Tag: bangla news

bangla news

  • Venezuela: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা! আপাতত এড়িয়ে চলার বার্তা, ভারত জারি করল হেল্পলাইন নম্বর

    Venezuela: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা! আপাতত এড়িয়ে চলার বার্তা, ভারত জারি করল হেল্পলাইন নম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) মার্কিন হানা! একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ভারতীয়দের সে দেশে যেতে নিষেধ করল ভারত। বিদেশমন্ত্রক ইতিমধ্যে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। একইভাবে ভেনেজুয়েলায় বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের চলাফেরায়ও  নিয়ন্ত্রণ করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। যে কোনও প্রয়োজনে ভারতীয় দূতাবাসের (Indias Ministry of External Affairs) সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

    দরকার ছাড়া যেতে না (Venezuela)

    ভেনেজুয়েলায় (Venezuela) ঢুকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করেছে আমেরিকা। ওই দেশের সরকারের পতন হয়েছে। ফলে খুব একটা প্রয়োজন ছাড়া দক্ষিণ আমেরিকার ওই দেশে ভারতীয়দের যাওয়ার বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করল নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের (Indias Ministry of External Affairs) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডলে করা পোস্টে লেখেন, “দরকার ছাড়া ভেনেজুয়েলায় বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করুন। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ওই দেশ এড়িয়ে যান। প্রয়োজনে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।” তবে ভারতের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার খনিজ তেল বা অর্থনৈতিক জ্বালানির স্বার্থ থাকলেও সরাসরি রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট না করে নাগরিক সুরক্ষাকেই প্রধান বিষয় হিসেবে ভাবা হয়েছে।

    খনিজ সম্পদ লুট করার জন্যই আগ্রাসী

    উল্লেখ্য, আমেরিকার সঙ্গে ভেনেজুয়েলার (Venezuela) চাপানউতোর চলছিল দীর্ঘ দিন ধরেই। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটিতে তেলের ট্যাংকার চলাচলের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভেনুজুয়েলার সীমান্তে কোনও তেল ট্যাংকার যাতায়াত করতে পারবে না। একইভাবে ওই দেশের সরকারকে জঙ্গি গোষ্ঠীর তকমাও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। মাদুরোকে অবৈধ শাসক ঘোষণা করে তাঁর শাসনকে নস্যাৎ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আমেরিকা বার বার দাবি করেছে মাদক পাচার এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য ভেনেজুয়েলার তেলকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তেল বেআইনিভাবে বিক্রি করে সেই টাকা খরচ করা হচ্ছে জঙ্গিদের পেছনে। অবশ্য এই বিষয়ে ভেনেজুয়েলার দাবি, দেশের খনিজ সম্পদ, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল লুট করছে মার্কিন শাসক। আমেরিকা খনিজ সম্পদ লুট করার জন্যই আগ্রাসী হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে শনিবার ট্রাম্প বন্দি মাদুরোর ছবি প্রকাশ্যে এনেছেন।

  • Weather Update: নতুন বছরের শুরুতেই দার্জিলিংয়ে তুষারপাত, বরফ পড়ল সান্দাকফুতে, উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত

    Weather Update: নতুন বছরের শুরুতেই দার্জিলিংয়ে তুষারপাত, বরফ পড়ল সান্দাকফুতে, উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই দার্জিলিংয়ে তুষারপাত (First Snowfall)। বরফ পড়ছে সান্দাকফুতে। শনিবার থেকেই তুষার পড়ার মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল। শিশির জমে পরিণত হচ্ছিল বরফে। সন্ধ্যাবেলার পর থেকে পারদ আরও কয়েকধাপ নামতে শুরু করেছিল। এরপর শুরু হয়ে যায় তুষারপাত।

    সান্দাকফু-ফালুটের আশপাশ এলাকা বরফময়

    উত্তরবঙ্গে জাঁকিয়ে পড়েছে শীত (Weather Update)। শুক্রবার থেকে উত্তর সিকিমের একাধিক জায়গায় তুষারপাত (First Snowfall) শুরু হয়েছিল। শনিবার সন্ধ্যা থেকে বরফ পড়তে শুরু করে দার্জিলিংজুড়ে। সান্দাকফু, ফালুটের আশপাশে বরফ পড়তে দেখা যায়। এদিকে শীতের আমেজ সম্পূর্ণভাবে উপভোগ করতে দার্জিলিঙের রক গার্ডেন ফের খুলে দেওয়া হয়। যদিও দুর্গাপুজোর পর ভারী বর্ষণের জেরে এলাকায় এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। তাই সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল রক গার্ডেন। শনিবার গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়্যাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে রক গার্ডেন খোলার কথা জানানো হয়। তবে এখনও ডালি থেকে গঙ্গামায়া পার্ক পর্যন্ত রাস্তায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সময় বিশেষে কেবলমাত্র পর্যটকদের জন্য জন্য ছোট গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “এই মরশুমের প্রথম তুষারপাত। পর্যটনের জন্য খুব ভালো খবর। এতে আরও বেশি পর্যটকরা উত্তরবঙ্গের প্রতি আকর্ষিত হবেন।” পেশায় স্কুল শিক্ষিকা ইপ্সিতা ঘোষাল তাঁর স্কুলের কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে সিটুং ঘুরতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “শনিবার রাতে হাড় কাঁপানো শীত (Weather Update) ছিল। পারদ ২ ডিগ্রি নীচে নেমে গিয়েছে। তাপমাত্রা (First Snowfall) অনুভূত হয়েছে মাইনাস ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে শীত বেশ জোরদার হলেও, মনোরম আবহাওয়া মন কেড়ে নিয়েছে।”

    দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ছিল ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় তাপমাত্রা ৯ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার কথা। মালদা এবং তৎসংলগ্ন জেলা অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের নীচের দিকে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। তবে কলকাতায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে।

    আগামী দু’তিনদিন তাপমাত্রা একই রকম

    আবহাওয়ায় শুষ্কতা (Weather Update) থাকবে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বাড়বে তাপমাত্রা। তারপর আগামী দু’তিনদিন তাপমাত্রা একই রকম থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ফের কমে যাবে তাপমাত্রা। তবে এখন কুয়াশার প্রভাব বাড়বে। সকালের দিকে মাঝারি থেকে হালকা কুয়াশা হবে। তবে কুয়শার সম্ভাবনা কলকাতায় বেশি পরিমাণে থাকবে। কলকাতা মহানগরের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের (First Snowfall) ঘরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি থেকে ১৫ ডিগ্রির আশপাশে থাকবে।

    কোথায় কত তাপমাত্রা

    শনিবার দক্ষিণবঙ্গের শীতলতম (Weather Update) স্থান ছিল মুর্শিদাবাদের বহরমপুর৷ এদিন সেখানকার তাপমাত্রা ছিল ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের সমতলের মধ্যে শীতলতম স্থান ছিল মাঝিয়ান ৷ সেখানকার তাপমাত্রার পারদ ছিল ৯.২ ডিগ্রি । দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২.৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতা ও তার আশপাশের অঞ্চলে গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৭ ডিগ্রির নীচে (First Snowfall)। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ৫৩ ও সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ।

  • Venezuela President Captured: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা, দাম বাড়তে পারে অপরিশোধিত তেলের?

    Venezuela President Captured: ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা, দাম বাড়তে পারে অপরিশোধিত তেলের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করে নিয়ে গেল ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাশাসন। বন্দি করা হয়েছে মাদুরোর স্ত্রীকেও। ভেনেজুয়েলা তেল (Crude Oil) সমৃদ্ধ দেশ। বিভিন্ন রকমের বিরল খনিজও রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশের মাটির নীচে। তাই প্রেসিডেন্ট অপহরণ (Venezuela President Captured) হওয়ার পর আন্তর্জাতিক তেলবাজারে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এর প্রভাবেই সোমবার অপরিশোধিত তেলের দামে গ্যাপ-আপ ওপেনিং দেখা যেতে পারে।

    ব্রেন্ট ক্রুডের দাম (Venezuela President Captured)

    বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুডের দামে ঊর্ধ্বমুখী চাপ বাড়তে পারে। মার্কিন সামরিক হামালার ফলে যদি ভেনেজুয়েলার তেল পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেল ৬৫ ডলারের দিকে এগোতে পারে বলে অনুমান। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে আন্তর্জাতিক শক্তির বাজারে। ফলে বিনিয়োগকারী ও তেল আমদানিকারী দেশগুলির মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। আগামী কয়েক দিনে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন তেল ব্যবসায়ী ও বাজার বিশ্লেষকরা। ভারতের জটিল কাঠামোর তেল শোধনাগারগুলি বিশেষ করে গুজরাটের জামনগর রিফাইনারি ভেনেজুয়েলার ঘন ও ভারী অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। এই ধরনের অপরিশোধিত তেল শোধনের জন্য প্রয়োজন হয় উন্নত প্রযুক্তি ও নির্দিষ্ট পরিকাঠামো, যা ভারতের হাতে গোণা কয়েকটি রিফাইনারিতেই রয়েছে।

    বিকল্প উৎস খুঁজতে হিমশিম খেতে হবে

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আমদানির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ কার্যকর হয়, তাহলে ভারতীয় তেল সংস্থাগুলিকে বিকল্প উৎস খুঁজতে হিমশিম খেতে হবে। সে ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির দিকে ঝুঁকতে হবে ভারতকে, যেখানে তুলনামূলকভাবে হালকা অপরিশোধিত তেলের দাম বেশি এবং শোধন করার খরচও বাড়তে পারে। এর ফলে ভারতের জ্বালানি আমদানির ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মূল্য ও সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর। আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে এই পরিস্থিতি ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে (Crude Oil)। ২০২৪ সালে ভারত ভেনেজুয়েলা থেকে ১.৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছিল। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট যে, দক্ষিণ আমেরিকার তেল সরবরাহের ওপর ভারতের নির্ভরতা এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে বজায় রয়েছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দীর্ঘ সময় ধরে বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি পড়তে পারে দেশের সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। সাধারণত বিশ্ববাজারে তেলের দামে স্থায়ী বৃদ্ধি ঘটলে তার প্রতিফলন ভারতীয় বাজারে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে দেখা যায় সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই। ফলে পরিবহণ খরচ বৃদ্ধই, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা এবং সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও তীব্র হতে পারে বলে অর্থনীতিবিদদের ধারণা। ২০২৫ সালের শেষাশেষি নাগাদ ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশই এসেছে রাশিয়া থেকে আমদানি করা ডিসকাউন্টেড তেল থেকে। এই কৌশলগত পরিবর্তনের ফলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা অনেকটাই মজবুত হয়েছে।

    আর্থিক সুরক্ষা বলয়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার সস্তা তেলের ওপর নির্ভরতা ভারতের জন্য এক বড় আর্থিক সুরক্ষা বলয় তৈরি করেছে। এর ফলে এক দশক আগের তুলনায় ভেনেজুয়েলার মতো তেল-উৎপাদক দেশের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক অস্থিরতা ভারতের ওপর এখন অনেক কম প্রভাব ফেলবে (Venezuela President Captured)। একসময় ভেনেজুয়েলা ছিল ভারতের গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহকারী দেশগুলির অন্যতম। কিন্তু সেখানকার উৎপাদন সংকট ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারতকে বিকল্প উৎসের সন্ধান করতে হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়ান তেল আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়ে পাওয়া শুরু হলে, ভারত সেই সুযোগ কাজে লাগায়।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নীতিগত সিদ্ধান্ত শুধু জ্বালানি নিরাপত্তাই বাড়ায়নি, বরং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতেও সাহায্য করেছে। ফলে আগামী দিনে বৈশ্বিক তেল বাজারে অস্থিরতা বাড়লেও ভারত তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি সুরক্ষিত থাকবে।বিশ্ববাজারে বর্তমানে একটি বিশাল তেল উদ্বৃত্ত কার্যত সুরক্ষা বলয়ের মতো কাজ করছে। বিভিন্ন জাহাজে সংরক্ষিত অবস্থায় প্রায় ১৩০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে, যাকে বাজারের ভাষায় বলা হচ্ছে ‘অন ওয়াটার স্টোরেজ’। এই বিপুল মজুতের কারণে হঠাৎ করে তেলের দামে বড় কোনও ধাক্কা লাগার আশঙ্কা আপাতত কম। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এমনকি যদি ভেনেজুয়েলা থেকে রাতারাতি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলেও তাৎক্ষণিকভাবে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় মূল্যবৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।

    বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম

    বিশ্লেষকদের মতে, এই মজুত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে স্বল্পমেয়াদে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন ব্যাহত হলে বা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা। আন্তর্জাতিক বাজারে হঠাৎ করে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে গেলেও ভারতীয় গ্রাহকদের ওপর তাৎক্ষণিক কোনও প্রভাব পড়বে না। কারণ ভারতের তেল বিপণন সংস্থাগুলি খুচরো পেট্রোল ও ডিজেলের দাম নির্ধারণের আগে সাধারণত ১৫ দিনের গড় হিসেবে অপরিশোধিত তেলের দাম বিবেচনা করে।তাই আজ বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে গেলেও দেশের সাধারণ যাত্রী বা দৈনন্দিন যাতায়াতকারীরা সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাব অনুভব করবেন না। তেলের দামের ওঠানামা সরাসরি খুচরো বাজারে প্রতিফলিত হওয়ার আগে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরোতে হয় (Crude Oil)।

    আন্তর্জাতিক অস্থিরতার ধাক্কা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির ফলে হঠাৎ আন্তর্জাতিক অস্থিরতার ধাক্কা থেকে সাধারণ মানুষ কিছুটা সুরক্ষা পান। তবে যদি দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম চড়া থাকে, সেক্ষেত্রে খুচরো দামে পরিবর্তন আসতে পারে। নয়া লগ্নি এলে ভেনেজুয়েলা সরকার ভবিষ্যতে দৈনিক তেল উৎপাদন বাড়িয়ে ২০ লক্ষ ব্যারেল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে বলে অনুমান। দেশটির তেল খাতে বিদেশি ও অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলেই ধারণা বিশ্লেষকদের। বিশ্ববাজারে দীর্ঘমেয়াদে তেলের সরবরাহ বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে  জ্বালানির দামে। অতিরিক্ত সরবরাহের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হবে, যা বড় তেল আমদানিকারী দেশগুলির জন্য স্বস্তির খবর।

    ‘সারপ্লাস শিল্ড’

    বিশেষ করে ভারতের মতো দেশ, যারা বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তারা এই পরিস্থিতি থেকে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। কম দামে তেল আমদানি করতে পারলে জ্বালানি ব্যয় হ্রাস পাবে, যার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে পরিবহণ, শিল্প এবং সাধারণ ভোক্তার ওপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেনেজুয়েলার উৎপাদন বৃদ্ধি যদি বাস্তবে রূপ নেয়, তবে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে শক্তির ভারসাম্যেও পরিবর্তন আনতে পারে (Venezuela President Captured)। ‘সারপ্লাস শিল্ড’ বা অতিরিক্ত মজুত সুরক্ষা থাকলেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে এখনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি। আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েন বাড়তে থাকায় সরবরাহ শৃঙ্খলে কোনও রকম বিঘ্ন ঘটতে পারে, এমনতর আশঙ্কা মাথায় রেখেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা

    সরকারি সূত্রে খবর, বর্তমানে প্রায় ১.৪০ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখাই প্রধান লক্ষ্য ভারতের। মধ্যপ্রাচ্য-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাতের পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতার কারণে তেল এবং গ্যাসের আমদানি ও পরিবহণে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি মজুত ব্যবস্থাপনা, বিকল্প সরবরাহ উৎস এবং লজিস্টিক পরিকল্পনা আরও জোরদার করছে, যাতে কোনও সংকটের প্রভাব দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে না পড়ে (Crude Oil)। প্রসঙ্গত, ভারত তার জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ মেটায় আমদানির মাধ্যমে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে ভারতের আমদানি ব্যয় কমবে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন বাড়লে শুধু ভারত নয়, বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়বে (Venezuela President Captured)।

  • Malda Flood Relief Scam: মালদা বন্যা ত্রাণে ভয়াবহ দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশ প্রায় ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

    Malda Flood Relief Scam: মালদা বন্যা ত্রাণে ভয়াবহ দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশ প্রায় ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও দুর্নীতির জালে তৃণমূল। ২০১৭ সালের অগাস্ট মাসে মালদায় (Malda Flood Relief Scam) ভয়াবহ বন্যার পর ত্রাণ ও ক্ষতিপূরণের নামে যে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, তার বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল প্রায় ৭০০ পাতার কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG) রিপোর্টে। এই রিপোর্ট সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে জমা পড়েছে। রিপোর্টে ইঙ্গিত মিলেছে, বন্যা ত্রাণের নামে প্রায় ১০০ কোটি টাকা লুট হয়েছে। সিএজি-র পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এটি নিছক প্রশাসনিক গাফিলতি নয়, বরং একটি সংগঠিত ও পরিকল্পিত লুটপাটের চিত্র, যেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত হয়েছেন এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীরা লাভবান হয়েছেন। এই রিপোর্টে উঠে এসেছে জনসাধারণের অর্থের নির্মম ও পরিকল্পিত লুণ্ঠনের ছবি,যেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা চরম দুর্দশায় পড়ে থাকলেও শাসক দলের ঘনিষ্ঠরা ত্রাণের টাকা লুটে নিয়েছে।

    পাকা বাড়ি ভাঙেনি, তবু কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ

    প্রকাশিত প্রাথমিক ক্যাগ প্রতিবেদনে বিপুল পরিমাণ জালিয়াতির ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে, যাতে ৮০-এর বেশি পঞ্চায়েত প্রধান ও কর্মকর্তার নাম জড়িয়ে আছে। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছে, বিশেষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ত্রাণ বিতরণ মডেল’-কে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৭ সালের বন্যায় মালদার লক্ষ লক্ষ মানুষের বাড়িঘর উজাড় হয়ে যায়। সরকার ১০০০ কোটি টাকারও বেশি ত্রাণ তহবিল বরাদ্দ করে, কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, এই অর্থের একটি বড় অংশ আসল ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছায়নি। বরং, এই অর্থগুলো কিছু নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সাইফন করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মালদা জেলায় ১,৬০৯টি পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত দেখিয়ে ৭.৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়। অথচ জেলার তৎকালীন জেলাশাসক (DM) সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বন্যায় একটিও পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

    একই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ৪২ বার টাকা!

    সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ডুপ্লিকেট ও একাধিকবার অর্থপ্রদানের ঘটনায়। একই নাম, একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আইএফএসসি কোডে ২ বার থেকে ৪২ বার পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের টাকা জমা হয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর–২ ব্লকে এক ব্যক্তি একই বাড়ির ক্ষতির জন্য ৪২ বার টাকা পেয়েছেন। শুধুমাত্র এই ধরনের ভুয়ো ও বহুগুণ অর্থপ্রদানের মাধ্যমে ৫.৯০ কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে সিএজি জানিয়েছে। ৬,৯৬৫ জনকে একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২ থেকে ৪২ বার করে টাকা দেওয়া হয়েছে, বলে অভিযোগ।

    আমরা তো কিছু পাইনি

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, হাজার হাজার উপকারীদের একই মোবাইল নম্বর বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই জালিয়াতির ইঙ্গিত। আদালতের একজন বিচারপতি বেঞ্চ বলেছেন, “এটা শুধু অর্থের অপব্যবহার নয়, এটা লোকজনের জীবনের সঙ্গে খেলা। বন্যার ক্ষতিগ্রস্তরা আজও ত্রাণের জন্য অপেক্ষায় আছে, আর অর্থগুলো কোথায় গেল?” পিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে, ৮০-এর বেশি পঞ্চায়েত প্রধান এবং স্থানীয় কর্মকর্তা এই র‍্যাকেটে জড়িত। এদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। একজন স্থানীয় বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত বলছেন, “আমরা বাড়ি গাঁথতে পারিনি, কিন্তু শুনছি আমাদের নামে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। কোথায় গেল সেই টাকা? আমরা তো কিছু পাইনি।”

    তালিকাভুক্ত নন, আবেদন নেই—তবু টাকা!

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, প্রায় ৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে এমন ব্যক্তিদের, যাঁদের নাম সরকারি ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় ছিল না, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে কোনও আবেদনই জমা পড়েনি। রাতুয়া–১ ব্লকে এমন অনিয়মে ২.৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। গোটা জেলায় ক্ষয়ক্ষতি যাচাই না করেই মোট ৭.২৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মীদের ত্রাণ লুট

    সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, ১০৮ জন জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মচারী বেআইনিভাবে বিপিএল (Below Poverty Line) ত্রাণের টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে— ৩৬ জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পেয়েছেন মোট ২৬ লক্ষ টাকা। হরিশ্চন্দ্রপুর–২ ব্লকের ৪ জন সরকারি কর্মী নিয়েছেন ৫.২৮ লক্ষ টাকা। সিএজি স্পষ্ট জানায়, এঁরা কেউই বিপিএল বা বন্যা-আক্রান্ত হওয়ার যোগ্য ছিলেন না।

    নথি “হারিয়ে গিয়েছে”

    নিয়ম অনুযায়ী, চার সদস্যের যাচাই কমিটির অনুমোদন ছাড়া ত্রাণ দেওয়া যায় না। কিন্তু— মানিকচক, ওল্ড মালদা, ইংরেজবাজার, কালিয়াচক–১ ও রাতুয়া–১ ব্লকে এই নিয়ম মানা হয়নি। ওল্ড মালদা ব্লকে (Malda Flood Relief Scam) অডিটের সময় গুরুত্বপূর্ণ নথি “হারিয়ে গিয়েছে” বলে দাবি করা হয়। অথচ নথি হারানোর বিষয়ে কোনও পুলিশি অভিযোগ দায়ের হয়নি।

    নির্বাচনের সময় টাকা তোলা নিয়ে প্রশ্ন

    রিপোর্ট ও আদালতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলাগুলিতে অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বড় অঙ্কের টাকা তোলা হয়েছিল, যা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া তিনটি জনস্বার্থ মামলায় অভিযোগ, মোট লুটের অঙ্ক প্রায় ১০০ কোটি টাকা। আদালতে অন্তত ৩০ জন বিডিও-র নাম উঠে এসেছে, যাঁরা ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে দায়িত্বে ছিলেন।

    দুর্নীতির পুরনো ছক?

    আমফান ঝড়, কোভিড ত্রাণ—একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের পর মালদা বন্যা ত্রাণ কেলেঙ্কারি ফের প্রশ্ন তুলছে রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা ও ত্রাণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে “বঞ্চনা”-র কথা বলেন, সিএজি রিপোর্ট সেখানে ইঙ্গিত দিচ্ছে—এই বঞ্চনা রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যেই পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। প্রশ্ন উঠছে, এটাই টিএমসির ত্রাণ বিতরণের মডেল? আসল ক্ষতিগ্রস্তরা শূন্য পায়, আর অর্থ র‍্যান্ডম অ্যাকাউন্টে চলে যায়!

     

     

     

     

  • Daily Horoscope 04 January 2026: সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 04 January 2026: সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

     ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

     ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 548: “বেড়ার আর-একধারে টকটকে লাল সুরকির কাঁড়ির মতো জ্যোতিঃ, তারমধ্যে বসে নরেন্দ্র—সমাধিস্থ!

    Ramakrishna 548: “বেড়ার আর-একধারে টকটকে লাল সুরকির কাঁড়ির মতো জ্যোতিঃ, তারমধ্যে বসে নরেন্দ্র—সমাধিস্থ!

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ৯ই অগস্ট
    পূর্বকথা—ঠাকুর মুক্তকণ্ঠ—ঠাকুর সিদ্ধপুরুষ না অবতার?
    শ্রীরামকৃষ্ণ, কেশব সেন ও তাঁহার সমাজে হরিণাম ও মায়ের নাম প্রবেশ 

    “কেশব সেনের (Ramakrishna) সঙ্গে দেখা হবার আগে, তাকে দেখলাম! সমাধি অবস্থায় দেখলাম, কেশব সেন আর তার দল। একঘর লোক আমার সামনে বসে রয়েছে! কেশবকে দেখাচ্ছে, যেন একটি ময়ূর তার পাখা বিস্তার করে বসে রয়েছে! পাখা অর্থাৎ দল বল। কেশবের মাথায় দেখলাম লালমণি। ওটি রজোগুণের চিহ্ন। কেশব শিষ্যদের বলছে—‘ইনি কি বলছেন, তোমরা সব শোনো’। মাকে বললাম (Kathamrita), মা এদের ইংরাজী মত,—এদের বলা কেন। তারপর মা বুঝিয়ে দিলে যে, কলিতে এরকম হবে। তখন এখান থেকে হরিণাম আর মায়ের নাম ওরা নিয়ে গেল। তাই মা কেশবের দল থেকে বিজয়কে নিলে। কিন্তু আদি সমাজে গেল না।

    নিজেকে দেখাইয়া “এর (আমার) ভিতর একটা কিছু আছে। গোপাল সেন বলে একটি ছেলে আসত—অনেকদিন হল। এর ভিতর যিনি আছেন গোপালের বুকে পা দিলে। সে ভাবে বলতে লাগল, তোমার এখন দেরি আছে। আমি ঐহিকদের সঙ্গে থাকতে পারছি না,—তারপর ‘জাই’ বলে বাড়ি চলে গেল। তারপর শুনলাম দেহত্যাগ করেছে। সেই বোধ হয় নিত্যগোপাল।

    “আশ্চর্য দর্শন সব হয়েছে। অখণ্ড সচ্চিদানন্দদর্শন। তার ভিতর দেখছি, মাঝে বেড়া দেওয়া দুই তাক। একধারে কেদার চুনি, আর আর অনেক সাকারবাদী ভক্ত। বেড়ার আর-একধারে টকটকে লাল সুরকির কাঁড়ির মতো জ্যোতিঃ। তারমধ্যে বসে নরেন্দ্র।—সমাধিস্থ!

    “ধ্যানস্থ দেখে বললুম, ‘ও নরেনদ্র!’ একটু চোখ চাইলে — বুঝলুম ওই একরূপে সিমলেতে কায়েতের ছেলে হয়ে আছে।-তখন বললাম, ‘মা। ওকে মায়ায় বদ্ধ কর।—তা না হলে সমাধিস্থ হয়ে দেহত্যাগ করবে।’—কেদার সাকারবাদী, উঁকি মেরে দেখে শিউরে উঠে পালাল।

    “তাই ভাবি এর (নিজের) ভিতর মা স্বয়ং ভক্ত হয়ে লীলা করছেন (Kathamrita)। যখন প্রথম এই অবস্থা হল, তখন জ্যোতিঃতে দেহ জ্বল জ্বল করত। বুক লাল হয়ে যেত! তখন বললুম, ‘মা, বাইরে প্রকাশ হয়ো না, ঢুকে যাও!’ তাই এখন এই হীন দেহ।

    “তা না হলে লোকে জ্বালাতন করত। লোকের ভিড় লেগে যেত — সেরূপ জ্যোতির্ময় দেহ থাকলে। এখন বাহিরে প্রকাশ নাই। এতে আগাছা পালায়—যারা শুদ্ধভক্ত তারাই কেবল থাকবে। এই ব্যারাম হয়েছে কেন?—এর মানে ওই। যাদের সকাম ভক্তি, তারা ব্যারাম অবস্থা দেখলে চলে যাবে।

    “সাধ ছিল (Kathamrita)—মাকে বলেছিলাম, মা, ভক্তের রাজা হব!

    “আবার মনে উঠল, ‘যে আন্তরিক ঈশ্বরকে ডাকবে তার এখানে আসতেই হবে! আসতেই হবে! দেখো, তাই হচ্ছে — সেই সম লোকই আসছে।

    “এর ভিতরে কে আছেন, আমার বাপেরা জানত। বাপ গয়াতে স্বপ্নে দেখেছিলেন,—রঘুবীর বলছেন, ‘আমি তোমার ছেলে হব।’

    “এর ভিতরে তিনিই আছেন। কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ! একি আমার কর্ম। স্ত্রীসম্ভোগ স্বপনেও হলো না।

  • ED: বালি পাচার মামলায় চার্জশিট জমা দিল ইডি

    ED: বালি পাচার মামলায় চার্জশিট জমা দিল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালি পাচার মামলায় শনিবার কলকাতার বিচার ভবনে চার্জশিট জমা দিল ইডি (ED)। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা। গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় টানা তল্লাশি (Sand Mining Case) অভিযান চালিয়েছিল ইডি। তার পর এদিন জমা দেওয়া হল চার্জশিট।

    চার্জশিটে ১৮ জনের নাম (ED)

    ইডি সূত্রে খবর, চার্জশিটে মোট ১৮ জন অভিযুক্তের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম ব্যবসায়ী অরুণ সরফ। অরুণের পাশাপাশি তাঁর তিন কর্মচারির নামও উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে। কেবল ওই ব্যক্তিরাই নন, এই মামলায় কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে ১৪টি সংস্থাকেও। এর মধ্যে রয়েছে অরুণ সরফের সংস্থাও। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সোমবার, বিচার ভবনে (ED)। তদন্তে জানা গিয়েছে, একাধিক নির্দিষ্ট সংস্থাকে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি বালি খনন ও বিক্রির কাজ চলছিল। ইডির দাবি, অরুণ সরফ নিজের নামে কোনও সরাসরি হিসেব না রেখে অন্য পথে আর্থিক লেনদেন চালাতেন। তদন্তে দেখা যায়, ১০৩ কোটি টাকার বালি বিক্রির কথা স্বীকার (Sand Mining Case) করলেও, তাঁর অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা। এই অস্বাভাবিক ফারাক থেকেই তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

    বালির মজুত যাচাই

    জানা গিয়েছে, অরুণ যখন ইডি হেফাজতে থাকাকালীন রাজ্যের ১৩টি জায়গায় বালির মজুত যাচাই করা হয়। সেখানে বাস্তব স্টক ও নথিভুক্ত হিসেবের মধ্যে একাধিক গরমিল ধরা পড়ে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। পরে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ফের যাচাই করেও মিলেছে সেই অসঙ্গতির প্রমাণ (ED)। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেআইনি বালি খননের পাশাপাশি ভুয়ো ই-চালান ব্যবহার করে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে। সরকারি রাজস্ব আত্মসাৎ এবং প্রশাসনিক ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়েই এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল বলে অনুমান তদন্তকারীদের। গ্রেফতারির পর থেকে এখনও জেল হেফাজতেই রয়েছেন অরুণ (Sand Mining Case)।

    ইডির অভিযান

    প্রসঙ্গত, বালি পাচার মামলার বিভিন্ন সূত্র ধরে গত কয়েক মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়েছে ইডি। সেই তদন্তের অংশ হিসেবেই গত নভেম্বরে হাওড়ার বালি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় অরুণকে। গ্রেফতার করার আগে ঘণ্টা সাতেক ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। ইডির দাবি, অরুণের বিরুদ্ধে একাই প্রায় ৭৮ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের আরও অভিযোগ, অরুণের সংস্থা ওয়েস্টবেঙ্গল স্যান্ড-মাইনিং-ট্রান্সপোর্ট-স্টোরেজ ও সেলে যে সব নিয়ম রয়েছে, সে সব কিছুকে উপেক্ষা করে বালি তুলত সে। পরে তা বিক্রি করত। এভাবে প্রচুর অর্থ রোজগার করেছিল তার সংস্থা। জানা গিয়েছে, ৫৭ দিনের মাথায় জমা পড়ল এই চার্জশিট।

    বালি পাচারকাণ্ডের তদন্ত

    গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রথম বালি পাচারকাণ্ডের তদন্তে নামে ইডি। ওই দিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা এক যোগে হানা দেয় ঝাড়গ্রাম ও বেহালায়। খানাতল্লাশি চালানো হয় কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময়ই জিডি মাইনিংয়েও তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। ঝাড়গ্রামে গোপীবল্লভপুরে শেখ জহিরুল আলির বাড়িতে চলেছিল তল্লাশি। সুবর্ণরেখা নদী থেকে কোনও নিয়ম না মেনে দেদার বালি পাচারের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরে সৌরভ রায় নামের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। এরা সকলেই বালির অবৈধ কারবারের সঙ্গে অভিযুক্ত বলে দাবি ইডির। আজ তাঁদের (Sand Mining Case) বিরুদ্ধেই জমা পড়ল চার্জশিট (ED)।

  • Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা একজোট না হলে পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ হবে”, দীপু দাস হত্যার কথা স্মরণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা একজোট না হলে পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ হবে”, দীপু দাস হত্যার কথা স্মরণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে উত্তরে আলিপুরদুয়ারে যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করছেন, অপর দিকে দক্ষিণে তাঁকে আক্রমণ করে নন্দীগ্রামের সভা থেকে একাধিক ইস্যুতে বক্তব্য রাখলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, “নন্দীগ্রামে (Nandigram) যেভাবে হিন্দুরা একজোট হয়েছেন ঠিক একই ভাবে সারা পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের একজোট হতেই হবে।” হিন্দু মানুষের প্রতি সহানুভূতির মন্ত্রই বাংলাদেশ হওয়া থেকে রক্ষা করবে পশ্চিমবঙ্গকে। এমন ভাবেই বিস্ফোরক হয়েছেন শুভেন্দু।

    বাংলাদেশকে দেখলেই বোঝা যায় (Suvendu Adhikari)

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) সভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “এখানে হিন্দুদের সংখ্যা কম, তাই চাপের মধ্যে থাকতে হয়। এই চাপ অস্বীকার করার উপায়ও নেই। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়বে। এমন কি খুনের ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই সব ভেদাভেদকে ভুলে সকলকে এক হওয়ার বার্তা দিতে হবে। হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ না হলে কি অবস্থা হয় তা বাংলাদেশকে দেখলেই বোঝা যায়।”

    পুলিশ দুষ্কৃতীদের মতো আচরণ করছে

    মমতার বিরুদ্ধে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তোপ দেগে বলেন, “বাংলাদেশে এক সময় হিন্দু ছিল ৩৩ শতাংশ। এখন ৭ শতাংশের নিচে এসে নেমেছে। বাংলাদেশে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাই এক না হলে জামত মানসিকতার গুন্ডারা একই ভাবে অত্যাচার করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ দুষ্কৃতীদের মতো আচরণ করছে। দুষ্কৃতীদের জায়গায় এখন পুলিশরা নিয়ে নিয়েছে। এলাকার কিছু দুষ্কৃতীকে কৃতকর্মের জন্য দেড় বছর জেল খাটিয়েছি। ফলে একটু চাপে আছে তৃণমূলের নেতারা। তবে ভোটের সময় এপ্রিল মাসে ফের তাণ্ডব করতে পারে। তাই এখন থেকে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।”

    একই ভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, “২০১১ সালের আগে অভিষেক নাবালক ছিলেন। মমতাকে মেদিনীপুর, নন্দীগ্রাম আমি চিনিয়েছি। উত্তরের চা বাগানে মমতা মদ বিক্রির লাইসেন্স দিয়েছেন। অভিষেক মিথ্যা ভাষণ দেন। এইবারে নন্দীগ্রামে (Nandigram) দাঁড়ালে মমতাকে আরও একটি শূন্যের অঙ্ক বাড়িয়ে হারাব।

  • IPL 2026: বাইশগজে বয়কট বাংলাদেশ! বিসিসিআই-এর নির্দেশ মেনে মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিল কেকেআর

    IPL 2026: বাইশগজে বয়কট বাংলাদেশ! বিসিসিআই-এর নির্দেশ মেনে মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দিল কেকেআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাইশগজে বয়কট বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত-বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে শিথিলতা এসেছে। সম্প্রতি নোয়াখালিতে দীপু দাসকে পিটিয়ে হত্যা করে জ্বালিয়ে দেওয়ার পর ভারতীয়রা বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে ভারতের আমজনতা। দীপু দাসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকারও। তার পর থেকে আইপিএলে (IPL 2026) বাংলাদেশের ক্রিকেটারের থাকা নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। এবার বিসিসিআইয়ের (BCCI) সিদ্ধান্ত মেনেই সমস্ত নিয়ম যথাযথভাবে পালন করে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) ছেড়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

    কেকেআর কর্তৃপক্ষের বিবৃতি

    বোর্ডের নির্দেশের পেক্ষিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন কেকেআর কর্তৃপক্ষ। শিরোনামে লেখা হয়েছে, ‘‘কলকাতা নাইট রাইডার্স- দলের আপডেট।’’ মূল বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘‘কলকাতা নাইট রাইডার্স নিশ্চিত করছে, আইপিএলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিসিআই আসন্ন মরসুমের আগে মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ভারতীয় বোর্ডের নির্দেশ এবং পরামর্শ মেনে যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আইপিএলের (IPL 2026) নিয়ম অনুযায়ী, বিসিসিআই এক জন পরিবর্ত খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতি দেবে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সময় মতো জানানো হবে।’’ কেকেআর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বোর্ডের নির্দেশ পাওয়ার পরই তাঁরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেছেন। দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ বাঁহাতি জোরে বোলারকে। ফলে কেকেআরের ক্রিকেটার সংখ্যা ২৫ থেকে কমে হল ২৪।

    পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ

    ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্ক নেই বললেই চলে। ২০০৯ সাল থেকেই পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের জন্য আইপিএলের (IPL 2026) দরজা বন্ধ করে দিয়েছে বিসিসিআই। গত বছর পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা এবং অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত-পাক ক্রিকেট সম্পর্ক আরও তলানিতে ঠেকেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও কি একই অবস্থান নিল বিসিসিআই? মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশের মনে। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত সাময়িক না দীর্ঘমেয়াদি তা অবশ্য এখনই বলা সম্ভব নয়।

  • Bangladesh: মারাই গেলেন হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন দাস, জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইউনূসের বাংলাদেশে

    Bangladesh: মারাই গেলেন হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন দাস, জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইউনূসের বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ মারাই গেলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাস। বর্ষবরণের রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী প্রথমে ছুরিকাঘাত করে তাঁকে, পরে গায়ে লাগিয়ে দেয় আগুন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর (Hindu Businessman)। ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৭টা ২০ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রায় তিন দিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন খোকন। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, “শরিয়তপুর জেলার দামুদ্যা উপজেলার অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আহত খোকন দাস আজ সকাল ৭টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা গিয়েছেন।”

    হিন্দু ব্যবসায়ীর ওপর হামলা (Bangladesh) 

    নববর্ষের রাতে শরিয়তপুরের দামুদ্যা উপজেলায় একদল দুর্বৃত্ত খোকনের ওপর হামলা চালিয়েছিল। হামলাকারীরা প্রথমে তাঁকে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায়, পরে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়।এই ঘটনার জেরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে নতুন করে (Bangladesh)। চিকিৎসকদের মতে, খোকনের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ অংশ দগ্ধ হয়েছে। আগুনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাঁর মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালী। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই আঘাতগুলি অত্যন্ত গুরুতর ছিল। প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন হলেই দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন (Hindu Businessman)।

    শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন

    শরিয়তপুর জেলার দামুদ্যা উপজেলার কোনেশ্বর ইউনিয়নের কেয়ুরভাঙা বাজার এলাকায় ছিল খোকনের ওষুধের দোকান। বর্ষবরণের রাতেও প্রতিদিনের মতোই দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। এই সময় একদল দুর্বৃত্ত পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে থাকে তাঁকে। পরে তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা। প্রাণ বাঁচাতে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন খোকন। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে হামলাকারীরা চম্পট দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয় (Bangladesh)। শরিয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত এক ব্যবসায়ী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহতের নাম দাস। তিনি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    চিকিৎসকের বক্তব্য

    স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দাসকে উদ্ধার করে প্রথমে শরিয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা সেদিন রাতেই তাকে ঢাকায় রেফার করেন। শরিয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নজরুল ইসলাম জানান, খোকন দাসের শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর পেটে গুরুতর ক্ষত ছিল। তাঁর মুখমণ্ডল, মাথার পেছনের অংশ ও হাতের একটা অংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। ডামুড্যা থানার পুলিশ সূত্রে খবর, খোকন কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।   ঘটনার সময় তিনি একটি অটোরিকশায় চড়ে ডামুড্যা–শরিয়তপুর সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায় (Hindu Businessman)।

    কী বলছেন ওসি

    ডামুড্যা থানার ওসি মহম্মদ রবিউল হক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দু’জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “কেওড়ভাঙা বাজারে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই (Bangladesh)। হামলাকারীদের মধ্যে দু’জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। তারা স্থানীয় বাসিন্দা রাব্বি ও সোহাগ। তাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    গ্রেফতারির দাবি

    নিহতের এক আত্মীয় বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া যাবে না। যাদের পরিচয় পাওয়া গিয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।” নিহতের স্ত্রী সীমা দাস জানান, বাড়িতে ঢোকার মুহূর্তেই তাঁর স্বামীর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “আমার স্বামী পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি বাড়িতে ঢোকার সময় একদল লোক তাঁর ওপর হামলা চালায়। তারা গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমার স্বামী অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। কারও সঙ্গে তাঁর কোনও শত্রুতা ছিল না। কেন হামলা করা হল, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না (Hindu Businessman)।”

    প্রসঙ্গত, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হিংসার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে (Bangladesh)। গত মাসেই ময়মনসিংহে পোশাক কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে মিথ্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে খুন করা হয়। একই সময়ে রাজবাড়িতে তোলাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে আর এক হিন্দু যুবককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করা হয়। পরপর এই ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক মহল, ধর্মীয় সংগঠন এবং সংখ্যালঘু অধিকার সংগঠনগুলির মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে এই হিংসার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে (Hindu Businessman)। দাবি উঠেছে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার (Bangladesh)।

LinkedIn
Share