Blog

  • Kalpakkam: কালপক্কম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবুজ সংকেত পেল অ্যাটমিক এনার্জি বোর্ডের থেকে

    Kalpakkam: কালপক্কম পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবুজ সংকেত পেল অ্যাটমিক এনার্জি বোর্ডের থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরমাণু শক্তির গবেষণার ক্ষেত্রে বড় খবর! তামিলনাড়ুর কালপক্কম (Kalpakkam) পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র সবুজ সংকেত পেল অ্যাটমিক এনার্জি বোর্ডের কাছ থেকে। প্রসঙ্গত, এটি ভারতের প্রথম স্বদেশী প্রযুক্তিতে নির্মিত পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী মোদিও কয়েকমাস আগে এই পরমাণু বিদ্যুৎ (Kalpakkam) কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন এবং কথা বলেন সেখানকার কর্মী ও আধিকারিকদের সঙ্গে। পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের করমণ্ডল উপকূলে অবস্থিত। ৫০০ মেগাওয়াটের ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরটি ভারতীয় নাভিকিয়া বিদ্যুত নিগম লিমিটেড (BHAVINI) দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।

    কুড়ি বছর ধরে কেন্দ্রটির (Kalpakkam) উন্নয়ন করা হয়েছে

    কেন্দ্রটি সবুজ সংকেত পাওয়ায়, এরপর থেকে এখানে কাজ শুরু হবে নিউক্লিয়ার ফুয়েল লোডিং ও চেন রিয়েকশনের। মনে করা হচ্ছে এই প্রকল্প আত্মনির্ভর ভারত কর্মসূচিকে অনেক বড় সাফল্য এনে দিল। দেশের অ্যাটমিক এনার্জি (Atomic Energy Board) বোর্ডের চেয়ারম্যান দীনেশ শুক্লা সবুজ সংকেত দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এও বলেছেন যে এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি (Kalpakkam) অত্যন্ত নিরাপদ। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুর এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কাজ শুরু করে ১৯৮৪ সাল থেকেই। জানা গিয়েছে, বিগত কুড়ি বছর ধরে কেন্দ্রটিকে উন্নয়ন করা হয়েছে এবং এর জন্য খরচ হয়েছে ৬,৮৪০ কোটি টাকা।

    রাশিয়ার পরে ভারতই দ্বিতীয় দেশ যারা এমন পরমাণু কেন্দ্র তৈরি করতে পেরেছে 

    এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি (Kalpakkam) ফার্স্ট ব্রিডার রিয়াক্টর। রাশিয়ার পরে ভারতই দ্বিতীয় দেশ যারা এমন পরমাণু কেন্দ্র তৈরি করতে পেরেছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান এবং সেখানকার কার্য পদ্ধতি খতিয়ে দেখেন। ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জি (Atomic Energy Board) জানিয়েছে যে তামিলনাড়ুর এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে থার্ড জেনারেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতের শক্তি নিরাপত্তার কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির এমন উন্নয়ন খুবই প্রয়োজনীয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: বন্দে ভারত-লোকাল ট্রেন! বিভ্রান্তি ছড়ানোয় ব্যবস্থা নিতে চলেছে রেল

    Vande Bharat: বন্দে ভারত-লোকাল ট্রেন! বিভ্রান্তি ছড়ানোয় ব্যবস্থা নিতে চলেছে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলপথ হচ্ছে লাইফ লাইন। দেশের কোটি কোটি মানুষ এই পরিষেবার ওপর ভরসা করে রয়েছেন। ক্রমাগত রেল পরিষেবা উন্নত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রেল দফতর। সামান্য কিছু হলেই সেটা নিয়ে গেল গেল রব। আর বিক্ষিপ্ত দু-এক জায়গায় ট্রেন, মালগাড়ি লাইনচ্যুত হওয়ার খবর সামনে আসতেই জনগনকে বিভ্রান্ত করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ। এমনই দাবি রেল কর্তৃপক্ষের। হুগলির শিবাইচণ্ডী স্টেশনে বন্দে ভারত (Vande Bharat)-লোকাল ট্রেন একই লাইনে চলে আসার ঘটনা নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া। এই ঘটনা ঠিক নয় বলে রেল আধিকারিকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Vande Bharat)

    হুগলির শিবাইচণ্ডী স্টেশনে একই লাইনে চলে আসে বন্দে ভারত (Vande Bharat) এবং একটি লোকাল ট্রেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। সেই ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, মুখোমুখি একটি বন্দে ভারত এবং লোকাল ট্রেন। আর তা দেখেই সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, হাওড়া ছেড়ে এনজিপির উদ্দেশে রওনা দেওয়া বন্দে ভারতটিকেই দেখা গিয়েছে ভাইরাল ভিডিওর ফ্রেমে।

    আরও পড়ুন: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    রেল আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    যদিও এই ঘটনা নিয়ে পূর্ব রেলের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যাঁরা ভিডিওটি পোস্ট করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই দু’জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়া-গুরাপ লোকাল ট্রেনটি (Local Train) অটোমেটিক সিগন্যাল জোনে দাঁড়িয়েছিল। ওই সময় বন্দে ভারত (Vande Bharat) ট্রেনটিও ঢুকেছিল। অটোমেটিক সিগন্যাল জোনে একটি নিরাপদ দূরত্ব রেখে ট্রেন চলাচল করে। হাওড়া বা শিয়ালদা লাইনে এটা রোজকার দৃশ্য। একটি ট্রেনের আগে বা পরে, নিরাপদ দূরত্বে অপর একটি ট্রেনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কিছু অসাধু ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত ভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেক ভিডিও ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার এবং রেল ব্যবস্থাকে অপমান করার চেষ্টা করছে। অতএব, এটা প্রমাণিত যে ভাইরাল ভিডিওটি ভুয়ো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    Paris Olympics 2024: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সে ইতিহাস। এই প্রথম ভারতের পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে উঠলেন লক্ষ্য। শুক্রবার ব্যাডমিন্টনের সেমিফাইনালে উঠলেন লক্ষ্য সেন। কোয়ার্টার ফাইনালে চিনা তাইপেইয়ের চৌ তিয়েন চেনকে ১৯-২১, ২১-১৫, ২১-১২ গেমে হারালেন তিনি। সেমিফাইনালে জিতলেই রুপো নিশ্চিত হবে। হারলেও ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে নামবেন লক্ষ্য।

    পিছিয়ে থেকেও প্রত্যাবর্তন 

    এদিন প্রথম গেম খোয়ালেও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেন লক্ষ্য। প্রকাশ পাড়ুকোনের গুরু মন্ত্রে ফিরে আসেন খেলায়। দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে প্রথম থেকেই লড়াই হচ্ছিল সমানে সমানে। তবে শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিলেন চৌ। তাঁর একের পর এক স্ম্যাশের কোনও উত্তর ছিল না লক্ষ্যের কাছে। পাশাপাশি তাঁর গতি সমস্যায় ফেলছিল লক্ষ্যকে। তবু ভারতের খেলোয়াড় যথাসম্ভব লড়াই করার চেষ্টা করছিলেন। ১১-১৫ পিছিয়ে থাকা থেকে ১৫-১৫ করে ফেলেন। সেই সময় পাশ থেকে কোচ প্রকাশ পাড়ুকোন চেঁচিয়ে বলতে থাকেন, “ওকে সমস্যায় ফেলো। লম্বা র‌্যালি হলেও চিন্তা কোরো না।” সে কথা শোনেন লক্ষ্য। চৌ-এর একের পর এক স্ম্যাশের প্রায় প্রতিটিই ফেরত দিতে থাকেন। দুর্দান্ত রক্ষণ দেখা যায় ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকার ব্যাটে। তবে শেষ দিকে মুহূর্তের ভুলে হেরে যান গেম।

    দ্বিতীয় গেমের আগে প্রকাশ শান্ত করার চেষ্টা করেন ছাত্রকে। বলেন, “জাজমেন্ট করো। বাইরে যাবেই। শান্ত থাকো। তাড়াহুড়ো কোরো না।” প্রথম গেমেই মতোই শুরু হয় দ্বিতীয় গেমও। দুই খেলোয়াড়ের কেউই কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছেড়ে দিচ্ছিলেন না। কোচের কথা মেনেই খেলা একটু ধীরে করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। লম্বা র‌্যালি করতে থাকেন। এক সময় গেম পকেটে পুরে নেন। তৃতীয় গেমে আবার প্রথম গেমের পুনরাবৃত্তি। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ৪-৩ এ এগিয়ে যান লক্ষ্য। লিড ধরে রাখেন। বিরতিতে ১১-৭ এ এগিয়ে ছিলেন ভারতীয় শাটলার। ফাইনাল গেমে ৪ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। চাইনিজ তাইপের প্রতিযোগীর ক্লান্তি পার্থক্য গড়ে দেয়। অন্যদিকে অনেক বেশি সতেজ ছিল লক্ষ্য। যার প্রতিফলন হয় কোর্টে। 

    আরও পড়ুন: সৌরভকে ১ টাকায় ৩৫০ একর জমি লিজ! মমতাকে কাঠগড়ায় তুলে জনস্বার্থ মামলা

    ভারতের আশা

    ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে লক্ষ্য সেন। পদকের থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে তিনি। চলতি অলিম্পিক্সে ব্যাডমিন্টনে ভারতের একমাত্র আশা এখন লক্ষ্য সেন। পিভি সিন্ধু, সাত্ত্বিক-চিরাগ ছিটকে যাওয়ার পর সব নজর তাঁর দিকেই। বিশ্বের তিন নম্বর জোনাথন ক্রিস্টিকে হারানোর পর আশা জাগান ভারতীয় শাটলার। গতবছর সিঙ্গাপুর ওপেনে চৌ তিয়েন চেনের কাছে হেরে গিয়েছিলেন লক্ষ্য। এদিন ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকার কাছে ছিল বদলার ম্যাচ। শেষমেষ প্রতিশোধ নিলেন লক্ষ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম হল ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে কাউকেই কোনও আয়কর (Income Tax) দিতে হয় না। সেখানে মানুষ যদি কোটি টাকাও উপার্জন করেন, তাহলেও এক টাকাও কর দিতে হয় না। এমনকী, শেয়ার এবং ডিভিডেন্ড থেকে আয় করলেও তাঁদের কোনও কর দিতে হয় না। ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। সেই সময় সিকিমের (Sikkim) শর্ত ছিল যে তারা শুধু তাদের পুরনো নিয়ম-নীতিই মেনে চলবে এবং স্পেশাল স্টেটাসে থাকবে। আর তাই সেই সময় থেকেই আয়করের আওতার বাইরেই থেকেছে সিকিম। 

    দেশের আয়করের আওতায় বাইরে সিকিম (Sikkim) 

    ভারতে যোগদানের আগে, সিকিমের নিজস্ব কর ব্যবস্থা ছিল এবং সেখানকার বাসিন্দারা ভারতীয় আয়কর (Income Tax) আইনের অধীনে ছিলেন না। কিন্তু পরে সিকিম যখন ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, সেই সময় এই শর্তই তাদের দাবিতে ছিল। সেই মোতাবেক, সিকিমের (Sikkim) বাসিন্দারা ১৯৭৫ সালের অন্তর্ভুক্তি চুক্তি এবং সংবিধানের ৩৭১এফ ধারা অনুসারে করের আওতায় পড়েন না। তাই এই রাজ্যের বাসিন্দাদের উপর ১৯৬১ সালের আয়কর আইন কার্যকর হয় না। তবে ১৯৭৫ সালের ২৬ এপ্রিলের আগে থেকে যে সমস্ত আদি বাসিন্দারা বা ‘সিকিমিজ’-রাই কেবল এই সুবিধে পাবেন। 

    সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের

    কিন্তু, এই ‘সিকিমিজ’-এর সংজ্ঞা নিয়ে অনেকে অসন্তুষ্ট ছিলেন। এই নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, ১৯৭৫ সালের যুক্তিটি অন্যায্য এবং বৈষম্যমূলক। তাঁদের যুক্তি, ১ এপ্রিল, ১৯৭৫ সালের আগে সিকিমে বসতি জমানো ভারতীয়দেরও — অর্থাৎ, সিকিম ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগদানের আগে থেকে ওই রাজ্যে বসবাস শুরু করা ভারতীয়দেরও ‘সিকিমিজ’- হিসেবে গণ্য করতে হবে (যা বর্তমানে করা হয় না)। উপরন্তু, যে সকল সিকিমিজ মহিলা নন-সিকিমিজদের বিয়ে করেছেন, তাঁদেরও এই ছাড়ের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি ভারতবাসীর দারিদ্র্য মুক্তি স্মার্টফোনেই! ডিজিটাল ভারতের প্রশংসায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    আদালতের রায় 

    এরপর সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ রায় দিয়েছে যে, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিলের পরে অ-সিকিমি পুরুষদের সঙ্গে বিবাহিত সিকিমিজ মহিলাদের কর ছাড় অস্বীকার করা সত্যিই বৈষম্যমূলক, অবিলম্বে তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত। আদালত তরফে জানানো হয়েছে আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত, এই ব্যক্তিদের ১০(২৬ এএএ) ধারার অধীনে কর ছাড় দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wayanad: মানা হয়নি সতর্কতা! অতিরিক্ত পর্যটনই কি দায়ী ওয়েনাড় বিপর্যয়ের জন্য? উঠছে প্রশ্ন

    Wayanad: মানা হয়নি সতর্কতা! অতিরিক্ত পর্যটনই কি দায়ী ওয়েনাড় বিপর্যয়ের জন্য? উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিরিক্ত পর্যটনের কারণেই কি ওয়েনাড়ে (Wayanad) ঘটল এমন বিপর্যয়? এই প্রশ্নই তুলছে কোনও কোনও মহল। তাঁরা মনে করছেন, অতিরিক্ত পর্যটনের কারণেই পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হতে থাকে যার ফলেই ঘটেছে এমন বিপর্যয়। দক্ষিণ ভারতের কেরলে প্রাকৃতিক শোভার কারণে পর্যটন শিল্পের জন্য এক উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ওয়েনাড়ে (Wayanad) গত বছরে ১০ লাখেরও বেশি দেশী ও বিদেশি পর্যটক এসেছিলেন বলে জানা যায়। ভূমিধসের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওয়েনাড়ের মুন্ডাকাইত এলাকা। জানা গিয়েছে, এই অঞ্চলে ৫০০ পরিবার বাস করতেন। পর্যটন শিল্পের জন্য, এর আশেপাশের গ্রামগুলিতে ৭০০ রিসর্ট, হোমস্টে প্রভৃতি গড়ে তোলা হয়েছিল। এখানে রয়েছে পাহাড়ের কোলে বিস্তৃত চা বাগান।

    মানা হয়নি সরকারি সতর্কতা (Landslide)

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বিগত ১৩ বছর ধরে বেশ কয়েকটি সরকারি রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছিল যে পর্যটন শিল্পের জোয়ার আনতে গিয়ে প্রাকৃতিক জলের প্রবাহকে বাধা দেওয়ার ফলে ভূমিধস (Landslide) ও বন্যার মতো বিপর্যয় ঘটতে পারে। কিন্তু তারপরেও এই সমস্ত সর্তকতাকে উপেক্ষা করা হয়েছিল। ভারতের অন্যতম প্রযুক্তি কেন্দ্র বলে পরিচিত বেঙ্গালুরু থেকে ওয়েনাড় সড়ক পথে মাত্র ৬ ঘণ্টা দূরত্ব। বেঙ্গালুরুর আইটি কর্মীরা সপ্তাহের শেষে ওয়েনাড়ে আসেন ছুটি কাটাতে। বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ তুলছেন যে অতিরিক্ত উন্নয়নের কারণে বেশ কিছু জায়গায় বনভূমিকেও ধ্বংস করা হয়েছে। সাধারণভাবে বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য রাখতে এবং বন্যা প্রতিরোধ করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বনাঞ্চল ধ্বংস হওয়াতে প্রাকৃতিক যে জলপ্রবাহ তা শোষণ হয়নি।

    মৃত্যুপুরী ওয়েনাড় (Wayanad)

    বিগত কয়েক দিনের ভূমিধসে ওয়েনাড় যেন মৃত্যুপুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওয়েনাড় অঞ্চলের অন্যতম জনপ্রিয় রিসর্ট ছিল স্টোন হাউজ। চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ভোরে পরপর দুটি ভূমিধসে (Landslide) এই বিল্ডিংটি একেবারে ভেসে গিয়েছে। আগেই অবশ্য পর্যটক ও কর্মচারীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় মানুষজন থেকে বিশেষজ্ঞরা প্রত্যেকেই এখন খুঁজছেন ওয়েনাড়ের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণ এবং সেখানেই প্রশ্ন উঠছে যে অতিরিক্ত পর্যটনের জোর দেওয়ায় জন্যই এমন অবস্থা। প্রসঙ্গত, এর আগেই ২০১৮ সালে বন্যার কারণে কেরলে ৪০০ জন নিহত হয়েছিলেন, তারপরে ওয়েনাড়ে ঘটল বিধ্বংসী ভূমিধস (Landslide)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF Chief: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    BSF Chief: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফ-এর ডিরেক্টর জেনারেল (BSF Chief) নিতীন আগরওয়াল এবং তাঁর ডেপুটি স্পেশাল ডিজি (পশ্চিম) ওয়াই বি খুরানিয়াকে শুক্রবার পদ থেকে অপসারণ করল কেন্দ্র। পদস্থ এই দুই অফিসারকে অবিলম্বে তাদের রাজ্য ক্যাডারে ফেরত পাঠানোর নির্দেশও জারি করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জম্মু ও কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমানা (Border Security Force) পেরিয়ে বার বার জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং উপত্যকায় অশান্তির কারণে এই পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। আবার অনেকের অনুমান বাহিনীর মধ্যে বোঝাপড়া ঘটাতে ব্যর্থ এই দুই অফিসার। সামনেই স্বাধীনতা দিবস। দেশের নিরাপত্তা জোরদার করতে তাই এই পদক্ষেপ করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    কেন অপসারণ (Border Security Force) 

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, বিএসএফ প্রধানের (BSF Chief) বিরুদ্ধে সমন্বয়ের অভাব সহ গুরুতর বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ক্রমাগত অনুপ্রবেশ এবং একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। মন্ত্রকের এক অফিসারের কথায়,”বাহিনীর মধ্যে নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবের কারণেই ওই দুই অফিসারকে পদ খোয়াতে হল।” বিএসএফের প্রায় ২.৬৫ লাখ কর্মী রয়েছেন যাঁরা পশ্চিমে পাকিস্তান এবং পূর্বে বাংলাদেশের সীমান্ত পাহারা দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক অতীতে সীমান্তে (Border Security Force) একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে বাহিনীর কার্যকারিতা নিয়ে উঠছিল প্রশ্ন। এবার বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।  

    আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা

    বিএসএফের ডিজির (BSF Chief) পদে ছিলেন নীতিন আগরওয়াল। তিনি গত বছরের জুন মাসে ওই পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। সময়ের আগেই তাঁকে অপসারিত করে রাজ্য স্তরের ক্যাডারে ফেরত পাঠানো হল। অন্য দিকে, স্পেশাল ডিজি (পশ্চিম) পদে এত দিন ছিলেন ওয়াইবি খুরানিয়া। তাঁকেও রাজ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ১৯৮৯ সালের কেরল ক্যাডারের আধিকারিক ছিলেন নীতিন। খুরানিয়া ছিলেন ১৯৯০ সালের ওড়িশা ক্যাডারে। দু’জনকেই সময় শেষ হওয়ার আগেই পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার পৃথক ভাবে দু’টি বিজ্ঞপ্তিতে সেই নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দ্রুত এই নির্দেশ কার্যকর করতেও বলা হয়েছে। তবে ওই দুই পদের দায়িত্বে কাদের আনা হচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট করেনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    Rahul Gandhi: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে (Wayanad) গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সমাজ মাধ্যমে এবং সেখানে দেখা যায়, রাহুল গান্ধীর কনভয়কে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয়রা। তাঁকে গাড়ি থেকে নামার অনুরোধও করছেন স্থানীয়রা তবে নিশ্চুপ হয়ে বসে রয়েছেন রাহুল। 

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্যর তোপ

    এ নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এবং তোপ দেগেছেন কংগ্রেস সরকারকেই। অমিত মালব্য জানিয়েছেন, ইউপিএ সরকারই পশ্চিমঘাট ইকোলজি এক্সপার্ট প্যানেল রিপোর্টকে খারিজ করেছিল। প্রসঙ্গত, এই রিপোর্টটি মেপাদ্দিতে পরিবেশ বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিল বলে জানিয়েছেন অমিত মালব্য। বিপর্যয়ের দায় যে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) এড়াতে পারেন না সে কথাও নিজের পোস্টে উল্লেখ করেছেন মালব্য।

    তিনি কেন এখানে এসেছেন (Rahul Gandhi)!

    প্রসঙ্গত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে স্থানীয়রা রাহুল গান্ধীকে গাড়ি থেকে নিচে নামতে বলছেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) নিশ্চুপভাবে গাড়িতেই বসে আছেন। স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে তাঁদের সাংসদ জনগণের বিষয়ে একেবারেই উদ্বিগ্ন নন। একজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘ওনাকে গাড়ি থামাতে বলো! আমরাই হলাম সেই সমস্ত ভোটার যাঁরা ওনাকে সাংসদ বানিয়েছি। তিনি এই কেন্দ্রের (Wayanad) এমপি ছিলেন। তিনি যদি গাড়ি থেকে না নামতে পারেন এবং কাদায় পা না দিতে পারেন, তাহলে তিনি কেন এখানে এসেছেন!’’ আরও একজন ক্ষোভের সঙ্গে জানিয়েছেন যে রাহুল গান্ধীর সফরের জন্যই দোকান পাট সমস্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এই কারণে তাঁরা আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্ষুধার্ত।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Paris Olympics 2024: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    Paris Olympics 2024: ইতিহাসের সামনে লক্ষ্য, ভারতের প্রথম পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সে ইতিহাস। এই প্রথম ভারতের পুরুষ শাটলার হিসেবে অলিম্পিক্সের সেমিফাইনালে উঠলেন লক্ষ্য। শুক্রবার ব্যাডমিন্টনের সেমিফাইনালে উঠলেন লক্ষ্য সেন। কোয়ার্টার ফাইনালে চিনা তাইপেইয়ের চৌ তিয়েন চেনকে ১৯-২১, ২১-১৫, ২১-১২ গেমে হারালেন তিনি। সেমিফাইনালে জিতলেই রুপো নিশ্চিত হবে। হারলেও ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে নামবেন লক্ষ্য।

    পিছিয়ে থেকেও প্রত্যাবর্তন 

    এদিন প্রথম গেম খোয়ালেও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেন লক্ষ্য। প্রকাশ পাড়ুকোনের গুরু মন্ত্রে ফিরে আসেন খেলায়। দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে প্রথম থেকেই লড়াই হচ্ছিল সমানে সমানে। তবে শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিলেন চৌ। তাঁর একের পর এক স্ম্যাশের কোনও উত্তর ছিল না লক্ষ্যের কাছে। পাশাপাশি তাঁর গতি সমস্যায় ফেলছিল লক্ষ্যকে। তবু ভারতের খেলোয়াড় যথাসম্ভব লড়াই করার চেষ্টা করছিলেন। ১১-১৫ পিছিয়ে থাকা থেকে ১৫-১৫ করে ফেলেন। সেই সময় পাশ থেকে কোচ প্রকাশ পাড়ুকোন চেঁচিয়ে বলতে থাকেন, “ওকে সমস্যায় ফেলো। লম্বা র‌্যালি হলেও চিন্তা কোরো না।” সে কথা শোনেন লক্ষ্য। চৌ-এর একের পর এক স্ম্যাশের প্রায় প্রতিটিই ফেরত দিতে থাকেন। দুর্দান্ত রক্ষণ দেখা যায় ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকার ব্যাটে। তবে শেষ দিকে মুহূর্তের ভুলে হেরে যান গেম।

    দ্বিতীয় গেমের আগে প্রকাশ শান্ত করার চেষ্টা করেন ছাত্রকে। বলেন, “জাজমেন্ট করো। বাইরে যাবেই। শান্ত থাকো। তাড়াহুড়ো কোরো না।” প্রথম গেমেই মতোই শুরু হয় দ্বিতীয় গেমও। দুই খেলোয়াড়ের কেউই কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছেড়ে দিচ্ছিলেন না। কোচের কথা মেনেই খেলা একটু ধীরে করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। লম্বা র‌্যালি করতে থাকেন। এক সময় গেম পকেটে পুরে নেন। তৃতীয় গেমে আবার প্রথম গেমের পুনরাবৃত্তি। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও ৪-৩ এ এগিয়ে যান লক্ষ্য। লিড ধরে রাখেন। বিরতিতে ১১-৭ এ এগিয়ে ছিলেন ভারতীয় শাটলার। ফাইনাল গেমে ৪ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। চাইনিজ তাইপের প্রতিযোগীর ক্লান্তি পার্থক্য গড়ে দেয়। অন্যদিকে অনেক বেশি সতেজ ছিল লক্ষ্য। যার প্রতিফলন হয় কোর্টে। 

    ভারতের আশা

    ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে লক্ষ্য সেন। পদকের থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে তিনি। চলতি অলিম্পিক্সে ব্যাডমিন্টনে ভারতের একমাত্র আশা এখন লক্ষ্য সেন। পিভি সিন্ধু, সাত্ত্বিক-চিরাগ ছিটকে যাওয়ার পর সব নজর তাঁর দিকেই। বিশ্বের তিন নম্বর জোনাথন ক্রিস্টিকে হারানোর পর আশা জাগান ভারতীয় শাটলার। গতবছর সিঙ্গাপুর ওপেনে চৌ তিয়েন চেনের কাছে হেরে গিয়েছিলেন লক্ষ্য। এদিন ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকার কাছে ছিল বদলার ম্যাচ। শেষমেষ প্রতিশোধ নিলেন লক্ষ্য।

     

  • Daily Horoscope 03 August 2024: প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 August 2024: প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে বিবাদ হতে পারে। 

    ৩) মানসিক চাপে কাটবে দিনটি। 

    মিথুন

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন। 

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    কর্কট

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য মানসিক চাপ বৃদ্ধি। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে। 

    ৩) আশাহত হবেন।

    কন্যা

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে। 

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    তুলা

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ হতে পারে। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ থেকে সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    ধনু

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    মকর

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে খরচ বৃদ্ধি হবে। 

    ৩) অনেক বেশি ধৈর্য ধরতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) রক্তহীনতা বাড়তে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ। 

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    মীন

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jamaat-e-Islami: জামাত-ই-ইসলামিকে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাল মুসলিম সংগঠন

    Jamaat-e-Islami: জামাত-ই-ইসলামিকে দেশজুড়ে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাল মুসলিম সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৩১ জুলাই মুসলিম সংগঠন ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরি (Indian Muslim Association-Noori) একটি প্রেস বিবৃতি জারি করেছে এবং সেখানে দেশব্যাপী নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে তারা, কট্টরপন্থী সংগঠন জামাত-ই-ইসলামিকে। ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরি আরও দাবি জানিয়েছে, জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) শুধুমাত্র কাশ্মীরেই সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে না উপরন্ত গোটা দেশে তারা জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছে এবং দেশজুড়ে ভারত বিরোধী ও জিহাদী কার্যকলাপ চালিয়ে যুবসমাজকে নিজেদের সংগঠনে তারা জুড়ছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে।

    ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরির সভাপতি কী বলছেন?

    ইন্ডিয়ান মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন-নুরি যার সংক্ষিপ্ত নাম হল ইমান (Indian Muslim Association-Noori), এই সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার হামিদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা শুধুমাত্র জামাত-ই-ইসলামিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাচ্ছি না। এর পাশাপাশি সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি যে, সেই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে, যেগুলি থেকে নিজেদের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়িত করছে জামাত। তাদের কর্মসূচিগুলিকেও চিহ্নিত করতে হবে।

    প্রেস বিবৃতি

    নিজেদের প্রেস বিবৃতিতে ইমান বলেছে, ‘‘বিগত কয়েক মাসে জম্মু-কাশ্মীরে ফের সন্ত্রাসবাদ বেড়েছে। জঙ্গিরা আক্রমণ চালাচ্ছে সেনাবাহিনীর ওপর। রাজৌরি, কুপওয়ারা, ডোডা প্রভৃতি জেলা থেকে মিলছে সন্ত্রাসবাদের একের পর এক খবর। এই ধরনের হামলাগুলিতে জয়শ-ঈ-মহম্মদ, কাশ্মীর টাইগার প্রভৃতি সংগঠনগুলির পাশাপাশি রয়েছে জামাত-ই-ইসলামিও। এদের লক্ষ্য হল ভারতকে অস্থির করে রাখা। সম্প্রতি জামাত-ই-ইসলামিকে (Jamaat-e-Islami) জম্মু-কাশ্মীরে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই সংগঠনকে সম্পূর্ণ দেশে নিষিদ্ধ করা হোক।’’

    জামাতের (Jamaat-e-Islami) ইতিহাস

    প্রসঙ্গত, জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-e-Islami) সংগঠনকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সৈয়দ-আবু-আল-মৌদাদী। কট্টরপন্থী ইসলামিক ভাবধারাকে বাস্তবায়িত করতে এই সংগঠনকে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারদের সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাকে সাহায্য করে এই সংগঠন। শুধু তাই নয়, সেই সময়ে হিন্দুদের ওপর চরম অত্যাচার চালায় জামাত। হাজার হাজার হিন্দুকে হত্যা করে তারা। মহিলাদের ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। প্রসঙ্গত প্রথমদিকে অর্থাৎ ১৯৫০-এর দশকে পাকিস্তানে জামাত-ই-ইসলামি একটা রাজনৈতিক দল ছিল এবং তারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করত। পরবর্তীকালে তারা ছাত্র-যুবদের নিয়ে সংগঠন তৈরি করে। যার নাম দেয় জামাত-ই-তালাবা। এই সংগঠন পাকিস্তানের বেশিরভাগ কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের দখলে আনে ও হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালাতে থাকে। সেই থেকেই শুরু হয় জামাতের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ। আন্তর্জাতিক স্তরেও এই সংগঠন জাল বিছিয়েছে। প্যালেস্তাইনের হামাস জঙ্গিদের সঙ্গেও এদের যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা যায়। এর পাশাপাশি মুসলিম ব্রাদারহুড নামের সংগঠনের সঙ্গেও এদের যোগাযোগ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share