Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • 2nd Supplementary Voter List: ১২ লক্ষ বিবেচনাধীনের দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    2nd Supplementary Voter List: ১২ লক্ষ বিবেচনাধীনের দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ মার্চ গভীর রাতে, প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ এসআইআর-এর দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা (2nd Supplementary Voter List) প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। আগের বারের মতো এবারও কতজন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য জানানো হয়নি। উল্লেখযোগ্যভাবে, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার প্রথম তালিকায় প্রায় ১০ লক্ষ ভোটার, যারা বিবেচনাধীন ছিলেন, তাদের তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। গতকাল প্রকাশিত তালিকায় আরও ১২ লক্ষ বিবেচনাধীনের ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে।

    দ্বিতীয় অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ কমিশনের

    ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। ৬৩ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছিল। আরও প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন অবস্থায় ছিল। এই পরিস্থিতিতে বিবেচনাধীন ভোটারদের যোগ্যতা যাচাই করতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিচারপতিদের নিয়োগ করা হয়। সেই প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যেই দুই দফায় বিবেচনাধীন তালিকার অর্ধেকেরও বেশি নামের নিষ্পত্তি হয়েছে। যদিও পূর্ববর্তী একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (2nd Supplementary Voter List) থেকেই প্রায় ১০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। দুই তালিকা মিলিয়ে মোট প্রায় ২২ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারদের নাম প্রকাশ হল। এখনও ২৩ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি বাকি।

    শুক্রবার সন্ধ্যাতেই সিইও মনোজ আগরওয়াল (Election Commission) জানিয়েছিলেন, বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিচারকেরা যা তথ্য দিয়েছেন, তা ‘প্রসেস’ করে প্রকাশ করা হবে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। সেক্ষেত্রে ঘণ্টা পাঁচেক সময় লেগে যেতে পারে বলে আগেই আভাস দিয়েছিলেন। সেই মতো, মধ্যরাতের কিছু আগে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর আগে, ২৩ মার্চ প্রথমে জানানো হয়েছিল রাত ৯টার মধ্যে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (2nd Supplementary Voter List) প্রকাশ করা হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গিয়ে সেই তালিকা প্রকাশিত হয় প্রায় রাত পৌনে ১২টা নাগাদ। প্রথম অতিরিক্ত তালিকায় কত নিষ্পত্তি হয়েছে এবং সেখান থেকে কত জন ভোটার যোগ হয়েছেন, তা জানায়নি কমিশন। তবে জানা যাচ্ছে, দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের আগে পর্যন্ত সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৭৬ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে।

    কোথায়, কীভাবে নিজেদের নাম দেখবেন ভোটাররা?

    ভোটাররা সহজেই নিজেদের নাম যাচাই করতে পারেন নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ওয়েবসাইটে গিয়ে। এর জন্য voters.eci.gov.in-এ লগ ইন করতে হবে। চাইলে সরাসরি নির্দিষ্ট লিঙ্কে গিয়ে ভোটার তালিকা ডাউনলোডের পাতাতেও পৌঁছে যাওয়া যায়। পাশাপাশি, জেলাশাসকের দফতর, এসডিও বা এডিএম অফিসে গিয়েও তালিকা দেখা সম্ভব। এছাড়া প্রতিটি বুথেও তালিকা টাঙিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে। ওয়েবসাইটে (ECI Voter Portal) ঢোকার পর রাজ্যের নাম, তালিকা সংশোধনের বছর, রোলের ধরন, জেলা, বিধানসভা কেন্দ্র এবং ভাষা নির্বাচন করে ক্যাপচা পূরণ করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট তালিকা (2nd Supplementary Voter List) স্ক্রিনে দেখা যাবে। সেখান থেকে নিজের বুথ নির্বাচন করে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড হয়ে যাবে। নিজের নাম খুঁজতে ‘রোল টাইপ’ থেকে ‘Adjudication Supplementary List No. 2’ অপশনটি বেছে নিতে হবে। যদি সেখানে নাম না পাওয়া যায়, তবে ‘Adjudication Deleted List No. 2’-এ খুঁজে দেখা যেতে পারে।

    নাম বাদ গেলে কত তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে?

    যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তারা অবসরপ্রাপ্ত বিচারক-বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত ট্রাইবুনালে আপিল করতে পারবেন। এই উদ্দেশ্যে মোট ১৯টি ট্রাইবুনাল (Voter List Appeal Tribunal) তৈরি করা হয়েছে। আবেদন করা যাবে অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই। অনলাইনে ইসিআই নেট অ্যাপ (ECI NET) বা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে আবেদন করা যাবে। অন্যদিকে, অফলাইনে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমাশাসকের দফতরেও আবেদন করা সম্ভব। উল্লেখ্য, ২৩ মার্চ প্রকাশিত তালিকায় যাদের নাম ‘ডিলিটেড’ (2nd Supplementary Voter List) তালিকায় রয়েছে, তারা ৬ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। আর ২৭ মার্চের তালিকায় যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১১ এপ্রিল।

  • PM Modi Meeting: রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ জরুরি, পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতিতে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi Meeting: রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ জরুরি, পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতিতে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের জেরে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্র সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের ইন্টার-মিনিস্টেরিয়াল গ্রুপ (IGM) গঠন করল। এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। কমিটিতে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। পশ্চিম এশিয়ার (West Asia) অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে দেশের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে শুক্রবার সন্ধ্যায় ভার্চুয়াল বৈঠকে (Virtual Meeting) বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ( PM Modi Meeting)। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা অংশ নেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে কীভাবে কেন্দ্র ও রাজ্য যৌথভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    ছিল না ভোটমুখী পাঁচ রাজ্য

    ভোটমুখী পাঁচ রাজ্য অসম (Assam),কেরালা (Kerala),তামিলনাড়ু (Tamilnadu),পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল পুদুচেরির (Puducherry) মুখ্যমন্ত্রীরা এই বৈঠকে অংশ নেননি। নির্বাচন আচরণবিধি বা মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট কার্যকর থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, এই পাঁচ রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করবেন কেন্দ্রের মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়, যাতে প্রশাসনিক স্তরে সমন্বয় বজায় রাখা যায়। মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি রাজ্যগুলির প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা খতিয়ে দেখেন। সীমান্ত, উপকূল, সাইবার স্পেস এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলেও তিনি জানান। গুজব ও মজুতদারি রুখতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি দেশের ঐক্য বজায় রাখার ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একের পর এক বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও ভারত তার অগ্রগতির ধারা বজায় রেখেছে, যা সম্ভব হয়েছে সম্মিলিত জাতীয় প্রচেষ্টা এবং সক্রিয় প্রশাসনের মাধ্যমে।

    জ্বালানি সরবরাহ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৈঠক

    এই ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও যোগ দেন। বৈঠকে দেশের নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে খবর। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই বৈঠকে ‘টিম ইন্ডিয়া’-র ভাবনায় রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের বৈঠক এই প্রথম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই এই সংঘাতের সূচনা হয়। এরপর ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল ও একাধিক উপসাগরীয় দেশে।

  • Mamata on Ram Navami: শুভেচ্ছাতেই শেষ! সারাদিন রাজ্যে রামনবমীর কোনও অনুষ্ঠানে নেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা, জানেন কেন?

    Mamata on Ram Navami: শুভেচ্ছাতেই শেষ! সারাদিন রাজ্যে রামনবমীর কোনও অনুষ্ঠানে নেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশের পাশাপাশি রাজ্য জুড়ে পালিত হল রাম নবমী (Mamata on Ram Navami)। নির্বাচনের আগে ঈদের নামাজ আদায় করতে রেড রোড গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। কিন্তু রাম নবমীর দিন কোথাও রাম নবমীর কোনও মিছিলে, পুজোয়, খুঁজে পাওয়া গেল না তাঁকে। হিন্দুদের উৎসব বাসন্তী পুজো অন্নপূর্ণা পুজো এবং রামনবমী। নির্বাচনের আগে এটা হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব বলা যায়। অথচ অদ্ভুত কান্ড। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রামনবমীর একটা নমো নম করে পোস্টার বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ছাড়া তার আর কিছুই করলেন না।

    সংখ্যালঘু তোষণই নীতি

    নির্বাচনের আগে নিজের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে হাতে রাখার জন্য কোনও কসুর ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঈদের দিন বৃষ্টির মধ্যেই সকাল সকাল তিনি চাদর গায়ে দিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন রেড রোডে ঈদের মঞ্চে। সেখান থেকে দাঁড়িয়ে তিনি হিন্দি ভাষায় অনর্গল বিজেপিকে আক্রমণ করে যান। তবে রামনবমীকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু পোস্টার। দেখলে অবাক হবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রামনবমীর শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মানুষকে। কিন্তু সেখানে শ্রী রামচন্দ্রের কোন ছবি নেই। কেবলমাত্র তার হাসি হাসি মুখের একটি ছবি রয়েছে। যাই হোক এই ছবি পোস্ট করার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দিনভর সেটা নিয়ে সমালোচনা হয়।

    মমতার হিন্দু ভোট ব্যাঙ্কে ধস

    সমালোচকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু  ভোট ব্যাংকের জন্য চিন্তা করেন না। আর সেই জন্যই রামনবমীতে কোনও অনুষ্ঠান দেখা গেল না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আসলে, দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম শাসনে বাঙালি হিন্দুর মধ্যে তার জাতীয়তাবাদী সত্তাটা খানিক চাপা পড়ে গিয়েছিল, বারবারি রাজ্যে হিংসা-হানাহানি হলেও বামেদের প্রচারের কারণে নিজেদের বিপদটা বুঝতে পারতেন না বাঙালি হিন্দুরা। তারপর ক্ষমতায় এলেো তৃণমূল। বামেদের দেখানো পথেই সংখ্যালঘুতোষণ শুরু করলো তারা। পশ্চিমবঙ্গে লেগে রইল হিংসা। বাদুড়িয়া কালিয়াচক ধূলাগড় সহ বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুরা অত্যআচারিত হল। কিন্তু ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রে ক্ষমতায় বসার বছর খানেক পর থেকে এই রাজ্যে পাল্টে যেতে শুরু করে পরিস্থিতি। হিন্দুরা তাদের হিন্দুত্ব নিয়ে গর্ব করতে শুরু করে সেই প্রথম। জাগতে শুরু করে হিন্দুরা। ধীরে ধীরে রাজ্যজুড়ে ধুমধাম করে পালন হতে শুরু করে রামনবমী। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সহ নানা হিন্দু সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে, জায়গায় জায়গায় ধুমধাম করে রামনবমী পালন শুরু হয়। হিন্দুরা জাগতে ধীরে ধীরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিন্দু ভোট ব্যাঙ্কে ধস নামে। তিনি আরো বেশি করে আঁকড়ে ধরতে শুরু করেন মুসলিম ভোট ব্যাংককে। এরপর ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে বিজেপির ১৮টি আসন পাওয়ার পর রামচন্দ্র রাতারাতি হয়ে যান বহিরাগত।

    মমতার দ্বিমুখী আচরণ

    তারপর নদী দিয়ে কত জল গড়িয়ে গিয়েছে, কত বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলার হিন্দু সমাজ আরো বেশি করে একত্রিত হয়েছে। আর তত বেশি করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরে গিয়েছেন মুসলিম ভোট ব্যাংকের কাছে। বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে তিনি অপমান করেছেন হিন্দুদের।। কোন প্রতিবাদ হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পাননি। হিন্দুদের পবিত্রতম সমাবেশ মহাকুম্ভকে তিনি ‘মৃত্যু কুম্ভ’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। কোটি কোটি পুণ্যার্থীর আধ্যাত্মিক আবেগকে এভাবে অমঙ্গলজনক শব্দের মাধ্যমে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে। জনসমক্ষে দেবীর আরাধনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ভুলভাবে সরস্বতী মন্ত্র পাঠ করেন। মন্ত্রের শুদ্ধতা নষ্ট করা এবং ভুল উচ্চারণ ধর্মীয় শাস্ত্রের প্রতি তাঁর উদাসীনতা ও অবজ্ঞাকেই প্রকাশ করে। আধ্যাত্মিক আলোচনা করতে গিয়ে তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবনী ও বাণী গুলিয়ে ফেলেন। এই ধরনের ভুল মহাপুরুষদের আদর্শের প্রতি চরম অসম্মান প্রদর্শন। শ্রীরামকৃষ্ণের কালজয়ী বাণী “যত মত তত পথ”-কে তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে “যত মাটি তত টাকা” বলে ব্যাখ্যা করেন। এই মহান আধ্যাত্মিক দর্শনকে অর্থের সঙ্গে তুলনা করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ব্রিগেডে লক্ষকণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে তিনি যাননি এবং সেটিকে রাজনৈতিক তকমা দিয়েছিলেন। অথচ রেড রোডের নামাজে নিয়মিত গিয়ে রাজনৈতিক ভাষণ দেওয়া তাঁর দ্বিমুখী আচরণকেই স্পষ্ট করে।

  • PM Modi In France: ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, আলোচনায় হরমুজ ও বিশ্ব অর্থনীতি

    PM Modi In France: ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, আলোচনায় হরমুজ ও বিশ্ব অর্থনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে আয়োজিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে (G7 Summit) যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১৫-১৭ জুন আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে সেখানে যোগ দেবেন তিনি। উল্লেখ্য, ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে এই কথা জানানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এখনও এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। আগামী ১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা জি৭ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে আরও একবার তুলে ধরবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলির নেতারা এই সম্মেলনে একত্রিত হয়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক সংঘাতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন।

    ফ্রান্স ও ভারতের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    দু’দিনের ফ্রান্স সফরে গিয়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাঁর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে ফ্রান্সের ইউরোপ ও বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রী জঁ নোয়েল বারোর। জি৭ বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে তাঁদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই ফ্রান্সের এভিয়াঁ শহরে অনুষ্ঠিতব্য জি৭ সম্মেলনে মোদির অংশগ্রহণকে স্বাগত জানানো হয়। ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রক যে বিবৃতি পেশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন দুই দেশের দুই মন্ত্রী জি৭-এর কার্যক্রমে ভারতের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে কানাডায় জি৭ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন মোদি। মনে করা হচ্ছে, বিশ্ব অর্থনীতি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে ওই সম্মেলনে। নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়, ফ্রান্স ও ভারতের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করা এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব বৃদ্ধি

    যদিও ভারত জি৭-এর সদস্য নয়, তবুও দেশের অর্থনৈতিক শক্তি ও কূটনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রায়শই তাকে আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এবারের সম্মেলনেও ভারত বৈশ্বিক অর্থনীতি, সাপ্লাই চেইন এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা—এই সব বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান বিশ্বে যখন একাধিক সংকট—অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সংঘাত এবং জ্বালানি সমস্যা—চলমান, তখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জি৭ সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারত তার অবস্থান স্পষ্ট করতে পারবে এবং বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারবে।

    পশ্চিম এশিয়া ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে জোর

    সম্মেলনের আলোচনায় পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পাবে, বলে বিশেষজ্ঞদের মত। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ বিশ্বে ব্যবহৃত তেলের একটি বড় অংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারত ও ফ্রান্স উভয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মঞ্চ

    প্রসঙ্গত, জি৭ -এর পুরো কথা হল ‘গ্রুপ অফ সেভেন’। এটি বিশ্বের সাতটি উন্নত অর্থনীতির দেশগুলির একটি গোষ্ঠী। এই সাতটি দেশ বছরে একবার মিলিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনা করে। ১৯৭৩ সালে খনিজ তেলের সংকটের কারণে গোটা বিশ্বে অর্থনীতির চাকা স্লথ হয়ে গিয়েছিল। সেই সংকটের মোকাবিলা করতেই জি৭ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল সাতটি দেশ। জি৭ গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলি হল ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ব্রিটেন, জাপান, আমেরিকা এবং কানাডা। ভারত এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়। নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দেশ এই গোষ্ঠীর বাইরে থাকা অন্য একটি দেশকে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। সেই সূত্রেই কয়েক বছর ধরে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ পেয়ে আসছে ভারত।

    জি৭ বৈঠকের আলোচ্য বিষয়!

    এই বছর বৈঠকের আলোচ্য বিষয় হল গোটা বিশ্বের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা, পারস্পরিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রভৃতি। অর্থনীতি সংক্রান্ত আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে থাকবে জ্বালানি, খনিজ পদার্থের সরবরাহ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইবার নিরাপত্তা। এছাড়াও বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন এবং লিঙ্গসাম্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও এবারের জি৭ বৈঠকে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে, এই বৈঠকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত নিয়ে আলোচনা হবে, বলে অনুমান। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করার জন্য এই গোষ্ঠীর জন্ম হলেও জি৭ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে একাধিকবার সমালোচনারও শিকার হয়েছে গোষ্ঠীটি। এর মূল কারণ হল জিডিপি হ্রাস। বিগত বেশ কিছু বছরে সদস্য দেশগুলির সম্মিলিত জিডিপি হ্রাস পয়েছে। ফলে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ হল চিন। তিন নম্বর স্থানে রয়েছে রাশিয়া। অন্যদিকে, জাপানকে কড়া টক্কর দিয়ে চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হওয়ার পথে ভারত। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই তিন দেশই জি৭ গোষ্ঠীর স্থায়ী সদস্য নয়।

  • IPL 2026: ঘোষিত আইপিএলের সম্পূর্ণ সূচি, ইডেনে কবে, কখন খেলবেন নাইটরা?

    IPL 2026: ঘোষিত আইপিএলের সম্পূর্ণ সূচি, ইডেনে কবে, কখন খেলবেন নাইটরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহেই শুরু হচ্ছে ক্রীড়া-বিনোদনের মহাযজ্ঞ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ২৮ মার্চ, শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল (IPL 2026)। এই মেগা টুর্নামেন্টের জন্য প্রথম দফায় ২০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা করেছিল বিসিসিআই (BCCI)। এর পর আরও ৫০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা করা হল। ফাইনাল ৩১ মে। বৃহস্পতিবার বিসিসিআইয়ের তরফে ঘোষণা করা হল, আগামী ২৪ মে পর্যন্ত চলবে আইপিএলের গ্রুপ পর্বের খেলা। তার পরের সপ্তাহে প্লে অফ এবং ফাইনাল খেলা হবে। সবমিলিয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলা হবে দেশের ১২টি স্টেডিয়ামে।

    ভোট দেখে ম্যাচ ইডেনে 

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যে চলবে বিধানসভা ভোট। সেই কারণে প্রথম দফায় ২০টি ম্যাচের কথা ঘোষণা করেছিল বিসিসিআই (BCCI)। এদিকে বাংলায় দু’দফায় ভোটের কারণে হোম ম্যাচগুলিও সেইভাবে রাখা হয়েছে। কারণ, ভোটের দিনের খেলা থাকলে পুলিশ পাওয়া নাও যেতে পারে। সেই কারণে ভোটের সময়সূচি অনুযায়ী ম্যাচ রাখা হয়েছে ইডেনে। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনেই মাঠে নামছে কেকেআর।

    ইডেনে খেলবেন না বিরাট

    অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে নামবে নাইট ব্রিগেড। ২৯ মার্চ কেকেআরের প্রতিপক্ষ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। গ্রুপ পর্বের একেবারে শেষ ম্যাচটিও খেলবে কেকেআর। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলে গ্রুপ পর্ব শেষ হবে অজিঙ্ক রাহানেদের। অর্থাৎ দরকার পড়লে প্লে অফে ওঠার যাবতীয় অঙ্ক, যাবতীয় হিসাবনিকাশ মাথায় রেখে খেলতে পারবে নাইটরা। কিন্তু আসন্ন আইপিএলে বিরাট কোহলি এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির খেলা দেখতে পাবেন না কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীরা। কারণ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বে একটাই ম্যাচ খেলবে কেকেআর। সেই ম্যাচ খেলা হবে বিরাটদের দ্বিতীয় ঘরের মাঠ রায়পুরে। অন্যদিকে ধোনিদের দুর্গ চিপকে খেলতে নামবে নাইটরা।

    আইপিএলে কেকেআর (KKR)-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি…

    ইডেনে নাইটদের খেলা:

    • ● ২ এপ্রিল কেকেআর বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ৬ এপ্রিল কেকেআর বনাম পাঞ্জাব কিংস (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ৯ এপ্রিল কেকেআর বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৯ এপ্রিল কেকেআর বনাম রাজস্থান রয়্যালস (কলকাতা, সময় দুপুর ৩.৩০)
    • ● ১৬ মে কেকেআর বনাম গুজরাট টাইটান্স (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ২০ মে কেকেআর বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ২৪ মে কেকেআর বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)

    নাইটদের অ্যাওয়ে ম্যাচ:

    • ● ২৯ মার্চ কেকেআর বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (ওযাংখেড়ে, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৪ এপ্রিল কেকেআর বনাম চেন্নাই সুপার কিংস (চেন্নাই, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৭ এপ্রিল কেকেআর বনাম গুজরাট টাইটান্স (আহমেদাবাদ, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ২৬ এপ্রিল কেকেআর বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস (লখনউ, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ৩ মে কেকেআর বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (হায়দরাবাদ, সময় দুপুর ৩.৩০)
    • ● ৮ মে কেকেআর বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস (দিল্লি, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৩ মে কেকেআর বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (রায়পুর, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
  • S-400 Missile System: অপারেশন সিদুঁর-এর প্রথম বর্ষপূর্তির সময়েই ভারতের হাতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০!

    S-400 Missile System: অপারেশন সিদুঁর-এর প্রথম বর্ষপূর্তির সময়েই ভারতের হাতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা (Air Defence) শক্তিকে আরও মজবুত করতে আগামী মে মাসেই দেশে পৌঁছতে চলেছে অত্যাধুনিক এস-৪০০ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (S-400 Missile System) চতুর্থ স্কোয়াড্রন। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, এই ডেলিভারির সময়সূচি ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর প্রথম বর্ষপূর্তির (Operation Sindoor Anniversary) সঙ্গে মিলতে পারে—যে অভিযানে এস-৪০০ (ভারতে সুদর্শন নামে পরিচিত) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।

    সূত্রের খবর, রাশিয়ার সঙ্গে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, পঞ্চম ও শেষ স্কোয়াড্রনটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতে পৌঁছবে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ সেট ভারতের হাতে চলে আসবে। ২০১৮ সালে প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিনিময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার চুক্তি করে ভারত। ইতিমধ্যে তিনটি স্কোয়াড্রন দেশে এসে অপারেশনাল হয়েছে, যা ভারতের বহুস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্কের (Multi-Layered Air Defence Network) গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।

    কৌশলগত মোতায়েন

    বর্তমানে মোতায়েন হওয়া এস-৪০০ (S-400 Missile System) ইউনিটগুলি দেশের সবচেয়ে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে স্থাপন করা হয়েছে। একটি স্কোয়াড্রন শিলিগুড়ি করিডরে মোতায়েন রয়েছে, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র সংযোগ রক্ষা করে। অন্য একটি স্কোয়াড্রন পঠানকোট অঞ্চলে অবস্থান করছে, যা জম্মু ও কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের আকাশসীমায় নজরদারি জোরদার করেছে। তৃতীয় স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে পশ্চিম সীমান্তে—রাজস্থান ও গুজরাটের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে।

    অপারেশন সিদুঁর-এ কার্যকারিতা

    ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর সময় এস-৪০০ সিস্টেমের কার্যকারিতা স্পষ্টভাবে সামনে আসে। দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে এটি শত্রুপক্ষের আকাশপথে আসা হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। এই অভিযান ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভিযানের বর্ষপূর্তির (Operation Sindoor Anniversary) সময় নতুন স্কোয়াড্রনের আগমন কেবল প্রতীকী নয়, বরং কৌশলগত দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ।

    চিনের সঙ্গে উত্তেজনার পর গতি পায় আধুনিকীকরণ

    ২০২০ সালের লাদাখ সংঘাত ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। সীমান্তে দীর্ঘমেয়াদি উত্তেজনা স্পষ্ট করে দেয় যে, ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে এয়ার সুপিরিয়রিটি ও মিসাইল ডিফেন্স অপরিহার্য উপাদান। চিনের সঙ্গে সংঘাতের পর থেকেই ভারত তার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দিকে বিশেষ জোর দেয়। সেই প্রেক্ষিতে এস-৪০০-এর (S-400 Missile System) দ্রুত মোতায়েন ও কার্যকরীকরণ গুরুত্ব পায়।

    এস-৪০০: কী এর বিশেষত্ব

    এস-৪০০ একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এটি প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূর থেকে শত্রু লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে এবং ৪০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এই সিস্টেম একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্য—ফাইটার জেট, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন—ট্র্যাক ও ধ্বংস করতে পারে। প্রতিটি স্কোয়াড্রনে প্রায় ১৬টি যান থাকে, যার মধ্যে রয়েছে মিসাইল লঞ্চার, উন্নত রেডার, কমান্ড ও কন্ট্রোল ইউনিট এবং সহায়ক ব্যবস্থা।

    সম্পূর্ণ হলে কী বদলাবে

    সব পাঁচটি এস-৪০০ (S-400 Missile System) স্কোয়াড্রন যুক্ত হলে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দেশীয় ‘আকাশ’ মিসাইলসহ অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে এটি একটি শক্তিশালী বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং সম্ভাব্য শত্রুপক্ষের আগ্রাসন অনেকটাই নিরুৎসাহিত হবে। চতুর্থ স্কোয়াড্রনের আগমন (Operation Sindoor Anniversary) ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধির পথে আরেকটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো সিস্টেম চালু হলে দেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

  • Fuel Price: জনগণের স্বস্তি, স্থিতিশীল দাম! পেট্রল-ডিজেলের অন্তঃশুল্ক কমিয়ে বিরাট পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Fuel Price: জনগণের স্বস্তি, স্থিতিশীল দাম! পেট্রল-ডিজেলের অন্তঃশুল্ক কমিয়ে বিরাট পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। পেট্রোল-ডিজেলে (Petrol-Diesel) কমানো হল অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক বা স্পেশাল অ্যাডিশনাল এক্সাইজ ডিউটি (Special Additional Excise Duty)। অন্য সময়ে এই আবগারি শুল্ক কমানো হলে, পেট্রোল পাম্পগুলিতে ভিড় লেগে যেত। দাম কমে যেত পেট্রোল-ডিজেলের। তবে এবার ব্যতিক্রম। আজ, শুক্রবার (২৭ মার্চ) কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রোলের উপরে স্পেশাল অ্যাডিশনাল এক্সাইজ ডিউটি কমিয়ে প্রতি লিটারে ৩ টাকা করা হয়। ডিজেলের উপরে এই আবগারি শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়েছে। মোট ১০ টাকা করে শুল্ক কমানো হয়েছে। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর পেট্রলের উপর চাপানো শুল্ক ১৩ টাকা থেকে কমে দাঁড়াল ৩ টাকা।

    বিশ্ববাজারে তেলের দাম লাগাতার বৃদ্ধি

    পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার কারণে বর্তমানে ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৪৯ ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। বিশ্ববাজারে গত কয়েক সপ্তাহে তেলের দাম লাগাতার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভারতের অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি পেট্রোল-ডিজেলের দাম বিশেষ একটা বাড়ায়নি। দাম বেড়েছে প্রিমিয়াম জ্বালানির। এছাড়া নায়ারা এনার্জি তাদের পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে। এই আবহে কেন্দ্রের আবগারি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত।

    দেশে বাড়বে না জ্বালানির দাম!

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রিটেল প্রাইজ অর্থাৎ যে দামে সাধারণ মানুষ পেট্রোল-ডিজেল কেনে, তা কমানোর বদলে আবগারি শুল্ক কমানো হয়েছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি থেকে অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলিকে সুরক্ষা দিতেই। এতে জ্বালানির দাম কমার বদলে বরং যে দাম বর্তমানে রয়েছে, তা যাতে আর না বাড়ে, তার চেষ্টাই করা হবে। নায়ারা এনার্জির পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধিও সেই কারণেই হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ায়, দেশীয় সংস্থাগুলির উপরেও চাপ বাড়ছে। তবে সরকারের এই আবগারি শুল্ক ছাড় দেওয়ায় আপাতত আর জ্বালানির দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    বিভিন্ন সূত্রে খবর, অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তে সরাসরি সাধারণ মানুষের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা কমই। দেশের তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলি (ওএমসি)-র ক্ষতি লাঘব করতে এই সিদ্ধান্ত। এর ফলে সরকার রাজস্বও হারাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতীয় সংস্থাগুলি যে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তার উপর সরকার অন্তঃশুল্ক নেয়। গত বছরই সেই শুল্ক বাড়িয়েছিল মোদি সরকার। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। তবে ভারতের বাজারে এখনও পর্যন্ত সাধারণ পেট্রল, ডিজেলের দাম বাড়েনি। এর ফলে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে অনেকটাই ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই ক্ষতির ধাক্কা সামলে নিতেই অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    জনগণের স্বার্থে সিদ্ধান্ত

    কেন অন্তঃশুল্ক কমানোর পথে হাঁটল সরকার? কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী জানিয়েছেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সরকারে কাছে দু’টি পথ খোলা ছিল। এক, অন্য দেশের মতো ভারতে পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়িয়ে দেওয়া। আর দুই, আর্থিক ক্ষতি মেনে নিয়ে দেশবাসীকে মূল্যবৃদ্ধির থেকে রক্ষা করা। মোদি সরকার দ্বিতীয় পথটা বেছে নিয়েছে বলে জানান পুরী। ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা যুদ্ধের আবহে আন্তর্জাতিক বাজারে চড়চড় করে বাড়তে পারে পেট্রোল ডিজেলের দাম। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়তে পারে দেশের মধ্যেও জ্বালানির দর। তবে এই মুহূর্তে এই কোপ যাতে দেশের মানুষের ঘাড়ে না পড়ে, তার জন্য বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। আর তার জেরে কমে যেতে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম! মনে করা হচ্ছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম উত্তুঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্তি মিলবে। না কমলেও থিতু থাকতে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম।

    কমল বিমানের জ্বালানির দামও

    পেট্রোল-ডিজেলের সঙ্গেই এভিয়েশন টার্বাইন ফুয়েলের উপর অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। প্রতি লিটারে ৫০ টাকা অন্তঃশুল্ক কমে হল ২৯ টাকা ৫০ পয়সা। জ্বালানির দাম বাড়ায় যাতে বিমানের টিকিটের দাম না বাড়ে, সেদিকে তাকিয়ে পদক্ষেপ কেন্দ্রের। বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে। প্রথমত, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। জ্বালানির দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবহণ খরচে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শুল্ক কমিয়ে সরকার সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কমানোর চেষ্টা করছে।

    গ্যাসের সংকটও হবে না

    ইরানের উপর আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলা এবং তেহরানের প্রত্যাঘাতের আগে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির অর্ধেকেরও বেশি সৌদি আরব ও ইউএই-র মতো পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে আসত। তবে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ রেখেছিল। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। কয়েকটি দেশের জাহাজ পারাপারের ‘অনুমতি’ দিয়েছে ইরান। সেই তালিকায় রয়েছে ভারতের কয়েকটি জাহাজও। তবে উৎকণ্ঠা কাটছে না। এরই মধ্যে মোদি সরকার বার বার আশ্বস্ত করছে, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল বা গ্যাস মজুত রয়েছে। ভারতে কত দিনের তেল এবং গ্যাস মজুত রয়েছে, তার পরিসংখ্যানও দিয়েছে কেন্দ্র। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশে যা অশোধিত তেল মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ৬০ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্বে বড় কোনও সঙ্কট হলেও তেলের জোগান ব্যাহত হবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। এ-ও জানানো হয়েছে, আমেরিকা, রাশিয়ার মতো দেশ থেকে গ্যাসবাহী জাহাজ খুব শীঘ্রই ভারতের বন্দরগুলিতে ঢুকবে। ইতিমধ্যেই ৮০০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস আমদানি সুনিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে এক মাস পরেও গ্যাসের সঙ্কট হবে না।

  • Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের (Delhi Crime Branch) জালে এক বড় আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচার চক্র। পুরনো দিল্লির ওয়ার্ল্ড সিটি এলাকা থেকে পরিচালিত এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২১টি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২০০-রও বেশি কার্তুজ। ডিসিপি সঞ্জীব যাদবের নেতৃত্বে চালানো এই অভিযানে পাকিস্তান, নেপাল ও বাংলাদেশের (Pakistan-Bangladesh Arms Trail) সঙ্গে যুক্ত একটি সুসংগঠিত পাচার রুটের সন্ধান মিলেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি চেক প্রজাতন্ত্র-নির্মিত সাবমেশিন গান এবং বেরেটা, ওয়ালথার, টরাস ও সিজেড-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার তৈরি একাধিক সেমি-অটোমেটিক পিস্তল। এছাড়া একটি উচ্চমানের পিএক্স৫.৭ পিস্তলও উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণত এলিট ট্যাকটিক্যাল ইউনিটে ব্যবহৃত হয়।

    পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে দিল্লি

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অস্ত্রগুলি পাকিস্তান থেকে পাচার হয়ে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকত এবং সেখান থেকে দিল্লিতে আনা হত। পুরনো দিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাকে গুদাম ও বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হত। তদন্তকারীদের মতে, এই চক্রের কাছে এত উন্নতমানের অস্ত্রের উপস্থিতি এই নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে। এই চক্রটি দিল্লি-এনসিআর সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন সংগঠিত অপরাধচক্রে অস্ত্র সরবরাহ করত। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহকারী ও স্থানীয় অপরাধ জগতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছিল এই নেটওয়ার্ক। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, পুরনো দিল্লির জটিল ও ঘিঞ্জি গলিপথকে কাজে লাগিয়ে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই নজর এড়িয়ে কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল।

    সংগঠিত অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা

    পুলিশের মতে, এই অভিযানে উত্তর ভারতের অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা লেগেছে। কারণ, বহু অপরাধচক্র এই নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলি কাদের কাছে যেত, তা খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি, এই চক্রের আর্থিক লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে কোনো স্লিপার সেল বা দেশবিরোধী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো চক্রের মূল পান্ডাদের খোঁজ এবং নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি বোঝার চেষ্টা চলছে। পাকিস্তান-নেপাল-বাংলাদেশ সংযুক্ত এই অস্ত্র পাচার চক্র ভাঙার ঘটনায় আবারও সামনে এল সীমান্ত পেরিয়ে চলা অপরাধের জাল।

  • Black Seed: হাঁপানি থেকে ডায়াবেটিস— ছয় রোগকে কাবু করবে কালোজিরা! জেনে নিন খাওয়ার সঠিক নিয়ম

    Black Seed: হাঁপানি থেকে ডায়াবেটিস— ছয় রোগকে কাবু করবে কালোজিরা! জেনে নিন খাওয়ার সঠিক নিয়ম

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জীবন যাপনের ধরন বদলের সঙ্গে শক্তি বাড়াচ্ছে একাধিক রোগ।‌ সুস্থ জীবন যাপনে এবং রোগের দাপট কমাতে সাহায্য করতে পারে বাঙালির অতি পরিচিত মশলা। তেমনি একটি মশলা হলো কালোজিরা। একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে কালোজিরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রান্নায় নিয়মিত কালোজিরা ব্যবহার করলে নানান অসুখের ঝুঁকি কমবে!

    কালোজিরা খেলে কী উপকার পাওয়া যায়?

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কালোজিরায় থাইমোকুইনোন নামে এক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই উপাদান রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশু থেকে বয়স্ক, সর্দি-কাশিতে সকলেই ভুক্তভোগী। বিশেষত ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকেই জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভোগেন। কালোজিরা খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। ফলে এই ধরনের বছরভর ভোগান্তি কমে।

    হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে!

    কালোজিরা অন্ত্র এবং পাকস্থলীর জন্য বিশেষ উপকারি। তাই এই মশলা রান্নায় ব্যবহার করলে হজম ভালো হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স বাড়লে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। লাগাতার হজমের সমস্যা গ্যাস্ট্রিকের মতো জটিল রোগ তৈরি করে। তাই বয়স বাড়লে রান্নায় নিয়মিত কালোজিরা ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে হজম শক্তি বাড়ে। বদহজমের ভোগান্তি কমে।

    খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়!

    নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা সহজেই নিয়ন্ত্রিত হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় খারাপ কোলেস্টেরল (LDL)। কালোজিরা এই খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে‌।

    রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তে অতিরিক্ত শর্করা এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্কুল পড়ুয়া থেকে প্রৌঢ়, সব বয়সেই দাপট বাড়াচ্ছে ডায়াবেটিস। এই সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। কিডনি ভালো থাকে।

    ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে!

    স্কুল বয়স থেকেই অতিরিক্ত ওজন এখন দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস এই অতিরিক্ত ওজনের নেপথ্যে রয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক রোগের কারণ শরীরের বাড়তি ওজন। কালোজিরা এই ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত কালোজিরা খেলে হজম ঠিক মতো হয়। শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমে না। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    কোন ছয় রোগকে কাবু করতে সাহায্য করে কালোজিরা?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য কম বয়স থেকেই নানান রোগের দাপট বাড়ছে। শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে যেমন হাঁপানির সমস্যা বাড়ছে, তেমনি স্কুল পড়ুয়ারাও ডায়াবেটিস আক্রান্ত হচ্ছে। বয়স কুড়ির চৌকাঠ পেরনোর পরেই উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তবে, কালোজিরার মতো ঘরোয়া উপাদানেও একাধিক রোগের প্রকোপ কমানো সম্ভব।

    • বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস রুখতে কালোজিরা বিশেষ সাহায্য করে। কারণ কালোজিরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
    • হাঁপানির ঝুঁকি কমায় কালোজিরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। ফুসফুস এবং শ্বাসনালীর সংক্রামণের ঝুঁকিও কমায়। তাই কালোজিরা নিয়মিত খেলে সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমার পাশাপাশি হাঁপানির ঝুঁকিও কমে। অর্থাৎ সর্দি-কাশির ভোগান্তি কমাতে এবং হাঁপানির ঝুঁকি এড়াতে কালোজিরা বিশেষ সাহায্য করে।
    • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কালোজিরা বিশেষ সাহায্য করে। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কালোজিরা নিয়মিত খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতাও স্বাভাবিক থাকে।
    • এছাড়াও ত্বকের জন্য কালোজিরা বিশেষ উপকারি। দূষণ ও একাধিক অন্যান্য কারণের জন্য ত্বকের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত কম বয়সিদের ব্রণ সহ একাধিক ত্বকের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কালোজিরা খেলে এই ধরনের সমস্যা কমানো যায়।

    কীভাবে কালোজিরা খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেকোনও ভাবেই কালোজিরা খেলে শরীরে উপকার হয়‌—

    • সকালে গরম জলের সঙ্গে এক চামচ কালোজিরা মিশিয়ে খেলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। মধুর সঙ্গে কালোজিরার গুঁড়ো মিশিয়ে খেলেও উপকার হয়।
    • তবে, ডায়াবেটিস কিংবা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ খেলে, এই ধরনের উপকরণ খাওয়ায় আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। না হলে, দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে আবার রক্তচাপও কমে যেতে পারে। এর ফলে মাথা ঘোরা, বমির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
    • আবার, রান্নার মশলা হিসাবে কালোজিরা ব্যবহার করা যেতে পারে। যে কোনও তরকারি, মাছের ঝোলে উপকরণ হিসাবে কালোজিরা ব্যবহার করলেও শরীরে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
    • চুল ও ত্বকের সমস্যায় উপকার পেতে কালোজিরার তেল ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরম তেলে কালোজিরা মিশিয়ে, সেটা চুল কিংবা ত্বকে ব্যবহার করলে ব্রণ কমে, চুল পড়ার ঝুঁকিও কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

  • IPL 2026: আসন্ন আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল, কারণ ব্যাখ্যা করল বিসিসিআই

    IPL 2026: আসন্ন আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল, কারণ ব্যাখ্যা করল বিসিসিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের (IPL 2026) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। গত বছর ৪ জুন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উৎসব চলাকালীন পদপিষ্ট হয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বছরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই।

    কেন বাতিল অনুষ্ঠান

    বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া বলেন, “গত ৪ জুনের মর্মান্তিক ঘটনার কারণে আইপিএলের শুরুর দিন কোনও অনুষ্ঠান হবে না। দুর্ঘটনায় প্রয়াতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিসিসিআই এ বার উদ্বোধনের দিন কোনও সাংস্কৃতিক বা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে না। তবে, ফাইনালের দিন একটি বড় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে।” তবে, বিসিসিআই এবং আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ঠিক করেছে, ফাইনালের দিন, অর্থাৎ ৩১ মে জমকালো সমাপ্তি অনুষ্ঠান হবে।

    আগেও বাতিল হয় অনুষ্ঠান

    উল্লেখ্য, গত বছর ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ। উপস্থিত ছিলেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান, সঙ্গীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল, করণ আউজলা। পাশাপাশি নৃত্য পরিবেশন করেন অভিনেত্রী দিশা পাটানি। তবে এ বছর কোনও অনুষ্ঠান হচ্ছে না। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা কাণ্ডের পরেও আইপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করেছিল বিসিসিআই। সেবার উদ্বোধনের জন্য বরাদ্দ অর্থ শহিদ জওয়ানদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    শোক ও শ্রদ্ধার আবহ

    আগামী শনিবার আইপিএল শুরু হচ্ছে। বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের মুখোমুখি হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।  ২০২৫ সালে IPL জয়ের পরে RCB-র সেলিব্রেশনে ঘটে গিয়েছিল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ট্রফি জয়ের প্যারেডে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান ১১ জন, আহত হয়েছিলেন অনেকে। প্রাক্তন ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদের সভাপতিত্বে কর্নাটক ক্রিকেট সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, স্টেডিয়ামের ভিতরে একটা স্মৃতিফলক বসানো হবে। এর মাধ্যমে প্রয়াত ভক্তদের শ্রদ্ধা জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের স্মৃতিতে স্টেডিয়ামের ভিতর ১১টি আসন ফাঁকা রাখা হবে। আইপিএল হোক বা আন্তর্জাতিক ম্যাচ, কোনও ম্যাচেই ওই আসনগুলোর টিকিট বিক্রি করা হবে না। সব মিলিয়ে শোক ও শ্রদ্ধার আবহেই শুরু হতে চলেছে আইপিএল।

LinkedIn
Share