Tag: bangla news

bangla news

  • TMC Clash: নিজেদেরই প্রধান, দলের যুব সভাপতির বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    TMC Clash: নিজেদেরই প্রধান, দলের যুব সভাপতির বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের প্রধানের বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল দলেরই অঞ্চল সভাপতি রাজা সরকার ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির পান্ডুয়া থানার হরাল দাসপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। একইসঙ্গে তৃণমূলের যুব সভাপতির বাড়িতেও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Clash) প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    প্রধানের বাড়ি ভাঙচুর, যুব নেতার বাড়িতে হামলা (TMC Clash)

    সোমবার রাতে পাণ্ডুয়া থানার হরাল দাসপুর পঞ্চায়েত প্রধান করুণ ক্ষেত্রপালের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের (TMC Clash) অভিযোগ উঠেছে রাজা সরকার ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি প্রধানকে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান করুনা ক্ষেত্রপাল। অন্যদিকে, হরাল দাসপুর অঞ্চল তৃণমূল যুব সভাপতি আসিফ মল্লিকের বাড়িতেও হামলা চালায় স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি রাজা সরকার সহ তাঁর অনুগামীরা। ভাঙচুরের পাশাপাশি তাঁকে  মারধর করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাঁরাও আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আসিফ মল্লিকের বাবা আব্দুল আজিম মল্লিক ও এক প্রতিবেশী। হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দলের একাধিক কর্মীর নামে পাণ্ডুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তৃণমূল যুব সভাপতি আসিফ মল্লিক। হামলার পরিপ্রেক্ষিতে একজনকে গ্রেফতার করেছে পান্ডুয়া থানার পুলিশ। যদিও এই বিষয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রাজা সরকারের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    হামলা নিয়ে কী বললেন প্রধান?

    হরাল দাসপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল (TMC Clash) প্রধান করুণা ক্ষেত্রপাল বলেন, আমি তৃণমূলের প্রধান। আমি ভাবিনি যে এই দল করলে আমার এই পরিণতি হবে। বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি দলের লোকেরাই এসে মারার হুমকি দেবে! হরাল দাসপুর অঞ্চল তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি আশিফ মল্লিক বলেন, সোমবার  রাতে বাড়িতে বসেছিলাম। হঠাৎ করে বাড়িতে চড়াও হয়ে বাড়িতে ভাঙচুর করে। পরিবারের লোকজন বাধা দিলে তাঁদেরও মারধর করা হয়। কারণ, আমরা পঞ্চায়েতটা স্বচ্ছভাবে চালাচ্ছি। এখন কাজের ওপেন টেন্ডার হয়। কোন দুর্নীতি হয় না। তাই এই হামলা হয়েছে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির জেলা সভাপতি তুষার মজুমদার বলেন, এটা এলাকা দখলের লড়াই। ভোটে জিতে কে কোন এলাকা দখল করবে, কী ভাবে তোলাবাজি করবে তার লড়াই চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Charan Majhi: এবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী পদেও উপজাতি সম্প্রদায়ের নেতাকে বসাল বিজেপি

    Mohan Charan Majhi: এবার ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী পদেও উপজাতি সম্প্রদায়ের নেতাকে বসাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবীন পট্টনায়েক জমানার অবসান হয়েছে। এবার ওড়িশার কুর্সিতে বসতে চলেছেন কেওনঝড়ের চারবারের বিধায়ক মোহনচরণ মাঝি (Mohan Charan Majhi)। উপমুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন দু’জন – একজন পার্বতী পরিদা এবং অন্যজন কণকবর্ধন সিংহদেও। আজ, মঙ্গলবার বিকেলে দলের দুই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক রাজনাথ সিংহ এবং ভূপেন্দ্র যাদবের উপস্থিতিতে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠকে ঘোষণা করা হয় মুখ্যমন্ত্রী ও দুই উপমুখ্যমন্ত্রীর নাম।

    আদিবাসী নেতা (Mohan Charan Majhi)

    বছর বাহান্নর মোহন (Mohan Charan Majhi) আদিবাসী নেতা। সৎ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষ। লড়াকু মেজাজের নেতা। গত বছর বিধানসভা নির্বাচনে অধিবেশন চলাকালীন স্পিকারের আসনে ডাল ছুড়ে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। কণকবর্ধন ওড়িশা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। ১৯৯৫ সাল থেকে টানা পাঁচবারের বিধায়ক। বোলাঙ্গিরের রাজ পরিবারের সন্তান তিনি। বোলাঙ্গিরেরই পাটনাগড় কেন্দ্রের বিধায়ক। পার্বতী জয়ী হয়েছেন এবারই। পুরী জেলার নিমাপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তিনি।

    ওড়িশায় পদ্মরাজ

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে হয়েছিল ওড়িশা বিধানসভার নির্বাচনও। রাজ্যের ১৪৭টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৭৮টি আসনে। বিজেডি জিতেছে ৫১টি আসনে। কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছে ১৪টি আসন। অন্যরা পেয়েছে চারটি। গত প্রায় আড়াই দশক ধরে ওড়িশার কুর্সিতে ছিলেন নবীন। তাঁকে পরাস্ত করে এবারই ওড়িশায় শুরু হয়েছে পদ্মরাজ। কেবল বিধানসভা নির্বাচন নয়, লোকসভা নির্বাচনেও রাজ্যে পর্যুদস্ত হয়েছে নবীনের দল বিজেডি। ২১টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ২০টিতে জিতেছেন পদ্ম-প্রার্থীরা। কংগ্রেস জয়ী হয়েছে একটি আসনে। শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে নবীনের দলকে।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং মাজিকে ‘ইয়ং, ডাইনামিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “কেভি সিং-ই প্রথম মোহন মাঝির নাম প্রস্তাব করেছিলেন তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করতে। অন্য বিধায়করাও তাঁর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। এর পরেই মোহনকে সর্বসম্মতিক্রমে ওড়িশা বিজেপি আইনসভা দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়।”

    আর পড়ুন: সংখ্যালঘু মন্ত্রকের দায়িত্বে বৌদ্ধ রিজিজুকে বসিয়ে মাস্টারস্ট্রোক মোদির

    মোহন ওড়িশার ১৫তম মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন। আগামিকাল, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। দেবেন রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেছিলেন মোহন। ২০০০ সালে কেওনঝড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধানসভায় পা রেখেছিলেন তিনি। রাত পোহালেই তিনি বসবেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে। প্রসঙ্গত, দেশের রাষ্ট্রপতি উপজাতি সম্প্রদায়ের। ওড়িশায় মোহনের মতো উপজাতি সম্প্রদায়ের এক ভূমিপুত্রকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসিয়ে এক ঢিলে একাধিক (Mohan Charan Majhi) পাখি মারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • India vs Mini India: সুপার ৮-এর লক্ষ্যে রোহিতরা, “ভারতের বিপক্ষে খেলা আবেগের”, বললেন সৌরভ

    India vs Mini India: সুপার ৮-এর লক্ষ্যে রোহিতরা, “ভারতের বিপক্ষে খেলা আবেগের”, বললেন সৌরভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলা ভালো আজ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ভারত বনাম মিনি ভারতের (India vs Mini India) খেলা! আসলে বুধবার টি২০ বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়ার প্রতিপক্ষ আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দলে রয়েছেন এক ঝাঁক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাই এদিনের ম্যাচ এক কথায় ভারতীয় বনাম ভারতীয়দের খেলা। আয়ারল্যান্ড ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের পর বুধে ভারতের লক্ষ্য সরাসরি ম্যাচ জিতে সুপার এইটের টিকিট পাকা করে ফেলা। অপরদিকে, প্রথম দুটি ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ও পাকিস্তানকে হারিয়ে চমক দিয়েছে আমেরিকা। ভারতের বিরুদ্ধে জয় পাওয়াই যে তাঁদের প্রধান লক্ষ্য সেই কথা আগেই জানিয়েছেন ইউএসএ অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল।

    আমেরিকা দলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    টি২০ বিশ্বকাপের জন্য আমেরিকার দলে রয়েছেন এমন চার জন ক্রিকেটার, যারা ক্রীড়া জীবনের শুরুতে খেলেছেন ভারতেই (India vs Mini India)। শুধু তাই নয় একদা অনূর্ধ্ব-১৯ ভারতীয় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এদের মধ্যে চারজন। মার্কিন দলে ৮ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার আছেন। আমেরিকা দলের অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল আদতে গুজরাটের বাসিন্দা। ৩১ বছরের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার অনূর্ধ্ব-১৯ গুজরাট দলের হয়েও খেলেছেন। তার পরিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসায়, তিনি ২০১৮ সাল থেকে আমেরিকার হয়ে পেশাদার ক্রিকেট খেলছেন। বাঁহাতি অলরাউন্ডার হরমিত সিংয়ের জন্ম মুম্বইয়ে। খেলেছেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে। ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে মুম্বই ও ত্রিপুরার হয়ে খেলেছেন। এমনকি ২০১৩ সালে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে একটি আইপিএল ম্যাচও খেলেছিলেন হরমিত। সৌরভ নেত্রভালকর ২০২১ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। কিন্তু ওই বছরই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।

    ভারতের বিপক্ষে খেলা আবেগের

    আমেরিকার জাতীয় দলের প্রতিনিধি তথা পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জয়ের নায়ক সৌরভ নেত্রভালকর আদপে মুম্বইয়ের ক্রিকেটার (India vs Mini India)। তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ারের সূচনা ভারতেই। মুম্বইতে জন্ম নেওয়া নেত্রভালকর ২০১০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে খেলেছিলেন। সৌরভের সতীর্থ ছিলেন কেএল রাহুল, ময়াঙ্ক আগরওয়াল, জয়দেব উনাদকাটরা। পরে ভারতে পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ায় চলে যান মার্কিন মুলুকে। বুধবারে ম্যাচে নামার আগে সৌরভ বলেন,”রোহিত-বিরাটের বিরুদ্ধে বোলিং করাটা তাঁর কাছে খুব আবেগের একটি বিষয়।” একইসঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের সতীর্থ সূর্যকুমারের বিরুদ্ধে খেলতেও তিনি মুখিয়ে আছেন।

    আরও পড়ুন: কম রানের পুঁজি নিয়ে জয়ের রেকর্ড, বাংলাদেশকে ৪ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

    বড় রানের লক্ষ্যে টিম-ইন্ডিয়া

    পিচ (T20 World Cup 2024) যেমনই হোক আর তা নিয়ে ভাবতে চায় না ভারত। এবার সমস্ত প্রতিকূলতা কাটিয়ে বড় রানের দিকে নজর রোহিতদের। ব্যাটারা দ্রুত ফর্মে ফিরুক চাইছেন কোচ দ্রাবিড়। আমেরিকা ক্রিকেট বিশ্বে নবাগত হলেও নিউ ইয়র্কের স্লো ও অসমান বাউন্সের পিচে কোনও প্রতিপক্ষকেই ছোট করে দেখতে নারাজ ভারতীয় দল। তাই উইনিং কম্বিনেশন এখনই ভাঙতে চান না অধিনায়ক রোহিত। তবে যশস্বী, সঞ্জু স্যামসন, বা কুলদীপ-চাহালদেরও একবার পরখ করে নিতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট।

    ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), বিরাট কোহলি, যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, অর্শদীপ সিং, মহম্মদ সিরাজ, জসপ্রীত বুমরা।

    আমেরিকার সম্ভাব্য একাদশ: স্টিভেন টেলর, মোনাঙ্ক প্যাটেল (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), অ্যারন জোনস, নীতিশ কুমার, কোরে অ্যান্ডারসন, হরমিত সিং, জসদীপ সিং, নশতুশ কেনজিগে, সৌরভ নেত্রাভলকর, আলি খান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির সুযোগ! বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসির

    UGC: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির সুযোগ! বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির (Biannual Admission In Universities) সুযোগ পাবেন পড়ুয়ারা, জানিয়েছে ইউজিসি (UGC)। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে জুলাই-আগস্ট এবং জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এই দুইবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশিকা দিয়েছে। তবে এই নির্দেশিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

    নয়া সিদ্ধান্তে কারা উপকৃত হবেন?

    এক একটি রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও ফল প্রকাশের সময় আলাদা। ফলে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যারা যাবেন তাঁরা এর ফলে উপকৃত হবেন। একই সঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল প্রকাশের দেরি হলে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া সুযোগ হাতছাড়া হবে না। অনেক ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের পছন্দসই বিশ্ববিদ্যালয় ফল প্রকাশের বিলম্বের জেরে ভর্তির ক্ষেত্রে এক বছর অপেক্ষা করতে হত। এবারে সেসব দিন অতীত।ইউজিসির (UGC) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অসুস্থতা বা ব্যক্তিগত কারণে জুলাই-আগস্টে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে পারেননি, তাঁরাও ছয়মাসের ব্যবধানে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি (Biannual Admission In Universities) শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সুযোগ পাবেন। ফলে বছরে দুবার ভর্তির প্রক্রিয়া হলে কোনও পড়ুয়ারই গোটা বছর নষ্ট হবে না। বছরে দুবারে ক্যাম্পাসে নিয়োগের পরীক্ষাও চালানো হবে। সেই মত  ক্লাসরুম, গবেষণাগার পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষকের ব্যবস্থাও রাখতে বলা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে।

    নয়া সিদ্ধান্ত কবে থেকে কার্যকর হবে? (Biannual Admission In Universities)

    প্রসঙ্গত পৃথিবীর বহু দেশে বিশ্ববিদ্যালয় বছরের দুবার ভর্তির প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। ভারতে এরকম চালু হলে আখেরে দেশের পড়ুয়াদের সুবিধে হবে (UGC)। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি সংযোগ বৃদ্ধি হবে। দুই দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরস্পরের মধ্যে পড়ুয়া বিনিময় করতে পারবে সহজে। গোটা বছর নষ্ট হবে না। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন তাঁরা। তবে এখনও সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু পরিকাঠামোতে বদল আনতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কারণ দ্বিবার্ষিক ভর্তি প্রক্রিয়া (Biannual Admission In Universities)  চালু করলেই হবে না, সেই মতো পরিকাঠামো রাখতে হবে। প্রশাসনিক বিষয়টিও দেখতে হবে।

    আরও পড়ুন: নিট-এ দেশের সেরা বাংলার রূপায়ণ- সক্ষম, দুজনেই এইমসে পড়তে চান

    বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির যা সম্পদ রয়েছে তার ব্যবহারের পাশাপাশি পরিকাঠামোতে বৃদ্ধি আনার পরিকল্পনারও প্রয়োজন রয়েছে। যারা ভিন্ন সময়ে ভর্তি হবেন তাদের পড়াশোনার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে। শিক্ষাকর্মী, শিক্ষক, ক্লাসরুম এবং রুটিন প্রস্তুত করতে হবে। কিছু রাজ্যে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক গোটা প্রক্রিয়ায় বাধা হতে পারে। আরও জানা গিয়েছে, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এই বছরে দুবার (Biannual Admission In Universities) করে আগাম ভর্তি করাতে বাধ্য নয়। এ ব্যবস্থা চালু হলে নিয়মে প্রয়োজনীয় বদল করা হবে (UGC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: “তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিদের অধিকাংশই অযোগ্য, ধান্দাবাজ”, ফের স্বমহিমায় মনোরঞ্জন

    Hooghly: “তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিদের অধিকাংশই অযোগ্য, ধান্দাবাজ”, ফের স্বমহিমায় মনোরঞ্জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বের হওয়ার পর কয়েকদিন চুপচাপ থাকার পর ফের স্বমহিমায় বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। দলনেত্রীর নির্দেশ মেনে বলাগড় বিধানসভায় তিনি এবার দায়িত্বে ছিলেন না। হুগলি (Hooghly) লোকসভা কেন্দ্রের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায়, এই বিধানসভায় ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। লিড পেয়েছে বিজেপি। এবার দলের ভরাডুবির জন্য দলীয় নেতৃত্বকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন বিধায়ক।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Hooghly)

    গত ৮ মে বলাগড়ে নির্বাচনী জনসভার মঞ্চে তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি মনোরঞ্জনকে বলেন, তিনি যেন ভোটের প্রচারে না আসেন। তৃণমূলের তিন নেতা নবীন গঙ্গোপাধ্যায়, অসীম মাঝি এবং শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়দের ওপরেই ভরসার কথা জানান দলনেত্রী। এবার ভোটে মনোরঞ্জন আর প্রচারে আসেননি। ভোটের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায়, হুগলি (Hooghly) লোকসভায় তৃণমূল জিতলেও বলাগড়ে বিজেপির থেকে হাজার পাঁচেক ভোটে পিছিয়ে। এর পরেই মনোরঞ্জন নাম না করে খারাপ ফলের জন্য দলের চার নেতানেত্রীকে দুষেছেন ফেসবুক-পোস্টে। মনোরঞ্জন সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “আমার মনে হয় রাজনীতিতে আসা ভুল হয়েছিল। লোকসভা নির্বাচনে দলের নেতারাই আমার নামে মমতাকে নালিশ করেন। মমতা ‘অত্যন্ত কঠোর ভাষায়’ আমাকে প্রচার করতে নিষেধ করেন। আমি প্রচার করিনি। আমি চেয়েছিলাম, দলের বলাগড় ব্লক সভাপতি হতে। সে ক্ষেত্রে ব্লকের ১৩টি পঞ্চায়েতেই সভাপতি পদে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির কর্মীদের বসাতে পারতাম। দল আমাকে সেই সুযোগ দেয়নি। বর্তমান অঞ্চল সভাপতিদের অধিকাংশই ‘অযোগ্য, ধান্দাবাজ’।” মনোরঞ্জন বলেন, “দিদির নির্দেশেই প্রচার থেকে সরেছিলাম। এখন দিদি যা বলবেন, তাই করব। যদি বলেন আগের মতো কাজ করতে, করব। যদি বলেন রাজনীতি ছেড়ে দিতে, দেব।” এরপর তিনি আরও বলেন, “এখনও সময় আছে সংগঠনের খোলনলচে বদলে পুরানো নেতাদের সরিয়ে নতুনদের দায়িত্ব দিতে হবে। পুরানোদের ওপরে মানুষ ভরসা করলে দিদির ৬৩টা প্রকল্প সত্ত্বেও তৃণমূল হেরে যায়!”

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কী বললেন?

    ব্লক তৃণমূল সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “বিধায়কের ভাবনার সঙ্গে আমরা একমত নই। আমরা ওঁকে (বিধায়ককে) চুপ থাকতে বলিনি। দলের সুপ্রিমো বলেছেন। তিনিই  সিদ্ধান্ত নেবেন। অঞ্চল সভাপতিদের নিয়ে কী বলেছেন, ওঁর ব্যাপার। এ নিয়ে মন্তব্য করব না। দল যদি মনে করে নতুনদের নিয়ে আসবে, স্বাগত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip meets Sukanta: দিলীপের পা ছুঁয়েই ঝোড়ো ব্যাটিং মন্ত্রী সুকান্তর, সরব হলেন রাজ্যের শিক্ষা-দুর্নীতি নিয়ে

    Dilip meets Sukanta: দিলীপের পা ছুঁয়েই ঝোড়ো ব্যাটিং মন্ত্রী সুকান্তর, সরব হলেন রাজ্যের শিক্ষা-দুর্নীতি নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দের পা ছুঁয়ে প্রণাম করা সনাতন সংস্কৃতি। মন্ত্রী হয়ে রাজ্যে ফিরেই বয়সে বড় প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের পা ছুঁয়ে (Dilip meets Sukanta) তাঁর আশীর্বাদ নিলেন সুকান্ত মজুমদার। মন্ত্রিত্বের কাজ শুরু করতে চলেছেন বিজেপির নবনিযুক্ত মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। দুটি দফতর পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দফতর। অপরটি হল উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন দফতর। চেয়ারে বসেই সুকান্ত সরব হলেন রাজ্যে শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে।

    দিলীপ ঘোষের পা ছুঁলেন সুকান্ত মজুমদার (Dilip meets Sukanta)

    দিলীপ ঘোষের পা ছোঁয়া নিয়ে অবশ্য শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। দিলীপ ঘোষ যেভাবে বিজেপির বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের তুলোধোনা করে চলেছেন তাতে ইতি টানতেই দিলীপ ঘোষের দরবারে হাজির হয়েছেন সুকান্ত এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের। তবে এ বিষয়ে সরাসরি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “দিলীপ দা প্রবীণ বিজেপি নেতা। তাঁর কাছ থেকে আশীর্বাদ নিলাম। নিজেকে ধন্য মনে করছি। শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথে কাজ করার চেষ্টা করব।”

    রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত

    অন্যদিকে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি নিয়েও সরব হয়েছেন সুকান্তবাবু। তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে যে ঘটনাগুলো আমাদের সামনে ঘটে চলেছে তাতে বাংলার এবং বাঙালির সম্মান নষ্ট হয়েছে। আমার আপনার সকলের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জেলে রয়েছেন। তাঁর গোটা দফতরটাই জেলে। পশ্চিমবঙ্গে মেধার ভিত্তিতে যারা চাকরি পেয়েছেন, আমরা তাঁদের সঙ্গে আছি। কিন্তু যারা জালিয়াতি করে কিংবা অর্থের বিনিময়ে চাকরি পেয়েছেন তাঁদের আজ না হয় কাল চাকরি যাবেই।”

    সুকান্তর উত্তরসূরি কে?

    প্রসঙ্গত সুকান্ত মজুমদার মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েছে এক ব্যক্তি এক পদ নীতিতে মন্ত্রী হওয়ায় শীঘ্রই দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব ছাড়তে হবে তাঁকে। তাহলে কে হবেন পরবর্তী রাজ্য সভাপতি? এ বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “বারবার একই লোক রাজ্য সভাপতি হবেন এমন কোনও কথা নেই। দলে অনেক যোগ্য মানুষ রয়েছেন। সময় আসলে জানা যাবে।

    আরও পড়ুন: গারুলিয়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যাকে যোগ্য মনে করবে তাঁকে দায়িত্ব দেবে। সময় আসলে জানা যাবে না কে সভাপতি হচ্ছেন।” তবে পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ (Dilip meets Sukanta) নেওয়ায় কি দিলীপ ঘোষের ক্রোধ কম হবে কিনা তা সময় বলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kiren Rijiju: সংখ্যালঘু মন্ত্রকের দায়িত্বে বৌদ্ধ রিজিজুকে বসিয়ে মাস্টারস্ট্রোক মোদির

    Kiren Rijiju: সংখ্যালঘু মন্ত্রকের দায়িত্বে বৌদ্ধ রিজিজুকে বসিয়ে মাস্টারস্ট্রোক মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘু মানে যে কেবল মুসলমান নন, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, পার্সি, খ্রিস্টানরাও, তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে বসেই দেশবাসীকে সেই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মন্ত্রিসভায় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী করা হয়েছে কিরেন রিজিজুকে (Kiren Rijiju)। ধর্মে বৌদ্ধ রিজিজুকে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী করে এক ঢিলে একাধিক পাখি মারলেন প্রধানমন্ত্রী। একদিকে যেমন মুসলমানদের বার্তা দিলেন, তেমনি অন্যদিকে বৌদ্ধ-সহ বাকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কেও বার্তা দিলেন তিনি।

    সংখ্যালঘু বিষয়ক দফতরে রিজিজু (Kiren Rijiju)

    ফেরা যাক খবরে। স্বাধীনতার পর থেকে এই জাতীয় কোনও দফতর ছিল না। ২০০৬ সালে প্রথম তৈরি হয় সংখ্যালঘু বিষয়ক দফতর। তার পর থেকে এ যাবৎকাল পর্যন্ত সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী হতেন মুসলমান সম্প্রদায়ের কেউ (Kiren Rijiju)। মোদি সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে এই মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলাতেন মুখতার আব্বাস নাকভি। ব্যতিক্রম হল তৃতীয় টার্মে। এবার এই মন্ত্রকের দায়িত্বে বসানো হল রিজিজুকে। স্বাধীনতার পর থেকে দীর্ঘদিন কেন্দ্রের ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি!

    ২০০৬ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে এই মন্ত্রক তৈরি করা হয়। এই জমানায়ও সংখ্যলঘু বিষয়ক মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন মুসলমান সম্প্রদায়ের কেউ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়েই এই প্রথা চালু করেছিল কংগ্রেস। যার জেরে সংখ্যালঘু বলতে যে এদেশে মুসলমান ছাড়াও বৌদ্ধ, শিখ, পার্সি, জৈন, খ্রিস্টানদেরও বোঝায়, তা ভুলতে বসেছিলেন দেশবাসী। এহেন আবহে রিজিজুকে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী করে মাস্টারস্ট্রোক দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আর পড়ুন: “রটনায় নাম জড়ানো হচ্ছে আরএসএসের, এটা ঠিক নয়”, বললেন মোহন ভাগবত

    সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের ভার যে মুসলমান ছাড়াও অন্যদের দেওয়া যেতে পারে, সেই সলতে পাকানোর কাজটি শুরু হয়েছিল ২০২২ সালেই। যখন স্মৃতি ইরানিকে এই দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন বার্লা। এর আগে রিজিজু ছিলেন আইনমন্ত্রী। এবার রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাঁকে সাহায্য করবেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের রাজনীতিবিদ কেরলের জর্জ কুরিয়েন।প্রসঙ্গত, ভারতে যে ক’টি সংখ্যলঘু সম্প্রদায় রয়েছে, তার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানরাই। কাশ্মীরে অবশ্য তারাই সংখ্যাগুরু।

    ৯ জুন, রবিবার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি। এদিনই শপথ নেন বাকি মন্ত্রীরাও। শপথ নেন বিজেপির অরুণাচলের সাংসদ রিজিজুও। ২০০৬ সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক তৈরি হওয়া ইস্তক এই প্রথম বসেছেন মুসলমান ছাড়া অন্য কোনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কেউ (Kiren Rijiju)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Reasi Terror Attack: রিয়াসির জঙ্গি হানার নিন্দায় সরব বলিউড

    Reasi Terror Attack: রিয়াসির জঙ্গি হানার নিন্দায় সরব বলিউড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ঘুম ভাঙল বলিউডের। এতদিন বলিউডের অভিনেতাদের মন পড়েছিল গাজায়। দিনকয়েক আগে “All Eyes on Rafah” শীর্ষক একটি পোস্টার বলিউডের একাংশ শেয়ার করায় আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছিল। এই নিয়ে বিতর্কেরও সৃষ্টি হয়েছিল। এখন কাশ্মীরের রিয়াসির ঘটনাতেও দেরিতে হলেও প্রতিক্রিয়া (Reasi Terror Attack) এসেছে বলিউডের তরফে। জম্মু কাশ্মীরের জেলায় হিন্দু তীর্থযাত্রীদের বাসে জঙ্গি হামলার জঘন্যতম ঘটনায় নিন্দা করেছেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া থেকে শুরু করে পরিণতি চোপড়া, সামান্থা রুথ প্রভু, কঙ্গনা রানাউত, অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান সহ আরও অনেকে।

    হামলার নিন্দা করেছেন কঙ্গনা রানাউত (Reasi Terror Attack)

    অভিনেত্রী তথা সাংসদ কঙ্গনা রানাউত সমাজ মাধ্যমে লেখেন, “আমি জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসিতে তীর্থযাত্রীদের উপর কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা করছি। যাত্রীরা বৈষ্ণোদেবী দর্শনে যাচ্ছিল এবং জঙ্গিরা তাঁদের গুলি করে কারণ তাঁরা হিন্দু ছিলেন। আমি মৃতদের জন্য প্রার্থনা করছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।” অভিনেত্রী পরিনীতি চোপড়া এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “রিয়াসি থেকে আসা ছবিগুলি দেখে হৃদয় ব্যথিত হয়ে গিয়েছে। মৃতদের পরিবারের জন্য প্রার্থনা, ঈশ্বর তাঁদের শক্তি দিন এবং আহতরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সুস্থ হয়ে উঠুক।”

    আরও পড়ুন: চিরঞ্জীবী থেকে অনিল কাপুর! মোদিকে অভিনন্দন বার্তা পর্দার তারকাদের

    বরুণ ধাওয়ান যিনি সম্প্রতি বাবা হয়েছেন শোক প্রকাশ করে সমাজ মাধ্যমে লেখেন, “রিয়াসিতে নিরপরাধ তীর্থযাত্রীদের উপর ভয়াবহ হামলায় বিধ্বস্ত। আমি এই কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। নিহতদের আত্মার জন্য প্রার্থনা করছি। নিহতদের এবং তাদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা,” গায়ক আরমান মালিক (Reasi Terror Attack) লিখেছেন, ” রিয়াসিতে নিরপরাধ তীর্থযাত্রীদের উপর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার বিষয়ে জানতে পেরেছি। আমার চিন্তাভাবনা এবং প্রার্থনা মৃতদের আত্মার সঙ্গে রয়েছে এবং আমি ক্ষতিগ্রস্তদের এবং তাঁদের পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই,” নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে আলিয়া (Reasi Terror Attack) বলেছেন, “এটি হৃদয়বিদারক। আমার হৃদয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে আছে। নিরপরাধের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনায় আমাদের পরিবার খুব কষ্ট পেয়ছে।” আলিয়ার পশাপাশি প্রিয়াঙ্কা চোপড়াও হামলার নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, ” আমি বিধ্বস্ত। নিরীহ তীর্থযাত্রীদের উপর এই জঘন্য হামলা ভয়াবহ। সাধারণ মানুষ ও শিশুরা কেন টার্গেট হল! বিশ্বজুড়ে আমরা যে ঘৃণা প্রত্যক্ষ করছি তা বোঝা খুব কঠিন।”

    হামলার দায় নিয়েছে “লস্কর এ তৈয়বা”

    শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রিয়াসির হামলায় (Reasi Terror Attack) ১০ জন প্রাণ হারিয়েছে এবং অনেকেই আহত হয়েছে। হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। রবিবার জঙ্গীদের অতর্কিত হামলার পর তীর্থযাত্রীদের বহনকারী বাসটি গভীর খাদে পড়ে যায়। পোনি এলাকার তেরিয়াথ গ্রামের কাছে কাটরায় শিবখোরি মন্দির থেকে মাতা বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরে যাওয়ার সময় হামলাকারীরা তীর্থযাত্রী বোঝাই বাসেই উপর গুলি চালায় এবং বাসটি গভীর খাদে পড়ে যায়। এই হামলায় দায় নিয়েছে লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন “দা রেসিস্টেন্স ফ্রন্ট।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court: কাউন্সেলিং চলবে, নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: কাউন্সেলিং চলবে, নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। এবার এরই মধ্যে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকার কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া নিয়ে বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।নিট ইউজি কাউন্সেলিং (NEET UG counselling) প্রক্রিয়ায় কোনও স্থগিতাদেশ জারি করল না আদালত। এরআগে অতীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় রায় দিয়েছে আদালত। তবে এবার এই মামলার রায়ে শীর্ষ আদালত কী নির্দেশ দেবে তা নিয়ে অনেকদিন ধরেই চর্চা চলছিল। অবশেষে এ বিষয়ে বিরাট নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের যে ঘটনা রয়েছে তা নিয়ে আয়োজক সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (NTA) থেকে জবাব তলব করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি আহসানউদ্দিনের আমানুল্লার অবকাশকালীন বেঞ্চ। 

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ (Supreme Court)

    মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে বলা হয়েছে, “কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া (NEET UG counselling) আমরা বন্ধ করব না। তবে মামলাকারীরা যদি আরও সওয়াল করেন, তাহলে মামলা খারিজ করে দেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা (Medical Entrance Exam) বাতিল করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বেশ কয়েকটা মামলা হয়। মামলাকারীদের তরফ থেকে বলা হয়, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গেই আরও বেনিয়ম হয়েছে। এদিন শীর্ষ আদালতে এই মামলারই শুনানি হয়।  

    আরও পড়ুন: জামাইষষ্ঠীর আগে আগুন দাম ফল-মিষ্টি থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের! নাভিশ্বাস মধ্যবিত্তের

    বিচারপতির মন্তব্য 

    মামলার শুনানিতে বিচারপতি আমানুল্লা এনটিএ-র আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বলেন, “যেহেতু পরীক্ষা নিয়ে অভিযোগ এসেছে তাই স্বচ্ছ ভাবেই যে পরীক্ষা হয়েছে এমনটা বলা যাচ্ছেনা। পরীক্ষার স্বচ্ছতা কোথাও একটা প্রভাবিত হয়েছে। আমরা তার জবাব চাই।” উল্লেখ্য, ১৭ মে এই পরীক্ষা নিয়ে হওয়া অন্য একটি মামলায় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ নোটিশ জারি করেছিল। সেই মামলার শুনানি ৮ জুলাই। আর সেদিনই এই মামলাটিরও শুনানি হতে পারে, এমনটাই জানিয়েছেন জানান এনটিএ-এর আইনজীবী।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Garulia: গারুলিয়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Garulia: গারুলিয়ায় বিজেপি নেতার বাড়িতে ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে গারুলিয়া (Garulia) পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু নগরে। আক্রান্ত বিজেপি নেতার নাম ধনঞ্জয় মালো। ইতিমধ্যেই তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Garulia)

    দলীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ধনঞ্জয় মালো বিজেপির নোয়াপাড়া (Garulia) মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, “আমার ছেলে অসুস্থ। ফলে, সোমবার সকাল সকাল শুয়ে পড়়েছিলাম। রাতে আচমকা তৃণমূলের লোকজন আমার বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়ির মেন গেট ভাঙচুর করতে থাকে। আওয়াজ শুনে আমি বা়ড়ির বাইরে বেরিয়ে আসি। সেই সময় বাইরের আলো জ্বালতেই দেখি, তৃণমূলের লোকজন বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমি ঘর থেকে বের হতেই, ওরা চলে যায়। মঙ্গলবার সকালে দেখি, আমার বাড়ির গেট ভাঙচুর করে একটি গেট নিয়ে চলে গিয়েছে। এদিন সকালে দলের এক কর্মী আমাদের বাড়িতে আসেন। এরপরই ওই কর্মীর দোকানে এদিন সকালে ভাঙচুর করা হয়। ফলে, তৃণমূল এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। পুলিশে অভিযোগ জানালে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এদিন সকালে কয়েকজন ফের আমার কাছে এসে থানা থেকে কেস তুলে নেওয়ার জন্য বলে। নাহলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের লোকজন।”

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপির বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা তৃণমূলের কালচার। দলীয় নেতার বাড়িতে হামলা চালানোর পাশাপাশি খুনের হুমকি দিচ্ছে তৃণমূলের লোকজন। আমরা আক্রান্ত নেতার পরিবারের পাশে রয়েছি। গারুলিয়া (Garulia) পুরসভার চেয়ারম্যান রমেন দাস বলেন, আমি বিষয়টা শুনেছি, যারা তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ভাঙিয়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে দল তাদের পাশে থাকবে না। দল এই ধরনের কাজ বরদাস্ত করে না। তবে, যতদূর জানি, এটা একটা পারিবারিক ঘটনা। তৃণমূল এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share