Blog

  • Manipur Peace Deal: কুকি-মেইতেইদের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত, শান্ত হওয়ার পথে মণিপুর

    Manipur Peace Deal: কুকি-মেইতেইদের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত, শান্ত হওয়ার পথে মণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরের একটি জেলায় মেইতেই এবং কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি চুক্তি (Manipur Peace Deal) সম্পাদিত হল। প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে অশান্ত মণিপুর। অবশেষে জিরিবাম জেলায় বিবাদমান ২ গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি চুক্তি (Manipur Update) সম্পাদিত হল। সরকারের তরফে এটিকে বড় সাফল্য দাবি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সরকারের তরফে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছিল। শান্তি চুক্তিতে দুপক্ষই শান্তি ফেরাতে উদ্যোগ নেবে এবং সরকারকে সহযোগিতা করবে বলে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। একইসঙ্গে হিংসার পথ তারা এড়িয়ে চলবে বলে জানিয়েছে।

    মণিপুরে শান্তি চুক্তি সম্পাদিত (Manipur Peace Deal)

    এই শান্তি চুক্তি একটি জেলার জন্য হলেও, মনে করা হচ্ছে এরপর দুপক্ষই ধীরে ধীরে মনিপুর জুড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়ে উদ্যোগী হবে। দুপক্ষই স্বাধীনতা দিবসের পর ফের একত্রিত হবে এবং শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে বলে জানা গিয়েছে। মেইতেই এবং কুকি-চিন দুই গোষ্ঠী সামরিক বাহিনীর সঙ্গেও সহযোগিতা করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এদিনের বৈঠকে (Manipur Peace Deal) বিবাদমান দুই গোষ্ঠী ছাড়াও থাদৌ, মিজো এবং পাইতে গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা এদিনের শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন। জিরিবাম জেলা মণিপুরের অন্যতম হিংসা কবলিত। গত বছরের মে মাস থেকে এই এলাকায় অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল। ৫৯ বছর বয়সি মেইতেই চাষি শৈবাম শরৎকুমার সিং নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই এই এলাকা জ্বলতে শুরু করে। গত মাসেও জঙ্গি হানায় একজন সিআরপিএফ জওয়ান এই এলাকায় নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছিলেন। যদিও এ বছরের ৬ জুনের পর থেকে ধীরে ধীরে এলাকায় শান্তি ফিরছিল।

    এখনও বহু মানুষ ঘড়ছাড়া (Manipur Update)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, এখনও বহু মেইতেই পরিবার ত্রাণশিবিরে বসবাস করছেন। তাঁরা এখনও বাড়ি ফিরতে পারেননি। বৃহস্পতিবার ইম্ফলে বাড়ি ফেরার দাবিতে মেইতেই গোষ্ঠীর লোকেরা একটি মিছিল আয়োজিত করেন। এদের মধ্যে অনেকেই ভারত-মায়ানমার সীমান্তবর্তী শহর মোরেহ এলাকার বাসিন্দা। সরকারি হিসেবে দুপক্ষের সংঘর্ষে (Manipur Update) ২০০ জনের বেশি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৭০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়ে বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে ঠাঁই নিয়েছিলেন। যদিও তাঁদের একটা বড় অংশ বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: দলিত মহিলাকে বিয়ে করে ধর্মান্তকরণ, পরে খুন, গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    প্রধানমন্ত্রী মণিপুর প্রসঙ্গে আগেই জানিয়েছেন, উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে শান্তি ফেরানোর সব রকম ভাবে চেষ্টা করছে সরকার। সব পক্ষের সঙ্গে (Manipur Peace Deal) আলোচনা চালানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরেই মণিপুরে এই প্রথম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Digitalisation: ৮০ কোটি ভারতবাসীর দারিদ্র্য মুক্তি স্মার্টফোনেই! ডিজিটাল ভারতের প্রশংসায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    Digitalisation: ৮০ কোটি ভারতবাসীর দারিদ্র্য মুক্তি স্মার্টফোনেই! ডিজিটাল ভারতের প্রশংসায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র স্মার্টফোন ব্যবহার করেই দারিদ্র্য থেকে মুক্তিলাভ! এও আবার সম্ভব নাকি? হ্যাঁ, গত পাঁচ থেকে ছয় বছরে ভারত ৮০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য (India poverty) থেকে বের করে এনেছে “শুধুমাত্র স্মার্টফোন ব্যবহারের মাধ্যমে”। সম্প্রতি রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভা (UNGA)-র ৭৮তম অধিবেশনের সভাপতি ডেনিস ফ্রান্সিসের মুখে শোনা গেল এমনই বার্তা।

    ডেনিস ফ্রান্সিসের মন্তব্য 

    নিজের বক্তব্য পেশ করার সময়ে ডিজিটালাইজেশন (Digitalisation) নিয়ে ভারতের কাজের তুমুল প্রশংসা করেন ডেনিস ফ্রান্সিস। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের বিভিন্ন গ্রামে যাঁদের আগে ব্যাঙ্কিং পেমেন্ট সিস্টেমে অ্যাক্সেস ছিল না তাঁরা এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করে বিল পরিশোধ করতে সক্ষম হয়েছেন। ভারতে ডিজিটালাইজেশন নিয়ে যেভাবে কাজ হচ্ছে তাতে, গত ৫-৬ বছরে ৮০ কোটি নাগরিক দরিদ্রসীমা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

    কীভাবে ঘটল দারিদ্র্য থেকে মুক্তিলাভ? (India poverty)  

    কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ডিজিটালাইজেশনের (Digitalisation) উপর জোর দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। গত এক দশক ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম ফোকাস এর উপরে রয়েছে। দেশে ইদানিং ডিজিটাল পেমেন্টও অনেকটাই বেড়েছে— ইউপিআই পেমেন্টেও জোয়ার এসেছে। ডেনিসের মতে, ভারতে ইন্টারনেট সহজলভ্য, সেই কারণেই এমন লাভ পেয়েছে ভারত। ডেনিস আরও বলেন, ”ভারতের গ্রামীণ ক্ষেত্রের কৃষকরা, যাঁদের এতদিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ ছিল  না, তাঁরাও এখন যাবতীয় লেনদেন স্মার্টফোনে করছেন। নিজেদের খরচ মেটাচ্ছেন, আবার নিজের অর্ডারও ওই স্মার্টফোনের মাধ্যমেই পাচ্ছেন। কিন্তু, এই পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথ-এর অধিকাংশ এলাকাতেই নেই।” 

    আরও পড়ুন: ”আগের সরকারের তুলনায় এই বছর অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে,” আদিত্যনাথ

    নোটবন্দির পর থেকেই দেশে ডিজিটাল পেমেন্টে জোয়ার

    প্রসঙ্গত, গত ১০ বছর ধরে নরেন্দ্র মোদি সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ডিজিটালাইজেশন (Digitalisation­)। ২০১৬ সালে ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিলের পর থেকেই ডিজিটাল পেমেন্ট লেনদেনে অগ্রগতি আসে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর জন ধন, আধার এবং মোবাইল— সংক্ষেপে ‘জ্যাম’ (JAM) উদ্যোগের মাধ্যমে ডিজিটালাইজেশন বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উদ্যোগের অধীনে, ভারতের বহু গ্রামের লক্ষ লক্ষ লোক তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিকে আধারের সঙ্গে যুক্ত করার ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেতেও সুবিধা হচ্ছে তাঁদের। এসব কারণেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে ৮০ কোটি ভারতবাসীর দারিদ্র্যমুক্তি ঘটেছে গত কয়েক বছরেই।   
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Harbhajan Singh: রোহিত-কোহলিদের জন্য কেন নিরাপদ নয় পাকিস্তান? বোঝালেন ভাজ্জি

    Harbhajan Singh: রোহিত-কোহলিদের জন্য কেন নিরাপদ নয় পাকিস্তান? বোঝালেন ভাজ্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে ভারত কেন পাকিস্তানে যাবে না, তা ফের খোলসা করলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। ভাজ্জি মনে করেন, পাকিস্তানের মতো দেশে ভারতীয় ক্রিকেটারদের খেলতে যাওয়ার বিরাট ঝুঁকি রয়েছে। কোনও দেশের ক্রিকেটাররাই সেখানে নিরাপদ নন। পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের উপর হামলার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে একথা লেখেন তিনি। 

    হরভজনের গুগলি

    সম্প্রতি পাকিস্তানে ভারতীয় দলের খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন ভাজ্জি। তাঁর এই মতে বেজায় চটেছিল পাকিস্তানের একাংশ। ফরিদ খান নামে এক নেটিজেন সোশ্যাল সাইটে ভাজ্জিকে ট্রোল করেন। ২০০৬ সালে লাহোরের একটি ম্যাচের ভিডিও তুলে ধরেন তিনি। সেই ম্যাচে হরভজনকে (Harbhajan Singh) পরপর চারটি ৬ মেরেছিলেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি। এরই পাল্টা হিসেবে ভাজ্জি লেখেন, ক্রিকেটে হার-জিত রয়েছে। এ জন্য তিনি কোনও দেশে খেলতে না যাওয়ার কথা বলবেন না। পাল্টা লাহোরেই শ্রীলঙ্কার টিম বাসে হামলার ছবি দিয়ে ভাজ্জি লেখেন, ২০০৯-এর ৩ মার্চ পাকিস্তানে জঙ্গি হামলার মুখে পড়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। টিম বাস ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। আহত হন কয়েকজন ক্রিকেটার। এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে যায় গোটা বিশ্ব। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের মধ্যে আহত হন থিলন সমরবীরা, চামিন্ডা ভাস, মাহেলা জয়বর্ধনে, কুমার সঙ্গাকারা, থরঙ্গা পরনভিতানা, অজন্তা মেন্ডিস ও সারুঙ্গা লাকমল। আঘাত গুরুতর হওয়ায় সমরবীরা ও পরনভিতানাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এজন্যই পাকিস্তানের মাটিতে কোনও দল নিরাপদ নয়, বলে জানান ভাজ্জি।

    ভাজ্জির অভিমত

    আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে ভারত যাবে পাকিস্তানে?‌ গোটা বিষয়টিই অনিশ্চিত। বিসিসিআই জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্র অনুমতি দিলে যাবে। নইলে নয়। প্রয়োজনে দুবাই কিংবা শ্রীলঙ্কায় খেলবে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। পিসিবির দাবি, ভারতকে খেলতে আসতে হবে পাকিস্তানেই। নিরাপত্তার জন্য ভারতের সমস্ত ম্যাচ রাখা হয়েছে লাহোরে।  

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ভাজ্জি (Harbhajan Singh) স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন, ‘‌ভারতীয় দল কেন যাবে পাকিস্তানে?‌ ওখানে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। পাকিস্তানে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ঘটনা ঘটেই চলেছে। সেখানে কোনও দলই সুরক্ষিত নয়। বিসিসিআই একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা সবার আগে। বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।’‌ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pingali Venkayya: জাতীয় পতাকার রূপকার, স্বাধীনতা সংগ্রামী পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়ার জন্মদিন

    Pingali Venkayya: জাতীয় পতাকার রূপকার, স্বাধীনতা সংগ্রামী পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়ার জন্মদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া (Pingali Venkayya) নামটা হয়ত অনেকের কাছেই অপরিচিত। তিনি ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী। তবে, তার চেয়েও বড় কথা, তিনি ছিলেন ভারতীয় জাতীয় পতাকার (National Flag) একজন রূপকার। তিনি মুক্ত ও স্বাধীন ভারত চেতনার সমর্থক ছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি একজন কৃষিবিদ, ভাষাবিদ এবং ভূতাত্ত্বিক ছিলেন। গান্ধীবাদী মতাদর্শে দীক্ষিত পিঙ্গালি পরাধীন ভারতে সক্রিয়ভাবে অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছিলেন। আজ আমরা যে জাতীয় পতাকা দেখি, তা ছিল তাঁরই তৈরি করা নকশা। পরবর্তী সময়ে ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই, ভারতের গণপরিষদ এই নকশা গ্রহণ করেছিল। স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদান ছিল ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

    জন্ম ও পড়াশুনা (Pingali Venkayya)

    ১৮৭৬ ​​সালের ২ অগাস্ট অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া (Pingali Venkayya)। তেলুগু, হিন্দি, উর্দু, বাংলা, তামিল, ইংরেজি এবং জাপানির মতো অনেক ভাষা জানতেন তিনি। স্বদেশি পোশাক এবং বস্ত্র ব্যবহারের উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বাবার নাম হনুমন্ত রাও এবং মা ছিলেন রুক্মিনাম্মা। তিনি মাছিলিপত্তনমের স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং পরে মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সি কলেজ ও শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে উচ্চ শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এছাড়াও তিনি স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূতত্ত্ব ডিগ্রি লাভ করেন। স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগদানের আগে তিনি শিক্ষক, ভূতত্ত্ববিদ ও কৃষি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছিলেন।

    রাজনৈতিক জীবন

    ভেঙ্কায়া (Pingali Venkayya) আফ্রিকায় অ্যাংলো বোয়ার যুদ্ধের সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। গান্ধীবাদী নীতিতে দৃঢ় বিশ্বাসী এবং ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সমর্থক ছিলেন। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎও করেছিলেন তিনি। বিজয়ওয়াড়ায় পতাকার বিভিন্ন নকশার সঙ্গে তাঁর নকশাটিও দেখান। এরপর একটি জাতীয় পতাকার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে, গান্ধীজি ভেঙ্কাইয়াকে ১৯২১ সালে জাতীয় কংগ্রেসের সভায় একটি নতুন পতাকার নকশা করতে বলেন।

    আরও পড়ুনঃআজ শ্রাবণ শিবরাত্রি, কীভাবে করবেন পুজো? কখন লাগছে তিথি?

    ২০০৯ স্ট্যাম্প জারি করেছিল ভারত সরকার

    প্রাথমিকভাবে, ভেঙ্কাইয়া (Pingali Venkayya) পতাকায় কমলা এবং সবুজ রঙের ব্যবহার করেছিলেন। পরে তার কেন্দ্রে একটি চরকা এবং তৃতীয় আরও একটি সাদা রঙ যোগ করেছিলেন। ১৯৩১ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে এই পতাকাটি (National Flag) গ্রহণ করা হয়েছিল। ১৯৫৫ সালে তাঁঁকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছিল। ২০০৯ সালে ভারত সরকার তাঁকে স্মরণ করে একটি স্ট্যাম্পও জারি করেছিল। এরপর অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার ২০১৪ সালে ভারতরত্ন নামের জন্য তাঁর নাম সুপারিশ করেছিল। ২০১৫ সালে, তৎকালীন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ভেঙ্কাইয়া নায়ডু বিজয়ওয়াড়ার নাম পরিবর্তন করে ভেঙ্কাইয়া রাখেন এবং সেখানে তাঁর মূর্তি উন্মোচন করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hamas: হানিয়ের আগেই খতম হামাসের সামরিক প্রধান মহম্মদ ডেইফ, বলল ইজরায়েল

    Hamas: হানিয়ের আগেই খতম হামাসের সামরিক প্রধান মহম্মদ ডেইফ, বলল ইজরায়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামাসের (Hamas) জন্য বড় ধাক্কা। জঙ্গিগোষ্ঠীর সামরিক প্রধান মহম্মদ ডেইফের (Mohammad Deif) মৃত্যু এবার নিশ্চিত করল ইজরায়েল। ইজরায়েলর সামরিক বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, ডেইফকে নিকেশ করেছে তারা। জুলাই মাসেই হামাসের সামরিক প্রধানকে খতম করলেও সেই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়ের মৃত্যুর ঠিক পরেই।

    গাজার ওসামা বলা হয় ডেইফকে (Mohammad Deif)

    ডেইফকে গাজার ওসামা বিন লাদেন বলা হত। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী য়োভ গ্যালান্ট জানিয়েছেন,  ১৩ জুলাই গাজার ওসামা মহম্মদ ডেইফেকে (Mohammad Deif) খতম করেছে ইজরায়েলের সামরিক বাহিনী। ওসামার মতই লুকিয়ে হামলা চালানোর বিষয়ে পারদর্শী ছিল (Hamas) ডেইফ। ইজরায়েলের সেনাবাহিনী (IDF) জানিয়েছে, ১৩ জুলাই সূত্র মার্ফত খবর পেয়ে খান ইউনিসে হামলা চালায় ইজরায়েলি বায়ুসেনা। এরপর গোয়েন্দা সূত্রে ডেইফের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। তাঁর সঙ্গেই মারা গিয়েছেন হামাসের আরও এক স্থানীয় শীর্ষ কমান্ডার রাফা সালামা।

    ইহুদি গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড ছিল ডেইফ (Hamas)

    হামাসের (Hamas) তরফে জানানো হয়েছে, গাজায় যে হামলা চালানো হয়েছিল, তাতে ৯০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে ডেইফের (Mohammad Deif) মৃত্যুর খবর এখনও স্বীকার করেনি হামাস। ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে ইহুদি গণহত্যার সূচনা হয়েছিল। ‘আল-আকসা ফ্লাড’ নামের সেই হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিলেন এই মহম্মদ ডেইফ। হামাসের হামলায় ইজরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় নারী, পুরুষ, শিশু মিলিয়ে ১,১৯৭ জনের মৃত্যু হয়। ইজরায়েলের ইতিহাসে এত কম সময়ে এত মৃত্যু এর আগে হয়নি।

    আরও পড়ুন: নিহত হামাস প্রধানকে ‘শহিদ’ উল্লেখ, বিতর্কে দিল্লি মাইনরিটি কমিশনের প্রাক্তন প্রধান

    নৃশংস হত্যালীলার প্রতিশোধ হিসেবে হামাসের মাথাদের খতম করার অভিযান শুরু করে আইডিএফ। জানা গিয়েছে, ২০০২ সালে হামাসের সশস্ত্র শাখা এই আল কাসাম ব্রিগেডের প্রধান হয় ডেইফ। গত তিন দশক ধরে ইজরায়েলের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় ছিলেন ডেইফ। ২০১৫ সাল থেকে ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের তালিকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wayanad Landslide: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে সংযোগ রক্ষায় ১৯০ ফুট বেলি ব্রিজ নির্মাণ সেনার

    Wayanad Landslide: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে সংযোগ রক্ষায় ১৯০ ফুট বেলি ব্রিজ নির্মাণ সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়েনাড়ের (Wayanad Landslide) পরিস্থিতি যেন সিকিমকেও টেক্কা দিল। ভূমিধসে বিপর্যস্ত অঞ্চলে যোগাযোগ রক্ষায় ১৯০ ফুটের বেলি ব্রিজ তৈরি করেছে সেনাবাহিনী। দক্ষিণ সিকিমের লোকান হ্রদে জলস্ফীতি এবং হড়পা বানের বিপর্যয়ের পর তিস্তা নদীর উপর ১৫০ ফুট দীর্ঘ বেলি ব্রিজ নির্মাণ করেছিল ভারতীয় সেনা এবং বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন। এবার কেরলের ওয়েনাড়ের বিপর্যস্ত এলাকায় উদ্ধার কাজ এবং ত্রাণ পৌঁছে দিতে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই বিরাট সেতু তৈরি করল ভারতীয় সেনার (Indian Army) মাদ্রাজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ।

    চুড়ালমালা ও মুন্ডাক্কাইকে সংযোগ করবে বেলি ব্রিজ (Wayanad Landslide)

    ভারতীয় সেনার (Indian Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন সেতুর মাধ্যমে বিকল্প পথে ভূমিধস কবলিত চুড়ালমালা (Wayanad Landslide) এবং মুন্ডাক্কাইয়ের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করা যাবে। ইরুভঞ্জিপ্পুঝা নদীর উপর নির্মিত এই বেলি ব্রিজ উদ্ধারকাজে ব্যাপকভাবে সাহায্য করবে। উল্লেখ্য, গত বছর সিকিমের ভূমিধসের বিপর্যয়ে সেনার ‘ইঞ্জিনিয়ারিং কোর’-এর তৈরি ইস্পাতের অস্থায়ী সেতুও ভীষণভাবে উদ্ধারকাজে সাহায্য করেছিল।

    ‘কমলা’ সতর্কতা জারি

    এদিকে, বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে (Wayanad Landslide) যত উদ্ধার কাজ এগিয়ে যাচ্ছে, তত যেন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রায় ২৯০। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ৩০০ অতিক্রম করে যাবে। যদিও, রাজ্যের রাজস্বমন্ত্রী কে রাজন ভূমিধসের কারণে ১৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তবে, এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ, সন্ধান না পাওয়া গেলে মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর ওয়েনাড় এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে ‘কমলা’ সতর্কতা জারি করেছে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এই জায়গায়। ফলে নতুন করে আবার চিন্তার ভাঁজ পড়ছে মানুষের কপালে।

    আরও পড়ুনঃ আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সমাজবাদী পার্টিকে কোণঠাসা করলেন আদিত্যনাথ

    কলকাতায়ও নির্মিত হয়েছিল বেলি ব্রিজ

    উল্লেখ্য, একটা সময় কলকাতা শহরের আপদকালীন পরিস্থিতিতে নির্মাণ করা হয়েছিল বেলি ব্রিজ। ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টম্বর মাঝেরহাট সেতু ভেঙে গেলে ৫ জনের মৃত্যু হয়। বিপর্যয়ের ফলে বেহালা, ঠাকুরপুকুর সহ দক্ষিণ শহরতলির একটা বড় অংশে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। ব্রিজের নিচে শিয়ালদা-বজবজ শাখার রেল লাইন থাকায় বিকল্প রাস্তা নির্মাণ করা যায়নি। সেই সময়, মাঝেরহাট স্টেশনের কাছে শিয়ালদা-বজবজ শাখার রেললাইন এবং চেতলা খালের উপর ইস্পাতের কাঠামো দিয়ে তৈরি একটি ১৬০ ফুটের দৈর্ঘ্যের অস্থায়ী বেলি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। এক প্রান্তে আলিপুর অ্যাভিনিউ এবং অন্যদিকে হুমায়ন কবীর সরণিকে যুক্ত করেছিল এই সেতু। একই ভাবে ২০১৯ সালে উল্টোডাঙা উড়ালপুলের একাংশে ফাটল দেখা দিলে, লেক টাউনে কেষ্টপুর খালের উপরে আরও একটি বেলি ব্রিজ তৈরি করা হয়েছিল। ১৪০ ফুট লম্বা এই সেতুটি ১০০ টন ভার বহনে সক্ষম।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Jihad: রেললাইনে সাইকেল, গ্যাস সিলিন্ডার রেখে ভিডিও! গ্রেফতার ‘রেল জিহাদি’ গুলজার

    Rail Jihad: রেললাইনে সাইকেল, গ্যাস সিলিন্ডার রেখে ভিডিও! গ্রেফতার ‘রেল জিহাদি’ গুলজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাথরের টুকরো, সাবান, সাইকেল, গ্যাস সিলিন্ডার, এমনকী জ্যান্ত মুরগিও বাঁধা রেল লাইনে। ভারতীয় ইউটিউবার গুলজার শেখের (Gulzar Sheikh) আজব ‘কীর্তি’তে হতবাক দেশ। ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। নিছক ইউটিউবে জনপ্রিয় ভিডিও তৈরির জন্যই এই সব কীর্তিকলাপ, নাকি তাঁর এই কাণ্ডের পিছনে রয়েছে অন্য চক্রান্ত তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ইউটিউবারকে “রেল জিহাদি” (Rail Jihad) অ্যাখ্যা দিয়েছেন বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা। 

    ইউটিউবারের আজব কীর্তি

    সম্প্রতি, একের পর এক রেল দুর্ঘটনা (Rail Jihad) ঘটছে দেশের নানা প্রান্তে। এমন সময়ে এক ইউটিউবারের কীর্তি সামনে এসেছে। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চা শুরু। গুলজার শেখ (Gulzar Sheikh) নামে এক যুবককের ‘গুলজার ইন্ডিয়ান হ্যাকার’ ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। সেই চ্যানেলের একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রেললাইনের উপরে গুলজার সাইকেল, সাবান, পাথর, গ্যাস সিলিন্ডার এমনকী জ্যান্ত মুরগিও রাখেন। আসলে ওই সব জিনিসের উপর ট্রেন চলে যাওয়ার মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে চেয়েছিলেন যুবক। এমনই রোমহর্ষক ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে ‘ভিউয়ার’ বাড়াতে চেয়েছিলেন তিনি। 

    সমালোচনার ঝড়

    গুলজারের (Gulzar Sheikh) ভিডিওটি পোস্ট করে এক নেটিজেন দাবি করেন, ‘‘এই তরুণ উত্তরপ্রদেশের লালগোপালগঞ্জের এক জন ইউটিউবার। তিনি ট্রেনের সামনে বিভিন্ন জিনিস রেখে হাজার হাজার যাত্রীর জীবনকে বিপদে ঠেলে দেন।’’ ভিডিওটি ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় বইতে থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুলজারের ভিডিওর ভিউ কম নয়। তাঁর একটি ভিডিও প্রায় ১০ কোটি মানুষও দেখেছেন। তাঁর সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। গুলজারের চর্চিত ভিডিওটি গত জানুয়ারি মাসের। তবে সম্প্রতি সেটি ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। ভিডিওটি রেল কর্তৃপক্ষের নজরে এনেছেন নেটনাগরিকদের একাংশ। একইসঙ্গে যুবকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপেরও দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

    গ্রেফতার গুলজার

    সম্প্রতি এক্স হ্যান্ডেল ‘ট্রেনওয়ালেভাইয়া’র ওই ভিডিও-র জন্য গুলজারকে (Gulzar Sheikh) গ্রেফতার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন, “রেল জিহাদি (Rail Jihad) গুলজার গ্রেফতার। তিনি রেহাই পাবেন না। গুলজার ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩-এর অধীনে, ট্রেন লাইনচ্যুত করার চেষ্টার মতো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। অভিযুক্তের জানা আছে যে, তাঁর কর্মের ফলে একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হতে পারে বহু মানুষের প্রাণ যেতে পারে। ভারতীয় রেল ও প্রশাসনকে অনুরোধ ওই ইউটিউবারের বিপক্ষে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিন।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dalit Woman: দলিত মহিলাকে বিয়ে করে ধর্মান্তকরণ, পরে খুন, গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    Dalit Woman: দলিত মহিলাকে বিয়ে করে ধর্মান্তকরণ, পরে খুন, গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে (Ghaziabad) নিজের দলিত স্ত্রী (Dalit Woman) ৩৩ বছর বয়সি পূজা দেবীকে হত্যার অভিযোগ উঠল মহম্মদ আলমের (৩৫) বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, পূজা দেবীর আগের পক্ষের ১১ বছর বয়সি নাবালিকা কন্যা সন্তানকে যৌন নির্যাতনেরও অভিযোগ উঠেছে ওই মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা রাজ্যে। জানা গিয়েছে, ছয় মাস আগেই পূজা দেবীর (Dalit Woman) সঙ্গে নিকাহ্ করেন মহম্মদ আলম। নিকাহের পরে পূজাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করেন ওই অভিযুক্ত।

    আগেই বিবাহিত ছিলেন মহম্মদ, রয়েছে চার সন্তান

    পুলিশ সূত্রে খবর, মহম্মদ আলম এমনিতেই বিবাহিত এবং তাঁর বর্তমানে চারটি সন্তানও রয়েছে। যদিও তাঁর স্ত্রী বা সন্তানদের তিনি কাছে রাখতেন না। পুলিশ মহম্মদ আলমকে গ্রেফতার করেছে গত ২৪ জুলাই। পুলিশ রিপোর্টে উঠে এসেছে, বিগত চার বছর ধরে পূজার সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন মহম্মদ। ঘটনাটি প্রথম প্রকাশ্যে আসে যখন পূজার বোন পুনম পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন, কারণ বেশ কয়েকদিন ধরে পূজাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না, তখনই থানায় নিঁখোজ ডায়েরি করা হয়। খুন করার পরে পূজার দেহ খালে ফেলে দেন অভিযুক্ত (Ghaziabad)।

    নিহতের (Dalit Woman) আত্মীয় ভীম আর্মি পার্টির সদস্য

    এ নিয়ে স্বরাজ্য পত্রিকার তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল নিহতের পরিবারের সঙ্গে। কথা বলা হয় পূজার (Dalit Woman) দূর সম্পর্কের এক ভাই সুমিত কুমারের সঙ্গে। জানা গিয়েছে, সুমিত কুমার গত ৮ বছর ধরে ভীম আর্মি দলের একজন সিনিয়র সদস্য, যে দল দলিতদের অধিকার নিয়ে সরব হয়। দলের নেতার নাম চন্দ্রশেখর। আশ্চর্যজনক ভাবে ভীম আর্মি পার্টি এই গোটা ঘটনায় চুপ থেকেছে। এনিয়ে সুমিত কুমারের অভিযোগ হল, মুসলিম তোষণের কারণেই চুপ রয়েছে ভীম আর্মি পার্টি। বর্ণ প্রথার বিরুদ্ধে দলিত আন্দোলন করে যারা, তারাই তাদের সদস্যের পরিবারের এক দলিত মহিলার খুনের ঘটনায় নিশ্চুপ থাকায় উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সমাজবাদী পার্টিকে কোণঠাসা করলেন আদিত্যনাথ

    Yogi Adityanath: আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সমাজবাদী পার্টিকে কোণঠাসা করলেন আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সমাজবাদী পার্টিকে কোণঠাসা করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। তিনি জানিয়েছেন, আগের সরকারের তুলনায় এই বছর অপরাধের হার (Crime rate in UP) উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এদিন বিধানসভায় বাজেট নিয়ে আলোচনার জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”অযোধ্যায় সমাজবাদী পার্টির (এসপি) একজন কর্মী, অনগ্রসর শ্রেণির ১২ বছর বয়সি একটি মেয়েকে ধর্ষণে জড়িত বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমাজবাদী পার্টি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। আমি বুঝতে পারছি না এই সব কী।” 

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য (Yogi Adityanath)

    এ প্রসঙ্গে আদিত্যনাথ আরও বলেছেন, ”গতকালই হারদোইতে একজন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত সমাজবাদী পার্টির জেলা সভাপতি। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন জঘন্য অপরাধে ২৮টি মামলা রয়েছে। আমরা যদি এই ধরনের অপরাধীদের শাস্তি না দিই, তাহলে কি গলায় মালা দেব? এইসব মানুষেরা সমাজের ব্যাধি। সমাজ থেকে এদের না সরালে উত্তরপ্রদেশের অবস্থার উন্নতি করা কঠিন হয়ে পড়বে।” 

    আরও পড়ুন: মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দুর্ঘটনা কত ছিল! পরিসংখ্যান তুলে আক্রমণ বৈষ্ণবের

    ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্য প্রকাশ (Crime rate in UP) 

    মুখ্যমন্ত্রী এই মন্তব্যের পরেই (Yogi Adityanath) ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (NCRB) তথ্য প্রকাশ করে বলেন, ”২০১৬ সালে যখন রাজ্যে সমাজবাদী পার্টির সরকার ছিল, তার তুলনায় ২০২৪ সালে ডাকাতির ঘটনা ৮৬.৪৭ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি সেই সময়ের তুলনায় বর্তমানে ছিনতাইয়ের ঘটনা ৭৮.১৭ শতাংশ, খুনের ঘটনা ৪৩.২১ শতাংশ, দাঙ্গা ৬৭.৪২ শতাংশ এবং অপহরণের ঘটনা ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।” এছাড়াও আদিত্যনাথ এদিন আরও জানান, নারীদের যৌতুকের হার ১৭.৪৩ শতাংশ কমেছে। এ ছাড়া ধর্ষণের ক্ষেত্রে ২৫.৩০ শতাংশ, শ্লীলতাহানির ক্ষেত্রে ১৬.৫৬ শতাংশ এবং অপহরণের ক্ষেত্রে ০.১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। 
    ফলে এ তথ্য আবারও প্রমাণ করল যে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) আসার পর থেকে সমগ্র রাজ্যে অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যোগী আদিত্যনাথের গর্বের অন্যতম কারণ।  
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের কেন্দ্রে ভোট লুট নিয়ে এবার বড়সড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, করলেন আরটিআই

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের কেন্দ্রে ভোট লুট নিয়ে এবার বড়সড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, করলেন আরটিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার লোকসভা নির্বাচনের ভোট পর্ব মিটতেই ডায়মন্ডহারবার (Diamond Harbour) কেন্দ্র নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত, এই কেন্দ্রে প্রার্থী ছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যাপক ভোট লুটের অভিযোগ ওঠে এই কেন্দ্রে। ৭ লাখেরও বেশি ভোটে জেতেন অভিষেক, এনিয়েই উঠতে থাকে প্রশ্ন। ডায়মন্ডহারবারে প্রায় ১০ লাখ ভোটের ছাপ্পা হয় বলে অভিযোগ। এবার ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রে ভোট পরিচালনার কাজে যে সকল পোলিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার এবং কাউন্টিং স্টাফ  যুক্ত ছিলেন তাঁদের সকলের নাম, পরিচয় প্রকাশের দাবিতে জন্য আরটিআই-এর আবেদন দাখিল করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই সঙ্গে নন্দীগ্রামের বিধায়কের দাবি, আরটিআই-এর উত্তর এলেই প্রকাশ্যে আসবে শাসক দলের সঙ্গে ভোটকর্মীদের আঁতাতের বিষয়টি।

    জোড়াফুল ছাড়া ইভিএমে বাকি প্রতীক চিহ্নে স্টিকার লাগিয়ে দেওয়া হয়

    প্রসঙ্গত ডায়মন্ডহারবারে (Diamond Harbour) ভোট লুট, ওয়েব ক্যামেরাগুলিকে ঘুরিয়ে দেওয়া, জোড়াফুল ছাড়া ইভিএমে বাকি প্রতীক চিহ্নে স্টিকার লাগিয়ে দেওয়া-এসবই সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক ভাইরাল হয়। একাধিক সংবাদমাধ্যম এনিয়ে খবরও করে। এবার আরটিআই-এর মোক্ষম চাল দিয়ে সরকারি ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে ভোট লুট করেছে শাসক দল, তা সর্বসমক্ষে আনতে চাইছেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত আগেই ডায়মন্ডহারবারের নির্বাচনকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, এই আবহে তাঁর করা আরটিআই যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট 

    সমাজ মাধ্যমে নিজের আরটিআই করার বিষয়টি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে লিখেছেন, ‘‘আরটিআই-এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে ভোটকর্মীদের সম্পর্ক এবং নির্বাচনে তারা কী ভূমিকা পালন করেছিল তা সর্বসমক্ষে আসবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share