Tag: bangla news

bangla news

  • Gautam Gambhir: ‘‘কলকাতার বাতাস আমার সঙ্গে কথা বলে’’, কেকেআর ছেড়ে আবেগঘন পোস্ট গম্ভীরের

    Gautam Gambhir: ‘‘কলকাতার বাতাস আমার সঙ্গে কথা বলে’’, কেকেআর ছেড়ে আবেগঘন পোস্ট গম্ভীরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর তিনি কেকেআর (Kolkata Knight Riders) মেন্টর নন, এখন তিনি ভারতীয় দলের কোচ। তবু মন যেন আটকে থাকে পার্পল জার্সিতেই। তিনি গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। আইপিএল-এর ইতিহাসে  তিনবার ট্রফি জিতেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তিনবারই কোনও না কোনও ভাবে দলের দায়িত্বে ছিলেন গম্ভীর। তাই কেকেআর-কে বিদায় জানাতে চোখের কোণা চিকচিক করে উঠল গুরু গম্ভীরের। ভারতীয় দলের নতুন কোচ জানালেন, কলকাতার বাতাস তার সঙ্গে কথা বলে, তিনি কলকাতারই লোক।

    আবেগঘন পোস্ট গম্ভীরের (Gautam Gambhir)

    কয়েকদিন আগেই গম্ভীর (Gautam Gambhir) ইডেন গার্ডেন্সে এসে কেকেআর (Kolkata Knight Riders) সমর্থকদের জন্য নিজের ফেয়ারওয়েল ভিডিয়ো শ্যুট করে গিয়েছিলেন। এবার সেই ভিডিয়োর ক্লিপিংস গম্ভীর নিজেই শেয়ার করলেন। কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের দায়িত্ব ছাড়ার পর গম্ভীর যথেষ্ট আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। এই ভিডিয়োয় তিনি নিজের আবেগের কথা সমর্থকদের সঙ্গে শেয়ারও করে নেন। এই ভিডিয়ো গম্ভীরকে যেমন দেখা যাচ্ছে, তেমনই তাঁর কণ্ঠস্বরও শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। ভিডিয়োয় তিনি বলেছেন, ‘তুমি হাসলে, আমার মুখেও হাসি থাকে। তুমি কাঁদলে, আমিও কাঁদি। তুমি জয়লাভ করলে, সেটা আমারও জেতা হয়। তুমি হারলে, আমি হারি। যখন তুমি স্বপ্ন দেখো, তোমার সঙ্গে আমিও স্বপ্ন দেখি। যখন তুমি কিছু অর্জন করো, সেটা আমিও অর্জন করি। আমি তোমাকে অগাধ বিশ্বাস করি। তোমার সঙ্গেই মিশে থাকি। আমি আসলে তুমিই, কলকাতা। আমি তোমারই একজন।’

    দুই মিনিট ৩০ সেকেন্ডের ভিডিয়োতে গম্ভীর (Gautam Gambhir) আরও বলেন, ‘কলকাতার বাতাস আমার সঙ্গে কথা বলে। তবে আমাকে এখনও হারাতে পারেনি। ওঁরা সবাই আমাকে জনপ্রিয় হতে বলে। আমি ওদেরকে বলি জয়ী হও। আমি তোমাদের সঙ্গে রয়েছি। এখানকার শব্দ, অলিগলি, রাস্তার জ্যাম সবকিছু আমাকে মনে করায় আমি কেমন উপলব্ধি করছি। আমি শুনতে পাই তুমি কী বলছ। তবে আমি জানি তুমি কী বলতে চাইছ। আমি জানি তোমরা আবেগী। আর আমিও কিন্তু আবেগী। আমরা একটা দৃঢ় বন্ধনের মতন। আমরা যেন একটা গল্প। আমরা দিনের শেষে একটা দল।’   

    আরও পড়ুন: গুজরাট থেকে বাংলা, রাজস্থান থেকে কর্নাটক! জানেন ভারতের পেশা-বৈচিত্র্য

    নতুন সফর (Gautam Gambhir)

    কলকাতা নাইট রাইডার্সের (Kolkata Knight Riders) সঙ্গে গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir) সম্পর্ক বহু বছরের। তাঁর নেতৃত্বে কেকেআর দু’বার আইপিএল খেতাব জয় করেছে। তবে ২০১৪ সালের পর থেকে এই দলটা আর একবারও খেতাব জিততে পারেনি। অবশেষে ২০২৪ সালে ফের গম্ভীর ফ্যাক্টর কেকেআর ব্রিগেডের লাকি চার্ম হিসেবে প্রমাণিত হয়। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ ইতিহাসে কলকাতা নাইট রাইডার্স সবথেকে সফল দল হিসেবে সুখ্যাতি অর্জন করে। ৯ জুলাই ভারতীয় দলের নয়া কোচ হিসেবে অফিসিয়ালি দায়িত্ব পেয়েছেন গৌতম গম্ভীর। ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে তিনি আগামী ২৭ জুলাই থেকে কাজ শুরু করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) সম্পর্কে আর কোনও মর্যাদাহানিকর মন্তব্য নয়। রাজ্যপালের করা মামলায় মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এদিন বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে শুনানি হয় এই মামলার। সেই শুনানিতেই মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে রাজ্যপাল সম্পর্কে অপমানজনক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য বলেছে হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ, আগামী ১৪ অগাস্ট পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও রিয়াদ হোসেন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অসম্মানজনক কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না। মূলত অন্তর্বর্তী আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ। 

    আগে কী ঘটেছিল?  

    রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অবমাননাকর কথা বলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এর জেরে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেছিলেন খোদ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন তিনি। এবার সেই মামলায় হাইকোর্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথায় রাশ টানল। অর্থাৎ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে যাতে কোনও অবমাননাকর মন্তব্য করা না হয় তা নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্ট জানিয়েছে, রাজ্যপাল একজন সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ। তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা যায় না। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের সুযোগ নিয়ে এটা করা যায় না।  

    কেন এই মানহানির মামলা?

    তৃণমূলের দুই জয়ী প্র্রার্থীর শপথকে কেন্দ্র করে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিকে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছিলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাতেই অপমানিত হয়েছিলেন রাজ্যপাল। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুন: ওমানে মাঝ সমুদ্রে উল্টে গেল তেলের ট্যাঙ্কার, নিখোঁজ ১৩ জন ভারতীয়

    আদালত কী জানিয়েছে? (Calcutta High Court) 

    এ বিষয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মামলাকারীর দাবি অনুযায়ী, তাঁর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বেশ কিছু মন্তব্যে। ওই রকম মন্তব্য থেকে বিরত থাকা উচিত। যদি এই পর্যায়ে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ মঞ্জুর-না করা হয় তবে মামলাকারীর বিরুদ্ধে মানহানিকর বিবৃতি দেওয়ার বিষয়টিতে উৎসাহ দেওয়া হবে। বিচারপতি রাও এর আগে নির্দেশ দিয়েছিলেন, রাজ্যপাল বোস সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী মমতার মন্তব্য যে সব সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলিকেও এই মামলায় যুক্ত করতে হবে।

    রাজ্যপালের মন্তব্য (CV Ananda Bose)

    এ প্রসঙ্গে রাজ্যপাল বলেছিলেন, কেউ যদি আমার সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করেন তবে তিনি যেই হোন তাকে ভুগতেই হবে। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আমার সাংবিধানিক কলিগ। আমি সেই হিসাবেই তাঁকে মর্যাদা দিয়েছি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা নিয়ে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকিটা আদালত (Calcutta High Court) বিচার করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Oil Tanker Sinks Oman: ওমানে মাঝ সমুদ্রে উল্টে গেল তেলের ট্যাঙ্কার, নিখোঁজ ১৩ জন ভারতীয়

    Oil Tanker Sinks Oman: ওমানে মাঝ সমুদ্রে উল্টে গেল তেলের ট্যাঙ্কার, নিখোঁজ ১৩ জন ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওমানে মাঝ সমুদ্রে উল্টে গেল তেলের ট্যাঙ্কার (Oil Tanker Sinks Oman)। সেই ট্যাঙ্কারে ছিলেন ১৬ জন নাবিক। তাঁদের মধ্যে ১৩ জনই ভারতীয়। বাকি ৩ জন শ্রীলঙ্কার। ট্যাঙ্কার উল্টে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ তাঁরা। উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত কারও খোঁজ মেলেনি। মঙ্গলবার ওমানের সমুদ্র (Oman Coast) নিরাপত্তা কেন্দ্র বা মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার (এমএসসি) এ কথা জানায়।

    কী ঘটেছিল (Oil Tanker Sinks Oman)

    ওমানের মেরিটাইম সিকিউরিটি সেন্টার (এমএসসি) এক্স-এর একটি পোস্টে জানিয়েছে, একটি কমোরো-পতাকাবাহী তেল ট্যাঙ্কার (Oil Tanker Sinks Oman) বন্দর শহর ডুকমের কাছে রাস মাদরাকাহ থেকে ২৫ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে ডুবে গিয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্যাঙ্কারটি এডেনের ইয়েমেনি বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। সেই সময়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে জাহাজটি। তবে কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা স্পষ্ট নয়। এমনকি, সমুদ্রে তেল পড়েছে কি না তা-ও জানা যায়নি। 

    কোথায় দুর্ঘটনা (Oil Tanker Sinks Oman)

    সূত্রের খবর, দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্যাঙ্কারটি ১১৭-মিটার দীর্ঘ, ২০০৭ সালে তৈরি করা হয়েছিল। মূলত তেলের ট্যাঙ্ক (Oil Tanker Sinks Oman) বহন করে থাকে এটি। তবে এই জাহাজটি ছোট যাত্রাপথে মাল বহনের ক্ষেত্রেই ব্যবহার হত। ওমানের (Oman Coast) দক্ষিণ-পশ্চিমে ডুকম বন্দর অবস্থিত। সেখানেই রয়েছে একটি বড় তেল শোধনাগার। প্রায়ই ছোট, বড় জাহাজ তেলের ট্যাঙ্ক নিয়ে বিভিন্ন দিকে পাড়ি দেয়। আর সেই সব জাহাজে কাজ করেন বহু ভারতীয়।

    আরও পড়ুন: গুজরাট থেকে বাংলা, রাজস্থান থেকে কর্নাটক! জানেন ভারতের পেশা-বৈচিত্র্য

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: পুলিশকে মেরে ফিল্মি কায়দায় যুবতীকে ছিনিয়ে নিল পরিবার, শোরগোল

    Balurghat: পুলিশকে মেরে ফিল্মি কায়দায় যুবতীকে ছিনিয়ে নিল পরিবার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে তোলার আগে হাসপাতালে মেডিক্যাল পরীক্ষা করতে নিয়ে আসা এক যুবতীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা। সিনেমার দৃশ্যের মতো এমন ঘটনা ঘটল বালুরঘাটে (Balurghat)। যা নিয়ে তোলপাড়় শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে ওই যুবতীকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল তপন থানার (Balurghat) পুলিশ। মেডিক্যাল পরীক্ষার পর হাসপাতাল থেকে যুবতীকে নিয়ে বের হয় পুলিশ। সেই সময় চারটি ছোট গাড়ি করে একদল দুষ্কৃতী এসে ওই যুবতীকে তুলে নিয়ে যায়। বাধা দিতে গেলে এক পুলিশ অফিসার ও এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পৌঁছান বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা, ডিএসপি সদর বিক্রম প্রসাদ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের ধরতে দক্ষিণ দিনাজপুরের সমস্ত থানার মাধ্যমে জেলাজুড়ে নাকাবন্দি করা হয়েছে। যদিও রাত পর্যন্ত দুষ্কৃতী ও যুবতীর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    যুবতীর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল?

    জানা গিয়েছে, মাস দেড়-দুয়েক আগে ওই যুবতী এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যান। এনিয়ে নিয়ে যুবতীর পরিবার তপন থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করে। সেই মামলায় ওই যুবক-যুবতী থানায় আত্মসমর্পণ করেন। তপন থানার পুলিশ ওই যুবতীকে এদিন জেলা আদালতে তোলার আগে বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মেডিক্যাল চেকআপ করাতে নিয়ে যায়। পরীক্ষার পর হাসপাতাল থেকে বের হতেই একদল দুষ্কৃতী পুলিশকে মারধর করে ওই যুবতীকে তুলে নিয়ে যায়। ওই যুবতীকে তাঁর পরিবারের সদস্যরাই পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতাল সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন, পুলিশ (Police) এক আসামীকে মেডিক্যাল করাতে নিয়ে আসে। মেডিক্যাল করার পর যখন বাইরে আসে তখন পুলিশের ভ্যান থেকে কয়েকজন এসে সেই আসামীকে নিয়ে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 17 july 2024: চাকরির জন্য শুভ যোগ রয়েছে কোন রাশির জাতকদের?

    Daily Horoscope 17 july 2024: চাকরির জন্য শুভ যোগ রয়েছে কোন রাশির জাতকদের?

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কোনও কাজে সময় নষ্ট হতে পারে।

    ২) চাকরির জন্য শুভ যোগ।

    ৩) সারাদিন আনন্দে কাটবে।

    বৃষ

    ১) মা-বাবার সঙ্গে জরুরি বিষয়ে আলোচনা।

    ২) ব্যবসায় লাভের যোগ। 

    ৩) গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

    মিথুন

    ১) বুদ্ধির ভুলের জন্য ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের সঙ্গে বিবাদ। 

    ৩) বাণীতে নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    কর্কট

    ১) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ২) প্রেমে আনন্দ লাভ। 

    ৩) শত্রু থেকে সাবধান।

    সিংহ

    ১) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় লাভের পরিমাণ বৃদ্ধির ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) পারিবারিক বিবাদ মনে প্রভাব ফেলবে।

    কন্যা

    ১) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে সুখের দিন। 

    ৩) কাউকে কথা দেবেন না।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে।

    ২) কৃষিকাজে সাফল্য পাবেন। 

    ৩) রোজগারে মন দিন।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ২) প্রচুর খরচ হওয়ার সম্ভাবনা। 

    ৩) ব্যয় সংকোচ করতে শিখুন।

    ধনু

    ১) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ২) কোনও প্রতিবেশীর জন্য সম্মানহানি। 

    ৩) বিবাদ এড়িয়ে চলুন।

    মকর

    ১) সকালের দিকে কোনও দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে।

    ২) শিক্ষকদের জন্য ভাল খবর। 

    ৩) বেশি ভাববেন না, কোনও কিছু নিয়ে।

    কুম্ভ

    ১) বিষয়-সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্য।

    ২) কোনও মহিলার জন্য আনন্দ লাভ। 

    ৩) বাণীতে নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    মীন

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে। 

    ৩) টাকা সঞ্চয়ের অভ্যাস করুন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: কাটমানি নিয়ে কি দ্বন্দ্ব! রানাঘাটে দলীয় কর্মীদের মারে রক্ত ঝরল তৃণমূল নেতার

    Ranaghat: কাটমানি নিয়ে কি দ্বন্দ্ব! রানাঘাটে দলীয় কর্মীদের মারে রক্ত ঝরল তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নদিয়ার তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে। এবার রানাঘাটের (Ranaghat) আনুলিয়া পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের বুথ সভাপতিসহ তিন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল দলেরই নেকা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কাটমানি নিয়ে গন্ডগোলের জেরেই কি হামলা? দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে আনুলিয়া (Ranaghat) এলাকায় গেঞ্জি মিলের কাছে স্থানীয় পঞ্চায়েতের নন্দীঘাট বুথের সভাপতি আবীর আলি মণ্ডলকে রাস্তা আটকে মারধর করে কিছু তৃণমূল নেতা-কর্মী। অভিযোগ, বন্দুকের বাঁট দিয়ে মারধর করার পাশাপাশি তাঁকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগ, আক্রান্ত তৃণমূল নেতাকে বাঁচাতে এসে আক্রান্ত হন আরও দুই তৃণমূল কর্মী। ঘটনায় আক্রান্ত তিনজনকেই রানাঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় রানাঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হামলা চালানোর অভিযোগে ২জনকে আটক করেছে রানাঘাট থানার পুলিশ। কী কারণে তারা এই হামলা চালালো তা জানতে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    আক্রান্ত তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে তৃণমূল (Trinamool Conflict) বুথ সভাপতি আবির আলি মণ্ডল বলেন, আমি রাতে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ রানাঘাট (Ranaghat) গেঞ্জি ফ্যাক্টরির কাছে আমাকে দেখে ওই এলাকারই দুজন আটকায়। তাঁরাও তৃণমূল করে। সঙ্গে আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে আসে। কোনও কারণ ছাড়়াই হামলা চালাই। তারা ঘটনাস্থলে এলেই আমাকে ছয়-সাত জন মিলে বেধড়ক মারতে থাকে। বন্দুকের বাদ দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় আমার। যেহেতু আমি এলাকায় সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করি সেই কারণে ওই দুষ্কৃতীরা আমাকে হামলা চালিয়েছে বলে আমার অনুমান। তবে, ওদের মধ্যে কেউই তৃণমূলের কোনও পদে নেই। অন্যদিকে, এই ঘটনায় আবারও অস্বস্তিতে রানাঘাটের তৃণমূল। প্রকাশ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হওয়ায় কুলুপ পেতেছে রানাঘাটের প্রথম সারির তৃণমূল (Trinamool Conflict) নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘স্যুইফট’ থেকে বহিষ্কার করলেও পরোয়া করে না ভারত, আমেরিকাকে বোঝালেন মোদি

    PM Modi: ‘স্যুইফট’ থেকে বহিষ্কার করলেও পরোয়া করে না ভারত, আমেরিকাকে বোঝালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সফরটা মাত্র দু’দিনের। তবে তার প্রভাব বিরাট। তামাম বিশ্বকে বার্তা দিয়ে ফিরলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রাশিয়া সফর সেরে ফিরে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, ভারতকে উপেক্ষা করার যুগ এখন অতীত। বরং মোদি জমানায় বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে রামচন্দ্র-বুদ্ধের দেশকে।

    রাশিয়া সফরে মোদি (PM Modi)

    দিন কয়েক আগে মার্কিন চোখরাঙানি উপেক্ষা করে দু’দিনের সরকারি সফরে রাশিয়া গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে দেশের রাজধানী মস্কোয় পা রাখার পরে পরেই যে রাজকীয় অভ্যর্থনার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্য, তা বিশ্বের যে কোনও রাষ্ট্রনেতার চোখে লাগার পক্ষে যথেষ্ট। কেবল তাই নয়, মোদির সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজ সেরে ব্যাটারি চালিত গাড়িতে করে রুশ প্রেসিডেন্টের বাসভবন ঘুরে দেখিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন স্বয়ং। মোদি-পুতিনের এই বন্ধুত্বের ছবির জেরে গা রি রি করার কথা বিশ্বের বহু রাষ্ট্রনেতার। কারণ এই মুহূর্তে ভারতকে যে তাঁদের প্রত্যেকের পাশে চাই!

    যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই বার্তা

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মস্কোকে কার্যত একঘরে করে রেখেছিল আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। যে জীবাশ্ম জ্বালানি রুশ অর্থনীতির অন্যতম শক্ত বুনিয়াদ, সেই তেল কেনায় নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছিল আমেরিকার জো বাইডেন সরকার। তার জেরে খানিক টাল খায় রাশিয়ার অর্থনীতি। মস্কোর এই দুর্দিনেও পাশে থেকেছে নরেন্দ্র মোদির ভারত। বিশ্বনেতাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই রাশিয়া থেকে লাগাতার জ্বালানি কিনে গিয়েছে ভারত। তার জেরে বিশ্বনেতাদের অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত বুঝিবা মস্কোর পক্ষ নিয়েছে। বিষয়টি যে আদৌ তা নয়, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে মোদির বলা বাক্যবন্ধই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে তিনি বলেছিলেন, ‘এটা যুদ্ধের সময় নয়’। অর্থাৎ, ভারতের স্পষ্ট বার্তা, যুদ্ধ কোনও সমস্যার সমাধান নয়। সমাধান হতে পারে কূটনৈতিক আলোচনায়ই।

    আরও পড়ুন: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ চলছেই

    রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বের সুতো কেবল পুরানোই নয়, মজবুতও। এবং সেই সম্পর্কের কথা জানে তামাম দুনিয়া। তাই তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই মোদি যখন প্রথমবার রাশিয়া সফরে গেলেন, তখনই প্রমাদ গুণতে শুরু করেছিলেন বিশ্বের অনেক দেশের প্রেসিডেন্ট কিংবা প্রধানমন্ত্রীরা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। সেই যুদ্ধ এখনও চলছে। রাশিয়ার মতো শক্তিশালী একটি দেশের সঙ্গে দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে লড়াই করে যাওয়ার ক্ষমতা ইউক্রেনের নেই। তাহলে কী করে চলছে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা? আসলে সরাসরি না হলেও, রাশিয়া-ইউক্রেনের এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। তার (PM Modi) জেরেই এখনও ক্লান্ত হয়নি ইউক্রেন। স্বীকার করেনি হার। উল্টে এই যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে রাশিয়ার।

    ভারতের কৌশলে কুপোকাত বিশ্ব

    এই যুদ্ধের কারণেই রাশিয়ার ওপর আরোপ করা হয়েছে নানা নিষেধাজ্ঞা। রাশিয়াকে স্যুইফট (SWIFT) থেকে বেরও করে দেওয়া হয়েছে। (স্যুইফট হল আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম। এর থেকে বের করে দেওয়া হলে আর্থিক-সহ নানা ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় কোনও একটি দেশকে।) এতদসত্ত্বেও রাশিয়ার হাত ছাড়েনি ভারত। বরং রাশিয়া-সহ বিশ্বের ২০টি দেশের সঙ্গে রুপিতেই বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদির দেশ। এতে কমতে শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের আধিপত্য। এতেই অশনি সঙ্কেত দেখছেন মার্কিন রাজনীতিবিদদের একটা বড় অংশ। কারণ বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পাঁচ নম্বরে রয়েছে ভারত। ব্রিটেনকে সরিয়ে এই জায়গাটা দখল করেছে নয়াদিল্লি (PM Modi)। বিভিন্ন সমীক্ষায় প্রকাশ, অচিরেই এই তালিকার চার নম্বরে উঠে আসবে ভারত। পিছিয়ে পড়বে জাপান। তাই আর যাই হোক ভারতকে উপেক্ষা করার দুঃসাহস এই মুহূর্তে নেই বিশ্বনেতাদের। তাই ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়া সফর করে এলেও, উচ্চবাচ্য করছেন না তাঁরা। কারণ তাতে হিতে হতে পারে বিপরীত।

    নির্ভীক নয়াদিল্লি

    যেহেতু রাশিয়া-সহ বিশ্বের ২০টি দেশের সঙ্গে ভারত লেনদেন করছে রুপিতে, তাই স্যুইফট (SWIFT) থেকে বের করে দেওয়ার ভয়ে এখন আর ভীত নয় নয়াদিল্লি। বরং এই রুপিতে বাণিজ্য করায় আদতে দু’দিক থেকে লাভ হচ্ছে ভারতের। একদিকে যেমন সস্তায় রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনছে ভারত (খদ্দের কমে যাওয়ায় দাম কমেছে), তেমনি অন্যদিকে রুপিতে ব্যবসা হওয়ায় খরচ করতে হচ্ছে না সঞ্চিত ডলার। ভারতের এই মজবুত অর্থনীতি এবং স্ট্যাটেজিতেই কুপোকাত বিশ্বের তাবড় নেতারা। রাশিয়া সফরে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরও একবার পুতিনকে শুনিয়েছেন শান্তির ললিত বাণী। প্রধানমন্ত্রী এই সফরেও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে বলেছেন, ‘এটা যুদ্ধের সময় নয়’। পুতিনকে দেওয়া মন্ত্র যে কেবল রুশ প্রেসিডেন্টকেই নয়, তামাম বিশ্বকেই বার্তা দেওয়া, তা বুঝতে বাকি থাকে না কারও। ভারতের মজবুত অর্থনীতি, কৌশলী চাল এবং ‘যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই’ গোছের বার্তায় মজেছে বিশ্ব। তাই মোদির রাশিয়া সফর এবং পুতিনের সঙ্গে ‘মাখামাখি’র পরেও মুখে কুলুপ বিশ্বনেতাদের (PM Modi)।

    ভারতে যে এখন চলছে মোদি-রাজ!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sonarpur: চোপড়ার ছায়া সোনারপুরে, জেসিবির পর তৃণমূল নেতা জামাল, পায়ে শিকল বেঁধে মহিলাকে অত্যাচার!

    Sonarpur: চোপড়ার ছায়া সোনারপুরে, জেসিবির পর তৃণমূল নেতা জামাল, পায়ে শিকল বেঁধে মহিলাকে অত্যাচার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার ছায়া যেন সোনারপুরে (Sonarpur)! সালিশি সভায় ডেকে মহিলাদের বাড়িতে নিয়ে তালিবানি কায়দায় শিকল দিয়ে বেঁধে, পাশবিক অত্যাচার করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কর্মী জামালউদ্দিন সর্দারের বিরুদ্ধে। অন্যের জমি হাতিয়ে প্রাসাদের মতো বাড়ি নির্মাণ করেছেন বলে অভিযোগ। এই এলাকার প্রতাপনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাঙ্গুরে বাড়ি এই তৃণমূল কর্মীর। কোনও কাজ না করে কীভাবে এই সুবিশাল বাড়ি বানিয়েছেন তিনি, সেই প্রশ্নও রয়েছে এলাকাবাসীর মনে। ‘সালিশ কি সফা’ করে এক মহিলাকে বাড়িতে ডেকে নির্মম অত্যাচার করেছেন এই তৃণমূল কর্মী। এরপর এই নির্যাতিতা মহিলার পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। বিজেপি নেত্রীকে কাছে পেয়ে সাহস পেলেন এলাকাবাসীও। এরপর মহিলা শোনালেন সেই নির্মম অত্যাচারের বিবরণ।

    ভয় দেখিয়েই এলাকায় শাসন কায়েম (Sonarpur)!

    নির্যাতিতা মহিলা রশিদা বিবি এই তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে বলেছেন, “এলাকায় (Sonarpur) জমিজমা কেনাবেচা, দাম্পত্য কলহ থেকে পারিবারিক সমস্যা সবকিছুরই সমাধান করে থাকেন জামাল। তাঁর হাত ছাড়া কোনও কাজ হয় না। আমাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন। তাঁর বাড়ির মধ্যে মেঝেতে জায়গায় জায়গায় শিকল বাঁধার স্থান করা আছে। কখনও কখনও আবার বেঁধে উপর থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হতো। সেই সঙ্গে চলত মারধর। সোনারপুর থানার পুলিশের সঙ্গেও তাঁর বিরাট ভালো সম্পর্ক। সেই ভয় দেখিয়েই এলাকায় শাসন কায়েম করতেন জামাল। বাড়িতেই সালিশি সভা বসিয়ে তিনি বিচার করতেন। যারা তাঁর প্রস্তাবে রাজী হত না, তাদের উপর অত্যাচার চালানো হতো। এলাকার কোনও মহিলারাই তাঁর অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পায়নি।”

    শেখ শাহজাহানের উত্তরসূরী শেখ জামাল

    বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাকের সামনে এই ভাবের মহিলাদের উপর তালিবানি কায়দায় অত্যাচার করা হচ্ছে আর তিনি চুপ! শেখ শাহজাহানের উত্তরসূরী শেখ জামাল। এলাকায় দুর্নীতি করে লোকের জমি দখল করে মানুষের উপর অত্যচার করছেন তিনি। পুলিশ সব জেনে শুনেও চুপ। বাড়ির (Sonarpur) মহিলাদের তুলে নিয়ে শেকল দিয়ে বেঁধে অত্যাচার করা হয়েছে। এই রাজ্যে নারী সুরক্ষা বলে কিছু নেই। এই এলাকার বিজেপি কর্মীদের উপর ভোট পরবর্তী হিংসার নায়ক এই জামাল। অবিলম্বে কঠোর শাস্তি চাই এই তৃণমূল (TMC) কর্মীর বিরুদ্ধে।”

    আরও পড়ুনঃ ভাঙড়ে চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুনের নেপথ্যে শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠরা, বলছেন স্থানীয়রা

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Sonarpur) তৃণমূল (TMC) বিধায়ক লাভলী মৈত্র মৌখিক ভাবে জানিয়েছেন, “জামাল সর্দার তৃণমূলের কেউ নন। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। প্রশাসনকে বলব ব্যবস্থা নিতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকেও থোড়াই কেয়ার, তৃণমূলকে ‘তোলা’ দিয়েই স্ট্যান্ডে টোটো দাঁড়ানোর ছাড়পত্র

    Jalpaiguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকেও থোড়াই কেয়ার, তৃণমূলকে ‘তোলা’ দিয়েই স্ট্যান্ডে টোটো দাঁড়ানোর ছাড়পত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলের নেতা-কর্মীদের তোলাবাজি না করার নির্দেশ দিচ্ছেন। আর তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা দলনেত্রীর নির্দেশকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে রমরমিয়ে তোলাবাজি করছেন। এমনই অভিযোগ উঠেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়িসহ একাধিক এলাকার তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। মোটা টাকা দিলে তবে মিলবে টোটো চালানোর ছাড়পত্র। টোটো চালকদের কাছ থেকে তোলাবাজির অভিযোগ তৃণমূল শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতিই খোদ এই অভিযোগ করেছেন। যার জেরে চরম অস্বস্তিতে শাসক দল।

    টোটো চালানোর ছাড়পত্র পেতে ৫০০০ হাজার টাকা তোলা (Jalpaiguri)

    কেউ যদি নতুন টোটো কিনে স্ট্যান্ডে দাঁড়াতে চান, প্রথমেই তাঁকে ১৫০০ থেকে ৫০০০টাকা পর্যন্ত তোলা দিয়ে ওই নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডে নাম লেখাতে হবে। এরপর রুট পারমিট দেওয়া হবে। নইলে যাত্রী নিয়ে ওই রুটে যাতায়াত করতে পারবেন না। প্রতি মাসে চাঁদা দিতে হবে। ২১ শে জুলাই সহ তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে চাঁদা লাগবে। নইলে টোটো চালাতে পারবেন না। স্ট্যান্ডে দিনে ২০ টাকা করে দিতে হবে। ময়নাগুড়ির এক টোটো চালক বলেন, “আজ থেকে আট বছর আগে ঋণ নিয়ে টোটো রিক্সা কিনেছিলাম। এরপর স্ট্যান্ডে ১৬৫০টাকা চাঁদা দিতে হয়েছিল। নইলে টোটো চালাতে দেওয়া হতো না।” জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ি, নাগরাকাটা সহ সব জায়গায় চলছে তোলাবাজির কারবার।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    ২১ জুলাইয়ের নামে টাকা তোলা হচ্ছে

    তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি তপন দে বলেন, “ময়নাগুড়ি, নাগরাকাটা (Jalpaiguri) প্রভৃতি ব্লকে টোটো চালক কাছ থেকে ২১ জুলাইয়ের নামে টাকা আদায় করা হচ্ছে। যা দলের নিয়ম বহির্ভূত। রাজ্য বা জেলা কমিটি কাউকে টাকা তুলতে বলেনি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    ময়নাগুড়ির তৃণমূল (Trinamool Congress) টোটো ইউনিয়নের যে শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই অভিজিৎ সরকার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ আমরা টাকা নিয়েছি। কিন্তু সেই টাকা দিয়ে টোটো চালকদের ওয়েলফেয়ার করা হয়।”

    কটাক্ষ বিজেপির

    বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী বলেন, “তৃণমূলের (Trinamool Congress) সারা বছর ২১ শে জুলাই। তাঁদের যে কোনও কায়দায় তোলা তুলতেই হবে। আমরা এইসব নিয়ে বহুবার প্রশাসনের দারস্থ হয়েছি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Unique Professions:  গুজরাট থেকে বাংলা, রাজস্থান থেকে কর্নাটক! জানেন ভারতের পেশা-বৈচিত্র্য

    Unique Professions: গুজরাট থেকে বাংলা, রাজস্থান থেকে কর্নাটক! জানেন ভারতের পেশা-বৈচিত্র্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নিজের হাতে কাজ করো, কাজ তো ঘৃণার নয়, কাজের মাঝে হয় মানুষের, সত্য পরিচয়”! আবদুল লতিফের লেখা এই গান বলে দেয় বেঁচে থাকার জন্য কোনো পেশাই ছোট নয়। ভারতের মতো বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশে কাজের ক্ষেত্রেও যে হরেক রকম প্রভাব দেখা যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই ভারতের সাগরতীরে নানান পেশার লোক চেখে পড়ে। এরকমই কিছু অন্য ধরনের কাজ ও তাঁর সঙ্গে যুক্ত লোকেদের খোঁজ রইল এই লেখায়।

    মুম্বইয়ে ইঁদুর ধরা

    ইরফান শেখ। মুম্বইয়ের অলিতে-গলিতে রাতের অন্ধকারে ইঁদুর ধরে বেড়ান তিনি। মুম্বইয়ের মতো ঘিঞ্জি শহরে ইঁদুরের উপদ্রব লেগেই থাকে। জনস্বাস্থ্য ঠিক রাখতে বৃহন্মুম্বই কর্পোরেশনের তরফে এই ইঁদুর ধরার অভিযান চালানো হয়। ইরফান এখানে কাজ করেন। শহরে নানারকম রোগের প্রকোপ কমাতে ও বি-টাউনকে সুন্দর রাখতে এই পেশা খুবই প্রয়োজনীয়।

    মণিপুরে মৃৎশিল্প

    মণিপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম আন্দ্রো। থংগম তাবাবি দেবী সেই গ্রামেরই বাসিন্দা। মণিপুরের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পকে এখনও ধরে রেখেছেন তিনি। এই মাটির কাজ সাধারণত চাকা ছাড়াই মেয়েরা হাতে করে। এখন এই কাজ খুব কমই দেখা যায়। তবু শিল্পের এই বিলুপ্তপ্রায় ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন তাবাবি। নিজে হাতে নানান মূর্তি, মাটির বাসন তৈরি করেন তাবাবি।

    ‘মানব-কম্পিউটার’ 

    গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তাঁকে নাম দিয়েছে, ‘মানব-কম্পিউটার (Human Computer)।’ শকুন্তলা দেবী আজ আর নেই। দেশের গর্ব নারী-শক্তির অনন্য প্রতীক শকুন্তলা দেবীর (Shakuntala devi) মৃত্যু হয়েছে ২০১৩ সালে। আজও তাঁর জন্মদিন ৪ নভেম্বরকে বিশেষ সম্মান দেয় গুগল ডুডল। সম্প্রতি তাঁর জীবনী নিয়েই সিনেমা বানিয়েছেন চিত্রপরিচালক অনু মেনন। নাম চরিত্রে বিদ্যা বালন। বিদ্যা বলেছিলেন, এমন এক জন নারীর চরিত্রে অভিনয় করার জন্য রীতিমতো প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে তাঁকে, শিখতে হয়েছে অঙ্ক। অঙ্কের নম্বর চেনা শুরু বাবার কাছেই, সার্কাসের তাঁবুতে। তারপর থেকে মুখে মুখে জটিল অঙ্কের সমাধান করতেন শকুন্তলা।

    রাজস্থানের সাপুড়ে উপজাতি

    সাপ ধরা এদের পেশা এবং নেশা। বিভিন্ন জায়গা থেকে সাপ ধরে সেগুলি জঙ্গলে ছেড়ে দেয় এরা। বহু বিষধর সাপ নিয়ে খেলাও দেখায়। সাপকে বন্ধুদের মতো আগলে রাখে। সাপ সম্পর্কে রাজস্থানের সাপুড়ে উপজাতিদের মতো দক্ষ খুব কম আছে।

    দিল্লির কান-সাফাই বা ইয়ার-ক্লিনার

    রাজধানী দিল্লি তথা দেশের নানা প্রান্তে অতীতে এই পেশার কদর ছিল। অনেকেই নিয়মিত কান সাফাই করতেন। কিন্তু এখন উন্নত চিকিৎসা-বিজ্ঞানের যুগে এই পেশা প্রায় বিলুপ্ত। তবু দিল্লির বাসিন্দা রাজু রাম এখনও সামান্য কিছু ছোট ছোট জিনিস দিয়ে লোকেদের কান পরিষ্কার করে যাচ্ছেন। তাঁর কাছে কানের পরিচর্যা করে উপকারও পেয়েছেন অনেকে।

    রোড-সাইড ডেন্টিস্ট 

    বিহারের বিভিন্ন গ্রামে রাস্তার ধারে দাঁতের ডাক্তার দেখতে পাওয়া যায়। এদের পুঁথিগত বিদ্যা না থাকলেও অল্প কিছু জিনিস দিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতার জোরে মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন এরকম ডাক্তাররা। এর এক অনন্য উদাহরণ বলেন ডাক্তার রতন সিং। দাঁত তোলা থেকে ফিলিং সবকিছুই করেন তিনি। নিজের অভিজ্ঞতায় গরিব মানুষের দাঁতের পরিচর্যা করাই কাজ রতন সিং-এর।

    সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ

    মৌলেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সুন্দরবনের গহন অরণ্য থেকে মধু সংগ্রহ করেন। প্রত্যেক বছর ৪০ থেকে ৫০ টি মৌলে দলকে মধু সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া হয়। সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে জীবনের বাজি রেখে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে তাঁরা বেরিয়ে পড়েন মধু সংগ্রহের কাজে । মৌলেরা জঙ্গল থেকে যাতে নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরে আসে, সেই প্রার্থনা করে বনবিবির কাছে পূজার্চনা করেন বাড়ির অন্যরা। অভিজ্ঞ মৌলেরা জঙ্গলে নেমে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়েন। মৌচাক দেখতে পেলেই বিশেষ আওয়াজ করে সবাইকে এক জায়গায় জড়ো করেন। তারপর আগুনের ধোঁয়া দিয়ে মধু সংগ্রহের কাজ চালান। 

    রাজস্থানের কাঠপুতলি

    পুতুল, স্থানীয়ভাবে কাঠপুতলি নামে পরিচিত, রাজস্থানীদের সংস্কৃতি এবং জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ। রাজ্যে পুতুলশিল্পের ঐতিহ্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে এসেছে। এটি সমগ্র বিশ্বের প্রাচীনতম পুতুল তৈরির অঞ্চল। এই অঞ্চলে পুতুল নাচ বিখ্যাত। পুতুল নাচের মাধ্যমে ইতিহাস, ভারতের সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়। পুরান ভাট রাজস্থানে পুতুল নাচের এক বিশিষ্ট শিল্পী। উদয়পুর ও জয়পুরে তৈরি আম কাঠের পুতুল দিয়ে তিনি দেশ তথা বিশ্বের নানা প্রান্তে মানুষের মনোরঞ্জন করেন। পুতুল নাচের মাধ্যমে তুলে ধরেন রাজপুত-গাথা।

    আরও পড়ুন: চন্দ্রযান ৩ বর্ষ পূর্তি! নতুন এক ইতিহাস রচনা ভারতের

    গুজরাটে লবণ উৎপাদন

    সেই ডাণ্ডি অভিযান দিয়ে শুরু। তারপর থেকে ভারতে উৎপাদিত লবণের প্রায় চার ভাগের তিনভাগই হয় গুজরাতে। আর দেশীয় লবণ উৎপাদনে পৃথিবীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থান রয়েছে ভারতের। তার সিংহ ভাগ কৃতিত্বই প্রাপ্য পশ্চিমের এই রাজ্যের। বিশ্বে লবণ উৎপাদনে ভারত তৃতীয় স্থানে রয়েছে। আর ভারতের যে পাঁচটি রাজ্যে লবণ উৎপাদন হয় সেগুলি হল গুজরাত, তামিলনাড়ু, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্রপ্রদেশ। তার মধ্যে শুধুমাত্র গুজরাতেই দেশের ৭৬ শতাংশ লবণ উৎপাদন হয়। গুজরাতে সমুদ্রের ধারে চৌবাচ্চার মতো আকৃতিতে যে এলাকাগুলি খনন করে রাখা হয় সেগুলি বর্ষার শেষের দিকে সমুদ্রের জল দিয়ে ভরা থাকে। অক্টোবর মাস থেকে জল বাষ্পীভূত হওয়া শুরু হয়। কয়েক মাসের মধ্যে জল বাষ্পীভূত হওয়ার পরে লবণের পুরু আস্তরণ পড়ে থাকে। সেগুলি স্তরে স্তরে জমা হয়। সবথেকে উপরের স্তরে যে লবণ থাকে, সেটা সবথেকে ভাল মানের লবণ। সেটিই বিক্রি করা হয়। বাকি স্তরগুলি রাসায়নিক কারখানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কচ্ছের লবণ চাষীরা আগারিয়া নামে পরিচিত। 

    চন্নাপাটনা কাঠের খেলনা 

    চন্নাপাটনা কাঠের খেলনা ভারতের কর্নাটকের চান্নাপাটনা অঞ্চলে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খেলনার একটি অনন্য রূপ। এই খেলনাগুলি তাদের প্রাণবন্ত রং, মসৃণ টেক্সচার এবং জটিল ডিজাইনের জন্য পরিচিত। চন্নাপাটনা অঞ্চল দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে খেলনা তৈরির কেন্দ্রস্থল। চান্নাপাটনায় কাঠের খেলনা তৈরির শিল্পের শুরু টিপু সুলতানের শাসনকালে, যিনি স্থানীয় কারিগরদের তার প্রাসাদের জন্য খেলনা তৈরি করতে উত্সাহিত করেছিলেন। রাজপরিবারের খেলনা তৈরিতে কারিগররা হাতির দাঁত, চন্দন কাঠ এবং অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করত। কর্নাটকের এই প্রাচীন শিল্পকে এখনও ধরে রেখেছেন রামচন্দ্র রাও। তাঁর প্রস্তুত খেলনা সারা ভারতে সমাদৃত।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share