Tag: বাংলা খবর

  • Supreme Court: ‘‘ভারত কোনও ধর্মশালা নয়’’, শ্রীলঙ্কার নাগরিকের এদেশে থাকার আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ‘‘ভারত কোনও ধর্মশালা নয়’’, শ্রীলঙ্কার নাগরিকের এদেশে থাকার আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার (Sri Lankan National) এক নাগরিক ভারতে আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। সোমবার তা খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে যে, ভারত কোনও ধর্মশালা নয়। এদিন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই এমন মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, আবেদনকারীকে শ্রীলঙ্কায় সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম (এলপ্রটিটিই)-এর সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে ২০১৫ সালে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    ২০১৮ সালে দোষী সাব্যস্ত হয় ওই ব্যক্তি (Supreme Court)

    ২০১৮ সালেই, ট্রায়াল কোর্ট অভিযুক্ত এই শ্রীলঙ্কার নাগরিককে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে। এরপর তার ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। ২০২২ সালে, মাদ্রাজ হাইকোর্ট তাঁর সাজা কমিয়ে সাত বছর করে। এর পাশাপাশি নির্দেশে উল্লেখ ছিল যে, সাজা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দোষীকে ভারত ছেড়ে চলে যেতে হবে। তবে ওই দোষী দিন কয়েক একটি শরণার্থী শিবিরে থাকার সুযোগ পাবেন।

    কী বললেন বিচারপতি?

    আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) জানিয়েছিলেন যে- নিজের দেশে তাঁর জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকায় তিনি ভিসা নিয়েই ভারতে এসেছিলেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা ভারতেই রয়েছেন। তিনি প্রায় তিন বছর ধরে এখানে আটক রয়েছেন বলেও জানান ওই শ্রীলঙ্কার নাগরিক। এরপরেই তিনি ভারতে থাকার আবেদন জানান। জবাবে, বিচারপতি দত্ত বলেন, ‘‘ভারত কি সারা বিশ্ব থেকে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় দেবে? এ দেশে এমনিতেই ১৪০ কোটি মানুষের বসবাস। এটি কোনও ধর্মশালা নয় যেখানে আমরা সারা বিশ্বের বিদেশি নাগরিকদের আতিথেয়তা দিতে পারি।’’ এক্ষেত্রে আবেদনকারীর আইনজীবী সংবিধানের ২১ (জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা) এবং অনুচ্ছেদ ১৯ ধারা উল্লেখ করেন। এই ধারা গুলির মাধ্যমে যেকোনও ভারতীয় বাকস্বাধীনতা এবং চলাফেরার স্বাধীনতা-সহ মৌলিক অধিকার ভোগ করেন। এক্ষেত্রে বিচারপতি দত্ত বলেন, ‘‘আবেদনকারীর আটক ২১ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে না কারণ তাঁকে আইন অনুসারে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।’’

  • China: অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে স্যাটেলাইট তথ্য দিয়ে সাহায্য করে চিন, বলছে রিপোর্ট

    China: অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে স্যাটেলাইট তথ্য দিয়ে সাহায্য করে চিন, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে চিন (China) সরাসরি পাকিস্তানকে সাহায্য করেছে। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত-পাক যুদ্ধে পাকিস্তানকে কৃত্রিম উপগ্রহের নজরদারির মারফত সহায়তা প্রদান করেছে বেজিং। রেডার পুনঃস্থাপনের ক্ষেত্রেও ইসলামাবাদকে বেজিং সাহায্য করেছে বলে অভিযোগ।

    রাজস্থানের আন্তর্জাতিক সীমান্তের উপর বেজিঙের উপগ্রহকে পাক খেতে দেখা গিয়েছে

    ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সীমান্তে ভারতীয় সেনার (India Pakistan War) গতিবিধির ওপর নজর রাখতে একাধিক ‘গুপ্তচর’ উপগ্রহকে কাজে লাগায় চিন (China)। এভাবেই তারা সেই তথ্য পাঠিয়ে দিতে থাকে রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদর দফতরে। তবে চিনের এত সাহায্য়ের পরেও শেষ রক্ষা হয়নি। সাফল্যের সঙ্গে প্রত্যাঘাত চালায় দিল্লি। এদিকে একাধিক পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভারতীয় সেনার গতিবিধির ওপর নজরদারি শুরু করে চিনা উপগ্রহ। কীভাবে সামনে এল বিষয়টি? প্রথম বার এটি নজরে আসে ওপেন-সোর্স ইনটেলিজেন্স বা ও এসআইএনটির গোয়েন্দাদের। তাঁরাই জানিয়েছেন, অপারেশন সিঁদুরের আবহে বহু বার রাজস্থানের আন্তর্জাতিক সীমান্তের উপর বেজিঙের উপগ্রহকে পাক খেতে দেখা গিয়েছে।

    ভারতের ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ দূর্দান্ত কাজ করায় ব্যর্থ হয় পাকিস্তান

    আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, পাকিস্তানের ফৌজ যখন (India Pakistan War) রাজস্থানে ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছিল, তখনই ওই এলাকার ওপর নজরদারি চালায় চিনের উপগ্রহ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেজিঙের সাহায্য নিয়ে ওই হামলা পরিচালনা করছিলেন রাওয়ালপিন্ডির পাক সেনা অফিসাররা। তবে ভারতের ‘আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) দুর্দান্তভাবে কাজ করায় সেগুলি শূন্যেই ধ্বংস হয়ে যায়।

    ইসলামাবাদকে সুবিধা করে দিতেই মাঠে নামে চিন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে চিনের ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ বা পিএলএর কাছে রয়েছে নজরদারি এবং অনুসন্ধানমূলক কাজ ভালো ভাবে করতে সক্ষম একগুচ্ছ কৃত্রিম উপগ্রহ। সূত্রের খবর মিলেছে, ভারত-পাক যুদ্ধে ইসলামাবাদকে সুবিধা করে দিতেই সেগুলির বড় অংশকে কাজে লাগায় চিন। এক কথায় ভারতের বিরুদ্ধে ছায়া যুদ্ধ চালায় বেজিং। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতীয় সেনা বাহিনীর যুদ্ধকৌশল, এয়ার ডিফেন্স সার্ভিস ব্যবহারের পদ্ধতি ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহই ছিল চিনা উপগ্রহগুলির মূল উদ্দেশ্য।

    নিজেদের উপগ্রহগুলিকে আরও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানকে দিয়েছে চিন

    পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমগুলি তাদের প্রতিবেদনে আরও দাবি করেছে, ‘পাকিস্তান রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট-১’ (পিআরএসএস-১) এবং পাকস্যাট-এমএম১ নামের আরও দুটি কৃত্রিম উপগ্রহের সাহায্য় পাচ্ছিল পাকিস্তান। এগুলির নিয়ন্ত্রণও রয়েছে চিনের হাতেই। সূত্রের খবর, ভারতের উন্নত এয়ার ডিফেন্সকে ধ্বংস করতে ভবিষ্যতে এই ধরনের উপগ্রহগুলিকে আরও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানকে দিয়েছে চিন।

    পাকিস্তানকে উপগ্রহভিত্তিক যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে চিন

    আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য এই যে পশ্চিম সীমান্তে ভারতকে ব্যস্ত রাখতে ইতিমধ্যেই পাক ফৌজকে উপগ্রহভিত্তিক যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে চিন। সূত্রের খবর, পহেলগাঁওয়ের হামলার সময় নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলতে ভারতে নিষিদ্ধ চিনা অ্যাপগুলি ব্যবহার করেছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। ২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় চিনের সঙ্গে সংঘাতের সময় সংশ্লিষ্ট অ্যাপগুলিকে নিষিদ্ধ করে নয়াদিল্লি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই অ্যাপগুলিতে তথ্য গোপনের পন্থা (এনক্রিপশন) অনেক বেশি শক্তিশালী এবং আধুনিক। এগুলিকে হ্যাক করা খুবই কঠিন।

    কেন পাকিস্তানকে সাহায্য করছে চিন

    পাকিস্তানকে সাহায্য করার পিছনে জড়িয়ে রয়েছে চিনের নিজস্ব স্বার্থ। বেজিং আশঙ্কা করছে, অরুণাচল প্রদেশ বা লাদাখের সীমান্ত সংঘাতকে কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে তাদেরকেও। তাই পাকিস্তানের সঙ্গে এই ‘যুদ্ধে’ ব্যবহার হওয়া নয়াদিল্লি আক্রমণ পদ্ধতি বুঝে নিতেই নিজেদের ‘গুপ্তচর’ উপগ্রহগুলিকে কাজে লাগায় তারা। একইসঙ্গে এই যুদ্ধে ইসলামাবাদকে বিক্রি করা অস্ত্রগুলির শক্তি পরীক্ষার ওপরেও নজর রেখেছিল বেজিং (China)। তবে সেখানে অবশ্য় একেবারে ফেল করেছে চিন। চিনা হাতিয়ার ‘ডাহা ফেল’ করায় পাকিস্তানের সামনেও মুখ পুড়েছে চিনের।

    চিনের বিক্রি করা অস্ত্রের ৬০ শতাংশই পাকিস্তান কিনেছে

    চিনের বিক্রি করা অস্ত্রের ৬০ শতাংশই পাকিস্তান কিনেছে বলে জানা গিয়েছে। সংঘাত চলাকালীন ড্রোন হামলা চালিয়ে পাক পাঞ্জাব প্রদেশের লাহোরের ‘এয়ার ডিফেন্স’কে উড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। এখানেই মোতায়েন ছিল চিনের তৈরি ‘এইচকিউ-৯পি’ নামের একটি এয়ার ডিফেন্স। এ ছাড়াও চিনের জেএফ-১৭ নামের দু’টি লড়াকু জেটকে ধ্বংস করে নয়াদিল্লি।

    চিনের সংবাদমাধ্যমে ভুয়ো খবর ছাপা হয় রাফাল নিয়ে

    ভারতীয় বিমানবাহিনীর রাফাল লড়াকু জেটকে ইসলামাবাদ ধ্বংস করেছে বলে খবর প্রকাশ করে চিন (China)। সেদেশের সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল টাইমস’- এ প্রকাশিত হয় এই খবর। এর পরেই ‘গ্লোবাল টাইমস’কে সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য ‘ফ্যাক্ট চেক’ পাঠায় কেন্দ্রীয় সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি। তখন বাধ্য হয়ে ভুল খবর প্রকাশ করার কথা স্বীকার করে নেয় চিনের এই সরকারি সংবাদমাধ্যম। এই আবহে রাফালকে ধ্বংস করতে বেজিঙের জে-১০সি লড়াকু জেট ব্যবহার হয়েছে বলে দাবি করেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাঁর বক্তব্য খারিজ করে দেয় চিন।

  • ISI: গোপন তথ্য দিতেন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে! এ বার গ্রেফতার উত্তরপ্রদেশের শাহজাদ

    ISI: গোপন তথ্য দিতেন পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইকে! এ বার গ্রেফতার উত্তরপ্রদেশের শাহজাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ফের গ্রেফতার করা হল একজনকে। শনিবারই উত্তরপ্রদেশের রামপুর জেলা থেকে সন্ত্রাসদমন শাখা (এটিএস) গ্রেফতার করে শাহজাদ নামের একজনকে। তাঁকে আপাতত নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, একাধিকবার পাকিস্তানেও গিয়েছেন শাহজাদ। সেখানে আইএসআই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও হত তাঁর। সন্ত্রাস দমন শাখার আরও চাঞ্চল্যকর দাবি, শাহজাদ রামপুর ও উত্তর প্রদেশের অন্যান্য অংশ থেকে সাধারণ মানুষদের পাকিস্তানে পাঠাত আইএসআই-র হয়ে কাজ করার জন্য।

    শাহজাদের ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ

    জানা গিয়েছে, শাহজাদ পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর (ISI) হাতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা গোপন তথ্য তুলে দিতেন। আইএসআই-এর শীর্ষকর্তাদের একাংশের সঙ্গেও তাঁর সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে বিগত কয়েক দিন ধরেই শাহজাদ নামের ওই যুবকের উপর নজরদারি চালাচ্ছিল পুলিশ। শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ১৪৮ ও ১৫২ ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    শাহজাদ একাধিক বার পাকিস্তানে গিয়েছিলেন

    আরও জানা যাচ্ছে, শাহজাদ একাধিক বার পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। সেখানেই আইএসআই-এর (ISI) মদতে তিনি সীমান্ত পেরিয়ে নানা জিনিস চোরাচালান করতেন বলে জানা যাচ্ছে। চোরাচালানের কারবারের আড়ালেই এই চরবৃত্তি চলত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তরকারীরা। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানে আইএসআই-এর (ISI) লোকজনকে ভারতের সিমকার্ড দেওয়া, এদেশে আইএসআই এজেন্টদের থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    জ্যোতির পরে হরিয়ানায় গ্রেফতার নোমান ইলাহী

    জ্যোতি মলহোত্রার পরেই পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির (ISI) অভিযোগে হরিয়ানা থেকে নোমান ইলাহী নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, তিনি উত্তরপ্রদেশের শামলীর বাসিন্দা তবে কর্মসূত্রে থাকতেন হরিয়ানায়। হরিয়ানার পানিপথে একটি কারখানায় নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন নোমান। কাজের আড়ালেই চলত চরবৃত্তি। প্রসঙ্গত, চরবৃত্তির অভিযোগে কয়েক দিন আগে গ্রেফতার হয়েছেন হরিয়ানার বছর পঁচিশের এক পড়ুয়াও।

  • Jyoti Malhotra: জ্যোতিকে চর হিসেবে গড়ে তুলছিল আইএসআই! জানুয়ারিতেই গিয়েছিলেন পহেলগাঁও, উঠে এল তদন্তে

    Jyoti Malhotra: জ্যোতিকে চর হিসেবে গড়ে তুলছিল আইএসআই! জানুয়ারিতেই গিয়েছিলেন পহেলগাঁও, উঠে এল তদন্তে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানার ট্রাভেল ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রা। পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pak Agents) অভিযোগে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। রবিবারই এই খবর সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের গোয়েন্দাদের কাছে গোপন তথ্য পাচার করতেন জ্যোতি (Jyoti Malhotra)। শুধু তাই নয়, পুলিশে তরফে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে, যে পহেলগাঁও হামলার আগে জানুয়ারি মাসেই সেখানেই ঘুরতে যান জ্যোতি। অপারেশন সিঁদুরের আবহেও পাকিস্তানি এজেন্টদের সঙ্গে জ্যোতি মালহোত্রা যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। তবে প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত কোনও তথ্য তিনি পাননি, কারণ ততদূর পর্যন্ত পৌঁছানোর ক্ষমতা তাঁর ছিল না। জানা যাচ্ছে, জ্যোতিকে ‘অ্যাসেট’ বা চর হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিল পাকিস্তান।

    কী জানালেন হিসারের পুলিশ সুপার

    এ নিয়ে সামনে এসেছে হিসারের পুলিশ সুপার শশাঙ্ক কুমার শাওনের বিবৃতি। রবিবারই উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন যে,  জ্যোতি মালহোত্রাকে (Jyoti Malhotra) পাকিস্তানের ভ্রমণে নিয়ে যায় সে দেশের গোয়েন্দারা। তাঁদের টাকাতেই একাধিকবার পাকিস্তানের গিয়েছেন জ্যোতি। পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন যে, পহেলগাঁও হামলায় যদি কোনও যোগসূত্র থাকে, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে তদন্তে। পুলিশ সুপারের দাবি, আধুনিক যুদ্ধ কেবলমাত্র সীমান্তে গুলি-বারুদের লড়াইতেই হয় না। পাকিস্তানি এজেন্টরা (Pak Agents) তাঁদের নিজেদের বক্তব্য প্রচারের জন্য এদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় যাঁরা প্রভাবশালী রয়েছেন, তাঁদের ‘অ্যাসেট’ (গুপ্তচর দুনিয়ার পরিভাষায় বিদেশে থাকা চর) হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। সেই লক্ষ্যেই জ্যোতিকে তারা গড়ে তুলছিল পাকিস্তান।

    চিন সফরও করে পাকিস্তানের চর জ্যোতি (Jyoti Malhotra)

    হিসারের পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন, জ্যোতি মালহোত্রা সাম্প্রতিককালে একবার চিন সফরও করেছেন। জ্যোতি মালহোত্রার ভ্রমণের যে ব্যয় তা তাঁর আয়ের থেকে অনেক বেশি বলে দেখা যাচ্ছে। এনিয়েই এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, ‘‘আমরা জ্যোতি মালহোত্রা আর্থিক বিবরণটা বিশ্লেষণ করছি। ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষের সময় জ্যোতি মালহোত্রা পাকিস্তানি এজেন্টদের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগে ছিলেন। দেখা যাচ্ছে, তাঁর ভ্রমণের যে অর্থ ব্যয় করেছেন তিনি, তা তাঁর মোট আয়ের থেকেও বেশি। এই টাকা তিনি কোথা থেকে পেয়েছেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

    অপারেশন সিঁদুরের সময়ও পাক এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল জ্যোতির

    প্রসঙ্গত, জ্যোতি মালহোত্রার (Jyoti Malhotra) চ্যানেলের নাম হল ‘ট্রাভেল উইথ জো’। শনিবারই জ্যোতিকে গ্রেফতার করা হয়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির তরফ থেকে গোপন তথ্য পাওয়ার পরেই এই কাজ করে হরিয়ানা পুলিশ। পাকিস্তানের এজেন্টদের সঙ্গে জ্যোতির যোগাযোগ অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল বলে জানিয়েছে প্রশাসন। যাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিল এহসান-উর-রহিম। যাঁর অপর নাম দানিশ। এই পাকিস্তানি এজেন্ট নয়া দিল্লিতে পাক হাই কমিশনের একজন কর্মচারী বলেই জানা গিয়েছে।

    পাক হাইকমিশনের ইফতার পার্টিতেও ছিল জ্যোতি

    গত বছরে ড্যানিসের সঙ্গেই পাক হাইকমিশন একটি বিশেষ ইফতার পার্টিতেও যোগদান করেছিলেন জ্যোতি মালহোত্রা। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ভারতের অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রশাসন মনে করছে, এই মামলায় আরও অনেকেই জড়িত থাকতে পারে। গ্রেফতারের পর জ্যোতিকে আদালতে তোলা হলে তাঁকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    চিন-বাংলাদেশ-পাকিস্তানের হাইকমিশনের কর্মীদের ওপর কড়া নজর রাখে দিল্লি

    অন্যদিকে, এই ঘটনায় জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিজিপি, শেস পল বৈদ্য জানিয়েছেন যে পাকিস্তানি গুপ্তচরের কাছে হানি ট্রাপে পড়েছিলেন জ্যোতি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পহেলগাঁওয়ে গিয়েছিলেন তিনি। প্রাক্তন ডিজিপি আরও জানিয়েছে, বর্তমান কালে আমাদের দেশে পাকিস্তান, চিন এবং বাংলাদেশের হাইকমিশনের কর্মীরা কোথায় কোথায় যাচ্ছেন তা কড়া নজরদারিতে রাখেন আমাদের গোয়েন্দারা।

    ২০২৩ সালে প্রথম পাকিস্তানে যান জ্যোতি

    পাকিস্তান গিয়ে জ্যোতি একাধিক আইএসআই এজেন্ট এবং কর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের মধ্যে শাকির আর রান শাহবাজ নামের দুই পাক এজেন্টের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। গত তিন বছরে হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবে বড় চর নেটওয়ার্ক তৈরি করেন জ্যোতি। জানা যাচ্ছে, পাক এজেন্টদের মোবাইল নম্বর অন্য নামে সেভ করা রয়েছে তাঁর ফোনে। নিয়মিত যোগাযোগ থাকত এঁদের সকলের সঙ্গে। সূত্রের খবর, কথা চলত হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম এবং স্ন্যাপচ্যাটে। হরিয়ানা থেকে গ্রেফতার হওয়া জ্যোতি মালহোত্রার বিভিন্ন ডিভাইস ঘেঁটে উঠে আসছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২০২৩ সালে প্রথম পাকিস্তান যান জ্যোতি। সেই সময়েই নয়াদিল্লিতে পাকিস্তান হাই কমিশনের আধিকারিক এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। বাড়ে ঘনিষ্ঠতা। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই এই দানিশকে ভারতে অবাঞ্ছিত বলে ঘোষণা করে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘শক্তিশালী হলে তবেই বিশ্ব আমাদের ভালোবাসার ভাষা শুনবে’’, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘শক্তিশালী হলে তবেই বিশ্ব আমাদের ভালোবাসার ভাষা শুনবে’’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘এই বিশ্ব ভালোবাসার ভাষা তখনই শুনবে যদি তোমার শক্তি থাকে। ভারত (Bharat) হল পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীনতম সভ্যতা। বর্তমানে আমরা কাজ করছি বিশ্ব শান্তি এবং সম্প্রতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।’’ রাজস্থানের জয়পুরে এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সর সংঘচালক চালক ডঃ মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সে রাজ্যের জয়পুরে রবিনাথ আশ্রমে একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন সংঘপ্রধান। সেখানেই তাঁকে এই কথাগুলি বলতে শোনা যায়। একইসঙ্গে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘এদেশের ইতিহাস আত্মত্যাগের ইতিহাস। ভগবান রামচন্দ্র থেকে ধামাশাহ আমরা প্রত্যেকেই তাঁদের পুজো করি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারতের কর্তব্য হল, গোটা বিশ্বকে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া। কিন্তু তার জন্য অবশ্যই শক্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’’ অপারেশন সিঁদুর সফল হওয়ার পরে সংঘ প্রধানের এমন বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।পাকিস্তানে প্রত্যাঘাত করে ভারত যে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে তাতে গোটা বিশ্ব এদেশের সামরিক শক্তি প্রত্যক্ষ করেছে।

    এ দেশ কারও ক্ষতি করতে চায় না (Mohan Bhagwat)

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, ‘‘এ দেশ কারও ক্ষতি করতে চায় না। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমাদেরকে শক্তিশালী হতে হবে। কারণ শক্তিশালী হলেই গোটা বিশ্ব আমাদের ভালোবাসার ভাষা শুনবে। কারণ এটাই বিশ্বের প্রকৃতি। এই প্রকৃতিকে কখনও পরিবর্তন করা যাবে না। যে কারণে পৃথিবীর কল্যাণের জন্য আমাদেরকে শক্তিশালী হতে হবে এবং সারা বিশ্ব সাক্ষী থাকবে আমাদের শক্তির।’’

    জাতির কর্তব্য হল সারা বিশ্বকে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) আরও বলেন, ‘‘সমস্ত দিক দিয়ে ভারত বর্তমানে এগিয়ে চলেছে। বর্তমানে আমাদের জাতির কর্তব্য হল, সারা বিশ্বকে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া। কারণ পৃথিবীর কল্যাণই আমাদের ধর্ম। বিশেষত হিন্দু ধর্মে এটা আমাদের পবিত্র কর্তব্য। এটা প্রাচীন ভারতীয় প্রথার মধ্যেও রয়ে গিয়েছে। আমরা ঋষি মুনিদের আমল থেকেই তা দেখতে পাচ্ছি। বর্তমানেও সেই একই ধারা প্রবাহিত রয়েছে।’’

  • Pakistan: অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের হামলা! পাকিস্তানে খতম আরএসএস সদর দফতরে হামলা চালানো রজুল্লা

    Pakistan: অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের হামলা! পাকিস্তানে খতম আরএসএস সদর দফতরে হামলা চালানো রজুল্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৬ সালে নাগপুর সদর দফতরে পুলিশের বেশে ঢুকে পড়ে একদল জঙ্গি। সেসময় সদর দফতরে থাকা পুলিশি নিরাপত্তার কারণে একেবারে ভিতর পর্যন্ত যেতে পারেনি তারা। সেসময় ছদ্মবেশি জঙ্গিদের (Abu Saifullah) ‘চাল’ বুঝতে পেরেই গুলি চালায় সেখানে মোতায়েন থাকা পুলিশ বাহিনী। সঙ্গে সঙ্গে খতম হয় তিন জঙ্গি। একইসঙ্গে প্রাণ যায় মহারাষ্ট্র পুলিশের ২ জনের (Pakistan)। সেসময় তথ্য উঠে আসে, এই সন্ত্রাসহানার ছক কষেছিল পাক মদতপুষ্ট লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি গোষ্ঠী। সংঘের সদর দফতরে হামলার গোটা কৌশল সাজিয়েছিল লস্কর কমান্ডর আবু সইফুল্লা ওরফে রজুল্লা। এই ঘটনার ১৯ বছর পর অবশেষে খতম হল সেই মূলচক্রী রজুল্লা।

    পাকিস্তানেই (Pakistan) এক অজ্ঞাত পরিচয়ের গুলিতে খতম রজুল্লা

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তানেই (Pakistan) এক অজ্ঞাত পরিচয়ের গুলিতে শেষ হয়েছ আরএসএস-র সদর দফতরে হামলা চালানো মূল চক্রী। এদিন পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের মাতলি ফালকারা চক এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে সন্ত্রাসী রজুল্লার দেহ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রজুল্লার মৃত্যুর কারণ বালোচ বিদ্রোহীরাও হতে পারে। সাম্প্রতিক কালে, ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে আবহে নতুন করে ‘শক্তি’ বাড়িয়েছে বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি। তাদের দাপটে কার্যত কোণঠাসা পাকিস্তানের (Pakistan) সরকার ও সেনা।

    কাশ্মীর ও উত্তরপ্রদেশেও হামলার ছক কষেছিল রজুল্লা (Abu Saifullah)

    পাক সরকারের (Pakistan) ওপর ক্রমাগত চাপ বাড়াচ্ছে তারা। নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেও ঘোষণা করেছে তারা। পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়াতেই এই মৃত্যু সেই চাপেরও একটা নমুনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আরএসএস সদর দফতর ছাড়া, কাশ্মীর ও উত্তরপ্রদেশের রামপুরের সেনা ছাউনিতেও হামলার ছক কষেছিল এই রজুল্লা। প্রসঙ্গত, ৬ ও ৭ মে, মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে ভারত শুরু করে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)। পাকিস্তানের ৯ জঙ্গিঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করে ভারত। পাল্টা সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। যদিও সবকটি হামলা প্রতিহত করে ভারতের উন্নত এয়ার ডিফেন্স। ১০ মে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষ বিরতিতে রাজি হয়। এই আবহেই সামনে এল শীর্ষ এই লস্কর নেতার খতমের খবর।

  • Operation Sindoor: বদলা নয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর উদ্দেশ্য বিচার, ভিডিও প্রকাশ ভারতীয় সেনার

    Operation Sindoor: বদলা নয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর উদ্দেশ্য বিচার, ভিডিও প্রকাশ ভারতীয় সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁওকাণ্ডের পর পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রত্যাঘাত চালায় ভারত। শুরু হয় অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)। সেনাবাহিনী, নৌ সেনা, বায়ুসেনার একযোগে এরপর শুরু করে পাকিস্তানে প্রত্যাঘাত। এবার নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে একটি নতুন ভিডিও পোস্ট করল ভারতীয় সেনা। সেখানে তারা সাফ জানাল, বদলার মনোভাব থেকে ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান নয়, এর পিছনে উদ্দেশ্য একটাই- বিচার।

    ৫৪ সেকেন্ডের ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে (Operation Sindoor)

    ওয়েস্টার্ন কমান্ড- ইন্ডিয়ান আর্মির (Indian Army) এক্স হ্যান্ডেলে ৫৪ সেকেন্ডের ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। তারই ক্যাপশনে লেখা, পরিকল্পিত, প্রশিক্ষিত এবং বাস্তবায়িত। ভিডিও-র শুরুতে দেখা যাচ্ছে একদল সেনাকে। তাঁদেরই একজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার (Pahalgam Terror Attack) জেরে এর (অপারেশন সিঁদুর) শুরু হয়েছে। রাগ ছিল না, একটাই লক্ষ্য ছিল, এবার উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে যাতে আগামী দিনে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম মনে রাখবে (Operation Sindoor)।’’

    পহেলগাঁওকাণ্ড (Operation Sindoor)

    প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর (Indian Army) হামলা চালায় জঙ্গিরা। এর জেরে মৃত্যু হয় ২৫ পর্যটক ও এক স্থানীয় বাসিন্দার। এই হামলার দায় স্বীকার করে লস্কর-ই-তইবার শাখা সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’। এরপরই ৬ ও ৭ মে, মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে ভারত শুরু করে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)। পাকিস্তানের ৯ জঙ্গিঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করে ভারত। পাল্টা সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। যদিও সবকটি হামলা প্রতিহত করে ভারতের উন্নত এয়ার ডিফেন্স। ১০ মে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষ বিরতিতে রাজি হয়।যদিও সেদিনই আবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান সীমান্তে গোলাবর্ষণ করে পাকিস্তান। প্রসঙ্গত,পহেলগাঁও হামলার (Pahalgam Attack) পরেই ভারত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এবার দেশের সাংসদরা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে যাবেন পাকিস্তানের মদতে চলা সন্ত্রাসবাদ নিয়ে বক্তব্য রাখবেন।

  • Bangladesh: এবার বিহার-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডকেও দেখানো হল গ্রেটার বাংলাদেশের ম্যাপে, পোস্টার পড়ল ঢাকায়

    Bangladesh: এবার বিহার-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডকেও দেখানো হল গ্রেটার বাংলাদেশের ম্যাপে, পোস্টার পড়ল ঢাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে পাকিস্তানকে অস্ত্র ও সেনা দিয়ে সাহায্য করে তুরস্ক (Turkey)। তার মাশুল অবশ্য গুনতে হচ্ছে তুরস্ককে। নিরাপত্তা থেকে উড়ান, শিক্ষা, বাণিজ্য- সব ক্ষেত্রেই এই দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করছে ভারত। তবে তুরস্কের ভারত বিরোধিতা এবার দেখা গেল বাংলাদেশে (Bangladesh)। ভারত মুখ ফেরাতেই নতুন করে কারসাজি শুরু করেছে এই দেশ। এক সর্বভারতীয় সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী অনুযায়ী, বাংলাদেশে ফের একবার হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠেছে তুরস্ক। ওই সংবাদমাধ্যমের খবর, তুরস্কের একটি এনজিও সমর্থিত ইসলামিক সংগঠন বাংলাদেশের ঢাকায় গজিয়ে উঠেছে। জানা যাচ্ছে, এই সংগঠনের নাম ‘সালতালাত-ই-বাংলা’। এই সংগঠনই এবার দাবি তুলেছে গ্রেটার বাংলাদেশের। এনিয়ে নতুন একটি মানচিত্রও প্রকাশ করেছে তারা। ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ও গোটা উত্তর-পূর্বকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বা গ্রেটার বাংলাদেশের অংশ বলে দাবি করা হল।

    মানচিত্রের পোস্টার সাঁটানো হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (Bangladesh)

    শুধু তাই নয়, এই ম্যাপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অন্যান্য এলাকাতেও লাগানো হয়েছে। লাগানো হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, মূলত যে জায়গাগুলিতে পড়ুয়া ও যুব সম্প্রদায় যায়, সেখানেই এই গ্রেটার বাংলাদেশের (Bangladesh) পোস্টার লাগানো হয়েছে। এদিকে আবার ইউনূস সমর্থকরা এই ম্যাপের সমর্থনও জানিয়েছে। তারাও বিভিন্ন জায়গায় দাবি করছে, অন্তত উত্তর-পূর্ব ভারতকে বাংলাদেশের অংশ করা হোক।

    ২০২৪ সালে পতন হয় হাসিনা সরকারের, তারপরেই বেড়েছে ভারত বিরোধিতা

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে জামাত-বিএনপির ষড়যন্ত্রে হাসিনা সরকারের পতন এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত হয়। এর পর থেকেই সেদেশে হিন্দু নির্যাতনের পাশাপাশি বেড়েছে ভারত বিরোধিতাও। ওপার বাংলা থেকে ক্রমাগত উসকানিমূলক মন্তব্য এসেছে ভারতের বিভিন্ন অংশ দখল করার। শুধু তাই নয়, এই আবহে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে জঙ্গি কার্যকলাপও বেড়েছে। সাম্প্রতিক, মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ আন্দোলনের নামে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। সেখানেও উঠে আসে বাংলাদেশ যোগ।

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট, গ্রেফতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট, গ্রেফতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিন্দুর’ (Operation Sindoor) নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশবিরোধী মন্তব্য করার জন্য গ্রেফতার কার হল অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Ashoka University) অধ্যাপক আলি খান মাহমুদাবাদকে। ইতিমধ্যে তাঁর আইনজীবী সংবাদমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে মহিলা সেনা অফিসারদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট করেন ওই অধ্যাপক। এমনটাই অভিযোগ ওঠে আলি খানের বিরুদ্ধে। এর পরেই হরিয়ানা রাজ্য মহিলা কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই বিষয়টির ওপর নজর দেয়। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই এই অধ্যাপককে গ্রেফতার করা হল।

    মহিলা অফিসারদের অবমাননা করার অভিযোগ (Operation Sindoor)

    প্রসঙ্গত, আগেই একটি নোটিশে মহিলা কমিশন বলেছিল যে আলি খানের মন্তব্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর মহিলা অফিসারদের অবমাননা করা হয়েছে এবং সাম্প্রদায়িক বিভেদ উস্কে দিয়েছে। নিজেকে বাঁচাতে কোনওরকমের চেষ্টার ত্রুটি করছেন না আলি। মহিলা কমিশনের নোটিশের জবাবে তাঁর দাবি করেছিলেন, অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) এবং এর সঙ্গে যুক্ত মহিলা অফিসারদের নিয়ে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলি নারীবিদ্বেষী ছিল না। তবে এসব ধোপে টিকল না, গ্রেফতার হতেই হল আলিকে (Ashoka University) ।

    নিজের পোস্টে কী লিখেছিলেন আলি?

    তিনি নিজের পোস্টে সেনার সাংবাদিক সম্মেলনকে ‘অপ্টিক’ এবং ‘ভণ্ডামি’ বলে মন্তব্য করেন। নিজের ফেসবুক পোস্টে আলি লিখেছিলেন, ‘‘আমি খুব খুশি যে অনেক ডানপন্থী কর্নেল কুরেশির প্রশংসা করছেন। তবে তারা একই ভাবে গণপিটুনি, একতরফা বুলডোজার কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও জোর গলায় সরব হতে পারেন। যারা বিজেপির বিদ্বেষের রাজনীতির মুখে পড়ছেন, তাদের সুরক্ষার দাবি জানাতে পারেন।’’

    স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত করা হয়

    এই আবহে হরিয়ানা রাজ্য মহিলা কমিশন আইন, ২০১২ এর ধারা ১০(১)(এফ) এবং ১০(১)(এ) অনুসারে আলি খানের মন্তব্যের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত শুরু করে। তবে এই গোটা বিতর্কের জবাবে আলি খান বারবার দাবি করেন, এটা একটা নতুন ধরনের সেন্সরশিপ। তবে এই আবহে অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে এক বিবৃতি (Operation Sindoor) জারি করে। আলি খানের বক্তব্য তারা সমর্থন করেনা বলেও জানায় বিশ্ববিদ্যালয়।

  • ISRO: উৎক্ষেপণের ২০৩ সেকেন্ডের মধ্যে বাতিল ইসরোর ১০১তম অভিযান!

    ISRO: উৎক্ষেপণের ২০৩ সেকেন্ডের মধ্যে বাতিল ইসরোর ১০১তম অভিযান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যর্থ হল ইসরোর (ISRO) ১০১তম অভিযান। রবিবার সকালেই মহাকাশে পাড়ি দেয় ইসরোর রকেট। এদিন ঠিক ভোর ৫টা ৫৯ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে রওনা দিয়েছিল পিএসএলভি-সি৬১ রকেট। যার লক্ষ্য ছিল EOS-09 কৃত্রিম উপগ্রহকে মহাকাশে লঞ্চ করা। কিন্তু তা আর সম্ভব হল না। যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ওই উপগ্রহটিকে আর মহাকাশে প্রেরণ করা যায়নি। উৎক্ষেপণের ২০৩ সেকেন্ডের মধ্যেই মিশনের তৃতীয় ধাপে সমস্যা দেখা দেওয়ার পরই তা বাতিল করে দেওয়া হয়।

    কী বললেন ইসরো প্রধান (ISRO)

    জানা গিয়েছে, ১৬৯৬ কেজির ইওএস-০৯ স্যাটেলাইটটি (Satellite) তৈরিই হয়েছে সি ব্যান্ডের SAR ব্যবহার করে যাতে সমস্ত মরশুমের ছবি তোলা যায়। তবে ৫২৪ কিমি সূর্য-সমকালীন মেরু কক্ষপথে সেটিকে আর প্রতিস্থাপন করা গেল না। প্রাথমিক ভাবে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, তৃতীয় ধাপেই থমকে গেল মিশন। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের পর এই প্রথম ইসরোর (Satellite) কোনও কৃত্রিম উপগ্রহ লঞ্চের পরিকল্পনা ব্যর্থ হল। ইসরোর (ISRO) প্রধান ভি নারায়ণ পরে লাইভ স্ট্রিমে এসে পুরো বিষয়টি খুলে বলেন। তিনি বলেন, ‘‘১০১তম মিশনটি আজ শুরু করা হয়। পিএসএলভি-সি৬১ দ্বিতীয় ধাপ পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তৃতীয় ধাপে এক বিশেষ পর্যবেক্ষণের পরে এই মিশন বাতিল করে দেওয়া হল।’’

    ৪৬ বছর আগে শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ হয়েছিল দেশের প্রথম উপগ্রহ

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারিতেই শততম উৎক্ষেপণের নজির গড়েছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। উল্লেখ্য, ৪৬ বছর আগে শ্রীহরিকোটা থেকে উৎক্ষেপণ হয়েছিল দেশের প্রথম উপগ্রহ। তারপর দেখতে দেখতে এতটা পথ পেরিয়ে এসেছে ইসরো (ISRO)। কৃত্রিম উপগ্রহ এনভিএস-২-কে নিয়ে জিএসএলভি এফ-১৫ রকেটের সফল উৎক্ষেপণের ওই মিশনই ছিল ইসরোর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়া ভি নারায়ণনের প্রথম মিশন। কিন্তু এরপরই ১০১-তম মিশনটি ব্যর্থ হল।কী কারণে এই গোলযোগ ঘটল, তা খতিয়ে দেখছেন ইসরোর ইঞ্জিনিয়ারেরা। ইতিমধ্যে একটি ব্যর্থতা বিশ্লেষণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

LinkedIn
Share