Tag: bangla news

bangla news

  • Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    Kalyani: ডায়ালিসিস করাতে এসে কল্যাণী হাসপাতালে রোগী মৃত্যু! আন্দোলনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়ালিসিস করাতে এসে কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল নদিয়ার কল্যাণী (Kalyani) জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রাহুল সূত্রধর (২১)। হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এই বিক্ষোভ-আন্দোলনে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ছিলেন কল্যাণীর বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    পরিবার সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, রাহুল সূত্রধর গত তিন দিন আগে হাসপাতালে (Kalyani) ভর্তি হন। পরপর তাঁর ডায়ালিসিস চলছিল। মঙ্গলবারও তাঁর ঠিকঠাক ডায়ালিসিস হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ তাঁর ডায়ালিসিস হওয়ার কথা। সেই মতো রোগীকে ডায়ালিসিস ওয়ার্ডে রেখে পরিবারের লোকজন নীচে অপেক্ষা করতে থাকেন। পরিবারের লোকজনকে জানিয়ে ওয়ার্ড থেকে রোগীকে ছাড়ার কথা। কিন্তু, সেটা না করেই ডায়ালিসিস হওয়ার পর রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর এরপরই ওই রোগী হাসপাতালের তিনতলা বিল্ডিং থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে নীচে পড়ে যান। হাসপাতালের গেটের বাইরে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে যাননি। রোগীর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, এদিন সাড়ে তিনটে নাগাদ ওয়ার্ডে গিয়ে জানতে পারি, রোগী নেই। এরপরই আমরা রোগীকে খোঁজা শুরু করি। হাসপাতলের একপাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে আমরা উদ্ধার করি। এরপর জরুরি বিভাগে তাঁকে ভর্তি করি। কিছুক্ষণ পরই রোগীর মৃত্যু হয়। হাসপাতালের গাফিলতির জন্য একটি তরতাজা প্রাণ চলে গেল। আমরা দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ বিজেপির

    রোগী মৃত্যুর পরই পরিবারের লোকজন ও বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভে সামিল হন। কল্যাণীর (Kalyani) বিজেপির বিধায় অম্বিকা রায় বলেন, এই হাসপাতালের দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার গাফিলতি  অভিযোগ রয়েছে। ডায়ালিসিস রুমে এসি নেই। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা হয়ে গেল দেহ পড়ে রয়েছে, কোনও রকম প্রশাসনিক তৎপরতা নেই। আমাদের দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডায়ালিসিস ইউনিটে বিকল এসি মেশিন ঠিক করতে হবে। নাহলে আমরা বৃহত্তরও আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jamai Sasthi: নিয়ম নিষ্ঠা মেনে ৬০ উর্ধ্ব জামাইকে ষষ্ঠীর বরণ করলেন ১০০ ছুঁই ছুঁই বৃদ্ধা

    Jamai Sasthi: নিয়ম নিষ্ঠা মেনে ৬০ উর্ধ্ব জামাইকে ষষ্ঠীর বরণ করলেন ১০০ ছুঁই ছুঁই বৃদ্ধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার মাজদিয়ার বাসিন্দা ফুলিতা দাঁ। বয়স প্রায় ১০০ কাছাকাছি হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই জামাই এর বয়সও ৬০ পেরিয়ে গিয়েছে। তবে, বয়স বেড়ে গেলেও নদিয়ার মাজদিয়ার দাঁ পরিবারে বাঙালি রীতিনীতিতে ভাটা পড়েনি এতটুকুও। প্রতিবছর জামাইষষ্ঠীর দিনে রীতি রেওয়াজ মেনে ফুলিতা দেবী জামাইকে বরণ করেন। এবারও নিয়ম নিষ্ঠা মেনে ৬০ উর্ধ্ব জামাইয়ের ষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) বরণ করলেন তিনি।

    নিয়ম নিষ্ঠা মেনে ৬০ উর্ধ্ব জামাইয়ের ষষ্ঠীর বরণ করেন বৃদ্ধা! (Jamai Sasthi)

    সম্পূর্ণ বাঙালি প্রথায় ফুলিতা দেবী বরণ করেন তাঁর জামাইকে। আসনে বসে থাকেন জামাই এবং তাঁর পাশে মেয়ে- নাতি। এরপর জামাইয়ের সামনে দেওয়া হয় ফলাহার। যার মধ্যে থাকে দই, চিড়ে,আম, কাঁঠাল, কলা। প্রথমে গঙ্গাজল সহযোগে পান পাতা দিয়ে শাশুড়ি মা তাঁর জামাই ও মেয়েকে বরণ করেন। এরপর ধান দুব্য দিয়ে জামাই- মেয়ে এবং তাঁর সঙ্গে নাতিকেও করেন আশীর্বাদ। এরপর পাঁচ রকমের গোটা ফল কাঁসার থালায় জামাইয়ের হাতে তুলে দেন শাশুড়ি। তারপর তালপাতার পাখা দিয়ে জামাইকে হাওয়া করা হয়, যেটি অন্যতম রীতি জামাই ষষ্ঠীর (Jamai Sasthi)। এরপর নিজের হাতে খাইয়ে দেন জামাইকে দই এবং মিষ্টি। ৬০ ঊর্ধ জামাইও ফি বছর শাশুড়ি মায়ের থেকে আশীর্বাদ নিতে অপেক্ষা করে থাকেন এই দিনটির জন্য।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    আমার পরম সৌভাগ্য, বললেন জামাই

    বৃদ্ধা ফুলিতা দেবী বলেন, “আমি  যতদিন জীবিত থাকব এবং আমার সামর্থ্য থাকবে ততদিন এই রীতিনীতি পালন করে যাব।” শাশুড়ি মায়ের স্নেহ ও শ্রদ্ধা দেখে অসম্ভব খুশি ৬০ ঊর্ধ্ব জামাই স্বয়ং বিনয় কুমার পোদ্দার। তিনি বলেন, “ভীষণই ভালো লাগছে আমার। এটি আমার পরম সৌভাগ্য যে এই বয়সেও আমার শাশুড়ি মা জামাইষষ্ঠীর (Jamai Sasthi) রীতিনীতি পালন করে যাচ্ছেন। তারজন্য আমি কৃতার্থ।” স্বাভাবিকভাবেই জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে খাওয়া-দাওয়ার পর্ব ছাপিয়ে এই বাঙালি অনুষ্ঠানের যে রীতিনীতি আজও বজায় রেখেছেন ফুলিতা দেবী তা সমাজের চোখে স্থাপন করেছে দৃষ্টান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AIFF: ক্ষতিপূরণ দাবি, কাতার ম্যাচের রেফারিং নিয়ে প্রতিবাদ ফেডারেশনের, চিঠি গেল ফিফায়

    AIFF: ক্ষতিপূরণ দাবি, কাতার ম্যাচের রেফারিং নিয়ে প্রতিবাদ ফেডারেশনের, চিঠি গেল ফিফায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-কাতার ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত মানতে পারছে না সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও (AIFF)। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফা-কে চিঠি লিখে হস্তক্ষেপ দাবি করেছে তারা। চার জায়গায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত। মঙ্গলবারই ফুটবল বিশ্বকাপে (World Cup Qualifier) যোগ্যতা অর্জন পর্বে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে ভারতের। কাতারে ১ গোলে এগিয়ে থেকেও রেফারির খারাপ সিদ্ধান্তে পর্যুদস্ত হতে হয়েছে ব্লু টাইগার্সদের। 

    চার জায়গায় প্রতিবাদ

    সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার (AIFF) সভাপতি কল্যাণ চৌবে বলেন, “এআইএফএ সব সময় চায় খেলোয়াড়ি মনোভাব বজায় থাকুক। ঠিকঠাক ভাবে নিয়ম পালন করা হোক। কাতার ম্যাচের পরে আমরা এআইএফএফ-এর চিফ রেফারিং অফিসারের সঙ্গে আলোচনা করে ফিফা হেড অফ কোয়ালিফায়ার্স, এএফসি হেড অফ রেফারিস, এএফসি হেড অফ কম্পিটিশনস ও ভারত-কাতার ম্যাচের কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। যে ভুলের জন্য ভারত বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে ছিটকে গেল, সেই ভুল খতিয়ে দেখার অনুরোধ করা হয়েছে।” কল্যাণ আরও বলেন, “বিশ্বকাপ ও এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচে কাতারের কাছে হার ভারতের গোটা ফুটবল মহলের কাছে হতাশাজনক। হার-জিত খেলারই অঙ্গ। আমরা সেটা সম্মানের সঙ্গে মেনে নিই। কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে যে দু’টি গোল হয়েছে, তার মধ্যে একটি গোল অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।”

    ক্ষতিপূরণ দাবি

    ভারতের সঙ্গে অন্যায় হয়ে থাকলে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলেও দাবি করেছেন কল্যাণ। বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আমরা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছি। অন্যায় হয়ে থাকলে তার ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে। আশা করছি খেলার মর্যাদা বজায় রাখতে ফিফা ও এএফসি যথাযথ পদক্ষেপ করবে।”

    সমাজমাধ্যমে ট্রোল

    ধারে এবং ভারে সব দিক থেকেই অনেক কঠিন প্রতিপক্ষ কাতার, সেই ম্যাচে কাতারকে হারাতে পারলে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে পারত ভারত। লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের করা গোলে কাতারের বিরুদ্ধে ম্যাচের ৭৩ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল ভারত। কিন্তু ৭৩ মিনিটে রেফারির খারাপ সিদ্ধান্তে ম্যাচে সমতা ফেরায় কাতার। সমাজমাধ্যমে রেফারির এই সিদ্ধান্তকে শুধু ভুল বা বিতর্কিত নয়, ডাকাতিও বলছেন অনেকে। ভারতের গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং কাতারের ফুটবলারের গোলমুখী শট বাঁচালেও বল হাত থেকে ফস্কে গোল লাইনের বাইরে বেরিয়ে যায়। বেরিয়ে যাওয়া বল গোল লাইনের বাইরে থেকে টেনে এনে গোলে শট মারেন কাতারের ফুটবলার আইমেন। সবাইকে অবাক করে দিয়ে ম্যাচের রেফারি এবং দুই লাইন্সম্যান এটিকে গোল দেন।

    ‘ভার’ প্রযুক্তি কাম্য

    বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের (World Cup Qualifier) দ্বিতীয় রাউন্ডে ‘ভার’ প্রযুক্তি নেই। তার ফলে সন্দেহ থাকলেও তা খতিয়ে দেখা সম্ভব হয়নি। কিন্তু যেখানে কোনও ম্যাচের উপরে বিশ্বকাপের যোগ্যতা নির্ভর করছে সেখানে কেন ‘ভার’ প্রযুক্তি নেই তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেকে দাবি করেছেন, এই ধরনের ম্যাচে এই প্রযুক্তি রাখা উচিত ছিল ফিফার। বিতর্কিত গোল দিয়ে কাঠগড়ায় রেফারি ও লাইন্সম্যানেরা। তাঁরা তিন জনই দক্ষিণ কোরিয়ার। রেফারি কিম উয়ো সাং কোরিয়ার কে লিগে ম্যাচ পরিচালনা করেন। এর আগে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে হংকং বনাম উজবেকিস্তান ম্যাচও খেলিয়েছেন তিনি। এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বেও নিয়মিত খেলান তিনি। দুই লাইন্সম্যান কাং ডং হো এবং চিয়ন জিন হি-ও কে লিগে দায়িত্ব সামলান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Featured phone with UPI: ফিচার্ড ফোন থেকেও ইউপিআই পেমেন্ট! সম্ভব করল এইচএমডি

    Featured phone with UPI: ফিচার্ড ফোন থেকেও ইউপিআই পেমেন্ট! সম্ভব করল এইচএমডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফিচার্ড ফোনেও এবার থেকে ব্যবহার করা যাবে ইউপিআই! নোকিয়ার অফিসিয়াল ব্রান্ড লাইসেন্স ব্যবহার করা মোবাইল সংস্থা এইচএমডি সম্প্রতি তাঁদের দুটি ফিচার্ড যুক্ত মোবাইল ফোনে ইউপিআই (Feature phone with UPI) পরিষেবা যুক্ত করেছে।

    ইউপিআই ছাড়াও অনেক পরিষেবা পাওয়া যাবে  

    জানা গিয়েছে এইচএমডি ১০৫ এবং এইচএমডি ১১০ মোবাইল ফোনে ইউপিআই পরিষেবা ছাড়াও এমপিথ্রি প্লেয়ার, এফএম রেডিও, ফোন কলার, কল রেকর্ডিং সহ আরও বহু সুবিধা পাওয়া যাবে। নোকিয়ার বর্তমান কিপ্যাড যুক্ত ফিচার্ড ফোনগুলির মতোই দেখতে এইচএমডির মোবাইল ফোনগুলি। ঝাঁ চকচকে এই মোবাইল ফোনগুলি পাওয়া যাচ্ছে বেশ কয়েকটি রঙে। এইচএমডি মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট ররি কুয়ঁর বলেন, “এইচএমডি ১০৫ এবং এইচএমডি ১১০ আমাদের দুটি কীপ্যাড যুক্ত ফিচার্ড ফোন যা ভারতের লঞ্চ হয়েছে। ইউপিআই পরিষেবার সঙ্গে আমরা আগামী দিনে এই ফোনে আরও পরিষেবা যুক্ত করব। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেহেতু ইউপিআই এখন দৈনন্দিন কাজে প্রয়োজন হয়। এর জন্য যাতে কমদামি ফোনেও (Feature phone with UPI) মানুষ ইউপিআই পরিষেবা উপভোগ করতে পারেন সেই চিন্তা-ভাবনা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী দিনে আমাদের আরও নতুন নতুন ফোনে এই পরিষেবা যুক্ত করা হতে পারে।”

    ১৮ দিনের ব্যাটারি ব্যাকআপ (Feature phone with UPI)

    জানা গিয়েছে এইচএমডি ১০৫ মোবাইলের দাম ৯৯৯ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এই মডেলটি কালো, নীল ও বেগুনি রঙে পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে এইচএমডি ১১০-এর দাম ১,১৯৯ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এটি কালো ও সবুজ রঙে পাওয়া যাচ্ছে। মঙ্গলবার এই ফোনগুলি (Feature phone with UPI) লঞ্চ হয়েছে। এই মোবাইল ফোন কোম্পানির ওয়েবসাইট ছাড়াও রিটেল স্টোরগুলিতে পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: অ্যাপলের পথে হাঁটছে গুগল, বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল সংস্থা

    ফিচার্ড ফোন হলেও দুটি ফোনেই মোবাইল ক্যামেরা ও ফ্ল্যাশ রয়েছে। কোম্পানি দাবি করছে এই মোবাইলের স্ট্যান্ডবাই ব্যাটারি লাইফ ১৮ দিনের। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য উপযোগী এই ফোন। দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বললেও একবার রিচার্জ করলে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন ব্যবহার করা যাবে। দুটি ফোনেই ১০০০ এমএএইচ শক্তশালী ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এই ফোনের ডিসপ্লে ছোট এবং ইন্টারনেট স্মার্টফোনের মতন ব্যবহার করা যাবে না, তাই এই ফোনে ব্যাটারির অপচয় কম হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Red Fort Attack Case: প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ রাষ্ট্রপতির, ফাঁসি নিশ্চিত লালকেল্লা হামলায় দোষী আরিফের

    Red Fort Attack Case: প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ রাষ্ট্রপতির, ফাঁসি নিশ্চিত লালকেল্লা হামলায় দোষী আরিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০০ সালে দিল্লির লালকেল্লায় হামলার (Red Fort Attack Case) ঘটনায় দোষী পাক জঙ্গি মহম্মদ আরিফ ওরফে আশফাকের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই মহম্মদ আরিফের দেশে কিংবা বেঁচে ফেরার রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল। দিন ধার্য হয়ে গেলে ফাঁসি কাঠে ঝুলতে হবে লালকেল্লার হামলায় দোষী সাব্যস্ত মূল অপরাধীকে।

    ঠিক কি হয়েছিল (Red Fort Attack Case)

    ২০০০ সালের ২২ ডিসেম্বর রাত ৯টা নাগাদ লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গিরা লালকেল্লার পাহারায় থাকা বাহিনীর ওপর নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে। এই অতর্কিত (Red Fort Attack Case) হামলায় রাজপুতানা রাইফেলসের দুই জওয়ান রাইফলম্যান উমাশঙ্কর এবং নায়েক অশোক কুমার সহ একজন অসামরিক  নিরাপত্তারক্ষী আবদুল্লা ঠাকুর নিহত হন। এই ঘটনার চারদিন পর আরিফকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। ৬ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা শুরু হয়। ২০০৫ সালে নিম্ন আদালত আরিফকে ফাঁসির সাজা দেয়। দিল্লি হাইকোর্টও একই সাজা বাহাল রেখেছিল। মহম্মদ আরিফ ওরফে আশফাককে এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়। নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে মামলা পৌঁছয় দেশে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত। ২০২২ সালের ৩ নভেম্বর লস্করের সদস্য পাকিস্তানের বাসিন্দা মহম্মদ আরিফের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে ফাঁসির সাজা বাহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানায় আরিফ। কিন্তু সেই আবেদন নাকচ হয়ে যাওয়ায় আরিফের ফাঁসির কাঠে ঝোলা কার্যত নিশ্চিত হল এদিন।

    আদালতে দোষী সাব্যস্ত পাক জঙ্গি মোহাম্মদ আরিফ

    এই মামলায় আরিফের সঙ্গী’ দাবি করে ২০১৮ সালে বিলাল আহমেদ কাওয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল গুজরাট পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা (অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড বা ATS) ও দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ জানায়, বিলালের সঙ্গে লস্কর-ই-তৈবার যোগাযোগের কোনও প্রমাণ মেলেনি।

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হানা, আহত পাঁচ জওয়ান, নিহত এক জঙ্গি

    অন্যদিকে, ফাঁসির সাজা রদ করার আবেদন জানিয়ে শীর্ষ আদালতে আরিফের তরফে (Red Fort Attack Case) যে ‘রিভিউ পিটিশন’ জমা দেওয়া হয়েছিল তা ২০২২ সালের ৩ নভেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত এবং বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর বেঞ্চ খারিজ করে দিয়েছিল। আদালত জানিয়েছিল যে, আরিফের বিরুদ্ধে হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে আদালতের হাতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup: ভারত-আমেরিকা ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলেই ছিটকে যাবে পাকিস্তান

    T20 World Cup: ভারত-আমেরিকা ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলেই ছিটকে যাবে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির কারণে গত রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেড় ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়েছিল। বুধবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ভারত-আমেরিকা ম্যাচেও (India vs USA) বৃষ্টির হালকা সম্ভাবনা রয়েছে। গত দুটি ম্যাচে আয়ারল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারিয়ে বুধবার জয়ের হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে নামছে টিম ইন্ডিয়া। এই ম্যাচ যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় তাহলে পাকিস্তানের স্বপ্নও জলে ভেসে যাবে।

    বৃষ্টির আশঙ্কা

    বুধবার সকালে নাসাউ কাউন্টিতে বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অ্যাকুওয়েদার জানাচ্ছে, বুধবার সকাল ৮ থেকে ১০টা পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ৪০ শতাংশ। ১০টার পর ৩৭ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বেলা বাড়লে বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা কম। ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা ১৪ শতাংশ। ১টার পর তা খানিকটা বেড়ে হবে ১৮ শতাংশ। ২টো থেকে আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে। ২টো থেকে ৪টে পর্যন্ত ৩২ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ, খেলা চলাকালীন পুরো সময়টাতেই বৃষ্টি বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

    বৃষ্টি হলে কী হবে

    বুধবার ভারতীয় সময় অনুসারে রাত আটটা থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ভারত-আমেরিকা ম্যাচ শুরু হবে। যদিও স্থানীয় সময় অনুসারে শুরু হবে সকাল ১০টা থেকে।  আমেরিকার আবহাওয়ার উপর কোনও ভরসা করা যায় না। এদিন যদি কোনও কারণে ম্যাচ ভেস্তে যায় তাহলেই সুপার এইটের দৌড় থেকে ছিটকে যাবে পাকিস্তান। যদি ভারত-আমেরিকা ম্যাচ (India vs USA) বৃষ্টিতে ভেস্তে যায় তা হলে দু’দলই পৌঁছে যাবে সুপার ৮-এ। কারণ, সে ক্ষেত্রে দু’দলেরই পয়েন্ট হবে ৫। কানাডা সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট পেতে পারে। আয়ারল্যান্ডও ৪ পয়েন্টের বেশি পাবে না। পাকিস্তানও পরের ২টি ম্যাচ জিতলে ৪ পয়েন্টে পৌঁছবে।

    নিউইয়র্কের আকাশে মেঘ

    নিউইয়র্কের আকাশে মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, খেলার প্রথম ইনিংসেই বৃষ্টি হতে পারে। সেক্ষেত্রে টস জিতে ফিল্ডিং নিলে ভাল হবে, তেমনটাই বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ বৃষ্টি ভেজা পিচে বুমরা, অর্শদীপদের বোলিং বিপক্ষ দলের কাছে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। বুধবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা থাকবে। সকালের দিকে তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে ঠান্ডায় সমস্যা হবে ক্রিকেটারদের। বেলা বাড়লে অবশ্য তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। কিন্তু ২৪-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে তা যাবে না। ফলে খেলা হলেও ঠান্ডা পরিবেশে খেলতে হবে দু’দলকে। মেঘ থাকায় আবহাওয়ায় আর্দ্রতা থাকবে। ফলে পিচ থেকে সুবিধা পাবেন বোলারেরা। এমনিতেই এই মাঠে বোলারেরা দাপট দেখাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: সুপার ৮-এর লক্ষ্যে রোহিতরা, “ভারতের বিপক্ষে খেলা আবেগের”, বললেন সৌরভ

    আত্মবিশ্বাসী বুমরা-সিরাজরা 

    রোহিত-কোহলিদের কাছেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) এই ম্যাচের গুরুত্ব রয়েছে। নাসাউ স্টেডিয়ামের পিচে অসমান বাউন্স রয়েছে। কোনও বল আসছে গড়িয়ে, আবার কোনও ডেলিভারিতে বাউন্স হচ্ছে বুক সমান উচ্চতায়। যে কারণে রান করা ব্যাটারদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে গিয়েছে। গত পাক ম্যাচেও ভারতের ব্যাটিং ব্যর্থ হলেও বোলিংয়ে বাজিমাত করেছে। সেই কারণেই পাক দলকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমেরিকার (India vs USA)  বিরুদ্ধে নামছেন বুমরা, সিরাজরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: বাড়িতে অস্ত্র লুকোতেই ইডির উপর হামলা! সন্দেশখালি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের

    Sheikh Shahjahan: বাড়িতে অস্ত্র লুকোতেই ইডির উপর হামলা! সন্দেশখালি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে সন্দেশখালি। ইডির ওপর হামলার ঘটনায় এবার চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের। বুধবার ইডির ওপর হামলা সংক্রান্ত চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। আর সেখানেই উল্লেখ করা হয়, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে বিপুল বেআইনি অস্ত্র মজুত করে রাখা হয়েছিল। ইডির হাত থেকে তা বাঁচাতেই তদন্তকারীদের উপর হামলা করা হয়। একইসঙ্গে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছে সিবিআই। 

    সিবিআই-এর দাবি (CBI) 

    সম্প্রতি সন্দেশখালি কাণ্ডে বসিরহাট মহকুমা আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। যেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে, গত জানুয়ারি মাসে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে ইডির উপর যে হামলা হয়, সেই সময় শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে লুকানো ছিল বিপুল অস্ত্রভান্ডার। বিপুল পরিমান অস্ত্র লুকোতেই ইডির ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন শেখ শাহাজাহান। আর এই কাজে তাঁকে সহায়তা করেন তাঁর দুই ভাই শেখ আলমগীর ও গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে ইডির অভিযানের কথা আগাম জানতে পেরে যান সন্দেশখালির বাদশা শেখ শাহাজাহান। তখনই দেরি না করে তিনি ভাই শেখ আলমগীর ও গিয়াসুদ্দিন মোল্লাকে নির্দেশ দেন বাড়িতে মজুত করে রাখা অস্ত্র যেন সরিয়ে ফেলা হয়। বেশিরভাগই অস্ত্রই ছিল লাইসেন্স ছাড়া। সেই নির্দেশ মতোই তাঁদের সহযোগী আবু তালেবের বাড়িতে অস্ত্র রেখে আসে অভিযুক্ত শেখ আলমগীর ও গিয়াসউদ্দিন। তারপর ইডি আধিকারীকেরা সন্দেশখালিতে পা রাখলে তাঁদের ওপর চড়াও হয় গ্রামবাসীরা।
    সিবিআই-এর (CBI) ওই চার্জশিটে শেখ শাহজাহানকেই (Sheikh Shahjahan) মাস্টারমাইন্ড বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অস্ত্র যে সন্দেশখালিতেই ছিল, তা প্রমাণ হয়ে গেছে গত এপ্রিল মাসেই। ২৬ এপ্রিল প্রচুর বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল ওই এলাকায়। তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খা-এর আত্মীয় আবুতালেব মোল্লার তাঁর বাড়ি থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা উদ্ধার হয়। সে দিন এলাকায় পৌঁছেছিল এনএসজি। পরে ওই সন্দেশখালিতেই গোলাম শেখ নামে আর এক ব্যক্তির কাছ থেকেও উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র।  

    আরও পড়ুন: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ 

    অন্যদিকে, সন্দেশখালি (Sandeskhali) কাণ্ডে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ তোলে সিবিআই। সিবিআই (CBI) সূত্রের খবর, গত ৫ জানুয়ারি যখন ইডির আধিকারিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে তখন ঘটনাস্থলে ছিলেন এক সিভিক ভলান্টিয়ার। শেখ শাহজাহান মার্কেটের বাইরেই তিনি কর্মরত ছিলেন। সেই ভলান্টিয়ারের বয়ান নিয়েছে সিবিআই। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, ওইদিন শাহজাহান মার্কেটের পিছনে যে সকাল থেকে অচেনা মানুষদের ভিড় জমতে শুরু করে তা তিনি সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ থানায় জানিয়েছিলেন। বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখে ওই জমায়েতে জিয়াউদ্দিন সহ আর কারা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের শনাক্তও করেছেন তিনি। এরপর সকাল ৯টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। সেক্ষেত্রে আগে থেকে খবর থাকা সত্ত্বেও কেন প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে পুলিশ সেখানে পৌঁছল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: সোহম বিতর্কের মাঝে তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি! বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে

    Nadia: সোহম বিতর্কের মাঝে তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি! বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ টাউনে তৃণমূল বিধায়ক সোহমের দাদাগিরি নিয়ে রাজ্যজুড়ে  তোলপাড় চলছে। এই বিতর্কের মাঝে এবার পুরসভা পরিচালিত ক্যাফেতে তালা ঝোলানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর শহরে। এমনকী ক্যাফের পাশের পার্কটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কদমতলা ঘাটের পাশের পার্ক ও ক্যাফেটি তৃণমূল পরিচালিত পুরসভায় তৈরি করেছিল। প্রশ্ন উঠছে, একজন কাউন্সিলর কী ভাবে পুরসভার কোনও প্রকল্প বন্ধ করে দিতে পারেন!

    তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি, বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে (Nadia)

    বেশ কিছুদিন আগে কৃষ্ণনগর (Nadia) পুরসভার উদ্যোগে কদমতলা ঘাটের পাশে পার্ক ও ক্যাফে গড়ে ওঠে। ক্যাফে পরিচালনার জন্য প্রলয় ভট্টাচার্য নামে একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেখানে তৃণমূল কাউন্সিলর পলাশ দাসের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গিয়ে দাদাগিরি দেখান বলে অভিযোগ। ক্যাফের মালিক প্রলয় ভট্টাচার্য বলেন, “আমি ক্যাফেতে বসেছিলাম। কাউন্সিলরের নেতৃত্বে কয়েকজন ছেলে এসে জোর করে ক্যাফে বন্ধ করে দেয়। আমাদের গালিগালাজ করা হয়। হুমকিও দেওয়া হয়। পুরসভায় অভিযোগ জানিয়েছি।” এ নিয়ে পুরসভার ওই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা করেছেন ক্যাফের মালিক। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল কাউন্সিলর (Nadia) পলাশ দাস বলেন, “এই অভিযোগ মিথ্যা। ওই ক্যাফে এবং পার্কের কিছু অংশ আমার ভাইয়ের ওয়ার্ডেও পড়ে। কবে ওই পার্কের কাজ ও ক্যাফের টেন্ডার ডাকা হয়েছে তা আমরা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, পুরসভা আমাদের কিছুই জানায়নি। আমরা গিয়েছিলাম, এটা সত্যি। কিন্তু, ক্যাফেতে উপস্থিত কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়নি। আমরা অনুরোধ করেছিলাম ক্যাফে বন্ধ রাখার জন্য।” প্রসঙ্গত, কৃষ্ণনগর পুরসভার নির্বাচিত কাউন্সিলরেরা বর্তমানে আড়াআড়িভাবে বিভক্ত। পূর্ত বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিশির কর্মকারের গোষ্ঠীর সঙ্গে চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব চরমে। যার ফলশ্রুতি হিসাবে চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর দুই তৃণমূল কাউন্সিলর প্রকাশ দাস এবং পলাশ দাস রীতার সঙ্গে একাধিক বিষয়ে দ্বন্দ্বে জড়ান। তারই সর্বশেষ সংযোজন এই ক্যাফে বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা।

    দাদাগিরি সহ্য করব না!

    চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি মহকুমাশাসক-সহ শীর্ষ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কৃষ্ণনগর শহরের সৌন্দর্যায়নের কাজের জন্য পার্ক ও ক্যাফে পুরসভার পক্ষ থেকে তৈরি করা হয়েছিল। আগামীদিনে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে। তবে, কোনও ব্যক্তির দাদাগিরি মেনে নেব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউটাউনের রেস্তোরাঁ মালিককে নিগ্রহের ঘটনায় এবার জল গড়াল আদালতে। অভিনেতা তথা চণ্ডীপুরের বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক আনিসুল আলম। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না পুলিশ। এ বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন‍্‍হার একক বেঞ্চ মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিককে। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    সোহমের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রেস্তোরাঁর মালিক (Soham Chakraborty) 

    রেস্তোরাঁ মালিক আনিসুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের হুমকির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ। এমন অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা ও যথাযথ তদন্তের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিক। একইসঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে মামলাকারী পক্ষের। আনিসুলের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেল এবং পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন ওই জনপ্রতিনিধি। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। সেই প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সোহমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, চলতি মাসেই দায়িত্ব গ্রহণ

    হোটেল মালিকের অভিযোগ 

    অনিসুল অভিযোগ করেন, “ঘটনার পর তাঁকে থানায় ডেকে বিষয়টি মিটমাট করে নিতে চাপ দেওয়া হয়। তাতে রাজি না হওয়ায় তৃণমূল বিধায়কের (Soham Chakraborty) পক্ষ থেকে তাদের নানা রকম হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও এসেছে। সমস্ত কথা পুলিশকে জানালেও সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না থানা। তার জেরেই তিনি হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” যদিও পরে অভিনেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?  

    গত শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা শুটিং করতে গিয়ে নিউটাউন সাপুরজি এলাকার একটি রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে। এরপর মারধরের অভিযোগ স্বীকার করে সোহম দাবি করেছিলেন, বচসা চলাকালীন হোটেল মালিক তাঁর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কটূক্তি করেন। এতেই রেগে যান তিনি। আর তখনই সূত্রপাত হয় এই ঘটনার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBSE: ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের নম্বর নিয়ে দু’নম্বরি করেছে স্কুলগুলি! বড় দাবি সিবিএসই-র

    CBSE: ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের নম্বর নিয়ে দু’নম্বরি করেছে স্কুলগুলি! বড় দাবি সিবিএসই-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষার নম্বর নিয়েই দু’নম্বরি করার অভিযোগ উঠল সিবিএসই-র (CBSE) পরীক্ষায়। দিল্লির এই বোর্ডের কর্মকর্তাদের ধারণা দশম-দ্বাদশে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের নম্বরে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে এবং এই কারচুপির পিছনে রয়েছে স্কুলগুলি। সিবিএসই-র কর্তাদের মতে স্কুলগুলি পরীক্ষার্থীদের খাতায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই কাজে লাগিয়ে দেখা গিয়েছে প্র্যাকটিক্যাল এবং থিওরির পেপারের নম্বরের মধ্যে ব্যাপক অমিল রয়েছ।

    ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়র অভিযোগ

    সিবিএসই (CBSE) সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সমস্ত পড়ুয়ারা স্কুলের হাতে থাকা ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টে ভালো নম্বর পেয়েছে তাঁরাই আবার বোর্ডের থিওরি পরীক্ষায় খারাপ ফল করেছে। ভালো ছাত্র-ছাত্রী বা যুক্তি-তর্কের জায়গায় এই তারতম্য হওয়ার কথা নয়। এখানেই প্রশ্ন উঠছে স্কুলের হাতে থাকা ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের স্বচ্ছতা নিয়ে। এক্ষেত্রে স্কুলে হাতে থাকা ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট এর স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে বেশ কিছু গাইডলাইন পাঠানো হচ্ছে স্কুলগুলিকে। যাতে আগামীতে এই ধরণের গরমিল না করা হয়। সিবিএসই মনে করছে সারা দেশের ৫০০-র বেশি স্কুল ৫০ শতাংশর বেশি ছাত্রছাত্রীকে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে বেশি নম্বর পাইয়ে দিয়েছে স্কুল। বোর্ডের পড়ুয়াদের মোট নম্বরের একটা বড় অংশ স্কুলের হাতে থাকে। সেখানে প্রাকটিক্যাল ও প্রজেক্টের মাধ্যমে স্কুল নিজেদের ছাত্র-ছাত্রীদের মূল্যায়ন করে থাকে। সেই মূল্যায়নের নম্বর বোর্ডের কাছে পরবর্তীকালে জমা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত নম্বর দেওয়া হয় ছাত্রছাত্রীদের।

    আরও পড়ুন: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির সুযোগ! বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসির

    এক্ষেত্রে কলকাতার নামকরা সিবিএসই স্কুল ভারতী বিদ্যাভবনের প্রিন্সিপাল অরুণ দাশগুপ্ত বলেন, “যদি সত্যিই গরমিল হয়ে থাকে তাহলে পড়ুয়ারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরবর্তী ক্লাসে ভর্তির ক্ষেত্রে অসুবিধার পাশাপাশি পরবর্তী ক্লাসে তাঁদের পড়া বুঝতে অসুবিধা হতে পারে। কেউ যদি মনে করে স্কুলগুলি এই গরমিল করেছে তাহলে সেই স্কুলগুলোর নাম প্রকাশে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

    কী ব্যবস্থা নিল সিবিএসই (CBSE)

    এক্ষেত্রে সিবিএসই স্কুলগুলির নাম প্রকাশ্যে না আনলেও অ্যাডভাইজরি জারি করেছে। যাতে আগামী দিনে এই ধরনের গরমিল ঠেকানো যায়। এছাড়াও শিক্ষা ক্ষেত্রে মানোন্নয়নের জন্য বোর্ডের তরফে একটা ক্লাসে সর্বোচ্চ কতজন ছাত্র ভর্তি নেওয়া যাবে তাও জানানো হয়েছে। ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষকের অনুপাত কী হবে সেসব বিষয়ে গাইডলাইন দিয়েছে (CBSE) বোর্ড। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মার্কস বাড়িয়ে দেওয়ার রোগ শুধুমাত্র সিবিএসইতে রয়েছে এমনটা নয়। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ শিক্ষা সংসদেও এই অভিযোগ উঠেছে এর আগেও। ২০২১ সালে করোনা কালে মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়নি। সেবার স্কুলকে এই নম্বর দিতে বলা হয়েছিল। তখন দেখা যায় ২৫০ জন ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিকে ফুল মার্কস পেয়েছিল। পরে বোর্ডে সন্দেহ হওয়ায় মার্কস ট্যাবুলেশন শিট চেয়ে পাঠানো হয়। পরে সেই সংখ্যা ২৫০ থেকে ৭৯তে নেমে আসে। এমনকী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত কলেজের প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার যে নম্বর কলেজের হাতে থাকে, সেখানেও দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়। অনেক সময় এক্ষেত্রে নেপোটিজম বা স্বজনপোষণের অভিযোগও ওঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share