Blog

  • Ramakrishna 519: “চীনের পুতুল দোকানে চিঠি হাতে করে যায় শুনেছ! ঈশ্বরই কর্তা! আপনাকে অকর্তা জেনে কর্তার ন্যায় কাজ করো”

    Ramakrishna 519: “চীনের পুতুল দোকানে চিঠি হাতে করে যায় শুনেছ! ঈশ্বরই কর্তা! আপনাকে অকর্তা জেনে কর্তার ন্যায় কাজ করো”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৪ই জুলাই
    বলরামের রথযাত্রা—নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে সংকীর্তনানন্দে

    বেলা ১টা হইয়াছে। ঠাকুর আহারান্তে আবার বৈঠকখানা গরে আসিয়া ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। একটি ভক্ত পূর্ণকে ডাকিয়া আনিয়াছেন। ঠাকুর মহানন্দে মাস্টারকে বলিতেছেন, “এই গো! পূর্ণ এসেছে।” নরেন্দ্র (Ramakrishna), ছোট নরেন, নারাণ, হরিপদ ও অন্যান্য ভক্তেরা কাছে বসিয়া আছেন ও ঠাকুরের সহিত কথা (Kathamrita) কহিতেছেন।

    স্বাধীন ইচ্ছা (ফ্রি উইল) ও ছোট নরেন—নরেন্দ্রের গান

    ছোট নরেন—আচ্ছা, আমাদের স্বাধীন ইচ্ছা (ফ্রি উইল) আছে কি না?

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আমি কে খোঁজ দেখি। আমি খুঁজতে খুঁজতে তিনি বেরিয়ে পড়েন! ‘আমি যন্ত্র তুমি যন্ত্রী’। চীনের পুতুল দোকানে চিঠি হাতে করে যায় শুনেছ! ঈশ্বরই কর্তা! আপনাকে অকর্তা জেনে কর্তার ন্যায় কাজ করো।

    “যতক্ষণ উপাধি, ততক্ষণ অজ্ঞান; আমি পণ্ডিত, আমি জ্ঞানী, আমি ধনী, আমি মানী; আমি কর্তা বাবা গুরু — এ-সব অজ্ঞান থেকে হয়। ‘আমি যন্ত্র, তুমি যন্ত্রী’—এই জ্ঞান। অন্য সব উপাধি চলে গেল। কাঠ পোড়া শেষ হলে আর শব্দ থাকে না—উত্তাপও থাকে না। সব ঠাণ্ডা! — শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ!

    (নরেন্দ্রকে)—“একটু গা না।”

    নরেন্দ্র—ঘরে যাই—অনেক কাজ আছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—তা বাছা, আমাদের কথা শুনবে কেন? ‘যার আছে কানে সোনা, তার কথা আনা আনা। যার আছে পোঁদে ট্যানা তার কথা কেউ শোনে না!’ (সকলের হাস্য)

    তুমি গুহদের বাগান যেতে পারো। প্রায় শুনি, আজ কোথায়, না গুহদের বাগানে! — এ কথা বলতুম না, তুই কেঁড়েলি করলি—”

    নরেন্দ্র কিয়ৎক্ষণ চুপ করিয়া আছেন। বলছেন, “যন্ত্র নাই শুধু গান—”

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আমাদের বাছা যেমন অবস্থা—এইতে পার তো গাও। তাতে বলরামের বন্দোবস্ত!

    “বলরাম বলে (Kathamrita), ‘আপনি নৌকা করে আসবেন, একান্ত না হয় গাড়ি করে আসবেন’,-(সকলের হাস্য) খ্যাঁট দিয়েছে। আজ তাই বৈকালে নাচিয়ে নেবে (হাস্য)। একান থেকে একদিন গাড়ি করে দিছলো—বারো আনা ভাড়া;—আমি বললাম, বার আনায় দক্ষিণেশ্বরে যাবে? তা বলে, ‘ও অমন হয়।’ গাড়ি রাস্তায় যেতে যেতে একধার ভেঙে পড়ে গেল — (সকলের উচ্চ হাস্য)। আবার ঘোড়া মাঝে মাঝে একেবারে থেমে যায়। কোন মতে চলে না; গাড়োয়ান এক-একবার খুব মারে, আর এক-একবার দৌড়ায়! (উচ্চ হাস্য) তারপর রাম খোল বাজাবে—আর আমরা নাচব—রামের তালবোধ নাই। (সকলের হাস্য) বলরামের ভাব, আপনারা গাও, নাচো, আনন্দ করো। (সকলের হাস্য)

  • Gautam Gambhir: গুরু গম্ভীরেই আস্থা বোর্ডের! শুভমনদের আরও একটু সময় দিতে চায় বিসিসিআই

    Gautam Gambhir: গুরু গম্ভীরেই আস্থা বোর্ডের! শুভমনদের আরও একটু সময় দিতে চায় বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের পর ফের ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ইডেনে অল্পের জন্য হার, আর তারপর গুয়াহাটিতে ৪০৮ রানে অসহায় আত্মসর্পণ। তবুও গুরু গম্ভীরেই (Gautam Gambhir) আস্থা রাখছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। গম্ভীরকে কোচ পদ থেকে অপসারণের কোনও ইচ্ছা আপাতত বিসিসিআইয়ের নেই। তারা কোচের বিরুদ্ধে কোনও তাড়াহুড়ো করে পদক্ষেপ নেবে না, এ কথা জানিয়েছেন বোর্ডের এক কর্তা। দ্বিতীয় টেস্ট শেষ হওয়ার পরে, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিসিসিআই-এর উপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার দিয়েছিলেন গম্ভীর। এবার তাঁর ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল বিসিসিআই।

    গম্ভীরকে সময় দিতে আগ্রহী বিসিসিআই

    বোর্ডের এক কর্তা বলেছেন, “এখনই গম্ভীরকে সরিয়ে দেওয়ার কথা আমরা ভাবছি না। ও একটা দল তৈরি করছে। ২০২৭-এর বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পর গম্ভীর এবং নির্বাচকদের সঙ্গে বৈঠক হবে বোর্ডকর্তাদের। সেখানেই গম্ভীরকে জিজ্ঞাসা করা হবে, দলের এই রূপান্তরের সময়টাকে কী ভাবে দেখছে ও।” তিনি বলেছেন, “দুম করে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে নয় বিসিসিআই। দল এখন রূপান্তরের মধ্যে রয়েছে। বিশ্বকাপ সামনেই। তা ছাড়া ওঁর চুক্তি হয়েছে ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তাই এখনই গম্ভীরের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও কারণ নেই। বিসিসিআই নির্বাচক এবং টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করবে।” বুধবার সিরিজ হারের পর নিজের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে গম্ভীর বলেছিলেন, “এটা তো বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। আমি আগেও একটা কথা বলেছি, আজও বলছি। ভারতীয় ক্রিকেট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আমি নই। মনে রাখবেন, আমি সেই একই লোক যে ইংল্যান্ডে ভালো ফল করেছে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং এশিয়া কাপ জিতেছে।”

    গম্ভীর স্ট্র্যাটেজি নিয়ে প্রশ্ন

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পর থেকে গৌতম গম্ভীরকে কোচের পদ থেকে সরানোর দাবি করা হচ্ছে। সমর্থক থেকে শুরু করে প্রাক্তন ক্রিকেটারদের একাংশ গম্ভীরকে সরানোর দাবি করতে শুরু করেছেন। গম্ভীরের জমানায় ভারত সাদা বলের ক্রিকেটে ভালো পারফর্ম করলেও লাল বলের ক্রিকেটে দলের ফর্ম পড়তে শুরু করেছে। গম্ভীর যখন টেস্ট দলকে পেয়েছেন তখন দলে একাধিক পরিবর্তন হয়েছে। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, চেতেশ্বর পূজারার মতো সিনিয়র প্লেয়াররা টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। এই চারটে জায়গা ভরাট করার জন্য গম্ভীর তরুণদের দিকে ঝুঁকছেন। এতগুলো নতুন মুখকে তৈরি করতে যেই সময় দেওয়া দরকার সেটা নেই। অনেকে দাবি করেছেন, গম্ভীর রঞ্জি ট্রফির পারফরম্যান্স দেখে দলে না নিয়ে তিনি আইপিএল-এ পারফরম্যান্স দেখে দলে নিচ্ছেন। এবার গম্ভীরকে কোচের পদ থেকে সরানো নিয়ে মুখ খুলল বিসিসিআই। গম্ভীর জমানায় ভারত টেস্টে এমন কিছু ঘটনার সাক্ষী থেকেছে যা অতীতে ছিল না। ঘরের মাঠে দুটো টেস্ট সিরিজে হার। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে প্রবেশ করতে না পারা। ঘনঘন দলের প্রথম একাদশে বদলের মতো ঘটনা ঘটেছে। যার পর প্রশ্নের মুখে গম্ভীরের স্ট্র্যাটেজি। তবে বিসিসিআই এখনই গম্ভীরকে সরাতে চাইছে না।

  • SLST Tainted Candidates: হাইকোর্টের গুঁতোয় নিয়োগ দুর্নীতি কেসে দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ এসএসসির

    SLST Tainted Candidates: হাইকোর্টের গুঁতোয় নিয়োগ দুর্নীতি কেসে দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ এসএসসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের গুঁতোয় শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দাগিদের নামের তালিকা (SLST Untainted Candidates) প্রকাশ করেছে এসএসসি। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষকদের তালিকায় মোট ১৮০৬ জনের নাম আছে বলে জানা গিয়েছে। এই লিস্ট ২০১৬ সালের নিয়োগ তালিকা বলে জানা গিয়েছে। একই ভাবে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে এবার এসএসসি (SSC) যে নতুন করে পরীক্ষা নিয়েছে তাতে যতজন পরীক্ষা দিয়েছেন, তাঁদের সকলের ওএমআর শিট প্রকাশ করতে হবে।

    নাম, রোল নম্বর, বিষয়, পিতার নাম, জন্মতারিখ লিস্টে (SLST Untainted Candidates)

    দাগিদের প্রকাশিত তালিকায় প্রার্থীদের নামের সঙ্গে রোল নম্বর, বিষয়, অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখও উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আগে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে শুধু দাগিদের অযোগ্য বলে (SLST Untainted Candidates) নাম ও রোলনম্বর দেওয়া হয়েছিল। এবার বৃহস্পতিবার যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাতে আদালতের নির্দেশ মতো নাম, রোল নম্বর, বিষয়, পিতার নাম, জন্মতারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ২০১৬ সাল থেকে কে কে কোন কোন স্কুলে পড়িয়েছেন, সেই বিষয়েও কোনও উল্লেখ করা হয়নি। অযোগ্যরা কোন কোন স্কুলের শিক্ষক ছিলেন, তালিকায় তা কেন নেই, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ওয়াকিবহাল মহল। একই ভাবে বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসিকে নিজেদের ওয়েবসাইটে যারা যারা পরীক্ষায় বসেছে তাদের নামের ওএমআরসিট প্রকাশ করতে হবে। বিচারপতি বিশেষ ডেডলাইন দিয়ে দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    পুরাতন এবং ফ্রেশার্সদের একই সঙ্গে পরীক্ষা কেন?

    গতকাল বুধবার এবং বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট-হাইকোর্ট এসএসসিকে (SSC) মন্তব্য করে জানিয়েছে, নিয়োগের পরীক্ষা নিয়ে এবং পরীক্ষার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। চাকরি প্রার্থীদের মনে সংশয় এই নিয়োগে কি স্বচ্ছতা রয়েছে? ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিলের সময় সাফ বলা হয়েছে দাগিরা যেন কোনও ভাবেই পরীক্ষায় বসতে না পারেন। অথচ পরীক্ষার এসময় এটাও বলা হয়েছিল অযোগ্য নয় এমন প্রার্থীদের পরীক্ষা নিতে হবে। তবে পুরাতন এবং ফ্রেসার্সদের একই সঙ্গে নেওয়া হবে কিনা সেই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। সবটাই একটা গোলমালের বিষয়। তবে চাকরি প্রার্থীদের অধিকাংশের স্পষ্ট মত তৃণমূল সরকার চাকরি দিতে চায় না।

  • Hong Kong Fire: হংকং-এর হাইরাইজ এখন জতুগৃহ, অগ্নিকাণ্ডে মৃত বেড়ে ৪৪, নিখোঁজ অন্তত ৩০০

    Hong Kong Fire: হংকং-এর হাইরাইজ এখন জতুগৃহ, অগ্নিকাণ্ডে মৃত বেড়ে ৪৪, নিখোঁজ অন্তত ৩০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হংকংয়ের (Hong Kong Fire) বহুতল আবাসনে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৪। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ৪৫ জন। বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ২০ ঘণ্টা পার হলেও এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি আগুন। এই ঘটনায় তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে ২০০০ ফ্ল্যাটের ওই আবাসনে আগুন লাগে। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সুউচ্চ আবাসনের ৭টি বহুতল চোখের সামনে আগুনের গ্রাসে চলে যায়। বুধবার রাত পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৬। বৃহস্পতিবার সকাল হতে হতে তা বেড়ে হয় ৪৪। তবে হতাহতের সংখ্য়া অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ৩০০ মানুষের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি এখনও পর্যন্ত।

    নির্মাণকারী সংস্থার চরম গাফিলতি

    হংকংয়ের উত্তরের তাই পো জেলার ওয়াং ফুক কোর্টের ওই বহুতলে বুধবারের ওই ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তের পর ওই আবাসনের নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা সংস্থাকেই দুষল পুলিশ। জানানো হল, সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারী সংস্থার চরম গাফিলতিতেই প্রাণ গিয়েছে এত মানুষের। বুধবার রাতে হংকং পুলিশের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট আইলিন চুং সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘বহুতলের নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা চরম অবহেলা করেছিলেন। তার ফলেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমাদের এমনটা মনে করার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। তাঁদের গাফিলতিতেই আগুন অনিয়ন্ত্রিত ভাবে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে এত বড় ঘটনা ঘটে যায়।’’ ইতিমধ্যে ওই সংস্থার তিন আধিকারিককে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের মধ্যে দু’জন সংস্থার ডিরেক্টর। তৃতীয় জন সংস্থার এক ইঞ্জিনিয়ার। তবে ঠিক কী থেকে ওই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত চলছে।

    আবাসনের অধিকাংশ বাসিন্দাই বয়স্ক

    জানা গিয়েছে, বহুতলটি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছিল। তাই বাঁশের ভারা বাঁধা ছিল ৩২ তলা বিল্ডিংয়ের বাইরে। সেই বাঁশের ভারা থেকেই আগুন আরও বিধ্বংসী আকার ধারণ করে। আবাসনের অধিকাংশ বাসিন্দাই বয়স্ক। বিপদে ছুটে বেরিয়ে আসার ক্ষমতা নেই তাঁদের শরীরে। রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলায় ফ্ল্যাটের জানলা-দরজাও বন্ধ করে রেখেছিলেন বাসিন্দারা। আগুন লেগেছে বলে গোড়ায় বুঝতেই পারেননি অনেকে। ফোন করে জানাতে তবেই বুঝতে পারেন। উদ্ধারকার্য চালাতে গিয়ে আগুনের গ্রাসে এক দমকলকর্মীরও মৃত্যু হয়েছে সেখানে। চিনের কর্তৃত্ব না মানলেও, হংকং চিনের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গণ্য হয়। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও। সবরকম সাহায্য়ের আশ্বাস জুগিয়েছেন সকলকে।

  • US Shooting: হোয়াইট হাউসের কাছেই এলোপাতাড়ি গুলি! অভিযুক্ত আফগান নাগরিক, না ছাড়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    US Shooting: হোয়াইট হাউসের কাছেই এলোপাতাড়ি গুলি! অভিযুক্ত আফগান নাগরিক, না ছাড়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াইট হাউসের অদূরেই চলল এলোপাতাড়ি গুলি (US Shooting)! রীতিমতো গুরুতর জখম হয়েছেন ন্যাশনাল গার্ডের ২ জওয়ান। দারুণ সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, ভারতীয় সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ভোরে ওয়াশিংটনে ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald John Trump)। তিনি রীতিমতো গর্জে উঠেছেন। অপরাধীদের কোনও ভাবেই ছাড়া হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, এই হামলা সম্পূর্ণ ভাবে জঙ্গি হামলা। এই মামলার বিচার ফেডেরাল স্তরেই হবে বলে জানিয়েছেন।

    অত্যন্ত পরিকল্পিত হামলা (US Shooting)

    হামলার পর এক সন্দেভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ (US Shooting) হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওয়াশিংটনের মেয়র মুরিয়েল বাউসার জানিয়েছেন, “এই হামলা অত্যন্ত পরিকল্পিত হামলা। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” একই ভাবে এফবিআইয়ের ডিরেক্টর কাশ পটেল বলেছেন, আহত দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে হাসপাতাল ভর্তি করানো হয়েছে। আহত দুই ব্যক্তি ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য। ওয়েস্ট ভার্জিনিইয়ার গভর্নর প্যাট্রিক মরিস জানিয়েছেন, গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা।

    হামলাকারীর নাম রহমানুল্লা

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভোরে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের দিকে এগিয়ে এসে আচমকা বন্দুক বার করে গুলি (US Shooting) চালাতে শুরু করে এক যুবক। আবার সংবাদসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের একটি প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, যুবককে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি চালানো হয়। প্রাথমিক সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলাকারী ২৯ বছর বয়সি এক আফগান যুবক নাগরিক। নাম রহমানুল্লা লাকানওয়াল। শরণার্থী হিসবে থাকছিলেন অ্যামেরিকায়। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালিবান অভ্যুত্থানের সময় অপারেশন অল ইজ ওয়েলকামের অধীনে সে দেশ থেকে আমেরিকায় চলে এসেছিল। ওয়াশিংটনের বেলিংহামে থাকত। তবে হামলার কারণ কী ছিল তা অবশ্য জানা যায়নি।

    মহিলারক্ষীর বুকে গুলি লাগে

    প্রথমে হামলাকারী নর্থ-ওয়েস্ট ডিসির ফ্যারাগুট ওয়েস্ট মেট্রো স্টেশনের কাছে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষায় ছিল। এরপর দুপুর ২টো ১৫ মিনিটে নাগাদ হামলাকারী গুলি চালিয়েছিল। একজন মহিলারক্ষীর বুকে গুলি লাগে। পরের গুলি মাথকে লক্ষ্য করে চালায়। সেই সময় তৃতীয় আরেকজন রক্ষী ছুটে এসে অভিযুক্তকে কাবু করে। পরপর গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে দেয়। এরপর অভিযুক্তকে গুলি করলে আহত অবস্থায় সে মাটিতে পড়ে যায়। তারপর কার্যত নগ্ন অবস্থায় অ্যাম্বুল্যান্সে তোলা হয়। তবে গুলির আঘাতে অভিযুক্ত বেঁচে আছে না মারা গিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কিন্তু আহত দুই রক্ষীর অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক বলে জানা গিয়েছে।

    ২০২১ সালে এসেছিল রহমানুল্লা

    ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে আমেরিকায় এসেছিল রহমানুল্লা। ওই বছরই আবার ১৫ অগাস্ট আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের দখল নিয়েছিল তালিবানরা। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা ভেবে আফগান নাগরিকদের আমেরিকায় নিয়ে আসতে ‘অপারেশন অল ইজ ওয়েলকাম’ করেছিল জো বাইডেনের সরকার। ওই অভিযানেই বিমানে চাপিয়ে আফগানিস্তান থেকে প্রায় ২০ হাজার আফগান নাগরিককে মার্কিন কূটনীতিকদের আমেরিকায় ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। সেই সময়ই রহমানুল্লা আমেরিকায় এসেছিল। তার পর থেকে তিনি ওয়াশিংটনের বেলিংহামেই থাকত বলে জানা গিয়েছে।

    ট্রাম্পের কড়া বার্তা

    সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald John Trump)। তিনি বলেন, “যে পশু ন্যাশনাল গার্ড কর্মীদের গুলি (US Shooting) করেছে, তাকে চরম মূল্য দিতে হবে। ঈশ্বর ন্যাশনাল গার্ড-সহ আমাদের সব সামরিক ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কর্মীর মঙ্গল করুন। তাঁরা সত্যিই মহান মানুষ। আমি, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে আপনাদের পাশে আছি।”

    প্রশাসনের তরফে গোটা এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ৫০০ ন্যাশনাল গার্ডকে মোতায়েন করা হয়েছে। ট্রাম্প নিজে ওয়াশিংটনে নেই। থ্যাঙ্কস গিভিং উদযাপনে গিয়েছেন ফ্লোরিডায়। প্রেসিডেন্টকে ঘটনার কথা বিশদে জানানো হয়েছে। গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে হোয়াইট হাউস। উল্লেখ্য বিশ্বের শক্তিশালী দেশ হিসেবে আমেরিকায় এই হামলার ঘটনা নতুন নয়। আগেও বেশ কয়েকবার বন্দুকবাজ হামলার ঘটনায় গোটা বিশ্বে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল। এতো শক্তিধর রাষ্ট্রও যে জঙ্গি হামলা থেকে মুক্ত নয় সে কথা আরও একবার প্রমাণিত হয়।

  • India on Sheikh Hasina: “আইন অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হচ্ছে”, হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে প্রথমবার প্রতিক্রিয়া ভারতের

    India on Sheikh Hasina: “আইন অনুযায়ী খতিয়ে দেখা হচ্ছে”, হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে প্রথমবার প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (India on Sheikh Hasina) নিয়ে বাংলাদেশের করা অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার বিদেশ-মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যার মধ্যে রয়েছে শান্তি,গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা এবং অন্তর্ভুক্তি। বুধবার ভারত নিশ্চিত করেছে, যে ঢাকা থেকে পাঠানো শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক অনুরোধ তারা পেয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আবেদন জানিয়ে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নতুন করে কূটনৈতিক বার্তা পাঠায় ভারতকে। সেই বার্তার পর এই প্রথম সরকারি ভাবে প্রতিক্রিয়া দিল নয়াদিল্লি।

    হাসিনাকে ফেরত চেয়ে চিঠি

    ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (India on Sheikh Hasina) বাংলাদেশে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছিল সে দেশের বিদেশ মন্ত্রক। সংশ্লিষ্ট চিঠিতে লেখা হয়েছিল, ভারতীয় হাইকমিশনার যেন দিল্লির বিদেশমন্ত্রকে চিঠিটি যথাসম্ভব পৌঁছে দেন। রবিবার সেই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর এবার এই নিয়ে প্রথম মুখ খুলল ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, “হ্যাঁ আমাদের কাছে একটি অনুরোধ এসেছে। আর এই অনুরোধটি বিচারবিভাগীয় এবং আভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুরোটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও অর্থাৎ ২০২৪-এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতকে বার্তা দিয়েছিল। সে দেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরপরই ভারতে কূটনৈতিক বার্তা দেয় পড়শি বাংলাদেশ।

    হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড!

    সম্প্রতি, শেখ হাসিনা (India on Sheikh Hasina) ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশকর্তা আসাদুজ্জামান খানকে ফাঁসির সাজা শোনানো হয়। অন্য়দিকে পুলিশকর্তা রাজসাক্ষী হওয়ায় তাঁকে ৫ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে বাংলাদেশের ট্রাইবুনাল। তবে, হাসিনা ও আসাদ্দুজামান বর্তমানে বাংলাদেশে নেই। হাসিনা রয়েছেন ভারতে। সেই কারণে হাসিনার জন্য চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। বস্তুত, ঢাকায় গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। দেশ ছেড়ে ভারতে এসে আশ্রয় নেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তারপর থেকে এখানেই রয়েছেন তিনি। ৭৮ বছর বয়সি শেখ হাসিনাকে গত সপ্তাহে ঢাকার একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়। অভিযোগ—গত বছর ছাত্র আন্দোলনের সময় তাঁর সরকারের কঠোর দমনপীড়ন “মানবতাবিরোধী অপরাধ”-এর পর্যায়ে পড়ে।

    চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার ভারতের

    জয়সওয়াল আরও বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, গণতন্ত্র, অন্তর্ভুক্তি এবং স্থিতিশীলতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভারত গঠনমূলকভাবে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।” বাংলাদেশের তরফে দাবি করা হয়েছে, আগের অনুরোধে ভারত “কোনও জবাব দেয়নি”, তবে বর্তমানে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়ে শেখ হাসিনার (India on Sheikh Hasina) বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষিত হওয়ায় পরিস্থিতি “ভিন্ন”, এবং এবার নয়াদিল্লির কাছ থেকে উত্তর প্রত্যাশিত। গত সপ্তাহে বিচারিক ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পর নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকারকে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠায়। নয়াদিল্লি সেই বার্তার প্রাপ্তিস্বীকার করলেও তার ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা প্রকাশ করেনি।

  • Suvendu Adhikari: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব”, মমতার ‘ভারত হেলিয়ে দেব’ মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব”, মমতার ‘ভারত হেলিয়ে দেব’ মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধীদল নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হলদিয়ায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করে মমতার “ভারত হেলিয়ে দেব” মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন শুভেন্দু। রাজ্যের নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে তৃণমূলকে নিশানা করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতাকে সরিয়ে বিজেপির সরকার গড়ার ডাকও দেন।

    মৃত মানুষের চোখও তুলে বিক্রি (Suvendu Adhikari)

    বনগাঁতে এসআইআর (SIR) বিরোধিতার কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “আমাকে আঘাত করলে আমি সারা ভারত হেলিয়ে দেব। এটা মাথায় রেখো।” এরপর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “আপনি ভারত হেলাবেন বলেছেন, আপনাকে পশ্চিমবঙ্গের লোক এপ্রিল মাসে এমন হেলাবে, এমন হেলাবে যে আপনার ভাইপো যাবে জেলে। আর আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব। আমাদের নাম মেদিনীপুর। আপনি কাল বারাসাতে কী দেখলেন? তৃণমূল মৃত মানুষের চোখও তুলে বিক্রি করে দেয়। ভাবতে পারেন, কোন রাজ্যে বসবাস করছেন আপনারা? আমরা পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল নেতাকে ব্যালট খেতে দেখেছি। এই সর্বভুক তৃণমূল সব খেয়ে হজম করে দিচ্ছে। তাই, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এই চোরদের আমাদের হারাতে হবে। আমাদের সংকল্প, প্রতি হাতে কাজ। প্রতি পেটে ভাত, প্রতি মাথায় ছাদ। আমাদের সংকল্প, সোনার বাংলা। আমাদের সংকল্প কী ? টাটাকে ফেরাব বাংলায়। আমাদের সংকল্প কী? শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি আবার নতুন করে সেজে উঠুক। আমাদের সংকল্প, নারীর সুরক্ষা। আমাদের সংকল্প, কন্যা সুরক্ষা।”

    অবৈধ ভোটারদের দ্রুত তালিকা থেকে বাদ যাবে

    উল্লেখ্য, এসআইআর প্রসঙ্গে রাজ্যরাজনীতি উত্তাল! তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই নিবিড় তালিকা সংশোধনের বিষয়ে অপপ্রচার করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। মতুয়া ভোটকে নিজের ঘরে টানতে মমতাবালা ঠাকুর অনশনে বসেছিলেন। একটাই দাবি ছিল তাঁর এসআইআর (SIR) হলে মতুয়াদের নাম বাদ দেবে নির্বাচন কমিশন। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন বার বার বলছে একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবেনা। একই ভাবে কমিশন এটাও জানিয়েছে অবৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে না। আর তাই অবৈধ ভোটারদের দ্রুত তালিকা থেকে বাদ দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের যাতে ভারতের বাইরে পাঠানো হয় সেই কথা বলেই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

  • India slams Pakistan: “জ্ঞান দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই”, রাম মন্দির ইস্যুতে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    India slams Pakistan: “জ্ঞান দেওয়ার নৈতিক অধিকার নেই”, রাম মন্দির ইস্যুতে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় ধর্মধ্বজ প্রতিস্থাপনের পর থেকেই তেলেবেগুনে জ্বলছে পাকিস্তান। এতটাই যে, প্রতিবেশি দেশ রাম মন্দির নিয়ে কটাক্ষ করে বিবৃতি দিয়েছে। এর উত্তরে পাল্টা বিবৃতি দিয়ে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের বিষয়ে নাক না গলিয়ে, নিজেদের ‘মানবাধিকার সংক্রান্ত ভয়াবহ রেকর্ড’-এর দিকে নজর দিক পাকিস্তান।

    বিবৃতি জারি পাক বিদেশমন্ত্রকের

    মঙ্গলবার, রাম মন্দিরের চূড়ায় ধর্মধ্বজ উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই অনুষ্ঠানটি ছিল রাম মন্দির নির্মাণের সমাপ্তি উপলক্ষে। ওই অনুষ্ঠানের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি রাজধর্মের উল্লেখ করে বলেন ভগবান রাম কোনও ভেদাভেদ করতেন না। সেই ভাবনা নিয়েই চলছে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার, রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে কটাক্ষ করে পাকিস্তান। এক বিবৃতি জারি করে পাক বিদেশমন্ত্রক এই ঘটনাকে ‘ইসলামফোবিয়া’ এবং ‘ঐতিহ্যের অপবিত্রতা’ বলে আক্রমণ করে। সেখানে বলা হয়, “আমরা রাম মন্দিরের উদ্বোধনের নিন্দা জানাই। বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলার পর এই মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। ভারতে ক্রমবর্ধমান হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শ ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং আঞ্চলিক শান্তির জন্য একটি বড় হুমকি। এর মাধ্যমে ভারত মুসলমানদের প্রান্তিক করার চেষ্টা করছে।” এই বিষয়ে তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চ ও রাষ্ট্রসংঘের কাছেও আর্জি রাখে।

    ‘অহেতুক জ্ঞান দেবেন না’, পাল্টা ভারত

    কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় ভারত। পাকিস্তানকে তুলোধনা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক পাল্টা বিবৃতির মাধ্যমে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার সহ নানান বিষয় নিয়ে পাল্টা ইসলামাবাদের দিকে তোপ দাগে দিল্লি। শেহবাজ শরিফের দেশকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সাফ বার্তা, ‘অহেতুক জ্ঞান দেবেন না।’ বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল পাকিস্তানের বক্তব্যকে খণ্ডন করে বলেন, “আমরা পাকিস্তানের করা মন্তব্যগুলি দেখেছি এবং তাদের প্রাপ্য অবজ্ঞা সহ প্রত্যাখ্যান করছি। সংখ্যালঘুদের উপর ধর্মান্ধতা, নিপীড়ন এবং পদ্ধতিগত দুর্ব্যবহারের গভীর কলঙ্কিত রেকর্ড সহ একটি দেশ হিসেবে, পাকিস্তানের অন্যদের জ্ঞান দেওয়ার কোনও নৈতিক অধিকার নেই।” পাকিস্তানকে পাল্টা সতর্ক করে দিল্লির সাফ কথা, “‘ভণ্ডামিতে ভরা ধর্মোপদেশ’ দেওয়ার পরিবর্তে পাকিস্তানের উচিত নিজেদের মানবাধিকার সংক্রান্ত ভয়াবহ রেকর্ডের দিকে মনোনিবেশ করা।”

  • Commonwealth Games: অলিম্পিক্সের দিকে একধাপ! শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস আমেদাবাদেই, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    Commonwealth Games: অলিম্পিক্সের দিকে একধাপ! শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস আমেদাবাদেই, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে ভারতেই বসছে ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস। আমেদাবাদকে আয়োজক শহর হিসেবে ঘোষণা করেছে কমনওয়েলথ কমিটি। শেষ ২০১০ সালে দিল্লিতে হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। ২০ বছর পর আবার ভারতের মাটিতে ফিরছে কমনওয়েলথ গেমস। কমনওয়েলথের আসরকে অনেকেই অলিম্পিক্সের ওয়ার্মআপ ম্যাচ হিসেবে দেখছে। ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স আয়োজন করতে চায় ভারত। তার আগে মাল্টি-গেমের আন্তর্জাতিক আসর বসিয়ে প্রস্তুতি সারতে চাইছে ভারত।

    সরকারিভাবে স্বীকৃতি

    ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ আয়োজনে ভারতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল নাইজেরিয়া। আবুজা শহরে এই গেমস করতে চেয়েছিল তারা। কিন্তু ৭৪ সদস্য দেশ শেষ পর্যন্ত ভারতকেই বেছে নিল। কমনওয়েলথ কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০৩৪ সালের প্রতিযোগিতা নাইজেরিয়ায় দেওয়া হতে পারে। তার আগে আমেদাবাদের উপর ভরসা রেখেছে কমিটি। তবে এই নাম ঘোষণা ছিল সময়ের অপেক্ষা। প্রথমে ‘কমনওয়েলথ স্পোর্টস এভালুয়েশন কমিটি’ আমেদাবাদের নামের প্রস্তাব দিয়েছিল। তার পর গত মাসে ‘কমনওয়েলথ স্পোর্টস এগজিকিউটিভ বোর্ড’ আয়োজক হিসাবে ভারতের এই শহরের নাম প্রস্তাব করে। বুধবার গ্লাসগোতে বার্ষিক সাধারণ সভায় তাতে সিলমোহর পড়ে।

    প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হবে ভারতের আমেদাবাদে। দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি সোশ্যাল সাইটে লেখেন, “২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের জন্য ভারত জয়লাভ করায় আমি আনন্দিত! ভারতের জনগণ এবং ক্রীড়া প্রেমীদের অভিনন্দন। আমাদের সম্মিলিত প্রতিশ্রুতি এবং ক্রীড়া মনোভাবের কারণেই ভারত বিশ্ব ক্রীড়া মানচিত্রে দৃঢ়ভাবে স্থান পেয়েছে। বসুধৈব কুটুম্বকমের নীতিমালা অনুসরণ করে, আমরা এই ঐতিহাসিক গেমগুলি অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করতে আগ্রহী। আমরা বিশ্বকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “আমেদাবাদে ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের জন্য ভারত এই মর্যাদাপূর্ণ বিড জেতায় প্রত্যেক নাগরিককে অভিনন্দন জানাই। ভারতকে বিশ্ব ক্রীড়া কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গির এটি একটি প্রমাণ। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে মোদি সরকার বিশ্বমানের ক্রীড়া পরিকাঠামো তৈরি করেছে এবং কার্যকর প্রশাসন ও নিবিড় দলগত কাজের মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাকে তুলে ধরেছে।”

    শতবর্ষে কমনওয়েলথ

    ভারতের পক্ষে গ্লাসগোতে হাজির ছিলেন ভারতীয় অলিম্পিক্স কমিটির প্রেসিডেন্ট পিটি উষা, কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সচিব কুণাল কে, আইওএ সিইও রঘুরাম আইয়ার, গুজরাটের ক্রীড়ামন্ত্রী হর্ষ সাংভি। ভারতের অলিম্পিক্স সংস্থার সভাপতি পিটি ঊষার হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। পিটি উষা বলেছেন, “‘কমনওয়েলথ সংস্থা আমাদের উপর আস্থা রেখেছে, এটা সম্মানের। ২০৩০ সালের ১০০ বছর পূর্তি হবে গেমসের। সেটা যেমন উদযাপন করা লক্ষ্য, তেমনই ভবিষ্যতের দিকে গেমসকে এগিয়ে দেওয়া লক্ষ্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, ২০২৬ সালের সিডব্লিউজি, যা হবে গ্লাসগোতে, সেখানে মাত্র ১০টা খেলা আয়োজন করা হবে। কিন্তু ভারতে সেটাই বেড়ে দাঁড়াবে অন্তত ১৫-১৭টা খেলা।” কমনওয়েলথ স্পোর্টের সভাপতি ডোনাল্ড রুকারে জানিয়েছেন, তাঁরা আশাবাদী, ২০৩০ সালে আমেদাবাদ খুব ভাল ভাবে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। তিনি বলেন, “ভারতে খেলার সঙ্গে সংস্কৃতির যোগ রয়েছে। ২০৩০ সালে কমনওয়েলথের ১০০ বছর। আমরা আশাবাদী, ভারতের মাটিতে তাদের উন্নত ও বৈচিত্রমূলক সংস্কৃতির পরিচয় আমরা দেখতে পাব। খুব ভাল একটা প্রতিযোগিতার অপেক্ষায় রইলাম।”

    মোদি সরকারের প্রয়াস

    শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হবে ভারতের আমেদাবাদে। কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতীয় খেলার দুনিয়ায় অনেক বদল এনেছে বিজেপি সরকার। বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে অলিম্পিক্স খেলাগুলোয়। গত কয়েক বছর ধরেই অলিম্পিক গেমস আয়োজনের স্বপ্ন দেখছে ভারত। সেই পথেই একধাপ এগিয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে। অলিম্পিকের দিকে তাকিয়ে আমেদাবাদে তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের পরিকাঠামো। সবরমতি নদীর তীরে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বিশাল স্টেডিয়াম। কমনওয়েলথ গেমসের আগেই তা পুরোপুরি তৈরি হয়ে যাবে। অলিম্পিক্সের জন্য পরীক্ষানিরীক্ষাও সেরে নিতে পারবে ভারত। আর তাই কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক হতে মরিয়া হয়েছিল ভারত।

    দেশে খুশির জোয়ার

    ভারত সরকারিভাবে কমনওয়েলথ গেমস ২০৩০ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছ, এই ঘোষণার পরেই স্কটল্যান্ডের জেনারেল অ্যাসাম্বলিতে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা যায়। ২০ জন গরবা নৃত্যশিল্পী এবং ৩০ জন ঢোল বাদক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অ্যাসাম্বলি হল আলোকিত হয়। ‘নিউ এজ গেমস ফর এ নিউ সেঞ্চুরি’ অর্থাৎ নতুন শতকের জন্য নতুন আঙ্গিকের গেমস, এই স্লোগানকে সামনে রেখে আমেদাবাদকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে, তা সকলকে মুগ্ধ করেছে। বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হিসেবে ভারত এই ক্রীড়াযজ্ঞে নতুন প্রাণশক্তি সঞ্চারিত করেছে, তাকে স্বাগত জানানো হয়েছে। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আমেদাবেদে আয়োজনের ফলে বিরাট সংখ্যক অ্যাথলিট, কোচ, কর্মকর্তা, সমর্থক, মিডিয়া কর্মীরা ভারতে আসবেন। এতে দেশের পর্যটন, হসপিটালিটি, বাজার, পরিবহণ খাতে অর্থনৈতিক গতি বৃদ্ধি পাবে। কমনওয়েলথ গেমস কেবল ক্রীড়া উৎসবই নয়, এতে ক্রীড়া বিজ্ঞান, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্রডকাস্টিং, আইটি এবং জনসংযোগ-সহ বহু খাতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • SIR in Bengal: রাজ্যে এখনও ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম ম্যাপিং-এ মেলেনি! কী হবে এদের, কী বলছে কমিশন?

    SIR in Bengal: রাজ্যে এখনও ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম ম্যাপিং-এ মেলেনি! কী হবে এদের, কী বলছে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে। এখন হিসেব-নিকেশের পালা। ফর্ম বিলি করার পর সংগ্রহ করার কাজও প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৬ কোটি ভোটারের ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষ হওয়ার পথে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর ১৪ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। আর এবার সামনে এল আরও একটি হিসেব। কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৬ লক্ষ ভোটারের ম্যাপিং হয়নি। চলতি এসআইআর প্রক্রিয়ায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত রাজ্যে ৬ কোটির বেশি এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজেশন হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে সেগুলি ম্যাপিংয়ের আওতায় আনা হয়। তাতে দেখা যায় আপাতত রাজ্যের ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম শেষ এসআইআরের সঙ্গে ম্যাপিং করানো যাচ্ছে না।

    ম্যাপিং কী, কীভাবে হয়

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) নিয়ম হল, ২০০২-এর সমীক্ষার লিস্টের সঙ্গে নাম মেলাতে হবে। যদি কোনও ভোটার ২০০২-এর পরে ভোটার হয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে ওই সমীক্ষার লিস্টে থাকা বাবা-মা বা দাদু-দিদার নাম মেলাতে হবে। এটাই হল ম্যাপিং। সেই ম্যাপিং-এ ২৬ লক্ষ নাম মেলেনি বলেই জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ ৫ শতাংশের নাম মেলেনি। এ বছর প্রকাশিত সর্বশেষ ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০০২ সালে শেষ এসআইআর-তালিকা ইতিমধ্যেই মিলিয়ে দেখা হয়েছে। দুই তালিকায় কত জনের নাম অভিন্ন, দেখা হয় তা। সঙ্গে দেখা হয়, এখনকার ভোটার তালিকায় থাকা কোনও ভোটারের মা-বাবার নাম গত এসআইআরের তালিকায় রয়েছে কি না। এই মিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টরা চিহ্নিত হয়ে যান এমনিতেই। এবার ম্যাপিংয়ে অন্য রাজ্যকেও জুড়ে দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতর সূত্রে এ কথা জানা গিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, ২০০২ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজ্য ধরে ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে দেশে এসআইআর হয়েছিল। তখনকার তালিকায় কোনও ভোটার বা তাঁর পরিবারের নাম থাকলেও, পরে তাঁরা বাংলায় চলে আসেন। ফলে সেই সব ভোটারকেও ম্যাপিংয়ে আনা প্রয়োজন। কারণ, তাঁরাও দেশের নাগরিক। তাই বাংলার সঙ্গে অন্য রাজ্যের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখা হয়েছে। সেখানেই এই ২৬ লক্ষের নাম উঠে এসেছে। তবে সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। এখনও অনেক ডিজিটাইজেশনের কাজ বাকি। তাই সংখ্যাটা যে বাড়বে তা স্বাভাবিক।

    শুনানিতে ডাকা হবে ভোটারকে

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, নাম মিলছে না মানেই চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাবে এমনটা নয়। ২০০২-এর সঙ্গে ম্যাপিং না হলে শুনানিতে ডাকা হবে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে। তাঁকে প্রমাণপত্র বা যোগ্য ভোটার হওয়ার জন্য নথিপত্র জমা করতে হবে। তাতে যদি কমিশন সন্তুষ্ট হয়, তাহলে নতুন এসআইআর তালিকায় জায়গা পাবে ওই ভোটারের নাম, নাহলে নাম বাদ যাবে। কমিশনের বক্তব্য, যাঁদের তথ্য মিলেছে, তাঁদের আলাদা করে কোনও নথিপত্র বা প্রমাণ দাখিল করতে হবে না। কমিশনের দেওয়া আবেদনপত্র (এনুমারেশন ফর্ম) ভর্তি করলেই চলবে। যাঁদের নামের মিল বা সূত্র পাওয়া যাবে না, তাঁদের ক্ষেত্রে নথিপত্র-যাচাই করা হবে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজারেরও বেশি। তার মধ্যে বুধবার পর্যন্ত বিলি হয়েছে ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ৬৮ হাজারেরও বেশি ফর্ম। অর্থাৎ, প্রায় ৯৯.৮ শতাংশ। ডিজিটাইজেশন হয়েছে ৬ কোটি ১ লক্ষ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৭৮ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম।

LinkedIn
Share