Tag: bangla news

bangla news

  • Arshad Nadeem: অলিম্পিক্সে সোনা জয়ী নাদিমের সঙ্গে লস্কর-যোগ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    Arshad Nadeem: অলিম্পিক্সে সোনা জয়ী নাদিমের সঙ্গে লস্কর-যোগ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার এক নেতার সঙ্গে দেখা গেল প্যারিস অলিম্পিক্সে জ্যাভলিনে সোনা জয়ী পাক তারকা আরশাদ নাদিমকে (Arshad Nadeem)। সম্প্রতি সোশ্যাল সাইটে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে, নাদিম মিলি মুসলিম লিগের যুগ্ম সম্পাদক মহম্মদ হারিস দারের সঙ্গে কথা বলছেন। মিলি মুসলিম লিগকে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে ধরা হয়। 

    নাদিমের সঙ্গে সম্পর্ক

    এই মুহূর্তে পাকিস্তানের ক্রীড়াজগতে আলোচনার কেন্দ্রে আরশাদ নাদিম (Arshad Nadeem)। অলিম্পিক্সে দেশকে প্রথম ব্যক্তিগত সোনা এনে দিয়েছেন এই জ্যাভলিন থ্রোয়ার। অলিম্পিক্স রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছেন তিনি। ৯২.৯৭ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছোড়েন নাদিম। তাঁকে ১০ কোটি টাকা পুরস্কার দিয়েছে পাকিস্তান। ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা যায়, নাদিমকে অলিম্পিক্সে সোনা জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) ওই নেতা। নাদিমের এই জয় পুরো মুসলিম সম্প্রদায়ের মাথা উঁচু করেছে বলে মত প্রকাশ করেন মিলি।

    প্রশ্নের মুখে পাক প্রশাসন

    এই ঘটনার পর থেকেই সন্দেহের ছায়া পড়েছে আরশাদ নদিমের (Arshad Nadeem) ওপর। তাঁর সঙ্গে হারিস দারের সম্পর্ক কী ধরনের ছিল, সেই নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান সরকার এই বিষয়ে কতটা সচেতন, সেই প্রশ্নও তোলা হচ্ছে। হারিস দারের বিরুদ্ধে ভারত-বিরোধী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেছেন, ভারতকে কাশ্মীর ছেড়ে যেতে হবে। এই ঘটনার পর থেকে ভারতেও তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ ক্রীড়া জগতকেও প্রভাবিত করতে পারে। লস্কর-ই-তৈবা একটি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন। ২০১৮ সালে আমেরিকা সরকার মিলি মুসলিম লিগকেও জঙ্গি সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করে। মহম্মদ হারিস দার সেই সময় থেকেই জঙ্গি তালিকায় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) স্টুডেন্ট উইং আল-মহম্মাদিয়া স্টুডেন্টসের একজন নেতা ছিলেন। এই সংগঠনটিকেও আমেরিকা সরকার ২০১৬ সালে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Ramakrishna 103: “পুরাণে আছে বীরভক্ত হনুমানের জন্য তিনি রামরূপ ধরেছিলেন”

    Ramakrishna 103: “পুরাণে আছে বীরভক্ত হনুমানের জন্য তিনি রামরূপ ধরেছিলেন”

    সিঁথি ব্রাহ্মসমাজ-দর্শন ও শ্রীযুক্ত শিবনাথ প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগের সহিত কথোপকথন ও আনন্দ

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ভক্ত্যা ত্বনন্যায়া শক্য অহমেবংবিধোহর্জুন।

    জ্ঞাতুং দ্রষ্টাং চ তত্ত্বেন প্রবেষ্টুং চ পরন্তপ।।

    গীতা—১১/৫৪/

    যে ব্যক্তি সদা-সর্বদা ঈশ্বরচিন্তা (Ramakrishna) করে সেই জানতে পারে তাঁর স্বরূপ কি? সে ব্যক্তিই জানে যে, তিনি নানারূপে দেখা দেন, নানাভাবে দেখা দেন—তিনি সগুণ, আবার তিনি নির্গুণ। যে গাছতলায় থাকে, সেই জানে যে বহুরূপীর নানা রঙ—আবার কখন কখন কোন রঙই থাকে না। অন্য লোক কেবল তর্ক ঝগড়া করে কষ্ট পায়।  

    কবীর বলত (Kathamrita), নিরাকার আমার বাপ, সাকার আমার মা।

    ভক্ত যে রূপটি ভালবাসে, সেই রূপে তিনি দেখা দেন—তিনি যে ভক্তবৎসল।

    পুরাণে আছে, বীরভক্ত হনুমানের জন্য তিনি রামরূপ ধরেছিলেন।

    কালীরূপ ও শ্যামরূপের ব্যাখ্যা—অনন্তকে জানা যায় না

    বেদান্ত-বিচারের কাছে রূপ-টুপ উড়ে যায়। সে-বিচারের শেষ সিদ্ধান্ত এই—ব্রহ্ম সত্য, আর নামরূপযুক্ত জগৎ মিথ্যা। যতক্ষণ আমি ভক্ত এই অভিমান (Kathamrita) থাকে, ততক্ষণই ঈশ্বরকে ব্যক্তি বলে বোধ সম্ভব হয়। বিচারের চক্ষে দেখলে, ভক্তের আমি অভিমান, ভক্তকে একটু দূরে রেখেছেন।

    কালীরূপ (Ramakrishna) কি শ্যামরূপ চৌদ্দ পোয়া কেন? দূরে বলে সূর্য ছোট দেখায়। আছে যাও তখন এত বৃহৎ দেখাবে যে, ধারণা করতে পারবে না। আবার কালীরূপ কি শ্যামরূপ শ্যামবর্ণ কেন? সেও দূরে বলে। যেমন দীঘির জল দূরে থেকে সবুজ, নীল বা কালোবর্ণ দেখায়, কাছে গিয়ে হাতে করে জল তুলে দেখ, কোন রঙই নাই। আকাশ দূরে দেখলে নীলবর্ণ, কাছে দেখ, কোন রঙ নাই।

    আরও পড়ুনঃ “ব্যক্তি সদা-সর্বদা ঈশ্বরচিন্তা করে সেই জানতে পারে তাঁর স্বরূপ কি?”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: কর্মক্ষেত্রে কতটা নিরাপদ ডাক্তাররা? আরজি কর-কাণ্ডের পর প্রশ্ন চিকিৎসক মহলে

    RG Kar Incident: কর্মক্ষেত্রে কতটা নিরাপদ ডাক্তাররা? আরজি কর-কাণ্ডের পর প্রশ্ন চিকিৎসক মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় (Doctor Rape Murder) পরতে পরতে রহস্য। ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু অনেকেই দাবি করছেন, এই ঘটনায় একাধিক জন জড়িত থাকতে পারে। কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (RG Kar Incident) এক ৩২ বছর বয়সি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকরা এই ঘটনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। ফেডারেশন অফ রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (ফোর্ডা) জানিয়েছে, সারা দেশে হাসপাতালের নির্বাচনী সেবা বন্ধ থাকবে। সব মেডিক্যাল কর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তারও দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। 

    চিকিৎসকদের দাবি

    আর জি কর (RG Kar Incident) মেডিক্যাল কলেজের রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন (আরডিএ) ঘোষণা করেছে যে, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রতিবাদ বন্ধ করবে না। হাসপাতালের একজন চিকিৎসক জানান, “আমরা চারটি দাবি তুলেছি: বিচার বিভাগীয় তদন্ত, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা, মহিলার পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ, পুলিশকে তদন্তের অগ্রগতি নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে।” কলকাতার ২৬ একর জুড়ে এই প্রতিষ্ঠানটি পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি। এখানে এরকম ঘটনায় বাকরুদ্ধ বাংলা তথা দেশ।

    সিসিটিভি ক্যামেরার অভাব

    আন্দোলনকারীরা  জানিয়েছেন যে, হাসপাতালের সংবেদনশীল স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরার অভাব রয়েছে। ডাক্তারদের জন্য আলাদা শৌচালয় নেই। যে কোনও লোক রাতে হাসপাতালে প্রবেশ করে যান। যা রাতের হাসপাতালকে বিপজ্জনক করে তোলে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, যে সেমিনার রুমে চিকিৎসকের দেহ মিলেছিল সেখানে কোনও সিসিটিভি নেই। ফ্লোর ওয়ার্ড বা করিডরেও কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে অপরাধী অপরাধ করার আগে ভাবত। এনআরএস হাসপাতালের সিনিয়র রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান শুভেন্দু মুখোপাধ্যায় আগে আরজি কর-এ (RG Kar Incident) কর্মরত ছিলেন। তাঁর কথায়, “শুধুমাত্র ভবনের মূল ফটকে সিসিটিভি আছে। আপনি যে বেশিরভাগ সিসিটিভি দেখেন তা কাজ করে না।”

    বিশ্রাম কক্ষ নেই

    আরজি করের (RG Kar Incident) জুনিয়র ডাক্তারদের মতে, মহিলা ডাক্তারদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় নির্যাতিতা সেমিনার রুমে গিয়ে বিশ্রাম নিতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেমিনার রুমে কোনও ওয়াশরুম নেই। রাতের ডিউটিতে বেশিরভাগ সময় চিকিৎসকরা সেমিনার রুম বা সোনোগ্রাফি রুম ব্যবহার করেন। 

    বিনা অনুমতিতে হাসপাতালে প্রবেশ

    একজন চিকিৎসকের মতে আরজি করের (RG Kar Incident) “সবচেয়ে বড় সমস্যা” হল বিনা অনুমতিতে মাঝে মাঝেই লোক হাসপাতালে প্রবেশ করেন। তিনি বলেন, “প্রায়শই একজন রোগী ১১-১২ জন আত্মীয়ের সঙ্গে আসে। শুধুমাত্র আইডি কার্ডধারীদেরই ওয়ার্ডে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া উচিত। এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ড দেখুন, যেখানে ভিআইপি ও রাজনীতিবিদরা থাকেন। সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে।” এছাড়াও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাতে হাসপাতালের বাইরে কোনও নিরাপত্তা নেই। একজন মহিলা সাফাইকর্মী জানান, “একজন রোগীর সঙ্গে ১৫-২০ জন পর্যন্ত জরুরি বিভাগে ঢুকে পড়ে। আমরা জরুরি বিভাগে মাতাল লোকদেরও দেখতে পাই।”

    আরও পড়ুন: একজনের কাজ নয়, দাবি চিকিৎসকদের! আরজি কর কাণ্ডে কাকে আড়ালের চেষ্টা হচ্ছে?

    পর্যাপ্ত পুলিশের অভাব

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, হাসপাতালে (RG Kar Incident) পর্যাপ্ত পুলিশ থাকা উচিত। তাঁদের মতে, রাতে ফ্লোরে কোনও নিরাপত্তাই থাকে না। এই হাসপাতালটিতে আঘাতজনিত রোগীর প্রচুর ভিড় হয়। ডাক্তার-রোগীর অনুপাত খুব কম। যদি কেউ চিকিৎসককে অপমান করে, তবে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর কেউ থাকে না। হাসপাতালের নিজস্ব প্রাইভেট সিকিউরিটি রয়েছে ঠিকই তবে জুনিয়র চিকিৎসকরা দাবি করেছেন যে, রাত ৯টার পর প্রাইভেট সিকিউরিটি গায়েব হয়ে যায়। রাতে হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসক বা নার্স এমনকী ছেলেরাও অন্ধকার, নির্জন জায়গা দিয়ে হাঁটতে ভয় পান। কারণ হাসপাতাল চত্বরে নানা ধরনের বেআইনি কাজ হয়।  অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে অনেক সময়ই মত্ত যুবকদের উৎপাত লক্ষ্য করা যায় হাসপাতাল চত্বরে। করিডর থেকে শুরু করে সিঁড়ি, রোগীদের ওয়ার্ড সর্বত্রই ঢিলেঢালা নিরাপত্তা। তাই সবসময়ই নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। অনেকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তারই মূল্য চোকাতে হল নির্যাতিতাকে (Doctor Rape Murder)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Hospital: চার বার নিহতের নাম নিয়েছেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ! পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মহিলা কমিশনের

    RG Kar Hospital: চার বার নিহতের নাম নিয়েছেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ! পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (RG Kar Hospital) পরিদর্শনে যান জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যরা। হাসপাতালের পরিকাঠামোর অবস্থা খতিয়ে দেখে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে কার্যত তুলোধনা করেন তাঁরা। নিহত চিকিৎসের নাম নেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

    ঠিক কী বলেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যরা? (RG Kar Hospital)

    শহরে (Kolkata) আসার পরে প্রথমেই জাতীয় মহিলা কমিশনের দুই প্রতিনিধি সোজা যান লালবাজারে। সেখানে পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। লালবাজারের (Kolkata) পরে  নিহত মহিলা চিকিৎসকের সোদপুরের বাড়িতেও যান তাঁরা। কমিশনের অন্যতম সদস্য ডেলিনা খনডুপ বলেন, ‘‘প্রাক্তন প্রিন্সিপাল (RG Kar Hospital) সন্দীপ ঘোষ নিহত তরুণীর প্রতি যথেষ্ট অসংবেদনশীল মন্তব্য করেছেন। এমনকী, মেয়েটির নামও নেওয়া হয়েছে। সেই কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কমিশনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ করা হবে।’’

    মঙ্গলবার, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজিকে নোটিশ দিয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন৷ আগামী দু’সপ্তাহের মধ্য়ে এই নিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে ওই নোটিশে৷ স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই এই পদক্ষেপ করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন৷ কমিশনের সদস্য বলেন, ‘‘আমরা এই নৃশংস ঘটনার তদন্তের গতিপ্রকৃতি ভাল করে খতিয়ে দেখব। পাশাপাশি রাজ্যের গোটা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে কমিশনকে জানাব। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করে আমরা জাতীয় মহিলা কমিশনে জমা দেব। আসল অপরাধীকে আড়াল করছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, প্রয়োজন হলে আরও অতিরিক্ত দিন থেকে গোটা ঘটনার সবদিক থেকে খতিয়ে দেখব।’’

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    নিহত চিকিৎসকের চারবার নাম নেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ!

    আরজি করের (RG Kar Hospital) জুনিয়র ডাক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় উঠেছে খুন ও ধর্ষণের অভিযোগ। সোমবার সেই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর সন্দীপ ঘোষ সংবাদমাধ্যমের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কমপক্ষে চার বার নাম উল্লেখ করেছেন মৃত চিকিৎসকের। আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, ‘এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’

    নির্যাতিতার নাম প্রকাশ হলে কী শাস্তির বিধান আছে?

    ধর্ষণ বা যৌন হেনস্থার মতো ঘটনায় নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ্যে এসে গেলে প্রভাব পড়তে পারে বিচার ও তদন্তের ক্ষেত্রে। তাই নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনা যায় না। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ আছে। পাশাপাশি, ভারতীয় আইনেও বাধ্যবাধকতা আছে। নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যে সব নথিতে নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আসতে পারে, সেগুলি মুখবন্ধ খামেই আদান-প্রদান করতে হয় পুলিশকে। নাম গোপন রাখতে হয় আদালত ও তদন্তকারী সংস্থাকেও। নির্যাতিতার (RG Kar Hospital) মৃত্যু হলে বা অচৈতন্য থাকলে, তাঁর আত্মীয় যদি নাম প্রকাশ করতে চান, তাহলে শুধুমাত্র সেশন কোর্টেই আবেদন জানাতে পারেন। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইনে আছে, নির্যাতিতা অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে, তার পরিচয় যদি প্রকাশ করার প্রয়োজন পড়ে, সে ক্ষেত্রে বিশেষ আদালত অনুমোদন দিতে পারে।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় কী বলা আছে?

    আগে, ভারতীয় দণ্ডবিধি বা ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ (IPC)- এর ২২৮এ ধারায় ছিল এই সম্পর্কিত বিধান আছে। সেই ধারা অনুযায়ী, ধর্ষিতা বা যৌন হেনস্থার শিকার নির্যাতিতার নাম, পরিচয় প্রকাশ্যে আনলে ২ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। ধার্য করা হতে পারে জরিমানাও। বর্তমানে ভারতীয় দণ্ডবিধির বদলে আনা হয়েছে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’। সেখানেও এই সম্পর্কিত শাস্তির কথা বলা আছে। ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’র ৭২ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনেন, তাহলে জেল হতে পারে। জেলের মেয়াদ হতে পারে ২ বছর পর্যন্ত। এছাড়া ধার্য করা হতে পারে জরিমানা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohamed Muizzu: মলদ্বীপের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন মুইজ্জুর

    Mohamed Muizzu: মলদ্বীপের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন মুইজ্জুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েক মাস ধরে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক বারংবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। শুধু তাই নয়, মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জুর (Mohamed Muizzu) একের পর এক পদক্ষেপ তুলেছে সমালোচনার ঝড়ও। তবে, এবার মুইজ্জু বিরাট প্রতিক্রিয়া দিলেন। আগেই ভারতকে (India) মলদ্বীপের “সবথেকে কাছের বন্ধু”- হিসেবে বিবেচিত করেছিলেন তিনি। আর এবার মলদ্বীপের উন্নয়নে ঘনিষ্ঠ মিত্র ভারতের ভূমিকা তুলে ধরে ভারতের লাইন অফ ক্রেডিট দ্বারা অর্থায়িত প্রকল্পগুলির সমর্থন করলেন মুইজ্জু।   

    কী জানিয়েছেন মুইজ্জু? (Mohamed Muizzu)

    মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহাম্মদ মুইজ্জু মলদ্বীপ এবং ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক এবং ঘনিষ্ঠ সংযোগ জোরদার করার জন্য তার প্রশাসনের সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতি মুইজ্জু আরও জোর দিয়ে বলেছেন, ”ভারত সর্বদা মলদ্বীপের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে থেকেছে। মলদ্বীপের যখনই প্রয়োজন হয়েছে তখনই সহায়তা প্রদান করেছে ভারত।”

    এ প্রসঙ্গে মুইজ্জু মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার সময় বলেছেন, ”মলদ্বীপের ২৮টি দ্বীপে জল সরবরাহের জন্য ভারতের এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে ভারত (India) সরকারের লাইন অফ ক্রেডিট দ্বারা অর্থের জোগান দেওয়া হয়েছিল। এই উদ্যোগটি মলদ্বীপের ওপর উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করেছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে উৎসাহিত করেছে যা দেশের সমৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে। এই প্রকল্পই ভারতের সঙ্গে মলদ্বীপের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল মাইলফলক।” মলদ্বীপের প্রতি এই বন্ধুত্বপূর্ণ সহায়তার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মহম্মদ মুইজ্জু (Mohamed Muizzu)।   

    আরও পড়ুন: নতুন সম্প্রচার বিলের খসড়া প্রকাশ নিয়ে বড় ঘোষণা মোদি সরকারের

    বিদেশমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ 

    প্রসঙ্গত, মলদ্বীপের (Maldives) রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জু গত শনিবার ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এবং ঐতিহাসিক সম্পর্ক জোরদার করার জন্য তাঁর সরকারের পূর্ণ অঙ্গীকারের বিষয়টি উপস্থাপিত করেছেন। তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও করেছেন। তাঁরা ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র – অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, আবাসন, প্রতিরক্ষা, পর্যটন, ক্ষমতা উন্নয়ন এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার প্রচেষ্টার জন্য এস জয়শঙ্করের কাছে তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, হাইকোর্ট নির্দেশ দিতেই দিল্লি থেকে এলেন গোয়েন্দারা

    RG Kar Rape-Murder: আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, হাইকোর্ট নির্দেশ দিতেই দিল্লি থেকে এলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (High Court)। ইতিমধ্যে পুলিশের ভূমিকায় চূড়ান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। মামলার কেস ডায়েরি খতিয়ে বলেন, “রাজ্যের হাতে থাকা সব তথ্য এবং নথি সিবিআইকে দিতে হবে। সমস্ত সিসিটিভির ফুটেজ অবিলম্বে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে এবং সেই দিন তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা করতে হবে।” এদিকে আদালতের নির্দেশের পরই তদন্তভার নিতে সিবিআই পৌঁছে যায় টালা থানায়। বুধবার সকালে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। ফলে দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    কেন অস্বাভাবিক মৃত্যু বলা হল (RG Kar Rape-Murder)?

    মঙ্গলবারের শুনানিতে মৃতার পরিবারের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, পরিবারের কাছে প্রথমে কেউ ফোন করে বলেছিল আপনার মেয়ে অসুস্থ। তারপর আবার আরেকজন ফোন করে বলে মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। পাল্টা সরকারি আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, পরিবারের বক্তব্য সঠিক। দু’বার ফোন করা হয়েছিল। তবে হাসপাতালের সহকারী সুপারই ফোনে সংবাদ দিয়েছিলেন। তবে কেউ অভিযোগ না করায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর (RG Kar Rape-Murder) মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরপর প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করে বলেন, “এটা আশা করা যায় না। মৃতদেহ কি রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয়েছে? কেন অস্বাভাবিক মৃত্যু বলা হল। হাসপাতালের সুপার ও অধ্যক্ষ রয়েছেন। প্রিন্সিপালকে পুরস্কৃত করলেন। কেন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করা হল না? এই যুক্তি একদম দেখানো উচিত নয়।” উল্লেখ্য মামলাকারীদের অবশ্য দাবি ছিল রাজ্যের প্রভাব থাকবে না এমন কোনও এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে। ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। হাসপাতালের প্রত্যকে তলার প্রবেশ পথে যেন সিসিটিভি লাগানো হয় সেই দাবিও তোলা হয়।

    কোর্টের গুঁতো

    আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Rape-Murder) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে অন্য কোনও মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাক্ষের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। আজ হাইকোর্টের (High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। সন্দীপের ভূমিকায় আদালত ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। কটাক্ষ করে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, “সারানোর ১২ ঘণ্টার মধ্যেই পুরস্কৃত করা হল অধ্যক্ষকে। পুরস্কৃত অধ্যক্ষকে ছুটিতে যেতে বলুন। তা না হলে আমরা নির্দেশ দেব।” কিন্তু আদালতের নির্দেশের কিছু সময়ের পর জানা যায় সন্দীপ ছুটির আর্জি করেছেন। ঘটনা ঘটার পর কেন হাসপাতালের সুপার এবং অধ্যক্ষ পুলিশের কাছে অভিযোগ করেননি, এই প্রশ্ন উঠেছে আদালতে। সন্দীপ ছুটির আর্জি করলে নাকচ করে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

    আরও পড়ুনঃ‘‘এত পাওয়ারফুল লোক’’! ‘পুরস্কৃত’ সন্দীপকে লম্বা ছুটিতে পাঠাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    চাপে রাজ্য সরকার

    সন্দীপের সময়কালে কেন একজন মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণের শিকার হয়ে খুন (RG Kar Rape-Murder) হতে হল, এই নিয়ে জুনিয়র ডাক্তাররা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। আন্দোলনের চাপে পড়ে রাজ্য সরকার সোমবার অধ্যক্ষ পদ থেকে সরালেও আবার সঙ্গে বদলি করা হয় ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ করে। এরপর সেখানেও বিক্ষোভ শুরু হয়। তাঁকে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন সেখানকার পড়ুয়ারা। অবশেষে লাগাতার আন্দোলনের চাপে কলেজের দায়িত্ব সন্দীপকে না দিয়ে অজয় রায়ের হাতেই রেখেছে রাজ্য সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relations: দিল্লিতে হাসিনা, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না, জানাল বাংলাদেশ

    India Bangladesh Relations: দিল্লিতে হাসিনা, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না, জানাল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা (Seikh Hasina) ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। এর প্রভাব পড়বে না দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে। একথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি পারস্পরিক স্বার্থের ওপর নির্ভর করে। হাসিনার ভারতে অবস্থানের প্রভাব পড়বে না দুই দেশের (India Bangladesh Relation) পারস্পরিক সম্পর্কে জানিয়েছেন তিনি। বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টার এই মন্তব্যে খানিকটা হলেও স্বস্তি পাবেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    ভারতের সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক রাখতে চায় বাংলাদেশ (India Bangladesh Relations)

    তৌহিদ হোসেন এদিন ঢাকায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে দেখা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “দুই দেশের সম্পর্ক (India Bangladesh Relations) অনেক কিছুর উপরে নির্ভর করে। এখানে বন্ধুত্ব দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। আমরা চাই, ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে। প্রসঙ্গত বাংলাদেশ তিন দিক থেকে ভারত দ্বারা বেষ্টিত। অনেক বিষয়েই প্রতিবেশী দেশটি ভারতের উপর নির্ভরশীল। দুই দেশের মধ্যে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ কোটি টাকার বাণিজ্যিক আদান-প্রদান হয়। দুই দেশের সম্পর্কে ঘাটতি এলে তার প্রভাব পড়বে বাণিজ্যে। স্বাভাবিকভাবেই কোনও পক্ষই এক্ষেত্রে চায় না সম্পর্কে তিক্ততা আসুক।

    বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর দাবি (Seikh Hasina)

    অন্যদিকে বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা হোক, এই দাবি জোরালো হচ্ছে। বিএনপি’র তরফ থেকে তাঁকে (Seikh Hasina) দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি প্রক্রিয়ার সম্মুখীন করার দাবি তোলা হচ্ছে। যদিও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা এখনও এ বিষয়ে নীরব। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হবে কিনা, তা নিয়ে এখনও (India Bangladesh Relation) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিক্রিয়া মেলেনি। এই মুহূর্তে দেশে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি সামাল দেওয়ায় দেওয়ার প্রচেষ্টায় মগ্ন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা।

    আরও পড়ূন: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর গ্রামের জমিও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা! হতবাক বাসিন্দারা

    পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে শেখ হাসিনার বিষয়ে তাঁরা ভাবলেও ভাবতে পারেন। যদিও শরণ দেওয়া কোনও ব্যক্তিকে তাঁর দেশে শাস্তি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়ার জন্য ফেরত পাঠানোর নজির নেই ভারতবর্ষে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Violence Against Hindus: প্রশাসনের মৌখিক আশ্বাসই সার! বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়েই চলেছেন হিন্দুরা

    Violence Against Hindus: প্রশাসনের মৌখিক আশ্বাসই সার! বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়েই চলেছেন হিন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ছাড়ার পর থেকেই বাংলাদেশ অশান্ত। অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে শুরু হয় হিন্দু সহ (Violence Against Hindus) অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পরও সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বন্ধ হয়নি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর ভয়াবহ আক্রমণ ও নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। দেশের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৮ শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এখন গভীর বিপদের মুখে পড়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, হিন্দু পরিবারগুলি তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে, মন্দিরগুলি ভাঙচুর করা হচ্ছে।

    হিন্দুরাই হিংসার লক্ষ্য

    শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকে এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই শত শত প্রাণহানি ঘটেছে, এবং বিভিন্ন জেলা থেকে গণপিটুনি ও নৃশংস হামলার খবর পাওয়া গিয়েছে। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে অন্তত ৫২টি জেলায় সাম্প্রতিককালে তীব্র সাম্প্রদায়িক হিংসা (Violence Against Hindus) দেখা গিয়েছে। হরধন রায়ের মতো কাউন্সিলরদের গণপিটুনির শিকার হতে হয়েছে, মেহেরপুরের ইসকন মন্দিরগুলিতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে আরও নানা মন্দির। বাংলাদেশে এই ঘটনা নতুন নয়।  ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকেও বাংলাদেশি হিন্দুরা এই ধরনের হিংসার শিকার হন। ১৯৫১ সালে বাংলাদেশ হিন্দু জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২২ শতাংশ। এরপর থেকে কমতে থাকে হিন্দুদের সংখ্যা। তাদের অনেকেই ভারতে পালিয়ে এসেছেন বলেও জানা গিয়েছে।

    ভারতে প্রভাব

    আগেও হামলা হয়েছে বাংলাদেশের হিন্দু (Violence Against Hindus)  এবং মন্দিরের উপরে। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পরে সেখানে নতুন করে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ শুরু হয়েছে।  বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার ভারতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। ইতিমধ্যে হাজার হাজার হিন্দু বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে এসেছেন। বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য সেদেশের অর্তর্বর্তী সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আন্তর্জাতিক স্তরে এ বিষয়ে অবিলম্বে পদক্ষেপ করারও দাবি জানিয়েছেন মোদি। রাষ্ট্রসঙ্ঘ বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হওয়া অত্যাচারের নিন্দা করেছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সংখ্যালঘুদের স্বার্থ দেখার কথাও বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: নভেম্বরেই রাজ্যসভায় পাশ হবে ওয়াকফ সংশোধনী বিল? আত্মবিশ্বাসী মোদি সরকার

    সংখ্যালঘুদের আর্তনাদ

    নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে যেভাবেই হোক আইন-শৃঙ্খলা যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত সে দেশে অরাজক পরিস্থিতি বজায় রয়েছে। এর প্রতিবাদে রাস্তায় (Bangladesh) নেমেছেন সেখানের হিন্দুরা। এই হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে আগেই তাঁরা মিছিল করেছেন ঢাকা এবং চট্টগ্রামে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে এবার একটি বৈঠক করতে চলেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। প্রাণভয়ে ভীত হিন্দুরা তাঁদের দাবি জানাতে চলেছেন সেই বৈঠকে। তবে লাভ কতটা হবে, তা সময়ই বলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: মেহেরপুর ইসকন মন্দিরে মুসলিমদের আক্রমণ, বাঁচতে কুয়োতে ঝাঁপ হিন্দুদের!

    Bangladesh Crisis: মেহেরপুর ইসকন মন্দিরে মুসলিমদের আক্রমণ, বাঁচতে কুয়োতে ঝাঁপ হিন্দুদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) মেহেরপুর ইসকন মন্দিরে (Meherpur ISKCON temple) কট্টর মৌলবাদী মুসলিমদের দ্বারা সংগঠিত দাঙ্গা থেকে বাঁচতে হিন্দুরা একটি কুয়োয় ঝাঁপ দেন। এই পৈশাচিক হামলার বিবরণ সংবাদমাধ্যমের দৌলতে প্রকাশ্যে এসেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনা প্রমাণ করে দেয়, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পর সেই দেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর কতটা নির্মম অত্যাচার নেমে এসেছে। সেনাবাহিনী এবং অন্তর্বর্তী সরকার মৌখিক নিরাপত্তার কথা বললেও, হিন্দু ধর্মের মানুষের জনজীবন এখনও বিপন্ন। আইনের শাসন নেই ওপার বাংলায়। প্রতিবাদে একাধিক শহরে লক্ষ লক্ষ হিন্দুদের বিক্ষোভে নেমেছেন।

    ভিডিওতে কী দেখা গিয়েছে (Bangladesh Crisis)?

    জানা গিয়েছে, ভিডিওটি ৫ অগাস্টের। সেদিন বাংলাদেশ অগ্নিগর্ভ ছিল, গণভবনে চলছিল লুট, প্রায় সব থানা হয়ে গিয়েছিল পুলিশ শূন্য! এমন অবস্থায় কট্টর ইসলামি মৌলবাদীরা মেহেরপুর (Bangladesh Crisis) ইসকন মন্দিরে (Meherpur ISKCON temple) নৃশংস হামলা চালায়। হামলার কয়েকদিন পর একটি ভিডিও সামনে এসেছে। ইতিমধ্যে একাধিক সংবাদ মাধ্যম সেই ভিডিওকে সম্প্রচার করছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, হিন্দু ধর্মগ্রন্থ পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরের মূর্তিগুলিকে ভাঙচুর করা হয়েছে। এমন অবস্থায় মন্দিরে আটকে থাকা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা জীবন বাঁচাতে কুয়োর জলে ঝাঁপ দিয়ছিলেন। জানা গিয়েছে, মোট ১৬-১৭ জন মানুষ কুয়োতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। পরে মন্দিরের আশেপাশের লোকজন দড়ি ফলে কুয়ো থেকে ঝাঁপ দেওয়া সমস্ত হিন্দুকে বের করে নিয়ে আসেন। মন্দিরের মুখপাত্র সুমোহন মুকুন্দ দাসও আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অত্যাচারের শিকার হিন্দুরা

    মেহেরপুরের (Meherpur ISKCON temple) ইসকন মন্দিরের পাশাপাশি ওইদিন ১টি কালী মন্দির ও ২টি দুর্গা মন্দির লুটপাট ও ভাংচুর করা হয়। ১০টির বেশি হিন্দু বাড়ি এবং ৮/৯টি হিন্দু মালিকানাধীন দোকান লুট করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ২ জন হিন্দু মেয়েকে অপহরণ করা হয়। মন্দিরের মুখপাত্র সুমোহন মুকুন্দ দাস পরিস্থিতির ভয়াবহ বিবরণ দিয়ে বলেন, “উগ্র মুসলিম মৌলবাদীরা আমাদের ইসকন মন্দিরকে টার্গেট করেছে এবং ভাঙচুর করেছে। মন্দিরের ভেতরেও বোমা ছোড়া হয়। সারা রাত আমাদের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল, যখন আমরা কারও বাড়িতে আশ্রয় চাইছিলাম তারা বলেছিল, আমরা যদি আপনাকে আশ্রয় দিই তাহলে মুসলমানরা আমাদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেবে। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, হিন্দুরা সর্বদা অত্যাচারের (Bangladesh Crisis) শিকার হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন ৭০ হাজার বিএসএফ জওয়ান

    প্রতিবাদে লক্ষ লক্ষ হিন্দুদের বিক্ষোভ

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দুরা ইসলামি মৌলবাদীদের হাতে ক্রমাগত হামলার সম্মুখীন হচ্ছে। মুসলিম মৌলবাদীরা ক্রমাগত হিন্দুদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং মন্দিরকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে ব্যাপক নির্যাতন করছে। গত কয়েক দিনে হিন্দুরা, বাংলাদেশে চট্টগ্রামের (Bangladesh Crisis) চিরাগী পাহাড় মোড়, বগুড়ার সাত মাথার মোড়, ঢাকার শাহবাগ, খুলনার শিববাড়ি এবং গোপালগঞ্জ সহ একাধিক জায়গায় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ করে গণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে। হিন্দুদের মূল শ্লোগান ছিল, ‘আমার মাটি আমার দেশ, বাংলা ছেড়ে যাব ক্যান।’ একই ভাবে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, আসানসোল, কল্যাণী, শিলিগুড়ি, কোচবিহার সহ একাধিক জায়গায় বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হিন্দু সংগঠন আরএসএস-এর পক্ষ থেকেও ভারত সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIRF 2024: দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির র‍্যাঙ্কিং প্রকাশিত, জায়গা পেল রাজ্যের কোনগুলি?

    NIRF 2024: দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির র‍্যাঙ্কিং প্রকাশিত, জায়গা পেল রাজ্যের কোনগুলি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ১২ অগাস্ট সমস্ত বিভাগের জন্য ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্কিং ঘোষণা করেছেন। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশন্যাল র‍্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক বা এনআইআরএফ (NIRF 2024) র‍্যাঙ্কিং তালিকাগুলি এখন nirfindia.org-এ ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইন্ডিয়া র‍্যাঙ্কিং (India Ranking) ঘোষণা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। র‍্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্কের নবম সংস্করণে মোট ১০ হাজার ৮৮৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। ২০১৬ সালে প্রথম সংস্করণ থেকে ২০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আইআইটি মাদ্রাজ সামগ্রিক বিভাগে শীর্ষে (NIRF 2024)

    এনআইআরএফ -এর র‍্যাঙ্কিং (NIRF 2024) তালিকা ১৬টি বিভিন্ন বিভাগের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। এই বছর তিনটি নতুন বিভাগ- রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দক্ষতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য বিভাগগুলির মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রকৌশল, ব্যবস্থাপনা, ফার্মেসি, চিকিৎসা, ডেন্টাল, আইন, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা, কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাত এবং উদ্ভাবন। আইআইটি (IIT) মাদ্রাজ সামগ্রিক বিভাগে শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আইআইএসসি (IISC) বেঙ্গালুরু। আর তৃতীয় স্থানে (IIT) বম্বে আইআইটি। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগেও শীর্ষে আইআইটির মাদ্রাজ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি এবং তৃতীয় স্থানে আইআইটি বম্বে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    চিকিৎসা বিভাগে এইমস (AIIMS) দিল্লি শীর্ষে (NIRF 2024) 

    চিকিৎসা বিভাগের জন্য, এইমস (AIIMS) দিল্লি শীর্ষে স্থান পেয়েছে। দ্বিতীয় স্থানটি পিজিআইএমইআর চণ্ডীগড় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভেলোর খ্রিস্টান মেডিক্যাল কলেজ। দিল্লি এইমস স্বাস্থ্য বিভাগে টানা সাত বছর ধরে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে এবং আইআইএম (IIM) আমেদাবাদ ধারাবাহিকভাবে পাঁচ বছর ধরে ম্যানেজমেন্ট বিভাগে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। এছাড়াও বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি (IISC) আবার র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। জেএনইউ (JNU) এবং জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে। আইআইএসসি (IISC) বেঙ্গালুরু ‘সামগ্রিক’ বিভাগে দ্বিতীয়-সেরা প্রতিষ্ঠান হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে।

    ভারতে সামগ্রিকভাবে শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠান এবং নীচের প্রতিটি বিভাগ থেকে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলি দেখুন:

    এনআইআরএফ (NIRF 2024) র‍্যাঙ্কিং : ‘সামগ্রিক’ বিভাগে শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠান। এক নম্বরে রয়েছে আইআইটি (IIT) মাদ্রাজ। দ্বিতীয় নম্বরে রয়েছে আইআইএসসি (IISC) বেঙ্গালুরু। তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইআইটি (IIT) বম্বে। চতুর্থ স্থানে রয়েছে আইআইটি (IIT) দিল্লি। পঞ্চম স্থানে আইআইটি (IIT) কানপুর। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে আইআইটি (IIT) খড়গপুর। সপ্তম স্থানে এইমস (AIIMS) দিল্লি। অষ্টম স্থানে আইআইটি (IIT) রুরকি। নবম স্থানে আইআইটি (IIT) গুয়াহাটি। আর দশম স্থানে রয়েছে জেএনইউ।

     ভারতের শীর্ষ ৫টি ‘বিশ্ববিদ্যালয়'(NIRF 2024) 

    প্রথম: আইআইএসসি (IISC) বেঙ্গালুরু, কর্নাটক।

    দ্বিতীয়: জেএনইউ (JNU), দিল্লি।

    তৃতীয়: জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া (জেএমআই), দিল্লি।

    চতুর্থ: মণিপাল অ্যাকাডেমি অফ হায়ার এডুকেশন (MAHE), কর্নাটক।

    পঞ্চম: বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (BHU), উত্তরপ্রদেশ।

     ভারতের শীর্ষ ১০টি ইঞ্জিনিয়ারিং’ প্রতিষ্ঠান (NIRF 2024) 

    প্রথম: আইআইটি,(IIT) মাদ্রাজ, তামিলনাডু।

    দ্বিতীয়: আইআইটি (IIT) দিল্লি।

    তৃতীয়: আইআইটি (IIT) বম্বে, মহারাষ্ট্র।

    চতুর্থ: আইআইটি (IIT) কানপুর, উত্তরপ্রদেশ

    পঞ্চম: আইআইটি (IIT) খড়গপর, পশ্চিমবঙ্গ।

    ষষ্ঠ: আইআইটি (IIT) রুরকি, উত্তরাখণ্ড।

    সপ্তম: আইআইটি (IIT) গুয়াহাটি, অসম।

    অষ্টম: আইআইটি (IIT) হায়দরাবাদ, তেলঙ্গানা।

    নবম: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (NIT) তিরুচিরাপল্লি, তামিলনাডু।

    দশম: ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি) বারাণসী (আইআইটি-বিএইচইউ)

     

    ভারতের শীর্ষ ১০টি ‘ম্যানেজমেন্ট’ প্রতিষ্ঠান (NIRF 2024) 

    প্রথম: আইআইএম আমেদাবাদ, গুজরাট।

    দ্বিতীয়: আইআইএম, বেঙ্গালুরু, কর্নাটক।

    তৃতীয়: আইআইএম কোঝিকোড, কেরল।

    চতুর্থ: আইআইটি দিল্লি।

    পঞ্চম: আইআইএম কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।

    ষষ্ঠ: আইআইএম মুম্বই, মহারাষ্ট্র।

    সপ্তম: আইআইএম লখনউ, উত্তরপ্রদেশ।

    অষ্টম: আইআইএম ইন্দোর, মধ্যপ্রদেশ।

    নবম: জেভিয়ার স্কুল অফ ম্যানেজমেন্ট জামশেদপুর, ঝাড়খণ্ড।

    দশম: আইআইটি বম্বে, মহারাষ্ট্র।

     

    ভারতের শীর্ষে ১০টি ‘ফার্মেসি’ প্রতিষ্ঠান (NIRF 2024) 

    প্রথম: জামিয়া হামদর্দ, দিল্লি।

    দ্বিতীয়: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফার্মাসিউটিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (NIPER) হায়দরাবাদ, তেলঙ্গানা।

    তৃতীয়: বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স (বিআইটিএস) পিলানি, রাজস্থান

    চতুর্থ: জেএসএস কলেজ অফ ফার্মেসি – উটি, তামিলনাডু

     

    ভারতে শীর্ষ ১০ টি ‘কলেজ’ (NIRF 2024) 

    প্রথম: হিন্দু কলেজ, দিল্লি।

    দ্বিতীয়: মিরান্ডা হাউস, দিল্লি।

    তৃতীয়: সেন্ট স্টিফেন কলেজ, দিল্লি।

    চতুর্থ: রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ শতবর্ষী কলেজ, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।

    পঞ্চম: আত্মা রাম সনাতন ধর্ম কলেজ, দিল্লি।

    ষষ্ঠ: সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।

    সপ্তম: পিএসজিআর কৃষ্ণম্মল কলেজ ফর উইমেন, কোয়েম্বাটোর, তামিলনাডু।

    অষ্টম: লয়োলা কলেজ চেন্নাই, তামিলনাডু

    নবম: কিরোরি মাল কলেজ, দিল্লি।

    দশম: মহিলাদের জন্য লেডি শ্রী রাম কলেজ, দিল্লি।

     

    ভারতের শীর্ষ ৫টি ‘মেডিক্যাল’ কলেজ (NIRF 2024) 

    প্রথম: দিল্লি এইমস (AIIMS), দিল্লি।

    দ্বিতীয়: পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (PGIMER), চণ্ডীগড়।

    তৃতীয়: খ্রিস্টান মেডিকেল কলেজ (CMC), ভেলোর, তামিলনাডু।

    চতুর্থ: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড নিউরো সায়েন্সেস (NIMHANS), বেঙ্গালুরু, কর্নাটক।

    পঞ্চম: বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (BHU), উত্তরপ্রদেশ।

     

    ভারতের শীর্ষ ৫টি ‘গবেষণা প্রতিষ্ঠান’ (NIRF 2024) 

    প্রথম: আইআইএসসি (IISC), বেঙ্গালুরু, কর্নাটক।

    দ্বিতীয়: আইআইটি (IIT) মাদ্রাজ, চেন্নাই, তামিলনাডু।

    তৃতীয়: আইআইটি (IIT) দিল্লি। 

    চতুর্থ: আইআইটি (IIT) বোম্বে, মুম্বই, মহারাষ্ট্র।

    পঞ্চম: আইআইটি (IIT) খড়গপুর, পশ্চিমবঙ্গ

     

    ভারতের শীর্ষ ১০টি ‘উদ্ভাবন’ প্রতিষ্ঠান

    প্রথম: আইআইটি, (IIT) বম্বে, মুম্বই, মহারাষ্ট্র।

    দ্বিতীয়: আইআইটি (IIT) মাদ্রাজ, চেন্নাই, তামিলনাডু।

    তৃতীয়: আইআইটি (IIT) হায়দরাবাদ, তেলঙ্গানা।

    চতুর্থ: আইআইএসসি (IISC) বেঙ্গালুরু, কর্নাটক।

    পঞ্চম: আইআইটি  (IIT) কানপুর, উত্তরপ্রদেশ।

    ষষ্ঠ: আইআইটি (IIT) রুরকি, উত্তরাখণ্ড।

    সপ্তম: আইআইটি (IIT) দিল্লি।

    অষ্টম: আইআইটি, (IIT) মান্ডি, হিমাচলপ্রদেশ।

    নবম:  আইআইটি (IIT) খড়গপুর, পশ্চিমবঙ্গ।

    দশম: আন্না বিশ্ববিদ্যালয়, চেন্নাই, তামিলনাডু।

     

    ভারতের শীর্ষ ৫টি ‘আইন’ কলেজ (NIRF 2024) 

    প্রথম: ন্যাশনাল ল স্কুল অফ ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি, বেঙ্গালুরু, কর্নাটক।

    দ্বিতীয়: ন্যাশনাল ল ইউনিভার্সিটি (NLU) দিল্লি, নয়াদিল্লি।

    তৃতীয়: নলসার ইউনিভার্সিটি অফ ল অবস্থান: হায়দ্রাবাদ, তেলঙ্গানা।

    চতুর্থ: ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ জুরিডিকাল সায়েন্সেস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।

    পঞ্চম: সিম্বায়োসিস ল স্কুল অবস্থান: পুনে, মহারাষ্ট্র।

     

    ভারতের শীর্ষ ৫টি ‘স্থাপত্য’ প্রতিষ্ঠান

    প্রথম: আইআইটি (IIT) রুরকি, উত্তরাখণ্ড।

    দ্বিতীয়: আইআইটি (IIT) খড়্গপুর, পশ্চিমবঙ্গ।

    তৃতীয়: এনআইটি (NIT) কালিকট কোঝিকোড়, কেরল।

    চতুর্থ: ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, শিবপুর, পশ্চিমবঙ্গ।

    পঞ্চম: স্কুল অফ প্ল্যানিং অ্যান্ড আর্কিটেকচার, দিল্লি।

     

     ভারতের শীর্ষ ৫টি ‘ডেন্টাল’ ইনস্টিটিউট

    প্রথম: সাভেথা ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল সায়েন্সেস, চেন্নাই, তামিলনাড়ু।

    দ্বিতীয়: মণিপাল কলেজ অফ ডেন্টাল সায়েন্সেস, উডুপি, কর্নাটক।

    তৃতীয়: মৌলানা আজাদ ইনস্টিটিউট অফ ডেন্টাল সায়েন্সেস, দিল্লি।

    চতুর্থ: কিং জর্জ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় লখনউ, উত্তরপ্রদেশ।

    পঞ্চম: ড. ডিওয়াই পাতিল বিদ্যাপীঠ, পুনে, মহারাষ্ট্র।

     

    ভারতের শীর্ষ ৫ ‘কৃষি ও সহযোগী’ প্রতিষ্ঠান

    প্রথম: ভারতীয় কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, নতুন দিল্লি, দিল্লি।

    দ্বিতীয়: আইসিএআর ( ICAR )- ন্যাশনাল ডেয়ারি রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কর্ণাল, হরিয়ানা।

    তৃতীয়: পাঞ্জাব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় লুধিয়ানা, পাঞ্জাব।

    চতুর্থ: বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, বারাণসী, উত্তরপ্রদেশ।

    পঞ্চম: ইন্ডিয়ান ভেটেরিনারি রিসার্চ ইনস্টিটিউট ইজাতনগর, উত্তরপ্রদেশ।

     

     ভারতের শীর্ষ ৩টি ‘ওপেন ইউনিভার্সিটি’ (NIRF 2024) 

    প্রথম: ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (IGNOU) নতুন দিল্লি, দিল্লি।

    দ্বিতীয়: নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।

    তৃতীয়: ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আমেদাবাদ, গুজরাট।

     

     ভারতের শীর্ষ ৩টি ‘স্কিল ইউনিভার্সিটি’

    প্রথম: সিম্বায়োসিস স্কিলস অ্যান্ড প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটি পুনে, মহারাষ্ট্র

    দ্বিতীয়: শ্রী বিশ্বকর্মা স্কিল ইউনিভার্সিটি পালওয়াল, হরিয়ানা।

    তৃতীয়: ভারতীয় দক্ষতা উন্নয়ন বিশ্ববিদ্যালয় জয়পুর, রাজস্থান।

     

    ভারতের শীর্ষ ১০টি ‘রাজ্য সরকারের অধীনস্থ বিশ্ববিদ্যালয়’

    প্রথম: আন্না বিশ্ববিদ্যালয় চেন্নাই, তামিলনাড়ু।

    দ্বিতীয়: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।

    তৃতীয়: সাবিত্রীবাই ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়, মহারাষ্ট্র।

    চতুর্থ: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।

    পঞ্চম: পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় চণ্ডীগড়, পাঞ্জাব।

    ষষ্ঠ: ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় হায়দ্রাবাদ, তেলঙ্গানা।

    সপ্তম: অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় বিশাখাপত্তনম, অন্ধ্রপ্রদেশ।

    অষ্টম: ভারতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় কোয়েম্বাটোর, তামিলনাড়ু।

    নবম: কেরল বিশ্ববিদ্যালয় তিরুবনন্তপুরম, কেরল।

    দশম: কোচি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কোচি, কেরল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share