Tag: Artificial Intelligence

Artificial Intelligence

  • PM Modi: মেনুতে ভারতের বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী, আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন মোদির

    PM Modi: মেনুতে ভারতের বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী, আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Summit)। এখানে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে জড়ো হয়েছেন বিশ্বের বিশিষ্ট রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক ও উদ্ভাবকরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নয়াদিল্লিতে আগত রাষ্ট্রপ্রধানদের সম্মানে বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করেন। ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনটি ২০২৩ সালে হয়েছিল প্রথমবারের মতো। সেবার এই সম্মেলন হয়েছিল ব্রিটেনে। তার পরে এই সম্মেলন হয় ২০২৫ সালে, ফ্রান্সে। তার পর এই হচ্ছে ভারতে। এটি গ্লোবাল সাউথে আয়োজিত প্রথম বড় আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলন।

    নৈশভোজের আয়োজন

    এই হেভিওয়েট অনুষ্ঠানে যাঁরা যোগ দিয়েছেন, তাঁদের জন্য নৈশভোজের মেনু তৈরি করেছেন আইটিসি গ্রুপের শেফরা। ভারত মণ্ডপমের সব সরকারি অনুষ্ঠানের ক্যাটারিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এদেরই। নৈশভোজে ভারতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় রন্ধনশৈলী তুলে ধরা হয়েছে। মেনুতে এবারের সম্মেলনকে বর্ণনা করা হয়েছে,“শীতের শিশিরের মৃদু অবসান ও শান্ত উপভোগের ঋতু; ফসল, আশা ও সম্প্রীতির প্রাচুর্য নিয়ে আগমনের সময়।” বহু-পদ বিশিষ্ট নৈশভোজ শুরু হয় ‘বর্ণিলা’ নামের একটি (PM Modi) স্টার্টার দিয়ে। এতে ছিল বেবি পালং শাকের ক্রিস্প, দইয়ের স্ফিয়ার, তেঁতুল-খেজুর চাটনি, পুরনো দিল্লির মশলা দিয়ে ধনেপাতা রেলিশ এবং জোয়ার ক্রিস্প (AI Summit)। মূল খাবারের মধ্যে ছিল “সস্য”, যা উত্তরাখণ্ডের পাহাড়কে উৎসর্গ করা। এতে ছিল জিআই-ট্যাগযুক্ত মুন্সিয়ারি রাজমা গিলাওয়াত, পাহাড়ি ভাত ও ঝাঙ্গোরা (বার্নইয়ার্ড মিলেট) পুলাও, কুমায়ুনি আলু ও সবজির গুটকে এবং টমেটো-আনারি সস।

    খাবারের বাহার

    এরপর পরিবেশন করা হয় বিভিন্ন ভারতীয় রুটি, তাফতান (তরমুজের বীজ ছড়ানো খামিরযুক্ত রুটি) এবং কাশ্মিরি গিরদা (প্রতিদিন সকালে তাজা বেক করা জনপ্রিয় কাশ্মিরি রুটি)। ডেজার্ট পরিবেশন করা হয় “নিস্বর্গ – নেচার্স ক্রিয়েশন” নামে, যাতে ছিল রসমালাই ট্রেস লেচেস উইন্টারবেরি প্রিজার্ভ-সহ। এটি ছিল মিষ্টি দুধে ভেজানো নরম ও ক্রিমি ছানার কেক স্পঞ্জ, যার সঙ্গে ছিল উইন্টারবেরি কমপোট এবং পার্ল মিলেট স্ট্রুসেল (AI Summit)। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত পানীয়ের মধ্যে ছিল কাশ্মিরি কাহওয়া, ফিল্টার কফি ও দার্জিলিং চা। পাশাপাশি ছিল ইন্ডিয়ান রোজ এবং মিশ্রি গুলকন্দ চকলেট লিফ (PM Modi)।

     

  • PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সম্মেলনের লক্ষ্য হল এআইয়ের ক্ষেত্রে ভারতকে বিশ্বনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যতের কল্পনা করা, যেখানে প্রযুক্তি মানবতার অগ্রগতি সাধন করবে ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (PMO) তরফে জারি করা এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় সম্মেলনস্থল ভারত মণ্ডপমে মোদি অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের নেতাদের স্বাগত জানাবেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি উপস্থিত একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদি (PM Modi)

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির পাশাপাশি ভাষণ দেবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ শিল্পপতিরা। এরপর অন্য নেতাদের সঙ্গে তিনি ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো ২০২৬ পরিদর্শন করবেন, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের প্যাভিলিয়ন। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ ‘লিডার্স প্লেনারি’ অধিবেশনে অংশ নেবেন মোদি। এতে রাষ্ট্রপ্রধান, মন্ত্রী এবং বহুপাক্ষিক সংস্থার প্রবীণ প্রতিনিধিরা এআই সংক্রান্ত জাতীয় ও বৈশ্বিক অগ্রাধিকার—যেমন শাসনব্যবস্থা, পরিকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে তিনি সিইও রাউন্ডটেবিলে অংশ নেবেন। এতে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি ও শিল্পক্ষেত্রের শীর্ষ এক্সিকিউটিভরা সরকারি নেতৃত্বের সঙ্গে বিনিয়োগ, গবেষণা সহযোগিতা, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং এআই ব্যবস্থার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করবেন।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’ (সবার কল্যাণ, সবার সুখ)। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্যই হল এআই ক্ষেত্রে ভারতকে (PM Modi) অগ্রণী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা, যেখানে এআই মানবকল্যাণে কাজ করবে, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে এবং পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখবে। সম্মেলনটি তিনটি স্তম্ভ – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) এবং অগ্রগতি (Progress) -এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাতটি কর্মদলের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই দলগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের বাস্তব প্রভাব তুলে ধরার মতো সুনির্দিষ্ট ফল উপস্থাপন করবে।

    সাতটি মূল থিম

    সাতটি মূল থিম হল, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণে এআই, এআই সম্পদের গণতন্ত্রীকরণ, সামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য অন্তর্ভুক্তি, নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য এআই, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিজ্ঞান, স্থিতিশীলতা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা। এই সম্মেলনে ৫০০-রও বেশি বৈশ্বিক এআই নেতা অংশ নেবেন। এর মধ্যে থাকবেন প্রায় ১০০ জন সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা, ১৫০ জন শিক্ষাবিদ ও গবেষক, এবং ৪০০ জন সিটিও, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দাতব্য সংস্থার প্রতিনিধিরা। এছাড়াও ১০০-রও বেশি সরকারি প্রতিনিধি, যার মধ্যে (AI Impact Summit 2026) ২০-রও বেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং প্রায় ৬০ জন মন্ত্রী অংশ নেবেন (PM Modi)।

     

  • AI Summit 2026: এআই চশমা পরে ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কীভাবে কাজ করে এই ডিভাইস?

    AI Summit 2026: এআই চশমা পরে ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কীভাবে কাজ করে এই ডিভাইস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই চশমা পরে ভারত মণ্ডপমে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট। এআই ডিভাইস পরে ওই সামিটে উপস্থিত হওয়ায় বিশেষভাবে নজর কাড়েন তিনি। ‘সর্বম কাজে’ (Sarvam Kaze) নামে পরিচিত এই যন্ত্রটি দেশীয় স্টার্টআপ সর্বম এআই (Sarvam AI)–এর তৈরি একটি স্বদেশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পণ্য। ডিভাইসটি সামিটে তাৎক্ষণিকভাবে  আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে এবং দায়িত্বশীল এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নীতিনির্ধারক, স্টার্টআপ ও প্রযুক্তি জগতের বিশ্বনেতাদের একত্র করেছে। সর্বম কাজে সম্পূর্ণরূপে ভারতে নকশা ও নির্মিত একটি এআই ওয়্যারেবল হিসেবে বাজারজাত করা হবে, যা প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্রমবর্ধমান প্রবণতার দিকেই ইঙ্গিত করে।

    সর্বম কাজে এআই-চালিত পরিধানযোগ্য ডিভাইস (AI Summit 2026)

    সর্বম কাজে হল চশমার মতো একটি এআই-চালিত পরিধানযোগ্য ডিভাইস, যা তাৎক্ষণিকভাবে শোনে, বোঝে এবং সাড়া দেয়। ব্যবহারকারী কী দেখছেন, সেটিও এটি ধারণ ও বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। প্রচলিত স্মার্টফোন বা কম্পিউটার-নির্ভর এআই ব্যবস্থার তুলনায় এই ডিভাইস এআইকে সরাসরি বাস্তব জগতে নিয়ে আসে—যেখানে কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে এআই ব্যবহার করা যায় এবং ফল দেখা যায় স্ক্রিনে। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে সংস্থাটি এতে একটি চ্যাট ফাংশন যুক্ত করবে। ডেভেলপাররাও এই প্ল্যাটফর্মে নিজেদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারবেন, যা বিভিন্ন শিল্পখাতে নির্দিষ্ট ব্যবহারিক ক্ষেত্র তৈরি করবে। মে মাসে পণ্যটি বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারত মণ্ডপমে প্রদর্শনী পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সর্বম কাজে ডিভাইস পরা অবস্থায় দেখা যায়। সর্বম এআইয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রত্যুষ কুমারের শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল ব্যবহার করে ডিভাইসটির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা পরীক্ষা করছেন। এই উপস্থিতি স্টার্টআপ ও তাদের প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন ভারত নিজস্ব এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে।

    সর্বম এআই

    সর্বম এআই নির্বাচিত সংস্থাগুলির মধ্যে একটি, যা ভারতীয়দের প্রয়োজন মেটাতে স্বদেশি ভিত্তিমূলক এআই মডেল তৈরি করছে। সংস্থাটি ভারতীয় ভাষাভিত্তিক বৃহৎ ভাষা মডেল (LLM) ও স্পিচ মডেল তৈরি করছে। এই মডেলগুলি ভয়েস ইন্টারফেস, নথি প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা এবং নাগরিক পরিষেবা প্ল্যাটফর্ম পরিচালনায় ব্যবহৃত হবে। সম্প্রতি স্টার্টআপটি ‘সর্বম অক্ষর’ চালু করেছে নথি ডিজিটাইজেশনের জন্য, ‘সর্বম স্টুডিও’ চালু করেছে বহুভাষিক কনটেন্ট তৈরির জন্য এবং ‘সারাস ভি৩’ নামে একটি স্পিচ রেকগনিশন মডেল উন্মোচন করেছে, যা ভারতীয় ভাষায় নির্ভুলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

    ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’

    ভারত সরকারের বৃহত্তর ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’-এর অংশ হিসেবে সর্বম কাজে চালু করা হয় মার্চ, ২০২৬-এ, ১০,৩৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে। এই মিশনের আওতায় ৩৮,০০০-এরও বেশি জিপিইউ স্টার্টআপ ও গবেষকদের সহায়তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং ১২টি গোষ্ঠীকে স্বদেশি বৃহৎ ভাষা মডেল নির্মাণের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ১৬ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ এমন উদ্ভাবন প্রদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। দ্রুতগতিতে এআই রোডম্যাপ তৈরির পথে এগোতে গিয়ে ভারত ইতিমধ্যেই সর্বম কাজের মতো বিশ্বমানের স্বদেশি এআই প্রযুক্তি তৈরি করেছে।

     

  • AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকলের ভালোর জন্য, সকলের সুখের জন্য এআই। এমনই মনে করে আধুনিক ভারত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Impact Summit India)-র প্রভাব নিয়ে পাঁচ দিনের সম্মেলন শুরুতে এই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে সকাল সাড়ে ৯টায় এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলন শুরু হওয়ার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে তিনি ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’-এর বার্তা দিয়েছেন। এই সম্মেলনে যোগ দেবেন গুগ্‌লের সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান-সহ কমবেশি ৪০টি সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। যোগ দেবেন ২০টি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা শীর্ষস্থানীয় নেতারা। আগামী বৃহস্পতিবার এই সম্মেলনে বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলন চলাকালীন বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান এবং উদ্যোগপতিদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। এই সম্মেলন চলবে ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি।

    সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়

    সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “এআই নিয়ে আলোচনায় গোটা বিশ্ব সমবেত হয়েছে। আজ থেকে দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ভারত ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এর আয়োজন করছে। আমি রাষ্ট্রপ্রধান, শিল্পকর্তা, উদ্যোগপতি, নীতিনির্ধারক, গবেষকদের এই সম্মেলনে স্বাগত জানাচ্ছি।” একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “এই সম্মেলনের বিষয়বস্তু হল সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়। অর্থাৎ, সকলের ভাল। সকলের সুখ। এটি আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষকেন্দ্রিক উন্নতিতে ব্যবহার করার বিষয়ে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতাকে তুলে ধরে।” এই সম্মেলনের পোশাকি নাম ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেসেরও এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা। এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ মানুষ নাম নথিভুক্ত করেছেন। এঁদের মধ্যে অনেকেই কৃষক এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা মানুষ।

    পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয়

    এটি গ্লোবাল সাউথে আয়োজিত প্রথম আন্তর্জাতিক এআই শীর্ষ সম্মেলন। পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলন নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্পক্ষেত্র এবং জনসম্পৃক্ততা— এই চারটি প্রধান স্তম্ভকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক ও বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নেবেন। আলোচনার মূল বিষয় হবে— গভর্ন্যান্স, ইনোভেশন এবং সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্টে এআইয়ের ভূমিকা। সম্মেলনের ভিত্তি রাখা হয়েছে তিনটি ‘সূত্র’-এর উপর—পিপল, প্ল্যানেট এবং প্রোগ্রেস। এই তিন নীতিই এআই নিয়ে ভারতের সহযোগিতা ও দৃষ্টিভঙ্গির রূপরেখা নির্ধারণ করে।

    কারা কারা যোগ দেবেন সামিটে

    ৭০ হাজার বর্গমিটারের বেশি এলাকা জুড়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো’-তে ৩০টি দেশের ৩০০-র বেশি প্রদর্শক অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১০টি থিম্যাটিক প্যাভিলিয়নে গবেষণা ও পাইলট প্রকল্প থেকে বড় পরিসরে বাস্তব প্রয়োগে এআইয়ের অগ্রগতি তুলে ধরা হবে। এই সম্মেলন ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’ এবং ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। উন্নয়নমুখী এআই ব্যবহারে ভারতের যে জোর, তা এই মঞ্চে আরও স্পষ্ট হবে। লক্ষ্য হল, বৈশ্বিক আলোচনাকে বাস্তব ও মানুষকেন্দ্রিক ফলাফলে রূপ দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে একাধিক দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

    • ১. ভুটান – শেরিং তোবগে, প্রধানমন্ত্রী
    • ২. বলিভিয়া – এডমন্ড লারা মনতানো, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ৩. ব্রাজিল – লুইজ় ইনাসিও লুলা দা সিলভা, প্রেসিডেন্ট
    • ৪. ক্রোয়েশিয়া – আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, প্রধানমন্ত্রী
    • ৫. এস্তোনিয়া – আলার কারিস, প্রেসিডেন্ট
    • ৬. ফিনল্যান্ড – পেট্টেরি অরপো, প্রধানমন্ত্রী
    • ৭. ফ্রান্স – ইমানুয়েল মাক্রঁ, প্রেসিডেন্ট
    • ৮. গ্রিস – কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস, প্রধানমন্ত্রী
    • ৯. গায়ানা – ড. ভররাত জগদেও, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১০. কাজাখস্তান – ওলঝাস বেকতেনভ, প্রধানমন্ত্রী
    • ১১. লিচেনস্টাইন – হেরেডিটারি প্রিন্স অ্যালোয়িস, হেরেডিটারি প্রিন্স অব দ্য প্রিন্সিপ্যালিটি অব লিশটেনস্টাইন
    • ১২. মরিশাস – ড. নাভিনচন্দ্র রামগুলাম, প্রধানমন্ত্রী
    • ১৩. সার্বিয়া – আলেকজ়ান্দার ভুচিচ, প্রেসিডেন্ট
    • ১৪. স্লোভাকিয়া – পিটার পেলেগ্রিনি, প্রেসিডেন্ট
    • ১৫. স্পেন – পেদ্রো সানচেজ় পেরেজ়-কাস্তেহন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৬. শ্রীলঙ্কা – অনুরা কুমারা দিসানায়াকা, প্রেসিডেন্ট
    • ১৭. সেশেলস – সেবাস্তিয়ান পিল্লে, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১৮. সুইৎজ়ারল্যান্ড – গি পারমেলিন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৯. নেদারল্যান্ডস – ডিক স্কুফ, প্রধানমন্ত্রী
    • ২০. সংযুক্ত আরব আমিরশাহি – শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, ক্রাউন প্রিন্স অব আবুধাবি

    এ ছাড়া ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও আলোচনায় যোগ দেবেন।

    আর কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সহ রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষস্থানীয় একাধিক কর্মকর্তা নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    মহাসচিবের সঙ্গে থাকবেন—

    • ভলকার টুর্ক — জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার
    • অমনদীপ সিং গিল — আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ও ডিজিটাল ও উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ দূত
    • ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর
    • গিলবার্ট এফ. হাউংবো — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)-র ডিরেক্টর-জেনারেল
    • ডরিন বগদান-মার্টিন — আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংঘ (ITU)-র সেক্রেটারি-জেনারেল
    • কমল কিশোর— দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি

    এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ইউএনডিপি, ইউএন উইমেন, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, এফএও, ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন,ইউএন ইন্টাররিজিওনাল ক্রাইম অ্যান্ড জাস্টিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তারাও অংশ নিচ্ছেন

    সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তাদের তালিকা এরকম—

    • জেনসেন হুয়াং — প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, এনভিডিয়া
    • জুলি সুইট — চেয়ার ও সিইও, অ্যাকসেঞ্চার
    • স্যাম অল্টম্যান — সিইও, ওপেনএআই
    • সুন্দর পিচাই — সিইও, গুগল ও আলফাবেট
    • শান্তনু নারায়েন — চেয়ার ও সিইও, অ্যাডোবে
    • শ্রীধর ভেম্বু — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ সায়েন্টিস্ট, জোহো
    • ইয়ান লেকুন — প্রধান এআই বিজ্ঞানী, মেটা
    • বিল গেটস — চেয়ার, গেটস ফাউন্ডেশন ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা, মাইক্রোসফট
    • ব্র্যাড স্মিথ — প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চেয়ার, মাইক্রোসফট
    • ক্রিস্টিয়ানো আমন — প্রেসিডেন্ট ও সিইও, কোয়ালকম
    • দারিও আমোদেই — সিইও, অ্যানথ্রোপিক
    • ডেমিস হাসাবিস — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, গুগল ডিপমাইন্ড
    • আর্থি সুব্রহ্মণ্যম — সিওও ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, টিসিএস
    • আলেকজান্ডার ওয়াং — চিফ এআই অফিসার, মেটা
    • অপর্ণা বাওয়া — সিওও, জুম
  • CPRG: নয়াদিল্লিতে শুরু ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে?

    CPRG: নয়াদিল্লিতে শুরু ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (CPRG) ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নয়াদিল্লির একাধিক জায়গায় আয়োজন করেছে এই সামিট। একাধিক প্রধান সামিট ইভেন্ট ও সরকারি আলোচনাও হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সামিটে যেসব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, তাতে সিপিআরজি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।সপ্তাহজুড়ে সিপিআরজি আয়োজিত কর্মসূচিগুলিতে কর্মসংস্থানে এআইয়ের প্রভাব, স্কুল ও উচ্চশিক্ষা, ডেটা গভর্ন্যান্স এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর নিয়ে আলোচনা হবে। এতে অংশ নিয়েছেন নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, শিল্পনেতা এবং সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা।

    সিপিআরজি-র পরিচালকের প্রতিক্রিয়া (CPRG)

    সামিট-পূর্ব এক আলোচনায় সিপিআরজি-র পরিচালক রামানন্দ বলেন, “এই সামিট একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এআই নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু প্যানেল ও রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যপ্রণালীতে প্রতিফলিত হচ্ছে। এখন প্রয়োজন এই পরিবর্তনগুলি কীভাবে গঠিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কোন কাঠামো এগুলিকে পরিচালিত করবে তা বিশ্লেষণ করা। সামিট সপ্তাহে আমাদের আয়োজিত কর্মসূচির মাধ্যমে সিপিআরজি এই প্রশ্নগুলিকেই আলোচনার কেন্দ্রে আনবে।” আজ, ১৬ ফেব্রুয়ারি চলছে— ‘ফিউচার অফ এমপ্লয়াবিলিটি ইন দ্য এজ অফ এআই’। এটাই এআই-ফোর ইন্ডিয়ার (AI4India) সহযোগিতায় আয়োজিত প্রধান সামিট ইভেন্ট। অনুষ্ঠান হচ্ছে নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে। এখানেই হবে ‘এআই ফর এডুকেশন: ফিউচার রেডি ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড স্কুলস’ ইভেন্টও।

    ইভেন্ট সূচি 

    ১৭ ফেব্রুয়ারি হবে ‘পদ্মএআই কনক্লেভ ২.০: রিইমেজিনিং দ্য ইন্ডিয়ান এডুকেশন সিস্টেম’। এটিও একটি প্রধান সামিট ইভেন্ট। অনুষ্ঠিত হবে গুলমোহর হল, ইন্ডিয়া হ্যাবিট্যাট সেন্টারে। ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ‘ডেটা ফর ডেভেলপমেন্ট: বিল্ডিং এআই ইন দ্য গ্লোবাল সাউথ’। এই প্রধান সামিটটিও হবে ভারত মণ্ডপমে। ২০ ফেব্রুয়ারি হবে ‘রিইমেজিনিং এডুকেশন ইন দ্য এজ অফ এআই’। এটিও একটি প্রধান সামিট। হবে সুষমা স্বরাজ ভবনে।

    আলোচনায় অংশ নেবেন কারা

    সপ্তাহব্যাপী আলোচনায় ভারতের ও বিদেশের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও শিল্পনেতারা অংশ নিয়েছেন। বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন, জিতিন প্রসাদ, প্রতিমন্ত্রী, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রক এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক, আশীষ সুদ, দিল্লি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী, সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার অ্যান নিউবার্গার, টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউটের জোহান হার্ভার্ড, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশনের সদস্য আর বালসুবহ্মনিয়াম, সঞ্জীব বিকচাঁদানি, প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ ভাইস-চেয়ারম্যান, ইনফো এজ, গোকুল সুবহ্মনিয়াম, প্রেসিডেন্ট, ইন্টেল ইন্ডিয়া। আলোচনায় অংশ নেবেন প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সিইও এবং শীর্ষকর্তারাও।

    সিপিআরজির ফিউচার অফ সোস্যাইটির উদ্যোগ

    এই সিরিজটি সিপিআরজির ফিউচার অফ সোস্যাইটির উদ্যোগের অংশ, যা উদীয়মান প্রযুক্তি কীভাবে প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরকে রূপান্তরিত করছে তা বিশ্লেষণ করে। ২০২৫ সালের প্যারিস এআই অ্যাকশন সামিটে সিপিআরজি ছিল একমাত্র ভারতীয় বেসরকারি সংস্থা যারা একটি সরকারি সাইড ইভেন্টের আয়োজন করেছিল। পদ্মএআই ২০২৫ কনক্লেভের ধারাবাহিকতায় এ বছরের পদ্মএআই ২.০ শিক্ষা ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর জোর দেবে। সামগ্রিকভাবে এই কর্মসূচিগুলি দায়িত্বশীল ও ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি নীতির দিকে সিপিআরজি’র অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

    প্রসঙ্গত, সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (CPRG) একটি নীতিগত গবেষণা সংস্থা, যার লক্ষ্য অংশগ্রহণমূলক ও দায়িত্বশীল নীতিনির্ধারণকে উৎসাহিত করা। ভারতীয় সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ (ICSSR) স্বীকৃত এই প্রতিষ্ঠান ‘ফিউচার অফ সোশ্যাইটি’র উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তি নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

     

  • AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Impact Summit)- এর আয়োজন করতে চলেছে। এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টি দেশের রাষ্ট্রনেতারা নয়াদিল্লিতে সমবেত হবেন। ভারত এই সম্মেলনের সহ-সভাপতি এবং “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” (মানুষ, পৃথিবী ও অগ্রগতি) এই মূল (Global Tech Drive) প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সম্মেলন পরিচালনার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ভারতে আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি (AI Impact Summit)

    এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন। দায়িত্বশীল প্রযুক্তিগত বিপ্লবের লক্ষ্যে এই আন্তঃমহাদেশীয় সমাবেশ ভারতের আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি, গুরুত্ব ও গভীরতাকেই প্রতিফলিত করে। বিদেশমন্ত্রকের সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” এই তিন সূত্রে আন্ডারলাইন করা এআই ইমপ্যাক্ট সামিট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সহযোগিতা সম্পর্কে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, উদ্ভাবক, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হবেন এবং এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন। তাঁরা এমন একটি দায়িত্বশীল এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার সহযোগিতামূলক পথ নিয়ে আলোচনা করবেন, যা ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সম্মান জানাবে।

    অংশগ্রহণকারী দেশ

    বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণকারী হলেন ভুটান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, গ্রিস, গায়ানা, কাজাখস্তান, লিশটেনস্টাইন, মরিশাস, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সেশেলস, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রপ্রধানরা। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিপুল সংখ্যক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি ভারতের নেতৃত্বে একটি দায়িত্বশীল এআই বিপ্লবের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে। একইসঙ্গে এই সম্মেলন এআইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য (AI Impact Summit) উন্নয়নের লক্ষ্যে একজন দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে ভারতের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরে (Global Tech Drive)।

    ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে

    বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি এই সম্মেলনে বৃহৎ ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ প্রতিনিধি দলও উপস্থিত থাকবে। বিদেশমন্ত্রকের মতে, ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রীস্তরের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরাও নয়াদিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন, যাতে এআইয়ের দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের জন্য সহযোগিতামূলক পথ সুগম করা যায়। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে অংশ নেবেন। সব মিলিয়ে ১০০টিরও বেশি দেশ ভারতের নেতৃত্বে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নয়াদিল্লিতে সমবেত হবে।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৃহৎ আকারের এআই সম্মেলন। ফলে সম্মেলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক এআইয়ের বিকাশ ও প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করা, যা গ্লোবাল সাউথের মানুষ ও যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। ভারতের বিদেশনীতি বরাবরই গ্লোবাল সাউথের কল্যাণ ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই ভারতে আয়োজিত এই সম্মেলনে (AI Impact Summit) গ্লোবাল সাউথের সমৃদ্ধি এবং এআই বিপ্লবের সুফল পৃথিবীর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে (Global Tech Drive)।

     

  • India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (India AI Deepfake Rules) ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিকে আরও কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানানো হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, এআই দ্বারা তৈরি বা পরিবর্তিত সব ধরনের কনটেন্টে স্পষ্টভাবে লেবেল দিতে হবে এবং সেই কনটেন্টে এমবেডেড পরিচয়-চিহ্ন রাখতে হবে। কোনও কনটেন্ট সরকার চিহ্নিত করলে বা আদালতের নির্দেশ এলে, সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তিন ঘণ্টার মধ্যে সেই ডিপফেক বা এআই-তৈরি কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে।

    তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন

    মোদি সরকার ২০২১ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন করেছে। সেই সংশোধন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে আইনটি। নয়া আইন অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-র মাধ্যমে তৈরি ‘কনটেন্টে’ অবশ্যই তার উল্লেখ রাখতে হবে।কোনও কনটেন্টকে আদালত বা পুলিশ বা সরকার ডিপফেক বা বেআইনি চিহ্নিত করে সরাতে বললে তা তিন ঘণ্টার মধ্যে প্লাটফর্ম থেকে সরিয়ে দিতে হবে সমাজমাধ্যম সংস্থাগুলিকে (Social Media Regulation)। আগে এর জন্য ৩৬ ঘণ্টা সময় পেত মেটা, ইউটিউব, এক্সের মতো সংস্থাগুলি। এখন সেই সময় কমে যাওয়ায় চাপের মুখে পড়তে পারে সংস্থাগুলি। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এই সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি সাত দিনের মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে এর জন্য ১৫ দিন সময় পেত সংস্থাগুলি। জরুরি বিষয়ের ক্ষেত্রে অভিযোগের নিষ্পত্তি ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হত। কিছু ক্ষেত্রে কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে দু’ঘণ্টার মধ্যে।

    কেন এই পদক্ষেপ

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (India AI Deepfake Rules) খারাপ প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণ করতে আগেই উদ্যোগী হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সে জন্য নতুন আইন না এনে বর্তমান আইন সংশোধনের পথে হেঁটেছে তারা। মনে করা হচ্ছে, সংশোধিত এই আইনের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি কনটেন্ট, ডিপফেক ভিডিয়ো অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রতারণা, শিশু নিগ্রহ, হেনস্থা, ভুয়ো তথ্য দিয়ে বা অপরাধে প্ররোচনা দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে কোনও কনটেন্ট তৈরি করা হলে তা বর্তমান আইনের অধীনে বেআইনি অনলাইন কনটেন্ট হিসাবে গণ্য করা হবে। আইন মেনে না চললে ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে আইন মেনে পদক্ষেপ করা হবে।

    কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক

    সিনথেটিক কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারী ও প্রশাসন সহজে বিকৃত বা কৃত্রিম কনটেন্ট শনাক্ত করতে পারেন। একবার এআই লেবেল বা সংশ্লিষ্ট মেটাডেটা যুক্ত হলে তা মুছে ফেলা, বদলানো বা আড়াল করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বেআইনি, যৌন শোষণমূলক বা বিভ্রান্তিকর এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত ও রোধ করতে প্ল্যাটফর্মগুলিকে “যৌক্তিক ও উপযুক্ত” প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে স্বয়ংক্রিয় টুল ব্যবহারের কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় আইন—যেমন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, পকসো আইন, ২০১২ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮—সহ প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রতি তিন মাস অন্তত একবার ব্যবহারকারীদের সহজ ভাষায় জানাতে হবে যে এআই-এর অপব্যবহার করলে কী পরিণতি হতে পারে। প্ল্যাটফর্মের নিয়মাবলি, গোপনীয়তা নীতি বা ব্যবহারকারী চুক্তির মাধ্যমে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

    ব্যবহারকারীদেরও দায়িত্ব রয়েছে

    কোনও প্ল্যাটফর্ম যদি এআই-নির্ভর ভুয়ো বা বিকৃত তথ্য তৈরি, প্রকাশ বা শেয়ার করার ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়, তবে দ্রুত ও উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে বলেও নির্দেশিকায় জোর দেওয়া হয়েছে। ডিপফেকের ভাইরাল প্রকৃতির কথা মাথায় রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে কেন্দ্র। খসড়া নিয়মে ব্যবহারকারীদের ওপরও দায়িত্ব চাপানো হয়েছে। কেউ এআই-তৈরি বা এআই-পরিবর্তিত কনটেন্ট পোস্ট করলে তা প্রকাশ্যে জানাতে হবে। প্ল্যাটফর্মগুলিকে সেই ঘোষণা যাচাই করার প্রযুক্তিও চালু করতে হবে, যাতে অপব্যবহার রোখা যায়। উল্লেখ্য, বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত করার ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে নতুন নির্দেশিকা সেই স্বেচ্ছামূলক পদক্ষেপকে আইনি বাধ্যবাধকতায় পরিণত করেছে এবং কঠোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে ভুয়ো খবর ছড়ানো, প্রতারণা, হয়রানি ও সম্মতি ছাড়া অশ্লীল কনটেন্ট তৈরির ঘটনা বেড়ে চলায় সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন নিয়মে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির জবাবদিহি আরও বাড়বে বলেই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।

    বেআইনি কাজে এআই কনটেন্টও সমানভাবে দায়ী

    নতুন সংশোধনে স্পষ্ট করা হয়েছে, এআই-তৈরি কনটেন্ট যদি বেআইনি কাজে ব্যবহার হয়, তবে তা অন্য বেআইনি কনটেন্টের মতোই বিবেচিত হবে। শিশুপর্নোগ্রাফি, অশ্লীলতা, ভুয়ো পরিচয়, জাল নথি, অস্ত্র বা বিস্ফোরক-সংক্রান্ত বেআইনি কনটেন্ট তৈরিতে এআই ব্যবহার (India AI Deepfake Rules) রুখতে প্ল্যাটফর্মকে সক্রিয় থাকতে হবে। একই সঙ্গে সরকার জানিয়ে দিয়েছে, নিয়ম মেনে কনটেন্ট সরানো বা সীমিত করলে আইটি আইনের ৭৯ ধারার ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মগুলি পাবে। অর্থাৎ, নিয়ম মেনে কাজ করলে দায়মুক্তির সুরক্ষা থাকবে।

     

     

     

     

  • PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে হতে চলেছে এআই-ইমপ্যাক্ট (AI Impact) সামিট। তার আগে সোমবার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীনচন্দ্র রামগুলাম। ভারত ও মরিশাসের মধ্যে যে উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের যৌথ অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR), ভারতের ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতি এবং গ্লোবাল সাউথের প্রতি অভিন্ন দায়বদ্ধতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারে ভারতের অব্যাহত সমর্থনের কথা ফের তুলে ধরেন।

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা (PM Modi)

    দুই নেতা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বারাণসীতে তাঁদের সর্বশেষ বৈঠকের পর থেকে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। আলোচনায় উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় দেশবাসীর কল্যাণে ভারত–মরিশাসের উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার বিষয়ে তাঁরা তাঁদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যৌথ লক্ষ্য অর্জনে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দুই নেতা একমত হন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে প্রধানমন্ত্রী রামগুলামকে স্বাগত জানাতে তিনি আগ্রহী। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে ভারত–মরিশাস সহযোগিতা আরও গভীর করার আশা রাখছি আমি। রামগুলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে ভারতের প্রতি মরিশাসের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন (PM Modi)।”

    মোদিকে ধন্যবাদ রামগুলামের

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ। উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে মরিশাস ও ভারত এক সঙ্গে রয়েছে (AI Impact)। আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে এই সহযোগিতা আরও গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।” উল্লেখ্য যে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় ভারত সরকার মরিশাসকে ৬৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি বিস্তৃত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ দেয় এবং একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রসঙ্গত, ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এআই-ইমপ্যাক্ট সামিট আয়োজন করতে চলেছে ভারত। এটি হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন। পাঁচদিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্প ও জনসম্পৃক্ততা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সম্মেলনটি তিনটি মৌলিক স্তম্ভ বা ‘সূত্রে’র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) ও অগ্রগতি (Progress)। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক (AI Impact) ও বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে শাসনব্যবস্থা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন (PM Modi)।

     

  • Google in India: আমেরিকার পর ভারতে সর্ববৃহৎ এআই হাব! এক লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ গুগলের

    Google in India: আমেরিকার পর ভারতে সর্ববৃহৎ এআই হাব! এক লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ গুগলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার বাইরে বৃহত্তম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) হাব খুলতে চলেছে গুগল। ভারতের প্রথম এআই হাব তৈরি হচ্ছে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে। গুগলের (Google in India) সিইও সুন্দর পিচাই মঙ্গলবার জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। এনিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে তাঁদের মধ্যে। সেই অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে ভারতের বাজারে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ এক লক্ষ ৩৩ হাজার কোটি টাকা।

    ভারতে গুগলের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ

    ভারতে এই হাব তৈরির পরিকল্পনাকে ‘একটি যুগান্তকারী উন্নয়ন’ বলে অভিহিত করেছেন পিচাই। গুগলের (Google in India) ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও জানিয়েছেন যে, এই হাবটি গিগাওয়াট-স্কেল কম্পিউট ক্ষমতা, একটি নতুন আন্তর্জাতিক সাব-সি গেটওয়ে এবং বৃহৎ আকারের শক্তি পরিকাঠামোর সমন্বয় হিসেবে গড় উঠবে। গুগল এবং অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই পিচাই এক্স-এ পোস্ট করে লিখেছেন, “এর মাধ্যমে আমরা ভারতের বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যবহারকারীদের কাছে আমাদের সেরা প্রযুক্তি পৌঁছে দেব, দেশজুড়ে এআই উদ্ভাবন এবং বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করব।” গুগল আদানি গ্রুপের সঙ্গে অংশীদারিত্বে এআই ডেটা সেন্টার ক্যাম্পাসটি তৈরি করবে। এটি ভারতে গুগলের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ।

    ভারতে এক যুগান্তকারী উন্নয়ন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে গুগল এআই হাব চালু হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স-এ শেয়ার করা একটি পোস্টে, প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাণবন্ত শহর বিশাখাপত্তনমে গুগল এআই হাব চালু হওয়ায় আমি আনন্দিত। এই বহুমুখী বিনিয়োগ, যার মধ্যে গিগাওয়াট-স্কেল ডেটা সেন্টার পরিকাঠামো অন্তর্ভুক্ত, আমাদের বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।” প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন যে নতুন এআই হাব প্রযুক্তিকে গণতান্ত্রিক করতে এবং সরকারের ‘সবার জন্য এআই’ লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। “এটি প্রযুক্তিকে গণতান্ত্রিক করার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী শক্তি হবে। এটি ‘সবার জন্য এআই’ নিশ্চিত করবে, আমাদের নাগরিকদের কাছে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম পৌঁছে দেবে, আমাদের ডিজিটাল অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে এবং বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি নেতা হিসেবে ভারতের স্থান সুরক্ষিত করবে।”

    আদানিকনেক্সের সঙ্গেই চুক্তি গুগলের

    আদানি এন্টারপ্রাইস-এর অধীনে থাকা আদানিকনেক্সের সঙ্গেই চুক্তি হয়েছে গুগলের (Google in India)। আগামী পাঁচ বছরে দুই সংস্থার উদ্যোগে এআই ডেটা সেন্টার ক্যাম্পাস ও নতুন সবুজ শক্তি পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য এটি একটি যুগান্তকারী চুক্তি। তেমনই বলছে আদানিদের সংস্থা। আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি বলেন, “এই ঐতিহাসিক প্রকল্পে গুগলের সাথে অংশীদারিত্ব করতে পেরে আদানি গ্রুপ গর্বিত যা ভারতের ডিজিটাল ভূদৃশ্যের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে।”

    বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর লক্ষ্যে পদক্ষেপ

    গুগলের (Google in India) তরফ থেকে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “এটি ভারত সরকারের ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যাতে এআই-চালিত পরিষেবার সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করা যায়। এই উদ্যোগ ভারত এবং আমেরিকা উভয়ের জন্যই যথেষ্ট অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুযোগ তৈরি করবে- একই সঙ্গে এআই সক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রজন্মগত পরিবর্তনের পথিকৃৎ হয়ে উঠবে।” গুগলের এই হাব ভারতে ডিজিটাল যুগের যাত্রার একটি নতুন অধ্যায় বলে বর্ণনা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, “এই ডিজিটাল পরিকাঠামো ভারতের এআই ভিশনের লক্ষ্য পূরণে আমাদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।” তিনি আরও বলেন, “ভারতে ডিজিটাল অর্থনীতিতে এআই পরিষেবা একটি নতুন দিক হিসেবে সামনে উঠে এসেছে। আমরা আমাদের যুব সমাজের বিকাশে এই নতুন পরিষেবা ব্যবহার করতে মুখিয়ে আছি।”

    ভারতের প্রথম গিগাওয়াট-স্কেল ডেটা সেন্টার

    দিল্লিতে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গুগল (Google in India) ক্লাউডের সিইও থমাস কুরিয়ান বলেন, বিশাখাপত্তনমে এআই হাব ‘ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতে একটি যুগান্তকারী বিনিয়োগ’। তিনি বলেন, “শিল্পে শীর্ষস্থানীয় এআই পরিকাঠামো সরবরাহ করে, আমরা ব্যবসাগুলিকে দ্রুত উদ্ভাবন করতে সক্ষম করছি এবং বৃদ্ধির জন্য সুযোগ তৈরি করছি। এই অংশীদারিত্ব ভারত ও মার্কিন সরকারের প্রতি আমাদের যৌথ প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে যে এআইকে দায়িত্বশীলভাবে কাজে লাগানো এবং সমাজের কল্যাণে একে কাজে লাগানো।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এবং অশ্বিনী বৈষ্ণব, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু এবং রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নারা লোকেশ। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডু বলেন, “আমরা ভারতের প্রথম সত্যিকারের গিগাওয়াট-স্কেল ডেটা সেন্টার এবং ভারতে গুগলের প্রথম এআই হাবের আয়োজন করতে পেরে গর্বিত, যা রাজ্যের ব্যবসা এবং স্টার্টআপগুলির জন্য উদ্ভাবন, এআই গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদী সহায়তার প্রতি আমাদের যৌথ প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।”

     

     

     

  • India Energy: দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশই অজীবাশ্ম জ্বালানি থেকে! ‘ঐতিহাসিক’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    India Energy: দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশই অজীবাশ্ম জ্বালানি থেকে! ‘ঐতিহাসিক’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি ঘোষণা করেছেন যে, বর্তমামনে ভারত (India Energy) দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৫০ শতাংশ এখন আসছে অজীবাশ্ম জ্বালানির উৎস (non-fossil fuel) থেকে। প্রসঙ্গত, এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০৩০ সাল। তবে পাঁচ বছর আগেই, ২০২৫ সালেই ভারত এই লক্ষ্য পূরণ করতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

    এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন মন্ত্রী

    এই উপলক্ষে নিজের এক্স (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে তিনি ঘটনাটিকে “ঐতিহাসিক” আখ্যা দেন এবং এর কৃতিত্ব দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দিয়েছেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত, ভারতে মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ৪৮৪.৮ গিগাওয়াট, যার মধ্যে ২৪২.৮ গিগাওয়াট অজীবাশ্ম জ্বালানি উৎস (non-fossil fuel) থেকে আসে। এর মধ্যে ১৮৪.৬ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য উৎস (সৌর, বায়ু, জৈব শক্তি প্রভৃতি) থেকে। ৪৯.২ গিগাওয়াট বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে, এবং ৮.৭ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তি থেকে আসে।

    প্রধানমন্ত্রী কুসুম এবং পিএম সূর্য ঘর

    মন্ত্রী জানান, ভারতের বিদ্যুৎ (India Energy) খাতে অজীবাশ্ম জ্বালানির অংশ বৃদ্ধির পেছনে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নবায়নযোগ্য শক্তিনির্ভর কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে ‘প্রধানমন্ত্রী কুসুম’ (PM-KUSUM) এবং ‘পিএম সূর্য ঘর’ (PM Surya Ghar) প্রকল্পগুলির মাধ্যমে দেশের লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ পরিবার এবং কৃষকদের জন্য সৌরশক্তি সহজলভ্য হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন তাঁদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে, অন্যদিকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগও তৈরি হয়েছে। কৃষকদের ক্ষেত্রেও সৌর পাম্পের ব্যবহার যেমন সেচ খরচ কমিয়েছে, তেমনই নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ তাদের উৎপাদনশীলতাও বাড়িয়েছে। এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, গ্রামীণ ক্ষমতায়ন ও টেকসই উন্নয়ন—উভয়ই সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এর পাশাপাশি সৌর পার্ক, জৈব শক্তি এবং ভবিষ্যতে কৃত্রিম মেধা (AI)-র প্রয়োগ জ্বালানির পরিকাঠামোতেও গভীর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ইন্টেলিজেন্ট এনার্জি মার্কেটপ্লেস, স্মার্ট মিটার, এবং ডিমান্ড সাইড ম্যানেজমেন্ট সম্ভব হচ্ছে। তবে, প্রহ্লাদ জোশি সতর্ক করে দিয়েছেন, এ সব কিছুর মধ্যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে (India Energy) সাইবার নিরাপত্তাকে। কারণ ভবিষ্যতের জ্বালানি ব্যবস্থার ডিজিটাল নির্ভরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইবার ঝুঁকিও বাড়বে।

LinkedIn
Share