Blog

  • WB BJP: পশ্চিমবঙ্গ যাবে বাংলাদেশে? সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল মানচিত্র, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    WB BJP: পশ্চিমবঙ্গ যাবে বাংলাদেশে? সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল মানচিত্র, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের রাশ গিয়েছে জামাতের হাতে। কোটা আন্দোলন যে মুখোশ ছিল, তা প্রকট হয়েছে তখনই যখন বাংলাদেশের (Greater Bangladesh) রাজনৈতিক অস্থিরতা সাম্প্রদায়িক হিংসার রূপ নিয়েছে। এরই মাঝে বাংলাদেশের কট্টর মৌলবাদীরা, পশ্চিমবঙ্গকেও বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছে। এনিয়ে সমাজ মাধ্যমের পাতায় শুরু হয়েছে প্রচারও। ভাইরাল হয়ে গিয়েছে বেশ কতকগুলি স্ক্রিন শট। ওই পোস্টগুলিতে প্রতিফলন দেখা গিয়েছে, মৌলবাদীদের ভাবনার গ্রেটার বাংলাদেশকে। ভাইরাল হওয়া পোস্টগুলিতে বাংলাদেশের মানচিত্রের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গকে। এনিয়ে প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে রাজ্য বিজেপির (WB BJP)।

    পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে শেয়ার করেছেন এমনই একটি স্ক্রিন শট। সেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের মানচিত্রের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে (WB BJP)। এনিয়ে জগন্নাথবাবু লিখছেন, ‘‘মনে রাখবেন, বাংলাদেশের যে শক্তির উত্থান হল তাঁদের মনের বাসনা আমরা জানতে পেরেছি। সেই শক্তি পশ্চিমবঙ্গকেও ইসলামিকরণ করে বাংলাদেশে জুড়তে চায়।’’

    পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র (Greater Bangladesh)

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের উগ্র মৌলবাদী সংগঠনগুলি প্রথম থেকেই পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সক্রিয়। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে জনবিন্যাসের বদল করছে তারা, যাতে কাশ্মীরের মতো, বাংলার সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতেও খুব তাড়াতাড়ি দাবি ওঠে বাংলাদেশভুক্তির। এনিয়ে জগন্নাথবাবু (WB BJP) লিখছেন, ‘‘অরাজকতার পর্বে এটি আরও স্পষ্ট হয়েছে। মানচিত্রটি  তৈরি করে বিতরণ হয়েছে। যেটা আমরা বরাবরই বলে আসছি পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র। হিন্দু বাঙালির এখন ভাববার সময় এসেছে।’’

    বাংলাদেশে যা ঘটল একই ঘটনা ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে ঘটেছে

    প্রসঙ্গত, নিজের পোস্টে জগন্নাথবাবু  ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসাকে বাংলাদেশের পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করেছেন। বিধানসভার পরে শাসক দলের সন্ত্রাস, আসলে সাম্প্রদায়িক হামলা ছিল, এই তত্ত্বে সিলমোহর দিয়েছেন জগন্নাথবাবু। তাঁর দাবি পশ্চিমবঙ্গও ইসলামিকরণের দিকেই যাচ্ছে। এনিয়ে রাজ্য বিজেপির নেতা লিখছেন, ‘‘বাংলাদেশে যা ঘটল একই ঘটনা ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর আমরা পশ্চিমবঙ্গে দেখেছি। গত কয়েকদিনে এ রাজ্যে তৃণমূলের অন্দরের অনেক হিন্দু মন্ত্রী, নেতা, বিধায়ক, আমলার ফোন পেয়েছি। তাঁরাও আতঙ্কিত। এঁদের পূর্বপুরুষেরা অনেকেই ওপার থেকে এপারে এসেছিলেন। এখন বুঝতে পারছেন, বাঘের পিঠে সওয়ার হয়েছেন। হিন্দু বাঙালির (WB BJP) এবার ভাববার সময় হয়েছে। এপারে প্রস্তুতি কতটা তীব্র হলে খোদ কলকাতার মেয়র দাওয়াত-এ-ইসলামের ডাক দিতে পারেন?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Board: ‘‘গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন’’, আইনজীবীকে কটাক্ষ বিচারপতির

    Waqf Board: ‘‘গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন’’, আইনজীবীকে কটাক্ষ বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় বৃহস্পতিবারই পেশ করা হয়েছে ওয়াকফ সংশোধনী বিল। কিন্তু এরই মধ্যে ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) বিরুদ্ধে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার একটি আবেদনের শুনানি চলাকালীন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের (Madhya Pradesh High Court) বিচারপতির একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সমাজ মাধ্যমে। ওই ভিডিওতে বিচারপতি এই মামলার সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীকে কটাক্ষ করে বলছেন, ”পুরে ভারত কো ওয়াকফ সম্পত্তি বানা দো” অর্থাৎ ”গোটা ভারতকেই ওয়াকফ সম্পত্তি করে ফেলুন।” একইসঙ্গে ওই আইনজীবীকে বিচারপতি এদিন প্রশ্ন করেছিলেন যে, কীভাবে একটি বিজ্ঞপ্তি সরকারের সংরক্ষিত সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে বৈধতা দিতে পারে? এছাড়াও ভাইরাল ওই ভিডিওতে বিরক্ত বিচারককে বলতে শোনা যায়, ”তাজ মহলকেও ওয়াকফ সম্পত্তি বলে দাবি করুন, আপনাকে কে বাধা দিচ্ছে!” 

    আগে কী ঘটেছিল? 

    উল্লেখ্য, ১১ বছর আগে ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) ২০১৩ সালের জুলাই মাসে মধ্যপ্রদেশের বুরহানপুরে শাহ সুজা এবং নাদির শাহের সমাধির মালিকানা দাবি করে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। সে সময় ওয়াকফ বোর্ডের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেছিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। সেই মামলারই শুনানির সময়, বিচারপতি আইনজীবীকে প্রশ্ন করেছিলেন, কিসের ভিত্তিতে সরকারের প্রাচীন সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে দাবি করা হচ্ছে? যার জবাবে আইনজীবী বলেন, ”এটি একটি বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছে।”   

    আরও পড়ুন: ওয়াকফ সংশোধনী বিলে কেন্দ্রকে সমর্থন এনডিএ জোট সঙ্গীদের, কী বলল তারা?

    ক্ষুব্ধ বিচারপতির মন্তব্য 

    আইনজীবীর এই উত্তর শুনেই বিচারপতি ক্ষুব্ধ হয়ে পাল্টা বলেন, ”আমার শুধু একটা প্রশ্ন আছে… আগামিকাল যদি আগরওয়ালজির (যে কোনও একজন ব্যক্তি) সম্পত্তির ওপর বিজ্ঞপ্তি বের হয়, তাহলে সেটাও কি ওয়াকফ সম্পত্তি ঘোষণা করা হবে? তাহলে তো এবার ওয়াকফ বোর্ড (Waqf Board) যে কোনও সরকারি অফিসকে তার সম্পত্তি হিসাবে ঘোষণা করতে পারে!..”  

    এরপর মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট বুরহানপরের ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভগুলির উপর ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) সমস্ত দাবিকে বাতিল করেছে এবং ১৯০৪ সালে তৈরি প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভগুলিকে আইনের অধীনে সুরক্ষিত সম্পত্তি হিসাবে ঘোষণা করেছে৷ এছাড়াও আদালতের (Madhya Pradesh High Court) তরফে জানানো হয়েছে, ১৯৮৯ সালে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তি, আইনি অনুমতি ছাড়াই কোনও সম্পত্তিকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসাবে বৈধতা দিতে পারবে না৷ 
       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rice ATM: চাল চুরি, কালোবাজারি রুখতে অভিনব উদ্যোগ বিজেপির, ওড়িশায় চালু ‘রাইস এটিএম’

    Rice ATM: চাল চুরি, কালোবাজারি রুখতে অভিনব উদ্যোগ বিজেপির, ওড়িশায় চালু ‘রাইস এটিএম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার ভুবনেশ্বরে (Bhubaneswar) চাল বণ্টনের জন্য ভারতের প্রথম ‘রাইস এটিএম’ (Rice ATM) চালু করা হয়েছে। পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (পিডিএস)-এর অধীনে এই বণ্টন ব্যবস্থার প্রবাহকে আরও গতি প্রদান করার প্রয়াসে বৃহস্পতিবার এই এটিএম-এর সফল পূর্বক উদ্বোধন করা হয়েছে। তবে এই ‘রাইস এটিএম’ মেশিনটি মঞ্চেশ্বরের একটি গুদামে স্থাপনা করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যের খাদ্য সরবরাহ ও উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী কৃষ্ণচন্দ্র পাত্র উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেছেন, “এক দেশ এক রেশন কার্ড প্রকল্পে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।”

    ‘রাইস এটিএম’ কীভাবে কাজ করে (Rice ATM)?

    পিডিএস-এর আওতায় যোগ্য রেশন কার্ড (Rice ATM) ধারকদের মধ্যে চাল বিতরণের কাজকে সহজ করার জন্য রাইস এটিএম তৈরি করা হয়েছে। এই মেশিনটি জনপ্রতি ২৫ কেজি পর্যন্ত চাল বিতরণ করতে পারবে। প্রথমে গ্রাহকদের মেশিনের টাচস্ক্রিন ডিসপ্লেতে রেশন কার্ড নম্বর টাইপ করতে হবে। এরপর বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ সম্পূর্ণ করতে হবে আর ঠিক তারপরেই এটিএম থেকে নির্ধারিত চাল বের হতে শুরু করবে। গ্রাহকদের জন্য চাল বিতরণের এই ব্যবস্থা সময়কে যেমন সাশ্রয় করবে, তেমনি বিতরণ কেন্দ্রে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হবে না। আবার একই সঙ্গে চাল চুরি ও কালোবাজারি রোধ করতে ব্যাপক সহায়ক হবে।

    আরও পড়ুনঃ“ওরা হিন্দু, ওদের শেষ করে দাও”! মুসলিম যুবকদের প্রাণঘাতী হামলা, গুরুতর আহত ৪

    ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড প্রকল্পের অধীন’

    ওড়িশার খাদ্য সরবরাহ ও উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী কৃষ্ণচন্দ্র পাত্র এই বিষয়ে বলেন, “রাইস এটিএম (Rice ATM) ভারতে এই প্রথম চালু করা হয়েছে। রাইস এটিএমের লক্ষ্য ভর্তুকিযুক্ত চালের কালোবাজারি রোধ করা। সুবিধাভোগীরা যে কোনও মানুষের সহযোগিতা ছাড়াই সঠিক পরিমাণে চাল পাবেন এবার থেকে। এই রাইস এটিএম প্রাথমিকভাবে ভুবনেশ্বরে (Bhubaneswar) চালু করা হল, এরপর রাজ্যের ৩০টি জেলায় প্রসারিত করা হবে। এই মডেলটি ‘এক দেশ এক রেশন কার্ড প্রকল্পে’র অধীনে, পরবর্তী সময়ে অন্যান্য রাজ্যেও প্রসারিত হবে। স্বয়ংক্রিয় চালের এটিএমের মাধ্যমে ভর্তুকিযুক্ত রেশন পেতে সহায়ক হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wayanad Landslides: কুর্ণিশ! টানা ৩ ঘণ্টা ভারতনাট্যম নেচে উপার্জিত অর্থ ওয়ানাড় ত্রাণ তহবিলে দান কিশোরীর

    Wayanad Landslides: কুর্ণিশ! টানা ৩ ঘণ্টা ভারতনাট্যম নেচে উপার্জিত অর্থ ওয়ানাড় ত্রাণ তহবিলে দান কিশোরীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিণী শ্রী নামে ১৩ বছর বয়সি তামিলনাড়ুর এক কিশোরী টানা তিন ঘণ্টা ভরতনাট্যম নৃত্য পরিবেশন করেছে। কেন জানেন? নিজের জন্য সে এই নাচ করেনি। শুধুমাত্র কেরলের (Kerala) ওয়েনাড়ে ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ তহবিল সংগ্রহ করতেই সে এই উদ্যোগ নিয়েছে। বৃহস্পতিবার কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তার জমানো অর্থ সহ ১৫ হাজার টাকা সে ত্রাণ তহবিলে দান করেছে। তার এই উদ্যোগকে কুর্ণিশ জানিয়েছে দেশবাসী। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ওই কিশোরীর সঙ্গে দেখা করে তাকে আশীর্বাদ করেছেন।

    ওয়েনাড়ে চলছে অভিযান (Wayanad Landslide)

    কেরলে (Kerala) ওয়েনাড়ে ব্যাপক ভূমিধসের কারণে প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। ৩০০ বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ব্যাপক সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। এদিকে সেনাবাহিনীর কর্মী, এসওজি কর্মকর্তা এবং বন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ দল বৃহস্পতিবার থেকে বনের অভ্যন্তরে সুজিপ্পাড়ার সানরাইজ ভ্যালিতে অনুসন্ধান অভিযান চালাচ্ছে। দশ দিনের উদ্ধার অভিযান শেষ করার পরে ফেরার পথে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এরপর, উদ্ধার অভিযানের দায়িত্ব এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, ফায়ার ফাইটার্স ফোর্স এবং কেরল পুলিশের বাহিনীকে হস্তান্তর করা হবে। তিরুবনন্তপুরম, কোঝিকোড়, কান্নুর এবং বেঙ্গালুরু থেকে প্রায় ৫০০ সদস্য নিয়ে গঠিত ভারতীয় সেনা একটি ব্যাটালিয়ন ফিরে আসতে চলেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর দ্বারা অস্থায়ীভাবে নির্মিত বেইলি ব্রিজের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি দল এলাকায় থাকবে।

    আরও পড়ুন: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ওই কিশোরীকে দেখা করে আশীর্বাদ করেছেন

    ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টারগুলি এখন অনুসন্ধান অভিযানে সহায়তা করছে। ৩০ জুলাই ওয়েনাড় (Wayanad Landslide) বিপর্যয়ের শিকার হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭০০ কেজিরও বেশি ত্রাণ সামগ্রী, ৮ জন বেসামরিক ব্যক্তি এবং স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের দলগুলিকে হেলিকপ্টার দ্বারা এয়ারলিফ্ট করা হয়েছে। এদিকে, শনিবার ধস-বিধ্বস্ত ওয়েনাড় পরিদর্শনে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Amendment Bill: ওয়াকফ সংশোধনী বিলে কেন্দ্রকে সমর্থন এনডিএ জোট সঙ্গীদের, কী বলল তারা?

    Waqf Amendment Bill: ওয়াকফ সংশোধনী বিলে কেন্দ্রকে সমর্থন এনডিএ জোট সঙ্গীদের, কী বলল তারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ সংশোধনী বিলকে (Waqf Amendment Bill) বিরোধীরা যতই হইচই করুক না কেন, এই ইস্যুতে বিজেপিকে পূর্ণ সমর্থন জানাল এনডিএর সহযোগী দলগুলি (NDA)। তেলুগু দেশম পার্টি, শিবসেনা এবং লোক জনশক্তি পার্টি বৃহস্পতিবার লোকসভায় ওয়াকফ সংশোধনী বিলকে সমর্থন জানিয়েছে। সহযোগী দলগুলির দাবি, এতে ওয়াকফের কর্মপদ্ধতিতে স্বচ্ছতা আসবে। মসজিদ পরিচালনা কিংবা মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার কোনও উদ্দেশ্য নেই এই বিলে।

    জনতা দল ইউনাইটেডের সমর্থন (Waqf Amendment Bill)

    সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বৃহস্পতিবার ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Amendment Bill) সংসদে পেশ করেন এবং বিরোধী দলগুলি এই বিলের প্রস্তাবিত সংশোধনের বিরোধিতা করে এবং একে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করে। সরকার পক্ষ তা মেনে নেয়। সরকারের তরফে বিলটি লোকসভায় পেশ করার পর সাংসদদের বক্তৃতার সময়, (NDA) জনতা দল ইউনাইটেডের নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং ‘ললন’ জোর দিয়ে বলেন, “এই বিলটি কোনওভাবেই মুসলিম বিরোধী নয়। বিলের পক্ষে তিনি বলেন, “বেশ কয়েকজন সাংসদ দাবি করছেন, ওয়াকফ আইন সংশোধন মুসলিম বিরোধী। কিন্তু এটা কোনও ভাবেই মুসলিম বিরোধী নয়। এখানে অযোধ্যার উদাহরণ দেওয়া হচ্ছে। একটি মন্দির এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারছে না বিরোধীরা। এই বিলটি আইনে পরিণত হলে, ওয়াকফের কাজকর্মে স্বচ্ছতা আসবে। ওয়াকফ বোর্ড কিভাবে গঠিত হয়েছিল, তা সকলেই জানে।”

    বিল সম্পর্কের মন্ত্রীর অবস্থান

    সংসদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত কোনও প্রতিষ্ঠান স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আইন আনার অধিকার সরকারের রয়েছে। বিরোধী দলগুলির নিন্দা করে তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে কোনও (Waqf Amendment Bill) সাম্প্রদায়িক বিভাজন নেই। বিরোধীরা গুজব ছড়াচ্ছেন।” ১৯৮৪ সালের শিখ-বিরোধী দাঙ্গা নিয়ে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন করেন, “কে হাজার হাজার শিখকে হত্যা করেছে?” বিল আসা উচিত এবং স্বচ্ছতা আনা উচিত,” জোরগলায় বলেন কিরেন।

    টিডিপি-র বক্তব্য (NDA)

    তেলুগু দেশম পার্টির (টিডিপি) সাংসদ জিএম হরিশ বালাযোগী জানিয়েছেন,  (Waqf Amendment Bill) বিলটি যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হলে, তাঁর দল আপত্তি করবে না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন,  “সরকার যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই বিল এনেছে, আমি তার প্রশংসা করি। করদাতাদের উদ্দেশ্য রক্ষা করা দরকার।

    আরও পড়ুন: গরীব ও মুসলিম মহিলাদের ক্ষমতায়ণের জন্যই ওয়াকফ সংশোধনী, দাবি কেন্দ্রের

    যখন উদ্দেশ্য এবং ক্ষমতার অপব্যবহার হয়, তখন সংস্কার আনা এবং ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা প্রবর্তন করা সরকারের দায়িত্ব। ”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladeshi Hindu: পদ্মাপারে বিপন্ন হিন্দুরা! শনিবার গঙ্গাপারে পথে নামছেন সাধু-সন্তরা

    Bangladeshi Hindu: পদ্মাপারে বিপন্ন হিন্দুরা! শনিবার গঙ্গাপারে পথে নামছেন সাধু-সন্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দুরা (Bangladeshi Hindu)। তাঁদের নিরাপত্তার দাবিতে শনিবারই কলকাতার রাজপথে নামছেন বাংলার সাধু-সন্তরা। হিন্দুদের নিরাপত্তার দিকটি যাতে ভারত সরকার খতিয়ে দেখে সেই দাবি জানাতেই রাজ্যপাল (Governor of West Bengal) সিভি বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাবেন সাধু-সন্তরা। জানা গিয়েছে, সনাতন সংস্কৃতি পরিষদ নামের (Bangladeshi Hindu) ওই সংগঠনের তরফ থেকে শনিবার বিকাল ৫টা নাগাদ রাজ্যপালের কাছে সময় চাওয়া হয়েছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন ভারত সেবাশ্রমের কার্তিক মহারাজ। পদ্মাপারে রাজনৈতিক অস্থিরতা যেভাবে সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে, সেই আবহে গঙ্গাপারে সাধুদের রাস্তায় নামা যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বাংলাদেশে কোটা আন্দোলন ছিল আসলে মুখোশ। পিছনে থাকা জামাতের মুখ সামনে আসায় বাংলাদেশে হিন্দু মন্দিরগুলিতে লুট, অগ্নিসংযোগ, মূর্তি ভাঙচুরের মতো ঘটনাগুলি কার্যত নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    কী বলছেন কার্তিক মহারাজ? (Bangladeshi Hindu)

    সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত খোদ প্রধানমন্ত্রীও। বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুভেচ্ছা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসকে। তাঁর বার্তায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তার বিষয়টিও অন্তবর্তী সরকারকে সুনিশ্চিত করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কার্তিক মহারাজকে ফোনে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি নিয়ে মত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘‘উচিত কাজই করেছেন প্রদানমন্ত্রী, আমরাও তাঁর কাছে ইমেল মারফত বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের বিষয়টি তুলে ধরেছি। ’’রাজ্যপালের (Governor of West Bengal) কাছে যাওয়া নিয়ে কার্তিক মহারাজ বলেন, ‘‘আমরা রানি রাসমণি রোড থেকে মিছিল করে রাজভবনের উদ্দেশে যাব শনিবার। বিকাল ৫টা নাগাদ রাজ্যপাল সিভি বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে, তাঁর কাছে দাবি জানাব যাতে ভারত সরকার বাংলাদশের হিন্দুদের সুরক্ষায় সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে, এর পাশাপাশি নির্যাতিত হয়ে কোনও হিন্দু ভারতে এলে তাঁর যেন আশ্রয়ের ব্যবস্থাও করে সরকার, সেই দাবিও জানানো হবে।’’

    ১৭ অগাস্ট শ্যামবাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ (Bangladeshi Hindu) 

    তবে এখানেই যে শেষ নয়, তাও জানিয়েছেন কার্তিক মহারাজ। ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসী (Bangladeshi Hindu) বলেন, ‘‘আগামী ১৭ অগাস্ট বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশও করা হবে সাধু-সন্তদের তরফে।’’ অর্থাৎ বাংলার সাধু-সন্তরা যে চুপ করে বসে থাকবে না প্রতিবেশী রাষ্ট্রে হিন্দু নির্যাতনু হলে তা এমন কর্মসূচিগুলি থেকেই পরিষ্কার। অনেকেই এমন বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন। কোনও কোনও মহলের মতে, আদতে সাধু-সন্তদের সমাবেশ হলেও ১৭ অগাস্ট বিক্ষোভ কর্মসূচি ও ১০ অগাস্টের মিছিলে অসংখ্য সাধারণ মানুষকেও ভিড় করতে দেখা যাবে, কারণ বাংলাদেশে  হিন্দুদের ওপর যে ধরনের হামলা হয়েছে, তা মানবাধিকারকেই লঙ্ঘিত করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: এল ব্রোঞ্জ পদক, প্যারিস অলিম্পিক্সে পুনর্জন্ম ভারতীয় হকির, কোন পথে সাফল্য?

    Paris Olympics 2024: এল ব্রোঞ্জ পদক, প্যারিস অলিম্পিক্সে পুনর্জন্ম ভারতীয় হকির, কোন পথে সাফল্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সে ফের বাজিমাত। প্যারিস অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) হকিতে ব্রোঞ্জ আনল ভারতীয় পুরুষ দল। এ দিন ব্রোঞ্জের ম্যাচে স্পেনের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে জিতে যায় ভারত। এর আগে টোকিও অলিম্পিক্সেও ব্রোঞ্জ এসেছিল ভারতীয় হকি দলের (Indian Hockey Team) ঝুলিতে। এবার প্যারিসও ব্রোঞ্জ এল। একই সঙ্গে এবারের অলিম্পিক্সে চতুর্থ পদক জিতে নিল ভারত। হকিতে অলিম্পিক্সের মঞ্চে এই নিয়ে ১৩তম পদক জিতে নিল ভারতীয় হকি দল। ১৯৬৮ ও ১৯৭২ পরপর দুবার অলিম্পিক্সে পদক জিতেছিল ভারত।  এর পর ৫২ বছর পর ফের টানা দুটো অলিম্পিক্সে পদক জিতল টিম ইন্ডিয়া। 

    পুনর্জন্ম ভারতীয় হকির (Indian Hockey Team) 

    স্বাধীনতার আগে এবং পরে হকিতে ভারতের অভূতপূর্ব সাফল্য নজর এড়ায়নি কারওরই। বেশির ভাগ খেলার মতো এটিও ব্রিটিশদের থেকেই শিখেছিল ভারত। তবে ভারতীয়েরা এটি রপ্ত করে নিয়েছিলেন নিজের মতো করে। অলিম্পিক্সে কোনও খেলাধুলোয় ভারতের সর্বাধিক সাফল্য বলতে গেলে সবার আগে আসবে হকির নাম। ক্রিকেট নয়, ভারতকে সর্বপ্রথম গোটা বিশ্বে পরিচিতি দিয়েছিল যে খেলা, তা হকি। তবে এই খেলায় একচ্ছত্র আধিপত্য দেখানোর পর সত্তরের দশক থেকে ভারত হকিতে দুর্বল হতে শুরু করে। ১৯৮০ সালে শেষ বার সোনা। তারপরে ৪১ বছরের খরা কাটিয়ে টোকিয়োয় পদক জয়। আর এবার প্যারিসের সাফল্য প্রমাণ করল, ভারতীয় হকি আবার ঠিক দিকেই এগোচ্ছে। খেলাধুলোর টেকনিক্যাল দিকগুলির কথা বাদ দিলে বলতে হয়, আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনাই ভারতের সাফল্যের অন্যতম কারণ। 

    কোন পথে এল সাফল্য? (Paris Olympics 2024) 

    প্যারিসে যাওয়ার আগে ভারতীয় দল তিন দিন কাটিয়ে এসেছে আল্পস পর্বতে। বিখ্যাত অভিযাত্রী মাইক হর্নের অনুপ্রেরণা শুনেছেন মনপ্রীত সিংরা। জীবনের কঠিনতম সময়েও কী ভাবে বেঁচে থাকা যায়, সেই গল্প তিরের মতো গেঁথে যায় প্রত্যেকের হৃদয়ে। সঙ্গে ছিলেন মনোবিদ প্যাডি আপটন। দু’জনেই অতীতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে কাজ করেছেন। হকিতে এই জুটি ভারতীয় খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসই বদলে দিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: জীবনের সেরা থ্রো করেও অধরা সোনা, রুপো জয়ের পর নীরজকে শুভেচ্ছা মোদির

    প্রধানমন্ত্রীর ফোন 

    পদক (Paris Olympics 2024) জয়ের পরই নরেন্দ্র মোদি ফোনে কথা বলেন ভারতীয় হকি টিমের সঙ্গে। হরমনপ্রীতকে ফোনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কাপ্তান সাহাব’, শুরুতেই এই কথা শুনে মুখে গর্বের হাসি খেলে যায় হরমনপ্রীত সিংয়ের। সতীর্থরাও হেসে ওঠেন। ভারতীয় হকি টিমের ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত সিং মোদির এ কথাতে যেন একটু লজ্জাও পেলেন। প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও যোগ করেন, ”আপনার নেতৃত্ব এবং পুরো টিমের চেষ্টাতেই পদক এসেছে। আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে, হকিতে আমাদের যে সোনালি অধ্যায় ছিল, তা আবারও আপনারা ফেরাতে চলেছেন।” 

    খেলোয়াড়দের জন্য নগদ পুরস্কার ঘোষণা 

    উল্লেখ্য, প্যারিস অলিম্পিকে (Paris Olympics 2024) ভারতীয় খেলোয়াড়দের ব্রোঞ্জ পদক জয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরুষ হকি দলের খেলোয়াড়ের জন্য ১৫ লাখ টাকা এবং সাপোর্ট স্টাফেদের প্রতিটি সদস্যের জন্য ৭.৫ লাখ টাকা নগদ পুরস্কার ঘোষণা করেছে হকি ইন্ডিয়া। এ প্রসঙ্গে হকি ইন্ডিয়ার সেক্রেটারি জেনারেল ভোলা নাথ সিং বলেছেন, “ভারতীয় পুরুষ হকি দল আবারও প্যারিসে তাদের অসাধারণ কৃতিত্বের মাধ্যমে দেশকে গর্বিত করেছে। দলের একতা, দক্ষতা এবং অধ্যবসায় সারা দেশের লাখ লাখ হকি ভক্তদের জন্য আনন্দ নিয়ে এসেছে। আমি ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত সিং, কিংবদন্তী পিআর শ্রীজেশ এবং পুরো হকি স্কোয়াডকে তাদের ঐতিহাসিক কৃতিত্বের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে চাই। ভারতে হকির আরও উন্নতির জন্য আমরা সব সময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tiger: ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে ছত্তিশগড়ে, ছাড়পত্র দিল বিজেপি সরকার

    Tiger: ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে ছত্তিশগড়ে, ছাড়পত্র দিল বিজেপি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র (Tiger) সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে। বিগত কংগ্রেস সরকারের আমলে এই প্রকল্প দীর্ঘদিন আটকে ছিল। এবার রাজ্যের বিজেপি সরকার তাতে অনুমোদন দিয়েছে। বন্যপ্রাণী ও পরিবেশপ্রেমীরা সরকারের এই সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে অন্ধ্রপ্রদেশের নাগার্জুন সাগর শ্রীশৈলম টাইগার রিজার্ভ ভারতের বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র। ঠিক তার পরেই রয়েছে অসমের মানস টাইগার রিজার্ভ কেন্দ্র। এটি আনুমানিক ২৮৩৭.১৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকার।

    ২৮২৯.৩৮০ বর্গ কিমি জমি বরাদ্দ (Tiger)

    রাজ্যের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাইয়ের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গুরু ঘাসীদাস-তামর পিংলা টাইগার (Tiger) রিজার্ভের জন্য মোট ২৮২৯.৩৮০ বর্গ কিমি জমি বরাদ্দ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র গঠনের জন্য দেওয়া অঞ্চলটি বেশ সুরক্ষিত। এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং আবাসস্থল বাঘের জন্য ভীষণ উপযুক্ত। ফলে বাঘের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুরু ঘাসীদাস জাতীয় উদ্যান এবং তামোর পিংলা অভয়ারণ্যের অঞ্চলগুলিকে একত্রিত করে নতুন ব্যাঘ্র অভয়ারণ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হবে। একই ভাবে মানেন্দ্রগড়-চিরমিরি-ভরতপুর, কোরিয়া, সুরাজপুর এবং বলরামপুর জেলাগুলি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আহ্বান, ইউনূসকে শুভেচ্ছা মোদির

    সর্বশেষ গণনায় বাঘের সংখ্যা রাজ্যে ১৭

    ভারতে যাতে বাঘের (Tiger) সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক প্রকল্পের বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ অভয়ারণ্য কেন্দ্র হিসেবে ছত্তিশগড়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আর তাই এই রাজ্যের বিজেপি সরকার দেশে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রচেষ্টাকে সামনে রেখে প্রকল্পের ছাড়পত্র দিয়েছে। উল্লেখ্য আগেই ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক অনুমোদন দিয়েছে। এবার এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে আর কোনও বাধা রইল না।

    বিগত কয়েক বছরে ক্রমেই ছত্তিশগড়ে বাঘের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছিল। এই পটভূমিতে সরকারের অনুমোদন অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে মনে করছে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের একাংশ। সর্বশেষ গণনার প্রতিবেদন অনুযায়ী এই রাজ্যে বাঘের সংখ্যা মাত্র ১৭। অথচ ২০১৪ সালের গণনায় এই সংখ্যা ছিল ৪৬। ফলে ব্যাঘ্র বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diabetic Nephropathy: ডায়াবেটিস হলেই কি কিডনির রোগ? কী ধরনের সমস্যা হতে পারে? 

    Diabetic Nephropathy: ডায়াবেটিস হলেই কি কিডনির রোগ? কী ধরনের সমস্যা হতে পারে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স তিরিশের চৌকাঠ পেরনোর আগেই রক্তে বাড়ছে শর্করার মাত্রা। তরুণ প্রজন্মের অন্যতম স্বাস্থ্য সমস্যা ডায়াবেটিস। এমনকী স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও টাইপ টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। আর ডায়াবেটিসের জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কিডনি। দেশ জুড়ে বাড়ছে কিডনির রোগ। গত কয়েক বছরে দেশে মারাত্মক ভাবে বেড়েছে‌ কিডনির সমস্যা। কিডনির কার্যকারিতা হারানোর জেরে মৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে। তাই উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল। তারা জানাচ্ছে, ডায়াবেটিস রোগীদের প্রথম থেকেই কিডনি নিয়ে বাড়তি সচেতনতা (Diabetic Nephropathy) না থাকলে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে।

    ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলেই কি কিডনির রোগের ঝুঁকি? (Diabetic Nephropathy)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ডায়াবেটিস আক্রান্তদের কিডনির রোগের ঝুঁকি বাড়ে। কারণ, ডায়াবেটিস হলে গ্লুমেরুলি সংকীর্ণ হয়। এর জেরে রক্তনালীর মধ্যে দিয়ে রক্ত সঞ্চালনে বাধা পায়। আর তার জেরেই কিডনির কার্যকারিতাতেও সমস্যা দেখা যায়। পাশপাশি কিডনিতে অ্যালবুমিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। আর তার জেরেই কিডনির ভিতরের বিভিন্ন ফিল্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে কিডনির রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ, রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে মস্তিষ্কের স্নায়ুর কার্যকারিতা কমে যায়। মস্তিষ্কের স্নায়ু এবং মূত্রনালীর মধ্যে ঠিকমতো যোগাযোগ থাকে না। এর ফলে, মূত্রথলি পূর্ণ হয়ে গেলেও আক্রান্ত অনুভব করতে পারেন না। দীর্ঘদিন এইভাবে চললে কিডনির উপরে মারাত্মক চাপ পড়ে। কিডনির কার্যকারিতা নষ্ট হয়। ‌ডায়াবেটিস আক্রান্তদের শরীরে বিশেষত কিডনিতে নানান ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। এর জেরে কিডনির রোগের ঝুঁকি (Kidney Disease) বেড়ে যায়।

    কীভাবে এই রোগ শনাক্ত করবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে,‌ ডায়াবেটিস আক্রান্তদের কিডনির রোগের ঝুঁকি (Diabetic Nephropathy) মারাত্মক বেশি। তাই প্রথম থেকেই সতর্কতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, রোগ নির্ণয় প্রাথমিক পর্বেই হলে, চিকিৎসার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনির অসুখ শনাক্ত করা বেশ কঠিন। অনেক ক্ষেত্রেই উপসর্গ চিহ্নিত করা যায় না। তাই নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো কিডনির পরীক্ষা করানো জরুরি। কিডনির কার্যকারিতা ঠিক রয়েছে কিনা, তা যাচাই করা দরকার। তবে, পা ফুলে যাওয়া, সব সময় ক্লান্তি ভাব, বমি ভাবের মতো উপসর্গ নিয়মিত দেখা গেলে কিডনির পরীক্ষা আবশ্যিক বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন? (Diabetic Nephropathy)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লে প্রথম থেকেই সতর্কতা জরুরি। নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে শর্করার পরিমাণ জানা দরকার। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসেও নজরদারি জরুরি। ডায়াবেটিস আক্রান্তের কখনই কুকিজ, সোডা জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত নয়। এতে কিডনির অসুখের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। চিনিজাতীয় কোনও খাবার সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। পাশপাশি তাঁরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বাড়তি নজরদারি দরকার। কারণ, ডায়াবেটিসের সঙ্গে রক্তচাপের সমস্যা তৈরি হলে তা কিডনি ও হার্টের রোগের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত শারীরিক কসরত করা জরুরি।‌ যাতে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এছাড়া, খেজুর, বাদাম জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, এই ধরনের খাবারে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ থাকে। ফলে, কিডনিও সুস্থ থাকে (Kidney Disease)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ৭ হাজারের বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন, জানাল কেন্দ্র

    Bangladesh Crisis: ৭ হাজারের বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পরও অশান্ত বাংলাদেশ। আর আগে কোটা বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জুলাই মাস থেকে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এখনও দেশজুড়ে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কত ভারতীয় পড়়ুয়া বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) থেকে দেশে ফিরেছেন রাজ্যসভায় সেই তথ্য দিয়েছেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।

    ৭২০০ বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে ফিরেছেন (Bangladesh Crisis)

    বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, শিক্ষা বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) বসবাসকারী ভারতীয়দের মোট সংখ্যা কত? বাংলাদেশে বসবাসরত গুজরাটের লোকের সংখ্যা এবং হিংসায় বিধ্বস্ত প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য কোনও বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে কিনা। এই বিষয়ে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, আমাদের রেকর্ড অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৯ হাজার ভারতীয় রয়েছেন। তারমধ্যে ৯ হাজারের বেশি ছাত্র রয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে ৭ হাজার ২০০ জনের বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরে এসেছেন। বাংলাদেশে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, তামিলনাড়ু, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম রাজ্যের। বাংলাদেশে আমাদের মিশন এবং পোস্টগুলি রাজ্যভিত্তিক তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করে না। তিনি আরও বলেন, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় সহকারি হাইকমিশনগুলো ভারতীয় নাগরিকদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনে সাহায্য করছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত, বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে অপেক্ষারত পড়ুয়াদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও সমন্বয় করছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৮ জুলাই থেকে শুরু করে ১ অগাস্ট পর্যন্ত ৭২০০ বেশি ভারতীয় ছাত্র ভারতে ফিরে এসেছেন।  

    আরও পড়ুন: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

    চিনা প্রভাব নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    বিদেশ প্রতিমন্ত্রী তথ্য ভাগ করে বলেন, ‘‘ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (IRCC) এর ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভারতীয় (Indian) ছাত্রের ভর্তি গত তিন বছরে বেড়েছে। ২০২১ সালে ছিল ২,১৬,৩৬০ জন। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয় ৩, ১৮,৩৮০ জন। আর ২০২৩ সালে সংখ্যা আরও বেড়ে হয় ৪,২৭,০৮৫ জন।’’ ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে ‘ক্রমবর্ধমান চিনা প্রভাব’ সম্পর্কে সরকার সচেতন কিনা তা মন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দ্বিপাক্ষিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে। তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে এই দেশগুলির সম্পর্ক থেকে যা স্বাধীন। সরকার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে এমন সমস্ত উন্নয়নের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখে। আর এটি রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share