Tag: Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad

Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad

  • RSS: অন্ধ্রপ্রদেশে সংঘ-প্রাণিত ৩২ সংগঠনের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক, আলোচনায় জনসংখ্যার ভারসাম্য-পঞ্চ পরিবর্তন

    RSS: অন্ধ্রপ্রদেশে সংঘ-প্রাণিত ৩২ সংগঠনের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক, আলোচনায় জনসংখ্যার ভারসাম্য-পঞ্চ পরিবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রেরণায় পরিচালিত বিভিন্ন সংগঠনের বার্ষিক অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠক (RSS) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম জেলার গুডিলোভায়। আগামী ১৯ থেকে ২১ অগাস্ট এই (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak) তিন দিন ধরে হবে এই বৈঠক। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, দিনগুলি যুগাব্দ ৫১২৮, বিক্রম সংবৎ ২০৮৩ এবং শ্রাবণ শুক্ল সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী।

    বৈঠকে অংশ নেবে কারা (RSS)

    এই বৈঠকে সংঘের প্রেরণায় পরিচালিত মোট ৩২টি সংগঠন অংশ নেবে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির অখিল ভারতীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন সম্পাদক এবং নির্বাচিত পদাধিকারীরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই সংগঠনগুলি দেশের সামাজিক জীবনে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে। জনজীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে জনসচেতনতা গড়ে তোলা এবং ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনগুলি। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলি নিজেদের কাজের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ ও মতামত পেশ করা হবে। সব সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতাকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হবে। জনকল্যাণ এবং নীতি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতামত বিনিময় হওয়ার কথা রয়েছে।

    বৈঠকে আলোচ্যসূচি

    বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বৈঠকের আলোচনায় ঠাঁই পাবে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতা, নেশামুক্তি, যুবসমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, ‘পঞ্চ পরিবর্তন’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে উন্নয়নের ধারণা (RSS)। বৈঠকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে, সমস্ত সহ-সরকার্যবাহ এবং অখিল ভারতীয় কার্যবিভাগের প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak)। বৈঠকে ভারতীয় মজদুর সংঘ, ভারতীয় কিষান সংঘ, ভারতীয় জনতা পার্টি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ, সক্ষম এবং রাষ্ট্র সেবিকা সমিতি-সহ ৩২টি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীরা অংশ নেবেন (RSS)।

     

  • ABVP: কেরলে এবিভিপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক শুরু, শিক্ষা থেকে জাতীয় স্বার্থ আলোচনায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    ABVP: কেরলে এবিভিপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক শুরু, শিক্ষা থেকে জাতীয় স্বার্থ আলোচনায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এর্নাকুলামে ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) দু’দিনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক। বৈঠকের উদ্বোধন করেন এবিভিপির (ABVP) জাতীয় সভাপতি অধ্যাপক রঘুরাজ কিশোর তিওয়ারি, জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি এবং জাতীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশিস চৌহান। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এবিভিপির প্রবীণ পদাধিকারী ও প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। কেরলের ঐতিহ্যবাহী পঞ্চবাদ্য বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশনা এবং প্রাণবন্ত পুলিকলি লোকনৃত্যের মাধ্যমে প্রতিনিধিদের স্বাগত জানানো হয়।

    আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (ABVP)

    কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে শিক্ষা, প্রযুক্তি, পরিবেশ, সেবামূলক কার্যক্রম, খেলাধুলা, শিল্পকলা, সাংগঠনিক বিষয় এবং সমসাময়িক জাতীয় পরিস্থিতি-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ২০২৬ সালের সরকারি পরীক্ষা (অসাধু পদ্ধতি প্রতিরোধ) সংশোধনী আইনে ভারতের রাষ্ট্রপতির সম্মতিকে স্বাগত জানানো হয়। এবিভিপির পক্ষ থেকে একে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে (Pharmacy Commission Bill)। এছাড়াও ২০২৬ সালের জাতীয় ফার্মেসি কমিশন বিল নিয়েও আলোচনা হয়। এই বিলের বিষয়ে এবিভিপি ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের কাছে বিস্তারিত সুপারিশ জমা দিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে গুণমানভিত্তিক, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক এবং কর্মসংস্থানমুখী ফার্মেসি শিক্ষার পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। পাশাপাশি (ABVP) প্রস্তাবিত কমিশনে শিক্ষাক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের পর্যাপ্ত প্রতিনিধিত্ব রাখার দাবিও জানানো হয়েছে।

    জাতীয় সভাপতির বক্তব্য

    বৈঠকে এবিভিপির জাতীয় সভাপতি অধ্যাপক তিওয়ারি বলেন, “জগদগুরু আদি শঙ্করাচার্যের জন্মভূমি এবং সামাজিক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের জন্য পরিচিত কেরলে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়া এবিভিপির কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও কেরলের এবিভিপি কর্মীরা জাতীয় স্বার্থ এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। এই বৈঠক সংগঠনের ভবিষ্যৎ দিশা ও কর্মপরিকল্পনাকে আরও শক্তিশালী করবে।” তিনি বলেন, “শিক্ষার্থী ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে এবিভিপি (ABVP) সব সময় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেছে। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত সমস্যার অর্থবহ সমাধান প্রয়োজন। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সমস্যাকে দেশবিরোধী বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার চেষ্টা কখনও মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদের শক্তিকে সব সময় দেশ গঠনের কাজে পরিচালিত করতে হবে। আগামী দু’দিনে শিক্ষা, সাংগঠনিক অগ্রাধিকার, ছাত্র সংসদ নির্বাচন, সদস্যপদ সম্প্রসারণ, জাতীয় কর্মসূচি এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। এরপর আগামী কয়েক মাসের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।”

    কী বলছেন জাতীয় সাধারণ সম্পাদক?

    এবিভিপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এবিভিপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধান সংলাপ, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের মাধ্যমে হওয়া উচিত। হিংসা, ভাঙচুর বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মসূচির মাধ্যমে নয়।” তিনি বলেন, “পরীক্ষায় অনিয়মের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের দাবি এবিভিপি ধারাবাহিকভাবে জানিয়ে এসেছে। পরীক্ষায় অনিয়মের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন নিষ্ঠাবান ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থীরা। তাই পরীক্ষা-চক্রের সঙ্গে যুক্ত দুর্নীতির চক্র নির্মূল করতে কঠোর আইন, কার্যকর শাস্তি, প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি অত্যন্ত জরুরি।” রাষ্ট্রপতির সম্মতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “২০২৬ সালের সরকারি পরীক্ষা (অসাধু পদ্ধতি প্রতিরোধ) সংশোধনী আইনে রাষ্ট্রপতির সম্মতি এই লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর ফলে সংগঠিত পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং ভারতের (ABVP) পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে (Pharmacy Commission Bill)।”

    জাতীয় ফার্মেসি কমিশন বিল

    জাতীয় ফার্মেসি কমিশন বিল প্রসঙ্গে সোলাঙ্কি বলেন, “ফার্মেসি শিক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সংস্কারের ক্ষেত্রে এই বিল একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আইনটিকে আরও কার্যকর, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক এবং গুণমাননির্ভর করে তুলতে এবিভিপি বিস্তারিত পরামর্শ দিয়েছে। আমরা আশাবাদী, এই সুপারিশগুলি যথাযথ গুরুত্ব পাবে এবং এর ফলে আরও শক্তিশালী ও ভবিষ্যৎ-উপযোগী ফার্মেসি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।” তিনি এও বলেন, “২০২০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে এবিভিপি (ABVP) মানসম্মত শিক্ষা, স্বচ্ছ পরীক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে।”

     

  • JNUSU Elections 2024: ৪ বছর পর সম্পন্ন জেএনইউ-র ভোট, কী বলছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী?

    JNUSU Elections 2024: ৪ বছর পর সম্পন্ন জেএনইউ-র ভোট, কী বলছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ২২ মার্চ দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNUSU Elections 2024) ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে রবিবারই ঘোষণা হবে নির্বাচনের ফলাফল। প্রসঙ্গত, ৪ বছর পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। নির্বাচনে ছাত্র সংসদের সভাপতি পদে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উমেশচন্দ্র আজমিরা। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে এবিভিপি প্রার্থী অর্জুন আনন্দ, সহ-সভাপতি পদে এবিভিপির হয়ে ময়দানে নেমেছেন দীপিকা শর্মা। যুগ্ম সম্পাদক পদের জন্য এবিভিপি প্রার্থী হয়েছেন গোবিন্দ দাঙ্গি। এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থীর কথায় উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দেশদ্রোহী কার্যকলাপের মতো ইস্যু থেকে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সবটাই। প্রসঙ্গত, দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী, অতি বামপন্থী ছাত্রদের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে দেশদ্রোহী কার্যকলাপের। কিছু ক্ষেত্রে তা প্রমাণিতও হয়েছে।

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কী জানালেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী উমেশচন্দ্র আজমিরা (JNUSU Elections 2024) জানিয়েছেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে দুটি উল্লেখযোগ্য ইস্যু রয়েছে। একটি হল ফেলোশিপ এবং অপরটি হল পরিকাঠামোগত উন্নয়ন। এ প্রসঙ্গে উমেশ জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রীরা ফেলোশিপ ঠিক সময়মতো পান না। এছাড়া যে পরিমাণ ফেলোশিপ পান পড়ুয়ারা, তার পরিমাণ অত্যন্ত কম। উমেশ আরও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা অত্যন্ত কম। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশদ্রোহীদের কার্যকলাপ ক্রমশই বেড়ে চলেছে। সাম্প্রতিক অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে (JNUSU Elections 2024) এই ধরনের কার্যকলাপ যথেষ্ট চ্যালেঞ্জেরও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

    মোট ভোটারের সংখ্যা ৭৭৫১

    উমেশ আরও জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো তাঁরা এমনভাবে গড়ে তুলতে চান, যাতে সেখানে বিশ্বমানের সমস্ত সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি তাঁদের লক্ষ্য রয়েছে, অ্যাকাডেমিক ব্লক-২ তৈরি করারও। নির্বাচনে জিতলে আন্তর্জাতিক মানের একটি লাইব্রেরী করারও পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এবিভিপির সভাপতি পদপ্রার্থী (JNUSU Elections 2024)। দিল্লির এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছ’টি নতুন হস্টেল তৈরি করারও কথা জানিয়েছেন উমেশ। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরুর কথা থাকলেও প্রায় ঘণ্টাখানেক পর তা চালু হয়। দুপুরে একঘণ্টার বিরতির পর বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। জেএনইউয়ের ভোটে মোট ভোটারের সংখ্যা ৭৭৫১ পড়ুয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhajanlal Sharma: বসেছিলেন বৈঠকের শেষ সারিতে! তার পরেই ভজনলালকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা

    Bhajanlal Sharma: বসেছিলেন বৈঠকের শেষ সারিতে! তার পরেই ভজনলালকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই বিজেপি ঘোষণা করেছে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভজনলাল শর্মার (Bhajanlal Sharma) নাম। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই মুখ্যমন্ত্রীর পদ পাচ্ছেন ভজনলাল। যদি বাকি দুটি রাজ্যের সঙ্গে তুলনা করা যায় ছত্তিসগড় অথবা মধ্যপ্রদেশ, সেখানে দেখা যাবে মোহন যাদব অথবা বিষ্ণু দেও সাই-দুজনেই প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলেছেন। মোহন যাদব মধ্যপ্রদেশের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন এবং বিষ্ণু দেও সাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু সেদিক থেকে ভজনলাল শর্মা একেবারেই আনকোরা।

    কোনও আভাস পায়নি কেউ-ই

    ভজনলালকে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করে বিজেপি সব বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞকে পাঁচ গোল দিয়ে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। ইতিমধ্যে পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের পরে যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে ভজনলাল শর্মাকে (Bhajanlal Sharma) দেখা যাচ্ছে একেবারে শেষের সারিতে তিনি বসে রয়েছেন। এই ছবি ভাইরাল হয়েছে। খবরে প্রকাশ, মুখ্যমন্ত্রী পদে নাম নির্বাচনের বৈঠকেও একেবারে শেষের সারিতে বসেছিলেন ভজনলাল। সেই সময় তিনি কোনও আভাসই পাননি যে, কিছুক্ষণের মধ্য়েই তাঁর জীবন আমূল পাল্টাতে চলেছে…!

    পরিবারবাদে বিশ্বাস রাখে না বিজেপি

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আসলে এটাই বিজেপি। বিজেপি একটি সাংগঠনিক দল। শৃঙ্খলাপরায়ণ দল। কখনই পরিবারবাদে বিশ্বাস রাখে না। রাজস্থান সহ তিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে সেই নীতিরই প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। এখানে যে কোন কর্মীও সর্বোচ্চ পদপ্রাপ্তির কথা ভাবতে পারেন। তাঁকে নির্দিষ্ট কোনও পরিবার থেকে আসতে হয় না। ব্যক্তি প্রাধান্য এখানে দেখা যায় না। নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সূচনা অবশ্য ছাত্র রাজনীতি থেকে করেছিলেন ভজনলাল শর্মা (Bhajanlal Sharma)। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় ভজনলালের সাংগঠনিক যাত্রা।

    ভজনলাল শর্মা ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে

    তাঁকে মনোনীত করার জন্য ভজনলাল শর্মা ইতিমধ্যে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডাকে। ভজনলাল শর্মা (Bhajanlal Sharma) জিতেছেন সানগানের আসনটি থেকে। কিন্তু তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন, ভরতপুরের বাসিন্দা। সানগানের আসনটি বিজেপির একটি শক্ত ঘাঁটি বলেই পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির শক্তিশালী ভোট ব্যাঙ্ক সেখানে রয়েছে। কখনই সেখানে ৫০ শতাংশের নিচে ভোট নামে না গেরুয়া শিবিরের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share