Tag: Bangla khabor

Bangla khabor

  • Post Poll Violence: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় মারধর, খুনের হুমকি! নির্বাচনোত্তর হিংসায় তপ্ত ফলতা, পুলিশকে বড় নির্দেশ কমিশনের

    Post Poll Violence: বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় মারধর, খুনের হুমকি! নির্বাচনোত্তর হিংসায় তপ্ত ফলতা, পুলিশকে বড় নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনোত্তর হিংসার জেরে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র। ভোটের ফল বের হওয়ার কথা সোমবার। তার আগেই এলাকায় তৃণমূল অশান্তি শুরু করে দিয়েছে বলে (Post Poll Violence) অভিযোগ। রাজনৈতিক সংঘাত, হামলা এবং পুনর্নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে হাসিমনগর এলাকা। বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, পদ্মফুলে ভোট দেওয়ার ‘অপরাধে’ তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে পড়ছেন তাঁরা। মারধরের পাশাপাশি খুনের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই শনিবার হাসিমনগরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পদ্ম-কর্মী-সমর্থকরা। এই পরিস্থিতিতে ফলতার তৃণমূল প্রার্থীর দুই ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দিল কমিশন। এমনকী, নির্দেশ না মানলে পুলিশের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুচ্ছের অভিযোগ (Post Poll Violence)

    বিক্ষোভকারীদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দেওয়া, ভয় দেখানো, মায় জোর করে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটগ্রহণ পর্ব চুকে যাওয়ার পর সেই সন্ত্রাস আরও বেড়েছে বলেই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। তাদের দাবি, যারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তাঁদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে মারধরও করা হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই খবরের শিরোনামে ফলতা কেন্দ্র। ভোটের আগে থেকেই এই কেন্দ্রে বারবার উত্তেজনার ঘটনা সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করা, ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছিলেন বিরোধীরা। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয় উত্তরপ্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মাকে। জাহাঙ্গিরের বাড়ির সামনে গিয়ে ‘সিংহম’ নামে পরিচিত এই আধিকারিকের কড়া বার্তা তখনই আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল।

    পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সরব স্থানীয়রা

    ভোট-পর্ব শেষ হলেও বিতর্ক থামেনি। বরং পুনর্নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন ফলতার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, ফলতার অন্তত ২৩টি বুথে পুনর্নির্বাচন হোক। অভিযোগ, ওই বুথগুলিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়নি ভোট প্রক্রিয়া (Post Poll Violence)। এহেন আবহে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই হাসিমনগর এলাকায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। দোষীদের গ্রেফতারির পাশাপাশি নিরাপত্তা দেওয়ার দাবিতেও সরব হন তাঁরা। এই ঘটনায় উঠে এসেছে জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ইস্রাফুল চোকদার নাম। তাঁর নেতৃত্বেই হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন গ্রামবাসীদের একাংশ। তাঁর গ্রেফতারির দাবিও করেন বিক্ষোভকারীরা (BJP)।

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য

    আন্দোলনকারীদের মধ্যে ছিলেন রানি মণ্ডলও। তিনি বলেন, “পুরো হাসিমনগর জ্বলছে৷ আমাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে৷ ঘরে তালা দিয়ে দিচ্ছে৷ ৪ তারিখে (ভোট গণনার দিন) আমাদের বাড়িতে বোমা ফেলার হুমকি দিচ্ছে। বাচ্চাদের মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দিচ্ছে। এই অত্যাচার আমরা মেনে নেব না৷ আমরা সাধারণ মানুষ। আর এটা গণতান্ত্রিক দেশ৷ তাই আমরা যাকে খুশি ভোট দিতেই পারি৷ এতদিন জোর করে আমাদের ভোট দিতে দেয়নি৷ এখন ভোট দেওয়ায় মেরে ফেলার ভয় দেখানো হচ্ছে৷ আমরা তৃণমূল সরকার চাই না৷” বিক্ষোভের খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে এলাকায় টহল দিতে দেখা যায় জওয়ানদের। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হলেও, সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এখনও কাটেনি। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যান ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফলতা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও এলাকায় যায় (Post Poll Violence)। বিক্ষোভকারীরা রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। এক বিক্ষোভকারীর কথায়, ‘‘বাড়িতে গিয়ে মারধর করা হয়েছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। আমরা ইসরাফিলের (তৃণমূল নেতা) গ্রেফতারি চাই। কিন্তু রাজ্য পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। আমরা চাই ওকে গ্রেফতার করা হোক। আর চাই ফলতায় দু’টি বুথ আছে, যেখানে পুনর্নির্বাচন করা হোক (BJP)।’’

    পুনর্নির্বাচনের দাবি

    এ রাজ্যে দু’দফায় হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ২৯ এপ্রিল হয় দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন। এদিনই ভোট হয় ফলতায়ও। সেদিনও দিনভর খবরের শিরোনামে ছিল ফলতা। এই বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, ১৭০ এবং ১৮৯ নম্বর বুথের ইভিএমে ‘টেপ’ লাগানো হয়েছিল। শুধু ওই দুই বুথ নয়, আরও কয়েকটি বুথ থেকেও নানা অভিযোগ আসতে থাকে। বিরোধীরা ফলতার ৩২টি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন। তবে ওই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে কি না, তার স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের ভোটের জন্য কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মতো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠান বিশেষ পর্যবেক্ষক (BJP)।

    সুব্রত গুপ্তর রিপোর্ট

    সূত্রের খবর, তিনি ফলতার ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচন করার কথা জানিয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন কমিশনকে (Post Poll Violence)। জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ভোটের দিন সকালে ফলতার একাধিক বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল। দুপুর একটার সময় ‘টেপ রিভিউড’ বলে তথ্য দেওয়া হয় প্রিসাইডিং অফিসারের তরফে। যদিও ততক্ষণে প্রায় ৫৮ শতাংশ ভোট পড়ে গিয়েছিল। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় রয়েছে ফলতা থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীও (Post Poll Violence)।

    এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ

    এদিকে, ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, ইস্রাফুল এবং অপর এক জাহাঙ্গির-ঘনিষ্ঠ সুজাদ্দিন শেখের নামোল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নির্দেশ না মানলে পুলিশের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে পুলিশকেই। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করতে হবে।

  • Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    Weather Forecast: দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিন জারি থাকবে ঝড়বৃষ্টি, ভোট গণনার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর দাপট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালবৈশাখীর প্রবল ঝড়বৃষ্টির জেরে রাজ্যে দক্ষিণবঙ্গে কমেছে গরমের দাপট (Weather Forecast)। ঠান্ডা হয়েছে কলকাতাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আপাতত আরও কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে থাকতে পারে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া (South Bengal)। তবে সোমবার, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বাড়বে কালবৈশাখীর ঝড়বৃষ্টির দাপট। তীব্র ঝড়ের সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ শিলাবৃষ্টির ভ্রুকুটি বঙ্গে।

    বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি (Weather Forecast)

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ, শনিবারও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। তবে, রবিবার থেকে ফের বাড়বে বৃষ্টির দাপট। ঝোড়ো হাওয়ার বেগ বেড়ে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে। মঙ্গলবারও শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। যেহেতু সোমবার ঝড়বৃষ্টির দাপট থাকবে সবচেয়ে বেশি, তাই সেদিনের জন্য জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। এদিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এই দিনই হবে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা (Weather Forecast)। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও রয়েছে একই পূর্বাভাস।

    দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা

    পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় রবিবারও ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরেও মাঝেমধ্যে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। তাই উত্তাল সমুদ্র। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে সোমবার পর্যন্ত। ঝড়বৃষ্টি চলছে উত্তরবঙ্গেও। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পঙে শনিবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বইতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। জলপাইগুড়িতে ভারী বর্ষণ চলবে রবিবার পর্যন্ত। উত্তরের জেলাগুলিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সব জেলায়ই সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস (South Bengal)।

    জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জের

    গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং সংলগ্ন বাংলাদেশের ওপর যে ঘূর্ণাবর্তটি ছিল, সমুদ্রতল থেকে তার উচ্চতা ১.৫ কিলোমিটার। এছাড়া, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন এলাকার ওপর আর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে (Weather Forecast)। সমুদ্রতলের চেয়ে ৩.১ থেকে ৫.৮ কিলোমিটার উচ্চতায় তার অবস্থান। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জেরে বঙ্গোপসাগর থেকে এখনও জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। তাই রয়েছে ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি। ঝড়বৃষ্টির কারণে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রাও এক লপ্তে কমে গিয়েছে বেশ খানিকটা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর বা দক্ষিণের কোথাও আগামী সাত দিনে তাপমাত্রার বড় কোনও হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রসঙ্গত, বিরল মে মাস দেখতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। এ মাসে তাপপ্রবাহের বদলে (South Bengal) দেখা যাবে শুধুই বৃষ্টির দাপট। তার জেরে এ মাসে বঙ্গবাসীকে গরমের অস্বস্তি ভোগ নাও করতে হতে পারে বলেই পূর্বাভাস হওয়া অফিসের (Weather Forecast)।

  • TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগণনা কর্মী ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের (TMC)। সেই পোড়া মুখ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শনিবারই দেশের শীর্ষ আদালতে জরুরি ভিত্তিতে হয় শুনানি। সেখানেও মমতার দলকে মুখ পোড়াতে হয় ফের এক দফা।

    মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট (TMC)

    প্রসঙ্গত, গণনায় কেন শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার কর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে? কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছিল তৃণমূল। কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। তারপরই সটান সুপ্রিম কোর্টে যায় ঘাসফুল শিবির। সেই মামলার শুনানির জন্যই তৈরি হয় বিশেষ বেঞ্চ। মামলা শোনে বিচারপতি পিএস নরসিং ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। তৃণমূলের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। মামলার শুরুতেই চারটি বিষয় তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যেই তুলে ধরা হয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ইস্যুটিও। তিনি বলেন, “সার্কুলারে বলা হয়েছে একজন রাজ্য সরকারি অফিসার থাকবে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারী নিযুক্ত করা হচ্ছে না।”

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন (TMC)। অপশন যখন আছে তখন আমরা কীভাবে বলি যে এই পদক্ষেপ নির্দেশিকা-বিরোধী? সার্কুলার অনুযায়ী দুজনেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতে পারেন।” তিনি (Supreme Court) বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হয় কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী, নয় রাজ্য সরকারি কর্মচারী। যদি তারা একটা পুল থেকে নেয় তাহলে কখনওই অন্যায় নয়। অন্তত একজনকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতেই হবে।” পাল্টা সিব্বল বলেন, “অর্থাৎ একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারী হতে হবে।”

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কেন্দ্রই হোক বা রাজ্য দুজনকেই সরকারি কর্মচারী হতে হবে। কিন্তু সমানুপাতিক কিছু বলা হয়নি।” নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, “রিটার্নিং অফিসার এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অফিসার। তিনি রাজ্য সরকারের কর্মচারী। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট থাকবে (TMC)। স্বাভাবিকভাবেই এদের আশঙ্কা সম্পূর্ণ অমূলক।” সওয়াল জবাব শেষে শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। কমিশন ১৩ এপ্রিল যে নির্দেশ দিয়েছে (Supreme Court), সেই নির্দেশই বহাল থাকবে। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের আবেদন। প্রসঙ্গত, কমিশনের তরফে এদিন আদালতে জানানো হয়, গত ১৩ এপ্রিল তারা যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে। তাই আদালত অতিরিক্ত আর কোনও নির্দেশ দেয়নি। আপাতত আর কোনও নির্দেশের প্রয়োজনও নেই বলেই মনে করেন শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা (TMC)।

     

  • Pakistan: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান, বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় রয়েছে শরিফের দেশও

    Pakistan: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান, বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় রয়েছে শরিফের দেশও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে পাকিস্তান। বিশ্বের ১০টি ‘ক্ষুধার্ত’ দেশের তালিকায় নাম রয়েছে শাহবাজ শরিফের দেশের। ২০২৬ সালের গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস (Global Report on Food Crises)-এ পাকিস্তানকে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কঙ্গো, মায়ানমার, নাইজিরিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের সঙ্গে তীব্র ক্ষুধার প্রধান কেন্দ্রগুলির একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পাকিস্তানে খাদ্য সঙ্কট (Pakistan)

    পাক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান ২০২৫ সালে বিশ্বের সেই ১০টি দেশের মধ্যে ছিল যেখানে সবচেয়ে বড় খাদ্য সঙ্কট দেখা গিয়েছে। সেখানে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ গুরুতর খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৯৩ লাখ মানুষ “ক্রাইসিস” অবস্থায় এবং ১৭ লাখ মানুষ “এমার্জেন্সি” অবস্থায় ছিল, যা দুর্ভিক্ষের ঠিক আগের সবচেয়ে গুরুতর স্তরগুলির মধ্যে পড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (IPC) নামের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি অনুযায়ী, খাদ্য সঙ্কট এমন এক পরিস্থিতি যেখানে জীবন ও জীবিকা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা তখন ঘটে যখন খাদ্যে প্রবেশাধিকার এতটাই সীমিত হয়ে যায় যে, তা আদতে হয়ে দাঁড়ায় মানুষের বেঁচে থাকার পক্ষে হুমকি স্বরূপ।

    খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার অন্যতম কারণ চরম আবহাওয়া। ভারী বৃষ্টি ও বন্যার ফলে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, “২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছিল, যা জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পাকিস্তানে ভারী মৌসুমি বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কৃষিজমি এবং পরিকাঠামোও ধ্বংস হয়েছে।” পুষ্টি বিশ্লেষণেও পাকিস্তানের নাম এসেছে, যেখানে বালুচিস্তান, সিন্ধ এবং খাইবার পাখতুনখোয়া উদ্বেগের অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের জন্য আনুষ্ঠানিক তীব্রতা নির্ধারণের মতো পর্যাপ্ত সাম্প্রতিক তথ্য না থাকায় পাকিস্তানকে “নো সেভেরিটি ডেটা” (no severity data) তালিকায় রাখা হয়েছে।

    মুদ্রাস্ফীতি পৌঁছতে পারে ৬ শতাংশে

    পাকিস্তানে অপুষ্টির ঝুঁকির কারণ বিশ্লেষণেও রয়েছে, যেখানে খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ, জল এবং স্যানিটেশন এবং রোগব্যাধি সম্পর্কিত দুর্বলতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি ৬ শতাংশে পৌঁছতে পারে, যা পরিস্থিতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি দেশটির সঙ্কটের গভীরতা এবং তথ্য সংগ্রহ বিস্তারের প্রতিফলন। বিশ্লেষণের এরিয়া ২০২৪ সালের ৪৩টি গ্রামীণ জেলা থেকে ২০২৫ সালে ৬৮টি জেলায় বাড়ানো হয়েছে। এতে বালুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং সিন্ধের এলাকা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ফলে বিশ্লেষণে অন্তর্ভুক্ত পাকিস্তানের জনসংখ্যার হার ১৬ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, অর্থাৎ অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছে ওই তালিকায়।

  • BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে (BJP) ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)।  রবিবার তিনি জানান, জনসমর্থন এবং উন্নয়নমুখী শাসনব্যবস্থার কারণে আগামী ৪০ থেকে ৫০ বছর গুজরাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ক্ষমতায় থাকতে পারে। ভাদোদরায় চলা স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন পাঠান। তার পরেই এহেন মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার এই সাংসদ। উল্লেখ্য, এই ভোটগ্রহণ গুজরাটজুড়ে শহর ও গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃহৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ।

    পাঠানের মুখে বিজেপি প্রশস্তি! (BJP)

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাঠান বলেন, “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। বাস্তবতা হল, যে দল শক্তিশালী, মানুষের জন্য কাজ করে এবং মানুষের পছন্দের দল—সেই দলই ক্ষমতায় থাকে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচনী সাফল্য শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা এবং গ্রাউন্ড লেবেলে কাজের ওপর নির্ভর করে।” গুজরাটে ভোটের ধারা নিয়ে তিনি বলেন, “উন্নয়ন এখনও রাজ্যের ভোটারদের প্রধান বিষয়। এখানকার মানুষ বিজেপিকে পছন্দ করে এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে ভোট দেন। তাই দলটি ক্ষমতায় থাকবে।” পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তুলনা টেনে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, “যেমন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ টিএমসিকে পছন্দ করেন। কারণ দলটি মানুষের কথা বলে এবং মানুষের জন্যই কাজ করে।”

    বঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াই

    ভোটদানের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে পাঠান বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে কিছু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় শতাংশ কম মনে হতে পারে। যদি সেই ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটদানের হার এখনও ৮০ থেকে ৮১ শতাংশ থাকবে (BJP)। এটা কেবল হিসেবের বিষয় (Yusuf Pathan)।” উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে বিজেপি ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা ও ভোটার গোষ্ঠীতে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে নির্বাচনী প্রবণতায় রাজ্যটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে বিজেপি উল্লেখযোগ্যভাবে ভোট শেয়ার ও বিধানসভায় উপস্থিতি বাড়িয়েছে। দু’পক্ষের রাজনৈতিক ভাষণও আরও তীব্র হয়েছে, যা একতরফা পরিস্থিতির বদলে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইকে নির্দেশ করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন

    এদিকে, গুজরাটে কর্পোরেশন, পুরসভা, জেলা পঞ্চায়েত এবং তালুকা পঞ্চায়েত-সহ স্থানীয় শাসনের একাধিক স্তরে ভোটগ্রহণ চলছে (BJP)। প্রায় ১০,০০০ আসনে এই নির্বাচন হচ্ছে, অংশ নিচ্ছেন ৪ কোটিরও বেশি ভোটার। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোটগ্রহণ চলবে। গণনা হবে ২৮ এপ্রিল। আমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট এবং ভাদোদরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়েছে। একই উৎসাহে ভোট হচ্ছে গ্রামীণ জেলাগুলিতেও (Yusuf Pathan)। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। হাজার হাজার ভোটকেন্দ্রে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, বিপুল পুলিশ মোতায়েন, কুইক রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল নজরদারি চালু করা হয়েছে (BJP)। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ভোটারদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভোটদানকে পবিত্র নাগরিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন এবং সর্বোচ্চ ভোটদানের হার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকটি ভোট গ্রাম, তালুকা, জেলা ও শহরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। মানুষ এগিয়ে আসুন এবং একে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করুন (BJP)।”

    ভোটদানের আহ্বান বিধায়কেরও

    বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী সঞ্জয়সিংহ মহিদা নাডিয়াদে ভোট দিয়ে নাগরিকদের ভোটদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি সামনে এসে ভোট দিন (Yusuf Pathan)।” প্রসঙ্গত, এই স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনকে গুজরাটের তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক প্রবণতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি বহু দশক ধরে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। বিরোধী দলের নেতা হয়েও ইউসুফ পাঠানের এই মন্তব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত রাজনৈতিক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দু’দিন পরেই ভোট গণনা। সেই ফল শহর ও গ্রামীণ উভয় এলাকার ভোটারদেরই পছন্দ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে (BJP)।

     

  • Calcutta High Court: বাইকবাহিনীর দাপট রুখতে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বাইকবাহিনীর দাপট রুখতে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাইক বাহিনীর (Bike Rides) দাপট রুখতে নির্বাচন কমিশনের আবেদনে সাড়া দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বাইক সফর নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের একাংশ সংশোধন করে দিল বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ১২ ঘণ্টা আগে নয়, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও প্রকার ‘বাইক ব়্যালি’ ও ‘গ্রুপ রাইডিং’ করা যাবে না। তবে, পারিবারিক সফর, কর্মক্ষেত্রে যাওয়া এবং ইমার্জেন্সি সার্ভিসের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

    সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন (Calcutta High Court)

    প্রসঙ্গত, শেষ দফার নির্বাচনের আগে বাইক আরোহীদের নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন৷ কমিশনের নির্দেশ ছিল ভোটের ৩৬ ঘণ্টা আগে একমাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া আর কোনও প্রকার বাইক সফর করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলার শুনানিতে গত শুক্রবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছিলেন, “১২ ঘণ্টা আগে থেকে বাইক ব়্যালি করা যাবে না৷ তবে ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত বাইকে করে ভোট দিতে যাওয়া যাবে৷”

    আদালতের নির্দেশ

    আদালত নির্দেশে এ-ও বলেছিল, “চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি পরিষেবা বা পারিবারিক কারণে বাইক নিয়ে বেরোনো যাবে। অ্যাপ বাইক-সহ খাবার ডেলিভারি পরিষেবা ও অফিসযাত্রীরা নিজের পরিচয়পত্র নিয়ে বাইক চালাতে পারবেন।” সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলায় কমিশনের তরফে আইনজীবীর মন্তব্য, “৩৬ ঘণ্টা আগে থেকে আমরা বাইক চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলাম। কিন্তু, হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ তা খারিজ করে দিয়েছে (Calcutta High Court)।” এদিন বিচারপতি শম্পা সরকারের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, “সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে সমস্যা কোথায়? আদালত কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” কমিশনের তরফে আইনজীবী বলেন, “বাইক বাহিনীর দাপট নিয়ে কমিশনের কাছে একাধিক অভিযোগ এসেছে (Bike Rides)৷ তা রুখতে গেলে, অবিলম্বে বাইক সফর বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হোক।” কমিশনের আইনজীবীর বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, “ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ‘বাইক ব়্যালি’ ও ‘গ্রুপ রাইডিং’ করা যাবে না। দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে, আদালত কারও ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না (Calcutta High Court)।”

     

  • Nepal PM: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি, কারণ কী জানেন?

    Nepal PM: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী (Nepal PM) বালেন শাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের পড়শি এই দেশে। রবিবার, ২৬শে এপ্রিল, নেপালের বালেন শাহ নেতৃত্বাধীন সরকার ভক্তপুরের মনোহরা বসতিতে অবৈধ (Christian Activists) ঘরবাড়ি ও অন্যান্য কাঠামো সরাচ্ছিল। উচ্ছেদ অভিযানের সময় একটি গির্জাও ভেঙে ফেলা হয়। এর ফলে খ্রিস্টান গোষ্ঠীগুলির মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    শাহকে হুমকি (Nepal PM)

    তারা এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শাহকে হুমকি দিয়ে বলেছে, যদি গির্জার জন্য অন্য কোনও জায়গা না দেওয়া হয়, তাহলে এটি তাঁর জন্য অশুভ হবে। প্রসঙ্গত, “…আমরা মেনে নিয়েছি যে যেখানে গির্জাটি ছিল, সেই জমি দখলকৃত ছিল, এবং সরকারকে তা খালি করতেই হত। সেই কারণেই জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে গির্জা কোনও ব্যক্তি নয়। এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। দেশের লাখ লাখ মানুষ এই ধর্মের অনুসারী। এটি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ যদি পাপ ও ধর্ম নিয়ে চিন্তা করেন, তবে তিনি যেন অবিলম্বে আমাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলির যথাযথ ব্যবস্থা করেন। অন্যথায়, এটি তাঁর পক্ষে অশুভ হবে বলেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে (Nepal PM)।

    মুক্তিরাজ রাইয়ের দাবি

    মনোহর ভজন মণ্ডল (গির্জা)-এর সম্পাদক মুক্তিরাজ রাইয়ের দাবি, খ্রিস্টানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “গির্জা ভাঙার পর কোথায় যাওয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল (Christian Activists)।” তাঁর দাবি, মনোহরা বসতির ৪৫ শতাংশ বাসিন্দা খ্রিস্টান। তাঁদের প্রশ্ন, ভেঙে দেওয়ার পর (Christian Activists) ৩০০ খ্রিস্টান কোথায় যাবেন উপাসনা করতে (Nepal PM)?

     

  • India New Zealand FTA: ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত হল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কী কী সুবিধে মিলবে?

    India New Zealand FTA: ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত হল মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কী কী সুবিধে মিলবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষর করল ভারত ও নিউজিল্যান্ড। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে (India New Zealand Relation) একটি বিরাট কৌশলগত মাইলফলক। ১৬ মার্চ ২০২৫ সালে শুরু হয়ে রেকর্ড সময়ে সম্পন্ন হওয়া এই চুক্তি বিকশিত ভারত ২০৪৭-এর জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগকে সমর্থন (India New Zealand Relation)

    এই অংশীদারিত্বের একটি প্রধান স্তম্ভ হল, আগামী ১৫ বছরে নিউজিল্যান্ড ভারতকে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে সাহায্য করবে। ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য পরিকল্পিত এই মূলধন প্রবাহ। চুক্তিতে উৎপাদন, পরিকাঠামো, পরিষেবা এবং উদ্ভাবন খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চুক্তিটি নিউজিল্যান্ডের ১০০ শতাংশ ট্যারিফ লাইনে শুল্ক তুলে দিয়ে ভারতীয় শিল্পকে তাৎক্ষণিক প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই শূন্য-শুল্ক সুবিধা সরাসরি শ্রমনির্ভর খাতগুলিকে সাহায্য করবে। এর মধ্যে রয়েছে বস্ত্রশিল্প, পোশাক শিল্প, চামড়া শিল্প, জুতো শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য এবং অটোমোবাইল শিল্প। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন উপকরণে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, কাঠের লগ, কোকিং কয়লা এবং ধাতব স্ক্র্যাপ।

    ওষুধ শিল্পের জন্য নিয়ন্ত্রক অনুমোদন

    জানা গিয়েছে, এই চুক্তি ভারতীয় ওষুধ শিল্পের জন্য নিয়ন্ত্রক অনুমোদন দ্রুত করবে। বিশ্বমানের সমমানের নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরিদর্শন রিপোর্ট গ্রহণ করা হবে। এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ভবিষ্যতমুখী কাঠামো গড়ে তুলেছে, যেখানে (FTA) ভারতকে বৈশ্বিক প্রতিভার প্রধান সরবরাহকারী দেশ হিসেবে স্থাপন করা হয়েছে (India New Zealand Relation)। এদিকে, একটি নতুন অস্থায়ী কর্মসংস্থান প্রবেশ পথ চালু করা হয়েছে, যেখানে যে কোনও সময় ৫,০০০ ভারতীয় পেশাজীবীর জন্য নির্দিষ্ট কোটা থাকবে। এর অধীনে রয়েছে, আইটি, স্বাস্থ্যসেবা, ইঞ্জিনিয়ারিং, আয়ূষ চিকিৎসক, যোগ প্রশিক্ষক এবং ভারতীয় শেফ। এই চুক্তির ফলে সংখ্যাগত সীমা ছাড়াই ভারতীয় শিক্ষার্থীরা উন্নত পোস্ট-স্টাডির অধিকার পাবে। এসটিইএম ব্যাচেলর ও মাস্টার্স স্নাতকরা সর্বোচ্চ ৩ বছর কাজ করতে পারবেন, ডক্টরাল গবেষকরা সর্বোচ্চ ৪ বছর কাজ করতে পারবেন।

    ওয়ার্ক অ্যান্ড হলিডে ভিসা

    দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে ১,০০০ ওয়ার্ক অ্যান্ড হলিডে ভিসাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশীয় উৎপাদকদের সুরক্ষার জন্য এই এফটিএতে কঠোর ব্যতিক্রম ও সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে (FTA)। সংবেদনশীল বিভিন্ন খাতকে বাজার প্রবেশাধিকার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুধ, ক্রিম, চিজ, দই, চিনি, ভোজ্য তেল, পেঁয়াজ এবং মসলা (India New Zealand Relation)। কেবল বাণিজ্য নয়, এই চুক্তি উৎপাদনশীলতা অংশীদারিত্বে জোর দিয়েছে। আপেল, কিউই ফল এবং মধুর জন্য উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রযুক্তি হস্তান্তর ও গবেষণা সহযোগিতার মাধ্যমে ভারতীয় কৃষকদের আয় বাড়ানোই এর লক্ষ্য।

    কী বললেন পীযূষ গোয়েল?

    এই সহযোগিতার সঙ্গে কোটা এবং ন্যূনতম আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে নিউজিল্যান্ডের পণ্যের সীমিত বাজার প্রবেশাধিকারও যুক্ত থাকবে (FTA)। ভারত ১১৮টি খাতজুড়ে পরিষেবা সুবিধা অর্জন করেছে এবং ১৩৯টি উপ-খাতে মোস্ট ফেভারর্ড নেশন (MFN) প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। প্রধান ক্ষেত্রগুলি হল, আইটি-সক্ষম পরিষেবা, পেশাগত পরিষেবা, নির্মাণ এবং পর্যটন। এর ফলে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ সৃষ্টি হবে। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হল মানুষকে কেন্দ্র করে বাণিজ্য গড়ে তোলা।” তিনি এও বলেন, “এই চুক্তি ভারতের যুবসমাজ, উদ্যোক্তা এবং কৃষকদের জন্য বৈশ্বিক সুযোগের দুয়ার খুলে দেবে (India New Zealand Relation)।”

  • Pakistan: যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নামা পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলল ইরান

    Pakistan: যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নামা পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধ থামাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। সেই পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েই গুরুতর সন্দেহ প্রকাশ করলেন এক ইরানি আইনপ্রণেতা (Iranian Lawmaker)। তার জেরে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মুহূর্তে নিরপেক্ষতা নিয়েই সৃষ্টি হয়েছে গভীর উদ্বেগের।

    কী বললেন ইব্রাহিম রেজায়ি? (Pakistan) 

    দাশতেস্তানের প্রতিনিধি তথা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশনীতি কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, “পাকিস্তানের মধ্যস্থতা করার মতো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।” এক্স হ্যান্ডেলে এক বিবৃতিতে তিনি পাকিস্তানকে “ভালো বন্ধু ও প্রতিবেশী” বলে উল্লেখ করলেও, বলেন, এটি (পাকিস্তান) উপযুক্ত মধ্যস্থতাকারী নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলে। রেজায়ির আরও অভিযোগ, ইসলামাবাদ প্রকাশ্যে ওয়াশিংটনের সমালোচনা এড়িয়ে চলে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি, যেমন লেবানন প্রসঙ্গ ও অবরুদ্ধ সম্পদ, সেগুলিও তুলে ধরে না। তিনি বলেন, “মধ্যস্থতাকারীকে অবশ্যই নিরপেক্ষ হতে হয়। সব সময় এক পক্ষের দিকে ঝুঁকে থাকা চলে না।”

    আসরে আরাঘচি

    বস্তুত, রেজায়িরও এই মন্তব্য এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন আব্বাস আরাঘচি অনিশ্চয়তার মধ্যেও আলোচনা চালিয়ে যেতে বাড়িয়েছেন কূটনৈতিক তৎপরতা। প্রসঙ্গত, আরাঘচি সম্প্রতি তিন দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার ইসলামাবাদ সফর করেন। সেখানে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে সংঘাত এবং সম্ভাব্য সমাধানের পথ নিয়েও আলোচনা করেন (Iranian Lawmaker)। ইরানের বিদেশমন্ত্রী এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং অন্যান্য প্রবীণ আধিকারিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর পর তিনি ইসলামাবাদ থেকে ওমানে পৌঁছন। সেখানে তিনি সুলতান হাইথাম বিন তারিক আল-সঈদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়েও আলোচনা হয় (Pakistan)।

    আলোচ্য বিষয়

    ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনা শুধু পারমাণবিক ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, হরমুজ প্রণালীর জন্য নতুন আইনি কাঠামোর প্রস্তাব, ক্ষতিপূরণের দাবি, ভবিষ্যতে সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার নিশ্চয়তা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা  প্রত্যাহারের বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে (Iranian Lawmaker)। উল্লেখ্য, ইসলামাবাদে সংক্ষিপ্ত সফরের পর আরাঘচির মস্কো সফরে যাওয়ার কথা। কারণ তেহরান (ইরানের রাজধানী) আলোচনার গতি ধরে রাখতে চাইছে। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত সমাধানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গতি হারাতে থাকায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান যদি আলোচনা চায় তবে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের আগেই ওয়াশিংটন যোগাযোগ কমিয়ে দেয় এবং পাকিস্তানে পরিকল্পিত এক দফা আলোচনাও বাতিল করে দেয় (Pakistan)।

    সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, আলোচনা ফের শুরু করতে চাইলে ইরান নিজেই যোগাযোগ করতে পারে। তিনি বলেন, “যদি তারা কথা বলতে চায়, তারা আমাদের কাছে আসতে পারে, অথবা ফোন করতে পারে। আপনি (Iranian Lawmaker) জানেন, টেলিফোন আছে। আমাদের উন্নত এবং নিরাপদ যোগাযোগ লাইন রয়েছে।”

     

  • Donald Trump: ‘‘পিডোফাইল, ধর্ষক…’’! হামলার আগে ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার লিখে পরিবারকে পাঠিয়েছিলেন গুলিকাণ্ডে ধৃত যুবক

    Donald Trump: ‘‘পিডোফাইল, ধর্ষক…’’! হামলার আগে ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার লিখে পরিবারকে পাঠিয়েছিলেন গুলিকাণ্ডে ধৃত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে নৈশভোজের আসরে গুলি চালানোর অভিযোগে যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই কোল অ্যালেন আগে থেকেই একটি ট্রাম্প-বিরোধী ইস্তাহার তৈরি করে (Donald Trump) নিজের পরিবারের সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ‘পিডোফাইল, ধর্ষক এবং দেশদ্রোহী’ শব্দগুলি (Shooting) ব্যবহার করেছিলেন। সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না থাকলেও, অনেকেই মনে করছেন, ওই কথাগুলি অভিযুক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করেই লেখা হয়েছিল।

    ইস্তাহারে কী লিখেছিলেন ধৃত যুবক (Donald Trump)

    হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস’ ডিনারে গুলি চালানোর অভিযোগে ধৃত যুবক কোল অ্যালেন ওই ইস্তাহারে লিখেছিলেন, “আমি আর কোনও পিডোফাইল, ধর্ষক এবং দেশদ্রোহীর অপরাধে আমার হাত রক্তাক্ত হতে দিতে রাজি নই।” যদিও সেখানে তিনি সরাসরি ট্রাম্প বা মার্কিন প্রশাসনের কোনও কর্তার নাম উল্লেখ করেননি। ঘটনার পর ট্রাম্প সিবিএসের ‘৬০ মিনিটসে’ সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হিংসার অভিযোগগুলি উড়িয়ে দিয়ে একে ‘উগ্রপন্থায় প্রভাবিত’ ইস্তাহার বলে মন্তব্য করেন। মিডিয়াকে ‘ভয়ঙ্কর মানুষ’ বলে দেগে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “হ্যাঁ, ও (কোল অ্যালেন) এটা লিখেছিল। আমি ধর্ষক নই। আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি।”

    “আমি পিডোফাইল নই”

    নিউজ অ্যাঙ্কর তাঁর কাছে জানতে চান, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ট্রাম্পকেই বোঝাতে চেয়েছিলেন কি না। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি পিডোফাইল নই। মাফ করবেন, আমি পিডোফাইল নই। আমি ধর্ষক নই। কোনও অসুস্থ মানুষের লেখা এসব বাজে কথা আপনি পড়ছেন? আমার সঙ্গে এমন সব বিষয়ের নাম জড়ানো হয়েছে, যার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্কই নেই। আমি পুরোপুরি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি।” তদন্তকারীরা ওই যুবকের ইস্তাহার খতিয়ে দেখছেন (Shooting)। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, ইস্তাহার থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে সন্দেহভাজনের লক্ষ্য ছিলেন ট্রাম্প প্রশাসনের কর্তারা। প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে গুলির শব্দ শোনা গেলে ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের আধিকারিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

    ‘ফ্রেন্ডলি ফেডেরাল অ্যাসাসিন’!

    কর্তৃপক্ষের মতে, ঘটনাটি বলরুমের বাইরে ঘটে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি এক বা দু’রাউন্ড গুলি ছোড়ার পর সিঁড়ির কাছে তাঁকে আটক করা হয়। হোয়াইট হাউসের এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি হামলার কয়েক মিনিট আগে তাঁর পরিবারকে একটি উদ্বেগজনক ইস্তাহার পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি নিজেকে একজন ‘ফ্রেন্ডলি ফেডেরাল অ্যাসাসিন’ বলে উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, কোনও ইরানি অপারেটিভ সহজেই নিরাপত্তা ভেদ করে ঢুকে পড়তে পারে—এভাবে অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল বলেই তুলে ধরে তিনি। ইস্তাহারে ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনের আধিকারিকদের টার্গেট করার ইচ্ছের কথাও উল্লেখ ছিল। রাজনৈতিক হিংসার বারংবার উল্লেখও পাওয়া গিয়েছে ওই ইস্তাহারে।

    ‘নিউ ইয়র্ক পোস্ট’কে এক মার্কিন কর্তা জানান, ওই নথিতে ‘সর্বোচ্চ পদমর্যাবদা থেকে সর্বনিম্ন পর্যন্ত’ কর্তাদের টার্গেট হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। যদিও এফবিআই (FBI) পরিচালক কাশ প্যাটেলের নাম ওই তালিকায় ছিল না। হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে অভিযুক্ত লিখেছিলেন (Shooting), দেওয়াল ভেদ কম করার জন্য সে স্লাগের বদলে বাকশট ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি, যাতে (Donald Trump) প্রয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যদের ভেদ করেও এগিয়ে যাওয়া যায়।

LinkedIn
Share