Tag: মাধ্যম

  • International Labour Day 2026: আজ মে দিবস, কেন ১ মে-ই শ্রমিকদের লড়াইয়ের প্রতীক? জানুন অজানা ইতিহাস

    International Labour Day 2026: আজ মে দিবস, কেন ১ মে-ই শ্রমিকদের লড়াইয়ের প্রতীক? জানুন অজানা ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ১ মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস (International Labour Day)। এই দিন ‘মে দিবস’ (May Day) নামেও পরিচিত। শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের ইতিহাস বহন করে এই দিন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে এই দিনটি। কিন্তু কোন ইতিহাস লুকিয়ে এই বিশেষ দিনটির পিছনে? আসুন জেনে নিই।

    সহজ কথায়…

    সহজ ভাষায় বলতে গেলে কাজের ফাঁকে শ্রমিকদের একটু বিশ্রামের দিন এই শ্রমিক দিবস। কাজ তো করতেই হবে। কিন্তু সারাদিন ধরে কাজ করা তো সম্ভব নয়। তাই কাজ যেমন জরুরি, ঠিক ততটাই জরুরি পর্যাপ্ত বিশ্রামের সময় পাওয়া। এই সহজ কথাটাই নতুন করে মনে করার দিন ১ মে। আর্ন্তজাতিক শ্রমিক দিবস। আর এরই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের ঐতিহাসিক সংগ্রামের কথা মনে করিয়ে দিতেই দিনটি পালিত হয়ে থাকে।

    আর্ন্তজাতিক শ্রমিক দিবসের ইতিহাস

    মে দিবসের সূচনা ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। শ্রমিকরা আরও ভালো কাজের পরিবেশ, সংক্ষিপ্ত কাজের সময় এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকারের জন্য লড়াই করেছিলেন। ১৮৮২ সালে সেন্ট্রাল লেবার ইউনিয়নের আয়োজনে নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথম শ্রমিক দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় শ্রমিকদের দৈনিক ১২-১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হত। এর বিরুদ্ধে ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে হাজার হাজার শ্রমিক রাস্তায় নামেন। ১৮৮৬ সালের ১ মে শুরু হয় ঐতিহাসিক ধর্মঘট। ৪ মে হে মার্কেট অ্যাফেয়ার-এ বোমা বিস্ফোরণ ও পুলিশের গুলিচালনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়। ভিড় থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে কেউ একজন বোমা ছোড়ে। তার পরে পুলিশ শ্রমিকদের উপর গুলি চালাতে শুরু করে। ফলে প্রায় ১০-১২ জন শ্রমিক ও পুলিশ নিহত হন। এই ঘটনাই শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ১৮৮৯ সালে সেকন্ড ইন্টারন্যাশনাল ঘোষণা করে, প্রতি বছর ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হবে। হে মার্কেটে আন্দোলনের বলিদান হওয়া শ্রমিকদের আত্মত্যাগকে মনে রেখে এই দিনটি পালন করা হয়।

    ভারতে মে দিবসের ইতিহাস

    ভারতে প্রথম মে দিবস পালিত হয় ১৯২৩ সালে চেন্নাই (তৎকালীন মাদ্রাজ) শহরে। শ্রমিক নেতা এম সিংগারাভেলার এই উদযাপনের সূচনা করেন। তিনিই প্রথম ভারতে শ্রমিক আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে লাল পতাকা উত্তোলন করেন। ভারতে শিল্প, নির্মাণ, পরিবহণ, কৃষি ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের কোটি কোটি শ্রমিকের জন্য এই দিন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তির যুগে গিগ ইকোনমি, চুক্তিভিত্তিক চাকরি এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তার কারণে শ্রমিক অধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনা জরুরি হয়ে উঠেছে।

    এই দিনটির তাৎপর্য

    বিশ্বব্যাপী ৮০টিরও বেশি দেশে শ্রমিক দিবস পালিত হয়, প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব অনন্য উপায়ে দিবসটি পালন করে। অনেক দেশে, শ্রমিক দিবস একটি জাতীয় সরকারী ছুটির দিন (National Holiday) হিসাবে পালন করা হয়, যার ফলে শ্রমিকরা তাদের কাজের থেকে প্রাপ্য বিরতি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে।

    কেন এখনও প্রাসঙ্গিক মে দিবস?

    বর্তমানে শ্রমিকদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে—

    • চুক্তিভিত্তিক কাজের বৃদ্ধি
    • সামাজিক সুরক্ষার অভাব
    • কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সমস্যা
    • নারী শ্রমিকদের সমান মজুরি ও সুযোগের প্রশ্ন

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র অতীতের সংগ্রাম স্মরণ নয়, বর্তমান ও ভবিষ্যতের কর্মপরিবেশ আরও মানবিক করার প্রতিশ্রুতিও বহন করে মে দিবস।

    সচেতনতা বৃদ্ধি

    প্রতি বছর বিভিন্ন দেশ আলাদা থিম নিয়ে মে দিবস পালন করে। ২০২৬ সালে মূল ফোকাস রাখা হয়েছে শ্রমিক কল্যাণ, ডিজিটাল অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান নিরাপত্তা এবং সামাজিক সুরক্ষা-র উপর। শ্রমিক দিবসের দিন অনেক জায়গাতেই প্যারেড বা সমাবেশ হয়, যেখানে শ্রমিক এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলি তাঁদের দাবিতে সরব হতে এবং তাদের সাফল্য উদযাপন করতে একত্রিত হয়। এই অনুষ্ঠানগুলি আসলে শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এবং ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ ও উন্নত কাজের পরিবেশের পক্ষে প্রচারের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে। মে দিবস শুধুমাত্র একটি ছুটির দিন নয়, বরং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতীক। বিশ্বজুড়ে কর্মপরিবেশ বদলালেও শ্রমিকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্ন আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

  • Buddha Purnima 2026: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে বুদ্ধ পূর্ণিমা, জানুন এই দিনের মাহাত্ম্য

    Buddha Purnima 2026: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে বুদ্ধ পূর্ণিমা, জানুন এই দিনের মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শুক্রবার, ১ মে দেশজুড়ে মহাধুমধাম করে পালিত হচ্ছে বুদ্ধ পূর্ণিমা। বুদ্ধ পূর্ণিমা (Buddha Purnima 2026) বৌদ্ধ ধর্মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং পবিত্রতম উৎসব। প্রতি বছর বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়। ইতিহাসবিদদের মতে, এই পবিত্র দিনেই গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, এই দিনেই বোধিবৃক্ষের নীচে তিনি জ্ঞান লাভ করেছিলেন, যাকে বলা হয় বুদ্ধত্ব প্রাপ্তি। হিন্দু ধর্মের মতে, গৌতম বুদ্ধ (Buddha Jayanti) হলেন শ্রী বিষ্ণুর নবম অবতার।

    নবম অবতার গৌতম বুদ্ধ

    এই বিশেষ তিথিতে গৌতম বুদ্ধের জন্মবার্ষিকী পালন করা হয় সারা বিশ্ব জুড়ে। এই দিনে ভারতে সরকারিভাবে ছুটি থাকে। সারাদেশ জুড়ে উৎসব পালিত হয় বৌদ্ধ মঠ ও মন্দিরে। ভারত ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, তাইল্যান্ড, মায়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় উৎসব পালিত হয়। এই দিন (Buddha Purnima 2026) গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা ও বাণী স্মরণ করেন বৌদ্ধরা। বৌদ্ধ মঠ ও মন্দিরগুলিতে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। ভগবান বুদ্ধকে পূজা করা ছাড়াও অধিকাংশ বৌদ্ধ ভিক্ষুক ধ্যানে লিপ্ত থাকেন। পঞ্চাঙ্গ (বা পাঁজি) অনুসারে, কবে বুদ্ধ পূর্ণিমা পালিত হয় এবং এই দিনের শুভ সময়, তাৎপর্য ও পুজোর নিয়ম জানেন না অনেকেই। অবশ্য অনেক হিন্দু ও বাঙালির বাড়িতে লক্ষ্মী নারায়ণ পুজোর আয়োজন হয়ে থাকে।

    কীভাবে দিনটি পালন করা হয়

    বুদ্ধ পূর্ণিমার (Buddha Purnima 2026) দিন খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠা উচিত। ঘুম থেকে উঠে বাড়ির সব জায়গা পরিষ্কার করে সুন্দর করে সাজিয়ে নিতে হবে। এরপর স্নান সেরে পরিষ্কার বা নতুন পোশাক পরতে পারেন। এদিন গঙ্গা স্নান করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এরপর একটি মোমবাতি বা প্রদীপ জ্বালিয়ে বাড়ির সর্বত্র ঘুরিয়ে আনতে পারেন। বাড়ির প্রবেশদ্বারের সামনে হলুদ, লাল সিঁদুর বা রঙ ব্যবহার করে স্বস্তিক চিহ্ন আঁকতে পারেন। বোধি গাছের কাছে দুধ ঢেলে বুদ্ধের বাণী ও শিক্ষাকে স্মরণ করতে পারেন। দানকর্মেরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে এদিন। বস্ত্র ও খাদ্য বিলি করলে পূণ্যলাভ করতে পারেন আপনি।

    বুদ্ধ পূর্ণিমার ইতিহাস

    ভগবান বুদ্ধ (Lord Buddha) বা গৌতম বুদ্ধ নেপালের লুম্বিনী-তে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর পিতার নাম রাজা শুদ্ধোধন এবং মাতা ছিলেন মায়াদেবী। জন্মের পর তাঁর নাম ছিল সিদ্ধার্থ গৌতম। তাঁর জন্মের পরে একজন সাধু তাঁকে দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে, এই শিশু পরবর্তীকালে একজন রাজচক্রবর্তী অথবা একজন সিদ্ধ সাধক হবেন। রাজকুমার নিজেকে পার্থিব বাসনা এবং বস্তুবাদী বন্ধন থেকে দূরে রাখবেন।

    কথিত আছে, উনত্রিশ বছর বয়সে রাজকুমার সিদ্ধার্থ প্রাসাদ থেকে কয়েকবার ভ্রমণে বেরোলে তিনি একজন বৃদ্ধ মানুষ, একজন অসুস্থ মানুষ, একজন মৃত মানুষ ও একজন সন্ন্যাসীকে দেখতে পান। এই দৃশ্যগুলি দেখে সিদ্ধার্থ তাঁর রাজজীবন ত্যাগ করে একজন সন্ন্যাসীর জীবনযাপনের সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধার্থ এক রাত্রে তাঁর পরিবারকে নিঃশব্দ বিদায় জানিয়ে রাজ প্রাসাদ ত্যাগ করেন। এরপর তিনি আধ্যাত্মিকতার পথে হাঁটেন এবং শীঘ্রই তিনি বিহারের বুদ্ধগয়াতে বোধি গাছের নীচে সত্য জ্ঞান অর্জন করেন।

    বুদ্ধ পূর্ণিমা কী?

    দুনিয়াজুড়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এবং হিন্দুরা গৌতম বুদ্ধের জন্ম বুদ্ধ জয়ন্তী (Buddha Purnima 2026) হিসাবে উদযাপন করে। ৫৬৩ খ্রিষ্টাব্দে নেপালের লুম্বিনিতে পূর্ণিমা তিথিতে বুদ্ধের রাজপুত্র সিদ্ধার্থ গৌতম হিসাবে জন্ম হয়েছিল। সুতরাং, তাঁর জন্মবার্ষিকীর দিনটি বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বুদ্ধ জয়ন্তী বা ভেসাক নামেও পরিচিত। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, জাভা, ইন্দোনেশিয়া, তিব্বত, মঙ্গোলিয়ায় উৎসবের মধ্য দিয়ে বুদ্ধ জয়ন্তীর (Buddha Jayanti) বিশেষ দিনটিকে ‘ভেসাক’ উৎসব হিসাবে পালন করা হয়।

    বুদ্ধ পূর্ণিমার গুরুত্ব

    বৈশাখী পূর্ণিমার (Buddha Purnima 2026) তিথিতে সূর্যোদয়ের পর স্নান করে শ্রী শ্রী বিষ্ণুর পুজো করা হয়। এদিন ধর্মরাজের পুজো করারও রীতি বেশ প্রচলিত আছে। সত্যবিনায়ক ব্রত করলে ধর্মরাজ প্রসন্ন হন। ধর্মরাজ যম হল মৃত্যুর দেবতা। তাই যমকে প্রসন্ন করলে অকাল মৃত্যুর যে ভয়, তার থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। সাধারণত পূর্ণিমার দিনে তিল ও চিনির দান শুভ বলে মনে করা হয়। এর ফলে অজান্তে হওয়া পাপ থেকে মুক্তি লাভ করা যায়।

  • Asthma Risk: প্রতি বছর ২ লাখ মৃত্যু! কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে অ্যাজমা? কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    Asthma Risk: প্রতি বছর ২ লাখ মৃত্যু! কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে অ্যাজমা? কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একরত্তি শিশু থেকে প্রৌঢ়, সকলেই প্রায় বিপদের সীমায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন! ফি-বছর উদ্বেগ বাড়ছে। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশপাশি বাড়ছে মৃত্যু হার। অ্যাজমা ভারতের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে উঠেছে। তাই বিশ্ব অ্যাজমা সচেতনতা দিবসে, এই রোগ সম্পর্কে সতর্ক হওয়ার পাশপাশি, কীভাবে এই রোগের দাপট নিয়ন্ত্রণে রেখে মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো যায়, সেই সম্পর্কেও লাগাতার প্রচার কর্মসূচি চালানোর কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    ভারতে কতখানি বিপজ্জনক এই রোগ?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বক্ষঃরোগের দাপট দেশ জুড়ে বাড়ছে। ফুসফুসের একাধিক সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে। শিশু থেকে বয়স্ক, সকলের অ্যাজমার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এ দেশের সাড়ে তিন কোটি মানুষ অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত। বিশ্বে মোট অ্যাজমা আক্রান্তের ১৩ শতাংশ এ দেশের মানুষ। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশপাশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু হার। প্রতি বছর ২ লাখ মানুষ অ্যাজমার কারণে মারা যান। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে অ্যাজমার কারণে মৃত্যু হার অনেকটাই বেশি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এ দেশে অ্যাজমা মৃত্যুর অন্যতম কারণ ঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু না হওয়া এবং স্টেরয়েড ইনহেলার ব্যবহার না করা।

    কাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে নতুন করে অ্যাজমা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে শিশুদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, ৫ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে নতুন ভাবে অ্যাজমা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৫ শতাংশের বয়স ১৪ বছরের কম। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অত্যাধিক বায়ুদূষণ, ধোঁয়া, অ্যালার্জি থেকেই শিশুদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    কীভাবে এই রোগের ঝুঁকি কমাবেন?

    • চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যাজমা মানেই মৃত্যু নয়। ঠিকমতো চিকিৎসা হলে এই রোগের জটিলতা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ভারতে সময় মতো এই রোগের চিকিৎসা শুরু হয় না। তাই মৃত্যু হার এত বেশি। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, অ্যাজমার জটিলতা কমতে ইনহেলার ব্যবহার করা জরুরি। নিয়মিত প্রয়োজনীয় ইনহেলার ব্যবহার করলে আক্রান্তের শরীর ঠিক থাকবে। জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হবে না। মৃত্যুর আশঙ্কাও কমবে। তবে, ইনহেলার নিয়ে একাধিক ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ, ইনহেলার কখন ব্যবহার করতে হবে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
    • বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এ দেশে অ্যাজমা আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বায়ুদূষণ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরেই ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে। আবার সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে। অ্যাজমা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা জরুরি। আবার মাস্ক ব্যবহার নিয়েও সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
    • তবে শিশু হোক বা বয়স্ক, অ্যাজমার মতো রোগ রুখতে ধুমপানে রাশ জরুরি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, যেকোনও ভাবেই ধূমপান শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। ফুসফুসের জন্য এই অভ্যাস বড় বিপদ তৈরি করে। পরিবারের কেউ ধূমপান করলে শিশু সেই পরিবেশে থাকলে, তার অ্যাজমায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই অ্যাজমার মতো রোগের জটিলতা কমাতে এবং এই রোগের দাপট রুখতে ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Chanakya Analysis: চাণক্য বুথফেরত সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল চার রাজ্যের কোন দল এগিয়ে জানুন

    Chanakya Analysis: চাণক্য বুথফেরত সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ, অসম, তামিলনাড়ু এবং কেরল চার রাজ্যের কোন দল এগিয়ে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রকাশিত চাণক্য সমীক্ষা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal Assembly election) ও অসমে গেরুয়া ঝড় এবং কেরল ও তামিলনাড়ুতে পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। চাণক্যের (Chanakya Analysis) বুথ ফেরত সমীক্ষায় অসম এবং বাংলায় বিজেপির সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তামিলনাড়ুতে স্টালিনের নিজের জয় অবিচল রাখতে জোরদার লড়াই হবে। কেরলে কংগ্রেস সমর্থিত ইউডিএফ সরকার গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে আছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফল ৪ এপ্রিলেই জানা যাবে  যেসরকার কারা গড়ছে চার রাজ্যে।

    ১. পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত (Chanakya Analysis)

    চাণক্যের (Chanaky Analysis) পূর্বাভাস সত্যি হলে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • বিজেপি+: ১৯২ (±১১) আসন
    • তৃণমূল কংগ্রেস (TMC): ১০০ (± ১১) আসন
    • অন্যান্য: ০২ (± ০২) আসন

    রাজ্যে তৃণমূলের (West Bengal Assembly election) দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে পারে।

    ২. অসম: ডাবল ইঞ্জিন সরকারে আস্থা

    অসমে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বাধীন বিজেপি জোট টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পথে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • বিজেপি জোট (NDA): ১০২-১১১ আসন
    • কংগ্রেস জোট (INC+): ২৩-৩২ আসন
    • অন্যান্য: ০-১ আসন

    অসমে বিরোধী জোট বিশেষ সুবিধা করতে পারছে না, বড় জয়ের পথে এনডিএ।

    ৩. তামিলনাড়ু: দ্রাবিড় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

    তামিলনাড়ুতে এম.কে. স্ট্যালিনের ডিএমকে (DMK) জোট এগিয়ে থাকলেও, অভিনেতা বিজয়ের রাজনৈতিক দল টিভিকে (TVK) চমকপ্রদ ফল করতে পারে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • ডিএমকে জোট (DMK+): ১২৫-১৩৬ আসন
    • টিভিকে (TVK): ৬৩-৭৪ আসন
    • এআইএডিএমকে (AIADMK/NDA): ৪৫-৫৬ আসন

    ডিএমকে কোনোমতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Chanakya Analysis) পেলেও প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে আসতে পারে বিজয়ের দল।

    ৪. কেরল: ক্ষমতার পটপরিবর্তন

    কেরলে প্রথা মেনে আবারও বামপন্থীদের হটিয়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF) ক্ষমতায় ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সমীক্ষা অনুসারে সম্ভাব্য আসনের পরিমাণ হবে

    • ইউডিএফ (UDF): ৬৯-৭৭ আসন
    • এলডিএফ (LDF): ৬৪-৭৩ আসন
    • বিজেপি (BJP): ৭-১১ আসন

    এলডিএফ এবং ইউডিএফ-এর মধ্যে কড়া টক্কর হলেও পাল্লা সামান্য ভারী কংগ্রেস শিবিরের দিকে। বিজেপিও রাজ্যে আসন সংখ্যা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • Election Commission India: পুনর্নির্বাচন ও স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষককে  নির্দেশ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের, কোথায় কোথায় হবে নির্বাচন?

    Election Commission India: পুনর্নির্বাচন ও স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষককে  নির্দেশ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের, কোথায় কোথায় হবে নির্বাচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটদান প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission India) জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর (Subrata Gupta) সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছেন। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ডায়মন্ড হারবারের একাধিক বুথের ইভিএমে টেপ লাগিয়ে ভোট দানে বাধা দেওয়ার কারণে আরেকবার নির্বাচন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। পর্যবেক্ষককে যথাযথ ভাবে পরিদর্শনের কথা জানিয়েছেন।

    কঠোর স্ক্রুটিনির নির্দেশ (Election Commission India)

    দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটের পরে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) কাছে আবেদনও জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা, মগরাহাট এবং সোনারপুর এলাকায় পুনর্নির্বাচনের স্ক্রুটিনিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে (Subrata Gupta) দায়িত্ব দিয়েছেন। উল্লেখ্য এই কেন্দ্রগুলি তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসদীয় কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। ভোটগ্রহণ পর্বে যেসব বুথ থেকে অনিয়ম বা অশান্তির অভিযোগ উঠেছে, সেগুলিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্ক্রুটিনি বা এই বিশেষ পর্যালোচনার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন (Re-poll) প্রয়োজন।

    নিরপেক্ষতা বজায় রাখা

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission India) স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। ভোটদাতাদের গণতান্ত্রিক অধিকার যাতে লঙ্ঘিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষককে নিরপেক্ষ ও দৃঢ় ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন হবে, তা স্ক্রুটিনি করে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন। এ বার সেই স্ক্রুটিনি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে।

    রিপোর্ট তলব

    ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের যে ৭৭টি বুথে পুননির্বাচনের আবেদন জানানো হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে, ফলতা বিধানসভার ৩২টি, ডায়মন্ড হারবারের ২৯টি, বজবজের ৩টি এবং মগরাহাট পূর্ব বিধানসভার ১৩টি। বিশেষ পর্যবেক্ষকের কাছ থেকে প্রতিটি বিতর্কিত বুথের বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন (Election Commission India)। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে যে, নির্দিষ্ট কোন কোন কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে।

    নির্দেশিকা

    নির্বাচনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই কমিশনের (Election Commission India) প্রাথমিক লক্ষ্য। অশান্তি বা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠা বুথগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের ডায়েরিও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। জনমতের সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে এবং নির্বাচনকে ত্রুটিমুক্ত রাখতে নির্বাচন কমিশন যে অত্যন্ত তৎপর ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে, এই নির্দেশ তারই প্রতিফলন। এর সবকটাতেই পর্যবেক্ষণে থাকবেন সুব্রত গুপ্ত (Subrata Gupta)।

    আর তাই ভোট পরবর্তী পর্যালোচনার (Scrutiny) জন্য ডায়মন্ড হারবারে সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। তাঁর উপস্থিতিতেই বিতর্কিত বুথগুলোর নথিপত্র এবং ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অভিযোগের গুরুত্ব বিচার

    ভোটগ্রহণের দিন ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি, ছাপ্পা ভোট এবং বিরোধীদের এজেন্টদের বাধা দেওয়ার একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। এই অভিযোগগুলো কতটা সত্য, তা যাচাই করতেই কমিশন এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।

    কমিশনের (Election Commission India) নির্দেশে স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া চলাকালীন সংশ্লিষ্ট এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি বুথের প্রিসাইডিং অফিসারের ডায়েরি, ১৭-সি ফর্ম এবং সিসিটিভি ফুটেজ অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। যদি স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় কোনও বুথে বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট বুথগুলোতে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারে কমিশন।

    নিরপেক্ষতার আশ্বাস

    সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা এবং নির্বাচনের পবিত্রতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও প্রকার আপস করবে না, বিশেষ পর্যবেক্ষকের এই সফর এবং তৎপরতা তারই ইঙ্গিত দেয়। ডায়মন্ড হারবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ওঠা বিতর্ক নিরসনে এবং নিরপেক্ষ ফলাফল নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এখন অত্যন্ত কঠোর ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

    লোকসভার ভোটেও হয়েছিল লুট! 

    উল্লেখ্য এইসব এলাকা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এখানে গত লোকসভার ভোটে ৭ লাখের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। বিজেপির অবশ্য দাবি, এই লোকসভার কোথাও ভোট হয়নি। মানুষকে বুথে পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি। জাহাঙ্গীর, শাহজাহানের অনুচরা বিরাট মাত্রায় ভোট লুট করেছিল বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। একই ভাবে ২৯ এপ্রিল ফলতায় ভোট দিতে গিলে ইভিএমে টেপ লাগিয়ে বিজেপির প্রতীককে ঢেকে দেওয়া হয়। এরপর সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আপাতত নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকার সঠিক ভাবে যাতে হয় কমিশনের এটাই এখন প্রাথমিক লক্ষ্য।

  • Election Commission India: ইভিএম রাখা স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষায় বিশাল বাহিনী মোতায়েন কমিশনের

    Election Commission India: ইভিএম রাখা স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষায় বিশাল বাহিনী মোতায়েন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (Election Commission India) ফলাফল ঘোষণার প্রাক্কালে স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রগুলোর (Evm Strong Room) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভূতপূর্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে ইভিএম বদল করে দেওয়ার একাধিক ইস্যুতে বিজেপির তরফে বার বার অভিযোগ করা হচ্ছে। প্রত্যেক জেলার গণনাকেন্দ্রগুলিকে নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। গণনায় যাতে কোনও কারচুপি না হয় তা নিয়ে এখন ঠেকে কমিশন ভীষণ কড়া ভূমিকায় ময়দানে রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন (Election Commission India)

    ভোট শেষ হওয়ার পর ইভিএম (Evm Strong Room) রাখা স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের লক্ষ্য হল, ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে কোনও প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা কারচুপির আশঙ্কা নির্মূল করা। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় আগে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও এখন সেই সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে মোতায়েন থাকা ২০০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ১০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি বিএসএফ, ১৫ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ১৫ কোম্পানি এসএসবি।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে (Election Commission India) প্রতিটি স্ট্রং রুমের বাইরের পরিধিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা চব্বিশ ঘণ্টা পাহারায় থাকবেন। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি গতিবিধির ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হবে। এ বার ২৯৪টি আসনের ভোট গোনা হবে মোট ৮৭টি কেন্দ্রে। এক এক জেলায় গণনা কেন্দ্র ঠিক করা হয়েছে। এই তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ভোটগণনা হয়েছিল ৯০টি কেন্দ্রে। ২০২১ সালের নির্বাচনে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয় ১০৮টি।

    উত্তর ২৪ পরগনায় কত কেন্দ্র?

    নির্বাচনে (Election Commission India) জেলাগুলির মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই জেলায় ৩৩ বিধানসভায় মোট গণনা কেন্দ্র ৮টি। এগুলি হল- বারাসত কলেজ, বারাসত পিয়ারিচরণ সরকার হাই স্কুল, বসিরহাট হাই স্কুল, বসিরহাট পলিটেকনিক কলেজ, বিধাননগর কলেজ, বনগাঁর দীনবন্ধু মহাবিদ্যালয়, পানিহাটির গুরুনানক কলেজ ক্যাম্পাস এবং ব্যারাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১২টি কেন্দ্র

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি আসনের (Election Commission India) ভোট গোনা (Evm Strong Room) হবে ১২টি কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রগুলি হল ঠাকুরপুকুরের বিবেকানন্দ কলেজ, কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয়, আলিপুরের হেস্টিংস হাউস কমপ্লেক্সের স্টেট ইনস্টিটিউট অফ ফিজিক্যাল এডুকেশন ফর উইমেন, হেস্টিংস হাউসের সিস্টার নিবেদিতা সরকারি জেনারেল ডিগ্রি কলেজ, মাল্টিপারপাস গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল, ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন ফর উইমেন, কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজ কলেজ, ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রতচারী বৃদ্ধাশ্রম হাই স্কুল, ক্যানিংয়ের বঙ্কিম সর্দার কলেজ, যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজ।

    কলকাতায় ৫টি কেন্দ্র

    কলকাতার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গোনা (Evm Strong Room) হবে পাঁচটি কেন্দ্রে। এগুলি হল- বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে বাবা সাহেব অম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়, বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম, শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল, ডায়মন্ড হারবার রোডের সেন্ট থমাস বয়েজ স্কুল। ভোটগণনা (Election Commission India) হবে।

    উত্তরবঙ্গে গণনা কেন্দ্র

    উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি আসনের গণনা (Evm Strong Room) হবে আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে। জলপাইগুড়ির সাতটি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে হবে— উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস এবং পরিমল মিত্র স্মৃতি মহাবিদ্যালয়। কালিম্পঙের একটি আসনের গণনা হবে স্কটিশ উইনিভার্সিটিস মিশন ইনস্টিটিউশন। ঝাড়গ্রামের চারটি আসনের গণনা হবে রানি ইন্দিরা দেবী সরকারি স্কুলে।

    এ ছাড়া, কোচবিহারের ন’টি আসনের গণনা পাঁচটি কেন্দ্রে, দার্জিলিঙের পাঁচটি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, উত্তর দিনাজপুরের ন’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, দক্ষিণ দিনাজপুরে ছ’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, মালদহের ১২টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে, মুর্শিদাবাদের ২২টি আসনের গণনা ছ’টি কেন্দ্র।

    নদিয়া সহ রাঢ়বঙ্গে কত গণনা কেন্দ্র

    নদিয়ার ১৭টি আসনের গণনা (Evm Strong Room) চারটি কেন্দ্রে, হাওড়ার ১৬টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, হুগলির ১৮টি আসনের গণনা ছ’টি কেন্দ্রে, পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫টি আসনের গণনা চারটি কেন্দ্রে, পুরুলিয়ার ন’টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, বাঁকুড়ার ১২টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, পূর্ব বর্ধমানের ১৬টি আসনের গণনা তিনটি কেন্দ্রে, পশ্চিম বর্ধমানের ন’টি আসনের গণনা দু’টি কেন্দ্রে এবং বীরভূমের ১১টি আসনের গণনা তিনটে কেন্দ্রে হবে।

    কমিশনের লক্ষ্য

    নির্বাচনের (Election Commission India) সামগ্রিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে এবং জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাতে কমিশন বদ্ধপরিকর। গণনার দিন যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে, তার জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশকেও বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সংক্ষেপে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রতিটি ভোটযন্ত্রের সুরক্ষা এবং গণনা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখাই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান অগ্রাধিকার।

  • West Bengal Elections 2026: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে, জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ বলেছেন, তাঁরাই এখন ভ্যানিশ যাওয়ার দোরগোড়ায়”, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    West Bengal Elections 2026: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে, জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ বলেছেন, তাঁরাই এখন ভ্যানিশ যাওয়ার দোরগোড়ায়”, তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বদলেছে”, শেষ দফা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) পর রাজ্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে ঠিক এমনটাই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা এবং রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে তৃণমূলের দৌরাত্ম্য এবং ভোট চুরিকে স্বয়ং পুলিশ কীভাবে রুখে দিয়েছে সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। রাজ্যে তৃণমূলের পালা শেষ শুরু হবে বিজেপির শাসন, ঠিক এমনটাই জানালেন এই বিজেপির প্রবীণ নেতা।

    উল্লেখ্য রাজ্যে দুই দফা নির্বাচনে ৯২.৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। একদিকে তৃণমূলের লাগাম ছাড়া দুর্নীতির কারণে জনমনে ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েইছিল, অপর দিকে এসআইআর ভোটারদের ভোটদানকে ব্যাপক উৎসাহ দিয়েছে। কমিশনের কড়ানজরদারি, বাহিনীর সঠিক ব্যবহার এবং রক্তপাতবিহীন ভোট সত্যই বঙ্গবাসীর জন্য দারুণ উপহার। ফলাফল যাই আসুক মানুষ যে ভোট প্রদান করতে পেরেছেন তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক সন্তোষের চিত্র ধরা পড়েছে। এমনটাও বলছেন অভিজ্ঞ মহল।

    নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা (West Bengal Elections 2026)

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, তৃণমূল কংগ্রেস যাঁকে একসময় ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে বিদ্রূপ করেছিল, সেই কমিশনার অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারকে যারা ভ্যানিশ কুমার বলেছিল তারাই ভ্যানিশ হয়ে যাওয়ার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। উনি এবার দুই দফায় ভোট করে খুব বড় চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন। শান্তিপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক ভোট করে দেখিয়েছেন। চাইলে প্রশাসন অনেক কিছু করতে পারে। শুধু উনি নন, কাল কেন্দ্রীয় আধা সেনা তাদের কর্তব্য করেছে। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশও ভালো কাজ করেছে। পুলিশও চাইছে সুযোগ দেওয়া হোক। কিছু করে দেখাতে চাইছে। যারা কমিশনারকে (West Bengal Elections 2026) বিদ্রূপ করেছিল, তারাই এখন রাজনৈতিকভাবে ‘ভ্যানিশ’ হওয়ার পথে।”

    পুলিশের ভূমিকা

    বিজেপি প্রার্থী প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এই নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকাকে বিশেষ নজরে দেখছেন। তাঁর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশের ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ বা শরীরী ভাষায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। পুলিশ এখন নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ চাইছে এবং প্রশাসন চাইলে যে সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারে, তা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সাফ কথায় বলেন, “পুলিশ সবথেকে বেশি পাবলিক কন্ট্যাক্ট করে। ওরা পাবলিকের গালাগালি খায় মার খায়। আবার ভালো কাজ করলে প্রশংসা পায়। তারাই সবথেকে আগে বুঝতে পারে কি হতে চলেছে। নাহলে কাল কার্তিক ব্যানার্জীকে পুলিশ যেভাবে চমকেছে, সোজা কথা সোজা ভাবে বলেছে, এইভাবে পিঠ সোজা রেখে কথা বলতে আমরা সাম্প্রতিক কালে পুলিশকে দেখিনি। বিষয়টা (West Bengal Elections 2026) আমার খুব ভালো লেগেছে।”

    আগে সরকার পাল্টাক

    পুলিশের এই বদলে যাওয়া মনোভাবকে তিনি রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশও যথাযথভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। একই ভাবে সরকার গঠন এবং মন্ত্রিত্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে জনগণের জন্য নতুন কোনও ইস্যু নেই। আমি সোশ্যাল মিডিয়ার চর্চায় বিশ্বাসী নই। আমি ফেসবুকের বদলে ফেস টু ফেস বেশি ভরসা রাখি। কিছু মানুষ সোস্যাল মিডিয়ায় সরকার গড়ে ভাঙে মন্ত্রিসভা গঠন করে। আমি সরকার চাই। মন্ত্রিত্ব নয়। সরকার হোক। মন্ত্রিসভা (West Bengal Elections 2026) নিয়ে পরে ভাবা যাবে। বাংলার মানুষ আগে সরকার পাল্টাক। কাল থেকে তো আবহাওয়া পাল্টে গেছে। সরকার তো পাল্টাবেই।”

    পুলিশ, পাবলিক, গ্রাম, শহর সবাই পরিবর্তনের কথা বলেছে

    তবে এই অষ্টাদশ নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বাংলার ভোট পর্বে আপামার মানুষ পরিবর্তন চেয়েছেন। তাই দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “প্রথম দফায় ১১০। অমিত শাহ বলে গিয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় কলকাতায় ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ঐতিহাসিক ব্যাপার। বাংলার ভোটের ট্রেন্ড বলে দিচ্ছে পরিবর্তন আসছে। কিন্তু আমি সংখ্যা বলতে পারব না, তবে পর্যাপ্ত সিট আসছেই। পুলিশ, পাবলিক, গ্রাম, শহর সবাই পরিবর্তনের কথা বলেছে। বিহারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বোঝা যায়নি কে জিতবে। সংখ্যা বলা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তবে এমন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাব, যাতে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। বুক ফুলিয়ে সরকার চালানোর মতো মেজরিটি পাব। অন্য দল ভাঙানোর প্রশ্নই নেই। যদি কেউ নিজে থেকে আসতে চায় তাকে সসম্মানে আনা হবে।”

    দিলীপ অবশ্য সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী, তিনি বলেন, ‘‘মানুষ আর শাসক দলকে সমর্থন করবে না। সামগ্রিকভাবে, নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারি এবং পুলিশের ইতিবাচক ভূমিকা এবারের নির্বাচনে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে সাহায্য করেছে।’’ আগামী ৪ এপ্রিল গণনা ওইদিন বোঝা যাবে সরকার কোন দল গঠন করছে।

  • S-400 Triumphal: মে মাসেই ভারতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০ মিসাইল স্কোয়াড্রন! পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েনের সম্ভাবনা, ঘুম উড়বে পাকিস্তানের

    S-400 Triumphal: মে মাসেই ভারতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০ মিসাইল স্কোয়াড্রন! পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েনের সম্ভাবনা, ঘুম উড়বে পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশপথের নিরাপত্তাকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে বড়সড় সুখবর। মে মাসেই ভারতের হাতে আসতে চলেছে চতুর্থ এস-৪০০ (S-400 Triumphal) এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমের স্কোয়াড্রন। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, অত্যাধুনিক এই যুদ্ধাস্ত্রটি দেশের পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েন করা হতে পারে, যা পাকিস্তান ও সংলগ্ন অঞ্চলের আকাশপথের ওপর কড়া নজরদারি (Air Defence System) চালাবে। এবার ঘুম উড়বে শত্রু রাষ্ট্রের।

    প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে নয়া মোড় (S-400 Triumphal)

    রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের এস-৪০০ চুক্তি অনুযায়ী, মোট পাঁচটি স্কোয়াড্রন ভারতের পাওয়ার কথা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সরবরাহে কিছুটা দেরি হলেও, মে মাসের মধ্যেই চতুর্থ স্কোয়াড্রনটির (S-400 Triumphal) সমস্ত অংশ ভারতে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এর আগের তিনটি স্কোয়াড্রন উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে মোতায়েন (Air Defence System) করা হয়েছে, যা চিন ও পাকিস্তান উভয় দিক থেকেই আসা যে কোনও আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম।

    এস-৪০০-এর ক্ষমতা (S-400 Triumphal)

    • পাল্লা: এটি প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে পারে।
    • বহুমুখী লক্ষ্যভেদ: একই সাথে ড্রোন, যুদ্ধবিমান, ব্যালেস্টিক মিসাইল এবং ক্রুজ মিসাইল শনাক্ত ও ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে এই সিস্টেম।
    • প্রযুক্তি: এটি বিশ্বের অন্যতম সেরা সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম (Air Defence System) হিসেবে পরিচিত, যা শত্রু রাডারকেও ফাঁকি দিতে সক্ষম।

    পশ্চিম সীমান্তের গুরুত্ব

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, চতুর্থ স্কোয়াড্রনটি (S-400 Triumphal) পশ্চিম ফ্রন্টে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত কৌশলগত। এর ফলে পাঞ্জাব থেকে শুরু করে রাজস্থান এবং গুজরাট সীমান্ত দিয়ে শত্রুদেশের কোনও অনুপ্রবেশের (Air Defence System) চেষ্টা মুহূর্তে ব্যর্থ করে দেওয়া সম্ভব হবে। আকাশপথে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত নজরদারি চালানোর ক্ষমতার কারণে ভারতের আকাশসীমা কার্যত দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী পঞ্চম তথা শেষ এস-৪০০ স্কোয়াড্রনটি (S-400 Triumphal) ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতে আসার কথা। ভারতের এই ক্রমাগত সামরিক শক্তিশালীকরণ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ (Air Defence System) বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার এবং ভারতীয় বায়ুসেনায় (IAF) এই আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক নয়া উচ্চতায় পৌঁছতে চলেছে।

  • Honeymoon Murder Case: ছোট্ট তথ্যের ভুল! মেঘালয়ে ‘হানিমুন মার্ডার’ মামলায় জামিন পেল মূল অভিযুক্ত সোনম

    Honeymoon Murder Case: ছোট্ট তথ্যের ভুল! মেঘালয়ে ‘হানিমুন মার্ডার’ মামলায় জামিন পেল মূল অভিযুক্ত সোনম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘালয়ের (Meghalaya) পাহাড়ে মধুচন্দ্রিমা করতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছিল রাজা রঘুবংশীর। সেই চাঞ্চল্যকর ‘হানিমুন মার্ডার’ মামলায় (Honeymoon Murder Case) মূল অভিযুক্ত সোনম রঘুবংশী, পেশ করা একটি ছোট তথ্যগত ভুলের (Clerical Error) সুযোগে জামিন পেয়ে গেল। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থার ফাঁকফোকর নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজার পরিবারের তরফে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (Honeymoon Murder Case)

    মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের বাসিন্দা রাজা রঘুবংশী ও সোনম রঘুবংশী বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমায় (Honeymoon Murder Case) গিয়েছিলেন মেঘালয়ে (Meghalaya) । সেখানে একটি গভীর খাদ থেকে উদ্ধার হয় রাজার দেহ। পারিবারিক ব্যবসার প্রাক্তন কর্মী রাজ কুশওয়াহার সঙ্গে মিলে হানিমুনের সময় রাজাকে হত্যা করে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা বলে চালানোর পরিকল্পনা করে। সোনমের উপস্থিতিতেই তিনজন ভাড়াটে খুনি ওয়েই সাওডং জলপ্রপাতের কাছে দা দিয়ে রাজাকে আক্রমণ করে। তারপর তাঁর দেহ ফেলে দেওয়া হয় একটি গিরিখাতে, বন্ধ করে দেওয়া হয় ফোনটি।

    কীভাবে মিলল জামিন?

    আদালতে জামিনের আবেদন চলাকালীন একটি চাঞ্চল্যকর বিষয় সামনে আসে। পুলিশি নথিপত্রে নিম্ন আদালতের আদেশে রাজার মৃত্যুর তারিখ বা সময়ের বর্ণনায় একটি করণীয় ছোট তথ্যগত ভুল ছিল বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তের আইনজীবী সেই তথ্যগত ত্রুটিকে (Honeymoon Murder Case) হাতিয়ার করে দাবি করেন যে, পুলিশের পেশ করা তথ্যে অসঙ্গতি রয়েছে এবং তাঁর মক্কেলকে ভিত্তিহীনভাবে ফাঁসানো হয়েছে। আদালত লক্ষ্য করে যে, মামলার নথিতে থাকা সেই নির্দিষ্ট ভুলটি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের গুরুত্বকে কিছুটা লঘু করে দিয়েছে। এর ফলে আইনি প্রক্রিয়ার নিয়ম মেনে আদালত রাজাকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

    পরিবারের ক্ষোভ

    রাজার পরিবার এই ঘটনায় ভেঙে পড়েছে। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশের গাফিলতি বা নথিপত্র তৈরির সময় অসতর্কতার কারণেই একজন খুনের আসামী (Honeymoon Murder Case) এভাবে মুক্তি পেয়ে গেল। তাঁরা এই জামিনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চতর আদালতে (Meghalaya) যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

    আদালতে পুলিশ জানিয়েছিল, রাজাকে খুনের পর শিলং থেকে বেশ কয়েকটি রাস্তা বদল করে ইন্দোরে পৌঁছয় সোনম। সেখানে ৩-৪ দিন সে তার প্রেমিক রাজ কুশওয়াহার বাড়িতে ছিল। ৩-৪ দিন পর সোনমকে ইন্দোরের দেবাসের একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যায় রাজ। সেখানে পৌঁছে নিজের মোবাইলের সিম খুলে রাজকে দিয়েছিল সেনম। তার জন্য নতুন একটি সিমকার্ডের ব্যবস্থা করেছিল রাজ। এত কিছুর পরেও অবশ্য বেশি দিন গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারেনি সোনম।

    আইনি মহলের প্রতিক্রিয়া

    আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সময় তদন্তকারী আধিকারিকদের তাড়াহুড়ো বা খসড়া তৈরির সময় অসাবধানতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ মামলায় বড় ধরণের ত্রুটি থেকে যায়। এই ‘ক্ল্যারিক্যাল এরর’ বা তথ্যগত ও করণীয় ভুলের সুযোগ নিয়ে অনেক অপরাধীই আইনি সুবিধা পেয়ে যায়, যা এই ক্ষেত্রেও ঘটেছে।

    মেঘালয় (Meghalaya) পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, তারা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে এই ভুল সংশোধন করে জোরালো তথ্য পেশ করা হবে। আপাতত জামিনে মুক্ত হয়ে রাজা রঘুবংশী ইন্দোরে ফিরে গেলেও, তার ওপর একাধিক আইনি বিধিনিষেধ জারি (Honeymoon Murder Case) করা হয়েছে।

  • West Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ‘টেপ’! তৃণমূলকে বিঁধল বিজেপি, পাল্টায় ‘সিংহম’

    West Bengal Elections 2026: ডায়মন্ড হারবারে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকে ‘টেপ’! তৃণমূলকে বিঁধল বিজেপি, পাল্টায় ‘সিংহম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন ফের উত্তপ্ত ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour)। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা এলাকার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে ইভিএম মেশিনে বিজেপির ‘পদ্ম’ প্রতীকের ওপর সেলোটেপ লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। উল্লেখ্য, এই এলাকার তৃণমূল বিধায়ক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আগেই ভয় দেখানোর অভিযোগে সরব হয়েছিলেন আইপিএস অজয়পাল শর্মা। এবার এই ইভিএমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন দাবাং অফিসার।

    ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’ (West Bengal Elections 2026)

    অভিযোগ জানিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে এবং বিজেপিকে ভোট (West Bengal Elections 2026) দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পরিকল্পিতভাবে ইভিএমে পদ্ম প্রতীকের ওপর ব্রাউন টেপ সেঁটে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য টুইট করে এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ’ বলে অভিহিত করেছেন। গেরুয়া শিবিরের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এলাকায় (Diamond Harbour) নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরেই তৃণমূল এই ধরণের ‘নোংরা রাজনীতি’র আশ্রয় নিচ্ছে। বেশ কিছু বুথে নতুন করে ভোটের (Repolling) দাবিও তুলেছে বিজেপি।

    কমিশনের ভূমিকা

    নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) এবং ফলতার বেশ কিছু বুথ থেকে অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং যেখানে ইভিএম বিকৃতির প্রমাণ মিলবে, সেখানে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কমিশনের আধিকারিকরা সংশ্লিষ্ট বুথগুলির প্রিসাইডিং অফিসারদের (West Bengal Elections 2026) কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।

    উত্তেজনা তুঙ্গে

    বুধবার সকাল থেকেই ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির খবর মিলেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। একদিকে যেমন ইভিএম (West Bengal Elections 2026) বিকৃত করার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে শাসকদলের পাল্টা দাবি— ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তৃণমূলের পক্ষেই জনমত দিচ্ছেন।

    তৃণমূলের পাল্টা জবাব

    তৃণমূল কংগ্রেস টেপকাণ্ডের (West Bengal Elections 2026) অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা নিশানা করা হয়েছে বিজেপিকে। বিদ্রুপ করে বলা হয়েছে, “যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তবে ‘সিংহম’ অজয় পালের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান।” উল্লেখ্য, আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে এই দফার জন্য পুলিশ অবজার্ভার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি হার নিশ্চিত জেনে এখন থেকেই অজুহাত খাড়া করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Diamond Harbour) ও কমিশনের কর্তাদের নাম নিচ্ছেন।

LinkedIn
Share