Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Delhi Blast: ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত পরিচয়, দিল্লি-হামলাকারী উমরের পুলওয়ামার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তা বাহিনী

    Delhi Blast: ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত পরিচয়, দিল্লি-হামলাকারী উমরের পুলওয়ামার বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল নিরাপত্তা বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালকেল্লার কাছে দিল্লি বিস্ফোরণ (Delhi Red Fort blast) মামলায় বড় পদক্ষেপ করল ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনী (security forces)। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে উড়িয়ে দেওয়া হল সন্দেহভাজন চিকিৎসক উমর উন নবির (Umar Nabi) পুলওয়ামার বাড়ি (Pulwama house demolition)। বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে যে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে বাড়িটি একটি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। গত সোমবার লাল কেল্লা বিস্ফোরণে জড়িত হুন্ডাই আই২০ গাড়িটির সঙ্গে কাশ্মীরের একজন চিকিৎসক উমর-উন-নবির সম্পর্ক রয়েছে। সেই গাড়ি চালাচ্ছিল। উমরই ওই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে নিশ্চিত পরিচয়

    উমর নবি, যাঁকে এই সপ্তাহের শুরুতেই লালকেল্লায় ঘটা বিস্ফোরণের (Delhi Blast) মূল সন্দেহভাজন হিসেবে দেখা হচ্ছে, তাঁর বাড়ি ঘিরে আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া করা হয়েছিল। সোমবারের ভয়াবহ বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়িটি সরাসরি যুক্ত হয়েছে উমর-উন-নাবির সঙ্গে। বিস্ফোরণে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল, আহত হন ২০–এর বেশি মানুষ। কাশ্মীরের এই চিকিৎসকই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে ধারণা তদন্তকারীদের। বিস্ফোরণে তাঁর ভূমিকা ঠিক কতটা, তা এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ টানা রাতভর তল্লাশি চালায়। গ্রেফতার হয় মোট ছয়জন, যাদের মধ্যে তিনজন উমরের পরিবারের সদস্য। বিস্ফোরণস্থল থেকে সংগৃহীত ডিএনএ নমুনা তাঁর মায়ের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে উমরের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আগেই জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামা থেকে আটক করা হয়েছিল উমরের মাকে। দিল্লিতে বিস্ফোরণের পরেই সোমবার রাতে উমরের মা এবং দুই ভাইকে আটক করা হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিশের এক কর্তা সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে বলেন, “সন্দেহভাজনের মাকে আমরা ডিএনএ-র নমুনা সংগ্রহের জন্য আটক করেছিলাম। বিস্ফোরণস্থল থেকে পাওয়া দেহাংশের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হয়।”

    কেন গুঁড়িয়ে দেওয়া হল বাড়ি

    পুলিশ জানিয়েছে, উমর নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন আরও দুই কাশ্মীরি চিকিৎসকের সঙ্গে, যাঁদের ফরিদাবাদ সন্ত্রাস মডিউল ফাঁস হওয়ার পরে আটক করা হয়েছিল। সেই মডিউল থেকেই উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক, যা তদন্তকে আরও গভীর করেছে। স্থানীয় মানুষের মতে, একসময়ে উমর ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, পড়াশোনায় মনোযোগী চিকিৎসক, সমাজেও তাঁর পরিচিতি ছিল ইতিবাচক। তদন্তকারীরা বলছেন, গত দুই বছরে তাঁর আচরণে বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের একাধিক র‌্যাডিকাল গ্রুপে যোগ দেন তিনি, এবং ক্রমশ কঠোর মতাদর্শের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন। উমরের সম্ভাব্য সহযোগী, যোগাযোগের নেটওয়ার্ক, অর্থের উৎস – সব দিকেই নজর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য তদন্তকারী সংস্থাগুলি। পুলওয়ামার (Pulwama) বাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে মূলত সম্ভাব্য বিস্ফোরক বা নথি উদ্ধার-ঝুঁকি এড়ানোর জন্য, এবং তদন্তের নির্দিষ্ট প্রোটোকলের অংশ হিসেবে।

    কীভাবে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Delhi Blast) ঘটিয়েছিল উমরই। সেই ছিল সুইসাইড বম্বার বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সিসিটিভি ফুটেজে গাড়ির চালকের আসনে বসে থাকতে দেখা গিয়েছিল তাকে। তদন্তে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জৈশ-ই-মহম্মদের লজিস্টিক টিমের সদস্য ছিল উমর। ফরিদাবাদ, লখনউ এবং কাশ্মীরে কাজ করত তারা। এই চক্রের ৯-১০ জনের মধ্যে অধিকাংশই চিকিৎসক। সেই পরিচয়কে কাজে লাগিয়েই বিস্ফোরক এবং রাসায়নিক তৈরির উপকরণ জোগাড় করত উমর। কিন্তু ফরিদাবাদের একটি গুদাম থেকে ২,৯০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বাজেয়াপ্ত হওয়ার পরেই ভয় পেয়ে গা ঢাকা দেয় উমর। পুলিশ জানিয়েছে যে, দলটি ২৬ লক্ষ টাকারও বেশি নগদ সংগ্রহ করেছিল। তদন্ত অনুসারে, গুরুগাঁও, নুহ্ এবং আশেপাশের এলাকার সরবরাহকারীদের কাছ থেকে প্রায় ২৬ কুইন্টাল এনপিকে সার – যার মূল্য প্রায় তিন লক্ষ টাকা – কেনার জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা হয়েছিল। অন্যান্য রাসায়নিকের সঙ্গে মিশ্রিত, এনপিকে হল ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসের একটি প্রধান উপাদান। প্রায় আটজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি জোড়ায় বিভক্ত হয়ে চারটি শহরে সমন্বিত বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে হামলার রেকি

    লালকেল্লার কাছে একটি সাদা রঙের হুন্ডাই আই২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ হয় সোমবার। তাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩। ওই দিনই সকালে ফরিদাবাদে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করেছিল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং হরিয়ানা পুলিশের যৌথ দল। গ্রেফতার করা হয়েছিল মুজাম্মিল আহমেদ-সহ একাধিক ব্যক্তিকে। মুজাম্মিলের ফোন ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে একাধিক বার তিনি লালকেল্লার সামনে গিয়েছিলেন। অনুমান, প্রজাতন্ত্র দিবসে হামলার রেকি করা হয়েছিল। শুধু মুজ়াম্মিল নন। আর এক চিকিৎসক উমর নবিও তাঁর সঙ্গে লালকেল্লার সামনে গিয়েছিলেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

     

  • Diabetes: বয়ঃসন্ধিকালে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের তালিকায় প্রথম সারিতে ভারত! বলছে আইসিএমআর রিপোর্ট

    Diabetes: বয়ঃসন্ধিকালে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের তালিকায় প্রথম সারিতে ভারত! বলছে আইসিএমআর রিপোর্ট

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রৌঢ়দের মধ্যে রোগের প্রকোপ দেখা গিয়েছিল। কিন্তু গত তিন বছরে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। বয়সের বেড়াজাল পেরিয়ে ডায়াবেটিস এখন বয়ঃসন্ধিকালের সমস্যা হয়ে উঠছে। যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই প্রথম থেকেই রোগ নিয়ন্ত্রণে সতর্কতা জরুরি। না হলে সুস্থ জীবন যাপন কঠিন হয়ে উঠবে।

    কোন পরিসংখ্যান উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ-র তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বয়ঃসন্ধিকালে থাকা প্রায় ৯৬ হাজার ছেলেমেয়ে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ভারতে টাইপ-টু ডায়াবেটিসের দাপটও বাড়ছে। মূলত অস্বাস্থ্যকর জীবন‌ যাপনের জেরেই এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে‌। ওই পরিসংখ্যান জানান দিচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের ডায়াবেটিস আক্রান্তের নিরিখে ভারত প্রথম সারিতেই রয়েছে। স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বিপুল ভাবে বেড়ে যাওয়া যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করছেন চিকিৎসক মহল।

    কেন স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে ডায়াবেটিসের দাপট বাড়ছে?

    ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে মূলত দুই ধরনের ডায়াবেটিসের দাপট দেখা যায়। টাইপ-ওয়ান ডায়াবেটিস। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি ব্যবস্থার জেরেই এই সমস্যা হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, অগ্নাশয়ে ইনসুলিন হরমোন তৈরির ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। তার জেরেই টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসের সমস্যা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বংশানুক্রমিক ডায়াবেটিস আক্রান্তের সমস্যা থাকলে, পরিবারের শিশুরা এই রোগের শিকার হয়।

    তবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে টাইপ-টু ডায়াবেটিস। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত পাঁচ বছরে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে টাইট-টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, খাদ্যাভাস ও অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের মধ্যে ব্যাপক হারে ওবেসিটি দেখা দিচ্ছে। অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা টাইপ-টু ডায়াবেটিসের প্রকোপ বাড়াচ্ছে।

    বয়ঃসন্ধিকালে ডায়াবেটিসের প্রকোপ কেন বাড়তি উদ্বেগজনক?

    ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস নানান রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই এই রোগ দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই এই রোগের প্রকোপ থাকলে পরবর্তী সময়ে নানান শারীরিক জটিলতা বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস হৃদরোগ, কিডনির সমস্যার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাওয়ার সমস্যাও তৈরি করে। শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। বন্ধ্যাত্বের সমস্যা তৈরি করতে পারে। আবার ডায়াবেটিস শরীরকে বাড়তি ক্লান্ত করে দেয়। তাই পড়াশোনা এবং খেলার ক্ষেত্রেও শিশুর স্বাভাবিক ছন্দপতন হতে পারে। তাই কম বয়সে ডায়াবেটিসের প্রকোপ উদ্বেগজনক। শিশুকাল থেকে ডায়াবেটিসের প্রকোপ দেখা দিলে তরুণ বয়সে কর্মক্ষমতা বাধার মুখে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তিরিশ পেরনোর আগেই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের সমস্যার মতো জটিল স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হতে পারে।

    সন্তানের সুস্থ থাকার চাবিকাঠি কী?

    দেশজুড়ে কৈশোর কালের উপরে ডায়াবেটিসের প্রকোপ রুখতে পারে সচেতনতা। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কলকাতার ফর্টিস হাসপাতালের এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগের চিকিৎসক রচনা মজুমদার জানান, কৈশোর কালে ডায়াবেটিস মোকাবিলার মূল অস্ত্র খাদ্যাভাস।‌ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাবে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলেও রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে। কলকাতার আরেক এন্ডোক্রিনোলজিস্ট সুজয় ঘোষ জানান, কৈশোরে পা দেওয়ার আগেই বহু ছেলেমেয়ে প্রক্রিয়াজাত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। যার ফলে শরীরে নানান হরমোনঘটিত ভারসাম্যের অভাব দেখা দিচ্ছে। ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বাড়ছে। বাড়ির তৈরি ঘরোয়া ফ্রেশ খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠলেই এই রোগের প্রকোপ মোকাবিলা সহজ হয়। ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন-র তরফেও জানানো‌ হচ্ছে, সুস্থ জীবন যাপনের জন্য প্রথম থেকেই কোন পদক্ষেপ নিতে হবে, সে নিয়ে সচেতনতা জরুরি। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে এই সচেতনতার অভাব রয়েছে। শিশুরা যার ফল‌ ভোগ করছে।

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত ফল ও সব্জি খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা প্রয়োজন। শিশুদের সকালের জলখাবার কিংবা সন্ধ্যার খাবার মানেই প্যাকেটজাত চটজলদি খাবার নয়। বরং বাড়িতে তৈরি রুটি, সব্জি, ডাল নিয়মিত খাওয়া প্রয়োজন। অধিকাংশ শিশু প্রয়োজনীয় সব্জি, ফল খায় না। তার পরিবর্তে প্যাকেটজাত এমন কিছু খাবার খায়, যার কোনো পুষ্টিগুণ নেই। তাতে নানান রাসায়নিক দেওয়া থাকে। ফলে শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার পায় না। এর ফলে শরীরে একাধিক রোগের প্রকোপ বাড়ে। ওজন বাড়ে। যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘরোয়া খাবার খাওয়ার পাশপাশি শারীরিক কসরত জরুরি। ছোটো থেকেই যোগাভ্যাস কিংবা অন্যান্য শারীরিক কসরতে অভ্যস্থ হলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাহলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Bihar Polls: বিহারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি! মগধভূমে ফের সিংহাসনে বসতে চলেছেন নীতীশ

    Bihar Polls: বিহারে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি! মগধভূমে ফের সিংহাসনে বসতে চলেছেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনা শুরু হতেই বিহারে (Bihar Polls) উঠল গেরুয়া ঝড়। প্রথম রাউন্ডেই আপাতত ১৩০ আসনে এগিয়ে এনডিএ, মহাগঠবন্ধন জোট এগিয়ে ৬৫ আসনে। একক দল হিসেবেও সবচেয়ে বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। বিজেপি সকাল ৯টা পর্যন্ত ৬৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। বিহারের ৪৬টি গণনাকেন্দ্রে চলছে ভোটগণনা। ২৪৩ আসনে লড়াই করা মোট ২,৬১৬ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজই। দুই দফায় ভোট গ্রহণ হয়েছে এবার বিহারে। সকাল ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার হল ১২২। বিহারের ভোট গণনার শুরুতেই এগিয়ে যাচ্ছে এনডিএ।

    কে কত আসনে এগিয়ে

    আজ, ১৪ নভেম্বর, শুক্রবার, ভোট গণনা এবং দুপুরের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে উঠবে কার দখলে পাটনার মসনদ। ইতিমধ্যে ভোট গণনা যা ইঙ্গিত দিচ্ছে, তাতে সরকার গড়তে চলেছে এনডিএ জোট। আগের বার ১২৫ আসনের থেকেও এবার অনেক বেশি আসন পেয়ে বিহারের (Bihar Polls) মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন নীতীশ কুমার। এনডিএ-র মধ্যে বিজেপি ৬৫টি ও জেডিইউ ৬৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। রাজ্যের ৩৮টি জেলায় মোট ৪৬টি ভোট গণনা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১২২ জন রিটার্নিং অফিসার ও অবসার্ভারের তরফ থেকে এই প্রথমবার বিহারের কোনও বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি ওঠেনি। আরজেডি থেকে বহিষ্কারের পর আলাদা দল করে নির্বাচনে লড়ছেন লালু প্রসাদ যাদবের বড় ছেলে তেজ প্রতাপ যাদব। গণনার শুরুতে সামান্য পিছিয়ে পড়লেও, ফের এগিয়ে গিয়েছেন তেজ প্রতাপ। রঘুপুর থেকে লড়ছেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। ভোট গণনার শুরুতে আপাতত এগিয়ে রয়েছেন তেজস্বী। মহাগঠবন্ধনে আরজেডি ৫৭টি আসনে এগিয়ে থাকলেও কংগ্রেস মাত্র ৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে।

    কীভাবে চলছে গণনা

    বিহারের (Bihar Polls) ভোট গণনা সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গণনা চলছে এবং ৯টা থেকে ইভিএম গণনা শুরু হয়েছে। ভোট গণনার সময়, প্রতিটি গণনা হলে ১৪+১ টেবিলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ১৪টি টেবিলে ইভিএমের গণনা চলছে, আর একটি টেবিল সহকারী নির্বাচনী অফিসার পরিচালনা করছেন। প্রতিটি টেবিলে একজন কাউন্টিং সুপারভাইজার, একজন কাউন্টিং সহকারী এবং একজন মাইক্রো ওভসারভার রয়েছেন। ভোট গণনার ফলাফলের অফিসিয়াল তথ্য নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেখা যাবে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে বিহারে প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন ৬৫.০৮ শতাংশ এবং দ্বিতীয় দফায় ভোট দিয়েছেন ৬৮.৭৬ শতাংশ। দু’দফা মিলিয়ে বিহারে মোট ভোটদানের হার ৬৬.৯১ শতাংশ। যা গতবারের তুলনায় ৯.৬২ শতাংশ বেশি। অতীতে কখনই এই হারে বিহারের মানুষ ভোট দেননি। এর আগে বিহারে সবথেকে বেশি ভোট পড়েছিল ২০০০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, ৬২.৫৭ শতাংশ। ১৯৯৮ সালের লোকসভা ভোটে বিহারে ভোট দিয়েছিলেন ৬৪.৬০ শতাংশ ভোটার। ঐতিহ্য বজায় রেখে এবারেও বিহারে পুরুষদের অনুপাতে মহিলারা বেশি সংখ্যায় ভোট দিয়েছেন। প্রায় ৭১.৬ শতাংশ।

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে নাম জড়াল আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ সিদ্দিকির

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে নাম জড়াল আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ সিদ্দিকির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast) এবার উঠে এল আরও একজনের নাম। তিনি ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Al Falah University) প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকি। বিস্ফোরণকাণ্ডে প্রধান তিন সন্দেহভাজনের মধ্যে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জনও, একজন শাহিন সাঈদ এবং অন্যজন মুজাম্মিল শাকিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়ন নিয়ে আলাদাভাবে তদন্ত শুরু করেছে ইডি।

    প্রতারণার মামলায় নাম জড়িয়েছিল সিদ্দিকির (Delhi Blast)

    সূত্রের খবর, সিদ্দিকির বিস্তৃত কর্পোরেট নেটওয়ার্ক রয়েছে। ৭.৫ কোটি টাকার প্রতারণার একটি পুরানো মামলায় নাম জড়িয়েছিল সিদ্দিকি ও তাঁর এক সহযোগীর। তিন বছর জেলও খেটেছিলেন তাঁরা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি উপদেষ্টা মহম্মদ রাজি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সিদ্দিকির বিরুদ্ধে সব প্রতারণার অভিযোগ, যার মধ্যে ৭.৫ কোটি টাকার মামলাটিও রয়েছে, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি জানান, শাকিলকে নিয়োগের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও তথ্য নেই। নতুন নিয়োগ ও যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব।

    ন’টি কোম্পানির বোর্ডে সিদ্দিকি!

    মধ্যপ্রদেশের মহৌতে জন্ম সিদ্দিকির। বর্তমানে (Delhi Blast) তিনি রয়েছেন ন’টি কোম্পানির বোর্ডে। এগুলি সবই আল-ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত। এই সংস্থাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকলাপ তত্ত্বাবধান করে। এই ন’টি প্রতিষ্ঠান শিক্ষা, সফটওয়্যার, আর্থিক পরিষেবা এবং জ্বালানি খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদিও এদের অধিকাংশেরই ঠিকানা একই, দিল্লির একটি ভবন। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বেশিরভাগই ২০১৯ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। পরে সেগুলিতে ঝাঁপ পড়ে যায়। যদিও আল-ফালাহ মেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন সাফল্যের মুখ দেখে। এটি ১৯৯৭ সালে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে পথ চলা শুরু করে। বর্তমানে ৭৮ একর জমির ওপর চলছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।

    আল-ফালাহ ভবনটি আল-ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অফিস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের জেরে যে পুরানো ফৌজদারি মামলাটি ফের সামনে এসেছে, সেটি দায়ের করা হয়েছিল দিল্লির নিউ ফ্রেন্ডস কলোনি থানায়। অভিযোগকারীর দাবি, সিদ্দিকি ও তাঁর সহযোগীরা ভুয়ো বিনিয়োগ প্রকল্প চালু করেছিলেন। তাঁরা বিনিয়োগকারীদের আল-ফালাহ কোম্পানির আমানতে টাকা রাখতে রাজি করান। পরে জাল নথি তৈরি করে দেখানো হয় যে এই আমানতগুলি শেয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে (Al Falah University)। এভাবে সংগৃহীত ৭.৫ কোটি টাকার তহবিল অভিযুক্তদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয় (Delhi Blast)।

  • India vs South Africa: নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ইডেন, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্যে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত ভারত

    India vs South Africa: নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ইডেন, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্যে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে কলকাতা। ইডেনে শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত–দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট। তবে, দিল্লি বিস্ফোরণের পর দেশে জারি হয়েছে উচ্চ সতর্কতা তাই নিরাপত্তায় কোনওরকম ফাঁক রাখতে চায় না কলকাতা পুলিশ। গোটা ইডেনকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হচ্ছে। খেলা চলাকালীন দর্শকদের ভিড়ের মধ্যেই থাকবে সাদা পোশাকের পুলিশ, আর বাইরে–ভিতরে ফেন্সিং জুড়ে মোতায়েন থাকবে বিশাল বাহিনী। ক্লাবহাউস ও ভিভিআইপি জোনেও থাকবেন সিনিয়র অফিসাররা। এছাড়াও স্টেডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, কুইক রেসপন্স টিম (QRT) সহ একাধিক বিশেষ ইউনিট মোতায়েন থাকবে।

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লক্ষ্য

    ছ’বছর পর আবার ইডেন গার্ডেনে ফিরছে টেস্ট ক্রিকেট। বহুপ্রতীক্ষিত ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্ৰিকা (India vs South Africa) ম্যাচকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে উন্মাদনা। কিন্তু ভারত অধিনায়ক শুভমন গিল জানিয়ে দিলেন, এই ম্যাচ শুধু আবেগ নয়। বরং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের পথে এক বড় পরীক্ষা। আর তাই প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকাকে তিনি যেমন সমীহ করছেন, তেমনই চ্যালেঞ্জ নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত বলেও জানালেন। গিল বলেন, “বুধবার পিচ যেমন দেখেছিলাম, আজ এসে দেখছি একটু আলাদা। কাল সকালে আবার দেখলেই নিশ্চিতভাবে বোঝা যাবে। আপাতত দেখে মনে হচ্ছে পিচ শুকনো, যেখানে রিভার্স সুইং ভূমিকা নিতে পারে।”

    ইডেনের পিচ নিয়ে চিন্তা

    ইডেনের কিউরেটরের কাছে ভারতীয় দল নাকি আবদার করেছে প্রথম দিন থেকেই বল টার্ন করানোর। তবে গিল এও মনে করিয়ে দেন, “দক্ষিণ আফ্রিকার হাতেও মহারাজ, মুত্থুস্বামী, হারমারের মতো স্পিনার আছে। তাই লড়াই যে সমানে সমান হবে, সেটা বলাই যায়।” রঞ্জিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও মহম্মদ শামির বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই গিল স্পষ্টভাবে বলেন, “শামি ভাইয়ের মতো বোলারকে বাদ দেওয়া সত্যিই কঠিন। কিন্তু সিরাজ, বুমরাহ, আকাশ প্রত্যেকেই দারুণ ফর্মে আছে। এই সিদ্ধান্ত নির্বাচকদের। আমাদের পেসাররা জানে, ভারতের পিচে কীভাবে সফল হতে হয়।” সিরিজের গুরুত্বের প্রসঙ্গে গিল বলেন, “বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে গেলে এই সিরিজে ভালো খেলতেই হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা খুবই শক্তিশালী দল। কঠিন মুহূর্ত আসবে, কিন্তু আমরা জানি কীভাবে সেটা সামলাতে হয়। চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত আমরা।”

    নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা ইডেন

    দিল্লি বিস্ফোরণের পর শুধু মাঠের ভিতরে নয়, ইডেনের চারপাশেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে তৈরি হচ্ছে বাঙ্কার, যেখানে থাকবেন কমব্যাট ফোর্সের সদস্যরা। স্টেডিয়াম ঘিরে বেশ কয়েকটি রাস্তায় শুক্রবার থেকে যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ আনা হবে। এছাড়াও স্টেডিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, কুইক রেসপন্স টিম (QRT) সহ একাধিক বিশেষ ইউনিট মোতায়েন থাকবে। ম্যাচের ৫ দিন ইডেন গার্ডেন সহ ময়দান এলাকায় সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত সমস্ত রকম পণ্যবাহী যানচলাচল (Kolkata) বন্ধ রাখা হবে।

    দুরন্ত ফর্মে ভারত

    শুভমান গিলের (Shubman Gill) নেতৃত্বে ভারতীয় নতুন টেস্ট দল বর্তমানে দুরন্ত ফর্মে রয়েছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের (India vs England Test Series) বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ড্র করেছিল ব্লু ব্রিগেডরা। এরপর ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের (India vs West Indies Test Series) বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে জয় ছিনিয়ে নিয়ে প্রভাব ফেলেছে তারা। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa Test Series) বিপক্ষে লাল বলের ক্রিকেটে মাঠে নামতে চলেছে ঋষভ পন্থরা (Rishabh Pant)। এই বছর প্রথমবারের মতো বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (WTC) ফাইনালে পৌঁছেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তারা ফাইনালে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার (AUS vs SA) বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল। গুরুত্বপূর্ণ ফাইনালে শক্তিশালী অজি বাহীনিদের ৫ উইকেটে হারিয়ে আইসিসি (ICC) ট্রফি জয় করে প্রোটিয়ারা। ফলে ভারতের বিপক্ষে তাদের আসন্ন টেস্ট সিরিজ জমজমাট হয়ে উঠতে চলেছে।

     

  • Pakistan Espionage in Russia: এস-৪০০-এর প্রযুক্তি চুরির চেষ্টা! রাশিয়ায় ধরা পড়ল আইএসআই গুপ্তচর চক্র

    Pakistan Espionage in Russia: এস-৪০০-এর প্রযুক্তি চুরির চেষ্টা! রাশিয়ায় ধরা পড়ল আইএসআই গুপ্তচর চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)-এর একটি গুপ্তচর চক্র ভেঙে দিল রাশিয়া। এই নেটওয়ার্কটি রাশিয়া থেকে উন্নতমানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ও সামরিক হেলিকপ্টার প্রযুক্তি পাচারের চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ। রাশিয়ার নিরাপত্তা সংস্থাগুলি পাকিস্তানের এই ষড়যন্ত্র আঁচ করেই প্রত্যাঘাত করে। রাশিয়ায় আইএসআই-এর এ ধরনের অভিযান এটাই প্রথম। দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডকে কেন্দ্র করে ফের ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার মধ্যেই ইসলামাবাদের এক গুপ্তচরকে গ্রেফতার করল রাশিয়া। মস্কোর প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি চুরি করতে তাঁকে রাওয়ালপিন্ডির ফৌজি জেনারেলরা কাজে লাগান বলে প্রাথমিক তদন্তে খবর। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিতে সক্ষম হয় ক্রেমলিন।

    সেন্ট পিটার্সবার্গে রুশ নাগরিক গ্রেফতার

    পশ্চিমি গণমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাক গুপ্তচরবাহিনী ‘ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স’ বা আইএসআইয়ের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে মস্কোর পুলিশ। অভিযুক্ত রুশ নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, পূর্ব ইউরোপের দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নিজের শহর হল সেন্ট পিটার্সবার্গ। সেখানে বসে ক্রেমলিনের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ইসলামাবাদে পাচারের চেষ্টার চক্রান্তের খবর প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। একটি কাউন্টার-এস্পিওনাজ (গুপ্তচরবিরোধী) অভিযানে সেন্ট পিটার্সবার্গ শহর থেকে ওই রুশ নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। ওই ব্যক্তির কাছ থেকে বেশ কিছু সংবেদনশীল নথি মেলে। অনুমান, তিনি ওই নথি পাচারের চেষ্টা করছিলেন। নথিগুলিতে রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও ছিল বলে জানা গিয়েছে। রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এখন আইএসআই-এর ওই চক্রের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও তথ্য পাচারের রুট খতিয়ে দেখছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সঙ্গে সম্পর্ক

    এই গুপ্তচর নেটওয়ার্কটি ‘অপারেশন সিঁদুরের’ কয়েক মাস পরেই তৈরি হয়। সূত্রের দাবি, ওই অভিযানে ব্যবহৃত উন্নত রুশ প্রযুক্তি, বিশেষ করে এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম, ভারতীয় বিমানবাহিনীর পক্ষে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছিল। ভারত নাকি রাশিয়া থেকে আরও পাঁচটি এস-৪০০ সিস্টেম কেনার পরিকল্পনা করছে। তার আগে ওই সিস্টেমের খুঁটিনাটি জানতে চেয়েছিল ইসলামাবাদ। তাই এই চক্রান্ত বলে অনুমান। এর প্রভাব রুশ-পাক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা।

    পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন

    এ ঘটনার মধ্যেই রাশিয়া ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে রুশ দূতাবাস পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ‘ফ্রন্টিয়ার পোস্ট’-এর একটি নিবন্ধের তীব্র সমালোচনা করে, যেখানে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে মস্কো। চলতি বছরের নভেম্বরের শেষের দিকে রুশ সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের। তিনি মস্কো পৌঁছোনোর কয়েক দিন আগে আইএসআইয়ের চর গ্রেফতার হওয়ায় ইসলামাবাদের অস্বস্তি আরও বাড়ল। রাশিয়ার অভিযোগ অনুযায়ী, পাকিস্তানের কিছু প্রতিনিধি গোপন সামরিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা নকশা সংগ্রহের চেষ্টা করছিল। এই প্রযুক্তি রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বাড়তি সুবিধা দেয়—এ কারণে রাশিয়া এই ধরনের তথ্য কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে রক্ষা করে। প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি চুরির বিষয়টি প্রেসিডেন্ট পুতিনের পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন, বলছেন বিশ্লেষকেরা।

    পাকিস্তানের পদক্ষেপ, ক্ষুব্ধ রাশিয়া

    পাকিস্তান এখনও এই অভিযোগ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ইসলামাবাদের তরফে সাধারণত এমন অভিযোগ অস্বীকার করার প্রবণতা দেখা যায়, এবং অনেক সময় “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত” বলে দাবি করা হয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি প্রকাশ্যে না বলেও অভ্যন্তরীণভাবে এমন অভিযোগ তোলে, তাহলে তা দুই দেশের সামরিক সম্পর্কের ওপর বড় প্রভাব ফেলবে। বিশ্ব রাজনীতিতে এখন রাশিয়া চায় নিজের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও সামরিক অবস্থানকে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া যেভাবে নিজেদের প্রতিরক্ষা উন্নয়নে ব্যস্ত, সেই সময় পাকিস্তানের এমন পদক্ষেপকে অত্যন্ত “স্পর্শকাতর” বলে মনে করছে রুশ প্রশাসন।

    কেন রুশ প্রযুক্তি জানতে আগ্রহী ইসলামাবাদ

    সূত্রের খবর, অভিযুক্তের থেকে সামরিক হেলিকপ্টার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) প্রযুক্তি সংক্রান্ত একগুচ্ছ নথি উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। এগুলি রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদর দফতরে পাঠানোর কথা ছিল বলে জেরায় স্বীকার করেছেন ওই ব্যক্তি। তদন্তকারীদের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমগুলি জানিয়েছে, ‘এমআই-৮’ শ্রেণির দু’টি সামরিক পরিবহণ হেলিকপ্টার এবং ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) প্রযুক্তি চুরির চেষ্টা করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। মস্কোর ওই সামরিক কপ্টার ব্যবহার করে না এ দেশের ফৌজ। তবে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে রয়েছে ‘এস-৪০০’। গত মে মাসে ‘অপারেশন সিঁদুর’ এবং তাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের সঙ্গে চলা চার দিনের সংঘাতে ‘পুরু বর্মে’ ভারতের আকাশকে ঢেকে দিয়েছিল ‘এস-৪০০’। শুধু তা-ই নয়, ইসলামাবাদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং একাধিক লড়াকু জেটকে মাঝ-আকাশে ধ্বংস করে এই হাতিয়ার। এ দেশের গোয়েন্দাদের অনুমান, তার পরই সংশ্লিষ্ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটির প্রযুক্তি বুঝে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে আইএসআই। সেন্ট পিটার্সবার্গে ধৃত ব্যক্তি এ ব্যাপারে তাঁদের কতটা সাহায্য করেছেন, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।

     

     

     

     

  • Delhi Blast: বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতে ৬ ডিসেম্বর হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা!

    Delhi Blast: বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতে ৬ ডিসেম্বর হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লার অদূরে বিস্ফোরণের (Delhi Blast) ঘটনায় ফের মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের (Babri Masjid Demolition) বদলা নিতে জঙ্গিরা ৬ ডিসেম্বর দিল্লি ও তার আশপাশে সিরিয়াল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটানোর নীল নকশা ছকেছিল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে এমনই খবর মিলেছে। জানা গিয়েছে, জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহভাজন জঙ্গি মডিউলই এই পরিকল্পনা করেছিল। চক্রের কয়েকজন চাঁই আগেই গ্রেফতার হয়ে যাওয়ায় ভেস্তে যায় জঙ্গিদের যাবতীয় প্ল্যান। সেই কারণেই তড়িঘড়ি ঘটানো হয় বিস্ফোরণ।

    প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ (Delhi Blast)

    সোমবারের প্রাণঘাতী ওই বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন সাধারণ মানুষ। ধৃতদের জেরা করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, মডিউলটি মোট পাঁচটি ধাপে গোটা হামলাটা চালানোর ছক কষেছিল। প্রথম ধাপে জইশ ও আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দ যুক্ত সেল তৈরি করা। দ্বিতীয় ধাপে নুহ ও গুরুগ্রাম থেকে আইইডি তৈরির রাসায়নিক, বিস্ফোরক এবং কার্তুজ জোগাড় করা। তৃতীয় ধাপে ছিল আইইডি বানানো এবং সম্ভাব্য হামলার জায়গা রেকি করা। চতুর্থ ধাপে ষড়যন্ত্রীদের পরিকল্পনা ছিল, তৈরি আইইডি, বোমা সদস্যদের হাতে পৌঁছে দেওয়া। আর সব শেষে ছিল একই সঙ্গে দেশের ৬-৭টি জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটানো। যাতে সহজে এই পরিকল্পনার কূল খুঁজে না পাওয়া যায়। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, প্রথমে ঠিক ছিল হামলা চালানো হবে অগাস্ট মাসে। কিন্তু প্রস্তুতিপর্বে দেরি হয়ে যাওয়ায় পাল্টে দেওয়া হয় তারিখ। তখনই ঠিক হয়, হামলা হবে ৬ ডিসেম্বর, বাবরি মসজিদ ভাঙার বর্ষপূর্তিতে।

    বাবরি মসজিদ

    প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ভেঙে ফেলা হয় বাবরি মসজিদ। পরে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে জমি হস্তান্তর হয় রাম মন্দির ট্রাস্টের হাতে। ২০২০ সালে শুরু হয় নতুন রাম মন্দির নির্মাণের কাজ। উদ্বোধন হয় ২০২৪ সালের মকর সংক্রান্তির পরে পরে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, জইশ প্রধান মাসুদ আজহার বহুবার তার লেখা সাপ্তাহিক কলামে অযোধ্যা টার্গেট করার হুমকি দিয়েছিল। গোয়েন্দাদের অনুমান, জইশ প্রধান মাসুদ আজহার চায় বাবরি মসজিদ বিতর্ক খুঁচিয়ে ভারতে সম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি করতে। বহু বছর ধরেই তারা বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে (Delhi Blast)। জানা গিয়েছে, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতেই ছক কষেছিল জইশের হোয়াইট কালার মডিউল (Babri Masjid Demolition)। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএর জেরায় সে কথা কবুলও করেছে ধৃতরা। তারাও জানিয়েছে, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতেই এই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছিল।

    নয়া সিসিটিভি ফুজেট

    এদিকে, লালকেল্লায় জঙ্গি হামলার ঘটনায় সামনে এল নয়া সিসিটিভি ফুজেট। সেই ফুটেজে জঙ্গি চিকিৎসক উমর নবিকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের আগে তুর্কমান গেটের কাছে একটি মসজিদ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে জঙ্গি চিকিৎসক উমর। একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজে উমরের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দিল্লি পুলিশ। বিস্ফোরণস্থলের অদূরেই রয়েছে তুর্কমান গেট মসজিদ। সেই মসজিদেই গিয়েছিল উমর। মসজিদে কিছুটা সময় কাটানোর পর বের হয়ে গিয়েছিল। এখান থেকে গাড়ি নিয়ে চলে যায়।

    বিস্ফোরণের বিরাট পরিকল্পনা

    ধৃতদের জেরা করে জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে মোট ৩২টি গাড়ি ব্যবহার করে ৬ ডিসেম্বর ওই বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল জঙ্গিদের। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত চিহ্নিত করা গিয়েছে ৪টি গাড়ি (Delhi Blast)। আই-২০ ছাড়াও একটি ব্রেজা, একটি সুইফট ডিজায়ার এবং একটি ফোর্ড ইকো স্পোর্টস কার উদ্ধার করা হয়েছে (Babri Masjid Demolition)। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পুরানো, সেকেন্ড বা থার্ড হ্যান্ড গাড়িই বেছে বেছে কেনা হত, যাতে পুলিশের পক্ষে গাড়িগুলি ট্রেস করা কঠিন হয়। হরিয়ানা ছাড়াও উত্তরপ্রদেশ এবং দিল্লির প্রত্যন্ত এলাকা থেকে গাড়িগুলি কেনা হত।

    একযোগে বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জঙ্গিদের এই মডিউলটি দিল্লি, গুরগাঁও এবং ফরিদাবাদ জুড়ে একযোগে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য ২০০টিরও বেশি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন আইইডি তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিল। আধিকারিকরা জানান, তাদের উদ্দেশ্য ছিল জনবহুল ও ধর্মীয় স্থানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করা (Delhi Blast)। নিখোঁজ বিস্ফোরকের খোঁজে এবং মডিউলের সঙ্গে যুক্ত সম্ভাব্য স্লিপার সেলগুলি শনাক্ত করতে বিভিন্ন রাজ্যে যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্কটির শেকড় উত্তর ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং সীমান্তবর্তী চোরাচালান পথ পর্যন্ত বিস্তৃত। অবশিষ্ট (Babri Masjid Demolition) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করে বড়সড় জঙ্গি হামলা চালানোর আশঙ্কায় সরকার সংবেদনশীল কাঠামো ও বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে জোরদার করেছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Delhi Blast)।

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড শোপিয়ানের মৌলবি! পড়ুয়াদের সন্ত্রাসের পাঠ দিতেন ইরফান

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড শোপিয়ানের মৌলবি! পড়ুয়াদের সন্ত্রাসের পাঠ দিতেন ইরফান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফরিদাবাদ মডিউলের নেপথ্যে কাজ করছে কার মাথা? কার কথাতে প্ররোচিত হয়ে ডাক্তার, ডাক্তারি পড়ুয়া বা মেধাবী ছাত্ররা যুক্ত হত সন্ত্রাসের সঙ্গে? তার খোঁজেই ছিল তদন্তকারী সংস্থাগুলো। এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়েই তদন্তকারীদের নজরে আসে জম্মু-কাশ্মীরেরই এক বাসিন্দা। নাম ইরফান আহমেদ। পুলিশ ইতিমধ্যেই তাকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, এই ইরফানই ডাক্তারি পড়ুয়াদের মগজধোলাই করত। পুলিশ সূত্রে খবর, হরিয়ানার ফরিদাবাদ মডিউল সংক্রান্ত ঘটনা ও দিল্লি বিস্ফোরণে ৯ জনের মৃত্যুর পর জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ যে ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে, তাদের মধ্যে রয়েছে ইমাম ইরফান আহমেদ।

    মূল পরিকল্পনাকারী কে?

    দিল্লি বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদের বিস্ফোরক এবং অস্ত্র উদ্ধারের সঙ্গে যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বেশ কয়েকটি সূত্র ধরে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। সোমবার রাত থেকে বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁদের মধ্যেই রয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের শোপিয়ানের বাসিন্দা ইরফান। পূর্ব শ্রীনগরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন প্যারামেডিক্যাল কর্মী ছিল সে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, সেই কারণে মেডিক্যাল পড়ুয়া এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই যোগাযোগ এবং সম্পর্ককে কাজে লাগিয়েই মগজধোলাইয়ের কাজ করত ইরফান! নানা ধরনের সন্ত্রাসমূলক কাজে প্ররোচিত করার চেষ্টা করত মেধাবী যুবকদের।

    কীভাবে চলত মগজধোলাই

    তদন্তকারীদের এক সূত্রের দাবি, নওগামের এক মসজিদে যে সব পড়ুয়ারা যেতেন, তাঁদের সঙ্গে প্রথমে আলাপচারিতার মাধ্যমে বন্ধুত্ব করত ইরফান। তার পর ধীরে ধীরে ওই সব পড়ুয়াদের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে নানা রকম পাঠ পড়াত। নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের বিভিন্ন ভিডিয়ো পড়ুয়াদের দেখাত। আর এ ভাবেই মগজধোলাই চলত বলে দাবি তদন্তকারীদের। সে তরুণ মেডিকেল ছাত্রদের ধীরে ধীরে উগ্রপন্থায় উদ্বুদ্ধ করত। মগজ ধোলাই করে তাদের চরমপন্থী কাজে টেনে আনত। পুলিশ সূত্রে খবর, এই মৌলবী পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (জেইএম) থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে এগোচ্ছিল। তদন্তকারীদের ধারণা, ভিডিও কলের মাধ্যমে আফগানিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করত সে। তার মূল উদ্দেশ্যে ছিল তরুণদের মৌলবাদে দীক্ষিত করা।

    পছন্দের ছাত্র কাশ্মীরের দুই চিকিৎসক

    তদন্তকারীরা মনে করছেন, ফরিদাবাদ মডিউলের অন্যতম দুই চক্রী— মুজাম্মিল শাকিল ও আদিল আহমেদ রাঠারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ইরফানের। শুধু তা-ই নয়, দিল্লি বিস্ফোরণের মূল সন্দেহভাজন উমর নবির সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ থাকার অনুমান করা হচ্ছে। এ-ও মনে করা হচ্ছে, ফরিদাবাদে বিস্ফোরক নিয়ে আসার নেপথ্যে থাকতে পারেন ইরফান। তবে এখনও পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেনি কোনও তদন্তকারী সংস্থাই। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, মেন্টর আহমেদের পছন্দের ছাত্র ছিল কাশ্মীরের দুই চিকিৎসক, ডাঃ মুজাম্মিল শাকিল এবং ডাঃ মহম্মদ উমর। তাদের একেবারে মগজ ধোলাই করে ফেলেছিল ইরফান। উভয় ডাক্তারই মৌলবীর দেখানো লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল। তবে আসল মস্তিষ্ক ছিল ইরফানই। সূত্রের খবর, রবিবার তাঁর সহযোগী দুই চিকিৎসক – মুজাম্মিল শাকিল ও আদিল আহমেদ রাঠারকে গ্রেফতারের খবর জানার পরই ভয় পেয়ে উমর বিস্ফোরণ ঘটায়। তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল ইরফানের।

  • Delhi Blast: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ভারতে ঢুকেছিল নেপাল, বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে!

    Delhi Blast: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ভারতে ঢুকেছিল নেপাল, বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও খোঁজ নেই প্রায় ৩০০ কিলোগ্রাম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের (Delhi Blast)। সোমবার দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়ি বিস্ফোরণের পর তদন্তে নামেন গোয়েন্দারা। তার পরেই উঠে আসে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য (Ammonium Nitrate Missing)। ফরিদাবাদ জঙ্গি মডিউল তদন্তের অধীনে পুলিশ এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ২ হাজার ৯০০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। বাকি চালানটির হদিশ মেলেনি এখনও। স্বাভাবিকভাবেই ব্যাপক নিরাপত্তা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে।

    নিখোঁজ বিস্ফোরকের সন্ধানে তল্লাশি (Delhi Blast)

    সূত্রের খবর, দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার এখন প্রধান লক্ষ্যই হল ওই ৩০০ কিলোগ্রাম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের সন্ধান ও উদ্ধার করা। এই পরিমাণ বিস্ফোরক যাদের কাছে রয়েছে তাদের চিহ্নিত করা। এ পর্যন্ত ওই সব সংস্থা বিভিন্ন গোপন আস্তানা থেকে প্রায় ৩ টন বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। আধিকারিকদের অনুমান, এর কিছু অংশ এখনও অজানা কোনও জায়গায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে। সেই হারানো বিস্ফোরকের খোঁজেই দেশজুড়ে চলছে তল্লাশি অভিযান। তদন্তের সঙ্গে যুক্ত এক আধিকারিক বলেন, “পরিস্থিতি এখনও সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। বাকি উপাদানটি যেন কোনওভাবেই ব্যবহার না করা যায়, তা ঠেকাতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি প্রাণপণ করছে।”

    ভায়া বাংলাদেশ ও নেপাল 

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের চালানটি ভারতে এসেছিল বাংলাদেশ ও নেপালের সীমান্ত দিয়ে। গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিরা একটি সার কারখানা থেকে এই পদার্থটি চুরি করে সীমান্ত পেরিয়ে চোরাচালান করে এনেছিল (Ammonium Nitrate Missing)। সূত্রের খবর, মোট ৩,২০০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক ভারতে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেই কারণেই পুরো রুটজুড়ে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি সতর্কবার্তা জারি করেছে (Delhi Blast)।

    অযোধ্যা ও বারাণসীতে হামলার ছক

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া জঙ্গিদের মডিউল উত্তরপ্রদেশের ধর্মীয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান, যেমন অযোধ্যা ও বারাণসীতে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অভিযুক্তদের মধ্যে শাহিন অযোধ্যায় একটি ‘স্লিপার মডিউল’ সক্রিয় করেছিল। এই শহরগুলির পাশাপাশি লালকেল্লা, ইন্ডিয়া গেট, সংবিধান ক্লাব, গৌরীশঙ্কর মন্দির, বড় রেলস্টেশন এবং শপিং মলগুলিও তাদের টার্গেটের তালিকায় ছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ষড়যন্ত্রের ছক কষা হচ্ছিল ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকেই। তাদের লক্ষ্য ছিল ২৬/১১ মুম্বই হামলার ধাঁচে সিরিয়াল বিস্ফোরণ ঘটানো।

    উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন আইইডি

    তদন্তকারীদের মতে, এই মডিউলটি দিল্লি, গুরগাঁও এবং ফরিদাবাদ জুড়ে একযোগে বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য ২০০টিরও বেশি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন আইইডি তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিল। আধিকারিকরা বলছেন, তাদের উদ্দেশ্য ছিল জনবহুল ও ধর্মীয় স্থানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করা (Delhi Blast)। নিখোঁজ বিস্ফোরকের খোঁজে এবং মডিউলের সঙ্গে যুক্ত সম্ভাব্য স্লিপার সেলগুলি শনাক্ত করতে বিভিন্ন রাজ্যে যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই নেটওয়ার্কটির শেকড় উত্তর ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং সীমান্তবর্তী চোরাচালান পথ পর্যন্ত বিস্তৃত। অবশিষ্ট অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করে বড়সড় জঙ্গি হামলা চালানোর আশঙ্কায় সরকার সংবেদনশীল কাঠামো ও বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে জোরদার করেছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Ammonium Nitrate Missing)। সোমবার দিল্লির লালকেল্লা এলাকায় ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। ঘটনার তদন্তে নেমেছে এনআইএ-ও। তার পরেই আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বিস্ফোরক কোথায় গেল, তারও সন্ধান করছে এনআইএ (Delhi Blast)।

    কোথায় আরও দুই মহিলা চিকিৎসক

    এদিকে, শাহিন ছাড়াও তদন্তকারীরা খোঁজ করছেন আরও দুই মহিলা চিকিৎসকের। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করেছে তারা। কাশ্মীরের অনন্তনাগ ও শ্রীনগরে চিকিৎসাও করেছে তারা। তবে এদের আসল উদ্দেশ্য ছিল, জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের হয়ে কাজ করা। সেই কাজ তারা করেও যাচ্ছিল গোপনে। শাহিন পুলিশের জালে পড়লেও, ওই দুই মহিলা চিকিৎসক অধরা। গোয়েন্দাদের অনুমান, এই দুই মহিলা চিকিৎসকই আদতে লিঙ্কম্যান। চমকের শেষ এখানেই নয়। গোয়েন্দারা এও জেনেছেন, ইস্তাম্বুল, দোঁহা থেকে তাদের কাছ থেকে ডিজিটাল ওয়ালেটে মোটা অঙ্কের টাকা ঢুকেছে (Delhi Blast)।

    ধর্ম প্রচারের আড়ালে আসলে যে জইশ এবং লস্করের জঙ্গি চাঁইরা একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছিল, তা আগেই জানা গিয়েছিল। বাংলাদেশের (Ammonium Nitrate Missing) মাটি ব্যবহার করে দফতর খুলতে চাইছে আইএসআই। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার সেই অনুমতিও দিয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, যেহেতু পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে এখন ভারতে ঢোকাটা জঙ্গিদের কাছে দুষ্কর, তাই বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে লক্ষ্যে পৌঁছতে চাইছে জঙ্গিরা (Delhi Blast)।

  • Delhi Blast: লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ জঙ্গি হামলাই, সিলমোহর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

    Delhi Blast: লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ জঙ্গি হামলাই, সিলমোহর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ (Delhi Blast) জঙ্গি হামলাই। বুধবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে এমনই (Centre) জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সাফ জানিয়ে দিলেন, সোমবার দিল্লিতে যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, তা আসলে ছিল ঘৃণ্য সন্ত্রাসবাদী হামলাই।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (Delhi Blast)

    বুধবার দেশে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছুটে যান দিল্লির লোকনায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। সেখানে তিনি দেখা করেন দিল্লি বিস্ফোরণে জখমদের সঙ্গে। এই হাসপাতালে এখনও অন্তত ২০ জনের চিকিৎসা চলছে। তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, এই হামলার নেপথ্যে জড়িতদের কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের তদন্ত সংস্থাগুলি এই ষড়যন্ত্রের শেকড় পর্যন্ত যাবে। যারা এই ষড়যন্ত্রের জন্য দায়ী, তাদের সকলকে বিচারের আওতায় আনা হবে। একজনকেও ছেড়ে দেওয়া হবে না।” হাসপাতাল থেকে ফিরেই বিকেলে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেন নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    বৈঠকে নীরবতা পালন

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আয়োজিত ওই বৈঠকের শুরুতেই দু’মিনিট ধরে নীরবতা পালন করা হয়। দিল্লির বিস্ফোরণে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এদিন পালন করা হয় নীরবতা। এরপর কেন্দ্রের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে নিন্দে করা হয় এই হামলার। ঘটনাটিকে দেশ বিরোধী শক্তির কাপুরুষোচিত আক্রমণ বলেও উল্লেখ করা হয়। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারত যে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে, তাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়। এই হামলাকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেও উল্লেখ করা হয়। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রীরা। যাঁরা উদ্ধার কাজে সাহায্য করেছিলেন, তাঁদের এবং হাসপাতালের চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের প্রশংসাও করা হয়। ওই হামলার পরে পরেই ভারতের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বার্তা পাঠায় বিভিন্ন দেশ। সেজন্য ওই দেশগুলিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয় কেন্দ্রের তরফে। অভিযুক্তদের ধরে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।

    আই-২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

    সোমবার বিকেলে দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের অভিঘাতে উড়ে যায় পার্কিংয়ে থাকা বেশ কয়েকটি গাড়ি। কাচ ভেঙে যায় অকুস্থলের আশপাশের বাড়ি এবং দোকানেরও। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন বিদেশ সফরে, ভুটানে। সেখান থেকে ফিরেই প্রথমে যান হাসপাতালে, তার পরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। সেই (Delhi Blast) বৈঠক শেষে সোমবারের ওই হামলাকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে উল্লেখ করল সরকার। দিল্লির ঘটনার নেপথ্যে যে বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে, তা আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে তাকে সরাসরি সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেই দেগে দেওয়া হল (Centre)।

    বিস্ফোরণের আগে রেকি!

    এদিকে, ঘটনার পর গত ৪৮ ঘণ্টায় অনেকটাই এগিয়েছে তদন্ত। গ্রেফতার করা হয়েছে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে। তাদের জেরা করে অনেক নতুন তথ্যও পাওয়া গিয়েছে। বুধবারই হরিয়ানার একটি গ্রাম থেকে উদ্ধার হয়েছে অন্যতম অভিযুক্ত উমর নবির লাল রংয়ের চারচাকার একটি গাড়ি। এই উমরই বিস্ফোরণে উড়ে যাওয়া সাদা হুন্ডাই আই-২০ গাড়ির চালকের আসনে ছিল বলে অনুমান তদন্তকারীদের। বিস্ফোরণের আগে আগে এই গাড়িটি কোথায় কোথায় ঘুরেছিল, সেদিকেও নজরদারি করছেন গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, গাড়িটি এর আগে ঘুরেছিল দিল্লির দুই ব্যস্ততম এলাকা কনট প্লেস এবং ময়ূর বিহার। দিল্লির এই দুই এলাকায় আসার আগে গাড়িটি হরিয়ানাতেই ছিল বলে অনুমান তদন্তকারীদের। সূত্রের দাবি, গত ২৯ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্ মেডিক্যাল কলেজের ক্যাম্পাসে পার্ক করা ছিল বিস্ফোরণে ব্যবহৃত সেই গাড়িটি। এর ঠিক পাশেই রাখা ছিল ধৃত চিকিৎসক মুজাম্মিল আহমেদের গাড়িও। জানা গিয়েছে, গাড়ির মালিক মুজাম্মিল হলেও, রেজিস্ট্রেশন ছিল মহিলা চিকিৎসক শাহিন শাহিদের নামে। প্রশ্ন হল, তাহলে কি বিস্ফোরণের আগে রেকি করতেই রাজধানীর জনবহুল এলাকাগুলিতে ঘুরপাক খেয়েছে (Delhi Blast) গাড়িটি? লালকেল্লা ছাড়াও রাজধানীর অন্য কোথাও কি আত্মঘাতী হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা? যদিও দিল্লি বিস্ফোরণের নেপথ্যে আত্মঘাতী হামলার সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনও মেলেনি।

    উধাও হয়ে গিয়েছিল মহিলা চিকিৎসক

    লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের ঠিক আগে লখনউ থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহিন সিদ্দিকি নামে এক মহিলা চিকিৎসককে। তার গাড়িতেও মিলেছে আগ্নেয়াস্ত্র (Centre)। তদন্তকারীদের অনুমান, শাহিন ও তার সঙ্গী মুজাম্মিলের সঙ্গে সরাসরি যোগ থাকতে পারে দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের। কানপুরের জেএসভিএম মেডিক্যাল কলেজে পড়াত শাহিন। ২০১৩ সালে আচমকাই উধাও হয়ে যায়। ২০২১ সালে তাকে বরখাস্ত করেন মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। গোয়েন্দাদের ধারণা, সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ হওয়ায় গায়েব হয়ে গিয়েছিল শাহিন। জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের মহিলা শাখা জামাত-উল-মোমিনীনের ভারতের প্রধান করা হয় তাকে। সে কাজ করত মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহারের সঙ্গে শলা করে। লখনউয়ের যে বাড়িতে শাহিন থাকত, সেখান থেকেই গ্রেফতার করা হয় তাঁর ভাই পারভেজ আনসারিকেও (Delhi Blast)। শ্রীনগরে জইশ-ই-মহম্মদের সমর্থনে পোস্টার সাঁটানোর অভিযোগে ধৃত আদিল মাজিদ রাথরের সঙ্গেও যোগ রয়েছে ফরিদাবাদের এই হাসপাতালের (Centre)। যদিও বুধবার ওই মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতালের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, তারা সন্ত্রাসবাদীদের আখড়া নয়। ধৃত কিংবা আটক সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্কই নেই।

LinkedIn
Share