Tag: asansol

asansol

  • Chaitali Tiwari: সুপ্রিম কোর্টে সাময়িক স্বস্তি! কম্বলকাণ্ডে রক্ষাকবচ জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালিকে

    Chaitali Tiwari: সুপ্রিম কোর্টে সাময়িক স্বস্তি! কম্বলকাণ্ডে রক্ষাকবচ জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সাময়িক স্বস্তি পেলেন কম্বলকাণ্ডে অভিযুক্ত বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালি তিওয়ারি (Chaitali Tiwari)। আসানসোলের বিজেপি কাউন্সিলর চৈতালিকে আপাতত গ্রেফতার করতে পারবে না পুলিশ। শুক্রবার তাঁর গ্রেফতারিতে সাময়িক ভাবে স্থগিতাদেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত।

    কী ঘটেছিল

    ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী তথা বিজেপি (BJP) কাউন্সিলর চৈতালি তিওয়ারির (Chaitali Tiwari) উদ্যোগে কম্বল বিতরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। সেখানে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি–সহ বিজেপির একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী বেরিয়ে যেতেই কম্বল নিতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। তখনই পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তিন জনের। তার মধ্যে একজন শিশু ছিল। এই ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া হয়নি।  ওই ঘটনায় অভিযুক্ত জিতেন্দ্রকে গত শনিবার নয়ডা থেকে গ্রেফতার করে এনেছিল আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটের পুলিশ। এর পর আসানসোলের আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। জিতেন্দ্রকে রবিবার ৮ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছিল আসানসোল আদালত।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির উদ্যোগে রমজান মাসেই বেরোবে মোদির ‘মন কি বাত’-এর উর্দু সংকলন

     সুপ্রিম কোর্টে সুরক্ষাকবচের আবেদন

    শীর্ষ আদালত সূত্রে খবর, আসানসোলে কম্বল বিতরণী কর্মসূচিতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর মামলায় গ্রেফতারি এড়াতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে সুরক্ষাকবচের আবেদন করেন চৈতালি (Chaitali Tiwari)। সেই আবেদনের সাড়া দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছেন, আগামী ৭ মে পর্যন্ত চৈতালিকে গ্রেফতার করা যাবে না। ৮ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানির হওয়ার কথা। ওই দিন জিতেন-সহ এই মামলায় আরও দুই অভিযুক্ত আসানসোলের বিজেপি কাউন্সিলর গৌরব গুপ্ত এবং দলের যুবনেতা তেজপ্রতাপ সিংয়েরও শুনানি রয়েছে। আগেই সাময়িক ভাবে সুরক্ষাবচ পেয়েছেন গৌরব ও তেজপ্রতাপ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: জিতেন্দ্র-জায়া চৈতালি-সহ পাঁচ জনের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ আদালতের

    Asansol: জিতেন্দ্র-জায়া চৈতালি-সহ পাঁচ জনের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল (Asansol) পদপিষ্ট মামলায় প্রাক্তন মেয়র তথা বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালি তিওয়ারির আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। গ্রেফতারি থেকে বাঁচতে কলকাতা হাইকোর্টে রক্ষা কবচের আবেদন করেছিলেন চৈতালি। বৃহস্পতিবার চৈতালির আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। চৈতালির এই মুহূর্ত থেকে আর কোনও রক্ষাকবজ থাকল না।

    এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর চৈতালির আবেদন মেনে তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাইকোর্ট। যদিও তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু চৈতালি (Asansol) তদন্তে সাহায্য করছে না বলে অভিযোগ করে পুলিশ। তাঁকে বারবার নোটিস দিয়েও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। এমনকী, তিওয়াড়ি দম্পতিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

    আসানসোলে (Asansol) কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে মানুষ মারা গিয়েছিল। এই কাণ্ডে নাম জড়িয়ে যায় চৈতালির। বাড়িতে পুলিশ এসে খোঁজ পর্যন্ত করেছিল। নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালি আগাম জামিনের আবেদন করেন। যা দিল না কলকাতা হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুন: ‘‘মোটা দা টুকি’’! জেলের ভিতর টিটকিরি দুই ছিঁচকের, রেগে আগুন ‘হেভিওয়েট’ পার্থ

    কী অভিযোগ চৈতালির বিরুদ্ধে? 

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে (Asansol) শিবচর্চা ও কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। আসানসোলের সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং আসানসোল পুরনিগমের বিরোধী দলনেত্রী চৈতালি তিওয়ারি। শুভেন্দু নিজের হাতে কিছু কম্বল বিতরণ করেছিলেন। শুভেন্দু ওই অনুষ্ঠান স্থল ছাড়ার পরেই কম্বল নেওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায় ওই এলাকায়। সেখানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তিনজনের। আহত হন অনেকে।

    এই ঘটনায় নাম জড়িয়ে যায় জিতেন্দ্রর স্ত্রী চৈতালির (Asansol)। অভিযোগ ছিল, পুলিশের কাছ থেকে ওই কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের জন্য কোনও লিখিত অনুমতি নেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয়। আর তাতেই বিপাকে পড়েন জিতেন্দ্র-জায়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Asansol tragedy: আসানসোলের দুর্ঘটনায় জিতেন্দ্র, তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের, নাম নেই শুভেন্দুর

    Asansol tragedy: আসানসোলের দুর্ঘটনায় জিতেন্দ্র, তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের, নাম নেই শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কম্বলদান কর্মসূচিতে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। বুধবার আসানসোলের (Asansol) ওই দুর্ঘটনায় বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি (Jitendra Tiwari) ও তাঁর স্ত্রী চৈতালি সহ বেশ কয়েকজনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে আসানসোল উত্তর থানায়। জিতেন্দ্রর বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা করা হয়েছে। ই অভিযোগের ভিত্তিতে কম্বলদান কর্মসূচির অন্যতম আয়োজক আসানসোল পুরসভার বিরোধী নেত্রী চৈতালি সহ বিজেপির কয়েকজন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধেও রুজু হয়েছে মামলা। এদিকে, কম্বলদানের কর্মসূচিতে বিপর্যয়ের ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আসানসোল দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার সুধীরকুমার নীলকণ্ঠম বলেন, কীভাবে ঘটনাটি ঘটল, তার তদন্ত শুরু হয়েছে। ডিসি ওয়েস্ট অভিষেক মোদির তত্ত্বাবধানে তদন্ত চলছে।

    অভিযোগ…

    পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্ত্রী চৈতালি সহ একাধিক নেতার নামে আসানসোল উত্তর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বুধবারের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ঝালি বাউরির ছেলে সুখেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪, ৩০৮ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। তবে অভিযোগপত্রের কোথাও নাম নেই শুভেন্দু অধিকারীর। জিতেন্দ্র, চৈতালি ও বিজেপি কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জিতেন্দ্রও বলেন, তৃণমূল তাড়াহুড়ো করে আমার বিরুদ্ধে মামলা করিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার মন্ত্রীকে প্রশ্ন করুন সন্ত্রাস কবে বন্ধ হবে?’’, পাক সাংবাদিককে জবাব জয়শঙ্করের

    আসানসোলের ওই দুর্ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা। কেন দশ দিন আগে অনুমতির আবেদনের চিঠি পেয়েও তারা কোনও উত্তর দেয়নি, সে প্রশ্ন তুলেছেন আয়োজকরা। দুর্ঘটনার পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ঘটনাস্থল ছাড়ার পর সেখান থেকে তুলে নেওয়া হয় নিরাপত্তা। তার পরেই ঘটেছে মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনা। এত জমায়েত নজরে আসা সত্ত্বেও কেন নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল, কেনই বা সরিয়ে নেওয়া হল সিভিক ভলান্টিয়ারদের, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়দের অনেকেই। প্রসঙ্গত, আসানসোলের ওই অনুষ্ঠানে পাঁচ হাজার মানুষকে কম্বল দান করার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ছোট জায়গায় প্রচুর লোক জড়ো হয়ে যাওয়ার বিপর্যয় ঘটে বলে অনুমান। ওই ঘটনায় বিজেপির নাম জড়িয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যায় হেফাজত,  রাতেই  নিজাম প্যালেস! বৃহস্পতিবার অনুব্রতর সারা দিন

    Anubrata Mondal: সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যায় হেফাজত, রাতেই নিজাম প্যালেস! বৃহস্পতিবার অনুব্রতর সারা দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সকালে গ্রেফতার। সন্ধ্যায় সিবিআই হেফাজত। আপাতত দশ দিন সিবিআই হেফাজতে রাখার নির্দেশ অনুব্রত মণ্ডলকে। রাত পৌনে তিনটে নাগাদ অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই নিয়ে এল কলকাতায় নিজাম প্যালেসে। এই নিজাম প্যালেসেই বারবার তলব করা হয়েছিল বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতিকে। কিন্তু ৯ বার এই ডাক এড়িয়ে যান তিনি। তাই বৃহষ্পতিবার সকালেই অনুব্রতর বাড়ি ঘিরে ফেলে সিবিআই। গেট বন্ধ থাকায় প্রায় আধ ঘণ্টার ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হয় গোয়েন্দাদের। তারপর গেট খুলিয়ে ঢুকতে হয়। গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতকে। বিকেল পাঁচটায় হাজির করানো হয় আসানসোলের বিশেষ আদালতে। সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শেষ হয় শুনানি। তারপর বিচারক জানান, ২০ আগস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে থাকবেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই সঙ্গেই আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, হেফাজতে থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্য কোথাও নয়, অনুব্রতকে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। 

    হাসপাতাল নয়, গেস্ট হাউসেই অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতারের পর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় সোজা আসানসোলে (Asansol)। আসানসোলের কুলটিতে ECL-এর গেস্ট হাউসে থামে সিবিআইয়ের গাড়ি। সেখানেই তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। শীতলপুর গেস্ট হাউসে অনুব্রতের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করেন স্থানীয় কোলিয়ারির সাঁকতরিয়া হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। তাঁর রক্তচাপ মাপা হয় এবং বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দেওয়া হয় বলেও সূত্রের খবর। গেস্ট হাউসের বাইরে অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকে। অক্সিজেন সিলিন্ডারও মোতায়েন রাখা হয়। বীরভূমের এই দাপুটে নেতার (Anubrata Mondal) শারীরিক যে কোনও সমস্যার মোকাবিলা করতে যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা প্রস্তুত তা এই আগাম প্রস্তুতি থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়।

    ওই গেস্ট হাউসে অনুব্রতর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পরই তাঁকে আসানসোল আদালতে তোলা হয়। অনুব্রতর বিরুদ্ধে ৪১ পাতার চার্জশিট তৈরি করা হয়। তবে, হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে ECL-এর গেস্ট হাউসে কেন অনুব্রতর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। কেন্দ্রীয় আধিকারিকদের সঙ্গে ওই গেস্ট হাউসে মোতায়েন ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। কেন্দ্রীয় জওয়ানরা পুরো গেস্ট হাউস বাইরে থেকে ঘিরে রাখেন। গ্রেফতারি মেমোতে কেষ্টকে সই করিয়ে বৃহস্পতিবারই সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা বীরভূমের তৃণমূল নেতাকে আদালতে তোলেন।

    আরও পড়ুন: গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    অনুব্রতকে আটক করা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। তবে অনুব্রতের আইনজীবী সঞ্জীব দাঁ বলেন, ‘‘অনুব্রতবাবুকে ৪১-এ ধারায় নোটিস দেওয়া হয়েছে। এই নোটিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়। গ্রেফতার নয়। ওঁকে আটক করা হয়েছে। আমার মক্কেল তদন্তে সহযোগিতা করবেন। তাতে সিবিআই সন্তুষ্ট হবে আশা রাখি।’’

  • Suvendu on Coal Trucks: ঝাড়খণ্ড সীমান্তে আটকে শতাধিক বৈধ কয়লার লরি, ‘ভাইপো ভ্যাট’ না দেওয়াতেই কি হেনস্থা? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu on Coal Trucks: ঝাড়খণ্ড সীমান্তে আটকে শতাধিক বৈধ কয়লার লরি, ‘ভাইপো ভ্যাট’ না দেওয়াতেই কি হেনস্থা? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তার পরেও নথিপত্র পরীক্ষার নামে আসানসোলের (asansol) কাছে বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তে হেনস্থা করা হচ্ছে কয়লা বোঝাই গাড়ির (coal laden truck) চালকদের। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার রাতে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। ট্রাক চালকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (suvendu) অধিকারী। তাঁর প্রশ্ন, ‘ভাইপো ভ্যাট’ না দেওয়াতেই কি হেনস্থা করা হচ্ছে ট্রাক চালকদের।

    বেআইনি কয়লা পাচারে রাশ টানার লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পশ্চিমবাংলা ও ঝাড়খণ্ড সীমানার ডুবুডি চেকপোস্ট এলাকায় কয়লা বোঝাই ট্রাক তল্লাশিতে পুলিশ অতিসক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। তার জেরে আসানসোল ঝাড়খণ্ড সীমানায় তিনদিন ধরে আটকে রয়েছে কয়লা বোঝাই লরি ও ডাম্পার। তার জেরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন চালকরা।

    সূত্রের খবর, তল্লাশিতে আটকে যাচ্ছে ইসিএল (ECL) ও বিসিসিএলের (BCCL) খনি থেকে আসা কয়লার লরিগুলিও। প্রয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইসিএল ও বিসিসিএল কর্তৃপক্ষের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে। তবে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর না এসে পৌঁছানোয় লরি নিয়ে ঠায় বসে থাকতে হচ্ছে চালকদের। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে রাহা খরচ। টান পড়েছে রসদে। বাধ্য হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন লরি চালকরা। সূত্রের খবর, চালকদের বিক্ষোভে কাজ হয়েছে। তিন দিন ধরে আটকে থাকা লরিগুলি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এসে দাঁড়িয়েছে আরও শ’দেড়েক লরি।

    ক্ষুব্ধ লরিচালকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, “ঝাড়খণ্ড ও আসামের মতো পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির লোডিং ইউনিটগুলি প্রভাবিত হচ্ছে। বৈধ অপারেশন করা হচ্ছে ভোগান্তি। এসব কি “ভাইপো ভ্যাট” আদায়ের জন্য? কেন্দ্রীয় সংস্থার তৎপরতায় পুরনো কূপগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় নতুন পথ তৈরি হচ্ছে?” 

    [tw]


    [/tw]

    কয়লা কেলেঙ্কারিতে (coal smuggling scam) নাম জড়িয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো তথা তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। এদিন নাম না করে ট্যুইট-বাণে শুভেন্দু তাঁকেই নিশানা করেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    এদিকে, কয়লা বোঝাই ট্রাক আটকে থাকায় টান পড়েছে জ্বালানির ভাঁড়ারে। কয়লার অভাবে উৎপাদন থমকে গিয়েছে রানিগঞ্জের বেঙ্গল পেপার মিলে। সমস্যায় পড়েছেন ওই মিলের শ’তিনেক শ্রমিক। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যাপ্ত কয়লার অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে উৎপাদন। কয়লার অভাবে সমস্যা দেখা দিয়েছে জামুড়িয়া শিল্পতালুকের বিভিন্ন ইস্পাত কারখানায়ও। মঙ্গলবার জামুড়িয়া শিল্পতালুকের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে আসানসোল-দুর্গাপুর (Asansol-Durgapur) পুলিশ কমিশনারেটে।  

     

LinkedIn
Share