Tag: bangla news

bangla news

  • Health Update: বর্ষা আসতেই রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, জ্বর হলেই পরীক্ষার নির্দেশ

    Health Update: বর্ষা আসতেই রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, জ্বর হলেই পরীক্ষার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামেই বর্ষাকাল। তবে জাঁকিয়ে বৃষ্টি শুরু হয়নি এখনও। তা সত্ত্বেও শহরে বাড়ছে ডেঙ্গি এবং ম্যালেরিয়ার (Dengue and malaria) প্রকোপ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে (Health Update) জানা গিয়েছে, এ রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪১। মৃত্যুর কোনও খবর এখনও নেই। এপ্রিল মাসের শেষে এ রাজ্যে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা  ২ হাজার ১৬৪ জন। বাংলায় মৃত্যু হয়েছে এক ম্যালেরিয়া রোগীর। ডেঙ্গির পাশাপাশি ম্যালেরিয়ার বাড়বাড়ন্তে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য দফতর। বিভিন্ন জেলায় দেওয়া হয়েছে বিশেষ নজরদারির নির্দেশ।

    বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা

    বর্ষার আগমনের সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। এক সপ্তাহের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে একশোর ঘর। গত ছ’মাসে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হাজার দেড়েক। সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। এর পরেই রয়েছে কলকাতা। এখানে মশা-বাহিত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে একশোর কোঠা। মালদা, মুর্শিদাবাদ, আসানসোল এবং হুগলির ছবিটাও ভয় ধরায় মনে।

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য

    স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, চলতি বছর জুনের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৩২৮। উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৭০ ছাড়িয়েছে (Health Update)। মালদায়ও সংখ্যাটা প্রায় একই। মুর্শিদাবাদে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা দেড়শোর ওপরে। হুগলিতে দেড়শোর কাছাকাছি। প্রসঙ্গত, গত বছর এ রাজ্যে ডেঙ্গি সংক্রমণ ভেঙে দিয়েছিল গত এক যুগের রেকর্ড।

    আরও পড়ুন: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    এমতাবস্থায় জ্বর হলেই ডেঙ্গি পরীক্ষা করাতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, অল্প জ্বর হলেও, ডেঙ্গি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। স্বাস্থ্য ভবনের তরফে রাজ্যের সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালগুলিকে এই মর্মে নির্দেশও পাঠানো হয়েছে। এজন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যভবনের তরফে।

    এক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কথায়, “জ্বর, মাথাব্যথা, গাঁটে-গাঁটে ব্যথা ছাড়াও, হালকা জ্বর এবং পেটে মোচড় দেওয়ার মতো উপসর্গও এবার দেখা যাচ্ছে। তাই পেট খারাপ ও অল্প জ্বর হলেও, ডেঙ্গির (Dengue and malaria) এনএস ওয়ান পরীক্ষা লিখতে হবে প্রেসক্রিপশনে (Health Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 77: “মা আমায় এখানে আনালি কেন? আমি কি এদের বেড়ার ভিতর থেকে রক্ষা করতে পারব?”

    Ramakrishna 77: “মা আমায় এখানে আনালি কেন? আমি কি এদের বেড়ার ভিতর থেকে রক্ষা করতে পারব?”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ কথোপকথন

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    বাসাংসি জীর্ণানি যথা বিহায়, নবানি গৃহ্ণাতি নরোহপরাণি

    তথা শরীরাণি বিহায় জীর্ণান্যান্যানি সংযাতি নবানি দেহী।।(গীতা/২২)

    কেশব দেখিলেন, ঘরের মধ্যে অনেক লোক, ঠাকুরের (Ramakrishna) কষ্ট হইতেছে। বিজয় তাঁহাকে ত্যাগ করিয়ে গিয়া সাধারণ ব্রাহ্মসমাজভুক্ত হইয়াছেন ও কন্যার বিবাহ ইত্যাদি কার্যের বিরুদ্ধে অনেক বক্তৃতা দিয়েছেন, তাই বিজয়কে দেখিয়া কেশব একটু অপ্রস্তুত। কেশব আসন ত্যাগ করিয়া উঠিলেন, ঘরের জানালা খুলিয়া দিবেন।

    ব্রাহ্মভক্তেরা একদৃষ্টে চাহিয়া আছেন। ঠাকুরের সমাধি ভঙ্গ হইল। এখনও ভাব পূর্ণমাত্রায় রহিয়াছে। ঠাকুর আপনা-আপনি অস্ফুটস্বরে বলিতেছেন, মা আমায় এখানে আনালি কেন? আমি কি এদের বেড়ার ভিতর থেকে রক্ষা করতে পারব?

    ঠাকুর (Ramakrishna) কি দেখিতেছেন যে, সংসারী ব্যক্তিরা বেড়ার ভিতরে বদ্ধ, বাহিরে আসিতে পারিতেছে না, বাহিরের আলোকেও দেখিতে পাইতেছে না—সকলের বিষয়কর্মে হাত-পা বাঁধা। কেবল বাড়িতে ভিতরের জিনিসগুলি দেখিতে পাইতেছে আর মনে করিতেছে যে, জীবনের উদ্দেশ্যে কেবল দেহ-সুখ ও বিষয়কর্ম, কামিনী ও কাঞ্চন? তাই কি ঠাকুর এমন কথা বলিতেছেন, মা আমায় এখানে আনলি কেন? আমি কি এদের বেড়ার ভিতর থেকে রিক্ষা করতে পারব?

    ঠাকুরের ক্রমে বাহ্যজ্ঞান হইতেছে। গাজীপুরের নীলমাধববাবু ও একজন ব্রাহ্মভক্ত পওহারী বাবার কথা পড়িলেন (Kathamrita)।

    একজন ব্রাহ্মভক্ত (ঠাকুরের প্রতি)—মহাশয়, এঁরা সব পওহারী দেখেছেন। তিনি গাজীপুরে থাকেন। আপনার মতো আর-একজন।

    ঠাকুর এখনও কথা কহিতে পারিতেছেন না। ঈশৎ হাস্য করিলেন।

    ব্রাহ্মভক্ত (ঠাকুরের প্রতি)—মহাশয়, পওহারী বাবা নিজের ঘরে আপনার ফটোগ্রাফ দিয়েছেন।

    ঠাকুরের ঈষৎ হাস্য করিয়া, নিজের দেহের দিকে আঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া বলিলেন (Kathamrita), খোলটা!

    আরও পড়ুনঃ “বৃন্দাবনে নতুন যাত্রী গেলে ব্রজ বালকেরা বলতে থাকে, হরি বোলো গাঁঠরী খোলো”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maulavi: কর্নাটকে  চলন্ত বাসে হিন্দু নাবালিকার ‘শ্লীলতাহানি’, অভিযুক্ত মৌলবীকে মারধর যাত্রীদের

    Maulavi: কর্নাটকে চলন্ত বাসে হিন্দু নাবালিকার ‘শ্লীলতাহানি’, অভিযুক্ত মৌলবীকে মারধর যাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরু থেকে ম্যাঙ্গালোর (Mangaluru) যাওয়ার বাসে পাশে বসা এক হিন্দু নাবালিকাকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ এক মৌলবীর (Maulavi) বিরুদ্ধে। এর জেরে ওই মৌলবীকে মারধরও করা হয়। জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার সঙ্গে এমন অভব্য আচরণ করার ফলে নাবালিকার মা এবং অন্যান্য যাত্রীরা মৌলবীকে (Maulavi) ধরে ফেলেন এবং তারপরেই মারধর শুরু হয়। ইতিমধ্যে এই ঘটনার ভিডিও সামনে এসেছে। যদিও মাধ্যম এই ভিডিও-এর সত্যতা পরীক্ষা করেনি।

    শ্লীলতাহানির (Maulavi) ঘটনাটি গত ১৩ জুলাই ঘটেছে 

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি গত ১৩ জুলাই দক্ষিণ কর্নাটকে (Mangaluru)  ঘটেছে। সেখানে একজন মৌলবী (Maulavi) বাসে একটি নাবালিকাকে উত্যক্ত করতে শুরু করে এবং তার শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। সেখানকার স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুসারে, ঘটনাটি কেএসআরটিসির বাসে ঘটেছে। অভিযুক্ত মৌলবীর এধরনের আচরণের ফলে নাগরিক মহল নিন্দাও জানিয়েছে। এর পাশাপাশি হিন্দু মেয়েদের বাসে নিরাপত্তা আরও জোরালো করার দাবিও উঠেছে। যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের জঘন্য কাজ আর না কেউ করতে পারে।

    কর্নাটকে বেড়েছে লাভ জেহাদ 

    পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ভ্রমণ যেন নিরাপদ হয়, এমন দাবিও তুলেছেন এই ঘটনার পর থেকে নাগরিকদের একাংশ। সম্প্রতি কর্নাটকে লাভ জেহাদের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। হিন্দু মেয়েদের নানাভাবে প্রভাবিত করে তাঁদেরকে বিয়ে করার প্রলোভন দিচ্ছেন ইসলামপন্থীরা, এমনটাই অভিযোগ। এর পাশাপাশি কর্নাটকে রাস্তা দখল করে নামাজ পড়ার বিতর্কও দানা বেঁধেছে। তারই মাঝে বাসে এক হিন্দু নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল এক মৌলবীর বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhangar: ভাঙড়ে চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুনের নেপথ্যে শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠরা, বলছেন স্থানীয়রা

    Bhangar: ভাঙড়ে চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুনের নেপথ্যে শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠরা, বলছেন স্থানীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ে (Bhangar) চোর সন্দেহে পিটিয়ে খুনের ঘটনা ঘটেছিল। পুলিশ দুই জনকে গ্রেফতারও করেছে। উল্লেখ্য সিসিটিভি ফুটেজে মারধরের ঘটনায় তাদের দেখা গিয়েছে। এবার স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, ভাঙড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির লোকজন এই গণপিটুনির ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠ। গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে খুনের ঘটনা ঘটেছে।

    উল্লেখ্য, তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান থেকে শুরু করে চোপড়ার জেসিবি, কামারহাটির জয়ন্ত সিং-এর মতোই ভাঙড়েও তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্যের চিত্র আরও একবার সামনে উঠে এসেছে। রাজ্যের শাসক দলের দুষ্কৃতীদের পুলিশ প্রশাসনের একাংশ সংরক্ষণ দেয় বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।

    বেঁধে মারধর করা হয়েছিল (Bhangar)!

    স্থানীয় ব্যক্তি কলিম শেখ গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনায়, তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ তুলে বলেছেন, “ঘটনা ঘটেছিল ৭ জুলাই, মৃতের নাম আজগর মল্লিক। ভাঙড় (Bhangar) থানার অন্তর্গত ফুলবাড়ি এলাকার বাসিন্দা তিনি। ভাঙড় বাজার এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে চুরির ঘটনা বেড়ে গিয়েছিল। চোর সন্দেহে তাঁকে প্রথমে বেঁধে রাখা হয়। এরপর স্থানীয় বাজার সমিতির শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতারা তাঁকে মারধর করে। এরপর নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়, ঠিক তারপর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হাতেই এই ভাবে একজনকে অকালে মরতে হল।”

    ফের চোর সন্দে গণপিটুনির ভিডিও ভাইরাল

    ভাঙড়ে (Bhangar) চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যুর পর ছেলে ধরা সন্দেহে এবার ফের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তবে ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। এই ঘটনাটি ঘটেছিল ৯ জুলাই মঙ্গলবার, ভাঙড় এক নম্বর ব্লকের পেরানগঞ্জ অঞ্চলের সাইআইটি এলাকায়। মূল অভিযোগ, ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের বানিয়ারা এলাকার এক ব্যক্তি মহিবুল মোল্লা, তাঁর বোনের বিবাহর জন্য ঘোষপুর এলাকার এক ঘটকের সঙ্গে ছেলে দেখতে গিয়েছিলেন। সেই সময় ওই এলাকার একটি ক্লাবের সামনে একটি গাছের তলায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আর সেই সময় কিছু মানুষ তাঁকে ছেলে ধরা সন্দেহে আটকে রাখে। এরপর এলাকার তৃণমূলের বুথের সেক্রেটারি শেখ হাবিব (পলাশ) সহ বেশ কয়েকজন এসে বেধড়ক মারধর করে। এই দৃশ্যের ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। তবে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান আহত মহিবুল মোল্লার ভাই সাইদুর রহমান মোল্লা। এরপর তাঁকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। তবে এখনও পর্যন্ত ভাঙড় থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। অন্যদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুনঃ সিঙ্গুরে যেন উলট পুরাণ! অনাবাদি জমিকে চাষের যোগ্য করে বাকি অংশে শিল্প চান তৃণমূল নেতা

    বিজেপির বক্তব্য

    এই বিষয় যাদবপুর সংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি মনোরঞ্জন জোয়ারদার বলেছেন, “শুধু ভাঙড় (Bhangar) নয় গোটা রাজ্যজুড়েই এই ভাবেই চলছে তৃণমূল নেতাদের দাদাগিরি। দিনের পর দিন এখানে পুলিশ প্রশাসন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। বিরোধীদের মিথ্যে মামলা দিচ্ছে পুলিশ আর তৃণমূলের গুন্ডাদেরকে সহায়তা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AIIMS Study: যোগের বলে মুক্তি মিলবে আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা থেকে, বলছে এইমসের সমীক্ষা

    AIIMS Study: যোগের বলে মুক্তি মিলবে আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা থেকে, বলছে এইমসের সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগ বলে রোগ আরোগ্য। বাক্যটি যে নেহাৎ কথার কথা নয়, তা জানা গেল এইমসের সাম্প্রতিক এক গবেষণাও (AIIMS Study)। জানা গিয়েছে, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের প্রদাহ ও ব্যথা (Arthritis Pain) কমাতেও দারুণ কাজ করে যোগ ব্যায়াম। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস হল একটি ক্রনিক অটোইমিউন রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে হয় প্রদাহ, গাঁটে গাঁটে হয় ব্যথা। ফুসফুস, হার্ট এবং মস্তিষ্কেও প্রভাব পড়ে এই ব্যথার। যার জেরে রোগী ক্রমেই অথর্ব হয়ে পড়েন।

    যোগ বলে রোগ আরোগ্য (AIIMS Study)

    এইমসের চিকিৎসকদের করা গবেষণা বলছে, এর থেকে মুক্তি দিতে পারে যোগ ব্যায়াম। শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে এটি কাজ করে দারুণভাবে। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন, তাঁরা দিব্যি সুস্থ রয়েছেন। অথর্ব বেদে যোগের গুণগান গাওয়া হলেও, সিংহভাগ ভারতীয়ই চর্চা করতেন না যোগের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই প্রথম যোগের গুণাগুন তুলে ধরেন সারা বিশ্বের কাছে। তার পর থেকে ফি বছর ২১ জুন দিনটি পালিত হয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে। সেই যোগেরই নয়া কার্যকারিতার কথা জানা গেল এইমসের সমীক্ষায় (AIIMS Study)।

    এইমসের গবেষণা

    সমীক্ষাটি করেছে এইমসের ল্যাব ফর মলিকিউলার রিপ্রোডাকশন অ্যান্ড জেনেটিক্স, দ্য অ্যানাটমি ডিপার্টমেন্ট এবং রিউম্যাটোলজি ডিপার্টমেন্ট। তাদের সাহায্য করেছিল ডিএসটি। সেই সমীক্ষায়ই জানা গিয়েছে, কীভাবে রিউমাটেড আর্থ্রাইটিসের রোগীদের কোষ এবং মলিকিউলার লেভেলে কাজ করে যোগ। কেবল যন্ত্রণামুক্তিই নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু কাজ করে যোগ। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং সেলুলার ড্যামেজ কন্ট্রোল করে যোগ যে প্রদাহও হ্রাস করে, তা-ও জানা গিয়েছে ওই সমীক্ষায়। প্রো এবং অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি সাইটকিনসের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে যোগ।

    আরও পড়ুন: শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভাঙছে চিন, নিশ্চিহ্ন করছে উইঘুরদের, নীরব মুসলিম দুনিয়া

    রোগীর শরীরে বাড়িয়ে দেয় এনডর্ফিনের স্তর, হ্রাস করে কর্টিসল এবং সিআরপির মাত্রা। মেলাটনিন রিদমও বজায় রাখে যোগ। প্রদাহ চক্রকে ভেঙে এটা করে যোগ। গড়ে তোলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। মলিকিউলার লেভেলে যোগ টেলোমের্স এনজাইম এবং জিনের অ্যাক্টিভিটি বাড়িয়ে দেয়। এই জিন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ডিএনএ এবং কোষ চক্র রেগুলেশন করতে। এগুলোই রোধ করে কোষের বয়স বেড়ে যাওয়াকে। যার জেরে রোগী থাকেন চনমনে। রিউমাটোলজি বিভাগের প্রধান উমা কুমার বলেন, “যোগ যে কেবল রোগীর (Arthritis Pain) জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করে তাই নয়, রোগীদের মধ্যে থাকা চাপ এবং উদ্বেগও কমায় (AIIMS Study)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের বিডিও অফিসের ক্যাম্পাসের মধ্যে রয়েছে ফুটবল খেলার মাঠ। এই খেলার মাঠের চারিদিকে রয়েছে বড় বড় আমগাছ। সেই আম গাছের ডাল নির্বিচারে কাটা হয়েছে । এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে অরণ্য সপ্তাহ চলছে। অরণ্য সপ্তাহ পালনের মধ্যে এইভাবে ব্লক প্রশাসনের ভিতর যেভাবে গাছের ডালগুলি কাটা হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এলাকায়। তৃণমূলের (Trinamool Congress) মদতেই এসব হয়েছে। এমনই অভিযোগ বিজেপির।

    কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি! (Nadia)

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাঠ পরিষ্কারের নামে যেভাবে কৃষ্ণগঞ্জের (Nadia) বিডিও অফিস চত্বরে গাছগুলির ডাল কাটা হয়েছে, এটা কখনও কাম্য নয়। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা তথা বিশিষ্ট আইনজীবী অমিত প্রামাণিক বলেন, কীভাবে অফিস ক্যাম্পাসের মধ্যে গাছগুলিকে কাটা হয়েছে, বন দফতর কীভাবে গাছগুলি ন্যাড়া করার অনুমতি দেয়। না আদৌ এই ন্যাড়া করার পিছনে অন্য কারণ লুকিয়ে আছে? তিনি আরও বলেন, তৃণমূল সরকারের আমলে কয়লা চুরি, বালি চুরি, চাকরি চুরির পর এবার গাছ চুরির ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল নেতারা কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি দিয়েছে। আমাদের দাবি, ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    প্রতিবাদে সরব পরিবেশপ্রেমী

    পরিবেশপ্রেমী (Nadia) স্বপন কুমার ভৌমিক বলেন, কোনও অবস্থাতেই এইরকমভাবে ফলন্ত গাছের ডাল কাটা যায় না। গাছের ডাল যেভাবে কাটা হয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যেই অধিকাংশ গাছ মারা যাবে। প্রতিবছর টেন্ডারের মাধ্যমে বিডিও অফিস থেকে এই আম গাছগুলির ফল বিক্রি করা হয় অর্থাৎ লিজ দেওয়া হয়। যে বা যারা এই গাছের ডাল নির্মমভাবে কাটার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন তদন্ত করে করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেত্রী তথা কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাকলি দাস বলেন, মাঠের সৌন্দর্যায়নের জন্য গাছের ডাল কাটা হয়েছে। বিজেপির লোকেরা উন্নয়ন দেখতে পান না বলেই তাঁরা এই সমস্ত অভিযোগ করছেন। যে ডালগুলি কাটা হয়েছে, সেগুলি আইন মাফিক করা হয়েছে। গাছের কাটা ডাল টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Doda Encounter: ডোডায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দার্জিলিঙের ছেলে ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ, ‘আক্ষেপ নেই’ বাবার

    Doda Encounter: ডোডায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দার্জিলিঙের ছেলে ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ, ‘আক্ষেপ নেই’ বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ২৭ বছর। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। বি-টেক পাশ করে ইঞ্জিনিয়ার হয়ে কোনও মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে সহজেই কাজ করতে পারতেন দার্জিলিঙের (Darjeeling) ছেলে ব্রিজেশ থাপা (Brijesh Thapa)। কিন্তু ছোট থেকেই সেনার পোশাক তাঁকে টানত। বাবা ভারতীয় সেনার কর্নেল। ছোট বেলা থেকেই ‘জয় হিন্দ’ ছিল ব্রিজেশের মন্ত্র। সেই মন্ত্র জপ করতে করতেই সোমবার সন্ধ্যায় কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) ডোডা জেলায় (Doda Encounter) জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করছিলেন ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ। হঠাতই গুলির পর গুলি, ঝাঁঝরা হয়ে গেল শরীর। শহিদ হয়ে গেলেন বাংলার ছেলে। শহিদের রক্তে চোখে জল পড়তে নেই তাই মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়েও বাড়ির বাইরে থমথমে, উদাস ব্রিজেশের বাবা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ভুবনেশ থাপা। বললেন, ‘‘কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আক্ষেপ নেই। আমার সন্তান দেশকে রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হয়েছে।”

    ব্রিজেশের স্মৃতিচারণায় বাবা ভুবনেশ

    ব্রিজেশের জন্ম দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) লেবংয়ে। সেখানেই প্রাথমিক পড়াশোনা করেন। কিন্তু ভুবনেশকে কর্মসূত্রে যেতে হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তাই তাঁর সঙ্গে সঙ্গে যেতে হয়েছে পরিবারকেও। ২০১৪ সালে সেনা থেকে অবসর নেন কর্নেল ভুবনেশ। তার পর তিনি দার্জিলিংয়ের লেবংয়েই এক্স সার্ভিসম্যান হেলথ্ সার্ভিস স্কিমে কাজ করেন। বাবা-মা ছাড়াও ব্রিজেশের এক দিদিও রয়েছেন। বর্তমানে সঙ্গীত নিয়ে পড়াশোনা করতে অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছেন নিকিতা থাপা। স্কুল জীবনের পড়াশোনা শেষ করে মুম্বইয়ের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন ব্রিজেশ। সেখান থেকে বি-টেক শেষ করে কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন তিনি। ২০১৮ সালে ব্রিজেশ ডিফেন্স সার্ভিসের শর্ট সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় পাশ করেন ও ২০১৯ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তারপর ১০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের মোতায়েন ছিলেন। এরপর এক্সট্রা রেজিমেন্টাল ডিউটির জন্য ভারতীয় সেনার বিশেষ বিভাগ ১৪৫ আর্মি এয়ার ডিফেন্সের অধীন জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডা সেনা ছাউনিতে বদলি হন। সেখানে ব্রিজেশ থাপা এ-কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    ব্রিজেশকে শ্রদ্ধা

    সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) লেবংয়ের বড়াগিঙ্গের বাড়িতে ব্রিজেশের শহিদ (Doda Encounter) হওয়ার খবর এসে পৌঁছেছে। বুধবার ব্রিজেশের দেহ বিশেষ বিমানে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হবে। এর পর তাঁকে বাগডোগরা সেনা ছাউনিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা জানানো হবে। সেখান থেকে তাঁর দেহ সড়কপথে নিয়ে যাওয়া হবে লেবংয়ে তাঁর বাড়িতে। সেখানে রয়েছেন ব্রিজেশের মা নীলিমা। দেশ মা-য়ের জন্য ব্রিজেশ বলিদান দিলেও মঙ্গলবার থেকে সারা জীবন পুত্র হারানোর যন্ত্রণা নিয়েই যে বাঁচতে হবে নীলিমাকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WBSSC: ২৬ হাজার চাকরি মামলায় সিদ্ধান্ত হল না সুপ্রিম কোর্টে, পাঁচ পক্ষের বক্তব্য শুনবে শীর্ষ আদালত

    WBSSC: ২৬ হাজার চাকরি মামলায় সিদ্ধান্ত হল না সুপ্রিম কোর্টে, পাঁচ পক্ষের বক্তব্য শুনবে শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসির (WBSSC) মাধ্যমে নিয়োগ হওয়া ২৬ চাকরি বহাল থাকবে কি থাকবে না, তা নিয়েই মঙ্গলবার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। তবে এ দিন দেশের শীর্ষ আদালতে কোনও রকম সিদ্ধান্ত হল না। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চে মঙ্গলবার সকালে উঠেছিল এই মামলা। প্রধান বিচারপতি এদিন জানান, তাঁর বেঞ্চ আগে চাকরি বাতিল মামলার সঙ্গে যুক্ত পাঁচ পক্ষের বক্তব্য শুনবে তারপরেই পরবর্তী নির্দেশ দেবে। সুপ্রিম কোর্টের এই পাঁচ পক্ষ হল, রাজ্য সরকার, এসএসসি (WBSSC), সিবিআই, মূল মামলাকারী এবং যাঁদের চাকরি নিয়ে বিতর্ক চলছে তাঁরা। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে মঙ্গলবার থেকে তিন সপ্তাহ পরে। অর্থাৎ অগাস্টের শুরুতেই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। প্রসঙ্গত, এ দিন সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি শুরু হতে রাজ্য সরকার আবেদন জানায় যে তারা এ সংক্রান্ত একটি হলফনামা জমা দিতে চায়। এরপরে এসএসসিও সুপ্রিম কোর্টকে জানায়, তারাও হলফনামা জমা দিতে ইচ্ছুক। পরবর্তীকালে দু পক্ষের বক্তব্য শুনে নোডাল কাউন্সিলার নিয়োগ করার কথা বলে দেশের শীর্ষ আদালত।

    এপ্রিলে গোটা প্যানেল বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই ২০১৬ সালের এসএসসির (Supreme Court) নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বার রশিদের ডিভিশন বেঞ্চের এই রায়ের ফলে চাকরি যায় ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীর। সুপ্রিম কোর্ট গত ৭ মে মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টে নির্দেশে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। সে সময়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধেও তদন্তে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিল সুপার নিউমেরারি পদ তৈরি নিয়ে মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তে স্থগিতাদেশ বহাল থাকল।

    যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করার কথা বলেছিল এসএসসি (WBSSC)

    প্রসঙ্গত, সে সময়ে এসএসসির (WBSSC) তরফে সুপ্রিম কোর্টে মৌখিকভাবে জানানো হয়, যাঁদের চাকরি বাতিল করা হয়েছে তাদের মধ্যে ১৯ হাজার যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এসএসসির আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, যোগ্য এবং অযোগ্য চাকরিপ্রার্থী কিভাবে আলাদা করছেন আপনারা? এটা করার মতো কোনও তথ্য বা নথি আপনাদের কাছে রয়েছে কি? এর উত্তরে এসএসসির আইনজীবী জানান, সিবিআইয়ের বাজেয়াপ্ত করা ডিজিটাল ডেটা দেখা সম্ভব হলেই যোগ্য ও অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব। এখন তাই ওয়াকিবহালমহল মনে করছে, এতদিনে কি যোগ্য আর যোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব হয়েছে? কারণ তার ওপরে নির্ভর করছে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ। ফলে আগামী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দেয় সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য? উত্তর পেতে মক পোলের ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য? উত্তর পেতে মক পোলের ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বেরোলে বহু ক্ষত্রে পরাজয়ের জন্য প্রার্থীরা ইভিএম মেশিনকে দায়ী করেন। বলা হয়, তাতে কারচুপির জন্যই হার মানতে হয়েছে। সেই অভিযোগ দূর করতে ইভিএম মেশিনগুলো কতটা গ্রহণযোগ্য , তা দেখার জন্য মক পোলের (Mock Poll) আয়োজন করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতোই এই আয়োজন করেছে কমিশন। কিন্তু তাতে প্রার্থীদের তেমন সাড়া মিলছে না বলে কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর। 

    কীভাবে হবে মক পোল (Election Commission)

    এই মক পোলের (Mock Poll) ক্ষেত্রে ভোটদানের সময় ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট এবং ভিভিপ্যাট মেশিন পাশাপাশি বসাতে হবে। সবগুলিই সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধি ব্যবহার করবেন। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকেরা শুধু পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় থাকবেন। ভিভিপ্যাটের কাগজও গোনা হবে সকলের সামনে। 

    কী বলেছিল শীর্ষ আদালত

    ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে বিরোধীরা বারবার সরব হয় বলে, এবার ভোটের আগেই সুপ্রিম কোর্ট ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য নির্বাচন মেটার পরও সে ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছিল। ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য, তাতে আদৌ কারচুপি সম্ভব কিনা তা খতিয়ে দেখতে ভোটের আগে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রটোকল তৈরি করে দিয়েছিল আদালত। সেই সঙ্গে সর্বোচ্চ আদালত আরও বলে, নির্বাচনের ফল বেরোনোর পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারী প্রার্থীরা তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রে ব্যবহৃত ইভিএমের বাছাই করা কয়েকটিতে ১৪০০টি করে ভোট দিতে পারবেন। প্রার্থীর পরিবর্তে তাঁর কোনও প্রতিনিধিও এই ভোট দিতে পারবেন বলে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় ডাক বিভাগে ৪৪ হাজার কর্মী নিয়োগ! জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    প্রার্থীদের অনীহা (Mock Poll)

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো কমিশন (Election Commission) সবকিছু ব্যবস্থা করলেও প্রার্থীদের মধ্যে এই পদক্ষেপ করতে অনীহা চোখে পড়েছে। তাঁরা মুখে অভিযোগ করলেও এখনও পর্যন্ত মাত্র আটজন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন। তাঁরা সকলেই ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। ওই দুই রাজ্যে লোকসভার সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনও হয়েছে। আট জন বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Justice Amrita Sinha: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Justice Amrita Sinha: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসিতে ২৬ হাজারের চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছেই। এরই মাঝে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High court) প্রশ্ন উঠল, প্রাথমিকের ৪২ হাজার পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে। মঙ্গলবারই হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) ওই ৪২ হাজার চাকরির নিয়োগ প্যানেল দেখতে চান। এছাড়া, এ বিষয়ে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে বিশেষ নির্দেশও দিয়েছেন। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রাথমিকের ওই নিয়োগ প্যানেল আদালতে জমা করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ৩০ জুলাই।

    নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক সোমনাথ সেন নামে এক চাকরিপ্রার্থী

    মঙ্গলবারে বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) এজলাসে শুনানির জন্য ওঠে ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে যে টেট পরীক্ষা হয়েছিল তার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৬ সালে। সে সময় রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ৪২০০০ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কিন্তু ২০১৬ সালের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বিতর্কের ঊর্ধ্বে ছিল না। নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ আনেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক সোমনাথ সেন নামে এক চাকরিপ্রার্থী। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) এজলাসে। 

    বিচারপতির (Justice Amrita Sinha) প্রশ্ন

    মামলা চলাকালীন বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) সিনহা জানতে চান, ‘‘ওই ৪২ হাজার নিয়োগের তালিকা কোথায়? কারা ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরি পেয়েছিলেন?’’ জবাবে মামলাকারীর যুক্তি শোনার পর তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘‘প্যানেল মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলেও নিয়োগের তালিকা থাকা দরকার। কারা যোগ্য এবং কারা চাকরি পেলেন, তা প্যানেল থেকেই জানা সম্ভব।’’ এর পরেই বিচারপতি নির্দেশ দেন, ‘‘নিয়োগ যখন হয়েছে, প্যানেল তো থাকবেই। সেই প্যানেলই আদালত দেখতে চায়।’’ এখন দেখার আগামী ৩০ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন বিচারপতি কী নির্দেশ দেন। তার আগে অবশ্য ২০১৪ সালের টেটের ৪২ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল আদালতে (Calcutta High court) জমা দিতে হবে পর্ষদকে।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share