Tag: Ahmedabad

Ahmedabad

  • Air India Plane Crash: ‘‘ঈশ্বরই রেখেছেন, নইলে…’’! বিশ্বাসই হচ্ছে না বিমান দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত যাত্রীর

    Air India Plane Crash: ‘‘ঈশ্বরই রেখেছেন, নইলে…’’! বিশ্বাসই হচ্ছে না বিমান দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত যাত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাখে হরি মারে কে! এই কথা ফের একবার সত্য প্রমাণিত হল আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় (Air India Plane Crash)। বিশ্বাসকুমার রমেশ, এয়ার ইন্ডিয়ার অভিশপ্ত এআই১৭১ বিমানের একমাত্র যাত্রী, যিনি বেঁচে রয়েছেন। প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বাসকুমার রমেশ নামে ওই যাত্রী জানালেন, এয়ার বিমানটি ওড়ার ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই গোটা ঘটনাটি ঘটেছে। একটা জোরালো শব্দ হয়। তার পরেই বিমানটি ভেঙে পড়েছিল। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান ছিল, বিমান দুর্ঘটনায় সম্ভবত সকল আরোহীই নিহত। কিন্তু পরে আমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার জিএ মালিক জানান, এক জন জীবিত রয়েছেন। পুলিশ তাঁকে খুঁজে পেয়েছে। ১১এ আসনের ওই যাত্রী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি। তাঁর চিকিৎসা চলছে।

    চারপাশে শুধুই মৃতদেহ

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৩৮ মিনিট নাগাদ, গুজরাটের মেঘানিনগরে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ড্রিমলাইনার বিমানটি (Air India Plane Crash)। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে টেক অফের ৪ মিনিটের মধ্যে দুর্ঘটনা ঘটে। ১.২৫ লক্ষ লিটারেরও বেশি জ্বালানি ছিল তখন বিমানে। বিজে মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলের ছাদে ভেঙে পড়ার পরই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে জ্বলে যান সকলে। বছর চল্লিশের রমেশ লন্ডনেই থাকেন। গুজরাটে এসেছিলেন পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। গতকাল দাদা অজয় কুমার রমেশের সঙ্গে তিনি লন্ডনে ফিরে যাচ্ছিলেন। সেই যাওয়া আর হয়নি। রমেশ বসেছিলেন জানলার ধারে ১১এ সিটে। ইমার্জেন্সি এক্সিটের ঠিক পাশেই বসায়, বিমানটি ভেঙে পড়তেই ছিটকে বেরিয়ে যান বিশ্বাস। তাতেই রক্ষা পান। রক্ষা পাননি দাদা। তবে ২৪২ জনের মধ্যে একমাত্র তিনিই বেঁচে, এ কথা যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না। হাসপাতালের বিছানা থেকে শুয়ে দুর্ঘটনার পরের মুহূর্ত বর্ণনা করে তিনি বলেন, “আমার চারপাশে শুধু মৃতদেহ ছিল। বিমান টুকরো টুকরো হয়ে আমার চারিদিকে পড়েছিল। হঠাৎ কেউ একজন আমায় টেনে তুলল আর অ্যাম্বুল্যান্সে নিয়ে গেল।”

    ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম

    গুজরাটের সিভিল হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রমেশ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর বুক, চোখ ও পায়ে আঘাত রয়েছে। এমন বিপর্যয় ঘটতে চলেছে, তা কি বিমানে বসে আঁচ করতে পেরেছিলেন রমেশ? উত্তরে তিনি বলেন, “টেক অফের ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে জোরে একটা শব্দ হয়। তারপরই প্লেন (Air India Plane Crash) ক্র্যাশ হয়ে গেল। সব কিছু এত তাড়াতাড়ি হয়ে গেল। বুঝতেই পারিনি। যখন জ্ঞান ফেরে, উঠে দেখি, চারদিকে ছড়িয়েছিটিয়ে পড়ে রয়েছে লাশ। ভীষণ ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। উঠে দাঁড়ানোর পরেই পালাতে শুরু করেছিলাম আমি। সেই সময় কেউ একজন আমাকে ধরে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে দেন। তার পর ওই অ্যাম্বুল্যান্সে করেই আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।”

    ডিএনএ নমুনার প্রয়োজন

    বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডু। তিনি জানিয়েছিলেন, বিমানের সকল আরোহীই নিহত দুর্ঘটনায় (Air India Plane Crash)। ঠিক তার পরেই সংবাদ সংস্থা এএনআই আমেদাবাদের সিপিকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, গোটা ঘটনায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন এক জনই। সিপি বলেন, ‘‘সব মিলিয়ে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। যে হেতু লোকালয়ে বিমান ভেঙে পড়েছে, তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।’’ বিমানটি যে বহুতলে ভেঙে পড়েছে, সেটি ছিল বিজে মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক-পড়ুয়াদের হস্টেল। স্থানীয়দের দাবি, ওই হস্টেলে থাকেন ৫০ জন চিকিৎসক। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমান ভেঙে পড়ায় ওই হস্টেলের পাঁচ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া গোটা বিমানের ভিতরে থাকা যাত্রীদের দেহের এতটাই খারাপ অবস্থা যে শনাক্ত করতে ডিএনএ নমুনার প্রয়োজন। তাই যাত্রীদের পরিবারের কাছে ডিএনএ নমুনা চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

  • Air India Plane Crash: আমেদাবাদে ভেঙে পড়ল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান, অন্তত ২০০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

    Air India Plane Crash: আমেদাবাদে ভেঙে পড়ল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান, অন্তত ২০০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪২ জনকে নিয়ে ওড়ার কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়ল লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহী (Air India Plane Crash) বিমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে আমেদাবাদের (Ahmedabad) মেঘানিনগরে বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট এআই-১৭১। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরের খুব কাছেই উড়ানটি ভেঙে পড়েছে। গুজরাট পুলিশ সূত্রে খবর, ওই বিমানে মোট ২৪২ জন ছিলেন। ২৩০ জন যাত্রী ও ১০ জন কেবিন ক্রু ও ২ জন পাইলট ছিলেন বিমানটিতে। সকলের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা। আপাতত ঘটনাস্থলে গিয়েছে উদ্ধারকারী দল। বিমান দুর্ঘটনার পরপরই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উদ্ধার কাজের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সমস্ত ধরনের সাহায্য করা হবে বলে অমিত শাহের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    বৃহস্পতিবার দুপুরে আমেদাবাদ এয়ারপোর্ট (Air India Plane Crash) থেকে টেক অফ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে লন্ডনগামী যাত্রীবাহী বিমান। কী কারণে ওই দুর্ঘটনা, তা এখনই জানা যায়নি। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল, অ্যাম্বুল্যান্স ও পুলিশ। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক বিমান বলে এয়ার ইন্ডিয়ার ওই উড়ানে প্রচুর জ্বালানি ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। যেখানে ওই বিমানের শেষ মুহূর্ত ধরা পড়েছে। ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, বিমানটি ওঠার সময় আচমকা অলটিচিউড ড্রপ করে নীচের দিকে নামতে শুরু করে। এরপরই আগুনের গোলায় পরিণত হয়। কালো ধোঁয়ায় ঢেখে যায় চারদিক। স্থানীয় সূত্রে খবর, বিমানবন্দরের অদূরে গোঁত্তা খেয়ে ভেঙে পড়ে বিমানটি। উঁচু থেকে পড়ে যাওয়ায় বিমানটিতে বিস্ফোরণ ঘটে বলে প্রথামিকভাবে মনে করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আমেদাবাদের মেঘানিনগরে বিমানটি যেভাবে জনবহুল এলাকার মাঝে ভেঙে পড়ে, তাতে আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যার জেরে ওই বিমানে থাকা যাত্রীদের বেশিরভাগের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। বেসরকারি সূত্রে খবর, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের যাত্রী ছিলেন গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি-ও।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাস

    ভেঙে পড়ার পরেই বিমানটিতে (Air India Plane Crash) আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকলের অন্তত সাতটি ইঞ্জিন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আপাতত দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশের সমস্ত রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চলছে উদ্ধারকাজ। স্থানীয় সূত্রে খবর, বিমানটি ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই সেটি ভেঙে পড়ে। আমেদাবাদে ভয়াবহ দুর্ঘটনার খবর পেয়েই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এছাড়াও গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশ কমিশনারের সঙ্গেও কথা বলেছেন বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে। কেন্দ্র সরকারের তরফে সমস্তরকম সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছেন শাহ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৪৭ মিনিট নাগাদ আমেদাবাদ থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে বিমানটি। টেক অফের খানিকক্ষণের মধ্যেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ১১ বছরের পুরনো বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানটি। গান্ধীনগর থেকে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৯০ জন সদস্যকে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে দুর্ঘটনাস্থলে। উড়ান সংস্থার তরফেও খতিয়ে দেখা হচ্ছে গোটা ঘটনা। ডিজিসিএর তরফে জানানো হয়েছে, বিমান চালানোর দায়িত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত সভরওয়াল।

  • Chandrayaan 3: চাঁদের মেরুতে বরফ নিয়ে ধারণা বদলে দিল চন্দ্রযান ৩-এর পাঠানো তথ্য, কী আছে তাতে?

    Chandrayaan 3: চাঁদের মেরুতে বরফ নিয়ে ধারণা বদলে দিল চন্দ্রযান ৩-এর পাঠানো তথ্য, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদে (Moon) থাকা বরফ নিয়ে ধারণা পালটে দেওয়ার মতো তথ্য সামনে এসেছে। চন্দ্রযান ৩-এর (Chandrayaan 3) পাঠানো ডেটা থেকে এটা জানতে পারা গিয়েছে। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, চাঁদের মেরু অঞ্চলে অনেক স্থানে পৃষ্ঠের ঠিক নীচে বরফ থাকতে পারে। এর পাশাপাশি, এই বরফের পরিমাণ নিয়ে আগে যে ধারণা করা হয়েছিল তার চেয়েও বেশি বরফ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৩ অগাস্ট চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল চন্দ্রযান ৩।

    রিপোর্ট তৈরি করেছেন দুর্গা প্রসাদ কর্ণম

    আহমেদাবাদে অবস্থিত ভৌতিক গবেষণাগারের ফ্যাকালটি সদস্য দুর্গা প্রসাদ কর্ণম এই রিপোর্টটি তৈরি করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি পিটিআই-কে জানিয়েছেন যে, চন্দ্রপৃষ্ঠের (Chandrayaan 3) তাপমাত্রায় বড় এবং স্থানীয় পরিবর্তনগুলি সরাসরি বরফের সৃষ্টিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই বরফ কণাগুলি দেখে তাদের উৎপত্তি এবং ইতিহাস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সামনে আসতে পারে।

    ‘কমিউনিকেশন্স আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে

    এই সম্পর্কিত রিপোর্টটি ‘কমিউনিকেশন্স আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়ে দুর্গা প্রসাদ কর্ণম বলেছেন, ‘‘এই থেকে আমরা এটাও জানতে পারব যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে চাঁদে (Moon) বরফ জমা হয় এবং চাঁদের পৃষ্ঠে কীভাবে থেকে যায়। এর ফলে এই প্রাকৃতিক উপগ্রহের প্রাথমিক ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে।’’

    চাঁদের পৃষ্ঠে অতি উচ্চ শূন্যতা থাকার কারণে তরল আকারে জল টিকে থাকতে পারে না

    চাঁদে (Chandrayaan 3) বরফ জলে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে পিটিআই-কে দুর্গা প্রসাদ কর্ণম বলেছেন, ‘‘চাঁদের পৃষ্ঠে অতি উচ্চ শূন্যতা থাকার কারণে তরল আকারে জল টিকে থাকতে পারে না। তাই, বরফ তরলে পরিণত হতে পারবে না, বরং বাষ্পে পরিণত হবে।’ কর্ণম বলেছেন, বর্তমান ধারণা অনুযায়ী, চাঁদে অতীতে বসবাস উপযোগী পরিবেশ ছিল না।’’

    ২০২৩ সালের ২৩ অগাস্ট দক্ষিণ মেরুর কাছে ‘সফট ল্যান্ডিং’ করেছিল চন্দ্রযান ৩

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) কর্তৃক বেঙ্গালুরু থেকে উৎক্ষেপিত চন্দ্রযান ৩, ২০২৩ সালের ২৩ অগাস্ট দক্ষিণ মেরুর কাছে ‘সফট ল্যান্ডিং’ করেছিল। এর তিন দিন পর, ২৬ অগাস্ট ‘ল্যান্ডিং’ স্থলের নামকরণ করা হয়েছিল ‘শিব শক্তি পয়েন্ট’। চাঁদের মাটিতে চন্দ্রযানের (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেছিল।

  • HMPV in India: কর্নাটকের পর গুজরাট! দু’মাসের শিশুর দেহে মিলল এইচএমপি ভাইরাস

    HMPV in India: কর্নাটকের পর গুজরাট! দু’মাসের শিশুর দেহে মিলল এইচএমপি ভাইরাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের (Karnataka) পর গুজরাট (Gujarat)। হিউম্যান মেটানিউমো (HMP) ভাইরাসে তৃতীয় আক্রান্তের খোঁজ মিলল। আমেদাবাদের দু’মাস বয়সি এক শিশুর শরীরে মিলল এই ভাইরাস। আক্রান্ত শিশুটি আপাতত চাঁদখেরা এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসার জন্য সম্প্রতি রাজস্থানের দুঙ্গারপুর থেকে আমেদাবাদে পৌঁছেছিল ওই শিশুর পরিবার। সেখানেই সোমবার দুপুরে শারীরিক পরীক্ষার পর শিশুর শরীরে মিলেছে এইচএমপিভি-র সংক্রমণ।

    কেমন আছে আক্রান্তরা

    সোমবার সকালেই বেঙ্গালুরুর দুই শিশুর শরীরে এইচএমপিভি-র সংক্রমণের খবর মিলেছে। প্রথমে আট মাসের এক শিশুর শরীরে ওই ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। পরে তিন মাসের আর একটি শিশুর শরীরেও ভাইরাসের হদিস পাওয়া যায়। খবর প্রকাশ্যে আসতেই আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। তবে কেন্দ্র জানিয়েছে, চিনে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে এইচএমপি ভাইরাসের সংক্রমণের কোনও যোগ রয়েছে কিনা তা এখনই নিশ্চিত হয়ে বলা যাচ্ছে না। রাজ্যবাসীকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়েছে, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। এইচএমপিভি আক্রান্ত দুই শিশুরই অবস্থা স্থিতিশীল। তাদের মধ্যে তিন মাসের শিশুটিকে ইতিমধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্য জনও সেরে ওঠার মুখে।

    এখনই উদ্বেগ নয়

    ভারতে অতীতেও এইচএমপিভি-র সংক্রমণ দেখা গিয়েছে। তবে এই ভাইরাসটির কোনও রূপান্তর হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চিনে ভাইরাসটির যে রূপ ছড়িয়ে পড়েছে, সেটির গঠনের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য মেলেনি। ফলে এটি ভাইরাসের চিনা রূপ নাকি স্বাভাবিক এইচএমপি ভাইরাসের সংক্রমণ, তা এখনও বলা যাচ্ছে না। সাধারণ এইচএমপিভি সংক্রমণে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, কাশি, ঠান্ডা লাগা, ঘাম হওয়া, মাথা ধরা, পেশি ও গাঁটগুলিতে ব্যথা, ক্লান্তি এবং খিদে কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়। তবে সম্প্রতি, যে স্ট্রেইন চোখে পড়েছে তাতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে সদ্যোজাতরাই। তবে এইচএমপিভি-র সংক্রমণ নিয়ে এখনই উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Har Ghar Tiranga: ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান! আহমেদাবাদের রাস্তায় হাঁটলেন অমিত শাহ

    Har Ghar Tiranga: ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান! আহমেদাবাদের রাস্তায় হাঁটলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই আহমেদাবাদে হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) অভিযানে সামিল হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এই কর্মসূচিতে আহমেদাবাদে ২,১৫১ ফুট লম্বা তিরঙ্গা সহযোগে পদযাত্রা হয়। তিরঙ্গা যাত্রায় সমাজের সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। হর ঘর তিরঙ্গা অভিযান সম্পর্কে অমিত শাহ এর পরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘দেশের যুবসমাজের মধ্যে জাতীয়তাবাদের চেতনাকে জাগিয়ে তোলার জন্যই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আমি সমস্ত গুজরাটবাসীকে অনুরোধ করছি যে ১৫ অগাস্ট রাজ্যের একটি বাড়িও যেন জাতীয় পতাকা ছাড়া না থাকে। আগামী ২৫ বছর আমাদের অমৃত কাল। এই সময় ভারতকে বিশ্বগুরু বানাতে যুব সমাজকে একত্রিত হতে হবে।’’

    চাঁদেও উড়ছে তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) 

    মঙ্গলবার আহমেদাবাদে তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশের জাতীয় পতাকা বর্তমানে চাঁদে উড়ছে। এই কৃতিত্ব অন্য কোনও দেশ অর্জন করতে পারেনি। আমরা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইতে জয়ী হয়েছি। করোনাকালে আমাদের কোভিড ভ্যাকসিন বিশ্বজুড়ে লড়াইতে নেতৃত্ব দিয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, বুধবারও নিজের দিল্লির বাসভবনের ছাদে জাতীয় পতাকা উত্তোলন (Har Ghar Tiranga) করেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    গত ৯ অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে কর্মসূচি

    প্রসঙ্গত, হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি গত ৯ অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে, তা চলবে আগামীকাল অর্থাৎ ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত। দেশজুড়ে এই অনুষ্ঠানে নাগরিকদের সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এই প্রচার অভিযানে অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীকেও। দেশের সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। দলীয়ভাবে বিজেপিও এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে।

    রাজকোটে ১০ অগাস্ট হাজির ছিলেন নাড্ডা

    গত ১০ অগাস্ট বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা গুজরাটের রাজকোটে তিরঙ্গা যাত্রার (Har Ghar Tiranga) উদ্বোধন করেন। সেই সময় তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘‘নতুনভাবে ভারত তৈরি হচ্ছে। দেশের স্বাধীনতা খুব সহজে আসেনি। হাজার হাজার সৈন্য এবং লক্ষাধিক পরিবার তাঁদের প্রিয়জনদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, ব্যক্তি স্বার্থের ওপরেই দেশকে রেখেছেন তাঁরা।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য। দূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতি বছর ভারতে মৃত্যু হচ্ছে ৩৩ হাজার মানুষের। সম্প্রতি ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ জার্নাল’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দূষণ সংক্রান্ত সমীক্ষার রিপোর্টে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা সহ ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে (Indian Cities) প্রতি বছর বায়ুদূষণের বলি হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। তাই দূষিত বায়ুর (Air Pollution) বিপদ থেকে নাগরিকদের বাঁচানোর জন্য অবশ্যই হু-র দেওয়া নির্দেশিকা মেনে চলা উচিত ভারতের, এমনটাই জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। গবেষণাটি সাসটেইনেবল ফিউচার কোলাবোরেটিভ, অশোকা ইউনিভার্সিটি, সেন্টার ফর ক্রনিক ডিজিজ কন্ট্রোল, সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট, হার্ভার্ড এবং বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

    ঠিক কী জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে? 

    সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে বায়ুদূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতিবছর ৩৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ওই ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে বায়ুদূষণের কারণে দৈনিক মৃত্যুর হার ৭ শতাংশেরও বেশি। এই শহরগুলির (Indian Cities) তালিকায় রয়েছে কলকাতা, আমেদাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বই, পুণে, সিমলা, এবং বারাণসী। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর নিরিখে শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী শহর দিল্লি, যেখানে প্রতি বছর ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বই। এখানে মৃত্যু সংখ্যা ৫ হাজার ১০০। আর কলকাতায় সেই সংখ্যা ৪ হাজার ৭০০। অন্যদিকে,  চেন্নাইয়ে বায়ুদূষণের কারণে বছরে ২ হাজার ৯০০ জন মানুষ মারা যান। বেঙ্গালুরুতে সেই সংখ্যা ২ হাজার ১০০ এবং বারাণসীতে ৮৩০। মৃত্যুর নিরিখে তালিকায় সবচেয়ে নিচে রয়েছে সিমলা, যেখানে বছরে বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ৫৯।  

    আরও পড়ুন: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    এর থেকে বাঁচার উপায় কী? (Air Pollution) 

    এ প্রসঙ্গে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সহ-লেখক জোয়েল শোয়ার্টজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ”এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ভারতের যা পরিস্থিতি সেখানে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণই একমাত্র পথ। একমাত্র বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই প্রতি বছর কয়েক হাজার জীবন বাঁচাতে পারে। অন্যান্য দেশে যেভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ হয়, সে সব পদ্ধতিগুলি ভারতে জরুরীভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন।” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ জানিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রায় সকলেই বায়ুদূষণের (Air Pollution) প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণে দূষিত বায়ু গ্রহণ করে, যা স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এর ফলেই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। 
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Droupadi Murmu: কেন্দ্রীয় সরকার শীঘ্রই বুলেট ট্রেনের প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করবে, জানালেন দ্রৌপদী মুর্মু

    Droupadi Murmu: কেন্দ্রীয় সরকার শীঘ্রই বুলেট ট্রেনের প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করবে, জানালেন দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার শীঘ্রই ভারত জুড়ে বুলেট ট্রেনের প্রকল্পকে পর্যালোচনা করবে। একই সঙ্গে সেগুলিকে বাস্তবায়নের কাজে সবরকম সমীক্ষাকে দ্রুত গতি প্রদান করা হবে। সরকার দেশের উত্তর, দক্ষিণ এবং পূর্ব প্রান্তে বুলেট ট্রেন করিডোরের জন্য সম্ভাব্য পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের পর সংসদের যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) ভাষণে উল্লেখ করে এই কথা বলেছেন। কীভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসাবে রেল পরিষেবাকে আরও গ্রহণযোগ্য, আধুনিক এবং নিরাপদ করা যায়, এই বিষয়ে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তিনি। উল্লেখ্য এদিন রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের পরে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় ১৯৭৫ সালের জাতীয় জরুরি অবস্থার কালা অধ্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

    কী বলেছেন রাষ্ট্রপতি (Droupadi Murmu)?

    দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) বলেছেন, “ভারত দ্রুত উন্নত রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও দ্রুতগতি প্রদান করা হচ্ছে। আমার সরকার দেশের উত্তর, দক্ষিণ এবং পূর্বে বুলেট ট্রেন করিডোরের জন্য সম্ভাব্য সমীক্ষা এবং অধ্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আমেদাবাদ এবং মুম্বইয়ের মধ্যে চলমান হাই-স্পিড বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এই দুই শহরের মধ্যে হাই-স্পিড রেলের পরিকাঠামোর কাজও দ্রুত গতিতে সম্পাদন করা হচ্ছে। ৫০৮ কিমি আমেদাবাদ-মুম্বই হাই-স্পিড করিডোরটি দেশের প্রথম একটি বুলেট ট্রেন হবে, যা ৩২০  কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে চলবে। পৌঁছাতে সময় লাগবে মাত্র ২ ঘন্টা ৭ মিনিট। মুম্বই থেকে আমেদাবাদের মধ্যে মধ্যবর্তী স্টপেজ হবে সুরাট, ভাদোদরা।”

    আরও পড়ুনঃ বৈদেশিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে বিদেশী সামরিক কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিল ভারত

    আর কী বললেন?

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) এদিন আরও বলেছেন, “ন্যাশনাল হাই-স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড এই বুলেট ট্রেনের রেল প্রকল্পটি নির্মাণ করছে। ২০২৬ সালের অগাস্টের মধ্যে সুরাট এবং বিলিমোরার মধ্যে তার প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমকে বিশ্বের অন্যতম সেরা করার জন্য সরকারের এই প্রচেষ্টা। গত ১০ বছরে দেশের মোট ২১টি শহরে মেট্রো পরিষেবা পৌঁছে গিয়েছে। বর্তমানে বন্দে মেট্রোর মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে কাজ চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shah Rukh Khan: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন শাহরুখ, কেমন আছেন কিং খান?

    Shah Rukh Khan: হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন শাহরুখ, কেমন আছেন কিং খান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুস্থ আছেন কিং খান। ২২ মে ডিহাইড্রেশনের কারণে শাহরুখ খানকে (Shah Rukh Khan) আমেদাবাদের কেডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকালেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন অভিনেতা। এদিন সকালেই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান স্ত্রী গৌরী খান। প্রথমে মনে করা হয়েছিল বাদশাকে মুম্বইয়ের কোনও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে। তারপর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এখন তিনি ঠিক আছেন, তাই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, চিকিৎসকরা শাহরুখকে (Juhi meets Shah Rukh) পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে বলেছেন। 

    শাহরুখকে দেখতে হাসপাতালে জুঁহি

    কলকাতা নাইট রাইর্ডাসের খেলা দেখতে মঙ্গলবারই আমেদাবাদে হাজির হন শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan)। সারাদিন প্রায় মাঠেই ছিলেন শাহরুখ। নাইট রাইডার্স জেতার পর মাঠে নেমে উদ্‌যাপন করতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। বুধবার দুপুরে আমদাবাদের কেডি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। জানা যাচ্ছে অতিরিক্ত গরমের কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে পৌঁছে যান তাঁর স্ত্রী গৌরী খানও। শাহরুখের বন্ধু তথা কেকেআর-এর সহ-মালিক অভিনেত্রী জুহি চাওলাও (Juhi meets Shah Rukh)হাসপাতালে যান। জুহি জানান, শাহরুখ সুস্থ আছে। ভক্তদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। সপ্তাহান্তে আইপিএল ফাইনালে চিপকের গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে অনুরাগীদের সঙ্গেই নাইটদের চিয়ার করবেন তিনি।

    কেন অসুস্থ কিং খান 

    সূত্রের খবর, আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে প্রচণ্ড গরমে বাদশা অসুস্থবোধ করেন। তাঁর লু লেগে গিয়েছে, শরীরে জলের পরিমাণ কমে আসায় আর দেরি না করে হাসপাতালে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার স্টেডিয়ামে শাহরুখের (Shah Rukh Khan) সঙ্গেই উপস্থিত ছিলেন কন্যা সুহানা ও পুত্র আব্রাম। ছিলেন অনন্যা পাণ্ডে এবং শানায়া কপূরও। উল্লেখ্য, বুধবার সুহানার জন্মদিন। মেয়ের জন্মদিনে শাহরুখের অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই অনুরাগীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা যায়। অনেকেই সমাজমাধ্যমে অভিনেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। অবশেষে ভক্তদের প্রার্থনায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ির পথে বাদশা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: কেকেআর-হায়দরাবাদ প্লে-অফ ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা, জিতলেই ফাইনালে, খেলা বাতিল হলে?

    IPL 2024: কেকেআর-হায়দরাবাদ প্লে-অফ ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা, জিতলেই ফাইনালে, খেলা বাতিল হলে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের ইতিহাসে প্রথমবার লিগ শীর্ষে নাইটরা। আজ, মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল ২০২৪-এর প্লেঅফ পর্বের খেলা। প্রথম কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হতে চলেছে কলকাতা ও হায়দরাবাদ। মেগা ম্যাচ ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা, সঙ্গে থাকছে বৃষ্টির সম্ভাবনাও। এদিন নাইটদের হয়ে গলা ফাটাবে আমেদাবাদ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শহরে কলকাতার সমর্থকই বেশি থাকবে বলে মনে করছে ক্রিকেট প্রেমীরা। গ্যালারি মাতাতে ইতিমধ্যেই শহরে পৌঁছে গিয়েছেন কিং খান।

    কেকেআর-এর চিন্তা

    এই ম্যাচের আগে কেকেআরের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা ওপেনিং পার্টনারশিপ। আইপিএলের শুরু থেকে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন কেকেআরের দুই ওপেনার ফিল সল্ট ও সুনীল নারিন। দুজনের ঝোড়ো ব্যাটিং পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচের রাশ তুলে দিচ্ছিল নাইটদের হাতে। কিন্তু ইংল্যান্ডের জাতীয় দলে যোগ দিতে দেশে ফিরে গিয়েছেন সল্ট। তাঁর পরিবর্তে কে হবেন নারিনের সঙ্গী? সম্ভবত রহমানউল্লাহ গুরবাজ। আফগান তারকার সামনে এটা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। প্লে-অফে জয়ী দল সাধারণত কেউ বদলাতে চায় না। কিন্তু এক্ষেত্রে কেকেআরকে বাধ্য হয়ে প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে হবে।

    বৃষ্টির সম্ভাবনা

    আইপিএলের শেষ পর্বে এসে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টি। বিগত কয়েক দিনে বাতিল হয়েছে একাধিক ম্যাচ। বেড়েছে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচের সংখ্যাও। বাতিল হওয়া ম্যাচের মধ্যে ২টি ম্যাচ কেকেআরের। আমেদাবাদেই গত দুটি ম্যাচ পণ্ড হয়েছে। বাতিল হয়েছে কেকেআর বনাম গুজরাট ম্যাচ। তবে, প্রথম কোয়ালিফায়ার যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় তাহলে ফাইনালে চলে যাবে কলকাতা। কারণ কোয়ালিফায়ারে রিজার্ভ ডে নেই। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায়, তাহলে যে দল লিগ টেবিলে শীর্ষে থাকবে, তারা সরাসরি ফাইনালে পৌঁছে যাবে। আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলটাকে খেলতে হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ। ফলে কেকেআর বনাম হায়দরাবাদ ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে ফাইনালে চলে যাবে কেকেআর।

    ম্যাচের খুঁটিনাটি

    ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা ৭.৩০, তার আধ ঘণ্টা আগে হবে টস। টিভিতে স্টার স্পোর্টস নেটওয়ার্কে দেখা যাবে ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার। যাঁরা টিভির সামনে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন না, তাঁরা স্মার্টফোনে বা ল্যাপটপে জিও সিনেমা অ্য়াপেও দেখতে পাবেন ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার 

    কেকেআরের সম্ভাব্য একাদশ: রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), সুনীল নারিন, নীতিশ রানা, শ্রেয়স আইয়ার (অধিনায়ক), ভেঙ্কটেশ আইয়ার, আন্দ্রে রাসেল, রমনদীপ সিং, মিচেল স্টার্ক, হর্ষিত রানা, বরুণ চক্রবর্তী। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার: বৈভব অরোরা, মনীশ পাণ্ডে।

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সম্ভাব্য একাদশ: ট্রেভিস হেড, অভিষেক শর্মা, নীতিশ কুমার রেড্ডি, হেনরিক ক্লাসেন (উইকেটকিপার), আবদুল সামাদ, শাহবাজ আহমেদ, সনবীর সিং, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ভুবনেশ্বর কুমার, জয়জেব উনাদকাট, মায়াঙ্ক মার্কান্ডে। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার: টি নটরাজন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024 Phase 3: গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভোট দিলেন, সঙ্গে বার্তাও

    Lok Sabha Election 2024 Phase 3: গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল প্রধানমন্ত্রী মোদি, ভোট দিলেন, সঙ্গে বার্তাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলছে তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024 Phase 3)। আজ, মঙ্গলবার চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে ১০ রাজ্য এবং ১ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ৯৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। এদিন সকালেই গুজরাটের গান্ধিনগরের নিশান হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi Casts Vote)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷

    মোদির বার্তা

    এদিন সকালে তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024 Phase 3) পর্বে দেশবাসীক রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের আহ্বান জানান মোদি৷ লেখেন, ‘আজ যাঁরা ভোট দেবেন, তাঁদের সবাইকে রেকর্ড সংখ্যক ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি৷ তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অবশ্যই নির্বাচনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে৷’

    এদিন সকাল ৭টা নাগাদ ভোট দেওয়ার জন্য গুজরাটের রাজভবন থেকে বের হন প্রধানমন্ত্রী৷ গান্ধিনগরের বুথের বেশ কিছুটা দূরেই থেমে যায় তাঁর কনভয়৷ সেখান থেকে খালি পায়ে হেঁটেই বুথের ভিতরে প্রবেশ করেন মোদি৷ সেখানে আগে থেকেই পৌঁছে গিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷  প্রধানমন্ত্রী পৌঁছনোর পরে তাঁকে সঙ্গে নিয়েই দু’জনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভিতরে যান। সকাল  ৭টা বেজে ৪৩ মিনিটে ভোট দান (Narendra Modi Casts Vote) করেন প্রধানমন্ত্রী৷ 

    বিলোলেন অটোগ্রাফ

    প্রধানমন্ত্রী ভোট (Lok Sabha Election 2024 Phase 3) দিতে যাওয়ার পথে নিশান হাইস্কুলের বাইরে থাকা আমজনতার ভিড় থেকে বারবার আওয়াজ উঠছিল ‘ওয়ান অটোগ্রাফ প্লিজ’৷ প্রধানমন্ত্রী তাতে সাড়া দিয়ে আমজনতার থেকে দেওয়া এক সাদা পেপারে নাম লিখলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি’৷ পাশে ছিলেন অমিত শাহ ৷

    ভোট দেওয়ার পর মোদি বুথ কেন্দ্রের বাইরে বেরিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের প্রমাণও দেখান৷ ভোট দেওয়ার পরে সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন,“আজ লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোট। আমি দেশবাসীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি, তাঁরা যেন বেশি সংখ্যায় ভোট দেন। সকলে মিলে গণতন্ত্রকে উৎসবের ন্যায় পালন করুন৷ আমাদের দেশে ‘দান’-এর গুরুত্ব অপরিসীম এবং সেই চেতনাকে সঙ্গী করেই যথাসম্ভব বেশি ভোটদানের আহ্বান রাখছি দেশবাসীর কাছে। ৪ দফা ভোট এখনও বাকি। গুজরাটের একজন ভোটার হিসেবে, এটাই একমাত্র জায়গা যেখানে আমি নিয়মিত ভোট দিযে আসছি এবং অমিত ভাই এখান থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন… ’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share