Tag: bangla news

bangla news

  • Childhood Obesity: আমেরিকাকে টপকে ভারত! শৈশবের স্থূলতার বোঝা বাড়ছে দেশে, নেপথ্যে খাবার নাকি মোবাইল আসক্তি?

    Childhood Obesity: আমেরিকাকে টপকে ভারত! শৈশবের স্থূলতার বোঝা বাড়ছে দেশে, নেপথ্যে খাবার নাকি মোবাইল আসক্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ওজন! অতিরিক্ত ওজন! যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সময় মতো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে স্বাভাবিক জীবন যাপনের পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে উঠবে। ভারতীয় শিশুদের স্থূলতার সমস্যা আমেরিকাকেও টপকে গিয়েছে। চিনের পরেই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় থাকা দেশের তালিকায় ভারত। বিশ্বে ভারতের স্থান দ্বিতীয়। সাম্প্রতিক তথ্য আগামী প্রজন্মের সুস্থ জীবন‌ যাপন নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে এক তথ্যে জানানো হয়েছে, ভারতীয় শিশুদের মধ্যে মারাত্মক ভাবে অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা বাড়ছে। স্থূলতায় আক্রান্ত শিশুদের নিরিখে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ওই তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ৫ থেকে ৯ বছর বয়সী প্রায় ১৫ মিলিয়ন শিশু অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছে। আবার ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে ২৬ মিলিয়ন অতিরিক্ত ওজন বা ওবেসিটির সমস্যায় আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ২০ মিলিয়ন ভারতীয় শিশু স্থূলতার শিকার হবে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

    কেন ভারতীয় শিশুদের মধ্যে স্থূলতার সমস্যা বাড়ছে?

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় শিশুদের অতিরিক্ত ওজনের নেপথ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত শারীরিক কসরতের অভাব। ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী ভারতীয় ছেলেমেয়েদের মধ্যে ৭৪ শতাংশ প্রয়োজনীয় শারীরিক কসরত করে না। এর ফলে তাদের শরীরে ক্যালোরি ক্ষয় হয় না। যা অতিরিক্ত ওজনের অন্যতম কারণ।

    ওবেসিটির নেপথ্যে খাদ্যাভাস নাকি মোবাইল আসক্তি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওবেসিটির নেপথ্যে প্রথম কারণ অবশ্যই খাদ্যাভাস থাকে। তবে ভারতীয় শিশুদের অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার সমস্যার অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক সমীক্ষায় উঠে আসছে ভারতীয় শিশুদের প্রয়োজনীয় শারীরিক সক্রিয়তা দেখা যাচ্ছে না। অর্থাৎ ৫ বছর বা ১০ বছর বয়সে শিশুর যেমন খাবারের পরিমাণে পরিবর্তন হয়, তেমনি শারীরিক কার্যকলাপেও পরিবর্তন হওয়া উচিত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খেলাধুলা করা, যোগাভ্যাস করা প্রয়োজন। কিন্তু অধিকাংশ ভারতীয় শিশুর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবারের পরিমাণ বাড়ছে, আর শারীরিক কার্যকলাপ কমছে। অবসর যাপন মানেই মোবাইলের পর্দায় চোখ আটকে থাকছে। ক্রিকেট, ফুটবল হোক কিংবা কাবাডির মতো মাঠে নেমে দৌড়াদৌড়ি করে খেলার পরিবর্তে বিভিন্ন ভিডিও গেমে আসক্তি বাড়ছে। যা শরীরের জন্য বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোটোদের পাশপাশি বড়দের স্থূলতার অন্যতম কারণ খাবার। পিৎজা, বার্গার কিংবা অতিরিক্ত তেল মশলা দেওয়া চটজলদি খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরে মেদ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু তারমধ্যে এক জায়গায় দীর্ঘ সময় বসে থাকা, ছোটাছুটি না করার জেরে সেই মেদ ঝরানোর সুযোগ ও থাকছে না। ফলে ওজন মারাত্মক বাড়ছে‌।

    কেন ওবেসিটি উদ্বেগজনক সমস্যা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরের অতিরিক্ত ওজন একাধিক রোগের কারণ হয়ে ওঠে। শৈশব থেকেই এই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকলে সুস্থ দীর্ঘ জীবন কার্যত মুশকিল। কারণ, স্থূলতা হৃদরোগ, কিডনি, লিভারের অসুখের কারণ হয়ে ওঠে। আবার হরমোনের ভারসাম্য ও নষ্ট করে। ফলে বড় হয়ে ওঠার পর্বে নানান জটিলতা তৈরি হয়।

    কীভাবে স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সচেতনতা থাকলেই শিশুদের স্থূলতা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত শিশুকে খেলায় অংশগ্রহণে আগ্রহ দিতে হবে। দিনের অন্তত ৩০-৪০ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম হয় এমন খেলায় অংশগ্রহণ করাতে হবে। সাঁতার হোক কিংবা মার্শাল আর্ট কিংবা ক্রিকেট-ফুটবল-হকির মতো যেকোনো ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত খেললে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরবে। চর্বি জমবে না। অতিরিক্ত ওজন বাড়বে না। অবসর যাপনে মোবাইলের গেম নয়। বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলা জরুরি। এতে শারীরিক ও মানসিক গঠন ঠিক হয়। তাছাড়া খাবারের দিকেও নজরদারি প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত পরিমাণ খাবার খাওয়ানো একেবারেই উচিত নয়। অভিভাবকদের প্রথম থেকেই খাবারের পরিমাণ নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। তাছাড়া ঘরের তৈরি খাবার খাওয়া দরকার। চটজলদি প্যাকেটজাত খাবার নিয়মিত খেলে অতিরিক্ত ওজনের ঝুঁকি বাড়বে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 07 March 2026: শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 07 March 2026: শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ৩) নতুন কিছু শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    বৃষ

    ১) পারিবারিক বিষয়ের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) গৃহস্থ জীবনে অবসাদ থাকবে।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি পারিবারিক জীবনের জন্য সমস্যায় ভরপুর।

    ২) পরিবারে কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সম্মান বাড়বে।

    কর্কট

    ১) মানসিক দিক দিয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) সন্তানের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।

    ৩) প্রেম জীবন সুখের হবে।

    সিংহ

    ১) আর্থিক জীবনে ব্যয় বাড়বে।

    ২) নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ৩) ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে।

    কন্যা

    ১) শুভ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ২) মনের মধ্যে শান্তি থাকবে।

    ৩) পারিবারিক জীবনে জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    তুলা

    ১) অসুস্থতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আটকে যেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ভালো সুযোগ পাবেন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও কারণে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার চেষ্টা করুন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ থাকবে।

    ২) আধিকারিকদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ৩) সন্তানের জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    মকর

    ১) ধৈর্য ও কঠিন পরিশ্রমের জোরে লক্ষ্য লাভে সফল হবেন।

    ২) পারিবারিক মনোমালিন্য দূর হতে পারে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে আপনাকে।

    ২) ব্যবসায় লোকসান।

    ৩) বাড়িতে বন্ধুর আগমন।

    মীন

    ১) স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে।

    ২) খাওয়া-দাওয়ার বিশেষ যত্ন নিন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না

  • Ramakrishna 598: “ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি—পেটের ভিতর ছেলে—তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে!—ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়!”

    Ramakrishna 598: “ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি—পেটের ভিতর ছেলে—তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে!—ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    ঠাকুরের পরমহংস অবস্থা—চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসাদর্শন —
    ভগবতীর রূপদর্শন—যেন বলছে, ‘লাগ্‌ ভেলকি’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এতক্ষণ ভাবাবস্থায় কি দেখছিলাম জান?—তিন-চার ক্রোশ ব্যাপী সিওড়ে যাবার রাস্তার মাঠ। সেই মাঠে আমি একাকী!—সেই যে পনের-ষোল বছরের ছোকরার মতো পরমহংস বটতলায় দেখেছিলাম, আবার ঠিক সেইরকম দেখলাম!

    “চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসা!—তারই ভিতর থেকে ১৩/১৪ বছরের একটি ছেলে উঠলো মুখটি দেখা যাচ্ছে! পূর্ণর রূপ। দুইজনেই দিগম্বর!—তারপর আনন্দে মাঠে দুইজনে দৌড়াদৌড়ি আর খেলা!

    “দৌড়াদৌড়ি করে পূর্ণর জলতৃষ্ণা পেল (Kathamrita)। সে একটা পাত্রে করে জল খেলে। জল খেয়ে আমায় দিতে আসে। আমি বললাম, ‘ভাই, তোর এঁটো খেতে পারব না।’ তখন সে হাসতে হাসতে গিয়ে গ্লাসটি ধুয়ে আর-একগ্লাস জল এনে দিলে (Kathamrita)।”

    ‘ভয়ঙ্করা কালকামিনী’ — দেখাচ্ছেন, সব ভেলকি

    ঠাকুর আবার সমাধিস্থ। কিয়ৎক্ষণ পরে প্রকৃতিস্থ হইয়া আবার মণির সহিত কথা কহিতেছেন—

    “আবার অবস্থা বদলাচ্ছে!—প্রসাদ খাওয়া উঠে গেল! সত্য-মিথ্যা এক হয়ে যাচ্ছে! আবার কি দেখছিলাম জান? ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি—পেটের ভিতর ছেলে—তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে!—ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়! আমায় দেখাচ্ছে যে, সব শূন্য!

    “যেন বলছে, লাগ্‌! লাগ্‌! লাগ্‌ ভেলকি! লাগ!”

    মণি ঠাকুরের কথা ভাবিতেছেন (Kathamrita)! ‘বাজিকরই সত্য আর সব মিথ্যা।’

    সিদ্ধাই ভাল নয় — নিচু ঘরের সিদ্ধাই

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— আচ্ছা, তখন পূর্ণকে আকর্ষণ কল্লাম, তা হল না কেন? এইতে একটু বিশ্বাস কমে যাচ্ছে!

    মণি—ও-সব তো সিদ্ধাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—ঘোর সিদ্ধাই!

    মণি—সেই অধর সেনের বাড়ি থেকে গাড়ি করে আপনার সঙ্গে আমরা যখন দক্ষিণেশ্বরে আসছিলাম বোতল ভেঙে গেল। একজন বললে যে, এতে কি হানি হবে, আপনি একবার দেখুন। আপনি বললেন, দায় পড়েছে, দেখবার জন্য — ও-সব তো সিদ্ধাই!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— ওইরকম হরির লুটের ছেলে—রোগ ভাল করা—এ-সব সিদ্ধাই। যারা অতি নিচু ঘর, তারাই ঈশ্বরকে ডাকে রোগ ভালর জন্য।

  • India US Relation: সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ তেল কিনতে ভারতকে ৩০ দিনের ছাড়, ঘোষণা আমেরিকার

    India US Relation: সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ তেল কিনতে ভারতকে ৩০ দিনের ছাড়, ঘোষণা আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধ বিধ্বস্ত বিশ্বে অশোধিত তেলের বাজারকে চাঙ্গা করতে রুশ-নীতি নমনীয় করার ইঙ্গিত দিল আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের ছাড় দিল ভারতকে। তবে শর্ত একটিই। তা হল, এই ছাড় কেবল সমুদ্রপথে আটকে থাকা তেলের ট্যাঙ্কার বা জাহাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সমুদ্রে আটকে থাকা তেল কিনতে পারবে ভারত। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের ওপর চাপ কিছুটা কমবে এবং তেল সংকটের আশঙ্কা থেকে ভারত সাময়িকভাবে স্বস্তি পেতে পারে। বর্তমানে ভারতে মাত্র প্রায় ২৫ দিনের অপরিশোধিত তেলের মজুদ রয়েছে।

    মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য

    ভারত বর্তমানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে এবং প্রায় ৪০ শতাংশ তেল আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। ফলে ওই অঞ্চলে কোনো ধরনের অস্থিরতা দেখা দিলে ভারতের জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ৩০ দিনের এই অস্থায়ী ছাড় দিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, রাশিয়ার জলসীমায় আটকে থাকা তেল বিক্রি অব্যাহত রাখতে ভারতকে এই সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি দিয়ে আমেরিকার অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট লিখেছেন, “ভারত আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। ইরানের জন্য বিশ্বের জ্বালানির বাজার রুদ্ধ হতে চলেছে। তাই ওই চাপ কমানোর জন্যই এই সাময়িক উদ্যোগ।” আমেরিকা মনে করছে, এই সাময়িক ছাড়ের কারণে রাশিয়া খুব বেশি লাভবান হবে না।

    থমকে রয়েছে ভারতের ৩৭টি জাহাজ

    আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী সরু হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। প্রতি দিন গোটা বিশ্বে রফতানিযোগ্য তেলের ২০ শতাংশ যায় এই হরমুজ প্রণালী ধরে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় প্রণালীর দুই ধারে দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন দেশের অসংখ্য জাহাজ এবং তেলবাহী ট্যাঙ্কার। ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ৪০ শতাংশ আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে থমকে রয়েছে ভারতের ৩৭টি জাহাজও। এই পরিস্থিতিতে তেল আমদানির জন্য বিকল্প পথ খুঁজতে হচ্ছে ভারতকেও।

    রাশিয়ান তেল সংগ্রহের প্রস্তুতি

    এই ঘোষণার পর দেশের বিভিন্ন তেল শোধনাগার সংস্থাগুলি আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন, ভারত পেট্রোলিয়াম, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম এবং ম্যাঙ্গালোর রিফাইনারি অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেড দ্রুত রাশিয়ান তেল সংগ্রহের জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। সূত্রের দাবি, ইতিমধ্যেই প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল রাশিয়ান তেল কেনার চুক্তি হয়েছে। নভেম্বরের পর প্রথমবারের মতো হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম এবং এমআরপিএল আবার রাশিয়ান তেল সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    কমলো অশোধিত জ্বালানি তেলের দাম

    ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো অশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। গত সপ্তাহ থেকে ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছিল ১৫ শতাংশের বেশি। তার পরে দেড় শতাংশ মতো কমেছে তেলের দাম। শুক্রবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৫২ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেলের দাম হয়েছে ৮৪.২১ মার্কিন ডলার। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েড ক্রুডের প্রতি ব্যারেলের দাম ২.১০ শতাংশ কমে হয়েছে ৭৯.৩১ ডলার। ভারতের রাশিয়ার তেল কেনা নিয়ে সাম্প্রতিক ঘোষণার জেরেই তেলের দাম কমেছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    ভারতের বাণিজ্যনীতি

    আমেরিকা মনে করে তেল বিক্রির অর্থ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে কাজে লাগাচ্ছে রাশিয়া। তাই রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে মস্কো থেকে তেল আমদানি বৃদ্ধি করায় ভারতের উপর চাপ তৈরি করে হোয়াইট হাউস। এই কারণে ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্কও আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, রাশিয়ার কাছ থেকে খনিজ তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। এই যুক্তিতে ভারতের উপর যে বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা-ও প্রত্যাহার করে নেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে নয়াদিল্লি আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানায়নি। বরং ভারতের তরফে এই বিষয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, জাতীয় স্বার্থই ভারতের বাণিজ্যনীতির প্রধান নির্ধারক। তেল কেনার ক্ষেত্রে একাধিক উৎস বজায় রাখা হবে। কোনও একটি দেশের কাছ থেকে তেল কেনার বাধ্যবাধকতা নেই নয়াদিল্লির।

    তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করাই লক্ষ্য

    এ প্রসঙ্গে তেল ব্যাবসায়িদের কথায়, এখন ভারতীয় শোধনাগারগুলি শুধু দামের দিকেই তাকিয়ে নেই, বরং তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করাই তাদের কাছে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজও দ্রুত রাশিয়ান তেল সংগ্রহের জন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে জানা গেছে। তবে এই ছাড় শুধুমাত্র রাশিয়ার জলসীমায় আটকে থাকা তেলবাহী জাহাজগুলির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ৩০ দিনের পর পরিস্থিতি কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও আপাতত ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলি কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে এবং আগামী দিনে রাশিয়ান তেলের সরবরাহ আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

  • Su-30 MKI Crashed: অসমে ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান, শহিদ দুই পাইলট

    Su-30 MKI Crashed: অসমে ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান, শহিদ দুই পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে ভেঙে পড়া ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই (Su-30 MKI Crashed) যুদ্ধবিমানের দুই পাইলটই মৃত। শুক্রবার সকালে তাঁদের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে। ওই দুই পাইলটের নাম স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পূর্বেশ দুরাগকর। অসমের কার্বি আংলং জেলায় ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমানটি প্রশিক্ষণ চলাকালীন ভেঙে পড়ে। শুক্রবার ওই দুই পাইলটের পরিচয় প্রকাশ করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে ভারতীয় বায়ুসেনা। মৃতদের শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে তারা। এই অবস্থায় তাদের পাশে থাকার বার্তাও দেওয়া হয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে। তাঁদের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    অসমের কার্বি আংলং জেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় বায়ুসেনার একটি সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় দুই পাইলটের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যায় জোরহাট বিমানঘাঁটি থেকে উড়ানের কিছুক্ষণ পরই বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসের রাডার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সরকারি সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা প্রায় ৭টা ৪২ মিনিট নাগাদ যুদ্ধবিমানটির সঙ্গে শেষবারের মতো যোগাযোগ হয়। এরপরই কার্বি আংলংয়ের আকাশসীমায় উড়তে থাকা অবস্থায় বিমানটি রাডার থেকে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বায়ুসেনা ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান (এসএআর) শুরু করা হয়। পরবর্তীতে কার্বি আংলং জেলার চোকিহুলা গ্রামের কাছাকাছি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত প্রায় ৮টার দিকে পাহাড়ি এলাকায় একটি প্রবল বিস্ফোরণের মতো শব্দ শোনা যায় এবং পরে পাহাড়ের দিক থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।

    দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত

    ভারতীয় বায়ুসেনা জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পূর্বেশ গুরুতরভাবে আহত হয়ে প্রাণ হারান। এক বিবৃতিতে বায়ুসেনা জানায়, “সু-৩০ দুর্ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পূর্বেশের মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। এই কঠিন সময়ে তাঁদের পরিবারের পাশে পুরো বায়ুসেনা রয়েছে।” উল্লেখ্য, সু-৩০ এমকেআই ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম প্রধান মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান, যা বিশেষ করে পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় ব্যাপকভাবে মোতায়েন করা হয়। ভারতীয় বায়ুসেনার বহরে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নির্মিত ২৬০টিরও বেশি সুখোই রয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালে অসমের তেজপুর বিমানঘাঁটি থেকে উড়ানের পরে অরুণাচলের পশ্চিম কামেং জেলার জঙ্গলে ভেঙে পড়েছিল একটি সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান। বিমানে ছিলেন এক জন স্কোয়াড্রন লিডার এবং এক জন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট। তাঁরা দু’জনেই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন। আবার একই ঘটনা ঘটল। ভারতীয় বায়ুসেনা জানিয়েছে, শহিদ দুই পাইলটের শেষকৃত্য পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্তও শুরু করা হয়েছে।

  • S-400 Sudarshan: আরও ৫টি এস-৪০০ কেনার প্রক্রিয়া শুরু কেন্দ্রের, ভাবনা ‘সুদর্শন’-এর সুরক্ষায় বিশেষ কবচ নিয়েও

    S-400 Sudarshan: আরও ৫টি এস-৪০০ কেনার প্রক্রিয়া শুরু কেন্দ্রের, ভাবনা ‘সুদর্শন’-এর সুরক্ষায় বিশেষ কবচ নিয়েও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে দ্রুতগতিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই লক্ষ্যে আরও পাঁচটি রুশ নির্মিত এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা স্কোয়াড্রন কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভারতে এই ব্যবস্থাটি ‘সুদর্শন’ নামে পরিচিত। সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন সংঘর্ষক্ষেত্রে চিনা প্রযুক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর না হওয়ায় ভারতের এই সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। নতুন এস-৪০০ স্কোয়াড্রনগুলি মূলত দেশের পূর্ব ও পশ্চিম সীমান্তে আকাশ প্রতিরক্ষা বলয় জোরদার করতে মোতায়েন করা হবে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ বাজিমাত ‘সুদর্শন’-এর

    বর্তমানে ভারতের হাতে তিনটি এস-৪০০ সিস্টেম রয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই আরও দুটি সিস্টেম ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার কথা। গত বছর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ এই ব্যবস্থার কার্যকারিতা স্পষ্টভাবে প্রকাশ্যে আসে। ১০ মে ভারতের অভিযানের সময় পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান, এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং এয়ারক্র্যাফ্ট ও নজরদারি বিমান আকাশে উঠতে পারেনি। চার দিনের সংঘর্ষে এস-৪০০ একাধিক পাকিস্তানি বিমান ভূপাতিত করে এবং ইতিহাসের দীর্ঘতম আকাশপথে আঘাত হানার নজির গড়ে—পাকিস্তানের ভূখণ্ডের ভিতরে ৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে একটি উচ্চমূল্যের গুপ্তচর বিমান ধ্বংস করা হয়।

    আরও ৫ স্কোয়াড্রন এস-৪০০ সিস্টেম কেনার পথে ভারত!

    প্রতিরক্ষা সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য অতিরিক্ত পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার প্রস্তাব বিবেচনা করবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিংয়ের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ইতিমধ্যেই এই প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এবার এটি যাবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদে (DAC)। সেখান থেকে ‘অ্যাকসেপ্টেন্স অব নেসেসিটি’ (AoN) মিললে ব্যয় নির্ধারণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে। পরে বিষয়টি অর্থ মন্ত্রকের মাধ্যমে যাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS)-এর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য। প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের দাবি, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তান চিনা প্রযুক্তির এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছিল। তবে তা ভারতীয় বিমান প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়। ভারত তখন পাকিস্তানের অভ্যন্তরে একাধিক সন্ত্রাসবাদী লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের ব্যবস্থা সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলা ও ইরানের ক্ষেত্রেও মার্কিন ও ইজরায়েলি অভিযানের সময় কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।

    এস-৪০০ সিস্টেমকে রক্ষা করতে ‘প্যান্টসির এস-১’

    এদিকে, এস-৪০০ সিস্টেমের পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনা ও সেনাবাহিনীর থেকে ১৩টি রুশ ‘প্যান্টসির এস-১’ স্বয়ংক্রিয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার বিষয়ে প্রস্তাব পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এই ব্যবস্থা মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, স্বল্পপাল্লার রকেট এবং কামিকাজে (আত্মঘাতী) ড্রোন প্রতিহত করতে সক্ষম। এর মধ্যে ১০টি প্যান্টসির সিস্টেম কেনা হবে বায়ুসেনার জন্য, যাতে ভবিষ্যতে মোট ১০টি এস-৪০০ ব্যবস্থাকে সুরক্ষা দেওয়া যায়। বাকি তিনটি সেনাবাহিনী কিনবে সীমান্তে ক্রুজ মিসাইল, আক্রমণকারী হেলিকপ্টার, লয়টারিং মিউনিশন, সশস্ত্র ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলার জন্য। জানা যাচ্ছে, প্যান্টসির কেনার ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে ফাস্ট-ট্র্যাক পদ্ধতিতে সরাসরি কিছু সিস্টেম কেনা হবে। পরে জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ভারতের বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে দেশেই উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বাহিনী এই প্যান্টসির ব্যবস্থা ব্যবহার করছে এবং ইরানি কামিকাজে ড্রোন ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে।

  • T20 World Cup 2026: স্নায়ুযুদ্ধে বাজিমাত বুমরার, ফিল্ডিংয়েও চমক! সঞ্জুই সেরা, বেথেলের লড়াই ব্যর্থ করে ফাইনালে ভারত

    T20 World Cup 2026: স্নায়ুযুদ্ধে বাজিমাত বুমরার, ফিল্ডিংয়েও চমক! সঞ্জুই সেরা, বেথেলের লড়াই ব্যর্থ করে ফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে ইতিহাস গড়ার পথে ভারত। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রুদ্ধশ্বাস সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল ভারতীয় ব্রিগেড। সঞ্জু স্যামসনের বিধ্বংসী ব্যাটিং, বোলারদের মাথা ঠান্ডা রাখা পারফরম্যান্স, আর দুরন্ত ফিল্ডিংয়ের ওপর ভর করেই জয় এল টিম ইন্ডিয়ার। অবিশ্বাস্য অনুভূতি, ম্যাচ শেষে বললেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তাঁর কথায়, ‘‘ভারতের মাটিতে খেলা, এরকম অসাধারণ একটা দলকে নেতৃত্ব দেওয়া, দেশে বিশ্বকাপ খেলা, আমেদাবাদে ফাইনালে খেলতে যাচ্ছি। আমার মনে হয় দলের ছেলেদের কাছে এটা বিশেষ এক অনুভূতি।’’

    সঞ্জুর ব্যাটে রানের পাহাড়

    টসে জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করেন সঞ্জু স্যামসন। মাত্র ৪২ বলে ৮৯ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। ইনিংসের শুরুতে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক মিড-অফে একটি সহজ ক্যাচ ফেলে দেওয়ায় তিনি জীবন পান। স্যামসন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলের ভিত গড়েন। সঞ্জুর ক্যাচ ফেলে ভারতকে নিজে হাতে ফাইনালের দরজা খুলে দেন ইংরেজ অধিনায়ক। সঞ্জুর ইনিংস দেখে দারুণ খুশি ক্যাপ্টেন সূর্যকুমার। বলেন, ‘‘দলের প্রয়োজনে যেমন খেলার দরকার ছিল সঞ্জু সেরকমটাই খেলেছে।’’ ম্যাচ সেরার পুরস্কার নিয়ে সঞ্জু স্যামসনও জানান, ‘‘বড় স্কোর করাই লক্ষ্য ছিল, সেই কারণেই নিজের ফর্মকে কাজে লাগতে চেয়েছি প্রথম থেকেই।’’

    মিডল অর্ডারের ঝোড়ো ক্যামিও ইনিংস

    এদিন ইশান কিষাণের ১৮ বলে ৩৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস পাওয়ার প্লে-তে রানের গতি বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে, শিবম দুবের ২৫ বলে ৪৩ রানের মারকুটে ইনিংস ইংল্যান্ডের স্পিনারদের কার্যকারিতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। কেবল টপ-অর্ডারই নয়, ভারতের নিচের সারির ব্যাটসম্যানরাও জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক বর্মার দ্রুত সংগ্রহ করা ছোট ছোট ইনিংসগুলি সমানভাবে কার্যকর ছিল। শেষ তিন ওভারে তাঁরা ৪০-এর বেশি রান যোগ করে স্কোরবোর্ডে ইংল্যান্ডের জন্য বিশাল চাপ সৃষ্টি করে, যা রান তাড়ার কাজ আরও কঠিন করে তোলে। মিডল অর্ডারের ঝোড়ো ক্যামিও ইনিংসগুলোর সৌজন্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৩/৭ রানের পাহাড় গড়ে ভারত।

    বেথেলের লড়াই

    একটা সময় মনে করা হয়েছিল হাসতে হাসতে জিতবে ভারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৭ রানে রুদ্ধশ্বাস জয়। টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে স্বস্তি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের। ২৫৪ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন তরুণ তুর্কি জ্যাকব বেথেল। মাত্র ৪৮ বলে ১০৫ রানের এক অবিশ্বাস্য শতরান করেন তিনি। তাঁকে দেখে মনে হচ্ছিল, এভাবেই রান চেজ করতে হয়। ইংল্যান্ড একসময় ম্যাচ প্রায় কেড়ে নিচ্ছিল, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ম্যাচ শেষে সে কথা মেনে নিলেন ভারত অধিনায়ক। সূর্য বলেন, ‘‘আমি তো হ্যারি ব্রুককে বললাম তোমাদের হারাতে গেলে আর কত রান করতে হবে? তবে সত্যি উইকেটটা দারুণ ছিল। ওরা যেভাবে ব্যাটিং করেছে, ওদের কৃতিত্ব কেড়ে নিতে চাই না। ওরা সব সময়ই ম্যাচে ছিল। রান তাড়া করে চাপে রেখেছিল। খুব স্নায়ুর চাপে ছিলাম। কেউ যদি হৃদস্পন্দন মাপত, ১৬০-১৭৫ পেতই। তবে এটা খেলার অঙ্গ। দারুণ সেমিফাইনাল হয়েছে। ফাইনালে উঠে আমরা খুশি।’’

    বুম বুম বুমরা

    শেষ মুহূর্তে জসপ্রীত বুমরা, হার্দিক পান্ডিয়া এবং অর্শদীপ সিং দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। এদিনের ম্যাচে প্রায় ৫০০ রান উঠেছে। সেখানে জসপ্রীত বুমরা প্রমাণ করেছেন কেন তিনি টি২০ বোলিংয়ের এক অদ্বিতীয় মানদণ্ড। যখন ওয়াংখেড়ের শিশিরে অন্যান্য বোলাররা লড়াই করছিলেন, বুমরার ১৮তম ওভারটি ছিল নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের দারুণ দৃষ্টান্ত। শেষ ১৮ বলে ৪৫ রান দরকার থাকা সত্ত্বেও তিনি মাত্র ৬ রান দেন। সূর্য বলেন,‘‘এইরকম পরিস্থিতিতে বুমরা কতটা সক্ষম বোলার নতুন করে কাউকে বলে দিতে হয় না।’’

    ফিল্ডিং ম্যাজিক

    ক্রিকেট অভিধানে একটি প্রবাদ আছে, ‘ক্যাচেজ উইন ম্যাচেজ’। বৃহস্পতি রাতে দুটো ক্যাচ পার্থক্য গড়ে দিল। এক, হ্যারি ব্রুকের ক্যাচ মিস। দ্বিতীয়, বাউন্ডারি লাইনে অক্ষর প্যাটেলের দুরন্ত ক্যাচ। এই দুটো মুহূর্ত ছাড়া দুই দলের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য নেই। বাউন্ডারি লাইনে অক্ষর প্যাটেলের অবিশ্বাস্য কিছু ফিল্ডিং রান বাঁচানোর পাশাপাশি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। চলতি বিশ্বকাপে ভারতকে ভুগিয়েছে ফিল্ডিং। ক্যাচ পড়েছে। চার গলেছে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ছেড়েছে ভারত। আগের ম্যাচের পরেও দলের ফিল্ডিংয়ে খুশি ছিলেন না সূর্য। সেই ফিল্ডিংই ওয়াংখেড়েতে জিতিয়েছে। অক্ষর প্যাটেলের দুর্দান্ত ক্যাচ, হার্দিক পাণ্ডিয়ার রান আউটের জেরে জিতেছে ভারত।

    দর্শকদের কুর্নিশ সূর্য-র

    খেলা শুরুর আগে থেকে যে ভাবে ওয়াংখেড়ের দর্শকেরা তাঁদের সমর্থন করেছেন তার জন্য দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। বলেন, ‘‘আমরা ওয়ার্ম আপ করার সময়ই মাঠের ৭৫-৮০ শতাংশ ভরে গিয়েছিল। সেটা থেকেই বোঝা যায় সকলে ভারতের জয়ের জন্য কতটা আগ্রহী ছিলেন।’’ ওয়াংখেড়েতে যেন চাঁদের হাট বসেছিল। সস্ত্রীক ধোনি, সপরিবারে রণবীর কপূর, সপরিবারে অম্বানিরা, কে এল রাহুল, রোহিত শর্মা, অনিল কপূর – কে আসেননি ভারতের জয় দেখতে? ভারতের সাফল্য উদযাপন করতে? তাঁদের সামনেই ‘হিরো’ হয়ে যাচ্ছিলেন ২২ বছরের এক ইংরেজ তরুণ। ভারতের বিশ্বসেরা বোলিংকে নিয়ে ছিনিমিনি খেললেন বেথেল। বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে দিলেন ৬৪ রান। অর্শদীপ ৪ ওভারে ৫১। শিবম দুবে ১ ওভারে ২২। শেষে সেই ত্রাতা বুমরা। ফের একবার ১৪০ কোটি ভারতীয়কে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করলেন বুম বুম বুমরা…।

  • RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    RN Ravi: রাজ্যপাল পদে ইস্তফা আনন্দ বোসের, অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বাংলায় আচমকাই পদত্যাগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজ, বৃহস্পতিবারই ইস্তফা দেন আনন্দ বোস। এ রাজ্যের (West Bengal) অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হল তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আরএন রবিকে (RN Ravi)। তামিলনাড়ুর পাশাপাশি বাংলার দায়িত্বও সামলাবেন তিনি। রাজ্যপাল পদে আসীন হওয়ার আগে রবি ছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং আইবিতে। এ রাজ্যে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে প্রাক্তন আইপিএস অফিসারকে অন্তর্বর্তী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া (RN Ravi)

    ঘটনায় যারপরনাই বিস্ময় এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, এর কারণ তাঁর জানা নেই। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগাম কোনও পরামর্শ ছাড়াই আরএন রবির নয়া রাজ্যপাল হিসেবে আসন্ন নিয়োগের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত, এই পরিবর্তনটি হয়তো নির্বাচনী স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকারকে তিনি এমন একটি সরকার হিসেবে বর্ণনা করেন, যা ক্রমশ পদত্যাগের মাধ্যমে চিহ্নিত হয়ে উঠছে।

    বোস-বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক

    বোসের সঙ্গে বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্ক ছিল অম্ল-মধুর। দায়িত্ব নেওয়ার পরে পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নানা বিষয়ে মনান্তর হয়েছে রাজ্যপালের। পরে আবার মিটমাটও হয়ে গিয়েছে। ওদিকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির সঙ্গে সে রাজ্যের (RN Ravi) স্টালিন সরকারের ‘সংঘাতে’র খবরও প্রায়ই শিরোনাম হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের। গত বছর স্বাধীনতা দিবসে তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রবির চা-চক্রে অংশ নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্টালিন। এ নিয়ে রীতিমতো বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছিলেন তিনি। রাজ্যপালের নাম না করে ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যিনি প্রতিনিয়ত তামিলনাড়ুর জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করছেন, তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন না মুখ্যমন্ত্রী। চেন্নাইয়ের রাজভবনে রাজ্যের অন্য মন্ত্রীরাও যাবেন না বলে জানানো হয়েছিল সেই বিজ্ঞপ্তিতে। তারপর ২০২৩ সাল থেকে রাজ্যপালের চা চক্র এড়িয়েই চলছে তামিলনাড়ুর স্টালিন সরকার।

    দায়িত্ব আরএন রবির হাতে

    কয়েক বছর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে রাজ্যপালকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছিল তামিলনাড়ু সরকার। এর পরে বিধানসভায় পাশ হওয়া ১০টি বিল রাজ্যপাল আটকে রেখেছেন বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছিল স্টালিন সরকার। শেষমেশ সুপ্রিম নির্দেশে ২০২৫ সালের শুরুতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে বিলগুলিতে স্বাক্ষর করেছিলেন রবি। তারপরেও রবির সঙ্গে স্টালিন সরকারের সম্পর্ক আক্ষরিক অর্থেই অহি-নকুলের। চলতি বছরের শুরুতে তামিলনাড়ু বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগও তোলেন রাজ্যপাল। সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ না করেই অধিবেশন ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন (West Bengal) রবি। এহেন রবির ওপরই বর্তেছে বঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্বও, তাও আবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে (RN Ravi)।

    এখন দেখার, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়!

     

  • Daily Horoscope 06 March 2026: চাকরিতে সুখবর আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 06 March 2026: চাকরিতে সুখবর আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে হতবুদ্ধি করে ফেলতে পারে।

    ২) আবেগের বশে কাজ করলে বিপদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ২) মাত্রাছাড়া রাগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিরোধে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ২) আপনার রসিকতা অপরের বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ২) বাড়তি খরচের জন্য সংসারে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) শরীর খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন ব্যাকুল থাকবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 597: “বালিশ কোলে করিয়া যেন বাৎসল্যরসে আপ্লুত হইয়া ছেলেকে দুধ খাওয়াইতেছেন!”

    Ramakrishna 597: “বালিশ কোলে করিয়া যেন বাৎসল্যরসে আপ্লুত হইয়া ছেলেকে দুধ খাওয়াইতেছেন!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    ঠাকুরের পরমহংস অবস্থা—চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসাদর্শন —
    ভগবতীর রূপদর্শন—যেন বলছে, ‘লাগ্‌ ভেলকি’

    বেলা ৩টা। ঠাকুরের (Ramakrishna) কাছে ২/১টি ভক্ত বসিয়া আছেন। তিনি ‘ডাক্তার কখন আসিবে’ আর ‘কটা বেজেছে’ বালকের ন্যায় অধৈর্য হইয়া বারবার জিজ্ঞাসা করিতেছেন। ডাক্তার আজ সন্ধ্যার পরে আসিবেন।

    হঠাৎ ঠাকুরের বালকের ন্যায় অবস্থা হইয়াছে। বালিশ কোলে করিয়া যেন বাৎসল্যরসে আপ্লুত হইয়া ছেলেকে দুধ খাওয়াইতেছেন! ভাবাবিষ্ট বালকের ন্যায় হাসিতেছেন (Kathamrita)— আর-একরকম করিয়া কাপড় পরিতেছেন!

    মণি প্রভৃতি অবাক্‌ হইয়া দেখিতেছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ভাব উপশম হইল। ঠাকুরের খাবার সময় হইয়াছে, তিনি একটু সুজি খাইলেন।

    মণির কাছে নিভৃতে অতি গুহ্যকথা বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— এতক্ষণ ভাবাবস্থায় কি দেখছিলাম জান?—তিন-চার ক্রোশ ব্যাপী সিওড়ে যাবার রাস্তার মাঠ। সেই মাঠে আমি একাকী!—সেই যে পনের-ষোল বছরের ছোকরার মতো পরমহংস বটতলায় দেখেছিলাম, আবার ঠিক সেইরকম দেখলাম!

    “চতুর্দিকে আনন্দের কোয়াসা!—তারই ভিতর থেকে ১৩/১৪ বছরের একটি ছেলে উঠলো মুখটি দেখা যাচ্ছে! পূর্ণর রূপ। দুইজনেই দিগম্বর!—তারপর আনন্দে মাঠে দুইজনে দৌড়াদৌড়ি আর খেলা!

    “দৌড়াদৌড়ি করে পূর্ণর জলতৃষ্ণা পেল (Kathamrita)। সে একটা পাত্রে করে জল খেলে। জল খেয়ে আমায় দিতে আসে। আমি বললাম, ‘ভাই, তোর এঁটো খেতে পারব না।’ তখন সে হাসতে হাসতে গিয়ে গ্লাসটি ধুয়ে আর-একগ্লাস জল এনে দিলে।”

    ‘ভয়ঙ্করা কালকামিনী’ — দেখাচ্ছেন, সব ভেলকি 

    ঠাকুর আবার সমাধিস্থ। কিয়ৎক্ষণ পরে প্রকৃতিস্থ হইয়া আবার মণির সহিত কথা কহিতেছেন —

    “আবার অবস্থা বদলাচ্ছে! — প্রসাদ খাওয়া উঠে গেল! সত্য-মিথ্যা এক হয়ে যাচ্ছে! আবার কি দেখছিলাম জান? ঈশ্বরীয় রূপ! ভগবতী মূর্তি — পেটের ভিতর ছেলে — তাকে বার করে আবার গিলে ফেলছে! — ভিতরে যতটা যাচ্ছে, ততটা শূন্য হয়! আমায় দেখাচ্ছে যে, সব শূন্য!

    “যেন বলছে, লাগ্‌! লাগ্‌! লাগ্‌ ভেলকি! লাগ!”

    মণি ঠাকুরের কথা ভাবিতেছেন! ‘বাজিকরই সত্য আর সব মিথ্যা।’

    সিদ্ধাই ভাল নয় — নিচু ঘরের সিদ্ধাই

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা, তখন পূর্ণকে আকর্ষণ কল্লাম, তা হল না কেন? এইতে একটু বিশ্বাস কমে যাচ্ছে!

LinkedIn
Share