Tag: Artificial Intelligence

Artificial Intelligence

  • AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    AI Impact Summit India: ‘সকলের সুখের জন্য’, নয়াদিল্লিতে এআই সম্মেলন শুরু, উপস্থিত ২০ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকলের ভালোর জন্য, সকলের সুখের জন্য এআই। এমনই মনে করে আধুনিক ভারত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Impact Summit India)-র প্রভাব নিয়ে পাঁচ দিনের সম্মেলন শুরুতে এই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে সকাল সাড়ে ৯টায় এই সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলন শুরু হওয়ার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে তিনি ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’-এর বার্তা দিয়েছেন। এই সম্মেলনে যোগ দেবেন গুগ্‌লের সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান-সহ কমবেশি ৪০টি সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। যোগ দেবেন ২০টি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা শীর্ষস্থানীয় নেতারা। আগামী বৃহস্পতিবার এই সম্মেলনে বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলন চলাকালীন বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান এবং উদ্যোগপতিদের সঙ্গে বৈঠকও করবেন। এই সম্মেলন চলবে ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি।

    সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়

    সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “এআই নিয়ে আলোচনায় গোটা বিশ্ব সমবেত হয়েছে। আজ থেকে দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ভারত ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এর আয়োজন করছে। আমি রাষ্ট্রপ্রধান, শিল্পকর্তা, উদ্যোগপতি, নীতিনির্ধারক, গবেষকদের এই সম্মেলনে স্বাগত জানাচ্ছি।” একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “এই সম্মেলনের বিষয়বস্তু হল সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়। অর্থাৎ, সকলের ভাল। সকলের সুখ। এটি আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষকেন্দ্রিক উন্নতিতে ব্যবহার করার বিষয়ে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতাকে তুলে ধরে।” এই সম্মেলনের পোশাকি নাম ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’। এই সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেসেরও এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা। এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ২ লক্ষ মানুষ নাম নথিভুক্ত করেছেন। এঁদের মধ্যে অনেকেই কৃষক এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা মানুষ।

    পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয়

    এটি গ্লোবাল সাউথে আয়োজিত প্রথম আন্তর্জাতিক এআই শীর্ষ সম্মেলন। পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলন নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্পক্ষেত্র এবং জনসম্পৃক্ততা— এই চারটি প্রধান স্তম্ভকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের রাষ্ট্রনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক ও বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নেবেন। আলোচনার মূল বিষয় হবে— গভর্ন্যান্স, ইনোভেশন এবং সাসটেনেবল ডেভেলপমেন্টে এআইয়ের ভূমিকা। সম্মেলনের ভিত্তি রাখা হয়েছে তিনটি ‘সূত্র’-এর উপর—পিপল, প্ল্যানেট এবং প্রোগ্রেস। এই তিন নীতিই এআই নিয়ে ভারতের সহযোগিতা ও দৃষ্টিভঙ্গির রূপরেখা নির্ধারণ করে।

    কারা কারা যোগ দেবেন সামিটে

    ৭০ হাজার বর্গমিটারের বেশি এলাকা জুড়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো’-তে ৩০টি দেশের ৩০০-র বেশি প্রদর্শক অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ১০টি থিম্যাটিক প্যাভিলিয়নে গবেষণা ও পাইলট প্রকল্প থেকে বড় পরিসরে বাস্তব প্রয়োগে এআইয়ের অগ্রগতি তুলে ধরা হবে। এই সম্মেলন ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’ এবং ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। উন্নয়নমুখী এআই ব্যবহারে ভারতের যে জোর, তা এই মঞ্চে আরও স্পষ্ট হবে। লক্ষ্য হল, বৈশ্বিক আলোচনাকে বাস্তব ও মানুষকেন্দ্রিক ফলাফলে রূপ দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে একাধিক দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের এই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

    • ১. ভুটান – শেরিং তোবগে, প্রধানমন্ত্রী
    • ২. বলিভিয়া – এডমন্ড লারা মনতানো, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ৩. ব্রাজিল – লুইজ় ইনাসিও লুলা দা সিলভা, প্রেসিডেন্ট
    • ৪. ক্রোয়েশিয়া – আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, প্রধানমন্ত্রী
    • ৫. এস্তোনিয়া – আলার কারিস, প্রেসিডেন্ট
    • ৬. ফিনল্যান্ড – পেট্টেরি অরপো, প্রধানমন্ত্রী
    • ৭. ফ্রান্স – ইমানুয়েল মাক্রঁ, প্রেসিডেন্ট
    • ৮. গ্রিস – কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস, প্রধানমন্ত্রী
    • ৯. গায়ানা – ড. ভররাত জগদেও, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১০. কাজাখস্তান – ওলঝাস বেকতেনভ, প্রধানমন্ত্রী
    • ১১. লিচেনস্টাইন – হেরেডিটারি প্রিন্স অ্যালোয়িস, হেরেডিটারি প্রিন্স অব দ্য প্রিন্সিপ্যালিটি অব লিশটেনস্টাইন
    • ১২. মরিশাস – ড. নাভিনচন্দ্র রামগুলাম, প্রধানমন্ত্রী
    • ১৩. সার্বিয়া – আলেকজ়ান্দার ভুচিচ, প্রেসিডেন্ট
    • ১৪. স্লোভাকিয়া – পিটার পেলেগ্রিনি, প্রেসিডেন্ট
    • ১৫. স্পেন – পেদ্রো সানচেজ় পেরেজ়-কাস্তেহন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৬. শ্রীলঙ্কা – অনুরা কুমারা দিসানায়াকা, প্রেসিডেন্ট
    • ১৭. সেশেলস – সেবাস্তিয়ান পিল্লে, ভাইস প্রেসিডেন্ট
    • ১৮. সুইৎজ়ারল্যান্ড – গি পারমেলিন, প্রেসিডেন্ট
    • ১৯. নেদারল্যান্ডস – ডিক স্কুফ, প্রধানমন্ত্রী
    • ২০. সংযুক্ত আরব আমিরশাহি – শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, ক্রাউন প্রিন্স অব আবুধাবি

    এ ছাড়া ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও আলোচনায় যোগ দেবেন।

    আর কারা উপস্থিত থাকবেন?

    মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সহ রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষস্থানীয় একাধিক কর্মকর্তা নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    মহাসচিবের সঙ্গে থাকবেন—

    • ভলকার টুর্ক — জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার
    • অমনদীপ সিং গিল — আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ও ডিজিটাল ও উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ দূত
    • ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা — আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর
    • গিলবার্ট এফ. হাউংবো — আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO)-র ডিরেক্টর-জেনারেল
    • ডরিন বগদান-মার্টিন — আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংঘ (ITU)-র সেক্রেটারি-জেনারেল
    • কমল কিশোর— দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি

    এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ইউএনডিপি, ইউএন উইমেন, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ, এফএও, ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন,ইউএন ইন্টাররিজিওনাল ক্রাইম অ্যান্ড জাস্টিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তারাও অংশ নিচ্ছেন

    সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তি জগতের শীর্ষকর্তাদের তালিকা এরকম—

    • জেনসেন হুয়াং — প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, এনভিডিয়া
    • জুলি সুইট — চেয়ার ও সিইও, অ্যাকসেঞ্চার
    • স্যাম অল্টম্যান — সিইও, ওপেনএআই
    • সুন্দর পিচাই — সিইও, গুগল ও আলফাবেট
    • শান্তনু নারায়েন — চেয়ার ও সিইও, অ্যাডোবে
    • শ্রীধর ভেম্বু — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ সায়েন্টিস্ট, জোহো
    • ইয়ান লেকুন — প্রধান এআই বিজ্ঞানী, মেটা
    • বিল গেটস — চেয়ার, গেটস ফাউন্ডেশন ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা, মাইক্রোসফট
    • ব্র্যাড স্মিথ — প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চেয়ার, মাইক্রোসফট
    • ক্রিস্টিয়ানো আমন — প্রেসিডেন্ট ও সিইও, কোয়ালকম
    • দারিও আমোদেই — সিইও, অ্যানথ্রোপিক
    • ডেমিস হাসাবিস — সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও, গুগল ডিপমাইন্ড
    • আর্থি সুব্রহ্মণ্যম — সিওও ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, টিসিএস
    • আলেকজান্ডার ওয়াং — চিফ এআই অফিসার, মেটা
    • অপর্ণা বাওয়া — সিওও, জুম
  • CPRG: নয়াদিল্লিতে শুরু ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে?

    CPRG: নয়াদিল্লিতে শুরু ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (CPRG) ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নয়াদিল্লির একাধিক জায়গায় আয়োজন করেছে এই সামিট। একাধিক প্রধান সামিট ইভেন্ট ও সরকারি আলোচনাও হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সামিটে যেসব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, তাতে সিপিআরজি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।সপ্তাহজুড়ে সিপিআরজি আয়োজিত কর্মসূচিগুলিতে কর্মসংস্থানে এআইয়ের প্রভাব, স্কুল ও উচ্চশিক্ষা, ডেটা গভর্ন্যান্স এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর নিয়ে আলোচনা হবে। এতে অংশ নিয়েছেন নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, শিল্পনেতা এবং সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা।

    সিপিআরজি-র পরিচালকের প্রতিক্রিয়া (CPRG)

    সামিট-পূর্ব এক আলোচনায় সিপিআরজি-র পরিচালক রামানন্দ বলেন, “এই সামিট একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এআই নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু প্যানেল ও রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যপ্রণালীতে প্রতিফলিত হচ্ছে। এখন প্রয়োজন এই পরিবর্তনগুলি কীভাবে গঠিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কোন কাঠামো এগুলিকে পরিচালিত করবে তা বিশ্লেষণ করা। সামিট সপ্তাহে আমাদের আয়োজিত কর্মসূচির মাধ্যমে সিপিআরজি এই প্রশ্নগুলিকেই আলোচনার কেন্দ্রে আনবে।” আজ, ১৬ ফেব্রুয়ারি চলছে— ‘ফিউচার অফ এমপ্লয়াবিলিটি ইন দ্য এজ অফ এআই’। এটাই এআই-ফোর ইন্ডিয়ার (AI4India) সহযোগিতায় আয়োজিত প্রধান সামিট ইভেন্ট। অনুষ্ঠান হচ্ছে নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে। এখানেই হবে ‘এআই ফর এডুকেশন: ফিউচার রেডি ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড স্কুলস’ ইভেন্টও।

    ইভেন্ট সূচি 

    ১৭ ফেব্রুয়ারি হবে ‘পদ্মএআই কনক্লেভ ২.০: রিইমেজিনিং দ্য ইন্ডিয়ান এডুকেশন সিস্টেম’। এটিও একটি প্রধান সামিট ইভেন্ট। অনুষ্ঠিত হবে গুলমোহর হল, ইন্ডিয়া হ্যাবিট্যাট সেন্টারে। ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ‘ডেটা ফর ডেভেলপমেন্ট: বিল্ডিং এআই ইন দ্য গ্লোবাল সাউথ’। এই প্রধান সামিটটিও হবে ভারত মণ্ডপমে। ২০ ফেব্রুয়ারি হবে ‘রিইমেজিনিং এডুকেশন ইন দ্য এজ অফ এআই’। এটিও একটি প্রধান সামিট। হবে সুষমা স্বরাজ ভবনে।

    আলোচনায় অংশ নেবেন কারা

    সপ্তাহব্যাপী আলোচনায় ভারতের ও বিদেশের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও শিল্পনেতারা অংশ নিয়েছেন। বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন, জিতিন প্রসাদ, প্রতিমন্ত্রী, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রক এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক, আশীষ সুদ, দিল্লি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী, সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার অ্যান নিউবার্গার, টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউটের জোহান হার্ভার্ড, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশনের সদস্য আর বালসুবহ্মনিয়াম, সঞ্জীব বিকচাঁদানি, প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ ভাইস-চেয়ারম্যান, ইনফো এজ, গোকুল সুবহ্মনিয়াম, প্রেসিডেন্ট, ইন্টেল ইন্ডিয়া। আলোচনায় অংশ নেবেন প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সিইও এবং শীর্ষকর্তারাও।

    সিপিআরজির ফিউচার অফ সোস্যাইটির উদ্যোগ

    এই সিরিজটি সিপিআরজির ফিউচার অফ সোস্যাইটির উদ্যোগের অংশ, যা উদীয়মান প্রযুক্তি কীভাবে প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরকে রূপান্তরিত করছে তা বিশ্লেষণ করে। ২০২৫ সালের প্যারিস এআই অ্যাকশন সামিটে সিপিআরজি ছিল একমাত্র ভারতীয় বেসরকারি সংস্থা যারা একটি সরকারি সাইড ইভেন্টের আয়োজন করেছিল। পদ্মএআই ২০২৫ কনক্লেভের ধারাবাহিকতায় এ বছরের পদ্মএআই ২.০ শিক্ষা ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর জোর দেবে। সামগ্রিকভাবে এই কর্মসূচিগুলি দায়িত্বশীল ও ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি নীতির দিকে সিপিআরজি’র অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

    প্রসঙ্গত, সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (CPRG) একটি নীতিগত গবেষণা সংস্থা, যার লক্ষ্য অংশগ্রহণমূলক ও দায়িত্বশীল নীতিনির্ধারণকে উৎসাহিত করা। ভারতীয় সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ (ICSSR) স্বীকৃত এই প্রতিষ্ঠান ‘ফিউচার অফ সোশ্যাইটি’র উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তি নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

     

  • AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Impact Summit)- এর আয়োজন করতে চলেছে। এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টি দেশের রাষ্ট্রনেতারা নয়াদিল্লিতে সমবেত হবেন। ভারত এই সম্মেলনের সহ-সভাপতি এবং “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” (মানুষ, পৃথিবী ও অগ্রগতি) এই মূল (Global Tech Drive) প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সম্মেলন পরিচালনার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ভারতে আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি (AI Impact Summit)

    এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন। দায়িত্বশীল প্রযুক্তিগত বিপ্লবের লক্ষ্যে এই আন্তঃমহাদেশীয় সমাবেশ ভারতের আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি, গুরুত্ব ও গভীরতাকেই প্রতিফলিত করে। বিদেশমন্ত্রকের সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” এই তিন সূত্রে আন্ডারলাইন করা এআই ইমপ্যাক্ট সামিট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সহযোগিতা সম্পর্কে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, উদ্ভাবক, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হবেন এবং এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন। তাঁরা এমন একটি দায়িত্বশীল এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার সহযোগিতামূলক পথ নিয়ে আলোচনা করবেন, যা ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সম্মান জানাবে।

    অংশগ্রহণকারী দেশ

    বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণকারী হলেন ভুটান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, গ্রিস, গায়ানা, কাজাখস্তান, লিশটেনস্টাইন, মরিশাস, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সেশেলস, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রপ্রধানরা। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিপুল সংখ্যক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি ভারতের নেতৃত্বে একটি দায়িত্বশীল এআই বিপ্লবের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে। একইসঙ্গে এই সম্মেলন এআইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য (AI Impact Summit) উন্নয়নের লক্ষ্যে একজন দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে ভারতের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরে (Global Tech Drive)।

    ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে

    বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি এই সম্মেলনে বৃহৎ ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ প্রতিনিধি দলও উপস্থিত থাকবে। বিদেশমন্ত্রকের মতে, ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রীস্তরের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরাও নয়াদিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন, যাতে এআইয়ের দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের জন্য সহযোগিতামূলক পথ সুগম করা যায়। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে অংশ নেবেন। সব মিলিয়ে ১০০টিরও বেশি দেশ ভারতের নেতৃত্বে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নয়াদিল্লিতে সমবেত হবে।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৃহৎ আকারের এআই সম্মেলন। ফলে সম্মেলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক এআইয়ের বিকাশ ও প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করা, যা গ্লোবাল সাউথের মানুষ ও যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। ভারতের বিদেশনীতি বরাবরই গ্লোবাল সাউথের কল্যাণ ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই ভারতে আয়োজিত এই সম্মেলনে (AI Impact Summit) গ্লোবাল সাউথের সমৃদ্ধি এবং এআই বিপ্লবের সুফল পৃথিবীর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে (Global Tech Drive)।

     

  • India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    India AI Deepfake Rules: এআই লেবেল বাধ্যতামূলক! ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, ৩ ঘণ্টার মধ্যে কনটেন্ট সরানোর নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (India AI Deepfake Rules) ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিকে আরও কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানানো হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, এআই দ্বারা তৈরি বা পরিবর্তিত সব ধরনের কনটেন্টে স্পষ্টভাবে লেবেল দিতে হবে এবং সেই কনটেন্টে এমবেডেড পরিচয়-চিহ্ন রাখতে হবে। কোনও কনটেন্ট সরকার চিহ্নিত করলে বা আদালতের নির্দেশ এলে, সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তিন ঘণ্টার মধ্যে সেই ডিপফেক বা এআই-তৈরি কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে।

    তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন

    মোদি সরকার ২০২১ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধন করেছে। সেই সংশোধন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে আইনটি। নয়া আইন অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-র মাধ্যমে তৈরি ‘কনটেন্টে’ অবশ্যই তার উল্লেখ রাখতে হবে।কোনও কনটেন্টকে আদালত বা পুলিশ বা সরকার ডিপফেক বা বেআইনি চিহ্নিত করে সরাতে বললে তা তিন ঘণ্টার মধ্যে প্লাটফর্ম থেকে সরিয়ে দিতে হবে সমাজমাধ্যম সংস্থাগুলিকে (Social Media Regulation)। আগে এর জন্য ৩৬ ঘণ্টা সময় পেত মেটা, ইউটিউব, এক্সের মতো সংস্থাগুলি। এখন সেই সময় কমে যাওয়ায় চাপের মুখে পড়তে পারে সংস্থাগুলি। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এই সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি সাত দিনের মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে এর জন্য ১৫ দিন সময় পেত সংস্থাগুলি। জরুরি বিষয়ের ক্ষেত্রে অভিযোগের নিষ্পত্তি ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে করতে হবে সংস্থাগুলিকে। আগে ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হত। কিছু ক্ষেত্রে কনটেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে দু’ঘণ্টার মধ্যে।

    কেন এই পদক্ষেপ

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (India AI Deepfake Rules) খারাপ প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণ করতে আগেই উদ্যোগী হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সে জন্য নতুন আইন না এনে বর্তমান আইন সংশোধনের পথে হেঁটেছে তারা। মনে করা হচ্ছে, সংশোধিত এই আইনের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি কনটেন্ট, ডিপফেক ভিডিয়ো অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রতারণা, শিশু নিগ্রহ, হেনস্থা, ভুয়ো তথ্য দিয়ে বা অপরাধে প্ররোচনা দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে কোনও কনটেন্ট তৈরি করা হলে তা বর্তমান আইনের অধীনে বেআইনি অনলাইন কনটেন্ট হিসাবে গণ্য করা হবে। আইন মেনে না চললে ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে আইন মেনে পদক্ষেপ করা হবে।

    কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক

    সিনথেটিক কনটেন্টের ‘উৎস-পরিচয়’ সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারী ও প্রশাসন সহজে বিকৃত বা কৃত্রিম কনটেন্ট শনাক্ত করতে পারেন। একবার এআই লেবেল বা সংশ্লিষ্ট মেটাডেটা যুক্ত হলে তা মুছে ফেলা, বদলানো বা আড়াল করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বেআইনি, যৌন শোষণমূলক বা বিভ্রান্তিকর এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত ও রোধ করতে প্ল্যাটফর্মগুলিকে “যৌক্তিক ও উপযুক্ত” প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এর মধ্যে স্বয়ংক্রিয় টুল ব্যবহারের কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় আইন—যেমন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, পকসো আইন, ২০১২ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮—সহ প্রযোজ্য অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রতি তিন মাস অন্তত একবার ব্যবহারকারীদের সহজ ভাষায় জানাতে হবে যে এআই-এর অপব্যবহার করলে কী পরিণতি হতে পারে। প্ল্যাটফর্মের নিয়মাবলি, গোপনীয়তা নীতি বা ব্যবহারকারী চুক্তির মাধ্যমে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

    ব্যবহারকারীদেরও দায়িত্ব রয়েছে

    কোনও প্ল্যাটফর্ম যদি এআই-নির্ভর ভুয়ো বা বিকৃত তথ্য তৈরি, প্রকাশ বা শেয়ার করার ঘটনা সম্পর্কে অবগত হয়, তবে দ্রুত ও উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে হবে বলেও নির্দেশিকায় জোর দেওয়া হয়েছে। ডিপফেকের ভাইরাল প্রকৃতির কথা মাথায় রেখেই দ্রুত পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে কেন্দ্র। খসড়া নিয়মে ব্যবহারকারীদের ওপরও দায়িত্ব চাপানো হয়েছে। কেউ এআই-তৈরি বা এআই-পরিবর্তিত কনটেন্ট পোস্ট করলে তা প্রকাশ্যে জানাতে হবে। প্ল্যাটফর্মগুলিকে সেই ঘোষণা যাচাই করার প্রযুক্তিও চালু করতে হবে, যাতে অপব্যবহার রোখা যায়। উল্লেখ্য, বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় এআই-তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত করার ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে নতুন নির্দেশিকা সেই স্বেচ্ছামূলক পদক্ষেপকে আইনি বাধ্যবাধকতায় পরিণত করেছে এবং কঠোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে ভুয়ো খবর ছড়ানো, প্রতারণা, হয়রানি ও সম্মতি ছাড়া অশ্লীল কনটেন্ট তৈরির ঘটনা বেড়ে চলায় সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন নিয়মে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির জবাবদিহি আরও বাড়বে বলেই মত সংশ্লিষ্ট মহলের।

    বেআইনি কাজে এআই কনটেন্টও সমানভাবে দায়ী

    নতুন সংশোধনে স্পষ্ট করা হয়েছে, এআই-তৈরি কনটেন্ট যদি বেআইনি কাজে ব্যবহার হয়, তবে তা অন্য বেআইনি কনটেন্টের মতোই বিবেচিত হবে। শিশুপর্নোগ্রাফি, অশ্লীলতা, ভুয়ো পরিচয়, জাল নথি, অস্ত্র বা বিস্ফোরক-সংক্রান্ত বেআইনি কনটেন্ট তৈরিতে এআই ব্যবহার (India AI Deepfake Rules) রুখতে প্ল্যাটফর্মকে সক্রিয় থাকতে হবে। একই সঙ্গে সরকার জানিয়ে দিয়েছে, নিয়ম মেনে কনটেন্ট সরানো বা সীমিত করলে আইটি আইনের ৭৯ ধারার ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মগুলি পাবে। অর্থাৎ, নিয়ম মেনে কাজ করলে দায়মুক্তির সুরক্ষা থাকবে।

     

     

     

     

  • PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    PM Modi: এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটের প্রাক্কালে মরিশাসের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে হতে চলেছে এআই-ইমপ্যাক্ট (AI Impact) সামিট। তার আগে সোমবার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী নবীনচন্দ্র রামগুলাম। ভারত ও মরিশাসের মধ্যে যে উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, তা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের যৌথ অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী রামগুলামের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘ভিশন মহাসাগর’ (Vision MAHASAGAR), ভারতের ‘নেবারহুড ফার্স্ট’ নীতি এবং গ্লোবাল সাউথের প্রতি অভিন্ন দায়বদ্ধতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে মরিশাসের উন্নয়ন অগ্রাধিকারে ভারতের অব্যাহত সমর্থনের কথা ফের তুলে ধরেন।

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা (PM Modi)

    দুই নেতা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বারাণসীতে তাঁদের সর্বশেষ বৈঠকের পর থেকে বিস্তৃত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। আলোচনায় উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। উভয় দেশবাসীর কল্যাণে ভারত–মরিশাসের উন্নত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার বিষয়ে তাঁরা তাঁদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যৌথ লক্ষ্য অর্জনে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দুই নেতা একমত হন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে প্রধানমন্ত্রী রামগুলামকে স্বাগত জানাতে তিনি আগ্রহী। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে ভারত–মরিশাস সহযোগিতা আরও গভীর করার আশা রাখছি আমি। রামগুলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে ভারতের প্রতি মরিশাসের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন (PM Modi)।”

    মোদিকে ধন্যবাদ রামগুলামের

    এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “এই গঠনমূলক আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ। উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি ক্ষেত্রে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে মরিশাস ও ভারত এক সঙ্গে রয়েছে (AI Impact)। আগামী সপ্তাহে ভারতে অনুষ্ঠিত এআই-ইমপ্যাক্ট সামিটে এই সহযোগিতা আরও গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।” উল্লেখ্য যে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় ভারত সরকার মরিশাসকে ৬৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যের একটি বিস্তৃত বিশেষ অর্থনৈতিক প্যাকেজ দেয় এবং একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রসঙ্গত, ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এআই-ইমপ্যাক্ট সামিট আয়োজন করতে চলেছে ভারত। এটি হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলন। পাঁচদিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে নীতি নির্ধারণ, গবেষণা, শিল্প ও জনসম্পৃক্ততা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সম্মেলনটি তিনটি মৌলিক স্তম্ভ বা ‘সূত্রে’র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) ও অগ্রগতি (Progress)। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি সংস্থা, উদ্ভাবক (AI Impact) ও বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে শাসনব্যবস্থা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নে এআইয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন (PM Modi)।

     

LinkedIn
Share