Tag: assembly elections 2026

assembly elections 2026

  • Assembly Election 2026: “১৭৭ আসনে জিতবে বিজেপি”, রামনগরের সভায় স্পষ্ট বললেন শুভেন্দু

    Assembly Election 2026: “১৭৭ আসনে জিতবে বিজেপি”, রামনগরের সভায় স্পষ্ট বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) বিজেপি অন্তত ১৭৭টি আসন দখল করবে, বিজেপি৷ পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী৷ রামনগরে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর মণ্ডলের সমর্থনে একটি সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)৷ সেখানেই তিনি বলেন, “বিজেপি এবার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়ূবে৷ আমার কথা রেকর্ড করে রাখুন৷ ২০১৬-তে ৩, ২০২১-এ ৭৭, ২০২৬-এ ১৭৭-এর নীচে নামবে না৷ তার উপরে কোথায় যাবে বলছি না৷ ৪ মে বিকেলে দেখা হবে৷”

    ৭৯ লক্ষের নাম বাদ

    মঙ্গলবার ভবানীপুরে প্রচার করতে গিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন, তৃণমূল এবার ‘ডাবল ডিজিটে’ উঠবে না। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর পূর্বাভাস অনুসারে, বিধানসভা ভোটে ৯৯ পেরোতে পারবে না তৃণমূল। আর বুধবার সকালে রামনগরে বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর মণ্ডলের সমর্থনে সভা করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এবার বিধানসভা ভোটে ১৭৭-র নীচে নামবে না বিজেপি। এখানেই শেষ নয়। তৃণমূলকে ফের একবার শুভেন্দু মনে করিয়ে দিয়েছেন, এসআইআর-প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যেই ৭৯ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। শুভেন্দু তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় বলেন, “প্রথম রাউন্ড ব্রেকফাস্টে নাম বাদ গেছে ৫৮ লক্ষ। লাঞ্চে নাম বাদ গেছে ৬০ লক্ষ। সন্ধেবেলায় লিকার চা আর চিনাবাদাম হয়েছে, এখনও ডিনার হয়নি। এর মধ্যে ১৪ লক্ষ নাম বাদ গেছে। এখনও পর্যন্ত বাদ গেছে ৭৯ লক্ষের নাম, কত বাদ যাবে আর কিছু বলব না।”

    মহিলাদের তিন হাজার টাকা

    রামনগরের সভা থেকেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা৷ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আগের বার বলেছিলাম নন্দীগ্রামে এসেছেন হারিয়ে পাঠাবো৷ এবারে বলে গেলাম ভবানীপুরে আপনাকে হারাবো৷” এছা়ড়াও শুভেন্দু ঘোষণা করেন, আগামী ১ জুন থেকে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে দেবে বিজেপি সরকার। তিনি বলেন, “ভোটের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসছেই। মে মাসে বিজেপি সরকার গঠন হয়ে গেলেই চূড়ান্ত ঘোষণা করা হবে। আর তারপর জুনের ১ তারিখ থেকে মহিলাদের তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।” এর আগেও অন্নপূর্ণা প্রকল্পে প্রতিমাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Assembly Election 2026: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত ভয় কেন?’ ভবানীপুরে বিজেপির জয় নিশ্চিত, দাবি শুভেন্দুর

    Assembly Election 2026: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত ভয় কেন?’ ভবানীপুরে বিজেপির জয় নিশ্চিত, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে জিতবে বিজেপিই। ভবানীপুরে থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রে লড়তে ভয় পাচ্ছেন, দাবি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে জনসংযোগ করার সময় শুভেন্দু জানিয়েছেন, “কোনও চ্যালেঞ্জ নেই, অন্তত ২৫ হাজার ভোটে আমি জিতব।” আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) ভবানীপুর কার পাশে দাঁড়াবে? এই নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। এই কেন্দ্রে বিজেপির হয়ে লড়বেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তৃণমূলের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এত ভয় কেন?

    ভবানীপুরে হেভিওয়েট ডুয়েলের আগে কোমর বেঁধে ভোট ময়দানে নেমেছেন দুজনেই। নন্দীগ্রামের অফিসারকে ভবানীপুরে বদলি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। আর তারই জবাব দিতে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে খোঁচা দিলেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। বললেন, “নিজের বাড়ি, তাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত কেন ভয়?” রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে পাশে বসিয়ে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এত ভয় কেন? নিজের বাড়ি। নিজের জায়গা। যেখানে তিনি ৪০ বছর ধরে রাজনীতি করেন বলে বলেন। তাহলে কেন এসব বলছেন? উনি হারের আতঙ্ক থেকে এই ধরনের কথা বলছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবেন। বিজেপি জিতবে। ভবানীপুর বিজেপির জায়গা। ২০১৪ সালে তথাগত রায় প্রথম দক্ষিণ কলকাতায় লড়েছিলেন এবং ভবানীপুরে লিড হয়েছিলেন। আমার পরম প্রাপ্তি তথাগত রায় আমায় মেসেজ করেছেন, আমি এই বয়সেও তোমার জন্য ভবানীপুরে কিছু করতে চাই। কি করতে হবে বলো, কবে যেতে হবে বলো। কর্মসূচিগুলো আমায় সূচনা দেবে। এটা পরম প্রাপ্তি আমার কাছে।”

    বিজেপির জয় সময়ের অপেক্ষা

    ভবানীপুরের নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের হিসাবও দিলেন শুভেন্দু। বললেন, “তিন দফাতে ৫১ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। প্রথমে ৪৫ হাজার। পরে ২ হাজার। আর বিবেচনাধীন তালিকায় প্রায় ৪ হাজার। এই ৫১ হাজার ভুয়ো ভোটের মালিক ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যথাটাও জানি। যন্ত্রণাটাও জানি। বুঝতে পারছেন আগামিদিনে কী হবে। পৃথিবীর কোনও শক্তি, কোনও মেডিসিনি নেই, এই কোমাতে চলে যাওয়া তৃণমূলকে পুনরুজ্জীবিত করে, বিজেপির জয় এখন সময়ের অপেক্ষা।” ভবানীপুরের পাশাপাশি, নন্দীগ্রাম নিয়ে তাঁর মন্তব্য, “সেখানকার মানুষ জানেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় আমার ভূমিকা, সেখানকার মানুষ জবাব দেবে।” বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভবানীপুরে রামনবমীর মিছিলে তিনি থাকবেন বলেও এদিন জানিয়ে দেন শুভেন্দু। উল্লেখ্য, এবছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে দুই দফায়। প্রথম দফায় রয়েছে ১৫২টি আসন, ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসন, ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। ভোটগণনা হবে ৪ মে ।

  • SIR: “একমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই সমস্যা হয়েছে”, এসআইআর মামলায় রাজ্যকে নিশানা সুপ্রিম কোর্টের

    SIR: “একমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই সমস্যা হয়েছে”, এসআইআর মামলায় রাজ্যকে নিশানা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখনও কাটেনি এসআইআর (SIR) গেরোর জট। সোমবার রাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হয় নির্বাচন কমিশনের তরফে। তবে তাতে কতজনের নাম বাদ গিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এহেন পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের তরফে আবেদন জানানো হল। তাতে বলা হয়েছে, বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের আগের তালিকার নিরিখে ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হোক। নির্বাচন কমিশনের দাবি, প্রয়োজনে প্রতিদিন সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করতে পারে তারা। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হয় শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চে (Supreme Court)।

    রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য (SIR)

    মঙ্গলবার শুনানির শুরুতেই রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান জানান, প্রথম দফার নির্বাচনের ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৬ এপ্রিল। নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ভোটার তালিকায় নাম তোলা বন্ধ হয়ে যাবে। তাঁর আর্জি, যে বা যাঁরা বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছেন, তাঁদের আগের ভোটার তালিকায় নাম থাকলে, ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হোক। এই সময় (SIR) প্রধান বিচারপতি বলেন, “গতকাল সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমাদের তথ্য পাঠাতে থাকেন।” শ্যাম বলেন, “আমাদের কয়েকটি সাজেশন রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় ভোটার তালিকা ফ্রিজ হয়ে যাবে যথাক্রমে ১৬ এবং ২২ এপ্রিল। ১৪ জন এমন প্রার্থী রয়েছেন, যাঁরা বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন। তাঁরা ৬ এপ্রিল মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন না।”

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    এই সময় প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) বলেন, “এই প্রতিটি প্রশাসনিক ইস্যু কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দেখতে পারেন।” তাঁর পরামর্শ, যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের নাম নিষ্পত্তি হয়নি, তাঁরা অ্যাজুডিকোটিং অফিসারের কাছে গিয়ে এই বিষয়ে আবেদন করতে পারেন। এই সময় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, “আমরা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করেছি। মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে আমরা প্রতিদিন সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে পারি।” এর পরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, “একমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই সমস্যা হয়েছে। অন্য (SIR) সব রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া মসৃণভাবে হয়েছে।” তিনি জানান, কোথাও কোথাও এসআইআরের পরে ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে।

     

  • Assembly Election 2026: রাজ্যে ৭৩ রিটার্নিং অফিসারকে বদলি কমিশনের, তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরও

    Assembly Election 2026: রাজ্যে ৭৩ রিটার্নিং অফিসারকে বদলি কমিশনের, তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নির্বাচনের (Assembly Election 2026) দিন ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনিক স্তরে একাধিক রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদলি করা হয়েছে। এ বার সেই তালিকায় যোগ হলো রিটার্নিং অফিসারদের (Returning Officer) নাম। সোমবার একটি বিবৃতি জারি করে রাজ্যের ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারে বদলি করে দিল কমিশন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই এসিডও অর্থাৎ মহকুমাশাসক। উল্লেখ্য, এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) কেন্দ্র ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারও রয়েছেন।

    কেন এই পদক্ষেপ

    সোমবারই রিটার্নিং অফিসার বদলি সংক্রান্ত একটি বিবৃতি জারি করে কমিশন। সেখানে বলা হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের প্রস্তাব মেনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, ১৯ মার্চ এবং ২৩ মার্চ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক যে ইমেল করেছিলেন,তার জবাবে এই বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মঙ্গলবার, অর্থাৎ, ২৪ মার্চ বিকেল ৫টার মধ্যে তালিকায় নাম থাকা সমস্ত রিটার্নিং অফিসারকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যেতে হবে। বুধবার ২৫ মার্চ সকাল ১১টা থেকে প্রশিক্ষণ পর্বে অংশ নিতে পারবেন তাঁরা। গোটা বিষয়টার দিকে কড়া নজর দিতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে। অফিসার বদলি প্রসঙ্গে কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, অবাধ এবং সুষ্ঠু ভোট পরিচালনার জন্য এমন পদক্ষেপ। এই সব সিদ্ধান্তের নেপথ্যে অনেক কারণ রয়েছে। পাঁচটি রাজ্যে ভোট হচ্ছে, সব জায়গায় পরিস্থিতি এক নয়। অন্যত্রও অফিসার বদলি করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হয়।

    কোথায়, কত বদলি

    নির্দেশিকা অনুসারে, কোচবিহারের তুফানগঞ্জ, জলপাইগুড়ি, মালদা সদর, মুর্শিদাবাদের লালবাগ, ব্যারাকপুর, বিধাননগর, বারাসত, ক্যানিং, বারুইপুর, আলিপুর, হাওড়া সদর, বুগলি সদর, তমলুক, কাঁথি, হলদিয়া, এগরা, ঘাটাল, দুর্গাপুর, আসানসোলে নতুন এসডিও নিয়োগ করা হয়েছে। তুফানগঞ্জের এসডিও হয়েছেন শান্তনু কর্মকার, জলপাইগুড়িতে নির্মল ঘরামি, ব্যারাকপুরের এসডিও হয়েছেন যাদব সূর্যভান আচ্ছেলাল, হাওড়া সদরের এসডিও হয়েছেন বিবেক পঙ্কজ, তমলুকে এসডিও হয়েছেন সৌভিক মুখোপাধ্যায়, বিধাননগরে প্রিয়াংশা গর্গ, মুর্শিদাবাদে পূজা মীনা। অন্যদিকে, ভবানীপুরে ল্যান্ড অ্যান্ড রেকর্ডসের অতিরিক্ত ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে সুরজিত রায়ের। সবচেয়ে বেশি রদবদল হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। সেখানে ১৩ জন আরও-কে রদবদল করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১০ জন আরও-কে রদবদল করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরেও সংখ্যাটা একই। কলকাতায় ভবানীপুর এবং রাসবিহারী কেন্দ্রের আরও বদলি হয়েছেন।

  • Assembly Elections 2026: প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল কমিশন, কত নাম বাদ?

    Assembly Elections 2026: প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল কমিশন, কত নাম বাদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের (Assembly Elections 2026) আগে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মধ্যরাতে প্রকাশিত হল বিবেচনাধীন ভোটারদের এই তালিকা। জাতীয় নির্বাচন কমিশন এর ওয়েবসাইটে লিস্ট প্রকাশ করা হল। জানা গিয়েছে, এই লিস্টে মোট ২৯ লক্ষের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু, ঠিক কত লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে বা যুক্ত হয়েছে তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। সোমবার রাত ১২টার কয়েক মিনিট আগে ওই তালিকা প্রকাশ করেছে তারা। বুথ অনুযায়ী দু’টি ভাগে তালিকাটি প্রকাশ করেছে কমিশন। নাম বাদ পড়া ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা বার করা হয়েছে।

    প্রযুক্তিগত সমস্যা রয়েছে

    কমিশন সূত্রে খবর, বুথমাফিক অতিরিক্ত ভোটার তালিকা ডাউনলোড করে নাম রয়েছে কি না কোনও ভোটার জানতে পারবেন। তালিকা প্রকাশ করা হলেও প্রযুক্তিগত সমস্যা রয়েছে বলে অভিযোগ। বেশির ভাগ বুথের অতিরিক্ত তালিকা ডাউনলোড করা যাচ্ছে না। এমনকি এপিক নম্বর দিয়েও নাম দেখা যাচ্ছে না।  এসআইআর শুরুর আগে, এ রাজ্যের মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিল ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম। সেই তালিকায় নাম ছিল ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০ জনের। পরে শুনানিতে বাছাই করে আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়, এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে বাদের হিসাব দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনে। ওইদিন প্রকাশিত হওয়া প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তার মধ্যে আবার ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জনের নাম বিবেচনাধীন পর্যায়ে ছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি করছেন বিচারকেরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়োগ করেছেন। এই মুহূর্তে রাজ্যে ৭০৫ জন বিচারক ওই কাজে নিযুক্ত রয়েছেন। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজ্যে ২৮ লক্ষ ৬ হাজার বিবেচনাধীন ভোটারের তথ্যের নিষ্পত্তি হয়েছে।

    নাম বাদ পড়লে ট্রাইবুনাল গঠন

    সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার আগরওয়াল জানান, রাত ৯টা নাগাদ তালিকা প্রকাশিত হবে। শেষ পর্যন্ত রাত ১২টার কয়েক মিনিট আগে বিবেচনাধীন ভোটারদের একাংশের চুড়ান্ত তালিকা বার করা হল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন। ইতিমধ্যে সেই ট্রাইবুনাল গঠন করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের ২৩টি জেলার জন্য ১৯ জন প্রাক্তন বিচারপতিকে নিয়ে ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে। এই তালিকায় যাদের নাম বাদ পড়বে তাঁরা সেখানে আবেদন করতে পারবেন।

  • Assembly Elections 2026: বুথের বাইরে স্পষ্ট নির্দেশিকা! ভোট-কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে নিষিদ্ধ মোবাইল, এবার কী কী নতুন নিয়ম?

    Assembly Elections 2026: বুথের বাইরে স্পষ্ট নির্দেশিকা! ভোট-কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে নিষিদ্ধ মোবাইল, এবার কী কী নতুন নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Elections 2026)  ভোটারদের সুবিধার্থে ও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও সু-শৃঙ্খল করতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বুথে ঢোকার আগে থেকে ভোট দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ায় কী কী বদল আসছে, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ভোটারদের মধ্যে কোনওরকম ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হবে না। ফলে কথা-কাটাকাটি বা উত্তেজনা ছড়ানো সহজ হবে না। শুধু তাই নয় কমিশন জানিয়েছে, এবার রাজ্যের প্রবীণ নাগরিকরা ঘরে বসেই ভোট দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে যাঁদের বয়স ৮৫-এর উপরে, তাঁরাই এই সুবিধা পাবেন। এছাড়া বিশেষভাবে সক্ষমরাও বাড়ি বসেই ভোট দিতে পারবেন বলে জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

    ভোট-কেন্দ্রের বাইরে পোস্টারে নির্দেশিকা

    বিধানসভা নির্বাচনে প্রতি বুথের বাইরেই চার ধরনের পোস্টার টাঙিয়ে দেবে কমিশন। ওই পোস্টারগুলিতে প্রার্থীদের নাম, বুথ সংক্রান্ত তথ্য, ভোট দেওয়ার নিয়ম এবং কোন কাজ করা যাবে না, এসব স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে। ভোটার কার্ড ছাড়াও কোন কোন নথি দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে, সেটাও সেখানে উল্লেখ থাকবে। ভোটারদের বোঝার সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় চিহ্নিত করা থাকবে। এগুলি এমন জায়গায় থাকবে, যাতে ভোটারেরা সহজে দেখতে পান।

    ভোটার সহায়তা কেন্দ্র

    বুথের কাছে থাকবে ভোটার সহায়তা কেন্দ্রও। সেখানে বুথ স্তরের আধিকারিকদের (বিএলও) থাকতে বলা হয়েছে। তাঁরা ভোটারদের সঠিক বুথ বা কক্ষ খুঁজে পেতে সাহায্য করবেন এবং ক্রম নম্বর অনুযায়ী নির্দেশনা দেবেন।

    ১০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশের মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত নিয়ম। কমিশন (Election Commission) স্পষ্ট জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। ভোট দিতে যাওয়ার আগে মোবাইল সুইচ অফ বা সাইলেন্ট করে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রাখতে হবে। ভোট দেওয়া হয়ে গেলে পরে তা সংগ্রহ করা যাবে। এই নিয়ম কঠোর ভাবে মানতে বলেছে কমিশন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে।

    ন্যূনতম পরিষেবায় জোর কমিশনের

    রবিবার সকালে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে একাধিক নিয়মকানুনের কথা জানিয়েছে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অসম, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরিতে ভোট হচ্ছে। বলা হয়েছে, এই চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ২ লক্ষ ১৮ হাজার ৮০৭টি বুথে ভোটারদের জন্য ন্যূনতম পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি ক্ষেত্রে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) সেই নির্দেশ দেওয়া রয়েছে। এই ন্যূনতম পরিষেবার মধ্যে রয়েছে পানীয় জল, শৌচাগার এবং তাতে পর্যাপ্ত জল, ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত আলোর মতো কয়েকটি বন্দোবস্ত। সব বুথ একতলায় করা হচ্ছে। এই নিয়মের ফলে বয়স্করা সুবিধা পাবেন। ভোট দিতে দাঁড়ানোর জন্য ছায়ার আশ্রয়, প্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য উপযুক্ত র‌্যাম্প, বিচ্ছিন্ন ভোটকক্ষ এবং উপযুক্ত চিহ্নিতকরণ নিশ্চিত করতে বলেছে কমিশন।

    ঘরে বসেই ভোট 

    কমিশনের তরফে জানান হয়েছে, কেউ ঘরে বসে ভোট দিতে চাইলে সবার প্রথমে বিএলও-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ভোটার বা পরিবারের কাউকেই যোগাযোগ করতে হবে। এরপর ১২ডি ফর্ম ফিলআপ করে আবেদন করে ফেলতে হবে। তাহলেই ভোটারের তরফের কাজ শেষ। এরপর বিএলও সেই ফর্ম গিয়ে জমা দেবেন নির্দিষ্ট জায়গায়। তারপর রিটার্নিং অফিসার কবে ভোটগ্রহণ করা হবে, সেটা ঠিক করবেন। সেই মতো প্রার্থীদের জানান হবে দিন। এমনকী ভোটারদেরও বলে দেওয়া হবে। এরপর নির্দিষ্ট দিনে বাড়ি গিয়ে নেওয়া হবে ভোট। এই হল পুরো প্রক্রিয়া। তবে শুধু বাড়ি বসেই ভোট দেওয়ার সুবিধাই নয়, পোস্টাল ব্যালটেও ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে কমিশন। এক্ষেত্রে যাঁরা ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত, সেই সব সরকারি আধিকারিকরা সরাসরি পোস্টল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। এছাড়া দমকল, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, ট্র্যাফিক, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা, সাংবাদিক সহ আরও কিছু মানুষকে পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে দফতরের জন্য মনোনিত নোডাল অফিসারের কাছে করতে হবে আবেদন। তাহলেই ভোট দেওয়া যাবে।

    অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ

    বাংলায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে। গত ১৫ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেই একথা জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলার একটি বুথেও নজরদারিতে হালকা মনোভাব দেখাচ্ছে না কমিশন। রাজ্যজুড়ে ৮০ হাজার ৭১৯ বুথের ভিতর ও বাইরে মিলে ২ লাখ সিসিটিভি, ওয়েবক্যাম থাকবে। থাকবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই লাখের মতো জওয়ান। সিসিটিভি আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে এবার ভোট হবে বাংলায়। বিভিন্ন নির্বাচনে বাংলায় বুথ দখল, ছাপ্পার অভিযোগ ওঠে। শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয় বিরোধীরা। এবারও বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একাধিক দাবি জানাতে থাকে বিরোধীরা। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে বাংলা সফরে এসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেখানেও নিজেদের উদ্বেগের কথা জানায় রাজনৈতিক দলগুলি। তাই বাংলায় নির্বিঘ্নে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে, বলে জানিয়েছে কমিশন।

  • Appellate Tribunal: নাম বাদ পড়লে, ভয় নেই! অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠন কমিশনের, জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    Appellate Tribunal: নাম বাদ পড়লে, ভয় নেই! অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠন কমিশনের, জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশের আগে অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল গঠন করল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কমিশন। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সুপারিশের ভিত্তিতে এই ট্রাইবুনাল (Appellate Tribunal) গঠন করা হয়েছে। প্রাক্তন বিচারপতিদের রাজ্যের বিভিন্ন জেলার অ্যাপিলেট অথরিটি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এই বিচারকরা চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা বা বাদ দেওয়ার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন তা-ই চূড়ান্ত। সেটা কমিশনও মেনে নেবে। নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নির্ভুল রাখতে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও আইনি কাঠামোর মধ্যে আনতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

    কারা কোন বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন

    কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে ১৯ জন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং বিচারপতিকে নিয়ে এই ট্রাইবুনাল (Appellate Tribunal) গঠন করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমও আছেন অ্যাপিলেট অথরিটি হিসেবে। তিনি উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং কলকাতার আবেদন শুনবেন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ছাড়াও প্রাক্তন বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনায়। পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্বে প্রাক্তন বিচারপতি তপেন সেন, প্রাক্তন বিচারপতি প্রণব কুমার দেব কোচবিহারে, পূর্ব বর্ধমানে প্রাক্তন বিচারপতি প্রভাত কুমার দে, প্রাক্তন বিচারপতি রঘুনাথ রায় নদিয়া, প্রাক্তন বিচারপতি অশোক কুমার দাস অধিকারী হাওড়া, প্রাক্তন বিচারপতি দীপক সাহা রায় দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে, প্রাক্তন বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে, প্রাক্তন বিচারপতি তৌফিক উদ্দিন দক্ষিণ দিনাজপুরে, প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং বিশ্বজিৎ বসুকে বিধানসভা অনুযায়ী মুর্শিদাবাদে, প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, প্রাক্তন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় হুগলি, প্রাক্তন বিচারপতি মুমতাজ খান পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া, প্রাক্তন বিচারপতি মীর দারা শেকো পশ্চিম বর্ধমান, প্রাক্তন বিচারপতি দেবীপ্রসাদ দে উত্তর দিনাজপুর, প্রাক্তন বিচারপতি মনোজিৎ মণ্ডল বীরভূম এবং প্রাক্তন বিচারপতি সিদ্ধার্থ রায় চৌধুরীকে মালদা জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    কারা আবেদন করবেন ট্রাইবুনালে

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ফাইনাল ভোটার লিস্ট বেরিয়ে গিয়েছে। সেই তালিকায় ৬০ লক্ষের বেশি নাম বিচারাধীন বা অ্যাডজুডিকেশন অবস্থায় ছিল। আর সেই সব ভোটারদের নথি যাচাই করছে জুডিশিয়াল অফিসারের। এই নথি নিষ্পত্তির পর একটা বড় অংশের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, যাঁদের নাম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা থেকে বাদ যাবে, তাঁরা অনলাইন বা অফলাইনে আপিল ট্রাইবুনালে (Appellate Tribunal) আবেদন জানাতে পারবেন। বিবেচনাধীন ভোটারদের মধ্যে ২০ লক্ষ ভোটারের নামের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে সোমবার। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের পরে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের কাজের অগ্রগতির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হবে। এর পরবর্তী সপ্তাহ থেকে প্রতি শুক্রবার একটি করে তালিকা প্রকাশ করা হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত ঝুলে থাকা ৬০ লক্ষ আবেদনের সবক’টির নিষ্পত্তি ঘটছে।

    কীভাবে আবেদন করবেন

    এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কীভাবে ট্রাইবুনালে (Appellate Tribunal) করা যাবে আবেদন? আর সেই বিষয়টাও ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাঁদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, অনলাইন ও অফলাইন, দুইভাবেই আবেদন করা যাবে ট্রাইবুনালে। কমিশন জানিয়েছে, অনলাইনে আবেদন করতে চাইলে ECI Net প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে https://ecinet.eci.gov.in-এ গিয়ে আপিল করুন। তাহলেই কাজ হবে। আপনার আবেদন শুনবে ট্রাইবুনাল। আপনি চাইলে অফলাইনেও আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ডিএম, এসডিও ও এডিএম অফিসে গিয়ে করতে হবে আবেদন। তারপর ওই সংশ্লিষ্ট অফিস থেকেই নথি ডিজিটালাইজড করে আপলোড করে দেওয়া হবে। এরপর নির্দিষ্ট সময় শুরু হবে নিষ্পত্তি। সমস্ত আবেদনের নিষ্পত্তি হয়ে গেলে আর ট্রাইবুনালের কোনও অস্তিত্ব থাকবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গে বিশেষ নজর

    অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে পশ্চিমবঙ্গের জন্য অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল (WB Voter List Tribunal) গঠন করে নির্বাচন কমিশন (ECI) বুঝিয়ে দিল এসআইআর প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে ভোটপর্ব সবেতেই স্বচ্ছ্বতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর তারা। উত্তরবঙ্গের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে কমিশনের। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সুপারিশে রাজ্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠিত হয়েছে। ১৯টির মধ্যে ৫টি ট্রাইবুনাল উত্তরবঙ্গে। মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর ছাড়া কোচবিহারের জন্য পৃথক পৃথক ট্রাইবুনাল থাকছে। অন্য একটি ট্রাইবুনাল কালিম্পং, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলার আবেদনের নিষ্পত্তি করবে।

  • Assembly Elections 2026: প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ সোমবার! তার পর কবে অতিরিক্ত তালিকা, জানাল কমিশন

    Assembly Elections 2026: প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ সোমবার! তার পর কবে অতিরিক্ত তালিকা, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট কবে বেরোবে, তা জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার (Assembly Elections 2026) বিকেলেই প্রথম দফায় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বার করা হবে। কমিশন সূত্রে খবর, বুথভিত্তিক সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary List) পুরো প্রস্তুত না হওয়ায় শুক্রবার তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের তরফে ৪০ হাজার বুথের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই দুটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বার করবে কমিশন।

    প্রতি শুক্রবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ২৭ লাখ ৩০ হাজার অভিযোগের নিস্পত্তি হয়েছে। রাজ্যের সাত হাজারের বেশি বুথ থেকে নিষ্পত্তি হওয়া নামের তালিকা কমিশনের কাছে পৌঁছেছে। তবে সম্পূর্ণ তালিকা এখনও পাওয়া যায়নি। বাকি বুথ থেকে তালিকা কমিশনে আসার পরেই প্রথম অতিরিক্ত তালিকাটি প্রকাশ করা যাবে। সোমবার বিকেলের পর শুক্রবার ফের তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তার পরে প্রতি শুক্রবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তবে তা ছিল অসম্পূর্ণ। ওই তালিকায় ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৯ জনের নাম ‘যোগ্য’ হিসাবে রয়েছে। ‘বিবেচনাধীন’ ভোটার রয়েছেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন।

    ইদের পরেই তালিকা প্রকাশ

    হাইকোর্ট নিযুক্ত ৭০০-র বেশি বিচারবিভাগীয় আধিকারিক এই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বানানোর কাজ করছেন। সিইও দফতর সূত্র জানা গিয়েছে, এই গতিতে চললে ভোটের আগে সমস্ত বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল, দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে হবে। শুক্রবারই প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট দিন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। ইদের সময় তালিকা প্রকাশে মত নেই বিচারকদের। তাঁদের আশঙ্কা, ইদের সময় তালিকা বেরোলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হুমকির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁদের। গতকালই দুই দফায় ডিজি ও স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। সিইও ও বিশেষ পর্যবেক্ষকের সঙ্গেও বৈঠক করেন। জানা গিয়েছে, বৈঠকে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। ইদের সময় তালিকা প্রকাশে মত ছিল না বিচারকদের। পরবর্তীতে ইদ মেটার পরই সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • Assembly Elections 2026: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায়! জোর জল্পনা, ভোট ঘোষণা কবে?

    Assembly Elections 2026: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায়! জোর জল্পনা, ভোট ঘোষণা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। দু’দিন আগেই বঙ্গ সফর শেষ করে নয়াদিল্লি ফিরে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের (EC) ফুল বেঞ্চ। তার পরেই শুরু হয়েছে রাজ্যে নির্বাচন কবে এবং ক’দফায় হবে, তা নিয়ে জোর জল্পনা। জানা (Assembly Elections 2026) গিয়েছে, বঙ্গে নির্বাচন হতে পারে দু’দফায়। অন্তত নির্বাচন কমিশনের এক শীর্ষ আধিকারিক সূত্রেই এমন ইঙ্গিত মিলেছে। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন হতে পারে দু’দফায়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই ভোট গ্রহণের দফা কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পর্যায়ের বৈঠক এবং রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এবং ভোট গ্রহণের দফার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা করা হবে।

    বৈঠক রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে (Assembly Elections 2026)

    এ রাজ্যে এসে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠক করে রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে, আলোচনা করেন রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও। বৈঠকে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি, বিশেষত বিজেপি, সিপিআই(এম) এবং কংগ্রেস কমিশনের কাছে এক বা সর্বাধিক দু’দফায় নির্বাচন করানোর জোরালো দাবি জানিয়েছে। বিরোধীদের বক্তব্য, বেশি দফায় নির্বাচন হলে দুষ্কৃতীদের এক কেন্দ্র থেকে অন্যত্র যাওয়ার সুযোগ থাকে। তাই অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ ভোটের স্বার্থে কম দফায় নির্বাচন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

    হিংসার ঘটনা

    এর আগে রাজ্যে যেসব নির্বাচন হয়েছে, সেগুলিতে প্রায়ই হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তাই নির্বিঘ্নে এ রাজ্যে ভোট সাঙ্গ করা কমিশনের কাছেও বড়ই উদ্বেগের। তাই এবার নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার অনেক আগে থেকেই রাজ্যে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যাতে ভোটারদের আস্থা তৈরি করা যায়। প্রসঙ্গত, রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরাও কমিশনকে আশ্বস্ত করেছেন, ভোটের আগে ও পরে রাজ্যে কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।

    রাজ্যে পৌঁছল নির্দেশিকা

    এদিকে, ইতিমধ্যেই নির্দেশ চলে এসেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে। নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে রাজ্যের সব জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছেও। তাতে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহেই সব বুথ তৈরি করে ফেলতে হবে। পানীয় জল, দরজা, জানলা, বিদ্যুৎ-সহ বয়স্কদের জন্য ঢোকা ও বেরোনোর জায়গা ঠিক করতে হবে। বুথের ভেতরে ক্যামেরা লাগানোর জায়গা ঠিক করতে হবে। যে গাড়িগুলি ভোটের দিন টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে, সেই গাড়ির মাথায় এখনই ক্যামেরা লাগিয়ে টেস্ট করে রাখতে হবে (Assembly Elections 2026)। যেসব বুথে ১২০০-র বেশি ভোটার রয়েছেন, সেগুলিকে দু’ভাগে ভাগ করে অক্সিলিয়ারি বুথ চিহ্নিতকরণ করতে হবে। সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হলে, তা এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। জাতীয় কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী একটুও খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (EC)।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

    এবার বঙ্গ সফরে এসে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠক করে রাজ্যের ২৩টি জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্বয়ং। শুধু ভোটের সময় নয়, নির্বাচনোত্তর হিংসার ঘটনা নিয়েও রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনকে কড়া বার্তা দেন জ্ঞানেশ কুমার। রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশনের ফুল বেঞ্চ মনে করছে, ক্ষেত্রবিশেষে কোথাও কোথাও কিছু সমস্যা রয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব খারাপ রয়েছে বলেও মনে করছে না কমিশন (Assembly Elections 2026)।

     

  • RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বাংলায় আচমকাই পদত্যাগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজ, বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দেন আনন্দ বোস। এ রাজ্যের (West Bengal) অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হল তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবিকে (RN Ravi)। তামিলনাড়ুর পাশাপাশি বাংলার দায়িত্বও সামলাবেন তিনি। রাজ্যপাল পদে আসীন হওয়ার আগে রবি ছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং আইবিতে। এ রাজ্যে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে প্রাক্তন আইপিএস অফিসারকে অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া (RN Ravi)

    ঘটনায় যারপরনাই বিস্ময় এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, এর কারণ তাঁর জানা নেই। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগাম কোনও পরামর্শ ছাড়াই আরএন রবির নয়া রাজ্যপাল হিসেবে আসন্ন নিয়োগের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত, এই পরিবর্তনটি হয়তো নির্বাচনী স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকারকে তিনি এমন একটি সরকার হিসেবে বর্ণনা করেন, যা ক্রমশ পদত্যাগের মাধ্যমে চিহ্নিত হয়ে উঠছে।

    বোস-বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক

    বোসের সঙ্গে বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্ক ছিল অম্ল-মধুর। দায়িত্ব নেওয়ার পরে পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নানা বিষয়ে মনান্তর হয়েছে রাজ্যপালের। পরে আবার মিটমাটও হয়ে গিয়েছে। ওদিকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির সঙ্গে সে রাজ্যের (RN Ravi) স্টালিন সরকারের ‘সংঘাতে’র খবরও প্রায়ই শিরোনাম হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের। গত বছর স্বাধীনতা দিবসে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির চা-চক্রে অংশ নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্টালিন। এ নিয়ে রীতিমতো বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছিলেন তিনি। রাজ্যপালের নাম না করে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যিনি প্রতিনিয়ত তামিলনাড়ুর জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করছেন, তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন না মুখ্যমন্ত্রী। চেন্নাইয়ের রাজভবনে রাজ্যের অন্য মন্ত্রীরাও যাবেন না বলে জানানো হয়েছিল সেই বিজ্ঞপ্তিতে। তারপর ২০২৩ সাল থেকে রাজ্যপালের চা চক্র এড়িয়েই চলছে তামিলনাড়ুর স্টালিন সরকার।

    দায়িত্ব আরএন রবির হাতে

    কয়েক বছর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রাজ্যপালকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। এর পরে বিধানসভায় পাশ হওয়া ১০টি বিল রাজ্যপাল আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছিল স্টালিন সরকার। শেষমেশ সুপ্রিম নির্দেশে ২০২৫ সালের শুরুতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে বিলগুলিতে স্বাক্ষর করেছিলেন রবি। তারপরেও রবির সঙ্গে স্টালিন সরকারের সম্পর্ক আক্ষরিক অর্থেই অহি-নকুলের। চলতি বছরের শুরুতে তামিলনাড়ু বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগও তোলেন রাজ্যপাল। সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ না করেই অধিবেশন ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন (West Bengal) রবি। এহেন রবির ওপরই বর্তেছে বঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্বও, তাও আবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে (RN Ravi)।

    এখন দেখার, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়!

     

LinkedIn
Share