধ বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করতে ঝাড়খণ্ড প্রশাসনকে নির্দেশ আদালতের

    ২০২৮ সালের মধ্যে চালু হবে বন্দর

    আন্তর্জাতিক জাহাজ বাণিজ্য পথের ৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত এই বন্দর (Great Nicobar Transhipment Port)। ২০ মিটারের বেশি প্রাকৃতিক জলের গভীরতায় জাহাজের আমদানি-রফতানির জন্য খুব সহায়ক হবে এই বন্দর। এই প্রস্তাবিত বন্দরটি সম্পূর্ণরূপে চালু হলে প্রতি বছর ১৬ মিলিয়ন কন্টেইনার ওঠা-নামানোর পরিকাঠামো নির্মিত হবে। যার প্রথম ধাপ ২০২৮ সালের মধ্যে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গ্রেট নিকোবর দ্বীপের সামগ্রিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে একটি গ্রিনফিল্ড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা বন্দরের (Port) সঙ্গে একযোগে বিকাশ ঘটাবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Cricket: এবার দলীপ ট্রফিতে খেলতে নামবেন কোহলি-রোহিত! গুরু গম্ভীরের পরামর্শে?

    India Cricket: এবার দলীপ ট্রফিতে খেলতে নামবেন কোহলি-রোহিত! গুরু গম্ভীরের পরামর্শে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের আগে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে দেখা যাবে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে। ৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু দলীপ ট্রফি (Duleep Trophy)। দলীপের জন্য ইন্ডিয়া-এ, ইন্ডিয়া-বি, ইন্ডিয়া-সি ও ইন্ডিয়া-ডি— এই চারটি দল নির্বাচন করা হবে। সূত্র অনুযায়ী, সেই দলে থাকবেন রোহিত ও বিরাট। এর আগেই ভারতীয় ক্রিকেট (India Cricket) বোর্ড স্পষ্ট করে দিয়েছিল, জাতীয় দলে জায়গা পেতে হলে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে হবে। সেই ছবিই এবার দেখা যাবে। 

    কোন কোন ক্রিকেটারেরা দলীপে খেলবেন? (India Cricket) 

    রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি ছাড়াও দলীপে খেলতে দেখা যাবে ভারতের দুই ‘অবাধ্য’ ক্রিকেটার শ্রেয়স আয়ার ও ঈশান কিসানকেও। এছাড়াও থাকবেন শুভমন গিল, লোকেশ রাহুল, রবীন্দ্র জাডেজা, যশস্বী জয়সওয়াল, সূর্যকুমার যাদব, কুলদীপ যাদব, অক্ষর পটেলের মতো জাতীয় দলে খেলা ক্রিকেটারেরা। তবে রোহিত, কোহলিরা দলীপের (Duleep Trophy) শুরু থেকেই খেলবেন, নাকি ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচে অংশ নেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বাংলাদেশের বিপক্ষে নামার আগে বোর্ডের তরফে জাতীয় দলের জন্য ছোটখাটো এক ক্যাম্পের আয়োজন করা হচ্ছে। সেই শিবির চূড়ান্ত হলে কোহলি-রোহিতদের প্ৰথম রাউন্ডেই খেলতে দেখা যাবে। 

    তালিকা থেকে বাদ বুমরা

    তবে জানা গিয়েছে, বাকি ক্রিকেটারেরা (India Cricket) খেলায় অংশ নিলেও এই তালিকা থেকে বাদ রাখা হয়েছে জসপ্রীত বুমরাকে। তিন ফরম্যাটেই তিনি দলের প্রধান বোলার। সেই কারণে বুমরাকে বেশি ধকল দিতে চাইছেন না নির্বাচকরা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও হয়ত বিশ্রাম দেওয়া হবে ভারতীয় পেসারকে। কারণ, আগামী চার মাসে পর পর ১০টি টেস্ট খেলবে ভারত। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুটি ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনটি টেস্টের পরে অস্ট্রেলিয়ায় পাঁচ টেস্টের সিরিজ রয়েছে রোহিত, কোহলিদের। 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দু ছাত্রদের সঙ্গে আজ বৈঠক ইউনূসের

    উল্লেখ্য, এবারের দলীপ ট্রফি (Duleep Trophy) হওয়ার কথা ছিল অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুরে। তবে যেহেতু জাতীয় দলের সমস্ত তারকারা অংশ নেবেন এবং এই ভেন্যুতে আকাশপথে পৌঁছনো সম্ভব নয়, তাই বোর্ডের তরফে নতুন ভেন্যু বাছা হয়েছে বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামকে। তবে এখনও সেই বিষয়ে সরকারিভাবে ঘোষণা করেনি বোর্ড। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন ৭০ হাজার বিএসএফ জওয়ান

    Bangladesh Crisis: অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন ৭০ হাজার বিএসএফ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এদেশে শরণ পাওয়ার আশায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কয়েকটি সেক্টরে এখনও ভিড় করছেন বাংলাদেশিরা। যাদের একটা বড় অংশ আসলেই নির্যাতনের শিকার বলে মনে করা হচ্ছে। হাসিনা সরকারের পতনের (Bangladesh Crisis) পর কয়েক হাজার বাংলাদেশি ভিড় জমিয়েছিলেন সীমান্তে। নিরাপত্তার ফাঁক গলে বহু বাংলাদেশি ঢুকে পড়ছেন বলে অভিযোগ। বিএসএফ জানিয়েছে, ১১ জন বাংলাদেশিকে তাঁরা অবৈধ অনুপ্রবেশের (Infiltration) অভিযোগে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে, অপর দুই গ্রেফতার হয়েছে ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে। সাতজনকে মেঘালয় সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের সকলের রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি, তবে সকলেই বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে বিএসএফ।

    ১১ অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার (Infiltration)

    জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের দুই অনুপ্রবেশকারীর মধ্যে একজন আওয়ামি লিগের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। ধৃতকে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর আদালতে তোলা হয়। জানা যায়, তার কাছে ভারতে ঢোকার অনুমতি পত্র (visa) ছিল না। এই প্রেক্ষিতে, ভারত-বাংলা সীমান্তে আর নজবদারি বাড়িয়ে দিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭০ হাজার জওয়ানকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও বহু জায়গায় রাতের অন্ধকারে অনুপ্রবেশের (Infiltration) সুযোগ রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    কাঁটাতারের বেড়া নেই সর্বত্র

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বহু নদী-নালা, বন জঙ্গল ঘেরা এলাকা রয়েছে। সব জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া নেই। যার ফলে বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে ফাঁক গলে অনুপ্রবেশ হয়ে থাকে। যদিও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সঙ্গে বিএসএফ কথোপকথন চালিয়ে অনুপ্রবেশ রুখে দেওয়ার (Bangladesh Crisis) যথাসম্ভব চেষ্টা চালাচ্ছে। বিএসএফের নর্থইস্ট কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, কাতারে কাতারে মানুষ ‘নো ম্যান্স ল্যান্ড’-এ ঢুকে পড়লেও কেউই ভারতীয় সীমান্তে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেননি। অনেককেই বুঝিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এখন অবধি বিএসএফের ওপরে হামলার ঘটনা বা জোর করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়নি।

    অনুপ্রেবেশ রুখতে তৎপর বিএসএফ (Bangladesh Crisis)

    ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের (Bangladesh Crisis) পর, গোটা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে। এর মাঝে ৯ অগাস্ট প্রায় ১,৭০০ বাংলাদেশি নাগরিক নদীপথ পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার সেক্টরে ভারতীয় সীমান্তের কাছে ‘নো ম্যান্স ল্যান্ডে’ চলে আসেন। বিএসএফ আধিকারিকরা তাঁদের শান্তিপূর্ণভাবে বুঝিয়ে কথাবার্তার মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেয়। যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের কেউই কেউই সশস্ত্র ছিলেন না এবং জোর করে ভারতে ঢোকার (Infiltration) চেষ্টাও করেননি। অন্যদিকে, এদিনই ১০-১৫ জন বাংলাদেশি হিন্দুদের একটি দল অসমের ধুবরি জেলায় ভোগডাঙ্গা সীমান্তের কাছে দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিজিবির সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারত আমাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু’’, জানাল বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক

    অসম এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, তাঁদের সীমান্ত সুরক্ষিত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ থেকে কেউই ভারতে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেনি। যদিও প্রত্যেকদিন কোথাও না কোথাও অত্যাচারের শিকার বাংলাদেশি হিন্দুরা শরণার্থী হিসেবে ভারতে আসার চেষ্টা করছেন।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, সুরক্ষার দাবিতে বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল সনাতনীদের

    Bangladesh Protest Rally: বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা, সুরক্ষার দাবিতে বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল সনাতনীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Protest Rally) হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে পথে নামলেন বর্ধমান-২ নম্বর ব্লকের সনাতনী সমাজের মানুষেরা। এই মিছিল কোনও হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে করা হয়নি। সাধারণ মানুষ অসহায় হিন্দু বাংলাদেশিদের সুরক্ষার দাবিতে পথে নামেন। অধিকাংশের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। শুধুমাত্র ওপারের হিন্দুদের অধিকার রক্ষার তাগিদে এদিনের এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    মিছিলে পা মেলালেন মহিলারাও (Bangladesh Protest Rally)

    বর্ধমানের স্বস্তিপল্লি ফুটবল ময়দান থেকে শুরু হয়ে পুরো এলাকা ঘুরে আবার স্বস্তিপল্লি গিয়ে শেষ হয় এই মিছিল। বাড়ির মহিলারাও মিছিলে (Bangladesh Protest Rally) পা মেলান। মিছিল থেকে মুসলিম মৌলবাদীদের হাত থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাঁচানোর দাবিও তোলা হয়। এর আগে, আসানসোলের রাজপথে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রায় তিন হাজার কর্মী-সমর্থক প্রতিবাদ মিছিল করেছিলেন। বারাসতেও দুদিন আগেই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে মিছিল করা হয়। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে রাস্তা অবরোধ করেছিলেন আন্দোলনকারীরা। ফলে, রাজ্য জুড়েই বাংলাদেশের নৃশংস অত্যাচারের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হচ্ছেন এপার বাংলার হিন্দুরা।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন?

    সনাতনী সমাজের পক্ষে শতীশচরণ সমাদ্দার বলেন, ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যেভাবে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে ভারত সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি অত্যাচার বন্ধ না হয় তাহলে ভারত সরকারকে যা যা ব্যবস্থা করার দরকার অবিলম্বে তা ব্যবস্থা করতে হবে। দিনের পর দিন, রাতের অন্ধকারে শয়ে শয়ে লোক হিন্দুদের বাড়িতে ডাকাতি করছে, মেয়েদের ওপর অত্যাচার করছে, তারই প্রতিবাদের আমাদের এই প্রতিবাদ। এই ধরনের অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। আমরা ওপার বাংলার হিন্দুদের একটাই বার্তা দিতে চাই, আপনাদের পাশে আমরা সবসময় আছি। যে কোনও পরিস্থিতিতে আমরা আপনাদের সাহায্য করতে বদ্ধপরিকর। শুধু বর্ধমান (Burdwan) নয়, আর এই ধরনের আন্দোলন (Bangladesh Protest Rally) সংগঠিত করার জন্য সকলের কাছে আমরা আবেদন রাখছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশে ১১ বার ভাষণ! মোদি হতে চলেছেন তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশে ১১ বার ভাষণ! মোদি হতে চলেছেন তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার দেশের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) দিল্লির লালকেল্লায় বক্তব্য রাখবেন। প্রসঙ্গত, নরেন্দ্র মোদি হতে চলেছেন তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি ১১ বার স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day) বক্তব্য রাখবেন। চলতি বছরের ৪ জুন লোকসভা ভোটের ফলাফল বের হয়। দেখা যায়, ফের ক্ষমতায় ফিরেছে এনডিএ জোট। এরপরেই ৯ জুন তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি। তখনই তিনি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর রেকর্ডকেও স্পর্শ করেন।

    নেহরু ও ইন্দিরার পরেই ১১ বার ভাষণ দেবেন মোদি (PM Modi) 

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জওহরলাল নেহরু টানা তিনবার পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। জওহরলাল নেহরু ১৭ বার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন স্বাধীনতা দিবসে। অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৭৭ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এবং তার পরবর্তীকালে ১৯৮০ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৮৪ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। তিনি অবশ্য টানা তিনবার ক্ষমতায় ফেরেননি। ইন্দিরা গান্ধী ১৬ বার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। এরপরেই স্থান পেতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), তিনি লালকেল্লা থেকে ১১ বার বক্তৃতা করবেন জাতির উদ্দেশে। অর্থাৎ নেহরু, ইন্দিরার পরেই তিনি হচ্ছেন এদিক থেকে তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী।

    ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণ 

    লালকেল্লায় ভাষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) পরেই রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, যিনি ১০ বার স্বাধীনতা দিবসে বক্তব্য দিয়েছেন। গতবারই মনমোহনের রেকর্ড স্পর্শ করেন নরেন্দ্র মোদি। ২০১৪ সালে ইউপিএ সরকারকে পরাস্ত করে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসেন নরেন্দ্র মোদি। সে বছরের স্বাধীনতা দিবসে তিনি প্রথমবার বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তাঁর সেই লালকেল্লার ভাষণে তিনি স্বচ্ছ ভারত এবং জনধন অ্যাকাউন্টের মতো নতুন কর্মসূচিরও ঘোষণা করেন।

    স্বাধীনতা দিবসে গড়ে ৮২ মিনিট ভাষণ দেন মোদি (PM Modi)

    স্বাধীনতা দিবসে নরেন্দ্র মোদি, অন্য যে কোনও প্রধানমন্ত্রীর থেকে দীর্ঘক্ষণ বক্তব্য রাখেন। তথ্য বলছে, এর আগে দশবার স্বাধীনতা দিবসে তিনি গড়ে ৮২ মিনিট করে বক্তৃতা করেছেন। নরেন্দ্র মোদির পরে স্থান রয়েছে আই কে গুজরালের। ১৯৯৭ সালে লালকেল্লায় (Independence Day) তিনি বক্তব্য রেখেছিলেন ৭১ মিনিট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গড় ৮২ মিনিট বক্তব্য দিলেও, ২০১৭ সালে তিনি ভাষণ দেন ৫৫ মিনিট। অন্যদিকে, ২০১৬ সালে নরেন্দ্র মোদি বক্তব্য রেখেছিলেন ৯৪ মিনিট। ১৯৪৭ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জহরলাল নেহরু বক্তব্য রেখেছিলেন ২৪ মিনিট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share