Tag: bangla news

bangla news

  • Rahul Gandhi: ট্রেনের চালকরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পান, রাহুলের দাবি খারিজ করে জানালেন রেলমন্ত্রী

    Rahul Gandhi: ট্রেনের চালকরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পান, রাহুলের দাবি খারিজ করে জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগে নিউ দিল্লি স্টেশনে গিয়ে লোকো পাইলট অর্থাৎ ট্রেনের চালকের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। জানতে চেয়েছিলেন তাঁদের সমস্যার কথা। তাঁরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন না বলে পরে অভিযোগ করেছিলেন রাহুল। এরপরেই লোকো পাইলটদের নিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে নাম না করে বিরোধী দলনেতাকে নিশানা করেন রেলমন্ত্রী অশ্বীনি বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি বলেন, ‘‘বিরোধীরা নাটক করছেন। ভুল তথ্য দিয়ে লোকো পাইলটদের কাজে অনুৎসাহী করে তোলার চেষ্টা করছে বিরোধীরা।’’

    নাম না করে তাঁর পোস্টে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিশানা করেন রেলমন্ত্রী

    বুধবার রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) নাম না করে তাঁর পোস্টে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিশানা করেন। বিরোধী দলনেতার (Rahul Gandhi) আচমকা লোকো পাইলটদের সঙ্গে দেখা করার ঘটনাকে নাটক বলেও কটাক্ষ করেন রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব। তিনি বলেছেন, লোকো পাইলটেরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন। রেলমন্ত্রীর দাবি, দিনে গড়ে আট ঘণ্টা কাজ করতে হয় তাঁদের। গত মাসেই এই গড় ছিল। কোনও কারণে কাজের মেয়াদ বেড়ে গেলে বিশ্রামের জন্য বাড়তি সময় বরাদ্দ করা হয়।

    ২০১৪-র পর লোকো পাইলটদের কাজের পরিবেশের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে 

    রেলমন্ত্রীর দাবি, ২০১৪-র পর লোকো পাইলটদের কাজের পরিবেশের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। সারা দেশে লোকো পাইলটদের বিশ্রামের জন্য ৫৫৮টি রানিং রুম আছে। প্রায় সব ক’টিই এয়ার কন্ডিশনড। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ট্রেন চলাচলের সঙ্গে যুক্ত ৩৪ হাজার পদ বিগত কয়েক বছরে পূরণ করা হয়েছে। আরও ১৮ হাজার পদ পূরণের প্রক্রিয়া জারি আছে। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে বেশ কয়েকটি রেল দুর্ঘটনায় আলোচনায় ট্রেনের চালকদের শরীর-স্বাস্থ্যের বিষয়টি সামনে আসে। ঠিক এই আবহে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েন রাহুল। কিন্তু রাহুলের দাবি যে সর্বৈব মিথ্যা তা রীতিমতো তথ্য পরিসংখ্য়ান তুলে ধরে প্রমাণ করেন রেলমন্ত্রী।

    লোকো পাইলটদের বক্তব্য নিয়ে আগেই ভিডিও প্রকাশ করেছিল উত্তর রেল 

    প্রসঙ্গত, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) নিউ দিল্লি স্টেশনে লোকো পাইলটদের রেস্ট রুমে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত লোকো পাইলটদের একাংশ তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। সেই ছবি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সৌজন্যে সামনেও আসে। পরে উত্তর রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বিবৃতি দিয়ে দাবি করেন, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) যাঁদের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা বহিরাগত। রেলের লোকো পাইলট নন। উত্তর রেল এরপর একাধিক লোকো পাইলটের ভিডিও সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে। ভিডিও সাক্ষাৎকারে ট্রেন চালকেরা জানান, তাঁদের কাজের পরিবেশ এবং সুযোগ সুবিধা আগের তুলনায় যথেষ্ট ভাল। তাঁরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন। তখনই  বোঝা যায় রাহুলের দাবি ঠিক কতটা মিথ্যা। এরপর সামনে আসে রেলমন্ত্রীর ট্যুইট। এর আগে লোকসভায় রাহুল (Rahul Gandhi) এক নিহত অগ্নিবীরের পরিবার ক্ষতিপূরণের বিষয়েও লোকসভায় মিথ্যা তথ্য তুলে ধরেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: ফের শিশুচোর সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনির ঘটনায় শোরগোল হাওড়ায়

    Howrah: ফের শিশুচোর সন্দেহে এক যুবককে গণপিটুনির ঘটনায় শোরগোল হাওড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশুচোর সন্দেহে ফের গণপিটুনির ঘটনায় শোরগোল পড়েছে হাওড়ায় (Howrah)। জানা গিয়েছে, বাঁকড়ার ফকিরবাগান এলাকায় এক যুবককে ঘিরে ধরে ব্যাপক মারধর করে স্থানীয় কিছু লোকজন। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তবে মারমুখী জনতার কাছ থেকে যুবককে ছাড়াতে নাকাল হতে হয় পুলিশকে। যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

    পুলিশের সামনেই চলে মারধর (Howrah)

    শনিবার রাতে হাওড়ার (Howrah) ফকির বাগান এলাকায় এক যুবককে অহেতুক ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এরপর এলাকার কয়েকজন, ওই যুবককে দেখতেই সন্দেহ প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এই যুবক একটি শিশুকে চুরি করে পালানোর চেষ্টা করেছিল। ঠিক সেই সময় তাকে ধরে ফেলি আমরা। এরপর শুরু হয় যুবককে ঘিরে উত্তেজিত জনতার মারধর। এই মারধরের (Beaten up) ঘটনার ভিডিও করা হয় এবং তা সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। যদিও এই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে ভিডিওতে দেখা যায়, ওই যুবককে ধরে কিল-চড় মারা হচ্ছে। কিন্তু ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলেও পুলিশের সামনেই চলে মারধর এবং ধাক্কাধাক্কি। কিছুক্ষণ পরেই নিগৃহীত যুবককে উদ্ধার করে পুলিশ গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়। তবে পুলিশের কাছে এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ জানাননি। পুলিশ নিজে থেকেই ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

    আরও পড়ুনঃ“মমতা না পারলে আমি দেখে নেব”, অবৈধ নির্মাণ ভাঙা নিয়ে তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    লাগাতার গণপিটুনি!

    রাজ্যে গত একমাস ধরে জেলায় জেলায় একাধিক জায়গায় চোর সন্দেহে প্রকাশ্যে গণপিটুনির ঘটনা ঘটে চলছে। কোথাও শিশু চুরি, কোথাও মোবাইল চুরি আবার কোথাও গাড়ি চুরির অভিযোগে মারধরের ঘটনা ঘটে চলেছে। প্রশাসন এই ঘটনাগুলিতে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শুধু সন্দেহের বশে চোর মনে করে এই ভাবে পেটানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক বার প্রচারও করা হচ্ছে, কিন্তু তবুও একের পর এক গণপিটুনির (Beaten up) ঘটনা ঘটেই চলছে। ইতিমধ্যে বউবাজার, সল্টলেক, পাণ্ডুয়া, তারকেশ্বর, ঝাড়গ্রামে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এবার হাওড়ায় (Howrah) আরেক বার কেবলমাত্র সন্দেহের বশে গণপিটুনির ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 75: “কেশব তাঁহার সাধুচরিত্র ও বক্তৃতাবলে মাষ্টারের ন্যায় অনেক বঙ্গীয় যুবকের মন হরণ করিয়াছেন”

    Ramakrishna 75: “কেশব তাঁহার সাধুচরিত্র ও বক্তৃতাবলে মাষ্টারের ন্যায় অনেক বঙ্গীয় যুবকের মন হরণ করিয়াছেন”

    শ্রীযুক্ত কেশবচন্দ্র সেনের সহিত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের নৌকাবিহার, আনন্দ কথোপকথন

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণসমাধি মন্দিরে

    বেলা ৪টা বাজিয়া গিয়াছে। ঠাকুর নৌকা করিয়া জাহাজে উঠিয়াছেন। সঙ্গে বিজয়। নৌকা উঠিয়াই বাহ্যশূন্য! সমাধিস্থ!

    মাস্টার জাহাজে দাঁড়াইয়া সেই সমাধি-চিত্র দেখিতেছেন! তিনি বেলা তিনটার সময় কেশবের জাহাজে চড়িয়া কলিকাতা হইতে আসিয়াছেন। বড় সাধ, দেখিবেন ঠাকুর ও কেশবের মিলন ও তাঁহাদের আনন্দ, শুনিবেন তাঁহাদের কথাবার্তা। কেশব তাঁহার সাধুচরিত্র ও বক্তৃতাবলে (Kathamrita) মাষ্টারের ন্যায় অনেক বঙ্গীয় যুবকের মন হরণ করিয়াছেন। অনেকেই তাঁহাকে পরম আত্মীয়বোধে হৃদয়ের ভালবাসা দিয়াছেন। কেশব ইংরেজী পড়া লোক, ইংরেজি দর্শন সাহিত্য পড়িয়াছেন। তিনি আবার দেবদেবীপূজাকে অনেকবার পৌত্তলিকতা বলিয়াছেন। এইরূপ লোক শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) ভক্তি-শ্রদ্ধা করেন, আবার মাঝে দর্শন করিতে আসেন; এটি বিস্ময়কর ব্যাপার বটে। তাঁহাদের মনের মিল কোনখানে বা কেমন করিয়া হইল—এ-রহস্য ভেদ করিতে মাষ্টারাদি অনেকেই কৌতূহলাক্রান্ত হইয়েছেন। ঠাকুর নিরাকারবাদী বটেন, কিন্তু আবার সাকারবাদী। ব্রহ্মের চিন্তা করেন, আবার দেবদেবী-প্রতিমার সম্মুখে ফুল-চন্দন দিয়া পূজা ও প্রেমে মাতোয়ারা হইয়া নৃত্যগীত করেন। খাট-বিছানায় বসেন, লালপেড়ে কাপড়, জামা, মোজা, জুতা পরেন। কিন্তু সংসার করেন না। ভাব সমস্ত সন্ন্যাসীর; তাই লোকে পরমহংস (Ramakrishna) বলে। এদিকে কেশব নিরাকারবাদী, স্ত্রী-পুত্র লইয়া সংসার করেন, ইংরেজীতে লেকচার দেন (Kathamrita), সংবাদপত্রে লেখেন, সংবাদপত্রে লেখেন, বিষয়কর্ম করেন।   

     আরও পড়ুনঃ “বৃন্দাবনে নতুন যাত্রী গেলে ব্রজ বালকেরা বলতে থাকে, হরি বোলো গাঁঠরী খোলো”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Temple: ৪৬ বছর পরে খোলা হল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডার, কী মিলল?

    Jagannath Temple: ৪৬ বছর পরে খোলা হল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডার, কী মিলল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ঠিক দুপুর ১টা বেজে ২৮ মিনিট। ৪৬ বছর পরে ‘পবিত্র মুহূর্তে’ খোলা হল পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের (Jagannath Temple) রত্ন ভান্ডারের দরজা। রবিবার রাজ্য সরকারের জারি করা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা এসওপিকে অনুসরণ করে জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডার (Ratna Bhandar) খোলা হতে চলেছে। এর আগে গতকাল শনিবার ওড়িশার বিজেপি সরকার ৪ দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হয়ে থাকা রত্ন ভান্ডার খোলার অনুমোদন দেয়। পুরীর রত্নভাণ্ডার নিয়ে ছড়িয়ে রয়েছে নানা মিথ। জানা যায়, ১৯২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুরীর রাজা গজপতি রামচন্দ্র দেবের তৈরি করা একটি তালিকা অনুসারে, জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার সোনার মুকুট সহ ১৫০টি সোনার অলঙ্কার সহ ৮৩৭টি জিনিস রয়েছে এই ঘরে। সোনার অলঙ্কারগুলির মোট ওজন নাকি ১৫ কেজিরও বেশি।

    মুখ্যমন্ত্রীর ট্যুইট

    মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির দফতরের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘‘হে জগন্নাথ, তোমার ইচ্ছেতেই এই মন্দিরের চারটি দরজা খুলেছিল। আবার তোমারই ইচ্ছেতে ৪৬ বছর পরে মন্দিরের রত্নভান্ডারের দরজাও অবারিত হল। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই মহৎ কাজ সফল হবে।’’

    কী বলছেন শ্রী জগন্নাথ টেম্পেল (Jagannath Temple) অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এসজিটিএ-এর প্রধান?  

    শ্রী জগন্নাথ (Jagannath Temple) টেম্পেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এসজিটিএ-এর প্রধান অরবিন্দ পাধি এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘ওড়িশা সরকার রত্ন ভান্ডার খোলার জন্য এসওপি অনুমোদন করেছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ রত্ন ভান্ডারটি খোলা হল। বিভিন্ন সেবা কার্যের সঙ্গে যুক্ত অনুমোদিত প্রতিনিধিরা, এএসআইয়ের আধিকারিকরা, শ্রী গজপতি মহারাজের প্রতিনিধি এবং অন্যান্যরা সেখানে উপস্থিত থেকে পুরো বিষয়টিকে ভিডিও রেকর্ডিং করেন। এই ভিডিও কোনওভাবেই প্রচার করা হবে না গোপন রাখা হবে।’’

    কী বলছেন পুরীর পুলিশ সুপার?

    পুরীর পুলিশ সুপার পিনাক মিশ্র এ বিষয়ে বলেন, ‘‘সমস্ত দিক মাথায় রেখেই সব রকমের নিরাপত্তার ব্যবস্থা (Ratna Bhandar) করা হয়। সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতে কুইক রেসপন্স টিম মোতায়ন করা হয়েছে। সমস্ত জরুরি ব্যবস্থা তৈরি রাখা হয়েছে। পরিকল্পনাও সম্পূর্ণ হয়েছে।’’

    কী বলছেন খ্যাতনামা শিল্পী সুদর্শন পট্টনায়েক?

    রত্ন ভান্ডার পুনরায় খোলার বিষয়ে বলতে গিয়ে কমিটির সদস্য তথা দেশের অন্যতম খ্যাতনামা শিল্পী সুদর্শন পট্টনায়েক বলেন, ‘‘হাইকোর্টের আদেশের পরে এএসআই মন্দির পরিচালনা কমিটিকে একটি চিঠি দেয়। বিষয়বস্তু ছিল যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি হস্তান্তর করতে হবে। কারণ রত্ন ভান্ডারের (Ratna Bhandar) মেরামত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমিও এই বিষয়ে জগন্নাথ মন্দির কমিটির চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখেছিলাম। আজ রত্ন ভান্ডার খোলা হল।’’ জানা গিয়েছে, আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া বা এএসআই রত্ন ভান্ডারের মেরামতের কাজ করবে। এটি শেষবারের মতো খোলা হয়েছিল ১৯৭৮ সালে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: “মমতা না পারলে আমি দেখে নেব”, অবৈধ নির্মাণ ভাঙা নিয়ে তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Gangopadhyay: “মমতা না পারলে আমি দেখে নেব”, অবৈধ নির্মাণ ভাঙা নিয়ে তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুকের রাধামণি মিনি মার্কেটের স্টল বিলি নিয়ে অস্বচ্ছতা হয়েছে বলে এলাকার মানুষ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার সন্ধ্যায় স্টল পরিদর্শনে যান বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছেন, “আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গিয়ে বলব, সরকারি জায়গার উপর ঘর-বাড়ি ভাঙার কথা। আর মমতা না পারলে আমি দেখে নেব।”

    কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)?

    রাধামণি মিনি মার্কেট পরিদর্শন করে প্রাক্তন বিচারপতি তথা তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন, “বেশ কিছু দুর্নীতি হয়েছে। যাঁরা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাঁরা সবাধান হয়ে যান। না হলে সব স্টল ভাঙা পড়বে। মুখ্যমন্ত্রী তো ঘোষণা করেছিলেন যে সরকারি জায়গায় কোনও অবৈধ নির্মাণ হলে তা ভাঙা হবে। আমি নিজে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) বলব, আপনি যা ঘোষণা করেছেন তা করুন। যদি না করেন তার পরের ব্যবস্থা আমি দেখবো।” এদিন এলাকার বঞ্চিত মানুষদের পাশে থেকে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন এই বিজেপির সাংসদ।

    আরও পড়ুনঃ ‘গদ্দারদের জন্য হেরেছি, এটা দলের পরাজয়, আমার নয়”, বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    এক একজন ছয় থেকে দশটি স্টলের মালিক!

    একই ভাবে এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, “পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এক একটি স্টল বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এক একজন ছয় থেকে দশটি স্টলের মালিক বলেই অভিযোগ। অথচ যাঁরা ওই জায়গায় স্টল হওয়ার আগে ব্যবসা করতেন, তাঁদের আশ্বাস দিলেও কাউকেই স্টল দেওয়া হয়নি। মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চনা করে টাকার বিনিময়ে সব বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের একাংশ এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।”

    উল্লেখ্য অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay), রাজ্যে তৃণমূল শাসকের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, পুর দুর্নীতি সহ একাধিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন। তাঁর রায়ে রাজ্যের দুর্নীতির নানান বিস্ফোরক তথ্য সাধারণ মানুষের সমানে উঠে এসেছে। এই মুহূর্তে একাধিক দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক জেলে রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “গদ্দারদের জন্য হেরেছি”, সুকান্তর কাছে হেরে নিজের দলকেই ফের নিশানা বিপ্লব মিত্রের

    Balurghat: “গদ্দারদের জন্য হেরেছি”, সুকান্তর কাছে হেরে নিজের দলকেই ফের নিশানা বিপ্লব মিত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কাছে এবারের লোকসভা ভোটে হার, মেনে পারছেন না তৃণমূল প্রার্থী তথা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। তাই, দলীয় সভাতে বার বার তাঁর পরাজয়ের জন্য দলের একাংশের বিশ্বাসঘাতকতাকে তিনি দায়ী করছেন। গদ্দারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। যা নিয়ে জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন মন্ত্রী? (Balurghat)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাট (Balurghat) আসনে ১২ হাজার ভোটে হারের পরে, দলের অন্দরে ‘বিরোধী’ গোষ্ঠীর নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিপ্লব। এমনিতেই এখন বালুরঘাট লোকসভার তপন, গঙ্গারামপুর, বুনিয়াদপুর, হরিরামপুরে ২১ জুলাই প্রস্তুতি সভা চলছে। সেই প্রস্তুতিসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, “দলের কয়েক জন গদ্দারদের জন্য হেরেছি। এটা আমার পরাজয় নয়। এটা আসলে দলের পরাজয়। দলের কয়েক জন বিজেপির থেকে টাকা খেয়ে এই বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তবে, কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা তিনি স্পষ্ট করেননি।  

    আরও পড়ুন: গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, দলীয় মিটিংয়েই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন তৃণমূল নেতা, গুলিবিদ্ধ আরও এক

    জেলা তৃণমূলের নেতারা কী বলছেন?

    যদিও তৃণমূলের (Trinamool Congress) দক্ষিণ দিনাজপুর (Balurghat) জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, “বিপ্লবদা হয়তো নিজের মতো করে রিপোর্ট দিয়েছেন, কারা কারা বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। দল নিশ্চয়ই সেই রিপোর্ট যাচাই করবে। তারপর ব্যবস্থা নেবে।” জেলার আর এক নেতা বলেন, “বিপ্লবদার ভাই গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র ওই পুরসভার কোনও ওয়ার্ডেই দলকে ‘লিড’ দিতে পারেননি। তা হলে ‘বিশ্বাসঘাতকের’ তালিকায় মন্ত্রী কি নিজের ভাইকে রাখবেন? পাশাপাশি, মন্ত্রী নিজের ওয়ার্ডে ‘লিড’ পাননি। জেলা সভাপতিও নিজের এলাকায় পিছিয়ে রয়েছেন।” এই সব ক্ষেত্রে কী করা হবে, সে প্রশ্নই ঘুরছে দলের অন্দরে। তৃণমূলের (Trinamool Congress) প্রাক্তন জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, “প্রকাশ্যে কয়েক জনকে বিশ্বাসঘাতক বলে দেগে দেওয়া যায় না। তিনি যদি পর্যালোচনা চান, সবার সঙ্গে বসতে হবে। আমাদেরও প্রশ্ন রয়েছে।” ফলে, ভোটে নিজে হারের জন্য বিপ্লবের বার বার দলীয় কর্মীদের কাঠগড়ায় তোলায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় তৃণমূল চরম অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: “তলিয়ে যাবে একের পর এক গ্রাম”, আশঙ্কা বিজেপি বিধায়কের

    Alipurduar: “তলিয়ে যাবে একের পর এক গ্রাম”, আশঙ্কা বিজেপি বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদী ভাঙনের আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়েছে আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) বালাটারি গ্রামের বাসিন্দাদের। প্রতিদিন নদীর ধার ভেঙে জলে তলিয়ে যাচ্ছে। আর গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে নদী। গ্রামবাসীদের উদ্বেগের বিষয়টি জানতে পেরে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওঁরাও।

    আন্দোলনে নামার ডাক বাসিন্দাদের! (Alipurduar)

    এমনিতেই গত কয়েকদিন ধরে এক নাগাড়ে বৃষ্টি হচ্ছে উত্তরবঙ্গে। তার জেরেই জল বাড়তে শুরু করেছে উত্তরের সব জেলার নদীগুলিতে। বাদ নেই কুমারগ্রাম (Alipurduar) বিধানসভা এলাকার রায়ডাক নদী। জলে থৈ থৈ করছে নদী। কয়েকদিন ধরেই নদীর ধার ভাঙতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “ভাঙনের ফলে গ্রামের বসতির কাছে নদী চলে এসেছে। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে গ্রামের অধিকাংশ বাড়ি তলিয়ে যাবে। আমরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। রাতে ঠিক মতো ঘুমোতে পারছি না।” স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এর আগে এই এলাকায় বিধায়ক কোটার টাকা দিয়ে বাঁধের কাজ হয়েছিল। এখন বেশ কিছু এলাকায় বাঁধের অবস্থা খারাপ। বিধায়ক এসে দেখে গেলেন। আমরা চাই অবিলম্বে বাঁধের কাজ করা হোক। তা না হলে আমাদের ভিটে মাটি সব নদীগর্ভে চলে যাবে।” আগামীদিনে গ্রামবাসীরা মহকুমাশাসককে স্মারকলিপি লিপি জমা দেবেন। তারপরও প্রশাসনের টনক না নড়লে এ নিয়ে বড় আন্দোলনে নামার হুমকি দিলেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ৮ কোটি কর্মসংস্থান! আরবিআইয়ের রিপোর্টে মুখ বন্ধ হয়েছে বিরোধীদের, তোপ মোদির

    গ্রাম তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিজেপি বিধায়ক

    কুমারগ্রামের ভল্কা-বারবিশা গ্রাম পঞ্চায়েতের বালাটারি গ্রাম পরিদর্শন করে এলাকার মানুষজনের সঙ্গে কথা বলেন কুমারগ্রামের বিজেপি (BJP) বিধায়ক মনোজ ওরাও। তিনি (BJP) বলেন, “রায়ডাক নদীতে অপরিকল্পিতভাবে খনন হয়েছে। যার জেরে নদী গতিপথ পরিবর্তন করেছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে আগামীদিনে বিলীন হয়ে যাবে এই গ্রাম। পূর্ব চকচকার পর বারবিশা গ্রামও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সেচমন্ত্রীর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে আমি জানাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Direct Tax Collection: উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহে, বৃদ্ধির পরিমাণ ১৯.৫ শতাংশ

    Direct Tax Collection: উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহে, বৃদ্ধির পরিমাণ ১৯.৫ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি আর্থিক বছরে (FY 2024-25)  উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেল ভারতের প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহে (Direct Tax Collection)। বৃদ্ধির পরিমাণ ১৯.৫ শতাংশ, যার মূল্য ৫.৭৪ লাখ কোটি টাকা। জুলাই মাসের ১১ তারিখ পর্যন্ত এই রিপোর্ট সামনে এসেছে। চলতি আর্থিক বছরের (২০২৪-২০২৫) এই রিপোর্ট করা হয়েছে গত অর্থ বছরের সাপেক্ষে।

    পার্সোনাল ইনকাম ট্যাক্স সংগ্রহ (Direct Tax Collection) বেড়েছে ২৪ শতাংশ

    জানা গিয়েছে, নেট কর্পোরেট ট্যাক্স সংগ্রহের (Direct Tax Collection) পরিমাণ চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ১ তারিখ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত বেড়েছে ১২.৫ শতাংশ। অন্যদিকে পার্সোনাল ইনকাম ট্যাক্স সংগ্রহ বেড়েছে ২৪ শতাংশ। যার মূল্য ৩.৬৪ লাখ কোটি টাকা। দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরে এপ্রিলের ১ তারিখ থেকে জুলাইয়ের ১১ তারিখ পর্যন্ত ডাইরেক্ট ট্যাক্স রিফান্ড বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৪.৫ শতাংশ। যার মূল্য ৭০ হাজার ৯০২ কোটি টাকা। ট্যাক্সের এই বিপুল বৃদ্ধি সরকারকে ফিসক্যাল ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করবে বলে ধারণা অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষের তুলনায় ফিসক্যাল ঘাটতি অনেকটাই কমেছে এবং তার পরিমাণ ৯ শতাংশ বলে জানাচ্ছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ২০২৪-২০২৫, অর্থবর্ষে (FY 2024-25) এই ফিসক্যাল ঘাটতিকে ৫.১ শতাংশে নিয়ে আসার পরিকল্পনা চলছে।

    আরও পড়ুন: ৮ কোটি কর্মসংস্থান! আরবিআইয়ের রিপোর্টে মুখ বন্ধ হয়েছে বিরোধীদের, তোপ মোদির

    বাজেটে বাড়তে পারে আয়করের সীমা

    প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের আগেই অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। বর্তমানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সম্পূর্ণ বাজেট পেশ করবেন তিনি। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতবর্ষের অর্থনৈতিক এই বৃদ্ধি আপাতত চলতেই থাকবে। অন্যদিকে মধ্যবিত্তরা ফের স্বস্তি পেতে পারেন নতুন নতুন বাজেটে। এমনটাই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। আয়করে ছাড়ের (Direct Tax Collection) সীমা ফের বাড়াতে পারেন নির্মলা সীতারমন, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Uttar Dinajpur: গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, দলীয় মিটিংয়েই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন তৃণমূল নেতা, গুলিবিদ্ধ আরও এক

    Uttar Dinajpur: গৃহযুদ্ধ তুঙ্গে, দলীয় মিটিংয়েই এলোপাথাড়ি গুলিতে খুন তৃণমূল নেতা, গুলিবিদ্ধ আরও এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে এক তৃণমূল নেতাকে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আরও এক তৃণমূল নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শনিবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ইসলামপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম বাপি রায়। তিনি ইসলামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আরও এক তৃণমূল নেতা। তিনি রামগঞ্জ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। তাঁর নাম মহম্মদ সাজ্জাদ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Uttar Dinajpur)

    শনিবারই উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) রায়গঞ্জে ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। এরই মধ্যে আবার জেলায় দুই তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতাকে গুলি করার ঘটনায় জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে স্থানীয় একটি হোটেলে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা আলোচনায় বসেছিলেন। ঠিক সেই সময় দশ জনের একটি দুষ্কৃতী দল প্রকাশ্যে তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি করে বলে অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ হন বাপি ও মহম্মদ নামে দুই তৃণমূল নেতা। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা বাপিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আর গুরুতর জখম মহম্মদ সাজ্জাদকে ভর্তি করা হয়েছে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সিসি ক্যামেরর ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৮ কোটি কর্মসংস্থান! আরবিআইয়ের রিপোর্টে মুখ বন্ধ হয়েছে বিরোধীদের, তোপ মোদির

    জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিষয়টি জানার পরই হাসপাতালে পৌঁছন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। তিনি বলেন, ” দলের একটা মিটিং চলছিল। আচমকাই গুলি করেছে। কেন হঠাৎ করে গুলি করল বুঝতে পারছি না। ওখানে সিসিটিভি আছে। পুলিশ আধিকারিকরা দেখে বিষয়টির তদন্ত করুক। তবে, রাজনৈতিক কোনও কারণ বলে মনে হচ্ছে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bodh Gaya Temple: বুদ্ধ গয়া মন্দিরের নিচে প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক সম্ভার, ধরা পড়ল স্যাটেলাইটে

    Bodh Gaya Temple: বুদ্ধ গয়া মন্দিরের নিচে প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক সম্ভার, ধরা পড়ল স্যাটেলাইটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুদ্ধ গয়ায় (Bodh Gaya Temple) মহাবোধি মন্দিরের নিচে এবং তার সংলগ্ন অঞ্চলের মাটিতে চাপা পড়ে আছে বহু মূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ- এমনটাই উঠে এসেছে কৃত্রিম উপগ্রহের (Satellite Images) ছবি ও সমীক্ষাতে। বিহার হেরিটেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির একটি শাখা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এই গবেষণাটি করেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, বুদ্ধ গয়ার (Bodh Gaya Temple) মহাবোধি মন্দির বর্তমানে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের মর্যাদা পেয়েছে। ভগবান গৌতম বুদ্ধের জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত এই উল্লেখযোগ্য স্থান। এখানে ভগবান গৌতম বুদ্ধ, বুদ্ধত্ব প্রাপ্তি করেন বলেন জানা যায়।

    বিহার সরকারের আধিকারিক কী বলছেন? 

    বিহার সরকারের সংস্কৃতি ও যুব দফতরের অতিরিক্ত সচিব হারজোত কৌর বামরাহ এ বিষয়ে বলেন, ‘‘গবেষণার মাধ্যমে বুদ্ধ গয়ার নিচে প্রচুর প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদের প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। এটা একটি বিশাল সম্পদ। আরও খননের প্রয়োজন রয়েছে বলে আমরা মনে করি।’’ অন্যদিকে বেঙ্গালুরু ভিত্তিক ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অ্যাডভান্স স্টাডিজ ফ্যাকাল্টির সদস্য এমবি রজনী তিনিও এই গবেষণার টিমের অন্যতম সদস্য ছিলেন। তিনি মন্দির এবং আশেপাশের অঞ্চলের স্যাটেলাইট চিত্রগুলিকে (Satellite Images) অধ্যয়ন করেন। হিউয়েন সাং-এর যে বিবরণী তার সঙ্গে এগুলিকে যুক্ত করার চেষ্টা করছেন এই গবেষক। প্রসঙ্গত, চিনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং বুদ্ধ গয়া পরিভ্রমণ করে তার ওপরে বিবরণী লেখেন।

    বুদ্ধ গয়ায় (Bodh Gaya Temple) অবস্থিত মহাবোধি মন্দিরটি ৫০ মিটার উঁচু

    বুদ্ধ গয়ায় অবস্থিত মহাবোধি মন্দিরটি ৫০ মিটার উঁচু। এখানেই রয়েছে পবিত্র বোধি বৃক্ষ। মনে করা হয় এই বৃক্ষের নিচে বসেই বুদ্ধত্ব প্রাপ্তি হয়েছিল ভগবান গৌতম বুদ্ধের। অসংখ্য প্রাচীন স্তুপ দ্বারা বেষ্টিত এই স্থান বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় সরকারের তরফ থেকেই। তাৎপর্যপূর্ণভাবে স্যাটেলাইটে (Satellite Images) যে ছবিগুলি ধরা পড়েছে সেগুলি প্রত্যেকটি নীরাঞ্জনা নদীটির পূর্ব থেকে পশ্চিমে স্থানান্তর দেখায়। এই নীরাঞ্জনা নদীর ধারেই বুদ্ধত্ব প্রাপ্তি ঘটে গৌতম বুদ্ধের (Bodh Gaya Temple)। জানা যায়, সুজাতা স্তূপ সমেত অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষগুলি নদীর পূর্ব দিকে অবস্থিত কিন্তু স্যাটেলাইট চিত্রের বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে যে মন্দির, সুজাতা স্তূপ এবং অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক অবশেষের প্রত্যেকটি অতীতে নদীর একই তীরে অবস্থিত ছিল। একথা জানিয়েছেন, বিহারের সংস্কৃত ও যুব দফতরের অতিরিক্ত সচিব বামরাহ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share